শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

সমুদ্রমন্থনকালে কিভাবে হলাহল উঠেছিল ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ -> http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_9.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ সমুদ্রমন্থনকালে কিভাবে হলাহল উঠেছিল 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🌳সমুদ্রমন্থনকালে কিভাবে হলাহল (অত‍্যন্ত বিষ) উঠেছিল,ভাগবতীয় ব‍্যাখ‍্যা🌳*
== == == == == == == ==।
*যে সর্পরাজ বাসুকী সাহায্যে পর্বত বেষ্টন (ঘেরা) করবার সময় দৈত‍্যগণ বাসুকীর মুখ ও দেবগণ বাসুকীর পুচ্ছ ধারণ করে মন্থন করছিলেন।* *তাতে বাসুকীর সহস্র বদন ও নেত্র হতে বিষাক্ত নিশ্বাসবায়ু বাহির হওয়ায় হতবীর্য‍্য (নিস্তেজ)মন্থনরত অসুরগণ তখন দাবাগ্নিদগ্ধ বৃক্ষের (বনে চারিদিকে আগুন লাগলে যেমন মধ্যেখানে থাকলে বেড়োনোর পথ থাকে না)মতো অবস্থান করতে লাগল। কিন্তু এইভাবে মথিত হইয়াও যখন সমুদ্রে অমৃত উৎপন্ন হল না,তখন ভগবান অজিত(যাঁকে জয় করা যায় না বা বিষ্ণু,শিব)স্বয়ংই মন্থন করতে আরম্ভ করলেন।* *নবজলধর-বিনিন্দিত শ‍্যামাবদাত (তপ্তকাঞ্চনবর্ণা সুন্দরী যুবতী)কান্তিবিশিষ্ট পীতবসনধারী আলুলায়িত-কেশ মন্থনরত ভগবান তখন ইন্দ্রনীল পর্বতের মতো অপরুপ শোভায় শোভিত হলেন।এইভাবে মন্থন করতে থাকলে সমুদ্র হতে তখন অতিউগ্র হলাহল নামক বিষ সমুত্থিত হল বা উঠিল।* *অতিউগ্র ঐ বিষ দেখে তখন লোকপালগণসহ(ইন্দ্র আদি অষ্ট দিকপালসহ)ত্রিলোকস্থ প্রজাসকল অতীব ভীত এবং নিরাশ্রয় হয়ে দেবাদিদেব সদাশিবের শরণাপন্ন হলেন ও নানাপ্রকার তাঁর স্তব করতে লাগলেন।* *স্তব প্রসঙ্গে তাঁরা বলতে লাগলেন,হে মহাদেব!হে ভূতাত্মন্!হে ভূতভাবন! ত্রিলোকের দাহজনক এই অতিউগ্র বিষ হতে আপনার শরণাপন্ন আমাদেরকে রক্ষা করুন।প্রলয়কালে আপনারই তৃতীয় নয়ন হতে সমুদ্ভূত(উৎপন্ন)অগ্নি দ্বারা এই জগৎ যখন ভস্মীভূত হয়ে যায়,তাতে আপনি ভ্রূক্ষেপও(দৃষ্টিপাতও) করেন না।*
*আমরা আপনাকে যদিও সংহারের কর্তা বলে জানি, তথাপি আপনি সর্বভূতান্তরাত্মা (সর্বভূতের অন্তরের আত্মা)ভূতস্রষ্টা বলে শরণাগত দুঃখহারক ও মোক্ষোপদেষ্টা (মুক্তির উপদেষ্টা) বলে আরাধনা করে থাকেন!হে বিভো!হে স্বপ্রকাশ!হে ভূমন্!আপনি জনগণ সত্ত্বাদিগুণরূপ স্বীয়(নিজ)অংশসম্ভুত মায়াদ্বারা এই জগতের সৃষ্টি,স্থিতি ও লয়কালে ব্রহ্মা,বিষ্ণু ওশিব এই তিন নামে অভিহিত হয়ে থাকেন।*
*আপনিই সদ্ সৎ প্রকাশক দুরভিগম‍্য(দুষ্প্রাপ‍্য,দুর্লভ)পরমব্রহ্ম।* *বিবিধ ঐশ্বর্য‍্যশালী আপনিই জগৎরূপে প্রকাশিত হয়েছে।* *এইভাবে মহাদেবের নির্বিশেষ (ভেদাভেদহীন) স্বরূপের স্তব করে অতঃপর ""অগ্নির্ধূখং তেহখিলদেতাত্মা"" প্রভৃতি শ্লোকে স্তব করে প্রজাপতিগণ বললেন,হে বিভো! "অগ্নি আপনার মুখ" "পৃথিবী আপনার পাদপদ্ম" "কাল আপনার গমন" "দিবাসমূহ কর্ণযুগল" "বরুণ জিহ্বা" "আকাশ নাভি" "বায়ু নিশ্বাস" "সূর্য‍্য,চক্ষু,চন্দ্র,মন এবং স্বর্গ আপনার মস্তক।* *এই মহোগ্র বা অতিউগ্র বিষ হতে জৎ রক্ষা করা আপনার পক্ষে কিছুমাত্র দুষ্কর কাজ নয়, কেননা আপনিই তো আপনার নেত্রানলের স্ফূলিঙ্গ শিখা দ্বারা পূর্বে কামদেব,দক্ষযজ্ঞ,ত্রিপুরাসুর,কালকুট প্রভৃতি বহু প্রকার প্রাণীপীড়কের বিনাশ সাধন করেছেন।* *অতএব হে মহেশ্বর!বিশ্বব্রহ্মান্ডের মঙ্গলের জন্যই আপনার প্রকাশ, সুতরাং এই হলাহল বিষ হতে আমাদের রক্ষা করুন।সৎ ও অসতের অতীত পরমপুরুষ ও সর্বব‍্যাপক যে আপনি, সেই আপনার স্বরূপতত্ত্ব নিশ্চয় করতে ব্রহ্মাদি দেবগণও সমর্থ হন না।* *আমরা তো ব্রহ্মার সৃষ্ট জীবের মধ্যে অতিশয় অর্বাচীন, সুতরাং কিভাবে আপনার স্তব করতে সমর্থ হব?তথাপি শক্তি অনুসারে যৎকিঞ্চিৎ স্তব করলাম।হে দেবাদিদেব! আপনি প্রসন্ন হন।*
        ক্রমাগত
*সবজীববন্ধু মহাদেব এইরূপে স্তুতিতে সন্তুষ্ট হয়ে সেই বিষপনা করার ইচ্ছায় দেবী ভবানীকে বললেন, হায়!হায়!ক্ষীরোদসাগর মন্থন করে যে বিষ উঠল তা প্রজাবর্গের কিরকম বিপদ উপস্থিত হয়েছে দেখ!হে ভদ্রে! যে পুরুষ সবজীবে কৃপা করেন,তার প্রতি সর্বাত্মা শ্রীহরি প্রীত হয়ে থাকেন,আর ভগবান হরি প্রীত হলে চরাচর বিশ্বের সঙ্গে আমিও প্রীত হয়ে থাকি।সুতরাং এই বিষ আমি পান করব,আমা হতে প্রজাগণের মঙ্গল হোক।* *দেবী ভবানী শঙ্করের প্রভাব অবগত হলেন,অর্থ‍্যাৎ (দেবতাগণের স্তুতিতে সন্তুষ্ট হয়ে,অন্তরে জানতে পারলেন যে,শ্রীহরিও সন্তুষ্ট হয়েছেন বলিয়া তিনিও যে আনন্দ পেয়েছেন তা ভবানী জানতে পারলেন।)* *সুতরাং মহাদেবের ঐ বিষপান তিনিও যখন অনুমোদন(সম্মতি) করলেন,তখন মহাদেব জগৎ জীবের প্রতি অনুগ্রহ করে সর্বত্র ব‍্যাপ্তপ্রায়(পরিপূর্ণপ্রায়) ঐ হলাহল বিষ করতল মাত্র পরিমিত করে পান করলেন।* *কিন্তু ঐ তীব্র বিষ স্বয়ং মহাদেবের প্রতিও নিজ বীর্য‍্য(বীরত্ব)প্রকাশ করল,বিষপানে মহাদেবের কন্ঠ নীলবর্ণ হয়ে গেল।তবে কৃপালু শিবের উহাও ভূষণস্বরূপ হল,তিনি তদবধি(সেই সময় থেকে )নীলকন্ঠ নামে পরিচিত হলেন।আর সেই হলাহল বিষ পানকালে মহাদেবের করতল হতে যে সামান্য বিষ গলিত হয়ে ভূমিতে পড়েছিল,তাহাই বৃশ্চিক,সর্প,বিষময় ওষধি সকল,এবং অপরাপর বিষযুক্ত জীবগণ পান করায় তারাও বিষযুক্ত হয়েছে।*
*বানান,ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয়।*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






adds