✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ ১০১. কৃত্তিবাসী রামায়ণ কথন সংক্ষেপে ꧂
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ কৃত্তিবাসী রামায়ণ কথন সংক্ষেপে 🙏 সূচীপত্র ꧂
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*১০১পর্ব,কৃত্তিবাসী রামায়ণ সংক্ষেপে*
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
*🌻উত্তর কান্ডে,শ্রীরামচন্দ্রের সভায় সকল মুনিগনের ও দেবতাগণের আগমন ও শ্রীরামচন্দ্রকে সম্ভাষণ করলেন🌻*
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
*🌹তারপর লক্ষ্মণের চৌদ্দ বছর ব্রহ্মচর্য্য,নিদ্রাজয় ও উপবাস বৃত্তান্ত🌹*
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
*🌻একটি সময় অযোধ্যায় শোকের ছায়া নেমে এসেছিল।দেশের সর্বত্র নিশ্চিদ্র সুখ-শান্তি বিরাজিত হ'ল।শ্রীরামচন্দ্রের বনবাসে প্রজাবৃন্দ যে দুঃখসাগরে নিমগ্ন হয়েছিলেন তা তারা বিস্মৃত হলেন।বর্তমার শ্রীরামচন্দ্রকে তাঁরা ইচ্ছেমত প্রত্যক্ষ করতে পারেন।কেবল প্রজাবৃন্দ নয়, শ্রীরামরূপী নারায়ণকে দর্শন করবার জন্য নানা মুনি ঋষিবৃন্দ ও দেবাগণ সেখানে আসিলেন।তাঁরা শ্রীরামচন্দ্রের ভিতর বিশ্বরূপ দেখতে পেলেন। কিন্তু তাহলে কি হয়।লোক-ব্যবহারেও রামচন্দ্র সচেতন।মানবরূপে যখন জন্মগ্রহণ করেছেন তখন তাঁকে মানুষরূপী আচরণ করতে হবে।সেই হেতু সমাগত মুনিঋষিদের তিনি সাদর-অভ্যর্থনা জানালেন।তাঁদেরকে পাদ্য-অর্ঘ্য প্রভৃতি প্রদান করলেন। তারপর মুনিগণ শ্রীরামকে রাক্ষসবধ সম্বন্ধীয় সমাচার জিজ্ঞাসা করলেন।লক্ষ্মণের মেঘনাদ-বধের সমাচার শুনে মুনি ঋষিগণ বিস্মিত হলেন।মুনিঋষিগণ জ্ঞাত ছিলেন যে,যিনি চৌদ্দ বৎসর ব্রহ্মচর্য্য পালন করে অনাহারে এবং অনিদ্রায় থাকবেন,কেবল তিনিই মেঘনাদকে বধ করতে সমর্থ হবেন। লক্ষ্মণ নিশ্চিত তাহাই করিয়াছিলেন। শ্রীরাম সেই সম্বন্ধে অবহিত ছিলেন না।তিনি লক্ষ্মণকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে লক্ষ্মণ বললেন,তিনি কঠোর ব্রহ্মচর্য্য পালন করেছেন এবং তার নিদর্শনও দেখালেন।*
*☘চৌদ্দ বর্ষ নিদ্রা নাহি যায় যেইজন।*
*☘চৌদ্দ বর্ষ স্ত্রীমুখ না করে দরশন।।*
*☘চৌদ্দ বর্ষ যেই বীর থাকে অনাহারে।*
*☘ইন্দ্রজিৎকে সেইজন বধিবারে পারে।।*
*☘শ্রীরাম বলেন মুনি কি কহিলে তুমি।*
*☘চৌদ্দ বর্ষ লক্ষ্মণেরে ফল দিছি আমি।।*
*☘সীতা সহ চৌদ্দ বর্ষ করেছে ভ্রমণ।*
*☘কেমনে সীতার মুখ না দেখে লক্ষ্মণ।।*
*🌻কুটীরে সীতার সঙ্গে বাস করতাম,আর ভিন্ন কুটীরে লক্ষ্মণ থাকত,অন্য কুটীরে থেকে অনুজ আমার নিদ্রা যাইনি!কেমন করে তা বিশ্বাস করব? তখন মুনি বললেন,লক্ষ্মণকে সভা মধ্যে নিয়ে এসো।সুমন্ত্রকে পাঠিয়ে লক্ষ্মণকে সভায় আনা হল, রঘুনাথের শ্রীচরণে লক্ষ্মণ প্রণাম করে বসলেন।শ্রীরাম বললেন,ভাই এই সভায় কিছু কথা বলব উত্তর দেবে।চৌদ্ভ বৎসর একত্রে ছিলাম, "কেমনে সীতার মুখ না দেখ লক্ষ্মণ"?*
*🍀তুমি ফল আনিতে থাকিতাম আমি ঘরে।*
*🍀ফল দিয়া আপনি কি ছিলে অনাহারে।।*
*🍀বনমধ্যে তুমি ভিন্ন কুটীরেতে ছিলে।*
*🍀চৌদ্দ বর্ষ কিরূপেতে নিদ্রা নাহি গেলে।।*
*🌻তখন লক্ষ্মণ বললেন,পাপিষ্ঠ রাবণ যখন সীতা হরণ করল,আমরা দুইজনে বনে বনে ভ্রমিয়া বেড়ায় আর তুমি রোদন কর।ঋষ্যমূকে মা জানকীর আভরণ পেলাম,তখন সুগ্রীবের সামনে আমাকে জিজ্ঞাসা করলে সীতার আভরণ তুমি চেন?তখন আমি বলেছিলাম না,সবে মাত্র নূপুর চিনতে পেরেছিলাম।*
*🍀সত্য প্রভু একত্র ছিলাম তিন জন।*
*🍀শ্রীচরম বিনা তাঁর না দেখি বদন।।*
*🌻চৌদ্দ বৎসর নিদ্রা যাইনি কেমন করে?তুমি আর মা জানকী কুটীরে থাকতে,তখন আমি দ্বার পাহারা দিতাম হাতে তীর-ধনুক নিয়ে।একটি সময় নিদ্রা আমাকে আচ্ছন্ন করেছিল ঠিকই, কিন্তু ক্রোধ করে আমি নিদ্রাকে আমার বাণে বেঁধে রেখেছিলাম। এবং বলেছিলাম চৌদ্দ বৎসর বনবাসে থাকব তুমি কিন্তু আমার নয়নে ভর করবে না।*
*🍀রাম যবে রাজা হবে অযোধ্যা পুরেতে।*
*🍀বসিবেন মা জানকী রামের বামেতে।।*
*🍀ছত্রদন্ড ধরি আমি দাঁড়াব দক্ষিণে।*
*🍀সেইকালে এস নিদ্রা আমার নয়নে।।*
*🌻ফলের কথা তবে শোন। আমায় বলতে লক্ষ্মণ তুমি ফল ধর,আমি ফল ধরেই থাকতাম,তুমি তো কখনও ফল খেতে বলোনি,তাই আমি চৌদ্দ বৎসর ফল ধরেই ছিলাম। তখন শ্রীরাম বললেন,চৌদ্দ বৎসরের ফল কোথায়? এই সভা মধ্যে এনে দেখাও দেখি। লক্ষ্মণ তখন হনুমানকে আদেশ করলেন,বনের ভিতরে ফল রাখা আছে নিয়ে এসো। হনুমান বনে গিয়ে দেখলেন চৌদ্দ বৎসরের ফল তূণে (বাণাধারে) পরিপূর্ণ হয়ে আছে।তখন হনুমান বলছেন,প্রভু তুমি কোন কাজে পাঠাইলে! এত ফল, এক ক্ষুদ্র বানরে আনতে পারে? হনুমানের অহংকার প্রকাশ হওয়াতে ফলের ওজন আরো লক্ষগুণ বেড়ে গেল। কোনভাবেই ফলের তূণ নড়াতে পারলেন না হনুমান। হনুমান ফিরে এসে বললেন,প্রভু!এত ফল আমি তূণ নড়াতেই পারলাম না,এখন আমি কি করব?তখন লক্ষ্মণের মুখ পানে চেয়ে আছেন রাম।রামচন্দ্র হেসে বলেন,ভাই!তুমি নিয়ে এসো।নিমেষে বামহাতে করে তূণ এনে সবার সাক্ষাতে রাখলেন।তারপর শ্রীরাম বললেন,ভাই তুমি সাতদিন ফল ভক্ষণ করেছ।তখন লক্ষ্মণ বললেন, যেদিন পিতার বিয়োগ সমাচার শুনলাম,বিশ্বামিত্র আশ্রমে সাতদিন আমরা অনাহারে ছিলাম।পিতার বিয়োগে আমি একদিন ফল সংগ্রহ করি নাই।আর বাকী ছয়দিনের কথা শোনো।যেদিন পাপিষ্ঠ রাবণ মা সীতাকে হরণ করল,শোকেতে ফল সংগ্রহ করি নাই।ইন্দ্রজিৎ যেদিন "নাগপাশে" বন্ধন করল, অচৈতন্য অবস্থায় ছিলাম ফল সংগ্রহ করি নাই।চতুর্থ দিন ইন্দ্রজিৎ "মায়াসীতা" এনে কেটেছিল,ফল সংগ্রহ করিনি।সেই শোকানলে দগ্ধ দুইভাই ছিলাম মনে করে দেখ?তারপর দশানন শক্তিশেল মারল,সেইদিন ফল সংগ্রহ করা হয়নি।আর সপ্তমদিন,যেদিন রাবণ বধ করলে,আনন্দ-উৎসবে সারাদিন কেটে গেল,ফল সংগ্রহ হয়নি।এই সাতদিনের বিবরণ।*
*🍀বিচার করিয়া দেখ জগৎ-গোঁসাই।*
*🍀চতুর্দশ বর্ষ আমি কিছু খাই নাই।।*
*🌻হয়ত তোমার মনে হয়েছে অনুজ লক্ষ্মণ রোজ রোজ ফল ভক্ষণ করেছে তাইনা?*
*🍀বিশ্বামিত্র স্থানে মন্ত্র পায় দুইজনে।*
*🍀তুমি ভুলিয়াছ প্রভু আছে মম মনে।।*
*🍀এত যদি কহিলেন ঠাকুর লক্ষ্মণ।*
*🍀লক্ষ্মণেরে কোলে করি রামের ক্রন্দন।।*
<><><><><><><><><><><><>>>>>>>><
*🙏বানান ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
*ক্রমাগত*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ📱7001138871꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






