✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ রাধারমণদেবের প্রাকট্যতিথি ꧂
꧁ বৈশাখ মাসের পূর্ণিমা তিথি ꧂
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ DeepBagui.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
#বৈশাখ_মাসের_পূর্ণিমা_তিথি
#বৃন্দাবনধামে_গোপালভট্ট_গোস্বামী_সেবিত_রাধারমণদেবের_প্রাকট্যতিথি
বৃন্দাবনের দায়িত্ব ভার তখন গোস্বামীগণের হাতে।রূপ সনাতন সব গোস্বামীগণ নিজ নিজ প্রাণনিধিকে পেয়েছেন। গোবিন্দ; মদনমোহন আদি সবাই সেবকের সেবাতে তুষ্ট ।এবার ব্রজে এসেছেন গোপালভট্ট। দক্ষিণ ভারত থেকে। মহাপ্রভুর সুচিহ্নিত পাত্র। মহাপ্রভু সন্ন্যাস গ্রহণ করে যখন দাক্ষিণাত্যে গেছিলেন তখন বেঙ্কট ভট্টের বাড়িতে ভিক্ষা করেছিলেন।এই বেঙ্কট ভট্টের ছেলে হলেন গোপাল ভট্ট। মহাপ্রভুর নির্দেশে আজন্ম ব্রহ্মচারী। মা বাবার অবর্তমানে এসেছেন ব্রজে। এটাও মহাপ্রভুর আদেশ।
মাঝখানে গোপাল গেছিলেন গণ্ডকী নদী তটে।স্নান করতে গিয়ে পেলেন বারোমূর্তি শালগ্রাম।(অনেকের মতে এই দ্বাদশ মূর্তির মধ্যে একজন হলেন দামোদর শালগ্রাম ) । তাই সেই শালগ্রামসমূহ কে নিয়েই ব্রজে সেবা করেন । গাছের তলাতে কুটিয়া বেঁধে থাকেন গোপাল।
আত্মপ্রতিষ্ঠা নেই। তাই গাছের তলাতেই বাস।কারণ মহাপ্রভুর এটাই আদর্শ ।আর গোপাল এই আদর্শ থেকে টলবেন না।
সময় টা ১৫৪২ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ। এক শেঠজী ব্রজে এসে গোপাল ভট্ট কে ঠাকুরের জন্য অনেক কাপড় আর গহনা দিয়ে গেল।কিন্তু হায় ! কাপড় গহনা কাকে পড়াবেন? শালগ্রামসমূহ সবাই যে গোলাকার রূপ ধারণ করে আছেন।কাপড় গহনা পরাবার অবয়ব তো নেই।গোপাল ভট্ট যতই ফেরত দিতে চান সেই শেঠজী ফেরত নিতে নারাজ।বাধ্য হয়ে গোপাল ভট্ট রেখে দিলেন সেইসব।মনে মনে ভাবেন ইসস ! যদি আমার ত্রিভঙ্গ বঙ্কিম কৃষ্ণ বিগ্রহ থাকত তবে এইসব কাপড় পরিয়ে সুখ পেতাম। এদিকে মহাপ্রভুও অপ্রকট হয়েছেন।তার বিরহ বেদনা গোপালের প্রাণে বাজে।আরতো গৌর দেখতে পাব না ।
নৃসিংহ চতুর্দশী তিথি এল। গোপাল ভট্ট শালগ্রাম সমূহেই অভিষেকাদি সম্পন্ন করে ঠাকুরদের শয়ন দিলেন।নিজেও শুলেন।সেদিন তাঁর নৃসিংহ চতুর্দশী ব্রত। পরদিন পূর্ণিমার সকালে পারণ করবেন-এমনটাই মনস্থির করেছেন। তখন কি আর জানতেন যে পারণ করতে গিয়েই প্রাণধনকে পেয়ে যাবেন!!
পরদিন ভোরে যমুনাতে স্নান করে কুটিয়া তে এসেছেন গোপাল।ঠাকুরকে জাগাতে গিয়ে দেখছেন বারোমূর্তির জায়গায় এগারোমূর্তি শালগ্রাম আর সেই দামোদর শালগ্রাম পরিণত হয়েছেন কৃষ্ণ বিগ্রহে।কি সুন্দর সেই বিগ্রহ! ত্রিভঙ্গ বঙ্কিম! আড় নয়নে চাইছেন।হাতে বংশীধারী মুদ্রা।এত সুন্দর গোপাল ভট্টের চোখে জল।
খবর রটে গেল গোটা ব্রজে- গোপাল ভট্টের কুটিয়াতে ঠাকুর প্রকট হয়েছেন। শুনেই শ্রী রূপ সনাতন সবাই এলেন দর্শনে। প্রাণে প্রাণে অনুভব করলেন এই বিগ্রহ শুধু কৃষ্ণ বিগ্রহ নয়; এই বিগ্রহ গৌর বিগ্রহ। মহাপ্রভুই গোপালের কাছে গায়ের রং পরিবর্তন করে হাতে বাঁশি নিয়ে প্রকট হয়েছেন। সমস্ত গোস্বামীগণ সেই গৌররূপী কৃষ্ণের নামকরণ করলেন #রাধারমণ নামে। রাধারমণ =রাধারাণীকে যিনি আনন্দ দেন। অর্থাৎ এই বিগ্রহে রাধারাণিকে আনন্দদানকারী কৃষ্ণ এবং রাধারাণি দুজনেই বিরাজিত। তবেই না রাধাকৃষ্ণ মিলে গৌর হচ্ছেন।
#গোপাল_ভট্টের_প্রাণধন।
#গৌর_হইলা_রাধারমণ।
#আবরিত_রাধার_বরণ।
#গৌর_আমার_রাধারমণ।।
দিনটি ছিল আজকে।১৫৪২খ্রিস্টাব্দের বৈশাখী পূর্ণিমা তিথি। সমগ্র পৃথিবীতে স্বপ্রকটীভূত (স্বয়ম্ভূ) একমাত্র কৃষ্ণ বিগ্রহ আজকের এই পুণ্য তিথিতেই প্রকাশ পেয়েছিলেন গোপাল ভট্টের কাছে।কলিহত জীবকে দর্শন দান করবেন বলে।
#জয়_রাধারমণ_লাল।
#জয়_জয়_ভট্ট_গোপাল ।।
*জয় নিতাই!*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-বাগুইপাড়া, বাগুইআটি, উত্তর চব্বিশ পরগনা, কোলকাতা-৭০০১৫৯
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
