শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

৭৫. শ্রীশ্রীবিষ্ণুপ্রিয়া দেবী *🍀মহাপ্রভুর সন্ন‍্যাসের সঙ্কল্প ও ভক্তগণের আর্তনাদ🍀* ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/02/jaydeb_14.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                ꧁ ৭৫. শ্রীশ্রীবিষ্ণুপ্রিয়া দেবী 
*🍀মহাপ্রভুর সন্ন‍্যাসের সঙ্কল্প ও ভক্তগণের আর্তনাদ🍀*
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ JoydebDaw.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
     এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
          ꧁ শ্রীশ্রীবিষ্ণুপ্রিয়া দেবী 🙏 সূচীপত্র ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৭৫)🙏শ্রীশ্রীবিষ্ণুপ্রিয়াদেবী🙏*
*🍀মহাপ্রভুর সন্ন‍্যাসের সঙ্কল্প ও ভক্তগণের আর্তনাদ🍀*
"""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
*🌻তারপর শ্রীগৌরহরি গদাধরের নিকট গিয়ে স্বীয় (নিজ) অভিপ্রায় ব‍্যক্ত করলেন, মহাপ্রভু বললেন=*
*না রহিব গদাধর আমি গৃহবাসে।*
*যে তে দিগে চলিবাঙ কৃষ্ণের উদ্দেশ্যে।।*
*শিখাসূত্র সর্বথায় আমি না রাখিব*।
*মাথা মুন্ডাইয়া যে তে দিগে চলি যাব।।*
*🌻শিখাসূত্র অন্তর্ধ‍্যানের কথা শুনে গদাধরের শিরে যেন বজ্রপাত পড়ল, তাঁর প্রাণে বড় আঘাত লাগল।গদাধর মহাপ্রভুর প্রধান অন্তরঙ্গ ভক্ত।মহাপ্রভুর মুখে এই নিদারুণ কথা শুনে তিনি হতবুদ্ধি হলেন।কিছুক্ষণ পরে মনের আবেগ কিছু শান্ত হলে মহাপ্রভুকে অভিমানভরে ধমকিয়ে বললেন, মহাপ্রভু!তোমার সবকিছুই অদ্ভুত কান্ড!শিখাসূত্র ত‍্যাগ করলেই কি তুমি শ্রীকৃষ্ণ পাবে?গৃহস্থাশ্রমে থেকে কি বৈষ্ণব হওয়া যায় না?মস্তক মুন্ডন করে দেশে দেশে ভ্রমণ করলেই কি কৃষ্ণ পাওয়া যাবে?তোমার এরকম বেদবিধি সম্মত নহে।"ভক্ত" ভগবানকে ধমক দিচ্ছেন,শাস্ত্রবিধি দেখাচ্ছ!এ দৃশ্য বড় সুন্দর,শ্রীভগবান এমনই চান।তাই গদাধরের কথা শুনে ভক্তবৎসল গৌরহরি হাসছেন,আর শ্রীগৌরগতপ্রাণ গদাধরের মনে বড় রাগ হচ্ছে, আর থাকতে পারলেন না। তখন তিনি ভগবানকে মাতৃবধের পাপ উল্লেখ করে ভয় দেখিয়ে বললেন=*
*অনাথিনী মায়েরে বা কেমতে ছাড়িবে।*
*প্রথমে ত জননীবধের ভাগী হবে*।।
*তুমি গেলে সর্বথা জীবন নাহি তান।*
*সবে অবশিষ্ট আছ তুমি তাঁর প্রাণ।।*
                     *(শ্রীচৈতন‍্য ভাগবত)*
*🌻মহাপ্রভু কোন উত্তর না করে আবার একটু হাসলেন।এতে গদাধরের মনে আরও ক্রোধের উদ্রেক হ'ল,অভিমানে ভক্তহৃদয় পূর্ণ হল।গদাধরের মুখ রক্তবর্ণ হল।তিনি মহাপ্রভুকে বললেন=*
*তথিপিহ মাথা মুন্ডাইলে স্বাস্থ‍্য পাও।*
*যে তোমার ইচ্ছা তাই কর চলি যাও।।(ঐ)*
*🍀মহাপ্রভুর মনে আজ বড়ই আনন্দ।গদাধরের তিরস্কার তাঁর বেদস্তুতি হতে বড় বোধ হল।তিনি প্রেমানন্দে গদাধরকে আলিঙ্গন করলেন,ভক্ত ও ভগবানের মিলন হয়ে গেল।গদাধর সব দুঃখ ভুলে গৌরহরির শ্রীচরণতলে লুটিয়ে পড়লেন।ভক্ত আর ভগবান উভয়ে মিলে প্রেমাশ্রু বিসর্জন করতে লাগলেন।ভক্তের নিকট ভগবানের পরাজয় হল।ইহাই তিনি চান।*
*☘তারপর একে একে মহাপ্রভু শ্রীবাস,মুরারি,হরিদাস প্রভৃতি সকল অন্তরঙ্গ ভক্তদের কাছে নিজ অভিপ্রায় প্রকাশ করলেন।মহাপ্রভুর সন্ন‍্যাসাশ্রম-গ্রহণ ও গৃহত‍্যাগের প্রস্তাব শুনে সকলেই মর্মবেদনায় হাহাকার করতে লাগলেন।বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ শ্রীবাস পন্ডিতের কাতর মুখখানি দেখে সান্ত্বনা করে মহাপ্রভু বললেন=*
*প্রেম উপার্জনে আমি যাব দেশান্তর।*
*তো সবারে আনি দিব শুন দ্বিজবর।।*
*সাধু যেন নৌকা চড়ি যায় দূর দেশ।*
*ধন উপার্জন লাগি করে নানা ক্লেশ।।*
*আনিঞা বান্ধব জনে করয়ে পোষণ।*
*আমিও ঐছন আনি দিব প্রেমধন।।*চৈঃমঃ*
*🌻বৃদ্ধ শ্রীবাস একথায় ভুলবার পাত্র নন,তিনি গৌরাঙ্গকে অত‍্যন্ত ভাল বাসেন,এক তালার্ধ কাল মহাপ্রভুকে না দেখলে থাকতে পারেন না। তিনি কি করে মহাপ্রভুকে না দেখে প্রাণে বাঁচবেন?বৃদ্ধ ব্রাহ্মণের অদম‍্য হৃদয়াবেগ একেবারে উছলিয়া উঠিল, তিনি আর থাকতে পারলেন না।মনের আবেগে মহাপ্রভুকে বললেন, তোমাকে না দেখে আমি প্রাণে বাঁচবো না।প্রাণ থাকলে ত তোমার প্রেমধন ভোগ করব!যারা তোমার বিরহ সহ‍্য করে বেঁচে থাকবে, তুমি তাদেরকে তোমার প্রেমধন দান করিও, আমার শ্রাদ্ধ তর্পণাদি করিও, তোমার নিকট এই আমার ভিক্ষা।*
*জীবিত শরীরে বন্ধু করয়ে পোষণ।*
*দেহান্তরে করে তার শ্রাদ্ধ তর্পণ।।*
*যে জীবে তোমারে তুমি দিও প্রেমধন।*
*তোমা না দেখিলে হইবে সভার মরণ।।(ঐ)*
*🍀মহাপ্রভু চুপচাপ রইলেন কোন উত্তর আর কি দিবেন?যেন লজ্জায় তিনি বদন অবনত করে রইলেন।কিছুক্ষণ পরে মহাপ্রভু মুরারির মুখের দিকে চাইলেন,দেখলেন,মুরারিও কাঁদছেন।কাঁদতে কাঁদতে মুরারি মহাপ্রভুকে বললেন=*
*🙏বানান ভুল মার্জনা করবেন🙏*
      *ক্রমশ*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


*শ্রীবিজয়া একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য* ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/02/bijaya-ekadoshi.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
          ꧁ *শ্রীবিজয়া একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য*
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ https://Gopisharan.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*ব্রত ও মাহাত্ম্যকথাঃ~* *স্কন্দপুরাণে এই একাদশী মাহাত্ম্য এইভাবে বর্নিত রয়েছে। যুধিষ্ঠির শ্রীকৃষ্ণকে বললেন — হে বাসুদেব! ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীর মাহাত্ম্য অনুগ্রহ করে আমাকে বলুন। শ্রীকৃষ্ণ বললেন -হে যুধিষ্ঠির! এই একাদশী, বিজয়া, নামে পরিচিত। এই একাদশী সম্পর্কে একসময় দেবর্ষি নারদ স্বয়ম্ভূ ব্রহ্মাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তিনি এই প্রসঙ্গে যা বলেছিলেন, তা আমি এখন তোমাকে বলছি। এই প্রবিত্র পাপবিনাশকারী ব্রত মানুষকে জয় দান করে বলে, বিজয়া, নামে প্রসিদ্ধ। পুরাকালে শ্রীরামচন্দ্র চৌদ্দ বছরের জন্য বনে গিয়েছিলেন। সীতা ও লক্ষণের সঙ্গে তিনি পঞ্চবটী বনে বাস করতেন। সেই সময় লঙ্কাপতি রাবন সীতাকে হরণ করে। সীতার অনুসন্ধানে রাম চন্দ্র চতুর্দিক ভ্রমন করতে থাকেন। তখন মৃতপ্রায় জটায়ুর সাথে তাঁর সাক্ষাৎ হয়। জটায়ু রাবণের সীতাহরণের সমস্ত বৃত্তান্ত রামচন্দ্রকে জানিয়ে মৃত্যুবরণ করে। এরপর সীতা উদ্ধারের জন্য বানররাজ সুগ্রীবের সাথে বন্ধুত্ব করেন। ভগবান রামচন্দ্রের কৃপায় হনুমান লঙ্কায় গমন করেন।সেখানে আশোক বনে সীতাদেবীকে দর্শন করে শ্রীরাম প্রদত্ত অঙ্গুরীয় (আংটি) তাকে অর্পণ করেন। ফিরে এসে শ্রীরামচন্দ্রের কাছে লঙ্কার সমস্ত ঘটনার কথা ব্যক্ত করেন। হনুমানের কথা শুনে রামচন্দ্র সুগ্রীবের পরামর্শে সমুদ্রতীরে যান। সেই দুস্তর সমুদ্র দেখে তিনি লক্ষ্মণকে বললেন —হে লক্ষ্মণ! কিভাবে এই অগাধ সমুদ্র পার হওয়া যায়। তার কোন উপায় খুঁজে পাচ্ছি না। উত্তরে লক্ষ্মণ বললেন —হে পুরুষোত্তম! সর্বজ্ঞাতা আদিদেব আপনি, আপনাকে আমি কি উপদেশ দেব? তবে বক্দালব্য নামে এক মুনি এই দ্বীপে বাস করেন। এখান থেকে চার মাইল দূরে তার আশ্রম। হে রাঘব, আপনি সেই প্রাচীন ঋষিশ্রেষ্ঠকে এর উপায় জিজ্ঞাসা করুন। লক্ষ্মণের মনোরম কথা শুনে, তারা সেই মহামুনির আশ্রমে উপনীত হলেন।*

*ভগবান রামচন্দ্র ভক্তরাজ সেই মুনিকে প্রণাম করলেন। মুনিবর রামচন্দ্রকে পুরাণপুরুষ বলে জানতে পারেলেন। আনন্দভরে জিজ্ঞাসা করলেন —হে রামচন্দ্র! কি কারনে আপনি আমার কাছে এসেছেন, তা কৃপা করে বলুন। শ্রীরামচন্দ্র বলেলেন —হে মুনিবর! আপনার কৃপায় সৈন্যসহ আমি এই সমুদ্র তীরে উপস্থিত হয়েছি। রাক্ষসরাজের লঙ্কা বিজয় করাই আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য। যাতে এই ভয়ঙ্কর সমুদ্র উত্তীর্ন হতে পারি তার উপায় জানবার জন্য আমরা আপনার কৃপা প্রার্থনা করি। মুনিবর প্রসন্নচিত্তে পদ্মলোচন ভগবান শ্রীরামচন্দ্রকে বললেন —’হে রাম। আপনার অভীষ্ট সিদ্ধির জন্য যে শ্রেষ্ঠ ব্রত করণীয় আমি তা বলছি।ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের ’ বিজয়া’ নামক একাদশী ব্রতপালনে আপনি নিশ্চয়ই সৈন্যসহ সমুদ্র পার হতে পারবেন। এই ব্রতের বিধি শ্রবন করুন। বিজয় লাভের জন্য দশমীর দিনে সোনা, রুপা, তামা অথবা মাটির কলস সংগ্রহ করে তাতে জল ও আমপাতা দিয়ে সুগন্ধি চন্দনে সাজিয়ে তার উপর সোনার নারায়ণমূর্তি স্থাপন করবেন। একাদশীর দিন যথাবিধি প্রাতঃস্নান করে কলসের গলায় মালা চন্দন পরিয়ে উপযুক্ত স্থানে নারিকেল ও গুবাক দিয়ে পূজা করবেন। এরপর গন্ধ, পুষ্প, তুলসী, ধুপ-দীপ নৈবেদ্য ইত্যাদি দিয়ে পরম ভক্তিসহকারে নারায়ণের পূজা করে হরিকথা কীর্তনে সমস্ত দিন যাপন করবেন। রাত্রি জাগরন করে অখন্ড ঘৃত প্রদীপ প্রজ্বলিত রাখবেন। দ্বাদশীর দিন সুর্যোদয়ের পর সেই কলস বিসর্জনের জন্য কোন নদী, সরোবর বা জলাশয়ের কাছে গিয়ে বিধি অনুসারে পূজা নিবেদনের পর তা বিসর্জন দেবেন।তার পর ঐ মুর্তি বেদজ্ঞ ব্রাহ্মণকে দান করবেন। এই ব্রত প্রভাবে নিশ্চয়ই আপনার বিজয় লাভ হবে। ব্রহ্মা বললেন —হে নারদ! ঋষির কথামতো ব্রত অনুষ্ঠানের ফলে তিনি বিজয়ী হয়েছিলেন।সীতাপ্রাপ্তি, লঙ্কাজয়, রাবণবধের মাধ্যমে শ্রীরামচন্দ্র অতুল কীর্তি লাভ করেছিলেন। তাই যথাবিধি যে মানুষ এই ব্রত পালন করবেন তাদের এজগতে জয়লাভ এবং পরজগতে অক্ষয় সুখ সুনিশ্চিত জানবে। হে যুধিষ্ঠির! এই কারণে এই বিজয়া একাদশী ব্রত পালন অবশ্য কর্তব্য। এই ব্রতকথার শ্রবন-কীর্তন মাত্রেই বাজপেয় যজ্ঞের ফল লাভ হয়।*
জয় নিতাই।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏

https://gopisharan.blogspot.com
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

*শ্রীবিজয়া একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য* ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/02/bijaya-ekadoshi.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
          ꧁ *শ্রীবিজয়া একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য*
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ https://Gopisharan.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*ব্রত ও মাহাত্ম্যকথাঃ~* *স্কন্দপুরাণে এই একাদশী মাহাত্ম্য এইভাবে বর্নিত রয়েছে। যুধিষ্ঠির শ্রীকৃষ্ণকে বললেন — হে বাসুদেব! ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীর মাহাত্ম্য অনুগ্রহ করে আমাকে বলুন। শ্রীকৃষ্ণ বললেন -হে যুধিষ্ঠির! এই একাদশী, বিজয়া, নামে পরিচিত। এই একাদশী সম্পর্কে একসময় দেবর্ষি নারদ স্বয়ম্ভূ ব্রহ্মাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তিনি এই প্রসঙ্গে যা বলেছিলেন, তা আমি এখন তোমাকে বলছি। এই প্রবিত্র পাপবিনাশকারী ব্রত মানুষকে জয় দান করে বলে, বিজয়া, নামে প্রসিদ্ধ। পুরাকালে শ্রীরামচন্দ্র চৌদ্দ বছরের জন্য বনে গিয়েছিলেন। সীতা ও লক্ষণের সঙ্গে তিনি পঞ্চবটী বনে বাস করতেন। সেই সময় লঙ্কাপতি রাবন সীতাকে হরণ করে। সীতার অনুসন্ধানে রাম চন্দ্র চতুর্দিক ভ্রমন করতে থাকেন। তখন মৃতপ্রায় জটায়ুর সাথে তাঁর সাক্ষাৎ হয়। জটায়ু রাবণের সীতাহরণের সমস্ত বৃত্তান্ত রামচন্দ্রকে জানিয়ে মৃত্যুবরণ করে। এরপর সীতা উদ্ধারের জন্য বানররাজ সুগ্রীবের সাথে বন্ধুত্ব করেন। ভগবান রামচন্দ্রের কৃপায় হনুমান লঙ্কায় গমন করেন।সেখানে আশোক বনে সীতাদেবীকে দর্শন করে শ্রীরাম প্রদত্ত অঙ্গুরীয় (আংটি) তাকে অর্পণ করেন। ফিরে এসে শ্রীরামচন্দ্রের কাছে লঙ্কার সমস্ত ঘটনার কথা ব্যক্ত করেন। হনুমানের কথা শুনে রামচন্দ্র সুগ্রীবের পরামর্শে সমুদ্রতীরে যান। সেই দুস্তর সমুদ্র দেখে তিনি লক্ষ্মণকে বললেন —হে লক্ষ্মণ! কিভাবে এই অগাধ সমুদ্র পার হওয়া যায়। তার কোন উপায় খুঁজে পাচ্ছি না। উত্তরে লক্ষ্মণ বললেন —হে পুরুষোত্তম! সর্বজ্ঞাতা আদিদেব আপনি, আপনাকে আমি কি উপদেশ দেব? তবে বক্দালব্য নামে এক মুনি এই দ্বীপে বাস করেন। এখান থেকে চার মাইল দূরে তার আশ্রম। হে রাঘব, আপনি সেই প্রাচীন ঋষিশ্রেষ্ঠকে এর উপায় জিজ্ঞাসা করুন। লক্ষ্মণের মনোরম কথা শুনে, তারা সেই মহামুনির আশ্রমে উপনীত হলেন।*

*ভগবান রামচন্দ্র ভক্তরাজ সেই মুনিকে প্রণাম করলেন। মুনিবর রামচন্দ্রকে পুরাণপুরুষ বলে জানতে পারেলেন। আনন্দভরে জিজ্ঞাসা করলেন —হে রামচন্দ্র! কি কারনে আপনি আমার কাছে এসেছেন, তা কৃপা করে বলুন। শ্রীরামচন্দ্র বলেলেন —হে মুনিবর! আপনার কৃপায় সৈন্যসহ আমি এই সমুদ্র তীরে উপস্থিত হয়েছি। রাক্ষসরাজের লঙ্কা বিজয় করাই আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য। যাতে এই ভয়ঙ্কর সমুদ্র উত্তীর্ন হতে পারি তার উপায় জানবার জন্য আমরা আপনার কৃপা প্রার্থনা করি। মুনিবর প্রসন্নচিত্তে পদ্মলোচন ভগবান শ্রীরামচন্দ্রকে বললেন —’হে রাম। আপনার অভীষ্ট সিদ্ধির জন্য যে শ্রেষ্ঠ ব্রত করণীয় আমি তা বলছি।ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের ’ বিজয়া’ নামক একাদশী ব্রতপালনে আপনি নিশ্চয়ই সৈন্যসহ সমুদ্র পার হতে পারবেন। এই ব্রতের বিধি শ্রবন করুন। বিজয় লাভের জন্য দশমীর দিনে সোনা, রুপা, তামা অথবা মাটির কলস সংগ্রহ করে তাতে জল ও আমপাতা দিয়ে সুগন্ধি চন্দনে সাজিয়ে তার উপর সোনার নারায়ণমূর্তি স্থাপন করবেন। একাদশীর দিন যথাবিধি প্রাতঃস্নান করে কলসের গলায় মালা চন্দন পরিয়ে উপযুক্ত স্থানে নারিকেল ও গুবাক দিয়ে পূজা করবেন। এরপর গন্ধ, পুষ্প, তুলসী, ধুপ-দীপ নৈবেদ্য ইত্যাদি দিয়ে পরম ভক্তিসহকারে নারায়ণের পূজা করে হরিকথা কীর্তনে সমস্ত দিন যাপন করবেন। রাত্রি জাগরন করে অখন্ড ঘৃত প্রদীপ প্রজ্বলিত রাখবেন। দ্বাদশীর দিন সুর্যোদয়ের পর সেই কলস বিসর্জনের জন্য কোন নদী, সরোবর বা জলাশয়ের কাছে গিয়ে বিধি অনুসারে পূজা নিবেদনের পর তা বিসর্জন দেবেন।তার পর ঐ মুর্তি বেদজ্ঞ ব্রাহ্মণকে দান করবেন। এই ব্রত প্রভাবে নিশ্চয়ই আপনার বিজয় লাভ হবে। ব্রহ্মা বললেন —হে নারদ! ঋষির কথামতো ব্রত অনুষ্ঠানের ফলে তিনি বিজয়ী হয়েছিলেন।সীতাপ্রাপ্তি, লঙ্কাজয়, রাবণবধের মাধ্যমে শ্রীরামচন্দ্র অতুল কীর্তি লাভ করেছিলেন। তাই যথাবিধি যে মানুষ এই ব্রত পালন করবেন তাদের এজগতে জয়লাভ এবং পরজগতে অক্ষয় সুখ সুনিশ্চিত জানবে। হে যুধিষ্ঠির! এই কারণে এই বিজয়া একাদশী ব্রত পালন অবশ্য কর্তব্য। এই ব্রতকথার শ্রবন-কীর্তন মাত্রেই বাজপেয় যজ্ঞের ফল লাভ হয়।*
জয় নিতাই।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏

https://gopisharan.blogspot.com
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

৭৮. রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস *🌳বনবাসে যেতে বাধাদান🌳* ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/02/ram.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁ ৭৮. রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস ꧂
                 *🌳বনবাসে যেতে বাধাদান🌳*
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
       ꧁ রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস 🙏 সূচীপত্র ꧂
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/11/blog-post_66.html   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৭৮)🌿তুলসী দাস রামায়ণ🌿*
*🌳বনবাসে যেতে বাধাদান🌳*
"""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
*🌻রামচন্দ্রের বিনম্র মিষ্ট বাক‍্যে মাতার হৃদয়ে  সুতীক্ষ্ণ শরসম আঘাত করে তাঁকে ব‍্যথিত করে তুলল।সেই সুশীতল বচনধারা শুনে মাতা কৌশল‍্যা বর্ষাধারায় ব‍্যথিত গুল্মসম শুষ্ক হয়ে পড়লেন।তাঁর হৃদয়ে তখন সীমাহীন বিষাদ,যেন সিংহের গর্জন শুনে মৃগ হতচকিত হয়ে পড়ল।তাঁর নয়নে ভরে গেল অশ্রু, দেহ থরথর কম্পমান হল।প্রথম বর্ষার জলের ফেনা গ্রহণ করে যেন মাছ অসুস্থ হয়ে পড়ে।মাতা কৌশল‍্যা তবুও ধৈর্য‍্য সহকারে পুত্রের মুখের দিকে তাকিয়ে গদগদ স্বরে বলতে লাগলেন, বাবা!তুমি তো তোমার পিতৃদেবের প্রাণসম প্রিয়। তোমার আচরণ তাঁকে তো সতত প্রসন্ন করে রাখতো।তোমার রাজ‍্যাভিষেকের দিনক্ষণ তো তাঁর আদেশেই নির্ধারিত হয়েছিল  কিন্তু এখন কোন অপরাধে তিনি তোমাকে বনবাসে যেতে বলছেন?সূর্য‍্যবংশকুল কে অগ্নসংযোগ করল?▪তখন রামচন্দ্রের দিকে তাকিয়ে মন্ত্রীপুত্র সমস্ত ঘটনা মাতা কৌশল‍্যাকে সবিস্তারে বলে দিলেন।প্রসঙ্গ শুনে মা কৌশল‍্যা মূকসম বাকশক্তিহীন হয়ে গেলেন যা বর্ণনাতীত করুণ ছিল। রাণী কৌশল‍্যার তখন উভয় সঙ্কট, রাখতেও পারেন না,আর বনে যাও বলতেও পারেন না ; দুভাবেই তাঁর অপরিসীম চিত্তদাহ।তিনি তখন ভাবছেন,এ কি বিধাতার বিধান?চন্দ্র লিখতে গিয়ে রাহু লিখে বসলেন!*
*🍀ধর্ম ও স্নেহ মাতা কৌশল‍্যাকে বিভ্রান্ত করে তুলেছিল।তাঁর অবস্থা তখন সর্পের ছুঁচো গেলার মতন হল।তিনি ভাবলেন যে অনুরোধ করে তিনি পুত্রকে বনবাসে যেতে যদি বাধা দেন তাহলে ধর্মহানি হয়,আর তা ভ্রাতৃবিরোধের সূত্রপাত করবে।আর যদি বনবাসে যাবার অনুমতি প্রদান করেন তাহলে খুবই ক্ষতিকর হবে এই ভেবে,অতঃপর বুদ্ধিমতি,সরল স্বভাবশীলা কৌশল‍্যা ধৈর্য‍্য ধরে ও নারীধর্ম (পাতিব্রত‍্য ধর্ম) অনুসরণ করে তথা রাম ও ভরতকে সমান জ্ঞান করে বললেন, হে বৎস! তোমার বিবেচনার আমি প্রশংসা করি। পিতৃআজ্ঞা পালনই তো সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্ম। রাজা রামচন্দ্রের রাজ‍্যাভিষেক না করে বনবাস দিয়াছেন তাতে আমার লেশমাত্র দুঃখ নাই।দুঃখ কেবল এই যে,তোমার অবর্তমানে অযোধ‍্যায় ভরত,মহারাজ ও প্রজাগণ প্রচণ্ড কষ্টের সম্মুখীন হবেন।*
*☘হে বৎস!যদি বনগমনে কেবলমাত্র পিতার আদেশ হয় তাহলে মাতাকে পিতার থেকে বড় জ্ঞান করে বনবাসে যেও না।তবে যদি বনবাস গমন পিতৃমাতৃ উভয়ের আদেশে হয় তাহলে তো বনবাস তোমার পক্ষে শত অযোধ‍্যার সমান হবে।বনের দেবতা তোমার পিতা আর বনদেবীগণ তোমার মাতাসকল হবেন।বনের পশু পক্ষীগণ তোমার পাদপদ্ম সেবা করে ধন‍্য হবে।রাজার পক্ষে বনে গমনই ত অন্তকালে শ্রেষ্ঠ ধর্মপালন।তবে তোমার সুকুমার বয়ঃক্রম দেখে বনবাস গমনে আমার অবশ্যই দুঃখ হচ্ছে।হে রঘুকুলতিলক!বন গমন ভাগ‍্যবান আর এই অযোধ‍্যা ততোধিক  অভাগী,যা তুমি ছেড়ে যাচ্ছ।হে পুত্র যদি আমি বলি যে আমাকেও সঙ্গে নিয়ে চলো তাহলে তোমার চিত্তে সন্দেহ হবে যে মাতা এইভাবে আমাকে বনবাসে গমন করতে বিরত করছেন।হে পুত্র!তুমি সকলেরই অতি প্রিয়। তুমি প্রাণের প্রাণ ও জীবনের জীবন।সে প্রাণাধার তুমি বলছ,মা!আমি বনে যাচ্ছি আর আমি কিনা তা শুনে হা-হুতাশ করছি! এই ভেবে মিথ‍্যা স্নেহ ভেবে জাল বৃদ্ধি করে তোমাকে বিব্রত করব না। পুত্র আমার!বালাই ষাট।মায়ের সম্পর্কের কথা মনে রেখে আমাকে ভুলে যেও না।*
*🙏বানান ভুল মার্জনীয়🙏*
            *ক্রমশ*
    ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


৭৮. রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস *🌳বনবাসে যেতে বাধাদান🌳* ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/02/ram.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁ ৭৮. রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস ꧂
                 *🌳বনবাসে যেতে বাধাদান🌳*
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
       ꧁ রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস 🙏 সূচীপত্র ꧂
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/11/blog-post_66.html   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৭৮)🌿তুলসী দাস রামায়ণ🌿*
*🌳বনবাসে যেতে বাধাদান🌳*
"""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
*🌻রামচন্দ্রের বিনম্র মিষ্ট বাক‍্যে মাতার হৃদয়ে  সুতীক্ষ্ণ শরসম আঘাত করে তাঁকে ব‍্যথিত করে তুলল।সেই সুশীতল বচনধারা শুনে মাতা কৌশল‍্যা বর্ষাধারায় ব‍্যথিত গুল্মসম শুষ্ক হয়ে পড়লেন।তাঁর হৃদয়ে তখন সীমাহীন বিষাদ,যেন সিংহের গর্জন শুনে মৃগ হতচকিত হয়ে পড়ল।তাঁর নয়নে ভরে গেল অশ্রু, দেহ থরথর কম্পমান হল।প্রথম বর্ষার জলের ফেনা গ্রহণ করে যেন মাছ অসুস্থ হয়ে পড়ে।মাতা কৌশল‍্যা তবুও ধৈর্য‍্য সহকারে পুত্রের মুখের দিকে তাকিয়ে গদগদ স্বরে বলতে লাগলেন, বাবা!তুমি তো তোমার পিতৃদেবের প্রাণসম প্রিয়। তোমার আচরণ তাঁকে তো সতত প্রসন্ন করে রাখতো।তোমার রাজ‍্যাভিষেকের দিনক্ষণ তো তাঁর আদেশেই নির্ধারিত হয়েছিল  কিন্তু এখন কোন অপরাধে তিনি তোমাকে বনবাসে যেতে বলছেন?সূর্য‍্যবংশকুল কে অগ্নসংযোগ করল?▪তখন রামচন্দ্রের দিকে তাকিয়ে মন্ত্রীপুত্র সমস্ত ঘটনা মাতা কৌশল‍্যাকে সবিস্তারে বলে দিলেন।প্রসঙ্গ শুনে মা কৌশল‍্যা মূকসম বাকশক্তিহীন হয়ে গেলেন যা বর্ণনাতীত করুণ ছিল। রাণী কৌশল‍্যার তখন উভয় সঙ্কট, রাখতেও পারেন না,আর বনে যাও বলতেও পারেন না ; দুভাবেই তাঁর অপরিসীম চিত্তদাহ।তিনি তখন ভাবছেন,এ কি বিধাতার বিধান?চন্দ্র লিখতে গিয়ে রাহু লিখে বসলেন!*
*🍀ধর্ম ও স্নেহ মাতা কৌশল‍্যাকে বিভ্রান্ত করে তুলেছিল।তাঁর অবস্থা তখন সর্পের ছুঁচো গেলার মতন হল।তিনি ভাবলেন যে অনুরোধ করে তিনি পুত্রকে বনবাসে যেতে যদি বাধা দেন তাহলে ধর্মহানি হয়,আর তা ভ্রাতৃবিরোধের সূত্রপাত করবে।আর যদি বনবাসে যাবার অনুমতি প্রদান করেন তাহলে খুবই ক্ষতিকর হবে এই ভেবে,অতঃপর বুদ্ধিমতি,সরল স্বভাবশীলা কৌশল‍্যা ধৈর্য‍্য ধরে ও নারীধর্ম (পাতিব্রত‍্য ধর্ম) অনুসরণ করে তথা রাম ও ভরতকে সমান জ্ঞান করে বললেন, হে বৎস! তোমার বিবেচনার আমি প্রশংসা করি। পিতৃআজ্ঞা পালনই তো সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্ম। রাজা রামচন্দ্রের রাজ‍্যাভিষেক না করে বনবাস দিয়াছেন তাতে আমার লেশমাত্র দুঃখ নাই।দুঃখ কেবল এই যে,তোমার অবর্তমানে অযোধ‍্যায় ভরত,মহারাজ ও প্রজাগণ প্রচণ্ড কষ্টের সম্মুখীন হবেন।*
*☘হে বৎস!যদি বনগমনে কেবলমাত্র পিতার আদেশ হয় তাহলে মাতাকে পিতার থেকে বড় জ্ঞান করে বনবাসে যেও না।তবে যদি বনবাস গমন পিতৃমাতৃ উভয়ের আদেশে হয় তাহলে তো বনবাস তোমার পক্ষে শত অযোধ‍্যার সমান হবে।বনের দেবতা তোমার পিতা আর বনদেবীগণ তোমার মাতাসকল হবেন।বনের পশু পক্ষীগণ তোমার পাদপদ্ম সেবা করে ধন‍্য হবে।রাজার পক্ষে বনে গমনই ত অন্তকালে শ্রেষ্ঠ ধর্মপালন।তবে তোমার সুকুমার বয়ঃক্রম দেখে বনবাস গমনে আমার অবশ্যই দুঃখ হচ্ছে।হে রঘুকুলতিলক!বন গমন ভাগ‍্যবান আর এই অযোধ‍্যা ততোধিক  অভাগী,যা তুমি ছেড়ে যাচ্ছ।হে পুত্র যদি আমি বলি যে আমাকেও সঙ্গে নিয়ে চলো তাহলে তোমার চিত্তে সন্দেহ হবে যে মাতা এইভাবে আমাকে বনবাসে গমন করতে বিরত করছেন।হে পুত্র!তুমি সকলেরই অতি প্রিয়। তুমি প্রাণের প্রাণ ও জীবনের জীবন।সে প্রাণাধার তুমি বলছ,মা!আমি বনে যাচ্ছি আর আমি কিনা তা শুনে হা-হুতাশ করছি! এই ভেবে মিথ‍্যা স্নেহ ভেবে জাল বৃদ্ধি করে তোমাকে বিব্রত করব না। পুত্র আমার!বালাই ষাট।মায়ের সম্পর্কের কথা মনে রেখে আমাকে ভুলে যেও না।*
*🙏বানান ভুল মার্জনীয়🙏*
            *ক্রমশ*
    ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


শ্রীএকাদশী প্রথম প্রবর্তন কি ভাবে হয়েছিল ❓ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/02/ekadoshi.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
               ꧁ শ্রীএকাদশী প্রথম প্রবর্তন 
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ https://Gopisharan.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🌺 *শ্রীএকাদশী প্রথম প্রবর্তন*

সত্যযুগে শ্রীঅযোধ্যাপুরী তে রুক্মাঙ্গদ নামে এক রাজা ছিলেন । তিনি বিশাল বাগান তৈরি করেছিলেন । তাতে সুন্দর সুন্দর ফুলের গাছ লাগানো ছিল । অবারিত ফুলের সৌগন্ধে স্বর্গের অপ্সরা ও আকৃষ্ট হত। তাদের মনে লালসা জাগল সেই ফুলের সুবাস নেওয়ার জন্য । রাতের বেলা আনন্দ বিহার ও ফুল নিতে অপ্সরাগণ নিত্য আসতে লাগল । এদিকে মালি চিন্তা করছে সন্ধ্যায় প্রচুর ফুলের কুঁড়ি দেখি আর সকালে একটিও ফুল নেই! ব্যাপার টা কী!!
সারারাত পাহারা দিয়েও ধরতে পারলেন না। রাজা জিজ্ঞাসা করেন । কি ব্যাপার!! বাগানে আর ফুল ফোটে না নাকি ? 
মালী কোন সঠিক জবাব দিতে পারলেন না । 
মালীর চিন্তা বাড়তেই গেল ।
একদিন প্রাতঃকালে মালী লক্ষ্য করল একটি জায়গা আলোকিত হয়ে আছে গিয়ে দেখল এক দেবী দাড়িয়ে আছে । ছুটতে ছুটতে মালী গিয়ে রাজাকে খবর দিল।তুরন্ত রাজা ছুটে আসল বাগিচায় ।
এসে বললেন-হে দেবী!-আপনি কি দেবী লক্ষ্মী , না স্বরস্বতী, না পার্বতী?দয়া করে আপনার পরিচয় দিন ।
দেবী বললেন- আমার নাম উর্বর্শী ।দ্বাদশী তিথি সংযোগে বেগুনের কাঁটার সংস্পর্শে আমার পূন্য নষ্ট হয়ে যাওয়ায়  আমি আর স্বর্গে যেতে পারছি না ।
রাজা-বলুন আমি কি  সাহায্য করতে পারি?
অপ্সরা-যদি কেউ একাদশীর ফল আমায় সমর্পন করে তাহলে আমি পুনরায় স্বর্গে যেতে পারি ।

রাজা-একাদশী কি জিনিস? কোন জড়ি বুটি না ঔষধি?

অপ্সরা- দশমীতে একবার খেয়েছে একাদশী তে কিছুই খায় নাই ।কোনও কারণবশত ।সে ব্যক্তি যদি এসে সংকল্প করে আমায় পুন্য প্রদান করে তাতেও আমার উদ্ধার হবে ।

রাজা ভাবলেন আমার এত বড় রাজ্য দেখি তেমন কোন লোক পাওয়া যায় কিনা ।
এই ভেবে রাজা ঢোল পিটিয়ে দিলেন। "যে গতকাল অন্ন জল গ্রহণ করে নাই ও পরশু দিন একবার খেয়েছে সে রাজ দরবারে আসুক, পুরস্কার মিলবে ।

একথা শুনে এক ব্যাপারীর দাসী আসল, যাকে বিনা কারণে ব্যাপারী মেরেছিল,দশমীর দিন দুপুরের পর, রাগে দুঃখে সে ধানের গোলায় লুকিয়ে ছিল । খাওয়া দাওয়া কিছু ই করেনি । তাকে দিয়ে রাজা সংকল্প করাল । অপ্সরা উড়ে স্বর্গে চলে গেল। একাদশী ব্রতের এই প্রকার মহিমা দেখে রাজা বিচার করে ঘোষনা করলেন - আমার রাজ্যে সকলকেই শ্রীএকাদশী ব্রত করতে হবে । আমি না জেনে কত ভুল করেছি । কত সময় বৃথা নষ্ট করেছি । আর নয় । এবার থেকে আমিও সব ব্রত পালন করব । 8বছরের ঊর্ধে ও 85বছরের নীম্নে সকলের ব্রত করা অনিবার্য । অন্যথায় প্রাণদণ্ড । যারা কর দিতে পারবে দিবে, না পারবে  ,না দিবে , কিন্তু নির্জলা ব্রত করতেই হবে ।শুধু মানুষ নয়, ঘোড়া কে পর্যন্ত ঘাস দেওয়া হত না । এর প্রভাবে রাজা রুক্মাঙ্গদের রাজ্যে ব্যাপক ভাবে ভক্তির প্রচার হল ।

এবার শুনুন ব্রতের ফলে অদ্ভূত ঘটনা, যার দরুন সমস্ত প্রজা এক সঙ্গে বৈকুণ্ঠধামে গমন করলেন ।

এদিকে নির্জলা একাদশী ব্রতের প্রভাবে সমস্ত লোক মৃত্যুর পরে বিমানে চড়ে সোজা বৈকুণ্ঠে গমন করতে থাকলে যমপুরী শূন্য হয়ে গেল । এতে যমরাজ বড়ই চিন্তিত হলেন । উনি ব্রহ্মার কাছে গিয়ে সব ঘটনা বললেন ।ব্রহ্মা অনেক প্রকারে সান্তনা দিয়ে শ্রী একাদশী ও ভগবদ্ভক্তের মহিমা বর্ণন করলেন । 

ব্রহ্মা বললেন-যদি সবাই বৈকুণ্ঠে যায় এত আনন্দের বিষয় , এতে দুঃখ করার কি আছে?
যমরাজ-না, দুঃখের কিছু নাই, তবে আমায় অন্য কাজ দিন, ফাঁকা যমপুরী তে বসে বসে কি করব?
যমরাজের প্রসন্নতার জন্য ও রূক্মাঙ্গদ ভক্তের মহিমা বাড়ানোর জন্য ব্রহ্মা মায়া দ্বারা মোহিনী নামক দিব্যাঙ্গনার সৃষ্টি করলেন ও রাজা রূক্মাঙ্গদ কে মোহিত করবার জন্য মন্দরাচল পর্বতে পাঠিয়ে দিলেন ।এদিকে
শিকার খেলতে খেলতে রাজা  গিয়ে মন্দরাচল পৌছালেন ।
মোহিনী দ্বারা গীত মধুর স্বর লহরী তে আকৃষ্ট হয়ে সেখানে পৌছালেন । তাঁর অদ্ভূত রূপ লাবন্যে মুগ্ধ হয়ে রাজা বিয়ের প্রস্তাব দিলেন।
মোহিনী বলল- আমার একটি শর্ত আছে "আমি যা বলব তোমাকে তাই করতে হবে ।"
রাজা মোহাসক্তি বশত তার শর্ত স্বীকার করে রাজধানী তে আনয়ন করলেন ।
রাজার পরম সতী সাধ্বী পতিপরায়না পত্নী সন্ধ্যাবলী ও পিতৃ ভক্ত, আজ্ঞাকারী পুত্র ধর্মাঙ্গদ অত্যন্ত আদরের সহিত উভয় কে স্বাগত করলেন । আনন্দে দিন কাটতে লাগল ।
দীর্ঘ সময় পার হলে নিয়ম সেবার মাস এল ।  এখন রাজা ধর্মাঙ্গদের রাজত্ব ।নিয়মানুযায়ী ঢোল পিটতে লাগল- *সাবধান!! আগামী কাল থেকে কার্তিক নিয়ম সেবা শুরু ও শ্রীএকাদশী ব্রত কেউ যেন ভুল করেও অন্ন গ্রহণ না করে ।*

একথা মোহিনীর কানে গেল । সে বলল এ কিসের ঘোষণা ?
রূক্মাঙ্গদ সব ঘটনা খুলে বললেন ও ব্রত করার জন্য উদ্যোগী হলেন।
মোহিনী বলল- আমার একটি কথা মানতে হবে ।
রাজা-প্রিয়ে ! আমি তো প্রতিজ্ঞাবদ্ধ! আজ্ঞা করো!!
মোহিনী-তুমি ব্রত করতে পারবে না ।
রাজার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল।
বললেন- দেবী ! তুমি যা বলবে আমি তাই শুনতে রাজি , কিন্তু ব্রত করতে বারণ করবে না ।এ আমার দ্বারা অসম্ভব।

মোহিনী-এ হতেই পারে না । আপনি নিজেই প্রতিজ্ঞা করেছেন।নিজের প্রতিজ্ঞা থেকে আপনি কি করে বিচলিত হতে পারেন?
রূক্মাঙ্গদ-তুমি যে কোন শর্তে আমাকে ব্রত করতে আজ্ঞা দাও।
মোহিনী-হ্যাঁ! হতে পারে আপনি যদি নিজের হাতে ধর্মাঙ্গদের মাথা কেটে আমাকে দিতে পারেন।

রাজা মহান ধর্মসংকটে পড়লেন ।
ধর্মাঙ্গদ যখন এ খবর পেলেন তখন পিতার কাছে গিয়ে মস্তক অবনত করে ছেদনের জন্য বার বার অনুরোধ করতে লাগলেন।
ধর্মাঙ্গদ বাবাকে বুঝালেন, বাবা! আমার এর থেকে আর বড় সৌভাগ্য আর কি হতে পারে? আজ আমি ধন্য হলাম ।মৃত্যু তো একদিন হবেই।এক দিকে পিতার প্রতিজ্ঞা অপরদিকে মায়ের মনোরথ পূর্ণ।এ সৌভাগ্য কি কখনও হবে?
মহাসতি মহারাণী সন্ধ্যাবলী ধর্মাঙ্গদের কথায় সাধুবাদ জানিয়ে অনুমোদন করলেন।
রাজা রূক্মাঙ্গদ যেমনি তলোয়ার উত্তোলন করলেন অমনি ধরনি কেঁপে উঠল ।স্বয়ং ভগবান শ্রীহরি প্রকট হয়ে গেলেন আর নিজের হাতে রাজার হাত ধরে বললেন-" *চল ধাম মম বৈঠি বিমানা ।"* 
রূক্মাঙ্গদ জী বললেন-" *ইকলো নহি  জৈহৌ ভগবানা ।"* 

ভগবান রূক্মাঙ্গদ কে নিজ ধাম নিয়ে যেতে চাইলে , বললেন -আমি একা যাব না ।  আমার সমস্ত অযোধ্যাবাসী কে নিলে তবেই আমি যাব। দিব্য বিমান প্রকট করে সমস্ত প্রজাগন কে সঙ্গে নিয়ে ভগবান,  রাজা রূক্মাঙ্গদ সহ নিজ ধামে গমন করলেন।

এটি সত্য যুগের ঘটনা। তখন থেকে শ্রীএকাদশী ব্রতোপবাস শুরু হয় এই মর্ত্য লোকে।

*জয়নিতাই।*

https://gopisharan.blogspot.com
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

শ্রীএকাদশী প্রথম প্রবর্তন কি ভাবে হয়েছিল ❓ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/02/ekadoshi.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
               ꧁ শ্রীএকাদশী প্রথম প্রবর্তন 
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ https://Gopisharan.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🌺 *শ্রীএকাদশী প্রথম প্রবর্তন*

সত্যযুগে শ্রীঅযোধ্যাপুরী তে রুক্মাঙ্গদ নামে এক রাজা ছিলেন । তিনি বিশাল বাগান তৈরি করেছিলেন । তাতে সুন্দর সুন্দর ফুলের গাছ লাগানো ছিল । অবারিত ফুলের সৌগন্ধে স্বর্গের অপ্সরা ও আকৃষ্ট হত। তাদের মনে লালসা জাগল সেই ফুলের সুবাস নেওয়ার জন্য । রাতের বেলা আনন্দ বিহার ও ফুল নিতে অপ্সরাগণ নিত্য আসতে লাগল । এদিকে মালি চিন্তা করছে সন্ধ্যায় প্রচুর ফুলের কুঁড়ি দেখি আর সকালে একটিও ফুল নেই! ব্যাপার টা কী!!
সারারাত পাহারা দিয়েও ধরতে পারলেন না। রাজা জিজ্ঞাসা করেন । কি ব্যাপার!! বাগানে আর ফুল ফোটে না নাকি ? 
মালী কোন সঠিক জবাব দিতে পারলেন না । 
মালীর চিন্তা বাড়তেই গেল ।
একদিন প্রাতঃকালে মালী লক্ষ্য করল একটি জায়গা আলোকিত হয়ে আছে গিয়ে দেখল এক দেবী দাড়িয়ে আছে । ছুটতে ছুটতে মালী গিয়ে রাজাকে খবর দিল।তুরন্ত রাজা ছুটে আসল বাগিচায় ।
এসে বললেন-হে দেবী!-আপনি কি দেবী লক্ষ্মী , না স্বরস্বতী, না পার্বতী?দয়া করে আপনার পরিচয় দিন ।
দেবী বললেন- আমার নাম উর্বর্শী ।দ্বাদশী তিথি সংযোগে বেগুনের কাঁটার সংস্পর্শে আমার পূন্য নষ্ট হয়ে যাওয়ায়  আমি আর স্বর্গে যেতে পারছি না ।
রাজা-বলুন আমি কি  সাহায্য করতে পারি?
অপ্সরা-যদি কেউ একাদশীর ফল আমায় সমর্পন করে তাহলে আমি পুনরায় স্বর্গে যেতে পারি ।

রাজা-একাদশী কি জিনিস? কোন জড়ি বুটি না ঔষধি?

অপ্সরা- দশমীতে একবার খেয়েছে একাদশী তে কিছুই খায় নাই ।কোনও কারণবশত ।সে ব্যক্তি যদি এসে সংকল্প করে আমায় পুন্য প্রদান করে তাতেও আমার উদ্ধার হবে ।

রাজা ভাবলেন আমার এত বড় রাজ্য দেখি তেমন কোন লোক পাওয়া যায় কিনা ।
এই ভেবে রাজা ঢোল পিটিয়ে দিলেন। "যে গতকাল অন্ন জল গ্রহণ করে নাই ও পরশু দিন একবার খেয়েছে সে রাজ দরবারে আসুক, পুরস্কার মিলবে ।

একথা শুনে এক ব্যাপারীর দাসী আসল, যাকে বিনা কারণে ব্যাপারী মেরেছিল,দশমীর দিন দুপুরের পর, রাগে দুঃখে সে ধানের গোলায় লুকিয়ে ছিল । খাওয়া দাওয়া কিছু ই করেনি । তাকে দিয়ে রাজা সংকল্প করাল । অপ্সরা উড়ে স্বর্গে চলে গেল। একাদশী ব্রতের এই প্রকার মহিমা দেখে রাজা বিচার করে ঘোষনা করলেন - আমার রাজ্যে সকলকেই শ্রীএকাদশী ব্রত করতে হবে । আমি না জেনে কত ভুল করেছি । কত সময় বৃথা নষ্ট করেছি । আর নয় । এবার থেকে আমিও সব ব্রত পালন করব । 8বছরের ঊর্ধে ও 85বছরের নীম্নে সকলের ব্রত করা অনিবার্য । অন্যথায় প্রাণদণ্ড । যারা কর দিতে পারবে দিবে, না পারবে  ,না দিবে , কিন্তু নির্জলা ব্রত করতেই হবে ।শুধু মানুষ নয়, ঘোড়া কে পর্যন্ত ঘাস দেওয়া হত না । এর প্রভাবে রাজা রুক্মাঙ্গদের রাজ্যে ব্যাপক ভাবে ভক্তির প্রচার হল ।

এবার শুনুন ব্রতের ফলে অদ্ভূত ঘটনা, যার দরুন সমস্ত প্রজা এক সঙ্গে বৈকুণ্ঠধামে গমন করলেন ।

এদিকে নির্জলা একাদশী ব্রতের প্রভাবে সমস্ত লোক মৃত্যুর পরে বিমানে চড়ে সোজা বৈকুণ্ঠে গমন করতে থাকলে যমপুরী শূন্য হয়ে গেল । এতে যমরাজ বড়ই চিন্তিত হলেন । উনি ব্রহ্মার কাছে গিয়ে সব ঘটনা বললেন ।ব্রহ্মা অনেক প্রকারে সান্তনা দিয়ে শ্রী একাদশী ও ভগবদ্ভক্তের মহিমা বর্ণন করলেন । 

ব্রহ্মা বললেন-যদি সবাই বৈকুণ্ঠে যায় এত আনন্দের বিষয় , এতে দুঃখ করার কি আছে?
যমরাজ-না, দুঃখের কিছু নাই, তবে আমায় অন্য কাজ দিন, ফাঁকা যমপুরী তে বসে বসে কি করব?
যমরাজের প্রসন্নতার জন্য ও রূক্মাঙ্গদ ভক্তের মহিমা বাড়ানোর জন্য ব্রহ্মা মায়া দ্বারা মোহিনী নামক দিব্যাঙ্গনার সৃষ্টি করলেন ও রাজা রূক্মাঙ্গদ কে মোহিত করবার জন্য মন্দরাচল পর্বতে পাঠিয়ে দিলেন ।এদিকে
শিকার খেলতে খেলতে রাজা  গিয়ে মন্দরাচল পৌছালেন ।
মোহিনী দ্বারা গীত মধুর স্বর লহরী তে আকৃষ্ট হয়ে সেখানে পৌছালেন । তাঁর অদ্ভূত রূপ লাবন্যে মুগ্ধ হয়ে রাজা বিয়ের প্রস্তাব দিলেন।
মোহিনী বলল- আমার একটি শর্ত আছে "আমি যা বলব তোমাকে তাই করতে হবে ।"
রাজা মোহাসক্তি বশত তার শর্ত স্বীকার করে রাজধানী তে আনয়ন করলেন ।
রাজার পরম সতী সাধ্বী পতিপরায়না পত্নী সন্ধ্যাবলী ও পিতৃ ভক্ত, আজ্ঞাকারী পুত্র ধর্মাঙ্গদ অত্যন্ত আদরের সহিত উভয় কে স্বাগত করলেন । আনন্দে দিন কাটতে লাগল ।
দীর্ঘ সময় পার হলে নিয়ম সেবার মাস এল ।  এখন রাজা ধর্মাঙ্গদের রাজত্ব ।নিয়মানুযায়ী ঢোল পিটতে লাগল- *সাবধান!! আগামী কাল থেকে কার্তিক নিয়ম সেবা শুরু ও শ্রীএকাদশী ব্রত কেউ যেন ভুল করেও অন্ন গ্রহণ না করে ।*

একথা মোহিনীর কানে গেল । সে বলল এ কিসের ঘোষণা ?
রূক্মাঙ্গদ সব ঘটনা খুলে বললেন ও ব্রত করার জন্য উদ্যোগী হলেন।
মোহিনী বলল- আমার একটি কথা মানতে হবে ।
রাজা-প্রিয়ে ! আমি তো প্রতিজ্ঞাবদ্ধ! আজ্ঞা করো!!
মোহিনী-তুমি ব্রত করতে পারবে না ।
রাজার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল।
বললেন- দেবী ! তুমি যা বলবে আমি তাই শুনতে রাজি , কিন্তু ব্রত করতে বারণ করবে না ।এ আমার দ্বারা অসম্ভব।

মোহিনী-এ হতেই পারে না । আপনি নিজেই প্রতিজ্ঞা করেছেন।নিজের প্রতিজ্ঞা থেকে আপনি কি করে বিচলিত হতে পারেন?
রূক্মাঙ্গদ-তুমি যে কোন শর্তে আমাকে ব্রত করতে আজ্ঞা দাও।
মোহিনী-হ্যাঁ! হতে পারে আপনি যদি নিজের হাতে ধর্মাঙ্গদের মাথা কেটে আমাকে দিতে পারেন।

রাজা মহান ধর্মসংকটে পড়লেন ।
ধর্মাঙ্গদ যখন এ খবর পেলেন তখন পিতার কাছে গিয়ে মস্তক অবনত করে ছেদনের জন্য বার বার অনুরোধ করতে লাগলেন।
ধর্মাঙ্গদ বাবাকে বুঝালেন, বাবা! আমার এর থেকে আর বড় সৌভাগ্য আর কি হতে পারে? আজ আমি ধন্য হলাম ।মৃত্যু তো একদিন হবেই।এক দিকে পিতার প্রতিজ্ঞা অপরদিকে মায়ের মনোরথ পূর্ণ।এ সৌভাগ্য কি কখনও হবে?
মহাসতি মহারাণী সন্ধ্যাবলী ধর্মাঙ্গদের কথায় সাধুবাদ জানিয়ে অনুমোদন করলেন।
রাজা রূক্মাঙ্গদ যেমনি তলোয়ার উত্তোলন করলেন অমনি ধরনি কেঁপে উঠল ।স্বয়ং ভগবান শ্রীহরি প্রকট হয়ে গেলেন আর নিজের হাতে রাজার হাত ধরে বললেন-" *চল ধাম মম বৈঠি বিমানা ।"* 
রূক্মাঙ্গদ জী বললেন-" *ইকলো নহি  জৈহৌ ভগবানা ।"* 

ভগবান রূক্মাঙ্গদ কে নিজ ধাম নিয়ে যেতে চাইলে , বললেন -আমি একা যাব না ।  আমার সমস্ত অযোধ্যাবাসী কে নিলে তবেই আমি যাব। দিব্য বিমান প্রকট করে সমস্ত প্রজাগন কে সঙ্গে নিয়ে ভগবান,  রাজা রূক্মাঙ্গদ সহ নিজ ধামে গমন করলেন।

এটি সত্য যুগের ঘটনা। তখন থেকে শ্রীএকাদশী ব্রতোপবাস শুরু হয় এই মর্ত্য লোকে।

*জয়নিতাই।*

https://gopisharan.blogspot.com
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

৭৭. রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস *🌳বনবাসে কে কে যাবেন?🌳*✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/02/jaydeb_76.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁ ৭৭. রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস ꧂
                  *🌳বনবাসে কে কে যাবেন?🌳*
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
       ꧁ রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস 🙏 সূচীপত্র ꧂
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/11/blog-post_66.html   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৭৭)🌿তুলসীদাস রামায়ণ🌿*
*🌳বনবাসে কে কে যাবেন?🌳*
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
*সীতা কী রামচন্দ্রের সঙ্গ পরিহার করতে সক্ষম হবেন?লক্ষ্মণ কী রামচন্দ্রকে ছেড়ে ঘরে বসে থাকতে পারবেন?ভরত কী রামচন্দ্র ছাড়া জীবন ধারণে সমর্থ হবেন?(অর্থ‍্যাৎ সীতা ও লক্ষ্মণ থাকবেন না,ভরত রাজত্ব করবেন না?আর রাজাও জীবিত থাকবেন না ; সব তছনছ হয়ে যাবে।*
*🌺এইরকম চিন্তা করে ক্রোধ পরিহার কর।অনর্থক শোক ও কলঙ্কের বোঝা মাথায় নিও না।ভরত যুবরাজ পদে অধিষ্ঠিত হোক ক্ষতি নেই,তিনি ধর্মপরায়ণ ও বিষয়ভোগে নিঃস্পৃহ অর্থ‍্যাৎ তাঁর বিষয়াসক্তি আদৌ নেই,তাই তুমি এই এই মনোভাব ত‍্যাগ কর যে রামচন্দ্র বনবাসে না গেলে তিনি ভরতের রাজত্বে বাধা হয়ে দাঁড়াবেন।এই কথাও যদি তোমার মনঃপূত না হয় তাহলে না হয়,রাজার কাছে দ্বিতীয় বররূপে চেয়ে নাও যে রামচন্দ্র গৃহে অবস্থান না করে গুরু গৃহে অবস্থান করুক।আমাদের কথা মত না চললে তুমি সর্বস্ব হারাবে।আর যদি কথাগুলি পরিহাস করে বলে থাক তাহলে তা প্রকাশ‍্যে জানিয়ে দাও।রামসম পুত্র কী বনবাসের যোগ্য?লোকে শুনে তো তোমাকেই দোষারোপ করবে!অতএব এখনই উঠে পড় আর শোক ও কলঙ্কের হাত থেকে রক্ষা পেতে ত‍ৎপর হও।*
*🍁এমন ব‍্যবস্থা কর যাতে অযোধ‍্যার কষ্ট ও তোমার কলঙ্ক একসঙ্গে দূরীভূত হয়।রঘুবংশকে রক্ষা করবার এই একমাত্র উন্মুক্ত পথ।রামচন্দ্রের বনগমনকে যে করেই হোক আটকাও।মনের প্রতিকূল চিন্তাধারাকে বাধা দাও।তুলসীদাস বলেন=সূর্য‍্যছাড়া দিনের,প্রাণছাড়া দেহের ও চন্দ্রছাড়া রাত্রির যে করুণ অবস্থা হয় রামচন্দ্রছাড়া অযোধ‍্যারও তাই হবে।হে ভামিনী!এই কথা ভালভাবে ভেবে দেখবার সময় হয়েছে।*
*🍀কিন্তু সখীগণের সুমধুর ও কল‍্যাণকর পরামর্শ কুটিলা কুব্জা চালিত রাণী কৈকেয়ী গ্রহণ করতে অস্বীকার করলেন।কুপিতা কৈকেয়ী তখনও উত্তপ্ত ছিলেন।তিনি সখীদের পরামর্শের উত্তর দেবার প্রয়োজনীতা মনে করলেন না।তিনি যেন বাঘিনীসম শিকার করা মৃগ সামলাতে সচেষ্ট ছিলেন।সখীগণের মনে হল যে রোগ নিরাময় সম্ভব নয়।তাঁরা রাণী কৈকেয়ীকে মন্দবুদ্ধি অভাগী আখ‍্যা দিয়ে প্রস্থান করলেন।কৈকেয়ী রাণীরূপে সুখে দিন অতিবাহিত করছিলেন তা দৈবের সহ‍্য হল না।কৈকেয়ীর মত অপকর্ম কেউ যেন কোনদিন না করেন।এইভাবে ওই অসদাচরণের নিন্দা করে জনগণ কৈকেয়ীর নিন্দায় মুখর হয়ে উঠল।দুঃখের জ্বালায় বিষম জ্বরে জনগণ নিস্তেজ হয়ে ঘন ঘন দীর্ঘনিশ্বাস ফেলে বলতে লাগল যে যখন রামচন্দ্রই থাকবেন না তখন বেঁচে থাকাই বিড়ম্বনা।আসন্ন বিয়োগ ব‍্যথা জনগণকে ব‍্যাকুল করে তুলল যেন জলাভাবের আশঙ্কায় জলচর প্রাণীসব উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ল।জনগণ বিষাদ সাগরে নিমজ্জিত।রামচন্দ্র এইবার মাতা কৌশল‍্যার নিকট উপস্থিত হলেন।তিনি তখন প্রসন্নচিত্ত,তাঁর উৎসাহ চতুর্গুণ বেড়ে গিয়েছিল।রাজা দশরথ তাঁকে বনগমন থেকে বিরত করতে পারেন, এই চিন্তা তাঁর দূর হয়ে গিয়েছিল।রামচন্দ্র যখন রাজ‍্যাভিষেকের কথা শুনেছিলেন তখন সেই সংবাদ তাঁকে বিষাদগ্রস্ত করেছিল কারণ তিনি ভেবেছিলেন যে অন‍্য ভাইদের বাদ দিয়ে একা তাঁর রাজ‍্যাভিষেক কেন?মাতা কৈকেয়ীর আদেশ ও পিতার মৌন সম্মতি লাভ করে তিনি সেই বিষাদ থেকে মুক্ত হতে পেরেছিলেন।*
*🌻রামচন্দ্রের মন ছিল স্বাধীনচেতা বন‍্যহস্তীসম আর রাজ‍্যাভিষেক ছিল সেই হস্তীকে বন্ধন করবার শৃঙ্খলরূপ। বনে গমনের কথা শুনে মন বন্ধন মুক্তির অনুভূতি লাভ করল আর তিনি আনন্দে পরিপূর্ণ হয়ে গেলেন।শ্রীরামচন্দ্র হাতজোড় করে সানন্দে মাতার (কৌশল‍্যার)চরণে প্রণাম নিবেদন করলেন।কৌশল‍্যা আশীর্বাদ দিয়ে পুত্রকে কাছে টেনে নিয়ে জড়িয়ে ধরলেন আর বস্ত্রালঙ্কার উপহার দিলেন।জানি না কখনো কি হয় মনে করে,মাতা রামকে বারে বারে চুম্বন করছিলেন।নয়নযুগল তখন প্রেমানন্দের অশ্রুতে ভরে উঠল আর তিনি অঙ্গে পুলক শিহরণ অনুভূতি লাভ করলেন।তিনি আবার পুত্রকে বক্ষে ধারণ করে আলিঙ্গন দান করলেন।মনে হচ্ছিল যেন কাকঙাল কুবের পদ লাভ করেছে।তারপর পুত্রের সুন্দর বদন একদৃষ্টে নিরীক্ষণ করে বললেন,আজ মনে হচ্ছে যে আমার জন্ম সার্থক।তারপর বললেন, রাম তাড়াতাড়ি স্নান করে এসে তৈরী হয়ে নাও।যাবার পূর্বে যেন একটু মিষ্টি মুখ করতে ভুলো না।তারপর না হয় পিতার কাছে যেও।রামচন্দ্র শান্ত সৌম‍্য হয়ে রইলেন।রামচন্দ্র ধর্মপথ অনুসরণ করে তখন অত‍্যন্ত কোমলস্বরে বললেন,মা!পিতৃদেব আমাকে বনরাজ‍্য প্রদান করেছেন।* *মা!তুমি আমার জন্য বিন্দুমাত্রও চিন্তা করবে না,আমি চৌদ্দ বৎসর বনবাস সমাপন করে ও পিতৃবাক‍্য সত‍্যতা প্রমাণ করে আমি আবার তোমার শ্রীচরণ দর্শন করতে ফিরে আসব।তুমি মনকে শক্ত করো।*
*🙏বানান ভুল ক্ষমা করবেন।🙏*
             *ক্রমাগত*
    ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

৭৭. রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস *🌳বনবাসে কে কে যাবেন?🌳*✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/02/jaydeb_76.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁ ৭৭. রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস ꧂
                  *🌳বনবাসে কে কে যাবেন?🌳*
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
       ꧁ রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস 🙏 সূচীপত্র ꧂
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/11/blog-post_66.html   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৭৭)🌿তুলসীদাস রামায়ণ🌿*
*🌳বনবাসে কে কে যাবেন?🌳*
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
*সীতা কী রামচন্দ্রের সঙ্গ পরিহার করতে সক্ষম হবেন?লক্ষ্মণ কী রামচন্দ্রকে ছেড়ে ঘরে বসে থাকতে পারবেন?ভরত কী রামচন্দ্র ছাড়া জীবন ধারণে সমর্থ হবেন?(অর্থ‍্যাৎ সীতা ও লক্ষ্মণ থাকবেন না,ভরত রাজত্ব করবেন না?আর রাজাও জীবিত থাকবেন না ; সব তছনছ হয়ে যাবে।*
*🌺এইরকম চিন্তা করে ক্রোধ পরিহার কর।অনর্থক শোক ও কলঙ্কের বোঝা মাথায় নিও না।ভরত যুবরাজ পদে অধিষ্ঠিত হোক ক্ষতি নেই,তিনি ধর্মপরায়ণ ও বিষয়ভোগে নিঃস্পৃহ অর্থ‍্যাৎ তাঁর বিষয়াসক্তি আদৌ নেই,তাই তুমি এই এই মনোভাব ত‍্যাগ কর যে রামচন্দ্র বনবাসে না গেলে তিনি ভরতের রাজত্বে বাধা হয়ে দাঁড়াবেন।এই কথাও যদি তোমার মনঃপূত না হয় তাহলে না হয়,রাজার কাছে দ্বিতীয় বররূপে চেয়ে নাও যে রামচন্দ্র গৃহে অবস্থান না করে গুরু গৃহে অবস্থান করুক।আমাদের কথা মত না চললে তুমি সর্বস্ব হারাবে।আর যদি কথাগুলি পরিহাস করে বলে থাক তাহলে তা প্রকাশ‍্যে জানিয়ে দাও।রামসম পুত্র কী বনবাসের যোগ্য?লোকে শুনে তো তোমাকেই দোষারোপ করবে!অতএব এখনই উঠে পড় আর শোক ও কলঙ্কের হাত থেকে রক্ষা পেতে ত‍ৎপর হও।*
*🍁এমন ব‍্যবস্থা কর যাতে অযোধ‍্যার কষ্ট ও তোমার কলঙ্ক একসঙ্গে দূরীভূত হয়।রঘুবংশকে রক্ষা করবার এই একমাত্র উন্মুক্ত পথ।রামচন্দ্রের বনগমনকে যে করেই হোক আটকাও।মনের প্রতিকূল চিন্তাধারাকে বাধা দাও।তুলসীদাস বলেন=সূর্য‍্যছাড়া দিনের,প্রাণছাড়া দেহের ও চন্দ্রছাড়া রাত্রির যে করুণ অবস্থা হয় রামচন্দ্রছাড়া অযোধ‍্যারও তাই হবে।হে ভামিনী!এই কথা ভালভাবে ভেবে দেখবার সময় হয়েছে।*
*🍀কিন্তু সখীগণের সুমধুর ও কল‍্যাণকর পরামর্শ কুটিলা কুব্জা চালিত রাণী কৈকেয়ী গ্রহণ করতে অস্বীকার করলেন।কুপিতা কৈকেয়ী তখনও উত্তপ্ত ছিলেন।তিনি সখীদের পরামর্শের উত্তর দেবার প্রয়োজনীতা মনে করলেন না।তিনি যেন বাঘিনীসম শিকার করা মৃগ সামলাতে সচেষ্ট ছিলেন।সখীগণের মনে হল যে রোগ নিরাময় সম্ভব নয়।তাঁরা রাণী কৈকেয়ীকে মন্দবুদ্ধি অভাগী আখ‍্যা দিয়ে প্রস্থান করলেন।কৈকেয়ী রাণীরূপে সুখে দিন অতিবাহিত করছিলেন তা দৈবের সহ‍্য হল না।কৈকেয়ীর মত অপকর্ম কেউ যেন কোনদিন না করেন।এইভাবে ওই অসদাচরণের নিন্দা করে জনগণ কৈকেয়ীর নিন্দায় মুখর হয়ে উঠল।দুঃখের জ্বালায় বিষম জ্বরে জনগণ নিস্তেজ হয়ে ঘন ঘন দীর্ঘনিশ্বাস ফেলে বলতে লাগল যে যখন রামচন্দ্রই থাকবেন না তখন বেঁচে থাকাই বিড়ম্বনা।আসন্ন বিয়োগ ব‍্যথা জনগণকে ব‍্যাকুল করে তুলল যেন জলাভাবের আশঙ্কায় জলচর প্রাণীসব উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ল।জনগণ বিষাদ সাগরে নিমজ্জিত।রামচন্দ্র এইবার মাতা কৌশল‍্যার নিকট উপস্থিত হলেন।তিনি তখন প্রসন্নচিত্ত,তাঁর উৎসাহ চতুর্গুণ বেড়ে গিয়েছিল।রাজা দশরথ তাঁকে বনগমন থেকে বিরত করতে পারেন, এই চিন্তা তাঁর দূর হয়ে গিয়েছিল।রামচন্দ্র যখন রাজ‍্যাভিষেকের কথা শুনেছিলেন তখন সেই সংবাদ তাঁকে বিষাদগ্রস্ত করেছিল কারণ তিনি ভেবেছিলেন যে অন‍্য ভাইদের বাদ দিয়ে একা তাঁর রাজ‍্যাভিষেক কেন?মাতা কৈকেয়ীর আদেশ ও পিতার মৌন সম্মতি লাভ করে তিনি সেই বিষাদ থেকে মুক্ত হতে পেরেছিলেন।*
*🌻রামচন্দ্রের মন ছিল স্বাধীনচেতা বন‍্যহস্তীসম আর রাজ‍্যাভিষেক ছিল সেই হস্তীকে বন্ধন করবার শৃঙ্খলরূপ। বনে গমনের কথা শুনে মন বন্ধন মুক্তির অনুভূতি লাভ করল আর তিনি আনন্দে পরিপূর্ণ হয়ে গেলেন।শ্রীরামচন্দ্র হাতজোড় করে সানন্দে মাতার (কৌশল‍্যার)চরণে প্রণাম নিবেদন করলেন।কৌশল‍্যা আশীর্বাদ দিয়ে পুত্রকে কাছে টেনে নিয়ে জড়িয়ে ধরলেন আর বস্ত্রালঙ্কার উপহার দিলেন।জানি না কখনো কি হয় মনে করে,মাতা রামকে বারে বারে চুম্বন করছিলেন।নয়নযুগল তখন প্রেমানন্দের অশ্রুতে ভরে উঠল আর তিনি অঙ্গে পুলক শিহরণ অনুভূতি লাভ করলেন।তিনি আবার পুত্রকে বক্ষে ধারণ করে আলিঙ্গন দান করলেন।মনে হচ্ছিল যেন কাকঙাল কুবের পদ লাভ করেছে।তারপর পুত্রের সুন্দর বদন একদৃষ্টে নিরীক্ষণ করে বললেন,আজ মনে হচ্ছে যে আমার জন্ম সার্থক।তারপর বললেন, রাম তাড়াতাড়ি স্নান করে এসে তৈরী হয়ে নাও।যাবার পূর্বে যেন একটু মিষ্টি মুখ করতে ভুলো না।তারপর না হয় পিতার কাছে যেও।রামচন্দ্র শান্ত সৌম‍্য হয়ে রইলেন।রামচন্দ্র ধর্মপথ অনুসরণ করে তখন অত‍্যন্ত কোমলস্বরে বললেন,মা!পিতৃদেব আমাকে বনরাজ‍্য প্রদান করেছেন।* *মা!তুমি আমার জন্য বিন্দুমাত্রও চিন্তা করবে না,আমি চৌদ্দ বৎসর বনবাস সমাপন করে ও পিতৃবাক‍্য সত‍্যতা প্রমাণ করে আমি আবার তোমার শ্রীচরণ দর্শন করতে ফিরে আসব।তুমি মনকে শক্ত করো।*
*🙏বানান ভুল ক্ষমা করবেন।🙏*
             *ক্রমাগত*
    ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

adds