শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

মহর্ষি বেদব্যাসের তনয়( পুত্র ) শ্রীশ্রীশুকদেব গোস্বামীর আবির্ভাব ✍️ শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 🙏

✧════════════•❁❀❁•════════════✧
꧁মহর্ষি বেদব্যাসের তনয়( পুত্র ) শ্রীশ্রীশুকদেব গোস্বামীর আবির্ভাব꧂ 
✧════════════•❁❀❁•════════════✧
একবার মহাদেব পাৰ্বতী দেবীকে নিয়ে নিৰ্জন স্থানে দিকবন্ধন করে বসে শ্ৰীমদ্ ভাগবতম কীৰ্ত্তন করছিলেন। ভাগবত কথার প্রারম্ভে মহাদেব পাৰ্বতীকে শর্ত দিলেন যে, ভাগবত কথা চলাকালে পাৰ্বতীদেবী যে গভীর মনোযোগ সহকারে শুনছেন, তার প্রমাণ স্বরপ তিনি যেনো ''হু'' বলে সায় দেন।

 যথারীতি ভাগবত কথা শুরু হলো। কিছুক্ষণ অতিবাহিত হলে পাৰ্বতীদেবী ভাগবত কথা শুনতে শুনতে নিদ্ৰাচ্ছন্ন হলেন। যে বৃক্ষের নিচে মহাদেব ভাগবত কথা বলছিলেন, সে বৃক্ষে অবস্থান করে একটি শুকপাখিও ভাগবত কথা শ্ৰবণ করছিলো। পাখিটি দেখলো যে, পাৰ্বতী দেবী ঘুমিয়ে গেছেন। তখন ভাগবত কথা বন্ধ হয়ে যাবে ভেবে পাৰ্বতীদেবীর বদলে পাখিটিই ''হু'' দিতে থাকলো।

এদিকে মহাদেব তন্ময় হয়ে সম্পূৰ্ণ ভাগবত কথা শ্ৰবণ করালেন। চোখ খুলে দেখতে পেলেন, দেবী পাৰ্বতী ঘুমিয়ে পড়েছেন। তখন মহাদেবের মনে প্রশ্নের উদয় হলো, 'তাহলে ‘হু’ দিলো কে?' চারদিকে তাকিয়ে তিনি বৃক্ষের ডালে ঐ পাখিটিকে দেখতে পেলেন। পাৰ্বতীদেবীর পরিবর্তে পাখিটি ‘হু’ দিছিলো। তাছাড়া ভাগবতের অতি গুহ্য লীলাকথা সাধারণ একটি শুকপাখি শ্ৰবণ করেছে ভেবে মহাদেব অত্যন্ত ক্রদ্ধ হয়ে ত্ৰিশুল হাতে পাখিটিকে তাড়া করলেন। প্রাণভয়ে পাখিটি দিকবিদিক শূন্য হয়ে পলায়ন করতে লাগলো।

 মহাদেবও তার পেছনে পেছনে ধাবিত হলেন। এদিকে ব্যাসদেবও তাঁর স্ত্ৰীকে ভাগবত কথা শ্ৰবণ করাচ্ছিলেন। তিনিও তখন ভাগবত কথা শুনতে শুনতে হা করে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। ঠিক তখনই শুকপাখিটি প্ৰাণ বাঁচানোর কোনো উপায় না পেয়ে ব্যাসদেবের স্ত্রীর মুখে প্ৰবেশ করলো।

তৎক্ষণাৎ মহাদেবও সেখানে উপস্থিত হয়ে, পাখিটিকে ব্যাসদেবের স্ত্রীর মুখে প্ৰবেশ করতে দেখে অভিশাপ দিলেন যে, পাখিটি যেখানে প্ৰবেশ করেছে, সেখানে তাকে ষোল বছর মতান্তরে বারো বছর, থাকতে হবে। শ্রীল ব্যাসদেব মহাদেবকে দেখামাত্ৰই ব্যাসদেব প্ৰণাম নিবেদন করলেন এবং তাঁকে ক্ৰোধান্বিত দেখে ক্রোধের কারণ জিজ্ঞেস করলেন। তখন মহাদেব সমস্ত বৃত্তান্ত খুলে বললেন। ব্যাসদেব মহাদেবের সন্তুষ্টি বিধানের জন্য বললেন, “হে দেবাদিদেব, যিনি আপনার শ্ৰীমুখ থেকে ভাগবত কথা শ্ৰবণ করেছেন, তিনি তো মহাভাগ্যবান এবং আপনার আশীৰ্বাদের যোগ্য।"

আশুতোষ মহাদেব প্ৰসন্ন হয়ে, সেই শুকপাখিটিকে আশীৰ্ব্বাদ করলেন, “পাখিটি আমার কাছ থেকে যে ভাগবতকথা শ্ৰবণ করেছে, তা সম্পূৰ্ণরপে তার হৃদয়ে অক্ষত থাকুক।" এই বলে তিনি প্ৰস্থান করলেন।

মহাদেবের অভিশাপে ষোল বছর সেই শুকপাখিটি ব্যাসদেবের স্ত্রীর গর্ভে অবস্থান করছিলো। ভাগবতের বীর্যবতী কথা শ্ৰবণ করার ফলে, সেই শুকপাখি মহাভাগবত শুকদেব গোস্বামীতে রুপান্তরিত হলেন। মাতৃগৰ্ভে অবস্থানকালেও তিনি নিত্য তার পিতা ব্যাসদেবের কাছ থেকে ভাগবত শ্ৰবণ করতেন।
 
ইতোমধ্যে ষোল বছর অতিক্ৰান্ত হলেও শুকদেব গোস্বামী এ জড়জগতের মায়ায় প্ৰবেশ করতে অনিচ্ছা প্ৰকাশ করলেন। এমতাবস্থায় ব্যাসদেব তাকে বুঝিয়ে বললেন, “বৎস, তুমি ভূমিষ্ট হও নতুবা তোমার মাতৃহত্যা জনিত পাপ হবে।"

তাতেও শুকদেব গোস্বামীর কোনো প্ৰতিক্ৰিয়া না হলে, ব্যাসদেব উপায়ান্তর না দেখে ভগবান শ্ৰীকৃষ্ণের কাছে গেলেন। তখন ভগবান স্বয়ং শুকদেব গোস্বামীকে প্ৰবোধ দিলেন, “এ জগতে আবির্ভাব হলেও আমার মায়া কখনোই তোমাকে স্পৰ্শ করতে পারবে না।"

 শুকদেব গোস্বামী ভগবানের আশীৰ্বাদ প্ৰাপ্ত হয়ে বললেন, “এ জগতে ভূমিষ্ট হলেও আমি এ জগতের কোনো বন্ধনে আবদ্ধ না হয়ে বনে গমন করবো।"

যথারীতি আবিস্তৃত হয়ে, ষোড়শ বৰ্ষীয় যুবক শুকদেব গোস্বামী দিগম্বর বেশে অন্য কোনো দিকে না তাকিয়ে বনে গমন করেন। তখন ব্যাসদেব হা পুত্ৰ! হা পুত্ৰ! বলে শুকদেব গোস্বামীর পেছন পেছন ধাবিত হলেন।
''যং প্ৰজন্তমনুপেতমপেতকৃত্যং
 দ্বৈপায়নো বিরহকাতর আজুহাব।
 পুত্ৰেতি তনুয়াতিয়া তরবোেহভিনেদু
 স্তং সৰ্বভূতহদয়ং মুনিমানতোহম্মি'।।"

  পুত্ৰকে ধরতে না পেরে বিরহকাতর পিতা ব্যাসদেব বনের ব্যাধদের ভাগবতের দুটি শ্লোক শিখিয়ে দিলেন। যা শুকদেব গোস্বামীকে শ্ৰবণ করানোর মাধ্যমে পুনরায় তাকে ফিরিয়ে আনা হলো। তারপর তিনি তার পিতা ব্যাসদেবের আনুগত্যে পুনরায় ভাগবত অধ্যয়ন করলেন। এর পর কলিযুগে মহারাজ পরিক্ষিতকে তিনি সাতদিন ব্যাপী শ্রীমদ্ভাগবতম শ্রবন করান এবং বলেন, শ্রীমদ্ভাগবতে নির্দেশ রয়েছে,
.
"কলের্দোষনিধে রাজন্ অস্তি হ্যেকো মহান্ গুণঃ।
 কীর্তনাদেব কৃষ্ণস্য মুক্তসঙ্গ পরং ব্রজেৎ॥"
 অর্থাৎ, “হে রাজন্! কলিযুগ সমস্ত দোষের আকর। কিন্তু এই কলিযুগে একটি মাত্র মহান গুণ রয়েছে। তা হলো কেবলমাত্র শ্রীকৃষ্ণের নাম কীর্তন করে জীব সংসার-বন্ধন মুক্ত হয়ে ভগবানকে লাভ করতে পারে।"

 শ্রীমদ্ভাগবতে (১২/৩/৫১-৫২) বলা হয়েছে
"কৃতে যৎ ধ্যায়তো বিষ্ণুং ত্রেতায়াং যজতো মখৈঃ।
 দ্বাপরে পরিচর্যায়াং কলৌ তদ্ হরিকীর্তনাৎ॥"
 অর্থাৎ, “সত্যযুগে ধ্যান, ত্রেতাযুগে যজ্ঞ, আর দ্বাপরযুগে অর্চন দ্বারা যা লাভ হয়, কলিযুগে কেবলমাত্র শ্রীকৃষ্ণনাম সংকীর্তন দ্বারা তা লাভ হয়ে থাকে। তাই প্রত্যেকের উচিত ভগবানের দিব্য নাম কীর্ত্তণ ও জপ করা।
             *••••┉━❀꧁ রাধে রাধে ꧂❀━┅••••*
  
                 শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।

       *••••┉━❀꧁ জয় শ্রীশ্রীজগন্নাথ ꧂❀━┅••••*

              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥

    *••••┉━❀꧁জয় শ্রীশ্রীরাধাকান্ত꧂ ❀━┅••••*

             শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর নিবাসস্থলী
শ্রীগুরুদেব(আশ্রিত)-বৈষ্ণব কুলতিলক আচার্য্যপ্রবর মহান্ত মহারাজ শ্রীল ধ্যানচন্দ্র দাস গোস্বামী (শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর অপ্রকট লীলায় শ্রীগম্ভীরা মন্দিরে ঊনবিংশ পীঠাচার্য্য, শ্রীশ্রীরাধাকান্ত মঠ - শ্রীশ্রীগম্ভীরা, শ্রীধাম পুরী), মধবাচার্য্য(ব্রহ্ম) সম্প্রদায়,বক্রেশ্বর পরিবার(শ্রীতিলক সেবা- শ্রীশ্রীমহাপ্রভুর শ্রীচরণ), তুঙ্গবিদ্যা সখী,পশ্চিম দ্বার, লবঙ্গ মঞ্জুরী ( সনাতন গোস্বামী)।
*••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••*
শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম। নিবাস-গিরিরাজ ভবন, উত্তর নারায়নপুর, ভলীয়া, আরামবাগ, হুগলী, পশ্চিমবঙ্গ।
••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••
      📚 *PDF গ্রন্থ* 📚👉 https://drive.google.com/folderview?id=1_2ZHIyZKJeOOLMK0uLv53SkpMNgyi6eR 
✧════════════•❁❀❁•════════════✧

মহর্ষি বেদব্যাসের তনয়( পুত্র ) শ্রীশ্রীশুকদেব গোস্বামীর আবির্ভাব ✍️ শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 🙏

✧════════════•❁❀❁•════════════✧
꧁মহর্ষি বেদব্যাসের তনয়( পুত্র ) শ্রীশ্রীশুকদেব গোস্বামীর আবির্ভাব꧂ 
✧════════════•❁❀❁•════════════✧
একবার মহাদেব পাৰ্বতী দেবীকে নিয়ে নিৰ্জন স্থানে দিকবন্ধন করে বসে শ্ৰীমদ্ ভাগবতম কীৰ্ত্তন করছিলেন। ভাগবত কথার প্রারম্ভে মহাদেব পাৰ্বতীকে শর্ত দিলেন যে, ভাগবত কথা চলাকালে পাৰ্বতীদেবী যে গভীর মনোযোগ সহকারে শুনছেন, তার প্রমাণ স্বরপ তিনি যেনো ''হু'' বলে সায় দেন।

 যথারীতি ভাগবত কথা শুরু হলো। কিছুক্ষণ অতিবাহিত হলে পাৰ্বতীদেবী ভাগবত কথা শুনতে শুনতে নিদ্ৰাচ্ছন্ন হলেন। যে বৃক্ষের নিচে মহাদেব ভাগবত কথা বলছিলেন, সে বৃক্ষে অবস্থান করে একটি শুকপাখিও ভাগবত কথা শ্ৰবণ করছিলো। পাখিটি দেখলো যে, পাৰ্বতী দেবী ঘুমিয়ে গেছেন। তখন ভাগবত কথা বন্ধ হয়ে যাবে ভেবে পাৰ্বতীদেবীর বদলে পাখিটিই ''হু'' দিতে থাকলো।

এদিকে মহাদেব তন্ময় হয়ে সম্পূৰ্ণ ভাগবত কথা শ্ৰবণ করালেন। চোখ খুলে দেখতে পেলেন, দেবী পাৰ্বতী ঘুমিয়ে পড়েছেন। তখন মহাদেবের মনে প্রশ্নের উদয় হলো, 'তাহলে ‘হু’ দিলো কে?' চারদিকে তাকিয়ে তিনি বৃক্ষের ডালে ঐ পাখিটিকে দেখতে পেলেন। পাৰ্বতীদেবীর পরিবর্তে পাখিটি ‘হু’ দিছিলো। তাছাড়া ভাগবতের অতি গুহ্য লীলাকথা সাধারণ একটি শুকপাখি শ্ৰবণ করেছে ভেবে মহাদেব অত্যন্ত ক্রদ্ধ হয়ে ত্ৰিশুল হাতে পাখিটিকে তাড়া করলেন। প্রাণভয়ে পাখিটি দিকবিদিক শূন্য হয়ে পলায়ন করতে লাগলো।

 মহাদেবও তার পেছনে পেছনে ধাবিত হলেন। এদিকে ব্যাসদেবও তাঁর স্ত্ৰীকে ভাগবত কথা শ্ৰবণ করাচ্ছিলেন। তিনিও তখন ভাগবত কথা শুনতে শুনতে হা করে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। ঠিক তখনই শুকপাখিটি প্ৰাণ বাঁচানোর কোনো উপায় না পেয়ে ব্যাসদেবের স্ত্রীর মুখে প্ৰবেশ করলো।

তৎক্ষণাৎ মহাদেবও সেখানে উপস্থিত হয়ে, পাখিটিকে ব্যাসদেবের স্ত্রীর মুখে প্ৰবেশ করতে দেখে অভিশাপ দিলেন যে, পাখিটি যেখানে প্ৰবেশ করেছে, সেখানে তাকে ষোল বছর মতান্তরে বারো বছর, থাকতে হবে। শ্রীল ব্যাসদেব মহাদেবকে দেখামাত্ৰই ব্যাসদেব প্ৰণাম নিবেদন করলেন এবং তাঁকে ক্ৰোধান্বিত দেখে ক্রোধের কারণ জিজ্ঞেস করলেন। তখন মহাদেব সমস্ত বৃত্তান্ত খুলে বললেন। ব্যাসদেব মহাদেবের সন্তুষ্টি বিধানের জন্য বললেন, “হে দেবাদিদেব, যিনি আপনার শ্ৰীমুখ থেকে ভাগবত কথা শ্ৰবণ করেছেন, তিনি তো মহাভাগ্যবান এবং আপনার আশীৰ্বাদের যোগ্য।"

আশুতোষ মহাদেব প্ৰসন্ন হয়ে, সেই শুকপাখিটিকে আশীৰ্ব্বাদ করলেন, “পাখিটি আমার কাছ থেকে যে ভাগবতকথা শ্ৰবণ করেছে, তা সম্পূৰ্ণরপে তার হৃদয়ে অক্ষত থাকুক।" এই বলে তিনি প্ৰস্থান করলেন।

মহাদেবের অভিশাপে ষোল বছর সেই শুকপাখিটি ব্যাসদেবের স্ত্রীর গর্ভে অবস্থান করছিলো। ভাগবতের বীর্যবতী কথা শ্ৰবণ করার ফলে, সেই শুকপাখি মহাভাগবত শুকদেব গোস্বামীতে রুপান্তরিত হলেন। মাতৃগৰ্ভে অবস্থানকালেও তিনি নিত্য তার পিতা ব্যাসদেবের কাছ থেকে ভাগবত শ্ৰবণ করতেন।
 
ইতোমধ্যে ষোল বছর অতিক্ৰান্ত হলেও শুকদেব গোস্বামী এ জড়জগতের মায়ায় প্ৰবেশ করতে অনিচ্ছা প্ৰকাশ করলেন। এমতাবস্থায় ব্যাসদেব তাকে বুঝিয়ে বললেন, “বৎস, তুমি ভূমিষ্ট হও নতুবা তোমার মাতৃহত্যা জনিত পাপ হবে।"

তাতেও শুকদেব গোস্বামীর কোনো প্ৰতিক্ৰিয়া না হলে, ব্যাসদেব উপায়ান্তর না দেখে ভগবান শ্ৰীকৃষ্ণের কাছে গেলেন। তখন ভগবান স্বয়ং শুকদেব গোস্বামীকে প্ৰবোধ দিলেন, “এ জগতে আবির্ভাব হলেও আমার মায়া কখনোই তোমাকে স্পৰ্শ করতে পারবে না।"

 শুকদেব গোস্বামী ভগবানের আশীৰ্বাদ প্ৰাপ্ত হয়ে বললেন, “এ জগতে ভূমিষ্ট হলেও আমি এ জগতের কোনো বন্ধনে আবদ্ধ না হয়ে বনে গমন করবো।"

যথারীতি আবিস্তৃত হয়ে, ষোড়শ বৰ্ষীয় যুবক শুকদেব গোস্বামী দিগম্বর বেশে অন্য কোনো দিকে না তাকিয়ে বনে গমন করেন। তখন ব্যাসদেব হা পুত্ৰ! হা পুত্ৰ! বলে শুকদেব গোস্বামীর পেছন পেছন ধাবিত হলেন।
''যং প্ৰজন্তমনুপেতমপেতকৃত্যং
 দ্বৈপায়নো বিরহকাতর আজুহাব।
 পুত্ৰেতি তনুয়াতিয়া তরবোেহভিনেদু
 স্তং সৰ্বভূতহদয়ং মুনিমানতোহম্মি'।।"

  পুত্ৰকে ধরতে না পেরে বিরহকাতর পিতা ব্যাসদেব বনের ব্যাধদের ভাগবতের দুটি শ্লোক শিখিয়ে দিলেন। যা শুকদেব গোস্বামীকে শ্ৰবণ করানোর মাধ্যমে পুনরায় তাকে ফিরিয়ে আনা হলো। তারপর তিনি তার পিতা ব্যাসদেবের আনুগত্যে পুনরায় ভাগবত অধ্যয়ন করলেন। এর পর কলিযুগে মহারাজ পরিক্ষিতকে তিনি সাতদিন ব্যাপী শ্রীমদ্ভাগবতম শ্রবন করান এবং বলেন, শ্রীমদ্ভাগবতে নির্দেশ রয়েছে,
.
"কলের্দোষনিধে রাজন্ অস্তি হ্যেকো মহান্ গুণঃ।
 কীর্তনাদেব কৃষ্ণস্য মুক্তসঙ্গ পরং ব্রজেৎ॥"
 অর্থাৎ, “হে রাজন্! কলিযুগ সমস্ত দোষের আকর। কিন্তু এই কলিযুগে একটি মাত্র মহান গুণ রয়েছে। তা হলো কেবলমাত্র শ্রীকৃষ্ণের নাম কীর্তন করে জীব সংসার-বন্ধন মুক্ত হয়ে ভগবানকে লাভ করতে পারে।"

 শ্রীমদ্ভাগবতে (১২/৩/৫১-৫২) বলা হয়েছে
"কৃতে যৎ ধ্যায়তো বিষ্ণুং ত্রেতায়াং যজতো মখৈঃ।
 দ্বাপরে পরিচর্যায়াং কলৌ তদ্ হরিকীর্তনাৎ॥"
 অর্থাৎ, “সত্যযুগে ধ্যান, ত্রেতাযুগে যজ্ঞ, আর দ্বাপরযুগে অর্চন দ্বারা যা লাভ হয়, কলিযুগে কেবলমাত্র শ্রীকৃষ্ণনাম সংকীর্তন দ্বারা তা লাভ হয়ে থাকে। তাই প্রত্যেকের উচিত ভগবানের দিব্য নাম কীর্ত্তণ ও জপ করা।
             *••••┉━❀꧁ রাধে রাধে ꧂❀━┅••••*
  
                 শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।

       *••••┉━❀꧁ জয় শ্রীশ্রীজগন্নাথ ꧂❀━┅••••*

              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥

    *••••┉━❀꧁জয় শ্রীশ্রীরাধাকান্ত꧂ ❀━┅••••*

             শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর নিবাসস্থলী
শ্রীগুরুদেব(আশ্রিত)-বৈষ্ণব কুলতিলক আচার্য্যপ্রবর মহান্ত মহারাজ শ্রীল ধ্যানচন্দ্র দাস গোস্বামী (শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর অপ্রকট লীলায় শ্রীগম্ভীরা মন্দিরে ঊনবিংশ পীঠাচার্য্য, শ্রীশ্রীরাধাকান্ত মঠ - শ্রীশ্রীগম্ভীরা, শ্রীধাম পুরী), মধবাচার্য্য(ব্রহ্ম) সম্প্রদায়,বক্রেশ্বর পরিবার(শ্রীতিলক সেবা- শ্রীশ্রীমহাপ্রভুর শ্রীচরণ), তুঙ্গবিদ্যা সখী,পশ্চিম দ্বার, লবঙ্গ মঞ্জুরী ( সনাতন গোস্বামী)।
*••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••*
শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম। নিবাস-গিরিরাজ ভবন, উত্তর নারায়নপুর, ভলীয়া, আরামবাগ, হুগলী, পশ্চিমবঙ্গ।
••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••
      📚 *PDF গ্রন্থ* 📚👉 https://drive.google.com/folderview?id=1_2ZHIyZKJeOOLMK0uLv53SkpMNgyi6eR 
✧════════════•❁❀❁•════════════✧

কৃষ্ণ নামের মহিমা 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/blog-post_30.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                 ꧁ কৃষ্ণ নামের মহিমা কি꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
একবার নারদ-মুনি ভাবলেন পৃথিবীতে গিয়ে আমার প্রভু শ্রী নারায়ণের নাম প্রচার করে আসি,তাই তিনি তার প্রভুর নাম লইতে লইতে ধরাধামে আসিলেন। মুনি যেখানে আসিলেন তিনি দেখতে পেলেন সকলেই কৃষ্ণ নামে বিভূর হয়ে আছে, নারদ মুনি তাই স্থান ত্যাগ করে অন্য স্থানে চলে যান। 

কিন্তু নারদ- মুনি যেখানেই যাচ্ছেন মনুষ্যকে কেবল (হরেকৃষ্ণ)নাম জপ করিতে দেখতে পাচ্ছেন, নারদ-মুনি ভাবলেন সব খানেতে যদি কৃষ্ণ নামই হয় তবে তার প্রভুর নাম প্রচার করিবে কোথায়, কি আছে এই ( হরেকৃষ্ণ) যে সকলেই কৃষ্ণ নাম জপ করিতেছে, এমনি ভাবতে ভাবতে পুনরায় নারদ-মুনি ফিরে যান বৈকুণ্ঠে প্রভুর নিকট।নারদ-মুনি তার প্রভুকে জিজ্ঞেস করিলেন প্রভু( হরে কৃষ্ণ) কি এমন মহিমা যে সকলেই কৃষ্ণ নামে বিভূর হয়ে থাকে, তাখন নারায়ণ বলিল তুমি শিবের কাছে যাও তিনিই তোমার উত্তর দিবেন, তাই নারদ-মুনি প্রভুর কথা মত শিবের নিকট যান, নারদ-মুনি শিবজীকে বলিল হে প্রভু, কৃপা করে হরে কৃষ্ণনামের মহিমা আমায় বলুন,মহাদেব বলিল ব্রহ্মার কাছে যাও তিনিই তোমার উত্তর দিবেন, নারদ- মুনি মহাদেবের কথা মত শ্রীব্রহ্মার কাছে এসে শ্রীব্রহ্ম দেবকে জিজ্ঞাসা করিল হে পিতামহ ব্রহ্মা,অনুগ্রহপূর্বক আমায় (হরে কৃষ্ণ) নামের মহিমা বলুল।
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                 ꧁ কৃষ্ণ নামের মহিমা কি꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শ্রীব্রহ্মা বলিলেন হরে কৃষ্ণ নামের মহিমার অন্ত নেই তাই তুমি যম রাজের নিকট যাও সেখেই তুমি তোমার উত্তর পেয়ে যাবে। নারদ- মুনি ভাবতে লাগলেন তার বুঝি কৃষ্ণ নামের মহিমা আর জানা হবে না, তবুও তিনি শেষ বারের মত যমরাজের কাছে যাইতে ইচ্ছুক হইলেন। নারদ-মুনি যমালয়ে গিয়ে যমরাজকে বলিল হে প্রভু আমি অনেক জায়গায় গিয়েছি ( হরে কৃষ্ণ) নামের মহিমা জানার জন্য কিন্তু কোন উত্তর পাইনি, কৃপা করে আপনি আমাকে বলুন কৃষ্ণ নামের মহিমা কি! যমরাজ কিছু না বলে নারদ-মুনিকে নিয়ে যায় সেখানে যেখানে পাপীদের পাপের শাস্তি দেওয়া হয়, নারদ-মুনি পাপীদের কঠোর শাস্তি দেখিয়া তার বদনে হা কৃষ্ণ হা কৃষ্ণ ধ্বনি বেড়িয়ে আসিল, মুনিবরের সেই ধ্বনি সে সব পাপীদের কর্ণে গিয়ে পৌছাল সেই পাপীরা উদ্ধার হয়ে যেতে লাগল, নারদ-মুনি পাপীদের এ রকম ভাবে মুক্তি প্রাপ্তি হওয়ায় বুঝিতে পারিলেন কৃষ্ণ নামের মহিমা কি।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



কৃষ্ণ নামের মহিমা 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/blog-post_30.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                 ꧁ কৃষ্ণ নামের মহিমা কি꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
একবার নারদ-মুনি ভাবলেন পৃথিবীতে গিয়ে আমার প্রভু শ্রী নারায়ণের নাম প্রচার করে আসি,তাই তিনি তার প্রভুর নাম লইতে লইতে ধরাধামে আসিলেন। মুনি যেখানে আসিলেন তিনি দেখতে পেলেন সকলেই কৃষ্ণ নামে বিভূর হয়ে আছে, নারদ মুনি তাই স্থান ত্যাগ করে অন্য স্থানে চলে যান। 

কিন্তু নারদ- মুনি যেখানেই যাচ্ছেন মনুষ্যকে কেবল (হরেকৃষ্ণ)নাম জপ করিতে দেখতে পাচ্ছেন, নারদ-মুনি ভাবলেন সব খানেতে যদি কৃষ্ণ নামই হয় তবে তার প্রভুর নাম প্রচার করিবে কোথায়, কি আছে এই ( হরেকৃষ্ণ) যে সকলেই কৃষ্ণ নাম জপ করিতেছে, এমনি ভাবতে ভাবতে পুনরায় নারদ-মুনি ফিরে যান বৈকুণ্ঠে প্রভুর নিকট।নারদ-মুনি তার প্রভুকে জিজ্ঞেস করিলেন প্রভু( হরে কৃষ্ণ) কি এমন মহিমা যে সকলেই কৃষ্ণ নামে বিভূর হয়ে থাকে, তাখন নারায়ণ বলিল তুমি শিবের কাছে যাও তিনিই তোমার উত্তর দিবেন, তাই নারদ-মুনি প্রভুর কথা মত শিবের নিকট যান, নারদ-মুনি শিবজীকে বলিল হে প্রভু, কৃপা করে হরে কৃষ্ণনামের মহিমা আমায় বলুন,মহাদেব বলিল ব্রহ্মার কাছে যাও তিনিই তোমার উত্তর দিবেন, নারদ- মুনি মহাদেবের কথা মত শ্রীব্রহ্মার কাছে এসে শ্রীব্রহ্ম দেবকে জিজ্ঞাসা করিল হে পিতামহ ব্রহ্মা,অনুগ্রহপূর্বক আমায় (হরে কৃষ্ণ) নামের মহিমা বলুল।
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                 ꧁ কৃষ্ণ নামের মহিমা কি꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শ্রীব্রহ্মা বলিলেন হরে কৃষ্ণ নামের মহিমার অন্ত নেই তাই তুমি যম রাজের নিকট যাও সেখেই তুমি তোমার উত্তর পেয়ে যাবে। নারদ- মুনি ভাবতে লাগলেন তার বুঝি কৃষ্ণ নামের মহিমা আর জানা হবে না, তবুও তিনি শেষ বারের মত যমরাজের কাছে যাইতে ইচ্ছুক হইলেন। নারদ-মুনি যমালয়ে গিয়ে যমরাজকে বলিল হে প্রভু আমি অনেক জায়গায় গিয়েছি ( হরে কৃষ্ণ) নামের মহিমা জানার জন্য কিন্তু কোন উত্তর পাইনি, কৃপা করে আপনি আমাকে বলুন কৃষ্ণ নামের মহিমা কি! যমরাজ কিছু না বলে নারদ-মুনিকে নিয়ে যায় সেখানে যেখানে পাপীদের পাপের শাস্তি দেওয়া হয়, নারদ-মুনি পাপীদের কঠোর শাস্তি দেখিয়া তার বদনে হা কৃষ্ণ হা কৃষ্ণ ধ্বনি বেড়িয়ে আসিল, মুনিবরের সেই ধ্বনি সে সব পাপীদের কর্ণে গিয়ে পৌছাল সেই পাপীরা উদ্ধার হয়ে যেতে লাগল, নারদ-মুনি পাপীদের এ রকম ভাবে মুক্তি প্রাপ্তি হওয়ায় বুঝিতে পারিলেন কৃষ্ণ নামের মহিমা কি।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



ভগবানের প্রসাদ গ্রহন করলে কি লাভ

✧════════════•❁❀❁•════════════✧
꧁ ভগবানের প্রসাদ গ্রহন করলে কি লাভ꧂
ভগবদ গীতায় ভগবান শ্রী কৃষ্ণ বলেছেন যে , যারা আমাকে নিবেদন না করে খাদ্য গ্রহন করে তারা পাপ ছাড়া আর কিছুই ভক্ষন করে না। এবং তাদেরকে চোর বলা হয়েছে। আর যারা ভগবানকে কে নিবেদিত প্রসাদ গ্রহণ করে তারা পাপমূলক প্রতিক্রিয়া থেকে মুক্ত থাকে। শরীর রক্ষার জন্য আমাদের খাদ্য গ্রহণ করতে হয়।

তাই যিনি আমাদের সবকিছু দিয়েছেন তাঁকে প্রথমে খাদ্য নিবেদন করা উচিৎ। এটা পরীক্ষিত সত্য যে , ভগবানের নিবেদিত প্রসাদের বিশেষ ধরনের স্বাদ হয়।

বেদে বলা হয়েছে ” আহার শুদ্ধ স্বত্ব-শুদ্ধি ” যদি কারো আহার শুদ্ধ হয় , তাহলে তার সমগ্র চেতনা শুদ্ধ হয়ে ওঠে। শ্রী , মহাপ্রভু বলেছেন —
বিষয়ীর অন্ন খাইলে মলিন হয় মন
মলিন মন হৈলে নহে কৃষ্ণের স্মরণ।
(চৈতন্যচরিতামৃত,অন্ত্য ,৬-২৭৮)

সেজন্য ভক্তরা কেবলমাত্র কৃষ্ণপ্রসাদ গ্রহণের অভ্যাস করেন। প্রসাদ শুধু যে কর্মফলের বন্ধন মুক্ত করে তাই নয় , কৃষ্ণপ্রসাদ চেতনাকে কলুষমুক্ত ও বিশোধিত করে। কেননা কৃষ্ণ ভাবোণামোয় ভক্ত দ্বারা প্রেম ও ভক্তির সাথে সেই খাবার রান্না করা হয়েছে ও শ্রীকৃষ্ণ কে নিবেদন করা হয়েছে।

কৃষ্ণ ভক্তিতে দ্রুত উন্নতি সাধন করতে হলে আহারের ব্যপারে কঠোরতার আবশ্যক রয়েছে। কর্মফলের নিয়ম অনুসারে অভক্তদের রান্না করা খাদ্যবস্তু বিশেষভাবে কলুষিত, কেননা ভগবানকে অর্পিত না হওয়ার জন্য তা আমাদের কর্মফলের বন্ধনে আবদ্ধ করে।

ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে উল্লেখ আছে, ” যে বৈষ্ণব নিয়মিত শ্রীকৃষ্ণের প্রসাদ ভোজন করেন তিনি নিত্য শত উপবাসের ফলভোগই হন। সমস্ত দেবতারা তার স্পর্শ প্রত্যাশা করেন।

তার সঙ্গে আলাপ ও তার দর্শনে সকল পাপ ক্ষয় হয়।” আরও বলা হয়েছে ” বিষ্ণুর অনিবেদিতো অন্য বিষ্ঠা এবং জল মূত্র সরূপ জানবে।” আসল কথা হল , যেভাবেই হোক কেবলমাত্র কৃষ্ণপ্রসাদ গ্রহণ করার নীতিতে অবিচলিত থাকতে হবে সেটাই সর্বোত্তম।
             *••••┉━❀꧁ রাধে রাধে ꧂❀━┅••••*
  
                 শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।

       *••••┉━❀꧁ জয় শ্রীশ্রীজগন্নাথ ꧂❀━┅••••*

              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥

    *••••┉━❀꧁জয় শ্রীশ্রীরাধাকান্ত꧂ ❀━┅••••*

             শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর নিবাসস্থলী
শ্রীগুরুদেব(আশ্রিত)-বৈষ্ণব কুলতিলক আচার্য্যপ্রবর মহান্ত মহারাজ শ্রীল ধ্যানচন্দ্র দাস গোস্বামী (শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর অপ্রকট লীলায় শ্রীগম্ভীরা মন্দিরে ঊনবিংশ পীঠাচার্য্য, শ্রীশ্রীরাধাকান্ত মঠ - শ্রীশ্রীগম্ভীরা, শ্রীধাম পুরী), মধবাচার্য্য(ব্রহ্ম) সম্প্রদায়,বক্রেশ্বর পরিবার(শ্রীতিলক সেবা- শ্রীশ্রীমহাপ্রভুর শ্রীচরণ), তুঙ্গবিদ্যা সখী,পশ্চিম দ্বার, লবঙ্গ মঞ্জুরী ( সনাতন গোস্বামী)।
*••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••*
শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম।
নিবাস-গিরিরাজ ভবন, উত্তর নারায়নপুর, ভলীয়া, আরামবাগ, হুগলী, পশ্চিমবঙ্গ।
••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••
      📚 *PDF গ্রন্থ* 📚👉 https://drive.google.com/folderview?id=1_2ZHIyZKJeOOLMK0uLv53SkpMNgyi6eR 
✧════════════•❁❀❁•════════════✧

ভগবানের প্রসাদ গ্রহন করলে কি লাভ

✧════════════•❁❀❁•════════════✧
꧁ ভগবানের প্রসাদ গ্রহন করলে কি লাভ꧂
ভগবদ গীতায় ভগবান শ্রী কৃষ্ণ বলেছেন যে , যারা আমাকে নিবেদন না করে খাদ্য গ্রহন করে তারা পাপ ছাড়া আর কিছুই ভক্ষন করে না। এবং তাদেরকে চোর বলা হয়েছে। আর যারা ভগবানকে কে নিবেদিত প্রসাদ গ্রহণ করে তারা পাপমূলক প্রতিক্রিয়া থেকে মুক্ত থাকে। শরীর রক্ষার জন্য আমাদের খাদ্য গ্রহণ করতে হয়।

তাই যিনি আমাদের সবকিছু দিয়েছেন তাঁকে প্রথমে খাদ্য নিবেদন করা উচিৎ। এটা পরীক্ষিত সত্য যে , ভগবানের নিবেদিত প্রসাদের বিশেষ ধরনের স্বাদ হয়।

বেদে বলা হয়েছে ” আহার শুদ্ধ স্বত্ব-শুদ্ধি ” যদি কারো আহার শুদ্ধ হয় , তাহলে তার সমগ্র চেতনা শুদ্ধ হয়ে ওঠে। শ্রী , মহাপ্রভু বলেছেন —
বিষয়ীর অন্ন খাইলে মলিন হয় মন
মলিন মন হৈলে নহে কৃষ্ণের স্মরণ।
(চৈতন্যচরিতামৃত,অন্ত্য ,৬-২৭৮)

সেজন্য ভক্তরা কেবলমাত্র কৃষ্ণপ্রসাদ গ্রহণের অভ্যাস করেন। প্রসাদ শুধু যে কর্মফলের বন্ধন মুক্ত করে তাই নয় , কৃষ্ণপ্রসাদ চেতনাকে কলুষমুক্ত ও বিশোধিত করে। কেননা কৃষ্ণ ভাবোণামোয় ভক্ত দ্বারা প্রেম ও ভক্তির সাথে সেই খাবার রান্না করা হয়েছে ও শ্রীকৃষ্ণ কে নিবেদন করা হয়েছে।

কৃষ্ণ ভক্তিতে দ্রুত উন্নতি সাধন করতে হলে আহারের ব্যপারে কঠোরতার আবশ্যক রয়েছে। কর্মফলের নিয়ম অনুসারে অভক্তদের রান্না করা খাদ্যবস্তু বিশেষভাবে কলুষিত, কেননা ভগবানকে অর্পিত না হওয়ার জন্য তা আমাদের কর্মফলের বন্ধনে আবদ্ধ করে।

ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে উল্লেখ আছে, ” যে বৈষ্ণব নিয়মিত শ্রীকৃষ্ণের প্রসাদ ভোজন করেন তিনি নিত্য শত উপবাসের ফলভোগই হন। সমস্ত দেবতারা তার স্পর্শ প্রত্যাশা করেন।

তার সঙ্গে আলাপ ও তার দর্শনে সকল পাপ ক্ষয় হয়।” আরও বলা হয়েছে ” বিষ্ণুর অনিবেদিতো অন্য বিষ্ঠা এবং জল মূত্র সরূপ জানবে।” আসল কথা হল , যেভাবেই হোক কেবলমাত্র কৃষ্ণপ্রসাদ গ্রহণ করার নীতিতে অবিচলিত থাকতে হবে সেটাই সর্বোত্তম।
             *••••┉━❀꧁ রাধে রাধে ꧂❀━┅••••*
  
                 শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।

       *••••┉━❀꧁ জয় শ্রীশ্রীজগন্নাথ ꧂❀━┅••••*

              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥

    *••••┉━❀꧁জয় শ্রীশ্রীরাধাকান্ত꧂ ❀━┅••••*

             শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর নিবাসস্থলী
শ্রীগুরুদেব(আশ্রিত)-বৈষ্ণব কুলতিলক আচার্য্যপ্রবর মহান্ত মহারাজ শ্রীল ধ্যানচন্দ্র দাস গোস্বামী (শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর অপ্রকট লীলায় শ্রীগম্ভীরা মন্দিরে ঊনবিংশ পীঠাচার্য্য, শ্রীশ্রীরাধাকান্ত মঠ - শ্রীশ্রীগম্ভীরা, শ্রীধাম পুরী), মধবাচার্য্য(ব্রহ্ম) সম্প্রদায়,বক্রেশ্বর পরিবার(শ্রীতিলক সেবা- শ্রীশ্রীমহাপ্রভুর শ্রীচরণ), তুঙ্গবিদ্যা সখী,পশ্চিম দ্বার, লবঙ্গ মঞ্জুরী ( সনাতন গোস্বামী)।
*••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••*
শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম।
নিবাস-গিরিরাজ ভবন, উত্তর নারায়নপুর, ভলীয়া, আরামবাগ, হুগলী, পশ্চিমবঙ্গ।
••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••
      📚 *PDF গ্রন্থ* 📚👉 https://drive.google.com/folderview?id=1_2ZHIyZKJeOOLMK0uLv53SkpMNgyi6eR 
✧════════════•❁❀❁•════════════✧

শ্রীশ্রী মহামন্ত্র নামের তাৎপর্য 🙏 শ্রীমৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/blog-post_83.html

✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁ শ্রীশ্রী মহামন্ত্র নামের তাৎপর্য ꧂
                        👇👇👇🙏👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
শ্রীমৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
মহামন্ত্রটি ৩টি শব্দ দ্বারা গঠিত । শব্দ ৩টি হচ্ছে যথাক্রমে (১) হরে , (২) কৃষ্ণ ও (৩) রাম । এবার জেনে নেয়া যাক শব্দ তিনটি আসলে কি নির্দেশ করেঃ-

১.হরে শব্দটি সংস্কৃত "হরা" শব্দ থেকে এসেছে যা দ্বারা শ্রীমতি রাধারাণীকে সম্বোধন করা হয় । রাধারাণী ভগবানের পরম আনন্দময়ী শক্তি । সৃষ্টির আদিতে পরমেশ্বর ভগবান তার নিজের সেবা ও ভক্তসঙ্গ লাভের জন্য শ্রীমতি রাধারাণীকে তার হৃদয়ের বামপাশ থেকে সৃষ্টি করেছেন । কাজেই রাধারাণীর অনুমতি ব্যাতীত কোন মানুষ এমনকি দেবতারাও ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে লাভ করতে পারে না ।

২. কৃষ্ণ শব্দ দ্বারা সর্বাকর্ষক শ্রীকৃষ্ণকে অর্থাৎ পরম পুরুষোত্তম ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে বুঝায় । তিনিই সর্বপ্রথম এবং সর্বাদিরূপ । তিনিই সবকিছু সৃষ্টি করেছেন , তাকে কেউ সৃষ্টি করেনি ।

৩. রাম শব্দ দ্বারা সর্ব আনন্দদায়ক শ্রীমান "বলরামকে" বুঝায় । বলরাম বৃন্দাবনে সবার অন্তরে আনন্দ সঞ্চার করেন । বলরামকে আমরা ভগবানের লীলা অবতাররূপেও দেখতে পাই ।

অতএব, হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্রের সঠিক অর্থ হচ্ছেঃ
হে সর্বাকর্ষক পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ, হে সর্বানন্দদায়ক ভগবান শ্রীবলরাম, আপনারা আমাকে কৃপাপূর্বক আপনাদের চিন্ময় জগতের প্রেমময়ী সেবায় নিয়োজিত করুন ।

কলি যুগে কৃষ্ণনাম ব্যাতীত জীব কখনোই ভগবত ধাম লাভ করতে পারে না । শিশু মাতৃক্রোড়ের জন্য যেভাবে ব্যাকুল সুরে কান্না করে ,তেমনি আমরাও যদি ব্যাকুল চিত্তে ভগবানের কীর্তন করি তাহলে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আমাদেরকে অবশ্যই কৃপা করবেন। কাজেই আসুন আমরা সবাই মিলে আরেকবার এই মহামন্ত্র কৃষ্ণনাম উচ্চারন করি।।
সংগৃহীত
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






শ্রীশ্রী মহামন্ত্র নামের তাৎপর্য

✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁ শ্রীশ্রী মহামন্ত্র নামের তাৎপর্য ꧂
                        👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
মহামন্ত্রটি ৩টি শব্দ দ্বারা গঠিত । শব্দ ৩টি হচ্ছে যথাক্রমে (১) হরে , (২) কৃষ্ণ ও (৩) রাম । এবার জেনে নেয়া যাক শব্দ তিনটি আসলে কি নির্দেশ করেঃ
১.হরে শব্দটি সংস্কৃত "হরা" শব্দ থেকে এসেছে যা দ্বারা শ্রীমতি রাধারাণীকে সম্বোধন করা হয় । রাধারাণী ভগবানের পরম আনন্দময়ী শক্তি । সৃষ্টির আদিতে পরমেশ্বর ভগবান তার নিজের সেবা ও ভক্তসঙ্গ লাভের জন্য শ্রীমতি রাধারাণীকে তার হৃদয়ের বামপাশ থেকে সৃষ্টি করেছেন । কাজেই রাধারাণীর অনুমতি ব্যাতীত কোন মানুষ এমনকি দেবতারাও ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে লাভ করতে পারে না ।
২. কৃষ্ণ শব্দ দ্বারা সর্বাকর্ষক শ্রীকৃষ্ণকে অর্থাৎ পরম পুরুষোত্তম ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে বুঝায় । তিনিই সর্বপ্রথম এবং সর্বাদিরূপ । তিনিই সবকিছু সৃষ্টি করেছেন , তাকে কেউ সৃষ্টি করেনি ।
৩. রাম শব্দ দ্বারা সর্ব আনন্দদায়ক শ্রীমান "বলরামকে" বুঝায় । বলরাম বৃন্দাবনে সবার অন্তরে আনন্দ সঞ্চার করেন । বলরামকে আমরা ভগবানের লীলা অবতাররূপেও দেখতে পাই ।

অতএব, হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্রের সঠিক অর্থ হচ্ছেঃ
হে সর্বাকর্ষক পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ, হে সর্বানন্দদায়ক ভগবান শ্রীবলরাম, আপনারা আমাকে কৃপাপূর্বক আপনাদের চিন্ময় জগতের প্রেমময়ী সেবায় নিয়োজিত করুন ।

কলি যুগে কৃষ্ণনাম ব্যাতীত জীব কখনোই ভগবত ধাম লাভ করতে পারে না । শিশু মাতৃক্রোড়ের জন্য যেভাবে ব্যাকুল সুরে কান্না করে ,তেমনি আমরাও যদি ব্যাকুল চিত্তে ভগবানের কীর্তন করি তাহলে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আমাদেরকে অবশ্যই কৃপা করবেন। কাজেই আসুন আমরা সবাই মিলে আরেকবার এই মহামন্ত্র কৃষ্ণনাম উচ্চারন করি।।
সংগৃহীত
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






ব্রাহ্মণ ও বৈষ্ণব ✍️ শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/blog-post_9.html

✧════════════•❁❀❁•════════════✧
                        ꧁ব্রাহ্মণ ও বৈষ্ণব ꧂
✧════════════•❁❀❁•════════════✧
এটি বিশ্লেষণের পূর্বে আমি সকল ব্রাহ্মণ ও বৈষ্ণব গণের শ্রীচরণে সহস্রকোটি প্রণাম জানাই 
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
প্রথমে জানাই কিছু ভুল হলে সকলে ক্ষমা করবেন।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
ব্রাহ্মণ হলো চতুর্বর্ণের প্রথম বর্ণ যা মানব সমাজের চারি বর্ণের শ্রেষ্ঠ স্বরুপ। আর বৈষ্ণব হলো শ্রীহরি বা শ্রীবিষ্ণু বা শ্রীকৃষ্ণের উপাসক। এরা চতুর্বর্ণের অন্তর্ভুক্ত হয়েও ভিন্ন। কেনো ভিন্ন সে বিষয়ে এদের অপ্রাকৃত গুনাবলী গুলি একটু আলোকপাত করা যাক। 

শ্রীমদ্ভগবদগীতায়(১৮/৪২) শুদ্ধ ব্রাহ্মণের নয়টি  গুনাবলী বর্ননা করা হয়েছে।

"শমো দমস্তপঃ শৌচং ক্ষান্তিরার্জবমেব চ।
  জ্ঞানং বিজ্ঞানমাস্তিক্যং ব্রহ্মকর্ম স্বভাবজম্।।"

 ব্রাহ্মণের গুণাবলীর মধ্যে আছে:-
১) শম বা মন সংযম, 
২) দম বা ইন্দ্রিয় সংযম, 
৩) তপস্যা, 
৪) শৌচ, 
৫) ক্ষান্তি বা ক্ষমাশীলতা, 
৬) আর্জবম্ বা সরলতা, 
৭) জ্ঞান, 
৮) বিজ্ঞান এবং
৯) আস্তিক্যম। 

কিন্তু শ্রীমদ্ভগবদগীতায় (৬/৪৭) ও (১২/২) এই শ্লোক গুলিতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তাঁর শরণাগত ভক্তকে সর্বশ্রেষ্ঠ বলেছেন। শ্রীচৈতন্য চরিতামৃত গ্রন্থে শুদ্ধ ভক্তকে ব্রাহ্মণ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ বলা হয়েছে এবং বৈষ্ণবের ২৬ টি অপ্রাকৃত গুনাবলী বর্ণনা করা হয়েছে।

"সর্ব মহাগুণ গণ বৈষ্ণব শরীরে।
 কৃষ্ণভক্তে কৃষ্ণের গুণ সকল সঞ্চারে।।"
 বৈষ্ণবদের গুনাবলীর মধ্যে আছে:-
১) কৃপালু, 
২) অকৃতদ্রোহ, 
৩) সত্যসার, 
৪) সম, 
৫) নির্দোষ, 
৬) বদান্য, 
৭) মৃদু, 
৮) শুচি, 
৯) অকিঞ্চন, 
১০) সর্বোপকারক, 
১১) শান্ত, 
১২) কৃষ্ণৈকশরণ, 
১৩) অকাম, 
১৪) নিরীহ, 
১৫) স্থির, 
১৬) বিজিত ষড় গুণ যা হলো- ক্ষুদা, পিপাসা, লোভ, মোহ, জরা ও মৃত্যু,
১৭) মিতভুক, 
১৮) অপ্রমত্ত, 
১৯) মানদ, 
২০) অমানী, 
২১) গম্ভীর, 
২২) করুণ, 
২৩) মৈত্র, 
২৪) কবি, 
২৫) দক্ষ এবং
২৬) মৌনী। 

এই জগতে মানব জাতির মধ্যে ব্রাহ্মণকে আমরা সর্বশ্রেষ্ঠ গণ্য করে থাকি। তবে ব্রাহ্মণ আর বৈষ্ণবের লক্ষণ বা গুণাবলী গুলি পর্যালোচনা করলে, দেখা যায় বৈষ্ণব কৃষ্ণগত প্রাণ হওয়ায় সর্বশ্রেষ্ঠ।

 ব্রাহ্মণ আর বৈষ্ণবের  এই গুণের কথা না ভেবে সকলের মনে এই রূপ স্মরন করতে হবে সকলি আমারা ইশ্বরের দাস মাত্র।

ব্রাহ্মন বা বৈষ্ণব দুজনে ভগবানের খুব কাছের কিন্তু এই দুই সম্প্রদায় বিদ্বেষ করে আমি বড়ো কও বলে আমি বড়ো তাই এই পোষ্ট । সকল জীব একমাত্র ভগবানের দাস এটাই আমাদের মূল পরিচয়।

কও বড়ো নয় একে ওপরের তুলনায় , ইশ্বরের কাছে সবাই এক। তাই বিভেদ ভুলে সেই পরমেশ্বর ভগবানের স্মরন গ্রহন করুন সকলে তাহাতেই যথার্থ।
✧════════════•❁❀❁•════════════✧
             *••••┉━❀꧁ রাধে রাধে ꧂❀━┅••••*
  
                 শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।

       *••••┉━❀꧁ জয় শ্রীশ্রীজগন্নাথ ꧂❀━┅••••*

              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥

    *••••┉━❀꧁জয় শ্রীশ্রীরাধাকান্ত꧂ ❀━┅••••*

             শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর নিবাসস্থলী
শ্রীগুরুদেব(আশ্রিত)-বৈষ্ণব কুলতিলক আচার্য্যপ্রবর মহান্ত মহারাজ শ্রীল ধ্যানচন্দ্র দাস গোস্বামী (শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর অপ্রকট লীলায় শ্রীগম্ভীরা মন্দিরে ঊনবিংশ পীঠাচার্য্য, শ্রীশ্রীরাধাকান্ত মঠ - শ্রীশ্রীগম্ভীরা, শ্রীধাম পুরী), মধবাচার্য্য(ব্রহ্ম) সম্প্রদায়,বক্রেশ্বর পরিবার(শ্রীতিলক সেবা- শ্রীশ্রীমহাপ্রভুর শ্রীচরণ), তুঙ্গবিদ্যা সখী,পশ্চিম দ্বার, লবঙ্গ মঞ্জুরী ( সনাতন গোস্বামী)।
*••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••*
শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম।
নিবাস-গিরিরাজ ভবন, উত্তর নারায়নপুর, ভলীয়া, আরামবাগ, হুগলী, পশ্চিমবঙ্গ।
••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••
      📚 *PDF গ্রন্থ* 📚👉 https://drive.google.com/folderview?id=1_2ZHIyZKJeOOLMK0uLv53SkpMNgyi6eR 
✧════════════•❁❀❁•════════════✧

ব্রাহ্মণ ও বৈষ্ণব ✍️ শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/blog-post_9.html

✧════════════•❁❀❁•════════════✧
                     ꧁ব্রাহ্মণ ও বৈষ্ণব ꧂
✧════════════•❁❀❁•════════════✧
এটি বিশ্লেষণের পূর্বে আমি সকল ব্রাহ্মণ ও বৈষ্ণব গণের শ্রীচরণে সহস্রকোটি প্রণাম জানাই 
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
প্রথমে জানাই কিছু ভুল হলে সকলে ক্ষমা করবেন।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
ব্রাহ্মণ হলো চতুর্বর্ণের প্রথম বর্ণ যা মানব সমাজের চারি বর্ণের শ্রেষ্ঠ স্বরুপ। আর বৈষ্ণব হলো শ্রীহরি বা শ্রীবিষ্ণু বা শ্রীকৃষ্ণের উপাসক। এরা চতুর্বর্ণের অন্তর্ভুক্ত হয়েও ভিন্ন। কেনো ভিন্ন সে বিষয়ে এদের অপ্রাকৃত গুনাবলী গুলি একটু আলোকপাত করা যাক। 

শ্রীমদ্ভগবদগীতায়(১৮/৪২) শুদ্ধ ব্রাহ্মণের নয়টি  গুনাবলী বর্ননা করা হয়েছে।

"শমো দমস্তপঃ শৌচং ক্ষান্তিরার্জবমেব চ।
  জ্ঞানং বিজ্ঞানমাস্তিক্যং ব্রহ্মকর্ম স্বভাবজম্।।"

 ব্রাহ্মণের গুণাবলীর মধ্যে আছে:-
১) শম বা মন সংযম, 
২) দম বা ইন্দ্রিয় সংযম, 
৩) তপস্যা, 
৪) শৌচ, 
৫) ক্ষান্তি বা ক্ষমাশীলতা, 
৬) আর্জবম্ বা সরলতা, 
৭) জ্ঞান, 
৮) বিজ্ঞান এবং
৯) আস্তিক্যম। 

কিন্তু শ্রীমদ্ভগবদগীতায় (৬/৪৭) ও (১২/২) এই শ্লোক গুলিতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তাঁর শরণাগত ভক্তকে সর্বশ্রেষ্ঠ বলেছেন। শ্রীচৈতন্য চরিতামৃত গ্রন্থে শুদ্ধ ভক্তকে ব্রাহ্মণ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ বলা হয়েছে এবং বৈষ্ণবের ২৬ টি অপ্রাকৃত গুনাবলী বর্ণনা করা হয়েছে।

"সর্ব মহাগুণ গণ বৈষ্ণব শরীরে।
 কৃষ্ণভক্তে কৃষ্ণের গুণ সকল সঞ্চারে।।"
 বৈষ্ণবদের গুনাবলীর মধ্যে আছে:-
১) কৃপালু, 
২) অকৃতদ্রোহ, 
৩) সত্যসার, 
৪) সম, 
৫) নির্দোষ, 
৬) বদান্য, 
৭) মৃদু, 
৮) শুচি, 
৯) অকিঞ্চন, 
১০) সর্বোপকারক, 
১১) শান্ত, 
১২) কৃষ্ণৈকশরণ, 
১৩) অকাম, 
১৪) নিরীহ, 
১৫) স্থির, 
১৬) বিজিত ষড় গুণ যা হলো- ক্ষুদা, পিপাসা, লোভ, মোহ, জরা ও মৃত্যু,
১৭) মিতভুক, 
১৮) অপ্রমত্ত, 
১৯) মানদ, 
২০) অমানী, 
২১) গম্ভীর, 
২২) করুণ, 
২৩) মৈত্র, 
২৪) কবি, 
২৫) দক্ষ এবং
২৬) মৌনী। 

এই জগতে মানব জাতির মধ্যে ব্রাহ্মণকে আমরা সর্বশ্রেষ্ঠ গণ্য করে থাকি। তবে ব্রাহ্মণ আর বৈষ্ণবের লক্ষণ বা গুণাবলী গুলি পর্যালোচনা করলে, দেখা যায় বৈষ্ণব কৃষ্ণগত প্রাণ হওয়ায় সর্বশ্রেষ্ঠ।

 ব্রাহ্মণ আর বৈষ্ণবের  এই গুণের কথা না ভেবে সকলের মনে এই রূপ স্মরন করতে হবে সকলি আমারা ইশ্বরের দাস মাত্র।

ব্রাহ্মন বা বৈষ্ণব দুজনে ভগবানের খুব কাছের কিন্তু এই দুই সম্প্রদায় বিদ্বেষ করে আমি বড়ো কও বলে আমি বড়ো তাই এই পোষ্ট । সকল জীব একমাত্র ভগবানের দাস এটাই আমাদের মূল পরিচয়।

কও বড়ো নয় একে ওপরের তুলনায় , ইশ্বরের কাছে সবাই এক। তাই শুধু মাএ সেই পরমেশ্বর ভগবানের স্মরন গ্রহন করুন।
✧════════════•❁❀❁•════════════✧
             *••••┉━❀꧁ রাধে রাধে ꧂❀━┅••••*
  
                 শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।

       *••••┉━❀꧁ জয় শ্রীশ্রীজগন্নাথ ꧂❀━┅••••*

              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥

    *••••┉━❀꧁জয় শ্রীশ্রীরাধাকান্ত꧂ ❀━┅••••*

             শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর নিবাসস্থলী
শ্রীগুরুদেব(আশ্রিত)-বৈষ্ণব কুলতিলক আচার্য্যপ্রবর মহান্ত মহারাজ শ্রীল ধ্যানচন্দ্র দাস গোস্বামী (শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর অপ্রকট লীলায় শ্রীগম্ভীরা মন্দিরে ঊনবিংশ পীঠাচার্য্য, শ্রীশ্রীরাধাকান্ত মঠ - শ্রীশ্রীগম্ভীরা, শ্রীধাম পুরী), মধবাচার্য্য(ব্রহ্ম) সম্প্রদায়,বক্রেশ্বর পরিবার(শ্রীতিলক সেবা- শ্রীশ্রীমহাপ্রভুর শ্রীচরণ), তুঙ্গবিদ্যা সখী,পশ্চিম দ্বার, লবঙ্গ মঞ্জুরী ( সনাতন গোস্বামী)।
*••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••*
শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম।
নিবাস-গিরিরাজ ভবন, উত্তর নারায়নপুর, ভলীয়া, আরামবাগ, হুগলী, পশ্চিমবঙ্গ।
••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••
      📚 *PDF গ্রন্থ* 📚👉 https://drive.google.com/folderview?id=1_2ZHIyZKJeOOLMK0uLv53SkpMNgyi6eR 
✧════════════•❁❀❁•════════════✧
adds