শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

৫৪. অতি গূঢ় নিত্যানন্দ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/12/blog-post_254.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
               ꧁ ৫৪. অতি গূঢ় নিত্যানন্দ 
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস  ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ প্রভু নিত্যানন্দের সংক্ষিপ্ত লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস  ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
(৫৪ )
*অতি গূঢ় নিত্যানন্দ।*
সর্বাঙ্গসুন্দর মদনমোহনরূপে কমললোচন মহাপ্রভু চারিদিকে আলোকিত করে বৈষ্ণবমণ্ডলীর মাঝে কৃষ্ণ কথা আলাপনে রত।
হেন সময়ে নিত্যানন্দ-হরিদাস এসে সারাদিনের বৃত্তান্ত নিবেদন করলেন।
 আজ অপরূপ দেখলাম দুইজন মাতাল, তারা ব্রাহ্মণ সন্তান। আমি গিয়ে তাদের কৃষ্ণনাম নিতে বললাম, শুনে তারা রেগে তেড়ে আসলো। ভাগ্যের জোরে আজ প্রাণ বেঁচেছি।
 প্রভু বললেন - কে সে দুই জন? কি নাম তাদের?
 ব্রাহ্মণ হয়ে এমন কর্ম করে?
 সম্মুখেই ছিল গঙ্গাদাস, শ্রীনিবাস তারা বলছেন তাদের নাম জগাই মাধাই। সৎ ব্রাহ্মণের ছেলে। এই নবদ্বীপেই তার জন্ম। কিন্তু সঙ্গদোষে তাদের বুদ্ধিভ্রষ্ট হল। সব সময় মদ্য পান করে। তারা না করে এমন কোন কুকার্য নাই। তাদের ভয়ে নদীয়ার লোক তটস্থ। চুরি, ডাকাতি, রাহাজানি, ধর্ষণ, লোকের ঘরে অগ্নি দান হেন কর্ম নাই করে না।
প্রভু!তুমিও তা জানো।
মহাপ্রভু - জানি জানি সেই দুই ব্যাটা, খন্ড খন্ড করিমু আইলে মোর হেথা।।

নিত্যানন্দ - তুমি খন্ড খন্ড করো, কিন্তু সেই দুই থাকতে আমি কোথাও যাবো না। কিসের তুমি এত বড়াই কর! আগে সেই দুইকে কৃষ্ণ নাম বলাও তবে জানব তোমার বড়াই।
 ধার্মিক লোক স্বাভাবিকভাবেই কৃষ্ণ নাম বলে।এই দুই দুরাচারী কে কৃষ্ণনাম প্রেম দান করো তবে জানব তোমার নাম *পতিতপাবন* ।আমাকে উদ্ধার করে তোমার যা যশ হয়েছে,তার থেকেও এ দুইকে উদ্ধার করলে অধিক যশ হবে। 
হেসে বলছেন বিশ্বম্ভর - "হইল উদ্ধার"।
যেই ক্ষনে দর্শন পাইল তোমার।।
 বিশেষ করে তুমি যার এই প্রকার মঙ্গল চিন্তা করো তার কি কখনো অমঙ্গল থাকতে পারে ? নিশ্চয় কৃষ্ণ তার মঙ্গল করবেন।
 শ্রীমুখের কথা শুনে ভক্তগন জয় জয় হরিধ্বনি করে উঠলেন।
 "উদ্ধার হয়ে গেল" সবাই মনে করলেন।

অদ্বৈতের কাছে গিয়ে হরিদাস বলছেন - প্রভু চঞ্চলের সঙ্গে আমাকে পাঠায়। আমি থাকি কোথায়,আর সে কোন দিকে চলে যায়। বর্ষায় গঙ্গার জলে নেমে কুমিরকে ধরতে যায়। আমি তীরে থেকে ডাকি আর "হায় হায়" করি! কে কার কথা শুনে? সারা গঙ্গার মাঝে সাঁতার কেটে বেড়ায়। যদি বা কূলে উঠে, ছোট্ট শিশুদের দেখে তাড়া করে। তাদের বাবা-মা ঠেঙ্গা নিয়ে আসে আমাকে মারার জন্য, তাদের পায়ে ধরে মিনতি করে শান্ত করি। গোয়ালার দুধ, দই নিয়ে পালিয়ে যায়। তারা আমাকে এসে মারতে চায়। সেই কর্ম করে যা উচিত নয়। কুমারী কন্যাকে দেখে বলে "আমাকে বিয়ে কর"। ষাঁড়ের পিঠে চড়ে বলছে- "দেখ আমিই সেই মহেশ"। গাভীর বাটে মুখ দিয়ে দুগ্ধ পান করে। আমি নিষেধ করলে বলে - "তোর অদ্বৈত আমার কি করতে পারে? আর চৈতন্য! যাকে তোরা "ঠাকুর" বলিস, সেই বা আমার কি করতে পারবে!"
 আমি কিছু বলিনা ঠাকুরের কাছে।
কোন ভাগ্যে আজ প্রাণে বেঁচে আসলাম। দুই মাতাল রাস্তায় পড়েছিল তাকে গিয়ে কৃষ্ণ নাম উপদেশ করছে। শুনে তো সে মহাক্রোধে তেড়ে আসলো মারার জন্য। আজ তোমার কৃপায় আমি প্রাণে বাচলাম।
 হেসে অদ্বৈত বলছেন- এতে আশ্চর্যের কিছু নেই। কেননা মাতালের সঙ্গে মাতালেরই মেল হয়। তিন মাতাল একসঙ্গে হয়েছে *জগাই মাধাই নিতাই*। ঠিকই হয়েছে। কিন্তু তুমি নৈষ্ঠিক হয়ে কেন তাদের ভিতর? নিত্যানন্দ সবাকেই মাতাল করে ছাড়বে। আমি ওর চরিত্র খুব ভালোভাবে জানি। দেখ!এই দুই-তিনদিনের মধ্যেই এই দুইমাতালকেই আমাদের গোষ্ঠীতে নিয়ে চলে আসবে। বলতে বলতে অদ্বৈত আবিষ্ট হয়ে পড়লেন, দিগম্বর হয়ে বলছেন -
 *"শুষিব সকল চৈতন্যের কৃষ্ণভক্তি। কেমনে নাচয়ে গায় দেখোঁ তার শক্তি।।"* 

 কাল দেখবে সেই দুই মাতালের সঙ্গে দুই হাত ধরে নাচবে,সব একাকার করবে সেই দুইজনে।

 চলো আমরা আমাদের জাতি নিয়ে পালিয়ে যাই।

 অদ্বৈতের ক্রোধাবেশ দেখে হরিদাস ঠাকুর মৃদুমন্দ হাসছেন। আবার অনুভব করলেন যে, মাতাল উদ্ধার হবে।
 অদ্বৈতের বাক্য বুঝার শক্তি কার আছে? একমাত্র হরিদাস আর সেই রকম যার মতি।

 কোন পাপী অদ্বৈতের পক্ষ হয়ে গদাধরের নিন্দা করে, এক বৈষ্ণবের পক্ষ নিয়ে অন্য বৈষ্ণবের যে নিন্দা করে, সে নিজের পাপে নিজেই পুড়ে মরে।
 সেই দুই মাতাল ঘুরতে ঘুরতে সেখানে আসলো,যে ঘাটে প্রভু স্নান করেন।
সেখান থেকে সব জায়গায় হানা দিতে লাগল। সবাই ভয়ে ভীত হয়ে পড়ল। সন্ধ্যা হলে আর কেউ গঙ্গায় আসে না। আসলেও দশ-বিশ জন একসঙ্গে হয়ে তবে আসেন।
রাতে প্রভুর বাড়ির কাছে থাকে, সারারাত্রি প্রভুর কীর্তন শুনে জাগরন করে। খোল করতালের সঙ্গে কীর্তনের ধ্বনি শুনে মদের বিক্ষেপে তারা নাচতে থাকে আর বারবার মদ খায়।

একদিন প্রভুকে দেখে বলছে - নিমাই পণ্ডিত! তোমার গান খুব সুন্দর!!এইযে মঙ্গলচন্ডীর গান গাও? খুউব ভালো লাগে আমার!আমাকে একবার দেখাবে কীর্তন? তুমি যা চাইবে সব এনে দিব।একবার শুধু আমাকে তোমাদের কীর্তন দেখাও।
 দুর্জন দেখে প্রভু দূরে দূরে চলে যান।
 আর সব লোক অন্য রাস্তা দিয়ে পালায়।

একদিন নিত্যানন্দ প্রভু নাম প্রচার করে রাতের সময় সে রাস্তা দিয়ে আসছিলেন। দেখেই জগাই মাধাই বলছে "কে রে কে রে"? নিত্যানন্দ প্রভু বলছেন -"আমি প্রভুর বাড়িতে যাব।" 
 জগাই মাধাই বলছে - তোর
 কি নাম ?
 নিত্যানন্দ - আমার নাম অবধূত।
বাল্যভাবে মহামত্ত-নিত্যানন্দ মাতালের সঙ্গে কথা বলছেন।মনে আছে দুজনকে উদ্ধার করতে হবে।সেজন্যই রাত্রি করে এসেছেন।  অবধূত নাম শুনেই মাধাই রেগে উঠল! সেখানে পড়েছিল মদের ভাঙ্গা কলসি!!
তুলে সজোরে আঘাত করল নিতাইর মাথায়!
মাথা ফেটে দরদরিত  ধারে রক্ত পড়তে লাগলো। নিত্যানন্দ-মহাপ্রভু গোবিন্দ স্মরণ করতে লাগলেন। 
রক্ত দেখে জগাইর দয়া হল। মাধাই আবার উঠে মারতে উদ্যত হলে জগাই তাকে বাধা দিয়ে বলছেন-এত নির্দয় কেন হলে তুমি? বিদেশি কে মেরে তুমি এমনকি বড় হবে? অবধূত সন্ন্যাসীকে মেরে কি লাভ?
 ভক্তগণ গিয়ে প্রভুর কাছে সব নিবেদন করলেন। সঙ্গে সঙ্গে মহাপ্রভু সপার্ষদে এসে হাজির হলেন।
নিতাইঅঙ্গে রক্ত দেখে স্থির থাকতে পারলেন না। আবিষ্ট হয়ে পড়লেন।সুদর্শন! সুদর্শন!! বলে বারবার ডাকতে লাগলেন। সঙ্গে সঙ্গে ঘনঘোর শব্দে চক্র সুদর্শন এসে হাজির হল। দেখে সবাই প্রমাদ গুনলেন।
এদিকে মুরারি গুপ্তের হনুমান আবেশ হল।ক্রোধাবেশে বলছেন - প্রভু! আজ্ঞা কর! আজ্ঞা কর!!
 নিতাই চাঁদ করজোড়ে মহাপ্রভুকে নিবেদন করলেন - প্রভু! জগাই আমার প্রাণ রক্ষা করেছে। সামান্য রক্তপাত হলেও আমি কিছু দুঃখ পাই নাই‌। তুমি আমাকে একটি ভিক্ষা দেবে প্রভু! এই দুই শরীর তুমি আমাকে দান দাও।
 জগাই রক্ষা করল শুনে মহাপ্রভু জগাইকে বাহু পাশে আবদ্ধ করে দৃঢ় আলিঙ্গন করলেন। কৃষ্ণ তোমায় কৃপা করুন আশীর্বাদ করলেন।নিত্যানন্দ কে রক্ষা করে তুমি আমাকে  কিনে নিলে। তোমার যা মনে হয় তাই চেয়ে নাও। আজ থেকে তোমার প্রেমভক্তি লাভ হোক। জগাইর বর শুনে ভক্তগন জয় জয়ধ্বনি করে উঠলেন। "প্রেমভক্তি লাভ হোক" যখন বললেন মহাপ্রভু, তখন জগাই প্রেমে মূর্ছিত হয়ে পড়লেন। প্রভু বলছেন - উঠ! দেখো আমাকে। সত্যিই আমি তোমাকে প্রেমভক্তি দান দিলাম। শঙ্খ, চক্র, গদা,পদ্মধারী চতুর্ভুজ স্বরূপ জগাই দর্শন করে পুনরায় মূর্ছিত হয়ে পড়লেন। মহাপ্রভু কমলা বাঞ্ছিত চরণ বক্ষস্থলে অর্পণ করলেন।
 সেই লক্ষ্মীর জীবনধন চরণকমলের স্পর্শ পেয়ে সুকৃতি জগাই কাঁদতে লাগলেন। দেখে মাধাই বলছেন - আমরা দুইভাই একসঙ্গে পাপ করেছি দুই জনেই সমান পাপী।তুমি জগাইকে কৃপা করলে আর আমি বঞ্চিত হলাম? এ তোমার কেমন নীতি?
যে অসুরগণ তোমায় বানবিদ্ধ করেছিল, তুমি তাদেরও সদ্গতি প্রদান করেছিলে।
মহাপ্রভু বলছেন - তুই তাদের থেকেও বেশি পাপী।  আমার অঙ্গে আঘাত করলে আমি দুঃখ পেতাম না, কিন্তু আমার প্রাণাধিক প্রিয় নিত্যানন্দের অঙ্গে আঘাত করেছিস। আমার থেকেও নিত্যানন্দ দেহ বড়। এই অপরাধ আমি কখনো ক্ষমা করতে পারব না। এ অক্ষম্য অপরাধ!

উপরে সুদর্শন চক্র ঘনঘোর গর্জন করছে। এখনই প্রাণসংহার করবে। মুরারি গুপ্ত দাঁত কড়মড় করছে।

নিতাই করজোড়ে সুদর্শনকে লক্ষ্য করে বলছেন - "শান্ত হও।"
মুরারি গুপ্তের দিকে তাকিয়ে বলছেন - "ক্ষান্ত হও।"

এই দৃশ্য দেখে নিরুপায় হয়ে মাধাই নিতাইয়ের চরণে পড়লেন।সঙ্গে সঙ্গে নিতাই  মাধাইকে তুলে বুকে জড়িয়ে ধরলেন।
বলছেন মাধাই রক্ত কেন? প্রাণের বিনিময়ে হলেও আমি তোকে উদ্ধার করব। তুই একটিবার মাত্র কৃষ্ণ বল!বল!! আমি তোর কাছে চির ঋণী হয়ে থাকব। একটিবার মাত্র শুধু কৃষ্ণ বল!!
নিতাই চাঁদের সুশীতল বক্ষ স্পর্শ পেয়ে মাধাইর কণ্ঠ রুদ্ধ হয়ে গেল মুখে বাক্য স্ফূরিত হয় না, অঝোর নয়নে কাঁদতে লাগল।
নিতাই মহাপ্রভু কে বলছেন - প্রভু! আমি যদি কোন জন্মে এতোটুকু সুকৃতি করে থাকি, এতোটুকু তোমার সেবা করে থাকি, সেই সুকৃতি বলে তুমি মাধাই কে কৃপা কর, আমার যা কিছু পূন্য ছিল সবই মাধাইকে দিলাম।

মহাপ্রভু- এর উদ্ধারের ভার তোমাকেই দিলাম।
নিত্যানন্দ প্রভু দৃঢ় আলিঙ্গন দান করলেন। তার জন্মজন্মান্তরের সমস্ত বন্ধন মোচন হয়ে গেল। নিতাই কৃপায় সর্বশক্তি সমন্বিত হলেন মাধাই। উভয়কে নিয়ে নিতাই মহাপ্রভুর চরণে সমর্পণ করলেন।।

ক্রমশ ...…

GOPISARAN DAS
http­//MrinmoyNandy.blogspot.com/2022/12/blogéôépost_30.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
           ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
DEMOCRATIC NITYANANDA (Facebook Group) 👉 https://www.facebook.com/groups/1370545549769377/?ref=share
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



adds