শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

গৌরাঙ্গের_গোপীভাবে_কৃষ্ণান্বেষন (৫০৭ তম বৃন্দাবনে আগমন) ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/11/blog-post_90.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     ꧁ গৌরাঙ্গের_গোপীভাবে_কৃষ্ণান্বেষন ꧂
                 ( মহাপ্রভুর বৃন্দাবনে আগমন) 
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস  ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
     ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস  ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*#গোপীভাবে অর্থাৎ রাধাভাবে বিভাবিত হয়ে মহাপ্রভু ভ্রমন করছেন ব্রজবনে। আজ পূর্ণিমার পূর্ণচন্দ্র দর্শনে তার হৃদয়ে সেই রাস রসাস্বাদনের বাসনা জাগ্রত হল। পূর্ণচন্দ্রের জ্যোৎস্নায় যমুনা পুলিনের বালুকারাশি কর্পূর চূর্ণের মত দেখা যাচ্ছে। যেন গোপিকাগণ তাদের বিশুদ্ধ-স্বচ্ছ হৃদয় খানা প্রেমভরে অতীব সযতনে বিছিয়ে দিয়েছেন। গাঢ় সবুজ বনানীর ওপরে চন্দ্রালোক পতিত হয়ে মনে হচ্ছে যেন মরকত মনির দ্যূতি বিকিরিত হচ্ছে। রাধাভাবে ভোরা গোরা আজ ছুটে চলেছেন দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে। সামনে দেখছেন যমুনার কালো জল, কৃষ্ণ ভ্রমে ঝাঁপিয়ে পড়লেন সেই জলে। পেছনে বলভদ্র ভট্টাচার্য ও কৃষ্ণদাস কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়লেন। প্রাণে প্রাণে ডাকছেন, -প্রভু নিতাই কোথায় আছো? তোমার বিরহিনী গৌরাঙ্গে রাখ! গৌরের বিরহভার ধরা না যায় - কোথায় আছো নিত্যানন্দ রায়?*
 *সেবা-শকতি নিতাই চাঁদের প্রেরণায় অতি কষ্টে দুজনে প্রভুকে জল থেকে উপরে তুললেন। কার্তিক মাস বেশ ঠান্ডা, কিন্তু বিরহ তাপে শীতের অনুভব হচ্ছে না। দেহস্মৃতি নাই, তাই সুখ দুঃখের অনুভূতি হবে কিভাবে? সুখ-দুঃখের অনুভব হয় মনে। সেই মন তো কৃষ্ণ চরণে অর্পিত হয়ে গিয়েছে। অতএব আর দেহ-দৈহিক সুখের আভাস কি করে হবে!*

*আবার মহাপ্রভু এগিয়ে চললেন, বৃন্দাবনের শোভা দেখে কৃষ্ণ বিরহে রোদন করতে করতে। কৃষ্ণবর্ণ তমাল বৃক্ষ দেখে দুই বাহু পসারিয়ে আলিঙ্গন করলেন।কৃষ্ণ অঙ্গ-সঙ্গ ভোগ করতে লাগলেন। দুচোখ বেয়ে অশ্রুধারা বয়ে নিচের রজ (মাটি) কর্দমাক্ত হয়ে গেল।*

*এরপরে ধীরে ধীরে বংশীবটের দিকে এগিয়ে চললেন। হঠাৎ শুনছেন কৃষ্ণ বংশীধ্বনি করছেন, বংশীবটের তলে দাঁড়িয়ে। ছুটে চললেন আলিঙ্গন করতে, কৃষ্ণ অদৃশ্য হয়ে গেল। মহাপ্রভু বংশীবটকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে কেঁদে জিজ্ঞাসা করছেন -"হে বংশীবট! বল, বল!! আমার প্রাণকৃষ্ণ কোথায় গেল?*
*কোন উত্তর পেলেন না। ভাবলেন ও হয়তো কৃষ্ণ দর্শনে স্তম্ভভাব প্রাপ্ত হয়েছে,তাই বলতে পারছে না। আবার ভাবছেন ওতো পুরুষ জাতি! নারীর হৃদয়ের ব্যথা ও কি করে বুঝবে? বুকের ব্যথা বুকে চেপে ধীরে ধীরে এগিয়ে চললেন ধীরসমীরের দিকে‌ সামনে দেখছেন গোপীশ্বর মহাদেব। করজোড়ে কত কি প্রার্থনা করতে লাগলেন মহাদেবের চরণে।*

*বল বল প্রভু গোপেশ্বর- কোথা ব্রজবিহারী প্রাণেশ্বর! তোমরা দুজনে কৃপা করে মিলায়েছিলে। আবার মিলাও নিজগুণে- চিতচোর কৃষ্ণধনে।*

*এভাবে প্রার্থনা করে পুনরায় এগিয়ে চললেন যমুনা পুলিনের দিকে। যমুনা পুলিন দর্শনে প্রেমাবেশে রজে পড়ে গড়াগড়ি দিতে লাগলেন। আজ যমুনা পুলিনের মহাসৌভাগ্য। একীভূত যুগলের আলিঙ্গন কোনদিন পায় নাই। রজে গড়াগড়ি দিয়ে যমুনাপুলিনের সৌভাগ্য বাড়ালেন।*

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     ꧁ গৌরাঙ্গের_গোপীভাবে_কৃষ্ণান্বেষন ꧂
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস  ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*একটু এগিয়ে দেখছেন বনে গাভীগণ বিচরণ করছেন। মনে মনে ভাবছেন হয়তো কৃষ্ণ এখানেই আছে। গাভীর দর্শন আনন্দে মহাপ্রভু মূর্ছিত হয়ে মাটিতে পড়ে গেলেন। গাভীগণ চারিদিকে ঘিরে মহাপ্রভুর গা চাটতে লাগল। গাভীদের মুখে লালা ঝরতে লাগল ও চোখ দিয়ে জল পড়তে লাগল। একটু পরে মহাপ্রভু বাহ্য পেয়ে গাভীদের গায়ে হাত বুলিয়ে দিতে লাগলেন। প্রাণকিশোরীর হস্ত স্পর্শে গাভীগণের কম্প-পুলকাদি অষ্টসাত্বিক বিকার দেখা যেতে লাগল। মহাপ্রভু তাদের গলা ধরে ক্রন্দন করতে লাগলেন। গাভীগণ কেহ মহাপ্রভুকে ছেড়ে যেতে চাইছে না। তা দেখে গাছের ডাল থেকে ময়ূর-ময়ূরী ঝপ-ঝপ করে নেমে আসলো। মহাপ্রভু কে ঘিরে নৃত্য করতে লাগলো। কেকা কেকা রব করে বলছে 'এতদিন কোথায় ছিলে"? ময়ূর দেখে মহাপ্রভু কৃষ্ণ ভ্রমে গর্জন করে ধরার জন্য ধেয়ে চললেন। বলভদ্র ভট্টাচার্য ও কৃষ্ণদাস মহাপ্রভু কে ধরে রাখলেন। তারপর রাসস্থলীতে এসে মহাপ্রভু ভাবাবেশে গড়াগড়ি দিতে লাগলেন। বলভদ্র ভট্টাচার্য্য মহাপ্রভুকে কোলে তুলে নিলেন। মহাপ্রভু তার দিকে তাকিয়ে বলছেন -"হে সখি! বল বল, আমার প্রাণনাথ কৃষ্ণ কোথায়?*
*এই বলে ছুটে গিয়ে তমাল বৃক্ষকে জড়িয়ে ধরলেন।কৃষ্ণ বিরহ তাপে মহাপ্রভুর মুখখানা ঘেমে গিয়েছে, তাই বলভদ্র ভট্টাচার্য নিজের বসনাঞ্চল দিয়ে মুখখানি মুছিয়ে দিলেন। ইতিমধ্যে গাছের ডাল থেকে শুক-শারী মহাপ্রভুর হাতে এসে বসলো। দু'জনে আলাপ করছে, সেই নিধুবনে একক্ষনের জন্য দেখেছিলাম।এ কি সেই! রাই সম্পূটে বংশীধারী? আহা অপরূপ কি মাধূরী!!*

*আনন্দে মত্ত হয়ে শুক-শারী রাধাকৃষ্ণ রূপগুনাত্মক শ্লোক পড়ে মহাপ্রভুকে শোনাতে লাগলো।পুনরায় মহাপ্রভু এগিয়ে চললেন কুঞ্জবনের দিকে। কুঞ্জ দর্শন করে মহাপ্রভু মূর্চ্ছিত হয়ে পড়লেন। মুখ দিয়ে ফেন পড়তে লাগলো। তা দেখে হরিণীগণ এসে মহাপ্রভুর মুখের ফেন খেতে লাগলো।মৃগ-মৃগীর গলা ধরে মহাপ্রভু কাঁদতে লাগলেন। মহাপ্রভুর কান্না দেখে হরিণীর চোখেও জল ধারা পড়তে লাগলো।*

*সব জায়গায় প্রচ্ছন্নভাবে সেবা করে নিতাই চাঁদ ইমলিতলায় এসে ব্যক্ত হলেন। ইমলিতলায় এসে মহাপ্রভু যমুনার শোভা দর্শন করে অত্যন্ত আনন্দিত হলেন। সেই কৃষ্ণলীলা কালের পুরাতন ইমলি বৃক্ষ ধরে মহাপ্রভু আলিঙ্গন করলেন।*
*আবার এগিয়ে চললেন। রাইকানু মিলিত তনু গৌরহরির বিবর্ত্তদশায় বিষয় আবেশ আসলো। ভাবলেন, সে রাসলীলা সবাই তো পায় নাই। জনাকতক বাছা বাছা ব্রজনারী, তারাই রাস পেয়েছিল। তাই মহাপ্রভু স্থাবর-জঙ্গম গুল্মলতা সকলকে নিয়েই রাস করলেন। তাদের স্বরূপ আবরণ ঘুচে গেল। সবার স্বরূপ জেগে উঠল। স্বরূপ জাগানো স্বরূপ দেখে। সবাই হলো গোপনারী - ব্রজের যত _তরুলতা পশুপাখি। গৌর রাসবিহারী রাস করে। বিবর্ত্ত গৌর, সবাকারে গোপী করে , গৌরহরি রাস করে।*

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     ꧁ গৌরাঙ্গের_গোপীভাবে_কৃষ্ণান্বেষন ꧂
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস  ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*নিধুবন নিকটে এসে প্রেমানন্দে গৌরহরি হেমদণ্ড বাহু তুলে উন্মত্তভাবে নৃত্য করতে লাগলেন। নিধুবন দেখে পূর্বলীলা স্মরণ হল, সেই নিধুবনে যারে স্বপ্ন দেখেছিল, আমাদের প্রাণকিশোরী। গৌর স্বরূপ দেখাইল, কিশোরীর মন শান্তির জন্য। সেই গৌর ব্রজে এল।*

*কৃষ্ণলীলা ভোগ করে গৌরহরি ফিরে আসলেন। প্রাণ গৌর ঘরে আসলো। গোরা রাসবিহারী ঘরে এলো।রাস-রসের বন্যা করে। স্থাবর-জঙ্গম গোপী করে তাদের সাথে রাস-রসলীলা আস্বাদন করে গোরা রাসবিহারী এলো ঘরে।*

*জয় জয় গোরা-রাসবিহারী, স্থাবর,-জঙ্গম প্রেমোন্মত্তকারী। #জগভরি_সকলি_নারী, #একলা_পুরুষ_গৌরহরি_সবে_বল_প্রাণভরি। রাস-রজনী হেরি, রাস কৈলা গৌরহরি। বল সবে প্রাণ ভরি।*

সন্ধান তো জানতাম না,__
কৃপা করে বলে দিলেন,__পরমকরুণ শ্রীগুরুদেব।
এই নাম কর__নাম সব বলে দিবে........

==============

*"ও আমাদের,__প্রাণ গোরা রায়।"*

*মাতি,__ রাধাভাবে, আজ,__ ব্রজবনে বিহরই গো,"*
*"ও আমাদের প্রাণ গোরা রায়।"*

*বিহরে,__ব্রজবনে বিরহিনী__ প্রাণ গোরারায়।*
*বিহরে,__বিরহিণী উন্মাদিনী __প্রাণ গোরা রায়।*
*বনে বনে,__ কৃষ্ণ অন্বেষণ কারিণী, __প্রাণ গোরারায়।*

*#ও_আমাদের_প্রাণ_গোরা_রায়*।।
🙏🙏😭😭
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
    
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
           ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
DEMOCRATIC NITYANANDA (Facebook Group) 👉 https://www.facebook.com/groups/1370545549769377/?ref=share
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


adds