শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

চন্দ্রশেখর বৈদ‍্য ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/10/blog-post_85.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                       ꧁ চন্দ্রশেখর বৈদ‍্য ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂ 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🌻🌻🌻চন্দ্রশেখর বৈদ‍্য🌻🌻🌻*
*চন্দ্রশেখর বৈদ‍্য কাশীবাসী,তিনি জাতিতে বৈদ‍্য।শুধু লিখন বৃত্তির উপর নির্ভর করে জীবিকানির্বাহ করেন।বৈদান্তিক সন্ন‍্যাসীর দল কাশীতে তখন মায়াবাদ প্রচার করছেন।ষড়দর্শনের ব‍্যাখ‍্যায় তাঁরা মত্ত হয়েছেন।ভক্তির নাম-গন্ধও নেই কোথাও।চন্দ্রশেখর বৈষ্ণব,তাঁর বন্ধু শ্রীতপন মিশ্র।তাঁরা দুইজনে একত্রিত হয়ে বসেন এবং কৃষ্ণকথা বলে চরম আনন্দ পান, আর নয়নজলে ভেসে যান।এই সময়ে মহাপ্রভু বৃন্দাবনের পথে কাশীতে এসেছেন,উঠেছেন তপন মিশ্রের গৃহে।ভিক্ষা শেষে মহাপ্রভু বিশ্রাম করছেন আর তপন মিশ্রের পুত্র রঘুনাথ মহাপ্রভুর পদসেবা করছেন।চন্দ্রশেখর,তপন মিশ্রের সঙ্গে দেখা করতে এলেন, এসে দেখেন আজানুলম্বিত ভূজ শ্রীমন্মহাপ্রভু বিশ্রামে আছেন, দেখা মাত্র চন্দ্রশেখর মহাপ্রভুর শ্রীচরণে লুটিয়ে পড়লেন এবং অঝোর নয়নে কাঁদতে লাগলেন। চন্দ্রশেখর বললেন,প্রভু!কাশী আর ভালো লাগে না,শুধু কর্মফলে এখানে পড়ে আছি। মহাপ্রভু বললেন,কেন,কাশী কী দোষ করল? চন্দ্রশেখর বললেন, এখানে মায়া-ব্রহ্ম ছাড়া আর অন‍্যকোন শব্দ নেই। দিনরাত শুধু ষড়দর্শনের ব‍্যাখ‍্যা।তাদের কাছে কৃষ্ণ নেই,ভক্তি নেই,প্রেম নেই,তাই আমার এখানে সুখও নেই।তা ছাড়া, তা ছাড়া আবার কী? সন্ন‍্যাসীগণ শুধু তোমার নিন্দে করে বেড়াচ্ছে, এ আর সহ‍্য করতে পারছি না।হমাপ্রভু শুধু মৃদু-মৃদু হাসতে লাগলেন।তুমি এখানে কিছুদিন থাকো, মহাপ্রভু বললেন, থাকব। কিন্তু ভিক্ষে করবে আমার গৃহে,তপন মিশ্র বললেন।তাই হবে।*


*ভক্তাধীন ভগবান,ভক্তের ভক্তিবশে স্বীকার করলেন মহাপ্রভু।এই কথোপকথনের মধ্যে হঠাৎ এক মারাঠী ব্রাহ্মণ এসে হাজির হলেন।বললেন,নাম শুনে এখানে এসেছি, কিন্তু দরশন এত চমৎকার হবে ভাবতে পারিনি।আপনাকে আমন্ত্রণ করতে এলাম,বললেন,মারাঠী ব্রাহ্মণ। কিন্তু এই মারাঠী ব্রাহ্মণ কৃষ্ণবিমুখ,মায়াবাদী সন্ন‍্যাসীগণের সঙ্গে সঙ্গ করেন, কে-বা জানে ক'জন অমন সন্ন‍্যাসীকে নিমন্ত্রণ করে বসলেন! যারা কৃষ্ণবিমুখ তাদের সঙ্গ করতে সম্মত নন মহাপ্রভু। মহাপ্রভু বললেন,আমার নিমন্ত্রণ তপনের গৃহে পাকা হয়ে রয়েছে, আমি যে কয়দিন কাশীতে থাকব তপেনর গৃহেই ভিক্ষা পাব। তারপর মহাপ্রভু,চন্দ্রশেখরের গৃহে এলেন।দেখা করে কৃষ্ণকথোপকথন করে বৃন্দাবনের পথে চলে গেলেন।*
*🌻বৃন্দাবন থেকে ফেরার সময় পৌঁছেছেন কাশীতে,চন্দ্রশেখর স্বপ্নে দেখলেন যে মহাপ্রভু তাঁর গৃহে এসেছেন।ভোর হতে না হতেই চন্দ্রলেখর গ্রামের বাইরে এসে মহাপ্রভুর প্রতীক্ষা করতে লাগলেন। সত‍্যই দেখা গেল মহাপ্রভু আসছেন,তাঁকে দন্ডবৎ প্রণাম জানিয়ে নিজালয়ে নিয়ে এলেন। সংবাদ পেয়ে ছুটে এলেন তপন মিশ্র। (মহাপ্রভুর এমনই রূপ ছিল যে কোনরকমে একজন দূর থেকে দেখলেই হল,এক থেকে দুই,দুই থেকে কুড়ি,আর কুড়ি থেকে কোটি লোক জানতে পারতেন।)এবারে চন্দ্রশেখর ও তপনকে নিয়ে শুরু হল কৃষ্ণকথা ও কৃষ্ণকীর্তন। মহাপ্রভু চন্দ্রশেখরকে বললেন,দেখ তো,দরজায় একজন বৈষ্ণব এসে বসেছেন,তাঁকে ভেতরে নিয়ে এসো।চন্দ্রশেখর গৃহের গিয়ে দেখলেন কোন বৈষ্ণব দেখতে পেলেন না,দরজায় কোন বৈষ্ণব বসে নেই।তবে কে আছেন?একজন দরবেশ বসে আছেন,মুখে গোঁফ-দাড়ি,অঙ্গে ভেট-কম্বলও হাতে করোয়া।*
*চন্দ্রশেখর বিরাম অংশ*
*মহাপ্রভু বললেন, ঐ দরবেশকেই ডেকে ভেতরে নিয়ে এসোডাক শুনে দরবেশ অঙ্গনে এসে দাঁড়াল।তাঁকে দেখে মহাপ্রভু ছুটে এসে আলিঙ্গন করলেন।দরবেশ বললেন,আমাকে ছুঁয়ো না,আমাকে ছুঁয়ো না,দরবেশ মুক্ত হতে চাইলেন।মহাপ্রভু বললেন, তোমাকে ছোঁব না কেন?তোমাকে না ছুঁইলে পবিত্র হব কী করে?কথা শুনে চন্দ্রশেখর বিমূঢ়,হতবাক।*
*প্রভু কহে তোমা স্পর্শি পবিত্র হইতে।*
*ভক্তি বলেসপার তুমি ব্রহ্মান্ড শোধিতে।।*
*🌻মহাপ্রভু তাঁকে হাত ধরে এনে বসালেন।মহাপ্রভু নিজের হাতে মুছে দিতে লাগলেন গায়ের ধূলো। জিজ্ঞেস করলেন,কেমন করে পালিয়ে এলে? দরবেশ(সনাতন) বললেন,আমি পালালাম কোথা, তুমিই তো উদ্ধার করে আনলে।মহাপ্রভু,তপন ও চন্দ্রশেখরকে কাছে ডাকলেন, বললেন,ইনিই সনাতন গোস্বামী, হুসেন শাহর প্রধানমন্ত্রী।শ্রীকৃষ্ণ সনাতন কে রৌরব নরক হতে উদ্ধার করে এনেছেন, তাঁর পরিচর্যা কর। বললেন,তপন!একে ক্ষৌরকারের কাছে নিয়ে যাও,এঁকে ক্ষৌরকর্ম করিয়ে, আর চন্দ্রশেখর তুমি,সনাতনকে গঙ্গাস্নান করিয়ে একখানা বস্ত্র দাও। স্নানান্তে সনাতনকে একখানি নববস্ত্র দিলেন।সনাতন নববস্ত্র নিলেন না, বললেন,আমাকে একখানা পুরোনো ধুতি দাও,তাকেই ছিন্ন করে আমি কৌপিন ও বহির্বাস বানাব।🌻
*🌻তারপর যেইদিন বৈদান্তিক সন্ন‍্যাসীদের গর্বপর্বত চূর্ণ করলেন মহাপ্রভু,সকলকে কৃষ্ণনাম প্রসাদ দান করলেন, সন্ন‍্যাসীগণও "কৃষ্ণ" "কৃষ্ণ" বলতে লাগলেন,তখন চন্দ্রশেখরভবনে সে কী আনন্দ!আগে অতি নিন্দন ছিল, এখন তাদের অভিনন্দন।*
*বেদময় মূর্তি তুমি সাক্ষাৎ নারায়ণ*।
*ক্ষম অপরাধ পূর্বে যে কৈনু নিন্দন।।*
*🌻চন্দ্রশেখর ভবনে সারারাত কীর্তন হল।ছিলেন চন্দ্রশেখর, তপন মিশ্র, তপনের পুত্র রঘুনাথ, পরমানন্দ কীর্তনীয়া আর বলভদ্র ভট্টাচার্য্য। এক আশ্চর্য‍্য দর্শন হয়েছিল, কি আশ্চর্য‍্য দর্শন!সেই মারাঠী ব্রাহ্মণও কীর্তনে গলি মিলিয়েছিলেন। তারপরে মহাপ্রভু বললেন,বহুদিন হল,কাশী ছেড়ে এবার নীলাচলের দিকে যেতে হবে।চন্দ্রশেখর বললেন,আমিও তোমার সঙ্গে যাব।আরো অনেকেই ছিলেন তাঁরাও সঙ্গী হতে চাইলেন।মহাপ্রভু বললেন না,আমি একা যাব। সান্ত্বনাবাক‍্যে সকলকেই নিবৃত্ত করলেন মহাপ্রভু।তোমরা কাশীতেই থাক,কাশীক্তির সৌরভ ছড়াও।*
*🌻বৃন্দাবনে যাচ্ছেন জগদানন্দ,তাঁর সঙ্গে চন্দ্রশেখর দেখা করলেন, মহাপ্রভু কেমন আছেন, ভাল আছেন তো? তারপর যখন শুনলেন রঘুনাথ নীলাচলে যাচ্ছে তাঁকে চন্দ্রশেখর বললেন,মহাপ্রভুকে আমার দন্ডবৎ জানিও,বলবে আমি কাশীতেই আছি।*
*🙏বানান, ভুল মার্জনীয়🙏*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
  
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


adds