শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

ভগবানের প্রসাদ গ্রহন করলে কি লাভ

✧════════════•❁❀❁•════════════✧
꧁ ভগবানের প্রসাদ গ্রহন করলে কি লাভ꧂
ভগবদ গীতায় ভগবান শ্রী কৃষ্ণ বলেছেন যে , যারা আমাকে নিবেদন না করে খাদ্য গ্রহন করে তারা পাপ ছাড়া আর কিছুই ভক্ষন করে না। এবং তাদেরকে চোর বলা হয়েছে। আর যারা ভগবানকে কে নিবেদিত প্রসাদ গ্রহণ করে তারা পাপমূলক প্রতিক্রিয়া থেকে মুক্ত থাকে। শরীর রক্ষার জন্য আমাদের খাদ্য গ্রহণ করতে হয়।

তাই যিনি আমাদের সবকিছু দিয়েছেন তাঁকে প্রথমে খাদ্য নিবেদন করা উচিৎ। এটা পরীক্ষিত সত্য যে , ভগবানের নিবেদিত প্রসাদের বিশেষ ধরনের স্বাদ হয়।

বেদে বলা হয়েছে ” আহার শুদ্ধ স্বত্ব-শুদ্ধি ” যদি কারো আহার শুদ্ধ হয় , তাহলে তার সমগ্র চেতনা শুদ্ধ হয়ে ওঠে। শ্রী , মহাপ্রভু বলেছেন —
বিষয়ীর অন্ন খাইলে মলিন হয় মন
মলিন মন হৈলে নহে কৃষ্ণের স্মরণ।
(চৈতন্যচরিতামৃত,অন্ত্য ,৬-২৭৮)

সেজন্য ভক্তরা কেবলমাত্র কৃষ্ণপ্রসাদ গ্রহণের অভ্যাস করেন। প্রসাদ শুধু যে কর্মফলের বন্ধন মুক্ত করে তাই নয় , কৃষ্ণপ্রসাদ চেতনাকে কলুষমুক্ত ও বিশোধিত করে। কেননা কৃষ্ণ ভাবোণামোয় ভক্ত দ্বারা প্রেম ও ভক্তির সাথে সেই খাবার রান্না করা হয়েছে ও শ্রীকৃষ্ণ কে নিবেদন করা হয়েছে।

কৃষ্ণ ভক্তিতে দ্রুত উন্নতি সাধন করতে হলে আহারের ব্যপারে কঠোরতার আবশ্যক রয়েছে। কর্মফলের নিয়ম অনুসারে অভক্তদের রান্না করা খাদ্যবস্তু বিশেষভাবে কলুষিত, কেননা ভগবানকে অর্পিত না হওয়ার জন্য তা আমাদের কর্মফলের বন্ধনে আবদ্ধ করে।

ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে উল্লেখ আছে, ” যে বৈষ্ণব নিয়মিত শ্রীকৃষ্ণের প্রসাদ ভোজন করেন তিনি নিত্য শত উপবাসের ফলভোগই হন। সমস্ত দেবতারা তার স্পর্শ প্রত্যাশা করেন।

তার সঙ্গে আলাপ ও তার দর্শনে সকল পাপ ক্ষয় হয়।” আরও বলা হয়েছে ” বিষ্ণুর অনিবেদিতো অন্য বিষ্ঠা এবং জল মূত্র সরূপ জানবে।” আসল কথা হল , যেভাবেই হোক কেবলমাত্র কৃষ্ণপ্রসাদ গ্রহণ করার নীতিতে অবিচলিত থাকতে হবে সেটাই সর্বোত্তম।
             *••••┉━❀꧁ রাধে রাধে ꧂❀━┅••••*
  
                 শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।

       *••••┉━❀꧁ জয় শ্রীশ্রীজগন্নাথ ꧂❀━┅••••*

              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥

    *••••┉━❀꧁জয় শ্রীশ্রীরাধাকান্ত꧂ ❀━┅••••*

             শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর নিবাসস্থলী
শ্রীগুরুদেব(আশ্রিত)-বৈষ্ণব কুলতিলক আচার্য্যপ্রবর মহান্ত মহারাজ শ্রীল ধ্যানচন্দ্র দাস গোস্বামী (শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর অপ্রকট লীলায় শ্রীগম্ভীরা মন্দিরে ঊনবিংশ পীঠাচার্য্য, শ্রীশ্রীরাধাকান্ত মঠ - শ্রীশ্রীগম্ভীরা, শ্রীধাম পুরী), মধবাচার্য্য(ব্রহ্ম) সম্প্রদায়,বক্রেশ্বর পরিবার(শ্রীতিলক সেবা- শ্রীশ্রীমহাপ্রভুর শ্রীচরণ), তুঙ্গবিদ্যা সখী,পশ্চিম দ্বার, লবঙ্গ মঞ্জুরী ( সনাতন গোস্বামী)।
*••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••*
শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম।
নিবাস-গিরিরাজ ভবন, উত্তর নারায়নপুর, ভলীয়া, আরামবাগ, হুগলী, পশ্চিমবঙ্গ।
••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••
      📚 *PDF গ্রন্থ* 📚👉 https://drive.google.com/folderview?id=1_2ZHIyZKJeOOLMK0uLv53SkpMNgyi6eR 
✧════════════•❁❀❁•════════════✧

ভগবানের প্রসাদ গ্রহন করলে কি লাভ

✧════════════•❁❀❁•════════════✧
꧁ ভগবানের প্রসাদ গ্রহন করলে কি লাভ꧂
ভগবদ গীতায় ভগবান শ্রী কৃষ্ণ বলেছেন যে , যারা আমাকে নিবেদন না করে খাদ্য গ্রহন করে তারা পাপ ছাড়া আর কিছুই ভক্ষন করে না। এবং তাদেরকে চোর বলা হয়েছে। আর যারা ভগবানকে কে নিবেদিত প্রসাদ গ্রহণ করে তারা পাপমূলক প্রতিক্রিয়া থেকে মুক্ত থাকে। শরীর রক্ষার জন্য আমাদের খাদ্য গ্রহণ করতে হয়।

তাই যিনি আমাদের সবকিছু দিয়েছেন তাঁকে প্রথমে খাদ্য নিবেদন করা উচিৎ। এটা পরীক্ষিত সত্য যে , ভগবানের নিবেদিত প্রসাদের বিশেষ ধরনের স্বাদ হয়।

বেদে বলা হয়েছে ” আহার শুদ্ধ স্বত্ব-শুদ্ধি ” যদি কারো আহার শুদ্ধ হয় , তাহলে তার সমগ্র চেতনা শুদ্ধ হয়ে ওঠে। শ্রী , মহাপ্রভু বলেছেন —
বিষয়ীর অন্ন খাইলে মলিন হয় মন
মলিন মন হৈলে নহে কৃষ্ণের স্মরণ।
(চৈতন্যচরিতামৃত,অন্ত্য ,৬-২৭৮)

সেজন্য ভক্তরা কেবলমাত্র কৃষ্ণপ্রসাদ গ্রহণের অভ্যাস করেন। প্রসাদ শুধু যে কর্মফলের বন্ধন মুক্ত করে তাই নয় , কৃষ্ণপ্রসাদ চেতনাকে কলুষমুক্ত ও বিশোধিত করে। কেননা কৃষ্ণ ভাবোণামোয় ভক্ত দ্বারা প্রেম ও ভক্তির সাথে সেই খাবার রান্না করা হয়েছে ও শ্রীকৃষ্ণ কে নিবেদন করা হয়েছে।

কৃষ্ণ ভক্তিতে দ্রুত উন্নতি সাধন করতে হলে আহারের ব্যপারে কঠোরতার আবশ্যক রয়েছে। কর্মফলের নিয়ম অনুসারে অভক্তদের রান্না করা খাদ্যবস্তু বিশেষভাবে কলুষিত, কেননা ভগবানকে অর্পিত না হওয়ার জন্য তা আমাদের কর্মফলের বন্ধনে আবদ্ধ করে।

ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে উল্লেখ আছে, ” যে বৈষ্ণব নিয়মিত শ্রীকৃষ্ণের প্রসাদ ভোজন করেন তিনি নিত্য শত উপবাসের ফলভোগই হন। সমস্ত দেবতারা তার স্পর্শ প্রত্যাশা করেন।

তার সঙ্গে আলাপ ও তার দর্শনে সকল পাপ ক্ষয় হয়।” আরও বলা হয়েছে ” বিষ্ণুর অনিবেদিতো অন্য বিষ্ঠা এবং জল মূত্র সরূপ জানবে।” আসল কথা হল , যেভাবেই হোক কেবলমাত্র কৃষ্ণপ্রসাদ গ্রহণ করার নীতিতে অবিচলিত থাকতে হবে সেটাই সর্বোত্তম।
             *••••┉━❀꧁ রাধে রাধে ꧂❀━┅••••*
  
                 শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।

       *••••┉━❀꧁ জয় শ্রীশ্রীজগন্নাথ ꧂❀━┅••••*

              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥

    *••••┉━❀꧁জয় শ্রীশ্রীরাধাকান্ত꧂ ❀━┅••••*

             শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর নিবাসস্থলী
শ্রীগুরুদেব(আশ্রিত)-বৈষ্ণব কুলতিলক আচার্য্যপ্রবর মহান্ত মহারাজ শ্রীল ধ্যানচন্দ্র দাস গোস্বামী (শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর অপ্রকট লীলায় শ্রীগম্ভীরা মন্দিরে ঊনবিংশ পীঠাচার্য্য, শ্রীশ্রীরাধাকান্ত মঠ - শ্রীশ্রীগম্ভীরা, শ্রীধাম পুরী), মধবাচার্য্য(ব্রহ্ম) সম্প্রদায়,বক্রেশ্বর পরিবার(শ্রীতিলক সেবা- শ্রীশ্রীমহাপ্রভুর শ্রীচরণ), তুঙ্গবিদ্যা সখী,পশ্চিম দ্বার, লবঙ্গ মঞ্জুরী ( সনাতন গোস্বামী)।
*••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••*
শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম।
নিবাস-গিরিরাজ ভবন, উত্তর নারায়নপুর, ভলীয়া, আরামবাগ, হুগলী, পশ্চিমবঙ্গ।
••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••
      📚 *PDF গ্রন্থ* 📚👉 https://drive.google.com/folderview?id=1_2ZHIyZKJeOOLMK0uLv53SkpMNgyi6eR 
✧════════════•❁❀❁•════════════✧

শ্রীশ্রী মহামন্ত্র নামের তাৎপর্য 🙏 শ্রীমৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/blog-post_83.html

✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁ শ্রীশ্রী মহামন্ত্র নামের তাৎপর্য ꧂
                        👇👇👇🙏👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
শ্রীমৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
মহামন্ত্রটি ৩টি শব্দ দ্বারা গঠিত । শব্দ ৩টি হচ্ছে যথাক্রমে (১) হরে , (২) কৃষ্ণ ও (৩) রাম । এবার জেনে নেয়া যাক শব্দ তিনটি আসলে কি নির্দেশ করেঃ-

১.হরে শব্দটি সংস্কৃত "হরা" শব্দ থেকে এসেছে যা দ্বারা শ্রীমতি রাধারাণীকে সম্বোধন করা হয় । রাধারাণী ভগবানের পরম আনন্দময়ী শক্তি । সৃষ্টির আদিতে পরমেশ্বর ভগবান তার নিজের সেবা ও ভক্তসঙ্গ লাভের জন্য শ্রীমতি রাধারাণীকে তার হৃদয়ের বামপাশ থেকে সৃষ্টি করেছেন । কাজেই রাধারাণীর অনুমতি ব্যাতীত কোন মানুষ এমনকি দেবতারাও ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে লাভ করতে পারে না ।

২. কৃষ্ণ শব্দ দ্বারা সর্বাকর্ষক শ্রীকৃষ্ণকে অর্থাৎ পরম পুরুষোত্তম ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে বুঝায় । তিনিই সর্বপ্রথম এবং সর্বাদিরূপ । তিনিই সবকিছু সৃষ্টি করেছেন , তাকে কেউ সৃষ্টি করেনি ।

৩. রাম শব্দ দ্বারা সর্ব আনন্দদায়ক শ্রীমান "বলরামকে" বুঝায় । বলরাম বৃন্দাবনে সবার অন্তরে আনন্দ সঞ্চার করেন । বলরামকে আমরা ভগবানের লীলা অবতাররূপেও দেখতে পাই ।

অতএব, হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্রের সঠিক অর্থ হচ্ছেঃ
হে সর্বাকর্ষক পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ, হে সর্বানন্দদায়ক ভগবান শ্রীবলরাম, আপনারা আমাকে কৃপাপূর্বক আপনাদের চিন্ময় জগতের প্রেমময়ী সেবায় নিয়োজিত করুন ।

কলি যুগে কৃষ্ণনাম ব্যাতীত জীব কখনোই ভগবত ধাম লাভ করতে পারে না । শিশু মাতৃক্রোড়ের জন্য যেভাবে ব্যাকুল সুরে কান্না করে ,তেমনি আমরাও যদি ব্যাকুল চিত্তে ভগবানের কীর্তন করি তাহলে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আমাদেরকে অবশ্যই কৃপা করবেন। কাজেই আসুন আমরা সবাই মিলে আরেকবার এই মহামন্ত্র কৃষ্ণনাম উচ্চারন করি।।
সংগৃহীত
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






শ্রীশ্রী মহামন্ত্র নামের তাৎপর্য

✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁ শ্রীশ্রী মহামন্ত্র নামের তাৎপর্য ꧂
                        👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
মহামন্ত্রটি ৩টি শব্দ দ্বারা গঠিত । শব্দ ৩টি হচ্ছে যথাক্রমে (১) হরে , (২) কৃষ্ণ ও (৩) রাম । এবার জেনে নেয়া যাক শব্দ তিনটি আসলে কি নির্দেশ করেঃ
১.হরে শব্দটি সংস্কৃত "হরা" শব্দ থেকে এসেছে যা দ্বারা শ্রীমতি রাধারাণীকে সম্বোধন করা হয় । রাধারাণী ভগবানের পরম আনন্দময়ী শক্তি । সৃষ্টির আদিতে পরমেশ্বর ভগবান তার নিজের সেবা ও ভক্তসঙ্গ লাভের জন্য শ্রীমতি রাধারাণীকে তার হৃদয়ের বামপাশ থেকে সৃষ্টি করেছেন । কাজেই রাধারাণীর অনুমতি ব্যাতীত কোন মানুষ এমনকি দেবতারাও ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে লাভ করতে পারে না ।
২. কৃষ্ণ শব্দ দ্বারা সর্বাকর্ষক শ্রীকৃষ্ণকে অর্থাৎ পরম পুরুষোত্তম ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে বুঝায় । তিনিই সর্বপ্রথম এবং সর্বাদিরূপ । তিনিই সবকিছু সৃষ্টি করেছেন , তাকে কেউ সৃষ্টি করেনি ।
৩. রাম শব্দ দ্বারা সর্ব আনন্দদায়ক শ্রীমান "বলরামকে" বুঝায় । বলরাম বৃন্দাবনে সবার অন্তরে আনন্দ সঞ্চার করেন । বলরামকে আমরা ভগবানের লীলা অবতাররূপেও দেখতে পাই ।

অতএব, হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্রের সঠিক অর্থ হচ্ছেঃ
হে সর্বাকর্ষক পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ, হে সর্বানন্দদায়ক ভগবান শ্রীবলরাম, আপনারা আমাকে কৃপাপূর্বক আপনাদের চিন্ময় জগতের প্রেমময়ী সেবায় নিয়োজিত করুন ।

কলি যুগে কৃষ্ণনাম ব্যাতীত জীব কখনোই ভগবত ধাম লাভ করতে পারে না । শিশু মাতৃক্রোড়ের জন্য যেভাবে ব্যাকুল সুরে কান্না করে ,তেমনি আমরাও যদি ব্যাকুল চিত্তে ভগবানের কীর্তন করি তাহলে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আমাদেরকে অবশ্যই কৃপা করবেন। কাজেই আসুন আমরা সবাই মিলে আরেকবার এই মহামন্ত্র কৃষ্ণনাম উচ্চারন করি।।
সংগৃহীত
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






ব্রাহ্মণ ও বৈষ্ণব ✍️ শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/blog-post_9.html

✧════════════•❁❀❁•════════════✧
                        ꧁ব্রাহ্মণ ও বৈষ্ণব ꧂
✧════════════•❁❀❁•════════════✧
এটি বিশ্লেষণের পূর্বে আমি সকল ব্রাহ্মণ ও বৈষ্ণব গণের শ্রীচরণে সহস্রকোটি প্রণাম জানাই 
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
প্রথমে জানাই কিছু ভুল হলে সকলে ক্ষমা করবেন।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
ব্রাহ্মণ হলো চতুর্বর্ণের প্রথম বর্ণ যা মানব সমাজের চারি বর্ণের শ্রেষ্ঠ স্বরুপ। আর বৈষ্ণব হলো শ্রীহরি বা শ্রীবিষ্ণু বা শ্রীকৃষ্ণের উপাসক। এরা চতুর্বর্ণের অন্তর্ভুক্ত হয়েও ভিন্ন। কেনো ভিন্ন সে বিষয়ে এদের অপ্রাকৃত গুনাবলী গুলি একটু আলোকপাত করা যাক। 

শ্রীমদ্ভগবদগীতায়(১৮/৪২) শুদ্ধ ব্রাহ্মণের নয়টি  গুনাবলী বর্ননা করা হয়েছে।

"শমো দমস্তপঃ শৌচং ক্ষান্তিরার্জবমেব চ।
  জ্ঞানং বিজ্ঞানমাস্তিক্যং ব্রহ্মকর্ম স্বভাবজম্।।"

 ব্রাহ্মণের গুণাবলীর মধ্যে আছে:-
১) শম বা মন সংযম, 
২) দম বা ইন্দ্রিয় সংযম, 
৩) তপস্যা, 
৪) শৌচ, 
৫) ক্ষান্তি বা ক্ষমাশীলতা, 
৬) আর্জবম্ বা সরলতা, 
৭) জ্ঞান, 
৮) বিজ্ঞান এবং
৯) আস্তিক্যম। 

কিন্তু শ্রীমদ্ভগবদগীতায় (৬/৪৭) ও (১২/২) এই শ্লোক গুলিতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তাঁর শরণাগত ভক্তকে সর্বশ্রেষ্ঠ বলেছেন। শ্রীচৈতন্য চরিতামৃত গ্রন্থে শুদ্ধ ভক্তকে ব্রাহ্মণ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ বলা হয়েছে এবং বৈষ্ণবের ২৬ টি অপ্রাকৃত গুনাবলী বর্ণনা করা হয়েছে।

"সর্ব মহাগুণ গণ বৈষ্ণব শরীরে।
 কৃষ্ণভক্তে কৃষ্ণের গুণ সকল সঞ্চারে।।"
 বৈষ্ণবদের গুনাবলীর মধ্যে আছে:-
১) কৃপালু, 
২) অকৃতদ্রোহ, 
৩) সত্যসার, 
৪) সম, 
৫) নির্দোষ, 
৬) বদান্য, 
৭) মৃদু, 
৮) শুচি, 
৯) অকিঞ্চন, 
১০) সর্বোপকারক, 
১১) শান্ত, 
১২) কৃষ্ণৈকশরণ, 
১৩) অকাম, 
১৪) নিরীহ, 
১৫) স্থির, 
১৬) বিজিত ষড় গুণ যা হলো- ক্ষুদা, পিপাসা, লোভ, মোহ, জরা ও মৃত্যু,
১৭) মিতভুক, 
১৮) অপ্রমত্ত, 
১৯) মানদ, 
২০) অমানী, 
২১) গম্ভীর, 
২২) করুণ, 
২৩) মৈত্র, 
২৪) কবি, 
২৫) দক্ষ এবং
২৬) মৌনী। 

এই জগতে মানব জাতির মধ্যে ব্রাহ্মণকে আমরা সর্বশ্রেষ্ঠ গণ্য করে থাকি। তবে ব্রাহ্মণ আর বৈষ্ণবের লক্ষণ বা গুণাবলী গুলি পর্যালোচনা করলে, দেখা যায় বৈষ্ণব কৃষ্ণগত প্রাণ হওয়ায় সর্বশ্রেষ্ঠ।

 ব্রাহ্মণ আর বৈষ্ণবের  এই গুণের কথা না ভেবে সকলের মনে এই রূপ স্মরন করতে হবে সকলি আমারা ইশ্বরের দাস মাত্র।

ব্রাহ্মন বা বৈষ্ণব দুজনে ভগবানের খুব কাছের কিন্তু এই দুই সম্প্রদায় বিদ্বেষ করে আমি বড়ো কও বলে আমি বড়ো তাই এই পোষ্ট । সকল জীব একমাত্র ভগবানের দাস এটাই আমাদের মূল পরিচয়।

কও বড়ো নয় একে ওপরের তুলনায় , ইশ্বরের কাছে সবাই এক। তাই বিভেদ ভুলে সেই পরমেশ্বর ভগবানের স্মরন গ্রহন করুন সকলে তাহাতেই যথার্থ।
✧════════════•❁❀❁•════════════✧
             *••••┉━❀꧁ রাধে রাধে ꧂❀━┅••••*
  
                 শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।

       *••••┉━❀꧁ জয় শ্রীশ্রীজগন্নাথ ꧂❀━┅••••*

              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥

    *••••┉━❀꧁জয় শ্রীশ্রীরাধাকান্ত꧂ ❀━┅••••*

             শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর নিবাসস্থলী
শ্রীগুরুদেব(আশ্রিত)-বৈষ্ণব কুলতিলক আচার্য্যপ্রবর মহান্ত মহারাজ শ্রীল ধ্যানচন্দ্র দাস গোস্বামী (শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর অপ্রকট লীলায় শ্রীগম্ভীরা মন্দিরে ঊনবিংশ পীঠাচার্য্য, শ্রীশ্রীরাধাকান্ত মঠ - শ্রীশ্রীগম্ভীরা, শ্রীধাম পুরী), মধবাচার্য্য(ব্রহ্ম) সম্প্রদায়,বক্রেশ্বর পরিবার(শ্রীতিলক সেবা- শ্রীশ্রীমহাপ্রভুর শ্রীচরণ), তুঙ্গবিদ্যা সখী,পশ্চিম দ্বার, লবঙ্গ মঞ্জুরী ( সনাতন গোস্বামী)।
*••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••*
শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম।
নিবাস-গিরিরাজ ভবন, উত্তর নারায়নপুর, ভলীয়া, আরামবাগ, হুগলী, পশ্চিমবঙ্গ।
••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••
      📚 *PDF গ্রন্থ* 📚👉 https://drive.google.com/folderview?id=1_2ZHIyZKJeOOLMK0uLv53SkpMNgyi6eR 
✧════════════•❁❀❁•════════════✧

ব্রাহ্মণ ও বৈষ্ণব ✍️ শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/blog-post_9.html

✧════════════•❁❀❁•════════════✧
                     ꧁ব্রাহ্মণ ও বৈষ্ণব ꧂
✧════════════•❁❀❁•════════════✧
এটি বিশ্লেষণের পূর্বে আমি সকল ব্রাহ্মণ ও বৈষ্ণব গণের শ্রীচরণে সহস্রকোটি প্রণাম জানাই 
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
প্রথমে জানাই কিছু ভুল হলে সকলে ক্ষমা করবেন।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
ব্রাহ্মণ হলো চতুর্বর্ণের প্রথম বর্ণ যা মানব সমাজের চারি বর্ণের শ্রেষ্ঠ স্বরুপ। আর বৈষ্ণব হলো শ্রীহরি বা শ্রীবিষ্ণু বা শ্রীকৃষ্ণের উপাসক। এরা চতুর্বর্ণের অন্তর্ভুক্ত হয়েও ভিন্ন। কেনো ভিন্ন সে বিষয়ে এদের অপ্রাকৃত গুনাবলী গুলি একটু আলোকপাত করা যাক। 

শ্রীমদ্ভগবদগীতায়(১৮/৪২) শুদ্ধ ব্রাহ্মণের নয়টি  গুনাবলী বর্ননা করা হয়েছে।

"শমো দমস্তপঃ শৌচং ক্ষান্তিরার্জবমেব চ।
  জ্ঞানং বিজ্ঞানমাস্তিক্যং ব্রহ্মকর্ম স্বভাবজম্।।"

 ব্রাহ্মণের গুণাবলীর মধ্যে আছে:-
১) শম বা মন সংযম, 
২) দম বা ইন্দ্রিয় সংযম, 
৩) তপস্যা, 
৪) শৌচ, 
৫) ক্ষান্তি বা ক্ষমাশীলতা, 
৬) আর্জবম্ বা সরলতা, 
৭) জ্ঞান, 
৮) বিজ্ঞান এবং
৯) আস্তিক্যম। 

কিন্তু শ্রীমদ্ভগবদগীতায় (৬/৪৭) ও (১২/২) এই শ্লোক গুলিতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তাঁর শরণাগত ভক্তকে সর্বশ্রেষ্ঠ বলেছেন। শ্রীচৈতন্য চরিতামৃত গ্রন্থে শুদ্ধ ভক্তকে ব্রাহ্মণ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ বলা হয়েছে এবং বৈষ্ণবের ২৬ টি অপ্রাকৃত গুনাবলী বর্ণনা করা হয়েছে।

"সর্ব মহাগুণ গণ বৈষ্ণব শরীরে।
 কৃষ্ণভক্তে কৃষ্ণের গুণ সকল সঞ্চারে।।"
 বৈষ্ণবদের গুনাবলীর মধ্যে আছে:-
১) কৃপালু, 
২) অকৃতদ্রোহ, 
৩) সত্যসার, 
৪) সম, 
৫) নির্দোষ, 
৬) বদান্য, 
৭) মৃদু, 
৮) শুচি, 
৯) অকিঞ্চন, 
১০) সর্বোপকারক, 
১১) শান্ত, 
১২) কৃষ্ণৈকশরণ, 
১৩) অকাম, 
১৪) নিরীহ, 
১৫) স্থির, 
১৬) বিজিত ষড় গুণ যা হলো- ক্ষুদা, পিপাসা, লোভ, মোহ, জরা ও মৃত্যু,
১৭) মিতভুক, 
১৮) অপ্রমত্ত, 
১৯) মানদ, 
২০) অমানী, 
২১) গম্ভীর, 
২২) করুণ, 
২৩) মৈত্র, 
২৪) কবি, 
২৫) দক্ষ এবং
২৬) মৌনী। 

এই জগতে মানব জাতির মধ্যে ব্রাহ্মণকে আমরা সর্বশ্রেষ্ঠ গণ্য করে থাকি। তবে ব্রাহ্মণ আর বৈষ্ণবের লক্ষণ বা গুণাবলী গুলি পর্যালোচনা করলে, দেখা যায় বৈষ্ণব কৃষ্ণগত প্রাণ হওয়ায় সর্বশ্রেষ্ঠ।

 ব্রাহ্মণ আর বৈষ্ণবের  এই গুণের কথা না ভেবে সকলের মনে এই রূপ স্মরন করতে হবে সকলি আমারা ইশ্বরের দাস মাত্র।

ব্রাহ্মন বা বৈষ্ণব দুজনে ভগবানের খুব কাছের কিন্তু এই দুই সম্প্রদায় বিদ্বেষ করে আমি বড়ো কও বলে আমি বড়ো তাই এই পোষ্ট । সকল জীব একমাত্র ভগবানের দাস এটাই আমাদের মূল পরিচয়।

কও বড়ো নয় একে ওপরের তুলনায় , ইশ্বরের কাছে সবাই এক। তাই শুধু মাএ সেই পরমেশ্বর ভগবানের স্মরন গ্রহন করুন।
✧════════════•❁❀❁•════════════✧
             *••••┉━❀꧁ রাধে রাধে ꧂❀━┅••••*
  
                 শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।

       *••••┉━❀꧁ জয় শ্রীশ্রীজগন্নাথ ꧂❀━┅••••*

              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥

    *••••┉━❀꧁জয় শ্রীশ্রীরাধাকান্ত꧂ ❀━┅••••*

             শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর নিবাসস্থলী
শ্রীগুরুদেব(আশ্রিত)-বৈষ্ণব কুলতিলক আচার্য্যপ্রবর মহান্ত মহারাজ শ্রীল ধ্যানচন্দ্র দাস গোস্বামী (শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর অপ্রকট লীলায় শ্রীগম্ভীরা মন্দিরে ঊনবিংশ পীঠাচার্য্য, শ্রীশ্রীরাধাকান্ত মঠ - শ্রীশ্রীগম্ভীরা, শ্রীধাম পুরী), মধবাচার্য্য(ব্রহ্ম) সম্প্রদায়,বক্রেশ্বর পরিবার(শ্রীতিলক সেবা- শ্রীশ্রীমহাপ্রভুর শ্রীচরণ), তুঙ্গবিদ্যা সখী,পশ্চিম দ্বার, লবঙ্গ মঞ্জুরী ( সনাতন গোস্বামী)।
*••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••*
শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম।
নিবাস-গিরিরাজ ভবন, উত্তর নারায়নপুর, ভলীয়া, আরামবাগ, হুগলী, পশ্চিমবঙ্গ।
••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••
      📚 *PDF গ্রন্থ* 📚👉 https://drive.google.com/folderview?id=1_2ZHIyZKJeOOLMK0uLv53SkpMNgyi6eR 
✧════════════•❁❀❁•════════════✧

শ্রীমহাপ্রসাদের আবির্ভাব 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/blog-post_59.html


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

🆕 শ্রীমহাপ্রসাদের আবির্ভাব 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/blog-post_59.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

শ্রীশ্রীজগন্নাথ লীলামৃত 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
নারদ মুনির একবার বাসনা হলো যে তিনি ভগবান নারায়নের প্রসাদ পেতে চান। কিন্তু যা ছিল অসম্ভব। কারন নারায়নের প্রসাদ কেবল মাতা মহালক্ষী ব্যাতীত অন্য কেউ পেতে পারেন না। এই সংকটে নারদ মুনি লক্ষীদেবী কে প্রসন্ন করার হেতু তপস্যা শুরু করলেন। অতঃপর ১২ বছর তপস্যার পর দেবী লক্ষী প্রসন্ন হলেন এবং নারদ মুনিকে বললেন-----তোমার তপস্যায় আমি সন্তুষ্ট হয়েছি,বলো কি বর চাও তুমি? উত্তরে মুনিবর বললেন যে তিনি নারায়নের প্রসাদ পেতে চান!!
মাতা লক্ষী বিপদে পড়ে গেলেন,কিন্তু নারদ মুনিকে বরও যে দিতে হবে। তাই তিনি তথাস্তু বললেন। লক্ষীদেবী বললেন ঠিক আছে তুমি এখানে অপেক্ষা কর, প্রভুর ভোজন শেষে তার অবশেষ প্রসাদ তুমি পাবে। অবশেষে যখন নারদ মুনি সেই প্রসাদ পেল তা সেবা করে সে আনন্দে আত্মহারা হয়ে গেল। বীনার ছন্দে নারায়ণ..নারায়ণ বলতে বলতে কৈলাস অভিমুখে যাত্রা করলেন।
মহাদেব তখন নারদ মুনিকে তার আনন্দের কারণ জানতে চাইলেন।নারদ মুনি তখন সবিস্তারে বর্ননা করলেন। তা শুনে মহাদেবের মনে ইচ্ছা হলো যে নারায়নের প্রসাদ পেতে চান। কারণ যাহার প্রসাদ মাত্রেই প্রেম-ভক্তির উদয় হয় এবং সকলেই উদ্ধার পায় তাহার প্রসাদ মেলা তো অতীব সৌভাগ্যের বিষয় কিন্তু নারদ মুনি সব প্রসাদ সেবা নিয়ে নিয়েছেন। কিন্তু এখন উপায় কি হবে?

নারদ মুনি তার হাতের দিকে তাকিয়ে দেখলেন, হাতের একটি আঙ্গুলে একপাশে একবিন্দু প্রভুর প্রসাদ লেগে আছে। মহাদেব সেই চিন্ময় প্রসাদ প্রেমাবেশে সেবা করলেন। সেই চিন্ময় প্রসাদের এমনই স্বাদ ছিল যে ওইটুকু সেবা পাওয়া মাত্রই মহাদেব তান্ডব নৃত্য শুরু করে দিলেন।
ওইদিকে মাতা পার্বতী এই তান্ডব নৃত্যের শব্দ শুনতে পেলেন। আর ভাবলেন যে এখনতো পৃথিবীর ধংসের সময় উপস্থিত হয়নি, তবে স্বামী কেন তান্ডব নৃত্য শুরু করলেন!! নিকটে গিয়ে মহাদেবকে জিজ্ঞেস কররেন এবং ঘটনার বিবরন শুনলেন। তখন মাতা পার্বতী বললেন তিনিও সেই মুহূর্তে নারায়নের প্রসাদ পেতে চান। কিন্তু আর কোন ভাবেই অবশিষ্ঠ প্রসাদ নাই। সেই জন্য অভিমান করলেন যে তিনি পত্নী হওয়া সত্ত্বেও কেন তার স্বামী নারায়নের প্রসাদ একা সেবা করেছেন!!!

তখন মাতা পার্বতী নারায়নের ধ্যান শুরু করলেন। দেবী পার্বতীর তপস্যায় তুষ্ট হয়ে নারায়ন তাকে দর্শন দেন এবং বললেনঃ বলো পার্বতী তুমি কি বর চাও। তখন মাতা পর্বতী বললেন, হে নারায়ন আপনিতো সবই জানেন। তবে আমার আরও প্রর্থনা আছে। এই জগতের সবাই আমার সন্তান। হে ভগবান সন্তানদের রেখে আপনার প্রসাদ শুধু আমি একা পাব তা কখনই হতে পারে না। তাই আপনার মহাপ্রসাদ যাতে জগতের সবাই পায়,সেটাই আমার প্রর্থনা। উত্তরে ভগবান বললেন- কলিকালে আমি যখন জগন্নাথদেব রুপে লীলা করব তখন আমি আকাতরে আমি আমার মহাপ্রসাদ বিতরন করব সকলকে। সেই প্রসাদ প্রথমে তোমাকে দেয়া হবে, হে পার্বতী তাহার পর তোমায় এবং তাহার পর জগতের সবাইকে দেয়া হবে।
🥙🥙🥙🥙🥙🥙🥙🥙🥙🥙🥙🥙🥙🥙🥙🥙
যদি আপনারা কেউ পুরীতে গিয়ে থাকেন সেখানে দেখতে পাবেন জগন্নাথ দেবের মন্দিরের পাশে বিমলাদেবীর (পার্বতী দেবী) মন্দির আছে। সেখানে জগন্নাথের প্রসাদ প্রথমে দেবী পার্বতীকে অর্পন করা হয়। পরে সেই মহাপ্রসাদ সবাইকে বিতরন করা হয়।
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

   📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
     ꧁👇📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী📖👇



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
   🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧









শ্রীমহাপ্রসাদের আবির্ভাব 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/blog-post_59.html




  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                ꧁ শ্রীমহাপ্রসাদের আবির্ভাব ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
নারদ মুনির একবার বাসনা হলো যে তিনি ভগবান নারায়নের প্রসাদ পেতে চান। কিন্তু যা ছিল অসম্ভব। কারন নারায়নের প্রসাদ কেবল মাতা মহালক্ষী ব্যাতীত অন্য কেউ পেতে পারেন না। এই সংকটে নারদ মুনি লক্ষীদেবী কে প্রসন্ন করার হেতু তপস্যা শুরু করলেন।
অতঃপর ১২ বছর তপস্যার পর দেবী লক্ষী প্রসন্ন হলেন এবং নারদ মুনিকে বললেন-----তোমার তপস্যায় আমি সন্তুষ্ট হয়েছি,বলো কি বর চাও তুমি? উত্তরে মুনিবর বললেন যে তিনি নারায়নের প্রসাদ পেতে চান!!
মাতা লক্ষী বিপদে পড়ে গেলেন,কিন্তু নারদ মুনিকে বরও যে দিতে হবে।তাই তিনি তথাস্তু বললেন। লক্ষীদেবী বললেন ঠিক আছে তুমি এখানে অপেক্ষা কর, নারায়নের ভোজন শেষে তার অবশেষ প্রসাদ তুমি পাবে। অবশেষে যখন নারদ মুনি সেই প্রসাদ পেল তা সেবা করে সে আনন্দে আত্মহারা হয়ে গেল। বীনার ছন্দে নারায়ণ..নারায়ণ বলতে বলতে কৈলাস অভিমুখে যাত্রা করলেন।
শিব তখন নারদ মুনিকে তার আনন্দের হেতু জানতে চাইলেন।নারদ মুনি তখন সবিস্তারে বর্ননা করলেন। তা শুনে শিবের ও ইচ্ছা হলো যে নারায়নের প্রসাদ পেতে চান। নারদ মুনি বললেন যে তিনি সব খেয়ে ফেলেছেন।কিন্তু এখন উপায় কি হবে?
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                ꧁ শ্রীমহাপ্রসাদের আবির্ভাব ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
নারদ মুনি তার হাতের দিকে তাকিয়ে দেখলেন যে হাতের একপাশে একবিন্দু প্রসাদ লেগে আছে। শিবজী সেটা জল দিয়ে ধুয়ে সেবা করলেন। সেই চিন্ময় প্রসাদের এমনই স্বাদ ছিল যে ওইটুকু খেয়েই শিব আনন্দে তান্ডব নৃত্য শুরু করে দিলেন।
ওইদিকে মাতা পার্বতী এই তান্ডব নৃত্যের শব্দ শুনতে পেলেন। আর ভাবলেন যে এখনতো পৃথিবীর ধংসের সময় উপস্থিত হয়নি, তবে স্বামী কেনো তান্ডব নৃত্য শুরু করলেন!! নিকটে গিয়ে শিবজীকে জিজ্ঞেস কররেন এবং ঘটনার বিবরন শুনলেন। তখন মাতা পার্বতী বললেন তিনিও নারায়নের প্রসাদ পেতে চান। কিন্তু এখনতো আর কোন ভাবে সম্ভব না। পার্বতী দেবী অভিমান করলেন যে তিনি পত্নী হওয়া সত্ত্বেও কেন তার স্বামী নারায়নের প্রসাদ একা সেবা করেছেন!!!
তখন মাতা পার্বতী নারায়নের ধ্যান শুরু করলেন। দেবী পার্বতীর তপস্যায় তুষ্ট হয়ে নারায়ন তাকে দর্শন দেন এবং বললেনঃ বলো পার্বতী তুমি কি বর চাও। তখন মাতা পর্বতী বললেন, হে নারায়ন আপনিতো সবই জানেন। তবে আমার আরও প্রর্থনা আছে। এই জগতের সবাই আমার সন্তান। হে ভগবান সন্তানদের রেখে আপনার প্রসাদ শুধু আমি একা পাব তা কখনই হতে পারে না।তাই আপনার মহাপ্রসাদ যাতে জগতের সবাই পায়,সেটাই আমার প্রর্থনা।
উত্তরে ভগবান বললেন- কলিকালে আমি যখন জগন্নাথদেব রুপে লীলা করব তখন আমি আকাতরে আমি আমার মহাপ্রসাদ বিতরন করব। সেই প্রসাদ প্রথমে তোমাকে দেয়া হবে,পরে তা জগতের সবাইকে দেয়া হবে।
যদি আপনারা কেউ পুরীতে গিয়ে থাকেন সেখানে দেখতে পাবেনঃ জগন্নাথ দেবের মন্দিরের পাশে বিমলাদেবীর (পার্বতী দেবী) মন্দির আছে। সেখানে জগন্নাথের প্রসাদ প্রথমে দেবী পার্বতীকে অর্পন করা হয়। পরে সেই মহাপ্রসাদ সবাইকে বিতরন করা হয়।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
 ⬇️⬇️⬇️এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন⬇️⬇️⬇️

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



মূর্তিপূজার বিজ্ঞানসম্মত কারণ 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 🙏 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/blog-post_94.html


  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
           ꧁ মূর্তিপূজার বিজ্ঞানসম্মত কারণ  ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧  
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
বর্তমানে বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে মতবিরোধ দেখতে পাওয়া যায় যে ঈশ্বর সাকার না নিরাকার। আমরা নিজেদের মধ্যে লড়াই এতটাই ব্যাস্ত যে মাঝে মাঝে মনে হয় আমরা সনাতনী তো?

আমাদের মধ্যে মতবিরোধ থাকতেই পারে কারণ সনাতন ধর্মে সবরকম মতকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। আপনি ঈশ্বরকে বিশ্বাস করতেও পারেন নাও পারেন । তাই আগেকার দিনে ভারতবর্ষে চার্বাক নামক একটি সম্প্রদায় ছিল যারা ঈশ্বরে বিশ্বাস করত না। কেউ ঈশ্বরের সাকার রূপে বিশ্বাস করে আবার কেউ নিরাকার তাই এটা সম্পূর্ণ বিশ্বাসের ব্যাপার। যদি আমরা কি? এটি লক্ষ্য করা হয় তাহলে পৃথিবী থেকে ধর্মীয় বিভেদ মিটে যাবে। কারণ তিনি একটাই কথা বলেন বিশ্বাস আর সত্য এক নয়। এই বিশ্বাসের জন্যই অন্য ধর্মের মানুষ আমাদের সনাতন ধর্মের মূর্তি ভাঙচুর করে । তাই সমস্ত সম্প্রদায় কে একটাই কথা বলব নিজেদের মধ্যে বিরোধ কে এমন জায়গায় নিয়ে যাবেন না যাতে সনাতন ধর্মের মানুষের লড়াই দেখে অন্য ধর্মের মানুষরা আনন্দ পায়।
সনাতন ধর্মে জীবন দর্শন গভীর। সনাতন ধর্মে সবকিছু রীতিনীতির মধ্যে বিজ্ঞান লুকিয়ে আছে আমরা যদি জানার চেষ্টা করতাম তাহলে সমস্যায় পড়তে হতো না সাইন্স ইন হিন্দুইজম সার্চ করলেই দেখতে পাবেন।
 আজ আমি সনাতন ধর্মের মূর্তিপূজা বিজ্ঞানসম্মত কারণ তুলে ধরবো সনাতন ধর্মে অন্য যে কোন ধর্মের চেয়ে মূর্তি পূজার প্রচার করে। গবেষকরা বলছেন যে প্রার্থনা সময় মনঃসংযোগ বাড়ানোর জন্য এই মূর্তি পূজা শুরু করা হয়েছিল। আধুনিক মনোরোগ চিকিৎসক দের মতে, একজন মানুষ যা দেখছেন তার অনুসারে তার চিন্তাভাবনাগুলিকে আকার নেবে । আপনার সামনে যদি ৩ টি ভিন্ন জিনিস থাকে তবে আপনি যে পদার্থ দেখছেন সে অনুযায়ী আপনার চিন্তাভাবনা বদলে যাবে। একইভাবে, প্রাচীন ভারতে প্রতিমা উপাসনা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল যাতে লোকেরা যখন মূর্তিগুলি দেখেন তখন তাদের পক্ষে আধ্যাত্মিক শক্তি অর্জন এবং মনস্তাত্ত্বিক বিবর্তন ছাড়াই ধ্যান করার জন্য মনোনিবেশ করা সহজ হয়।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
  ⬇️⬇️⬇️এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন⬇️⬇️⬇️

✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧




মূর্তিপূজার বিজ্ঞানসম্মত কারণ 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 🙏 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/blog-post_94.html


  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
           ꧁ মূর্তিপূজার বিজ্ঞানসম্মত কারণ  ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧  
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
বর্তমানে বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে মতবিরোধ দেখতে পাওয়া যায় যে ঈশ্বর সাকার না নিরাকার। আমরা নিজেদের মধ্যে লড়াই এতটাই ব্যাস্ত যে মাঝে মাঝে মনে হয় আমরা সনাতনী তো?

আমাদের মধ্যে মতবিরোধ থাকতেই পারে কারণ সনাতন ধর্মে সবরকম মতকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। আপনি ঈশ্বরকে বিশ্বাস করতেও পারেন নাও পারেন । তাই আগেকার দিনে ভারতবর্ষে চার্বাক নামক একটি সম্প্রদায় ছিল যারা ঈশ্বরে বিশ্বাস করত না। কেউ ঈশ্বরের সাকার রূপে বিশ্বাস করে আবার কেউ নিরাকার তাই এটা সম্পূর্ণ বিশ্বাসের ব্যাপার। যদি আমরা কি? এটি লক্ষ্য করা হয় তাহলে পৃথিবী থেকে ধর্মীয় বিভেদ মিটে যাবে। কারণ তিনি একটাই কথা বলেন বিশ্বাস আর সত্য এক নয়। এই বিশ্বাসের জন্যই অন্য ধর্মের মানুষ আমাদের সনাতন ধর্মের মূর্তি ভাঙচুর করে । তাই সমস্ত সম্প্রদায় কে একটাই কথা বলব নিজেদের মধ্যে বিরোধ কে এমন জায়গায় নিয়ে যাবেন না যাতে সনাতন ধর্মের মানুষের লড়াই দেখে অন্য ধর্মের মানুষরা আনন্দ পায়।
সনাতন ধর্মে জীবন দর্শন গভীর। সনাতন ধর্মে সবকিছু রীতিনীতির মধ্যে বিজ্ঞান লুকিয়ে আছে আমরা যদি জানার চেষ্টা করতাম তাহলে সমস্যায় পড়তে হতো না সাইন্স ইন হিন্দুইজম সার্চ করলেই দেখতে পাবেন।
 আজ আমি সনাতন ধর্মের মূর্তিপূজা বিজ্ঞানসম্মত কারণ তুলে ধরবো সনাতন ধর্মে অন্য যে কোন ধর্মের চেয়ে মূর্তি পূজার প্রচার করে। গবেষকরা বলছেন যে প্রার্থনা সময় মনঃসংযোগ বাড়ানোর জন্য এই মূর্তি পূজা শুরু করা হয়েছিল। আধুনিক মনোরোগ চিকিৎসক দের মতে, একজন মানুষ যা দেখছেন তার অনুসারে তার চিন্তাভাবনাগুলিকে আকার নেবে । আপনার সামনে যদি ৩ টি ভিন্ন জিনিস থাকে তবে আপনি যে পদার্থ দেখছেন সে অনুযায়ী আপনার চিন্তাভাবনা বদলে যাবে। একইভাবে, প্রাচীন ভারতে প্রতিমা উপাসনা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল যাতে লোকেরা যখন মূর্তিগুলি দেখেন তখন তাদের পক্ষে আধ্যাত্মিক শক্তি অর্জন এবং মনস্তাত্ত্বিক বিবর্তন ছাড়াই ধ্যান করার জন্য মনোনিবেশ করা সহজ হয়।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
  ⬇️⬇️⬇️এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন⬇️⬇️⬇️

✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧




adds