শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

২২. চিত্রপট লিখন ও দর্শন 🙏 শ্রীকৃষ্ণ লীলা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_84.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁ ২২. চিত্রপট লিখন ও দর্শন ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
           ꧁ 👇শ্রীকৃষ্ণ লীলা 🙏 সূচীপত্র👇 ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
*অথ   চিত্রপট  দর্শন*
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*কৃষ্ণের মূরতী চিত্রপটেতে লিখিয়া*
*দেখাইল যবে সখী বিশাখা আনিয়া*
*দেখিয়া মূর্ছিত রাই হৃদয়ে ধরিয়া*
*হাহাকার করি কান্দি ক্ষিতি লোটাইয়া*
( *শ্রীশ্রীভক্তমাল)*
*চিত্রপট লিখন ও দর্শন গৌরচন্দ্রিকা*
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*কি মধুর মধুর,বয়স নব কৈশোর*
        *মূরতি জগমোহনহারী*
*কি দিয়া কেমনে বিধি,নিরমল গোরা তনু*
         *আকুল কূলবতী নারী*
*বিফল উদয় করে,গগনে যে শশধরে*
         *গোরারূপে আলা তিনলোকে*
*তাহে এক অপরূপ,যেবা দেখে চাঁদমুখ*
        *মনের আঁধার নাহি থাকে*
*চল চর প্রেমমণি,কিয়ে থির দামিনী*
       *ঐছন বরণক আভা*
*তাহে নাগরালী বেশ,ভুলাইল সব দেশ*
     *মদন মনোহর শোভা*
*যতি সতী মতিহত,শেষ যেন কূলব্রত*
       *আইল ভূবন-চিত-চোর*
*হরেকৃষ্ণ দাসে কয়,গোরা না ভজিলে নয়*
     *এ ঘর করণে দেহ ভোর*
*গৌরচন্দ্রিকার পর ব্রজলীলার প্রথম পদ।*
*কালিয়ার রূপ,মরমে লাগিয়া,*
       *সেথায় না রহে মনে।*
*বিরলে বসিয়া ;সখীরে কহয়ে,*
       *দেখাইলে রহে প্রাণে।।*
*এ বোল শুনিয়া,বিশাখা ধাইয়া,*
       *শ‍্যাম কলেবর দেখি।*
*রাইয়ের গোচরে,দেখাবার তরে,*
       *পটের উপরে লিখি।।*
*আনি চিত্রপটে, রাইয়ের নিকটে,*
      *সমুখে রাখিল সখী।*
*সেরূপ দেখিয়া,মূরছিত হইয়া,*
       *পড়িল কমলমুখী।।*
*মন্দাকিনী পারা,কত শত ধারা,*
        *ও দুটি নয়নে বহে।*
*করহ চেতন,পাবে দরশন,*
       *এ দাস উদ্ধব কহে।।*
&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&
*শ‍্যাম রূপ হেরি,তুলি করে ধরি*
       *বিশাখা চতুরা সখী*
*অনুরাগে মন, হেরিয়া মগন*
       *পটের উপরে লিখি*
*প্রথমে চরণ,করিয়া স্থাপন*
       *রাখিয়া বিনোদ ছান্দে*
*বিনোদ কটিতে, বিনোদ ধটি*
      *বিনোদ করিয়া বান্ধে*
*সুপট্ট বসন, করি কোচায়ন*
       *পরাওল এবে তায়*
*উড়নি দিলেক, বিনোদ কটিতে*
      *সে না শোভার বালাই যায়*
*বাহু দুটি লিখি,ছল ছল আঁখি*
       *মুরলী বাজায় করে*
*নিরখি বদন, হরষিত মন*
      *তিলক নাসিকা 'পরে*
*বামে হেলাইয়া,চূড়াটি বাঁধিয়া*
       *নিরখে বিশাখা সখি*
*অনুরাগে মন,সদাই মগন*
      *দ্বিজ চন্ডীদাস সাখী*
#######################
  *দেখ এক মূরতী মোহন*
*অনেক যতন করি,লিখিয়া এনেছি গো*
        *এক মনে কর দরশন*
*কানাড়া কুসুম জিনি,দলিত আঞ্জন গো*
      *নব জলধর যিনি ছটা*
*কটিতে কিঙ্কিণী,পীতাম্বর পরিধান গো*
       *ভালে শোভে চন্দনের ফোঁটা*
*চাঁচর চিকুর,চূড়ে শিখিপুচ্ছ উড়ে গো*
    *গলে দোলে বিনোদ বনমালা*
*বিম্বাধরে বংশী লয়ে,কত তান ধরে গো*
       *চরণে নূপুর করে আলা*
*আর কত ভঙ্গি তার,লখিতে নারিনু গো*
     *লিখিব কতেক পরকার*
*গোবিন্দ দাস কহে,ঐছে উচিত গো*
      *করিতে গলার মণিহার*
&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&

চিত্রপট লিখন ও দর্শন

*এমন মূরতি কেমন করি*
*লিখিলে বিশাখা ধৈরজ ধরি*
*কিবা অপরূপ আ- মরি মরি*
*আনহ হিয়ার মাঝারে ধরি*
*দরশে লইল পরাণ হরি*
*পরশে কি হয় বলিতে নারি*
*দেখি দেখি পট আনহ কাছে*
*এমন পুরুষ কি জগতে আছে*
*দেখিতে দেখিতে পটের লিখা*
*পরাণ হরিল বিষম ডাকা*
*মনোহর কহে লিখিল যে*
*পরাণ নিছনি তাহারে দে*
(তিন নম্বর পদ পরিবেশন হবে)

*যে দেখেছি যমুনার ঘাটে*
*সেই দেখি এই চিত্রপটে*
*যার নাম কহিল বিশাখা*
*সেই এই পটে আছে আঁকা*
*যাহার মুরলী ধ্বনি শুনি*
*সেই বটে এ রসিক মণি*
*ভাটমুখে যার গুণগাঁথা*
*দূতী মুখে শুনি যার কথা*
*এই মোর হরিয়াছে মন*
*ইহা বিনে কেহ নাহি আন*
*এত কহি মূরতী পড়য়ে*
*সখী গণ ধরিয়া তোলয়ে*
*পুন কহে পাইয়া চেতনে*
*কি দেখিলুঁ দেখাও সে জনে*
*সখীগণ করয়ে আশ্বাস*
*ভণে ঘনশ‍্যামর দাস*          
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






২২. চিত্রপট লিখন ও দর্শন 🙏 শ্রীকৃষ্ণ লীলা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_84.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁ ২২. চিত্রপট লিখন ও দর্শন ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
           ꧁ 👇শ্রীকৃষ্ণ লীলা 🙏 সূচীপত্র👇 ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
*অথ   চিত্রপট  দর্শন*
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*কৃষ্ণের মূরতী চিত্রপটেতে লিখিয়া*
*দেখাইল যবে সখী বিশাখা আনিয়া*
*দেখিয়া মূর্ছিত রাই হৃদয়ে ধরিয়া*
*হাহাকার করি কান্দি ক্ষিতি লোটাইয়া*
( *শ্রীশ্রীভক্তমাল)*
*চিত্রপট লিখন ও দর্শন গৌরচন্দ্রিকা*
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*কি মধুর মধুর,বয়স নব কৈশোর*
        *মূরতি জগমোহনহারী*
*কি দিয়া কেমনে বিধি,নিরমল গোরা তনু*
         *আকুল কূলবতী নারী*
*বিফল উদয় করে,গগনে যে শশধরে*
         *গোরারূপে আলা তিনলোকে*
*তাহে এক অপরূপ,যেবা দেখে চাঁদমুখ*
        *মনের আঁধার নাহি থাকে*
*চল চর প্রেমমণি,কিয়ে থির দামিনী*
       *ঐছন বরণক আভা*
*তাহে নাগরালী বেশ,ভুলাইল সব দেশ*
     *মদন মনোহর শোভা*
*যতি সতী মতিহত,শেষ যেন কূলব্রত*
       *আইল ভূবন-চিত-চোর*
*হরেকৃষ্ণ দাসে কয়,গোরা না ভজিলে নয়*
     *এ ঘর করণে দেহ ভোর*
*গৌরচন্দ্রিকার পর ব্রজলীলার প্রথম পদ।*
*কালিয়ার রূপ,মরমে লাগিয়া,*
       *সেথায় না রহে মনে।*
*বিরলে বসিয়া ;সখীরে কহয়ে,*
       *দেখাইলে রহে প্রাণে।।*
*এ বোল শুনিয়া,বিশাখা ধাইয়া,*
       *শ‍্যাম কলেবর দেখি।*
*রাইয়ের গোচরে,দেখাবার তরে,*
       *পটের উপরে লিখি।।*
*আনি চিত্রপটে, রাইয়ের নিকটে,*
      *সমুখে রাখিল সখী।*
*সেরূপ দেখিয়া,মূরছিত হইয়া,*
       *পড়িল কমলমুখী।।*
*মন্দাকিনী পারা,কত শত ধারা,*
        *ও দুটি নয়নে বহে।*
*করহ চেতন,পাবে দরশন,*
       *এ দাস উদ্ধব কহে।।*
&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&
*শ‍্যাম রূপ হেরি,তুলি করে ধরি*
       *বিশাখা চতুরা সখী*
*অনুরাগে মন, হেরিয়া মগন*
       *পটের উপরে লিখি*
*প্রথমে চরণ,করিয়া স্থাপন*
       *রাখিয়া বিনোদ ছান্দে*
*বিনোদ কটিতে, বিনোদ ধটি*
      *বিনোদ করিয়া বান্ধে*
*সুপট্ট বসন, করি কোচায়ন*
       *পরাওল এবে তায়*
*উড়নি দিলেক, বিনোদ কটিতে*
      *সে না শোভার বালাই যায়*
*বাহু দুটি লিখি,ছল ছল আঁখি*
       *মুরলী বাজায় করে*
*নিরখি বদন, হরষিত মন*
      *তিলক নাসিকা 'পরে*
*বামে হেলাইয়া,চূড়াটি বাঁধিয়া*
       *নিরখে বিশাখা সখি*
*অনুরাগে মন,সদাই মগন*
      *দ্বিজ চন্ডীদাস সাখী*
#######################
  *দেখ এক মূরতী মোহন*
*অনেক যতন করি,লিখিয়া এনেছি গো*
        *এক মনে কর দরশন*
*কানাড়া কুসুম জিনি,দলিত আঞ্জন গো*
      *নব জলধর যিনি ছটা*
*কটিতে কিঙ্কিণী,পীতাম্বর পরিধান গো*
       *ভালে শোভে চন্দনের ফোঁটা*
*চাঁচর চিকুর,চূড়ে শিখিপুচ্ছ উড়ে গো*
    *গলে দোলে বিনোদ বনমালা*
*বিম্বাধরে বংশী লয়ে,কত তান ধরে গো*
       *চরণে নূপুর করে আলা*
*আর কত ভঙ্গি তার,লখিতে নারিনু গো*
     *লিখিব কতেক পরকার*
*গোবিন্দ দাস কহে,ঐছে উচিত গো*
      *করিতে গলার মণিহার*
&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&

চিত্রপট লিখন ও দর্শন

*এমন মূরতি কেমন করি*
*লিখিলে বিশাখা ধৈরজ ধরি*
*কিবা অপরূপ আ- মরি মরি*
*আনহ হিয়ার মাঝারে ধরি*
*দরশে লইল পরাণ হরি*
*পরশে কি হয় বলিতে নারি*
*দেখি দেখি পট আনহ কাছে*
*এমন পুরুষ কি জগতে আছে*
*দেখিতে দেখিতে পটের লিখা*
*পরাণ হরিল বিষম ডাকা*
*মনোহর কহে লিখিল যে*
*পরাণ নিছনি তাহারে দে*
(তিন নম্বর পদ পরিবেশন হবে)

*যে দেখেছি যমুনার ঘাটে*
*সেই দেখি এই চিত্রপটে*
*যার নাম কহিল বিশাখা*
*সেই এই পটে আছে আঁকা*
*যাহার মুরলী ধ্বনি শুনি*
*সেই বটে এ রসিক মণি*
*ভাটমুখে যার গুণগাঁথা*
*দূতী মুখে শুনি যার কথা*
*এই মোর হরিয়াছে মন*
*ইহা বিনে কেহ নাহি আন*
*এত কহি মূরতী পড়য়ে*
*সখী গণ ধরিয়া তোলয়ে*
*পুন কহে পাইয়া চেতনে*
*কি দেখিলুঁ দেখাও সে জনে*
*সখীগণ করয়ে আশ্বাস*
*ভণে ঘনশ‍্যামর দাস*          
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






অতিসংক্ষেপে মহাভারতের কথা 😭 স্ত্রী পর্ব ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_20.html






  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     ꧁অতিসংক্ষেপে মহাভারতের কথা স্ত্রী পর্ব꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শত পুত্র ও কুটুম্ব নাশে ধৃতরাষ্ট্র হাহাকার করিয়া কাঁদতে লাগলেন।সঞ্জয় তাঁকে তখন বোঝালেন - সংসার এবং জীবনের অনিত‍্যতার কথা।বললেন-নরনাথ, আজ আপনি পুত্রশোকে কাঁদছেন। কিন্তু আপনার দুর্বিনীত পুত্রেরা যখন একের পর এক অন‍্যায় করেছে, পিতামহ ভীষ্ম কত বুঝিয়েছেন, গান্ধারী বুঝিয়েছেন, দ্রোণ, বিদুর, প্রভৃতি অনেকেই বুঝিয়েছেন, কিন্তু দুর্য‍্যোধন কারো কথাকানে তোলেনি।তাছাড়া আপনি তো জানেন স্বয়ং কলি দুর্য‍্যোধনরূপে গান্ধারীর গর্ভে জন্মগ্রহণ করেছিল।কুরুকুলের নারীগণ স্থির করলেন- তাঁরা কুরুক্ষেত্র যুদ্ধক্ষেত্রে গিয়েআপন আপন ধর্মপতিকে এবং আত্মীয়-স্বজনকে দর্শন করে আসবেন।তদনুসারে সবাই সেখানে গিয়ে বিলাপ করতে লাগলেন।


ধৃতরাষ্ট্র বললেন- আমি ভীমের সাথে একবার সাক্ষাৎ করতে চাই।ভীমসেন রাজী হলেন, কিন্তু শ্রীকৃষ্ণ বাধা দিলেন।তিনি একটি লোহার ভীম তৈরী করিয়ে অন্ধ রাজার কাছে এগিয়ে দিলেন। ধৃতরাষ্ট্র আলিঙ্গন ছলে সেইলৌহ ভীমকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে ফেললেন।পুনরায় শ্রীকৃষ্ণ পান্ডবদের এইভাবে রক্ষা করলেন। পান্ডবেরা গিয়ে গান্ধারীকে প্রণাম করলেন।গান্ধারীকে পুত্রশোকে আকুল হয়ে কাঁদতে দেখে ব‍্যাসদেব বললেন- বৃথা ক্রন্দন কোরো না মা।মনে করিয়া দ‍্যাখ দুর্য‍্যোধন যখন যুদ্ধ যাত্রার আগে তোমাকে প্রণাম করতে এসে আশীর্বাদ চাইল- তখন তুমি বললে- যেখানে ধর্ম সেখানেই জয় হবে বৎস।অতএব পান্ডবদের জয় তো তোমারই আশীর্বাদ প্রসূত।গান্ধারী কাঁদতে কাঁদতে অভিশাপ দিলেন কৃষ্ণকে। বললেন- আমার বংশ নাশ করেছ তুমি।তেমনি আমার অভিশাপে তোমারও বংশ নাশ হবে। যুধিষ্ঠির, ভাই এবং আত্মীয়- কুটুম্বদের সঙ্গে নিয়ে প্রতিটি আত্মীয়- স্বজনের সৎকার করলেন।কর্ণের শোকে জননী কুন্তীকে কাঁদতে দেখে বিস্মিত যুধিষ্ঠির কারণ জিজ্ঞাসা করলেন।এইবার তিনদিন পরে কুন্তীদেবী যুধিষ্ঠিরের কাছে সব কথা প্রকাশ করলেন যে কর্ণ তাঁরই গর্ভজাত পুত্র।কর্ণের পিতা সূর্য‍্যদেব।কুন্তীর কন‍্যাকালে এই পুত্র হয়েছিল।হাহাকার করিয়া উঠলেন ধর্মরাজ যুধিষ্ঠির।বললেন- এইকথা তুমি আগে কেন বললে না মা, ভ্রাতৃবধের ভাগী হলাম আমি। যুধিষ্ঠিরকে সিংহাসন গ্রহণ করতে শ্রীকৃষ্ণ অনুরোধ করলেন।এরপর সকলে মিলে রাজধানী হস্তিনায় গমন করলেন। যুধিষ্ঠিরের নয়ন দিয়ে শোকে জল পড়তে লাগলো।শ্রীকৃষ্ণ তাঁকে সান্ত্বনা দিলেন। হস্তিনায় রাজধানী প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে সকলেই গেলেন। যুধিষ্ঠির যে রথে গেলেন----
সেই রথের চালক হলেন ভীমসেন। কৃষ্ণ- অর্জুন এক রথে, অন‍্য রথে নকুল ও সহদেব উঠিলেন।সঞ্জয়, যুযুৎসু প্রভৃতিকে সঙ্গে নিয়ে ধৃতরাষ্ট্র বিমানে উঠলেন।ক্রন্দসী গান্ধারীকে নিয়ে কুন্তীদেবী রথে আরোহণ করিলেন। যুধিষ্ঠিরকে রাজা করিবার প্রস্তাব করিলেন গান্ধারী। যুধিষ্ঠির বললেন, তবে তুমি কাঁদছো কেন দেবী? গান্ধারী বললেন- আমি মায়াবশে কাঁদছি যুধিষ্ঠির।আমি জানি, আমার পুত্রেরা যে মহাপাপ করেছিল, তারই প্রায়শ্চিত্ত স্বরূপ তারা প্রাণ দিয়েছে।তুমি ধর্মপুত্র, তুমি ধার্মিক, সিংহাসনে আরোহণ করো, আমি তোমাকে আশীর্বাদ করছি, তুমি চির সুখী হবে।
জয় নিতাই জয় গৌর।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
⬇️⬇️⬇️এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন ⬇️⬇️⬇️

 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


অতিসংক্ষেপে মহাভারতের কথা স্ত্রী পর্ব ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_20.html


  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     ꧁অতিসংক্ষেপে মহাভারতের কথা স্ত্রী পর্ব꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শত পুত্র ও কুটুম্ব নাশে ধৃতরাষ্ট্র হাহাকার করিয়া কাঁদতে লাগলেন।সঞ্জয় তাঁকে তখন বোঝালেন - সংসার এবং জীবনের অনিত‍্যতার কথা।বললেন-নরনাথ, আজ আপনি পুত্রশোকে কাঁদছেন। কিন্তু আপনার দুর্বিনীত পুত্রেরা যখন একের পর এক অন‍্যায় করেছে, পিতামহ ভীষ্ম কত বুঝিয়েছেন, গান্ধারী বুঝিয়েছেন, দ্রোণ, বিদুর, প্রভৃতি অনেকেই বুঝিয়েছেন, কিন্তু দুর্য‍্যোধন কারো কথাকানে তোলেনি।তাছাড়া আপনি তো জানেন স্বয়ং কলি দুর্য‍্যোধনরূপে গান্ধারীর গর্ভে জন্মগ্রহণ করেছিল।কুরুকুলের নারীগণ স্থির করলেন- তাঁরা কুরুক্ষেত্র যুদ্ধক্ষেত্রে গিয়েআপন আপন ধর্মপতিকে এবং আত্মীয়-স্বজনকে দর্শন করে আসবেন।তদনুসারে সবাই সেখানে গিয়ে বিলাপ করতে লাগলেন।
ধৃতরাষ্ট্র বললেন- আমি ভীমের সাথে একবার সাক্ষাৎ করতে চাই।ভীমসেন রাজী হলেন, কিন্তু শ্রীকৃষ্ণ বাধা দিলেন।তিনি একটি লোহার ভীম তৈরী করিয়ে অন্ধ রাজার কাছে এগিয়ে দিলেন। ধৃতরাষ্ট্র আলিঙ্গন ছলে সেইলৌহ ভীমকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে ফেললেন।পুনরায় শ্রীকৃষ্ণ পান্ডবদের এইভাবে রক্ষা করলেন। পান্ডবেরা গিয়ে গান্ধারীকে প্রণাম করলেন।গান্ধারীকে পুত্রশোকে আকুল হয়ে কাঁদতে দেখে ব‍্যাসদেব বললেন- বৃথা ক্রন্দন কোরো না মা।মনে করিয়া দ‍্যাখ দুর্য‍্যোধন যখন যুদ্ধ যাত্রার আগে তোমাকে প্রণাম করতে এসে আশীর্বাদ চাইল- তখন তুমি বললে- যেখানে ধর্ম সেখানেই জয় হবে বৎস।অতএব পান্ডবদের জয় তো তোমারই আশীর্বাদ প্রসূত।গান্ধারী কাঁদতে কাঁদতে অভিশাপ দিলেন কৃষ্ণকে। বললেন- আমার বংশ নাশ করেছ তুমি।তেমনি আমার অভিশাপে তোমারও বংশ নাশ হবে। যুধিষ্ঠির, ভাই এবং আত্মীয়- কুটুম্বদের সঙ্গে নিয়ে প্রতিটি আত্মীয়- স্বজনের সৎকার করলেন।কর্ণের শোকে জননী কুন্তীকে কাঁদতে দেখে বিস্মিত যুধিষ্ঠির কারণ জিজ্ঞাসা করলেন।এইবার তিনদিন পরে কুন্তীদেবী যুধিষ্ঠিরের কাছে সব কথা প্রকাশ করলেন যে কর্ণ তাঁরই গর্ভজাত পুত্র।কর্ণের পিতা সূর্য‍্যদেব।কুন্তীর কন‍্যাকালে এই পুত্র হয়েছিল।হাহাকার করিয়া উঠলেন ধর্মরাজ যুধিষ্ঠির।বললেন- এইকথা তুমি আগে কেন বললে না মা, ভ্রাতৃবধের ভাগী হলাম আমি। যুধিষ্ঠিরকে সিংহাসন গ্রহণ করতে শ্রীকৃষ্ণ অনুরোধ করলেন।এরপর সকলে মিলে রাজধানী হস্তিনায় গমন করলেন। যুধিষ্ঠিরের নয়ন দিয়ে শোকে জল পড়তে লাগলো।শ্রীকৃষ্ণ তাঁকে সান্ত্বনা দিলেন। হস্তিনায় রাজধানী প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে সকলেই গেলেন। যুধিষ্ঠির যে রথে গেলেন----
সেই রথের চালক হলেন ভীমসেন। কৃষ্ণ- অর্জুন এক রথে, অন‍্য রথে নকুল ও সহদেব উঠিলেন।সঞ্জয়, যুযুৎসু প্রভৃতিকে সঙ্গে নিয়ে ধৃতরাষ্ট্র বিমানে উঠলেন।ক্রন্দসী গান্ধারীকে নিয়ে কুন্তীদেবী রথে আরোহণ করিলেন। যুধিষ্ঠিরকে রাজা করিবার প্রস্তাব করিলেন গান্ধারী। যুধিষ্ঠির বললেন, তবে তুমি কাঁদছো কেন দেবী? গান্ধারী বললেন- আমি মায়াবশে কাঁদছি যুধিষ্ঠির।আমি জানি, আমার পুত্রেরা যে মহাপাপ করেছিল, তারই প্রায়শ্চিত্ত স্বরূপ তারা প্রাণ দিয়েছে।তুমি ধর্মপুত্র, তুমি ধার্মিক, সিংহাসনে আরোহণ করো, আমি তোমাকে আশীর্বাদ করছি, তুমি চির সুখী হবে।
জয় নিতাই জয় গৌর।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
⬇️⬇️⬇️এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন ⬇️⬇️⬇️

 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


মাতা দেবকীর গর্ভে প্রথম হইতে ষষ্ঠ সন্তানগনের বিবরণ 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/whatsapp-phone-no-9800451398-facebook.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁মাতা দেবকীর গর্ভে প্রথম হইতে ষষ্ঠ সন্তানগনের বিবরণ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ব্রহ্মলোকে ব্রহ্মার পুত্র মরীচি ঋষির ছয় পুত্র ছিল। অপ্সরা তিলোত্তমাকে দেখে কাম মোহিত হয়ে ব্রহ্মা তার পিছনে ধাবিত হলে মরীচি পুত্ররা পিতামহ ব্রহ্মাকে দেখে পরিহাস করেছিল। তাতে ব্রহ্মা হতচকিত হয়ে তাদের অভিশাপ দিয়েছিলেন, 'তোমরা অসুর যোনিতে জন্ম গ্রহণ কর।' অবিশাপ মুক্তির উদ্দেশ্যে মরীচি পুত্ররা ব্রহ্মার চরণে মিনতি করলে ব্রহ্মা বললেন, 'পৃথিবীতে' বৈবস্বত মন্বন্তরে অষ্টাবিংশ চতুর্যুগের দ্বাপরে ভগবান অবতীর্ণ হবেন, তাঁরই উচ্ছিষ্ট ভোজন করলে তোমরা শাপমুক্ত হবে।'

এই ঘটনার পর মরীচির সেই ছয় পুত্র---অসুর হিরণ্যাক্ষের পুত্র কালনেমি---তারই পুত্ররূপে জন্ম লাভ করে। অসুরের পুত্ররূপে জন্ম নিলেও পূর্বসংস্কার বশে তারা ভগবানের উপাসনা করতে লাগল। সেইজন্যে হিরণ্যাক্ষের ভাই ভগবদ্ বিরোধী হিরণ্যকশিপু সেই ছেলেদের প্রতি ক্রুদ্ধ হয়ে অভিশাপ দেয়---'তোমরা পিতৃকুলের মর্যাদা নষ্ট করে পিতৃশত্রু শ্রীহরির উপাসনা করছ, অতএব তোমাদের পিতৃহস্তে মৃত্যু
হবে।'
কিন্তু তাদের পিতা কালনেমি দেবতাদের সঙ্গে যুদ্ধ করতে গিয়ে ভগবানের সুদর্শন চক্রে নিহত হয়।

অসুরের বংশধর হলেও হিরণ্যকশিপুর প্রপৌত্র ভগবদভক্ত বলী ভগবান শ্রীবামনদেবের আদেশে সুতল লোকে গমন করেন এবং কালনেমির সেই ছয় পুত্রও সুতললোকে বাস করে। কিন্তু তারা শাপমুক্ত হতে পারেনি। শাপমুক্তি হতে হলে---পিতার হাতে মরতে হবে এবং ভগবানের উচ্ছিষ্ট খেতে হবে। অসুর কালনেমি জন্ম নিল কংসরূপে। যোগমায়া তখন মরীচিপুত্রদের শাপমোচন করার উদ্দেশ্যে দেবকীগর্ভে তাদের একে একে আনিয়ে কংসের হাতে বধ করালেন। তারা তখন হিরণ্যকশিপুর অভিশাপ থেকে মুক্ত হয়ে আবার সুতললোকে গমন করে। কিন্তু ভগবানের উচ্ছিষ্ট ভোজন করার বিষয়টি তখনও ঘটেনি।

ভগবান কৃষ্ণ দেবকীর পুত্ররূপে জন্ম গ্রহণ করেন। তারপর ব্রজলীলা ও মথুরালীলা শেষ করে দ্বারকালীলার সময় মা দেবকী একসময় কৃষ্ণকে বলেন, 'হে কৃষ্ণ, তুমি সান্দীপনি মুনির মৃত পুত্রকে পরলোক থেকে ফিরিয়ে এনেছ, সেই কথা জেনেছি। তোমার অগ্রজ ভাইদের---যারা কংসের হাতে নিহত---তাদেরকে কি তুমি ফিরিয়ে আনতে পারো?'

তখন কৃষ্ণ সুতললোক থেকে তাদের নিয়ে দ্বারকায় এলে শিশুরূপ সেই পুত্ররা দেবকীর স্তন পান করতে লাগল। দেবকীর স্তন প্রথমে শ্রীকৃষ্ণই পান করেছিলেন। অতএব সেই কৃষ্ণ-উচ্ছিষ্ট পান করেই তারা শ্রীব্রহ্মার শাপমুক্ত হয়ে ব্রহ্মলোকে গমন করেন।

এভাবে মরীচির ছয় পুত্র---কীর্তিমান, সুষেন, ভদ্রসেন, ঋজু, সংমর্দন ও ভদ্র---একটুখানি উপহাস করার ফলে কত দুঃখ আঘাত ব্যাঘাতের সম্মুখীন হয়েছিল।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧     ⬇️⬇️⬇️এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন⬇️⬇️⬇️
  
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



মাতা দেবকীর গর্ভে প্রথম হইতে ষষ্ঠ সন্তানগনের বিবরণ 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/whatsapp-phone-no-9800451398-facebook.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁মাতা দেবকীর গর্ভে প্রথম হইতে ষষ্ঠ সন্তানগনের বিবরণ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ব্রহ্মলোকে ব্রহ্মার পুত্র মরীচি ঋষির ছয় পুত্র ছিল। অপ্সরা তিলোত্তমাকে দেখে কাম মোহিত হয়ে ব্রহ্মা তার পিছনে ধাবিত হলে মরীচি পুত্ররা পিতামহ ব্রহ্মাকে দেখে পরিহাস করেছিল। তাতে ব্রহ্মা হতচকিত হয়ে তাদের অভিশাপ দিয়েছিলেন, 'তোমরা অসুর যোনিতে জন্ম গ্রহণ কর।' অবিশাপ মুক্তির উদ্দেশ্যে মরীচি পুত্ররা ব্রহ্মার চরণে মিনতি করলে ব্রহ্মা বললেন, 'পৃথিবীতে' বৈবস্বত মন্বন্তরে অষ্টাবিংশ চতুর্যুগের দ্বাপরে ভগবান অবতীর্ণ হবেন, তাঁরই উচ্ছিষ্ট ভোজন করলে তোমরা শাপমুক্ত হবে।'

এই ঘটনার পর মরীচির সেই ছয় পুত্র---অসুর হিরণ্যাক্ষের পুত্র কালনেমি---তারই পুত্ররূপে জন্ম লাভ করে। অসুরের পুত্ররূপে জন্ম নিলেও পূর্বসংস্কার বশে তারা ভগবানের উপাসনা করতে লাগল। সেইজন্যে হিরণ্যাক্ষের ভাই ভগবদ্ বিরোধী হিরণ্যকশিপু সেই ছেলেদের প্রতি ক্রুদ্ধ হয়ে অভিশাপ দেয়---'তোমরা পিতৃকুলের মর্যাদা নষ্ট করে পিতৃশত্রু শ্রীহরির উপাসনা করছ, অতএব তোমাদের পিতৃহস্তে মৃত্যু
হবে।'
কিন্তু তাদের পিতা কালনেমি দেবতাদের সঙ্গে যুদ্ধ করতে গিয়ে ভগবানের সুদর্শন চক্রে নিহত হয়।

অসুরের বংশধর হলেও হিরণ্যকশিপুর প্রপৌত্র ভগবদভক্ত বলী ভগবান শ্রীবামনদেবের আদেশে সুতল লোকে গমন করেন এবং কালনেমির সেই ছয় পুত্রও সুতললোকে বাস করে। কিন্তু তারা শাপমুক্ত হতে পারেনি। শাপমুক্তি হতে হলে---পিতার হাতে মরতে হবে এবং ভগবানের উচ্ছিষ্ট খেতে হবে। অসুর কালনেমি জন্ম নিল কংসরূপে। যোগমায়া তখন মরীচিপুত্রদের শাপমোচন করার উদ্দেশ্যে দেবকীগর্ভে তাদের একে একে আনিয়ে কংসের হাতে বধ করালেন। তারা তখন হিরণ্যকশিপুর অভিশাপ থেকে মুক্ত হয়ে আবার সুতললোকে গমন করে। কিন্তু ভগবানের উচ্ছিষ্ট ভোজন করার বিষয়টি তখনও ঘটেনি।

ভগবান কৃষ্ণ দেবকীর পুত্ররূপে জন্ম গ্রহণ করেন। তারপর ব্রজলীলা ও মথুরালীলা শেষ করে দ্বারকালীলার সময় মা দেবকী একসময় কৃষ্ণকে বলেন, 'হে কৃষ্ণ, তুমি সান্দীপনি মুনির মৃত পুত্রকে পরলোক থেকে ফিরিয়ে এনেছ, সেই কথা জেনেছি। তোমার অগ্রজ ভাইদের---যারা কংসের হাতে নিহত---তাদেরকে কি তুমি ফিরিয়ে আনতে পারো?'

তখন কৃষ্ণ সুতললোক থেকে তাদের নিয়ে দ্বারকায় এলে শিশুরূপ সেই পুত্ররা দেবকীর স্তন পান করতে লাগল। দেবকীর স্তন প্রথমে শ্রীকৃষ্ণই পান করেছিলেন। অতএব সেই কৃষ্ণ-উচ্ছিষ্ট পান করেই তারা শ্রীব্রহ্মার শাপমুক্ত হয়ে ব্রহ্মলোকে গমন করেন।

এভাবে মরীচির ছয় পুত্র---কীর্তিমান, সুষেন, ভদ্রসেন, ঋজু, সংমর্দন ও ভদ্র---একটুখানি উপহাস করার ফলে কত দুঃখ আঘাত ব্যাঘাতের সম্মুখীন হয়েছিল।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧     ⬇️⬇️⬇️এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন⬇️⬇️⬇️
  
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



নন্দ বাবা ও যশোমতী মায়ের পূর্ব জন্মের পরিচয় 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/blog-post_11.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁নন্দ বাবা ও যশোমতী মায়ের পূর্ব জন্মের পরিচয়꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
আমাদের প্রাণগোবিন্দের জাগতিক পিতামাতা, বসুদেব, দেবকী, নন্দ মহারাজ ও মা যশোদার পূর্ব্ব জন্মের কথা জানতে অনেকেরই বড় কৌতুহল হয়। তাই আমরা চেষ্টা করছি মা যশোদা ও নন্দ মহারাজের পূর্ব্ব জন্মে কারা ছিলেন, সেই সম্পর্কে কিছু আলোকপাত করার।

একদিন দেবর্ষি নারদ মুনি পরম করুণাময়  গোলকঅধিপতি সচ্চিদানন্দ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের পিতা ও মাতা ( নন্দ বাবা ও যশোমতী মায়ের ) পূর্ব জন্মের কথা শ্রীনারায়নের নিকট জানতে চাইলেন। তখন শ্রীনারায়ন নারদ মুনিকে মা যশোদা ও  নন্দ মহারাজের পূর্ব্ব জন্মের পরিচয় জ্ঞাতার্থে করে বলেছেন। যা ব্রহ্মবৈবর্ত পুরানে উল্লেখ আছে। 

"নন্দ মহারাজ ছিলেন বসু গনের মধ্যে শ্রেষ্ট। তাঁর নাম ছিলো দ্রোন। তিনি মহান তপস্বী ছিলেন। তাঁর স্ত্রীর নাম ছিলো ধরা। তিনিও এক মহান তপস্বিনী ছিলেন। সেই মহান তপস্বী বসু দ্রোন ও তাঁর স্ত্রী মহান তপস্বিনী সাধ্বী ধরা। পরবর্তী জন্মে নন্দ মহারাজ ও মা যশোদা রুপে আবির্ভূত হয়েছেন।

 একদিন এই দ্রোন ও ধরা, পূন্য ভূমি ভারত বর্ষের গন্ধ মাদন পর্ব্বতে, ঋষি গৌতমের অাশ্রমের কাছে, সুপ্রভা নদীর তটে গোবিন্দকে দর্শনের প্রত্যাশায় ১০,০০০ দশ হাজার বছর  কঠোর তপস্যা করে ছিলেন। তবুও এই তপস্বী জুটি শ্রীকৃষ্ণের দর্শন লাভে ব্যর্থ হয়েছেন। তখন তাঁরা অদম্য কৃষ্ণ প্রেমের বৈরাগ্য বশতঃ অগ্নি কুন্ড প্রস্তুত করলেন। সেই অগ্নি কুন্ডে স্বামী-স্ত্রী প্রবেশ করে আত্ম বিসর্জন দানের কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়ে অগ্নি কুন্ডের সামনে উপস্থিত হলেন।

তাঁদের এই নির্ম্মম ভাবে প্রান বিসর্জনে ইচ্ছুক দেখে, হঠাৎ দৈব বানী হলো, 'হে বৎস, তিষ্ট। তোমরা পৃথিবীতে গোকুলে শ্রীহরিকে পুত্র রুপেই দর্শন লাভ করবে। হে বসু শ্রেষ্ট দ্রোন, হে সতী সাধ্বী ধরা, যোগীরা বহু জন্ম ধ্যান করেও যাঁর দর্শন লাভ করতে পারেন না, ব্রহ্মা, শিব প্রমুখ দেব শ্রেষ্ট গন, যাঁর পাদপদ্ম বন্দনা করেন। বিদ্যান ব্যক্তিরা যাঁর শ্রীচরণকমল স্মরণ করে ধন্য হন, সেই পরমারাধ্য প্রভূ শ্রীহরি অচিরেই গোকুলে তোমাদের পুত্র রুপে দর্শন দেবেন।'

 সেই দৈব বানী শুনে বসু দ্রোন ও তাঁর স্ত্রী ধরা মহানন্দে অাত্ম বিসর্জনের চিন্তা বাদ দিয়ে, অাপন ভবনে গমন করলেন। তার পরবর্তী জন্মে তাঁরা ব্রজ মন্ডলে নন্দ মহারাজ ও যশোদা রুপে জন্ম গ্রহন করেন।

দ্বাপরে শ্রীকৃষ্ণ পূর্ব্ব জন্মের প্রতিশ্রুত দুটি বরকেই সফল রুপ দান করেন। তার মধ্যে একটি বর দ্রোন ও ধরাকে দেয়া। তারও অাগে বসুদেব ও দেবকীকে সত্য যুগে বর দিয়ে ছিলেন তাঁদের কোলে পুত্র রুপে অাসবেন বলে।

সত্য যুগে বসুদেব ছিলেন সুতপা নামের প্রজাপতি। স্ত্রী দেবকী ছিলেন সুতপার স্ত্রী পৃশ্নি। এই সুতপা ও পৃশ্নি ১২০০০ বার হাজার বছর বৃন্তচ্যুত পাতা ও বায়ু ভক্ষন করে গোবিন্দ দর্শনের জন্য কঠোর তপস্যা করে ছিলেন। তপস্যায় তুষ্ট হয়ে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বর দান করেছিলেন, 'অবিকল চতুর্ভূজ নারায়ন হয়ে পুত্র রুপে তাঁদের গর্ভে অাসবেন।'

তাই শ্রীকৃষ্ণ, সুতপা ও পৃশ্নির পরবর্তী জন্ম বসুদেব ও দেবকীর অষ্টম গর্ভে স্বয়ং জন্ম গ্রহন করে নন্দ মহারাজ ও যশোদার কোলে পুত্র রুপে লালিত পালিত হয়ে তাঁর দেওয়া দুটো বরকেই পূরন করলেন। কংসকে হত্যা করে নিজ পিতামাতা বসুদেব ও দেবকীকে কংসের কারাগার থেকে মুক্ত করে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ও ভাই বলরাম গিয়ে ছিলেন সন্ধীপন মুনির অাশ্রমে বিদ্যা শিক্ষা অর্জন করার জন্য।

বিদ্যা শিক্ষা শেষে কৃষ্ণ-বলরাম তাঁদের পিতা-মাতার কাছে ফিরে যেতে গুরু সন্ধীপন মুনির কাছে অনুমতি চাইলে, মুনিবর তাদের ফিরে যাবার অনুমতি দিচ্ছিলেন না। কারন মুনির একমাত্র পুত্র সৌমিক নদীতে স্নান করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে ছিলেন। কৃষ্ণ, বলরামকে পেয়ে মুনিবর তাঁর পুত্র শোক ভূলে ছিলেন। এখন তাঁরা চলে গেলে মুনির পুত্র শোকের অাগুন অাবার দাউ, দাউ করে জ্বলে উঠবে। তাই গুরুজী তাঁদেরকে যাবার অনুমতি দিচ্ছিলেন না। পরে শর্ত দিয়েছিলেন যে, যদি শ্রীকৃষ্ণ তাঁর নিখোজ পুত্রকে উদ্ধার করে এনে দেন, তাহলে তাঁদের যেতে দেবেন।

 পরে শ্রীকৃষ্ণ যমপুরী থেকে গুরুপুত্র সৌমিককে উদ্ধার করে এনে গুরু বাক্য পালন করে ছিলেন। গুরুগৃহ থেকে কৃষ্ণ, বলরাম যখন পিতা, মাতা বসুদেব, দেবকীর কাছে ফিরে অাসলেন। তখন একদিন দেখলেন, মা দেবকী কান্না করছেন। মাতৃদেবীকে বিষন্ন ও সজল নয়না দেখে কৃষ্ণ হেতু জিজ্ঞাসা করলেন। উত্তরে দেবকী বললেন, "তুমি কি অামার বিষন্নতা দূর করতে পারবে? হে কৃষ্ণ অাজ অামি যেটা চাইবো, সেটা তুমি অামায় দিতে পারবে?"

প্রত্যুক্তরে কৃষ্ণ বললেন, "হে মাতঃ, তুমি যদি চাও, এই ত্রিভূবন কেনো? নিজের জীবনও তোমার চরণ কমলে উৎসর্গ করতে পারি। বলো মাতঃ তোমার বিষন্নতার হেতু কী?"

দেবকী বললেন, "হে প্রিয় পুত্র কৃষ্ণ, অামি বড়ই দুঃখী। পুত্র শোকে কাতর। অামার গর্ভের ১ম হতে ৬ষ্ট সন্তানকে জন্মের পরেই কংস নির্ম্মম ভাবে অাঁছড়ে চোখের সামনেই হত্যা করেছে। সেই বিভীষিকা এখনও অামি ভূলতে পারি না। এরা তোমারই অগ্রজ ভাই। পুত্রদের এ হেনো
শোক অামি ভূলি কী করে?"

দেবকী আরও বললেন, "হে কৃষ্ণ অামার, অামি দেবর্ষি নারদের মুখে শুনেছি, তুমি গুরু পুত্রকে উদ্ধার করে গুরুর কাছে ফিরিয়ে দিয়ে গুরু সত্য রক্ষা করেছো। তোমার কাছে এই দুঃখিনী মা বিনতি করছে, তুমি কি অামার ৬ সন্তানকে অামার কাছে ফিরিয়ে দিতে পারো না?"

প্রত্যুত্তরে শ্রীকৃষ্ণ বললেন, "হে জননী, তোমার অশ্রু মুছে দিতে, মাতৃ সত্য রক্ষা করতে অামি যথা সাধ্য চেষ্টা করবো। অামায় অাশির্বাদ করো।"

এর পরের ঘটনা আমরা জানি, দেবকীর যে  ৬ সন্তানকে কংস হত্যা করেছিলো। তাঁর ৭ম গর্ভে ছিল শ্রীনারায়নের অনন্ত বাসুকী অবতার বলরাম, যাঁকে শ্রী নারায়ন তাঁর যোগমায়ার মাধ্যমে গর্ভ স্থানান্তর করে বসুদেবের বড় স্ত্রী রোহিনীর গর্ভে স্থানান্তর করে ছিলেন। ৮ম গর্ভে ছিলেন, শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং নিজে, যাঁকে নন্দ ও যশোদার ঘরে স্থানান্তর করা হয়ে ছিলো।

প্রসঙ্গ ক্রমে জেনে নেই দেবকীর প্রথম ৬ সন্তান পূর্ব্ব জন্মে কারা ছিলেন। পুরানে অাছে, দেবকীর প্রথম ৬ সন্তান ছিলেন, পূর্ব্ব জন্মে শ্রী ব্রহ্মার অভিশপ্ত পুত্র। ব্রহ্মার অভিশপ্ত পুত্র হওয়ার কারন আছে।

ব্রহ্মার একজন মেয়ে সন্ধ্যা রানী। দিবা অার রাত্রির সন্ধিক্ষন হলেন, সন্ধ্যা রানী, ছিলেন অপ্সরা সুন্দরী। সন্ধ্যার রুপে মুগ্ধ হয়ে, ব্রহ্মা অাকৃষ্ট হলেন। ব্রহ্মার কোপানল থেকে বাঁচার জন্য সন্ধ্যা রানী দৌঁড়াতে, দৌঁড়াতে অবশেষে ব্রহ্মার পুত্রদের মাঝে অবস্থান নিয়ে কুৎসিৎ রুপ ধারন করলেন। শ্রী ব্রহ্মার এ হেনো কান্ডে দুঃখিত হয়ে ব্রহ্মার পুত্ররা তাঁকে তিরস্কার করলেন। বললেন, "হে প্রভূ, অাপনার এ হেনো কাজ অশোভনীয়।"

পিতৃ নিন্দা করেছেন বলে, ব্রহ্মার পুত্ররা পাপ গ্রস্থ হলেন। ব্রহ্মা অভিশাপ দিলেন, ৬ জন্ম তাঁদেরকে পৃথিবীতে জন্ম নিয়ে, জন্ম-মৃৃত্যুর দুঃখ যন্ত্রনা ভোগ করতে হবে। এই ৬ পুত্রই দেবকীর ১ম হতে ৬ষ্ট গর্ভ পর্যন্ত জন্ম গ্রহন করে ছিলেন।

যা হোক। দেবকীর ৬ সন্তান ফিরিয়ে দিয়ে মায়ের দুঃখ মোচন ও মাতৃ সত্য রক্ষার জন্য ভগবান শ্রীকৃষ্ণ চিন্তিত হয়ে পড়লেন। যোগ নিদ্রায় জানতে পারলেন, এই ৬ সন্তান যম পুরীতে নেই। আছে পাতালের হিরণ্য পুরী তথা রাক্ষস পুরীতে। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তখন, পাতালে প্রবেশ করে তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে এলেন মাতা দেবকীর সন্মুখে। ৬ সন্তান তখন নিজেদের পরিচয় দিয়ে বলছেন, "মাতঃ অামরা অভিশপ্ত ব্রহ্মাপুত্র। কিন্তু, শ্রীকৃষ্ণের স্পর্শে অামরা পাপ মুক্ত হয়ে গিয়েছি। অাপনি অামাদের অনুমতি করুণ, অামরা এবার পুনরায় ব্রহ্মলোকে ফিরে যাবো।"

 ভগবান শ্রীকৃষ্ণের স্পর্শে পাপ মুক্ত হয়ে তাঁরা পুনঃ ব্রহ্মলোক প্রাপ্ত হয়ে সেখানেই ফিরে গেলেন।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
   
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



নন্দ বাবা ও যশোমতী মায়ের পূর্ব জন্মের পরিচয় 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/blog-post_11.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁নন্দ বাবা ও যশোমতী মায়ের পূর্ব জন্মের পরিচয়꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
আমাদের প্রাণগোবিন্দের জাগতিক পিতামাতা, বসুদেব, দেবকী, নন্দ মহারাজ ও মা যশোদার পূর্ব্ব জন্মের কথা জানতে অনেকেরই বড় কৌতুহল হয়। তাই আমরা চেষ্টা করছি মা যশোদা ও নন্দ মহারাজের পূর্ব্ব জন্মে কারা ছিলেন, সেই সম্পর্কে কিছু আলোকপাত করার।

একদিন দেবর্ষি নারদ মুনি পরম করুণাময়  গোলকঅধিপতি সচ্চিদানন্দ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের পিতা ও মাতা ( নন্দ বাবা ও যশোমতী মায়ের ) পূর্ব জন্মের কথা শ্রীনারায়নের নিকট জানতে চাইলেন। তখন শ্রীনারায়ন নারদ মুনিকে মা যশোদা ও  নন্দ মহারাজের পূর্ব্ব জন্মের পরিচয় জ্ঞাতার্থে করে বলেছেন। যা ব্রহ্মবৈবর্ত পুরানে উল্লেখ আছে। 

"নন্দ মহারাজ ছিলেন বসু গনের মধ্যে শ্রেষ্ট। তাঁর নাম ছিলো দ্রোন। তিনি মহান তপস্বী ছিলেন। তাঁর স্ত্রীর নাম ছিলো ধরা। তিনিও এক মহান তপস্বিনী ছিলেন। সেই মহান তপস্বী বসু দ্রোন ও তাঁর স্ত্রী মহান তপস্বিনী সাধ্বী ধরা। পরবর্তী জন্মে নন্দ মহারাজ ও মা যশোদা রুপে আবির্ভূত হয়েছেন।

 একদিন এই দ্রোন ও ধরা, পূন্য ভূমি ভারত বর্ষের গন্ধ মাদন পর্ব্বতে, ঋষি গৌতমের অাশ্রমের কাছে, সুপ্রভা নদীর তটে গোবিন্দকে দর্শনের প্রত্যাশায় ১০,০০০ দশ হাজার বছর  কঠোর তপস্যা করে ছিলেন। তবুও এই তপস্বী জুটি শ্রীকৃষ্ণের দর্শন লাভে ব্যর্থ হয়েছেন। তখন তাঁরা অদম্য কৃষ্ণ প্রেমের বৈরাগ্য বশতঃ অগ্নি কুন্ড প্রস্তুত করলেন। সেই অগ্নি কুন্ডে স্বামী-স্ত্রী প্রবেশ করে আত্ম বিসর্জন দানের কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়ে অগ্নি কুন্ডের সামনে উপস্থিত হলেন।

তাঁদের এই নির্ম্মম ভাবে প্রান বিসর্জনে ইচ্ছুক দেখে, হঠাৎ দৈব বানী হলো, 'হে বৎস, তিষ্ট। তোমরা পৃথিবীতে গোকুলে শ্রীহরিকে পুত্র রুপেই দর্শন লাভ করবে। হে বসু শ্রেষ্ট দ্রোন, হে সতী সাধ্বী ধরা, যোগীরা বহু জন্ম ধ্যান করেও যাঁর দর্শন লাভ করতে পারেন না, ব্রহ্মা, শিব প্রমুখ দেব শ্রেষ্ট গন, যাঁর পাদপদ্ম বন্দনা করেন। বিদ্যান ব্যক্তিরা যাঁর শ্রীচরণকমল স্মরণ করে ধন্য হন, সেই পরমারাধ্য প্রভূ শ্রীহরি অচিরেই গোকুলে তোমাদের পুত্র রুপে দর্শন দেবেন।'

 সেই দৈব বানী শুনে বসু দ্রোন ও তাঁর স্ত্রী ধরা মহানন্দে অাত্ম বিসর্জনের চিন্তা বাদ দিয়ে, অাপন ভবনে গমন করলেন। তার পরবর্তী জন্মে তাঁরা ব্রজ মন্ডলে নন্দ মহারাজ ও যশোদা রুপে জন্ম গ্রহন করেন।

দ্বাপরে শ্রীকৃষ্ণ পূর্ব্ব জন্মের প্রতিশ্রুত দুটি বরকেই সফল রুপ দান করেন। তার মধ্যে একটি বর দ্রোন ও ধরাকে দেয়া। তারও অাগে বসুদেব ও দেবকীকে সত্য যুগে বর দিয়ে ছিলেন তাঁদের কোলে পুত্র রুপে অাসবেন বলে।

সত্য যুগে বসুদেব ছিলেন সুতপা নামের প্রজাপতি। স্ত্রী দেবকী ছিলেন সুতপার স্ত্রী পৃশ্নি। এই সুতপা ও পৃশ্নি ১২০০০ বার হাজার বছর বৃন্তচ্যুত পাতা ও বায়ু ভক্ষন করে গোবিন্দ দর্শনের জন্য কঠোর তপস্যা করে ছিলেন। তপস্যায় তুষ্ট হয়ে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বর দান করেছিলেন, 'অবিকল চতুর্ভূজ নারায়ন হয়ে পুত্র রুপে তাঁদের গর্ভে অাসবেন।'

তাই শ্রীকৃষ্ণ, সুতপা ও পৃশ্নির পরবর্তী জন্ম বসুদেব ও দেবকীর অষ্টম গর্ভে স্বয়ং জন্ম গ্রহন করে নন্দ মহারাজ ও যশোদার কোলে পুত্র রুপে লালিত পালিত হয়ে তাঁর দেওয়া দুটো বরকেই পূরন করলেন। কংসকে হত্যা করে নিজ পিতামাতা বসুদেব ও দেবকীকে কংসের কারাগার থেকে মুক্ত করে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ও ভাই বলরাম গিয়ে ছিলেন সন্ধীপন মুনির অাশ্রমে বিদ্যা শিক্ষা অর্জন করার জন্য।

বিদ্যা শিক্ষা শেষে কৃষ্ণ-বলরাম তাঁদের পিতা-মাতার কাছে ফিরে যেতে গুরু সন্ধীপন মুনির কাছে অনুমতি চাইলে, মুনিবর তাদের ফিরে যাবার অনুমতি দিচ্ছিলেন না। কারন মুনির একমাত্র পুত্র সৌমিক নদীতে স্নান করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে ছিলেন। কৃষ্ণ, বলরামকে পেয়ে মুনিবর তাঁর পুত্র শোক ভূলে ছিলেন। এখন তাঁরা চলে গেলে মুনির পুত্র শোকের অাগুন অাবার দাউ, দাউ করে জ্বলে উঠবে। তাই গুরুজী তাঁদেরকে যাবার অনুমতি দিচ্ছিলেন না। পরে শর্ত দিয়েছিলেন যে, যদি শ্রীকৃষ্ণ তাঁর নিখোজ পুত্রকে উদ্ধার করে এনে দেন, তাহলে তাঁদের যেতে দেবেন।

 পরে শ্রীকৃষ্ণ যমপুরী থেকে গুরুপুত্র সৌমিককে উদ্ধার করে এনে গুরু বাক্য পালন করে ছিলেন। গুরুগৃহ থেকে কৃষ্ণ, বলরাম যখন পিতা, মাতা বসুদেব, দেবকীর কাছে ফিরে অাসলেন। তখন একদিন দেখলেন, মা দেবকী কান্না করছেন। মাতৃদেবীকে বিষন্ন ও সজল নয়না দেখে কৃষ্ণ হেতু জিজ্ঞাসা করলেন। উত্তরে দেবকী বললেন, "তুমি কি অামার বিষন্নতা দূর করতে পারবে? হে কৃষ্ণ অাজ অামি যেটা চাইবো, সেটা তুমি অামায় দিতে পারবে?"

প্রত্যুক্তরে কৃষ্ণ বললেন, "হে মাতঃ, তুমি যদি চাও, এই ত্রিভূবন কেনো? নিজের জীবনও তোমার চরণ কমলে উৎসর্গ করতে পারি। বলো মাতঃ তোমার বিষন্নতার হেতু কী?"

দেবকী বললেন, "হে প্রিয় পুত্র কৃষ্ণ, অামি বড়ই দুঃখী। পুত্র শোকে কাতর। অামার গর্ভের ১ম হতে ৬ষ্ট সন্তানকে জন্মের পরেই কংস নির্ম্মম ভাবে অাঁছড়ে চোখের সামনেই হত্যা করেছে। সেই বিভীষিকা এখনও অামি ভূলতে পারি না। এরা তোমারই অগ্রজ ভাই। পুত্রদের এ হেনো
শোক অামি ভূলি কী করে?"

দেবকী আরও বললেন, "হে কৃষ্ণ অামার, অামি দেবর্ষি নারদের মুখে শুনেছি, তুমি গুরু পুত্রকে উদ্ধার করে গুরুর কাছে ফিরিয়ে দিয়ে গুরু সত্য রক্ষা করেছো। তোমার কাছে এই দুঃখিনী মা বিনতি করছে, তুমি কি অামার ৬ সন্তানকে অামার কাছে ফিরিয়ে দিতে পারো না?"

প্রত্যুত্তরে শ্রীকৃষ্ণ বললেন, "হে জননী, তোমার অশ্রু মুছে দিতে, মাতৃ সত্য রক্ষা করতে অামি যথা সাধ্য চেষ্টা করবো। অামায় অাশির্বাদ করো।"

এর পরের ঘটনা আমরা জানি, দেবকীর যে  ৬ সন্তানকে কংস হত্যা করেছিলো। তাঁর ৭ম গর্ভে ছিল শ্রীনারায়নের অনন্ত বাসুকী অবতার বলরাম, যাঁকে শ্রী নারায়ন তাঁর যোগমায়ার মাধ্যমে গর্ভ স্থানান্তর করে বসুদেবের বড় স্ত্রী রোহিনীর গর্ভে স্থানান্তর করে ছিলেন। ৮ম গর্ভে ছিলেন, শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং নিজে, যাঁকে নন্দ ও যশোদার ঘরে স্থানান্তর করা হয়ে ছিলো।

প্রসঙ্গ ক্রমে জেনে নেই দেবকীর প্রথম ৬ সন্তান পূর্ব্ব জন্মে কারা ছিলেন। পুরানে অাছে, দেবকীর প্রথম ৬ সন্তান ছিলেন, পূর্ব্ব জন্মে শ্রী ব্রহ্মার অভিশপ্ত পুত্র। ব্রহ্মার অভিশপ্ত পুত্র হওয়ার কারন আছে।

ব্রহ্মার একজন মেয়ে সন্ধ্যা রানী। দিবা অার রাত্রির সন্ধিক্ষন হলেন, সন্ধ্যা রানী, ছিলেন অপ্সরা সুন্দরী। সন্ধ্যার রুপে মুগ্ধ হয়ে, ব্রহ্মা অাকৃষ্ট হলেন। ব্রহ্মার কোপানল থেকে বাঁচার জন্য সন্ধ্যা রানী দৌঁড়াতে, দৌঁড়াতে অবশেষে ব্রহ্মার পুত্রদের মাঝে অবস্থান নিয়ে কুৎসিৎ রুপ ধারন করলেন। শ্রী ব্রহ্মার এ হেনো কান্ডে দুঃখিত হয়ে ব্রহ্মার পুত্ররা তাঁকে তিরস্কার করলেন। বললেন, "হে প্রভূ, অাপনার এ হেনো কাজ অশোভনীয়।"

পিতৃ নিন্দা করেছেন বলে, ব্রহ্মার পুত্ররা পাপ গ্রস্থ হলেন। ব্রহ্মা অভিশাপ দিলেন, ৬ জন্ম তাঁদেরকে পৃথিবীতে জন্ম নিয়ে, জন্ম-মৃৃত্যুর দুঃখ যন্ত্রনা ভোগ করতে হবে। এই ৬ পুত্রই দেবকীর ১ম হতে ৬ষ্ট গর্ভ পর্যন্ত জন্ম গ্রহন করে ছিলেন।

যা হোক। দেবকীর ৬ সন্তান ফিরিয়ে দিয়ে মায়ের দুঃখ মোচন ও মাতৃ সত্য রক্ষার জন্য ভগবান শ্রীকৃষ্ণ চিন্তিত হয়ে পড়লেন। যোগ নিদ্রায় জানতে পারলেন, এই ৬ সন্তান যম পুরীতে নেই। আছে পাতালের হিরণ্য পুরী তথা রাক্ষস পুরীতে। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তখন, পাতালে প্রবেশ করে তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে এলেন মাতা দেবকীর সন্মুখে। ৬ সন্তান তখন নিজেদের পরিচয় দিয়ে বলছেন, "মাতঃ অামরা অভিশপ্ত ব্রহ্মাপুত্র। কিন্তু, শ্রীকৃষ্ণের স্পর্শে অামরা পাপ মুক্ত হয়ে গিয়েছি। অাপনি অামাদের অনুমতি করুণ, অামরা এবার পুনরায় ব্রহ্মলোকে ফিরে যাবো।"

 ভগবান শ্রীকৃষ্ণের স্পর্শে পাপ মুক্ত হয়ে তাঁরা পুনঃ ব্রহ্মলোক প্রাপ্ত হয়ে সেখানেই ফিরে গেলেন।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
   
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



পিতার মাতার প্রধান দায়িত্ব এবং কর্তব্য 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/httpsm_35.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    ꧁ পিতার মাতার প্রধান দায়িত্ব এবং কর্তব্য ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
মাতৃ প্রণাম মন্ত্র- ভূমেগরীয়সী মাতা স্বাগাৎ উচ্চতর পিতা জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী। 

গর্ভ ধারণ্যং পোষ্যভাং পিতুমাতা বিশ্বস্তে। 
সর্বদেব সরুপায় স্তন্মৈমাত্র নমঃ নমঃ।।

মাতা জননী ধরিত্রী, দয়াদ্র হৃদয়া সতী।
দেবীভ্যো রমণী শ্রেষ্ঠা নির্দ্দোশা সর্ব দুঃখ হারা।। 

ওঁ শান্তিরূপাং ক্ষমারূপাং স্নেহরূপাং শুভংকরীং।
সাক্ষাৎ ভগবতীদেবীং মাতরং ত্বাং নমাম্যহম্।।

পিতৃ প্রণাম মন্ত্র- পিতাস্বর্গঃ পিতা ধর্মঃ পিতাহি পরমংতপঃ।
পিতরি প্রীতিমাপন্নে প্রীয়ন্তে সর্বদেবতা।। 
নমঃ পিতৃ চরণেভ্য নমঃ।।

প্রত্যেক পিতা মাতার উচিত তাদের নিজ নিজ সন্তানকে সুপথে পরিচালনা করা এর জন্য প্রয়োজন তাদের সন্তান কে কৃষ্ণভক্তে পরিনত করা। যাতে তার সন্তান সারা জীবন সৎ থাকে পরবর্তীতে ভগবানের কাছে চলে যেতে পারে এটাই হচ্ছে আর্দশ পিতা মাতার কর্তব্য। 

বৈবর্ত্ত পুরাণে (৮/৯৫/৯৬.) বলা হয়েছে, গুরু পিতা বা স্বামী যদি শ্রীহরির প্রতি ভক্তি শিক্ষা না দেয় তবে তাদের সম্মান করা সার। আমাদের পিতা মাতা যদি কৃষ্ণ ভক্তির শিক্ষা নাও দিয়ে থাকে তাহলেও অবজ্ঞা করা উচিত নয় আমরা যেন এই ভূলটি না করি।

একমাত্র অসুর প্রকৃতি পিতা-মাতাই কৃষ্ণ ভক্তির শিক্ষা দেয় না। যেমন -হিরণ্যকশিপু প্রহল্বাদকে হরি নাম নিতে দিত না। 

বর্তমানে সবাই সবার পুত্র সন্তানদের নিয়ে মর্ডান যুগের এর শিক্ষা দিচ্ছে। আগে কারো পুত্রের নাম হত গোবিন্দ, কারো নাম হত কৃষ্ণ আর ও কত কি? বর্তমানে নাম রাখা হচ্ছে অনেক আধুনিক আধুনিক নাম।

একটা দু:খের কথা হল একজন মা আরেক জন মায়ের কাছে গল্প করে আমার ছেলে খুব স্টাইলিশ, প্রতিদিন সিনেমা হলে যায়, ক্লাবে যায়, খুব স্মার্ট,গলায় কত রকমের হার পড়ে,হাতে কত ধরনের ব্যাজ পড়ে।

কিন্তু যদি কোন রকমে জানতে পারে যে তার ছেলেটি মন্দিরে যাচ্ছে, গলায় তুলসী মালা পড়েছে তাহলে তো ঐ পিতামাতার মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ল।

তখন ছেলেটিকে বুঝায় বাবা তোমার বয়স হয়নি, তুমি এখনো ছোট, তোমার ধর্ম কর্ম করার অনেক সময় পড়ে রয়েছে এখন এগুলো করিও না। 

শাস্ত্রে বলা হয়েছে যে পুত নামক নরক থেকে যে উদ্ধার করতে পারবে তার নামই হল পুত্র। তাই সবার উচিত নিজ নিজ সন্তানকে ধর্মীয় শিক্ষা দান করা ।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧     ⬇️⬇️⬇️এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন⬇️⬇️⬇️

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



পিতার মাতার প্রধান দায়িত্ব এবং কর্তব্য 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/04/httpsm_35.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    ꧁ পিতার মাতার প্রধান দায়িত্ব এবং কর্তব্য ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
মাতৃ প্রণাম মন্ত্র- ভূমেগরীয়সী মাতা স্বাগাৎ উচ্চতর পিতা জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী। 

গর্ভ ধারণ্যং পোষ্যভাং পিতুমাতা বিশ্বস্তে। 
সর্বদেব সরুপায় স্তন্মৈমাত্র নমঃ নমঃ।।

মাতা জননী ধরিত্রী, দয়াদ্র হৃদয়া সতী।
দেবীভ্যো রমণী শ্রেষ্ঠা নির্দ্দোশা সর্ব দুঃখ হারা।। 

ওঁ শান্তিরূপাং ক্ষমারূপাং স্নেহরূপাং শুভংকরীং।
সাক্ষাৎ ভগবতীদেবীং মাতরং ত্বাং নমাম্যহম্।।

পিতৃ প্রণাম মন্ত্র- পিতাস্বর্গঃ পিতা ধর্মঃ পিতাহি পরমংতপঃ।
পিতরি প্রীতিমাপন্নে প্রীয়ন্তে সর্বদেবতা।। 
নমঃ পিতৃ চরণেভ্য নমঃ।।

প্রত্যেক পিতা মাতার উচিত তাদের নিজ নিজ সন্তানকে সুপথে পরিচালনা করা এর জন্য প্রয়োজন তাদের সন্তান কে কৃষ্ণভক্তে পরিনত করা। যাতে তার সন্তান সারা জীবন সৎ থাকে পরবর্তীতে ভগবানের কাছে চলে যেতে পারে এটাই হচ্ছে আর্দশ পিতা মাতার কর্তব্য। 

বৈবর্ত্ত পুরাণে (৮/৯৫/৯৬.) বলা হয়েছে, গুরু পিতা বা স্বামী যদি শ্রীহরির প্রতি ভক্তি শিক্ষা না দেয় তবে তাদের সম্মান করা সার। আমাদের পিতা মাতা যদি কৃষ্ণ ভক্তির শিক্ষা নাও দিয়ে থাকে তাহলেও অবজ্ঞা করা উচিত নয় আমরা যেন এই ভূলটি না করি।

একমাত্র অসুর প্রকৃতি পিতা-মাতাই কৃষ্ণ ভক্তির শিক্ষা দেয় না। যেমন -হিরণ্যকশিপু প্রহল্বাদকে হরি নাম নিতে দিত না। 

বর্তমানে সবাই সবার পুত্র সন্তানদের নিয়ে মর্ডান যুগের এর শিক্ষা দিচ্ছে। আগে কারো পুত্রের নাম হত গোবিন্দ, কারো নাম হত কৃষ্ণ আর ও কত কি? বর্তমানে নাম রাখা হচ্ছে অনেক আধুনিক আধুনিক নাম।

একটা দু:খের কথা হল একজন মা আরেক জন মায়ের কাছে গল্প করে আমার ছেলে খুব স্টাইলিশ, প্রতিদিন সিনেমা হলে যায়, ক্লাবে যায়, খুব স্মার্ট,গলায় কত রকমের হার পড়ে,হাতে কত ধরনের ব্যাজ পড়ে।

কিন্তু যদি কোন রকমে জানতে পারে যে তার ছেলেটি মন্দিরে যাচ্ছে, গলায় তুলসী মালা পড়েছে তাহলে তো ঐ পিতামাতার মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ল।

তখন ছেলেটিকে বুঝায় বাবা তোমার বয়স হয়নি, তুমি এখনো ছোট, তোমার ধর্ম কর্ম করার অনেক সময় পড়ে রয়েছে এখন এগুলো করিও না। 

শাস্ত্রে বলা হয়েছে যে পুত নামক নরক থেকে যে উদ্ধার করতে পারবে তার নামই হল পুত্র। তাই সবার উচিত নিজ নিজ সন্তানকে ধর্মীয় শিক্ষা দান করা ।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧     ⬇️⬇️⬇️এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন⬇️⬇️⬇️

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



adds