শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

৬. ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মৃত্তিকা ভক্ষণ ও বিশ্বরূপ দর্শন লীলা 🌷 SRI KRISHNA LEELA ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 🥀 JOYDEB DAWN 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_83.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ ৬. ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মৃত্তিকা ভক্ষণ ও বিশ্বরূপ দর্শন লীলা 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
               ꧁ শ্রীকৃষ্ণ লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
🌻মৃত্তিকা ভক্ষণ ও বিশ্বরূপ দর্শন গৌরচন্দ্রিকা🌻*
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*একমুখে কি কহিব গোরাচাঁদের লীলা*।
*হামাগুড়ি নানা রঙ্গে যায় শচীবালা।।*
*লালে মুখ ঝর ঝর দেখিতে সুন্দর*।
*পাকা বিম্বফল জিনি সুন্দর অধর।।*
*অঙ্গদ বলয়া শোভে সুবাহু-যুগলে*।
*চরণে মগড়া খাড়ু বাঘনখ গলে।।*
*সোনার শিকলি পীঠে পাটের থোপনা।*
*বাসুদেবঘোষ কহে নিছনি আপনা।।*
বাল‍্যলীলা মৃত্তিকা ভক্ষণ ও বিশ্বরূপ দর্শন:----------------
*রাম, কৃষ্ণ ও সখাগণসহ মিলিত হইয়া গোপরাজ নন্দের সুবিস্তৃত(অনেক বড়) অঙ্গনে ছুটাছুটি, লাফালাফি প্রভৃতি
নানাবিধ বাল‍্যক্রীড়া করিতে আরম্ভ করিলেন। পরিশেষে তাঁরা সকলেই অন্তঃপুরের অঙ্গন হইতেবহিরঙ্গনে আগমন করিলেন এবং সেখানে ধূলো মাটি লইয়া নানাবিধ খেলা
করিতে আরম্ভ করিলেন। মা যশোদা তখন বহিরঙ্গন সংলগ্ন অন্তঃপুর দ্বারে উপস্থিত হয়ে বলরাম এবং অন‍্যান‍্য সকলকে
বললেন, তোরা কৃষ্ণকে নিয়ে এখানেই খেলা কর। কিন্তু সাবধান , কৃষ্ণ যেন বাহিরে না যায়। তখন বলরাম ও সখা
গণ বললেন, মা!আমরা এখানেই খেলা করিব, এবং
সর্বদা আমাদের কৃষ্ণকে ঘিরিয়া থাকিব, কিছুতেই
তাঁহাকে অন‍্যত্র যেতে দিব না। চতুরের শিরোমণি কৃষ্ণ বললেন,মা! আমি আর বাহিরে যাব না। সর্বদা বাড়ীতে থাকব। তখন মা বললেন, হ্যাঁ বাপ! অঙ্গনে খেলা কর। এই কথা বলিয়া মা যশোমতী অন্তঃপুরে গমন করিলেন, ও
পুত্র,সখাগণের জন্য নানাবিধ খাদ্য প্রস্তুত করতে লাগলেন।
রাম, কৃষ্ণ এবং গোপবালকগণ ধূলোমাটি লইয়া খেলা করতে করতে ধূলো মাটি দিয়ে তাঁহাদের ঘর করতে ইচ্ছে হইল। সকলেই অঙ্গনের ধূলোয় ছোট ছোট স্তূপ করিয়া তাহা দ্বারাগৃহ নির্মাণে রত হল এবং সকলেই ছোট ছোট ধূলার স্তূপকে ঘরের আকৃতি করিল। কিন্তু যশোদা
নন্দন কিছুতেই গৃহনির্মাণে সক্ষম হইলেন না। তিনি যত
বার ধূলার স্তূপকে গৃহাকৃতি করতে যান,ততবারই ধসিয়া
পড়ে যায়। ইহা দেখে সমস্ত সখাগণ হাস‍্য ও নৃত‍্য করতে লাগলেন এবং সবাই বলতে লাগলেন, কানাই তোর পরাজয় হয়েছে।(লীলাময়ের লীলার ভঙ্গি অতি দুর্জ্ঞেয়। যাঁহার ইঙ্গিতে অনন্তকোটি বিশ্ব সৃষ্টি হয়, তিনি পরম যত্নেও ধূলার স্তূপকে গৃহাকৃতি করতে সক্ষম হচ্ছেন না! যাঁহার চরণাশ্রয়ে
যোগশক্তিসম্পন্ন বিশ্বামিত্র, ব্রহ্মাকে নির্জ্জিত করিবার জন্য দ্বিতীয় ব্রহ্মান্ড রচনা করিতে প্রস্তুত হয়েছিলেন, যাঁহারা
কৃপাদত্ত সৃষ্টিশক্তিতে ব্রহ্মা জগৎস্রষ্টা, সেই সর্বকারণ কারণ সর্বেশ্বর শ্রীকৃষ্ণ ব্রজলীলায় ধূলোর স্তূপকে গৃহাকৃতি করতে গিয়ে কতশতবার বিফল মনোরথ হলেন। লীলা ময়ের এই ভঙ্গি কে বুঝিবে? অনন্তকোটি ব্রহ্মান্ড সৃষ্টি করতে যাঁহার সম্পূর্ণ দৃষ্টিরও প্রয়োজন হয় না। কেবলমাত্র
ইঙ্গিতই যথেষ্ট।

স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বিশুদ্ধ বাৎসল‍্যবতী মা যশোদার অন্তরের কথা জানতে পারিয়া, যশোদা নন্দন তাঁহার
জননী কে বলিলেন, আমি মাটি খেয়েছি কি না, আমার মুখ
দেখিয়া পরখ কর, মা যশোদা পুত্রের কথা শুনিয়া বললেন
"যদ‍্যেবং তর্হি ব‍্যাদেহি"--- যদি প্রকৃতই তুই মাটি না খেয়ে থাকিস,তাহা হইলে হাঁ কর, দেখি তোর মুখে মাটি আছে কি না। মায়ের আদেশ মাত্র গোপাল মুখব‍্যাদান করিলেন,
দেখিয়া মনে হয় যেন মাতৃকোপরবিকিরণ- সম্পাতে কৃষ্ণের মুখ নীলকমল তৎক্ষণাৎ বিকশিত হয়ে উঠিল।মা যশোদা ভাল করিয়া পরীক্ষা করিবার জন্য ডান হাত তাঁহার ললাটে
দিয়া মাথানত করিয়া ভাল করিয়া দেখতে লাগলেন যে,
গোপালের মুখেমাটি খাওয়ার কোন দাগ আছে কি না।মা তাঁর মুখ মধ‍্যে, তাঁর জিহ্বার মূলদেশে দৃষ্টিপাত করিয়া উদর মধ‍্যে বিশ্বদর্শন করিলেন।
*সা তত্র দদৃশে বিশ্ব়ংজগৎ স্থাস্নু চ খং দিশঃ।
সাদ্রিদ্বীপাব্ধিভূগোলং সবায্বগ্নীন্দুতারকম্।।
জ‍্যোতিশ্চক্রং জলংতেজো নভস্বান্ বিয়দেব চ।
বৈকারিকাণীন্দ্রিয়াণী মনো মাত্রা গুণাস্ত্রয়ঃ।।
অর্থ‍্যাৎ, যশোদা শ্রীকৃষ্ণের জঠর মধ‍্যে জঙ্গম, স্থাবর, অন্তরীক্ষলোক, পর্বত, দ্বীপ, ও সমুদ্র সহিত ভূর্লোক, বায়ু, অগ্নি,চন্দ্র,ওতারকাদিসহ স্বলোক,জল,তেজ, বায়ু, আকাশ, ইন্দ্রিয়াধিষ্ঠাত্রী দেবতা,ইন্দ্রিয়,মনঃ, পঞ্চতন্মাত্র, এবং সত্ত্বাদি ত্রিগুণ প্রভৃতি বস্তু সমন্বিত এই বিশ্ব
দর্শন করিলেন।

মা যশোদা বারে ব‍্যাকুল হলেন এবং পুত্রের উপর ক্রুদ্ধ হলেন। তিনি বাম হাতে কৃষ্ণের দক্ষিন (ডান)হাত ধরে রুক্ষস্বরে বললেন "ওরে দুষ্টু"কেন তুই মাটি খেয়েছিস?
(গোপাল,মা যশোদার মুখে একমাত্র "বাপরে আমার" "বাছারে আমার" "অঞ্চলের নিধি" "হৃদয়ের ধন"প্রভৃতি আদরের কথায় শুনেছেন)। জন্মের পর থেকে কোনদিনই তিনি তাঁহার মায়ের মুখে তিরস্কার বাক‍্য শুনেন নাই, কাজেই গোপাল একেবারে স্তম্ভিত হয়ে গেলেন। তাঁহার বন্ধুক পুষ্পের ন‍্যায় অরুণ অধর দুইখানি স্ফুরিত হয়ে উঠিল, খঞ্জন চঞ্চল নয়ন দুটি স্থির এবং জলভারাকান্ত হয়ে উঠিল।
"বদন্তি তাবকা হ‍্যেতে কুমারাস্তেহগ্ৰজোহপ‍্যয়ম্"।
ওরে অবোধ বালক,তোর মাটি খাওয়ার কথা কি আমি বলছি? এই সমস্ত তোর বয়স‍্য সখাগণ বলছে। তাহারা রহস‍্য
করতে পারে, কিন্তু তোর দাদা বলাইতো মিথ‍্যা বলবে না। তুই অবশ‍্যই মাটি খেয়েছিস। বল কেন তুই মাটি খেয়েছিস?
বলিয়া যশোদা দেখলেন গোপাল ভয়ে থরথর কেঁপে যাচ্ছে
তখন মায়ের মনও কাঁদো কাঁদো হয়ে মৃদুস্বরে বললেন, বাপ! কি হয়েছে তোর, চতুরের শিরোমণি কৃষ্ণ, বললেন, নাহং ভক্ষিতবানম্ব সর্বেমিথ‍্যা্যাভিশংসিনঃ *না মা! আমি মাটি
খাই নাই, আমার সখাগণ মিথ‍্যা কথা বলছে। এই কথা বলিয়া গোপাল মা, মা বলিয়া ডাকিয়া মায়ের মনকে শান্ত করে দিলেন। পুনঃ বললেন মা আমি মাটি খাই নাই। তখন যশোদা পুত্রের নয়ন ভঙ্গি দেখিয়া একে বারে আত্মহারা হয়ে গেলেন, কিন্তু কোথায় যেন একটু সন্দেহ থেকে গেল। ওরা সকলেই বলিল গোপাল মাটি খেয়েছে, আর গোপাল বলছে না।
    ক্রমাগত।

শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে বলেছিলেন- অর্জুন! তুমি যে আমার বিশ্ব
রূপ দর্শন করিলে, তাহা সুদুর্দ্দর্শ। জপ, যোগ, ধ‍্যান, জ্ঞান, তপস‍্যাদি দ্বারা এ রূপ দেখতে পাওয়া যায় না।ইহা কেবলমাত্র অনন‍্য ভক্তিমান ব‍্যক্তিরই দৃশ্য।দেবতাগণ পর্যন্ত আমার এরূপ দেখবার জন্য সর্বদা আকাঙ্ক্ষা করে থাকেন। কিন্তু তাঁহারা দেখতে পাননা। আমি তোমায় দিব‍্যচক্ষু প্রদান করেছিলাম বলিয়া তুমি বিশ্বরূপ দেখেছ।
   ক্রমাগত।


যশোদা তাঁহার পুত্রের মুখ মধ‍্যে জীব,কাল, স্বভাব, কর্ম ও বিচিত্র নানাদেহ সমন্বিত বিশ্ব এবং গোকুল ও কৃষ্ণসহ নিজেকে দেখিয়া শঙ্কা কুল হলেন। এই পরমাদ্ভুত ব‍্যাপার দেখিয়া যশোদা মনে মনে ভাবিলেন,ইহা কি স্বপ্ন বা কোনও দেবতার মায়া, না আমারই বুদ্ধি বিপর্যয়? (কুরুক্ষেত্র যুদ্ধস্থলে শ্রীকৃষ্ণ তাঁহার সখা অর্জুনের প্রার্থনা অনুসারে তাঁহাকে বিশ্বরূপ দেখাইয়া বলেছিলেন-
সুদুর্দ্দর্শমিদং রূপং দৃষ্টবানসি যন্মম।
দেবা অপাস‍্য রূপস‍্য নিত‍্যংদর্শনকাঙ্খিণঃ

কিন্তু মনের ভিতরে আর এক ভাবনা আসিয়া উপস্থিত হইল। আমি আমার পুত্রের মুখ মধ‍্যে যে যে বস্তু দর্শন করিলাম, তবে কি আমার পুত্র ---_------
ইথং বিদিততত্ত্বায়াং গোপীকায়াং ঈশ্বরঃ।
বৈষ্ণবীং ব‍্যতনোন্মায়াং পুত্র-স্নেহময়ীং বিভুঃ।।
অর্থ‍্যাৎ, কৃষ্ণজননী যশোদা এই প্রকার নির্বেদযুক্তা হইলে,
শ্রীকৃষ্ণ তাঁহার স্বরূপ শক্তিরূপা পুত্রস্নেহময়ী নিজমায়া বিস্তার করিলেন। মা যশোদার এই অবস্থা দেখিয়া শ্রীকৃষ্ণ বৈষ্ণবীমায়া বিস্তার করিলেন।
"বৈষ্ণবীমায়া শব্দের অর্থ- ভগবানের নিজ মায়া"।
(কৃষ্ণবহির্মুখ জীবগণ ত্রিগুণময়ী মায়ার মোহে আত্ম-
হারা হয়ে স্ত্রীপুত্রাদিতে মমতা স্থাপন করিয়া নানা-বিধ সংসার-দুঃখ ভোগ করিয়া থাকে। কিন্তু কৃষ্ণ জননী
যশোদা এই ত্রিগুণময়ী মমতা স্থাপন করেন নাই,কেননা
যাহার সহিত কৃষ্ণের সম্বন্ধ নাই, তাহার উপরে মায়ার প্রভাব
বিস্তৃত হয়, যশোদার সঙ্গে কৃষ্ণের গভীর সম্পর্ক, মায়া কি তাহার নিকটস্থ হতে পারে?
মায়ের যে প্রপদ‍্যন্তে মায়ামেতাং তরন্তি তে।
*যে ব‍্যক্তি আমার শরণাপন্ন হয়,সে কেবল শরণাপত্তির
বলেই মায়া-সিন্ধু অতিক্রম করিতে সক্ষম হয়।

#কৃষ্ণের অন্তরঙ্গা মায়ার(বৈষ্ণবীমায়া) স্বভাব এই যে, তিনি
কৃষ্ণভক্তগণকে তাঁহার ভাবানুরূপ সম্বন্ধেই কৃষ্ণের সঙ্গে
সম্বন্ধ করিয়া দেন। মা যশোদা বাৎসল‍্য ভাববতী বলিয়া
বৈষ্ণবীমায়া তাঁহার বাৎসল‍্যভাবের সম্বন্ধই পূর্বাপেক্ষা অধিকতররূপে সুদৃঢ় করিয়া দিলেন।মা
যশোদার হৃদয়ে পুত্র বাৎসল‍্য সিন্ধু পুনঃ ফিরে এলো। মায়ের বাৎসল‍্য ভাব দেখে কৃষ্ণ"মা""মা"বলিয়া ডাকতে লাগিলেন, মা তাঁকে কোলে ধারণ করিয়া শত শত চুম্বন প্রদান করিলেন, কৃষ্ণও ননীদেমা, ননীদেমা বলিয়া মায়ের কন্ঠ জড়িয়ে ধরলেন।
############
বহু বহু বিষয়বস্তু, খুব সামান্য লিখিলাম, বানান,ও ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয়।


🌻🌻🌻ব্রজ লীলা 🌻🌻🌻*
*বালগোপাল রঙ্গে,সমবয় বেশ সঙ্গে*
      *হামাগুড়ি আঙ্গিনায় খেলায়।*
*তেজিয়া মাখন সরে,তুলিয়া কোমল করে*
      *মৃত্তিকা মনের সুখে খায়।।*
*বলরাম তা দেখিয়া,যশোদা নিকট যাঞা*
      *কহিলা ভাইয়ের এই কথা।*
*শুনি তবে যশোমতী,আইলা তুরিত গতি*
      *গোপাল খাইছে মাটি যথা।।*
*মায়ে দেখে মাটি ফেলে,না খাই না খাই বলে*
     *আধ আধ বদন ঢুলায়।*
*মুখ নিরখিয়া রাণী,ধরিয়া তাহার পাণি*
      *মন দুঃখে করে হায় হায়*।।
*এ ক্ষীর নবনী সর,কিবা নাহি মোর ঘর*
      *মৃত্তিকা খাইছ কিবা সুখে।*
*পিতা যার ব্রজরাজ,কি তার এমন কাজ*
     *শুনিলে হইবে মন দুঃখে।।*
*এতেক বলিয়া রাণী,কোলে করি নীলমণি*
       *ছল ছল ভেল দু'নয়ন।*
*এ উদ্ধব দাস গীতে,যশোমতী হরষিতে*
      *অনিমিখে নেহারে বয়ান।।*

   *🌻🌻দ্বিতীয় পদ🌻🌻*
*বদন মেলিয়া রাণী গোপাল পানে চায়।*
*মুখ মাঝে অপরূপ দেখিবারে পায়।।*
*এ ভূমি আকাশ আদি চৌদ্দ ভূবন*
*সুরলোক নাগলোক নরলোকগণ।।*
*অনন্ত ব্রহ্মান্ড গোলোক আদি যত ধাম।*
*মুখের ভিতর সব দেখে নিরমাণ।।*
*শেষ মহেশ ব্রহ্মা আদি স্তুতি করে*
*নন্দ যশোমতী আর মুখের ভেতরে।।*
*দেখি নন্দ ব্রজেশ্বরী বচন না স্ফূরে।*
*স্বপ্ন প্রায় কি দেখিনু হেন মনে করে।।*
*নিজ প্রেমে পরিপূর্ণ কিছুই না মানে।*
*আপন তনয় কৃষ্ণ প্রাণ মাত্র জানে।।*
*ডাকিয়া কহয়ে নন্দে আশ্চর্য‍্য বিধান।*
*পুত্রের মঙ্গলের লাগি বিপ্রে কর দান।।*
*এ দাস উদ্ধবে কহে ব্রজে শুদ্ধ প্রেম।*
*কিছু নাহি সীমা যেন জাম্বুনদ হেম।।*


*🌻🌻তৃতীয় পদ 🌻🌻*
*কোলে করিয়া রাণী নিরখয়ে মুখ*
*সুখের সাগরে ডুবে পাসরে সব দুঃখ।।*
*মায়ের কোলেতে গোপাল মুখ পসারিল।*
*এ ভব সংসারে সব তাহাতে দেখিল।।*
*ই-কি ই-কি বলি রাণী হিয়ায় লইল।*
*স্বপন হেরিনু কিবা বুঝিতে নারিল।।*
*থুতু নুতু দেয় রাণী বসনের দশি।*
*দেখিয়া মায়ের রীত ও-না মুখে হাসি।।*
*ঘনশ‍্যাম দাস আশা করে এই মনে*
*কবে বা সেবিব আমি যশোদা চরণে।।*
   *🌻জয় নিতাই গৌর হরিবল🌻*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧               
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧




৬. ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মৃত্তিকা ভক্ষণ ও বিশ্বরূপ দর্শন লীলা 🌷 SRI KRISHNA LEELA ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 🥀 JOYDEB DAWN 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_83.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ ৬. ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মৃত্তিকা ভক্ষণ ও বিশ্বরূপ দর্শন লীলা 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
               ꧁ শ্রীকৃষ্ণ লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
🌻মৃত্তিকা ভক্ষণ ও বিশ্বরূপ দর্শন গৌরচন্দ্রিকা🌻*
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*একমুখে কি কহিব গোরাচাঁদের লীলা*।
*হামাগুড়ি নানা রঙ্গে যায় শচীবালা।।*
*লালে মুখ ঝর ঝর দেখিতে সুন্দর*।
*পাকা বিম্বফল জিনি সুন্দর অধর।।*
*অঙ্গদ বলয়া শোভে সুবাহু-যুগলে*।
*চরণে মগড়া খাড়ু বাঘনখ গলে।।*
*সোনার শিকলি পীঠে পাটের থোপনা।*
*বাসুদেবঘোষ কহে নিছনি আপনা।।*
বাল‍্যলীলা মৃত্তিকা ভক্ষণ ও বিশ্বরূপ দর্শন:----------------
*রাম, কৃষ্ণ ও সখাগণসহ মিলিত হইয়া গোপরাজ নন্দের সুবিস্তৃত(অনেক বড়) অঙ্গনে ছুটাছুটি, লাফালাফি প্রভৃতি
নানাবিধ বাল‍্যক্রীড়া করিতে আরম্ভ করিলেন। পরিশেষে তাঁরা সকলেই অন্তঃপুরের অঙ্গন হইতেবহিরঙ্গনে আগমন করিলেন এবং সেখানে ধূলো মাটি লইয়া নানাবিধ খেলা
করিতে আরম্ভ করিলেন। মা যশোদা তখন বহিরঙ্গন সংলগ্ন অন্তঃপুর দ্বারে উপস্থিত হয়ে বলরাম এবং অন‍্যান‍্য সকলকে
বললেন, তোরা কৃষ্ণকে নিয়ে এখানেই খেলা কর। কিন্তু সাবধান , কৃষ্ণ যেন বাহিরে না যায়। তখন বলরাম ও সখা
গণ বললেন, মা!আমরা এখানেই খেলা করিব, এবং
সর্বদা আমাদের কৃষ্ণকে ঘিরিয়া থাকিব, কিছুতেই
তাঁহাকে অন‍্যত্র যেতে দিব না। চতুরের শিরোমণি কৃষ্ণ বললেন,মা! আমি আর বাহিরে যাব না। সর্বদা বাড়ীতে থাকব। তখন মা বললেন, হ্যাঁ বাপ! অঙ্গনে খেলা কর। এই কথা বলিয়া মা যশোমতী অন্তঃপুরে গমন করিলেন, ও
পুত্র,সখাগণের জন্য নানাবিধ খাদ্য প্রস্তুত করতে লাগলেন।
রাম, কৃষ্ণ এবং গোপবালকগণ ধূলোমাটি লইয়া খেলা করতে করতে ধূলো মাটি দিয়ে তাঁহাদের ঘর করতে ইচ্ছে হইল। সকলেই অঙ্গনের ধূলোয় ছোট ছোট স্তূপ করিয়া তাহা দ্বারাগৃহ নির্মাণে রত হল এবং সকলেই ছোট ছোট ধূলার স্তূপকে ঘরের আকৃতি করিল। কিন্তু যশোদা
নন্দন কিছুতেই গৃহনির্মাণে সক্ষম হইলেন না। তিনি যত
বার ধূলার স্তূপকে গৃহাকৃতি করতে যান,ততবারই ধসিয়া
পড়ে যায়। ইহা দেখে সমস্ত সখাগণ হাস‍্য ও নৃত‍্য করতে লাগলেন এবং সবাই বলতে লাগলেন, কানাই তোর পরাজয় হয়েছে।(লীলাময়ের লীলার ভঙ্গি অতি দুর্জ্ঞেয়। যাঁহার ইঙ্গিতে অনন্তকোটি বিশ্ব সৃষ্টি হয়, তিনি পরম যত্নেও ধূলার স্তূপকে গৃহাকৃতি করতে সক্ষম হচ্ছেন না! যাঁহার চরণাশ্রয়ে
যোগশক্তিসম্পন্ন বিশ্বামিত্র, ব্রহ্মাকে নির্জ্জিত করিবার জন্য দ্বিতীয় ব্রহ্মান্ড রচনা করিতে প্রস্তুত হয়েছিলেন, যাঁহারা
কৃপাদত্ত সৃষ্টিশক্তিতে ব্রহ্মা জগৎস্রষ্টা, সেই সর্বকারণ কারণ সর্বেশ্বর শ্রীকৃষ্ণ ব্রজলীলায় ধূলোর স্তূপকে গৃহাকৃতি করতে গিয়ে কতশতবার বিফল মনোরথ হলেন। লীলা ময়ের এই ভঙ্গি কে বুঝিবে? অনন্তকোটি ব্রহ্মান্ড সৃষ্টি করতে যাঁহার সম্পূর্ণ দৃষ্টিরও প্রয়োজন হয় না। কেবলমাত্র
ইঙ্গিতই যথেষ্ট।

স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বিশুদ্ধ বাৎসল‍্যবতী মা যশোদার অন্তরের কথা জানতে পারিয়া, যশোদা নন্দন তাঁহার
জননী কে বলিলেন, আমি মাটি খেয়েছি কি না, আমার মুখ
দেখিয়া পরখ কর, মা যশোদা পুত্রের কথা শুনিয়া বললেন
"যদ‍্যেবং তর্হি ব‍্যাদেহি"--- যদি প্রকৃতই তুই মাটি না খেয়ে থাকিস,তাহা হইলে হাঁ কর, দেখি তোর মুখে মাটি আছে কি না। মায়ের আদেশ মাত্র গোপাল মুখব‍্যাদান করিলেন,
দেখিয়া মনে হয় যেন মাতৃকোপরবিকিরণ- সম্পাতে কৃষ্ণের মুখ নীলকমল তৎক্ষণাৎ বিকশিত হয়ে উঠিল।মা যশোদা ভাল করিয়া পরীক্ষা করিবার জন্য ডান হাত তাঁহার ললাটে
দিয়া মাথানত করিয়া ভাল করিয়া দেখতে লাগলেন যে,
গোপালের মুখেমাটি খাওয়ার কোন দাগ আছে কি না।মা তাঁর মুখ মধ‍্যে, তাঁর জিহ্বার মূলদেশে দৃষ্টিপাত করিয়া উদর মধ‍্যে বিশ্বদর্শন করিলেন।
*সা তত্র দদৃশে বিশ্ব়ংজগৎ স্থাস্নু চ খং দিশঃ।
সাদ্রিদ্বীপাব্ধিভূগোলং সবায্বগ্নীন্দুতারকম্।।
জ‍্যোতিশ্চক্রং জলংতেজো নভস্বান্ বিয়দেব চ।
বৈকারিকাণীন্দ্রিয়াণী মনো মাত্রা গুণাস্ত্রয়ঃ।।
অর্থ‍্যাৎ, যশোদা শ্রীকৃষ্ণের জঠর মধ‍্যে জঙ্গম, স্থাবর, অন্তরীক্ষলোক, পর্বত, দ্বীপ, ও সমুদ্র সহিত ভূর্লোক, বায়ু, অগ্নি,চন্দ্র,ওতারকাদিসহ স্বলোক,জল,তেজ, বায়ু, আকাশ, ইন্দ্রিয়াধিষ্ঠাত্রী দেবতা,ইন্দ্রিয়,মনঃ, পঞ্চতন্মাত্র, এবং সত্ত্বাদি ত্রিগুণ প্রভৃতি বস্তু সমন্বিত এই বিশ্ব
দর্শন করিলেন।

মা যশোদা বারে ব‍্যাকুল হলেন এবং পুত্রের উপর ক্রুদ্ধ হলেন। তিনি বাম হাতে কৃষ্ণের দক্ষিন (ডান)হাত ধরে রুক্ষস্বরে বললেন "ওরে দুষ্টু"কেন তুই মাটি খেয়েছিস?
(গোপাল,মা যশোদার মুখে একমাত্র "বাপরে আমার" "বাছারে আমার" "অঞ্চলের নিধি" "হৃদয়ের ধন"প্রভৃতি আদরের কথায় শুনেছেন)। জন্মের পর থেকে কোনদিনই তিনি তাঁহার মায়ের মুখে তিরস্কার বাক‍্য শুনেন নাই, কাজেই গোপাল একেবারে স্তম্ভিত হয়ে গেলেন। তাঁহার বন্ধুক পুষ্পের ন‍্যায় অরুণ অধর দুইখানি স্ফুরিত হয়ে উঠিল, খঞ্জন চঞ্চল নয়ন দুটি স্থির এবং জলভারাকান্ত হয়ে উঠিল।
"বদন্তি তাবকা হ‍্যেতে কুমারাস্তেহগ্ৰজোহপ‍্যয়ম্"।
ওরে অবোধ বালক,তোর মাটি খাওয়ার কথা কি আমি বলছি? এই সমস্ত তোর বয়স‍্য সখাগণ বলছে। তাহারা রহস‍্য
করতে পারে, কিন্তু তোর দাদা বলাইতো মিথ‍্যা বলবে না। তুই অবশ‍্যই মাটি খেয়েছিস। বল কেন তুই মাটি খেয়েছিস?
বলিয়া যশোদা দেখলেন গোপাল ভয়ে থরথর কেঁপে যাচ্ছে
তখন মায়ের মনও কাঁদো কাঁদো হয়ে মৃদুস্বরে বললেন, বাপ! কি হয়েছে তোর, চতুরের শিরোমণি কৃষ্ণ, বললেন, নাহং ভক্ষিতবানম্ব সর্বেমিথ‍্যা্যাভিশংসিনঃ *না মা! আমি মাটি
খাই নাই, আমার সখাগণ মিথ‍্যা কথা বলছে। এই কথা বলিয়া গোপাল মা, মা বলিয়া ডাকিয়া মায়ের মনকে শান্ত করে দিলেন। পুনঃ বললেন মা আমি মাটি খাই নাই। তখন যশোদা পুত্রের নয়ন ভঙ্গি দেখিয়া একে বারে আত্মহারা হয়ে গেলেন, কিন্তু কোথায় যেন একটু সন্দেহ থেকে গেল। ওরা সকলেই বলিল গোপাল মাটি খেয়েছে, আর গোপাল বলছে না।
    ক্রমাগত।

শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে বলেছিলেন- অর্জুন! তুমি যে আমার বিশ্ব
রূপ দর্শন করিলে, তাহা সুদুর্দ্দর্শ। জপ, যোগ, ধ‍্যান, জ্ঞান, তপস‍্যাদি দ্বারা এ রূপ দেখতে পাওয়া যায় না।ইহা কেবলমাত্র অনন‍্য ভক্তিমান ব‍্যক্তিরই দৃশ্য।দেবতাগণ পর্যন্ত আমার এরূপ দেখবার জন্য সর্বদা আকাঙ্ক্ষা করে থাকেন। কিন্তু তাঁহারা দেখতে পাননা। আমি তোমায় দিব‍্যচক্ষু প্রদান করেছিলাম বলিয়া তুমি বিশ্বরূপ দেখেছ।
   ক্রমাগত।


যশোদা তাঁহার পুত্রের মুখ মধ‍্যে জীব,কাল, স্বভাব, কর্ম ও বিচিত্র নানাদেহ সমন্বিত বিশ্ব এবং গোকুল ও কৃষ্ণসহ নিজেকে দেখিয়া শঙ্কা কুল হলেন। এই পরমাদ্ভুত ব‍্যাপার দেখিয়া যশোদা মনে মনে ভাবিলেন,ইহা কি স্বপ্ন বা কোনও দেবতার মায়া, না আমারই বুদ্ধি বিপর্যয়? (কুরুক্ষেত্র যুদ্ধস্থলে শ্রীকৃষ্ণ তাঁহার সখা অর্জুনের প্রার্থনা অনুসারে তাঁহাকে বিশ্বরূপ দেখাইয়া বলেছিলেন-
সুদুর্দ্দর্শমিদং রূপং দৃষ্টবানসি যন্মম।
দেবা অপাস‍্য রূপস‍্য নিত‍্যংদর্শনকাঙ্খিণঃ

কিন্তু মনের ভিতরে আর এক ভাবনা আসিয়া উপস্থিত হইল। আমি আমার পুত্রের মুখ মধ‍্যে যে যে বস্তু দর্শন করিলাম, তবে কি আমার পুত্র ---_------
ইথং বিদিততত্ত্বায়াং গোপীকায়াং ঈশ্বরঃ।
বৈষ্ণবীং ব‍্যতনোন্মায়াং পুত্র-স্নেহময়ীং বিভুঃ।।
অর্থ‍্যাৎ, কৃষ্ণজননী যশোদা এই প্রকার নির্বেদযুক্তা হইলে,
শ্রীকৃষ্ণ তাঁহার স্বরূপ শক্তিরূপা পুত্রস্নেহময়ী নিজমায়া বিস্তার করিলেন। মা যশোদার এই অবস্থা দেখিয়া শ্রীকৃষ্ণ বৈষ্ণবীমায়া বিস্তার করিলেন।
"বৈষ্ণবীমায়া শব্দের অর্থ- ভগবানের নিজ মায়া"।
(কৃষ্ণবহির্মুখ জীবগণ ত্রিগুণময়ী মায়ার মোহে আত্ম-
হারা হয়ে স্ত্রীপুত্রাদিতে মমতা স্থাপন করিয়া নানা-বিধ সংসার-দুঃখ ভোগ করিয়া থাকে। কিন্তু কৃষ্ণ জননী
যশোদা এই ত্রিগুণময়ী মমতা স্থাপন করেন নাই,কেননা
যাহার সহিত কৃষ্ণের সম্বন্ধ নাই, তাহার উপরে মায়ার প্রভাব
বিস্তৃত হয়, যশোদার সঙ্গে কৃষ্ণের গভীর সম্পর্ক, মায়া কি তাহার নিকটস্থ হতে পারে?
মায়ের যে প্রপদ‍্যন্তে মায়ামেতাং তরন্তি তে।
*যে ব‍্যক্তি আমার শরণাপন্ন হয়,সে কেবল শরণাপত্তির
বলেই মায়া-সিন্ধু অতিক্রম করিতে সক্ষম হয়।

#কৃষ্ণের অন্তরঙ্গা মায়ার(বৈষ্ণবীমায়া) স্বভাব এই যে, তিনি
কৃষ্ণভক্তগণকে তাঁহার ভাবানুরূপ সম্বন্ধেই কৃষ্ণের সঙ্গে
সম্বন্ধ করিয়া দেন। মা যশোদা বাৎসল‍্য ভাববতী বলিয়া
বৈষ্ণবীমায়া তাঁহার বাৎসল‍্যভাবের সম্বন্ধই পূর্বাপেক্ষা অধিকতররূপে সুদৃঢ় করিয়া দিলেন।মা
যশোদার হৃদয়ে পুত্র বাৎসল‍্য সিন্ধু পুনঃ ফিরে এলো। মায়ের বাৎসল‍্য ভাব দেখে কৃষ্ণ"মা""মা"বলিয়া ডাকতে লাগিলেন, মা তাঁকে কোলে ধারণ করিয়া শত শত চুম্বন প্রদান করিলেন, কৃষ্ণও ননীদেমা, ননীদেমা বলিয়া মায়ের কন্ঠ জড়িয়ে ধরলেন।
############
বহু বহু বিষয়বস্তু, খুব সামান্য লিখিলাম, বানান,ও ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয়।


🌻🌻🌻ব্রজ লীলা 🌻🌻🌻*
*বালগোপাল রঙ্গে,সমবয় বেশ সঙ্গে*
      *হামাগুড়ি আঙ্গিনায় খেলায়।*
*তেজিয়া মাখন সরে,তুলিয়া কোমল করে*
      *মৃত্তিকা মনের সুখে খায়।।*
*বলরাম তা দেখিয়া,যশোদা নিকট যাঞা*
      *কহিলা ভাইয়ের এই কথা।*
*শুনি তবে যশোমতী,আইলা তুরিত গতি*
      *গোপাল খাইছে মাটি যথা।।*
*মায়ে দেখে মাটি ফেলে,না খাই না খাই বলে*
     *আধ আধ বদন ঢুলায়।*
*মুখ নিরখিয়া রাণী,ধরিয়া তাহার পাণি*
      *মন দুঃখে করে হায় হায়*।।
*এ ক্ষীর নবনী সর,কিবা নাহি মোর ঘর*
      *মৃত্তিকা খাইছ কিবা সুখে।*
*পিতা যার ব্রজরাজ,কি তার এমন কাজ*
     *শুনিলে হইবে মন দুঃখে।।*
*এতেক বলিয়া রাণী,কোলে করি নীলমণি*
       *ছল ছল ভেল দু'নয়ন।*
*এ উদ্ধব দাস গীতে,যশোমতী হরষিতে*
      *অনিমিখে নেহারে বয়ান।।*

   *🌻🌻দ্বিতীয় পদ🌻🌻*
*বদন মেলিয়া রাণী গোপাল পানে চায়।*
*মুখ মাঝে অপরূপ দেখিবারে পায়।।*
*এ ভূমি আকাশ আদি চৌদ্দ ভূবন*
*সুরলোক নাগলোক নরলোকগণ।।*
*অনন্ত ব্রহ্মান্ড গোলোক আদি যত ধাম।*
*মুখের ভিতর সব দেখে নিরমাণ।।*
*শেষ মহেশ ব্রহ্মা আদি স্তুতি করে*
*নন্দ যশোমতী আর মুখের ভেতরে।।*
*দেখি নন্দ ব্রজেশ্বরী বচন না স্ফূরে।*
*স্বপ্ন প্রায় কি দেখিনু হেন মনে করে।।*
*নিজ প্রেমে পরিপূর্ণ কিছুই না মানে।*
*আপন তনয় কৃষ্ণ প্রাণ মাত্র জানে।।*
*ডাকিয়া কহয়ে নন্দে আশ্চর্য‍্য বিধান।*
*পুত্রের মঙ্গলের লাগি বিপ্রে কর দান।।*
*এ দাস উদ্ধবে কহে ব্রজে শুদ্ধ প্রেম।*
*কিছু নাহি সীমা যেন জাম্বুনদ হেম।।*


*🌻🌻তৃতীয় পদ 🌻🌻*
*কোলে করিয়া রাণী নিরখয়ে মুখ*
*সুখের সাগরে ডুবে পাসরে সব দুঃখ।।*
*মায়ের কোলেতে গোপাল মুখ পসারিল।*
*এ ভব সংসারে সব তাহাতে দেখিল।।*
*ই-কি ই-কি বলি রাণী হিয়ায় লইল।*
*স্বপন হেরিনু কিবা বুঝিতে নারিল।।*
*থুতু নুতু দেয় রাণী বসনের দশি।*
*দেখিয়া মায়ের রীত ও-না মুখে হাসি।।*
*ঘনশ‍্যাম দাস আশা করে এই মনে*
*কবে বা সেবিব আমি যশোদা চরণে।।*
   *🌻জয় নিতাই গৌর হরিবল🌻*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧               
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧




বলদেব মিলন 🖊️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ, নিবাস-বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা-ইংরেজ বাজার, জেলা-মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ-৭৩২১০১꧂


✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

                       ꧁ বলদেব মিলন 

👉http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_60.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

বলদেব মিলনের একটি পদ----------
মুনির পুতের, সুতের নামের
          আদি দু আঁখর হই।
নন্দের নন্দন, বন যাত্রা কালে
          জনকে ঢাকিয়া রই।।
মায়েরে আনিয়া, তপত বালুকা
           ঢাকিলে বাঢ়য়ে সুখ।
অগ্রজ আলয়, গেলে সে গোপাল
           ঘুচয়ে মনের দুঃখ।।
দুরুজন মাঝে, বসতি হামার
            ভীমেরে লইয়া বাস।
ভাসুরের সম, শ্বশুরের গুণ
          দয়া নাহি কারু পাশ।।
বাপের মিতায়, দে বর বলিয়ে
          পূজিব কাননে যাই।
মনোহর কহে, সুশীতল তাপ
         নহিলে কি মতে পাই।।
অর্থ‍্যাৎ--- মধ‍্যাহ্ন সময়ে রন্ধনাদি লীলান্তে নন্দালয় হইতে গৃহাগতা শ্রীরাধা জটিলা কুটিলার ভয়ে প্রিয় সখিকে সম্বোধন করিয়া সাঙ্কেতিক বাক‍্যে সখি সম্বোধনে বলছেন,সখি! বিশ্বশ্রবা মুনির (পুতের) পুত্র রাবণ, (সুতের) তৎপুত্র মেঘনাদের আদি দুই অক্ষর " মেঘ "। আমি মেঘ হইলে শ্রীনন্দনন্দন বন গমনের সময়ে (জনকে) সূর্য‍্যকে আচ্ছাদন করিয়া কৃষ্ণাঙ্গে ছায়া প্রদান করিতাম।
(জনক--বৃষভানু,ভানুতে মিত্রতা) (মায়েরে) ভানুপত্নী কমলিনী বা কীর্তিদা)যে পথে প্রাণ বল্লভ গোষ্ঠে গমন করেছেন,ঐ পথের তপ্ত বালুকা উপরে কমল অর্থ‍্যাৎ পদ্মপুষ্প আনিয়া সজ্জিত করিলে আমার সুখ বৃদ্ধি হইত।অগ্রজ আলয়ে অর্থ‍্যাৎ যমালয়ে (গোপাল)গোধনের পাল গেলে আমার মনের দুঃখ দূর হয়। (ভানু নন্দিনী শ্রীরাধা,ভানু সুত "যম"ভানু আর ভানুতে মিত্রতা জন্য যম কে অগ্রজ বলা হইল)। 

পরের অংশ ----------------------------------
(দুরুজন) দুর্জন জটিলা কুটিলার সঙ্গে আমার বসতি,(ভীম)ভয়ঙ্কর আয়ানকে লয়ে আমার বাস।ভাসুরের সম (ভাসুর-- বলরাম) শ্বশুরের গুণ, (শ্বশুর-- নন্দ মহারাজ) দুই জনার গুণই সমান,কাহারো শরীরে দয়া নেই, আমার প্রাণ বল্লভের গোষ্ঠ গমনের কারণই ঐ দুই জনা।(বাপের মিতায়)
সূর্য‍্যের নিকটে বর লইবার উপলক্ষ্যে, সখি চলো কাননে যাইয়া সূর্য‍্য পূজো করি। গীতকর্তা বলছেন এই যুক্তি ভিন্ন কৃষ্ণ বিরহজ্বালা নিবারণের অন্য উপায় নেই।
*********************************
অতি সংক্ষেপে পদের ব‍্যাখ‍্যা।

✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা-ইংরেজ বাজার, জেলা-মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ-৭৩২১০১
লীলা কীর্তন PDF 📚 ভবিষ্যতে আরো PDF এই লিঙ্কে আপলোড করা হবে।👉 https://drive.google.com/drive/folders/1j7S6jqXPssNeUbC2Fq9lPJbN2vFwfWn3
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম।
ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧                      *••••┉━❀꧁ রাধে রাধে ꧂❀━┅••••* 
                     শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
       *••••┉━❀꧁ জয় শ্রীশ্রীজগন্নাথ ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
    *••••┉━❀꧁জয় শ্রীশ্রীরাধাকান্ত꧂ ❀━┅••••*
             শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর নিবাসস্থলী
শ্রীগুরুদেব(আশ্রিত)-বৈষ্ণব কুলতিলক আচার্য্যপ্রবর মহান্ত মহারাজ শ্রীল ধ্যানচন্দ্র দাস গোস্বামী (শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর অপ্রকট লীলায় শ্রীগম্ভীরা মন্দিরে ঊনবিংশ পীঠাচার্য্য, শ্রীশ্রীরাধাকান্ত মঠ - শ্রীশ্রীগম্ভীরা, শ্রীধাম পুরী), মধবাচার্য্য(ব্রহ্ম) সম্প্রদায়,বক্রেশ্বর পরিবার(শ্রীতিলক সেবা- শ্রীশ্রীমহাপ্রভুর শ্রীচরণ), তুঙ্গবিদ্যা সখী,পশ্চিম দ্বার, লবঙ্গ মঞ্জুরী ( সনাতন গোস্বামী)।
*••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••*
শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম।
নিবাস-গিরিরাজ ভবন, উত্তর নারায়নপুর, ভালীয়া, আরামবাগ, পশ্চিমবঙ্গ।
••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••
      📚 *PDF গ্রন্থ* 📚
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


বলদেব মিলন 🖊️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ, নিবাস-বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা-ইংরেজ বাজার, জেলা-মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ-৭৩২১০১꧂


✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

                       ꧁ বলদেব মিলন 

👉http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_60.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

বলদেব মিলনের একটি পদ----------
মুনির পুতের, সুতের নামের
          আদি দু আঁখর হই।
নন্দের নন্দন, বন যাত্রা কালে
          জনকে ঢাকিয়া রই।।
মায়েরে আনিয়া, তপত বালুকা
           ঢাকিলে বাঢ়য়ে সুখ।
অগ্রজ আলয়, গেলে সে গোপাল
           ঘুচয়ে মনের দুঃখ।।
দুরুজন মাঝে, বসতি হামার
            ভীমেরে লইয়া বাস।
ভাসুরের সম, শ্বশুরের গুণ
          দয়া নাহি কারু পাশ।।
বাপের মিতায়, দে বর বলিয়ে
          পূজিব কাননে যাই।
মনোহর কহে, সুশীতল তাপ
         নহিলে কি মতে পাই।।
অর্থ‍্যাৎ--- মধ‍্যাহ্ন সময়ে রন্ধনাদি লীলান্তে নন্দালয় হইতে গৃহাগতা শ্রীরাধা জটিলা কুটিলার ভয়ে প্রিয় সখিকে সম্বোধন করিয়া সাঙ্কেতিক বাক‍্যে সখি সম্বোধনে বলছেন,সখি! বিশ্বশ্রবা মুনির (পুতের) পুত্র রাবণ, (সুতের) তৎপুত্র মেঘনাদের আদি দুই অক্ষর " মেঘ "। আমি মেঘ হইলে শ্রীনন্দনন্দন বন গমনের সময়ে (জনকে) সূর্য‍্যকে আচ্ছাদন করিয়া কৃষ্ণাঙ্গে ছায়া প্রদান করিতাম।
(জনক--বৃষভানু,ভানুতে মিত্রতা) (মায়েরে) ভানুপত্নী কমলিনী বা কীর্তিদা)যে পথে প্রাণ বল্লভ গোষ্ঠে গমন করেছেন,ঐ পথের তপ্ত বালুকা উপরে কমল অর্থ‍্যাৎ পদ্মপুষ্প আনিয়া সজ্জিত করিলে আমার সুখ বৃদ্ধি হইত।অগ্রজ আলয়ে অর্থ‍্যাৎ যমালয়ে (গোপাল)গোধনের পাল গেলে আমার মনের দুঃখ দূর হয়। (ভানু নন্দিনী শ্রীরাধা,ভানু সুত "যম"ভানু আর ভানুতে মিত্রতা জন্য যম কে অগ্রজ বলা হইল)। 

পরের অংশ ----------------------------------
(দুরুজন) দুর্জন জটিলা কুটিলার সঙ্গে আমার বসতি,(ভীম)ভয়ঙ্কর আয়ানকে লয়ে আমার বাস।ভাসুরের সম (ভাসুর-- বলরাম) শ্বশুরের গুণ, (শ্বশুর-- নন্দ মহারাজ) দুই জনার গুণই সমান,কাহারো শরীরে দয়া নেই, আমার প্রাণ বল্লভের গোষ্ঠ গমনের কারণই ঐ দুই জনা।(বাপের মিতায়)
সূর্য‍্যের নিকটে বর লইবার উপলক্ষ্যে, সখি চলো কাননে যাইয়া সূর্য‍্য পূজো করি। গীতকর্তা বলছেন এই যুক্তি ভিন্ন কৃষ্ণ বিরহজ্বালা নিবারণের অন্য উপায় নেই।
*********************************
অতি সংক্ষেপে পদের ব‍্যাখ‍্যা।

✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা-ইংরেজ বাজার, জেলা-মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ-৭৩২১০১
লীলা কীর্তন PDF 📚 ভবিষ্যতে আরো PDF এই লিঙ্কে আপলোড করা হবে।👉 https://drive.google.com/drive/folders/1j7S6jqXPssNeUbC2Fq9lPJbN2vFwfWn3
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম।
ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧                      *••••┉━❀꧁ রাধে রাধে ꧂❀━┅••••* 
                     শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
       *••••┉━❀꧁ জয় শ্রীশ্রীজগন্নাথ ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
    *••••┉━❀꧁জয় শ্রীশ্রীরাধাকান্ত꧂ ❀━┅••••*
             শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর নিবাসস্থলী
শ্রীগুরুদেব(আশ্রিত)-বৈষ্ণব কুলতিলক আচার্য্যপ্রবর মহান্ত মহারাজ শ্রীল ধ্যানচন্দ্র দাস গোস্বামী (শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর অপ্রকট লীলায় শ্রীগম্ভীরা মন্দিরে ঊনবিংশ পীঠাচার্য্য, শ্রীশ্রীরাধাকান্ত মঠ - শ্রীশ্রীগম্ভীরা, শ্রীধাম পুরী), মধবাচার্য্য(ব্রহ্ম) সম্প্রদায়,বক্রেশ্বর পরিবার(শ্রীতিলক সেবা- শ্রীশ্রীমহাপ্রভুর শ্রীচরণ), তুঙ্গবিদ্যা সখী,পশ্চিম দ্বার, লবঙ্গ মঞ্জুরী ( সনাতন গোস্বামী)।
*••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••*
শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম।
নিবাস-গিরিরাজ ভবন, উত্তর নারায়নপুর, ভালীয়া, আরামবাগ, পশ্চিমবঙ্গ।
••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••
      📚 *PDF গ্রন্থ* 📚
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


রাই রাখাল ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_33.html

   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                           ꧁ রাই রাখাল ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🌻রাই রাখাল বা গোপী গোষ্ঠ একই* *পর্যায় গৌরচন্দ্রিকা🌻*
*রসে ঢর ঢর,গৌরাঙ্গ সুন্দর,বঙ্কিম নয়নে চায়।*
*জিনি করিবর,গমন মন্থর,পরাণ দোলাঞা যায়।।*
*চাঁচর চিকুর,চূড়ার টালনি,তাহাতে চাঁপার কলি।*
*চূড়ার সৌরভে,জগৎ মাতল,ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে অলি।।*
*হেরি ভক্তগণ,আনন্দিত মন,সবে বলে হরি হরি।*
*রাইর রাখাল,ভাবেতে বিহ্বল,সেই অনুমান করি।।*
*সুরধূনী তীর,অতি মনোহর,বিহরে গৌরাঙ্গরায়।*
*দীন হীন জনে,পাইল গৌরাঙ্গ,বাসুদেব রস গায়।।*

প্রথম পদ-------------------
বন্ধু যদি গেল বনে,শুন ওগো সখি।
চূড়া বেন্ধে যাব চল যেথা কমল আঁখি
বিপিনে ভেটিব যাইয়া শ‍্যাম জলধরে।
রাখালের বেশে যাব হরিষ-অন্তরে।।
চূড়াটি বান্ধহ শিরে যত সখিগণ।
পীতধড়া পর সবে আনন্দিত মন।।
চন্ডীদাস বলে,শুন রাধা বিনোদিনী।
নয়ানে দেখিব সেই শ‍্যাম গুণমণি।।


দ্বিতীয় পদ --------------------
কেহ হও দাম, শ্রীদাম সুদাম
           সুবলাদি যত সখা।
চলো যাব বনে, নটবর সনে
            কাননে করিব দেখা।।
পড় পীতধড়া, মাথে বান্ধ চূড়া
           বেণু লও কেহ করে।
হারে-রে-রে বোল, কর উচ্চরোল
            যাইব যমুনা তীরে ।।
পর ফুলমালা, সাজাহ অবলা
             সবারে যাইতে হবে।
দাম বসুদাম, সাজ বলরাম
          যাইতে হবে সবে ।।
যোগমায়া তখন, কহিছে বচন
           রাখাল সাজহ রাই।
চন্ডীদাসে ভণে, দেখিগে নয়নে
          আমি তব সঙ্গে যাই।।
                                 ( সুহই)


 তৃতীয় পদ------------
যোগমায়া পৌণমাসী সাক্ষাতে আসিয়া।
লইল হরের শিঙ্গা আপনি মাগিয়া।।
সাজল রাখাল-বেশ রাধাবিনোদিনী।
ললিতারে বলরাম,কানাই আপনি।।
বলরামের হেরে শিঙ্গা বলে রামকানু
মূরলী নহিলে কে ফিরাইবে ধেনু।।
চন্ডীদাসে বলে, যদি রাই বনমালী।
সলিল আনিয়া পত্রে করহ মূরলী।।
                                (  ধানশী)



চতুর্থ  পদ----   বরাড়ী
আনন্দিত হইয়া সবে পোরে শিঙ্গা-বেণু।
পাতাল হইতে উঠে নবলক্ষ ধেনু।।
চৌদিকে ধেনুর পাল হাম্বা হাম্বা করে।
তা দেখিয়া আনন্দিত সবার অন্তরে।।
ইন্দ্র আইল ঐরাবতে,দেখয়ে নয়নে।
হংসবাহনে ব্রহ্মা আনন্দিত মনে।।
বৃষভবাহনে শিব বলে ভালি ভালি।
মুখ বাদ‍্য ক'রে নাচে দিয়া করতালি।।
চন্ডীদাসের মনে আন নাহি ভায়।
দেখিয়া সবার রূপ নয়ন জুড়ায়।।



    পঞ্চম   পদ--- বিভাষ
গায়ে রাঙ্গা মাটি, কটি তটে ধটি
          মাথায় শোভিত চূড়া।
চরণে নূপুর,         বাজে সবাকার
          গলে গুঞ্জমালা বেড়া।।
সবাকার কুচ,        হইয়াছে উচ
         এ বড় বিষম জ্বালা।
কমলের ফুল,         তুলি শতদল
          সবাই গাঁথিল মালা।।
ঠারে ঠারে চূড়া,       গলে দিল মালা
         নামিয়া পড়েছে বুকে।
ফুলের চাপানে,         কুচ ঢাকা গেল
          চলিল পরম সুখে।।
কেহ পীত ধটি,           কেহ ল'য় লাঠি
          গর্জন শবদে ধায়।
চন্ডীদাসে ভণে,            গহন কাননে
          শ‍্যাম ভেটিবারে যায়।।



ষষ্ঠ   পদ----      বিভাষ
যমুনার তীরে সবে যায় নানা রঙ্গে।
শাঙলী ধবলী বলি আনন্দিত অঙ্গে।।
আসিয়া নিভৃত কুঞ্জে সবে দাঁড়াইল।
রাখাল দেখিয়া শ‍্যাম চমকি উঠিল।।
কোন গ্রামে বসতি রে কোন গ্রামে ঘর
আমার কুঞ্জেতে কেন হরিষ অন্তর।।
কাহার নন্দন তোরা সত‍্য করি বল।
মুখে হেসেবাক‍্য কহে,অন্তরে বিভল।।
রাধা-অঙ্গের গন্ধ কৃষ্ণের নাসিকা মাতায়।
আপাদমস্তক কৃষ্ণ ঘন ঘন চায়।।
ললিতা হাসিয়া বলে,শুন শ‍্যামধন।
রাধারে না চেন তুমি রসিক কেমন।।
চন্ডীদাস বলে,শুন রাধা বিনোদিনী।
হের গো শ‍্যামের রূপ,জুড়াবে পরাণি।।       



শ্রীমতী রাধারাণী বলেছেন----------
অন্তরেতে সদা কৃষ্ণ সম্ভাষণ।
বাহিরে বিচ্ছেদ মাত্র লীলার কারণ।।
জয় নিতাই গৌর হরিবল।

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

   ꧁👇 📖 সূচীপত্র ✍️ শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 👇꧂



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
   🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧







রাই রাখাল 🥀 শ্রীকৃষ্ণ লীলা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_33.html

   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                           ꧁ রাই রাখাল ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🌻রাই রাখাল বা গোপী গোষ্ঠ একই* *পর্যায় গৌরচন্দ্রিকা🌻*
*রসে ঢর ঢর,গৌরাঙ্গ সুন্দর,বঙ্কিম নয়নে চায়।*
*জিনি করিবর,গমন মন্থর,পরাণ দোলাঞা যায়।।*
*চাঁচর চিকুর,চূড়ার টালনি,তাহাতে চাঁপার কলি।*
*চূড়ার সৌরভে,জগৎ মাতল,ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে অলি।।*
*হেরি ভক্তগণ,আনন্দিত মন,সবে বলে হরি হরি।*
*রাইর রাখাল,ভাবেতে বিহ্বল,সেই অনুমান করি।।*
*সুরধূনী তীর,অতি মনোহর,বিহরে গৌরাঙ্গরায়।*
*দীন হীন জনে,পাইল গৌরাঙ্গ,বাসুদেব রস গায়।।*

প্রথম পদ-------------------
বন্ধু যদি গেল বনে,শুন ওগো সখি।
চূড়া বেন্ধে যাব চল যেথা কমল আঁখি
বিপিনে ভেটিব যাইয়া শ‍্যাম জলধরে।
রাখালের বেশে যাব হরিষ-অন্তরে।।
চূড়াটি বান্ধহ শিরে যত সখিগণ।
পীতধড়া পর সবে আনন্দিত মন।।
চন্ডীদাস বলে,শুন রাধা বিনোদিনী।
নয়ানে দেখিব সেই শ‍্যাম গুণমণি।।


দ্বিতীয় পদ --------------------
কেহ হও দাম, শ্রীদাম সুদাম
           সুবলাদি যত সখা।
চলো যাব বনে, নটবর সনে
            কাননে করিব দেখা।।
পড় পীতধড়া, মাথে বান্ধ চূড়া
           বেণু লও কেহ করে।
হারে-রে-রে বোল, কর উচ্চরোল
            যাইব যমুনা তীরে ।।
পর ফুলমালা, সাজাহ অবলা
             সবারে যাইতে হবে।
দাম বসুদাম, সাজ বলরাম
          যাইতে হবে সবে ।।
যোগমায়া তখন, কহিছে বচন
           রাখাল সাজহ রাই।
চন্ডীদাসে ভণে, দেখিগে নয়নে
          আমি তব সঙ্গে যাই।।
                                 ( সুহই)


 তৃতীয় পদ------------
যোগমায়া পৌণমাসী সাক্ষাতে আসিয়া।
লইল হরের শিঙ্গা আপনি মাগিয়া।।
সাজল রাখাল-বেশ রাধাবিনোদিনী।
ললিতারে বলরাম,কানাই আপনি।।
বলরামের হেরে শিঙ্গা বলে রামকানু
মূরলী নহিলে কে ফিরাইবে ধেনু।।
চন্ডীদাসে বলে, যদি রাই বনমালী।
সলিল আনিয়া পত্রে করহ মূরলী।।
                                (  ধানশী)



চতুর্থ  পদ----   বরাড়ী
আনন্দিত হইয়া সবে পোরে শিঙ্গা-বেণু।
পাতাল হইতে উঠে নবলক্ষ ধেনু।।
চৌদিকে ধেনুর পাল হাম্বা হাম্বা করে।
তা দেখিয়া আনন্দিত সবার অন্তরে।।
ইন্দ্র আইল ঐরাবতে,দেখয়ে নয়নে।
হংসবাহনে ব্রহ্মা আনন্দিত মনে।।
বৃষভবাহনে শিব বলে ভালি ভালি।
মুখ বাদ‍্য ক'রে নাচে দিয়া করতালি।।
চন্ডীদাসের মনে আন নাহি ভায়।
দেখিয়া সবার রূপ নয়ন জুড়ায়।।



    পঞ্চম   পদ--- বিভাষ
গায়ে রাঙ্গা মাটি, কটি তটে ধটি
          মাথায় শোভিত চূড়া।
চরণে নূপুর,         বাজে সবাকার
          গলে গুঞ্জমালা বেড়া।।
সবাকার কুচ,        হইয়াছে উচ
         এ বড় বিষম জ্বালা।
কমলের ফুল,         তুলি শতদল
          সবাই গাঁথিল মালা।।
ঠারে ঠারে চূড়া,       গলে দিল মালা
         নামিয়া পড়েছে বুকে।
ফুলের চাপানে,         কুচ ঢাকা গেল
          চলিল পরম সুখে।।
কেহ পীত ধটি,           কেহ ল'য় লাঠি
          গর্জন শবদে ধায়।
চন্ডীদাসে ভণে,            গহন কাননে
          শ‍্যাম ভেটিবারে যায়।।



ষষ্ঠ   পদ----      বিভাষ
যমুনার তীরে সবে যায় নানা রঙ্গে।
শাঙলী ধবলী বলি আনন্দিত অঙ্গে।।
আসিয়া নিভৃত কুঞ্জে সবে দাঁড়াইল।
রাখাল দেখিয়া শ‍্যাম চমকি উঠিল।।
কোন গ্রামে বসতি রে কোন গ্রামে ঘর
আমার কুঞ্জেতে কেন হরিষ অন্তর।।
কাহার নন্দন তোরা সত‍্য করি বল।
মুখে হেসেবাক‍্য কহে,অন্তরে বিভল।।
রাধা-অঙ্গের গন্ধ কৃষ্ণের নাসিকা মাতায়।
আপাদমস্তক কৃষ্ণ ঘন ঘন চায়।।
ললিতা হাসিয়া বলে,শুন শ‍্যামধন।
রাধারে না চেন তুমি রসিক কেমন।।
চন্ডীদাস বলে,শুন রাধা বিনোদিনী।
হের গো শ‍্যামের রূপ,জুড়াবে পরাণি।।       



শ্রীমতী রাধারাণী বলেছেন----------
অন্তরেতে সদা কৃষ্ণ সম্ভাষণ।
বাহিরে বিচ্ছেদ মাত্র লীলার কারণ।।
জয় নিতাই গৌর হরিবল।

   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা-ইংরেজ বাজার, জেলা-মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ-৭৩২১০১
লীলা কীর্তন PDF 📚 ভবিষ্যতে আরো PDF এই লিঙ্কে আপলোড করা হবে।👉 https://drive.google.com/drive/folders/1j7S6jqXPssNeUbC2Fq9lPJbN2vFwfWn3
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম।
ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧                      *••••┉━❀꧁ রাধে রাধে ꧂❀━┅••••* 
                     শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
       *••••┉━❀꧁ জয় শ্রীশ্রীজগন্নাথ ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
    *••••┉━❀꧁জয় শ্রীশ্রীরাধাকান্ত꧂ ❀━┅••••*
             শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর নিবাসস্থলী
শ্রীগুরুদেব(আশ্রিত)-বৈষ্ণব কুলতিলক আচার্য্যপ্রবর মহান্ত মহারাজ শ্রীল ধ্যানচন্দ্র দাস গোস্বামী (শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর অপ্রকট লীলায় শ্রীগম্ভীরা মন্দিরে ঊনবিংশ পীঠাচার্য্য, শ্রীশ্রীরাধাকান্ত মঠ - শ্রীশ্রীগম্ভীরা, শ্রীধাম পুরী), মধবাচার্য্য(ব্রহ্ম) সম্প্রদায়,বক্রেশ্বর পরিবার(শ্রীতিলক সেবা- শ্রীশ্রীমহাপ্রভুর শ্রীচরণ), তুঙ্গবিদ্যা সখী,পশ্চিম দ্বার, লবঙ্গ মঞ্জুরী ( সনাতন গোস্বামী)।
*••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••*
শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম।
নিবাস-গিরিরাজ ভবন, উত্তর নারায়নপুর, ভালীয়া, আরামবাগ, পশ্চিমবঙ্গ।
••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••
      📚 *PDF গ্রন্থ* 📚
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


৫. শ্রীকৃষ্ণ লীলা 🏵️ শকট ভঞ্জন লীলা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_28.html


✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                  ꧁ ৫. শকট ভঞ্জন লীলা ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
               ꧁ শ্রীকৃষ্ণ লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
*🌻শকট ভঞ্জন গৌরচন্দ্রিকা🌻*
*শচীর ক্রোড়ে নিমাঞি সুখে নিদ যায়* 
*অতিঘন নিদ দেখি শচী পালঙ্কে শোয়ায়।।*
*শোয়াইয়া নিমাঞেরে শচী গৃহকর্মে গেলা।*
*নিদ্রাভরে নিমাঞি মোর এক দৈত‍্য দেখিলা।।*
*সেই দৈত‍্যেরে নিমাঞি পদাঘাত করি।*
*বিকট শবদ শোনে নদীয়া নাগরী।।* 
*শবদ শুনি শচীমাই নিমাঞি কোলে নিল।*
*বাসুদেব ঘোষ ইথে কিছু না বুঝিল।।*


🌻শ্রীমদ্ভাগবতে পাই একাশি দিন বয়ঃক্রমে শকটভঞ্জন লীলা করিয়াছিলেন🌻*।


*🌻প্রথম পদ 🌻*
*হেথা যশোমতী কৃষ্ণে দিতেছেন স্তন*।
*হেনকালে আইল তথা গোপাঙ্গনা গণ।।*
*গোপাঙ্গনা ক্রোড়ে পুত্র দেই নন্দরাণী।*
*মন্ডলী করয়ে তারা লয়ে নীলমণি।।*
*শূন‍্যভরে তৃণাবর্ত দেখিয়া এ সব।*
*মনে মনে তৃণাবর্ত করে অনুভব।।*
*এ শিশুরে নারীগণ যখন শোয়াইবে।*
*শোয়াইয়া সর্বজন অন‍্য কর্মে যাবে।।*
*সেইকালে উড়াইয়া লইব নন্দনে।*
*এখন শকট মধ্যে  থাকিব গোপনে।।*
*নন্দের শকট খানি আছে শূন‍্যোপরে।*
*তৃণাবর্ত লুকাইল শকট ভিতরে।।*
*এই মত গোপনে রহল দৈত‍্যেশ্বর।*
*ইহ অপ্রাকৃতিক লীলা কহে মনোহর।।*
🌻সংক্ষেপে ব‍্যাখ‍্যা🌻*
*মা যশোমতী পুত্রকে স্তন পান করাচ্ছেন,এমন সময়ে ব্রজের গোপীগণ এলেন, এবং যশোমতীর কাছ হতে গোপালকে নিয়ে আনন্দ করতে লাগলেন।* *ব্রজের গোপাল কেবল নন্দ ও যশোমতীর পুত্র ছিলেন না,ব্রজের সমস্ত গোপীগণের জীবনের জীবন ছিলেন।* *সকলেই নিজপুত্রের থেকেও গোপালকে বেশী স্নেহ করতেন।* *অপরদিকে* *কংস,নন্দনন্দনকে বধ করাবার জন্য* *তৃণাবর্ত নামক এক অসুরকে গোকুলে পাঠাল,* *অসুর এসে দেখল ব্রজরমণীগণ গোপালকে নিয়ে আনন্দ করছেন,তখন অসুর মনে মনে ভাবল এখন কি করব,*
*যেখানে গোপীগণ বসে ছিলেন তার উপরে একটি শকট( যাকে আমরা গরুর গাড়ী বলে থাকি,)* *ছিল সেই শকটের মধ্যে তৃণাবর্ত লুকাইল।* *বায়ুরূপে আত্ম গোপন করল।* *যখন গোপীগণ চলে যাবেন* *তখন আমি গোপালকে সেখান হতে* *উড়িয়ে নিয়ে গিয়ে বধ করব।*।


 *🌻🌻🌻দ্বিতীয় পদ🌻🌻🌻*
*যেখানে যশোদা স্তন দেন গদাধরে।*
*আছয়ে শকট এক তাহার উপরে।।* 
*শূন‍্যেতে আছয়ে বাঁধা সেইত শকট।*
*তৃণাবর্ত গেল তবে তাহার ভিতর*
*শকটেতে তৃণাবর্ত রহে ভর করি।*
*সকলেরি অদৃশ‍্য মায়ারূপ ধরি।।*
*মনেতে জানিলা হরি সেই মায়াধরে।*
*অসুর নিধন হেতু ভাবেন অন্তরে*
*দারুণ কৃষ্ণমায়া বুঝিতে কে পারে।* 
*নিদ্রা আকর্ষণ হৈল জননীর ক্রোড়ে।।*
*যশোদা দেখিল পুত্র নিদ্রাগত হৈল।*
*শকটের তলে রাণী কৃষ্ণে শোয়াইল।।*
*বিচিত্র বিছানা করি পুত্রে শোয়াইয়া।*
*অন‍্য কর্মে যশোমতী গেলা উঠিয়া।।*
*তৃণাবর্তে দেখে কৃষ্ণের মৃদু মৃদু হাস।*
*দাস মনোহরে লীলা করেন প্রকাশ।।*
*🌻যখন গোপীগণ চলে গেলে গোপাল কান্না শুরু করলে মা যশোমতী গোপালকে পুন স্তনপান* *করাচ্ছেন,তার মাথার উপরে শূন‍্যেতে একটি শকট বাঁধা ছিল।* *কংস প্রেরিত অসুর মনে মনে ভাবলে পূতনাকে এই সামান‍্য বালক বধ করেছে, আমি ছাড়ব না।* *আমি মায়ারূপে গিয়ে সেই শকটের মধ্যে থাকব, আর সময়মত**তাকে বধ করব।* *অন্তর্য‍্যামী কৃষ্ণ* *তিনি সকলের অন্তরের কথা জানেন,* *অসুরেরও মনের কথা জানতে বাকী রইল না,* *সামনে মা আছেন, মায়ের সামনে কিছু করা যাবে না।* *তাই গোপাল নিদ্রার ভান করলেন, মা যখন দেখলেন গোপাল নিদ্রা গেছে* *মা তখন ভেতরে গেলেন।* *


*🌻🌻🌻তৃতীয় পদ🌻🌻🌻*
*অসুর শকটোপরি করিয়াছে ভর।*
*পূর্ব হতে জানিলেন দেব গদাধর*
*অসুর কারণে কৃষ্ণ মন্ত্রণা করিল।*
*ক্ষুধা ছলে কৃষ্ণ কাঁদিয়া উঠিল।।*
*দেখিলা স্বরূপে দৈত‍্য করি নিরীক্ষণ।*
*ক্রন্দন করেন কৃষ্ণ ছাওয়াল লক্ষণ।।*
*ছেলের লক্ষণ এই ক্রন্দনের ছলে*
*হস্তপদ আছাড়িয়া হস্তপদ তুলে।।*
*সেইরূপ উর্ধপদ করি নন্দের নন্দন।*
*ক্রন্দন করিতে যে বামপদ বাড়ান।।*
*উর্ধেতে শকট ছিল লাথি প্রহারিল*
*দড়ি ছিড়ি শকট যে ভাঙ্গিয়া পড়িল।।*
*ভগবানের লীলা কে বুঝিতে পারে।*
*ভক্তি প্রদান করিলে কহে মনোহরে।।*
*🌻🌻 অনাদিরাদি গোবিন্দ মায়ারূপে অসুরকে দেখে বালকোচিত স্থভাবে মৃদু মৃদু হাসতে লাগলেন।* *আবার ক্ষুধার ছলে তিনি ক্রন্দন করতে লাগলেন।* *তিনি অন্তর্য‍্যামী, দুর্বাসা মুনির অভিশাপের কথা মনে করে তাঁর শাপ রক্ষা করবার কৌশল ভাবতে লাগলেন।* *(যেমন বলিরাজাকে কৌশল করে, ত্রিবিক্রমরূপে স্বর্গ,মর্ত‍্য* *ও পাতাল হরণ করে দর্প চূর্ণ* *করেছিলেন, শ্রীকৃষ্ণ তৃণাবর্ত অসুরের* *জন্য সেরকম ভাবনা ভাবতে* *লাগলেন।* *তিনি শকটতলে পালঙ্কে শয়ন অবস্থায় চরম ভাবে রোদন করতে লাগলেন,* *রোদন করতে করতে যখন চরণ বাড়ালেন,* *তখন ত্রিবিক্রের ন‍্যায় ত্রিলোক ব‍্যাপী হয়নি বটে,কারণ ব্রজবাসীর প্রেম-মর্য‍্যাদা লঙ্খনের ভয়ে* *প্রয়োজন মত চরণ বাড়ালেন* *এবং অসুরকে যথা শাস্তি প্রদান* *করবার জন্য সেই পন্থা অবলম্বন করলেন।* *সেই বালক কৃষ্ণের কান্না শুনে তৃণাবর্তের বেশ মজা হল, অপরদিকে কৃষ্ণ ধীরে ধীরে পদ উত্তোলন করে রোদন রত অবস্থায় যেই স্থানে অসুর লুকিয়ে ছিল,* *সেই জায়গায় পদাঘাত করলেন।*পদাঘাত করামাত্র* *শকটখানি বেশ দূরে গিয়ে সশব্দে* *পতিত হল।* *এবং শকটের চাকা,* *যুগন্ধর অর্থ‍্যাৎ (জোয়ালের সঙ্গে যুক্ত বা সংলগ্ন কাঠ,) প্রভৃতি চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে গেল।* *শ্রীকৃষ্ণের চরণ স্পর্শে তৃণাবর্ত অদৃশ‍্য হয়ে গেল।*
*🌻🌻অতি সংক্ষেপে ব‍্যাখ‍্যা🌻🌻*


*🌻🌻বিরাম পদ🌻🌻*
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*যেইকালে পদ বাড়াইলা গদাধর।*
*বামপদ প্রহারিল শকট উপর।।*
*লাথি ঘায়ে শকট পড়িল গিয়া দূরে।*
*খান খান হ'য়ে খসি পড়িল কুব-রে।।*
*তৃণাবর্ত অসুরের আশ্রয় ভাঙ্গিল।*
*মহাভয়ে শূন‍্যপথে পলাইয়া গেল*
*শকট ভাঙ্গল কৃষ্ণ দেখে ব্রজবালা*
*ক্রন্দন শুনিয়া তবে যশোদা আইলা।।*
*শকট ভঞ্জন দেখি মহাশোকে রাণী।*
*আস্তেব‍্যস্তে ক্রোড়ে তুলি নিল নীলমণি।।*
*যশোদা বলেন রক্ষা কৈল নারায়ণ।*
*এখুনি আমার বাছা হারাইত পরাণ।।*
*গোপীগণ বলে মাতা না ভাব সঙ্কট।*
*পদাঘাতে তব পুত্র ভেঙ্গেছে শকট।।*
*ধন‍্য ধন‍্য গো যশোমতী জননী।*
*শকট ভঞ্জন লীলা মনোহর বাণী।।*শ্রীকৃষ্ণের পদাঘাতে চরণ* *স্পর্শে* *যখন শকট ভেঙ্গে দূরে* *পড়িল,তখন* *সেই শকট ভাঙ্গার শব্দ শুনে* *নন্দ,যশোদা,রোহিণী ও অন‍্যান‍্য গোপগোপীগণ সর্বকর্ম ত‍্যাগ করে যেখানে শকটেরতলে শ্রীকৃষ্ণ শায়িত ছিলেন*, *সেখানে এসে উপস্থিত হলেন।*তাঁরা এসে* *দেখলেন শ্রীকৃষ্ণ পালঙ্গেই আছেন,* *কিন্তু হাত-পা নাড়া দিয়ে ভীষণ রোদন করছেন।* *কিন্তু পালঙ্গের উপরে যে শকট ছিল তা নেই,* *সেই শকট বেশ কিছু দূরে বিপরীত ভাবে পড়ে আছে।* *এই অদ্ভুত ব‍্যাপার দেখে সকলের ভয় হল।*
*তাঁরা মনে আশঙ্কা করতে লাগলেন যে পূতনার মতো কোন রাক্ষসী এসেছিল হয়ত,নইলে এমনটি হবে কনে?* *শ্রীকৃষ্ণের রোদন দেখে মা বাৎসল‍্যময়ী যশোমতী স্তনপান করাতে লাগলেন,* *আর পুত্রের মঙ্গলের জন্য নারায়ণের কাছে প্রার্থনা করতে লাগলেন।* *আর কৃষ্ণ মাতৃদুগ্ধ পান করতে করতে মৃদু মৃদু* *হাস‍্য করছেন*। *মা যশোমতী নারায়ণের কাছে প্রার্থনা করেও ক্ষান্ত হলেন না,* *ব্রাহ্মণগণকে ডেকে মন্ত্রপাঠ করিয়ে গোপালের যদি কোন গ্রহদোষ থাকে তা নিবারণ করালেন।* *মায়ের কথা শুনে গোপাল হাত-পা নাড়িয়ে নর্তন করতে লাগলেন,খেলা করতে* *লাগলেন,খেলা দেখে গোপগোপীগণ* *
*আনন্দ সাগরে ভাসতে লাগলেন।*
 *🌻জয় নিতাই,ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয়🌻*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






৫. শ্রীকৃষ্ণ লীলা 🏵️ শকট ভঞ্জন লীলা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_28.html


✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                  ꧁ ৫. শকট ভঞ্জন লীলা ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
               ꧁ শ্রীকৃষ্ণ লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
*🌻শকট ভঞ্জন গৌরচন্দ্রিকা🌻*
*শচীর ক্রোড়ে নিমাঞি সুখে নিদ যায়* 
*অতিঘন নিদ দেখি শচী পালঙ্কে শোয়ায়।।*
*শোয়াইয়া নিমাঞেরে শচী গৃহকর্মে গেলা।*
*নিদ্রাভরে নিমাঞি মোর এক দৈত‍্য দেখিলা।।*
*সেই দৈত‍্যেরে নিমাঞি পদাঘাত করি।*
*বিকট শবদ শোনে নদীয়া নাগরী।।* 
*শবদ শুনি শচীমাই নিমাঞি কোলে নিল।*
*বাসুদেব ঘোষ ইথে কিছু না বুঝিল।।*


🌻শ্রীমদ্ভাগবতে পাই একাশি দিন বয়ঃক্রমে শকটভঞ্জন লীলা করিয়াছিলেন🌻*।


*🌻প্রথম পদ 🌻*
*হেথা যশোমতী কৃষ্ণে দিতেছেন স্তন*।
*হেনকালে আইল তথা গোপাঙ্গনা গণ।।*
*গোপাঙ্গনা ক্রোড়ে পুত্র দেই নন্দরাণী।*
*মন্ডলী করয়ে তারা লয়ে নীলমণি।।*
*শূন‍্যভরে তৃণাবর্ত দেখিয়া এ সব।*
*মনে মনে তৃণাবর্ত করে অনুভব।।*
*এ শিশুরে নারীগণ যখন শোয়াইবে।*
*শোয়াইয়া সর্বজন অন‍্য কর্মে যাবে।।*
*সেইকালে উড়াইয়া লইব নন্দনে।*
*এখন শকট মধ্যে  থাকিব গোপনে।।*
*নন্দের শকট খানি আছে শূন‍্যোপরে।*
*তৃণাবর্ত লুকাইল শকট ভিতরে।।*
*এই মত গোপনে রহল দৈত‍্যেশ্বর।*
*ইহ অপ্রাকৃতিক লীলা কহে মনোহর।।*
🌻সংক্ষেপে ব‍্যাখ‍্যা🌻*
*মা যশোমতী পুত্রকে স্তন পান করাচ্ছেন,এমন সময়ে ব্রজের গোপীগণ এলেন, এবং যশোমতীর কাছ হতে গোপালকে নিয়ে আনন্দ করতে লাগলেন।* *ব্রজের গোপাল কেবল নন্দ ও যশোমতীর পুত্র ছিলেন না,ব্রজের সমস্ত গোপীগণের জীবনের জীবন ছিলেন।* *সকলেই নিজপুত্রের থেকেও গোপালকে বেশী স্নেহ করতেন।* *অপরদিকে* *কংস,নন্দনন্দনকে বধ করাবার জন্য* *তৃণাবর্ত নামক এক অসুরকে গোকুলে পাঠাল,* *অসুর এসে দেখল ব্রজরমণীগণ গোপালকে নিয়ে আনন্দ করছেন,তখন অসুর মনে মনে ভাবল এখন কি করব,*
*যেখানে গোপীগণ বসে ছিলেন তার উপরে একটি শকট( যাকে আমরা গরুর গাড়ী বলে থাকি,)* *ছিল সেই শকটের মধ্যে তৃণাবর্ত লুকাইল।* *বায়ুরূপে আত্ম গোপন করল।* *যখন গোপীগণ চলে যাবেন* *তখন আমি গোপালকে সেখান হতে* *উড়িয়ে নিয়ে গিয়ে বধ করব।*।


 *🌻🌻🌻দ্বিতীয় পদ🌻🌻🌻*
*যেখানে যশোদা স্তন দেন গদাধরে।*
*আছয়ে শকট এক তাহার উপরে।।* 
*শূন‍্যেতে আছয়ে বাঁধা সেইত শকট।*
*তৃণাবর্ত গেল তবে তাহার ভিতর*
*শকটেতে তৃণাবর্ত রহে ভর করি।*
*সকলেরি অদৃশ‍্য মায়ারূপ ধরি।।*
*মনেতে জানিলা হরি সেই মায়াধরে।*
*অসুর নিধন হেতু ভাবেন অন্তরে*
*দারুণ কৃষ্ণমায়া বুঝিতে কে পারে।* 
*নিদ্রা আকর্ষণ হৈল জননীর ক্রোড়ে।।*
*যশোদা দেখিল পুত্র নিদ্রাগত হৈল।*
*শকটের তলে রাণী কৃষ্ণে শোয়াইল।।*
*বিচিত্র বিছানা করি পুত্রে শোয়াইয়া।*
*অন‍্য কর্মে যশোমতী গেলা উঠিয়া।।*
*তৃণাবর্তে দেখে কৃষ্ণের মৃদু মৃদু হাস।*
*দাস মনোহরে লীলা করেন প্রকাশ।।*
*🌻যখন গোপীগণ চলে গেলে গোপাল কান্না শুরু করলে মা যশোমতী গোপালকে পুন স্তনপান* *করাচ্ছেন,তার মাথার উপরে শূন‍্যেতে একটি শকট বাঁধা ছিল।* *কংস প্রেরিত অসুর মনে মনে ভাবলে পূতনাকে এই সামান‍্য বালক বধ করেছে, আমি ছাড়ব না।* *আমি মায়ারূপে গিয়ে সেই শকটের মধ্যে থাকব, আর সময়মত**তাকে বধ করব।* *অন্তর্য‍্যামী কৃষ্ণ* *তিনি সকলের অন্তরের কথা জানেন,* *অসুরেরও মনের কথা জানতে বাকী রইল না,* *সামনে মা আছেন, মায়ের সামনে কিছু করা যাবে না।* *তাই গোপাল নিদ্রার ভান করলেন, মা যখন দেখলেন গোপাল নিদ্রা গেছে* *মা তখন ভেতরে গেলেন।* *


*🌻🌻🌻তৃতীয় পদ🌻🌻🌻*
*অসুর শকটোপরি করিয়াছে ভর।*
*পূর্ব হতে জানিলেন দেব গদাধর*
*অসুর কারণে কৃষ্ণ মন্ত্রণা করিল।*
*ক্ষুধা ছলে কৃষ্ণ কাঁদিয়া উঠিল।।*
*দেখিলা স্বরূপে দৈত‍্য করি নিরীক্ষণ।*
*ক্রন্দন করেন কৃষ্ণ ছাওয়াল লক্ষণ।।*
*ছেলের লক্ষণ এই ক্রন্দনের ছলে*
*হস্তপদ আছাড়িয়া হস্তপদ তুলে।।*
*সেইরূপ উর্ধপদ করি নন্দের নন্দন।*
*ক্রন্দন করিতে যে বামপদ বাড়ান।।*
*উর্ধেতে শকট ছিল লাথি প্রহারিল*
*দড়ি ছিড়ি শকট যে ভাঙ্গিয়া পড়িল।।*
*ভগবানের লীলা কে বুঝিতে পারে।*
*ভক্তি প্রদান করিলে কহে মনোহরে।।*
*🌻🌻 অনাদিরাদি গোবিন্দ মায়ারূপে অসুরকে দেখে বালকোচিত স্থভাবে মৃদু মৃদু হাসতে লাগলেন।* *আবার ক্ষুধার ছলে তিনি ক্রন্দন করতে লাগলেন।* *তিনি অন্তর্য‍্যামী, দুর্বাসা মুনির অভিশাপের কথা মনে করে তাঁর শাপ রক্ষা করবার কৌশল ভাবতে লাগলেন।* *(যেমন বলিরাজাকে কৌশল করে, ত্রিবিক্রমরূপে স্বর্গ,মর্ত‍্য* *ও পাতাল হরণ করে দর্প চূর্ণ* *করেছিলেন, শ্রীকৃষ্ণ তৃণাবর্ত অসুরের* *জন্য সেরকম ভাবনা ভাবতে* *লাগলেন।* *তিনি শকটতলে পালঙ্কে শয়ন অবস্থায় চরম ভাবে রোদন করতে লাগলেন,* *রোদন করতে করতে যখন চরণ বাড়ালেন,* *তখন ত্রিবিক্রের ন‍্যায় ত্রিলোক ব‍্যাপী হয়নি বটে,কারণ ব্রজবাসীর প্রেম-মর্য‍্যাদা লঙ্খনের ভয়ে* *প্রয়োজন মত চরণ বাড়ালেন* *এবং অসুরকে যথা শাস্তি প্রদান* *করবার জন্য সেই পন্থা অবলম্বন করলেন।* *সেই বালক কৃষ্ণের কান্না শুনে তৃণাবর্তের বেশ মজা হল, অপরদিকে কৃষ্ণ ধীরে ধীরে পদ উত্তোলন করে রোদন রত অবস্থায় যেই স্থানে অসুর লুকিয়ে ছিল,* *সেই জায়গায় পদাঘাত করলেন।*পদাঘাত করামাত্র* *শকটখানি বেশ দূরে গিয়ে সশব্দে* *পতিত হল।* *এবং শকটের চাকা,* *যুগন্ধর অর্থ‍্যাৎ (জোয়ালের সঙ্গে যুক্ত বা সংলগ্ন কাঠ,) প্রভৃতি চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে গেল।* *শ্রীকৃষ্ণের চরণ স্পর্শে তৃণাবর্ত অদৃশ‍্য হয়ে গেল।*
*🌻🌻অতি সংক্ষেপে ব‍্যাখ‍্যা🌻🌻*


*🌻🌻বিরাম পদ🌻🌻*
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*যেইকালে পদ বাড়াইলা গদাধর।*
*বামপদ প্রহারিল শকট উপর।।*
*লাথি ঘায়ে শকট পড়িল গিয়া দূরে।*
*খান খান হ'য়ে খসি পড়িল কুব-রে।।*
*তৃণাবর্ত অসুরের আশ্রয় ভাঙ্গিল।*
*মহাভয়ে শূন‍্যপথে পলাইয়া গেল*
*শকট ভাঙ্গল কৃষ্ণ দেখে ব্রজবালা*
*ক্রন্দন শুনিয়া তবে যশোদা আইলা।।*
*শকট ভঞ্জন দেখি মহাশোকে রাণী।*
*আস্তেব‍্যস্তে ক্রোড়ে তুলি নিল নীলমণি।।*
*যশোদা বলেন রক্ষা কৈল নারায়ণ।*
*এখুনি আমার বাছা হারাইত পরাণ।।*
*গোপীগণ বলে মাতা না ভাব সঙ্কট।*
*পদাঘাতে তব পুত্র ভেঙ্গেছে শকট।।*
*ধন‍্য ধন‍্য গো যশোমতী জননী।*
*শকট ভঞ্জন লীলা মনোহর বাণী।।*শ্রীকৃষ্ণের পদাঘাতে চরণ* *স্পর্শে* *যখন শকট ভেঙ্গে দূরে* *পড়িল,তখন* *সেই শকট ভাঙ্গার শব্দ শুনে* *নন্দ,যশোদা,রোহিণী ও অন‍্যান‍্য গোপগোপীগণ সর্বকর্ম ত‍্যাগ করে যেখানে শকটেরতলে শ্রীকৃষ্ণ শায়িত ছিলেন*, *সেখানে এসে উপস্থিত হলেন।*তাঁরা এসে* *দেখলেন শ্রীকৃষ্ণ পালঙ্গেই আছেন,* *কিন্তু হাত-পা নাড়া দিয়ে ভীষণ রোদন করছেন।* *কিন্তু পালঙ্গের উপরে যে শকট ছিল তা নেই,* *সেই শকট বেশ কিছু দূরে বিপরীত ভাবে পড়ে আছে।* *এই অদ্ভুত ব‍্যাপার দেখে সকলের ভয় হল।*
*তাঁরা মনে আশঙ্কা করতে লাগলেন যে পূতনার মতো কোন রাক্ষসী এসেছিল হয়ত,নইলে এমনটি হবে কনে?* *শ্রীকৃষ্ণের রোদন দেখে মা বাৎসল‍্যময়ী যশোমতী স্তনপান করাতে লাগলেন,* *আর পুত্রের মঙ্গলের জন্য নারায়ণের কাছে প্রার্থনা করতে লাগলেন।* *আর কৃষ্ণ মাতৃদুগ্ধ পান করতে করতে মৃদু মৃদু* *হাস‍্য করছেন*। *মা যশোমতী নারায়ণের কাছে প্রার্থনা করেও ক্ষান্ত হলেন না,* *ব্রাহ্মণগণকে ডেকে মন্ত্রপাঠ করিয়ে গোপালের যদি কোন গ্রহদোষ থাকে তা নিবারণ করালেন।* *মায়ের কথা শুনে গোপাল হাত-পা নাড়িয়ে নর্তন করতে লাগলেন,খেলা করতে* *লাগলেন,খেলা দেখে গোপগোপীগণ* *
*আনন্দ সাগরে ভাসতে লাগলেন।*
 *🌻জয় নিতাই,ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয়🌻*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






adds