শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

ভক্ত ভগবানকে চিনিয়ে দেয়,আবার ভগবানও ভক্তকে চিনিয়ে দেয়



  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ ভক্ত ভগবানকে চিনিয়ে দেয়, আবার ভগবানও ভক্তকে চিনিয়ে দেয় ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🏠Home Page🏠👇👇🙏👇👇📚PDF গ্রন্থ📚
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
এক ভক্তই শাস্ত্র অধ্যয়ণ করে করে জীবনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানতে পারে এবং সেই শিক্ষা সাধারন মানুষের মধ্যে বিতরন করে।

   মানুষ দেবতা ও ভগবানের মধ্যে পার্থক্য জানে না, সকলকেই ভগবান জ্ঞান করে, যাহা অজান্তে হলেও শাস্ত্রবিরুদ্ধ এক পাপ। এক ভক্তই নিরলস প্রচেষ্টা করে বোঝায় যে, ভগবান সর্বনিয়ন্তা, তিনি দেবতাদেরও পরিচালনা করেন।



  এক ভক্তই শ্রীকৃষ্ণকে সবার কাছে এনে দিতে পারেন, কৃষ্ণভাবনামৃত বিজ্ঞান দ্বারা। এই বিজ্ঞানটি কি


  কৃষ্ণকথা শ্রবণ, কৃষ্ণপ্রসাদ গ্রহণ এবং হরেকৃষ্ণ জপ ও কীর্তন। কিন্তু অন্তরে কৃষ্ণপ্রেম জাগানোর জন্য একজন শুদ্ধভক্ত সদগুরুর প্রয়োজন। তিনিই পারেন কৃষ্ণ প্রেমের সেই আগুনকে স্ফুলিঙ্গের আকারে অন্তরে জ্বালিয়ে দিতে।


  কিন্তু সদগুরু যে পাচ্ছি না ?


  এই চিন্তাটা আমাদের নয়। সকলের অন্তরে কৃষ্ণ বিরাজমান। তিনি সব জানেন। আমাদের অন্তরের ঐকান্তিকতা লক্ষ করে শ্রীকৃষ্ণ ভিতর থেকে নির্দেশ দেবেন, ওইখানে যাও---সঠিক ভক্ত পাবে।



  আমরা যদি বর্তমানে সঠিক ভক্তের সান্নিধ্য পাচ্ছি, বুঝতে হবে আমরা ঐকান্তিক। সুতরাং সময় নষ্ট না করে, আধ্যাত্মিক উন্নতিতে সর্বদা সচেষ্ট থাকুন।


  এইভাবে ভগবানও সঠিক ভক্তকে চিনিয়ে দেয়। আবার যেহেতু এক ভক্তই সাধারন মানুষকে ভগবান কে চিনতে সাহায্য করে, তাই শ্রীকৃষ্ণ সর্বদাই বলেন---


  "আমার ভক্তের পূজা আমার থেকেও বড়"।


  ভক্ত সর্ব অবস্থায় খুশী। একাকী বসে হাসছে দেখে, ভুল করে পাগল ভাবেন না, তিনি ভগবানের লীলা স্মরণ করে হাসছেন। এমন ভক্ত দর্শণ ভাগ্য  এবং  অবশ্যই নমস্য।


  ভক্তের কাছে স্বর্গ ও নরকের কোন পার্থক্য নেই, কারন সর্বদাই তার সাথে কৃষ্ণনাম বর্তমান। আর যেখানে কৃষ্ণ, সেটা কি নরক হতে পারে ? সেটাই বৈকুন্ঠ।


  একবার মহাপ্রভু বৃন্দাবনে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলে, পার্ষদরা উনাকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে আবার শান্তিপুরে নিয়ে আসে। কারন মহাপ্রভু ছাড়া তারা নিরানন্দ হয়ে যাবে।



  মহাপ্রভু বলেন--- "অদ্বৈত মনে হচ্ছে না ইহা বৃন্দাবন"। তিনি উত্তরে বলেন--- "প্রভু, আপনার চরণধূলি যেখানে, তাহাই আমাদের নিকট বৃন্দাবন। ভাবুন কি মধুর রস।


  ভক্ত দ্বারা কেউ কখনও বিরক্তও হয় না। হরিদাস ঠাকুর যেহেতু মুসলমান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন, তাই হিন্দুরা তাকে মন্দিরে জগন্নাথ দর্শণে প্রবেশ করতে দিত না। তিনিও দুঃখ না পেয়ে ভাবতেন---

  "কেন আমি সেখানে গিয়ে তাদের বিরক্ত করব"। আমি বরং এখানে বাইরে বসে লীলাকীর্তন করি।


  মহাপ্রভু যিনি স্বয়ং জগন্নাথ, তিনি প্রতিদিন সমুদ্র স্নানের  আগে হরিদাস ঠাকুরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে যেতেন।


  তাহলে সঠিক ভক্ত হলে---তাকে ভগবান দর্শণে যেতে হয় না,  ভগবান আসেন তাকে দর্শণ করতে। এমন ভক্ত যদি পেয়েছেন---শুধু তার চরণ ধরে থাকুন,  ঠিক ভবসাগর পার হয়ে যাবেন।

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






ভক্ত ভগবানকে চিনিয়ে দেয়,আবার ভগবানও ভক্তকে চিনিয়ে দেয়



  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ ভক্ত ভগবানকে চিনিয়ে দেয়, আবার ভগবানও ভক্তকে চিনিয়ে দেয় ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🏠Home Page🏠👇👇🙏👇👇📚PDF গ্রন্থ📚
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
এক ভক্তই শাস্ত্র অধ্যয়ণ করে করে জীবনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানতে পারে এবং সেই শিক্ষা সাধারন মানুষের মধ্যে বিতরন করে।

   মানুষ দেবতা ও ভগবানের মধ্যে পার্থক্য জানে না, সকলকেই ভগবান জ্ঞান করে, যাহা অজান্তে হলেও শাস্ত্রবিরুদ্ধ এক পাপ। এক ভক্তই নিরলস প্রচেষ্টা করে বোঝায় যে, ভগবান সর্বনিয়ন্তা, তিনি দেবতাদেরও পরিচালনা করেন।

  এক ভক্তই শ্রীকৃষ্ণকে সবার কাছে এনে দিতে পারেন, কৃষ্ণভাবনামৃত বিজ্ঞান দ্বারা। এই বিজ্ঞানটি কি

  কৃষ্ণকথা শ্রবণ, কৃষ্ণপ্রসাদ গ্রহণ এবং হরেকৃষ্ণ জপ ও কীর্তন। কিন্তু অন্তরে কৃষ্ণপ্রেম জাগানোর জন্য একজন শুদ্ধভক্ত সদগুরুর প্রয়োজন। তিনিই পারেন কৃষ্ণ প্রেমের সেই আগুনকে স্ফুলিঙ্গের আকারে অন্তরে জ্বালিয়ে দিতে।

  কিন্তু সদগুরু যে পাচ্ছি না ?

  এই চিন্তাটা আমাদের নয়। সকলের অন্তরে কৃষ্ণ বিরাজমান। তিনি সব জানেন। আমাদের অন্তরের ঐকান্তিকতা লক্ষ করে শ্রীকৃষ্ণ ভিতর থেকে নির্দেশ দেবেন, ওইখানে যাও---সঠিক ভক্ত পাবে।

  আমরা যদি বর্তমানে সঠিক ভক্তের সান্নিধ্য পাচ্ছি, বুঝতে হবে আমরা ঐকান্তিক। সুতরাং সময় নষ্ট না করে, আধ্যাত্মিক উন্নতিতে সর্বদা সচেষ্ট থাকুন।

  এইভাবে ভগবানও সঠিক ভক্তকে চিনিয়ে দেয়। আবার যেহেতু এক ভক্তই সাধারন মানুষকে ভগবান কে চিনতে সাহায্য করে, তাই শ্রীকৃষ্ণ সর্বদাই বলেন---

  "আমার ভক্তের পূজা আমার থেকেও বড়"।

  ভক্ত সর্ব অবস্থায় খুশী। একাকী বসে হাসছে দেখে, ভুল করে পাগল ভাবেন না, তিনি ভগবানের লীলা স্মরণ করে হাসছেন। এমন ভক্ত দর্শণ ভাগ্য  এবং  অবশ্যই নমস্য।

  ভক্তের কাছে স্বর্গ ও নরকের কোন পার্থক্য নেই, কারন সর্বদাই তার সাথে কৃষ্ণনাম বর্তমান। আর যেখানে কৃষ্ণ, সেটা কি নরক হতে পারে ? সেটাই বৈকুন্ঠ।

  একবার মহাপ্রভু বৃন্দাবনে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলে, পার্ষদরা উনাকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে আবার শান্তিপুরে নিয়ে আসে। কারন মহাপ্রভু ছাড়া তারা নিরানন্দ হয়ে যাবে।

  মহাপ্রভু বলেন--- "অদ্বৈত মনে হচ্ছে না ইহা বৃন্দাবন"। তিনি উত্তরে বলেন--- "প্রভু, আপনার চরণধূলি যেখানে, তাহাই আমাদের নিকট বৃন্দাবন। ভাবুন কি মধুর রস।

  ভক্ত দ্বারা কেউ কখনও বিরক্তও হয় না। হরিদাস ঠাকুর যেহেতু মুসলমান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন, তাই হিন্দুরা তাকে মন্দিরে জগন্নাথ দর্শণে প্রবেশ করতে দিত না। তিনিও দুঃখ না পেয়ে ভাবতেন---
  "কেন আমি সেখানে গিয়ে তাদের বিরক্ত করব"। আমি বরং এখানে বাইরে বসে লীলাকীর্তন করি।

  মহাপ্রভু যিনি স্বয়ং জগন্নাথ, তিনি প্রতিদিন সমুদ্র স্নানের  আগে হরিদাস ঠাকুরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে যেতেন।

  তাহলে সঠিক ভক্ত হলে---তাকে ভগবান দর্শণে যেতে হয় না,  ভগবান আসেন তাকে দর্শণ করতে। এমন ভক্ত যদি পেয়েছেন---শুধু তার চরণ ধরে থাকুন,  ঠিক ভবসাগর পার হয়ে যাবেন।

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






বৈষ্ণব বন্দনা 🙏 দেবকী নন্দন দাস 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/03/blog-post_27.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                        ꧁ বৈষ্ণব বন্দনা꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
              ꧁ স্তত্রম- বন্দনা- গীত- আরতি ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
বৃন্দাবন বাসী যত বৈষ্ণবের গণ।
প্রথমে বন্দনা করি সবার চরণ ।।
নীলাচল বাস যত মহাপ্রভুর গণ ।
ভূমিতে পড়িয়া বন্দোঁ সবার চরণ।।
নবদ্দীপ বাসী যত মহাপ্রভুর ভক্ত।
সবার চরণ বন্দোঁ হঞা অনুরক্ত।।
মহাপ্রভু ভক্ত যত গৌড় দেশে স্থিতি।
সবার চরণ বন্দোঁ করিয়া প্রণতি।।
যে দেশে যে দেশে বৈসে গৌরাঙ্গের গণ।
ঊর্ধ্ব বাহু করি বন্দোঁ সবার চরণ।।
হইয়াছেন হবেন প্রভুর যত দাস।
সবারো চরণ বন্দোঁ দন্তে করি ঘাস।।
ব্রহ্মাণ্ড তারিতে শক্তি ধরে জনে জনে।
এ বেদ পুরানে গুন গায় যেবা শুনে।।
মহাপ্রভুর গণ সব পতিত পাবন।
তাই লোভে মুঞি পাপী লইনু শরণ।
বন্ধন করিতে মুঞি কত শক্তি ধরি। 
তমো বুদ্ধি দোষে মুঞি দম্ভ মাত্র করি।।
তথাপি মূকের ভাগ্য মনের  উল্লাস।
দোষ ক্ষমা মো অধমে কর নিজ দাস।।
সর্ব বাঞ্ছা সিদ্ধি হয় যম বন্ধ ছুটে।
জগতে দুর্লভ হঞা প্রেম-ধন লটে।।
মনের বাসনা পূর্ণ অচিরাতে হয়।
দেবকী নন্দন দাস এই লোভে কয়।।
ইতি শ্রীশ্রী বৈষ্ণব শরণ সমাপ্ত।।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



বৈষ্ণব বন্দনা 🙏 দেবকী নন্দন দাস 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/03/blog-post_27.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                        ꧁ বৈষ্ণব বন্দনা꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
              ꧁ স্তত্রম- বন্দনা- গীত- আরতি ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
বৃন্দাবন বাসী যত বৈষ্ণবের গণ।
প্রথমে বন্দনা করি সবার চরণ ।।
নীলাচল বাস যত মহাপ্রভুর গণ ।
ভূমিতে পড়িয়া বন্দোঁ সবার চরণ।।
নবদ্দীপ বাসী যত মহাপ্রভুর ভক্ত।
সবার চরণ বন্দোঁ হঞা অনুরক্ত।।
মহাপ্রভু ভক্ত যত গৌড় দেশে স্থিতি।
সবার চরণ বন্দোঁ করিয়া প্রণতি।।
যে দেশে যে দেশে বৈসে গৌরাঙ্গের গণ।
ঊর্ধ্ব বাহু করি বন্দোঁ সবার চরণ।।
হইয়াছেন হবেন প্রভুর যত দাস।
সবারো চরণ বন্দোঁ দন্তে করি ঘাস।।
ব্রহ্মাণ্ড তারিতে শক্তি ধরে জনে জনে।
এ বেদ পুরানে গুন গায় যেবা শুনে।।
মহাপ্রভুর গণ সব পতিত পাবন।
তাই লোভে মুঞি পাপী লইনু শরণ।
বন্ধন করিতে মুঞি কত শক্তি ধরি। 
তমো বুদ্ধি দোষে মুঞি দম্ভ মাত্র করি।।
তথাপি মূকের ভাগ্য মনের  উল্লাস।
দোষ ক্ষমা মো অধমে কর নিজ দাস।।
সর্ব বাঞ্ছা সিদ্ধি হয় যম বন্ধ ছুটে।
জগতে দুর্লভ হঞা প্রেম-ধন লটে।।
মনের বাসনা পূর্ণ অচিরাতে হয়।
দেবকী নন্দন দাস এই লোভে কয়।।
ইতি শ্রীশ্রী বৈষ্ণব শরণ সমাপ্ত।।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



শ্রীশ্রীগুরু বন্দনা ✍️ শ্রীল সনাতন দাস গোস্বামী 🙏 আশ্রয় করিয়া বন্দো শ্রী গুরু চরণ 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/03/blog-post_31.html


  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                      ꧁ শ্রীশ্রীগুরু বন্দনা꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
              ꧁ স্তত্রম- বন্দনা- গীত- আরতি ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
আশ্রয় করিয়া বন্দো শ্রীগুরু চরণ।
যাহা হইতে মিলে ভাই কৃষ্ণ প্রেমধন।।
জীবের নিস্তার লাগি নন্দসুত হরি।
ভুবনে প্রকাশ হন গুরু-রুপ ধরি।।
মহিমায় গুরু-কৃষ্ণ এক করি জান।
গুরু অজ্ঞা হৃদে সব সত্য করি মান।।
সত্য জ্ঞানে গুরু বাক্যে যাহার বিশ্বাস।
অবশ্য তাহার হয় ব্রজ ভুমে বাস।।
যার প্রতি গুরুদেব হন পরসন্ন।
কোন বিঘ্নে সেহ নাহি হয় অবসন্ন।।
কৃষ্ণ রুষ্ট হৈলে গুরু রাখিবারে পারে।
গুরু রুষ্ট হৈলে কৃষ্ণ রাখিবারে নারে।।
গুরু মাতা গুরু পিতা গুরু হন পতি।
গুরু বিনা এ সংসারে নাহি আর গতি।।
গুরুকে মনুস্য জ্ঞান না কর কখন।
গুরু নিন্দা কভু কর্নে না কর শ্রাবণ।।
গুরু নিন্দুকের মুখ কভু না হেরিবে।
যথা হয় গুরু নিন্দা তথা ন যাইবে।।
গুরুর বিক্রিয়া যদি দেখহ কখন।
তথাপি অবজ্ঞা নাহি কর কাদাচন।।
গুরু পাদ পদ্মে যার রহে নিষ্ঠা ভক্তি।
জগৎ তারিতে সেই ধরে মহা শক্তি।।
হেন গুরু পাদ পদ্ম করহ বন্দনা।
যাহা হৈতে ঘুচে ভাই সকল যন্ত্রণা।।
গুরু পাদ পদ্ম নিত্য যে করে বন্দন।
শিরে ধরি বন্দি আমি তাহার চরণ।।
শ্রীগুরু চরণ পদ্ম হৃদে করি আশ।
শ্রীগুরু বন্দনা করে সনাতন দাস।।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



Sri Guru Bandona

Asroyo Koriya Bando Sri Guru Charan 






শ্রীশ্রীগুরু বন্দনা ✍️ শ্রীল সনাতন দাস গোস্বামী 🙏 আশ্রয় করিয়া বন্দো শ্রী গুরু চরণ 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/03/blog-post_31.html


  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                      ꧁ শ্রীশ্রীগুরু বন্দনা꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
              ꧁ স্তত্রম- বন্দনা- গীত- আরতি ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
আশ্রয় করিয়া বন্দো শ্রীগুরু চরণ।
যাহা হইতে মিলে ভাই কৃষ্ণ প্রেমধন।।
জীবের নিস্তার লাগি নন্দসুত হরি।
ভুবনে প্রকাশ হন গুরু-রুপ ধরি।।
মহিমায় গুরু-কৃষ্ণ এক করি জান।
গুরু অজ্ঞা হৃদে সব সত্য করি মান।।
সত্য জ্ঞানে গুরু বাক্যে যাহার বিশ্বাস।
অবশ্য তাহার হয় ব্রজ ভুমে বাস।।
যার প্রতি গুরুদেব হন পরসন্ন।
কোন বিঘ্নে সেহ নাহি হয় অবসন্ন।।
কৃষ্ণ রুষ্ট হৈলে গুরু রাখিবারে পারে।
গুরু রুষ্ট হৈলে কৃষ্ণ রাখিবারে নারে।।
গুরু মাতা গুরু পিতা গুরু হন পতি।
গুরু বিনা এ সংসারে নাহি আর গতি।।
গুরুকে মনুস্য জ্ঞান না কর কখন।
গুরু নিন্দা কভু কর্নে না কর শ্রাবণ।।
গুরু নিন্দুকের মুখ কভু না হেরিবে।
যথা হয় গুরু নিন্দা তথা ন যাইবে।।
গুরুর বিক্রিয়া যদি দেখহ কখন।
তথাপি অবজ্ঞা নাহি কর কাদাচন।।
গুরু পাদ পদ্মে যার রহে নিষ্ঠা ভক্তি।
জগৎ তারিতে সেই ধরে মহা শক্তি।।
হেন গুরু পাদ পদ্ম করহ বন্দনা।
যাহা হৈতে ঘুচে ভাই সকল যন্ত্রণা।।
গুরু পাদ পদ্ম নিত্য যে করে বন্দন।
শিরে ধরি বন্দি আমি তাহার চরণ।।
শ্রীগুরু চরণ পদ্ম হৃদে করি আশ।
শ্রীগুরু বন্দনা করে সনাতন দাস।।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



Sri Guru Bandona

Asroyo Koriya Bando Sri Guru Charan 






শ্রীশ্রীরাধাকান্ত দেবের সংক্ষিপ্ত পরিচয় 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/03/blog-post_85.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ শ্রীশ্রী রাধাকান্ত দেবের সংক্ষিপ্ত পরিচয় ꧂
                        👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভু তেনার জীবনের প্রায় আঠারোটি বছর কাটিয়েছেন শ্রীক্ষেত্র পুরী ধামে কাশি মিশ্রর বাড়িতে যা বর্তমানে শ্রীরাধাকান্ত মঠ বা শ্রীগম্ভীরা নামে পরিচিত ।।

 তৎকালীন সময়ে উড়িষ্যার রাজা প্রতাপ রুদ্রের পিতা পুরুষোত্তম দেব দক্ষিণ ভারতের একটি রাজ্য কাঞ্চি, সেখানে কাঞ্চি রাজার বাগান বাড়িতে বেড়াতে যান এবং কাঞ্চি রাজার কন্যাকে দেখে ভালো লাগে এবং বিবাহের প্রস্তাব দেন।

 কাঞ্চি রাজা তার প্রস্তাবে সম্মতি দিয়ে তার এক মন্ত্রী কে পাঠান উড়িষ্যা রাজ্যে কিন্তু পূর্ব হইতেই নিয়ম ছিল শ্রীজগন্নাথের রথের সামনে উড়িষ্যার রাজা ধীরাজ ঝাড়ু দেবেন, এই দৃশ্য কাঞ্চি রাজার মন্ত্রী দেখে গিয়ে রাজাকে শোনান, কাঞ্চিরাজ সব শুনে তিনি ঠিক করলেন কোন ঝাড়ুদার এর সাথে তার মেয়ের বিবাহ দেবেন না।।

পুরুষোত্তম দেব এই কথা শুনে তিনি কাঞ্চি রাজ্য জয়ের উদ্দেশ্য যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নেন কিন্তু যুদ্ধে পুরুষোত্তম দেব পরাস্ত হন।।

 আবারো পুরুষোত্তম দেব কাঞ্চি রাজ্যের উদ্দেশ্যে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নেন আবারো তিনি পরাস্ত হন এবং কাঞ্চি রাজা পুরুষোত্তম দেব কে শুনিয়ে দেন যদি আবারো যুদ্ধ করতে আসলে স্বয়ং জগন্নাথ-সুদর্শন-সুভদ্রা-বলরাম কে তেনার রাজ্যে অবস্থিত বড় গণেশের পশ্চাৎ দিকে প্রতিষ্ঠা করবেন।।

 পুরুষোত্তম দেব কাঞ্চি রাজার কথা জগন্নাথের কাছে এসে শোনালেন তখন স্বয়ং জগন্নাথ কালো  ঘোড়ায় এবং বলরাম সাদা ঘোড়ায় যুদ্ধের জন্য রওনা দেন পুরুষোত্তম দেবের সহিত(যা বর্তমানে শ্রী শ্রী জগন্নাথ মন্দিরের দক্ষিণ প্রবেশ দ্বারে এই রুপ বিগ্রহ দর্শন করে থাকেন ভক্তগন)।।

 জগন্নাথ এবং বলরাম পুরুষোত্তম দেবের সহিত থাকার কারণে এবারে তিনি যুদ্ধে জয়লাভ করেন এবং যুদ্ধে জয় লাভ করার জন্য পুরুষোত্তম দেব কাঞ্চি রাজার কন্যাকে, শ্রী শ্রী রাধাকান্ত দেব, সাক্ষীগোপাল এবং বড় গণেশ কে উড়িষ্যায় নিয়ে আসেন।

পুরুষোত্তম দেব সাক্ষী গোপাল ও বড় গণেশ কে প্রতিষ্ঠা করলেন শ্রীজগন্নাথ মন্দিরের পশ্চাৎ দিকে।।

শ্রীশ্রীরাধাকান্তদেব কে প্রতিষ্ঠা করলেন শ্রী বিগ্রহের সামনে কিন্তু যখনই শ্রীজগন্নাথদেবের সেবা দেওয়া হয় তখনই জগন্নাথের সেবার পূর্বে সকল সুস্বাদু সেবার সামগ্রী রাধাকান্তদেব সেবা পেয়ে নেন এই কারণে শ্রীজগন্নাথদেবকে বেশকিছুদিন অভুক্ত থাকতে হয়।।

স্বয়ং জগন্নাথ একদিন পুরুষোত্তম দেবকে স্বপ্ন দিয়ে বললেন অতি শীঘ্র সম্ভব শ্রীরাধাকান্তদেবকে অন্যত্র স্থানান্তর করার কথা কারণ সকল মহাপ্রসাদ রাধাকান্ত আমার পূর্বেই সেবা পেয়ে নেন এই কারণে আমি বেশ কিছুদিন অভুক্ত আছি ।।

জগন্নাথের এই আদেশের পর পুরুষোত্তমদেব তার শ্রীগুরু কাশি মিশ্রকে (যিনি দ্বাপর যুগে কৃষ্ণ লীলায় মথুরা নগরীতে কুব্জা নামে খ্যাত) এই বিগ্রহ দিয়ে দেন এবং পুরুষোত্তম দেব এই রাধাকান্ত দেব কে রাখবার জন্য তেনার বাগানবাড়ি ও অনেক সম্পত্তি কাশি মিশ্রকে দিয়ে দেন তা মহাপ্রভুর সময়ে এই বাগানবাড়ি কাশি মিশ্রর বাড়ি নামে পরিচিত ছিল।।

পরবর্তীকালে শ্রীমন্ মহাপ্রভু এই রাধাকান্ত দেবের পাশের ঘর যা শ্রীগম্ভীরা( গোপন কক্ষ  বা গম্ভীর লীলা স্থল) নামে পরিচিত, তিনি জীবনের প্রায় শেষ আঠারোটি বছর উচ্চ ভাবের শেষ পর্যায়ে প্রভু তার লীলা প্রকাশ করেছেন।।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






মালায় 'হরিনাম' জপ 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/03/blog-post_28.html

   

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                *꧁মালায় 'হরিনাম' জপ ꧂*
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
কলিযুগ পাবন অবতার শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভু কলির জীবকে উদ্ধার করার জন্য গোলকের সম্পত্তি ভূলোকে  সকলের মধ্যে বিতরণ করে দিলেন, যা গোলক বৃন্দাবনে  অতিগুপ্ত  ভাবে  ছিল, তা জগৎপিতা দেখলেন কলির জীব নিতান্তই পাপাচারী অন্য যুগের তুলনায় ।  
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧     
○সত্য যুগে এই ধরাধামে মানুষের পুণ্য ছিল 4 ভাগ এবং পাপ ছিলনা।
○ ত্রেতাযুগে মানুষের পুণ্য ছিল  তিন ভাগ এবং পাপ ছিল 1 ভাগ।
○ দ্বাপর যুগে তাহলো  দুই ভাগ পুণ্য এবং দুইভাগ পাপ।
○ আর এই কলি কালে  এক ভাগ পুণ্য আর তিন ভাগ পাপ।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧     
তাই গোলক বিহারী ভগবান ভাবলেন এই কলিযুগে একমাত্র নামের দাঁড়াই উদ্ধার পাওয়া সম্ভব, এই কলির জীবের,  তাই তিনি নিজে অবতার রূপে  এই ধরায়, বাহিরে রাধারানী ও ভিতরে কৃষ্ণ রুপে অবতার হয়ে জন্মনেন শ্রীধাম নবদ্বীপে শ্রীশচী মায়ের গর্ভে, জন্মের পর তার দাদু শ্রীনীলাম্বর চক্রবর্তী কুষ্টি করতে গিয়ে দেখতে পান এই পুত্র সাধারণ পুত্র  নন, তাই তার নাম রাখেন বিশ্বম্ভর মিশ্র।

ভগবানের মধুর নাম নানাভাবে করা যায় কিন্তু মালা জপের  দ্বারা অধিক সংখ্যক ভগবানের নাম করা সম্ভব তাই মালা জপ হলো ভজনের একটি অঙ্গ।

ভগবানের মধুর নাম মালা জপের মাধ্যমে করার ইচ্ছা প্রকাশ হলে শ্রীগুরুর কাছে শরণাপন্ন হতে হয় যদি সাক্ষাৎ শ্রীগুরুদেব এই মালার ভজন দেয় তবেই আমরা এই মালা জপের অধিকার লাভ করবো এবং নিরামিষভোজী  হতে হবে তবেই তিনি মালা জপের অধিকারী।

সমস্যা জর্জরিত এই কলি যুগে মহামন্ত্র জপ, কীর্ত্তন করাই মুক্তির সবচেয়ে সহজ পন্থা। জপ অনেক ভাবেই করা যায়। কেউ মোনে মোনে জপ করেন, আবার কেউ করে শব্দ তৈরি করে। শব্দ তৈরি করে নাম জপ করলে দুটি কাজ হয়। প্রথমত এই মহামন্ত্র বার বার আমাদের কর্নে দিয়ে প্রবেশ করছে আর দ্বিতীয়ত বাইরের কোনো বাজে শব্দ জপে বিগ্ন ঘটাতে অসমর্থ। 
শ্রবণ করে জপ করাই হচ্ছে কৃষ্ণের প্রতি মতিস্থির করার মূল পন্থা। আমরা যখন জপ করবো তখন আমাদেরকে শুধু শব্দ তরঙ্গগুলো শ্রবণ করতে হবে। যদি আমরা ভালোভাবে শ্রবণ করি তাহলে মহামন্ত্রটি আমাদের কর্ণ দিয়ে হৃদয়ে প্রবেশ করে অনবরত সুধা বর্ষণ করবে। এই সুধা সিন্ধুতে হারিয়ে গিয়েই আমরা শ্রীকৃষ্ণকে দর্শন করতে পারবো। কিন্তু অনেক বছর পরেও যদি আমরা নামের প্রতি কোনো স্বাদ আস্বাদন করতে না পারি, তাহলে হয় মহামন্ত্র শ্রবণে আমাদের সমস্যা রয়েছে, নইলে আমাদের আত্ম সমর্পণের স্তরে সমস্যা রয়েছে।

 মালায় নাম জপের নিয়ম বর্ণনা:-

মালা গোপনে রেখে ভজনের জন্য নতুন কাপড়ের একটি থলি প্রস্তুত করে সেই থলেতে মালা রাখতে হয়। ঐ থলির মধ্যে দক্ষিণ হস্ত বা ডান হাত প্রবেশ করিয়ে তর্জ্জনী অঙ্গুলিকে ছিদ্র দিয়ে থলির বাইরে রাখতে হবে। কারন তর্জ্জনী দ্বারা স্পর্শ করতে নেই এবং মালা জপের সময় মালায় নখ লাগাতে নাই। 
 
মালা জপ আরম্ভের মন্ত্র:-

 অবিঘ্ন করু মালে, ত্বং হরি নাম-জপেষু চ।
শ্রীরাধা কৃষ্ণয়োর্দাস্যং দেহি মালে, তু প্রার্থয়ে।।
 অর্থাৎ, হে মালে তোমাতে হরি নাম জপ করিতেছি আমার সর্ব্ব বিঘ্ন দূরকর এবং শ্রীরাধা কৃষ্ণের দাস্য দান কর, এই প্রার্থনা করছি। মালা জপান্তে নিন্মরুপ জপ সমর্পণ করতে হয়।

নাম চিন্তামণি-রুপং নামৈব পরমা গতিঃ।
নাম্নঃ পরতরং নাস্তি তস্মান্নাম উপাস্মহে।।
অর্থাৎ, শ্রীহরি নাম চিন্তামণি ও পরমা গতি, নাম হইতে শ্রেষ্ঠ(উপাস্য) বস্তু আর কিছুই নাই। তাই শ্রী নামের স্মরণ নিলাম।

  এবার মালা জপের শুরুতে, মালার বড় দিক থেকে জপ আরম্ভ করতে হবে এবং সমস্ত মালা একবার জপ শেষ হলে ঘুরিয়ে নিয়ে সরু দিক থেকে পুনরায় জপ করতে করতে হয় এবং প্রতি গুটিতে একবার পূর্ণ মহামন্ত্র নাম বলতে হবে

"হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে"

যেহেতু মেরুলঙ্ঘন করে জপ করতে নেই, করলে সেটা বিফল হয়। মধ্যমা অঙ্গুলির মধ্য ভাগের উপর মালা রেখে বৃদ্ধা অঙ্গুষ্ঠ দ্বারা এক একটি মালা আকর্ষণ পূর্ব্বক এক একবার শ্রীহরির মহানাম মহামন্ত্র জপ করতে হয়। এই ভাবে ১০৮ টি নাম মালার গুটি সম্পূর্ণ জপ হলে তাহাকে এক ফেরা বা পরিক্রমা বলা হয়। এরুপ ৪ ফেরায় এক গ্রন্থি হয়। ১৬ গ্রন্থিতে লক্ষ নাম জপ হয়। লক্ষ নাম জপের নিয়ম করা পরম সৌভাগ্যের বিষয়।

থলির বাইরে চারটি ক্ষুদ্র মালা বেঁধে ফেরার সংখ্যা রাখতে হয় এবং এক গ্রন্থির অধিক জপ করতে ইচ্ছে হলে প্রয়োজ অনুযায়ী আরও গোটাকতক ক্ষুদ্র মালা পৃথক বেঁধে গ্রন্থির সংখ্যা করতে হয়। এক গ্রন্থির ৪ বার নিচে নাম জপের নিয়ম করতে নেই। দীক্ষিত জন বীজ মন্ত্র বা গায়ত্রী দ্বাদশবার হস্তের পর্বে বা মালায় জপ করে, মহামন্ত্র ষোড়শী হরি নাম ১০৮ বার মালায় জপ করবে।

 প্রতি চার বার মালা জপের সময় নাম স্মরণ মন্ত্র:-
""নামযজ্ঞ মহাযজ্ঞ কলৌ কলপনাসন্
 শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য পিতর্থে নামযজ্ঞ  সমার্পণম্""।। 

নামের মধ্যে দিয়াই শ্রীকৃষ্ণের ধ্যান:-

ত্রিভঙ্গ-ভঙ্গিম-রুপং বেনুরন্ধ্র-করাঞ্চিতং।
গো, গোপ, গোপী মণ্ডল-মধ্যস্থং শোভিতং নন্দ নন্দনং।।
অর্থাৎ, গো, গোপ, গোপীগণ মধ্যস্থ বেনুরন্ধ্রে করে যুক্ত, বাদনরত ত্রিভুজঙ্গ ভঙ্গিম শ্রীনন্দের নন্দন শ্রীকৃষ্ণকে ধ্যান করছি।

 নাম জপের প্রথমে ও শেষে শ্রীকৃষ্ণকে প্রণাম করবে।

মালার স্বরুপ:-
শতাষ্ট গোপিকা মালা সূএঞ্চ রাধিকা পরা।
সাক্ষী চ্ ললিতা দেবী মেরু কৃষ্ণ স্বয়ং প্রভু।।
সুমেরুর্দ্কিভাগে চ্ বসতি প্রেম-মঞ্জরী।
বিগ্রহে শ্যামলা গোপী মালা নির্ণয় উচ্যতে।।
শ্রীকৃষ্ণকে প্রণাম মন্ত্র:-

নমো নলিন-নেত্রায় বেণু বাদ্য-বিনোদিনে।
রাধা ধর সুধা পান শালিনে বন মালিনে।।

গুহাতিগুহ গোপ্তা ত্বং গৃহাণাস্মং কৃতং জপং।
সিদ্বি ভবতু-মে দেব ত্বৎ প্রসাদাৎ জনার্দ্দন।।
অর্থাৎ, হে পরম দেব, পরম অভিষ্পরমপ্রিয় শ্রীকৃষ্ণ তুমি গুহ্য ও অতি গুহ্য বস্তুকে রক্ষা কর। অতএব আমার এই নাম জপ তুমি গ্রহন কর। হে দেব তোমার প্রসাদে আমার সর্বসিন্ধ লাভ।
ক্ষমা প্রার্থনা মন্ত্র:-

ওঁ যদক্ষরং পরিভ্রষ্টং মাত্রা হিনঞ্চ যদ্ ভবেৎ।
তৎ সর্বং ভবতু পূর্ণং ত্বৎ প্রসাদাৎ সুরেশ্বর॥
অর্থাৎ, আমার উক্ত কার্যে যদি কোন আচার বাদ যাইয়া থাকে বা মাত্রা বিবর্তিত থাকে হে ভগবান তোমার অনুগ্রহে তা পূর্নত্ব প্রাপ্ত হোক।
 ভ্রমক্রমে বা কোনও অনিবার্য কারণবশতঃ কোনো দিন মালা জপ বন্ধ থাকলে, তৎপর দিন তার প্রায়শ্চিত্ত স্বরুপ চতুর্গুণ জপ করে পরে দৈনিক নিয়মের জপ করবে।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






সময়ের হিসেব দেখুন 🙏 সংগৃহীত 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/03/blog-post_41.html



  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                  ꧁সময়ের হিসেব দেখুন꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
সত্যযুগ=১৭,২৮,০০০ বছর
ত্রেতাযুগ= ১২,৯৬,০০০ বছর
দ্বাপরযুগ= ৮,৬৪,০০০ বছর
কলিযুগ= ৪,৩২,০০০ বছর

চারযুগ মিলে এক চতুর্যুগ= ৪.৩২ মিলিয়ন বছর।

১০০০ চতুর্যুগ= এক “কল্প”= ব্রহ্মার একদিন= ব্রহ্মার একরাত= ৪.৩২ বিলিয়ন বছর।

১০০ বছর হল ব্রহ্মার আয়ু= আমাদের এই ব্রহ্মান্ডের আয়ু= ৩১১.০৪ ট্রিলিয়ন বছর।

আবার এক “কল্প” সময়ের মধ্যেই ১৪ জন মনু আসেন। প্রথম মনুকে বলা হয় স্বায়ম্ভুব মনু এবং তাঁর স্ত্রী হলেন স্বতরুপা(এই ব্রহ্মান্ডের প্রথম নারী ও পুরুষ)। প্রত্যেক মনুর সময়কালকে বলা হয় মন্বন্তর।

১ মন্বন্তর= ৭১ চতুর্যুগ= ৩০৬.৭২ মিলিয়ন বছর ছয়জন মনু গত হয়েছেন, মানে ৬টি মন্বন্তর চলে গিয়েছে। আমরা আছি সপ্তম মনুর অধীনে যাঁর নাম “বিবস্বত মনু”। তার মানে, এই মনুর পরে আরও ৭ জন মনু আসবেন, আরও ৭ টি মন্বন্তর অতিবাহিত হবে। তারপর পূর্ণ হবে ব্রহ্মার একদিন!! তারপর হবে রাতের শুরু!!

গীতা কি বলে দেখি-“মনুষ্যমানের সহস্র চতুর্যুগে ব্রহ্মার একদিন হয় এবং সহস্র চতুর্যুগে তাঁর এক রাত হয়।

ব্রহ্মার দিনের সমাগমে সমস্ত জীব অব্যক্ত থেকে অভিব্যক্ত হয় এবং ব্রহ্মার রাত্রির সমাগমে সমস্ত জীব আবার অব্যক্তে লয়প্রাপ্ত হয়।”গীতা-৮/১৭-১৮

“কল্পের শেষে সমস্ত জড় সৃষ্টি আমারই প্রকৃতিতে প্রবেশ করে এবং পুনরায় কল্পের শুরুতে প্রকৃতির দ্বারা আমি তাদের সৃষ্টি করি।”গীতা-৯/৭

“আমার অধ্যক্ষতার দ্বারা(পরিচালনায়) জড়া প্রকৃতি এই চরাচর বিশ্ব সৃষ্টি করে। প্রকৃতির নিয়মে এই জগৎ পুনঃ পুনঃ সৃষ্টি হয় এবং ধ্বংস হয়।”

বিঃ দ্রঃ হিন্দুদের প্রচার বিমুখতার জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক বিষয়গুলো আজও শুধু ধর্মগ্রন্থের পাতায় সীমাবদ্ধ! অন্যের প্রশ্নের সামনে আমরা নুয়ে পড়ি, না জানার লজ্জায়, অথচ কতো সমৃদ্ধ আমাদের ইতিহাস। সারা জীবন আমরা অন্যের উপহাসের পাত্রই রয়ে গেলাম, শুধু নিজেদের সম্বন্ধে না জানার জন্য। তাই সত্যকে জানুন, জানিয়ে দিন সকলকেই।

হিন্দুধর্ম বা সনাতন ধর্মের ইতিহাস:-
অনেকেই বলে সনাতন ধর্মের ইতিহাস নেই, আবার অনেকেই নানা রকম যুক্তি দিয়ে আসল জিনিসটা এড়িয়ে যায় না জানার কারণে, সনাতন ধর্মের ইতিহাস আছে কিনা, আমাদের এই ব্রহ্মান্ডের জীব সৃষ্টির দায়িত্বে নিয়োজিত দেবতা প্রজাপতি ব্রহ্মার(চতুর্মুখ ব্রহ্মার) আয়ু তথা এই ব্রহ্মান্ডের আয়ু হল ১০০ বছর(মহাভারত অনুযায়ী এক বছর= ৩৬০ দিন) মানে আমাদের সময় অনুযায়ী ৩১১.০৪ ট্রিলিয়ন বছর। ব্রহ্মার আয়ু তথা ১০০ বছর শেষ হলে ঘটবে মহাপ্রলয় বা প্রাকৃতিক প্রলয়, এই পুরা ব্রহ্মান্ড(স্থাবর জঙ্গম যা কিছু আছে) ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে।
ব্রহ্মার ১ মাস= ৩০ দিন, এই ৩০ দিনে ৩০ টি কল্প গত হয়, কল্প বলতে প্রধানত কেবল দিবাভাগকে ফোকাস করা হয়, রাত নয়। ৩০ টি কল্পের ৩০ টি নাম আছে। প্রথম কল্পের নাম শ্বেত-বরাহ কল্প বা অনেক জায়গায় আছে শ্বেত কল্প।
এই কল্পের ১৪ জন মনুর নাম হলঃ স্বায়ম্ভুব, স্বরোচিষ, উত্তম, তামস, রৈবত, চাক্ষুস, বৈবস্বত বা সত্যব্রত, সাবর্ণি, দক্ষসাবর্ণি, ব্রহ্মসাবর্ণি, ধর্মসাবর্ণি, রুদ্রসাবর্ণি, দেবতাসাবর্ণি ও ইন্দ্রসাবর্ণি। কল্প হল ব্রহ্মার দিন বা দিবাভাগ, আরও জানুন, ২ কল্পের সমান সমাম সময়= ব্রহ্মার ১ দিন + ১ রাত; কিন্তু কল্প বলতে কেবল দিবাভাগকেই ফোকাস করা হয়। এখানে মনে রাখা দরকার, প্রত্যেক মন্বন্তর শেষে একটি করে খন্ড প্রলয় ঘটে, এই সময়ে পৃথিবী এবং জীবসমুহ অব্যক্ত বা লয়প্রাপ্ত হয়। আর ব্রহ্মার দিন বা কল্পের শেষে ঘটে নৈমিত্তিক প্রলয়। এক্ষেত্রে গীতা বলে কল্পের শেষে সমস্ত জড় সৃষ্টি আমারই প্রকৃতিতে প্রবেশ করে এবং পুনরায় কল্পের শুরুতে প্রকৃতির দ্বারা আমি তাদের সৃষ্টি করি।”গীতা-৯/৭

তাহলে ব্রহ্মার এক বছরে আসেন ৫০৪০ জন মনু, এবং ব্রহ্মার আয়ুষ্কাল তথা এই ব্রহ্মান্ডের আয়ুষ্কাল জুড়ে মোট ৫০৪,০০০ জন মনু আসেন এবং তাঁরা আসেন ভিন্ন ভিন্ন নামে। একেকজন মনুর আয়ুষ্কাল হল ৩০৬.৭২ মিলিয়ন বছর এবং এই সময় হল মহাবিষ্ণুর এক নিঃশ্বাস নিতে যেটুকু সময় লাগে সেইটুকু!!! মহাবিষ্ণুর প্রত্যেকটি শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে সাথে একজন করে মনু আসে আর যায় তথা একটি করে মন্বন্তর শেষ হয়।
আমি বলেছিলাম, এটা সপ্তম মন্বন্তর চলছে আর আমরা সপ্তম মনু “বৈবস্বত মনু” এর অধীনে আছি। তাঁর আরেক নাম সত্যব্রত। তিনি সূর্যদেব বিবস্বানের পুত্র। এ প্রসঙ্গে আমরা গীতার জ্ঞানযোগ নামক ৪র্থ অধ্যায়ের প্রথম শ্লোকে দেখতে পাই,
“আমি পূর্বে সূর্যদেব বিবস্বানকে এই অব্যয় নিষ্কাম কর্মসাধ্য জ্ঞানযোগ বলেছিলাম। তিনি তা মানবজাতির জনক বৈবস্বত মনুকে বলেছিলেন। মনু আবার তা নিজ সন্তান ইক্ষাকুকে বলেছিলেন।”
অর্থাৎ অবতার হিসেবে শ্রীকৃষ্ণের জন্মের আগেও সর্বশেষ প্রায় ১২০.৫৩ মিলিয়ন বছর আগে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সূর্যদেব বিবস্বানকে গীতাজ্ঞান দান করেছিলেন। কিন্তু কালের প্রবাহে তা ধীরে ধীরে নষ্ট বা বিলুপ্ত হয়, মানুষ ভুলে যায়, তাই ৫০০০ বছর আগে জন্মগ্রহণ করে আবার অর্জুনকে তিনি এই জ্ঞান দান করেন, এবং ঋষি ব্যাসদেব তা লিপিবদ্ধ করায় একই সাথে সারা পৃথিবীর মানবজাতিও আবার এই পবিত্র গীতা জ্ঞানের সান্নিধ্য লাভ করে।

এখন ব্রহ্মান্ডের বয়স তথা সনাতন ধর্মের বয়স জানুন:-
ব্রহ্মার ৫০ বছর গত হয়েছে। বর্তমানে তাঁর ৫১ তম বছরের প্রথম দিন বা প্রথম কল্প চলছে। তাই বর্তমান কল্পের নাম শ্বেত-বরাহ কল্প। এই কল্পের আবার ৭ম মন্বন্তর বা বৈবস্বত মন্বন্তর চলছে। এই মন্বন্তরের ২৭ টি চতুর্যুগ বা মহাযুগ গত হয়েছে এবং ২৮ তম চতুর্যুগ বা মহাযুগের সত্য, ত্রেতা এবং দ্বাপরযুগ শেষ হয়েছে। সুতরাং এখন ২৮ তম মহাযুগের কলিযুগ চলমান, যার ৫১১৫ বছর পার হয়ে গিয়েছে, অর্থাৎ এই কলিযুগ শুরু হয়েছে মোটামুটি খ্রিস্টপূর্ব ৩২০১ অব্দের ১৭-১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যরাতে বা সন্ধিক্ষণে! সুতরাং সনাতন ধর্মের হিসাব মতে আমাদের এই ব্রহ্মান্ডের বয়স হল ১৫৫,৫২১,৯৭১,৯৪৯,১২০বছর (২০১৮ সাল পর্যন্ত)।

বর্তমানে সময়ের গণনা:-
১ পলক- ২৪ সেকেন্ড
১ ক্ষণ- ৪ মিনিট
১ নিমেষ- ১৬ মিনিট (৪ ক্ষণ)
১ দন্ড- ২৪ মিনিট (৬ ক্ষণ)
১ মুহূর্ত- ৪৮ মিনিট (২ দন্ড)
১ প্রহর- ৩ ঘন্টা
১ দিন- ৮ প্রহর (২৪ ঘন্টা)
১ সপ্তাহ- ৭ দিন
১ পক্ষ- ১৫ দিন
১ মাস- ২ পক্ষ (৩০ দিন)
১ বছর- ১২ মাস
১ যুগ- ১২ বছর
১ প্রজন্ম- ২৫ বছর
১ শতাব্দী- ১০০ বছর

🙏কিছু ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমা করবেন কিছু তথ্য সংগৃহীত🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



শ্রীশ্রীগম্ভীরা মহাপীঠের আচার্য্য পরম্পরা 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/03/blog-post_26.html



  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ শ্রীশ্রীগম্ভীরা মহাপীঠের আচার্য্য পরম্পরা꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🏠Home Page🏠👇👇🙏👇👇📚PDF গ্রন্থ📚
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



শ্রীশ্রীরাধাকান্ত দেব (শ্রীগম্ভীরা) শ্রীধাম পুরী 


                                        শ্রীগম্ভীরা মন্দির 


শ্রীগম্ভীরা মন্দির 


শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভু কর্ত্তৃক 
                           অখণ্ড দ্বীপ , শ্রীগম্ভীরা মন্দির 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর ভজন স্থলী(শ্রীশ্রীগম্ভীরা, শ্রীধাম পুরী) মহাপীঠের আচার্য্য পরম্পরা:-

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

১. শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভু


 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


২. শ্রীল বক্রেশ্বর পণ্ডিত গোস্বামী----আষাঢ় শুক্লাপঞ্চমী(হেরা পঞ্চমী)

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

৩. শ্রীল গোপালগুরু গোস্বামী -- কার্তিক শুক্লা নবমী(অক্ষয় নবমী) 

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

৪. শ্রীল ধ্যান চন্দ্র মহন্ত গোস্বামী---------- চৈত্র পূর্ণিমা

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

৫. শ্রীল বলভদ্র মহন্ত গোস্বামী------------ শ্রবণ কৃষ্ণাষ্টমী

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

৬. শ্রীল দয়ানিধি মহন্ত গোস্বামী ------- বৈশাখ কৃষ্ণাদশমী

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

৭. শ্রীল দামোদর মহন্ত গোস্বামী ------- মাঘ শুক্লা দ্বাদশী

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

৮. শ্রীল গোবিন্দশরন মহন্ত গোস্বামী----- মাঘ শুক্লা দ্বাদশী

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

৯. শ্রীল রামকৃষ্ণ মহন্ত গোস্বামী --------শ্রাবণ কৃষ্ণা দশমী

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

১০. শ্রীল হরেকৃষ্ণ মহন্ত গোস্বামী ------ কার্তিক কৃষ্ণা দশমী

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

১১. শ্রীল রাধাকৃষ্ণ মহন্ত গোস্বামী ------ ভাদ্র কৃষ্ণা তৃতীয়া

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

১২. শ্রীল কৃষ্ণচরণ মহন্ত গোস্বামী ------ চৈত্র কৃষ্ণা দ্বিতীয়া

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

১৩. শ্রীল রাধাচরণ মহন্ত গোস্বামী ------ আষাঢ় কৃষ্ণা প্রতিপদ

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

১৪. শ্রীল হরেকৃষ্ণ মহন্ত গোস্বামী ------- চৈত্র কৃষ্ণা প্রতিপদ

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

১৫. শ্রীল গোবিন্দচরণ মহন্ত গোস্বামী-------ভাদ্র শুক্লা দ্বিতীয়া

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

১৬. শ্রীল বলভদ্র মহন্ত গোস্বামী -------- মার্গশীর্ষ শুক্লা নবমী

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

১৭. শ্রীল রাধাকৃষ্ণ মহন্ত গোস্বামী---------- চৈত্র কৃষ্ণা নবমী



 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

১৮. শ্রীল বিশ্বম্ভর মহন্ত গোস্বামী------------ ভাদ্র কৃষ্ণা পঞ্চমী



 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

১৯. শ্রীল গৌড়গোবিন্দ মহন্ত গোস্বামী ---- কার্তিক শুক্লা দ্বাদশী


 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

২০. শ্রীল ধ্যানচন্দ্র মহন্ত গোস্বামী ------- চৈত্র শুক্লা প্রতিপদ ( ১৪২৭ বঙ্গাব্দ)

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

২১. শ্রীল কৃষ্ণগোপাল মহন্ত গোস্বামী - বর্তমান আচার্য্য 



  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧




adds