✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ ভাগবত ধর্ম তথা বৈষ্ণব ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
ঈশ্বরঃ পরম: কৃষ্ণ সচ্চিদানন্দ বিগ্রহ।
অনাদিরাদির্গোবিন্দ সর্বকারণকারণম্,।।
অর্থাৎ সচ্চিদানন্দময় শ্রীকৃষ্ণ, যিনি গোবিন্দ নামে পরিচিত, তিনিই পরম ঈশ্বর, তিনিই অনাদির আদি এবং তিনিই সমস্ত কারণের পরম কারণ।
শ্রীমদ্ভাগবতে (১/৩/২৮) বলা হয়েছে-------
এতে চাংশকলাঃ পুংসঃ কৃষ্ণস্তু ভগবান্ স্বয়ম্।
ইন্দ্রারিব্যাকুলং লোকং মৃড়য়ন্তি যুগে যুগে।।
অর্থাৎ শ্রীকৃষ্ণই স্বয়ং ভগবান, সমস্ত অবতারগণ তাঁরই অংশ বা কলা। যুগে যুগে দৈত্য পীড়িত ভুবনকে ইনিই পরিত্রাণের দ্বারা সুখ দিয়ে থাকেন।
মনুসংহিতায় যে ধর্মের কথা বর্ণনা করা আছে তা মনুষ্য ধর্ম আর ভাগবত হইতে যে ধর্মের কথা বর্ননা করা আছে তা ভাগবত ধর্ম। ধর্ম মানুষকে সদা-সর্বদা সভ্যতা, শৃঙ্খলতার শিক্ষা দান করে থাকে এবং সকলকে সঠিক পথে চালনা করতে সাহায্য করে থাকে।
ভাগবত ধর্ম প্রকাশ - একদিন যমরাজের দূতগন যমরাজকে ভাগবত ধর্মের প্রতিষ্ঠা কি ভাবে হলো জানতে চাইলেন সেই প্রসঙ্গে সূর্য পুত্র ধর্মরাজ যম বলতে থাকলেন -----
*স্বয়ম্ভূর্নারদঃ শম্ভূঃ কুমারঃ কপিলো মনুঃ।*
*প্রহ্লাদো জনকো ভীষ্মো বলির্বৈয়াসকির্বয়ম্।।*
অর্থাৎ ব্রহ্মা, নারদ, শঙ্কর, সনৎকুমার, কপিল মুনি, মনু, প্রহ্লাদ, জনকরাজ, ভীষ্মদেব, বলি, শুকদেব ও আমি এই বারোজনেই ভাগবতধর্ম বিশেষভাবে অবগত আছি।*
ভাগবত ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান আচার্য্য এই ১২ জন।
সর্বপ্রথম এই ভাগবত ধর্মের মূল আরাধ্য ভগবান বিষ্ণুর নাম প্রচারের জন্য এই বারো জন মিলে এই ধর্মের প্রতিষ্ঠা করেন এবং ভগবানের লীলা তত্ব প্রকাশ করেন। তাই এনাদের স্বরণ বিহীন আমাদের ভগবানের তত্ব বোঝা অসম্পূর্ণ হয়ে যাবে, তাই এই সকল ভগবানের পরম ভক্তের স্মরণ সর্ব প্রথম ভজনের পূর্বে করা দরকার কারণ ভগবান বলেছেন আমার থেকেও আমার নাম বড়, আর নাম অপেক্ষায় আমার ভক্ত বড়। ভক্ত সদা-সর্বদা ভগবানের সেবার প্রয়াস করে চলে আর ভগবান ভক্তের সেবার প্রয়াস করে থাকে। তাই ভগবান ভক্ত বৎসল।
ভাগবত ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান আচার্য্য ১২ জন
১.স্বয়ম্ভূ- স্বয়ম্ভূ মানে প্রজাপতি ব্রক্ষা। যিনি সকল সৃষ্টির রচয়িতা।
২. র্নারদঃ- র্নারদঃ মানে নারদ মুনি। যিনি সদা-সর্বদা অনন্তর কাল ভগবানের শ্রীনাম প্রচার করে চলেছেন।
৩. শম্ভূঃ= শম্ভূঃ মানে দেবাদী-দেব মহাদেব। শিব ভগবান শ্রীকৃষ্ণের এক অংশ প্রকাশ। যিনি ভগবানের শ্রীনাম পঞ্চবদনে অনন্তর গুণানুকীর্ত্তন করে চলেছেন এবং সকল কিছু সংহার এর রচয়িতা।
ব্রহ্মসংহিতায় (৫/৪৫) বলা হয়েছেঃ
ক্ষীরং যথা দধি বিকারবিশেষযোগাৎ
সঞ্জায়তে ন হি ততঃ পৃথগস্তি হেতোঃ ।
যঃ শম্ভু তামপি তথা সমুপৈতি কার্যাদ্
গোবিন্দমাদিপুরুষং তমহং ভজামি ।।
“দুগ্ধ যেমন বিকার-বিশেষযোগে দধিতে পরিণত হয়, যা কারণরুপে দুন্ধ দুগ্ধ হতে পৃথক নয়, তেমনি যিনি কার্যবশতঃ শম্ভুতা প্রাপ্ত হন এবং সে আদি পুরুষ গোবিন্দকে আমি ভজনা করি।“
৪. কুমারঃ= কুমারঃ মানে সনৎ কুমার। যিনি প্রজাপতি ব্রক্ষার এক পুত্র।।
৫. কপিলো= কপিলো মানে কপিল মুনি। যিনি ভগবানের এক অবতার ছিলেন। যেনার এক অভিশাপের নিমিত্তে সুরধূনী গঙ্গা দেবীকে ভগীরথের পূর্বপুরুষদের উদ্ধারের জন্য মর্ত ধামে আনয়ন হয়েছিল। কপিল মুনির আশ্রম গঙ্গাসাগরে।
৬. মনুঃ - মনুঃ মানে মনুসংহিতার মনু। মনুকে সমুদয় জগতের দ্বিতীয় স্রষ্টা বলা হয়েছে। মনু তপস্যার মাধ্যমে দশজন প্রজা সৃষ্টি করেছিলেন। তাহারা হলেন- মরীচি, অত্রি, অঙ্গীরা, পুলহ, পুলস্ত্য, ক্রতু, প্রচেতা, বশিষ্ট, ভৃগু ও নারদ।
৭. প্রহ্লাদো= প্রহ্লাদো মানে ভক্তির দেবতা প্রহ্লাদ মহারাজ। যিনি হিরণ্যকশিপুর এবং কয়াধুর সন্তান। যেনার স্বরণে ভগবান শ্রীহরি নৃসিংহ দেব রুপে আবির্ভূত হন।
৮. জনকো- জনকো মানে সীতা দেবীর পিতা জনক রাজা। ইনিও ছিলেন ভগবান শ্রীহরির একনিষ্ঠ ভক্ত।
৯. ভীষ্মো- ভীষ্মো মানে গঙ্গা পুত্র ভীষ্ম। যিনি পঞ্চ-পাণ্ডব এবং দুর্যোধন সহ সকল কৌরবগণের পিতামহ ছিলেন। এবং কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের এক মহান যদ্ধা।
১০. বলি- বলি মানে বলি মহারাজ। যিনি ভগবান শ্রীহরির একনিষ্ঠ ভক্ত। যিনি ভগবান শ্রীবামন দেবকে সর্বস্ব দান করেন। এবং ভগবান শ্রীবামন দেব তাহার নিজ শ্রীচরণ বলি মহারাজের মস্তকে দিলেন এবং বলি মহারাজ নিজ ইচ্ছায় পাতালে প্রবেশ করলেন। এনার মতন শ্রেষ্ঠ বৈষ্ণব আর কে হতে পারে।
১১. র্বৈয়াস- র্বৈয়াস মানে মহর্ষি ব্যাসদেবের পুত্র শুকদেব গোস্বামী। এক সময় ব্যাসদেব তপস্যায় তুষ্ট হয়ে মহাদেব বর দিয়েছিলেন যে, ব্যাসদেব অগ্নি-বায়ু-জল-ভূমি ও আকাশের ন্যায় পবিত্র পুত্র লাভ করবেন, যিনি ব্রহ্মপরায়ণ হয়ে যশস্বী হবেন। । যিনি পরীক্ষিত মহারাজকে সর্বপ্রথম এই জাগতে ভাগবত কথা শুনিয়েছিল।
১২. র্বয়ম্= র্বয়ম্ মানে আমরা। সংস্কৃত ভাষায় অহম মানে আমি, র্বয়ম্ মানে আমরা সবাই (এখানে র্বয়ম্ মানে ধর্মরাজ যমকে বোঝানো হয়েছে)।
এই ১২ জন আচার্য্য সর্বপ্রথম ভাগবত ধর্ম তথা বৈষ্ণব ধর্মের রচনা করেন। এই ধর্ম সর্বপ্রথম জগতের আদি ধর্ম। ধর্ম কথার প্রকৃত অর্থ যাহা সত্য এবং নিত্য এবং চিরন্তন এবং শাশ্বত। মহাদেব হলেই এই ভাগবত ধর্মের সকল আচার্য্যর থেকে ভক্তরুপে শ্রেষ্ঠ তাই মহাদেবকে পরম বৈষ্ণব বা বৈষ্ণব শিরোমণি নামেও অভিহিত হয়ে থাকেন। এনারা সকলেই অনাদির আদি ভগবান শ্রীকৃষ্ণের পরম ভক্ত তাই আবারো একত্রে এই ১২ জন আচার্য্য আবারো স্বরন করি।
*স্বয়ম্ভূর্নারদঃ শম্ভূঃ কুমারঃ কপিলো মনুঃ।*
*প্রহ্লাদো জনকো ভীষ্মো বলির্বৈয়াসকির্বয়ম্।।*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧












