শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রীগুরুতত্ব 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/10/home-page-pdf-httpsmrinmoynandy_13.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                          ꧁ শ্রীগুরুতত্ব 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
প্রধানত গুরু দুই প্রকার দীক্ষাগুরু এবং শিক্ষাগুরু। শ্রীগুরুদেব শ্রীকৃষ্ণ এবং শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর প্রিয়তম ভক্ত;  এটাই দীক্ষা গুরুর স্বরুপ বা তত্ব। শ্রীগুরুদেব স্বরূপত শ্রীকৃষ্ণের প্রিয়ভক্ত হলেও, শিষ্য তাঁকে শ্রীকৃষ্ণের অংশ বা প্রকাশ বা আবির্ভাব বলেই মনে করবেন।

শ্রীমদ্ভাগবতের একাদশ স্কন্দের শ্লোকে বলা হয়েছে আচার্যদেবকে (শ্রীগুরুদেবকে) শ্রীকৃষ্ণ বলেই জানবে। কখনো তাহার অবমাননা করবেনা। মনুষ্য চেতনায় তাহার প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশ করবেনা; কারণ শ্রীগুরুদেব সর্বদেবময়। সুতরাং শ্রীমদ্ভাগবতের প্রমাণ অনুযায়ী শ্রীগুরুদেবকে শ্রীকৃষ্ণ থেকে অভিন্ন মনে করাই শ্রেয়।
তবে অর্চন বিধির ক্ষেত্রে শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন প্রথমে শ্রীগুরুদেবকে পূজা করে তারপর আমার পূজা করবে। এ রূপ যে করে থাকেন, তিনি ভক্তিযোগে অনুরাগ লাভ করতে পারেন।  অন্যথা তাহার সকল সেবাই নিস্ফল হয়। প্রথমে শ্রীগুরুপূজা তাহারপর শ্রীকৃষ্ণপূজা ভগবান নির্দেশিত এই তত্ত্বের মাধ্যমে বোঝা যায় স্বরূপত তাহারা এক নন। তবে শ্রীগুরুদেবকে শ্রীকৃষ্ণরুপে মনে করার যে আদেশ, তাহার তাৎপর্য  হলো শ্রীগুরুদেব শ্রীকৃষ্ণের মতোই পূজ্য। অর্থাৎ শ্রীগুরুদেব প্রিয়তমাংশ এবং পূজ্যতমাংশে শ্রীকৃষ্ণের সহিত অভিন্ন, কিন্তু স্বরুপাংশ পৃথক। 
শ্রীমদ্ভাগবতে(১১|১৭|২৭) উদ্ধৃত আছে ---
আচার্যং মাং বিজানীয়ান্নাবমন্যেত কহিচিৎ।
না মর্ত্যবুদ্ধ্যাসূয়েত সর্বদেবময়ো গুরুঃ।।
শ্রীগুরুদেবের যোগে; ভগবান শ্রীকৃষ্ণই ভক্ত গণকে কৃপা করেন অর্থাৎ দীক্ষা দান করেন। শ্রীকৃষ্ণের শক্তিতে শক্তিমান হয়েই শ্রীগুরুদেব তাহার শিষ্যকে দীক্ষা দানের মাধ্যমে কৃপা বর্ষণ করে থাকেন বলে শ্রীগুরুদেবকে কৃষ্ণ তুল্য বলে মনে করা হয়।

শিক্ষাগুরু অন্তর্যামী বা ভক্তশ্রেষ্ট। তিনি প্রত্যেক শিষ্যের মধ্যে বিরাজিত অন্তর্যামী পরমাত্মাকেও শিক্ষা প্রদান করেন এবং তাহার মধ্যে সূক্ষ পরমাত্মাকে শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে সতন্ত্র করে থাকেন।
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত(আদিলীলা প্রথম-পরিচ্ছেদ) উদ্ধৃত আছে:-
যদ্যপি আমার গুরু চৈতন্যের দাস।
তথাপি জানিয়ে আমি তাঁহার প্রকাশ।।
গুরু কৃষ্ণরুপ হন শাস্ত্রের প্রমাণে ।
গুরুরুপে কৃষ্ণ কৃপা করেন ভক্তগণে ।।

গুকারশ্চান্ধকারঃ স্যাদ্ রুকারন্তন্নিরোধকঃ ।
অন্ধকারনিরোধিত্বাৎ গুরুরিত্যভিধীয়তে ।।
অনুবাদ- “গু” শব্দের অর্থ অন্ধকার , ‘রু” শব্দ উহার নিরোধক । অন্ধকার নিরোধ করেন বলিয়া “গুরু” শব্দ কথিত হয় ।

জীবের অজ্ঞানরূপ অন্ধকার দূরীকরণে যিনি সমর্থ, তাঁহাকে বলা যায়- গুরু। জীবের জন্ম জন্মের অজ্ঞান বা অবিদ্যার নাশ করিতে পারেন একমাত্র শ্রীগুরুদেব । শিষ্যকে পরম শ্রেয়ঃ দান করতে পারেন একমাত্র তিনি- যিনি স্বয়ং তত্ত্বজ্ঞ বা ব্রহ্মজ্ঞ, যিনি ঐশী শক্তির মূর্ত প্রকাশ । শ্রীগুরুদেবের সহিত আমাদের সম্পর্ক জন্ম-জন্মান্তরের। ভগবান শ্রীকৃষ্ণই শিষ্যকে উদ্ধারের নিমিত্তে গুরুরুপে আবির্ভূত হন।
              🙏🙏🙏 পরম গুরুদেব 🙏🙏🙏

গুরুগীতা (সদাশিব কর্ত্তৃক ) উদ্ধৃত আছে:-
অজ্ঞানতিমিরান্ধস্য জ্ঞানাঞ্জন – শলাকয়া ।
চক্ষুরুন্মীলিতং যেন তস্মৈ শ্রীগুরুবে নমঃ ।।
অনুবাদ -যিঁনি জীবের নয়ন জ্ঞান রূপ শলাকা দ্বারা উন্মীলিত করেন সেই গুরুকে নমস্কার ।

এই চোখ বলতে ইন্দ্রিয় চোখ নয় বরং অন্তরের চোখের কথাই বলা হয়েছে । জীবের অন্ধকারাচ্ছন্ন মনকে শ্রীগুরুই জ্ঞানালোক দ্বারা আলোকিত করতে পারেন । গুরুগীতায় স্বয়ং ভগবান শিব গুরু তত্ত্ব ব্যাখা করেছেন । সদ্গুরুই সদাশিব । গুরু তত্ত্ব এক । সকল গুরুর মধ্যেই এক “গুরুতত্ত্ব” বর্তমান । তাই অপরের গুরুর নিন্দা করলে নিজো গুরুর নিন্দা হয়। গুরুতত্ত্ব ও শিবতত্ত্ব এক। সদ্গুরুই সদাশিব।

গুরুর্ব্রহ্মা গুরুর্বিষ্ণু গুরুর্দেবো মহেশ্বরঃ ।
গুরুরেব পরং ব্রহ্ম তস্মৈ শ্রীগুরুবে নমঃ ।।
অনুবাদ- গুরুই ব্রহ্মা, গুরুই বিষ্ণু , গুরুই মহেশ্বর । গুরুই পরমব্রহ্ম । সেই শ্রীগুরুদেবকে নমস্কার ।

শিষ্যের কাছে তাঁর গুরুই পরমব্রহ্ম । তিনি ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ । শিষ্যের উচিৎ নিজ গুরুকে সেই ভাবেই দেখা । তবে অন্য গুরুর অপমান নয়, বরং অন্যের গুরুদেবকেও সম্মান – ভক্তি প্রদর্শন করা শিষ্যের কর্তব্য । গুরুপূজা না করে যারা তীর্থ, যাগ-যজ্ঞ, পূজা, শাস্ত্র পাঠ করে তাহাদের সকল কিছু বৃথা হয়ে যায়।

শ্রীল সনাতন পাদ গোস্বামী তাহার গুরু বন্দনায় গুরুদেবের তত্ব উদ্ধৃত করেছেন, নিম্নে বন্দনা তুলে ধরলাম।
শ্রীগুরু বন্দনা:-
আশ্রয় করিয়া বন্দো শ্রী গুরু চরণ।
যাহা হইতে মিলে ভাই কৃষ্ণ প্রেমধন।।
জীবের নিস্তার লাগি নন্দসুত হরি।
ভুবনে প্রকাশ হন গুরু-রুপ ধরি।।
মহিমায় গুরু-কৃষ্ণ এক করি জান।
গুরু অজ্ঞা হৃদে সব সত্য করি মান।।
সত্য জ্ঞানে গুরু বাক্যে যাহার বিশ্বাস।
অবশ্য তাহার হয় ব্রজ ভুমে বাস।।
যার প্রতি গুরুদেব হন পরসন্ন।
কোন বিঘ্নে সেহ নাহি হয় অবসন্ন।।
কৃষ্ণ রুষ্ট হৈলে গুরু রাখিবারে পারে।
গুরু রুষ্ট হৈলে কৃষ্ণ রাখিবারে নারে।।
গুরু মাতা গুরু পিতা গুরু হন পতি।
গুরু বিনা এ সংসারে নাহি আর গতি।।
গুরুকে মনুস্য জ্ঞান না কর কখন।
গুরু নিন্দা কভু কর্নে না কর শ্রাবণ।।
গুরু নিন্দুকের মুখ কভু না হেরিবে।
যথা হয় গুরু নিন্দা তথা ন যাইবে।।
গুরুর বিক্রিয়া যদি দেখহ কখন।
তথাপি অবজ্ঞা নাহি কর কাদাচন।।
গুরু পাদ পদ্মে যার রহে নিষ্ঠা ভক্তি।
জগৎ তারিতে সেই ধরে মহা শক্তি।।
হেন গুরু পাদ পদ্ম করহ বন্দনা।
যাহা হৈতে মিলে ভাই সকল যন্ত্রণা।।
গুরু পাদ পদ্ম নিত্য যে করে বন্দন।
শিরে ধরি বন্দি আমি তাহার চরণ।।
শ্রী গুরু চরণ পদ্ম হৃদে করি আশ।
শ্রী গুরু বন্দনা করে সনাতন দাস।।
এই উক্ত শ্রীগুরু বন্দনার মাধ্যমে বোঝা যায় শ্রীগুরুদেবের কৃপা বিহীন, আমার যতো ভজন সাধন করি না কেনো সকল কিছু বৃথা। শ্রীগুরুদেব আমাদের যতক্ষন না কৃপা করেন, আমরা কখনো কৃষ্ণ পথে উত্তীর্ণ হতে পারবো না।
শ্রীগুরুদেব হলেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সহিত একমাত্র সংযোগ স্থাপনের কান্ডারী। শ্রীগুরুদেব যদি কোন শিষ্যের প্রতি কৃপা দৃষ্টি না রাখেন, তাহলে কৃষ্ণের ইচ্ছা থাকলেও আপনায় তিনি কৃপা করবেন না। আমি খুব খুব সামান্য জীব শ্রীগুরু তত্ব সম্পূর্ণ ভাবে প্রকাশ করতে আমার সারা জীবন অতিবাহিত হয়ে যাবে তাও আমি পূর্ণ রুপে শ্রীগুরুতত্ব প্রকাশ করতে পারবো না, তাই খুব সংক্ষিপ্ত আকারে প্রকাশ করলাম। 
🙏🙏🙏 কিছু ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমা করবেন 🙏🙏🙏 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    ꧁ শ্রীশ্রীগম্ভীরা মহাপীঠের আচার্য্য পরম্পরা꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧            
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


adds