*🌻প্রেম বৈচিত্র্য গৌরচন্দ্রিকা🌻*
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*হরি হরি গোরা কেনে কান্দে।*
*নিজ সহচরগণ, পুছই কারণ,*
*হেরই গোরামুখ চান্দে।।*
*অরুণিম লোচন,প্রেমভরে ভেল দোনো,*
*ঝর ঝর ঝরে প্রেমবারি।*
*যৈছনে শিথিল,গাঁথিল মোতিফল,*
*খসয়ে উপরি উপরি।।*
*সোঙরি বৃন্দাবন,নিশষই পুনঃপুনঃ,*
*আপনার অঙ্গ নিরখিয়া।*
*দুইহাত বুকে ধরি,রাই রাই ধ্বনি করি,*
*ধরণী পড়ল মূরছিয়া।।,*
*তহিঁ প্রিয় গদাধর,ধরিয়া করিল কোর,*
*কহয়ে শ্রবণে মুখ দিয়া।*
*পুনঃ অট্ট হাসে,জগ জন মনতোষে,*
*বাসুঘোষ মরয়ে ঝুরিয়া।।*
*🌻জয় নিতাই,শ্রীমন্মহাপ্রভুর কখন কোন ভাব প্রকট হয় তাহা স্বয়ং মহাপ্রভু ব্যতীত অন্যের জানা বড়ই কঠিন।* *আজ মহাপ্রভুর মনের ভাব কিছুই বুঝতে পারছেন না পার্ষদগণ।* *ভাব তো বুঝা যাচ্ছেই না,তার পরে তিনি অঝোর নয়নে বারিধারা বর্ষণ করছেন।*কার ভাল লাগে গো?যদি মনের* *মানুষ এইভাবে বারিধারা বর্ষণ করতে* *থাকেন?)* *অদ্য গোরাচাঁদের পূরবের লীলা স্মরণের সাথে সাথে কলিহত জীবের কথা মনে করে হয়ত অঝোর নয়নে ক্রন্দন করছেন,কেন,তিনি যে পরমপিতা,কলিহত জীবের দুর্দশা দেখে কলিহত জীবকে উদ্ধার করবার জন্য আজ গৌরসুন্দরের এই অবস্থা?* *হে জীব!তোমরা এতই কাম-কামনা,বিষয়-বাসনায় মত্ত রয়েছ?তোমরা ষেখান হতে বেড়িয়ে এসো,সময় থাকতে সুকর্ম কর?সময় চলে গেলে আর এই সুদুর্লভ মানব জনম পাবে না।* *তোমাদের দুর্দশা আমার আর সহ্য হচ্ছে না,আমি তোমাদের জন্য গোলোকের সুখ ত্যাগ করে ভূলোকে এলাম,এসে কি দেখছি আজ এই দশা?* *ওগো,আমার প্রাণ, এসো তোমরা এসো,এসে তোমরা মন-প্রাণ এক করে কৃষ্ণনাম করো,সকল দুর্দশা দূরে যাবে,সদাসর্বদা সুখে থাকবে।* *ওগো আমার প্রাণ! শোন,"একবার কৃষ্ণনামে যত পাপ হরে,।জীবের সাধ্য নাই তত পাপ করে"।।* *মহাপ্রভুর এইরকম দশা দেখে নিজ পার্ষদগণ গোরাবদন দর্শন করে,পরমপিতা, করুণাময় পতিতপাবন গোরাচাঁদকে জিজ্ঞাসা করছেন,প্রমু বলো বলো তোমার কি হয়েছে,তোমার এই ব্রদনা আমাদের আর সহ্য হচ্ছে না।* *অরুণিম লোচন,* *মহাপ্রভুর নয়ন দুটি প্রভাতের সূর্য্যের মত লাল হয়ে গেছে।* *যেন দুই নয়ন হতে প্রেম বরিষণ হচ্ছে* *"প্রেমভরে ভেল দোনো"* *যে একবার ঐ প্রেমমাখা নয়নের দিকে নয়ন মেলাবে,সে কৃষ্ণপ্রেমে আত্মহারা হয়ে যাবে গো।* *আর তার সাথে সাথে বর্ষার মেঘের মত নয়ন হতে বারিধারা বরিষণ হবে।* *এতকিছুর মাঝেও আজ গৌরহরির ভাব বুঝা যাচ্ছে না।* *তিনি কি করছেন,বা তিনি কি করবেন।* *হঠাৎ আরেকটি* *ভাবের উদয় হল,কি ভাব?*
*ভাব দেখে মনে হচ্ছে,তাঁর মন একদিকে,আর দেহ আরেকদিকে।* *যেমন পুষ্প দিয়ে মাল্য গ্রন্থন করা হয়,ভাবনিধি গোরাচাঁদের ভাব দেখা যাচ্ছে,তিনি পুষ্প দ্বারা মালা রচনা করছেন বটে,তাঁর গ্রন্থন শৈলী দেখে মনে হচ্ছে, একটি করে পুষ্প হাতে নিচ্ছেন আর মাল্য গ্রন্থনের চেষ্টা করছেন,কিন্তু তাঁর হাত হতে পুষ্প মৃত্তিকায় পড়ে যাচ্ছে।* *কেন হবে না? মন যে অন্যত্র রয়েছে।আর তিনি মাঝে মাঝে ঘন ঘন নিঃশ্বাস ফেলছেন।*
*আর চমকে চমকে উঠছেন।* *কখন কি ভাবে বিভাবিত হন বুঝা বড়ই অসুবিধা হয়ে যায়।* *তাই মহাপ্রভুর আরেক সঙ্গী পদকর্তা শ্রীনরহরি সরকার শ্রীগৌরাঙ্গ লীলা রচনার সাধ করে লিখেছেন-----*
*গৌরলীলা দরশনে,ইচ্ছা হয় বড় মনে,*
*ভাষায় লিখিয়া সব রাখি।*
*মুইতো অতি অধম,লিখিতে না জানি ক্রম,*
*কেমন করিয়া তাহা লিখি।।*
*এ গ্রন্থ লিখিবে যে,এখনো জন্মে নাই সে,*
*জন্মিতে বিলম্ব আছে বহু।*
*ভাষায় রচনা হইলে,বুঝিবে লোক সকলে,*
*কবে বাঞ্জা পূরাবেন পহুঁ।।*
অনন্ত রাখিল নাম অন্ত না পাইয়া।।
*********************************
এই গ্রন্থ লিখিবে যে,
এখনো জন্মে নাই সে,
জন্মিতে বিলম্ব আছে বহু।
নরহরি সরকার (পদকর্তা)
শ্রীনরহরি সরকার মহাশয় গৌরকথা
রচনা করিতে গিয়ে এই কথাগুলো
লিখিয়াছেন, কি কারণ হতে পারে?
*********************************
শাস্ত্রে পাওয়া যায় --------------------------
ন চান্তর্ন বহির্যস্য ন পূর্বংনাপি চাপরং
পূর্বাপরং বহিশ্চান্তর্জগতো যো জগচ্চ যঃ।। ( ভাগবত)
(একটি গভীর তত্ত্ব)
এই তত্ত্বটি যাঁরা বোঝেন। অনন্তকোটি ব্রহ্মান্ড যাঁর রোমকূপে যাতায়াত করে যাঁর ইচ্ছে মাত্র অনন্তকোটি ব্রহ্মান্ডের
সৃষ্টি -স্থিতি-প্রলয় হচ্ছে,যে মহাপুরুষের যে মহাবিষ্ণুর একটি নিশ্বাসকাল-ব্রহ্মান্ডের স্থিতিকাল।
*আমরা মানবজাতি চব্বিশ ঘন্টায় বাইশ হাজার ছয়শত বার নিশ্বাস নিয়, আর বাইশ হাজার ছয়শত বার প্রশ্বাস ত্যাগ করি তাইনা?
আবার শাস্ত্রে পায় -----------------
যাঁর একটি নিশ্বাসকালকে মাত্র অবল
ম্বন করিয়া ব্রহ্মান্ডের নাথগণ জীবিত
থাকেন। যস্যৈকনিঃশ্বসিতকালমথা-
বলম্ব্য জীবন্তি লোমবিলজাঃ জগ-
দন্ডনাথাঃ তাঁর নাম কি? বিষ্ণুর্মহান-
তিনি মহাবিষ্ণু। তাঁর একটি নিঃশ্বাস-
পরিমিত কালই ব্রহ্মান্ডের স্থিতিকাল
ব্রহ্মার যে দ্বিপরার্ধ কাল পরমায়ু, সেই
দ্বি-পরার্ধ কাল পরমায়ু মহাবিষ্ণুর এক নিঃশ্বাস। এক পরার্ধকাল কি?
সত্য,ত্রেতা,দ্বাপর,কলি চার যুগ জানি
চার যুগকে এক দিব্য যুগ মানি।।
একাত্তর দিব্যযুগে এক মন্বন্তর।
চৌদ্দ মন্বন্তরে ব্রহ্মার দিবস ভিতর।।
(এই সময়কে এক পরার্ধকাল বলা হয়,এইরকম আরেক পরার্ধকাল হলে মহাবিষ্ণুর এক নিশ্বাসকাল) সেই মহাবিষ্ণু কে? না, শ্রীগোবিন্দের কলা বিশেষ। কে শ্রীভগবানের তত্ত্ব বুঝবে বলুন? এই মহাবিষ্ণু গোবিন্দের কলা বিশেষ। কলা মানে -ষোল ভাগের এক ভাগের নাম অংশ। অংশের ষোল ভাগের এক ভাগের নাম কলা, বোঝা গেল? সেই কলা- বিশেষের যদি এত ক্ষমতা,তাহলে শ্রীগোবিন্দের কি ক্ষমতা আন্দাজ করুন? সেই আদি পুরুষ শ্রীগোবিন্দকে আমি শত শত কোটি দন্ডবৎ প্রণাম জানাই।
(ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয়) জয় নিতাই।
*যিনি মহাপ্রভুর নিত্য সঙ্গী তিনি এই কথা লেখেছেন।* *যাইহোক,গৌরহরি চমকে চমকে উঠছেন আর নিজ অঙ্গ দেখছেন।*
*এবারে পার্ষদগণ বুঝতে পারলেন,প্রভুর দেহ পরে রয়েছে নদীয়ায়,আর মন চলে গেছে শ্রীবৃন্দাবনে।* *অদ্য কৃষ্ণভাবে ভাবিত হয়ে,"দুই হাত বুকে ধরি,রাই রাই ধ্বনি করি,ধরণী পড়ল মূরছিয়া"।* *বিরহ ব্যথায় গৌরহরি রাধা রাধা বলিয়া কাঁদছেন,আর কাঁদতে কাঁদতে তিনি অচৈতন্য হলেন।* *যখনই অচেতন হলেন পার্ষদদের মধ্যে ছিলেন গদাধর,যেই রাধা সেই গদা।* *গৌরসুন্দরের সেবার লাগি রাধার অংশ হতে গদাধরের আবির্ভাব।*
*সেই গদাধর গৌরহরিকে নিজ কোলে নিয়ে শ্রবণে(কানে)মুখ দিয়া কি যেন বললেন,শ্রণ মাত্রেই শ্রীশচীনন্দন গৌরহরির কি অট্ট হাসি।* *যেন মনে হল শিশুরা পিতামাতার কাছে কিছু বায়না করে,প্রথমে তাঁরা দিতে চান না,তারপর যখন হাতে বায়নার বস্তু পেলে যে আনন্দ ও অট্ট হাসি হয়,ও আত্মহারা হয়ে যায়,অদ্য গৌরহরির* *বদনে দেখা গেল।*
*সেই হাসি যেন জগতের মানুষ যারা দর্শন করেছেন,তাঁদের দেহ,মন,প্রাণ সুশীতল হয়ে গেছে।*
*পদকর্তা বাসুঘোষ বললেন এ জগজন হাসি হতে বঞ্চিত হয়েছেন বলিয়া মরম ব্যথায় রয়েছেন।*
*🌻মহাপ্রভু যে লিপিবদ্ধ করালেন করিলাম,তাতেও যদি ভুল ভ্রান্তি হয় মার্জনা করবেন।🌻*
*বৈষ্ণব পদকর্তা গোবিন্দ দাসের পদে শ্রীরাধার প্রেম বৈচিত্র্যের পরিচয় পাওয়া যায়।*
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*রসবতী বৈঠী রসিকবর পাশ।*.
*রোই কহই ধনি বিরহ হুতাশ।।*
*আর কি মিলিব মোহে রসময় শ্যাম।*
*বিরহ জলধি কব পঙরব হাম।।*
*নিকটহি নাহ না হেরই রাই।*
*সহচরী কত পরবোধই তাই।।*
*কানু চমকি তব রাই করু কোর।*
*গোবিন্দ দাস হেরি ভেল ভোর।।*
*🌻পরমপ্রেমবতী শ্রীরাধিকা প্রেমবৈচিত্র্যের বিচিত্র ভঙ্গী এবং শ্রীকৃষ্ণের কাছে থেকেও অপূর্ব বিকার দেখে স্বজনপ্রেমরসাস্বাদন কৌতুকী শ্রীকৃষ্ণ,পরমনন্দে আত্মহারা হয়ে গেলেন এবং নির্বাক হয়ে শ্রীরাধার পরম অদ্ভুত প্রেম বিকার বৈচিত্রী দেখতে লাগলেন।*
*দেখতে দেখতে শ্রীরাধার বিরহ বিকার এতই প্রবল হয়ে উঠল যে তিনি আর স্থির থাকতে না পেরে হা-নাথ,হা-নাথ!হা রমণ!হে প্রেষ্ঠ (প্রিয়তম) প্রভৃতি বালাপ বচনে অন্তরের নিদারুণ বিরহ বেদনা প্রকাশ করতে লাগলেন।* *প্রেম কাকে বলে,চোখের সামনে থেকেও তিনি দর্শন পাচ্ছেন না।* *প্রেমবৈচিত্র্য বিরহ ব্যাকুলা শ্রীরাধা,তাঁর কাছে থেকেও প্রাণবল্লভের অদর্শন স্ফূর্তি (আনন্দ,হর্ষ) তে পরম ব্যাকুলা হয়ে আর্তস্বরে বলতে লাগলেন,হা নাথ!তোমার বিরহ দাবানলে দহ্যমান (দগ্ধ হচ্ছে এমন)দেহ বৃক্ষ হতে এখনই প্রাণ পাখী উড়ে যাবে।*
*আমি শত চেষ্টা করেও তাকে ধরে রাখতে পারছি না।* *তাই বলছি,হা নাথ!আমার প্রাণের তুমিই একমাত্র বল্লভ।* *তুমি একমাত্র এসে আমার প্রাণকে রাখতে পারো।*তাহলেই এ দেহে প্রাণ থাকবে,নচেৎ এ দেহে প্রাণ রাখা সম্ভবপর হবে না।* *তোমার জন্য আমার কোটি কোটি প্রাণও তুচ্ছ।* *সুতরাং তোমার যদি কোন দুঃখ হয়,তাহলে সেই দুঃখ কোটি কোটি গুণিত হয়ে আমার হৃদয়ে কোটি কোটি বজ্রপ্রহার হতেও কোটি কোটি গুণিত দুঃখ প্রদান করবে।* *রাধার এই নানা ধরণের বিলাপ শ্রবণ করে,শ্রীকৃষ্ণ তাঁকে নিজ বক্ষে জায়গা দিলেন।*
*অর্থ্যাৎ কোলে নিয়ে রাধাকে সান্ত্বনা দিতে লাগলেন।* *তৎসহ রাধার সখীগণ,রাধার বিকার শুনে ছুটে এলেন,এবং কত না প্রবোধ দিতে লাগলেন।*
*🌻দ্বিতীয় পদ🌻*
*কোরহি শ্যাম,চমকি ধনি বোলত,*
*কবে মোহে মিলব শ্যাম।*
*হৃদয়ক তাপ, তবহুঁ মঝু মিটব,*
*অমিয়া করব সিনান।।*
*সো মুখ মাধুরী, বঙ্ক নেহারই,*
*সোঙরী সোঙরী মন ঝুর।*
*সো তনু সরস,পরশ যব পাওব,*
*তবহি মনোরথ পূর।।*
*এত কহি সুন্দরী, দীঘ নিশাসই,*
*মূরছিত হরল গেয়ান।*
*আকুল রাই,শ্যাম পরবোধই,*
*গোবিন্দ দাস পরমাণ।।*
*🌻শ্রীকৃষ্ণের কোলে থেকেও শ্রীমতী রাধারাণী হা-মোহন!তুমি কোথায়?বলে ব্যাকুল ভাবে রোদন করছেন।* *আর তাঁর প্রাণ গোবিন্দ প্রাণপ্রিয়াকে প্রেমরসময় বাক্যে সান্ত্বনা প্রদান করছেন।* *কিন্তু কে কার কথা শোনে!এমন প্রেমের ঘোরে আছেন যে মাঝে মাঝে কৃষ্ণের কোলে বসে আছেন, তবুও চমকে চমকে উঠছেন,আর বলছেন,হে প্রাণবল্লভ!তুমি আবার কখন আমার সঙ্গে দেখা করবে,"বঙ্ক নেহারই"বাঁকা নয়নে গোবিন্দকে দেখছেন,কিন্তু ইনিই তাঁর প্রাণপ্রিয়তম,বিস্মৃতি হয়ে গিয়ে,বিরহ ব্যথায় কাতর হয়ে পড়ছেন।* *প্রেমবৈচিত্র্যরসের তরঙ্গমালায় শ্রীরাধার অঙ্গ হতে অপূর্ব লাবণ্যরাশি উচ্ছসিত হচ্ছে,আর গোবিন্দ রাধা অঙ্গ দর্শন করছেন, এবং আত্মহারা হয়ে পড়ছেন।* *পুনঃপুনঃ রাধাকে সান্ত্বনা দিচ্ছেন,রাইধনি প্রাণপ্রিয়ের কোলে থেকেও মদবিহ্বলা।* *শ্রীকৃষ্ণ-সঙ্গ-জনিত বিপুল সুখানুভূতিরই চরম ফল এই বিরহ।*
*এক খুব দুঃখ হলে নয়নবারি বরিষণ হয়,আর এক চরম সুখে নয়নবারি বরিষণ হয়।* *এটি চরম সুখের বিরহ বিকার।*
*********************************
*বহু ক্ষণে পরিচয় ভেল।*
*বিরহ বেদন দূরে গেল।।*
*দোঁহে দোঁহে কোরে আগরি।*
*সহচরী হেরি বিভোরি।।*
*অদভূত প্রেম চরিত।*
*হেরইতে চমকই চিত।।*
*কোরহি দেখিতে না পায়।*
*ঐছন না শুনি কোথায়।।*
*পুন দোঁহে নিবিড় বিলাস।*
*দূরে গেল বিরহ হুতাশ।।*
*গোবিন্দ দাসক দাস।*
*ইহ গুণ আনন্দে ভাষ।।*
******************************
*দম্পতির পরস্পর প্রেমোৎকর্ষ হয়।*
*অধিকীর্তিরতা সেই বিচারি না লয়।।*
*অঞ্চলে বান্ধিয়া রত্ন চাহি ফিরে ঘরে।*
*লোকেতে থাকিয়া হয় বিচ্ছেদ অন্তরে।।*
*প্রেম বৈচিত্র্যের লক্ষণ*
*প্রিয়স্য সন্নিকর্ষেহপি প্রেমোৎকর্ষ স্বভাবতঃ।*
*যা বিশ্লেষধিয়ার্তিঃ স্যাৎ প্রেম বৈচিত্ত্যমিষ্যতে।।*
*🌻গাঢ় প্রণয়ৃর ক্ষেত্রে প্রিয়জনের সঙ্গে মিলিত থাকিয়াও প্রেমিক প্রেমিকার মনে বিচ্ছেদ ভয়ের জন্য যে কাতরতা তাহাই প্রেম বৈচিত্র্য।*
*🌼অন্তরেতে সদা মোর কৃষ্ণ সম্ভাষণ।*
*বাহিরে বিচ্ছেদ মাত্র লীলার কারণ।।*
*জয় রাধেশ্যাম*
বিরাম
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧