✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
৭২. রামচন্দ্র কবিরাজ ও গুরুভক্তি 🚩 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori72.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৭২)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*রামচন্দ্র কবিরাজ ও গুরুভক্তি*
******************************
*শ্রীরামচন্দ্র কবিরাজ হচ্ছেন বড় ভাই এবং গোবিন্দ কবিরাজ হচ্ছেন তাঁর ছোট ভাই।পিতৃদেবের নাম শ্রীচিরঞ্জীব সেন।অর্থ্যাৎ বংশ পরিচয়ে তাঁরা বৈদ্য সম্প্রদায়ভুক্ত ছিলেন।ভক্তি জগতে দুই ভাইয়ের এইরকম চরম উৎকর্ষতা সচরাচর দেখা যায় না।শ্রীরামচন্দ্র কবিরাজের দীক্ষাগুরু হচ্ছেন পরমভাগবদ্ শ্রীনিবাস আচার্য্য, যিনি হচ্ছেন আবার শ্রীমন্মহাপ্রভুর দ্বিতীয় কলেবর। শ্রীনিবাস আচার্য্যের সাহচর্য্যে এবং গুরু কৃপায় রামচন্দ্র যে নিজস্ব সত্ত্বাকে কিভাবে বিকিয়ে দিয়েছিলেন এবং গুরুকৃপায় শিষ্যের যে কি দশা হয় তা রামচন্দ্র কবিরাজের জীবন পর্য্যালোচনা করলে বুঝা যায়।শিষ্যের তখন নিজস্ব কামনা-বাসনা বলে কিছু থাকে না। এমনকি শ্রীগুরুদেব প্রসাদ পেলে শিষ্যের উদর পূর্ণ হয়ে যায়। নিজের চিন্তা,নিজের ধ্যানজ্ঞান বলে আর কিছুই থাকে না, তিনি যেন তখন শ্রীগুরুদেবের শ্রীমুখে সেবা করেন, শ্রীগুরুদেবের দৃষ্টিতে দেখেন এবং গুরুবাক্য অবধারিত সতে বলে জানেন।এইরকম আত্মসমর্পণকারী শিষ্য কেবল বৈষ্ণবজগতে একমাত্র শ্রীরামচন্দ্র কবিরাজকেই দেখা যায়।*
*🔷কথিত আছে যে একদিন সন্ধ্যাকালে শ্রীনিবাস আচার্য্য যাজিগ্রামে নিজ আঙ্গিনায় সংখ্যানাম জপ করতে করতে পদচালনা করছিলেন। হঠাৎ শ্রীনিবাস আচার্য্য একটি দড়িকে সর্প ভ্রমে চমকিয়ে উঠিলেন এবং রামচন্দ্র তখনই দেখলেন যে বিরাট একটি বিষধর সাপ আঙ্গিনায় বিচরণ করছে। অর্থ্যাৎ গুরুদেব বলেছেন সাপ এবং এটি অন্য কিছু কিনা তা বিচার করবার কোন প্রয়োজন বা তাগিদ রামচন্দ্রের নাই। তিনি নিজেও যে সাপের ভয়ে অভিনয় করেছিলেন তাও নয়।তিনি যেন রজ্জুতেই সর্প দেখছিলেন। আপন ভোলা গুরুদেব ক্ষণকাল পরে পুনরায় বললেন "রামচন্দ্র এটি তো সাপ না এটি রজ্বু মাত্র" এবং তৎক্ষণাৎ রামচন্দ্র দেখলেন যে সত্যই একটি দড়ি পড়ে আছে।এটির মধ্যেও রামচন্দ্রের অন্তরের কোন ছলনা ছিল না বা শ্রীগুরুদেবকে প্রীত করবার জন্য কোন নকল অভিনয়ও তিনি করেননি।গুরুদেব যা দেখছেন,তিনিও তা দেখছেন এবং একেই বলে প্রকৃত আত্মসমর্পণকারী শিষ্য।নিচে যে অন্য একটি ঘটনার বিবরণ দেওয়া হবে তা হতে সুধী পাঠকবৃন্দ এর সত্যতা উপলব্ধি করতে পারবেন যথার্থরূপে।*
*🔶বিয়ের পর হতে পত্নী রত্নমালা দেবীর সঙ্গে রামচন্দ্রের আর কোন সম্পর্কই ছিল না।গুরুজ্ঞান,গুরুধ্যান ও গুরুসেবা করেই তাঁর চলে যেত। কিন্তু তথাপি কৃপাময় গুরুদেব তাঁর পত্নীর অসহায় অবস্থার কথা চিন্তা করে রামচন্দ্রকে আদেশ করলেন যে তিনি যেন একবার ঘরে গিয়ে পত্নী সম্ভাষণ করে আসেন।বিবাহিত হলেও রামচন্দ্র অখন্ড ব্রহ্মচারী,দেহধর্মে পুরুষ হলেও অন্তরে বাইরে সখীভাব (অর্থ্যাৎ ব্রজলীলার করুণা মঞ্জরীর প্রতিমূর্তি) এবং গুরুগত প্রাণ।গুরুদেব আদেশ করেছেন অতএব তা করতেই হবে।এর বেশী রামচন্দ্রের বিচার বুদ্ধিতে কিছুই আসে না।সেজন্য অপরাহ্নকালে (বিকেলবেলা) নিজ গৃহ অভিমুখে চলতে লাগলেন কিন্তু মন-প্রাণ সবই পড়ে রইল যাজিগ্রামে।অবশেষে গৃহে এসে পৌঁছিলে পত্নী রত্নমালা দেবী অপ্রত্যাশিত ভাবে পতিদেবতাকে পেয়ে আনন্দে আত্মহারা হয়ে গেলেন এবং পতি সেবার কাজে নিজেকে নিয়োগ করলেন।আহারাদির পর নিজ শয়নকক্ষে স্বামীকে নিয়ে গেলেন এবং কক্ষের দরজা বন্ধ করে দিলেন। এ যেন শুভরাত্রির পূর্বাভাস।কতদিন বাদে পতিহারা পত্নী তার স্বামীকে কাছে পেয়েছেন।কি করে তাঁকে সুখী করবেন শুধু এইমাত্র চিন্তা।*
*🍀কৃপাময় পাঠকগণ ক্ষণিকের জন্য চিন্তা করে দেখুন, যে বৈষয়িক জগতে এর পরিণাম কি হতে পারে। সম্পর্কে রামচন্দ্র স্বামী বটে কিন্তু তার তো নিজস্ব সত্ত্বা বলে কিছুই নাই এবং ভাবলে অবাক লাগে যে এতদিনের অদর্শনের পর অন্য কোন কথা না বলে শ্রীগুরু প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা এবং কথোপকথন হতে লাগল।আশ্রমে থেকে কখন কি করেন,দৈনন্দিন জীবনে শ্রীগুরুদেবের কি কি সেবা করেন,শ্রীগুরুদেব তাঁকে কত স্নেহ প্রীতি করেন। গুরু প্রসঙ্গে রাত্রি অতিবাহিত হতে লাগল।আর কেবলই হা হুতাশ যে তিনি আশ্রমে না থাকায় গুরুদেবের সেবার কতই না ত্রুটি হচ্ছে এবং সমানে শ্রীগুরু মহিমা কীর্তন করে চললেন।*
*🌺এইভাবে রাত্রি যত গভীর হতে লাগল রামচন্দ্রের দেহমন এক অপ্রাকৃত লীলারাজ্যে সন্তরণ করতে লাগল।সাধ্বী পত্নী রত্নমালা দেবীও এক অদ্ভুত আনন্দ তরঙ্গে ডুবে গেলেন।কোথায় গেল স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ক।তখন তাঁদের নিজস্ব সত্ত্বা বলে আর কিছুই ছিল না উভয়েই তখন সেবিকা মাত্র।ভাবলে অবাক লাগে যে সেই নির্জন কক্ষে গভীর রাত্রে দরজা বন্ধ অবস্থায় যুবক স্বামী এবং যুবতী পত্নীর মধ্যে অন্য সম্পর্ক বলে দেহ মনের কোন তাগিদ ছিল না।*
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*কেন কর হাহাকার,নাহি কর শোক আর,*
*পতি তব করিয়াছে স্বর্গে গমন।*
*এ ভব যন্ত্রণা যত,হইয়াছে অপগত,*
*তবে কেন তার লাগি করিছ রোদন।।*
*ধৈর্য্য ধর সতীগণ,কার্য্য করে যে যেমন,*
*তেমনই কর্মফল ভোগ তার হয়।*
*আপনার কর্মমত, ফল পায় জীব যত,*
*কহিতেছি সারকথা করিয়া নিশ্চয়।।*
🪷🪷🪷🪷🪷🪷🙏🪷🪷🪷🪷🪷🪷
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🚩 ক্রমাগত 👉 ৭৩. শ্রীরূপ গোস্বামী 📖 বৈষ্ণব বিবৃতি 🙏 শ্রীযুক্ত মধুসূদন তত্ত্ববাচস্পতি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/boisnob73.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
