শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

স্তত্রম- বন্দনা- গীত- আরতি - YouTube 🙏 নিবেদনে 🙏 শ্রীমতী কুঞ্জশ্রী দাশগুপ্ত 🙏 KUNJASRI DASGUPTA 🎶 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/12/youtube.html


  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
       ꧁ স্তত্রম- বন্দনা- গীত- আরতি - YouTube 
    ꧁ 🙏নিবেদনে 🙏শ্রীমতী কুঞ্জশ্রী দাশগুপ্ত🙏꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   

শ্রী শ্রী পঞ্চতত্ব বন্দনা 👉 https://youtu.be/vYkC7l0PSJA
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   

শ্রীশ্রী গদাধর পন্ডিতাষ্টকম্ 👉 https://youtu.be/PPDa05bndCs
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   

✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
শ্রীগম্ভীরাষ্টকম্ 🙏 শ্রীবিশ্বম্ভর দাস 🙏 শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর নিবাসস্থলী 🙏 শ্রীগম্ভীরা, শ্রীধাম পুরী) 🙏 নিবেদনে 🙏 শ্রীমতী কুঞ্জশ্রী দাশগুপ্ত 🎶 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ https://youtu.be/THpJuV73VXg

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

শ্রীশ্রী রাধাষ্টক ( শ্রীল সনাতন গোস্বামী বিরোচিত)  🙏 নিবেদনে 🙏 শ্রীমতী কুঞ্জশ্রী দাশগুপ্ত 🎶 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ https://youtube.com/watch?v=QEuIrN4CYkw&feature=share

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

শ্রীমন্ মহাপ্রভুর জাগরণী পদ (শ্রীল নরহরি সরকার ঠাকুর বিরোচিত) 🙏 নিবেদনে 🙏 শ্রীমতী কুঞ্জশ্রী দাশগুপ্ত 🎶 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ https://youtu.be/wKsboCJYWGU

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


শ্রীশ্রী রাধা নিকুঞ্জ নাগর জীউর স্তব 🙏 শ্রীল স্বরুপ কৃষ্ণদাস বিরচিত) 🙏 নিবেদনে 🙏 শ্রীমতী কুঞ্জশ্রী দাশগুপ্ত 🙏 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ https://youtu.be/wKsboCJYWGU

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


শ্রীশ্রী রাধিকাষ্টকম্ 🙏 শ্রীল কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী 🙏 নিবেদনে 🙏 শ্রীমতী কুঞ্জশ্রী দাশগুপ্ত 🙏 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ 
https://youtu.be/p0-5DC-Z05s

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

শ্রীশ্রী চাটুপুষ্পাঞ্জলীঃ 🙏 শ্রীপাদ রুপ গোস্বামী 🙏 নিবেদনে 🙏 শ্রীমতী কুঞ্জশ্রী দাশগুপ্ত 🙏 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ https://youtu.be/1nlSyxHf7Dc

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


শ্রীশ্রী জগন্নাথাষ্টকম্ 🙏 নিবেদনে 🙏 শ্রীমতী কুঞ্জশ্রী দাশগুপ্ত 🙏 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ https://youtu.be/0-85I013BXQ

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


শ্রীশ্রী যুগল - স্তোত্রম্ 🙏 নিবেদনে 🙏 শ্রীমতী কুঞ্জশ্রী দাশগুপ্ত 🙏 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ https://youtu.be/1Q_eACdq324

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শ্রীমতি রাধারানীর জাগরণ পদ 🙏 নিবেদনে 🙏 শ্রীমতী কুঞ্জশ্রী দাশগুপ্ত 🙏 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ https://youtu.be/hYDQX5bNyj0

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

শ্রীমতি রাধারাণীর সন্ধ্যা আরতি কীর্তন 🙏 নিবেদনে 🙏 শ্রীমতী কুঞ্জশ্রী দাশগুপ্ত 🙏 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ https://youtu.be/gSaw4AQWgxU

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

শ্রীশ্রীনিত্যানন্দাষ্টকম্ 🙏 নিবেদনে 🙏 শ্রীমতী কুঞ্জশ্রী দাশগুপ্ত 🙏 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ https://youtu.be/KqVDjkFtWc0

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শ্রীশ্রী শচীতাণয়াষ্টকম্ 🙏 শ্রীল সার্বভৌম ভট্টাচার্য 🙏 নিবেদনে 🙏 শ্রীমতী কুঞ্জশ্রী দাশগুপ্ত 🙏 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ https://youtu.be/MHiUb_mm1DM
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

শ্রীশ্রী ব্রজরাজ সুতাষ্টকম্ 🙏 নিবেদনে 🙏 শ্রীমতী কুঞ্জশ্রী দাশগুপ্ত  🙏 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ https://youtu.be/Qrrh8D-9Nw4

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

শ্রীশ্রী কুঞ্জবিহারী স্তোত্রম 🙏 নিবেদনে 🙏 শ্রীমতী কুঞ্জশ্রী দাশগুপ্ত 🙏 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ https://youtu.be/UGV5Fdwoc9Y

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

শ্রীশ্রী ব্রজরাজ সুতাষ্টকম্ 🙏 নিবেদনে 🙏 শ্রীমতী কুঞ্জশ্রী দাশগুপ্ত 🙏 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ https://youtu.be/_0PPzBhOESs

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

শ্রীশ্রী গোপাল সহস্র নাম স্তোত্রম 🙏 নিবেদনে 🙏 শ্রীমতী কুঞ্জশ্রী দাশগুপ্ত 🙏 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ https://youtu.be/ketcRa9Poaw

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

শ্রীশ্রী গান্ধবির্কা স্তোত্রম 🙏 নিবেদনে 🙏 শ্রীমতী কুঞ্জশ্রী দাশগুপ্ত 🙏 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ https://youtu.be/kODtdchw7mI

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

জয় জয় গদাধর গৌরাঙ্গ সুন্দর 🙏 নিবেদনে 🙏 শ্রীমতী কুঞ্জশ্রী দাশগুপ্ত 🙏 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ https://youtu.be/aeePt8Toino

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

শ্রীশ্রী দামোদরাষ্টকম্ 🙏 নিবেদনে 🙏 শ্রীমতী কুঞ্জশ্রী দাশগুপ্ত 🙏 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ https://youtu.be/MO0S-yvibHE

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
ক্রমশ 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🎶🎶🎶🎶🎶🎶🎶🎶🎶🎶🎶🎶🎶🎶🎶🎶🎶🎶🎶
🙏 নিবেদনে 🙏 শ্রীমতী কুঞ্জশ্রী দাশগুপ্ত 🙏 ওনার এই দান সকল বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল আনন্দলাভ করবেন 🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



৫৪. রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/12/blog-post_332.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
            ꧁ ৫৪. রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস 
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
       ꧁ রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*৫৪ তুলসীদাস রামায়ণ🎎*
*🎎শ্রীরামচন্দ্রকে বরবেশে দেখে সীতাদেবীর মাতা সুনয়নাদেবী অত‍্যন্ত সুখ অনুভব লাভ করলেন।পরম মঙ্গলময় সময় অর্থ‍্যাৎ বিয়ের লগ্ন এগিয়ে আসছে আর বিয়ে হয়ে গেলেই আমার হৃদয়ের মণি চলে যাবে এই চিন্তাই,মহারাণী নয়নবারি রোধ করে সমাজের এই নিয়ম মনে করে প্রসন্নচিত্তে শ্রীরামচন্দ্রকে বরবেশে বরণ করে নিলেন।সব অনুষ্ঠানই বেদবিহিত রীতি ও কুলাচার অনুসারে উত্তমরূপে করা হল।(পঞ্চশব্দ=তন্ত্রী,করতাল,ঝাঁঝ,নাকাড়া ও ভূরী বাদ‍্যের শব্দ) (পঞ্চধ্বনি= বেদধ্বনি,বন্দকধ্বনি,জয়ধ্বনি, শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনি) ও মঙ্গলগীত পরিবেশন চলতে লাগল।যাবার পথে গালিচা পাতা হল। মহারাণী সুনয়না দেবী বরণ করে অর্ঘ‍্য দিলেন।তখন শ্রীরাচন্দ্র বিবাহ মন্ডপের দিকে অগ্রসর হলেন।তখন মহারাজ দশরথ সপার্ষদ আসন গ্রহণ করলেন।যথাসময়ে দেবতাগণ পুষ্পবৃষ্টি করছিলেন আর ভূদেব ব্রাহ্মণগণ শান্তিবচন উচ্চারণ করছিলেন।ভূমি আকাশ বাতাস আনন্দে উল্লাসে পরিপূর্ণ হল।এইভাবে শ্রীরাম বিয়ের মন্ডপে উপস্থিত হলেন।অর্ঘ‍্য দান করে সসম্মানে আসন দান করা হল।বরাসনে বিরাজমান শ্রীরামচন্দ্র।বরণাদি সম্পন্ন হলে ভাল ভাবে বরকে দেখে রমণীকুল খুব সুখ পেলেন।তাঁরা বহু পরামাণে মণিমাণিক‍্য বস্ত্রালঙ্কার উপহাররূপে দান করে আনন্দে মঙ্গলগান করতে লাগলেন।ব্রহ্মাদি দেবতাগণ শ্রেষ্ঠ ব্রাহ্মণ বেশ ধারণ করে কৌতুকলীলা প্রত‍্যক্ষ করছেন।রঘুকুল পদ্ম বিকাশকারী ভানু রামচন্দ্রের শোভা স্বচক্ষে প্রত‍্যক্ষ করে তাঁরা ধন‍্য হলেন।বৈদিক রীতিনীতি ও লোকাচার পালন করে এইবার রাজর্ষি জনক ও মহারাজ দশরথ পরস্পরের সঙ্গে মিলিত হলেন।বৈবাহিকের মধ্যে এমন সুসম্পর্ক দেবতাদের প্রসন্নতা দান করল।তাঁরা আলোচনা করতে লাগলেন=সৃষ্টিকাল হতে আমরা কত বিয়ে দেখলাম ও শুনলাম কিন্তু সর্বত্রভাবে ঐশ্বর্যপূর্ণ অথচ সুসংগত এমন বৈবাহিক আমরা আজ পর্যন্ত দেখিনি।মহারাজ দশরথকে বিয়ের মন্ডপে নিয়ে যাবার জন্য গালিচা পাতা হল।রাজর্ষি জনক স্বয়ং তাঁকে পর সমাদরে অর্ঘ‍্যদান করে বিয়ের মন্ডপে নিয়ে গেলেন।*
*মন্ডপের রচনা  কলাকৌশল ও রুচির বিন‍্যাস মুনি-মনকেও মুগ্ধ করিল।অতিথিবৎসলরাজর্ষি জনক সকলের বসিবার জন্য নিজেই সিংহাসন বয়ে নিয়ে এলেন।অতঃপর রাজর্ষি ঋষি বশিষ্ঠদেবকে কুলদেবতাসম পূজার্চনা করলেন আর বিনম্র চিত্তে তাঁর আশীর্বাদ গ্রহণ করলেন।ঋষি বিশ্বামিত্রের পূজার্চনা করবার সময়ে জনকরাজার প্রীতির আতিশয‍্য দেখা গেল।রাজর্ষি জনক তারপর কামদেবাদি ঋষিদের পরম প্রীতি সহকারে পূজার্চনা করলেন।সকলেই দিব‍্য আসন লাভ করলেন।তাঁদের আশীর্বাদকে রাজর্ষি জনক মাথা নত করে গ্রহণ করলেন।অতঃপর তিনি অযোধ‍্যাপতি দশরথকে ঈশ্বরজ্ঞানে পূজার্চনা করলেন।তিনি করজোড়ে মহারাজ দশরথের শুভাগমনকে তাঁর পরম সৌভাগ্য  ও সম্পদরূপে চিহ্নিত করলেন।রাজর্ষি জনক সকল বরযাত্রীদের বৈবাহিকসম সম্মান প্রদর্শন করে অতি সমাদরে পূজার্চনা করলেন।(অতিথি ভগবান ), তিনি তাঁদের যথোচিত আসনও দিলেন।বরযাত্রীদের আপ‍্যায়নে রাজর্ষি জনক দান,মান,বিনয় ও সুমধুর বাক‍্য কোনটাই বাদ দিলেন না।রামচন্দ্রের মাহাত্ম্য সম্বন্ধে যাঁরা সম্পূর্ণ জ্ঞানী ছিলেন সেই ব্রহ্মা,বিষ্ণু,মহেশ্বর,দিকপাল ও সূর্য‍্য ব্রাহ্মণের বেশ ধরে প্রীতিপূর্বক লীলা দেখছিলেন। রাজর্ষি জনক তাঁদেরও দেবতা জ্ঞানে পূজার্চনা করলেন আর চিনতে না পেরেও তাঁদের উত্তম আসন প্রদান করলেন।*
*🙏বানান,ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয়🙏*
               *ক্রমাগত*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
⬇️⬇️⬇️এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন ⬇️⬇️⬇️
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 

 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


৫৪. রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ➡️ এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/12/blog-post_332.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
            ꧁ ৫৪. রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস 
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
       ꧁ রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*৫৪ তুলসীদাস রামায়ণ🎎*
*🎎শ্রীরামচন্দ্রকে বরবেশে দেখে সীতাদেবীর মাতা সুনয়নাদেবী অত‍্যন্ত সুখ অনুভব লাভ করলেন।পরম মঙ্গলময় সময় অর্থ‍্যাৎ বিয়ের লগ্ন এগিয়ে আসছে আর বিয়ে হয়ে গেলেই আমার হৃদয়ের মণি চলে যাবে এই চিন্তাই,মহারাণী নয়নবারি রোধ করে সমাজের এই নিয়ম মনে করে প্রসন্নচিত্তে শ্রীরামচন্দ্রকে বরবেশে বরণ করে নিলেন।সব অনুষ্ঠানই বেদবিহিত রীতি ও কুলাচার অনুসারে উত্তমরূপে করা হল।(পঞ্চশব্দ=তন্ত্রী,করতাল,ঝাঁঝ,নাকাড়া ও ভূরী বাদ‍্যের শব্দ) (পঞ্চধ্বনি= বেদধ্বনি,বন্দকধ্বনি,জয়ধ্বনি, শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনি) ও মঙ্গলগীত পরিবেশন চলতে লাগল।যাবার পথে গালিচা পাতা হল। মহারাণী সুনয়না দেবী বরণ করে অর্ঘ‍্য দিলেন।তখন শ্রীরাচন্দ্র বিবাহ মন্ডপের দিকে অগ্রসর হলেন।তখন মহারাজ দশরথ সপার্ষদ আসন গ্রহণ করলেন।যথাসময়ে দেবতাগণ পুষ্পবৃষ্টি করছিলেন আর ভূদেব ব্রাহ্মণগণ শান্তিবচন উচ্চারণ করছিলেন।ভূমি আকাশ বাতাস আনন্দে উল্লাসে পরিপূর্ণ হল।এইভাবে শ্রীরাম বিয়ের মন্ডপে উপস্থিত হলেন।অর্ঘ‍্য দান করে সসম্মানে আসন দান করা হল।বরাসনে বিরাজমান শ্রীরামচন্দ্র।বরণাদি সম্পন্ন হলে ভাল ভাবে বরকে দেখে রমণীকুল খুব সুখ পেলেন।তাঁরা বহু পরামাণে মণিমাণিক‍্য বস্ত্রালঙ্কার উপহাররূপে দান করে আনন্দে মঙ্গলগান করতে লাগলেন।ব্রহ্মাদি দেবতাগণ শ্রেষ্ঠ ব্রাহ্মণ বেশ ধারণ করে কৌতুকলীলা প্রত‍্যক্ষ করছেন।রঘুকুল পদ্ম বিকাশকারী ভানু রামচন্দ্রের শোভা স্বচক্ষে প্রত‍্যক্ষ করে তাঁরা ধন‍্য হলেন।বৈদিক রীতিনীতি ও লোকাচার পালন করে এইবার রাজর্ষি জনক ও মহারাজ দশরথ পরস্পরের সঙ্গে মিলিত হলেন।বৈবাহিকের মধ্যে এমন সুসম্পর্ক দেবতাদের প্রসন্নতা দান করল।তাঁরা আলোচনা করতে লাগলেন=সৃষ্টিকাল হতে আমরা কত বিয়ে দেখলাম ও শুনলাম কিন্তু সর্বত্রভাবে ঐশ্বর্যপূর্ণ অথচ সুসংগত এমন বৈবাহিক আমরা আজ পর্যন্ত দেখিনি।মহারাজ দশরথকে বিয়ের মন্ডপে নিয়ে যাবার জন্য গালিচা পাতা হল।রাজর্ষি জনক স্বয়ং তাঁকে পর সমাদরে অর্ঘ‍্যদান করে বিয়ের মন্ডপে নিয়ে গেলেন।*
*মন্ডপের রচনা  কলাকৌশল ও রুচির বিন‍্যাস মুনি-মনকেও মুগ্ধ করিল।অতিথিবৎসলরাজর্ষি জনক সকলের বসিবার জন্য নিজেই সিংহাসন বয়ে নিয়ে এলেন।অতঃপর রাজর্ষি ঋষি বশিষ্ঠদেবকে কুলদেবতাসম পূজার্চনা করলেন আর বিনম্র চিত্তে তাঁর আশীর্বাদ গ্রহণ করলেন।ঋষি বিশ্বামিত্রের পূজার্চনা করবার সময়ে জনকরাজার প্রীতির আতিশয‍্য দেখা গেল।রাজর্ষি জনক তারপর কামদেবাদি ঋষিদের পরম প্রীতি সহকারে পূজার্চনা করলেন।সকলেই দিব‍্য আসন লাভ করলেন।তাঁদের আশীর্বাদকে রাজর্ষি জনক মাথা নত করে গ্রহণ করলেন।অতঃপর তিনি অযোধ‍্যাপতি দশরথকে ঈশ্বরজ্ঞানে পূজার্চনা করলেন।তিনি করজোড়ে মহারাজ দশরথের শুভাগমনকে তাঁর পরম সৌভাগ্য  ও সম্পদরূপে চিহ্নিত করলেন।রাজর্ষি জনক সকল বরযাত্রীদের বৈবাহিকসম সম্মান প্রদর্শন করে অতি সমাদরে পূজার্চনা করলেন।(অতিথি ভগবান ), তিনি তাঁদের যথোচিত আসনও দিলেন।বরযাত্রীদের আপ‍্যায়নে রাজর্ষি জনক দান,মান,বিনয় ও সুমধুর বাক‍্য কোনটাই বাদ দিলেন না।রামচন্দ্রের মাহাত্ম্য সম্বন্ধে যাঁরা সম্পূর্ণ জ্ঞানী ছিলেন সেই ব্রহ্মা,বিষ্ণু,মহেশ্বর,দিকপাল ও সূর্য‍্য ব্রাহ্মণের বেশ ধরে প্রীতিপূর্বক লীলা দেখছিলেন। রাজর্ষি জনক তাঁদেরও দেবতা জ্ঞানে পূজার্চনা করলেন আর চিনতে না পেরেও তাঁদের উত্তম আসন প্রদান করলেন।*
*🙏বানান,ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয়🙏*
               *ক্রমাগত*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
⬇️⬇️⬇️এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন ⬇️⬇️⬇️
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 

 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


৫৪. অতি গূঢ় নিত্যানন্দ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/12/blog-post_254.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
               ꧁ ৫৪. অতি গূঢ় নিত্যানন্দ 
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস  ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ প্রভু নিত্যানন্দের সংক্ষিপ্ত লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস  ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
(৫৪ )
*অতি গূঢ় নিত্যানন্দ।*
সর্বাঙ্গসুন্দর মদনমোহনরূপে কমললোচন মহাপ্রভু চারিদিকে আলোকিত করে বৈষ্ণবমণ্ডলীর মাঝে কৃষ্ণ কথা আলাপনে রত।
হেন সময়ে নিত্যানন্দ-হরিদাস এসে সারাদিনের বৃত্তান্ত নিবেদন করলেন।
 আজ অপরূপ দেখলাম দুইজন মাতাল, তারা ব্রাহ্মণ সন্তান। আমি গিয়ে তাদের কৃষ্ণনাম নিতে বললাম, শুনে তারা রেগে তেড়ে আসলো। ভাগ্যের জোরে আজ প্রাণ বেঁচেছি।
 প্রভু বললেন - কে সে দুই জন? কি নাম তাদের?
 ব্রাহ্মণ হয়ে এমন কর্ম করে?
 সম্মুখেই ছিল গঙ্গাদাস, শ্রীনিবাস তারা বলছেন তাদের নাম জগাই মাধাই। সৎ ব্রাহ্মণের ছেলে। এই নবদ্বীপেই তার জন্ম। কিন্তু সঙ্গদোষে তাদের বুদ্ধিভ্রষ্ট হল। সব সময় মদ্য পান করে। তারা না করে এমন কোন কুকার্য নাই। তাদের ভয়ে নদীয়ার লোক তটস্থ। চুরি, ডাকাতি, রাহাজানি, ধর্ষণ, লোকের ঘরে অগ্নি দান হেন কর্ম নাই করে না।
প্রভু!তুমিও তা জানো।
মহাপ্রভু - জানি জানি সেই দুই ব্যাটা, খন্ড খন্ড করিমু আইলে মোর হেথা।।

নিত্যানন্দ - তুমি খন্ড খন্ড করো, কিন্তু সেই দুই থাকতে আমি কোথাও যাবো না। কিসের তুমি এত বড়াই কর! আগে সেই দুইকে কৃষ্ণ নাম বলাও তবে জানব তোমার বড়াই।
 ধার্মিক লোক স্বাভাবিকভাবেই কৃষ্ণ নাম বলে।এই দুই দুরাচারী কে কৃষ্ণনাম প্রেম দান করো তবে জানব তোমার নাম *পতিতপাবন* ।আমাকে উদ্ধার করে তোমার যা যশ হয়েছে,তার থেকেও এ দুইকে উদ্ধার করলে অধিক যশ হবে। 
হেসে বলছেন বিশ্বম্ভর - "হইল উদ্ধার"।
যেই ক্ষনে দর্শন পাইল তোমার।।
 বিশেষ করে তুমি যার এই প্রকার মঙ্গল চিন্তা করো তার কি কখনো অমঙ্গল থাকতে পারে ? নিশ্চয় কৃষ্ণ তার মঙ্গল করবেন।
 শ্রীমুখের কথা শুনে ভক্তগন জয় জয় হরিধ্বনি করে উঠলেন।
 "উদ্ধার হয়ে গেল" সবাই মনে করলেন।

অদ্বৈতের কাছে গিয়ে হরিদাস বলছেন - প্রভু চঞ্চলের সঙ্গে আমাকে পাঠায়। আমি থাকি কোথায়,আর সে কোন দিকে চলে যায়। বর্ষায় গঙ্গার জলে নেমে কুমিরকে ধরতে যায়। আমি তীরে থেকে ডাকি আর "হায় হায়" করি! কে কার কথা শুনে? সারা গঙ্গার মাঝে সাঁতার কেটে বেড়ায়। যদি বা কূলে উঠে, ছোট্ট শিশুদের দেখে তাড়া করে। তাদের বাবা-মা ঠেঙ্গা নিয়ে আসে আমাকে মারার জন্য, তাদের পায়ে ধরে মিনতি করে শান্ত করি। গোয়ালার দুধ, দই নিয়ে পালিয়ে যায়। তারা আমাকে এসে মারতে চায়। সেই কর্ম করে যা উচিত নয়। কুমারী কন্যাকে দেখে বলে "আমাকে বিয়ে কর"। ষাঁড়ের পিঠে চড়ে বলছে- "দেখ আমিই সেই মহেশ"। গাভীর বাটে মুখ দিয়ে দুগ্ধ পান করে। আমি নিষেধ করলে বলে - "তোর অদ্বৈত আমার কি করতে পারে? আর চৈতন্য! যাকে তোরা "ঠাকুর" বলিস, সেই বা আমার কি করতে পারবে!"
 আমি কিছু বলিনা ঠাকুরের কাছে।
কোন ভাগ্যে আজ প্রাণে বেঁচে আসলাম। দুই মাতাল রাস্তায় পড়েছিল তাকে গিয়ে কৃষ্ণ নাম উপদেশ করছে। শুনে তো সে মহাক্রোধে তেড়ে আসলো মারার জন্য। আজ তোমার কৃপায় আমি প্রাণে বাচলাম।
 হেসে অদ্বৈত বলছেন- এতে আশ্চর্যের কিছু নেই। কেননা মাতালের সঙ্গে মাতালেরই মেল হয়। তিন মাতাল একসঙ্গে হয়েছে *জগাই মাধাই নিতাই*। ঠিকই হয়েছে। কিন্তু তুমি নৈষ্ঠিক হয়ে কেন তাদের ভিতর? নিত্যানন্দ সবাকেই মাতাল করে ছাড়বে। আমি ওর চরিত্র খুব ভালোভাবে জানি। দেখ!এই দুই-তিনদিনের মধ্যেই এই দুইমাতালকেই আমাদের গোষ্ঠীতে নিয়ে চলে আসবে। বলতে বলতে অদ্বৈত আবিষ্ট হয়ে পড়লেন, দিগম্বর হয়ে বলছেন -
 *"শুষিব সকল চৈতন্যের কৃষ্ণভক্তি। কেমনে নাচয়ে গায় দেখোঁ তার শক্তি।।"* 

 কাল দেখবে সেই দুই মাতালের সঙ্গে দুই হাত ধরে নাচবে,সব একাকার করবে সেই দুইজনে।

 চলো আমরা আমাদের জাতি নিয়ে পালিয়ে যাই।

 অদ্বৈতের ক্রোধাবেশ দেখে হরিদাস ঠাকুর মৃদুমন্দ হাসছেন। আবার অনুভব করলেন যে, মাতাল উদ্ধার হবে।
 অদ্বৈতের বাক্য বুঝার শক্তি কার আছে? একমাত্র হরিদাস আর সেই রকম যার মতি।

 কোন পাপী অদ্বৈতের পক্ষ হয়ে গদাধরের নিন্দা করে, এক বৈষ্ণবের পক্ষ নিয়ে অন্য বৈষ্ণবের যে নিন্দা করে, সে নিজের পাপে নিজেই পুড়ে মরে।
 সেই দুই মাতাল ঘুরতে ঘুরতে সেখানে আসলো,যে ঘাটে প্রভু স্নান করেন।
সেখান থেকে সব জায়গায় হানা দিতে লাগল। সবাই ভয়ে ভীত হয়ে পড়ল। সন্ধ্যা হলে আর কেউ গঙ্গায় আসে না। আসলেও দশ-বিশ জন একসঙ্গে হয়ে তবে আসেন।
রাতে প্রভুর বাড়ির কাছে থাকে, সারারাত্রি প্রভুর কীর্তন শুনে জাগরন করে। খোল করতালের সঙ্গে কীর্তনের ধ্বনি শুনে মদের বিক্ষেপে তারা নাচতে থাকে আর বারবার মদ খায়।

একদিন প্রভুকে দেখে বলছে - নিমাই পণ্ডিত! তোমার গান খুব সুন্দর!!এইযে মঙ্গলচন্ডীর গান গাও? খুউব ভালো লাগে আমার!আমাকে একবার দেখাবে কীর্তন? তুমি যা চাইবে সব এনে দিব।একবার শুধু আমাকে তোমাদের কীর্তন দেখাও।
 দুর্জন দেখে প্রভু দূরে দূরে চলে যান।
 আর সব লোক অন্য রাস্তা দিয়ে পালায়।

একদিন নিত্যানন্দ প্রভু নাম প্রচার করে রাতের সময় সে রাস্তা দিয়ে আসছিলেন। দেখেই জগাই মাধাই বলছে "কে রে কে রে"? নিত্যানন্দ প্রভু বলছেন -"আমি প্রভুর বাড়িতে যাব।" 
 জগাই মাধাই বলছে - তোর
 কি নাম ?
 নিত্যানন্দ - আমার নাম অবধূত।
বাল্যভাবে মহামত্ত-নিত্যানন্দ মাতালের সঙ্গে কথা বলছেন।মনে আছে দুজনকে উদ্ধার করতে হবে।সেজন্যই রাত্রি করে এসেছেন।  অবধূত নাম শুনেই মাধাই রেগে উঠল! সেখানে পড়েছিল মদের ভাঙ্গা কলসি!!
তুলে সজোরে আঘাত করল নিতাইর মাথায়!
মাথা ফেটে দরদরিত  ধারে রক্ত পড়তে লাগলো। নিত্যানন্দ-মহাপ্রভু গোবিন্দ স্মরণ করতে লাগলেন। 
রক্ত দেখে জগাইর দয়া হল। মাধাই আবার উঠে মারতে উদ্যত হলে জগাই তাকে বাধা দিয়ে বলছেন-এত নির্দয় কেন হলে তুমি? বিদেশি কে মেরে তুমি এমনকি বড় হবে? অবধূত সন্ন্যাসীকে মেরে কি লাভ?
 ভক্তগণ গিয়ে প্রভুর কাছে সব নিবেদন করলেন। সঙ্গে সঙ্গে মহাপ্রভু সপার্ষদে এসে হাজির হলেন।
নিতাইঅঙ্গে রক্ত দেখে স্থির থাকতে পারলেন না। আবিষ্ট হয়ে পড়লেন।সুদর্শন! সুদর্শন!! বলে বারবার ডাকতে লাগলেন। সঙ্গে সঙ্গে ঘনঘোর শব্দে চক্র সুদর্শন এসে হাজির হল। দেখে সবাই প্রমাদ গুনলেন।
এদিকে মুরারি গুপ্তের হনুমান আবেশ হল।ক্রোধাবেশে বলছেন - প্রভু! আজ্ঞা কর! আজ্ঞা কর!!
 নিতাই চাঁদ করজোড়ে মহাপ্রভুকে নিবেদন করলেন - প্রভু! জগাই আমার প্রাণ রক্ষা করেছে। সামান্য রক্তপাত হলেও আমি কিছু দুঃখ পাই নাই‌। তুমি আমাকে একটি ভিক্ষা দেবে প্রভু! এই দুই শরীর তুমি আমাকে দান দাও।
 জগাই রক্ষা করল শুনে মহাপ্রভু জগাইকে বাহু পাশে আবদ্ধ করে দৃঢ় আলিঙ্গন করলেন। কৃষ্ণ তোমায় কৃপা করুন আশীর্বাদ করলেন।নিত্যানন্দ কে রক্ষা করে তুমি আমাকে  কিনে নিলে। তোমার যা মনে হয় তাই চেয়ে নাও। আজ থেকে তোমার প্রেমভক্তি লাভ হোক। জগাইর বর শুনে ভক্তগন জয় জয়ধ্বনি করে উঠলেন। "প্রেমভক্তি লাভ হোক" যখন বললেন মহাপ্রভু, তখন জগাই প্রেমে মূর্ছিত হয়ে পড়লেন। প্রভু বলছেন - উঠ! দেখো আমাকে। সত্যিই আমি তোমাকে প্রেমভক্তি দান দিলাম। শঙ্খ, চক্র, গদা,পদ্মধারী চতুর্ভুজ স্বরূপ জগাই দর্শন করে পুনরায় মূর্ছিত হয়ে পড়লেন। মহাপ্রভু কমলা বাঞ্ছিত চরণ বক্ষস্থলে অর্পণ করলেন।
 সেই লক্ষ্মীর জীবনধন চরণকমলের স্পর্শ পেয়ে সুকৃতি জগাই কাঁদতে লাগলেন। দেখে মাধাই বলছেন - আমরা দুইভাই একসঙ্গে পাপ করেছি দুই জনেই সমান পাপী।তুমি জগাইকে কৃপা করলে আর আমি বঞ্চিত হলাম? এ তোমার কেমন নীতি?
যে অসুরগণ তোমায় বানবিদ্ধ করেছিল, তুমি তাদেরও সদ্গতি প্রদান করেছিলে।
মহাপ্রভু বলছেন - তুই তাদের থেকেও বেশি পাপী।  আমার অঙ্গে আঘাত করলে আমি দুঃখ পেতাম না, কিন্তু আমার প্রাণাধিক প্রিয় নিত্যানন্দের অঙ্গে আঘাত করেছিস। আমার থেকেও নিত্যানন্দ দেহ বড়। এই অপরাধ আমি কখনো ক্ষমা করতে পারব না। এ অক্ষম্য অপরাধ!

উপরে সুদর্শন চক্র ঘনঘোর গর্জন করছে। এখনই প্রাণসংহার করবে। মুরারি গুপ্ত দাঁত কড়মড় করছে।

নিতাই করজোড়ে সুদর্শনকে লক্ষ্য করে বলছেন - "শান্ত হও।"
মুরারি গুপ্তের দিকে তাকিয়ে বলছেন - "ক্ষান্ত হও।"

এই দৃশ্য দেখে নিরুপায় হয়ে মাধাই নিতাইয়ের চরণে পড়লেন।সঙ্গে সঙ্গে নিতাই  মাধাইকে তুলে বুকে জড়িয়ে ধরলেন।
বলছেন মাধাই রক্ত কেন? প্রাণের বিনিময়ে হলেও আমি তোকে উদ্ধার করব। তুই একটিবার মাত্র কৃষ্ণ বল!বল!! আমি তোর কাছে চির ঋণী হয়ে থাকব। একটিবার মাত্র শুধু কৃষ্ণ বল!!
নিতাই চাঁদের সুশীতল বক্ষ স্পর্শ পেয়ে মাধাইর কণ্ঠ রুদ্ধ হয়ে গেল মুখে বাক্য স্ফূরিত হয় না, অঝোর নয়নে কাঁদতে লাগল।
নিতাই মহাপ্রভু কে বলছেন - প্রভু! আমি যদি কোন জন্মে এতোটুকু সুকৃতি করে থাকি, এতোটুকু তোমার সেবা করে থাকি, সেই সুকৃতি বলে তুমি মাধাই কে কৃপা কর, আমার যা কিছু পূন্য ছিল সবই মাধাইকে দিলাম।

মহাপ্রভু- এর উদ্ধারের ভার তোমাকেই দিলাম।
নিত্যানন্দ প্রভু দৃঢ় আলিঙ্গন দান করলেন। তার জন্মজন্মান্তরের সমস্ত বন্ধন মোচন হয়ে গেল। নিতাই কৃপায় সর্বশক্তি সমন্বিত হলেন মাধাই। উভয়কে নিয়ে নিতাই মহাপ্রভুর চরণে সমর্পণ করলেন।।

ক্রমশ ...…

GOPISARAN DAS
http­//MrinmoyNandy.blogspot.com/2022/12/blogéôépost_30.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
           ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
DEMOCRATIC NITYANANDA (Facebook Group) 👉 https://www.facebook.com/groups/1370545549769377/?ref=share
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



৫৪. অতি গূঢ় নিত্যানন্দ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/12/blog-post_254.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
               ꧁ ৫৪. অতি গূঢ় নিত্যানন্দ 
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস  ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ প্রভু নিত্যানন্দের সংক্ষিপ্ত লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস  ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
(৫৪ )
*অতি গূঢ় নিত্যানন্দ।*
সর্বাঙ্গসুন্দর মদনমোহনরূপে কমললোচন মহাপ্রভু চারিদিকে আলোকিত করে বৈষ্ণবমণ্ডলীর মাঝে কৃষ্ণ কথা আলাপনে রত।
হেন সময়ে নিত্যানন্দ-হরিদাস এসে সারাদিনের বৃত্তান্ত নিবেদন করলেন।
 আজ অপরূপ দেখলাম দুইজন মাতাল, তারা ব্রাহ্মণ সন্তান। আমি গিয়ে তাদের কৃষ্ণনাম নিতে বললাম, শুনে তারা রেগে তেড়ে আসলো। ভাগ্যের জোরে আজ প্রাণ বেঁচেছি।
 প্রভু বললেন - কে সে দুই জন? কি নাম তাদের?
 ব্রাহ্মণ হয়ে এমন কর্ম করে?
 সম্মুখেই ছিল গঙ্গাদাস, শ্রীনিবাস তারা বলছেন তাদের নাম জগাই মাধাই। সৎ ব্রাহ্মণের ছেলে। এই নবদ্বীপেই তার জন্ম। কিন্তু সঙ্গদোষে তাদের বুদ্ধিভ্রষ্ট হল। সব সময় মদ্য পান করে। তারা না করে এমন কোন কুকার্য নাই। তাদের ভয়ে নদীয়ার লোক তটস্থ। চুরি, ডাকাতি, রাহাজানি, ধর্ষণ, লোকের ঘরে অগ্নি দান হেন কর্ম নাই করে না।
প্রভু!তুমিও তা জানো।
মহাপ্রভু - জানি জানি সেই দুই ব্যাটা, খন্ড খন্ড করিমু আইলে মোর হেথা।।

নিত্যানন্দ - তুমি খন্ড খন্ড করো, কিন্তু সেই দুই থাকতে আমি কোথাও যাবো না। কিসের তুমি এত বড়াই কর! আগে সেই দুইকে কৃষ্ণ নাম বলাও তবে জানব তোমার বড়াই।
 ধার্মিক লোক স্বাভাবিকভাবেই কৃষ্ণ নাম বলে।এই দুই দুরাচারী কে কৃষ্ণনাম প্রেম দান করো তবে জানব তোমার নাম *পতিতপাবন* ।আমাকে উদ্ধার করে তোমার যা যশ হয়েছে,তার থেকেও এ দুইকে উদ্ধার করলে অধিক যশ হবে। 
হেসে বলছেন বিশ্বম্ভর - "হইল উদ্ধার"।
যেই ক্ষনে দর্শন পাইল তোমার।।
 বিশেষ করে তুমি যার এই প্রকার মঙ্গল চিন্তা করো তার কি কখনো অমঙ্গল থাকতে পারে ? নিশ্চয় কৃষ্ণ তার মঙ্গল করবেন।
 শ্রীমুখের কথা শুনে ভক্তগন জয় জয় হরিধ্বনি করে উঠলেন।
 "উদ্ধার হয়ে গেল" সবাই মনে করলেন।

অদ্বৈতের কাছে গিয়ে হরিদাস বলছেন - প্রভু চঞ্চলের সঙ্গে আমাকে পাঠায়। আমি থাকি কোথায়,আর সে কোন দিকে চলে যায়। বর্ষায় গঙ্গার জলে নেমে কুমিরকে ধরতে যায়। আমি তীরে থেকে ডাকি আর "হায় হায়" করি! কে কার কথা শুনে? সারা গঙ্গার মাঝে সাঁতার কেটে বেড়ায়। যদি বা কূলে উঠে, ছোট্ট শিশুদের দেখে তাড়া করে। তাদের বাবা-মা ঠেঙ্গা নিয়ে আসে আমাকে মারার জন্য, তাদের পায়ে ধরে মিনতি করে শান্ত করি। গোয়ালার দুধ, দই নিয়ে পালিয়ে যায়। তারা আমাকে এসে মারতে চায়। সেই কর্ম করে যা উচিত নয়। কুমারী কন্যাকে দেখে বলে "আমাকে বিয়ে কর"। ষাঁড়ের পিঠে চড়ে বলছে- "দেখ আমিই সেই মহেশ"। গাভীর বাটে মুখ দিয়ে দুগ্ধ পান করে। আমি নিষেধ করলে বলে - "তোর অদ্বৈত আমার কি করতে পারে? আর চৈতন্য! যাকে তোরা "ঠাকুর" বলিস, সেই বা আমার কি করতে পারবে!"
 আমি কিছু বলিনা ঠাকুরের কাছে।
কোন ভাগ্যে আজ প্রাণে বেঁচে আসলাম। দুই মাতাল রাস্তায় পড়েছিল তাকে গিয়ে কৃষ্ণ নাম উপদেশ করছে। শুনে তো সে মহাক্রোধে তেড়ে আসলো মারার জন্য। আজ তোমার কৃপায় আমি প্রাণে বাচলাম।
 হেসে অদ্বৈত বলছেন- এতে আশ্চর্যের কিছু নেই। কেননা মাতালের সঙ্গে মাতালেরই মেল হয়। তিন মাতাল একসঙ্গে হয়েছে *জগাই মাধাই নিতাই*। ঠিকই হয়েছে। কিন্তু তুমি নৈষ্ঠিক হয়ে কেন তাদের ভিতর? নিত্যানন্দ সবাকেই মাতাল করে ছাড়বে। আমি ওর চরিত্র খুব ভালোভাবে জানি। দেখ!এই দুই-তিনদিনের মধ্যেই এই দুইমাতালকেই আমাদের গোষ্ঠীতে নিয়ে চলে আসবে। বলতে বলতে অদ্বৈত আবিষ্ট হয়ে পড়লেন, দিগম্বর হয়ে বলছেন -
 *"শুষিব সকল চৈতন্যের কৃষ্ণভক্তি। কেমনে নাচয়ে গায় দেখোঁ তার শক্তি।।"* 

 কাল দেখবে সেই দুই মাতালের সঙ্গে দুই হাত ধরে নাচবে,সব একাকার করবে সেই দুইজনে।

 চলো আমরা আমাদের জাতি নিয়ে পালিয়ে যাই।

 অদ্বৈতের ক্রোধাবেশ দেখে হরিদাস ঠাকুর মৃদুমন্দ হাসছেন। আবার অনুভব করলেন যে, মাতাল উদ্ধার হবে।
 অদ্বৈতের বাক্য বুঝার শক্তি কার আছে? একমাত্র হরিদাস আর সেই রকম যার মতি।

 কোন পাপী অদ্বৈতের পক্ষ হয়ে গদাধরের নিন্দা করে, এক বৈষ্ণবের পক্ষ নিয়ে অন্য বৈষ্ণবের যে নিন্দা করে, সে নিজের পাপে নিজেই পুড়ে মরে।
 সেই দুই মাতাল ঘুরতে ঘুরতে সেখানে আসলো,যে ঘাটে প্রভু স্নান করেন।
সেখান থেকে সব জায়গায় হানা দিতে লাগল। সবাই ভয়ে ভীত হয়ে পড়ল। সন্ধ্যা হলে আর কেউ গঙ্গায় আসে না। আসলেও দশ-বিশ জন একসঙ্গে হয়ে তবে আসেন।
রাতে প্রভুর বাড়ির কাছে থাকে, সারারাত্রি প্রভুর কীর্তন শুনে জাগরন করে। খোল করতালের সঙ্গে কীর্তনের ধ্বনি শুনে মদের বিক্ষেপে তারা নাচতে থাকে আর বারবার মদ খায়।

একদিন প্রভুকে দেখে বলছে - নিমাই পণ্ডিত! তোমার গান খুব সুন্দর!!এইযে মঙ্গলচন্ডীর গান গাও? খুউব ভালো লাগে আমার!আমাকে একবার দেখাবে কীর্তন? তুমি যা চাইবে সব এনে দিব।একবার শুধু আমাকে তোমাদের কীর্তন দেখাও।
 দুর্জন দেখে প্রভু দূরে দূরে চলে যান।
 আর সব লোক অন্য রাস্তা দিয়ে পালায়।

একদিন নিত্যানন্দ প্রভু নাম প্রচার করে রাতের সময় সে রাস্তা দিয়ে আসছিলেন। দেখেই জগাই মাধাই বলছে "কে রে কে রে"? নিত্যানন্দ প্রভু বলছেন -"আমি প্রভুর বাড়িতে যাব।" 
 জগাই মাধাই বলছে - তোর
 কি নাম ?
 নিত্যানন্দ - আমার নাম অবধূত।
বাল্যভাবে মহামত্ত-নিত্যানন্দ মাতালের সঙ্গে কথা বলছেন।মনে আছে দুজনকে উদ্ধার করতে হবে।সেজন্যই রাত্রি করে এসেছেন।  অবধূত নাম শুনেই মাধাই রেগে উঠল! সেখানে পড়েছিল মদের ভাঙ্গা কলসি!!
তুলে সজোরে আঘাত করল নিতাইর মাথায়!
মাথা ফেটে দরদরিত  ধারে রক্ত পড়তে লাগলো। নিত্যানন্দ-মহাপ্রভু গোবিন্দ স্মরণ করতে লাগলেন। 
রক্ত দেখে জগাইর দয়া হল। মাধাই আবার উঠে মারতে উদ্যত হলে জগাই তাকে বাধা দিয়ে বলছেন-এত নির্দয় কেন হলে তুমি? বিদেশি কে মেরে তুমি এমনকি বড় হবে? অবধূত সন্ন্যাসীকে মেরে কি লাভ?
 ভক্তগণ গিয়ে প্রভুর কাছে সব নিবেদন করলেন। সঙ্গে সঙ্গে মহাপ্রভু সপার্ষদে এসে হাজির হলেন।
নিতাইঅঙ্গে রক্ত দেখে স্থির থাকতে পারলেন না। আবিষ্ট হয়ে পড়লেন।সুদর্শন! সুদর্শন!! বলে বারবার ডাকতে লাগলেন। সঙ্গে সঙ্গে ঘনঘোর শব্দে চক্র সুদর্শন এসে হাজির হল। দেখে সবাই প্রমাদ গুনলেন।
এদিকে মুরারি গুপ্তের হনুমান আবেশ হল।ক্রোধাবেশে বলছেন - প্রভু! আজ্ঞা কর! আজ্ঞা কর!!
 নিতাই চাঁদ করজোড়ে মহাপ্রভুকে নিবেদন করলেন - প্রভু! জগাই আমার প্রাণ রক্ষা করেছে। সামান্য রক্তপাত হলেও আমি কিছু দুঃখ পাই নাই‌। তুমি আমাকে একটি ভিক্ষা দেবে প্রভু! এই দুই শরীর তুমি আমাকে দান দাও।
 জগাই রক্ষা করল শুনে মহাপ্রভু জগাইকে বাহু পাশে আবদ্ধ করে দৃঢ় আলিঙ্গন করলেন। কৃষ্ণ তোমায় কৃপা করুন আশীর্বাদ করলেন।নিত্যানন্দ কে রক্ষা করে তুমি আমাকে  কিনে নিলে। তোমার যা মনে হয় তাই চেয়ে নাও। আজ থেকে তোমার প্রেমভক্তি লাভ হোক। জগাইর বর শুনে ভক্তগন জয় জয়ধ্বনি করে উঠলেন। "প্রেমভক্তি লাভ হোক" যখন বললেন মহাপ্রভু, তখন জগাই প্রেমে মূর্ছিত হয়ে পড়লেন। প্রভু বলছেন - উঠ! দেখো আমাকে। সত্যিই আমি তোমাকে প্রেমভক্তি দান দিলাম। শঙ্খ, চক্র, গদা,পদ্মধারী চতুর্ভুজ স্বরূপ জগাই দর্শন করে পুনরায় মূর্ছিত হয়ে পড়লেন। মহাপ্রভু কমলা বাঞ্ছিত চরণ বক্ষস্থলে অর্পণ করলেন।
 সেই লক্ষ্মীর জীবনধন চরণকমলের স্পর্শ পেয়ে সুকৃতি জগাই কাঁদতে লাগলেন। দেখে মাধাই বলছেন - আমরা দুইভাই একসঙ্গে পাপ করেছি দুই জনেই সমান পাপী।তুমি জগাইকে কৃপা করলে আর আমি বঞ্চিত হলাম? এ তোমার কেমন নীতি?
যে অসুরগণ তোমায় বানবিদ্ধ করেছিল, তুমি তাদেরও সদ্গতি প্রদান করেছিলে।
মহাপ্রভু বলছেন - তুই তাদের থেকেও বেশি পাপী।  আমার অঙ্গে আঘাত করলে আমি দুঃখ পেতাম না, কিন্তু আমার প্রাণাধিক প্রিয় নিত্যানন্দের অঙ্গে আঘাত করেছিস। আমার থেকেও নিত্যানন্দ দেহ বড়। এই অপরাধ আমি কখনো ক্ষমা করতে পারব না। এ অক্ষম্য অপরাধ!

উপরে সুদর্শন চক্র ঘনঘোর গর্জন করছে। এখনই প্রাণসংহার করবে। মুরারি গুপ্ত দাঁত কড়মড় করছে।

নিতাই করজোড়ে সুদর্শনকে লক্ষ্য করে বলছেন - "শান্ত হও।"
মুরারি গুপ্তের দিকে তাকিয়ে বলছেন - "ক্ষান্ত হও।"

এই দৃশ্য দেখে নিরুপায় হয়ে মাধাই নিতাইয়ের চরণে পড়লেন।সঙ্গে সঙ্গে নিতাই  মাধাইকে তুলে বুকে জড়িয়ে ধরলেন।
বলছেন মাধাই রক্ত কেন? প্রাণের বিনিময়ে হলেও আমি তোকে উদ্ধার করব। তুই একটিবার মাত্র কৃষ্ণ বল!বল!! আমি তোর কাছে চির ঋণী হয়ে থাকব। একটিবার মাত্র শুধু কৃষ্ণ বল!!
নিতাই চাঁদের সুশীতল বক্ষ স্পর্শ পেয়ে মাধাইর কণ্ঠ রুদ্ধ হয়ে গেল মুখে বাক্য স্ফূরিত হয় না, অঝোর নয়নে কাঁদতে লাগল।
নিতাই মহাপ্রভু কে বলছেন - প্রভু! আমি যদি কোন জন্মে এতোটুকু সুকৃতি করে থাকি, এতোটুকু তোমার সেবা করে থাকি, সেই সুকৃতি বলে তুমি মাধাই কে কৃপা কর, আমার যা কিছু পূন্য ছিল সবই মাধাইকে দিলাম।

মহাপ্রভু- এর উদ্ধারের ভার তোমাকেই দিলাম।
নিত্যানন্দ প্রভু দৃঢ় আলিঙ্গন দান করলেন। তার জন্মজন্মান্তরের সমস্ত বন্ধন মোচন হয়ে গেল। নিতাই কৃপায় সর্বশক্তি সমন্বিত হলেন মাধাই। উভয়কে নিয়ে নিতাই মহাপ্রভুর চরণে সমর্পণ করলেন।।

ক্রমশ ...…

GOPISARAN DAS
http­//MrinmoyNandy.blogspot.com/2022/12/blogéôépost_30.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
           ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
DEMOCRATIC NITYANANDA (Facebook Group) 👉 https://www.facebook.com/groups/1370545549769377/?ref=share
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



৫৩. অতি গূঢ় নিত্যানন্দ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/12/blog-post_967.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
               ꧁ ৫৩. অতি গূঢ় নিত্যানন্দ 
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস  ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ প্রভু নিত্যানন্দের সংক্ষিপ্ত লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস  ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
( ৫৩)
*অতি গূঢ় নিত্যানন্দ।*
একদিন হঠাৎ মহাপ্রভু আজ্ঞা দিলেন  - শোন শোন নিত্যানন্দ -হরিদাস! ঘরে ঘরে গিয়ে  এই ভিক্ষা কর "কৃষ্ণ ভজ,কৃষ্ণ বোল,কর কৃষ্ণ শিক্ষা" 
এ ছাড়া আর কিছু বলবে না। সবাইকে বলবে একটি বার "কৃষ্ণ কৃষ্ণ" বল। দিন শেষে কে কি বলে আমারে এসে বলবে। যদি কেহ হরিনাম গ্রহণ না করে, তবে আমি চক্র হস্তে সবার মস্তক ছেদন করব। 

 শুনে সব বৈষ্ণবগণ আনন্দিত হলেন।

আজ্ঞা শিরোধার্য করে নিত্যানন্দ হরিদাস তখনই পথে নামলেন।  দুজনে সব ঘরে ঘরে গিয়ে বলছেন "বল কৃষ্ণ,ভজ কৃষ্ণ,কর কৃষ্ণ শিক্ষা"- 
একটিবার "কৃষ্ণ কৃষ্ণ" বল ভাই,এখন এইভাবে সারা নদিয়ায় প্রতি ঘরে ঘরে নাম প্রেমের ভিক্ষা করে বেড়ান দুজনে।  প্রত্যেক ঘরে ঘরে গিয়ে ভিক্ষা করেন সবাই ভিক্ষা এনে দিতে চাইলে নিত্যানন্দ-হরিদাস বলছেন - এই ভিক্ষা দাও, মুখে শুধু "কৃষ্ণ কৃষ্ণ" বল। এই বলে দুজন চলে যান, যে সুজন হন তিনি খুব সুখ পান। "আচ্ছা করব" সন্তুষ্ট হয়ে বলেন।
কেহ বলে দুইজন মন্ত্র দোষে পাগল হয়ে  আমাদেরও পাগল করার জন্য এসেছ!

  যারা মহাপ্রভুর নৃত্যের সময়  প্রবেশ করতে পারে নাই। তাদের বাড়ি গেলে তারা মার মার করে তেড়ে আসে। তোমরা পাগল হলে সেই দুষ্টসঙ্গদোষে আর আমাদের আবার পাগল করতে এসেছ? ভাল ভাল লোক সব পাগল হল। নিমাই পণ্ডিত সবাইকে নষ্ট করে ছাড়ল।
 কেউ বলছেন এ দুইজন চোরের-চর, এই ছলনায় এসে ঘরে ঘরে দেখে যায় কোথায় কি আছে। রাত হলে সব চুরি করে নিয়ে যাবে।
এইভাবে মহাপ্রভুর আজ্ঞায় প্রতিদিন প্রতি ঘরে ঘরে গিয়ে হরিনামের ভিক্ষা করতে লাগলেন।

 একদিন দেখছেন রাস্তায় দুই মাতাল। দস্যুর মত চেহারা। 
মদ খেয়ে দুইজনে রাস্তায় পড়ে গড়াগড়ি যাচ্ছে। যাকেই নাগালে পায় তাকেই ধরে কিলায়।ঘুরতে ঘুরতে নিত্যানন্দ হরিদাস এখানে এসে উপস্থিত হলেন। দেখছেন দু'জনে দু'জনের চুলে ধরছে, মারপিট করছে, চকার বকার শব্দও উচ্চারণ করছে। বলছে নদীয়ার ব্রাহ্মণের জাতি নাশ করব। এইরকম কত কি বলছে তারা নিজেরাই জানে না। হেন পাপ কর্ম নাই তারা করে নাই।

 কেবল বৈষ্ণব-নিন্দা তারা কখনো করে নাই। সবসময় মদের নেশায় চুর হয়ে থাকে, সেজন্যই বৈষ্ণব নিন্দা করার অবকাশ পায় নাই।
 যে সভায় বৈষ্ণবের নিন্দা মাত্র হয়,সর্বধর্ম থাকিতেও তার হয় ক্ষয়।

সন্ন্যাসীর সভায় যদি বৈষ্ণব-নিন্দা হয়, তারা মদ্যপের থেকেও নিকৃষ্ট।মদ্যপের কখনো উদ্ধার হলেও নিন্দুকের কখনো ভালো গতি হয় না। 

 🌿শাস্ত্র পঢ়িয়াও কারো বুদ্ধিনাশ।
 নিত্যানন্দ-নিন্দা করে হবে সর্বনাশ।।

দুইজনে কিলাকিলি করছে,গালাগালি করছে। নিত্যানন্দ হরিদাস দূর থেকে সব দেখলেন। স্থানীয় লোককে জিজ্ঞাসা করলেন এর পরিচয়। তারা বলছেন- ব্রাহ্মণের ছেলে,মদ খায়, মাংস খায়, অনাচার করে, লোকের ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়,
 শুনে নিতাইর হৃদয়ে করুণার উদ্রেক হল।  দুইজনার উদ্ধারের জন্য চিন্তা করতে লাগলেন। পাপী উদ্ধারের জন্যই প্রভুর অবতার। এমন পাপী আর কোথায় পাইবেন?

এই দুই রে প্রভু যদি অনুগ্রহ করে।
 তবে সে প্রভাব দেখে সকল সংসারে।।

এখন যেমন এরা মদের নেশায় উন্মত্ত সেইরকম যদি কৃষ্ণনাম নিয়ে , 'আমার প্রভু"বলে কাঁদে, তখন জানবো আমার প্রভু বিশ্বম্ভর সর্বশক্তিমান।

শ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর মহিমা অপার, পতিতের উদ্ধার চিন্তা করে বলছেন - দেখ হরিদাস! এই দুজনের দুর্গতি! ব্রাহ্মণ হয়েও এমন কদর্য ব্যবহার! এর তো যমঘরেও প্রতিকার নেই।।

যে যবনগণ তোমাকে মারলো তুমি তাদেরও ভালো করেছো, তাদের মঙ্গল কামনা করেছো,এদুজনার উদ্ধার করো।
 নিত্যানন্দ তত্ত্ব হরিদাস ভালো জানে।  হরিদাস বলছেন- তোমার যখন ইচ্ছা হয়েছে তখন এদের নিশ্চয়ই উদ্ধার হয়ে গিয়েছে। বলে দুইজন তার কাছে যেতে লাগল, সবাই নিষেধ করলেন,তার কাছে যেও না।
তথাপি দুইজন "কৃষ্ণ কৃষ্ণ" বলে তার নিকটে গেলেন।তাদের ডেকে বলছেন -"বল কৃষ্ণ ভজ কৃষ্ণ লহ কৃষ্ণ নাম,
কৃষ্ণ মাতা কৃষ্ণ পিতা কৃষ্ণ ধনপ্রাণ।"

 তোমাদের জন্য কৃষ্ণ অবতার নিয়েছেন। তোমরা সব অনাচার ছেড়ে কৃষ্ণ ভজন কর।তাদের কথা শুনে দুইজন অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হয়ে পড়লো "ধর ধর" বলে তাড়া করল। নিত্যানন্দ হরিদাস ছুটতে লাগলেন। 

লোকে বলছে - তখনই নিষেধ করলাম,আজ মহাসংকটে পড়ল দুই সন্ন্যাসী।

পাষাণ্ডীগণ বলছে - "দুই ভন্ডের আজ উচিত শাস্তি করল নারায়ণ।"

হরিদাস ঠাকুর বলছেন তোমার জন্য আজ নির্ঘাত অপমৃত্যু হবে। মাতালকে হরিনাম উপদেশ করলে,তার উচিত শাস্তি আজ মিলবে। এই বলে দুজন হাসতে হাসতে ছুটে চলেছেন। দুই দস্যু পেছনে পেছনে তর্জন গর্জন করে ছুটছে।
বলছে - "দাঁড়া! যাবি কোথা? জগা-মাধার হাত থেকে আজ তোদের আর নিস্তার নেই।"

হরিদাস বলছেন - আমি আর চলতে পারছি না।জেনেশুনে এই চঞ্চলের সঙ্গে আসলাম। যবনের কাছে কৃষ্ণ প্রাণে বাঁচিয়েছিলেন। কিন্তু এই চঞ্চলের সঙ্গে আজ আমার প্রাণ গেল।

নিত্যানন্দ প্রভু বলছেন - আমি চঞ্চল নই,ভেবে দেখো, তোমার প্রভুই চঞ্চল। ব্রাহ্মণ হয়ে মনে হচ্ছে যেন রাজা আজ্ঞা করছে।তার কথামতোই সব ঘরে ঘরে গিয়ে বলছি। যত লোক "চোর ঢঙ্গী" ছাড়া তো কেউ আর কিছু বলে না। তার আজ্ঞা পালন না করলেও সর্বনাশ,আর পালন করলে এই ফল। তুমি তোমার প্রভুর দোষ দেখতে পাওনা।
 দুইজনেই বললাম, আর দোষের ভাগি  হলাম আমি?
এইভাবে দুইজনে আনন্দ কন্দল করতে করতে চলেছেন।
 দুই দস্যু পিছনে পিছনে ছুটছে।
নেশার ঘোরে পড়ে গিয়ে তারা গড়াগড়ি যেতে লাগলো।

দুই প্রভু ছুটে এসে নিজ ঠাকুরের বাড়ি প্রবেশ করলেন।
দুই দস্যুকে দেখতে না পেয়ে উভয়ে প্রেমানন্দে কোলাকুলি করে চল্লেন যেখানে প্রভু বিশ্বম্ভর বসে আছেন।

ক্রমশ....

GOPISARAN DAS
http­//MrinmoyNandy.blogspot.com/2022/12/blogéôépost_30.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
           ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
DEMOCRATIC NITYANANDA (Facebook Group) 👉 https://www.facebook.com/groups/1370545549769377/?ref=share
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


৫৩. অতি গূঢ় নিত্যানন্দ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/12/blog-post_967.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
               ꧁ ৫৩. অতি গূঢ় নিত্যানন্দ 
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস  ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ প্রভু নিত্যানন্দের সংক্ষিপ্ত লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস  ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
( ৫৩)
*অতি গূঢ় নিত্যানন্দ।*
একদিন হঠাৎ মহাপ্রভু আজ্ঞা দিলেন  - শোন শোন নিত্যানন্দ -হরিদাস! ঘরে ঘরে গিয়ে  এই ভিক্ষা কর "কৃষ্ণ ভজ,কৃষ্ণ বোল,কর কৃষ্ণ শিক্ষা" 
এ ছাড়া আর কিছু বলবে না। সবাইকে বলবে একটি বার "কৃষ্ণ কৃষ্ণ" বল। দিন শেষে কে কি বলে আমারে এসে বলবে। যদি কেহ হরিনাম গ্রহণ না করে, তবে আমি চক্র হস্তে সবার মস্তক ছেদন করব। 

 শুনে সব বৈষ্ণবগণ আনন্দিত হলেন।

আজ্ঞা শিরোধার্য করে নিত্যানন্দ হরিদাস তখনই পথে নামলেন।  দুজনে সব ঘরে ঘরে গিয়ে বলছেন "বল কৃষ্ণ,ভজ কৃষ্ণ,কর কৃষ্ণ শিক্ষা"- 
একটিবার "কৃষ্ণ কৃষ্ণ" বল ভাই,এখন এইভাবে সারা নদিয়ায় প্রতি ঘরে ঘরে নাম প্রেমের ভিক্ষা করে বেড়ান দুজনে।  প্রত্যেক ঘরে ঘরে গিয়ে ভিক্ষা করেন সবাই ভিক্ষা এনে দিতে চাইলে নিত্যানন্দ-হরিদাস বলছেন - এই ভিক্ষা দাও, মুখে শুধু "কৃষ্ণ কৃষ্ণ" বল। এই বলে দুজন চলে যান, যে সুজন হন তিনি খুব সুখ পান। "আচ্ছা করব" সন্তুষ্ট হয়ে বলেন।
কেহ বলে দুইজন মন্ত্র দোষে পাগল হয়ে  আমাদেরও পাগল করার জন্য এসেছ!

  যারা মহাপ্রভুর নৃত্যের সময়  প্রবেশ করতে পারে নাই। তাদের বাড়ি গেলে তারা মার মার করে তেড়ে আসে। তোমরা পাগল হলে সেই দুষ্টসঙ্গদোষে আর আমাদের আবার পাগল করতে এসেছ? ভাল ভাল লোক সব পাগল হল। নিমাই পণ্ডিত সবাইকে নষ্ট করে ছাড়ল।
 কেউ বলছেন এ দুইজন চোরের-চর, এই ছলনায় এসে ঘরে ঘরে দেখে যায় কোথায় কি আছে। রাত হলে সব চুরি করে নিয়ে যাবে।
এইভাবে মহাপ্রভুর আজ্ঞায় প্রতিদিন প্রতি ঘরে ঘরে গিয়ে হরিনামের ভিক্ষা করতে লাগলেন।

 একদিন দেখছেন রাস্তায় দুই মাতাল। দস্যুর মত চেহারা। 
মদ খেয়ে দুইজনে রাস্তায় পড়ে গড়াগড়ি যাচ্ছে। যাকেই নাগালে পায় তাকেই ধরে কিলায়।ঘুরতে ঘুরতে নিত্যানন্দ হরিদাস এখানে এসে উপস্থিত হলেন। দেখছেন দু'জনে দু'জনের চুলে ধরছে, মারপিট করছে, চকার বকার শব্দও উচ্চারণ করছে। বলছে নদীয়ার ব্রাহ্মণের জাতি নাশ করব। এইরকম কত কি বলছে তারা নিজেরাই জানে না। হেন পাপ কর্ম নাই তারা করে নাই।

 কেবল বৈষ্ণব-নিন্দা তারা কখনো করে নাই। সবসময় মদের নেশায় চুর হয়ে থাকে, সেজন্যই বৈষ্ণব নিন্দা করার অবকাশ পায় নাই।
 যে সভায় বৈষ্ণবের নিন্দা মাত্র হয়,সর্বধর্ম থাকিতেও তার হয় ক্ষয়।

সন্ন্যাসীর সভায় যদি বৈষ্ণব-নিন্দা হয়, তারা মদ্যপের থেকেও নিকৃষ্ট।মদ্যপের কখনো উদ্ধার হলেও নিন্দুকের কখনো ভালো গতি হয় না। 

 🌿শাস্ত্র পঢ়িয়াও কারো বুদ্ধিনাশ।
 নিত্যানন্দ-নিন্দা করে হবে সর্বনাশ।।

দুইজনে কিলাকিলি করছে,গালাগালি করছে। নিত্যানন্দ হরিদাস দূর থেকে সব দেখলেন। স্থানীয় লোককে জিজ্ঞাসা করলেন এর পরিচয়। তারা বলছেন- ব্রাহ্মণের ছেলে,মদ খায়, মাংস খায়, অনাচার করে, লোকের ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়,
 শুনে নিতাইর হৃদয়ে করুণার উদ্রেক হল।  দুইজনার উদ্ধারের জন্য চিন্তা করতে লাগলেন। পাপী উদ্ধারের জন্যই প্রভুর অবতার। এমন পাপী আর কোথায় পাইবেন?

এই দুই রে প্রভু যদি অনুগ্রহ করে।
 তবে সে প্রভাব দেখে সকল সংসারে।।

এখন যেমন এরা মদের নেশায় উন্মত্ত সেইরকম যদি কৃষ্ণনাম নিয়ে , 'আমার প্রভু"বলে কাঁদে, তখন জানবো আমার প্রভু বিশ্বম্ভর সর্বশক্তিমান।

শ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর মহিমা অপার, পতিতের উদ্ধার চিন্তা করে বলছেন - দেখ হরিদাস! এই দুজনের দুর্গতি! ব্রাহ্মণ হয়েও এমন কদর্য ব্যবহার! এর তো যমঘরেও প্রতিকার নেই।।

যে যবনগণ তোমাকে মারলো তুমি তাদেরও ভালো করেছো, তাদের মঙ্গল কামনা করেছো,এদুজনার উদ্ধার করো।
 নিত্যানন্দ তত্ত্ব হরিদাস ভালো জানে।  হরিদাস বলছেন- তোমার যখন ইচ্ছা হয়েছে তখন এদের নিশ্চয়ই উদ্ধার হয়ে গিয়েছে। বলে দুইজন তার কাছে যেতে লাগল, সবাই নিষেধ করলেন,তার কাছে যেও না।
তথাপি দুইজন "কৃষ্ণ কৃষ্ণ" বলে তার নিকটে গেলেন।তাদের ডেকে বলছেন -"বল কৃষ্ণ ভজ কৃষ্ণ লহ কৃষ্ণ নাম,
কৃষ্ণ মাতা কৃষ্ণ পিতা কৃষ্ণ ধনপ্রাণ।"

 তোমাদের জন্য কৃষ্ণ অবতার নিয়েছেন। তোমরা সব অনাচার ছেড়ে কৃষ্ণ ভজন কর।তাদের কথা শুনে দুইজন অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হয়ে পড়লো "ধর ধর" বলে তাড়া করল। নিত্যানন্দ হরিদাস ছুটতে লাগলেন। 

লোকে বলছে - তখনই নিষেধ করলাম,আজ মহাসংকটে পড়ল দুই সন্ন্যাসী।

পাষাণ্ডীগণ বলছে - "দুই ভন্ডের আজ উচিত শাস্তি করল নারায়ণ।"

হরিদাস ঠাকুর বলছেন তোমার জন্য আজ নির্ঘাত অপমৃত্যু হবে। মাতালকে হরিনাম উপদেশ করলে,তার উচিত শাস্তি আজ মিলবে। এই বলে দুজন হাসতে হাসতে ছুটে চলেছেন। দুই দস্যু পেছনে পেছনে তর্জন গর্জন করে ছুটছে।
বলছে - "দাঁড়া! যাবি কোথা? জগা-মাধার হাত থেকে আজ তোদের আর নিস্তার নেই।"

হরিদাস বলছেন - আমি আর চলতে পারছি না।জেনেশুনে এই চঞ্চলের সঙ্গে আসলাম। যবনের কাছে কৃষ্ণ প্রাণে বাঁচিয়েছিলেন। কিন্তু এই চঞ্চলের সঙ্গে আজ আমার প্রাণ গেল।

নিত্যানন্দ প্রভু বলছেন - আমি চঞ্চল নই,ভেবে দেখো, তোমার প্রভুই চঞ্চল। ব্রাহ্মণ হয়ে মনে হচ্ছে যেন রাজা আজ্ঞা করছে।তার কথামতোই সব ঘরে ঘরে গিয়ে বলছি। যত লোক "চোর ঢঙ্গী" ছাড়া তো কেউ আর কিছু বলে না। তার আজ্ঞা পালন না করলেও সর্বনাশ,আর পালন করলে এই ফল। তুমি তোমার প্রভুর দোষ দেখতে পাওনা।
 দুইজনেই বললাম, আর দোষের ভাগি  হলাম আমি?
এইভাবে দুইজনে আনন্দ কন্দল করতে করতে চলেছেন।
 দুই দস্যু পিছনে পিছনে ছুটছে।
নেশার ঘোরে পড়ে গিয়ে তারা গড়াগড়ি যেতে লাগলো।

দুই প্রভু ছুটে এসে নিজ ঠাকুরের বাড়ি প্রবেশ করলেন।
দুই দস্যুকে দেখতে না পেয়ে উভয়ে প্রেমানন্দে কোলাকুলি করে চল্লেন যেখানে প্রভু বিশ্বম্ভর বসে আছেন।

ক্রমশ....

GOPISARAN DAS
http­//MrinmoyNandy.blogspot.com/2022/12/blogéôépost_30.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
           ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
DEMOCRATIC NITYANANDA (Facebook Group) 👉 https://www.facebook.com/groups/1370545549769377/?ref=share
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


adds