শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

বৈষ্ণব রস-সাহিত‍্য 🙏 দ্বিতীয় খন্ড 🙇 পরম বৈষ্ণব খগেন্দ্র নাথ মিত্র 📖 তৃতীয় ভাগ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/03/sahityo3.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕 👉 ২৪. ভক্তি জগতের বিভিন্ন প্রসঙ্গ 👏বৈষ্ণব রস-সাহিত‍্য 🙏 দ্বিতীয় খন্ড 🙇 পরম বৈষ্ণব খগেন্দ্র নাথ মিত্র 📖 তৃতীয় ভাগ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/03/sahityo3.html
*🌻স্বকীয়া ও পরকীয়া🌻*
*🔵কাম ও প্রেমের মধ্যে তফাৎ কি?*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*(২৪)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী ২য় খন্ড*
      *ভক্তি জগতের বিভিন্ন প্রসঙ্গ*

*🌻স্বকীয়া ও পরকীয়া🌻*
*🌹বিধি পূর্বক বিবাহিতা,পতির আজ্ঞানুবর্তিনী পতিব্রতা স্ত্রীকে স্বকীয়া বলা হয়।এই হিসাবে শ্রীকৃষ্ণের দ্বারকাপুরীতে স্বকীয়া ১৬১০৮ জন মহিষী ছিলেন।*

*🌻🌻🌻🌻পরকীয়া🌻🌻🌻🌻*
*🌹পরকীয়া মানে-- রাগবশবর্তিনী হয়ে যাঁরা ইহলোক পরলোক সতীকুলচিত ধর্মাদি ত‍্যাগ করে শ্রীকৃষ্ণকে আত্ম সমর্পণ করেছেন তাঁদেরকে পরকীয়া বলা যায়।ইঁহারা একমাত্র কৃষ্ণ সুখে সুখী।এই প্রেমে আত্মসুখের বা নিজেরসুখের গন্ধমাত্রও থাকতে পারে না এবং এই রসের আধার হচ্ছেন ব্রজ-গোপীগণ।যাঁরা সম্পূর্ণ নিষ্কাম এবং আত্মসুখ বর্জিত।*

*🔵কাম ও প্রেমের মধ্যে তফাৎ কি?*
*🍀কাম==প্রাকৃত।*
*🍀প্রেম==অপ্রাকৃত।*
*🍀কাম==অন্ধকার।*
*🍀প্রেম==নির্মল চন্দ্রালোক।*
*🍀কাম==আত্মসুখ অভিলাষী।*
*🍀প্রেম==কৃষ্ণ সুখ তৎপর।*
*🌹অর্থ‍্যাৎ যে কামে আত্মসুখ বা ইন্দ্রিয়সুখ নিহিত তাকেই সাংসারিক অর্থে কাম বুঝায়।আর যে কাম আত্মসুখ বর্জিত তারই নাম প্রেম।আর সেই কামচেষ্টাই ব্রজলীলা রস আস্বাদন।*

*🌻গোপীপ্রেম যে অপ্রাকৃত বস্তু সে প্রসঙ্গে শ্রীপাদ কবিরাজ মহাশয় বলেছেন----*
*🌷সহজে গোপীর প্রেম নহে প্রাকৃত কাম।*
*🌷কাম ক্রীড়া সাম‍্যে তার কহি কাম নাম।।*
*🌷নিজেন্দ্রিয় সুখ হেতু কামের তাৎপর্য‍্য।*
*🌷কৃষ্ণসুখ তাৎপর্য‍্য হয় গোপীভাব বর্য‍্য।।*
*🌷গোপীগণের প্রেম গাঢ় গোপীভাব নাম।*
*🌷বিশুদ্ধ নির্মল প্রেম কভু নহে কাম।।*
*🌷কাম প্রেম দোঁহাকার বিভিন্ন লক্ষণ।*
*🌷লৌহ আর হেম যৈছে স্বরূপে বিলক্ষণ।।*
*🌷আত্মেন্দ্রিয় প্রীতি ইচ্ছা তারে বলি কাম।*
*🌷কৃষ্ণেন্দ্রিয় প্রীতি ইচ্ছা ধরে প্রেম নাম।।*
*🌷কামের তাৎপর্য‍্য নিজ সম্ভোগ কেবল।*
*🌷কৃষ্ণসুখ তাৎপর্য‍্য হয় প্রেম মহাবল।।*
*🌷সর্বত‍্যাগ করি করে কৃষ্ণের ভজন।*
*🌷কৃষ্ণসুখ হেতু করে প্রেমের সেবন।।*

*🌹এখানে একটি প্রশ্ন আসতে পারে যে গোপীদের যদি আত্মসুখ অভিলাষ নাই থাকবে তাহলে তাঁরা নিজদেহে নানা প্রকার বেশভূষা কেন করেন? ইহার ব‍্যাখ‍্যা করে শ্রীপাদ কৃষ্ণদাস কবিরাজ মহাশয় বলেছেন যে----*
*🌷তবে যে দেখিয়ে গোপীর নিজদেহে প্রীতি।*
*🌷সেহ তো কৃষ্ণের লাগি জানিহ নিশ্চিতি।।*
*🌷এই দেহ কৈল আমি কৃষ্ণে সমর্পণ।*
*🌷তাঁর ধন তাঁর এই সম্ভোগ সাধন।।*
 ☆ ☆ ☆ ☆
*🌷গোপী শোভা দেখি কৃষ্ণের শোভা বাড়ে যত।*
*🌷সেই শোভা দেখি,গোপীর শোভা বাড়ে তত।।*
*🌷অতএব সেই সুখ কৃষ্ণ সুখ পোষে।*
*🌷এই হেতু গোপী প্রেমে নাহি কাম দোষ।।*
*🌷আর এক গোপীপ্রেমের স্বাভাবিক চিন্।*
*🌷যে প্রকারে হয় প্রেম কাম গন্ধহীন।।*
*🌷গোপীপ্রেমে করে কৃষ্ণ মাধুর্য‍্যের পুষ্টি।*
*🌷মাধুর্য‍্য বাড়ায় প্রেম,হইয়া মহাতুষ্টি।।*

*🌻সুতরাং যদি কোন মহিলা বা বালিকা শুদ্ধাচারে শুদ্ধাভাবে গোপীভাবে কৃষ্ণসেবা করতে চান এবং তাঁর নিজস্ব কামনা,বাসনা সব জলাঞ্জলী দিয়ে আমি শ্রীকৃষ্ণের, আমার এই দেহ,এও তো কৃষ্ণের দান এবং আমার এই দেহমন সব কৃষ্ণ প্রীতির জন্য সমর্পিত এই ভাবের বশবর্তী হয়ে নিজ অঙ্গরাগ করে কৃষ্ণসেবায় নিজেকে সমর্পিত করেন তাহলে তিনি গোপীভাবে সেবার অধিকারী।মনের আয়না হতে ময়লা নিশ্চিহ্ন করে মীরাবাঈ-এর মতন সম্পূর্ণরূপে আত্মসমর্পণ করতে পারলে তবেই কৃষ্ণসঙ্গ সুখ আস্বাদন করা যায়।*


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🔙 পূর্ব লীলা 👉 বৈষ্ণব রস-সাহিত‍্য 🙏 দ্বিতীয় খন্ড 🙇 পরম বৈষ্ণব খগেন্দ্র নাথ মিত্র 📖 দ্বিতীয় ভাগ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/03/sahityo2_11.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕 👉 বৈষ্ণব রস-সাহিত‍্য 🙏 দ্বিতীয় খন্ড 🙇 পরম বৈষ্ণব খগেন্দ্র নাথ মিত্র 📖 তৃতীয় ভাগ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/03/sahityo3.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕 👉 ২১. কর্মার্পণ সম্বন্ধে 🍁 বৈষ্ণব রস-সাহিত‍্য 🙏 দ্বিতীয় খন্ড 🙇 পরম বৈষ্ণব খগেন্দ্র নাথ মিত্র 📖 তৃতীয় ভাগ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/03/sahityo3.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*(২১)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী (২য় খন্ড)*
            *কর্মার্পণ সম্বন্ধে*

*🌹গীতায় শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন----*
*🌷যৎ করোষি যদ অশ্নাষি যজ্জুহোসি দদাসি যৎ।*
*🌷যৎ তপস‍্যাসী কৌন্তেয় তৎ কুরুষ্ব মদর্পণম্।।*
*🌻অর্থ‍্যাৎ শ্রীকৃষ্ণ কুন্তীপুত্র অর্জুনকে বলছেন যে,তুমি যা করবে কর, কিন্তু সব কিছুই নারায়ণে সমর্পণ করতে হবে।অর্থ‍্যাৎ তুমি যা কিছু কর,যা কিছু ভোজন কর,যা কিছু হোম কর,যা কিছু দান কর,যা কিছু তপস‍্যা কর তা সমস্ত কিছু করবার আগে আমাকে অর্পণ করবে, আমাকে স্মরণ করে করবে।এখানে শুধু পূজা-অর্চনা,তপস‍্যাদির কথা বলা হয়নি, সব কাজের কথায় বলা হয়েছে। অর্থ‍্যাৎ এই অর্পণ দ্বারা ভগবানের সঙ্গে একটা সম্বন্ধ করার অভ‍্যাস হবে এবং সদাসর্বদা গোবিন্দ পাদপদ্মে স্মরণের একটা সুযোগ মিলবে।*
*ভক্তিমার্গের প্রথম সোপানই হচ্ছে দাস‍্যভাব।তুমি প্রভু, আমি দাস, তুমি যন্ত্রী আমি যন্ত্র,তুমি কর্ত্তা আর আমি নিমিত্তমাত্র এই ভাবটি গ্রহণ করে সমস্ত কাজ করতে পারলেই কর্মের মধ্যে দাস‍্যভাব জাগরিত হয় এবং কর্ত্তৃত্বাভিমান (আমি সব কিছু করছি এই অভিমান )বিনাশ হবে।আমি আহার করি তা তোমারই কৃপায়, পত্নী পুত্র কন‍্যা নিয়ে সংসার করি তাহাও তোমারই দয়ায়। অর্থ‍্যাৎ যা কিছু করি না কেন সব তুমিই করাও অর্থ‍্যাৎ আমার কর্ম এবং ইচ্ছার মধ‍্য দিয়ে তোমার ইচ্ছায় পূর্ণ হোক আমি এ ফলাফল কিছু চাই না, হে হৃষীকেশ! তুমি সদাসর্বদা আমার হৃদয়ে বসে আমাকে চালনা কর-- যে কথা গীতায় বলা হয়েছে।*
*🌷ত্বয়া হৃষীকেশ হৃদিস্থিতেন যথা নিযুক্তোস্মি তথা করোমি।*
*🍀এই অবস্থার একটি মাধুর্য‍্য এই যে সদাসর্বদা "আমি তোমার " এই দাস‍্যভাবটি বজায় থাকে এবং কর্মের কর্ত্তৃত্বাভিমান কমবে। 🌹কৃষ্ণ বহির্মুখী জীব যদি সব আজের শুরুতেই অর্পণ করার অভ‍্যাসে অভ‍্যস্ত হয়, তখন যদি কোন পাপকাজ বা কুৎসিত কাজ করতে বাসনা জাগে তখনই বিবেকের দংশন অনুভব হবে যে এমন কুৎসিত কাজতো ভগবানে অর্পণ করা উচিত হবে না এবং যখনই বিবেকের তাড়না অনুভূত হবে, তখনই যে তা হতে নিজেকে নিরস্ত বা বিরত হবে, অর্থ‍্যাৎসাধু,গুরু,বৈষ্ণবের কাছে সিদ্ধান্তের জন্য উপস্থিত হবে। তার ফলে সৎবুদ্ধির উদয় হবে।*
*এতদিন কর্মার্পণের কোন অভ‍্যাস যার মধ্যে ছিল না এবং নির্বিচারে শুভ-অশুভ সব কাজ করে যেত এই অভ‍্যাস যুক্ত হবার পর তার মধ্যে এক নবচেতনার সঞ্চার হল। যেন এক নতূন ধারায় অর্পণ করতে শিখল। কিন্তু কর্মার্পণের এমনই মহিমা যে, চিত্তবৃত্তির পরিবর্তন ঘটতে বাধ‍্য।অর্পণ করতে করতে মনে হবে ভগবানকে অর্পণ করছি এবং তার মধ‍্য দিয়ে ধীরে ধীরে স্ব-ভাব বদলাবে। (জীব অভ‍্যাসের দাস, যে যেমন অভ‍্যাস করবে, যে সেইরকম ভাবেই চলাফেরা করবে, তাইনা?),কুকর্ম বা অসৎ কর্মের প্রবৃত্তি চিরতরে কমে যাবে। সুতরাং কর্মার্পণের এই অভ‍্যাসের মাধ‍্যমে মানুষের চিত্তবৃত্তির যে কিরকম আমূল সংস্কার হয় তা আশাকরি আপনারা অনুধাবন করতে পেরেছেন।*
*মহাজনের কৃপার ধারা যে কার উপর কিভাবে বর্ষিত হবে তার কোন বিধিবদ্ধ নিয়ম নেই। মহাপ্রভুর আমলে অযাচিত কৃপা বহু যবন পর্যন্ত পেয়েছেন। শ্রীবাস পন্ডিতের বাড়ীর কুকুর, বিড়াল এমনকি দরজি পর্যন্ত কৃপা পেয়েছিলেন, যা গ্রন্থে পাওয়া যায়।এই প্রসঙ্গে বিশ্বনাথ চক্রবর্তীপাদ ভাগবতের টীকায় একটি সুন্দর উপমা দিয়েছেন,যথা--, পাহাড় মাত্রেই বিরাট এবং বিশাল পাথরের সমষ্টি ছাড়া আর কিছুই না, কিন্তু সেই পাহাড়ের কোন এক বিশিষ্ট জায়গা হতে প্রবলবেগে ঝরনার জল প্রবাহিত হয় অথচ অন‍্যান‍্য জায়গা সব শুকনো।এই ঝরনার প্রবাহ যে পাহাড়ের কোন জায়গা হতে পুনরায় প্রবাহিত হবে তার কোন বিধিবদ্ধ নিয়ম নাই।সেইরকম সাধু গুরু বৈষ্ণব ও মহাজনগণের কৃপার ধারা যে কার উপর বর্ষিত হবে আর কার উপর বর্ষিত হবে না,তারও সেরকম কোন বিধিবদ্ধ নিয়ম নাই।সবই নির্ভর করে তাঁদের কৃপার উপর।*


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕 👉 ২২. চন্দ্র 🌙 ---------সূর্য‍্য ☀️ বৈষ্ণব রস-সাহিত‍্য 🙏 দ্বিতীয় খন্ড 🙇 পরম বৈষ্ণব খগেন্দ্র নাথ মিত্র 📖 তৃতীয় ভাগ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/03/sahityo3.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*(২২)বৈষ্ণব জগতের মধুকরী(২য় খন্ড)*
            *চন্দ্র---------সূর্য‍্য*

*🍀সূর্য‍্যের কাছে আমাদের ঋণের শেষ নেই, কারণ আমাদের জীবনীশক্তির মূল হচ্ছেন সূর্য‍্য। সূর্য‍্যহীন পৃথিবী আমরা কল্পনাই করোএ পারি না।সূর্য‍্য শুধু আলো দিয়েই আমাদের জীবন এবং পৃথিবীকে ভরিয়ে দেয় না সূর্য‍্য আমাদের শরীরকে ব‍্যাধিমুক্ত রাখে,শুধু তাইই নয়, সূর্য‍্য আমাদের পৃথিবীকে সঞ্জীবিত রেখে দূষণ মুক্ত করে।সূর্য‍্যাস্তের পর নেমে আসে পৃথিবীতে অন্ধকার, এই অন্ধকারকে বড় ভয় আমাদের এবং সেই জন্যই অন্ধকারকে মৃত‍্যুর সহিত তুলনা করা হয়েছে।*
*🍀সূর্য‍্যই হচ্ছেন আলোকের প্রতীক। মানুষের জীবনকে উদ্ভাসিত(আলোকিত) করার জন্যই সূর্য‍্যকে আমরা চাই। শুধু উদ্ভাসিত করার জন্যই নয়, পৃথিবীকে সঞ্জীবিত করার জন্যই সূর্য‍্যকে আমাদের প্রয়োজন।সূর্য‍্য ছাড়া আমাদের চলে না বা চলতে পারে না।তদুপরি এটিও বাস্তব সত‍্য যে দিনের সর্বস্তরের সূর্য‍্যালোক আমাদের ঠিক বাঞ্জনীয় নয়।প্রচন্ড নিদাঘের বা গ্রীষ্মকালের সূর্য‍্যকিরণ ঠিক আমাদের কাছে বাঞ্জনীয় নয়। কিন্তু এটিও বাস্তব সত‍্য যে প্রভাতের সূর্য‍্য অতীব মনোরম এবং উপভোগ‍্য। আবার অস্তগমনের পূর্বে সূর্য‍্য যে মনোরম রূপ ধারণ করেন তা নিয়ে কত কাব‍্য, কত সাহিত‍্য রচিত হয়েছে কিন্তু তবুও প্রচন্ড গ্রীষ্মের খরতাপ আমাদের কাছে উপভোগ‍্য না।*
*কিন্তু চন্দ্রালোকের বেলায় তা নয়, কারণ রাত্রির সব পর্বেই চাঁদ রমণীয়,চাঁদ মোহময়,চাঁদ তৃপ্তিদায়ক, চাঁদ আনন্দদায়ক।সূর্য‍্যহীন পৃথিবীতে যখন চন্দ্রোদয় হয়, বিশেষ করে আকাশে যখন পূর্ণচন্দ্রের উদয় হয়। তখন সারা পৃথিবী জ‍্যোৎস্নার অনাবিল আনন্দ ধারায় স্নাত হয়।সেই অভিজ্ঞতা বড়ই রমণীয়, বড়ই মনোমুগ্ধকর। সূর্য‍্যহীন হলেও পৃথিবীর সেই রূপ অতুলনীয়।দিনের বেলা সূর্য‍্যের আলোকে পাহাড়,পর্বত,নদ নদী,সমুদ্র,অরণ‍্য যে সৌন্দর্য্য নিয়ে আমাদের চোখে প্রতিভাত বা প্রকাশিত হয়, চাঁদের আলোয় সেইগুলিই আবার এক অপার্থিব সুষমায় বা সৌন্দর্য্যময় আত্মপ্রকাশ করে।তুলনামূলক হিসাবে বলা চলে যে দিনের আলোয় তাজমহলকে দেখা, আর চাঁদের আলোয় বিশেষ করে পূর্ণিমার রাত্রিতে তাজমহলকে দেখার মধ্যে পার্থক্য যে কতখানি,তা যার সেই অভিজ্ঞতা আছে তিনিই জানেন। কারণ সেই সৌন্দর্য্য অপূর্ব, অসাধারণ, অনন‍্য, অতুলনীয় এবং নয়নাভিরাম। সেই মনোমুগ্ধকর পরিবেশকে বর্ণনা করার কোন ভাষায় নাই।*
*নীরব নিশীথে শিলাইদহে পদ্মার বুকে ভাসমান বজরায় (বড় নৌকায় ) বসে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ যে অনন‍্য কাব‍্যসম্পদ রচনা করে গিয়েছেন তা বাংলা সাহিত‍্যের এক অমূল‍্য সম্পদ এবং তা সম্ভব হয়েছিল চন্দ্রালোকের স্নিগ্ধতার মাধুর্য‍্যের মাধ‍্যমে।চন্দ্রালোকের স্নেহের পরশে মানুষের মনোবিতানে ঝঙ্কৃত হয়,নব নব ভাব, নব নব চিন্তা যা সব বাস্তবরূপে প্রতিভাত হয় তাঁর লেখনীর মাধ‍্যমে।চাঁদের পরশ সবই স্নিগ্ধতা এবং কোমলতায় ভরা।শুধু রবীন্দ্রনাথ কেন, বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন কবি এবং লেখক এই চন্দ্রালোকের মনোমুগ্ধকর পরিবেশকে আশ্রয় করে কত সাহিত্য,কত কবিতা লিখে গেছেন তার পরিমাণ নেই।সবই সম্ভব হয়েছিল চাঁদের স্নিগ্ধ পরশ পেয়ে।*
*সর্বশেষে বলতে চাই যে,চাঁদের স্নিগ্ধ আলো যে শুধু দৃষ্টির পক্ষেই তৃপ্তিদায়ক তা নয়, এটি আমাদের অন্তরকে উদ্বুদ্ধ(চেতনা) করে। আবার আমাদের উদ্ভাসিত করে কাব‍্যের প্রেরণায়, সৌন্দর্যের চেতনায়, ও পরম বস্তুর পিপাসায়। সুতরাং সূর্য‍্য যদি জীবনের শক্তি, চাঁদ জীবনের শোভা।সূর্য‍্য যদি হয় পৃথিবীর প্রাণ, চাঁদ পৃথিবীর আত্মা।সূর্য‍্য যদি হয় জগতের তেজ, চাঁদ তবে হয় জগতের সৌন্দর্য্য।সূর্য‍্য যদি হয় পৃথিবীর বীর্য‍্যবর্ত্তা, চাঁদ তাহলে হয় তার রমণীয়তা।সূর্য‍্য আমাদের শুদ্ধ করে,চাঁদ স্নিগ্ধ করে।*
*🌻সূর্য‍্যের বিভিন্ন নাম= অরুণ,আদিত‍্য,তপন,দিবাকর, ভাস্কর,ভানু,মার্তন্ড,মিহির,রবি,বিভাকর,বিস্বান,সহস্রাংশু প্রভৃতি।*
*🌻চন্দ্রের বিভিন্ন নাম=চন্দ্র, নিশাপতি,শশধর,শশাঙ্ক,নিশাকর,নিশামণি প্রভৃতি অনেক।*
🔅🔅🔅🔅🔅🔅🔆🔆🔆🔆🔆🔆🔆


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕 👉 ২৩. কে------আমার 👍 বৈষ্ণব রস-সাহিত‍্য 🙏 দ্বিতীয় খন্ড 🙇 পরম বৈষ্ণব খগেন্দ্র নাথ মিত্র 📖 তৃতীয় ভাগ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/03/sahityo3.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*(২৩)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী(২খন্ড)*
             *😭কে------আমার😭*
             😭😭😭😭😭😭😭
*🌳এ জগতে আমার বলে কিছুই নাই,সবই তোমার। অর্থ‍্যাৎ মায়াবদ্ধ জীব আমার পুত্র, আমার কন‍্যা, আমার স্বামী, আমার আত্মীয়স্বজন এই সব বলে। কিন্তু এটি যে কত বড় ভুল তা আমরা বুঝেও বুঝি না।এই আমার, আমার,মানে নিজের মালিকানা প্রকাশ করা, বাস্তবে সত‍্য, কারণ আপনার সম্পত্তি ব‍্যতিরেকে তা হস্তান্তর সম্ভব নয়। কিন্তু সেই তুলনায় আপনার সন্তান বা আপনার একান্ত প্রিয়জন যাদের আপনি আমার আমার বলে থাকেন,তার মালিকানা যে কখন চলে যাবে তা তো আমরা কেউ জানি না।সত‍্যই অতি প্রাণাধিক প্রিয়জনকে যে তিনি কখন টেনে নেবেন তা তো আমরা কেউ জানি না।সত‍্যই যদি এগুলি আমার হ'ত তাহলে আমার সম্মতি ছাড়া তাকে কেউ নিতে পারত না। অর্থ‍্যাৎ এইসব মায়িক সম্বন্ধের যে সব জিনিস তার মালিক কিন্তু একজন--, তিনি দিয়েছেন আবার তিনিই নিয়ে নিয়েছেন এবং আমরা অসহায় দর্শক মাত্র।এই চরম সত‍্যটি যত তাড়াতাড়ি উপলব্ধি করা যায় ততই মঙ্গল এবং ততই শোক-দুঃখের হাত হতে নিষ্কৃতি লাভ করা যায়। কিন্তু তবুও এক জায়গায় একটি কথা বলা চলে, সেটি কি?।ব্রজধামের কৃষ্ণ এবং একমাত্র তাঁর বেলাতেই বলা চলে,আমার পুত্র কৃষ্ণ,আমার পিতা কৃষ্ণ, আমার মাতা কৃষ্ণ,আমার সখা কৃষ্ণ,আমার সুখ-দুঃখের সঙ্গী কৃষ্ণ। অর্থ‍্যাৎ একমাত্র কৃষ্ণের ক্ষেত্রেই এই আমার ডাকটিই প্রকৃত সত‍্য।*
*🍀ভক্তমাল গ্রন্থে দেখা যায়, এক ভাবুক ব্রাহ্মণ এক মাটির বালগোপাল কিনে সন্তানবোধে তাঁর সেবা করতেন।রাত্রে কোলের মধ্যে নিয়ে বক্ষে জড়িয়ে ধরে ঘুমোতেন।*
*একদিন রাত্রে হঠাৎ মেউ-মেউ একটা বিড়াল ঘরের মধ্যে ডাকছিল, বালগোপাল ভয় পেয়ে ব্রাহ্মণকে জড়িয়ে ধরে বললেন, বাবা! ভয় করছে আমার ভয় করছে।ব্রাহ্মণ নাবালক শিশুকে জড়িয়ে ধরে বললেন না বাবা ভয় নেই ওটা বিড়াল।পরদিন রাত্রে আবার সেই বিড়ালের ডাক--- আবার বালগোপাল ভয় পেয়ে ব্রাহ্মণকে জড়িয়ে ধরলেন।বাবা আবার সান্ত্বনা দিতে লাগলেন, হঠাৎ তাঁর মনে হল এ আমি কি করছি, কাকে সান্ত্বনা দিচ্ছি!যিনি অনন্ত ব্রহ্মান্ডের অধিপতি তাঁকে আমি সান্ত্বনা দিচ্ছি একা আমার শোভা পায়।*
*অর্থ‍্যাৎ বাৎসল‍্য ভাবের পরিবর্তে ঐশ্বর্য‍্যভাবের উদয় হল এবং তখন সেই বালগোপাল ছেড়ে চলে গেলেন। ভগবান বাৎসল‍্য রসের সেবা বড় ভালবাসেন যার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত সনাতন গোস্বামীর মদনমোহন সেবা। অর্থ‍্যাৎ আত্মজ মায়িক সন্তানের পরিবর্তে যদি সেই চিন্ময় সত্ত্বাকে মন প্রাণ দিয়ে ভালোবাসা যায় তাহলে জীব জগতকে আর মায়িক শোক দুঃখ ভোগ করতে হবে না।যার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত অগ্রদ্বীপের গোবিন্দ ঘোষের গোপীনাথ সেবা।*
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙌🙏🙏🙏🙏🙏🙏


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕 👉 ২৪. ভক্তি জগতের বিভিন্ন প্রসঙ্গ 👏বৈষ্ণব রস-সাহিত‍্য 🙏 দ্বিতীয় খন্ড 🙇 পরম বৈষ্ণব খগেন্দ্র নাথ মিত্র 📖 তৃতীয় ভাগ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/03/sahityo3.html
*🌻স্বকীয়া ও পরকীয়া🌻*
*🔵কাম ও প্রেমের মধ্যে তফাৎ কি?*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*(২৪)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী ২য় খন্ড*
      *ভক্তি জগতের বিভিন্ন প্রসঙ্গ*

*🌻স্বকীয়া ও পরকীয়া🌻*
*🌹বিধি পূর্বক বিবাহিতা,পতির আজ্ঞানুবর্তিনী পতিব্রতা স্ত্রীকে স্বকীয়া বলা হয়।এই হিসাবে শ্রীকৃষ্ণের দ্বারকাপুরীতে স্বকীয়া ১৬১০৮ জন মহিষী ছিলেন।*

*🌻🌻🌻🌻পরকীয়া🌻🌻🌻🌻*
*🌹পরকীয়া মানে-- রাগবশবর্তিনী হয়ে যাঁরা ইহলোক পরলোক সতীকুলচিত ধর্মাদি ত‍্যাগ করে শ্রীকৃষ্ণকে আত্ম সমর্পণ করেছেন তাঁদেরকে পরকীয়া বলা যায়।ইঁহারা একমাত্র কৃষ্ণ সুখে সুখী।এই প্রেমে আত্মসুখের বা নিজেরসুখের গন্ধমাত্রও থাকতে পারে না এবং এই রসের আধার হচ্ছেন ব্রজ-গোপীগণ।যাঁরা সম্পূর্ণ নিষ্কাম এবং আত্মসুখ বর্জিত।*

*🔵কাম ও প্রেমের মধ্যে তফাৎ কি?*
*🍀কাম==প্রাকৃত।*
*🍀প্রেম==অপ্রাকৃত।*
*🍀কাম==অন্ধকার।*
*🍀প্রেম==নির্মল চন্দ্রালোক।*
*🍀কাম==আত্মসুখ অভিলাষী।*
*🍀প্রেম==কৃষ্ণ সুখ তৎপর।*
*🌹অর্থ‍্যাৎ যে কামে আত্মসুখ বা ইন্দ্রিয়সুখ নিহিত তাকেই সাংসারিক অর্থে কাম বুঝায়।আর যে কাম আত্মসুখ বর্জিত তারই নাম প্রেম।আর সেই কামচেষ্টাই ব্রজলীলা রস আস্বাদন।*

*🌻গোপীপ্রেম যে অপ্রাকৃত বস্তু সে প্রসঙ্গে শ্রীপাদ কবিরাজ মহাশয় বলেছেন----*
*🌷সহজে গোপীর প্রেম নহে প্রাকৃত কাম।*
*🌷কাম ক্রীড়া সাম‍্যে তার কহি কাম নাম।।*
*🌷নিজেন্দ্রিয় সুখ হেতু কামের তাৎপর্য‍্য।*
*🌷কৃষ্ণসুখ তাৎপর্য‍্য হয় গোপীভাব বর্য‍্য।।*
*🌷গোপীগণের প্রেম গাঢ় গোপীভাব নাম।*
*🌷বিশুদ্ধ নির্মল প্রেম কভু নহে কাম।।*
*🌷কাম প্রেম দোঁহাকার বিভিন্ন লক্ষণ।*
*🌷লৌহ আর হেম যৈছে স্বরূপে বিলক্ষণ।।*
*🌷আত্মেন্দ্রিয় প্রীতি ইচ্ছা তারে বলি কাম।*
*🌷কৃষ্ণেন্দ্রিয় প্রীতি ইচ্ছা ধরে প্রেম নাম।।*
*🌷কামের তাৎপর্য‍্য নিজ সম্ভোগ কেবল।*
*🌷কৃষ্ণসুখ তাৎপর্য‍্য হয় প্রেম মহাবল।।*
*🌷সর্বত‍্যাগ করি করে কৃষ্ণের ভজন।*
*🌷কৃষ্ণসুখ হেতু করে প্রেমের সেবন।।*

*🌹এখানে একটি প্রশ্ন আসতে পারে যে গোপীদের যদি আত্মসুখ অভিলাষ নাই থাকবে তাহলে তাঁরা নিজদেহে নানা প্রকার বেশভূষা কেন করেন? ইহার ব‍্যাখ‍্যা করে শ্রীপাদ কৃষ্ণদাস কবিরাজ মহাশয় বলেছেন যে----*
*🌷তবে যে দেখিয়ে গোপীর নিজদেহে প্রীতি।*
*🌷সেহ তো কৃষ্ণের লাগি জানিহ নিশ্চিতি।।*
*🌷এই দেহ কৈল আমি কৃষ্ণে সমর্পণ।*
*🌷তাঁর ধন তাঁর এই সম্ভোগ সাধন।।*
 ☆ ☆ ☆ ☆
*🌷গোপী শোভা দেখি কৃষ্ণের শোভা বাড়ে যত।*
*🌷সেই শোভা দেখি,গোপীর শোভা বাড়ে তত।।*
*🌷অতএব সেই সুখ কৃষ্ণ সুখ পোষে।*
*🌷এই হেতু গোপী প্রেমে নাহি কাম দোষ।।*
*🌷আর এক গোপীপ্রেমের স্বাভাবিক চিন্।*
*🌷যে প্রকারে হয় প্রেম কাম গন্ধহীন।।*
*🌷গোপীপ্রেমে করে কৃষ্ণ মাধুর্য‍্যের পুষ্টি।*
*🌷মাধুর্য‍্য বাড়ায় প্রেম,হইয়া মহাতুষ্টি।।*

*🌻সুতরাং যদি কোন মহিলা বা বালিকা শুদ্ধাচারে শুদ্ধাভাবে গোপীভাবে কৃষ্ণসেবা করতে চান এবং তাঁর নিজস্ব কামনা,বাসনা সব জলাঞ্জলী দিয়ে আমি শ্রীকৃষ্ণের, আমার এই দেহ,এও তো কৃষ্ণের দান এবং আমার এই দেহমন সব কৃষ্ণ প্রীতির জন্য সমর্পিত এই ভাবের বশবর্তী হয়ে নিজ অঙ্গরাগ করে কৃষ্ণসেবায় নিজেকে সমর্পিত করেন তাহলে তিনি গোপীভাবে সেবার অধিকারী।মনের আয়না হতে ময়লা নিশ্চিহ্ন করে মীরাবাঈ-এর মতন সম্পূর্ণরূপে আত্মসমর্পণ করতে পারলে তবেই কৃষ্ণসঙ্গ সুখ আস্বাদন করা যায়।*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕 👉 বৈষ্ণব রস-সাহিত‍্য 🙏 দ্বিতীয় খন্ড 🙇 পরম বৈষ্ণব খগেন্দ্র নাথ মিত্র 📖 তৃতীয় ভাগ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/03/sahityo3.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕 👉 বৈষ্ণব রস-সাহিত‍্য 🙏 দ্বিতীয় খন্ড 🙇 পরম বৈষ্ণব খগেন্দ্র নাথ মিত্র 📖 তৃতীয় ভাগ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/03/sahityo3.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕 👉 বৈষ্ণব রস-সাহিত‍্য 🙏 দ্বিতীয় খন্ড 🙇 পরম বৈষ্ণব খগেন্দ্র নাথ মিত্র 📖 তৃতীয় ভাগ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/03/sahityo3.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕 👉 বৈষ্ণব রস-সাহিত‍্য 🙏 দ্বিতীয় খন্ড 🙇 পরম বৈষ্ণব খগেন্দ্র নাথ মিত্র 📖 তৃতীয় ভাগ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/03/sahityo3.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕 👉 বৈষ্ণব রস-সাহিত‍্য 🙏 দ্বিতীয় খন্ড 🙇 পরম বৈষ্ণব খগেন্দ্র নাথ মিত্র 📖 তৃতীয় ভাগ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/03/sahityo3.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕 👉 বৈষ্ণব রস-সাহিত‍্য 🙏 দ্বিতীয় খন্ড 🙇 পরম বৈষ্ণব খগেন্দ্র নাথ মিত্র 📖 তৃতীয় ভাগ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/03/sahityo3.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🔜 ক্রমাগত 👉 

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
    ꧁👇📖 সূচীপত্র ✍️ শ্রী জয়দেব দাঁ 📖👇꧂



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
   🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧







adds