শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রীগোবিন্দ কবিরাজ বা গোবিন্দ দাস পদকর্তা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_43.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ শ্রীগোবিন্দ কবিরাজ বা গোবিন্দ দাস পদকর্তা 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শ্রীগোবিন্দ কবিরাজ বা গোবিন্দ দাস পদকর্তা।
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
শ্রীগোবিন্দ কবিরাজ -- ইনি মাতামহ শ্রীদামোদর কবিরাজের আলয়ে জন্ম গ্রহণ করেন। গোবিন্দ কবিরাজ মাতৃগর্ভে অতিরিক্ত মাস অবস্থান করার ফলে জননী সুনন্দার অতিশয় কষ্ট হচ্ছিল।দাসী দামোদর কবিরাজকে এসে এই কথা বললেন।তখন দামোদর কবিরাজ দেবীর পূজো করছেন।তজ্জন‍্য দাসীর সঙ্গে কোন কথা না বলে নয়নে ইঙ্গিত করে বললেন,দেবী যন্ত্রটি সুনন্দাকে দেখাও এখনই পুত্র প্রসব হবে।দাসী ইঙ্গিত না বুঝে দেবী-যন্ত্র ধৌত করে সেই জল সুনন্দাকে পান করাল, তাহাতে তিনি সুখে পুত্র প্রসব করলেন।
(শীঘ্র যন্ত্র-ধৌত করি জল পিয়াইল)
               (ভক্তিরত্নাকর=৯|১৪৯)
শ্রীগোবিন্দ কবিরাজের জন্মের পর পিতা চিরঞ্জীব সেন অপ্রকট হন। তখন থেকে শ্রীরামচন্দ্র কবিরাজ ও গোবিন্দ কবিরাজ মাতামহ দামোদরের আলয়ে প্রতিপালিত হন।
দামোদর শাক্ত ছিলেন।মাতামহের সঙ্গ ফলে শ্রীরামচন্দ্র ও গোবিন্দ শাক্ত ভাবাপন্ন হন। শ্রীরামচন্দ্র পরবর্তীকালে শ্রীনিবাস আচার্য‍্যের অনুগ্রহে বৈষ্ণব ধর্মে দীক্ষিত হন। অপরদিকে গোবিন্দ ঘোরতর শাক্ত হয়ে পড়েন।তিনি ভগবতী ছাড়া অন‍্য কোন কথা বলতেন না, অন‍্য কোন পূজাও করতেন না। সকলকে ভগবতী উপাসনার কথাই বলতেন।তখন গীত পদ‍্যাদি যাহা লিখতেন সমস্তই ভগবতী সম্বন্ধে।
*শ্রীরামচন্দ্র শ্রীআচার্য‍্য স্থানে শিষ্য হৈতে।
গোবিন্দ একান্তে বসি বিচারয়ে চিতে।।
ভগবতী পাদপদ্ম কৈলে আরাধন।
না হৈত কি এ ভব বন্ধাদি বিমোচন।।
            (ভক্তিরত্নাকর=৯|১৫৭-১৫৮)
শ্রীরামচন্দ্র কবিরাজ শ্রীনিবাস আচার্য‍্যের অনুগ্রহ পাবার পর গোবিন্দ কবিরাজের মতি বৈষ্ণব ধর্মে  এসেছিল।সেই সম্বন্ধে বলছেনশ্রীগোবিন্দ কবিরাজ মনে মনে চিন্তা করতে লাগলেন,শক্তি উপাসনা মার্গে ভববন্ধন থেকে কি মুক্তি পাওয়া যায় না? ঠিক এই সময় তিনি দৈববাণী শুনলেন---------------
হেন কালে অলক্ষ‍্যে কহয়ে ভগবতী।
কৃষ্ণ না ভজিলে কারু না ঘুচে দুর্গতি।
                     (ভঃরঃ= ৯|১৫৯)
অলক্ষ‍্যে দেবী যেন বলছেন, শ্রীকৃষ্ণ ভজন ছাড়া কারও ভববন্ধন মোচন হয় না।গোবিন্দ কবিরাজ এই দৈববাণী শুনে বুঝতে পারলেন শ্রীকৃষ্ণ ভজন ছাড়া অন‍্য কোন মার্গে বা কোন উপাসনার দ্বারা ভববন্ধন থেকে মুক্তি হয় না- ইহা দেবীর উপদেশ। তখন তিনি শ্রীকৃষ্ণ ভজন করবার জন্য দৃঢ় সংকল্প করলেন। গোবিন্দ কবিরাজ শ্রীকৃষ্ণ ভজনের জন্য বড়ই ব‍্যাকুল হয়ে পড়লেন। বড় ভাই রামচন্দ্র শ্রীনিবাস আচার্য‍্যের অনুগ্রহে ধন‍্য হয়েছেন, তিনিও তাই শ্রীআচার্য‍্যের শ্রীচরণ আশ্রয় করতে উৎসুক হলেন।
(শ্রীআচার্য‍্য প্রভুর শিষ্য হইব সর্বথা।
তবে সে ঘুচিবে মোর অন্তরের ব‍্যথা।।)
*আমি নিশ্চয় শ্রীআচার্য‍্য ঠাকুরের চরণ আশ্রয়ে ধন‍্য হব।গোবিন্দ এইরূপ বিচার করে যাজিগ্রামে যাবার উদ‍্যোগ করলেন, এমন সময় শুনলেন শ্রীআচার্য‍্য বৃন্দাবনে চলে গেছেন। গোবিন্দের মনে বড় খেদ উপস্থিত হল। তখন তিনি মনে মনে বিচার করতে লাগলেন-------------
*বৈষ্ণবগণেও মোর হিত চিন্তা কৈল।
কহিল পিতার বার্তা তাহা না শুনিল।।
মোর পিতা চিরঞ্জীব সেন বিদ‍্যামান।
চৈতন‍্যচন্দ্রের ভক্ত, গুণের নিধান।।
এ হেন সন্তান হৈয়া গেলু ছারে খারে
এ কেবল কর্মদোষ,কি বলিব কারে।।
** শ্রীগোবিন্দ কবিরাজ স্বগত ভাবে কৃপাময় বৈষ্ণবগণ পূর্বে আমার হিত চিন্তা করে শ্রীকৃষ্ণ ভজনের কথা বলে ছিলেন।ভাগ‍্যদোষে তখন তাঁদের কথায় কর্ণপাত করি নাই। 
আমার পিতা চিরঞ্জীব সেন শ্রীচৈতন‍্য মহাপ্রভুর পরম অনুগ্রহ পাত্র ছিলেন। তিনি ছিলেন পরম ভাগবত ও সমস্ত গুণের নিধান। হায়! আমি এহেন মানুষের সন্তান হয়ে বৃথা জীবন কাটালাম।এ জগতে দেখছি আমার সমান দুর্ভাগা আর কে আছে?
       
শ্রীগোবিন্দ কবিরাজ শেষ অংশ -------
*********************************
পুনঃ যদিও দেবী স্বয়ং অহৈতুকী কৃপা করে কৃষ্ণভজন করতে বললেন, তাতে শ্রীকৃষ্ণ ভজনে কিছুটা মতি হল কিন্তু সদ্ গুরু কোথায় পাব? আমি মনে করলাম শ্রীনিবাস আচার্য‍্যের শ্রীচরণ আশ্রয় করিব, তিনি তো শ্রীবৃন্দাবনে বাস করছেন।
*মোর জ‍্যেষ্ঠ আচার্য‍্য প্রভুর দরশনে।
ফিরিল সে মন -- নিষ্ঠা হৈল সে চরণে।।
শ্রীগোবিন্দ কবিরাজ এই সমস্ত কথা বলিয়া যখন খেদ করতে ছিলেন, তখন দৈববাণী শুনলেন-------------
"হেনকালে দৈববাণী হইল আকাশে।
অভিলাষ পূর্ণ হবে অলপ দিবসে।।
** তোমার শীঘ্র অভিলাষ পূর্ণ হবে তুমি ধৈর্য্য ধর।এবার গোবিন্দ কবিরাজ খানিকটা আশ্বস্ত হ'লেন। শ্রীরামচন্দ্র কবিরাজ ছোট ভায়ের সেই সমস্ত চেষ্টা শুনে বড়ই সুখী হলেন। এদিকে শ্রীনিবাস আচার্য‍্যের জন্য গৌড় দেশবাসী ভক্তগণ বড়ই চঞ্চল হয়ে উঠলেন।আচার্য‍্যকে বৃন্দাবন হতে আনবার জন্য কাকে পাঠানো হবে ; সকলে মনোনীত করলেন শ্রীরামচন্দ্র কবিরাজকে। রামচন্দ্র বৈষ্ণবগণের আজ্ঞা নিয়ে শুভদিনে বৃন্দাবন যাত্রা করে, তিনি কুমারহট্ট নগরে ছোট ভাই গোবিন্দ কবিরাজের কাছে এলেন।গোবিন্দের কৃষ্ণ ভজন উৎকণ্ঠা দেখে তিনি খুবই সুখী হলেন এবং আচার্য‍্যপাদ এলেই তাঁর সব বাসনা সিদ্ধ হবে জানালেন। এ সময় তিনি শ্রীগোবিন্দ কবিরাজকে 
কুমার নগর থেকে তেলিয়া বুধরি গ্রামে গিয়ে বাস করতে বললেন। শ্রী রামচন্দ্র কবিরাজ বৃন্দাবনে যাবার পর শ্রী গোবিন্দ কবিরাজ তেলিয়া বুড়ি গ্রামে এসে বসতবাটি নির্মাণ করেন। ভক্তগনের ইচ্ছাই শ্রীনিবাস আচার্য গৌড় দেশে এলেন এবং বিভিন্ন স্থানে ভক্তসঙ্গে সুখে হরিকথা কীর্তন পূর্বক ভ্রমণ করতে লাগলেন। তার শুভাগমনে গৌড় দেশে শ্রী হরি সংকীর্তন বন্যা আরম্ভ হল। শ্রী নরোত্তম দাস ঠাকুর ও শ্রী শ্যামানন্দ প্রভু তাঁর সঙ্গে অবস্থান করছিলেন।
 অতঃপর ভক্তগণ সঙ্গে শ্রী আচার্য তেলিয়া বুধরিতে এলেন। গোবিন্দ কবিরাজ অতিশয় ভক্তিপূত হৃদয়ে দৈন ভরে শ্রী আচার্যকে আমন্ত্রণ করিয়া স্বগৃহে আনলেন। অতি ভক্তি ভরে তার সেবাদি করতে লাগলেন। বুধ হরি গ্রামবাসী শ্রীনিবাস আচার্য দর্শনে পরমানন্দিত হলেন। এই সময়
গোবিন্দ কবিরাজ শ্রীনিবাস আচার্য শ্রীচরনে পরিয়া কৃপা প্রার্থনা করলেন। করুণাময় শ্রী আচার্য ঠাকুর তাকে শ্রীশ্রী রাধা কৃষ্ণ যুগল মন্ত্রে দীক্ষিত করিলেন। 
** রাধাকৃষ্ণ মন্ত্রদীক্ষা দিলেন গোবিন্দে**
 গোবিন্দ কবিরাজ শ্রীনিবাস আচার্য চরণে আত্মসমর্পণ করলেন। তার ভক্তি দর্শনে বৈষ্ণবদের আনন্দের সীমা রইল না। এইসময় গৌড় দেশে কোন প্রেমভক্তি বন্যা প্রবাহিত হলো। গৌড় দেশে গোবিন্দ কবিরাজ মহাকবি বলিয়া বিখ্যাত হলেন। তার বিদ্যা প্রতিভা অত‍্যদ্ভূত ছিল।
তিনি সংগীত মাধব নামে একখানি মহা নাটক রচনা করেন। তার আরো কয়েক খানি রচিত গ্রন্থ বঙ্গসাহিত্যে সুপ্রসিদ্ধ আছে। যেমন ছিল তার সঙ্গীত রচনা শক্তি,তেমনি ছিলেন তিনি সুকণ্ঠ গায়ক। শ্রীপাদ জীব গোস্বামী শ্রীনিবাস আচার্য শ্রীজাহ্নবা মাতা গোস্বামিনী প্রভৃতি তাঁর ভক্তিময়ী সঙ্গীত শ্রবণে পরম সুখী হয়ে তাঁকে কবিরাজ উপাধিতে ভূষিত করেন। তিনি শ্রীবিদ‍্যাপতির মৈথিল ভাষাযুক্ত পদাবলীর অনুসরণে গীত রচনা করেন।তিনি শ্রীপাদ রূপ গোস্বামীর ভক্তিরসামৃত সিন্ধু  ও উজ্জ্বল নীলমণির শান্ত,দাস‍্য,সখ‍্য, বাৎসল‍্য ও মধুর ভাব সম্বলিত গীত রচনা করেন। তাঁর গীতে এত অনুপ্রাস,এত সরল সহজ ভাষা গম্ভীর ভাব যুক্ত, যে শ্রোতার হৃদয় সহজেই জয় করে তোলে। গৌড়ীয় বৈষ্ণব রস সাহিত্য হিসাবে গোবিন্দ কবিরাজের সমস্ত গীতি অনুপম। স্বয়ং শ্রীপাদ জীব গোস্বামী গোবিন্দ কবিরাজের পদ সমূহ শ্রবণে সন্তুষ্ট হয়ে তাঁকে "কবিরাজ" আখ‍্যা প্রদান করেছিলেন। গোবিন্দ কবিরাজের পদাবলী গীত সংখ‍্যা পদকল্পতরুতে ৪৬০ টি আছে। গোবিন্দ কবিরাজের জন্ম ১৪৫৯ শকে,অপ্রকট ১৫৩৫ শকে,আশ্বিন মাসের শুক্ল প্রতিপদে।তাঁর পত্নীর নাম মহামায়া। পুত্রের নাম শ্রীদিব‍্যসিংহ। দিব‍্যসিংহের পুত্রের নাম কবি ঘনশ‍্যাম। 
            

দাক্ষিণাত‍্য পর্যটনের সময় দক্ষিণ-
মথুরাতে এক রামভক্ত ব্রাহ্মণের সহিত দেখা হল গৌরহরির। সেই ব্রাহ্মণ মহাপ্রভুকে নিমন্ত্রণ করলেন মধ‍্যাহ্ন ভোজনের জন্য। মহাপ্রভু কৃতমালায় স্নানাদি সম্পন্ন করিয়া সেই বিপ্রের ঘরে এসে উপস্থিত হলেন মধ‍্যাহ্নকাল,তবু বিপ্রের ঘরে রন্ধনের কোন আয়োজন নেই। এ কেমনতরো
নিমন্ত্রণ? এবারে মহাপ্রভু জিজ্ঞাসা করলেন দুপুর হয়ে গেল, রন্ধনাদির দ্রব‍্য কোথায়? রামদাস বিপ্র বললেন, আমি বনবাসে আছি, বনে রান্নার সামগ্রী সম্প্রতি দুর্লভ। লক্ষ্মণ বন‍্য অন্ন-শাক-ফল আনতে গেছে।সে ফিরে এলে সীতাদেবী রন্ধনের যোগাড় করবেন।বিপ্রের উপাসনার ভাবটি মহাপ্রভুর বুঝে নিলেন,আর আনন্দে ভরে উঠলেন।এমন লীলাস্মরণের ভক্তও এই জগতে দেখা যায়? প্রায় তৃতীয় প্রহরে বিপ্রের আবেশ তিরোহিত হল।তখন অতি যত্ন
সহকারে মহাপ্রভুকে ভিক্ষা দিলেন। কিন্তু নিজে কিছুই সেবা নিলেন না। বিষন্ন মনে বসে আছেন, মহাপ্রভু বললেন,একি! তুমি সেবা নেবে না? তোমার কি হয়েছে? তখন রামদাস বললেন,আমার আর প্রয়োজন নেই,আমি দেহত‍্যাগ করব। মহাপ্রভু বললেন,কেন? তোমার কিসের দুঃখ? তখন রামদাস বললেন, রাক্ষস জগন্মাতা সীতা ঠাকুরাণীকে ধরেছে, এই বলিয়া কাঁদতে লাগলেন। আর বললেন এই দুঃখে আমার দেহ জ্বলে পুড়ে যাচ্ছে, এই দেহকে আর খাদ‍্য দিয়ে বাঁচিয়ে রাখতে ইচ্ছে হচ্ছে না। মহাপ্রভু বললেন,তুমি অমন চিন্তা মনেও স্থান দিও না। সীতা ঈশ্বরপ্রেয়সী, চিদানন্দ-মূর্তি।প্রাকৃতর হাত তাঁকে ছুঁইতে পারে না, এবং এই প্রাকৃত চোখ দেখতেও পাই না।রাবণের কি সাধ‍্য তাঁকে দেখে,তাঁকে ছোঁয়! রাবণকে কুটিরদ্বারে আসতে দেখেই মায়া-সীতাকে রেখে সীতাদেবী অন্তর্হিত হলেন। তুমি দুর্ভাবনা করো না, আমাকে বিশ্বাস করো সত‍্যি বলছি।"অপ্রাকৃতবস্তু নহে প্রাকৃত গোচর। মহাপ্রভুর বাক‍্যে রামদাসের বিশ্বাস হল। এবং আহার গ্রহণ করলেন।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧               
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






শ্রীগোবিন্দ কবিরাজ বা গোবিন্দ দাস পদকর্তা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ -> http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_43.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ শ্রীগোবিন্দ কবিরাজ বা গোবিন্দ দাস পদকর্তা 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শ্রীগোবিন্দ কবিরাজ বা গোবিন্দ দাস পদকর্তা।
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
শ্রীগোবিন্দ কবিরাজ -- ইনি মাতামহ শ্রীদামোদর কবিরাজের আলয়ে জন্ম গ্রহণ করেন। গোবিন্দ কবিরাজ মাতৃগর্ভে অতিরিক্ত মাস অবস্থান করার ফলে জননী সুনন্দার অতিশয় কষ্ট হচ্ছিল।দাসী দামোদর কবিরাজকে এসে এই কথা বললেন।তখন দামোদর কবিরাজ দেবীর পূজো করছেন।তজ্জন‍্য দাসীর সঙ্গে কোন কথা না বলে নয়নে ইঙ্গিত করে বললেন,দেবী যন্ত্রটি সুনন্দাকে দেখাও এখনই পুত্র প্রসব হবে।দাসী ইঙ্গিত না বুঝে দেবী-যন্ত্র ধৌত করে সেই জল সুনন্দাকে পান করাল, তাহাতে তিনি সুখে পুত্র প্রসব করলেন।
(শীঘ্র যন্ত্র-ধৌত করি জল পিয়াইল)
               (ভক্তিরত্নাকর=৯|১৪৯)
শ্রীগোবিন্দ কবিরাজের জন্মের পর পিতা চিরঞ্জীব সেন অপ্রকট হন। তখন থেকে শ্রীরামচন্দ্র কবিরাজ ও গোবিন্দ কবিরাজ মাতামহ দামোদরের আলয়ে প্রতিপালিত হন।
দামোদর শাক্ত ছিলেন।মাতামহের সঙ্গ ফলে শ্রীরামচন্দ্র ও গোবিন্দ শাক্ত ভাবাপন্ন হন। শ্রীরামচন্দ্র পরবর্তীকালে শ্রীনিবাস আচার্য‍্যের অনুগ্রহে বৈষ্ণব ধর্মে দীক্ষিত হন। অপরদিকে গোবিন্দ ঘোরতর শাক্ত হয়ে পড়েন।তিনি ভগবতী ছাড়া অন‍্য কোন কথা বলতেন না, অন‍্য কোন পূজাও করতেন না। সকলকে ভগবতী উপাসনার কথাই বলতেন।তখন গীত পদ‍্যাদি যাহা লিখতেন সমস্তই ভগবতী সম্বন্ধে।
*শ্রীরামচন্দ্র শ্রীআচার্য‍্য স্থানে শিষ্য হৈতে।
গোবিন্দ একান্তে বসি বিচারয়ে চিতে।।
ভগবতী পাদপদ্ম কৈলে আরাধন।
না হৈত কি এ ভব বন্ধাদি বিমোচন।।
            (ভক্তিরত্নাকর=৯|১৫৭-১৫৮)
শ্রীরামচন্দ্র কবিরাজ শ্রীনিবাস আচার্য‍্যের অনুগ্রহ পাবার পর গোবিন্দ কবিরাজের মতি বৈষ্ণব ধর্মে  এসেছিল।সেই সম্বন্ধে বলছেনশ্রীগোবিন্দ কবিরাজ মনে মনে চিন্তা করতে লাগলেন,শক্তি উপাসনা মার্গে ভববন্ধন থেকে কি মুক্তি পাওয়া যায় না? ঠিক এই সময় তিনি দৈববাণী শুনলেন---------------
হেন কালে অলক্ষ‍্যে কহয়ে ভগবতী।
কৃষ্ণ না ভজিলে কারু না ঘুচে দুর্গতি।
                     (ভঃরঃ= ৯|১৫৯)
অলক্ষ‍্যে দেবী যেন বলছেন, শ্রীকৃষ্ণ ভজন ছাড়া কারও ভববন্ধন মোচন হয় না।গোবিন্দ কবিরাজ এই দৈববাণী শুনে বুঝতে পারলেন শ্রীকৃষ্ণ ভজন ছাড়া অন‍্য কোন মার্গে বা কোন উপাসনার দ্বারা ভববন্ধন থেকে মুক্তি হয় না- ইহা দেবীর উপদেশ। তখন তিনি শ্রীকৃষ্ণ ভজন করবার জন্য দৃঢ় সংকল্প করলেন। গোবিন্দ কবিরাজ শ্রীকৃষ্ণ ভজনের জন্য বড়ই ব‍্যাকুল হয়ে পড়লেন। বড় ভাই রামচন্দ্র শ্রীনিবাস আচার্য‍্যের অনুগ্রহে ধন‍্য হয়েছেন, তিনিও তাই শ্রীআচার্য‍্যের শ্রীচরণ আশ্রয় করতে উৎসুক হলেন।
(শ্রীআচার্য‍্য প্রভুর শিষ্য হইব সর্বথা।
তবে সে ঘুচিবে মোর অন্তরের ব‍্যথা।।)
*আমি নিশ্চয় শ্রীআচার্য‍্য ঠাকুরের চরণ আশ্রয়ে ধন‍্য হব।গোবিন্দ এইরূপ বিচার করে যাজিগ্রামে যাবার উদ‍্যোগ করলেন, এমন সময় শুনলেন শ্রীআচার্য‍্য বৃন্দাবনে চলে গেছেন। গোবিন্দের মনে বড় খেদ উপস্থিত হল। তখন তিনি মনে মনে বিচার করতে লাগলেন-------------
*বৈষ্ণবগণেও মোর হিত চিন্তা কৈল।
কহিল পিতার বার্তা তাহা না শুনিল।।
মোর পিতা চিরঞ্জীব সেন বিদ‍্যামান।
চৈতন‍্যচন্দ্রের ভক্ত, গুণের নিধান।।
এ হেন সন্তান হৈয়া গেলু ছারে খারে
এ কেবল কর্মদোষ,কি বলিব কারে।।
** শ্রীগোবিন্দ কবিরাজ স্বগত ভাবে কৃপাময় বৈষ্ণবগণ পূর্বে আমার হিত চিন্তা করে শ্রীকৃষ্ণ ভজনের কথা বলে ছিলেন।ভাগ‍্যদোষে তখন তাঁদের কথায় কর্ণপাত করি নাই। 
আমার পিতা চিরঞ্জীব সেন শ্রীচৈতন‍্য মহাপ্রভুর পরম অনুগ্রহ পাত্র ছিলেন। তিনি ছিলেন পরম ভাগবত ও সমস্ত গুণের নিধান। হায়! আমি এহেন মানুষের সন্তান হয়ে বৃথা জীবন কাটালাম।এ জগতে দেখছি আমার সমান দুর্ভাগা আর কে আছে?
       
শ্রীগোবিন্দ কবিরাজ শেষ অংশ -------
*********************************
পুনঃ যদিও দেবী স্বয়ং অহৈতুকী কৃপা করে কৃষ্ণভজন করতে বললেন, তাতে শ্রীকৃষ্ণ ভজনে কিছুটা মতি হল কিন্তু সদ্ গুরু কোথায় পাব? আমি মনে করলাম শ্রীনিবাস আচার্য‍্যের শ্রীচরণ আশ্রয় করিব, তিনি তো শ্রীবৃন্দাবনে বাস করছেন।
*মোর জ‍্যেষ্ঠ আচার্য‍্য প্রভুর দরশনে।
ফিরিল সে মন -- নিষ্ঠা হৈল সে চরণে।।
শ্রীগোবিন্দ কবিরাজ এই সমস্ত কথা বলিয়া যখন খেদ করতে ছিলেন, তখন দৈববাণী শুনলেন-------------
"হেনকালে দৈববাণী হইল আকাশে।
অভিলাষ পূর্ণ হবে অলপ দিবসে।।
** তোমার শীঘ্র অভিলাষ পূর্ণ হবে তুমি ধৈর্য্য ধর।এবার গোবিন্দ কবিরাজ খানিকটা আশ্বস্ত হ'লেন। শ্রীরামচন্দ্র কবিরাজ ছোট ভায়ের সেই সমস্ত চেষ্টা শুনে বড়ই সুখী হলেন। এদিকে শ্রীনিবাস আচার্য‍্যের জন্য গৌড় দেশবাসী ভক্তগণ বড়ই চঞ্চল হয়ে উঠলেন।আচার্য‍্যকে বৃন্দাবন হতে আনবার জন্য কাকে পাঠানো হবে ; সকলে মনোনীত করলেন শ্রীরামচন্দ্র কবিরাজকে। রামচন্দ্র বৈষ্ণবগণের আজ্ঞা নিয়ে শুভদিনে বৃন্দাবন যাত্রা করে, তিনি কুমারহট্ট নগরে ছোট ভাই গোবিন্দ কবিরাজের কাছে এলেন।গোবিন্দের কৃষ্ণ ভজন উৎকণ্ঠা দেখে তিনি খুবই সুখী হলেন এবং আচার্য‍্যপাদ এলেই তাঁর সব বাসনা সিদ্ধ হবে জানালেন। এ সময় তিনি শ্রীগোবিন্দ কবিরাজকে 
কুমার নগর থেকে তেলিয়া বুধরি গ্রামে গিয়ে বাস করতে বললেন। শ্রী রামচন্দ্র কবিরাজ বৃন্দাবনে যাবার পর শ্রী গোবিন্দ কবিরাজ তেলিয়া বুড়ি গ্রামে এসে বসতবাটি নির্মাণ করেন। ভক্তগনের ইচ্ছাই শ্রীনিবাস আচার্য গৌড় দেশে এলেন এবং বিভিন্ন স্থানে ভক্তসঙ্গে সুখে হরিকথা কীর্তন পূর্বক ভ্রমণ করতে লাগলেন। তার শুভাগমনে গৌড় দেশে শ্রী হরি সংকীর্তন বন্যা আরম্ভ হল। শ্রী নরোত্তম দাস ঠাকুর ও শ্রী শ্যামানন্দ প্রভু তাঁর সঙ্গে অবস্থান করছিলেন।
 অতঃপর ভক্তগণ সঙ্গে শ্রী আচার্য তেলিয়া বুধরিতে এলেন। গোবিন্দ কবিরাজ অতিশয় ভক্তিপূত হৃদয়ে দৈন ভরে শ্রী আচার্যকে আমন্ত্রণ করিয়া স্বগৃহে আনলেন। অতি ভক্তি ভরে তার সেবাদি করতে লাগলেন। বুধ হরি গ্রামবাসী শ্রীনিবাস আচার্য দর্শনে পরমানন্দিত হলেন। এই সময়
গোবিন্দ কবিরাজ শ্রীনিবাস আচার্য শ্রীচরনে পরিয়া কৃপা প্রার্থনা করলেন। করুণাময় শ্রী আচার্য ঠাকুর তাকে শ্রীশ্রী রাধা কৃষ্ণ যুগল মন্ত্রে দীক্ষিত করিলেন। 
** রাধাকৃষ্ণ মন্ত্রদীক্ষা দিলেন গোবিন্দে**
 গোবিন্দ কবিরাজ শ্রীনিবাস আচার্য চরণে আত্মসমর্পণ করলেন। তার ভক্তি দর্শনে বৈষ্ণবদের আনন্দের সীমা রইল না। এইসময় গৌড় দেশে কোন প্রেমভক্তি বন্যা প্রবাহিত হলো। গৌড় দেশে গোবিন্দ কবিরাজ মহাকবি বলিয়া বিখ্যাত হলেন। তার বিদ্যা প্রতিভা অত‍্যদ্ভূত ছিল।
তিনি সংগীত মাধব নামে একখানি মহা নাটক রচনা করেন। তার আরো কয়েক খানি রচিত গ্রন্থ বঙ্গসাহিত্যে সুপ্রসিদ্ধ আছে। যেমন ছিল তার সঙ্গীত রচনা শক্তি,তেমনি ছিলেন তিনি সুকণ্ঠ গায়ক। শ্রীপাদ জীব গোস্বামী শ্রীনিবাস আচার্য শ্রীজাহ্নবা মাতা গোস্বামিনী প্রভৃতি তাঁর ভক্তিময়ী সঙ্গীত শ্রবণে পরম সুখী হয়ে তাঁকে কবিরাজ উপাধিতে ভূষিত করেন। তিনি শ্রীবিদ‍্যাপতির মৈথিল ভাষাযুক্ত পদাবলীর অনুসরণে গীত রচনা করেন।তিনি শ্রীপাদ রূপ গোস্বামীর ভক্তিরসামৃত সিন্ধু  ও উজ্জ্বল নীলমণির শান্ত,দাস‍্য,সখ‍্য, বাৎসল‍্য ও মধুর ভাব সম্বলিত গীত রচনা করেন। তাঁর গীতে এত অনুপ্রাস,এত সরল সহজ ভাষা গম্ভীর ভাব যুক্ত, যে শ্রোতার হৃদয় সহজেই জয় করে তোলে। গৌড়ীয় বৈষ্ণব রস সাহিত্য হিসাবে গোবিন্দ কবিরাজের সমস্ত গীতি অনুপম। স্বয়ং শ্রীপাদ জীব গোস্বামী গোবিন্দ কবিরাজের পদ সমূহ শ্রবণে সন্তুষ্ট হয়ে তাঁকে "কবিরাজ" আখ‍্যা প্রদান করেছিলেন। গোবিন্দ কবিরাজের পদাবলী গীত সংখ‍্যা পদকল্পতরুতে ৪৬০ টি আছে। গোবিন্দ কবিরাজের জন্ম ১৪৫৯ শকে,অপ্রকট ১৫৩৫ শকে,আশ্বিন মাসের শুক্ল প্রতিপদে।তাঁর পত্নীর নাম মহামায়া। পুত্রের নাম শ্রীদিব‍্যসিংহ। দিব‍্যসিংহের পুত্রের নাম কবি ঘনশ‍্যাম। 
            

দাক্ষিণাত‍্য পর্যটনের সময় দক্ষিণ-
মথুরাতে এক রামভক্ত ব্রাহ্মণের সহিত দেখা হল গৌরহরির। সেই ব্রাহ্মণ মহাপ্রভুকে নিমন্ত্রণ করলেন মধ‍্যাহ্ন ভোজনের জন্য। মহাপ্রভু কৃতমালায় স্নানাদি সম্পন্ন করিয়া সেই বিপ্রের ঘরে এসে উপস্থিত হলেন মধ‍্যাহ্নকাল,তবু বিপ্রের ঘরে রন্ধনের কোন আয়োজন নেই। এ কেমনতরো
নিমন্ত্রণ? এবারে মহাপ্রভু জিজ্ঞাসা করলেন দুপুর হয়ে গেল, রন্ধনাদির দ্রব‍্য কোথায়? রামদাস বিপ্র বললেন, আমি বনবাসে আছি, বনে রান্নার সামগ্রী সম্প্রতি দুর্লভ। লক্ষ্মণ বন‍্য অন্ন-শাক-ফল আনতে গেছে।সে ফিরে এলে সীতাদেবী রন্ধনের যোগাড় করবেন।বিপ্রের উপাসনার ভাবটি মহাপ্রভুর বুঝে নিলেন,আর আনন্দে ভরে উঠলেন।এমন লীলাস্মরণের ভক্তও এই জগতে দেখা যায়? প্রায় তৃতীয় প্রহরে বিপ্রের আবেশ তিরোহিত হল।তখন অতি যত্ন
সহকারে মহাপ্রভুকে ভিক্ষা দিলেন। কিন্তু নিজে কিছুই সেবা নিলেন না। বিষন্ন মনে বসে আছেন, মহাপ্রভু বললেন,একি! তুমি সেবা নেবে না? তোমার কি হয়েছে? তখন রামদাস বললেন,আমার আর প্রয়োজন নেই,আমি দেহত‍্যাগ করব। মহাপ্রভু বললেন,কেন? তোমার কিসের দুঃখ? তখন রামদাস বললেন, রাক্ষস জগন্মাতা সীতা ঠাকুরাণীকে ধরেছে, এই বলিয়া কাঁদতে লাগলেন। আর বললেন এই দুঃখে আমার দেহ জ্বলে পুড়ে যাচ্ছে, এই দেহকে আর খাদ‍্য দিয়ে বাঁচিয়ে রাখতে ইচ্ছে হচ্ছে না। মহাপ্রভু বললেন,তুমি অমন চিন্তা মনেও স্থান দিও না। সীতা ঈশ্বরপ্রেয়সী, চিদানন্দ-মূর্তি।প্রাকৃতর হাত তাঁকে ছুঁইতে পারে না, এবং এই প্রাকৃত চোখ দেখতেও পাই না।রাবণের কি সাধ‍্য তাঁকে দেখে,তাঁকে ছোঁয়! রাবণকে কুটিরদ্বারে আসতে দেখেই মায়া-সীতাকে রেখে সীতাদেবী অন্তর্হিত হলেন। তুমি দুর্ভাবনা করো না, আমাকে বিশ্বাস করো সত‍্যি বলছি।"অপ্রাকৃতবস্তু নহে প্রাকৃত গোচর। মহাপ্রভুর বাক‍্যে রামদাসের বিশ্বাস হল। এবং আহার গ্রহণ করলেন।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧               
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






সৎসঙ্গ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_91.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                             ꧁ সৎসঙ্গ 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  সৎসঙ্গের কথন ঃ--------------------
ততো দুঃসঙ্গমুৎসৃজ‍্য সৎসু সজ্জেত বুদ্ধিমান।
সন্ত এতস‍্য ছিন্দন্তি মনোব‍্যাসঙ্গমুক্তিভিঃ।।
** ভগবান শ্রীকৃষ্ণ উদ্ধবকে বলছেন--
ততঃ=সেইহেতু, বুদ্ধিমান=বুদ্ধিমান ব‍্যক্তি, দুঃসঙ্গং= অসৎসঙ্গ, উৎসৃজ‍্যগ পরিত‍্যাগ করিয়া, সৎসু= সৎসঙ্গে, সজ্জেত= আসক্ত হবেন, সন্তঃ= সৎ ব‍্যক্তিগণ, এতস‍্য= ইহারাই, মনোব‍্যাসঙ্গং= মনের বিশেষ আসক্তি, উক্তিভিঃ= ভক্তি বিষয়ক উপদেশ বাক‍্য দ্বারা, ছিন্দন্তি= ছেদন করেন।
********************************
অর্থ‍্যাৎ== সেই হেতু বুদ্ধিমান ব‍্যক্তি অসৎসঙ্গ ত‍্যাগ করিয়া সৎসঙ্গে আসক্ত হবেন। সৎব‍্যক্তিগণই উপদেশ বাক‍্য দ্বারা ওই ব‍্যক্তির মনের বিশেষ আসক্তি (সংসারাসক্তি)ছেদন করেন।
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
অসৎসঙ্গই জীবকে ভগবদবিমুখ করে। অসৎ-প্রাকৃত বস্তুর সঙ্গে অনাদি কাল হতে জীবের সম্বন্ধ হেতু জীবের পক্ষে কৃষ্ণ-উন্মুখতা বড়ই কঠিন। নাম সংকীর্তনাঙ্গ কি ভাবে করলে প্রেমের উদয় হয়,বা প্রেমের সাধক হয়,তাহা শ্রীমন্মহাপ্রভু শিক্ষাষ্টকে ব‍্যক্ত বা প্রকাশ করেছেন।
যেরূপে লইলে নাম প্রেম উপজয়।
তাহার লক্ষণ শুন স্বরূপ রামরায়।।
তৃণাদপি সুনীচেন তরোরিব সহিষ্ণুনা।
অমানিনা মান দেন কীর্তনীয়ঃ সদা হরিঃ।।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_91.html
       ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
মহাপ্রভু এই শ্লোকের স্বয়ংই অর্থ করেছেন------
উত্তম হঞা আপনাকে মানে তৃণাধম।
দুইপ্রকারে সহিষ্ণুতা করে বৃক্ষসম।।
বৃক্ষ যেন কাটিলেহ কিছু না বোলয়।
শুখাইয়া মৈলে কারে পানি না মাগয়।।
যেই যে মাগয়ে তারে দেয় আপন ধন।
ঘর্ম-বৃষ্টি সহে,আনের করয়ে রক্ষণ।।
উত্তম হঞা বৈষ্ণব হবে নিরভিমান।
জীবে সম্মান দিবে জানি কৃষ্ণ- অধিষ্ঠান।।
এইমত হঞা যেই কৃষ্ণনাম লয়।
কৃষ্ণের চরণে তার প্রেম উপজয়।।

** শ্রীপাদ কবিরাজ গোস্বামী উক্ত শ্লোক বিষয়ে মন্তব্য প্রকাশ করতে গিয়ে লিখেছেন-----
ঊর্ধবাহু করি কহি শুন সর্বলোক।
নামসূত্রে গাঁথি পর কন্ঠে এই শ্লোক।।
প্রভুর আজ্ঞায় কর এই শ্লোক আচরণ
অবশ‍্য পাইবে তবে শ্রীকৃষ্ণচরণ।।
** এই কথা তাৎপর্য‍্য এই যে,নাম করবার সময় নিরন্তর এই শ্লোক স্মরণ করতে হবে এবং যাহাতে এই অবস্থা লাভ হয়, তার জন‍্য শ্রীনামের নিকট সকাতরে প্রার্থনা ও হৃদয়ের ব‍্যাকুলতা জ্ঞাপন করতে হবে। কেননা উক্ত অবস্থা লাভ না হওয়া পর্যন্ত নাম গ্রহণের মুখ‍্যফল প্রেমলাভ হবে না। যেহেতু এই শ্লোকের যথাযথ যাজনই নিরপরাধে নামকীর্তনের অমোঘ (অব‍্যর্থ বা সফল) উপায়।কেননা নামাপরাধই মহাশক্তিশালী নামসাধনায় প্রেম প্রাপ্তির প্রবলতম অন্তরায়(বাধা বা বিঘ্ন)। সাপরাধ (অপরাধ যার বা অপরাধী) ব‍্যক্তির প্রতি শ্রীনাম প্রসন্ন হন না এবং অপরাধী ব্যক্তি বহুকাল কীর্তন করলেও তিনি তাহাকে েপ্রমদানের 
ইচ্ছা করেন না।যেহেতু কলি যুগধর্ম এই হরিনাম সংকীর্তন সুসেবন(সুদ্ধাচার সেবা)করিয়া যাঁরা অচিরায় প্রেমলাভের ইচ্ছে করেন,তাঁদেরকে দশবিধ নামাপরাধ বর্জন করিয়াই নামকীর্তন করতে হবে। ""রাধ""শব্দে সন্তোষ  বুঝায়।
অপরাধ হলে নামের সন্তোষ অপগত (পলায়ন) হয় বলিয়া শ্রীনাম স্বপ্রভাব সংগোপন (সম্পন্ন ভাবে গোপন) করেন, ফলতঃ নামাপরাধী নাম সেবনে অসমর্থ হন। নাম সেবা দূরে থাকুক,অশ্রদ্ধা,কৌটিল‍্য(কুটিলতা) কৃষ্ণেতর বস্তুতে অভিনিবেশ(অভ‍্যন্তরে প্রবেশ করা) লাভ,পূজা,প্রতিষ্ঠাশা এবং নামভজনে শৈথিল‍্য (অমনোযোগ) প্রভৃতি এই নাম অপরাধেরই বিষময় ফল। আবার ""রাধ""শব্দের অর্থ সিদ্ধি (রাধ্+ঘঞ) অপরাধে নামের ফল-সিদ্ধি অপগত হয়।(দশটি নাম অপরাধ---
১,সাধুনিন্দা,২,শ্রীবিষ্ণু ও শ্রীশিবের নামাদির ভেদকরণ, ৩,শ্রীগুরুদেবের অবজ্ঞা বা শ্রীগুরুতে মর্ত‍্যবুদ্ধি,(মানবজ্ঞান)৪,শ্রুতি ও তদনুগত শাস্ত্রের নিন্দা, ৫,শ্রীহরিনামের মহিমায় অর্থবাদ মনন, ৬,শ্রীহরিনামে অর্থান্তর কল্টনা,৭,নামবলে পাপাচরণে প্রবৃত্তি, ৮,অন‍্য শুভক্রিয়াদির সঙ্গে শ্রীহরিনামের সমতা মনন, ৯,শ্রদ্ধাহীনজনকে নামোপদেশ, ১০, নামমাহাত্ম‍্য শ্রবণ করিয়াও নামে অপ্রীতি।
কাম,ক্রোধ,লোভ,মোহ,মদ,ওমাৎসর্য‍্য এই ষড় বা ছয় রিপু মানবদেহে সতত (সবসময়) বাস করে থাকে।সংসার সিন্ধুতে অর্থ‍্যাৎ এই সংসাররূপ সাগরে নিপতিত(পড়ে থেকে )মানব এই ছয়রিপু রূপ মহাশক্তিশালী নক্র (যে এক স্থানে থাকতে ভালবাসে, এবং স্বস্থানে থেকে শিকার আকর্ষণ করে, বা কুমীর)মকরাদি কবলগ্রস্ত হয়ে অবিরত ইহাদের দ্বারা চর্বিত (চিবিয়ে খাচ্ছে এমন)হচ্ছে। অর্থ‍্যাৎ 
ছয় রিপুর দ্বারা সুখ শান্তি বিহীন কষ্টভোগ করছে। এই ছয়রিপু মহাশক্তিশালী ও অতি উদ্দাম, (স্বেচ্ছাচারী ও বন্ধনমুক্ত)প্রতি মানুষের ইন্দ্রিয়কুলকে যখন এরা আকর্ষণ করে,তখন বিদ্বানের বিদ‍্যা, বুদ্ধিমানের সব বুদ্ধিস্তিমিত(নিশ্চল বা স্থির) (কত যোগীন্দ্র ঋষি মুনিগন না জানি কি ধ‍্যানে।
মগন স্তিমিতলোচন কি অমৃত রস পানে।।) ""অপর অর্থ ডুবে যাওয়া ""
হয় যায়। নিজ শক্তিতে মানবকুল কখনই ছয়রিপুর কবল হতে রক্ষা পেতে পারে না। অর্জুন শ্রীকৃষ্ণের কাছে প্রশ্ন করেছিলেন--------
"অথ কেন প্রযুক্তোহয়ং পাপং চরতি পুরুষঃ। 
অনিচ্ছন্নপি বাষ্ণেরয় বলাদিব নিয়ুজিতঃ।।(গীতা ৩|৩৬)
 হে কৃষ্ণ!লোকে কার দ্বারা যুক্ত হয়ে অনিচ্ছাসত্ত্বেও যেন বলপূর্বক নিয়োজিত হয়ে পাপ আচরণে প্রবৃত্ত হয়? তদুত্তরে শ্রীকৃষ্ণ বলেছিলেন-----
কাম এষ ক্রোধ এষ রজোগুণসমুদ্ভবঃ।
মহাশনো মহাপাপমা বিদ্ধ‍্যেনমিহ বৈরিণম্।।
হে অর্জুন! ইহা কাম,ইহাই ক্রোধ।ইহা রজোগুণোৎপন্ন,ইহা অতি দুষ্পূরণীয় (পূরণ করা দুঃসাধ‍্য) এবং অতি উগ্র।
ইহাকে সংসারে শত্রু বলিয়ায় জানবে। কাম শব্দে কেহ কেহ স্ত্রী-পুরুষের পারস্পরিক মিলনেচ্ছাকেই বুঝে থাকেন এইরকম সংকীর্ণ অর্থেও কাম শব্দ ব‍্যবহার হয় বটে, কিন্তু কাম শব্দের ব‍্যাপক অর্থ কামনা বা বিষয়বাসনা।এই কাম বা কামনা প্রতিহত (আঘাত) হলেই উহা ক্রোধে পরিণত হয়, সুতরাং কামও ক্রোধ একই ; কেবল ক্রোধই নহে, অপর চারটি রিপু লোভ মোহ মদ ও মাৎসর্য‍্য এরাও কামেরই রূপান্তর। এই কামনা উত্তম ভোগ‍্য দ্রব‍্যাদ বা ধন ঐশ্বর্যাদির প্রতি অতিমাত্রায় আকৃষ্ট হলে তাকে ""লোভ""বলে।আবার এই কামনা বা বিষয়বাসনাই যখন মানুষকে অনিত‍্য বা নশ্বর বস্তুতে আসক্ত করে রাখে,স্বরূপের উপলব্ধি করতে দেয় না, বা আত্মজ্ঞানকে আচ্ছন্ন করে দেয়,তখন তার নাম হয় ""মোহ""।আবার এই মোহ বা অজ্ঞানই যখন "আমি ধনি" "আমি মানী"এই রকম অহমিকার আকার ধারণ করে,তখন তারই নাম "মদ"। আবার ঐ অহমিকা যখন অন‍্যের নিজাপেক্ষা অধিক ধন প্রতিপত্তি দর্শনে স্বীয়(নিজ) ধন, মানাদির গর্বকে খর্ব করে তখন চিত্তে (মনে) যে এক প্রকার ক্ষোভ ব অসহনশীল জাত (জন্ম)হয়,তার নাম মাৎসর্য‍্য বা পরশ্রীকাতরতা।এরা হৃদয়ের অতি জঘন‍্য বা কদর্য‍্য বৃত্তি এবং ভক্তি ভজনের সর্বাধিক অন্তরায়।

শ্রীকৃষ্ণ গোপীকাদের প্রেমঋণ শোধিতে পারলেন না।বললেন, তোমরা যেভাবে আমার সেবা করেছ সেই সেবাই চিরঋণে আবদ্ধ হয়েছি।
আমার তোমাদের দেবার মত কিছুই নেই, তবুও যদি কিছু দিই তোমরা নেবে না, নিলেও আমার এমন কিছু নেই যে যাহাতে তোমাদের ঋণ শোধ হতে পারে।এই কথা শুনিয়া রাধারাণী বললেন,সে ঋণ শোধ করা বড় বেশী কিছু নহে, তুমি তাহা অনায়াসে শোধিত পার।তুমি যদি জীবকে হরি নাম দাও,তবে আমি তোমাকে ঋণ হতে মুক্ত করিব। শ্রীমতী যদিও কতক রহস্য ভাবে এই কথাগুলি বললেন, কিন্তু শ্রীকৃষ্ণ অমনি বললেন "তথাস্তু" তাই শ্রীকৃষ্ণ একখানি "দাসখত"লিখে দিলেন।তাহাতে লেখা ছিল যে, তিনি কলিযুগে সন্ন‍্যাসী হয়ে দ্বারে দ্বারে হরিনাম বিতরণ করবেন।শ্রীকৃষ্ণ এই কার্য‍্য করিয়া শ্রীমতীর ঋণ হতে পরিত্রাণ পাবেন, তাই তিনি গৌর অবতার হলেন।এই গেল স্বপ্ন বিলাসের কথা।কৃষ্ণকীর্তন -যাত্রা,যা বাংলাদেশে গান হয়ে থাকে, তাহাতে সে "দাস-খত" খানি গীত হয়ে থাকে।
সে দাসখত এইভাবে লিখিত-------
ইয়াদি কৃত‍্য,গুণ সমুদ্র,সৎ সাধু শ্রীরাধা।
সচ্চরিত্র চরিতেষু পুরাহ মনের সাধা।।
তস‍্য খাতক হরি নায়ক বসতি ব্রজপুরী।
অস‍্য কর্জ,পত্র মিদং,লিখিতং সুকুমারী।।
তারিখস‍্য দ্বাপরস‍্য পরিশোধ কলিযুগে।
এই কথায়ে,খত লিখিনু,ইসাদি মঞ্জুরি ভাগে।।
*উপরের উক্ত কাহিনী অবলম্বন করিয়া মহাজনগণ যে পদ লিখিয়াছেন শ্রবণ করুন।
কেন্দে আকুল হলো গৌরহরি।
(বলে)কোথা রাই  কিশোরী।।ধ্রু
প্রেম-নয়নে দীনের পানে,
চাও বারেক কৃপা করি।
ছেঁড়া কাঁথা করোয়া হাতে,
কেন্দে বেড়ায় পথে পথে,
তোমারি নাম নিতে নিতে এসেছি আশা করি।।
       (খালাশ হইব বলে)
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧               
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






সৎসঙ্গ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_91.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                             ꧁ সৎসঙ্গ 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  সৎসঙ্গের কথন ঃ--------------------
ততো দুঃসঙ্গমুৎসৃজ‍্য সৎসু সজ্জেত বুদ্ধিমান।
সন্ত এতস‍্য ছিন্দন্তি মনোব‍্যাসঙ্গমুক্তিভিঃ।।
** ভগবান শ্রীকৃষ্ণ উদ্ধবকে বলছেন--
ততঃ=সেইহেতু, বুদ্ধিমান=বুদ্ধিমান ব‍্যক্তি, দুঃসঙ্গং= অসৎসঙ্গ, উৎসৃজ‍্যগ পরিত‍্যাগ করিয়া, সৎসু= সৎসঙ্গে, সজ্জেত= আসক্ত হবেন, সন্তঃ= সৎ ব‍্যক্তিগণ, এতস‍্য= ইহারাই, মনোব‍্যাসঙ্গং= মনের বিশেষ আসক্তি, উক্তিভিঃ= ভক্তি বিষয়ক উপদেশ বাক‍্য দ্বারা, ছিন্দন্তি= ছেদন করেন।
********************************
অর্থ‍্যাৎ== সেই হেতু বুদ্ধিমান ব‍্যক্তি অসৎসঙ্গ ত‍্যাগ করিয়া সৎসঙ্গে আসক্ত হবেন। সৎব‍্যক্তিগণই উপদেশ বাক‍্য দ্বারা ওই ব‍্যক্তির মনের বিশেষ আসক্তি (সংসারাসক্তি)ছেদন করেন।
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
অসৎসঙ্গই জীবকে ভগবদবিমুখ করে। অসৎ-প্রাকৃত বস্তুর সঙ্গে অনাদি কাল হতে জীবের সম্বন্ধ হেতু জীবের পক্ষে কৃষ্ণ-উন্মুখতা বড়ই কঠিন। নাম সংকীর্তনাঙ্গ কি ভাবে করলে প্রেমের উদয় হয়,বা প্রেমের সাধক হয়,তাহা শ্রীমন্মহাপ্রভু শিক্ষাষ্টকে ব‍্যক্ত বা প্রকাশ করেছেন।
যেরূপে লইলে নাম প্রেম উপজয়।
তাহার লক্ষণ শুন স্বরূপ রামরায়।।
তৃণাদপি সুনীচেন তরোরিব সহিষ্ণুনা।
অমানিনা মান দেন কীর্তনীয়ঃ সদা হরিঃ।।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_91.html
       ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
মহাপ্রভু এই শ্লোকের স্বয়ংই অর্থ করেছেন------
উত্তম হঞা আপনাকে মানে তৃণাধম।
দুইপ্রকারে সহিষ্ণুতা করে বৃক্ষসম।।
বৃক্ষ যেন কাটিলেহ কিছু না বোলয়।
শুখাইয়া মৈলে কারে পানি না মাগয়।।
যেই যে মাগয়ে তারে দেয় আপন ধন।
ঘর্ম-বৃষ্টি সহে,আনের করয়ে রক্ষণ।।
উত্তম হঞা বৈষ্ণব হবে নিরভিমান।
জীবে সম্মান দিবে জানি কৃষ্ণ- অধিষ্ঠান।।
এইমত হঞা যেই কৃষ্ণনাম লয়।
কৃষ্ণের চরণে তার প্রেম উপজয়।।

** শ্রীপাদ কবিরাজ গোস্বামী উক্ত শ্লোক বিষয়ে মন্তব্য প্রকাশ করতে গিয়ে লিখেছেন-----
ঊর্ধবাহু করি কহি শুন সর্বলোক।
নামসূত্রে গাঁথি পর কন্ঠে এই শ্লোক।।
প্রভুর আজ্ঞায় কর এই শ্লোক আচরণ
অবশ‍্য পাইবে তবে শ্রীকৃষ্ণচরণ।।
** এই কথা তাৎপর্য‍্য এই যে,নাম করবার সময় নিরন্তর এই শ্লোক স্মরণ করতে হবে এবং যাহাতে এই অবস্থা লাভ হয়, তার জন‍্য শ্রীনামের নিকট সকাতরে প্রার্থনা ও হৃদয়ের ব‍্যাকুলতা জ্ঞাপন করতে হবে। কেননা উক্ত অবস্থা লাভ না হওয়া পর্যন্ত নাম গ্রহণের মুখ‍্যফল প্রেমলাভ হবে না। যেহেতু এই শ্লোকের যথাযথ যাজনই নিরপরাধে নামকীর্তনের অমোঘ (অব‍্যর্থ বা সফল) উপায়।কেননা নামাপরাধই মহাশক্তিশালী নামসাধনায় প্রেম প্রাপ্তির প্রবলতম অন্তরায়(বাধা বা বিঘ্ন)। সাপরাধ (অপরাধ যার বা অপরাধী) ব‍্যক্তির প্রতি শ্রীনাম প্রসন্ন হন না এবং অপরাধী ব্যক্তি বহুকাল কীর্তন করলেও তিনি তাহাকে েপ্রমদানের 
ইচ্ছা করেন না।যেহেতু কলি যুগধর্ম এই হরিনাম সংকীর্তন সুসেবন(সুদ্ধাচার সেবা)করিয়া যাঁরা অচিরায় প্রেমলাভের ইচ্ছে করেন,তাঁদেরকে দশবিধ নামাপরাধ বর্জন করিয়াই নামকীর্তন করতে হবে। ""রাধ""শব্দে সন্তোষ  বুঝায়।
অপরাধ হলে নামের সন্তোষ অপগত (পলায়ন) হয় বলিয়া শ্রীনাম স্বপ্রভাব সংগোপন (সম্পন্ন ভাবে গোপন) করেন, ফলতঃ নামাপরাধী নাম সেবনে অসমর্থ হন। নাম সেবা দূরে থাকুক,অশ্রদ্ধা,কৌটিল‍্য(কুটিলতা) কৃষ্ণেতর বস্তুতে অভিনিবেশ(অভ‍্যন্তরে প্রবেশ করা) লাভ,পূজা,প্রতিষ্ঠাশা এবং নামভজনে শৈথিল‍্য (অমনোযোগ) প্রভৃতি এই নাম অপরাধেরই বিষময় ফল। আবার ""রাধ""শব্দের অর্থ সিদ্ধি (রাধ্+ঘঞ) অপরাধে নামের ফল-সিদ্ধি অপগত হয়।(দশটি নাম অপরাধ---
১,সাধুনিন্দা,২,শ্রীবিষ্ণু ও শ্রীশিবের নামাদির ভেদকরণ, ৩,শ্রীগুরুদেবের অবজ্ঞা বা শ্রীগুরুতে মর্ত‍্যবুদ্ধি,(মানবজ্ঞান)৪,শ্রুতি ও তদনুগত শাস্ত্রের নিন্দা, ৫,শ্রীহরিনামের মহিমায় অর্থবাদ মনন, ৬,শ্রীহরিনামে অর্থান্তর কল্টনা,৭,নামবলে পাপাচরণে প্রবৃত্তি, ৮,অন‍্য শুভক্রিয়াদির সঙ্গে শ্রীহরিনামের সমতা মনন, ৯,শ্রদ্ধাহীনজনকে নামোপদেশ, ১০, নামমাহাত্ম‍্য শ্রবণ করিয়াও নামে অপ্রীতি।
কাম,ক্রোধ,লোভ,মোহ,মদ,ওমাৎসর্য‍্য এই ষড় বা ছয় রিপু মানবদেহে সতত (সবসময়) বাস করে থাকে।সংসার সিন্ধুতে অর্থ‍্যাৎ এই সংসাররূপ সাগরে নিপতিত(পড়ে থেকে )মানব এই ছয়রিপু রূপ মহাশক্তিশালী নক্র (যে এক স্থানে থাকতে ভালবাসে, এবং স্বস্থানে থেকে শিকার আকর্ষণ করে, বা কুমীর)মকরাদি কবলগ্রস্ত হয়ে অবিরত ইহাদের দ্বারা চর্বিত (চিবিয়ে খাচ্ছে এমন)হচ্ছে। অর্থ‍্যাৎ 
ছয় রিপুর দ্বারা সুখ শান্তি বিহীন কষ্টভোগ করছে। এই ছয়রিপু মহাশক্তিশালী ও অতি উদ্দাম, (স্বেচ্ছাচারী ও বন্ধনমুক্ত)প্রতি মানুষের ইন্দ্রিয়কুলকে যখন এরা আকর্ষণ করে,তখন বিদ্বানের বিদ‍্যা, বুদ্ধিমানের সব বুদ্ধিস্তিমিত(নিশ্চল বা স্থির) (কত যোগীন্দ্র ঋষি মুনিগন না জানি কি ধ‍্যানে।
মগন স্তিমিতলোচন কি অমৃত রস পানে।।) ""অপর অর্থ ডুবে যাওয়া ""
হয় যায়। নিজ শক্তিতে মানবকুল কখনই ছয়রিপুর কবল হতে রক্ষা পেতে পারে না। অর্জুন শ্রীকৃষ্ণের কাছে প্রশ্ন করেছিলেন--------
"অথ কেন প্রযুক্তোহয়ং পাপং চরতি পুরুষঃ। 
অনিচ্ছন্নপি বাষ্ণেরয় বলাদিব নিয়ুজিতঃ।।(গীতা ৩|৩৬)
 হে কৃষ্ণ!লোকে কার দ্বারা যুক্ত হয়ে অনিচ্ছাসত্ত্বেও যেন বলপূর্বক নিয়োজিত হয়ে পাপ আচরণে প্রবৃত্ত হয়? তদুত্তরে শ্রীকৃষ্ণ বলেছিলেন-----
কাম এষ ক্রোধ এষ রজোগুণসমুদ্ভবঃ।
মহাশনো মহাপাপমা বিদ্ধ‍্যেনমিহ বৈরিণম্।।
হে অর্জুন! ইহা কাম,ইহাই ক্রোধ।ইহা রজোগুণোৎপন্ন,ইহা অতি দুষ্পূরণীয় (পূরণ করা দুঃসাধ‍্য) এবং অতি উগ্র।
ইহাকে সংসারে শত্রু বলিয়ায় জানবে। কাম শব্দে কেহ কেহ স্ত্রী-পুরুষের পারস্পরিক মিলনেচ্ছাকেই বুঝে থাকেন এইরকম সংকীর্ণ অর্থেও কাম শব্দ ব‍্যবহার হয় বটে, কিন্তু কাম শব্দের ব‍্যাপক অর্থ কামনা বা বিষয়বাসনা।এই কাম বা কামনা প্রতিহত (আঘাত) হলেই উহা ক্রোধে পরিণত হয়, সুতরাং কামও ক্রোধ একই ; কেবল ক্রোধই নহে, অপর চারটি রিপু লোভ মোহ মদ ও মাৎসর্য‍্য এরাও কামেরই রূপান্তর। এই কামনা উত্তম ভোগ‍্য দ্রব‍্যাদ বা ধন ঐশ্বর্যাদির প্রতি অতিমাত্রায় আকৃষ্ট হলে তাকে ""লোভ""বলে।আবার এই কামনা বা বিষয়বাসনাই যখন মানুষকে অনিত‍্য বা নশ্বর বস্তুতে আসক্ত করে রাখে,স্বরূপের উপলব্ধি করতে দেয় না, বা আত্মজ্ঞানকে আচ্ছন্ন করে দেয়,তখন তার নাম হয় ""মোহ""।আবার এই মোহ বা অজ্ঞানই যখন "আমি ধনি" "আমি মানী"এই রকম অহমিকার আকার ধারণ করে,তখন তারই নাম "মদ"। আবার ঐ অহমিকা যখন অন‍্যের নিজাপেক্ষা অধিক ধন প্রতিপত্তি দর্শনে স্বীয়(নিজ) ধন, মানাদির গর্বকে খর্ব করে তখন চিত্তে (মনে) যে এক প্রকার ক্ষোভ ব অসহনশীল জাত (জন্ম)হয়,তার নাম মাৎসর্য‍্য বা পরশ্রীকাতরতা।এরা হৃদয়ের অতি জঘন‍্য বা কদর্য‍্য বৃত্তি এবং ভক্তি ভজনের সর্বাধিক অন্তরায়।

শ্রীকৃষ্ণ গোপীকাদের প্রেমঋণ শোধিতে পারলেন না।বললেন, তোমরা যেভাবে আমার সেবা করেছ সেই সেবাই চিরঋণে আবদ্ধ হয়েছি।
আমার তোমাদের দেবার মত কিছুই নেই, তবুও যদি কিছু দিই তোমরা নেবে না, নিলেও আমার এমন কিছু নেই যে যাহাতে তোমাদের ঋণ শোধ হতে পারে।এই কথা শুনিয়া রাধারাণী বললেন,সে ঋণ শোধ করা বড় বেশী কিছু নহে, তুমি তাহা অনায়াসে শোধিত পার।তুমি যদি জীবকে হরি নাম দাও,তবে আমি তোমাকে ঋণ হতে মুক্ত করিব। শ্রীমতী যদিও কতক রহস্য ভাবে এই কথাগুলি বললেন, কিন্তু শ্রীকৃষ্ণ অমনি বললেন "তথাস্তু" তাই শ্রীকৃষ্ণ একখানি "দাসখত"লিখে দিলেন।তাহাতে লেখা ছিল যে, তিনি কলিযুগে সন্ন‍্যাসী হয়ে দ্বারে দ্বারে হরিনাম বিতরণ করবেন।শ্রীকৃষ্ণ এই কার্য‍্য করিয়া শ্রীমতীর ঋণ হতে পরিত্রাণ পাবেন, তাই তিনি গৌর অবতার হলেন।এই গেল স্বপ্ন বিলাসের কথা।কৃষ্ণকীর্তন -যাত্রা,যা বাংলাদেশে গান হয়ে থাকে, তাহাতে সে "দাস-খত" খানি গীত হয়ে থাকে।
সে দাসখত এইভাবে লিখিত-------
ইয়াদি কৃত‍্য,গুণ সমুদ্র,সৎ সাধু শ্রীরাধা।
সচ্চরিত্র চরিতেষু পুরাহ মনের সাধা।।
তস‍্য খাতক হরি নায়ক বসতি ব্রজপুরী।
অস‍্য কর্জ,পত্র মিদং,লিখিতং সুকুমারী।।
তারিখস‍্য দ্বাপরস‍্য পরিশোধ কলিযুগে।
এই কথায়ে,খত লিখিনু,ইসাদি মঞ্জুরি ভাগে।।
*উপরের উক্ত কাহিনী অবলম্বন করিয়া মহাজনগণ যে পদ লিখিয়াছেন শ্রবণ করুন।
কেন্দে আকুল হলো গৌরহরি।
(বলে)কোথা রাই  কিশোরী।।ধ্রু
প্রেম-নয়নে দীনের পানে,
চাও বারেক কৃপা করি।
ছেঁড়া কাঁথা করোয়া হাতে,
কেন্দে বেড়ায় পথে পথে,
তোমারি নাম নিতে নিতে এসেছি আশা করি।।
       (খালাশ হইব বলে)
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧               
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






দেবকীর প্রতি শ্রীভগবানের উক্তি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_72.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
         ꧁ দেবকীর প্রতি শ্রীভগবানের উক্তি 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
দেবকীর প্রতি শ্রীভগবানের উক্তিঃ----
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
 শ্রীভগবান দেবকীকে বললেন, মাতঃ! আমি কেবল মাত্র এবারই তোমার গর্ভে জন্মগ্রহণ করি নাই, আমি আরো অনেকবার তোমার গর্ভে জন্মগ্রহণ করেছি,তাহা তোমার মনে নেই।স্বায়ম্ভূব মন্বন্তরে তোমার নাম ছিল "পৃশ্নি" ও তোমার পতি এই বসুদেব সে সময়ে "সুতপা"নামক প্রজাপতি ছিলেন। সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মা তোমাদের প্রজা সৃষ্টি করতে আদেশ করলে তোমরা ইন্দিয়সংযম পূর্বক তীব্র তপস‍্যা করেছিলে।স্বায়ম্ভূব মন্বন্তরে ব্রহ্মা সুতপা নামক প্রজাপতিকে প্রজাসৃষ্টি করতে আদেশ করলে তিনি সে আদেশ লঙ্ঘন করেন নাই, কিন্তু তাঁর মনে হয়েছিল যে- নানা প্রকার পার্থিব সুখের মধ্যে পুত্রসুখ তুচ্ছ নহে;
বরণ বিচার করলে সংসারে জীবের পক্ষে ইহা পরমোপাদেয় বলিয়াই মনে হয়। কারণ ভগবানের মায়াশক্তি থেকে জীবের মুক্তি পাওয়া দুঃসাধ‍্য। একমাত্র ভগবানের কৃপাতেই জীব মায়ামুক্ত হতে পারে। ভগবান গীতায় (৭|১৪) বলেছেন-- " দৈবী হ‍্যেষা গুণময়ী মম মায়া দুরত‍্যয়া। মামেব যে প্রপদ‍্যন্তে মায়ামেতাং তরন্তি তে।।
ভগবৎ কৃপা ব‍্যতীত জীব মায়ার হাত থেকে অর্থ‍্যাৎ দুঃসঙ্গ থেকে নিষ্কৃতি পেতে পারে না। তবে ভগবৎকৃপা আবার ভক্তকৃপা সাপেক্ষ। তাই ভগবৎকৃপার জন্য কেবল দুঃসঙ্গ অর্থ‍্যাৎ অসৎসঙ্গ ত‍্যাগ করলেই হবে না, তার পাশাপাশি সাধুসঙ্গ অর্থ‍্যাৎ ভক্তসঙ্গও একান্ত প্রয়োজন। কারণ 
সাধু সঙ্গ সাধু সঙ্গ সর্বশাস্ত্রে কয়।
লব মাত্র সাধুসঙ্গ সর্বসিদ্ধি হয়।।
তাই একমাত্র সাধুসঙ্গ বা ভক্তসঙ্গের ফলেই ভগবৎকৃপা লাভ সম্ভব। সাধুগণ ব‍্যতীত আর কেউই মায়াবদ্ধ জীবের সংসার আসক্তি দূর করতে পারবেন না। তাই সাধুসঙ্গ যে কোন পূণ‍্যকর্ম, তীর্থসেবা,দেবসেবা, এমনকি শাস্ত্র জ্ঞানাদির চেয়েও শ্রেষ্ঠ।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧               
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






দেবকীর প্রতি শ্রীভগবানের উক্তি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_72.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
         ꧁ দেবকীর প্রতি শ্রীভগবানের উক্তি 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
দেবকীর প্রতি শ্রীভগবানের উক্তিঃ----
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
 শ্রীভগবান দেবকীকে বললেন, মাতঃ! আমি কেবল মাত্র এবারই তোমার গর্ভে জন্মগ্রহণ করি নাই, আমি আরো অনেকবার তোমার গর্ভে জন্মগ্রহণ করেছি,তাহা তোমার মনে নেই।স্বায়ম্ভূব মন্বন্তরে তোমার নাম ছিল "পৃশ্নি" ও তোমার পতি এই বসুদেব সে সময়ে "সুতপা"নামক প্রজাপতি ছিলেন। সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মা তোমাদের প্রজা সৃষ্টি করতে আদেশ করলে তোমরা ইন্দিয়সংযম পূর্বক তীব্র তপস‍্যা করেছিলে।স্বায়ম্ভূব মন্বন্তরে ব্রহ্মা সুতপা নামক প্রজাপতিকে প্রজাসৃষ্টি করতে আদেশ করলে তিনি সে আদেশ লঙ্ঘন করেন নাই, কিন্তু তাঁর মনে হয়েছিল যে- নানা প্রকার পার্থিব সুখের মধ্যে পুত্রসুখ তুচ্ছ নহে;
বরণ বিচার করলে সংসারে জীবের পক্ষে ইহা পরমোপাদেয় বলিয়াই মনে হয়। কারণ ভগবানের মায়াশক্তি থেকে জীবের মুক্তি পাওয়া দুঃসাধ‍্য। একমাত্র ভগবানের কৃপাতেই জীব মায়ামুক্ত হতে পারে। ভগবান গীতায় (৭|১৪) বলেছেন-- " দৈবী হ‍্যেষা গুণময়ী মম মায়া দুরত‍্যয়া। মামেব যে প্রপদ‍্যন্তে মায়ামেতাং তরন্তি তে।।
ভগবৎ কৃপা ব‍্যতীত জীব মায়ার হাত থেকে অর্থ‍্যাৎ দুঃসঙ্গ থেকে নিষ্কৃতি পেতে পারে না। তবে ভগবৎকৃপা আবার ভক্তকৃপা সাপেক্ষ। তাই ভগবৎকৃপার জন্য কেবল দুঃসঙ্গ অর্থ‍্যাৎ অসৎসঙ্গ ত‍্যাগ করলেই হবে না, তার পাশাপাশি সাধুসঙ্গ অর্থ‍্যাৎ ভক্তসঙ্গও একান্ত প্রয়োজন। কারণ 
সাধু সঙ্গ সাধু সঙ্গ সর্বশাস্ত্রে কয়।
লব মাত্র সাধুসঙ্গ সর্বসিদ্ধি হয়।।
তাই একমাত্র সাধুসঙ্গ বা ভক্তসঙ্গের ফলেই ভগবৎকৃপা লাভ সম্ভব। সাধুগণ ব‍্যতীত আর কেউই মায়াবদ্ধ জীবের সংসার আসক্তি দূর করতে পারবেন না। তাই সাধুসঙ্গ যে কোন পূণ‍্যকর্ম, তীর্থসেবা,দেবসেবা, এমনকি শাস্ত্র জ্ঞানাদির চেয়েও শ্রেষ্ঠ।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧               
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






শ্রীরঙ্গ পুরী ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ➡️ এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_81.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                           ꧁ শ্রীরঙ্গ পুরী 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 *🙏শ্রীরঙ্গ পুরী🙏*
      ***********
*শ্রীরঙ্গ পুরী বললেন,না,এমন সুন্দর সন্ন‍্যাসী তো এর পূর্বে কখনও দেখি নাই!আহা-হা,উনার অঙ্গে অষ্টসাত্ত্বিকের ভাবসমূহ দেখছি!এই বলিয়া শ্রীরঙ্গ পুরী মহাপ্রভুকে ধরিয়া ভূমি থেকে উঠালেন।মহাপ্রভু পুরীর পদধূলি নিলেন।*
*শ্রীরঙ্গ পুরী বললেন তুমি কে? তোমার মধ্যে দিব‍্য কৃষ্ণ-প্রেম দেখে আমার শ্রীগুরু-পাদপদ্ম মাধবেন্দ্র পুরীর কথা মনে পড়ছে।এমন প্রেম তাঁর ছাড়া আর কারও শরীরে দুর্লভ।দক্ষিণ দেশ ভ্রমণ করে মহাপ্রভু মহীশূরে উড়ুপিতে এলেন।সেখান থেকে এলেন মহারাষ্ট্র দেশে ভীমা নদীর তীরে পান্ডারপুরে উপস্থিত হলেন।তথায় বিঠঠাল দেবকে দর্শন করে প্রেমাবিষ্ট হলেন।* *বহু নৃত‍্যগীত করলেন।বিঠঠল দেবকে দর্শন করবার পর মধ‍্যাহ্নকালে কোন এক পূজারী ব্রাহ্মণের ঘরে ভিক্ষা গ্রহণ করলেন।তাঁর মুখে শ্রীমাধবেন্দ্র পুরীর শিষ‍্য শ্রীরঙ্গ পুরীকে দেখতে চললেন।গিয়ে দেখলেন,শ্রীরঙ্গ পুরী ঘরের মধ্যে বসে "নাম"করছেন।পুরীকে দর্শন করেই নিজ গুরু শ্রীঈশ্বর পুরীপাদের কথা মনে পড়ল।মহাপ্রভু অঙ্গন থেকেই শ্রীরঙ্গ পুরীকে সাষ্টাঙ্গ দন্ডবৎ প্রণাম ও বন্দনা করলেন।শ্রীরঙ্গ পুরী তাড়াতাড়ি এসে মহাপ্রভুকে ধরে তুললেন।শ্রীরঙ্গ পুরী বললেন, শ্রীপাদ, তোমার পরিচয় কি?মহাপ্রভু বললেন,আমি শ্রীশ্রীঈশ্বরপুরী পাদের অধম ভৃত‍্য।ঈশ্বরপুরীর নাম শুনে শ্রীরঙ্গ পুরীর দুইনয়ন হতে জলধারা পড়তে লাগল। কিছুক্ষণ নীরবে কান্নার পর দুইহাত দিয়ে মহাপ্রভুর গলা জড়িয়ে ধরে বললেন, আহা, শ্রীঈশ্বর পুরী তো আমাদের ছেড়ে নিত‍্যলীলায় প্রবেশ করেছেন। বাবা!তোমায় দেখে বড় শান্তি পেলাম!মহাপ্রভু সজল নয়নে বললেন,হে গোঁসাঞি, কত ভাগ‍্যে আপনার দর্শন পেলাম।শ্রীরঙ্গপুরীবললেন, শ্রীপাদ, তোমার পূর্ব আশ্রমের পরিচয় শুনতে চাই।মহাপ্রভু বললেন,বঙ্গদেশে গঙ্গতটস্থিত নবদ্বীপ নগরীতে আমার জন্মস্থান।পিতার নাম শ্রীজগন্নাথ মিশ্র,বর্তমানে তিনি বৈকুন্ঠবাসী।মাতার নাম শচীদেবী।আর এক পুত্র ছিলেন,তাঁর নাম বিশ্বরূপ।আমি যখন খুব ছোট্ট ছিলাম তিনি দেশান্তরী হয়েছিলেন।* *এখন আমিও সন্ন‍্যাসী হয়ে তাঁর অনুসন্ধান করছি। শ্রীরঙ্গপুরী বললেন, বাবা!বহুদিনের কথা মনে পড়ল।আমি একবার শ্রীগুরুদেবের সঙ্গে নবদ্বীপ গিয়েছিলাম।তোমার পিতা জগন্নাথ মিশ্র বহু সমাদর করে শ্রীগুরুদেবকে গৃহে নিয়ে পূজো করেছিলেন এবং ভোজন করিয়েছিলেন।তোমার মাতৃদেবীর রান্নার স্বাদ এখনও ভুলতে পারিনি।তিনি যে শাক রান্না করেছিলেন, তা অপূর্ব। আহা,তুমি সেই জন্নাথ-শচীর পুত্র।এই কথা বলে শ্রীরঙ্গ পুরী মহাপ্রভুকে জড়িয়ে ধরলেন।তারপর বললেন,বাবা,একটি কথা,বলতে প্রাণ ফেটে যায়।মহাপ্রভু বললেন বলুন,কি কথা,আমি কি শুনবার যোগ্য নই? রঙ্গপুরী বললেন, দীর্ঘকাল বেঁচে থাকলে বহু কষ্ট হয়!আবার দেখাও যায় অনেক কিছু।মহাপ্রভু বললেন কষ্টকি?দেখা যায় কি?রঙ্গপুরী বললেন,তোমার জ‍্যেষ্ঠ ভ্রাতা বিশ্বরূপ সন্ন‍্যাস গ্রহণ করে শ্রীশঙ্করাণ‍্য নাম ধারণ করেছিল।এই পান্ডারপুরেই থাকতো তারপর আর কি বলব!* *(মূর্ছা গেলেন)* *মহাপ্রভু দুঃখভরে পুরীকে ধরে বসালেন এবং বললেন,গোঁসাঞি, তারপর বলুন,আহা কি মধুর কথা শুনছি!বিশ্বরূপের জন্য সন্ন‍্যাসী হয়ে আমি দেশে দেশে ভ্রমণ করছি।জননীর কাছে প্রতিজ্ঞা করে এসেছি,বিশ্বরূপের সন্ধান যে কোন রকমে সংগ্রহ করব।* *রঙ্গপুরী কাঁদতে কাঁদতে ও কথা মুখে আনতে প্রাণ ফেটে যায়। আহা,ক'মাস হল-------নীরব।* *মহাপ্রভু বললেন,গোঁসাঞি,আপনি কাঁদছেন কেন?তারপর কি হল বলুন? রঙ্গপুরী বললেন,বাবা!আমি কেন বেঁচে আছি জানি না।এই ক্ষেত্রেই তার সিদ্ধিলাভ হয়েছে।বিশ্বরূপের অপ্রকট বার্তা শ্রবণ মাত্রেই ভূতলে মহাপ্রভু মূর্ছিত হয়ে পড়ে গেলেন।শোকাশ্রুতে ভূতল সিক্ত হতে লাগল।* *এই নিদারুণ সংবাদ শ্রবণ করে মহাপ্রভু প্রায় সারাদিন অচৈতন‍্য অবস্থায় রইলেন।শ্রীরঙ্গপুরী মহাপ্রভুর কন্ঠ ধরে কতই না কাঁদলেন।তিন-চারদিন রঙ্গপুরীর আশ্রমে থেকে মহাপ্রভু বিবিধ কথা প্রসঙ্গে সময় কাটালেন।পুনঃ তীর্থভ্রমণে যাত্রা করলেন।শ্রীরঙ্গপুরীও দ্বারকা অভিমুখে চলে গেলেন।মহাপ্রভু যখন ক্ষেত্রধামে ফিরে এলেন,শ্রীরঙ্গপুরীও তথায় এলেন।শেষ পর্য তিনি সেখানে অবস্থান করেছিলেন।মহাপ্রভু তাঁকে শ্রীগুরুর মতো ভক্তি করতেন।শ্রীরঙ্গ পুরীও তাঁকে প্রাণের প্রাণ মনে করতেন।*
*🙏বানান ও ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয়🙏*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧               
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






শ্রীরঙ্গ পুরী ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ➡️ এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_81.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                           ꧁ শ্রীরঙ্গ পুরী 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 *🙏শ্রীরঙ্গ পুরী🙏*
      ***********
*শ্রীরঙ্গ পুরী বললেন,না,এমন সুন্দর সন্ন‍্যাসী তো এর পূর্বে কখনও দেখি নাই!আহা-হা,উনার অঙ্গে অষ্টসাত্ত্বিকের ভাবসমূহ দেখছি!এই বলিয়া শ্রীরঙ্গ পুরী মহাপ্রভুকে ধরিয়া ভূমি থেকে উঠালেন।মহাপ্রভু পুরীর পদধূলি নিলেন।*
*শ্রীরঙ্গ পুরী বললেন তুমি কে? তোমার মধ্যে দিব‍্য কৃষ্ণ-প্রেম দেখে আমার শ্রীগুরু-পাদপদ্ম মাধবেন্দ্র পুরীর কথা মনে পড়ছে।এমন প্রেম তাঁর ছাড়া আর কারও শরীরে দুর্লভ।দক্ষিণ দেশ ভ্রমণ করে মহাপ্রভু মহীশূরে উড়ুপিতে এলেন।সেখান থেকে এলেন মহারাষ্ট্র দেশে ভীমা নদীর তীরে পান্ডারপুরে উপস্থিত হলেন।তথায় বিঠঠাল দেবকে দর্শন করে প্রেমাবিষ্ট হলেন।* *বহু নৃত‍্যগীত করলেন।বিঠঠল দেবকে দর্শন করবার পর মধ‍্যাহ্নকালে কোন এক পূজারী ব্রাহ্মণের ঘরে ভিক্ষা গ্রহণ করলেন।তাঁর মুখে শ্রীমাধবেন্দ্র পুরীর শিষ‍্য শ্রীরঙ্গ পুরীকে দেখতে চললেন।গিয়ে দেখলেন,শ্রীরঙ্গ পুরী ঘরের মধ্যে বসে "নাম"করছেন।পুরীকে দর্শন করেই নিজ গুরু শ্রীঈশ্বর পুরীপাদের কথা মনে পড়ল।মহাপ্রভু অঙ্গন থেকেই শ্রীরঙ্গ পুরীকে সাষ্টাঙ্গ দন্ডবৎ প্রণাম ও বন্দনা করলেন।শ্রীরঙ্গ পুরী তাড়াতাড়ি এসে মহাপ্রভুকে ধরে তুললেন।শ্রীরঙ্গ পুরী বললেন, শ্রীপাদ, তোমার পরিচয় কি?মহাপ্রভু বললেন,আমি শ্রীশ্রীঈশ্বরপুরী পাদের অধম ভৃত‍্য।ঈশ্বরপুরীর নাম শুনে শ্রীরঙ্গ পুরীর দুইনয়ন হতে জলধারা পড়তে লাগল। কিছুক্ষণ নীরবে কান্নার পর দুইহাত দিয়ে মহাপ্রভুর গলা জড়িয়ে ধরে বললেন, আহা, শ্রীঈশ্বর পুরী তো আমাদের ছেড়ে নিত‍্যলীলায় প্রবেশ করেছেন। বাবা!তোমায় দেখে বড় শান্তি পেলাম!মহাপ্রভু সজল নয়নে বললেন,হে গোঁসাঞি, কত ভাগ‍্যে আপনার দর্শন পেলাম।শ্রীরঙ্গপুরীবললেন, শ্রীপাদ, তোমার পূর্ব আশ্রমের পরিচয় শুনতে চাই।মহাপ্রভু বললেন,বঙ্গদেশে গঙ্গতটস্থিত নবদ্বীপ নগরীতে আমার জন্মস্থান।পিতার নাম শ্রীজগন্নাথ মিশ্র,বর্তমানে তিনি বৈকুন্ঠবাসী।মাতার নাম শচীদেবী।আর এক পুত্র ছিলেন,তাঁর নাম বিশ্বরূপ।আমি যখন খুব ছোট্ট ছিলাম তিনি দেশান্তরী হয়েছিলেন।* *এখন আমিও সন্ন‍্যাসী হয়ে তাঁর অনুসন্ধান করছি। শ্রীরঙ্গপুরী বললেন, বাবা!বহুদিনের কথা মনে পড়ল।আমি একবার শ্রীগুরুদেবের সঙ্গে নবদ্বীপ গিয়েছিলাম।তোমার পিতা জগন্নাথ মিশ্র বহু সমাদর করে শ্রীগুরুদেবকে গৃহে নিয়ে পূজো করেছিলেন এবং ভোজন করিয়েছিলেন।তোমার মাতৃদেবীর রান্নার স্বাদ এখনও ভুলতে পারিনি।তিনি যে শাক রান্না করেছিলেন, তা অপূর্ব। আহা,তুমি সেই জন্নাথ-শচীর পুত্র।এই কথা বলে শ্রীরঙ্গ পুরী মহাপ্রভুকে জড়িয়ে ধরলেন।তারপর বললেন,বাবা,একটি কথা,বলতে প্রাণ ফেটে যায়।মহাপ্রভু বললেন বলুন,কি কথা,আমি কি শুনবার যোগ্য নই? রঙ্গপুরী বললেন, দীর্ঘকাল বেঁচে থাকলে বহু কষ্ট হয়!আবার দেখাও যায় অনেক কিছু।মহাপ্রভু বললেন কষ্টকি?দেখা যায় কি?রঙ্গপুরী বললেন,তোমার জ‍্যেষ্ঠ ভ্রাতা বিশ্বরূপ সন্ন‍্যাস গ্রহণ করে শ্রীশঙ্করাণ‍্য নাম ধারণ করেছিল।এই পান্ডারপুরেই থাকতো তারপর আর কি বলব!* *(মূর্ছা গেলেন)* *মহাপ্রভু দুঃখভরে পুরীকে ধরে বসালেন এবং বললেন,গোঁসাঞি, তারপর বলুন,আহা কি মধুর কথা শুনছি!বিশ্বরূপের জন্য সন্ন‍্যাসী হয়ে আমি দেশে দেশে ভ্রমণ করছি।জননীর কাছে প্রতিজ্ঞা করে এসেছি,বিশ্বরূপের সন্ধান যে কোন রকমে সংগ্রহ করব।* *রঙ্গপুরী কাঁদতে কাঁদতে ও কথা মুখে আনতে প্রাণ ফেটে যায়। আহা,ক'মাস হল-------নীরব।* *মহাপ্রভু বললেন,গোঁসাঞি,আপনি কাঁদছেন কেন?তারপর কি হল বলুন? রঙ্গপুরী বললেন,বাবা!আমি কেন বেঁচে আছি জানি না।এই ক্ষেত্রেই তার সিদ্ধিলাভ হয়েছে।বিশ্বরূপের অপ্রকট বার্তা শ্রবণ মাত্রেই ভূতলে মহাপ্রভু মূর্ছিত হয়ে পড়ে গেলেন।শোকাশ্রুতে ভূতল সিক্ত হতে লাগল।* *এই নিদারুণ সংবাদ শ্রবণ করে মহাপ্রভু প্রায় সারাদিন অচৈতন‍্য অবস্থায় রইলেন।শ্রীরঙ্গপুরী মহাপ্রভুর কন্ঠ ধরে কতই না কাঁদলেন।তিন-চারদিন রঙ্গপুরীর আশ্রমে থেকে মহাপ্রভু বিবিধ কথা প্রসঙ্গে সময় কাটালেন।পুনঃ তীর্থভ্রমণে যাত্রা করলেন।শ্রীরঙ্গপুরীও দ্বারকা অভিমুখে চলে গেলেন।মহাপ্রভু যখন ক্ষেত্রধামে ফিরে এলেন,শ্রীরঙ্গপুরীও তথায় এলেন।শেষ পর্য তিনি সেখানে অবস্থান করেছিলেন।মহাপ্রভু তাঁকে শ্রীগুরুর মতো ভক্তি করতেন।শ্রীরঙ্গ পুরীও তাঁকে প্রাণের প্রাণ মনে করতেন।*
*🙏বানান ও ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয়🙏*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧               
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






adds