✧═══════════•❁❀❁•══════════✧
🔙 পূর্ব লীলা 👉 ৯৮. বৈষ্ণব চূড়ামণি লালাবাবু 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori98.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🆕 👉 ৯৯. বৈষ্ণব চূড়ামণি লালাবাবু 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori99.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৯৯)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*বৈষ্ণব চূড়ামণি লালাবাবু*
~~~~~~~~~~~~~~~~~
*🌳দিন নেই,রাত নেই,লালাবাবু তাঁর জপ ধ্যানে মগ্ন এবং কৃপাময় ভগবান অনুরাগী ব্রজমায়ীদের মাধ্যমে তাঁর প্রয়োজন টুকু মেটাচ্ছেন।জাগতিক জীবনেও দেখা যায় যে সন্তান স্কুলে প্রথম স্থান অধিকার করে, মাতাপিতা এবং শিক্ষকগণও তার আরো বেশী উন্নতির জন্য সদা সর্বদা সচেষ্ট থাকেন এবং তাঁরা তার আরও উন্নতি দেখতে চান।সেরকম লালাবাবুকে প্রকৃত আধার বিবেচনা করে ভগবান তাঁর মাধ্যমে জীবজগতকে দেখাতে চাহেন যে, এ একজন তখনকার সময়ে লক্ষপতি,বা কোটিপতি জমিদার পুত্র, মাত্র ত্রিশ বৎসর বয়সে সব ভোগ ঐশ্বর্য্য ত্যাগ করে কিরকম ভাবে সাধনার সুউচ্চ শিখরে আরোহণ করতে পারেন।গঙ্গাগোবিন্দ সিংহের বংশে জমিদারী তো অনেকেই উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছিলেন কিন্তু কেউ কি তার কোন খবর রাখে? কিন্তু অদ্যাপি লালাবাবুর নাম শুনলে ভক্তি জগতের সকলেই জানায় তাঁর উদ্দেশ্যে অন্তযের সশ্রদ্ধ নিবেদন।এটিই হচ্ছে ভক্তি জগতের মহিমা যা যুগযুগ ধরে তাঁকে চির অমর করে রেখেছে। আমরা ভক্তমাল গ্রন্থে পাঠ করেছি যে মাধবদাস ছিলেন জগন্নাথের প্রিয়ভক্ত।তিনি একজন নিষ্কিঞ্চন বৈষ্ণব ছিলেন।একদা অনাহারী সেই ভক্তকে প্রসাদ খাওয়াবার জন্য ভক্তবৎসল নীলাচলনাথ স্বয়ং স্বহস্তে তাঁর স্বর্ণথালি ভর্তি প্রসাদ বহন করে তাঁর কুটিরে রেখে গিয়েছিলেন। পরদিন সেই মন্দির থেকে স্বর্ণথালি চুরি গেছে বলে প্রচার হয়ে গেল,পরে দেখা গেল যে সেই স্বর্ণথালি মাধবদাসের ঘরে পাওয়া গেলে চুরির অপরাধে সেবকগণ তাঁকে কি প্রচণ্ড নির্য্যাতন করেছিল,পরে দারুব্রহ্ম স্বপ্নের মাধ্যমে সমাধান করে দিয়েছিলেন। অর্থ্যাৎ অদ্যাপি বৈষ্ণব জগতে জগন্নাথী মাধবদাসের প্রতি ভগবানের এই কৃপার দৃষ্টান্ত স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ আছে।সেইরকম লালাবাবুর জীবনেও এইরকম ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখা যায়।*
*🌺গোবর্ধনে থাকা কালীন তিনি নিত্য পরিক্রমা করতেন এবং এমন সময় তাঁর মনে হঠাৎ একদিন বাসনা জাগিল যে সেদিন তিনি আর মাধুকরীতে যাবেন না। তার পরিবর্তে তিনি গোবর্ধনের প্রসাদ পাবেন।মনে এই বাসনা জাগ্রত হওয়ায় তিনি পরিক্রমা অন্তে মন্দিরের সেবককে প্রসাদের কথা বলে, গিয়ে নিশ্চিন্তে ভজনানন্দ নিজ গোফায় রইলেন।হঠাৎ সেদিন প্রাকৃতিক দুর্য্যোগে এমনই ঝড়বৃষ্টি হল যে সেবক কিছুতেই সেই প্রসাদ লালাবাবুকে পৌঁছাইয়ে দিতে পারলেন না।ভগবানের কি লীলা,একটু ভেবে দেখলে মনে হয় যে, কৃষ্ণচন্দ্র কৃপা করবেন বলেই এই দুর্য্যোগ সৃষ্টি করেছিলেন যা পরবর্তী ঘটনা হতে বোধগম্য হবে।ভক্তের মনে বাসনা হয়েছে যে ভক্ত তাঁর প্রসাদ পাবেন, এবং সময়মত না পেলে ভক্তের কষ্ট হবে, এজন্য ভক্তবৎসল গোবর্ধন সেই দুর্য্যোগের মধ্যে নিজ হাতে পূজারীর বেশে সেই প্রসাদ ভোগের থালায় করে,লালাবাবুর গোফায় পৌঁছিয়ে দিলেন। লালাবাবু যথারীতি তা গ্রহণ করলেন কিন্তু বৈষ্ণবী মায়া শক্তিতে কে যে দিয়ে গেলেন তা কিছু বুঝতে পারলেন না।অতঃপর লালাবাবু সেই প্রসাদ সেবা করার পর ভজনে আবিষ্ট হলেন,এদিকে সেবক উৎকণ্ঠায় অধীর হয়ে উঠলেন, অবশেষে গভীর রাত্রিতে প্রকৃতি যখন শান্ত হল,তখন সেবক সেই প্রসাদ নিবার জন্য মন্দিরের ভিতরে গিয়ে দেখলেন যে প্রসাদের থালা সেখানে নেই, তিনি ভাবতে লাগলেন যে কে এই থালা চুরি করল?যাইহোক, তিনি ঠাকুরের প্রসাদী ভোগসব একত্র করে একটি মাটির থালায় খুব তাড়াতাড়ি করে লালাবাবুর গোফায় এসে হাজির হলেন।গভীর রাত্রি হলেও লালাবাবু জপধ্যানে মগ্ন, হঠাৎ আগন্তুকের কন্ঠস্বর শুনে দেখলেন যে মন্দিরের পূজারী সামনে উপস্থিত,তখন সেই সেবক অতি বিনীত কন্ঠে দেরীর জন্য মার্জনা ভিক্ষা করে প্রাকৃতিক দুর্য্যোগের কথা সব বললেন।তখন লালাবাবু বললেন যে, আপনি তো সন্ধ্যার পর নিজে হাতে সব প্রসাদ দিয়ে গেছেন, এখন আবার প্রসাদ কেন?পূজারী তো হতবাক!তিনি কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছেন না কারণ তিনি তো নিশ্চিত জানেন যে তিনি এখানে আসেননি।তিনি প্রতিবাদ করলে লালাবাবু অবাক হয়ে বললেন যে বিশ্বাস না হয়তো ঐ দেখুন মন্দিরের প্রসাদি থালা এই আমি রেখে দিয়েছি।সেবক তখন লালাবাবুর উপর গোবর্ধনের যে কি অসীম করুণা তা অন্তরে উপলব্ধি করে করযোড়ে সানুনয় কন্ঠে বললেন যে তিনি ঠাকুরের নামে শপথ করে বলছি, আমি পূর্বে প্রসাদ নিয়ে আসিনি।এইতো গোবর্ধনের কৃপা।সেবকের এইকথা শুনে লালাবাবুর দেহে অষ্টসাত্ত্বিকের নানা ভাববিকার পরিলক্ষিত হল এবং তিনি ভাবাবেশে অচেতন হয়ে গেলেন।*
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🔜 ক্রমাগত 👉 ১০০. বৈষ্ণব চূড়ামণি কৃষ্ণচন্দ্র সিংহ 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/08/madhukori100.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 ✍️ শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 👇꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
