✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সিদ্ধ শ্রীচৈতন্যদাস বাবাজী মহারাজ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/12/blog-post_77.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ Gopisharan.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*#সিদ্ধ_শ্রীচৈতন্যদাস_বাবাজী_মহারাজ।*
(অগ্রহায়ণী পূর্ণিমা তিথি)
১১৭৫ সালে ময়মনসিংহ জেলার ভাদরা গ্রামে কায়স্থ ঘোষ বংশে জন্ম হয়। বৈদ্যনাথ ঘোষের একমাত্র পুত্র জগদ্বন্ধু।অল্প বয়সে জগদ্বন্ধুর পিতা-মাতা পরলোক গমন করলে নিঃসন্তান কাকা গৌরনাথ লালন পালন করেন। বাড়িতে এক বৈষ্ণবের মুখে গৌরতত্ত্ব শুনে প্রতিদিন ভক্তিভরে শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত পাঠ করতেন। সংসারের প্রতি প্রবল বৈরাগ্য দেখে কাকা গৌরনাথ বিবাহের ব্যবস্থা করলে রাতে নবদ্বীপে পালিয়ে এসে বেশাশ্রয় করে চৈতন্যদাস নামে অভিহিত হন।
চৈতন্যদাসের পূর্ণ নদীয়ানাগরী ভাব ছিল। স্ত্রীলোকের মত বেশভূষা করিতেন। গৌরবর্ণা নদিয়া বালিকা দেখিলেই তাহার সহিত গৌরনাগরের কথা ও আদর করে বহু সম্মান দান করতেন। নিত্যানন্দ সন্তানগণকে দেখলে ইনি ঘোমটা টেনে দিতেন ও তাদের সাথে মুখ তুলে কথা বলতেন না।মঙ্গলারতি দর্শন করে তিনি নরহরি কৃত গৌরাঙ্গ অষ্টক সুস্বরে পাঠ করতেন। তারপর গৌরের মুখের দিকে তাকিয়ে গাইতেন-
"বধু ! কি আর বলিব আমি।
জনমে জনমে জীবনে মরনে প্রাননাথ হইয়ো তুমি।।
বধু, তোমার চরনে আমার পরানে লাগলো প্রেমের ফাঁসি।
মন প্রান দিয়া সব সমর্পিয়া নিচয়ে হইনু দাসী।।"
শ্রী চৈতন্য দাস শ্রীখন্ডে দু-তিনবার গিয়েছিলেন। সরকার ঠাকুরের গোষ্ঠীর সাথে এর যথেষ্ট সম্প্রীতি ছিল।"নরহরির প্রাণ গৌর" ও "বিষ্ণুপ্রিয়ার প্রাণ গৌর" নিয়ে প্রচুরতর রঙ্গ ও আনন্দ হতো। খন্ড বাসি সকলকেই শ্রদ্ধা সহকারে দণ্ডবৎ প্রণাম করতেন। একদিন সিদ্ধ বাবা সেখানের মন্দিরের সামনে দাঁড়িয়ে বিগ্রহ দর্শন করেছিলেন, জরাগ্রস্ত হলেও হঠাৎ বলপূর্বক মন্দিরে প্রবেশ করে দ্বার রুদ্ধ করলেন। তিনি তার গতিরোধ করছিলেন তিনি যেন তাকে মহা বলবান অনুভব করলেন। মন্দিরের দ্বার রুদ্ধ হলে সেবায়তগন বাইরে একত্রিত হলেন। তারমধ্যে সর্বানন্দ ঠাকুর ও ছিলেন। প্রায় ঘণ্টাখানেক পরে বাইরে আসলে তার দেহটি জ্যোতির্ময় ও সহাস্য বদনে প্রেম মধুর দৃষ্টিভঙ্গি বিদ্যমান ছিল।সর্বানন্দ ঠাকুর তাকে প্রণাম করলেন। সিদ্ধ বাবা তার মস্তকে চরণ স্পর্শ দিয়ে হাসতে লাগলেন। ঠাকুর মহাশয়ের আজ আনন্দ আর ধরে না!!
কৃষ্ণনগরের রাজবংশ পুরুষানুক্রমে বৈষ্ণব বিদ্বেষী বলিয়া কথিত ছিল। রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের ভয়ে শ্রীগৌর মূর্তিকে ছয় মাস যাবত মাটির ভেতর লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। সিদ্ধ বাবার সময়েও রাজা গিরিশচন্দ্র গৌরকে অবতার বলে বিশ্বাস করতেন না। তিনি নবদ্বীপে পণ্ডিতগণের এক বিরাট সভা আহবান করে বিচার প্রার্থী হলেন। পোড়ামাতলায় এই অধিবেশন হয়।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ সিদ্ধ শ্রীচৈতন্যদাস বাবাজী মহারাজ ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
ব্রজনাথ বিদ্যারত্ন অবতার এর স্বপক্ষে ও ভুবনমোহন বিদ্যারত্ন বিপক্ষে দাঁড়ালেন। দুইদিন ধরে বিচার চলল __রাশি রাশি গ্রন্থ সভাস্থলে আসলো,কিন্তু পন্ডিতে পন্ডিতে ঘোরতর কলহ লাগলো অথচ মূল কথার মীমাংসা হলো না, দেখে ব্রজনাথ বিদ্যারত্ন গিরিশচন্দ্রের অনুমতিক্রমে সিদ্ধ বাবাকে সভাস্থলে আনন্দ করলেন। রাজা গিরিশচন্দ্র তার অদৃষ্টপূর্ব তেজোময় বপু , সহাস্য বদন ও বৈষ্ণবজনোচিত বেশ ভূষা দেখে সগনে দণ্ডায়মান হয়ে অভ্যর্থনা করলেন। রাজা জিজ্ঞেস করলেন- গৌরাঙ্গের অবতার সম্বন্ধে প্রমাণ কি? সিদ্ধ বাবা গৌরাঙ্গ স্মরণ করত বললেন- শ্রীগৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর অবতার সম্বন্ধে আমারও পূর্বে আপনার মত সন্দেহ ছিল। তিনি ঈশ্বর কি ভক্ত, পূর্ণ কি অংশ __ এ বিষয়ে ঘোর সন্দেহ ছিল। আজ আমার সব সন্দেহ দূর হয়েছে। গৌরাঙ্গ যে অবতার তা আজি আমার বিশ্বাস হল, এবং এ বিশ্বাসের মূল ও আপনিই। প্রাচীন শাস্ত্রে আছে - ভগবান ভূতলে অবতার গ্রহণ করলে সেসময়ের রাজা গন তার বিদ্বেষী হন। ত্রেতাযুগে রামচন্দ্রের বিদ্বেষী ছিল রাবণ আর দ্বাপর যুগে কৃষ্ণের বিদ্বেষী ছিল কংস। কলি যুগে ভগবান শ্রী গৌরাঙ্গ রূপে এই নবদ্বীপে অবতার গ্রহণ করেন। নবদ্দীপ অধিপতি রাজা কৃষ্ণচন্দ্র ও তার বংশধর আপনি শ্রীগৌরবিদ্বেষী হয়ে তার অবতার এর পূর্ণ ও প্রকৃষ্ট পরিচয় ও প্রমাণ দিতেছেন। আপনি আজ আমাকে বড়ই আনন্দ দান করলেন, অতএব আপনাকে এবং সভাস্থ সকলকে আমি ভক্তিভরে প্রণাম করছি।
রাজা হাসিমুখে সিদ্ধ বাবার সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে সভা ভঙ্গ করলেন, এবং পণ্ডিতগণ ও সভাস্থ সকল লোক বাবাজি মহাশয় এর জয়ধ্বনী করত নিজ নিজ গৃহে প্রস্থান করলেন।
সিদ্ধ বাবা গৌরাঙ্গ কে *জীববল্লভ* এই নূতন নামে ডাকতেন। তিনি বলতেন শ্রীকৃষ্ণ "গোপীবল্লভ" আর গৌর "জীববল্লভ" । নবদ্বীপে গানের সময় একদল কীর্তনীয়া মাথুর বিষয়ক গৌরচন্দ্র গাইতে আরম্ভ করে পদ ধরল __ "নদিয়া ছাড়িয়া গেলা গৌরাঙ্গ সুন্দর।" সিদ্ধ বাবা স্থির থাকতে না পেরে ক্রোধাবেশে যষ্টি নিয়ে কীর্তন গায়ক এর সামনে গিয়ে বললেন__ "ঐ ত জীবের জীবন নবদ্বীপচন্দ্র বিষ্ণুপ্রিয়া বল্লভ দাঁড়িয়ে রয়েছেন। পুনরায় যদি ঐ কথা বলো তোমাকে মেরে দূর করে দেব।"
মহাপ্রভুর মন্দিরে তখন মহাগোলযোগ। কীর্তনীয়ার গান বন্ধ হয়ে গেল। অন্নবালা আরম্ভ হলো তখন থেকে বহুদিন পর্যন্ত মহাপ্রভুর মন্দিরে মাথুর লীলা গান হয় নাই।
সিদ্ধ ভগবান দাস জি একবার শ্রীবৃন্দাবন যাত্রার পথে ইহাকে ও সঙ্গে নেবেন ভেবে শ্রী নবদ্বীপে আসেন। তিনদিন সাধ্য সাধনার পর উভয় একত্রে যাত্রা করবেন স্থির হল। যাত্রার দিন কাঁদতে কাঁদতে শ্রীচৈতন্য দাস মন্দিরের দ্বারে এসে মূর্চ্ছিত হয়ে পড়লেন। লোক সংঘট্ট হলো। বহুক্ষণ হরিনাম শুনিয়ে বাবার মূর্ছা ভঙ্গ হলে ভগবান দাস জি বললেন। কাজ নেই তোমার বৃন্দাবনে গিয়ে __নবদ্বীপ ই তোমার বৃন্দাবন। চৈতন্য দাস এর আর বৃন্দাবন যাওয়া হলো না।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ সিদ্ধ শ্রীচৈতন্যদাস বাবাজী মহারাজ ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
একবার সূর্য গ্রহন কালে সিদ্ধ বাবা রাধা কুন্ডে স্নান করিছিলেন। চারপাশে অনেক ব্রাহ্মণ পণ্ডিত আদিও পূরশ্চরণে মগ্ন ছিলেন। সিদ্ধ বাবা আকণ্ঠ জলমগ্ন হয়ে কেবল "গৌরাঙ্গ নাগরী হব" এই মন্ত্র জপ করছিলেন। তা শুনে ব্রাহ্মণ পণ্ডিতগণ জিজ্ঞাসা করলেন ,- এই কি মন্ত্র জপ করছেন বাবাজি মহাশয়? বাবাজি বললেন ,- "তোমরা তোমাদের মত জপ করো আমি আমার মত জপ করছি। যার যেমন ভাবনা তার তেমনই সিদ্ধি হবে।"
চৈতন্যদাস বাবার ভেকের গুরুর নাম অনিশ্চিত। কেহ বলেন তার নাম ছিল শ্যামানন্দ। নবদ্বীপের গঙ্গার ঘাটে রামতনু মুখোপাধ্যায় ভাগবতভূষন তার কার্যকলাপ ও আকৃতি দেখে আকৃষ্ট হয়ে তাকে বলাগড়ে জীওড় নৃসিংহের নিকট মন্ত্র দীক্ষা গ্রহণ করান। সেই থেকে এনার ভজন আরম্ভ হয়।নিষ্কিঞ্চন ভাব স্বাভাবিক বিনয় ও ভক্তিভাব দেখে সকলেই তাঁর প্রতি আকৃষ্ট হতেন । বিড়াল কুকুরকেও তিনি ভূমিষ্ঠ হয়ে প্রণাম করতেন। অদ্বিতীয় পন্ডিত হয়েও তিনি ছেঁড়া কাঁথা , নারকেলের মালা এবং একটি রজের করোয়া ব্যতীত অন্য কিছুই ব্যবহার করতেন না। নিজেকে তিনি গৌরনাগরী বলে অভিমান করতেন এবং সেই আবেশে নারীবেশ ধারণ করত শ্রীগৌরের বাম পাশে দাঁড়িয়ে থাকতেন এবং বাহ্যাবেশ হইলে নাগরী বেশ ত্যাগ করতেন। তৎকালিক সেবা কার্য তারই তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হতো। মধ্যাহ্নে তার নিয়ম ছিল__ কোন অতিথি অভ্যাগত এসেছে কিনা দেখে তারপর প্রসাদ পেতেন। কোন অতিথি না পেলে দ্বারের নিকট যে কুকুর দাঁড়িয়ে থাকতো , তাকেই আদর করে ডেকে ভিতরে এনে আসন দিয়ে উত্তম ধৌত কদলী পত্রে প্রসাদ গ্রহণ করাতেন ও পরে নিজে গ্রহণ করতেন।
নবদ্বীপ বাসকালে নবদ্বীপবাসী ভুবনবিদ্যারত্ন , ব্রজ বিদ্যারত্ন, অজিত ন্যায়রত্ন, দীননাথ চূড়ামণি ও পূর্বস্থলী নিবাসী রুদ্র কন্ঠ ভট্টাচার্য্য প্রভৃতি পণ্ডিতগণ তার বিনয় ও পাণ্ডিত্যে আকৃষ্ট হয়ে তার সাথে ইষ্টগোষ্ঠী করতেন।
মহাত্মা শিশির কুমার ঘোষ তাকে জিজ্ঞাসা করেন - "কিসে ভক্তি হয়?"
সিদ্ধ বাবা বললেন -"দুটি পয়সায় ভক্তি লাভ হয়!" শুনে শিশিরবাবু বললেন ,- সেকি কথা! দু'পয়সায় ভক্তি লাভ হয়?আপনি আমাকে উপহাস করলেন?
বাবাজি বললেন - হরেকৃষ্ণ! উপহাস করি নাই।ঠিকই বলেছি। দু'পয়সা দিয়ে বটতলার ছাপা নরোত্তম ঠাকুরের প্রার্থনা কিনে কিছুকাল পড়ুন। তাতেই ভক্তি লাভ হবে।
তিনি সর্বদাই "গোরা গোরা" জপ করতেন। লক্ষ গোরা নাম লিখিত একখানি পুঁথির তিনি নিত্য পূজা করতেন।
দিবসের অধিকাংশ সময়ই আবিষ্ট থাকতেন, কদাচিৎ একঘন্টা নিদ্রা হত, নিদ্রাকালে ও শ্বাসপ্রশ্বাসে গোরা ধ্বনি হত।
শ্রীখন্ডে অবস্থানকালে তিনি ভাবাবেশে রন্ধনশালায় গিয়ে দেখলেন যে অন্ন ফুটছে, অন্যদিকে শিলায় পিষ্ট হলুদ রয়েছে।ফুটন্ত অন্নে ওই বাটা হলুদ টুকু ছেড়ে দিয়ে তিনি গৌরবর্ণ দেখে অধীর হয়ে গেলেন।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ সিদ্ধ শ্রীচৈতন্যদাস বাবাজী মহারাজ ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
একদিন এক নাপিত তাকে ক্ষৌর করতে করতে হাই তুলল , এবং সঙ্গে সঙ্গে তুড়ি দিয়ে গৌর গৌর বলল। বাবাজি মহাশয় গৌর নাম শুনে তার চরণে পড়ে বাহ্যাবেশ হারালেন।
শেষ জীবনে গৌরে তার এত প্রগাঢ় আবেশ হয়েছিল যে , কদাচিৎ বাহ্য স্ফূর্তি হত। এই অবস্থায় একদিন তিনি নাগরীবেশে তার প্রাণেশ্বর গৌরাঙ্গপ্রভুর বামে গিয়ে দাঁড়ালেন। ঘোমটার ভিতর দিয়ে আড় নয়নে গৌরাঙ্গের মুখচন্দ্র সুধা পান করতে লাগলেন। দেখতে দেখতে মত্ততা এসে পড়ল __ লজ্জা সংকোচ দূর হয়ে গেল; তিনি তার প্রাণের কথা__
*আমার ভজন হলো সারা, আমার পূজন হল সারা।
নদের চাঁদের কান্তা আমি, কান্ত আমার গোরা।।*
গাইতে গাইতে তার প্রাণেশ্বর এর নয়নে নয়ন রেখে (৩৯২গৌরাব্দে অগ্রহায়নে পূর্ণিমায়) অন্তর্ধান করলেন।
শ্রী গৌর-প্রাঙ্গণে তার অস্থি-সমাধি বর্তমান। তার শিষ্য শ্রীকৃষ্ণদাস বাবাজী মহাশয় বহুদিন ওই সমাধির সেবা করেছিলেন।।
🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
⬇️⬇️⬇️এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন⬇️⬇️⬇️
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ।
FACEBOOK LINK 👉 https://www.facebook.com/profile.php?id=100023723408003
DEMOCRATIC NITYANANDA (Facebook Group) 👉 https://www.facebook.com/groups/1370545549769377/?ref=share
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


