শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

বৈষ্ণবাচার্য্য শ্রীজীব গোস্বামীর অপ্রকট তিথি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/12/blog-post_545.html

 


  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧    
꧁ বৈষ্ণবাচার্য্য শ্রীজীব গোস্বামীর অপ্রকট তিথি ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই ꧂
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই  ꧂
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*#পৌষী_শুক্লা_তৃতীয়া_তিথি* ।

*#বৈষ্ণবাচার্য্য_শ্রীজীব_গোস্বামীর_অপ্রকট_তিথি*   ।

কথায় বলে সংস্কার তৈরি হয় পারিবারিক পরিবেশ থেকেই। পরিবারের অন্য সবাই কে দেখেই ছোট্ট শিশুটি বেড়ে ওঠে। বুঝতে শেখে সংস্কার-সংস্কৃতি ।বুঝতে শেখে এটাই তাঁর পূর্বসূরিদের থেকে প্রাপ্ত শ্রদ্ধা এবং নিষ্ঠার অনন্য সমাবেশ। বৈষ্ণবাচার্য্য শ্রীজীব গোস্বামীও সেইরকম ছিলেন। যাঁর বাবা স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর দর্শন লাভে ধন্য হয়েছিলেন, যাঁর দুই জ্যাঠা মোটা অঙ্কের টাকার মন্ত্রীত্বের চাকরি ছেড়ে *#ছেঁড়া_কাঁথা_নেড়া_মাথা_ছেঁড়া_বহির্বাস* সম্বল করে *#মুখে_গৌর_গুণ_গাঁথা* নিয়ে সারাজীবন ব্রজে বৈরাগ্য অবলম্বন করে কাটিয়ে দিলেন সেই বংশজাত সন্তান শ্রীজীব গোস্বামী যে বৈষ্ণব সাধক হবেন এ আর নতুন কথা কী? 

১৫১৫খ্রিস্টাব্দ নাগাদ রূপ গোস্বামী এবং তাঁর ভাই বল্লভ বৃন্দাবন যাত্রা করেন।সনাতন গোস্বামী তখনো রাজকার্য থেকে অব্যাহতি পান নি। পথে  প্রয়াগে এই দুই ভাই মহাপ্রভুর দর্শন পান।বৃন্দাবনে গিয়ে একমাস থেকে তাঁরা পুনরায় নীলাচলে আসার জন্য মনস্থির করেন। পথে গঙ্গাতীরে বল্লভ দেহত্যাগ করেন। এই বল্লভের একমাত্র সন্তান হলেন জীব গোস্বামী । ১৫০৮ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ জীব গোস্বামী জন্মগ্রহণ করেন মালদহের রামকেলী গ্রামে।১৫১১ খ্রিস্টাব্দে যখন মহাপ্রভু রামকেলীতে আসেন তখন বোধকরি জীব গোস্বামী নিতান্তই শিশু। তথাপি সেই শৈশবেই জীব গোস্বামী মহাপ্রভু কে দেখেছিলেন।
*#শ্রীজীবাদি_সঙ্গোপনে_প্রভুরে_দেখিল*  ।
*#অতি_প্রাচীনের_মুখে_এসব_শুনিল* ।।
যেহেতু শ্রীজীব গোস্বামীর শৈশবেই তাঁর বাবা এবং দুই কাকা গৃহত্যাগ করেছেন তাই সার্থক অনুমান যে ছোটোবেলাতে মায়ের স্নেহ পরিচর্যাতেই বড় হয়েছেন শ্রীজীব। পড়াশোনাতে ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী । একবার যা শুনতেন তা কখনো ভুলতেন না। 
*#অল্পকালে_শ্রীজীবের_বুদ্ধি_চমৎকার* ।
*#ব্যাকরণ_আদি_শাস্ত্রে_অতি_অধিকার* ।।
পড়াশোনা ছাড়া আর যে জিনিসের প্রতি শ্রীজীব অত্যন্ত আকৃষ্ট হতেন তা হল ঠাকুর সেবা। কৃষ্ণ বলরামের মূর্তি গড়ে শৈশবেই সেবা করতে ভালোবাসতেন শ্রীজীব। একদিন সেবা করতে করতেই সহসা শ্রীজীব কৃষ্ণ বলরামের মূর্তির স্থানে দুই সুপুরুষ যুবক মূর্তি দর্শন করেন।দেখেই বুঝতে পারেন এই দুই সুপুরুষ যুবকদের। 
*#ভাসয়ে_দীঘল_দুটি_নয়নের_জলে* ।
*#লোটাইয়া_পড়ে_দুই_প্রভু_পদতলে* ।।

এইভাবে ১৯/২০ বছর হতেই শাস্ত্রে প্রচুর ব্যুৎপত্তি লাভের জন্য তিনি *#প্রাচ্যের_অক্সফোর্ড*  (oxford of east) নামে পরিচিত বিদ্যাচর্চার অন্যতম কেন্দ্র শ্রীধাম নবদ্বীপে গমন করেন। এখন নবদ্বীপ শুধুই প্রাচ্যের অক্সফোর্ড নয়; অধিকন্তু স্বয়ং ভগবানের জন্মভূমিও বটে। নবদ্বীপে শ্রীবাস পণ্ডিতের বাড়িতে প্রভু নিত্যানন্দের দর্শন লাভ করেন। এবং নিতাই চাঁদ এর আদেশেই তিনি বৃন্দাবনের উদ্দেশ্যে শাস্ত্রচর্চার জন্য কাশীতে যান।
*#আজ্ঞা দিলা শীঘ্র তুমি যাহ বৃন্দাবনে* ।
*#তোমার বংশে মহাপ্রভু দিয়াছেন সেই স্থানে* ।।
 কাশীতে চারবছর ধরে তিনি সমস্ত শাস্ত্রে পাণ্ডিত্য অর্জন করেন। কেউ কেউ বলেন তিনি নাকি মধুসূদন বাচষ্পতি নামক এক শাস্ত্রজ্ঞব্রাহ্মণের কাছে শাস্ত্র শিক্ষা করেন। চারবছর ধরে সমস্ত শাস্ত্রে জ্ঞান লাভের পরে কাশীতেও শ্রীজীবের নাম ছড়িয়ে পড়ে।
*#কাশীতে_শ্রীজীবেরে_প্রশংসে_সর্ব্বঠাঁই* ।
*#ন্যায়_বেদান্তাদি_শাস্ত্রে_ঐছৈ_কেহ_নাই* ।।
চারবছর পরে জীবের বয়স যখন ২৩/২৪ তখন তিনি কাশী থেকে চলে আসেন বৃন্দাবনে । আর সেখান থেকেই শুরু হয় তাঁর সাধনের জীবন।
ব্রজে এসে তাঁর দুই জ্যাঠার সাথে মিলিত হন শ্রীজীব। সনাতন গোস্বামী র আদেশেই রূপ গোস্বামী তাঁকে দীক্ষা দেন।রূপ গোস্বামী যখন *#ভক্তিরসামৃতসিন্ধু* লেখেন তখন শ্রীজীব গোস্বামীও তাঁকে যথেষ্ট সাহায্য করেন। একদা এক শাস্ত্রজ্ঞ এলেন ব্রজে। এবং ঘোষণা করলেন তর্কযুদ্ধের। সাথে এটাও বললেন যে তর্কযুদ্ধ করতে যদি কেউ ভয় পায় তাহলে সে যেন এখনি জয়পত্র লিখে দেন। ব্রজে তখন চাঁদের হাট। রূপ;সনাতন; গোপালভট্ট; যুগল-রঘুনাথ; সবাই গ্রন্থ রচনাতে নিমগ্ন । কিন্তু তর্কযুদ্ধে কারুর ইচ্ছা নেই। কারণ মহাপ্রভুর ভুবনমঙ্গল পার্ষদ তাঁরা । আত্মপ্রতিষ্ঠা কে তাঁরা  শূকরী বিষ্ঠার ন্যায় দেখেন। তাই জয়পত্র লিখে দিলেন রূপ। সেই শাস্ত্রজ্ঞব্রাহ্মণ সেই বিজয়পত্র নিয়ে যখন নিজের বিজয় ঘোষনা করছেন তখন বাধ সাধলেন শ্রীজীব। তর্কযুদ্ধে পরাস্ত করলেন তাঁকে । জয়ধ্বজা উড়ল গৌড়ীয় বৈষ্ণবদের। কিন্তু খুশি হলেন না রূপ গোস্বামী। তিনি জীব গোস্বামীকে নিজের সান্নিধ্য থেকে বিতাড়িত করলেন।কারণ জীব গোস্বামী সেই প্রতিষ্ঠার দিকেই ছুটেছেন যা মহাপ্রভুর মোটেই পছন্দের নয়। পরে সনাতন গোস্বামীর সহায়তায় জীব গোস্বামী আবার রূপ গোস্বামীর কাছে ফিরে আসেন। 
রূপ গোস্বামীও বুঝতে পারেন যে তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র তথা শিষ্য শ্রীজীব নিজপ্রতিষ্ঠার দিকে নয়; ছুটেছিলেন গৌড়ীয় বৈষ্ণবদের প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে। মর্মে মর্মে এই উপলব্ধি করে রূপ গোস্বামী চিন্তা করলেন যে শ্রীজীব গোস্বামীকে তিনি উপহার দেবেন। যেমন ভাবনা  তেমন কাজ। এমন উপহার দিলেন যা শুধু জীব গোস্বামীর নয় গোটা গৌড়ীয় বৈষ্ণবদের কাছে উপহার স্বরূপ তথা ভজনের বিষয় হয়ে রইল।
*#রাধাদামোদরো_দেবঃ_শ্রীরূপেণ_প্রতিষ্ঠিতঃ* ।
*#জীবগোস্বামিনে_দত্তঃ_শ্রীরূপেণ_কৃপাব্ধিনা* ।।
*#স্বপ্নাদেশে_শ্রীরূপ_শ্রী_রাধাদামোদরে* ।
*#স্বহস্তে_নির্মাণ_করি_দিলা_শ্রীজীবেরে* ।।
রূপ গোস্বামী রাধাদামোদর বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করলেন,এবং রাধাদামোদরের স্বপ্নাদেশেই এই বিগ্রহ জীব গোস্বামীকে উপহার দিলেন। এবং জীব গোস্বামী সেবিত এই রাধাদামোদর জীউ গৌড়ীয় বৈষ্ণবদের নিয়মসেবা ব্রতের আরাধ্য দেবতা হয়ে সেবিত হচ্ছেন অদ্যাবধি । একে একে ব্রজের সমস্ত গোস্বামী অপ্রকট হলেন।প্রকটে থাকলেন কেবল জীব।সনাতন গোস্বামীর অপ্রকটের পর তাঁর সেবিত গিরিরাজ গোবর্ধন শিলার সেবাভার গ্রহন করলেন জীব। ব্রজের দায়িত্ব তাঁর উপরে এসে পড়ল। শুরু হল গ্রন্থ রচনা। তাঁর দুই জ্যাঠা সহ অন্যান্য গোস্বামীরা যে পথে হেঁটেছেন তিনিও সেই পথেই হাঁটলেন। *#গোপাল_বিরুদাবলী* ; *#গোপালচম্পু* ; *#কৃষ্ণার্চ্চনদীপিকা* ; *#মাধবমহোৎসব* ; *#লঘুতোষণী* ; *#হরিনামামৃত_ব্যাকরণ* ইত্যাদি বহু গ্রন্থ রচনা করলেন এবং গৌড়ীয় বৈষ্ণব দের উপহার দিলেন। তবে যে গ্রন্থটির জন্য তিনি চিরকাল প্রাতঃস্মরণীয় হয়ে থাকবেন ,সেটি হল *#ষটসন্দর্ভ* ।তখনকার দিনে সাধারণত তালপাতাতে বা ভূর্জপত্রে লেখালিখি হত। জীব গোস্বামীই প্রথম যিনি আগ্রা থেকে সেইসময়ে কাগজ আনালেন লেখার সুবিধার্থে ।বললে অত্যুক্তি হবে না যে  বৃন্দাবনে তখন বৈষ্ণব শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে উঠেছিল যার প্রাণকেন্দ্র ছিলেন শ্রীজীব গোস্বামী । গ্রন্থ রচনা হতে লাগল। এমত সময়ে রাধাকুণ্ড নিবাসী কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী চৈতন্যচরিতামৃত গ্রন্থ রচনা করলেন। এখন  এই সব গ্রন্থ বঙ্গে প্রচার করতে হবে। কিন্তু জীব গোস্বামীর পক্ষে বঙ্গে আসা আর সম্ভব নয়। এমত সময় বোধকরি গঙ্গা যমুনা সরস্বতীর ত্রিবেণী সঙ্গম ঘটল।  *#শ্রীনিবাস_নরোত্তম_শ্যামানন্দ* । জীব গোস্বামীর আদেশে এই তিন আচার্যই এই দায়িত্ব ভার গ্রহণ করলেন। আজ সারা জগতে এই সব বৈষ্ণবীয় গ্রন্থের যে প্রচার তা সম্ভব হয়েছে কেবলমাত্র জীব গোস্বামীর সৌজন্যে। জীব গোস্বামীই শ্রীনিবাস কে আচার্য;  নরোত্তম কে ঠাকুর মহাশয় এবং শ্যামানন্দ কে আচার্য উপাধি দান করেন।  সময় এগোতে থাকে। জীব গোস্বামীও তাঁর পূর্বজদের অনুসরণ করেন ।আজকের দিনে এই তিথিতেই জীব গোস্বামী তাঁর প্রাণধন রাধাদামোদরের নিত্যলীলাতে প্রবেশ করেন ।

যতদিন গৌড়ীয় বৈষ্ণব গণ গ্রন্থ আস্বাদন করবেন ততদিন তাঁদের কে চিরকৃতজ্ঞ থাকতে হবে শ্রীজীব গোস্বামীর কাছে। বৈষ্ণব ধর্ম যে কেবল "নাচ গাও প্রসাদ পাও" এর ধর্ম নয়; এই ধর্ম যে একান্ত পড়াশোনার , এইধর্ম যে সাহিত্য সাধনার তা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছেন শ্রীজীব গোস্বামী । মুখে বলে বা ফেসবুক হোয়াটস অ্যাপে লিখে জীব গোস্বামীর অবদান বলে শেষ করা যায় না। ষড় গোস্বামীর মধ্যে শ্রীজীবগোস্বামীই হলেন একমাত্র ব্যক্তি যিনি মহাপ্রভুর প্রত্যক্ষ সান্নিধ্য বা দর্শন না পেয়েও (বাল্যকালে তিন/চার বছর বয়সে কেবলমাত্র একঝলক দর্শন ছাড়া) শুধুমাত্র তাঁর জীবনের কথা শুনে গৌড়ীয় বৈষ্ণব ধর্মে নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। শ্রীজীব গোস্বামীর জীবন এক অনন্ত জীবনের জীবনী।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏

*জয় নিতাই!*
*নিত্যানন্দ প্রভু ও গৌড়ীয় গোস্বামী সিদ্ধান্ত সম্বলিত বিবিধ প্রসঙ্গ জানতে এই গ্রুপে অ্যাড হোন, বন্ধুদের অ্যাড করুন , লাইক,কমেন্ট ও শেয়ার করে সাথে থাকুন।*

https://www.facebook.com/groups/1370545549769377/

*এখানে ধর্মীয় ভক্তি-জ্ঞান সম্বন্ধে অনেক নতুন নতুন পোস্ট পেতে পারবেন।*
 *জয় নিতাই!*
 *জয় জয় নিতাই!!*
*🌹🌹🙏🙏🌹🌹*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
              ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই ꧂
নিবাস-বাগুইপাড়া, বাগুইআটি,  উত্তর চব্বিশ পরগনা, কোলকাতা-৭০০১৫৯
DEMOCRATIC NITYANANDA (Facebook Group) 👉 https://www.facebook.com/groups/1370545549769377/?ref=share
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



adds