✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ ২৩. পরম বৈষ্ণব রুইদাস ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁পরম বৈষ্ণব রুইদাস 🙏 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*পরম বৈষ্ণব রুইদাস,(২৩ পর্ব)*
🌴🌴🌴🌴🌴🌴🌴🌴🌴
*মহারাজ!নিয়ে তো যাব কিন্তু ওঠাতে পারছি না যে---, মহারাজ বলছেন, সে কি কথা পুরোহিত মশাই? বলে মহারাজ সিংহাসন থেকে নেমে এলেন শালগ্রাম শিলার কাছে।বার বার চেষ্টা করেও এক চুলও নড়াতে পারলেন না। রুইদাস কাঁদছেন, নয়নজলে বক্ষ ভেসে যাচ্ছে।রাজা বুঝতে পারলেন, রুইদাস সত্যিকারের ভক্ত।রাজা রুইদাসের কাছে এসে ক্ষমা ভিক্ষা করলেন, সার্থক তোমার সাধনা রুইদাস,ধন্য তুমি,তোমার দর্শনে ধন্য আমি।এই শালগ্রাম শিলা রাজবাড়ীতে মানায় না, আর উনি এখানে থাকবেনও না।তুমি তোমার শালগ্রাম শিলা নিয়ে যাও,এঁর সেবা পূজো করবার সামর্থ আমার নেই। পরে ব্রাহ্মণদের বললেন, আপনারা আর কোনদিন রুইদাসের কর্মে বাধা দিবেন না,ঈর্ষাও করবেন না। রুইদাস সাধারণ মানুষ নহে,চর্মকারের ছদ্মবেশে কোন শাপভ্রষ্ট দেবতা। রুইদাস শালগ্রাম শিলা আবার বক্ষে করে নিয়ে এসে মন্দিরে রাখলেন। শালগ্রাম শিলা কেউ উঠাতে পারল না, এ সংবাদ চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ল।দেশ বিদেশের লোক এসে ভীড় করে রুইদাসের মন্দিরে। চিতোর থেকে এলেন রাজমহিষী ঝালী। তিনি এসে রুইদাসের কাছে দীক্ষা ভিক্ষা করলেন,রাণী ঝালী রুইদাসকে করজোড়ে বললেন কৃপা করুন আমাকে দীক্ষা দিন,আমাকে পথ দেখান। মনে বড় ময়লা জমেছে,ধুয়ে মুছে যেন পরিস্কার করতে পারি সেই পথ বলে দিন।*
*🍀রুইদাস বিস্মিত হয়ে বললেন, এ কি কথা বলছেন রাণীমা,আমি মূর্খ,লেখাপড়া জানি না, আমার কোন শাস্ত্রজ্ঞান নেই,তারপর আমি চর্মকার, আমি কি করে দীক্ষা দান করব, ভগবানের একটু কৃপা পাবার আশায় আমি কেঁদে বেড়াচ্ছি। আমি আপনাকে দীক্ষা দেব কি করে? তা আপনি যাই বলুন বাবা,আপনি আমার গুরু, আপনার কাছে দীক্ষা নিলে জাত যায় যাক, কিন্তু প্রাণে আমি বাঁচব।(বিশ্বাসে মেলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর।) আপনি আমাকে নিরাশ করবেন না। প্রজাগণ অসন্তুষ্ট হবে, রাজ্যের ব্রাহ্মণগণ আপনার নাম আর মুখে আনবে না। রুইদাস বললেন,রাণীমা!আপনি ফিরে যান,সন্ধান করুন আপনার সদ্ গুরু মিলে যাবে।*
*🌻রাণী রুইদাসের চরণের ওপর আছড়ে পড়লেন,দীক্ষা না নিয়ে আমি চিতোর ফিরে যাব না।রুইদাস মনে মনে বলছেন, ঠাকুর!তুমি আমাকে এ কি বিপদে ফেললে! যাইহোক শেষে চিতোরের রাণীকে রুইদাস দীক্ষা প্রদান করলেন।এই সংবাদে চিতোরের ব্রাহ্মণগণ রাণীর বিরুদ্ধাচারণ করতে লাগলেন।শেষেরাণী গুরুর শরণাপন্ন হ'লে রুইদাস বললেন,বিরুদ্ধাচারী ব্রাহ্মণদের একদিন পরম পরিতুষ্টি সহকারে নিমন্ত্রণ করে সেবা দিন।সেবা হয়ে গেলে প্রত্যেককে ষোল আনা ভোজন দক্ষিণা দেবেন,দেখবেন সব ঠিক হয়ে গেছে। রাণী বললেন, বেশ তাই হবে বাবা।ঐদিন আপনি যদি পদধূলি দেন তাহলে আমি শান্তি পেতাম।না মা তাহলে আপনার সব আয়োজন ব্যর্থ হবে। তখন কেউ সেবা করবেন না।আমি যে চর্মকার মা।আমার উপস্থিতিতে তাঁরা অবশ্যই রুষ্ট হবেন। তাঁরা পরিতুষ্ট হোন।আপনার মন শান্তি হোক এই আমি চাই।রাণী,চিতোরে ফিরে বেশ ধূমধাম করে ব্রাহ্মণ সেবার ব্যবস্থা করলেন।ব্রাহ্মণগণ পংক্তি ভোজনের সময়ে দেখেন যে দুইজন ব্রাহ্মণের পাশে একজন রুইদাস বসে আছেন।এ কি আশ্চর্য্য ব্যাপার!যেদিকে দেখে সেইদিকেই রুইদাস।তখন ব্রাহ্মণগণ বুঝলেন সত্যিই রুইদাস সাধারণ মানুষ নন।মুচি হলেও রুইদাস অত্যন্ত শুচি।লজ্জায় ব্রাহ্মণগণের মাথা হেঁট হয়ে যায়।পরবর্তী কালে এই সকল ব্রাহ্মণগণ দলে দলে এসে রুইদাসের কাছে দীক্ষা নিয়ে শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন। আহা-হা এমন গুরুদেব ক'জনার ভাগ্যে মেলে?*
*🙏বানান,ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয়🙏*
ক্রমশ
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ📱7001138871꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
