✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ ৪৭. বৈষ্ণব বিবৃতি ꧂
꧁ শ্রীযুক্ত মধুসূদন তত্ত্ববাচস্পতি ꧂
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ JoydebDaw.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ ৪৬. বৈষ্ণব বিবৃতি ꧂
꧁ শ্রীযুক্ত মধুসূদন তত্ত্ববাচস্পতি ꧂
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৪৭)গৌড়ীয় বৈষ্ণব ইতিহাস*
*🔅ঐতিহাসিক প্রকরণ🔅*
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
*🍀মহাভারত রচনার বহুপূর্বে কৃষ্ণ, বাসুদেব-অর্চনা প্রচলিত ছিল,এটি মহাভারত পাঠে অবগত হওয়া যায়। অতএব "শঙ্কর-বিজয়ের" বর্ণিয় উল্লিখিত ছয়টি বৈষ্ণব সম্প্রদায় ভিন্ন আরও ছয়টি সম্প্রদায় ছিল এবং তাঁদের শাখা-প্রশাখার আরও যে বহু বৈষ্ণব-সম্প্রদায় প্রবর্তিত হয়েছিল, তা অনুমান করা যেতে পারে।ফলে এই সব বৈষ্ণব-সম্প্রদায়ের মধ্যে আচার-বিচার বিষয়ে সামান্য সামান্য প্রভেদ লক্ষিত হলেও,সব সম্প্রদায়ের উপাস্য-তত্ত্ব যে শ্রীবিষ্ণু, এবং উপাসনা যে ভক্তি, তাতে সন্দেহ নেই। অতএব বাহ্যতঃ আচার বিচারে সাম্প্রদায়িক ভেদ লক্ষিত হলেও, ঐ সব বৈষ্ণব সম্প্রদায়ই তত্ত্বতঃ এক এবং বৈষ্ণব ধর্মই বেদ প্রতিপাদিত মুখ্য ধর্ম।*
*🌹শ্রীমৎ শঙ্করাচার্য্য মায়াবাদ প্রচার করে বৌদ্ধমত খন্ডন করেন এবং বৌদ্ধ সম্প্রদায় ও তাদের সহচর বহু উপধর্ম-সম্প্রদায়কে অদ্বৈতরূপ মহাবৃক্ষের সুশীতল ছায়ায় সমবেত করতে চেষ্টা করেন।এর ফলে ভারতেজৈন ও বৌদ্ধধর্ম প্রচারের পথ একরকম অবরুদ্ধ হয়ে যায়। কিন্তু নষ্ট-শ্রী ও বিলুপ্ত-প্রায় বৈদিক ধর্মের প্রকৃষ্ট রূপ অভ্যুদয়ের পরিবর্তে পঞ্চোপাসক সম্প্রদায়ের পূর্ণ-প্রতিপত্তিতে উহা ভিন্ন আকারে অভ্যুদিত হয়।শ্রীপাদ শঙ্করাচার্য্য একেই তো শ্রীভগবত্তত্ত্ব গোপন করে বৌদ্ধ-বিমোহন মায়াবাদ প্রচার করেন, সুতরাং শ্রীমদ্ভাগবতকে নিজমতের উপরে বিরাজমান জেনে বেদান্তের অপৌরুষেয় ভাষ্য-স্বরূপ শ্রীমদ্ভাগবতকেও বিধিভঙ্গ ভয়ে গ্রহণ করেন নাই। তাতে তাঁর পরবর্তী শিষ্যগণ সেই অসুর-মোহকর ভগবদ্ ভাব শূন্য মায়াবাদকে এরকম বিকৃত করে তুলেন যে,বৈদিক সনাতন ধর্ম বা বৈষ্ণবধর্ম রক্ষা করা দুরূহ হয়ে উঠে। এই সময়ে বহু বৈষ্ণবাচার্য্য বিবিধ বৈষ্ণব-সিদ্ধান্ত গ্রন্থ রচনা ও প্রচার দ্বারা বৈষ্ণব সম্প্রদায়কে জীবিত রেখেছিলেন। প্রসিদ্ধ "বোপদেব" গোস্বামী শ্রীশঙ্করাচার্য্যেরই সমসাময়িক।তাঁর পরবর্তীকালে অনেক বৈষ্ণব মহাত্মা বঙ্গের বাইরে ভক্তিধর্ম প্রচারক্ষেত্রে যশস্বী হয়েছিলেন।তারমধ্যে শ্রীমদ্ভাগবতের "ভাবার্থ-দীপিকা" নামক টীকাকার শ্রীধরস্বামী বিশেষ উল্লেখযোগ্য।ইনি টীকা দ্বারা গীতা ও বিষ্ণুপুরাণ চর্চার পথও সুগম করে দেন।পরবর্তী গোস্বামীগণ এই শ্রীধরস্বামী পাদের টীকাকে "মীমাংসা" গ্রন্থ মধ্যে প্রামাণ্যরূপে স্বীকার করেছেন। শ্রীমন্মহাপ্রভু এই টীকা সম্বন্ধে বলেছিলেন=""যে স্বামী না মানে সে ভ্রষ্টা""।"ব্রজবিহার" নামক কাব্যখানি শ্রীধর স্বামীকৃত বলে প্রসিদ্ধ।ইনি গুর্জর দেশে বলভী নগরে জন্মগ্রহণ করেন এবং শ্রীপরমানন্দ পুরীর নিকট "নৃসিংহ" মন্ত্রে দীক্ষিত হন। শ্রীভাগবত ও গীতার টীকা নিয়ে বিদ্বৎসমাজে বিবাদ উপস্থিত হলে, তাঁর মীমাংসার জন্য উক্ত টীকাদ্বয় শ্রীবেণীমাধবের শ্রীচরণে অর্পণ করা হয়। শ্রীনৃসিংহ দেবের প্রসাদে শ্রীধরস্বামীর টীকাই প্রামাণ্য বলে স্বপ্নদেশ হয়। যথা=*
*"অহং বেদ্মি শুকো বেত্তি ব্যাসো বেত্তি ন বেত্তি বা।*
*শ্রীধরঃ সকলং বেত্তি শ্রীনৃসিংহ-প্রসাদতঃ"।।*
*🌻সুপ্রসিদ্ধ ভট্টিকাব্যের প্রণেতা ভট্টিকবিকে "ভক্তমাল গ্রন্থে" শ্রীধর স্বামীর পুত্র বলে উল্লিখিত হয়েছে। ম্যাক্সমুলার বলেন-- "১৩৮০ সম্বতে ভট্টি বা ভট্ট নামক কবি বর্তমান ছিলেন,ইনি গুর্জরপতি "বীতরাগের" পুত্র প্রশান্তরাগ কর্তৃক খোদিত নন্দীপুরীর সনন্দপত্রে প্রাপ্ত হওয়া যায়।এঁরাও সপ্তম শতাব্দিতে বতর্মান ছিলেন। সুতরাং কম করেও ৬০০শত বৎসর পূর্বে শ্রীধরস্বামীর পুত্র ভট্টি বতর্মান ছিলেন।*
*🍁তারপর খৃষ্টীয় নবম শতাব্দিতে প্রসিদ্ধ বৈষ্ণব-প্রেমিক বিল্বমঙ্গলের আবির্ভাব।কোন কোন মতে, "শান্তশতক" প্রণেতা শিহ্লন মিশ্রই বিল্বমঙ্গল।দাক্ষিণাত্যের কৃষ্ণবেণ্বা নদীর তীরের কাছে পান্ডুরপুর সন্নিহিত কোন গ্রামে ইহাঁর জন্ম হয়।চিন্তমণি নামক এক পতিতার উপদেশ মতে সংসার ত্যাগ করে বৃন্দাবন যাত্রা করেন। এই বৈরাগ্যের ফল "শ্রীকৃষ্ণকর্ণামৃত"। দক্ষিণদেশের তীর্থ ভ্রমণকালে শ্রীমন্মহাপ্রভু এই গ্রন্থের প্রথম শতক সংগ্রহ করে বঙ্গদেশে প্রচার করেন।এই গ্রন্থের আরও দুটি শতক সংগৃহীত হয়েছে।*
*🌻এই শ্রীকৃষ্ণকর্ণামৃতের ২য়,ও ৩য়, শতক মূল,অন্বয় ও বঙ্গানুবাদ সহ "শ্রীভক্তি-প্রভা" কার্য্যালয় হতে প্রকাশিত হয়েছে।*
*🌹বিল্বমঙ্গলের অপর গ্রন্থের নাম, "গোবিন্দ-দামোদর স্তোত্র"।মহাপ্রভু বলেছিলেন, বিল্বমঙ্গল দ্বিতীয় শুকদেব, সুতরাং তাঁর নাম লীলাশুক।*
*"কর্ণামৃত সম বস্তু নাহি ত্রিভুবনে।*
*যাসা হৈতে হয় শুদ্ধ কৃষ্ণপ্রেম জ্ঞানে।।*
*সৌন্দর্য্য মাধুর্য্য কৃষ্ণলীলার অবধি।*
*সে জানে যে কর্ণামৃত পড়ে নিরবধি"।।*
*🌻বিল্বমঙ্গলের গুরুদেব পুরুষোত্তম ভট্ট।সোমগিরি নামক সন্ন্যাসী তাঁর বৈরাগ্য পথের গুরুদেব।*
*🍀এই শ্রীকৃষ্ণ-প্রেমরসিক বিল্বমঙ্গল ঠাকুরের সতীর্থ "ছন্দোমঞ্জরী" প্রণেতা কবি গঙ্গাদাসও বিশেষ উল্লেখযোগ্য।ইনি বৈদ্য গোপালদাসের পুত্র, জননীর নাম সন্তোষী।এই পরম কৃষ্ণভক্ত কবির দ্বারা বৈষ্ণব সাহিত্যের মহান উপকার সাধিত হয়েছে।"অচ্যুত-চরিতম্" নামক মহাকাব্য ও "কংশারি-শতকম্" প্রভৃতি কাব্য ইনারই বিরচিত। "ছন্দোমঞ্জরী" উৎকৃষ্ট ছন্দ গ্রন্থ, প্রত্যেক লক্ষণের উদাহরণ শ্রীকৃষ্ণ বিষয়ক এবং রচনাও সুমধুর। এইরকম শত শত বৈষ্ণব-মহাত্মা অপূর্ব ভক্তি-প্রতিভা বলে বৈষ্ণবধর্মের ফিজয় ঘোষণা করে বৈষ্ণব সম্প্রদায়কে পরিপুষ্ট করেছিলেন।এর পর বৈষ্ণবগণের যে চারটি সম্প্রদায়ের অভ্যুদয় হয়, তা বহু শাখা-প্রশাখায় বিভক্ত হয়ে আজও বিদ্যমান রয়েছে।*
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏 ক্রমাগত 🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ ৪৮. বৈষ্ণব বিবৃতি ꧂
꧁ শ্রীযুক্ত মধুসূদন তত্ত্ববাচস্পতি ꧂
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ📱7001138871꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
