✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ বৈষ্ণব অপরাধ ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
বৈষ্ণবধর্ম: হিন্দুধর্মের একটি শাখাসম্প্রদায়। এই সম্প্রদায়ে বিষ্ণু বা তার অবতারগণ (মুখ্যত রাম ও কৃষ্ণ) আদি তথা সর্বোচ্চ ঈশ্বর রূপে পূজিত হন। বৈষ্ণবধর্মে বিষ্ণুকে সমগ্র জগতের পালনকর্তা রূপে গণ্য করা হয়। ধর্মবিশ্বাস ও ধর্মানুশীলনের ক্ষেত্রে, বিশেষত ভক্তি ও ভক্তিযোগ প্রসঙ্গে, বৈষ্ণব ধর্মমতের প্রধান তাত্ত্বিক ভিত্তি উপনিষদ ও তৎসংশ্লিষ্ট বেদ ও অন্যান্য পৌরাণিক শাস্ত্র। যথা – ভগবদ্গীতা, পদ্মপুরাণ, বিষ্ণুপুরাণ, গরুর পুরান ও ভাগবত পুরাণ।
বৈষ্ণবধর্মের অনুগামীদের বৈষ্ণব নামে অভিহিত করা হয়। বৈষ্ণব ধর্মেৱ মূল কথা-- আত্মার সাথে পরমাত্মার মিলন এবং এই একাত্মতার জন্য যে পথ অবলম্বন করা হয়,তা হলো--- কেবলমাত্র প্রেম ও ভক্তি এবং সম্পূর্ণরূপে অহিংসা। বৈষ্ণব ধর্মে পরমাত্মার চর্চার জন্য সকল প্রকার জাগতিক গুন বর্জন করে নির্গুণ হয়ে পরমাত্মার সাথে একাত্ম হওয়ার উপদেশ রয়েছে। প্রাচীন ভারতে গুপ্তযুগেও এই বৈষ্ণব ধর্মের প্রচলন ছিল। এই গুপ্তযুগেই বিখ্যাত বৈষ্ণব ধর্মগ্রন্থ "বিষ্ণুস্মৃতি" রচিত হয়। বৈষ্ণবরা মূলত নিরামিষাশী। বৈষ্ণবরা হিন্দু সমাজের অন্যতম বৃহৎ অংশ। এঁদের সংখ্যাগরিষ্ঠের বাস ভারতে। দক্ষিণ ভারতে "আঙ্কোরভাট মন্দির", "তিরুপতি বালাজির মন্দির" ও "পদ্মনাভস্বামী মন্দির" বৈষ্ণবধর্মের চর্চার জন্য বিখ্যাত। তবে ভারতবর্ষের বাইরে ইন্দোনেশিয়াতেও বিষ্ণুর পূজার তথা বৈষ্ণবধর্মের উল্লেখ রয়েছে । সাম্প্রতিককালে ধর্মসচেতনতা, স্বীকৃতি ও ধর্মপ্রসারের সঙ্গে সঙ্গে ভারতের বাইরে বৈষ্ণবদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
বৈষ্ণবধর্মাবলম্বীগণ চারটি প্রধান উপশাখায় বিভক্ত। এই উপশাখাগুলিকে বলা হয় সম্প্রদায়। প্রত্যেক সম্প্রদায়ের আদর্শ কোনো নির্দিষ্ট বৈদিক চরিত্র। জীবাত্মা ও পরমাত্মা (বিষ্ণু বা কৃষ্ণ) সম্পর্কে এই চার সম্পর্কের মতের সূক্ষ্ম পার্থক্য রয়েছে। যদিও অধিকাংশ বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের মূল মতবাদ একই প্রকারের।
লক্ষ্মী-সম্প্রদায় দর্শন: রামানুজাচার্য কর্তৃক প্রচারিত বিশিষ্টাদ্বৈত মতবাদ দেখুন: শ্রী বৈষ্ণবধর্ম
ব্রহ্মা সম্প্রদায় দর্শন: মাধবাচার্য কর্তৃক প্রচারিত দ্বৈত এবং চৈতন্য মহাপ্রভু কর্তৃক প্রচারিত অচিন্ত্য ভেদ অভেদ মতবাদ
দেখুন:গৌড়ীয় বৈষ্ণবধর্ম
রুদ্র সম্প্রদায় দর্শন: বিষ্ণুস্বামী ও বল্লভ আচার্য কর্তৃক প্রচারিত শুদ্ধাদ্বৈত মতবাদ
নিম্বার্ক সম্প্রদায় দর্শন: নিম্বার্ক কর্তৃক প্রচারিত দ্বৈতাদ্বৈত মতবাদ
বিশ্বব্রহ্মান্ডের সৃষ্টিকর্তা বা মালিক সচ্চিদানন্দময় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বা শ্রীবিষ্ণু বা শ্রীহরি ইত্যাদি। স্বয়ং এই প্রভুর একনিষ্ঠ শুদ্ধ ভক্তগনই বৈষ্ণব। বৈষ্ণব অপরাধ মহা অপরাধ, এতে ভগবানও রুষ্ট হন। ভগবানের কাছে অপরাধ করলে, তিনি তা ক্ষমা করে দেন। কিন্তু ভক্ত বা বৈষ্ণব অপরাধ হলে, ভগবান তাঁকে ক্ষমা করতে পারেন না।
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভু তার চৈতন্য লীলায় বলেছিলেনঃ---
যখন শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু ও তার পার্শ্বদ বৃন্দ কুলিন গ্রামে হরিনাম প্রচার করছিলেন,,, তখন সেই গ্রামের একজন সাধারণ ব্যক্তি, শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুকে প্রশ্ন করলেন,,, হে প্রভূ বৈষ্ণব কাকে বলে, কেমনে বৈষ্ণব চিনবো,,,।।
তখন শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু সেই ব্যক্তির প্রশ্নের উত্তরে বললেন, যার মুখে একবার শুদ্ধ হরিনাম শোনবে, তাকেই বৈষ্ণব বলে জানবে...!!
বৈষ্ণব অপরাধ বিশেষত দুই প্রকার:-
অজ্ঞানত বৈষ্ণব অপরাধ
জ্ঞানত বৈষ্ণব অপরাধ
অজ্ঞানত বৈষ্ণব অপরাধ:-
ষড় গোস্বামীর একজন শ্রী রূপ গোস্বামীও অজান্তেই একটি বৈষ্ণব অপরাধ করে ফেলেন। তার সংক্ষিপ্ত লীলা বর্ণনা করা হল নিম্নে:-
শ্রীবৃন্দাবনে রূপ গোস্বামী শ্রীরাধা-কৃষ্ণের ভজন, ধ্যান-লীলা স্মরণে ডুবে আছেন। মঞ্জুরীভাবে বিভাবিত তাঁর চিত্ত-কায়া। তিনি একদিন রাধাকুন্ডের তীরে বসে রাধাকৃৃষ্ণের জলকেলি লীলা দেখছেন। শ্রীকৃৃষ্ণ শ্রীরাধাকে জলের মধ্যে ধরার ইচ্ছা করে ডুব দিয়েছেন, শ্রীরাধা তা অনুমান করে সেই স্থান থেকে সাঁতার দিয়ে দূরে সরে গিয়েছেন। কৃৃষ্ণ রাধাকে ধরতে না পেরে জল হতে মুখ তুলে এদিক ওদিক তাকাচ্ছেন। শ্রীকৃষ্ণের এই পরাভবে জলের মধ্যে অন্যান্য সখীরা হাসছেন।
তো এই মধুময় লীলা দর্শন করে রূপগোস্বামীও হেসে ফেললেন। ঠিক সেই মুহূর্তে এক খঞ্জ বৈষ্ণব রূপগোস্বামীকে দর্শন করতে এসেছেন। খঞ্জ বৈষ্ণবটি খোঁড়া, তিনি যখন চলেন শরীর এমন ভাবে দোলে, যা দেখলে লোকে না হেসে থাকতে পারে না। সেই জন্যেই অন্তরে তাঁর খুব দুঃখ। রূপ গোস্বামীর খুব প্রশংসা শুনে, দেখবেন বলে তিনি এসেছিলেন। রাধাকুন্ডের তীরে উপবিষ্ট ভজন নিষ্ঠ শ্রীরূপের ঠিক সামনাসামনি হয়েছেন, ঠিক সেই সময় উপরে বর্নিত লীলা দর্শন করে তিনি হাসেন। রূপের হাসি দেখে ঐ খঞ্জ বৈষ্ণব ভাবলেন, তাঁকে দেখেই হয়তো রূপগোস্বামী হেসেছেন। মনের ক্ষোভে আর শ্রীরূপের সঙ্গে আর দেখা করলেন না। সেখান থেকেই ফিরে গেলেন।
এদিকে রূপগোস্বামীর লীলা দর্শন বন্ধ হয়ে গেলো। তিন দিন অনেক চেষ্টা করেও ধ্যান জমলো না। কোনো লীলা দর্শন ঘটলো না। রূপ খুব ব্যথিত চিওে আছেন। সেই সময় হঠাৎ সনাতন গোস্বামী এলেন তাঁর কাছে। সনাতন কোথাও একদিনের বেশী অবস্হান করেন না। দাদা সনাতনকে দেখে রূপ বললেন, "দাদা আমি তিন দিন কোনও লীলা দর্শন করতে পারছি না। এর কারন কি?"
সনাতন বললেন, "নিশ্চয়ই কোনো বৈষ্ণব অপরাধ হয়েছে। রূপ জানালেন, তিনি ঐ স্থান ছেড়ে কোথাও যান নি বা কারও সাথে দেখাও করেন নি।"
সনাতন তখন বললেন, "তুমি অপরাধ না করলে, কোনো বৈষ্ণব হয়তো তোমার অপরাধ নিয়ে গিয়েছেন।"
রুপ বললেন, "এখন উপায় কী?"
সনাতন বললেন, "সব বৈষ্ণবদের মহোৎসবে নিমন্ত্রণ করো। যদি দেখো কেউ এলেন না, তবে জানবে তিনি অপরাধ নিয়ে গিয়েছেন।"
রূপগোস্বামী সকল বৈষ্ণবকে নিমন্ত্রণ জানালেন। সব বৈষ্ণব এলেন অথচ ঐ খঞ্জ বৈষ্ণব এলেন না। খঞ্জ বৈষ্ণব এলেন না দেখে, রূপ গোস্বামী তাঁর কাছে গেলেন, তাঁর চরণ ধরে ক্ষমা চেয়ে বললেন, "আপনি মহোৎসবে কেনো এলেন না। আমার কি অপরাধ হয়েছে বলুন।"
তখন সেই খঞ্জ বৈষ্ণব সে দিনের সকল ঘটনা খুলে বললেন। রুপ গোস্বামী সেই বৈষ্ণবের চরনে ক্ষমা প্রার্থনা করলেন। এরপর রূপগোস্বামীর নিকট হাসবার কারন জানতে পেরে, ঐ বৈষ্ণবও খুব লজ্জিত হয়ে তাঁর কাছে ক্ষমা চেয়ে নিলেন। রূপগোস্বামীর অপরাধ কেটে গেলো। পুনঃরায় আর লীলা দর্শনে বিঘ্ন ঘটলো না।
জ্ঞানত বৈষ্ণব অপরাধ:-
শ্রী নবদ্বীপ ধামের চাপাল গোপাল নামে শ্যামা মায়ের একনিষ্ঠ ভক্ত শ্রীবাস এর চরণে জ্ঞানত বৈষ্ণব অপরাধ করেন তার সংক্ষিপ্ত বিবরণ
শ্রী নবদ্বীপ ধামের শ্রীমন মহাপ্রভু শ্রী রাধা কৃষ্ণের লীলা প্রচারের জন্য অতি উত্তম স্থান হিসেবে শ্রীবাস অঙ্গন কে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন যে স্থান হইতে মহাপ্রভু অতীব দিব্য লীলা দর্শন করান তেনার অন্তরঙ্গ ভক্তদের।
কিছু হরিনাম বিদ্বেষী মানুষ এই হরিনাম সংকীর্তন কে ঠিকঠাক মেনে নিতে পারলেন না তাই শ্রীবাস প্রভুকে অপবাদ এবং মহাপ্রভু কে অসম্মানিত করার জন্য কিছু দুষ্ট মানুষ চাপাল গোপালের শরণাপন্ন হন।
শ্যামা মায়ের একনিষ্ঠ ভক্ত চাপাল গোপাল এই দুষ্ট গণের কথা শুনে শ্রীবাস পন্ডিত কে জব্দ করার জন্য এবং মহাপ্রভুকে অসম্মানিত করার জন্য একদা এক দিন শ্রীবাস পন্ডিত এর বাড়ির দ্বারে রক্ত, মাংস , জবা ফুল ইত্যাদি জিনিস ছড়িয়ে দিয়ে আসেন কারণ এটি প্রমাণের জন্য শ্রীবাস পন্ডিত হরিনাম সংকীর্তন এর সহিত শ্যামা মায়ের ভক্ত।
প্রাতে শ্রীবাস পন্ডিত দ্বার খুলে এই রূপ দর্শন করে তিনি মোনে মোনে প্রচুর কষ্ট পান এবং কাউকে কিছু না বলে সকল কিছু পরিষ্কার করেন কিন্তু অন্তর্যামী সচ্চিদানন্দন মহাপ্রভু জানতে পারলেন এবং চাপাল গোপাল এর অজান্তেই দন্ড দিলেন।
দন্ড অপরাধে কিছুদিনের মধ্যেই চাপাল গোপালের কুষ্ঠ ব্যাধি হয় এবং অতীব যাতনাভোগ করেন , স্ত্রীর ভালোবাসা থেকেও বঞ্চিত হন, গৃহত্যাগী হন।
কিন্তু চাপাল গোপাল বুঝতে পারে না কী তাঁর অপরাধ একদিন শ্যাম মাকে বহু প্রকারে ডাকার পর শ্যামা মা তেনাকে দর্শন দেন এবং বলেন তুমি বৈষ্ণব চরণে অপরাধ করেছ আমার স্বামী মহাদেব বিষ্ণুর একনিষ্ঠ ভক্ত, সেই বৈষ্ণব চরণে তুমি দোষ করেছ এই দোষের কোন ক্ষমা নেই যতক্ষণ না যার চরণে তুমি দোষ করেছ তার চরণে তুমি ক্ষমা না চাইলে এই অতীব যাতনা থেকে তুমি মুক্তি পাবে না।
কিন্তু চাপাল গোপালের শরীরে অহংকার থাকার কারণে তিনি শ্রীবাস পন্ডিত এর চরণে ক্ষমা চাইতে অস্বীকার করেন।
কাশীধামে রওনা দেন কিছু মানুষের সাহায্যে মহাদেবের দর্শনের জন্য যাহাতে মহাদেব এই যাতনা থেকে তাকে মুক্তি লাভ করান কিন্তু মহাদেব কাশী স্পর্শ করার আগেই তেনাকে দর্শন দেন এবং বলেন তোর পরশে কাশীধাম অপবিত্র হয়ে যাবে তুই এক্ষুনি ফিরে যা তুই আমার আরাধ্যকে কষ্ট দিয়েছিস তোর ক্ষমা নাই।
এই কথা শোনার পরে চাপাল গোপাল নিজের ভুল বুঝতে পারলেন এবং মহাপ্রভুর শ্রী চরণে ক্ষমা চান কিন্তু মহাপ্রভু তেনাকে ক্ষমা করলেন না যতক্ষণ না শ্রীবাস পন্ডিত এর চরণে ক্ষমা চাইলেন।
চাপাল গোপাল যখন নিজের ভুল বুঝতে পারলেন শ্রীমান মহাপ্রভু তেনাকে আদেশ দিলেন "যে মুখে তুমি বৈষ্ণব নিন্দা করেছো সেই মুখেই তুমি বৈষ্ণবের গুণকীর্তন রচনা করবে"।
শ্রীমান মহাপ্রভু চাপাল গোপালের নাম দিলেন দেবকী নন্দন দাস পরবর্তীকালে তিনি সর্বপ্রথম বৈষ্ণব বন্দনা রচনা করেন।
বৈষ্ণব বন্দনা:-
বৃন্দাবন বাসী যত বৈষ্ণবের গণ।
প্রথমে বন্দনা করি সবার চরণ ।।
নীলাচল বাস যত মহাপ্রভুর গণ ।
ভূমিতে পড়িয়া বন্দোঁ সবার চরণ।।
নবদ্দীপ বাসী যত মহাপ্রভুর ভক্ত।
সবার চরণ বন্দোঁ হঞা অনুরক্ত।।
মহাপ্রভু ভক্ত যত গৌড় দেশে স্থিতি।
সবার চরণ বন্দোঁ করিয়া প্রণতি।।
যে দেশে যে দেশে বৈসে গৌরাঙ্গের গণ।
ঊর্ধ্ব বাহু করি বন্দোঁ সবার চরণ।।
হইয়াছেন হবেন প্রভুর যত দাস।
সবারো চরণ বন্দোঁ দন্তে করি ঘাস।।
ব্রহ্মাণ্ড তারিতে শক্তি ধরে জনে জনে।
এ বেদ পুরানে গুন গায় যেবা শুনে।।
মহাপ্রভুর গণ সব পতিত পাবন।
তাই লোভে মুঞি পাপী লইনু শরণ।
বন্ধন করিতে মুঞি কত শক্তি ধরি।
তমো বুদ্ধি দোষে মুঞি দম্ভ মাত্র করি।।
তথাপি মূকের ভাগ্য মনের উল্লাস।
দোষ ক্ষমা মো অধমে কর নিজ দাস।।
সর্ব বাঞ্ছা সিদ্ধি হয় যম বন্ধ ছুটে।
জগতে দুর্লভ হঞা প্রেম-ধন লটে।।
মনের বাসনা পূর্ণ অচিরাতে হয়।
দেবকী নন্দন দাস এই লোভে কয়।।
ইতি শ্রীশ্রী বৈষ্ণব শরণ সমাপ্ত।।
বৈষ্ণব হল বিষ্ণুর প্রিয় ভক্ত। এই জগতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ভক্ত সকলেই দেব,দেবী, মানব, দানব, পশু, পাখি পৃথিবীতে যত প্রকার জীব আছেন বা এই ব্রহ্মান্ডে যত কিছু আছেন সবাই প্রভুর ভক্ত কিন্তু তার মত শ্রেষ্ঠ ভক্ত হলেন বৈষ্ণব । এই বৈষ্ণব চরণে যাহাতে জ্ঞানত এবং অজ্ঞানত বৈষ্ণব অপরাধ থেকে বিরত থাকি সব সময় এই দিক থেকে আমাদের সকলকে সচেতন থাকতে হবে, তবেই শ্রীকৃষ্ণের কৃপা লাভ হবে কারণ ভগবান বলেছেন
"আমা হইতে আমার নাম বড়
নাম অপেক্ষায় আমার ভক্ত বড়"।
শ্রী শ্রী বৈষ্ণব প্রণাম মন্ত্র:-
""বাঞ্ছাকল্পতরুভ্যশ্চ কৃপাসিন্ধুভ্য এব চ৷
পতিতানাং পাবনেভ্যো বৈষ্ণবেভ্যো নমো নমঃ""৷৷
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

