শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

৯৪. রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস *🌻এক তেজোদীপ্ত বালকের আগমন ও গুহকের প্রত‍্যাগমন 🌻* ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/03/jaydeb.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁ ৯৪. রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস ꧂
*🌻এক তেজোদীপ্ত বালকের আগমন ও গুহকের প্রত‍্যাগমন 🌻*
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
       ꧁ রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস 🙏 সূচীপত্র ꧂
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/11/blog-post_66.html   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৯৪)🌿তুলসী দাস রামায়ণ🌿*
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
*🌻এইভাবেষপথে অনেকে প্রেমাধিক‍্যে পুলকিত অঙ্গে সজল নয়নে তাঁদের প্রশ্ন করতে থাকে। কিন্তু কৃপাসিন্ধু শ্রীরাম সবিনয়ে তাদের নিরস্ত করতে থাকেন। পথে যেতে যেতে যে সব গ্রাম ও বসতি পড়ল তাদের সৌভাগ্যে নাগ ও দেবলোকবাসীগণ বিচলিত হয়ে পড়লেন।তারা সেই গ্রাম ও বসতিসমূহের পরম সৌভাগ্যে ঈর্ষাযুক্ত হয়ে বলতে লাগল,এদের সৃষ্টি না জানি কোন্ পুণ‍্যবান কোন্ শুভলগ্নে করেছিলেন!প্রভুর দর্শন লাভ করে এরা তো আজ পরম সুন্দর, পুণ‍্যবান ও ধন‍্য হয়ে গেল।যে যে স্থানে শ্রীরামের পাদস্পর্শ করল তাদের সৌভাগ্য ইন্দ্রের অমরাবতীর থেকেও কম নয়।পথের ধারে বসবাসকারীও অতি বড় পুণ‍্যাত্মা, স্বর্গের দেবতাগণও পঞ্চমুখে তাদের প্রশংসা করতে লাগল।যারা সীতাদেবী ও লক্ষ্মণসহ নবজলদশ‍্যাম শ্রীরামকে দর্শন করল তাদের তো পরম সৌভাগ্য।যে যে সরোবর ও নদীতে শ্রীরাম স্নান করলেন তাদের সৌভাগ্যের প্রশংসা দেবসরোবর ও দেবনদীও করতে লাগল।যে সব তরুমূলে শ্রীপ্রভু বিশ্রাম করলেন, কল্পবৃক্ষও তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে গেল।শ্রীরামের পাদপদ্মরজের স্পর্শ লাভ করে ধরিত্রীও নিজেকে ধন‍্য মনে করল।পথশ্রম নিবারণে মেঘ চলার পথকে ছায়াযুক্ত করে দিচ্ছিল।দেবতাগণ শ্রীপ্রভুর স্তুতিরত হয়ে পুষ্প বৃষ্টি করছিলেন।পর্বতমালা,অরণ‍্যভূমি  ও পশুপক্ষীদের দেখতে দেখতে প্রভু শ্রীরাম পথে এগিয়ে যাচ্ছিলেন।*
*🌻সীতাদেবী ও লক্ষ্মণকে নিয়ে শ্রীরঘুনাথ যখনই গ্রামের উপকন্ঠে উপনীত হচ্ছিলেন তখনই তাঁর আগমনবার্তা বিদ‍্যুৎগতিতে ছড়িয়ে পড়েছিল আর বালক,বৃদ্ধ,স্ত্রী,পুরুষ, নির্বিশেষে সকলেই ঘরবাড়ী,কাজকর্ম সব ফেলে সঙ্গে সঙ্গে তাঁর কাছে ছুটে আসছিলেন। শ্রীরাম,শ্রীলক্ষ্মণ ও সীতাদেবীকে সাক্ষাৎ দর্শন করে তারা তাদের নয়ন সার্থক করেছিল আর অসীম সুখ অনুভব করেছিল।আনন্দে তাদের নয়নে প্রেমাশ্রু আর অঙ্গে পুলক শিহরণের অনুভূতি।এমন সময়ে একজন গ্রামবাসী কলসে জল এনে বিনীতভাবে বলল,প্রভু! হাত মুখধুয়ে নিন না!তার প্রেমময় কথাবার্তা শুনে দয়ালু ও পরম সদাচারী প্রভু শ্রীরাম প্রসন্ন হলেন।সীতাকে বিশ্রাম দেবার জন্য তিনি সকলকে নিয়ে বটবৃক্ষের সুশীতল ছায়ায় কিছুক্ষণ বসলেন।তখন গ্রামের নরনারীসব তাঁদের অমিত রূপসুধা পান করে তৃপ্তি লাভ করতে লাগল।পথচারীদের অনুপম রূপ তাদের নয়ন ও মনকে মোহিত করে রেখেছিল।সকলে শ্রীরামের চন্দ্রমুখটি চকোরসম একদৃষ্টে তন্ময় হয়ে দেখতে থাকাই সেই দৃশ্য অত‍্যন্ত সুন্দর হয়ে উঠেছিল।শ্রীপ্রভুর তমাল- বৃক্ষসম অঙ্গকান্তি চারিদিক আলো করে রেখেছিল এবং কোটি মদনকেও নিষ্প্রভ করছিল।দামিনীশুভ্র লক্ষ্মণও  তখন অতীব সুন্দর লাগছিলেন।তাঁর পদনখ থেকে শিখর পর্যন্ত সর্বাঙ্গ রূপের আধার হয়ে জনগণ মন আকর্ষণ করেছিল।দুইভাই তখন মুনিবেশে এবং বল্কলবস্ত্র পরিহিত।কটিতে তাঁদের তূণীরের শোভা আর করকমলে ধনুর্বাণ অনুপম সুশোভিত।*
*🙏বানান ভুল মার্জনীয়*
            *ক্রমাগত*
    ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


৯৪. রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস *🌻এক তেজোদীপ্ত বালকের আগমন ও গুহকের প্রত‍্যাগমন 🌻* ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/03/jaydeb.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁ ৯৪. রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস ꧂
*🌻এক তেজোদীপ্ত বালকের আগমন ও গুহকের প্রত‍্যাগমন 🌻*
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
       ꧁ রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস 🙏 সূচীপত্র ꧂
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/11/blog-post_66.html   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৯৪)🌿তুলসী দাস রামায়ণ🌿*
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
*🌻এইভাবেষপথে অনেকে প্রেমাধিক‍্যে পুলকিত অঙ্গে সজল নয়নে তাঁদের প্রশ্ন করতে থাকে। কিন্তু কৃপাসিন্ধু শ্রীরাম সবিনয়ে তাদের নিরস্ত করতে থাকেন। পথে যেতে যেতে যে সব গ্রাম ও বসতি পড়ল তাদের সৌভাগ্যে নাগ ও দেবলোকবাসীগণ বিচলিত হয়ে পড়লেন।তারা সেই গ্রাম ও বসতিসমূহের পরম সৌভাগ্যে ঈর্ষাযুক্ত হয়ে বলতে লাগল,এদের সৃষ্টি না জানি কোন্ পুণ‍্যবান কোন্ শুভলগ্নে করেছিলেন!প্রভুর দর্শন লাভ করে এরা তো আজ পরম সুন্দর, পুণ‍্যবান ও ধন‍্য হয়ে গেল।যে যে স্থানে শ্রীরামের পাদস্পর্শ করল তাদের সৌভাগ্য ইন্দ্রের অমরাবতীর থেকেও কম নয়।পথের ধারে বসবাসকারীও অতি বড় পুণ‍্যাত্মা, স্বর্গের দেবতাগণও পঞ্চমুখে তাদের প্রশংসা করতে লাগল।যারা সীতাদেবী ও লক্ষ্মণসহ নবজলদশ‍্যাম শ্রীরামকে দর্শন করল তাদের তো পরম সৌভাগ্য।যে যে সরোবর ও নদীতে শ্রীরাম স্নান করলেন তাদের সৌভাগ্যের প্রশংসা দেবসরোবর ও দেবনদীও করতে লাগল।যে সব তরুমূলে শ্রীপ্রভু বিশ্রাম করলেন, কল্পবৃক্ষও তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে গেল।শ্রীরামের পাদপদ্মরজের স্পর্শ লাভ করে ধরিত্রীও নিজেকে ধন‍্য মনে করল।পথশ্রম নিবারণে মেঘ চলার পথকে ছায়াযুক্ত করে দিচ্ছিল।দেবতাগণ শ্রীপ্রভুর স্তুতিরত হয়ে পুষ্প বৃষ্টি করছিলেন।পর্বতমালা,অরণ‍্যভূমি  ও পশুপক্ষীদের দেখতে দেখতে প্রভু শ্রীরাম পথে এগিয়ে যাচ্ছিলেন।*
*🌻সীতাদেবী ও লক্ষ্মণকে নিয়ে শ্রীরঘুনাথ যখনই গ্রামের উপকন্ঠে উপনীত হচ্ছিলেন তখনই তাঁর আগমনবার্তা বিদ‍্যুৎগতিতে ছড়িয়ে পড়েছিল আর বালক,বৃদ্ধ,স্ত্রী,পুরুষ, নির্বিশেষে সকলেই ঘরবাড়ী,কাজকর্ম সব ফেলে সঙ্গে সঙ্গে তাঁর কাছে ছুটে আসছিলেন। শ্রীরাম,শ্রীলক্ষ্মণ ও সীতাদেবীকে সাক্ষাৎ দর্শন করে তারা তাদের নয়ন সার্থক করেছিল আর অসীম সুখ অনুভব করেছিল।আনন্দে তাদের নয়নে প্রেমাশ্রু আর অঙ্গে পুলক শিহরণের অনুভূতি।এমন সময়ে একজন গ্রামবাসী কলসে জল এনে বিনীতভাবে বলল,প্রভু! হাত মুখধুয়ে নিন না!তার প্রেমময় কথাবার্তা শুনে দয়ালু ও পরম সদাচারী প্রভু শ্রীরাম প্রসন্ন হলেন।সীতাকে বিশ্রাম দেবার জন্য তিনি সকলকে নিয়ে বটবৃক্ষের সুশীতল ছায়ায় কিছুক্ষণ বসলেন।তখন গ্রামের নরনারীসব তাঁদের অমিত রূপসুধা পান করে তৃপ্তি লাভ করতে লাগল।পথচারীদের অনুপম রূপ তাদের নয়ন ও মনকে মোহিত করে রেখেছিল।সকলে শ্রীরামের চন্দ্রমুখটি চকোরসম একদৃষ্টে তন্ময় হয়ে দেখতে থাকাই সেই দৃশ্য অত‍্যন্ত সুন্দর হয়ে উঠেছিল।শ্রীপ্রভুর তমাল- বৃক্ষসম অঙ্গকান্তি চারিদিক আলো করে রেখেছিল এবং কোটি মদনকেও নিষ্প্রভ করছিল।দামিনীশুভ্র লক্ষ্মণও  তখন অতীব সুন্দর লাগছিলেন।তাঁর পদনখ থেকে শিখর পর্যন্ত সর্বাঙ্গ রূপের আধার হয়ে জনগণ মন আকর্ষণ করেছিল।দুইভাই তখন মুনিবেশে এবং বল্কলবস্ত্র পরিহিত।কটিতে তাঁদের তূণীরের শোভা আর করকমলে ধনুর্বাণ অনুপম সুশোভিত।*
*🙏বানান ভুল মার্জনীয়*
            *ক্রমাগত*
    ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


১. বৈষ্ণব বিবৃতি 🙏 শ্রীযুক্ত মধুসূদন তত্ত্ববাচস্পতি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/03/boisnob-bibriti.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                      ꧁ ১. বৈষ্ণব বিবৃতি ꧂
             ꧁ শ্রীযুক্ত মধুসূদন তত্ত্ববাচস্পতি ꧂
           ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ JoydebDaw.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
     এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🙏ওঁ নমঃ ভগবতে শ্রীকৃষ্ণায়।🙏*
*০১🙏🙏 বৈষ্ণব বিবৃতি🙏🙏*
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
*🌻স্মরণাতীত প্রাচীন কাল হতে যে এক মহান্ ধর্মমত ভারতের বক্ষে মধ‍্যাহ্ন-তপনের ন‍্যায় উদ্ভাসিত রয়েছে, সাধারণতঃ তা সনাতন আর্য‍্য ধর্ম বা হিন্দুধর্ম নামে অভিহিত।এই বিশাল হিন্দুধর্ম আবার বহু উপাসক সম্প্রদায়ে বিভক্ত ; তন্মধ‍্যে বৈষ্ণব, শাক্ত,শৈব,সৌর ও গাণপত‍্য এই পঞ্চ উপাসক সম্প্রদায়ই প্রধান।আমাদের আলোচ‍্য বৈষ্ণব-সম্পদায় ও বৈষ্ণবধর্ম যে অনাদি-সিদ্ধ, অতি প্রাচীন এবং সম্পূর্ণ বৈদিক,শাস্ত্রে তার ভূরি ভূরি প্রমাণ পরিদৃষ্ট হয়।বিষ্ণু বৈদিক দেবতা, সুতরাং বিষ্ণু-উপাসনা যে বেদসিদ্ধ তাতে কোন সন্দেহ নেই। ঋক্ সাম যজু ওঅথর্ব এই চারবেদেই বিষ্ণু-উপাসনার বিধি দেখা যায়।শ্রুতি-স্মৃতি-পুরাণাদি শাস্ত্রে যে পরতত্ত্ব পরমেশ্বরের বিষয় বর্ণিত হয়েছে,সেই সৃষ্টি-স্থিতি-লয়কর্তা সর্বনিয়ন্তা শ্রীভগবানই বিষ্ণু।বিষ্ণু শব্দের ব‍্যুৎপত্তি, "বেবেষ্টি ব‍্যাপ্নোতি বিশ্বং যঃ" অর্থ‍্যাৎ যিনি বিশ্বকে ব‍্যাপিয়া আছেন অথবা "বেষতি সিঞ্চতি আপ‍্যায়তে বিশ্বমিতি" অর্থ‍্যাৎ বিশ্বকে আপ‍্যায়িত করছেন,তিনিই বিষ্ণু।কিম্বা "বিষ্ণাতি বিযুনতি ভক্তান্ মায়াপসারণেন সংসারাদিতি" অর্থ‍্যাৎ মায়াপসারণ পূর্বক যিনি ভক্তগণকে সংসার হতে বিমুক্ত করেন, তিনিই বিষ্ণু।পরন্তু "বিশতি সর্বভূতানি বিশন্তি সর্বভূতানি অত্রেতি"।*
*যস্মাদ্বিশ্বমিদং সর্বং তস‍্য শক্ত‍্যা মহাত্মনঃ।*
*তস্মাদেবোচ‍্যতে বিষ্ণুর্বিশধাতোঃ প্রবেশনাৎ।।*
                        *(বিষ্ণুপুরাণম্)*
*🌻অর্থ‍্যাৎ সর্বভূতে যিনি অনুপ্রবিষ্ট রয়েছেন এবং সর্বভূতও যাঁতে অনুপ্রবিষ্ট(মধ‍্যগত বা ভিতরে প্রবেশ)রয়েছেন,তিনিই বিষ্ণু।এই জন্যই অগ্নি-পুরাণে লিখিত হয়েছে,*
*স এব সৃজ‍্যঃ স চ স্বর্গকর্তা স এব পাতা স চ পাল‍্যতে চ।*
*ব্রহ্মাদ‍্যবস্থাভিরশেষ মূর্তি র্বিষ্ণুর্বরিষ্ঠো বরদো বরেণ‍্যঃ।।*
*🌻অর্থ‍্যাৎ সেই বিষ্ণুই সৃজ‍্য,আবার তিনিই স্রষ্টা,তিনিই পাল‍্য ,তিনিই পালয়িতা,ব্রহ্মাদি নিখিল দেবতা তাঁরই মূর্তি ; সুতরাং বিষ্ণুই বরিষ্ঠ,বিষ্ণুই বরদ,বিষ্ণুই বরেণ‍্য।*
*🌻বৈষ্ণব শব্দের শাব্দিক ব‍্যুৎপত্তি,এই বিষ্ণু শব্দ হতেই নিষ্পন্ন। যথা="বিষ্ণুর্দেবতা অস‍্য ইতি বৈষ্ণবঃ।সম্বন্ধার্থে "ষ্ণঃ" প্রত‍্যয়ঃ।দেবত্তেতি ইষ্টদেবত্বে প্রয়োগঃ অর্থ‍্যাৎ বিষ্ণুমন্ত্রেণ দীক্ষিতঃ।যিনি বিষ্ণুর সহিত সম্বন্ধবদ্ধ হয়েছেন অর্থ‍্যাৎ বিষ্ণুই যাঁর উপাস‍্য দেবতা হয়েছেন  বা বিষ্ণুমন্ত্রে দীক্ষিত হয়েছেন,তিনিই বৈষ্ণব।*
*🙏বানান,ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
              🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                              🙏 ক্রমাগত 🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                      ꧁ ২. বৈষ্ণব বিবৃতি ꧂
             ꧁ শ্রীযুক্ত মধুসূদন তত্ত্ববাচস্পতি ꧂
           ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



পরমেশ্বর ভগবান ❤️ শ্রীগৌরাঙ্গসুন্দরের❤️ শুভাতিশুভ আবির্ভাব তিথি 👣 সর্বসিদ্ধিকরী সর্বশুভপ্রদ সর্বাশুভহরণকারী ফাল্গুনী পূর্ণিমা তিথি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/03/gouranga.html

 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧    
꧁ শ্রীগৌরাঙ্গসুন্দরের শুভাতিশুভ আবির্ভাব তিথি ꧂
           ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই  ꧂
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


সর্বসিদ্ধিকর সর্বশুভপ্রদ সর্বাশুভহরণকারী ফাল্গুনী পূর্ণিমা তিথি* :

*পরমেশ্বর ভগবান শ্রীগৌরাঙ্গসুন্দরের শুভাতিশুভ আবির্ভাব তিথি* :

*বিনম্র নিবেদন* 

*মহাপ্রভুর আবির্ভাবের কারণ ও তাৎপর্য*
 

স্বয়ং ভগবান গোবিন্দ ভক্তকে প্রেমরস আস্বাদন করাবেন এই অভিপ্রায়ে যেমন গৌরাঙ্গ রূপে আবির্ভূত হয়েছেন, তেমনি নিজেও প্রেমরসে অভিষিক্ত হবেন এই বাসনাও তাঁর মনে ছিল প্রবল। হ্লাদিনী বিলাসরূপী নিজলীলাশক্তি শ্রীমতি রাধারাণীর অন্তরের প্রেমরস তিনি আস্বাদন করবেন। তাই তিনি গৌর রূপে এসেছেন।কৃষ্ণদাসকবিরাজ গোস্বামী বলেছেন
*#শ্রীরাধায়াঃ_প্রণয়মহিমা_কীদৃশো_বানয়ৈবা* -
*#স্বাদ্যো_যেনাদ্ভূতমধুরিমা_কীদৃশো_বা_মদীয়ঃ* ।
*#সৌখ্যঞ্চাস্যা_মদনুভবতঃ_কীদৃশং_বেতি_লোভাৎ*
*#তদ্ভাবাঢ্য_সমজনি_শচীগর্ভসিন্ধৌ_হরীন্দুঃ* ।।
অর্থাৎরাধারাণির প্রণয়মহিমা কিরূপ? শ্রীকৃষ্ণের অদ্ভুত প্রেমমাধুর্য্য যা রাধারাণী আস্বাদন করেন সেই প্রেমমাধুর্য্যই বা কেমন? এবং কৃষ্ণপ্রেম আস্বাদন করে রাধারানীই বা কিরকম সুখ লাভ করেন? এই তিনটি বিষয়ে জানার আগ্রহ নিয়ে কৃষ্ণ শচীমায়ের গর্ভে গৌর রূপে আবির্ভূত হলেন।

প্রথম কারণ: কৃষ্ণ পরমেশ্বর ভগবান । জগতের সমস্ত কার্যের কারণ তিনি।তাঁর ইচ্ছা ব্যতীত জগতে একটি গাছের পাতাও নড়ে না। অথচ সেই তিনি ভগবান হয়েও বৃষভানু রাজনন্দিনীর প্রণয়মহিমা বুঝতে পারলেন না? কি আশ্চর্য! এতে আশ্চর্য হবার কিছু নেই ।কারণ ভগবান চিরকাল ভক্তকে নিজের থেকেও উঁচুতে বসাতে ভালোবাসেন।আর রাধারাণীর থেকে বড় ভক্ত আর কে বা আছে এই জগতে? তাই কৃষ্ণ ভগবান হয়েও ভক্ত রাধিকার প্রেমমহিমা বুঝতে অসমর্থ ।আসলে সবটাই তাঁর লীলা।তিনি যদি প্রেমের মহিমা দ্বাপরেই বুঝে যাবেন তাহলে কলিযুগে তিনি গৌররূপে কিভাবে আবির্ভূত হবেন? তাই গৌররূপে আবির্ভাবের সার্থকতার জন্য তিনি রাধার প্রণয়মহিমা বুঝেও বুঝলেন না। 

দ্বিতীয় কারণ: কৃষ্ণের অদ্ভুত প্রেমমাধুর্য্য যা রাধারাণী আস্বাদন করেন সেই প্রেমমাধুর্য্যই বা কেমন তা কৃষ্ণ জানেন না।নিজের জিনিসকে নিজে জানবেন না তাতো হতে পারে না।নিজের প্রেমমাধুর্য্য কীরূপ কৃষ্ণ তা খুব ভালোভাবেই জানেন।কিন্তু সেই প্রেমকে কৃষ্ণ নিজের হৃদয় দিয়ে নয় রাধারাণীর হৃদয় দিয়ে বুঝতে চান।তাই তিনি বললেন -"যা রাধারাণী আস্বাদন করেন সেই প্রেমমাধুর্য্য কীরূপ?" ধরা যাক একজন মানুষ কে দেখতে কিরকম সেটা সেই মানুষ নিজে কখনোই বুঝতে পারেন না যতক্ষণ না সে আয়নার কাছে আসছে।কৃষ্ণের কাছে তাঁর হৃদয়ের আয়না হল রাধারাণী। যাঁর মধ্যে দিয়ে তিনি নিজেকে দেখতে পান।নিজের প্রেমমাধুর্য্যও রাধারাণীর চোখ দিয়ে নতুনভাবে প্রতিভাত হয় ভগবানের কাছে। তাই রাধারাণির হৃদয় দিয়ে তিনি নিজের প্রেমমাধুর্য্য অনুভব করতে চাইলেন।

তৃতীয় কারণ: কৃষ্ণপ্রেম অনুভব করে রাধারানি কত সুখী হন সেই সুখের পরিমাণ-পরিমাপও কৃষ্ণ জানেন না।ধরা যাক মিছরি একপ্রকার মিষ্ট খাদ্যবস্তু।কিন্তু সবার কাছে তা সমান মিষ্টি নাও হতে পারে।সুতরাং রাধারাণীর কাছে তাঁর প্রেমের মিষ্টতা কতটা সেটা তিনি জানতে চান। ভালোবাসা জিনিসটা এমন যা রাধারাণীর কাছে একরকম, কুব্জার কাছে একরকম আবার সত্যভামা আদি দ্বারকার মহিষীদের কাছে আরেকরকম।তাহলে কৃষ্ণ কেন শুধু রাধারাণীর ভালোবাসাজাত সুখ অনুভব করতে চাইছেন?? কুব্জা বা সত্যভামা এঁদের প্রেমজাত সুখ কেন অনুভব করতে চাইছেন না?? 
তাহলে বিস্তৃতে আসা যাক।কুব্জার প্রেমের স্বভাব এইরকম যে আমার প্রেমে কৃষ্ণ সুখী হোক বা না  হোক আমি যেন কৃষ্ণ কে ভালোবেসে সুখ পাই।সত্যভামার প্রেমের স্বভাব এইরকম যে আমিও কৃষ্ণ কে ভালোবাসব আর কৃষ্ণও আমাকে ভালোবাসবে।সুতরাং এই দুই এর ভালোবাসাতেই স্বার্থ আছে। নিঃস্বার্থ প্রেম নয়।কিন্তু বৃষভানু রাজ নন্দিনীর প্রেমের স্বভাব কিরকম? আমি কৃষ্ণকে ভালোবেসে যত দুঃখই পাই না কেন কৃষ্ণ যেন আমাকে ভালোবেসে সুখ পায় ।এই নিঃস্বার্থ ভালবাসা একমাত্র রাধারাণীর মধ্যেই আছে।তাই কৃষ্ণ রাধারাণীর প্রেমের সুখ জানতে চান।
এখানে একটি প্রশ্ন জাগতে পারে। একটু আগেই বলা হল যে রাধারাণী যত দুঃখই পান না কেন ...আবার বলা হচ্ছে কৃষ্ণ জানতে চান রাধারাণীর সুখ।একবার বলা হল রাধারাণীর দুঃখ আবার বলা হল রাধারাণীর সুখ।এই আপাত বিরোধিতা কিভাবে সম্ভব? 
রাধারাণী কৃষ্ণবিরহজনিত দুঃখকেই সুখ বলে জানেন।কৃষ্ণের সুখেই তাঁর সুখ।কৃষ্ণ যদি নিজ বিরহজনিত বেদনা দিয়ে রাধারাণীর অন্তরকে বিদ্ধ করে সুখ পান তাহলে রাধারাণী শত দুঃখে দুঃখী হয়েও প্রকৃত সুখী কারণ তাঁর প্রাণের প্রিয়জন টি যে সুখে আছেন ।এর থেকে সুখের খবর আর কি হতে পারে? তাই রাধারাণীর দুঃখই রাধারাণীর সুখ।সুখ আর দুঃখ রাধারাণীর কাছে আলাদা নয়।একটি মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ।প্রাণেশ্বরী দুঃখেও সুখী, আবার সুখেও দুঃখী। এখানে অনুভবের বৈচিত্র্যী রয়েছে। বিরহে একান্ত মিলনের সংস্মরণ জনিত আনন্দ, আর মিলনে হারাই হারাই ভাব সেখানেও দুঃখ। এই দুঃখ বা পীড়া নবকালকূটের গর্বকেও পরাভূত করে। প্রেমের গতি বিপরীতমুখী।যেমন বরফ হাতে নিলে মনে হয় যেন হাতটা পুড়ে যাচ্ছে, সেই প্রকার প্রেমানন্দের অত্যন্ত ঘনীভূত রূপ এই দুঃখ। এ বলে বোঝাবার নয়, যার হয়েছে সেই জানে। *#এই_প্রেমা_যার_মনে_তার_বিক্রম_সেই_জানে*। সে সান্দ্রানন্দ বিশেষাত্মা হয়ে যায়,যা কৃষ্ণকেও আকর্ষণ করে। আমার বিরহেও রাধারাণী কি সুখ পায়, কি তার আস্বাদন, এটাই কৃষ্ণ জানতে চান।এইসুখ জানতে চাওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ পাওয়াই মহাপ্রভুর আবির্ভাবের অন্তরঙ্গ কারণ।

উপরিউক্ত তিনটি কারণের ওপর কৃষ্ণের আগ্রহ জন্মেছে।তাই তিনি রাধারাণীর ভাবকান্তি অঙ্গীকার করে নবদ্বীপে আমাদের প্রাণের ঠাকুর রূপে এসেছেন। এখন এলেই তো হবে না।যে কারণে তাঁর আসা সেই রস আস্বাদন তাকে নিজেকে করতে হবে।তাই তিনি জীবনের অন্তিম বর্ষগুলিতে গম্ভীরার ঐ ছোট্ট ঘরটির মধ্যে থেকে রাধাপ্রেম আস্বাদন করতেন।তিনি তো সাক্ষাত কৃষ্ণ ।রাধার কান্তি ধারণ করায় তাঁর গাত্রবর্ণ কৃষ্ণবর্ণ না হয়ে স্বর্ণবর্ণ হয়েছে।তাই গৌররূপীগোবিন্দ বৃন্দাবনরূপীগম্ভীরা তে বসে কেবলমাত্র রাধারাণীর ভাবরস আস্বাদন করেছেন ।মহাপ্রভুর প্রধান পার্ষদ শ্রীস্বরূপদামোদর গোস্বামী এই রস আস্বাদনের বর্ণনা নিজকৃত গ্রন্থে দিয়েছেন।

এখন ভগবান একা একা নিজেই নিজের প্রেমরস আস্বাদন করবেন তা তো হয় না।তাহলে তো তিনি স্বার্থপর হয়ে পড়লেন।তিনি তো স্বার্থপর হতে পারেন না।তাই তিনি প্রেমরস নিজেও আস্বাদন করলেন ভক্তদেরকেও করালেন।ব্যাপারটা অনেকটা এইরকম।ধরাযাক রাধাকৃষ্ণের প্রেমরস হল মধু।মহাপ্রভু দুহাত ভরে সেই মধু পান করছেন,আর ভক্তরা বসে আছে তাঁর পায়ের কাছে এই আশায় যে , মধু খেতে খেতে কখন মহাপ্রভুর দুহাতের আঙুলের ফাঁক দিয়ে সেই মধু টপটপ করে বিন্দুর আকারে মাটিতে পড়বে।বুদ্ধিমান ভক্তরা মহাপ্রভুর হাতের তলাতেই নিজেদের হাত পেতে রেখেছেন। প্রেমরসরূপী মধু মাটিতে পড়ার আগেই ভক্তের হাতে পড়বে এবং ভক্তরা পরমানন্দে গ্রহণ করবে ভগবানের অধরামৃত। তাইতো মহাপ্রভু শুধু নিজে নয়, সেই প্রেমরস মধুপান করালেন রূপ-সনাতনকে,পান করালিন রায় রামানন্দ কে, পান করালেন ঠাকুর হরিদাস কে।ভক্ত কে তিনি প্রেমমধু পান করিয়েই ছাড়বেন। দায় যেন তাঁর । আমাদের কোনো দায় নেই।কিন্তু তিনি দায়িত্বশীল অভিভাবক।যা ভালো তা নিজে আস্বাদন করে সন্তানরূপী ভক্তদের দেবেন। আজো দিচ্ছেন।
*#অদ্যাপিহ_সেই_লীলা_করে_গোরারায়।
*#কোনো_কোনো_ভাগ্যবান_দেখিবারে_পায় ।।
আমাদের শুধু তাঁর পদপ্রান্তে গিয়ে হাত পেতে বসে থাকতে হবে।মধুর বিন্দু আপনা হতেই তাঁর হাতের আঙুলের  ফাঁক দিয়ে গড়িয়ে আমাদের হাতে পড়বে। দরকার শুধু শরণাগতি।
*জয় নিতাই!*
*🌹🌹🙏🙏🌹🌹*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-বাগুইপাড়া, বাগুইআটি,  উত্তর চব্বিশ পরগনা, কোলকাতা-৭০০১৫৯
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

পরমেশ্বর ভগবান ❤️ শ্রীগৌরাঙ্গসুন্দরের❤️ শুভাতিশুভ আবির্ভাব তিথি 👣 সর্বসিদ্ধিকরী সর্বশুভপ্রদ সর্বাশুভহরণকারী ফাল্গুনী পূর্ণিমা তিথি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/03/gouranga.html

 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧    
꧁ শ্রীগৌরাঙ্গসুন্দরের শুভাতিশুভ আবির্ভাব তিথি ꧂
           ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই  ꧂
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সর্বসিদ্ধিকরী_সর্বশুভপ্রদ_সর্বাশুভহরণকারী_ফাল্গুনী_পূর্ণিমা_তিথি* :

*#পরমেশ্বর_ভগবান_শ্রীগৌরাঙ্গসুন্দরের_শুভাতিশুভ_আবির্ভাব_তিথি* :
*#বিনম্র_নিবেদন* *#মহাপ্রভুর_আবির্ভাবের_কারণ_ও_তাৎপর্য*
 

স্বয়ং ভগবান গোবিন্দ ভক্তকে প্রেমরস আস্বাদন করাবেন এই অভিপ্রায়ে যেমন গৌরাঙ্গ রূপে আবির্ভূত হয়েছেন, তেমনি নিজেও প্রেমরসে অভিষিক্ত হবেন এই বাসনাও তাঁর মনে ছিল প্রবল। হ্লাদিনী বিলাসরূপী নিজলীলাশক্তি শ্রীমতি রাধারাণীর অন্তরের প্রেমরস তিনি আস্বাদন করবেন। তাই তিনি গৌর রূপে এসেছেন।কৃষ্ণদাসকবিরাজ গোস্বামী বলেছেন
*#শ্রীরাধায়াঃ_প্রণয়মহিমা_কীদৃশো_বানয়ৈবা* -
*#স্বাদ্যো_যেনাদ্ভূতমধুরিমা_কীদৃশো_বা_মদীয়ঃ* ।
*#সৌখ্যঞ্চাস্যা_মদনুভবতঃ_কীদৃশং_বেতি_লোভাৎ*
*#তদ্ভাবাঢ্য_সমজনি_শচীগর্ভসিন্ধৌ_হরীন্দুঃ* ।।
অর্থাৎরাধারাণির প্রণয়মহিমা কিরূপ? শ্রীকৃষ্ণের অদ্ভুত প্রেমমাধুর্য্য যা রাধারাণী আস্বাদন করেন সেই প্রেমমাধুর্য্যই বা কেমন? এবং কৃষ্ণপ্রেম আস্বাদন করে রাধারানীই বা কিরকম সুখ লাভ করেন? এই তিনটি বিষয়ে জানার আগ্রহ নিয়ে কৃষ্ণ শচীমায়ের গর্ভে গৌর রূপে আবির্ভূত হলেন।

প্রথম কারণ: কৃষ্ণ পরমেশ্বর ভগবান । জগতের সমস্ত কার্যের কারণ তিনি।তাঁর ইচ্ছা ব্যতীত জগতে একটি গাছের পাতাও নড়ে না। অথচ সেই তিনি ভগবান হয়েও বৃষভানু রাজনন্দিনীর প্রণয়মহিমা বুঝতে পারলেন না? কি আশ্চর্য! এতে আশ্চর্য হবার কিছু নেই ।কারণ ভগবান চিরকাল ভক্তকে নিজের থেকেও উঁচুতে বসাতে ভালোবাসেন।আর রাধারাণীর থেকে বড় ভক্ত আর কে বা আছে এই জগতে? তাই কৃষ্ণ ভগবান হয়েও ভক্ত রাধিকার প্রেমমহিমা বুঝতে অসমর্থ ।আসলে সবটাই তাঁর লীলা।তিনি যদি প্রেমের মহিমা দ্বাপরেই বুঝে যাবেন তাহলে কলিযুগে তিনি গৌররূপে কিভাবে আবির্ভূত হবেন? তাই গৌররূপে আবির্ভাবের সার্থকতার জন্য তিনি রাধার প্রণয়মহিমা বুঝেও বুঝলেন না। 

দ্বিতীয় কারণ: কৃষ্ণের অদ্ভুত প্রেমমাধুর্য্য যা রাধারাণী আস্বাদন করেন সেই প্রেমমাধুর্য্যই বা কেমন তা কৃষ্ণ জানেন না।নিজের জিনিসকে নিজে জানবেন না তাতো হতে পারে না।নিজের প্রেমমাধুর্য্য কীরূপ কৃষ্ণ তা খুব ভালোভাবেই জানেন।কিন্তু সেই প্রেমকে কৃষ্ণ নিজের হৃদয় দিয়ে নয় রাধারাণীর হৃদয় দিয়ে বুঝতে চান।তাই তিনি বললেন -"যা রাধারাণী আস্বাদন করেন সেই প্রেমমাধুর্য্য কীরূপ?" ধরা যাক একজন মানুষ কে দেখতে কিরকম সেটা সেই মানুষ নিজে কখনোই বুঝতে পারেন না যতক্ষণ না সে আয়নার কাছে আসছে।কৃষ্ণের কাছে তাঁর হৃদয়ের আয়না হল রাধারাণী। যাঁর মধ্যে দিয়ে তিনি নিজেকে দেখতে পান।নিজের প্রেমমাধুর্য্যও রাধারাণীর চোখ দিয়ে নতুনভাবে প্রতিভাত হয় ভগবানের কাছে। তাই রাধারাণির হৃদয় দিয়ে তিনি নিজের প্রেমমাধুর্য্য অনুভব করতে চাইলেন।

তৃতীয় কারণ: কৃষ্ণপ্রেম অনুভব করে রাধারানি কত সুখী হন সেই সুখের পরিমাণ-পরিমাপও কৃষ্ণ জানেন না।ধরা যাক মিছরি একপ্রকার মিষ্ট খাদ্যবস্তু।কিন্তু সবার কাছে তা সমান মিষ্টি নাও হতে পারে।সুতরাং রাধারাণীর কাছে তাঁর প্রেমের মিষ্টতা কতটা সেটা তিনি জানতে চান। ভালোবাসা জিনিসটা এমন যা রাধারাণীর কাছে একরকম, কুব্জার কাছে একরকম আবার সত্যভামা আদি দ্বারকার মহিষীদের কাছে আরেকরকম।তাহলে কৃষ্ণ কেন শুধু রাধারাণীর ভালোবাসাজাত সুখ অনুভব করতে চাইছেন?? কুব্জা বা সত্যভামা এঁদের প্রেমজাত সুখ কেন অনুভব করতে চাইছেন না?? 
তাহলে বিস্তৃতে আসা যাক।কুব্জার প্রেমের স্বভাব এইরকম যে আমার প্রেমে কৃষ্ণ সুখী হোক বা না  হোক আমি যেন কৃষ্ণ কে ভালোবেসে সুখ পাই।সত্যভামার প্রেমের স্বভাব এইরকম যে আমিও কৃষ্ণ কে ভালোবাসব আর কৃষ্ণও আমাকে ভালোবাসবে।সুতরাং এই দুই এর ভালোবাসাতেই স্বার্থ আছে। নিঃস্বার্থ প্রেম নয়।কিন্তু বৃষভানু রাজ নন্দিনীর প্রেমের স্বভাব কিরকম? আমি কৃষ্ণকে ভালোবেসে যত দুঃখই পাই না কেন কৃষ্ণ যেন আমাকে ভালোবেসে সুখ পায় ।এই নিঃস্বার্থ ভালবাসা একমাত্র রাধারাণীর মধ্যেই আছে।তাই কৃষ্ণ রাধারাণীর প্রেমের সুখ জানতে চান।
এখানে একটি প্রশ্ন জাগতে পারে। একটু আগেই বলা হল যে রাধারাণী যত দুঃখই পান না কেন ...আবার বলা হচ্ছে কৃষ্ণ জানতে চান রাধারাণীর সুখ।একবার বলা হল রাধারাণীর দুঃখ আবার বলা হল রাধারাণীর সুখ।এই আপাত বিরোধিতা কিভাবে সম্ভব? 
রাধারাণী কৃষ্ণবিরহজনিত দুঃখকেই সুখ বলে জানেন।কৃষ্ণের সুখেই তাঁর সুখ।কৃষ্ণ যদি নিজ বিরহজনিত বেদনা দিয়ে রাধারাণীর অন্তরকে বিদ্ধ করে সুখ পান তাহলে রাধারাণী শত দুঃখে দুঃখী হয়েও প্রকৃত সুখী কারণ তাঁর প্রাণের প্রিয়জন টি যে সুখে আছেন ।এর থেকে সুখের খবর আর কি হতে পারে? তাই রাধারাণীর দুঃখই রাধারাণীর সুখ।সুখ আর দুঃখ রাধারাণীর কাছে আলাদা নয়।একটি মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ।প্রাণেশ্বরী দুঃখেও সুখী, আবার সুখেও দুঃখী। এখানে অনুভবের বৈচিত্র্যী রয়েছে। বিরহে একান্ত মিলনের সংস্মরণ জনিত আনন্দ, আর মিলনে হারাই হারাই ভাব সেখানেও দুঃখ। এই দুঃখ বা পীড়া নবকালকূটের গর্বকেও পরাভূত করে। প্রেমের গতি বিপরীতমুখী।যেমন বরফ হাতে নিলে মনে হয় যেন হাতটা পুড়ে যাচ্ছে, সেই প্রকার প্রেমানন্দের অত্যন্ত ঘনীভূত রূপ এই দুঃখ। এ বলে বোঝাবার নয়, যার হয়েছে সেই জানে। *#এই_প্রেমা_যার_মনে_তার_বিক্রম_সেই_জানে*। সে সান্দ্রানন্দ বিশেষাত্মা হয়ে যায়,যা কৃষ্ণকেও আকর্ষণ করে। আমার বিরহেও রাধারাণী কি সুখ পায়, কি তার আস্বাদন, এটাই কৃষ্ণ জানতে চান।এইসুখ জানতে চাওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ পাওয়াই মহাপ্রভুর আবির্ভাবের অন্তরঙ্গ কারণ।

উপরিউক্ত তিনটি কারণের ওপর কৃষ্ণের আগ্রহ জন্মেছে।তাই তিনি রাধারাণীর ভাবকান্তি অঙ্গীকার করে নবদ্বীপে আমাদের প্রাণের ঠাকুর রূপে এসেছেন। এখন এলেই তো হবে না।যে কারণে তাঁর আসা সেই রস আস্বাদন তাকে নিজেকে করতে হবে।তাই তিনি জীবনের অন্তিম বর্ষগুলিতে গম্ভীরার ঐ ছোট্ট ঘরটির মধ্যে থেকে রাধাপ্রেম আস্বাদন করতেন।তিনি তো সাক্ষাত কৃষ্ণ ।রাধার কান্তি ধারণ করায় তাঁর গাত্রবর্ণ কৃষ্ণবর্ণ না হয়ে স্বর্ণবর্ণ হয়েছে।তাই গৌররূপীগোবিন্দ বৃন্দাবনরূপীগম্ভীরা তে বসে কেবলমাত্র রাধারাণীর ভাবরস আস্বাদন করেছেন ।মহাপ্রভুর প্রধান পার্ষদ শ্রীস্বরূপদামোদর গোস্বামী এই রস আস্বাদনের বর্ণনা নিজকৃত গ্রন্থে দিয়েছেন।

এখন ভগবান একা একা নিজেই নিজের প্রেমরস আস্বাদন করবেন তা তো হয় না।তাহলে তো তিনি স্বার্থপর হয়ে পড়লেন।তিনি তো স্বার্থপর হতে পারেন না।তাই তিনি প্রেমরস নিজেও আস্বাদন করলেন ভক্তদেরকেও করালেন।ব্যাপারটা অনেকটা এইরকম।ধরাযাক রাধাকৃষ্ণের প্রেমরস হল মধু।মহাপ্রভু দুহাত ভরে সেই মধু পান করছেন,আর ভক্তরা বসে আছে তাঁর পায়ের কাছে এই আশায় যে , মধু খেতে খেতে কখন মহাপ্রভুর দুহাতের আঙুলের ফাঁক দিয়ে সেই মধু টপটপ করে বিন্দুর আকারে মাটিতে পড়বে।বুদ্ধিমান ভক্তরা মহাপ্রভুর হাতের তলাতেই নিজেদের হাত পেতে রেখেছেন। প্রেমরসরূপী মধু মাটিতে পড়ার আগেই ভক্তের হাতে পড়বে এবং ভক্তরা পরমানন্দে গ্রহণ করবে ভগবানের অধরামৃত। তাইতো মহাপ্রভু শুধু নিজে নয়, সেই প্রেমরস মধুপান করালেন রূপ-সনাতনকে,পান করালিন রায় রামানন্দ কে, পান করালেন ঠাকুর হরিদাস কে।ভক্ত কে তিনি প্রেমমধু পান করিয়েই ছাড়বেন। দায় যেন তাঁর । আমাদের কোনো দায় নেই।কিন্তু তিনি দায়িত্বশীল অভিভাবক।যা ভালো তা নিজে আস্বাদন করে সন্তানরূপী ভক্তদের দেবেন। আজো দিচ্ছেন।
*#অদ্যাপিহ_সেই_লীলা_করে_গোরারায়।
*#কোনো_কোনো_ভাগ্যবান_দেখিবারে_পায় ।।
আমাদের শুধু তাঁর পদপ্রান্তে গিয়ে হাত পেতে বসে থাকতে হবে।মধুর বিন্দু আপনা হতেই তাঁর হাতের আঙুলের  ফাঁক দিয়ে গড়িয়ে আমাদের হাতে পড়বে। দরকার শুধু শরণাগতি।
*জয় নিতাই!*
*🌹🌹🙏🙏🌹🌹*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-বাগুইপাড়া, বাগুইআটি,  উত্তর চব্বিশ পরগনা, কোলকাতা-৭০০১৫৯
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

শ্রীআমলকী একাদশী ব্রতের মাহাত্ম‍্য কি ❓ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/03/ekadoshi.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
        ꧁ শ্রীআমলকী একাদশী ব্রতের মাহাত্ম‍্য 
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ https://Gopisharan.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*শ্রীআমলকী একাদশী ব্রতের মাহাত্ম‍্য*

যুধিষ্ঠির বললেন-হে কৃষ্ণ! মহাফলদাতা বিজয়া একাদশীর কথা শুনলাম।এখন ফাল্গুন মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী যে নামে বিখ্যাত তা বর্ণনা করুন।
      
শ্রীকৃষ্ণ বললেন- হে মহাভাগ যুধিষ্ঠির!
মান্ধাতার প্রশ্নের উত্তরে মহাত্মা বশিষ্ঠ এই একাদশীর মহিমা কীর্তন করেছিলেন। আপনার কাছে এখন আমি সেই কথা বলছি।
        
এই একাদশীর নাম 'আমলকী'। বিষ্ণুলোক
প্রদানকারী রূপে এই একাদশী বিশেষভাবে মহিমান্বিত। একাদশীর দিন আমলকী বৃক্ষের তলে রাত্রি জাগরণ করলে সহস্র গাভী দানের ফল লাভ হয়।
        
হে পান্ডুনন্দন! পূর্বে ব্রহ্মার রাত্রিতে দৈনন্দিন প্রলয় উপস্থিত হলে স্থাবর জঙ্গমসহ দেবতা, অসুর ও রাক্ষস সবকিছুর বিনাশ হয়। তখন ভগবান সেরই কারণসমুদ্রে অবস্থান করেন। তাঁর মুখপদ্ম থেকে চন্দ্রবর্ণের একবিন্দু জল ভূমিতে পড়ে। সেই জলবিন্দু থেকে একটি বিশাল আমলকী বৃক্ষ উৎপন্ন হয়। 

এই বৃক্ষের স্মরণ মাত্র গো-দানের ফল, দর্শনে তাহার দ্বিগুণ এবং এর ফলভক্ষণে তিনগুণ ফল লাভ হয়। এই বৃক্ষে ব্রহ্মা, বিষ্ণু আর মহেশ্বর সর্বদা অবস্থান করেন।

 এর প্রতিটি শাখা-প্রশাখা ও পাতায় ঋষি, দেবতা, ও প্রজাপতিগণ বাস করেন। এই বৃক্ষকে সমস্ত বৃক্ষের আদি বলা হয় এবং তা পরম বৈষ্ণব রূপে বিখ্যাত। অতএব এই শ্রেষ্ঠ ব্রত সকলেরই পালনীয়। এখন এই ব্রতের একটি অদ্ভুত ইতিহাস আপনার কাছে বর্ণনা করছি।

প্রাচীনকালে 'বৈদিশ' নামে এক প্রসিদ্ধ নগর ছিল। এই নগরে 'চৈত্ররথ' নামে এক রাজা রাজত্ব করতেন। চন্দ্রবংশীয় পাশবিন্দুক রাজার পুত্ররূপে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি অত্যন্ত শক্তিমান ও ঐশ্বর্যশালী ছিলেন। শাস্ত্রজ্ঞানেও তিনি ছিলেন সুনিপুণ। তার রাজ্যের সর্বত্রই মনোরম আনন্দপূর্ণ এক দিব্য পরিবেশ লক্ষ্য করা যেত।

 প্রজারা ছিলেন বিষ্ণুভক্তিপরায়ণ। সকলেই একাদশী ব্রত পালন করতেন। তার রাজ্যে কোন অভাব অমঙ্গল ছিল না। এইভাবে প্রজাদের নিয়ে রাজা চৈত্ররথ সুখে দিনযাপন করতে থাকেন। 

একসময় ফাল্গুনী শুক্লপক্ষের দ্বাদশীযুক্তা আমলকী তিথি সমাগত হওয়ায় রাজ্যের সকলেই এই ব্রত পালনের সংকল্প করলেন। ঐদিন প্রাত:স্নানের পর প্রজাদের নিয়ে রাজা ভগবান শ্রীবিষ্ণুর মন্দিরে যান। 

সেখানে সুবাসিত জলপূর্ণ কলস, ছত্র, বস্ত্র, পাদুকা, পঞ্চরত্ন ইত্যাদি দিয়ে সাজিয়ে স্থাপন করেন। তারপর ধূপ-দীপ দিয়ে যত্ন সহকারে মুনি-ঋষিদের দ্বারা শ্রীপরশুরাম মূর্তি সমন্বিত আমলকীর পূজা করেন। 

'হে পরশুরাম! হে রেণুকার সুখবর্ধক! হে ধাত্রি! হে পাপবিনাশিনী আমলকী! তোমাকে প্রণাম। আমার অর্ঘ্যজল গ্রহণ কর। 'এইভাবে দিনে যথাবিধি পূজা স্তবস্তুতি নৃত্যগীত করে রাজা ভক্তিভরে সেই বিষ্ণুমন্দিরে রাত্রি জাগরণ করতে লাগলেন। এমন সময় দৈবযোগে একটি ব্যাধ সেখানে উপস্থিত হয়। পূজার সামগ্রী সহ বহু ব্যক্তিকে একত্রে রাত্রি জাগরণ করতে দেখে সে কৌতুহলাক্রান্ত হল। 

সে ভাবল- এসব কি ব্যাপার? বিষ্ণু মন্দিরে প্রবেশ করে বসে পড়ল। কলসের উপরে স্থাপিত বিষ্ণুমূর্তি দর্শন করল। ভগবান বিষ্ণু এবং একাদশীর মাহাত্ম্যও সে মনোযোগ দিয়ে শুনল। সারাদিন ঐ ব্যাধ কিছুই আহার করেনি। এইভাবে ক্ষুধায় কাতর হয়ে সেখানে সে রাত্রি জাগরণ করল। 

পরদিন প্রজাসহ রাজা নগরের দিকে যাত্রা করলেন। সেই ব্যাধও তার গৃহে ফিরে গেল। এরপর একসময় ব্যাধের মৃত্যু হল। একাদশীতে রাত্রি জাগরণ ব্রত প্রভাবে সেই ব্যাধ পরবর্তী জন্মে এক রাজ্যের অধীশ্বর রূপে নিযুক্ত হল। 

জয়ন্তী নামে এক নগরী ছিল। সেখানে বিদূরথ নামে এক রাজা বাস করতেন। ঐ ব্যাধ বিদূরথ রাজার মহাবলী পুত্ররূপে জন্মগ্রহণ করেন। তার নাম হয় বসুরথ। এক লক্ষ গ্রামের আধিপত্য তিনি লাভ করলেন। তিনি ছিলেন সূর্যের মত তেজস্বী, চন্দ্রের মত কান্তিমান ও পৃথিবীর মতো ক্ষমাশীল। বিভিন্ন সদগুণে ভূষিত বসুরথ পরম বিষ্ণুভক্তি পরায়ণ হন।

এই মহাদাতা রাজা একবার শিকার করতে
গিয়ে পথ ভুলে যান। গভীর জঙ্গলের মধ্যে ক্ষুধায় পীড়িত হয়ে তিনি ক্লান্তিবশত: শুয়ে পড়েন। এমন সময় কতগুলি পর্বতনিবাসী ম্লেচ্ছ রাজার কাছে এসে নানাভাবে উৎপীড়ন করতে থাকে। রাজাকে তাদের শত্রু মনে করে তারা তাকে হত্যা করতে চেষ্টা করে। 

''পূর্বে এই রাজা আমাদের পিতা-মাতা, পুত্র-পৌত্র সবাইকে মেরে ফেলেছে। আমাদের গৃহছাড়া করেছে।"-- এইরকম বলতে বলতে ম্লেচ্ছরা রাজাকে হত্যা করতে উদ্যত হয়। তারা বিভিন্ন অস্ত্র- শস্ত্রে তাঁকে আঘাত করতে থাকে। কিন্তু
আশ্চর্যের বিষয় তাদের সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। রাজার কোন ক্ষতিই তারা সাধন করতে পারেনি। 

তখন রাজার শরীর থেকে নানা অলঙ্কারে বিভূষিতা এক পরমা সুন্দরী স্ত্রী মূর্তি আবির্ভূতা হন। মহাশক্তিধারিনী ঐ নারী অল্প সময়ের মধ্যেই সকল পাপী ম্লেচ্ছকে নিধন করলেন। রাজার নিদ্রাভঙ্গ হল। এই ভয়ানক হত্যাকান্ড দেখে রাজা অত্যন্ত বিস্মিত হলেন। তিনি বলতে লাগলেন- আহা !  আমার শত্রুদের হত্যা করে কে আমার প্রাণ রক্ষা করল, এমন কৃপালু কে আছে? আমি তার প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। 

এমন সময়ে দৈববাণী হল- ভগবান কেশব ব্যতীত শরণাগতকে রক্ষা করবার আর কে আছে? তিনিই শরণাগত পালক। দৈববাণী শুনে তিনি ভক্তিযুক্ত চিত্তে গৃহে ফিরে এলেন। তারপর প্রজাসহ মহাসুখে ইন্দ্রের মতো নিষ্কণ্টক রাজ্য ভোগ করতে লাগলেন।

বশিষ্ঠ বলেন- হে রাজন!  যে মানুষ এই পরম- উত্তম আমলকী একাদশী  ব্রত পালন করেন তিনি নিঃসন্দেহে বিষ্ণুলোক প্রাপ্ত হন।

           https://gopisharan.blogspot.com
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

শ্রীআমলকী একাদশী ব্রতের মাহাত্ম‍্য কি ❓ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/03/ekadoshi.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
        ꧁ শ্রীআমলকী একাদশী ব্রতের মাহাত্ম‍্য 
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ https://Gopisharan.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*শ্রীআমলকী একাদশী ব্রতের মাহাত্ম‍্য*

যুধিষ্ঠির বললেন-হে কৃষ্ণ! মহাফলদাতা বিজয়া একাদশীর কথা শুনলাম।এখন ফাল্গুন মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী যে নামে বিখ্যাত তা বর্ণনা করুন।
      
শ্রীকৃষ্ণ বললেন- হে মহাভাগ যুধিষ্ঠির!
মান্ধাতার প্রশ্নের উত্তরে মহাত্মা বশিষ্ঠ এই একাদশীর মহিমা কীর্তন করেছিলেন। আপনার কাছে এখন আমি সেই কথা বলছি।
        
এই একাদশীর নাম 'আমলকী'। বিষ্ণুলোক
প্রদানকারী রূপে এই একাদশী বিশেষভাবে মহিমান্বিত। একাদশীর দিন আমলকী বৃক্ষের তলে রাত্রি জাগরণ করলে সহস্র গাভী দানের ফল লাভ হয়।
        
হে পান্ডুনন্দন! পূর্বে ব্রহ্মার রাত্রিতে দৈনন্দিন প্রলয় উপস্থিত হলে স্থাবর জঙ্গমসহ দেবতা, অসুর ও রাক্ষস সবকিছুর বিনাশ হয়। তখন ভগবান সেরই কারণসমুদ্রে অবস্থান করেন। তাঁর মুখপদ্ম থেকে চন্দ্রবর্ণের একবিন্দু জল ভূমিতে পড়ে। সেই জলবিন্দু থেকে একটি বিশাল আমলকী বৃক্ষ উৎপন্ন হয়। 

এই বৃক্ষের স্মরণ মাত্র গো-দানের ফল, দর্শনে তাহার দ্বিগুণ এবং এর ফলভক্ষণে তিনগুণ ফল লাভ হয়। এই বৃক্ষে ব্রহ্মা, বিষ্ণু আর মহেশ্বর সর্বদা অবস্থান করেন।

 এর প্রতিটি শাখা-প্রশাখা ও পাতায় ঋষি, দেবতা, ও প্রজাপতিগণ বাস করেন। এই বৃক্ষকে সমস্ত বৃক্ষের আদি বলা হয় এবং তা পরম বৈষ্ণব রূপে বিখ্যাত। অতএব এই শ্রেষ্ঠ ব্রত সকলেরই পালনীয়। এখন এই ব্রতের একটি অদ্ভুত ইতিহাস আপনার কাছে বর্ণনা করছি।

প্রাচীনকালে 'বৈদিশ' নামে এক প্রসিদ্ধ নগর ছিল। এই নগরে 'চৈত্ররথ' নামে এক রাজা রাজত্ব করতেন। চন্দ্রবংশীয় পাশবিন্দুক রাজার পুত্ররূপে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি অত্যন্ত শক্তিমান ও ঐশ্বর্যশালী ছিলেন। শাস্ত্রজ্ঞানেও তিনি ছিলেন সুনিপুণ। তার রাজ্যের সর্বত্রই মনোরম আনন্দপূর্ণ এক দিব্য পরিবেশ লক্ষ্য করা যেত।

 প্রজারা ছিলেন বিষ্ণুভক্তিপরায়ণ। সকলেই একাদশী ব্রত পালন করতেন। তার রাজ্যে কোন অভাব অমঙ্গল ছিল না। এইভাবে প্রজাদের নিয়ে রাজা চৈত্ররথ সুখে দিনযাপন করতে থাকেন। 

একসময় ফাল্গুনী শুক্লপক্ষের দ্বাদশীযুক্তা আমলকী তিথি সমাগত হওয়ায় রাজ্যের সকলেই এই ব্রত পালনের সংকল্প করলেন। ঐদিন প্রাত:স্নানের পর প্রজাদের নিয়ে রাজা ভগবান শ্রীবিষ্ণুর মন্দিরে যান। 

সেখানে সুবাসিত জলপূর্ণ কলস, ছত্র, বস্ত্র, পাদুকা, পঞ্চরত্ন ইত্যাদি দিয়ে সাজিয়ে স্থাপন করেন। তারপর ধূপ-দীপ দিয়ে যত্ন সহকারে মুনি-ঋষিদের দ্বারা শ্রীপরশুরাম মূর্তি সমন্বিত আমলকীর পূজা করেন। 

'হে পরশুরাম! হে রেণুকার সুখবর্ধক! হে ধাত্রি! হে পাপবিনাশিনী আমলকী! তোমাকে প্রণাম। আমার অর্ঘ্যজল গ্রহণ কর। 'এইভাবে দিনে যথাবিধি পূজা স্তবস্তুতি নৃত্যগীত করে রাজা ভক্তিভরে সেই বিষ্ণুমন্দিরে রাত্রি জাগরণ করতে লাগলেন। এমন সময় দৈবযোগে একটি ব্যাধ সেখানে উপস্থিত হয়। পূজার সামগ্রী সহ বহু ব্যক্তিকে একত্রে রাত্রি জাগরণ করতে দেখে সে কৌতুহলাক্রান্ত হল। 

সে ভাবল- এসব কি ব্যাপার? বিষ্ণু মন্দিরে প্রবেশ করে বসে পড়ল। কলসের উপরে স্থাপিত বিষ্ণুমূর্তি দর্শন করল। ভগবান বিষ্ণু এবং একাদশীর মাহাত্ম্যও সে মনোযোগ দিয়ে শুনল। সারাদিন ঐ ব্যাধ কিছুই আহার করেনি। এইভাবে ক্ষুধায় কাতর হয়ে সেখানে সে রাত্রি জাগরণ করল। 

পরদিন প্রজাসহ রাজা নগরের দিকে যাত্রা করলেন। সেই ব্যাধও তার গৃহে ফিরে গেল। এরপর একসময় ব্যাধের মৃত্যু হল। একাদশীতে রাত্রি জাগরণ ব্রত প্রভাবে সেই ব্যাধ পরবর্তী জন্মে এক রাজ্যের অধীশ্বর রূপে নিযুক্ত হল। 

জয়ন্তী নামে এক নগরী ছিল। সেখানে বিদূরথ নামে এক রাজা বাস করতেন। ঐ ব্যাধ বিদূরথ রাজার মহাবলী পুত্ররূপে জন্মগ্রহণ করেন। তার নাম হয় বসুরথ। এক লক্ষ গ্রামের আধিপত্য তিনি লাভ করলেন। তিনি ছিলেন সূর্যের মত তেজস্বী, চন্দ্রের মত কান্তিমান ও পৃথিবীর মতো ক্ষমাশীল। বিভিন্ন সদগুণে ভূষিত বসুরথ পরম বিষ্ণুভক্তি পরায়ণ হন।

এই মহাদাতা রাজা একবার শিকার করতে
গিয়ে পথ ভুলে যান। গভীর জঙ্গলের মধ্যে ক্ষুধায় পীড়িত হয়ে তিনি ক্লান্তিবশত: শুয়ে পড়েন। এমন সময় কতগুলি পর্বতনিবাসী ম্লেচ্ছ রাজার কাছে এসে নানাভাবে উৎপীড়ন করতে থাকে। রাজাকে তাদের শত্রু মনে করে তারা তাকে হত্যা করতে চেষ্টা করে। 

''পূর্বে এই রাজা আমাদের পিতা-মাতা, পুত্র-পৌত্র সবাইকে মেরে ফেলেছে। আমাদের গৃহছাড়া করেছে।"-- এইরকম বলতে বলতে ম্লেচ্ছরা রাজাকে হত্যা করতে উদ্যত হয়। তারা বিভিন্ন অস্ত্র- শস্ত্রে তাঁকে আঘাত করতে থাকে। কিন্তু
আশ্চর্যের বিষয় তাদের সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। রাজার কোন ক্ষতিই তারা সাধন করতে পারেনি। 

তখন রাজার শরীর থেকে নানা অলঙ্কারে বিভূষিতা এক পরমা সুন্দরী স্ত্রী মূর্তি আবির্ভূতা হন। মহাশক্তিধারিনী ঐ নারী অল্প সময়ের মধ্যেই সকল পাপী ম্লেচ্ছকে নিধন করলেন। রাজার নিদ্রাভঙ্গ হল। এই ভয়ানক হত্যাকান্ড দেখে রাজা অত্যন্ত বিস্মিত হলেন। তিনি বলতে লাগলেন- আহা !  আমার শত্রুদের হত্যা করে কে আমার প্রাণ রক্ষা করল, এমন কৃপালু কে আছে? আমি তার প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। 

এমন সময়ে দৈববাণী হল- ভগবান কেশব ব্যতীত শরণাগতকে রক্ষা করবার আর কে আছে? তিনিই শরণাগত পালক। দৈববাণী শুনে তিনি ভক্তিযুক্ত চিত্তে গৃহে ফিরে এলেন। তারপর প্রজাসহ মহাসুখে ইন্দ্রের মতো নিষ্কণ্টক রাজ্য ভোগ করতে লাগলেন।

বশিষ্ঠ বলেন- হে রাজন!  যে মানুষ এই পরম- উত্তম আমলকী একাদশী  ব্রত পালন করেন তিনি নিঃসন্দেহে বিষ্ণুলোক প্রাপ্ত হন।

           https://gopisharan.blogspot.com
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

৯৩. রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস *🌻এক তেজোদীপ্ত বালকের আগমন ও গুহকের প্রত‍্যাগমন 🌻* ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/03/ram.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁ ৯৩. রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস ꧂
*🌻এক তেজোদীপ্ত বালকের আগমন ও গুহকের প্রত‍্যাগমন 🌻*
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
       ꧁ রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস 🙏 সূচীপত্র ꧂
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/11/blog-post_66.html   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৯৩)🌿তুলসী দাস রামায়ণ🌿*
*🌻এক তেজোদীপ্ত বালকের আগমন ও গুহকের প্রত‍্যাগমন 🌻*
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""'
*🌻পথে চলতে চলতে এক স্থানে বসে বিশ্রাম করছিলেন,এইসময়ে তেজোদীপ্ত পরমসুন্দর বালকতনু এক তাপসের আগমন হল। তিনি সম্পূর্ণরূপে কবির অগম‍্য(অথবা তিনি যে কবি তা স্বীকার করতে অসম্মত ছিলেন )।তাঁর অঙ্গে ছিল বৈরাগী বেশ আর তিনি কায়মনোবাক‍্যে শ্রীরামচন্দ্রের ভক্ত ছিলেন।এই তেজোদীপ্ত তাপসবৃত্তান্ত সম্বন্ধে নানারকম মত বর্তমান।এটি প্রক্ষিপ্ত,অপ্রাসঙ্গিক, এই সব কথা শোনা যায়। কিন্তু এই অংশটি প্রাচীন গ্রন্থতেও পাওয়া যায়। গোস্বামী তুলসীদাস বাবাজী একজন অনুভব সিদ্ধ মহাপুরুষ ছিলেন।এই প্রসঙ্গটির উল্লেখের রহস‍্য কি তা ঠিক বোঝা যায় না। কিন্তু এটি প্রক্ষিপ্ত (ভাবাবেগ) বা উপর থেকে কিছু জুড়ে দেওয়া হয়নি।এই তাপস সম্বন্ধে যখন উল্লিখিত হয়েছে, "কবি অলখিত গতি" তাহলে এ সম্বন্ধে নিশ্চয়পূর্বক কিছু বলার কারও সাধ‍্য নাই। আমার তো মনে হয় এই তাপস আসলে হন শ্রীহনুমানজী স্বয়ং অথবা ধ‍্যানস্থমূর্তি স্বয়ং শ্রীতুলসীদাস গোস্বামী।*
*🌻ইষ্টদেবতা সম্মুখে উপস্থিত রয়েছেন।তাঁকে চিনতে পেরে তাপস অশ্রুপূর্ণ লোচন হয়ে গেল ; তাঁর অঙ্গে পুলক শিহরণ অনুভূতি।তিনি দন্ডবৎ ভূমিতে পড়ে প্রণাম নিবেদন করলেন।তাঁর প্রেমবিহ্বল অবস্থার কথা বর্ণনা বলে বোঝানো যাবে না।*
*🌻শ্রীরামচন্দ্র প্রেমে পরিপূর্ণ হয়ে আনন্দে তাঁকে তুলে আলিঙ্গন দান করলেন।তাপস এত আনন্দমগ্ন ছিলেন যে মনে হচ্ছিল যেন,কোন হতদরিদ্র ব‍্যক্তি "পরশপাথর" (স্পর্শমণি) পেয়েছেন। উপস্থিত ব‍্যক্তিগণ বললেন,এ যে প্রেম ও পরমার্থের যুগল মিলন।অতঃপর সেই তাপস লক্ষ্মণের চরণে প্রণাম নিবেদন করলেন।তিনি প্রেমপূর্বক তাঁকে তুলে নিলেন।তখন তাপস সীতাদেবীর পদরজ মস্তকে ধারণ করলেন।মাতা সীতা তাঁকে শিশু সন্তান জ্ঞানে আশীর্বাদ দিলেন।শ্রীপ্রভুর এক বিশিষ্ট ভক্তকে সামনে উপস্থিত দেখে,এইবার নিষাদরাজ গুহক তাপসকে দন্ডবৎ প্রণাম নিবেদন করল।মিলিত হয়ে ভক্তযুগল তখন পরম আনন্দিত।অতঃপর তাপস দুচোখ ভরে শ্রীরামচন্দ্রের সৌন্দর্য সুধা পান করতে লাগল।আনন্দে তখন ভগমগ,যেন অত‍্যন্ত ক্ষুধার্ত ব‍্যক্তি উত্তম ভোজ‍্য পদার্থ লাভ করেছে।এদিকে গ্রাম‍্য বধূদের মধ্যে কানাকানি হচ্ছে,সখী!বল,এদের মা বাবা কেমন করে যে এমন সুন্দর সুকুমার বালকদের বনবাসে পাঠিয়েছেন।শ্রীরাম,লক্ষ্মণ ও সীতাদেবীর রূপসুধা পান করে উপস্থিত নরনারীসকল স্নেহে বিহ্বল হয়ে পড়ল।*
*🌻তখন শ্রীরঘুবীর সখা গুহককে নানাভাবে গৃহে প্রতিগমন করবার জন্য,উপদেশ দিলেন।গুহক প্রভু রামচন্দ্রের আদেশ শিরোধার্য‍্য করে ফিরে চলিল।অতঃপর সীতাদেবী শ্রীরাম ও লক্ষ্মণ হাতজোড় করে মাতা যমুনাকে পুন প্রণাম করলেন।সূর্য‍্যকন‍্যা যমুনার প্রশংসা করতে করতে সীতাদেবীকে নিয়ে ভ্রাতৃযুগল অত‍্যন্ত প্রসন্নচিত্তে এগিয়ে চললেন।পথে যেতে যেতে বহু ব‍্যক্তির সঙ্গে দেখা হতে লাগল।দুইভাইকে দর্শন করে প্রীতি সহকারে তারা বলল, আপনাদের অঙ্গে তো রাজচিহ্ন রয়েছে, তা দেখে আমাদের চিত্ত উদ্বেগ হয়।এমন রাজচিহ্ন থেকেও পথে হেঁটে যেতে হচ্ছে!গভীর অরণ‍্য ও দুস্তর গিরিপথ! আবার সঙ্গে এক সুকুমারী নারীও রয়েছে।হাতী ও সিংহ সঙ্কুল ওই ভীষণ অরণ‍্যের দিকে তাকালেই ভয়ে বুক কাঁপে।আপনাদের যদি অনুমতি পাই তাহলে আমরা আপনাদের সঙ্গে যেতে পারি? আপনারা যতদূর যাবেন ততদূর গিয়ে আমরা না হয় প্রণাম করে ফিরে আসব।*
*🙏বানান ভুল মার্জনীয়🙏*
               *ক্রমাগত*
    ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


৯৩. রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস *🌻এক তেজোদীপ্ত বালকের আগমন ও গুহকের প্রত‍্যাগমন 🌻* ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/03/ram.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁ ৯৩. রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস ꧂
*🌻এক তেজোদীপ্ত বালকের আগমন ও গুহকের প্রত‍্যাগমন 🌻*
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
       ꧁ রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস 🙏 সূচীপত্র ꧂
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/11/blog-post_66.html   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৯৩)🌿তুলসী দাস রামায়ণ🌿*
*🌻এক তেজোদীপ্ত বালকের আগমন ও গুহকের প্রত‍্যাগমন 🌻*
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""'
*🌻পথে চলতে চলতে এক স্থানে বসে বিশ্রাম করছিলেন,এইসময়ে তেজোদীপ্ত পরমসুন্দর বালকতনু এক তাপসের আগমন হল। তিনি সম্পূর্ণরূপে কবির অগম‍্য(অথবা তিনি যে কবি তা স্বীকার করতে অসম্মত ছিলেন )।তাঁর অঙ্গে ছিল বৈরাগী বেশ আর তিনি কায়মনোবাক‍্যে শ্রীরামচন্দ্রের ভক্ত ছিলেন।এই তেজোদীপ্ত তাপসবৃত্তান্ত সম্বন্ধে নানারকম মত বর্তমান।এটি প্রক্ষিপ্ত,অপ্রাসঙ্গিক, এই সব কথা শোনা যায়। কিন্তু এই অংশটি প্রাচীন গ্রন্থতেও পাওয়া যায়। গোস্বামী তুলসীদাস বাবাজী একজন অনুভব সিদ্ধ মহাপুরুষ ছিলেন।এই প্রসঙ্গটির উল্লেখের রহস‍্য কি তা ঠিক বোঝা যায় না। কিন্তু এটি প্রক্ষিপ্ত (ভাবাবেগ) বা উপর থেকে কিছু জুড়ে দেওয়া হয়নি।এই তাপস সম্বন্ধে যখন উল্লিখিত হয়েছে, "কবি অলখিত গতি" তাহলে এ সম্বন্ধে নিশ্চয়পূর্বক কিছু বলার কারও সাধ‍্য নাই। আমার তো মনে হয় এই তাপস আসলে হন শ্রীহনুমানজী স্বয়ং অথবা ধ‍্যানস্থমূর্তি স্বয়ং শ্রীতুলসীদাস গোস্বামী।*
*🌻ইষ্টদেবতা সম্মুখে উপস্থিত রয়েছেন।তাঁকে চিনতে পেরে তাপস অশ্রুপূর্ণ লোচন হয়ে গেল ; তাঁর অঙ্গে পুলক শিহরণ অনুভূতি।তিনি দন্ডবৎ ভূমিতে পড়ে প্রণাম নিবেদন করলেন।তাঁর প্রেমবিহ্বল অবস্থার কথা বর্ণনা বলে বোঝানো যাবে না।*
*🌻শ্রীরামচন্দ্র প্রেমে পরিপূর্ণ হয়ে আনন্দে তাঁকে তুলে আলিঙ্গন দান করলেন।তাপস এত আনন্দমগ্ন ছিলেন যে মনে হচ্ছিল যেন,কোন হতদরিদ্র ব‍্যক্তি "পরশপাথর" (স্পর্শমণি) পেয়েছেন। উপস্থিত ব‍্যক্তিগণ বললেন,এ যে প্রেম ও পরমার্থের যুগল মিলন।অতঃপর সেই তাপস লক্ষ্মণের চরণে প্রণাম নিবেদন করলেন।তিনি প্রেমপূর্বক তাঁকে তুলে নিলেন।তখন তাপস সীতাদেবীর পদরজ মস্তকে ধারণ করলেন।মাতা সীতা তাঁকে শিশু সন্তান জ্ঞানে আশীর্বাদ দিলেন।শ্রীপ্রভুর এক বিশিষ্ট ভক্তকে সামনে উপস্থিত দেখে,এইবার নিষাদরাজ গুহক তাপসকে দন্ডবৎ প্রণাম নিবেদন করল।মিলিত হয়ে ভক্তযুগল তখন পরম আনন্দিত।অতঃপর তাপস দুচোখ ভরে শ্রীরামচন্দ্রের সৌন্দর্য সুধা পান করতে লাগল।আনন্দে তখন ভগমগ,যেন অত‍্যন্ত ক্ষুধার্ত ব‍্যক্তি উত্তম ভোজ‍্য পদার্থ লাভ করেছে।এদিকে গ্রাম‍্য বধূদের মধ্যে কানাকানি হচ্ছে,সখী!বল,এদের মা বাবা কেমন করে যে এমন সুন্দর সুকুমার বালকদের বনবাসে পাঠিয়েছেন।শ্রীরাম,লক্ষ্মণ ও সীতাদেবীর রূপসুধা পান করে উপস্থিত নরনারীসকল স্নেহে বিহ্বল হয়ে পড়ল।*
*🌻তখন শ্রীরঘুবীর সখা গুহককে নানাভাবে গৃহে প্রতিগমন করবার জন্য,উপদেশ দিলেন।গুহক প্রভু রামচন্দ্রের আদেশ শিরোধার্য‍্য করে ফিরে চলিল।অতঃপর সীতাদেবী শ্রীরাম ও লক্ষ্মণ হাতজোড় করে মাতা যমুনাকে পুন প্রণাম করলেন।সূর্য‍্যকন‍্যা যমুনার প্রশংসা করতে করতে সীতাদেবীকে নিয়ে ভ্রাতৃযুগল অত‍্যন্ত প্রসন্নচিত্তে এগিয়ে চললেন।পথে যেতে যেতে বহু ব‍্যক্তির সঙ্গে দেখা হতে লাগল।দুইভাইকে দর্শন করে প্রীতি সহকারে তারা বলল, আপনাদের অঙ্গে তো রাজচিহ্ন রয়েছে, তা দেখে আমাদের চিত্ত উদ্বেগ হয়।এমন রাজচিহ্ন থেকেও পথে হেঁটে যেতে হচ্ছে!গভীর অরণ‍্য ও দুস্তর গিরিপথ! আবার সঙ্গে এক সুকুমারী নারীও রয়েছে।হাতী ও সিংহ সঙ্কুল ওই ভীষণ অরণ‍্যের দিকে তাকালেই ভয়ে বুক কাঁপে।আপনাদের যদি অনুমতি পাই তাহলে আমরা আপনাদের সঙ্গে যেতে পারি? আপনারা যতদূর যাবেন ততদূর গিয়ে আমরা না হয় প্রণাম করে ফিরে আসব।*
*🙏বানান ভুল মার্জনীয়🙏*
               *ক্রমাগত*
    ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


adds