✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
🆕 👉 উপাসনা ও ভজনের অন্তর্নিহিত তাৎপর্য্য ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/05/upasona.html
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*উপাসনা ও ভজনের অন্তর্নিহিত তাৎপর্য্য।*
☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆
*মানুষে মানুষে যত পার্থক্যই থাকুক না কেন, আত্মবিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে সাধনা বা উপাসনা এমনই একটি বস্তু যার মাধ্যমে মানুষ আত্মার একটি খাদ্য পায়।প্রত্যেক জীবদেহের মধ্যেই জীবাত্মা ও পরমাত্মা সূক্ষ্মভাবে বিরাজিত এবং উপাসনার মাধ্যমেই সেই সূক্ষ্ম জীবাত্মাকে পরমাত্মার সহিত যোগসূত্র স্থাপন করায়।প্রত্যেক নরনারীই শুদ্ধ পবিত্র ভাবে জাতি ধর্ম নির্বিশেষে ভগবদ্ উপাসনা করেন-- ইহা যেন ভগবানের সহিত যোগসূত্র স্থাপনের একটি প্রথা বিশেষ।অর্থ্যাৎ আমরা যখন ঠাকুরঘরে বসে মনের সব প্রার্থনা জানাই তখন কিন্তু আমাদের সম্মুখে সেই পাষাণ প্রতিমা নিশ্চল ভাবে বিদ্যমান,তিনি কোন কথারই উত্তরদান করেন না কিন্তু তবুও সেই উপাসক তাঁর মনের যত নৈবেদ্য,যত আর্ত্তি সব তাঁকে জানিয়ে চিত্তে পরম শান্তি লাভ করেন তাইনা?এ যেন মূকবধিরের সহিত বন্ধুত্ব, নিজের প্রেমিকের সঙ্গে সঙ্গোপনে কথাবার্তা, এককথায় আত্মার তীর্থ পরিক্রমা বা তীর্থযাত্রা।*
*এই উপাসনা যেন সীমাহীন পথে অজানাকে জানিবার,অচেনাকে চিনিবার একটা প্রচেষ্টা মাত্র,এ যেন নিজের জীবনের অস্তিত্বকে বা সত্ত্বাকে উপলব্ধি করবার একটি পথ বিশেষ।বিগ্রহ যে শুধু পাষাণ প্রতিমা নহেন এবং প্রকৃত ভক্তের নিকট তিনি সদাজাগ্রত তার প্রত্যক্ষ প্রমাণ শ্রীপাদ সনাতন গোস্বামীর গোপালসেবা, শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরীর গোপাল-গোপীনাথসেবা, ঠাকুর রঘুনন্দনের গোপীনাথসেবা ইত্যাদি।*
*এ প্রাপ্তির যেন শেষ নেই।সদাসর্বদাই যেন হাহাকার বা অনুশোচনা বা আর্তি।যে ষড় গোস্বামীগণ সদাসর্বদা শ্রীকৃষ্ণ সান্নিধ্য উপভোগ করে গিয়েছেন তাঁরাও এই আক্ষেপ করে গিয়েছেন।শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামী পর্যন্ত তিন তিনবার সাক্ষাৎ শ্রীকৃষ্ণ দর্শন পাওয়া সত্ত্বেও সদাসর্বদা আক্ষেপ করে বলতেন--*
*🌷অয়ি দীনদয়ার্দ্রনাথ,হে মথুরানাথ,কদা অবলোক্যসে,*
*🌷হৃদয়ং তদলোক কাতরং দয়িত ভ্রাম্যতি কিং করোম্যহম্।*
*এই বলিয়া আক্ষেপ করে গিয়েছেন।এইসব প্রসঙ্গ পাঠ করিলে মনে হয় যে যাঁরা এত পেয়েছেন,তাঁরা কেন এই জাতীয় আক্ষেপ বা অনুশোচনা জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত করে গিয়েছেন।তাহলে এ পাওয়ার অর্থ কি?কেন তাঁরা এ রকম করেন?একটি বাস্তব উদাহরণ দ্বারা এই প্রশ্নের সমাধান করবার কিঞ্চিৎ প্রচেষ্টা করা হবে।▪মনে করুন আপনারা তিনবন্ধুতে মিলে পুরী বেড়াতে গেছেন।সমুদ্র স্নানের বিরাট আকর্ষণ এই পুরীতে কিন্তু তবুও--*
*(১)একজন ভয়ে সমুদ্রে নামেনই না এবং তিনি বালুকাতটে ভ্রমণ করে সমুদ্রের বিশালতা এবং মহাশূন্যতা উপভোগ করেন।*
*(২)অপর একজনের সমুদ্র স্নানে লোভ, কিন্তু তিনি কোনমতে হাঁটুজলের মধ্যে নেমে ভয়ে ভয়ে স্নানটি সেরে নেন।*
*(৩)অপর সাথীটি তীরের কাছে স্নান করে তৃপ্তি পাবেন না বলে ধীরে ধীরে ঢেউ কাটিয়ে বহুদূর গিয়ে সাঁতার কেটে সমুদ্রে স্নান করলেন।*
*প্রথম বন্ধুটি তাঁর এই বিশাল সমুদ্রবক্ষে সুদূরে বা বহুদূরে সন্তরণ বা সাঁতার লক্ষ্য করে মনে মনে ভাবেন, ওর কি সাহস--কতদূর সমুদ্রবক্ষে একাকী চলে গেছেন ইত্যাদি।অবশেষে সেই সুদুরের সাঁতারু যখন তীরে উঠে এলেন তখন প্রথম বন্ধুটি তাঁকে উদ্দেশ করে বললেন--,"ভাই তোমার কি সাহস, এই বিশাল তরঙ্গসঙ্কুল মহাসমুদ্রের মধ্যে তুমি একাকী কতদূর চলে গিয়েছিলে" ইত্যাদি।এই কথাগুলি শোনার পর সেই সাঁতারু,বিনয়-নম্রসুরে বললেন যে, "জানি না ভাই তুমি কি দেখেছ-- এই বিরাট বিশাল মহাসমুদ্র যার কোন কুল-কিনারা নাই তার মধ্যে কতটুকু আর যেতে পেরেছি, তোমার কাছে ওটি দূরত্ব মনে হলেও আসলে ওটি কোন দূরত্বই নয়।সেইরকম ভগবানের বিশালত্ব,মহত্ব বা বিরাটত্ব যাঁরা উপলব্ধি করেছেন তাঁদের কাছে এই জাতীয় প্রাপ্তি কোন প্রাপ্তিই নয়, এ পাওয়ার কোন কুলকিনারা নাই, সেজন্য এই আক্ষেপ জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত।স্বয়ং মহাপ্রভু পর্যন্ত আক্ষেপ বা বিলাপের সুরে বলতেন--*
*🌷হে দেব,দয়িত,ভুবনৈকো বন্ধু,*
*🌷হে কৃষ্ণ,হে চপল,হে করুনৈকো সিন্ধু,*
*🌷হে নাথ,হে রমণ,হে নয়নাভিরাম,*
*🌷হা,হা,কদানু ভবিতাসি পদং দৃশোর্মে।*
*🌹অর্থ্যাৎ শ্রীমন্মহাপ্রভুও এত ভাবে শ্রীকৃষ্ণ সান্নিধ্য পেয়েও এই জাতীয় আক্ষেপ করে গিয়েছেন যে কবে তোমার শ্রীচরণ দর্শন প্রাপ্ত হব।কারণ এ প্রাপ্তির কোন শেষ নেই এবং এই অন্তহীন বিশ্বে সদাসর্বদা তাঁরা চকোরের ন্যায় ভ্রাম্যমান।*
*🙏জয় নিতাই গৌর সীতানাথ প্রেমানন্দে হরিবল🙏🙏🙏*
*আরে রে নিন্দুক ভাই,*
*তোর কিরে বোধ নাই,*
*বৃথাই ধরিলা দোন আঁখি।*
*সব অবতার সার,*
*শ্রীগৌরাঙ্গ অবতার,*
*তুমি তাহে রৈয়াছ উপেখি।।*
*সুরাপান অত্যাচার,*
*ভ্রূণহত্যা ব্যাভিচার,*
*তন্ত্র ধর্মে ভারত ব্যাপিল।*
*যক্ষ রক্ষ বিষহরি,*
*নানা উপহার করি,*
*জীব সবে পূজিতে লাগিল।।*
*দেখিয়া জীবের দৈন্য,*
*প্রভু মোর শ্রীচৈতন্য,*
*নবদ্বীপ প্রকট হইলা।*
*তারকব্রহ্ম হরিনাম,*
*যাচি সবে করি দান,*
*ধর্মের সে গ্লানি ঘুচাইলা।।*
*জগাই মাধাই আদি,*
*দুষ্কৃতের নিরবধি,*
*হরিনাম করিল উদ্ধার।*
*ব্রাহ্মণ যবনে মিলি,*
*করাইলা কোলাকুলি,*
*পরতেকে দেখ একবার।।*
*নাস্তিকে করিলা ভক্ত,*
*যজ্ঞে কৈলা গতিশক্ত,*
*অন্ধের করিলা চক্ষুদান।*
*কহে দীন কৃষ্ণদাস,*
*নহিলে ইথে বিশ্বাস,*
*তোর আর নাহি পরিত্রান।।*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
꧁👇📖 সূচীপত্র ✍️ শ্রী জয়দেব দাঁ 📖👇꧂
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
