✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀━┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀━┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ 👇📖 সূচীপত্র 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী 📖👇꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শ্যামানন্দ প্রভু – সদ্গোপকুলোদ্ভূত। “দুঃখী বা দুঃখিনী" ও ‘কৃষ্ণদাস” ইহার পূর্ব নাম । তাই এনাকে কেহ কেহ দুঃখী কৃষ্ণদাস নামেও সম্বোধন করে থাকেন। পরবর্তী সময়ে শ্রীধাম বৃন্দাবনে শ্রীজীব গোস্বামী প্রভু কর্ত্তৃক ইঁহার নাম হয় “শ্রীশ্রীশ্যামানন্দ”।
দণ্ডেশ্বর গ্রামে বাস সর্বাংশে প্রবল।
মাতা— শ্রীদুরিকা, পিতা — শ্রীকৃষ্ণ মণ্ডল ।।
সদ্গোপ কুলেতে শ্রেষ্ঠ অতিসুচরিত।
ধারেন্দাবাহাদুরপুরেতে পূর্ব্বে স্থিত।।
(ভক্তি ১/৩৫১–৫২)
মাতা পিতা দুঃখ সহ পালন করিল।
এই হেতু ‘দুঃখী’ নাম প্রথম হইল।। (ঐ ৩৫৯)
শ্যামসুন্দরের মহা আনন্দ জন্মাইল ৷
“শ্যামানন্দ” নাম পুন বৃন্দাবনে হইল।। (ঐ ৪০১)
রাধা শ্যামসুন্দরের সুখ জন্মাইল।
জানিয়া শ্রীজীব শ্যামানন্দ নাম থুইল।।
(ভক্তি ৬/৫২)
ইনি শ্রীহৃদয়চৈতন্যের শিষ্য। ১৪৫৬ শকে ইঁহার জন্ম। “শ্যামানন্দপ্রকাশ’, ‘অভিরাম-লীলামৃত’’, ‘প্রেমবিলাস’, ‘ভক্তিরত্নাকর’ প্রভৃতি গ্রন্থে ইঁহার জীবনী আছে। শ্যামানন্দের পিতা পূর্বে গৌড়ে বাস করিতেন, তথা হইতে উৎকলে দণ্ডেশ্বরের অন্তর্গত ‘ধারেন্দা-বাহাদুরপুরে’ বাস করেন। শ্যামানন্দের আরও ভ্রাতাভগ্নী ছিলেন। তাঁহারা পূর্বেই স্বধাম গমন করেন। পিতামাতা শ্যামানন্দকে সুশিক্ষা দিয়াছিলেন। বৈষ্ণব-শাস্ত্রে শ্যামানন্দ প্রভু “শ্রীঅদ্বৈত আচার্য্যের প্রকাশ” বলিয়া উক্ত আছেন ৷
শ্যামানন্দ প্রভু বাল্যকাল হইতেই ধর্মানুরাগী ছিলেন। ২০ বৎসর বয়ঃক্রমকালে তীর্থ-ভ্রমণে বহির্গত হন এবং অম্বিকানগরে আসিয়া শ্রীগৌরীদাস পণ্ডিতের স্থাপিত
শ্রীশ্রীগৌরাঙ্গ নিত্যানন্দ বিগ্রহ দর্শন করিয়া প্রেমে বিগলিত হন। শ্রীশ্রীগৌরীদাস পণ্ডিতের শিষ্য শ্রীহৃদয়চৈতন্য ইহার বিশুদ্ধ ভাবদর্শনে মোহিত হইয়া দীক্ষা প্রদান করেন।
শ্যামানন্দ প্রথমতঃ গৌড়মণ্ডল দর্শন করিয়া পরে ভারতবর্ষের যাবতীয় তীর্থ ভ্রমণ করেন ও পরে শ্রীবৃন্দাবনে শ্রীজীব গোস্বামিপাদের আশ্রয়ে ভক্তিশাস্ত্র অধ্যয়ন এবং সাধন ভজন করিতে থাকেন। একদা শ্যামানন্দ প্রভু শ্রীবৃন্দাবনে শ্রীরাসমণ্ডল পরিস্কার করিতে করিতে শ্রীমতী রাধিকার শ্রীচরণের নূপুর প্রাপ্ত হয় এবং শ্রীমতি রাধিকার কৃপা প্রাপ্তি হইয়া স্বীয় ললাটে স্পর্শ করাইতে নূপুরাকৃতি তিলক হয়; এই কারণে শ্যামানন্দ পরিবারগণ তিলক মধ্যে নূপুরের চিহ্ন ধারণ করেন। ৫০৪ শকে শ্রীশ্যামানন্দ, শ্রীনরোত্তম ঠাকুর ও শ্রীনিবাস আচার্য্য তিনজনে শ্রীবৃন্দাবন হইতে গ্রন্থ লইয়া গৌড়ে আগমন করেন। শেষ জীবনে শ্যামানন্দ প্রভু উৎকল দেশের ‘নৃসিংহপুর গ্রামে অবস্থিতি করিয়া বৈষ্ণবধর্ম্ম প্রচার করিয়াছিলেন। ইনি বহু যবনকে শিষ্য করিয়াছিলেন। শ্যামানন্দ প্রভুর অসংখ্য শিষ্যের মধ্যে রসিক মুরারিই প্রধান। শ্রীশ্যামানন্দ গোপীবল্লভপুরে শ্রীগোবিন্দ বিগ্রহ প্রতিষ্ঠিত করেন।
শিষ্যগণের মধ্যে----
শ্যামানন্দ শিষ্য করিলেন স্থানে স্থানে।
রাধানন্দ, শ্রীপুরুষোত্তম, মনোহর।
চিন্তামণি, বলভদ্র, শ্রীজগদীশ্বর।।
উদ্ধব, অক্রুর, মধুবন, শ্রীগোবিন্দ ৷
জগন্নাথ, গদাধর, শ্রীআনন্দানন্দ।।
শ্রীরাধামোহন-আদি শিষ্যগণ-সঙ্গে।
সদা ভাসে সংকীর্ত্তন সুখের তরঙ্গে।।
(ভক্তি ১৫/৬৩-৬৫)
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
