✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ ব্রহ্মানন্দ ভারতী ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🙏🙏ব্রহ্মানন্দ ভারতী🙏🙏*
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
*পরমানন্দ পুরীর মত ব্রহ্মানন্দ ভারতীও শ্রীমাধবেন্দ্র পুরীর শিষ্য, ঈশ্বর পুরীর সতীর্থ বা গুরুভাই।সেই সম্বন্ধে মহাপ্রভুর গুরুস্থানীয়।একদিন মুকুন্দ দত্ত এসে মহাপ্রভুকে বললেন, নীলাচলে ব্রহ্মানন্দ ভারতী এসেছেন, তোমাকে দর্শন করতে চান।যদি বলো তো তাঁকে নিয়ে আসি।তাঁকে এখানে আনবে কী,আমি নিজে যাব তাঁর কাছে।মহাপ্রভু বললেন,সশ্রদ্ধ কন্ঠে, তিনি আমার গুরুদেবের গুরুভাই, আমার নমস্য, চলো আমাকে তাঁর কাছে নিয়ে চলো।ভক্তগণ সঙ্গে নিয়ে মহাপ্রভু ব্রহ্মানন্দের স্থানে এসে উপস্থিত হলেন। দেখলেন,ব্রহ্মানন্দ মৃগ চর্ম পরে বসে আছেন।ভারতী গোঁসাই কোথায়?মহাপ্রভু মুকুন্দকে জিজ্ঞেস করলেন।সে কী?তিনি তো তোমার সামনেই বসে আছেন। মুকুন্দ অবাক মানলেন। না,না,ইনি নন,তুমি অজ্ঞান,তুমি এককে অন্য মনে করছ। প্রভু! ইনিই তো ভারতী গোঁসাই।মহাপ্রভু বললেন,ইনি তো চর্ম পরে বসে আছেন।ভারতী গোঁসাই চর্ম পরতে যাবেন কেন?*
*🌻চকিতে ব্রহ্মানন্দের জ্ঞান হল,বুঝতে পারলেন যে গৌরহরি চর্মাবরণ পছন্দ করছেন না।চর্মে দম্ভই প্রকাশ করা হচ্ছে,ত্যাগের দম্ভ।যেন জাঁক করে দেখানো হচ্ছে,আমি কতবড় সাধু,পশুচর্ম পরিধান করেছি।যেখানে দম্ভ সেখানে আর যেই থাকুক না কেন,ভগফান নেই।সত্যিই তো চর্মাবরণ পরে কী ফল হল, এখনো তো সংসার থেকে উদ্ধার পেলাম না।আর পরব না চর্মাবরণ।মহাপ্রভু ব্রহ্মানন্দের অন্তর বুঝতে পারলেন। সুতোর বহির্বাস আনালেন, ব্রহ্মানন্দ চর্মাবরণ ছেড়ে বসন পরলেন।অহমিকার ভার থেকে মুক্ত হয়ে গেলেন।মহাপ্রভু তখন তাঁকে প্রণাম করলেন।ব্রহ্মানন্দ বললেন,বুঝলাম তোমার আচরণ লোকশিক্ষার জন্যে,তাই তুমি আমাকে,আমি শুধু গুরুস্থানীয় বলে,প্রণাম করলে। কিন্তু দ্বিতীয়বার তুমি নতি স্বীকার করো না।তোমার প্রণাম নিতে আমার ভয় হচ্ছে। কেন,ভয় কেন?বর্তমানে নীলাচলে দুই ব্রহ্ম প্রকট =অচল আর সচল।অচল ব্রহ্ম মন্দিরে, আর সচল ব্রহ্ম তুমি।*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ ব্রহ্মানন্দ ভারতী ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*অচল ব্রহ্ম মন্দিরে আর সচল ব্রহ্ম তুমি,আমার নয়নের সম্মুখে।অচল ব্রহ্ম শ্যামলবরণ আর সচল ব্রহ্ম গৌরবরণ।দুই ব্রহ্মই জগওত্রাতা। মহাপ্রভু বললেন,তুমি ঠিক বলেছ, শ্যামব্রহ্ম জগন্নাথ অচল আর তুমি গৌরবর্ণ,নামেও ব্রহ্মানন্দ, সুতরাং তুমিই সচল গৌরব্রহ্ম।নীলাচলে দুই ব্রহ্ম আবির্ভূত হয়েছেন তাতে আর সন্দেহ কী।ব্রহ্মানন্দ সার্বভৌমকে সাক্ষী মানলেন,তুমি মীমাংসা করে দাও,আমি মহাপ্রভুকে ব্রহ্মা বলেছি,উনি আমাকে ব্রহ্ম বলছেন।এখন দেখ কে কাকে শাসন করলেন,আমি চর্মাবরণ পরেছিলাম বলিয়া উনি আমাকে শাসন করলেন,আমি সেই শাসন মেনে নিলাম।এখন বলো কে নিয়ন্তা আর কে নিয়ন্ত্রিত।কে শাসক আর কে শাসিত।কে ব্রহ্ম আর কে জীব। সার্বভৌম বললেন,ভারতী! তোমার যুক্তিই যথার্থ, সুতরাং তোমারই জয়।ভারতীরই তো জয় হবে,মৃদুহাসি মুখে বললেন মহাপ্রভু,কেন-না ভারতী গুরু,আমি শিষ্য।তর্কবিচারে চিরদিনই গুরুর জয় আর শিষ্যের পরাজয়। ব্রহ্মানন্দ বললেন,তুমি যে পরাজয় হয়েছে,তাতে কোন সন্দেহ নেই কিন্তু সে পরাজয় তুমি আমার শিষ্য বলে নয়,সে পরাজয় তুমি ব্রহ্ম বা ভগবানের বলে।(ভক্তাধীন ভগবান )।*
*🌻ভক্তের কাছে ভগবান তো চিরপরাজিত।আশ্রিতবাৎসল্যই তো ভগবানের,তোমার চিরন্তন স্বভাব।সেই স্বভাবগুণে তুমি হারলে আমার কাছে।আমি আজ ম-নিরাকার ধ্যান করেছি, কিন্তু কি আশ্চর্য্য, তোমার দেখমাত্রই আমার অদ্ভুত অনুভব হচ্ছে।অনুভব এই,যেন স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ আমার সামনে উপনীত হয়েছেন।মনে আর নয়নে দুই স্থানেই শ্রীকৃষ্ণ দর্শন করছি আর মুখে আপনা থেকেই কৃষ্ণনাম স্ফুরিত হচ্ছে।*
*কৃষ্ণনাম মুখে স্ফুরে মনে নেত্রে কৃষ্ণ।*
*তোমাকে তদ্রুপ দেখি হৃদয় সতৃষ্ণ।।*
*🌻কী বলেছিলেন বিল্বমঙ্গল?বলেছিলেন,আমরা অদ্বৈত পথের পথিকদের আরাধ্য ছিলাম,তাদের আনন্দের রাজসিংহাসনে প্রতিষ্ঠিত থেকে সর্বদা পূজো পেতা,কোন গোপীজনবল্লভ শঠ বলপ্রয়োগ করে আমাদের তাঁর দাস করে ফেলেছে। অদ্বৈতপথে সকলের পূজা পেয়ে যে আনন্দ পেতাম,শ্রীকৃষ্ণদাস্যের আনন্দের তুলনায় তা অকিঞ্চিৎকর।কৃষ্ণদাসের কত বড় ভাগ্য।যিনি অজিত,যিনি সর্ববিশ্বের অধীশ্বর,অদ্বৈতবাদীদের ব্রহ্ম যাঁর অঙ্গকান্তিমাত্র,তাঁকে জয় করতে পারে,বশীভূত করতে পারে,একমাত্র তাঁর দাস।স্বতন্ত্র হয়ে শ্রীকৃষ্ণ তাঁর দাসের কাছে পরাজিত,দাসের কাছে পরাধীন।*
*🌻মহাপ্রভু বললেন,তুমি যে আমাকে কৃষ্ণের তুল্য দেখছ, সে আমার মহিমা নয়,তোমারই মহিমা,তোমারই কৃতিত্ব।শ্রীকৃষ্ণে তোমার গাঢ় প্রীতি, তাই সর্বত্র তোমার কৃষ্ণস্ফুরণ।যাদের ইষ্টে অনুরাগ,তাঁরা বস্তুতে স্বরূপ দেখেন না,ইষ্টেরই স্ফূর্তি দেখেন। এবারে সার্বভৌম মীমাংসা করে দিলেন,বললেন,মহাপ্রভু তুমি কৃষ্ণরূপে ভারতীকে দর্শন দিচ্ছ বলেই ভারতী তাঁর কৃষ্ণপ্রেমের গুণে তোমাকে দেখছেন কৃষ্ণরূপে।একদিকে তোমার কৃপা,আরেকদিকে ভারতীর প্রেম।তুমি যদি কৃপা না করো তাহলে কে তোমাকে দেখে বলো!আর যদি লোকের প্রাণে প্রেম না থাকে,তাহলে শ্রীকৃষ্ণ সামনে এসে দাঁড়ালেও তাঁকে দেখে তার সাধ্য কী! বিষ্ণু!বিষ্ণু! উচ্চারণ করলেন শ্রীমনমহাপ্রভু, বললেন,এ যে তুমি অতি স্তুতি করছ,অতি স্তুতি নিন্দারই নামান্তর। যাইহোক,ভারতীকে মহাপ্রভু নিজের স্থানে নিয়ে গেলেন,রাখলেন নিজের কাছে।যখন মন্দিরে যান জগন্নাথদর্শনে,তখন তাঁর আগে আগে চলেন পরমা*
*নন্দপুরী আর ব্রহ্মানন্দ ভারতী।*
*🙏বানান, ভুল মার্জনীয়🙏*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ📱7001138871꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
