শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

রাধারাণির সেবাশক্তি 🥀 শ্রীল্ গদাধর পণ্ডিতের 🥀 আবির্ভাব তিথি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/04/godadhar.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
       ꧁ শ্রীল্ গদাধর পণ্ডিতের আবির্ভাব তিথি꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ DeepBagui.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
           ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই ꧂
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
#বৈশাখী_অমাবস্যা

#রাধারাণির_সেবাশক্তি_শ্রীলগদাধর_পণ্ডিতের_আবির্ভাব_তিথি 

 *পিতা #শ্রীমাধব_মিশ্র ও মাতা #শ্রীমতী_রত্নাবতীদেবীর* কোল আলো করে গদাধর পণ্ডিত আবির্ভূত হলেন আনুমানিক বাংলা ৮৯৪ সনে বৈশাখী অমাবস্যা তিথিতে। এই মাধবমিশ্রের দুই পুত্ররত্ন ছিল বাণীনাথ এবং গদাধর।
কেউ বলেন নবদ্বীপের চাঁপাহাটিতে তার জন্ম, আবার কেউ বলেন তার জন্মস্থান ছিল শ্রীহট্টে।
বাল্যকাল থেকেই গদাধরের সহজাত গৌর অনুরাগ পরিলক্ষিত হয়।
নবদ্বীপের টোলেই গদাধর বিদ্যা অধ্যয়ন করেছিলেন। মহাপ্রভু ফাঁকি জিজ্ঞাসা করতেন। বলতো গদাধর মুক্তির লক্ষণ কি? শাস্ত্র অনুসারে গদাধর উত্তর দিলে মহাপ্রভু বললেন - না, এ হল না।মুক্তির লক্ষণ হল- *#অন্যথা_রূপং_হিত্বা_স্বরূপেন_ব্যবস্থিতি"* 
প্রাকৃত ভাবনা (জড় দেহকে আমি মনে করে তার প্রতি আসক্ত হওয়া) ত্যাগ করে নিজের স্বরূপে (জীব নিত্য কৃষ্ণদাস) স্থিত হওয়াকেই মুক্তি বলা হয়। আজ ঘরে যাও আগামীকাল আবার জিজ্ঞাসা করব। বলে উভয় নিজ নিজ গৃহে গমন করতেন। যে কোন উপায়ে গদাধরের সঙ্গে দুটি কথা বলতে এবং তার সঙ্গে একটু রঙ্গ করতে মহাপ্রভু খুবই আনন্দ পেতেন।

মহাপ্রভু গয়া থেকে ফিরে আসলে, বিষ্ণুপাদপদ্মের কথা বলার সময় গদাধর ডুকরে ডুকরে কাঁদতে লাগলেন। তখন মহাপ্রভু বলেছিলেন - গদাধর! তোমার জীবন সার্থক। তুমি ছোটবেলা থেকে কৃষ্ণ ভজন করছ। আমার এতটা সময় বৃথায় নষ্ট হয়ে গেল।
কৃষ্ণপ্রেমে মহাপ্রভু অধির হয়ে হা কৃষ্ণ! হা কৃষ্ণ! বলে অঝোর নয়নে ঝুরেন।গদাধরকে দেখলে একটু প্রাণে শান্তি পান। শচীমা বলতেন- গদাধর! তুমি আমার নিমাইয়ের কাছে সবসময় থেকো বাবা! তোমার হাতে আমার নিমাইকে সমর্পণ করলাম।
ছায়ার মত অনুগত হয়ে গদাধর প্রায় সব সময় গৌরের কাছে কাছেই থাকতেন।
গদাধর কে কাছে পেয়ে প্রভুর বিরহব্যথা একটু প্রশমিত হত।

 একদিন মুকুন্দ গদাধর কে বললেন "নবদ্বীপে এক মহাবৈষ্ণব এসেছেন। যাবে বৈষ্ণব দেখতে? শুনে গদাধর অত্যন্ত আনন্দিত হয়ে বললেন- চল।
গদাধরকে নিয়ে মুকুন্দ বিদ্যানিধির বাড়িতে উপস্থিত হলে গদাধর প্রনাম করলেন। বিষয়ীর মতো সমস্ত ব্যবহার দেখে আজন্ম বিরক্ত গদাধরের মনে একটু অশ্রদ্ধা  ভাব আসলো। কিন্তু একটু পরেই মুকুন্দের মুখে ভাগবতের শ্লোক শুনে বিদ্যানিধির মহাপ্রেম-বিকার দর্শনে গদাধর অত্যন্ত বিস্মিত হলেন, মনে বড় চিন্তা হল, এইরকম প্রেমিক পুরুষকে দেখে আমি অবজ্ঞা করলাম! কি অশুভ মূহূর্তে আমি সাধু দর্শনে আসলাম! মুকুন্দকে জড়িয়ে ধরে বলছেন আমার বন্ধুর মত কার্য করলে।
এহেন ভক্তিমান প্রেমনিধি আমাকে দর্শন করালে।কিন্তু আমার অপরাধ হয়ে গেল। আমি মনে মনে দুর্ভাবনা করেছি। তাই উনার কাছে মন্ত্র নেব।শিষ্য হলে আমার সকল অপরাধ ক্ষমা করবেন। মুকুন্দ বললেন -"খুব ভালো কথা"!
  বিদ্যানিধির বাহ্য হলে সব কথা বললেন -"আপনার বিষয় ব্যবহার দেখে গদাধরের মনে একটু অভাব এসেছিল, তাই আপনার কাছে দীক্ষা নিতে চায়।শুনে বিদ্যানিধি আহ্লাদিত হলেন ও বললেন বিধাতা আমাকে মহারত্ন মিলালেন। অনেক জন্মের ভাগ্যে এমন শিষ্য পাওয়া যায়।
মুকুন্দের সঙ্গে গদাধর ঘরে ফিরে আসলেন ও মহাপ্রভু কে সব কথা জানালেন।

গদাধর মহাপ্রভুর কাছে আজ্ঞা চাইলেন। মহাপ্রভুর অনুমতিক্রমে
যথাসময়ে মন্ত্রদীক্ষা হয়ে গেল।

মহাপ্রভু সন্ন্যাস গ্রহণ করলে বিরহে ব্যাকুল হয়ে গদাধরও নীলাচলে গমন করলেন। মহাপ্রভু রাধাভাবে কৃষ্ণমাধুরী আস্বানের জন্য সন্ন্যাস গ্রহণ করেছিলেন। রাধারাণির সেবাশক্তি গদাধরকে  টোটাগোপীনাথের সেবা দিয়ে মহাপ্রভু নিজের কাছেই তাঁর প্রাণপ্রিয় গদাধরকে রেখেছিলেন।
সারাজীবন প্রাণ ঢেলে গদাধর গোপীনাথের সেবা করেছিলেন, কিন্তু নিষ্ঠা ছিল গৌর চরণে।
একবার শ্রীমন্নিত্যানন্দ প্রভু গৌড়দেশ হতে অতি সুক্ষ্ম এক মাণ (একমান চাল- ছয় সেরের কিঞ্চিৎ অধিক) চাল ও একটি রঙিন শাড়ি এনে গদাধরকে দিলেন, গোপীনাথের সেবার জন্য।গদাধর শাড়িখানা গোপীনাথকে পরালেন, অদ্ভুত শোভা হল। বাগান থেকে শাক তুলে রন্ধন করলেন আর তেতুল পাতা বেটে লবন দিয়ে ব্যঞ্জন তৈরি করলেন। নিতাই আনীত চালের অন্ন ভোগ লাগালেন গোপীনাথের। এত সুন্দর পরিপাটি করে ভোগ লাগালেন! কিন্তু মহাপ্রভুকে নিমন্ত্রন করলেন না গদাধর। এখানে মনে হতে পারে গদাধর মহাপ্রভুকে না দিয়ে নিজেই উপভোগ করতে চাইছেন নিত্যানন্দের প্রীতি উপহার? কিন্তু না, তেমনটি নয়। হতেই পারে না। প্রাণ প্রিয়তম বন্ধুকে না দিয়ে নিজে উপভোগ করা যায়? তাহলে তো স্বার্থপর হয়ে যাবে! কিন্তু আমার গদাধর তো স্বার্থপর নয়। কোটিপ্রাণ নির্মঞ্ছনীয় বন্ধু , যার জন্য ক্ষেত্রসন্ন্যাস ত্যাগ করতে, এমনকি নরকে যেতেও প্রস্তুত! সেই প্রাণপ্রিয় আরাধ্যদেবতা কে না দিয়ে নিজেই ভোগ করবেন? গদাধরের মনের ইচ্ছা, সবার সামনে নিমন্ত্রণ করলে সপরিকরে মহাপ্রভু আসবেন। সকলের সামনে একান্ত প্রেমের গাঢ়তা স্ফূর্ত হবে না। তার হৃদয়ের অধীশ্বর কে একান্তে না পেলে সেবা করে সুখ হবে না। তাই তিনি প্রাণে প্রাণে ডাকতে লাগলেন। এই ঐকান্তিকতা যখন চরম সীমায় পৌঁছাল তখন মহাপ্রভুর প্রাণের সাড়া জাগালো। মহাপ্রভু কে বিবশ করে টেনে আনলো গদাধরের প্রাণঢালা ভালোবাসা। মহাপ্রভু আর স্থির থাকতে পারলেন না গদাধরের প্রেমাকর্ষণের টানে। প্রেমাধীন গৌরচন্দ্র এসে উপনীত হলেন গদাধরের টোটাগোপীনাথের অঙ্গনে।
গদাধরের প্রেমের টানে ও নিতাই আনীত তণ্ডুলের আকর্ষণে মহাপ্রভু এসে ডাকতে লাগলেন। 
গদাধর! ও গদাধর!!
 বলে ডাকছেন গৌরহরি। প্রাণ প্রিয়তম দ্বারে দাঁড়িয়ে ডাকছেন, শুনে ছুটে আসলেন গদাধর , হাতে ধরে নিয়ে ভেতরে বসালেন। আজ তার অভিলাষ পূর্ণ হলো প্রাণের ডাক শুনেছেন তিনি ।আজ যে কি আনন্দ তা ভাষায় ব্যক্ত করা সম্ভব নয়। মহাপ্রভু প্রণয়ভরে বলছেন গদাধর! একি তোমার ব্যবহার? নিতাই আনীত তণ্ডুল আর গোপীনাথের প্রসাদ এতে কি আমার ভাগ নেই? তুমি একবার আমাকে নিমন্ত্রনও করলে না! মহাপ্রভু চাইছেন গদাধরের প্রেম তার মুখ দিয়েই প্রকাশ করা। কিন্তু গদাধর হৃদয়ের প্রেম প্রকাশ করলেন না, প্রেম প্রকাশিত হলেই তার মূল্য কমে যায়। হৃদয়ের প্রেম হৃদয়ে অনুভূত হয়। তাই গদাধর হাতে ধরে নিয়ে বসালেন আসনে। গৌরগদাধরের প্রেমরঙ্গ দেখে নিতাই মনে মনে অনুভব করছেন আর আনন্দ সাগরে ভেসে যাচ্ছেন। গদাধর গোপীনাথের পুরো পারশটা এনে মহাপ্রভুর সামনে ধরে দিলেন। মহাপ্রভু বলছেন - গদাধর! প্রসাদ তিন জায়গায় পরিবেশন করো আমরা তিনজন একসঙ্গেই প্রসাদ পাবো। মহানন্দে একসঙ্গে নিতাই-গৌরাঙ্গ-গদাইয়ের অপরূপ ভোজন-বিলাস নানা হাস-পরিহাস রসের মধ্য দিয়ে সম্পূর্ণ হল। প্রসাদের সুঘ্রাণে সারা টোটা (বাগান)আমোদিত হয়ে উঠল।ভক্তবৃন্দ খুঁজতে খুঁজতে এসে উপস্থিত হলেন। মহাপ্রভুর ভোজন অন্তে সকলে অধরামৃত লুণ্ঠন করলেন।
গদাধর তাম্বুল অর্পণ করলেন। তিনজনে নির্জনে বসে কতই প্রেমালাপ আর কতই আনন্দের ঢেউ উঠতে লাগলো। মরমী জন অনুভব করলেন।

নিতাই অনঙ্গমঞ্জরী-  গদাধর রাই-কিশোরী।

গদাধর ক্ষেত্র-সন্ন্যাস গ্রহণ করেছিলেন, অর্থাৎ নীলাচলের বাইরে কখনো যাবেন না।
কিন্তু গৌরপ্রীতির এমন আকর্ষণ মহাপ্রভু যখন বৃন্দাবনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করলেন, তখন উনি থাকতে পারেন নাই। মহাপ্রভুর নিষেধ সত্ত্বেও কটক পর্যন্ত গিয়েছিলেন।
 *"ক্ষেত্র সন্ন্যাস না ছাড়িহ প্রভু  নিষেধিলা।।*

*পন্ডিত কহে যাঁহা তুমি সেই নীলাচল*।
 *ক্ষেত্র-সন্ন্যাস মোর যাউক রসাতল।।*

 *প্রভু কহে ইঁহা করো গোপীনাথ সেবন।*
*পন্ডিত কহে কোটি সেবা তৎপদ দর্শন।।*

মহাপ্রভু যখন কিছুতেই ফেরাতে পারলেন না।তখন কঠোরতা প্রকাশ করে বললেন - *"গদাধর! তুমি অতি স্বার্থপর! নিজের সুখ ছাড়া তুমি আর কিছুই জান না।এ তোমার সংকীর্ণ মনের পরিচয়।তুমি নিজের সুখ চাও? না আমার সুখ চাও? যদি সত্যিই আমাকে সুখী করতে চাও তাহলে আমার সঙ্গ ত্যাগ করে এখনই নীলাচলে ফিরে যাও। গোপীনাথের সেবায় নিজেকে সমর্পণ কর।"*
সব ছাড়ি আজ্ঞা বলবান। এতক্ষণ ছিল সখ্যতা, কিন্তু এখন হল আদেশ। সুতরাং গদাধরের আর কিছুই করার থাকল না। বিরহে মূর্চ্ছিত হয়ে পড়লেন। সার্বভৌমের উপর ভার ন্যস্ত করে মহাপ্রভু অগ্রসর হলেন গৌড়মন্ডলের দিকে। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে গদাধরের গৌরপ্রীতির গভীরতা উপলব্ধি করা যায়।

একজন পুরুষ দেহধারী মানুষ সারাটি জীবন নারীভাবে মহাপ্রভুকে সেবা করে গিয়েছেন। কত ত্যাগ, কত ধৈর্য, ও কত সেবাপরায়ণ হলে যে তি সম্ভব,  চিন্তা করলে বিস্মিত হতে হয়।

তার আরেকটি বৈশিষ্ট্য ছিল শ্রীভাগবত পাঠ। তাঁর মুখে ভাগবত শ্রবণ না করলে মহাপ্রভুর প্রাণে শান্তি হতো না। সেজন্য তিনি প্রত্যহ মহাপ্রভুকে ভাগবত পাঠ করে শোনাতেন। গদাধরের হাতে লেখা ভাগবতে মহাপ্রভু নিচে কিছু পাদটীকা লিখে দিয়েছিলেন। মহাপ্রভুর ও
 গদাধরের চোখের জলে ভাগবত ভিজে যেত, শেষে ভাগবত পাঠ করাও দুষ্কর হয়ে গিয়েছিল।

মহাপ্রভুর সঙ্গোপনের অনধিক এক বছরের মধ্যে বিরহ জ্বালা সইতে না পেরে (ইংরেজি ১৫৩৪ খ্রিস্টাব্দে ) প্রায় ৪৭ বছর বয়সে অপ্রকট লীলায় প্রবিষ্ট হন।

তাও কদাচিৎ শ্রীনিবাসাচার্য প্রভুকে দর্শন দানের জন্যই কিছুকাল প্রাণ ধারণ করে ছিলেন।

তাঁর বিরহে প্রাণ কি বাঁচে এতক্ষণ।
 প্রতীক্ষা সে মাত্র শ্রীনিবাস আগমন।।

 গদাধরের কোন দেহ সমাধি নেই।কোথায় কিভাবে লীন হয়ে গিয়েছেন তারও কোন নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায় না। হয়তো বা তিনি নিজের প্রাণনাথের চরণেই আত্মসমর্পণ করেছিলেন।।

"নিতাই-গৌরাঙ্গ-গদাই,
অনঙ্গ--কানাই---রাই।"
সবাই মিলে জয় দাও-
নিতাই-গৌর-গদাধরের।।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*জয় নিতাই!*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-বাগুইপাড়া, বাগুইআটি,  উত্তর চব্বিশ পরগনা, কোলকাতা-৭০০১৫৯
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

adds