✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
🆕 ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ঐশ্বর্য ও মাধুর্যের বিশেষত্ব 🙇 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/05/krishna.html
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
ঐশ্বর্য ও মাধুর্যের বিশেষত্ব
এই দ্বিবিধ প্রকাশে তাঁহার স্বরূপের দুইটি বিশিষ্ট দিক —মাধুর্য ও ঐশ্বর্যেরই অভিব্যক্তি। এই কারণেই আলোচ্য বিষয় এই দুইটি প্রকাশের বিশেষত্ব ও তাৎপর্য ।
শ্রীবলদেব বিদ্যাভূষণের মতে, শ্রীকৃষ্ণের যে-প্রভাবে ব্ৰহ্মা, ইন্দ্র প্রভৃতি অভিমানী দেবগণের অভিমান চূর্ণ হইয়া যায়, সেই প্রভাবের নাম ঐশ্বর্য আর শ্রীরূপ গোস্বামীর বিবৃতিতে সর্ব অবস্থায় চেষ্টার যে চারুতা বা মনোহারিত্ব তাহার নাম মাধুর্য ।
ভক্তশ্রেষ্ঠ সূরিবরেণ্য শ্রীবিশ্বনাথ চক্রবর্তীও ‘রাগবত্মচন্দ্রিকায়' ঐশ্বর্য ও মাধুর্যের সংজ্ঞা নির্ণয়ে অনুরূপ উক্তি করিয়াছেন। যে মূর্তিতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ প্রলয়পয়োধিজলে বেদের উদ্ধারকর্তা, অতি বিশাল পৃথিবীর সংস্থাপক, ত্রিপাদপরিমাণে ত্রিভুবনের আচ্ছাদক, হিরণ্যকশিপু প্রভৃতি দৈত্যের সংহারক, তাহাই তাঁহার ঐশ্বর্যমূর্তি। এই মূর্তির শ্রেষ্ঠ প্রকাশ গীতার বিশ্বরূপ অধ্যায়ে ; চন্দ্র, সূর্য যাঁহার চোখে, প্রজ্বলিত অগ্নি যাঁহার মুখে, ব্রহ্মাণ্ড যাঁহার লোমকূপে, যাঁহার অনন্ত বদন, অনন্ত দশন, অনন্ত নয়ন, অনন্ত চরণ, যিনি বিশ্বরূপে জগৎ পরিব্যাপ্ত করিয়া বিরাজমান, সেই আদি, মধ্য ও অন্তহীন মহামূৰ্ত্তিই শ্রীকৃষ্ণের ঐশ্বর্যের চরম দৃষ্টান্ত ।
আর যে-মূর্তিতে তিনি সুন্দর, মধুরভাষী, ক্ষমাশীল, করুণ, ভক্তবৎসল, প্রেমের কান্ডারী, মঙ্গলময় তাহাই তাঁহার মাধুর্যমূর্তি।
এই মাধুর্যের স্বরূপ বিচিত্র — তাহার মধ্যে লীলামাধুর্য, প্রেমমাধুর্য, বংশীমাধুর্য ও রূপমাধুর্য শ্রীকৃষ্ণে অসাধারণ স্বরূপ।
ঐশ্বর্য ও মাধুর্য দুইটি ভিন্নবৃত্তি হইলেও এই উভয়ই শ্রীকৃষ্ণের স্বরূপশক্তির বৃত্তি। সুতরাং তাঁহাতে এই দুই বৃত্তিরই যে প্রকাশ থাকিবে তাহাই স্বাভাবিক। মহাভারতের শান্তিপর্বে ভীষ্মের স্তবরাজ ও কালিয়নাগ-দমনকালে নাগপত্নীদের স্তব ইহার উদাহরণ ।
ভীষ্মের স্তবে শ্রীকৃষ্ণের ক্রীড়ারূপের বর্ণনায় বলা হইয়াছে—
“বসুদেবস্তুতঃ শ্ৰীমান ক্রীড়িতো নন্দগোকুলে ।
কংসস্য নিধনার্থায় তস্যৈ ক্রীড়াত্মনে নমঃ ॥”
অর্থাৎ বাসুদেব শ্রীকৃষ্ণের গোকুলে ক্রীড়ার উল্লেখ থাকিলেও কংসবধই সেই ক্রীড়ার মুখ্য উদ্দেশ্য।
এখানে শ্রীকৃষ্ণের ঐশ্বর্যের ( 'কংসস্য নিধনার্থায়’) সহিত মাধুর্য ('ক্রীড়াত্মনে' ) প্রকাশ হইয়াছে ।
আর ভাগবতে শ্রীকৃষ্ণকে 'খলসংযমাবতারঃ'ও বলা হইলেও সেখানে যে তাঁহার মাধুর্যেরই প্রাধান্য তাহার পূর্ণ প্রকাশ কালিয়দমনলীলায় । কারণ কালিয়দমনের পরে নাগপত্নীগণ শ্রীকৃষ্ণের স্তুতিপ্রসঙ্গে বলেন যে, ব্রহ্মাদি দেবগণ এবং স্বয়ং লক্ষ্মী যাঁহার পদধূলির জন্য তপস্যা করেন, কালিয়নাগ তাহার অশেষ পুণ্যে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সেই পদধূলির স্পর্শ পাইয়াছে । তাই কালিয়নাগের দমন তাহাদের নিকট নিগ্রহ নহে, পরম অনুগ্রহ বলে মনে হয়েছে।
অতএব এই আলোচনার সিদ্ধান্তরূপে বলা যায় যে, ঐশ্বর্য ও মাধুর্য শ্রীকৃষ্ণের স্বরূপশক্তির এই বৃত্তি দুইটির প্রকাশ সর্বত্র একই সঙ্গে দেখা যায়। কিন্তু ইহাদের মধ্যে কোনটি অধিকতর শক্তিশালী তাহাই বিচাৰ্য । সাধারণভাবে মথুরা ও দ্বারকালীলায় শ্রীকৃষ্ণের ঐশ্বর্য এবং ব্রজলীলায় তাহার মাধুর্যের সমধিক প্রকাশ । মথুরা ও দ্বারকা- লীলায় তিনি সর্বশক্তিমান ভগবান, দণ্ডদাতা; দুষ্টের দমন ও সৃষ্টির পালনের জন্যই তাঁহার আবির্ভাব। কংস-ও শিশুপাল বধ প্রভৃতি লীলায় প্রধানতঃ তাঁহার এই ঐশ্বর্যেরই প্রকাশ । আর ব্রজলীলায় তিনি প্রিয়, জগদ্বন্ধু, করুণাসিন্ধু, সর্বদা ভক্তের অনুগ্রহে তৎপর ও সুন্দর।" ব্রজবাসিগণের কাহাকেও বাৎসল্যে, কাহাকেও সখ্যে, কাহাকেও দাস্যে এবং কাহাকেও বা মধুররসে ভাবিত করিয়া তিনি লীলা বিলাস করেছেন।
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
꧁👇📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী📖👇꧂
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧