✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
🆕 👉 গজেন্দ্র মোক্ষণ লীলা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2024/06/gajendra.html
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*🙏গজেন্দ্র মোক্ষণ লীলা, শ্রীমদ্ভাগবতের অষ্টম স্কন্ধে দ্বিতীয় অধ্যায়, তৃতীয় অধ্যায় ও চতুর্থ অধ্যায়ে বর্ণিত আছে। আমি অতি সংক্ষেপে কয়েকটি কথায় লিপিবদ্ধ করিব।*
*🌻প্রসঙ্গক্রমে প্রথম উনিশটি শ্লোকে ক্ষীরোদসাগর পরিবেষ্টিত অযুতযোজন উচ্ছ্রিত অতি মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য সমন্বিত গজেন্দ্রের আবাসস্থল "ত্রিকূট" নামক যে এক পর্বত আছে,তার এক অনুপম চিত্র অঙ্কিত করেছেন।সেই পর্বতের যে তিনটি শৃঙ্গ প্রধান,তারমধ্যে একটি শৃঙ্গ লৌহময়,অপরটি রৌপ্যময় এবং অন্যটি সুবর্ণময় ; এইজন্য ঐ পর্বত স্মরণাতীত কাল হতেই "ত্রিকূট" নামে প্রসিদ্ধ হয়েছে। এই পর্বতস্থ বনের মধ্যে বহু হিংস্র শ্বাপদাদি জন্তু বাস করত ও এই জায়গায় নানারকম জলজ-পুষ্পে সুশোভিত এবং জলচর বিহঙ্গমগণের বিচিত্র কলরবে মুখরিত ভগবান বরুণের "ঋতুমৎ" নামক উদ্যানে এক মনোরম সরোবর আছে।একদা, কাননচারী এক মহাগজ বা হাতী, হস্তিনী এবং হস্তিশাবকগণের সঙ্গে বিচরণ করতে করতে তৃষ্ণার্ত হয়ে জলপান করবার জন্য সেই সরোবর কাছে উপস্থিত হল।অনন্তর গজরাজ,হস্তিনী প্রভৃতি সরোবরে স্নান করে জলপানে পরিতৃপ্ত হয়ে শাবকগণকে জলপান করাচ্ছে, এইসময় সেই জলের ভিতরে এক বিশাল কুমীর ছিল,তার দ্বারা গজরাজ আক্রান্ত হল।এইভাবে সহসা আক্রান্ত হয়ে গজরাজ কুমীর হতে মুক্ত হবার জন্য মহাশক্তি দিয়ে কুমীরকে তীর-ভাগের দিকে আকর্ষণ বা টান দিতে লাগল, কিন্তু কুমীরও হীনবল ছিল না সেও মহাশক্তিশালী ছিল,সেও গজেন্দ্রকে জলমধ্যে টানতে লাগল ; এইভাবে উভয়েই তুল্যবল কারণ কেউই পরাভব স্বীকার করল না।এদিকে যূথপতিকে (দলের সেরাকে) এভাবে আক্রান্ত হতে দেখে হাতীগুলি সমবেতভাবে তাকে সাহায্য করতে লাগল, কিন্তু তবুও গজেন্দ্রকে মুক্ত করতে সক্ষম হল না।এইভাবে দ্বন্দ্বযুদ্ধে হাজার বৎসর অতীত হয়ে গেল!কালক্রমে গজরাজ ক্রমশঃ উৎসাহশূন্য ও ক্ষীণবল হয়ে আসিলে,কুমীররাজ উৎসাহাধিক্যবশতঃ তাকে ধীরে ধীরে গভীর জলে আকর্ষণ করতে লাগল।তখন অনন্যোপায় ও মৃত্যু ভয়ে ভীত হয়ে গজেন্দ্র চিন্তা করতে লাগল যে,আমার আত্মীয়গণও যখন আমাকে মুক্ত করতে সমর্থ হল না, সুতরাং এক্ষণে আমি সেই সর্বভয়হারী সনাতন বিপদভঞ্জন শ্রীমধুসূদনের শরণাপন্ন হব।তিনি ছাড়া আমার এ বিপদে উদ্ধারকর্তা আর কেউ নেই।এইরকম চিন্তা করে গজেন্দ্র তখন সর্বসঙ্কটতারণ শ্রীমধুসূদনের শরণাগত হতে মনস্থ করল।*
*ক্রমাগত*
*তারপর গজেন্দ্র স্থির চিত্তে পূর্ব জন্ম অভ্যস্ত পবিত্র স্তব জপ করতে আরম্ভ করিল।গজেন্দ্র বলল,যে ভগবান বাসুদেব হতে এই দেহাদি চৈতন্যপ্রাপ্ত হয়েছে,যিনি সমস্ত জীবদেহে কারণরূপে প্রবেশ এবং যিনি আদিকারণ,সেই সর্বেশ্বর ভগবানকে শত শত দন্ডবৎ প্রণাম।যে গজেন্দ্রকৃত স্তব গভীর আধ্যাত্মিক ও দার্শনিক ভাবে পরিপূর্ণ।এতে স্বভাবতই প্রশ্ন হতে পারে যে গজেন্দ্র তো জড়বুদ্ধি পশুমাত্র ; সুতরাং এরকম আধ্যাত্নিক ভাববিশিষ্ট জ্ঞান কোথা হতে আসিল?"প্রাগজন্মন্যনুশিক্ষিতম্" গজেন্দ্রের এরকম জ্ঞান তার বতর্মান জন্মলব্ধ নয়, সেটি ইন্দ্রদ্যুম্ন নামক তার পূর্বজন্মের জ্ঞান,ইহজন্মে অনুস্মৃত বা বিস্মৃত হয়েছে মাত্র।জগতেও দেখা যায়,অতি অল্প বয়সের বালকাদির প্রগাঢ় শাস্ত্র জ্ঞান, সঙ্গীত-কুশলতা ও কোনও কোনও বিষয়ে অস্বাভাবিক পারদর্শিতা হয়ে থাকে। এর কারণ আর কিছুই নয়, একমাত্র কারণ এই যে, "মৃত্যুমপ্যনুগচ্ছতে বিদ্যা" অর্থ্যাৎ বিদ্যা মৃত ব্যক্তিরও অনুগমন করে। সুতরাং গজেন্দ্রের এই অপূর্ব স্তব কাল্পনিক বলে উপেক্ষার বিষয় নয়,এটি এক অনন্যশরণ ভক্তিভাবিত চিত্তের আধ্যাত্মিক ও করুণ আর্ত্তি।*
*গ্রাহগ্রস্ত,ক্ষীণবল ও মৃত্যুকবলিত গজেন্দ্র তখন "ওঁ নমো ভগবতে তস্মৈ" প্রভৃতি বলে ভগবানের স্তব করতে আরম্ভ করে বলিল, হে ভগবান!আপনি সর্বকারণ-কারণ আদিপুরুষ পরমেশ্বর।আপনা হতেই পরিদৃশ্যমান এই বিশ্বের সমস্ত চেতনসত্ত্বা প্রকটিত হয়,আপনিই এই কার্য্যকারণাত্মক বিশ্বের মূলীভূত উপাদান ও নিমিত্ত কারণ,আপনাতেই এই বিশ্বের স্থিতি, তবুও আপনি পৃথকরূপে মায়াতীত হয়ে গোলোক-বৈকুন্ঠাদিধামে নিত্যলীলাপরায়ণ।হে সর্বকারণ-কারণ!আপনারই শক্তি-পরিণত এই বিশ্ব সত্য এবং আপনারই ইচ্ছাশক্তি প্রভাবে এই বিশ্বের সৃষ্টি,স্থিতি,ও প্রলয়াদির সংঘটিত হয়ে থাকে। সুতরাং আপনি সর্বকালেই বিরাজমান,সর্বদুর্জ্ঞেয় অতিমর্ত্য পুরুষ। হে করুণাঅপারপারাবার! আপনি সকলের দর্শনের অবিষয়ীভূত হয়েও ভাগবতব্রত অর্থ্যাৎ ভগবদ্ ভক্তগণের দৃশ্য হয়ে থাকেন। প্রাকৃত জন্ম-কর্ম-নাম-রূপ-গুণদোষাদি পরিশূন্য আপনি অনুগতজনের সংসার ধ্বংস করে তাকে ভক্তিসুখ দানের জন্য নিজ যোগমায়া শক্তিদ্বারা অপ্রাকৃত জন্মাদিলীলা পরিগ্রহ করে থাকেন।আপনি জীবাত্মা-প্রকাশক সর্বনিয়ন্তা পরমাত্মা,প্রাকৃত বাক্য,মন ও চিত্তবৃত্তির অগম্যতত্ত্ব হয়েও আপনি শুদ্ধসত্ত্বাত্মক ভক্তিযোগে প্রতিলভ্য।এইভাবে গজেন্দ্র প্রাণের আর্তি নিয়ে ভগবানের স্তবপ্রসঙ্গে শরণাগতরক্ষক ভগবানের মূর্তিবিশেষ বর্ণনা না করে তাঁর নির্বিশেষ পরমাত্মারূপ বর্ণনা করতে থাকলে রূপাভিমান সম্পন্ন ব্রহ্মাদি দেবগণ যখন তার মোচনের জন্য আসিলেন না, বরং নিজেদের এরকম দোষ খন্ডনের জন্য ভগবানের স্তব করছিলেন,তখন চক্রায়ুধধারী ভগবান গজেন্দ্রের স্তব শুনে ও স্তবে তুষ্ট হয়ে গরুড়ের উপর বসে তীব্রগতিতে গজেন্দ্রের দৃষ্টিপথে আবির্ভূত হলেন।গজেন্দ্র,তখন একটি পদ্ম নিয়ে শুন্ডে উত্তোলন করে নারায়ণকে নমস্কার করলে ভগবান গরুড় পৃষ্ঠ হতে নেমে একটি চক্রদ্বারা নক্রের (কুমীরের) মুখ বিদীর্ণ করে গজেন্দ্রকে মুক্ত করলে ও নিজ পার্ষদত্ব দান করলেন।এই গজেন্দ্র মোক্ষণলীলায় ভগবানের অপূর্ব ভক্তবাৎসল্য পরিলক্ষিত হয়।কেননা তিনি নিজ শ্রীমুখেই বলেছিলেন, "ন মে ভক্তাঃ প্রণশ্যন্তি" আমার ভক্তগণ কখনও বিনাশপ্রাপ্ত হয় না।পূর্বজন্মে যে গজেন্দ্র ইন্দ্রদ্যুম্নরূপে ভগবদ্ ভক্ত ছিলেন,ইহজন্মেও প্রাণসঙ্কটে পড়ে সে ভগবানকে ভক্তিভরে ডেকেছে,তাই ভক্তদুঃখহারী অকুলকান্ডারী শ্রীহরি,সশরীরে ভক্তের সামনে আবির্ভূত হয়ে তাঁর অভয়হস্তের প্রসারণে গজেন্দ্রের সব ভয় নিবারণ করলেন।*
*ক্রমাগত*
*গ্রাহগ্রস্ত(কুমীর আক্রান্ত)গজেন্দ্রের প্রার্থনায় ভগবান গরুড়স্কন্ধে গজেন্দ্রের কাছে আবির্ভূত হয়ে গজেন্দ্র মোক্ষণ বর্ণনা করে বর্তমান অধ্যায়ে নক্র ও গজেন্দ্রের পূর্বজন্ম বৃত্তান্ত ও গজেন্দ্র মোক্ষণ লীলার ফলশ্রুতি বর্ণনা।গজেন্দ্র মোক্ষণ লীলায় শ্রীভগবান সুদর্শন চক্রদ্বারা কুমীরের মুখ বিদারণ করে কেবল যে নিজ ভক্তের রক্ষা বিধান করলেন তাইই নয়,তিনি ভক্ত ও ভক্তদ্বেষী উভয়েরই উদ্ধার সাধন করলেন। অপার করুণা নিকেতন শ্রীভগবানের ইতর-বিশেষ ভেদজ্ঞান নেই ; শ্রীমদ্ভাগবতগীতায় তিনি নিজ শ্রীমুখেই বলেছেন, "ন মে দ্বেষ্যোহস্তি ন প্রিয়ঃ", অর্থ্যাৎ আমার দ্বেষ্য বা হিংসাপরায়ণ বা প্রিয় কেউই নেই। এইজন্যই তিনি দেবলমুনির শাপ হতে কুমীরকেও মুক্ত করলেন।এই কুমীর পূর্বজন্মে "হূহূ" নামে গন্ধর্বরাজ ছিলেন,দেবল মুনির অভিশাপেই কুমীরযোনি প্রাপ্ত হয়েছিলেন।এই গন্ধর্বরাজ হূহূ, একদা স্ত্রীগণের সঙ্গে সরোবরে জলক্রীড়া করছিলেন।জলক্রীড়া করতে করতে গন্ধর্ব দুর্বুদ্ধি বশতঃ স্নানরত দেবল মুনির চরণ দুইটি ধরে টান দিয়েছিলেন,তাতে মুনি কুপিত হয়ে শাপ দিয়েছিলেন যে, যেহেতু তুমি কুমীরের মত আচরণ করেছ, অতএব এখন হতে তুমি কুমীর যোনি প্রাপ্ত হও।তখন শাপগ্রস্ত হয়ে হূহূ মুনিবরের চরণ ধরে স্তবাদি করায় তিনি সন্তুষ্ট হয়ে বলেছিলেন যে,এইভাবে তুমি গজেন্দ্রকে আকর্ষণ করিও, তাহলে ল্রীভগবান গজেন্দ্রের উদ্ধারের জন্য এসে তোমাকেও উদ্ধার করবেন।আর গজেন্দ্রেও পূর্বজন্মে ইন্দ্রদ্যুম্ন নামে দ্রবিড় দেশের রাজা ছিলেন,হরিভক্ত ইন্দ্রদ্যুম্ন একদা শ্রীহরির আরাধনায় নিরত ছিলেন এমন সময় মহর্ষি অগস্ত্য সেখানে আসিয়া উপস্থিত হলেন।তখন ইন্দ্রদ্যুম্ন মহর্ষির যথাযোগ্য সৎকারাদি করলেন না,নীরবেই রইলেন। এতে মহর্ষি কুপিত হয়ে শাপ দিলেন যে,যেহেতু তুমি অতিথির অভ্যর্থনা না করে গজের মত স্তব্ধভাবে রয়েছ,অতএব তুমি স্তব্ধমতি গজযোনি প্রাপ্ত হও।অনন্তর মহর্ষির শাপে ইন্দ্রদ্যুম্ন গজযোনি প্রাপ্ত হলেন ; কিন্তু শ্রীহরির আরাধনার ফলে তাঁর ভগবদ্ভক্তি অব্যাহত রইল।এইজন্যই তিনি ভগবানের গ্রাহ(কুমীর)জন্ম হতে মুক্তি প্রর্থনা করেন নাই, পরন্তু অপবর্গরূপ মুক্তিই প্রার্থনা করেছেন ; "জিজীবিষে নাহমিহামুয়া কিম্" ইত্যাদি শ্লোক পর্য্যালোচনা করলেই সেটি উপলব্ধ হবে।*
*জিজীবিষে নাহমিহামুয়া কিম্,*
*অন্তর্ব্বহিশ্চাবৃতয়েভযোন্যা।*
*ইচ্ছামি কালেন ন যস্য,*
*বিপ্লবস্তস্যাত্মলোকাবরণস্য মোক্ষম্।।*
*🏵সম্প্রতি এই কুমীরের আক্রমণ হতে আমি শরীরের মুক্তি কামনা করি না,যেহেতু অন্তরে ও বাইরে অজ্ঞানযুক্ত এই গজজন্ম দ্বারা আমার কি হবে?কালবশেও যার বিনাশ হয় না,সেই আত্মার অপ্রকাশক অজ্ঞানের নাশরূপ মোক্ষই আমি ইচ্ছা করি।*
*🍀ভক্তবৎসল শ্রীভগবানও ভক্তের মনের বাসনা অনুযায়ী গজেন্দ্রের মুক্তিবিধান করে ভক্তপ্রবর গজেন্দ্ররূপী ইন্দ্রদ্যুম্নকেও স্বপার্ষদ করে নিয়ে তাঁর সঙ্গে গরুড়াসনে নিজধামে প্রস্থান করলেন। এইজন্যই তাঁর সরোবরতীরে আবির্ভাব হয়েছে, নচেৎ মাত্র কুমীরের কবল হতে গজেন্দ্রকে মুক্ত করবার জন্য তাঁর স্বয়ংই আসিবার আবশ্যকতা ছিল না,স্বভবনে উপস্থিত হয়েই তিনি চক্রপ্রেরণে বা ইচ্ছামাত্রেই গজেন্দ্রকে কুমীর হতে মুক্ত করতে পারতেন। কাতর প্রাণে অনন্যশরণ ভক্ত তাঁর দর্শন প্রার্থনা করেছেন, কাজেই তাঁকে স্বয়ংই আসতে হয়েছে,এটি তাঁর ভক্তবাৎসল্যেরই পরিচয়।*
*🙏অতি সংক্ষেপে লিপিবদ্ধ করিলাম, বানান ভুলক্রুটি মার্জনীয়।*
*জয় নিতাই গৌর সীতানাথ প্রেমানন্দে হরিবল🙏🙏🙏*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
꧁👇📖 সূচীপত্র ✍️ শ্রী জয়দেব দাঁ 📖👇꧂
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
