✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
🆕 👉 আক্ষেপের একটি পদ 🌷 শ্রীকৃষ্ণ লীলা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2025/07/akshep.html
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*🌹আক্ষেপের একটি পদ🌹*
*তাল----আড়, ২০ মাত্রা*
◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆
*পদ*
*১|একা কুম্ভ কাঁখে----------- এ এ এ এ কাঁখে করি---------- ই ই ই ই - - - - যমুনার জল ভরি রে সখীরে এ এ এ এ।*
*১|কাট= আমি ) একাই জলে - - - - এ এ এ এ,*
*একাই জলে - - - - গিয়েছিলামরে এ এ এ এ।*
*তাল=ঝাঁতি*
*১|একা কুম্ভ কাঁখে করি,*
*যমুনাতে জল ভরি,*
*জলের ভিতরে শ্যাম রায়।*
*🌻কথা=রাধারাণী বলছেন, সখীরে! আরও একদিন বেলি অসকালে কলসী কাঁখে করে যমুনায় জল ভরতে গিয়ে দেখি--*
*জলের ভিতরে শ্যাম রায়।*
*🌹আখর=*
*আমি ) দেখতে পেলাম।*
*জলের ভিতরে আমি।*
*আমার ) প্রাণ বঁধূ।।*
*২|ফুলের চূড়াটি মাথে,*
*মোহন মুরলী হাতে,*
*🌻সখিরে! শোভাটি কেমন দেখলাম, না,মাথায় ফুলের চূড়া, এবং হাতে মোহন মুরলী, ঐ দেখে যেমন আমি বঁধূকে ধরতে গিয়েছি,অমনি----*
*পদ= পুন কানু জলেতে মিশায়।।*
*🌹আখর= ডুবে গেল রে।*
*ঐ যমুনার জলে।*
*আমার প্রাণ বঁধূ।।*
*১|অনেক প্রবন্ধ করি,*
*ধরি বারে চাই হরি,*
*ধীরে ধীরে কর বাড়াইনু।*
*২|কর বাড়াইয়া চাই,*
*আর না দেখিতে পাই,*
*আকুল হইয়া জলেতে ডুবিনু।।*
*🏵কথা-সুরে= সখীরে!------- আমার বঁধূ যখন------ জলে ডুবে----- গেল ----------- তখন আমি ----------বঁধূকে ধরবার জন্য দু'বাহু বাড়ায়ে এগিয়ে গেলাম, অমনি আর বঁধূকে দেখতে পেলাম না,তখন আমি-----*
*আমি ঝাঁপ দিলাম রে।*
*ঐ যমুনার জলে আমি।*
*বঁধূকে ধরবার লাগি।।*
*১|ঢেউ মোর হইল কাল,*
*না পাইলাম নন্দলাল,*
*উঠিলাম যমুনার তীরে।*
*২|না দেখি বঁধূর মুখ,*
*বিষম হইল দুঃখ,*
*কাঁদিতে কাঁদিতে এলাম ঘরে।।*
*১|জ্ঞান দাসের বাণী,*
*শুন রাধা বিনোদিনী,*
*মিছা কেন ডুবেছিলে জলে।*
*🌻কথা=ভাবাবিষ্ট পদকর্তা জ্ঞানদাস ঠাকুর মহাশয়, রাধা অনুগত হয়ে বলছেন, হে রাধারাণী! তুমি শুধু শুধু জলে ডুবেছিলে কেন?*
*২|বুঝিতে নারিলে মায়া,*
*জলে ছিল অঙ্গ ছায়া,*
*শ্যাম ছিল কদম্বের ডালে।।*
*🌻কথা=সখী ভাবে ভাবাবিষ্ট হয়ে পদকর্তা বলছেন, রাধে! তুমি মনে করেছ যে, আমার বঁধূ বুঝি জলে ডুবে মারা যাবে, কিন্তু গীতায় বলছেন, এই আত্মার বিনাশ নেই-------*
*বাসাংসি জীর্নানি যথা বিহায় নজানি গৃহ্নাতি নরোহ পরানী তথা শরীরাণি বিহায় জীর্নান্যন্যায়ী সংযাতি নবানী দেহী।*
*🌺মানুষ যেমন পুরোনো কাপড় ছেড়ে নতূন কাপড় পরে, সেইরকম আত্মাও পুরাতন শরীর ছেড়ে নতূন শরীর ধারণ করে।(আরও গীতায় বলছেন)।*
*নৈনং ছিন্দতি শস্ত্রানি নৈনং দহতি পাবকঃ।*
*ন চৈনং ক্লেদয়ন্ত্যাপো ন শোষয়তি মারুতঃ।।*
*🌺অর্থ্যাৎ অস্ত্র দিয়ে আত্মাকে কাটা যায় না,আগুন ইহাকে পোড়াতে পারে না,জল ইহাকে ভেজাতে পারে না এবং বায়ু ইহাকে শুকনো করতে পারে না।*
*🍀অতএব হে রাধারাণী! তুমি শুধু শুধু জলে ডুবে ছিলে---*
*মায়া ) বুঝিতে নারিলে।*
*অঙ্গ ছায়া ছিল জলে।*
*শ্যাম ছিল ) কদম্বের ডালে।।*
*🌻কথা= ললিতা সখি বলছেন, হে রাধে! এই কৃষ্ণ অনুরাগ বৃন্দাবনে অনেকেরই হয়েছে। আমাদেরও হয়েছে। কিন্তু তোর যেমনটি হয়েছে, এমন কারও হয় নাই।এর কি কারণ আছে বলতে পারিস?তখন রাইধনি বলছেন,সখীরে এ খুবই গোপন কথা----*
*তাল==একতালী,১২ মাত্রা*
◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆
*🌻তবে তোরা যখন আমার মরমী সখী তখন অবশ্যই বলব।*
*অনুরাগের একটি পদ,*
*তাল=একতালী,১২ মাত্রা*
*🌹কথা=রাধারাণী বলছেন, তবে তোরা যখন আমার মরমী সখী তখন অবশ্যই বলিব।*
*পদ*
*১|শুন শুন গো মরম সই।*
*২|যখন আমার, জনম হইল,*
*নয়ন মুদিয়া রই।।*
*🌹কথা=ও আমার মরমী সখীরে! আমার জন্মের অর্থ্যাৎ ভূমিষ্ঠ হবার পূর্ব মুহূর্তে মাতৃগর্ভে আমি মনে মনে সঙ্কল্প করিলাম যে,ভূমিষ্ঠ হইবা মাত্র মায়া মুগ্ধ সংসারে প্রবেশ করা মাত্রই মায়ায় আবদ্ধ হতে হবে।অতএব আমি স্থির সংকল্প করলাম যে, নয়ন মুদ্রিত অবস্থায় ভূমিষ্ঠ হ'ব। প্রথমেই আমার প্রাণবঁধূর বদন দর্শন করব।তারপর মায়া মুগ্ধ সংসারে দৃষ্টিপাত করব।(একবার যাঁর কৃষ্ণ দর্শন হয়,তাঁকে আর মায়া গ্রাস করতে পারে না,) তাই নয়ন মুদ্রিত অবস্থায় জন্মগ্রহণ করিলাম।*
*১|দিতে ক্ষীর ধার,জননী আমার,*
*নয়ন মুদ্রিত দেখি।*
*২|জননী আমার, করে হাহাকার,*
*কহিল সবারে ডাকি।।*
*🌹কথা= আমার মা কীর্তিদা, আমার মুখে স্তন দিতে গিয়ে দেখেন আমার নয়ন বোজা অর্থ্যাৎ আমি অন্ধ,ঐ দেখে আমার মা হাহাকার করে কেঁদে উঠলেন এবং পাড়া প্রতিবেশী সবাইকে ডেকে বললেন, তোমরা সবাই এসে দেখে যাও, আমার কি মন্দ কপাল, আমার অন্ধ কন্যা জন্মছে।*
*১|শুনি সেই কথা,জননী যশোদা,*
*বঁধূকে লইয়া কোরে।*
*২|আমারে দেখিতে,আইলা তুরিতে,*
*সূতিকা মন্দির দ্বারে।।*
*🌹আমার মায়ের কথা পাড়া প্রতিবেশী শুনতে পেল এবং ঐ কথা এ-পাড়া, হতে ও-পাড়া, ও-পাড়া হতে সেই-পাড়া, এমনি করে শেষ পর্যন্ত নন্দালয়ে মাতা যশোমতীর কানে গিয়ে পৌঁছল।তখন মা যশোমতী দেখলেন যে আমার সই কীর্তিদার যখন এইরকম বিপদ, তখন না গেলে লোকে কি বলবে? তখন নন্দরাণী আমার প্রাণবল্লভকে ঘুম পাড়িয়ে রেখে আমাদের ভবনে আসবেন, কিন্তু গোপাল কিছুতেই ঘুমোলেন না। কেননা তিনি অন্তর্য্যামী,অন্তরে তিনি সবই জানতে পেরেছেন,তাই গোপালের আর ঘুম আসছে না।মা দেখলেন দুষ্ট ছেলের সঙ্গে আর পারা গেল না। তাই গোপালকে সঙ্গে নিয়েই সূতিকা মন্দিরের সামনে এসে দাঁড়িয়ে ছিলেন।*
*১|দেখিয়া জননী,কহিছেন বাণী,*
*দিদি এই ছিল কপালে।*
*২|কত করিয়া কামনা,পেলাম অন্ধ কন্যা,*
*বিধি এত দুঃখ দিলে।।*
*🌹কথা=মা নন্দরাণী গোপালকে অন্য ঘরের বারান্দায় কোল হতে নামিয়ে রেখে সূতিকা মন্দিরের কাছে দাঁড়িয়েছেন। মা যশোমতীকে দেখে আমার মা কীর্তিদা হাহাকার করে কেঁদে উঠলেন এবং বলতে লাগলেন, আমি কত সাধ্য সাধনা করেছিলাম,কত কামনা করে ছিলাম,একটি মনের মত সন্তান পাবার জন্য।তা বিধির এমনই বিধান পুত্র তো হলই না, যদিও বা হল তাও কিনা অন্ধ কন্যা সন্তান। এ দুঃখ আমি কার কাছে বলব,এই অন্ধ কন্যাকে কে গ্রহণ করবে বল?তখন যশোদা বললেন, সই!কেউ না গ্রহণ করলেও আমি গ্রহণ করলাম। এই কথা বলেই----*
*১|উঠ উঠ বলে,করে ধরে তোলে,*
*বসায় যতন করে।*
*২|এ হেন সময়,মায়ে তেয়াগিয়া,*
*বঁধূ পরসিল মোরে।।*
*🌹কথা=গোপাল, মা যশোমতীর কাছেই হামাগুড়ি দিয়ে ঘুরঘুর করে খেলছিল,আর এদিকে দুই সই-এ কথাবার্তা হচ্ছে,ঠিক এই অবসরে আমার প্রাণনাথ আমার প্রতিজ্ঞা রক্ষা বা মনোবাসনা পূর্ণ করার জন্য ধীরে ধীরে হামাগুড়ি দিতে দিতে আমার কাছে এসে অঙ্গ স্পর্শ করেছে, অমনি-----*
*১|দিতে গায়ে হাত,মোর প্রাণনাথ,*
*অন্তরে বাঢ়ল সুখ।*
*২|হাসিয়া কাঁদিয়া,আঁখি প্রকাশিয়া,*
*দেখিনু বঁধূর মুখ।।*
*🌹কথা=যখন প্রাণবঁধূ আমার অঙ্গ স্পর্শ করেছেন,তখন অঙ্গ পরশেই আমার বুঝতে পারলাম যে এই কমল হস্তের পরশ আমার প্রাণবঁধূরই হবে,পরশ পাওয়া মাত্রই নয়ন উন্মীলিত করে প্রথমেই বঁধূকে দর্শন করিলাম।*
*🏵আখর=*
*আনন্দ আর ধরে না।*
*প্রাণ বঁধূর বদন হেরে।* *অপলক নেত্রে চেয়ে রইলাম।।*
*🌹কথা=কথাবার্তার মধ্যে হঠাৎ মা যশোমতী পিছন ফেরে চেয়ে দেখেন গোপাল নেই,কোথায় গেল, কোথায় গেল বলতে বলতে দেখেন গোপাল সূতিকা মন্দিরে আমাকে (রাধাকে) চেপে ধরে আছে।অমনি দৌড়ে গিয়ে গোপালকে ধরতে গিয়েইদেখেন,কন্যা চোখ বড় করে টলটল করে তাকিয়ে আছে। অমনি মা যশোদা বলছেন ও সই!তোর কন্যা অন্ধ নইরে তুই অন্ধ।বলি একবার দেখে যা,দেখ তোর কন্যা কেমন টলটল করে তাকিয়ে আছে।ঐকথা শুনে কীর্তিদা দৌড়ে গিয়ে দেখেন সত্যিই তো কন্যা চোখ মেলে চেয়ে আছে।তখন আমার মায়ের মনে আর আনন্দ ধরে না।*
*১|অন্ধতা ঘুচিল, আনন্দ বাঢ়ল,*
*জননী যশোদা মনে।*
*২|আমার কল্যাণে,আনন্দিত মনে,*
*করিল বিবিধ দানে।।*
*১|সুজন যেজন,জানে সেই জন,*
*কুজন নাহিক জানে।*
*২|অনুরাগের মন,সদাই মগন,*
*দ্বিজ চন্ডীদাসে ভণে।।*
*🏵আখর=*
*সখীরে ) আন জনে জানে না।*
*অনুরাগের মন ছাড়া।*
*কৃষ্ণ) অনুরাগে সদাই মগন।।*
*অনুরাগের একটি পদ, বড় একতালী।*
*১|রূপ লাগি আঁখি ঝুরে------ ঝুরে গুণে মন ভোর।*
*কাট=আমার আঁখি ঝুরে রে।*
*ঐ রূপ দেখে আমার।*
*আমি )আর যে ধৈরজ ধরতে নারি।।*
*২|প্রতি অঙ্গ লাগি কান্দে প্রতি অঙ্গ মোর।*
*আমার ) পরাণ কাঁদে রে।*
*তার ) প্রতি অঙ্গের লাগি।*
*আমার ) মন প্রাণ সব।।*
*১|হিয়ার পরশ লাগি হিয়া মোর কান্দে।*
*২|পরাণ পিরীতি লাগি থির নাহি বান্ধে।।*
*১|কি আর বলিব সই কি আর বলিব।*
*২|যে পণ করেছি চিতে সেই যে করিব।।*
*১|রূপ দেখি হিয়ায় আরতি নাহি টুটে।*
*মনের )সাধ মেটে নারে।*
*রূপ দেখে মনের।*
*বল উপায় কি করি।।*
*২|বল কি বলিতে পার যত মনে উঠে।।*
*🌺সুরে=====*
*১|দেখিতে যে সুখ উঠে কি বলিব তা।*
*২|দরশ পরশ লাগি আউলাছে গা।।*
*তাল=লোফা*
*১|হাসিতে খসিয়া পরে কত মধুধার।*
*২|লহু লহু কহে কথা পিরিতি মিশাল।।*
*কত ) মধু ঝরে।*
*হাসিতে কত মধু ঝরে।*
*আর লহু লহু কথা বলে।।*
*১|গুরু গরবিত মাঝে রহি নানা রঙ্গে।*
*২|পুলকে পূরয়ে তনু শ্যাম পরসঙ্গে।।*
*১|পুলক ঢাকিতে কত করি পরকার।*
*২|নয়নের ধারা মোর বহে অনিবার।।*
*লোফা*
*১|ঘরের সকল লোক করে কানাকানি।*
*২|জ্ঞান কহে লাজ ঘরে ভেজাব আগুনি।।*
*আগুন লাগায়ে দেব।*
*লাজ ঘরে আগুন।*
*আর )যত কানাকানির ঘরে।।*
*আক্ষেপানুরাগের একটি পদ, তাল=আড়, ২০ মাত্রা।*
*১|অলপ বয়সে- - - - - - -এ এ এ এ বয়সে মোর ও ও ও ও*
*শ্যাম রসে জর জর- - - - সখীরে- - - এ এ এ এ এ এ*
*কাট=আমি আর যে ধৈরজ--------,*
*আর যে ধৈরজ ধরতে নারি রে--এ এ এ এ*
*অলপ বয়সে এ এ এ এ এ*
*তাল=ঝাঁতি*
*১|অলপ বয়সে মোর, শ্যাম রসে জরজর,*
*না জানি কি হবে পরিণামে।*
*আমার ) কিবা হবে রে।*
*পরিণামে আমার।*
*এই বয়সে এমন হলো।।*
*🌹কথা=তখন ললিতা সখী বলছেন,রাধারাণী এক কাজ কর।তুই শ্যাম রসে যখন জর জর, শ্যাম নাগরযখন কিছুতেই তোর পিছু ছাড়ছে না, তখন না হয় নয়ন বুজে থাক, আর মনের মধ্যে সংকল্প কর যে,শ্যামের বদন আর দেখব না। তখন রাইধনি বলছেন,সখীরে! আমি তাহাও করে দেখেছি কিছুতেই কিছু হয় না।সখী জানিস, একদিন আমি কি করলাম, না, চোখ বুজে থাকলাম, পরে কি হল জানিস?*
*১|যদি নয়ন মুদে থাকি, অন্তরে গোবিন্দ দেখি,*
*আমার )অন্তরে দেখি গো।*
*সেই ) গোবিন্দ মূরতি খানি।*
*হৃদয় আলো করে থাকে।।*
*আবার )নয়ন মেলিয়া দেখি শ্যামে।।*
*🌹কথা=মনে মনে চিন্তা করিলাম শ্যামনাগর যখন হৃদয়ের মধ্যে প্রবেশ করেছে,অমনি হৃদয় কপাটখানি বন্ধ করে দিলাম,তারপর বাইরের দিকে চাইলাম----*
*আবার )নয়ন মেলিয়া দেখি শ্যামে।।*
*বাইরেও দেখি রে।*
*উজ্জ্বল নীলকান্ত মণি।*
*ত্রিভঙ্গ বঙ্কিম ঠামে।।*
*🏵কথা=তখন সখীরা বলছেন, রাধারাণী! তবে তুই এক কাজ কর, তোর অন্তরে শ্যাম বাইরেও শ্যাম, কিছুতেই শ্যাম যখন তোর পেছন ছাড়ছেন না, তুই এ-দেশ ছেড়ে অন্য দেশে চলে যা,তাহলে শ্যাম তোর আর নাগাল পাবে না। রাধারাণী বলছেন সখীরে!আমি তাহাও করে দেখেছি---*
*১|যদি চলি যাই পথে, শ্যাম যায় মোর সাথে সাথে,*
*🌹কথা=থখন সখীরা বলছেন রাই! আচ্ছা শ্যাম যে তোর সাথে সাথে যায় তা তুই কেমন করে বুঝতে পারিস? রাধা বলছেন---*
*যায়--)চরণে চরণ ঠেকাইয়া।।*
*🌹কথা===তখন আমি*
*১|ভ্রমেতে ফিরায়ে আঁখি,কেউত সঙ্গে নাহি দেখি,*
*মরি থাকি যেন মুরছিয়া।।*
*🌹কথা=আমার মনে হয় প্রাণবঁধূ যেন আমার চরণের সঙ্গে চরণ ঠেকাইয়া পিছু পিছু আসছেন।তখন আমি ভ্রম বশতঃ আমার পেছনে তাকিয়ে দেখি যে আমার বঁধূ আসছে কিনা? কিন্তু কই কাউকেও দেখতে পাই না,তখন আমি লজ্জায় মরে যাই।অতএব হে সখী----*
*১|কহিনু তোদের আগে,দাগা পাইলাম শ্যাম দাগে,*
*এ ছার জীবনের নাহি দায়।*
*২|তিল তুলসী দিয়া,সমর্পণ করিনু হিয়া,*
*এ জনমের মত রাঙ্গা পায়।।*
*🌹কথা=সখীরে! শ্যামনাগর যখন আমাকে বারংবার দাগা দিচ্ছে এ বিড়ম্বনা আর সইতে পারি না।আর আমার এই জীবনেরই বা কিবা দাম আছে?আমি অনেক করে ভেবে দেখলাম, শ্যামনাগর বিনে আমার আর কোন গতি নেই।তাই নিরুপায় হয়ে ----*
*প্রাণ )সঁপে দিলাম রে।*
*তিল তুলসী দিয়ে।*
*ঐ রাঙ্গা চরণে।।*
*১|যোগিনী হইয়া যাব,শ্রবণে কুন্ডল দিব,*
*এ ছার গৃহ পরিহরি।*
*সখীরে )আমি যোগিনী হব।*
*শ্রবণে )কৃষ্ণ নামের কুন্ডল পরে।*
*আমি )দেশে দেশে বেড়াইব।।*
*২|কৃষ্ণ নাম লব মুখে,জনম যাইবে সুখে,*
*যদু কহে এই বাঞ্ছা করি।।*
*🙏ভাবাবিষ্ট পদকর্তা বলছেন,এই কৃষ্ণ-অনুরাগ যার হয়েছে সে আর ঘরে রইতে পারে না।তাই পদকর্তা পুনঃ বলছেন--*
*আমার )হিয়ায় জাগে।*
*এই বাসনা আমার।*
*কৃষ্ণ নাম লব মুখে।*
*জীবন যাইবে সূখে।।*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
꧁👇📖 সূচীপত্র ✍️ শ্রী জয়দেব দাঁ 📖👇꧂
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
