শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

সৎসঙ্গ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_91.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                             ꧁ সৎসঙ্গ 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  সৎসঙ্গের কথন ঃ--------------------
ততো দুঃসঙ্গমুৎসৃজ‍্য সৎসু সজ্জেত বুদ্ধিমান।
সন্ত এতস‍্য ছিন্দন্তি মনোব‍্যাসঙ্গমুক্তিভিঃ।।
** ভগবান শ্রীকৃষ্ণ উদ্ধবকে বলছেন--
ততঃ=সেইহেতু, বুদ্ধিমান=বুদ্ধিমান ব‍্যক্তি, দুঃসঙ্গং= অসৎসঙ্গ, উৎসৃজ‍্যগ পরিত‍্যাগ করিয়া, সৎসু= সৎসঙ্গে, সজ্জেত= আসক্ত হবেন, সন্তঃ= সৎ ব‍্যক্তিগণ, এতস‍্য= ইহারাই, মনোব‍্যাসঙ্গং= মনের বিশেষ আসক্তি, উক্তিভিঃ= ভক্তি বিষয়ক উপদেশ বাক‍্য দ্বারা, ছিন্দন্তি= ছেদন করেন।
********************************
অর্থ‍্যাৎ== সেই হেতু বুদ্ধিমান ব‍্যক্তি অসৎসঙ্গ ত‍্যাগ করিয়া সৎসঙ্গে আসক্ত হবেন। সৎব‍্যক্তিগণই উপদেশ বাক‍্য দ্বারা ওই ব‍্যক্তির মনের বিশেষ আসক্তি (সংসারাসক্তি)ছেদন করেন।
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
অসৎসঙ্গই জীবকে ভগবদবিমুখ করে। অসৎ-প্রাকৃত বস্তুর সঙ্গে অনাদি কাল হতে জীবের সম্বন্ধ হেতু জীবের পক্ষে কৃষ্ণ-উন্মুখতা বড়ই কঠিন। নাম সংকীর্তনাঙ্গ কি ভাবে করলে প্রেমের উদয় হয়,বা প্রেমের সাধক হয়,তাহা শ্রীমন্মহাপ্রভু শিক্ষাষ্টকে ব‍্যক্ত বা প্রকাশ করেছেন।
যেরূপে লইলে নাম প্রেম উপজয়।
তাহার লক্ষণ শুন স্বরূপ রামরায়।।
তৃণাদপি সুনীচেন তরোরিব সহিষ্ণুনা।
অমানিনা মান দেন কীর্তনীয়ঃ সদা হরিঃ।।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_91.html
       ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
মহাপ্রভু এই শ্লোকের স্বয়ংই অর্থ করেছেন------
উত্তম হঞা আপনাকে মানে তৃণাধম।
দুইপ্রকারে সহিষ্ণুতা করে বৃক্ষসম।।
বৃক্ষ যেন কাটিলেহ কিছু না বোলয়।
শুখাইয়া মৈলে কারে পানি না মাগয়।।
যেই যে মাগয়ে তারে দেয় আপন ধন।
ঘর্ম-বৃষ্টি সহে,আনের করয়ে রক্ষণ।।
উত্তম হঞা বৈষ্ণব হবে নিরভিমান।
জীবে সম্মান দিবে জানি কৃষ্ণ- অধিষ্ঠান।।
এইমত হঞা যেই কৃষ্ণনাম লয়।
কৃষ্ণের চরণে তার প্রেম উপজয়।।

** শ্রীপাদ কবিরাজ গোস্বামী উক্ত শ্লোক বিষয়ে মন্তব্য প্রকাশ করতে গিয়ে লিখেছেন-----
ঊর্ধবাহু করি কহি শুন সর্বলোক।
নামসূত্রে গাঁথি পর কন্ঠে এই শ্লোক।।
প্রভুর আজ্ঞায় কর এই শ্লোক আচরণ
অবশ‍্য পাইবে তবে শ্রীকৃষ্ণচরণ।।
** এই কথা তাৎপর্য‍্য এই যে,নাম করবার সময় নিরন্তর এই শ্লোক স্মরণ করতে হবে এবং যাহাতে এই অবস্থা লাভ হয়, তার জন‍্য শ্রীনামের নিকট সকাতরে প্রার্থনা ও হৃদয়ের ব‍্যাকুলতা জ্ঞাপন করতে হবে। কেননা উক্ত অবস্থা লাভ না হওয়া পর্যন্ত নাম গ্রহণের মুখ‍্যফল প্রেমলাভ হবে না। যেহেতু এই শ্লোকের যথাযথ যাজনই নিরপরাধে নামকীর্তনের অমোঘ (অব‍্যর্থ বা সফল) উপায়।কেননা নামাপরাধই মহাশক্তিশালী নামসাধনায় প্রেম প্রাপ্তির প্রবলতম অন্তরায়(বাধা বা বিঘ্ন)। সাপরাধ (অপরাধ যার বা অপরাধী) ব‍্যক্তির প্রতি শ্রীনাম প্রসন্ন হন না এবং অপরাধী ব্যক্তি বহুকাল কীর্তন করলেও তিনি তাহাকে েপ্রমদানের 
ইচ্ছা করেন না।যেহেতু কলি যুগধর্ম এই হরিনাম সংকীর্তন সুসেবন(সুদ্ধাচার সেবা)করিয়া যাঁরা অচিরায় প্রেমলাভের ইচ্ছে করেন,তাঁদেরকে দশবিধ নামাপরাধ বর্জন করিয়াই নামকীর্তন করতে হবে। ""রাধ""শব্দে সন্তোষ  বুঝায়।
অপরাধ হলে নামের সন্তোষ অপগত (পলায়ন) হয় বলিয়া শ্রীনাম স্বপ্রভাব সংগোপন (সম্পন্ন ভাবে গোপন) করেন, ফলতঃ নামাপরাধী নাম সেবনে অসমর্থ হন। নাম সেবা দূরে থাকুক,অশ্রদ্ধা,কৌটিল‍্য(কুটিলতা) কৃষ্ণেতর বস্তুতে অভিনিবেশ(অভ‍্যন্তরে প্রবেশ করা) লাভ,পূজা,প্রতিষ্ঠাশা এবং নামভজনে শৈথিল‍্য (অমনোযোগ) প্রভৃতি এই নাম অপরাধেরই বিষময় ফল। আবার ""রাধ""শব্দের অর্থ সিদ্ধি (রাধ্+ঘঞ) অপরাধে নামের ফল-সিদ্ধি অপগত হয়।(দশটি নাম অপরাধ---
১,সাধুনিন্দা,২,শ্রীবিষ্ণু ও শ্রীশিবের নামাদির ভেদকরণ, ৩,শ্রীগুরুদেবের অবজ্ঞা বা শ্রীগুরুতে মর্ত‍্যবুদ্ধি,(মানবজ্ঞান)৪,শ্রুতি ও তদনুগত শাস্ত্রের নিন্দা, ৫,শ্রীহরিনামের মহিমায় অর্থবাদ মনন, ৬,শ্রীহরিনামে অর্থান্তর কল্টনা,৭,নামবলে পাপাচরণে প্রবৃত্তি, ৮,অন‍্য শুভক্রিয়াদির সঙ্গে শ্রীহরিনামের সমতা মনন, ৯,শ্রদ্ধাহীনজনকে নামোপদেশ, ১০, নামমাহাত্ম‍্য শ্রবণ করিয়াও নামে অপ্রীতি।
কাম,ক্রোধ,লোভ,মোহ,মদ,ওমাৎসর্য‍্য এই ষড় বা ছয় রিপু মানবদেহে সতত (সবসময়) বাস করে থাকে।সংসার সিন্ধুতে অর্থ‍্যাৎ এই সংসাররূপ সাগরে নিপতিত(পড়ে থেকে )মানব এই ছয়রিপু রূপ মহাশক্তিশালী নক্র (যে এক স্থানে থাকতে ভালবাসে, এবং স্বস্থানে থেকে শিকার আকর্ষণ করে, বা কুমীর)মকরাদি কবলগ্রস্ত হয়ে অবিরত ইহাদের দ্বারা চর্বিত (চিবিয়ে খাচ্ছে এমন)হচ্ছে। অর্থ‍্যাৎ 
ছয় রিপুর দ্বারা সুখ শান্তি বিহীন কষ্টভোগ করছে। এই ছয়রিপু মহাশক্তিশালী ও অতি উদ্দাম, (স্বেচ্ছাচারী ও বন্ধনমুক্ত)প্রতি মানুষের ইন্দ্রিয়কুলকে যখন এরা আকর্ষণ করে,তখন বিদ্বানের বিদ‍্যা, বুদ্ধিমানের সব বুদ্ধিস্তিমিত(নিশ্চল বা স্থির) (কত যোগীন্দ্র ঋষি মুনিগন না জানি কি ধ‍্যানে।
মগন স্তিমিতলোচন কি অমৃত রস পানে।।) ""অপর অর্থ ডুবে যাওয়া ""
হয় যায়। নিজ শক্তিতে মানবকুল কখনই ছয়রিপুর কবল হতে রক্ষা পেতে পারে না। অর্জুন শ্রীকৃষ্ণের কাছে প্রশ্ন করেছিলেন--------
"অথ কেন প্রযুক্তোহয়ং পাপং চরতি পুরুষঃ। 
অনিচ্ছন্নপি বাষ্ণেরয় বলাদিব নিয়ুজিতঃ।।(গীতা ৩|৩৬)
 হে কৃষ্ণ!লোকে কার দ্বারা যুক্ত হয়ে অনিচ্ছাসত্ত্বেও যেন বলপূর্বক নিয়োজিত হয়ে পাপ আচরণে প্রবৃত্ত হয়? তদুত্তরে শ্রীকৃষ্ণ বলেছিলেন-----
কাম এষ ক্রোধ এষ রজোগুণসমুদ্ভবঃ।
মহাশনো মহাপাপমা বিদ্ধ‍্যেনমিহ বৈরিণম্।।
হে অর্জুন! ইহা কাম,ইহাই ক্রোধ।ইহা রজোগুণোৎপন্ন,ইহা অতি দুষ্পূরণীয় (পূরণ করা দুঃসাধ‍্য) এবং অতি উগ্র।
ইহাকে সংসারে শত্রু বলিয়ায় জানবে। কাম শব্দে কেহ কেহ স্ত্রী-পুরুষের পারস্পরিক মিলনেচ্ছাকেই বুঝে থাকেন এইরকম সংকীর্ণ অর্থেও কাম শব্দ ব‍্যবহার হয় বটে, কিন্তু কাম শব্দের ব‍্যাপক অর্থ কামনা বা বিষয়বাসনা।এই কাম বা কামনা প্রতিহত (আঘাত) হলেই উহা ক্রোধে পরিণত হয়, সুতরাং কামও ক্রোধ একই ; কেবল ক্রোধই নহে, অপর চারটি রিপু লোভ মোহ মদ ও মাৎসর্য‍্য এরাও কামেরই রূপান্তর। এই কামনা উত্তম ভোগ‍্য দ্রব‍্যাদ বা ধন ঐশ্বর্যাদির প্রতি অতিমাত্রায় আকৃষ্ট হলে তাকে ""লোভ""বলে।আবার এই কামনা বা বিষয়বাসনাই যখন মানুষকে অনিত‍্য বা নশ্বর বস্তুতে আসক্ত করে রাখে,স্বরূপের উপলব্ধি করতে দেয় না, বা আত্মজ্ঞানকে আচ্ছন্ন করে দেয়,তখন তার নাম হয় ""মোহ""।আবার এই মোহ বা অজ্ঞানই যখন "আমি ধনি" "আমি মানী"এই রকম অহমিকার আকার ধারণ করে,তখন তারই নাম "মদ"। আবার ঐ অহমিকা যখন অন‍্যের নিজাপেক্ষা অধিক ধন প্রতিপত্তি দর্শনে স্বীয়(নিজ) ধন, মানাদির গর্বকে খর্ব করে তখন চিত্তে (মনে) যে এক প্রকার ক্ষোভ ব অসহনশীল জাত (জন্ম)হয়,তার নাম মাৎসর্য‍্য বা পরশ্রীকাতরতা।এরা হৃদয়ের অতি জঘন‍্য বা কদর্য‍্য বৃত্তি এবং ভক্তি ভজনের সর্বাধিক অন্তরায়।

শ্রীকৃষ্ণ গোপীকাদের প্রেমঋণ শোধিতে পারলেন না।বললেন, তোমরা যেভাবে আমার সেবা করেছ সেই সেবাই চিরঋণে আবদ্ধ হয়েছি।
আমার তোমাদের দেবার মত কিছুই নেই, তবুও যদি কিছু দিই তোমরা নেবে না, নিলেও আমার এমন কিছু নেই যে যাহাতে তোমাদের ঋণ শোধ হতে পারে।এই কথা শুনিয়া রাধারাণী বললেন,সে ঋণ শোধ করা বড় বেশী কিছু নহে, তুমি তাহা অনায়াসে শোধিত পার।তুমি যদি জীবকে হরি নাম দাও,তবে আমি তোমাকে ঋণ হতে মুক্ত করিব। শ্রীমতী যদিও কতক রহস্য ভাবে এই কথাগুলি বললেন, কিন্তু শ্রীকৃষ্ণ অমনি বললেন "তথাস্তু" তাই শ্রীকৃষ্ণ একখানি "দাসখত"লিখে দিলেন।তাহাতে লেখা ছিল যে, তিনি কলিযুগে সন্ন‍্যাসী হয়ে দ্বারে দ্বারে হরিনাম বিতরণ করবেন।শ্রীকৃষ্ণ এই কার্য‍্য করিয়া শ্রীমতীর ঋণ হতে পরিত্রাণ পাবেন, তাই তিনি গৌর অবতার হলেন।এই গেল স্বপ্ন বিলাসের কথা।কৃষ্ণকীর্তন -যাত্রা,যা বাংলাদেশে গান হয়ে থাকে, তাহাতে সে "দাস-খত" খানি গীত হয়ে থাকে।
সে দাসখত এইভাবে লিখিত-------
ইয়াদি কৃত‍্য,গুণ সমুদ্র,সৎ সাধু শ্রীরাধা।
সচ্চরিত্র চরিতেষু পুরাহ মনের সাধা।।
তস‍্য খাতক হরি নায়ক বসতি ব্রজপুরী।
অস‍্য কর্জ,পত্র মিদং,লিখিতং সুকুমারী।।
তারিখস‍্য দ্বাপরস‍্য পরিশোধ কলিযুগে।
এই কথায়ে,খত লিখিনু,ইসাদি মঞ্জুরি ভাগে।।
*উপরের উক্ত কাহিনী অবলম্বন করিয়া মহাজনগণ যে পদ লিখিয়াছেন শ্রবণ করুন।
কেন্দে আকুল হলো গৌরহরি।
(বলে)কোথা রাই  কিশোরী।।ধ্রু
প্রেম-নয়নে দীনের পানে,
চাও বারেক কৃপা করি।
ছেঁড়া কাঁথা করোয়া হাতে,
কেন্দে বেড়ায় পথে পথে,
তোমারি নাম নিতে নিতে এসেছি আশা করি।।
       (খালাশ হইব বলে)
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧               
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






সৎসঙ্গ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_91.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                             ꧁ সৎসঙ্গ 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  সৎসঙ্গের কথন ঃ--------------------
ততো দুঃসঙ্গমুৎসৃজ‍্য সৎসু সজ্জেত বুদ্ধিমান।
সন্ত এতস‍্য ছিন্দন্তি মনোব‍্যাসঙ্গমুক্তিভিঃ।।
** ভগবান শ্রীকৃষ্ণ উদ্ধবকে বলছেন--
ততঃ=সেইহেতু, বুদ্ধিমান=বুদ্ধিমান ব‍্যক্তি, দুঃসঙ্গং= অসৎসঙ্গ, উৎসৃজ‍্যগ পরিত‍্যাগ করিয়া, সৎসু= সৎসঙ্গে, সজ্জেত= আসক্ত হবেন, সন্তঃ= সৎ ব‍্যক্তিগণ, এতস‍্য= ইহারাই, মনোব‍্যাসঙ্গং= মনের বিশেষ আসক্তি, উক্তিভিঃ= ভক্তি বিষয়ক উপদেশ বাক‍্য দ্বারা, ছিন্দন্তি= ছেদন করেন।
********************************
অর্থ‍্যাৎ== সেই হেতু বুদ্ধিমান ব‍্যক্তি অসৎসঙ্গ ত‍্যাগ করিয়া সৎসঙ্গে আসক্ত হবেন। সৎব‍্যক্তিগণই উপদেশ বাক‍্য দ্বারা ওই ব‍্যক্তির মনের বিশেষ আসক্তি (সংসারাসক্তি)ছেদন করেন।
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
অসৎসঙ্গই জীবকে ভগবদবিমুখ করে। অসৎ-প্রাকৃত বস্তুর সঙ্গে অনাদি কাল হতে জীবের সম্বন্ধ হেতু জীবের পক্ষে কৃষ্ণ-উন্মুখতা বড়ই কঠিন। নাম সংকীর্তনাঙ্গ কি ভাবে করলে প্রেমের উদয় হয়,বা প্রেমের সাধক হয়,তাহা শ্রীমন্মহাপ্রভু শিক্ষাষ্টকে ব‍্যক্ত বা প্রকাশ করেছেন।
যেরূপে লইলে নাম প্রেম উপজয়।
তাহার লক্ষণ শুন স্বরূপ রামরায়।।
তৃণাদপি সুনীচেন তরোরিব সহিষ্ণুনা।
অমানিনা মান দেন কীর্তনীয়ঃ সদা হরিঃ।।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_91.html
       ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
মহাপ্রভু এই শ্লোকের স্বয়ংই অর্থ করেছেন------
উত্তম হঞা আপনাকে মানে তৃণাধম।
দুইপ্রকারে সহিষ্ণুতা করে বৃক্ষসম।।
বৃক্ষ যেন কাটিলেহ কিছু না বোলয়।
শুখাইয়া মৈলে কারে পানি না মাগয়।।
যেই যে মাগয়ে তারে দেয় আপন ধন।
ঘর্ম-বৃষ্টি সহে,আনের করয়ে রক্ষণ।।
উত্তম হঞা বৈষ্ণব হবে নিরভিমান।
জীবে সম্মান দিবে জানি কৃষ্ণ- অধিষ্ঠান।।
এইমত হঞা যেই কৃষ্ণনাম লয়।
কৃষ্ণের চরণে তার প্রেম উপজয়।।

** শ্রীপাদ কবিরাজ গোস্বামী উক্ত শ্লোক বিষয়ে মন্তব্য প্রকাশ করতে গিয়ে লিখেছেন-----
ঊর্ধবাহু করি কহি শুন সর্বলোক।
নামসূত্রে গাঁথি পর কন্ঠে এই শ্লোক।।
প্রভুর আজ্ঞায় কর এই শ্লোক আচরণ
অবশ‍্য পাইবে তবে শ্রীকৃষ্ণচরণ।।
** এই কথা তাৎপর্য‍্য এই যে,নাম করবার সময় নিরন্তর এই শ্লোক স্মরণ করতে হবে এবং যাহাতে এই অবস্থা লাভ হয়, তার জন‍্য শ্রীনামের নিকট সকাতরে প্রার্থনা ও হৃদয়ের ব‍্যাকুলতা জ্ঞাপন করতে হবে। কেননা উক্ত অবস্থা লাভ না হওয়া পর্যন্ত নাম গ্রহণের মুখ‍্যফল প্রেমলাভ হবে না। যেহেতু এই শ্লোকের যথাযথ যাজনই নিরপরাধে নামকীর্তনের অমোঘ (অব‍্যর্থ বা সফল) উপায়।কেননা নামাপরাধই মহাশক্তিশালী নামসাধনায় প্রেম প্রাপ্তির প্রবলতম অন্তরায়(বাধা বা বিঘ্ন)। সাপরাধ (অপরাধ যার বা অপরাধী) ব‍্যক্তির প্রতি শ্রীনাম প্রসন্ন হন না এবং অপরাধী ব্যক্তি বহুকাল কীর্তন করলেও তিনি তাহাকে েপ্রমদানের 
ইচ্ছা করেন না।যেহেতু কলি যুগধর্ম এই হরিনাম সংকীর্তন সুসেবন(সুদ্ধাচার সেবা)করিয়া যাঁরা অচিরায় প্রেমলাভের ইচ্ছে করেন,তাঁদেরকে দশবিধ নামাপরাধ বর্জন করিয়াই নামকীর্তন করতে হবে। ""রাধ""শব্দে সন্তোষ  বুঝায়।
অপরাধ হলে নামের সন্তোষ অপগত (পলায়ন) হয় বলিয়া শ্রীনাম স্বপ্রভাব সংগোপন (সম্পন্ন ভাবে গোপন) করেন, ফলতঃ নামাপরাধী নাম সেবনে অসমর্থ হন। নাম সেবা দূরে থাকুক,অশ্রদ্ধা,কৌটিল‍্য(কুটিলতা) কৃষ্ণেতর বস্তুতে অভিনিবেশ(অভ‍্যন্তরে প্রবেশ করা) লাভ,পূজা,প্রতিষ্ঠাশা এবং নামভজনে শৈথিল‍্য (অমনোযোগ) প্রভৃতি এই নাম অপরাধেরই বিষময় ফল। আবার ""রাধ""শব্দের অর্থ সিদ্ধি (রাধ্+ঘঞ) অপরাধে নামের ফল-সিদ্ধি অপগত হয়।(দশটি নাম অপরাধ---
১,সাধুনিন্দা,২,শ্রীবিষ্ণু ও শ্রীশিবের নামাদির ভেদকরণ, ৩,শ্রীগুরুদেবের অবজ্ঞা বা শ্রীগুরুতে মর্ত‍্যবুদ্ধি,(মানবজ্ঞান)৪,শ্রুতি ও তদনুগত শাস্ত্রের নিন্দা, ৫,শ্রীহরিনামের মহিমায় অর্থবাদ মনন, ৬,শ্রীহরিনামে অর্থান্তর কল্টনা,৭,নামবলে পাপাচরণে প্রবৃত্তি, ৮,অন‍্য শুভক্রিয়াদির সঙ্গে শ্রীহরিনামের সমতা মনন, ৯,শ্রদ্ধাহীনজনকে নামোপদেশ, ১০, নামমাহাত্ম‍্য শ্রবণ করিয়াও নামে অপ্রীতি।
কাম,ক্রোধ,লোভ,মোহ,মদ,ওমাৎসর্য‍্য এই ষড় বা ছয় রিপু মানবদেহে সতত (সবসময়) বাস করে থাকে।সংসার সিন্ধুতে অর্থ‍্যাৎ এই সংসাররূপ সাগরে নিপতিত(পড়ে থেকে )মানব এই ছয়রিপু রূপ মহাশক্তিশালী নক্র (যে এক স্থানে থাকতে ভালবাসে, এবং স্বস্থানে থেকে শিকার আকর্ষণ করে, বা কুমীর)মকরাদি কবলগ্রস্ত হয়ে অবিরত ইহাদের দ্বারা চর্বিত (চিবিয়ে খাচ্ছে এমন)হচ্ছে। অর্থ‍্যাৎ 
ছয় রিপুর দ্বারা সুখ শান্তি বিহীন কষ্টভোগ করছে। এই ছয়রিপু মহাশক্তিশালী ও অতি উদ্দাম, (স্বেচ্ছাচারী ও বন্ধনমুক্ত)প্রতি মানুষের ইন্দ্রিয়কুলকে যখন এরা আকর্ষণ করে,তখন বিদ্বানের বিদ‍্যা, বুদ্ধিমানের সব বুদ্ধিস্তিমিত(নিশ্চল বা স্থির) (কত যোগীন্দ্র ঋষি মুনিগন না জানি কি ধ‍্যানে।
মগন স্তিমিতলোচন কি অমৃত রস পানে।।) ""অপর অর্থ ডুবে যাওয়া ""
হয় যায়। নিজ শক্তিতে মানবকুল কখনই ছয়রিপুর কবল হতে রক্ষা পেতে পারে না। অর্জুন শ্রীকৃষ্ণের কাছে প্রশ্ন করেছিলেন--------
"অথ কেন প্রযুক্তোহয়ং পাপং চরতি পুরুষঃ। 
অনিচ্ছন্নপি বাষ্ণেরয় বলাদিব নিয়ুজিতঃ।।(গীতা ৩|৩৬)
 হে কৃষ্ণ!লোকে কার দ্বারা যুক্ত হয়ে অনিচ্ছাসত্ত্বেও যেন বলপূর্বক নিয়োজিত হয়ে পাপ আচরণে প্রবৃত্ত হয়? তদুত্তরে শ্রীকৃষ্ণ বলেছিলেন-----
কাম এষ ক্রোধ এষ রজোগুণসমুদ্ভবঃ।
মহাশনো মহাপাপমা বিদ্ধ‍্যেনমিহ বৈরিণম্।।
হে অর্জুন! ইহা কাম,ইহাই ক্রোধ।ইহা রজোগুণোৎপন্ন,ইহা অতি দুষ্পূরণীয় (পূরণ করা দুঃসাধ‍্য) এবং অতি উগ্র।
ইহাকে সংসারে শত্রু বলিয়ায় জানবে। কাম শব্দে কেহ কেহ স্ত্রী-পুরুষের পারস্পরিক মিলনেচ্ছাকেই বুঝে থাকেন এইরকম সংকীর্ণ অর্থেও কাম শব্দ ব‍্যবহার হয় বটে, কিন্তু কাম শব্দের ব‍্যাপক অর্থ কামনা বা বিষয়বাসনা।এই কাম বা কামনা প্রতিহত (আঘাত) হলেই উহা ক্রোধে পরিণত হয়, সুতরাং কামও ক্রোধ একই ; কেবল ক্রোধই নহে, অপর চারটি রিপু লোভ মোহ মদ ও মাৎসর্য‍্য এরাও কামেরই রূপান্তর। এই কামনা উত্তম ভোগ‍্য দ্রব‍্যাদ বা ধন ঐশ্বর্যাদির প্রতি অতিমাত্রায় আকৃষ্ট হলে তাকে ""লোভ""বলে।আবার এই কামনা বা বিষয়বাসনাই যখন মানুষকে অনিত‍্য বা নশ্বর বস্তুতে আসক্ত করে রাখে,স্বরূপের উপলব্ধি করতে দেয় না, বা আত্মজ্ঞানকে আচ্ছন্ন করে দেয়,তখন তার নাম হয় ""মোহ""।আবার এই মোহ বা অজ্ঞানই যখন "আমি ধনি" "আমি মানী"এই রকম অহমিকার আকার ধারণ করে,তখন তারই নাম "মদ"। আবার ঐ অহমিকা যখন অন‍্যের নিজাপেক্ষা অধিক ধন প্রতিপত্তি দর্শনে স্বীয়(নিজ) ধন, মানাদির গর্বকে খর্ব করে তখন চিত্তে (মনে) যে এক প্রকার ক্ষোভ ব অসহনশীল জাত (জন্ম)হয়,তার নাম মাৎসর্য‍্য বা পরশ্রীকাতরতা।এরা হৃদয়ের অতি জঘন‍্য বা কদর্য‍্য বৃত্তি এবং ভক্তি ভজনের সর্বাধিক অন্তরায়।

শ্রীকৃষ্ণ গোপীকাদের প্রেমঋণ শোধিতে পারলেন না।বললেন, তোমরা যেভাবে আমার সেবা করেছ সেই সেবাই চিরঋণে আবদ্ধ হয়েছি।
আমার তোমাদের দেবার মত কিছুই নেই, তবুও যদি কিছু দিই তোমরা নেবে না, নিলেও আমার এমন কিছু নেই যে যাহাতে তোমাদের ঋণ শোধ হতে পারে।এই কথা শুনিয়া রাধারাণী বললেন,সে ঋণ শোধ করা বড় বেশী কিছু নহে, তুমি তাহা অনায়াসে শোধিত পার।তুমি যদি জীবকে হরি নাম দাও,তবে আমি তোমাকে ঋণ হতে মুক্ত করিব। শ্রীমতী যদিও কতক রহস্য ভাবে এই কথাগুলি বললেন, কিন্তু শ্রীকৃষ্ণ অমনি বললেন "তথাস্তু" তাই শ্রীকৃষ্ণ একখানি "দাসখত"লিখে দিলেন।তাহাতে লেখা ছিল যে, তিনি কলিযুগে সন্ন‍্যাসী হয়ে দ্বারে দ্বারে হরিনাম বিতরণ করবেন।শ্রীকৃষ্ণ এই কার্য‍্য করিয়া শ্রীমতীর ঋণ হতে পরিত্রাণ পাবেন, তাই তিনি গৌর অবতার হলেন।এই গেল স্বপ্ন বিলাসের কথা।কৃষ্ণকীর্তন -যাত্রা,যা বাংলাদেশে গান হয়ে থাকে, তাহাতে সে "দাস-খত" খানি গীত হয়ে থাকে।
সে দাসখত এইভাবে লিখিত-------
ইয়াদি কৃত‍্য,গুণ সমুদ্র,সৎ সাধু শ্রীরাধা।
সচ্চরিত্র চরিতেষু পুরাহ মনের সাধা।।
তস‍্য খাতক হরি নায়ক বসতি ব্রজপুরী।
অস‍্য কর্জ,পত্র মিদং,লিখিতং সুকুমারী।।
তারিখস‍্য দ্বাপরস‍্য পরিশোধ কলিযুগে।
এই কথায়ে,খত লিখিনু,ইসাদি মঞ্জুরি ভাগে।।
*উপরের উক্ত কাহিনী অবলম্বন করিয়া মহাজনগণ যে পদ লিখিয়াছেন শ্রবণ করুন।
কেন্দে আকুল হলো গৌরহরি।
(বলে)কোথা রাই  কিশোরী।।ধ্রু
প্রেম-নয়নে দীনের পানে,
চাও বারেক কৃপা করি।
ছেঁড়া কাঁথা করোয়া হাতে,
কেন্দে বেড়ায় পথে পথে,
তোমারি নাম নিতে নিতে এসেছি আশা করি।।
       (খালাশ হইব বলে)
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧               
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






দেবকীর প্রতি শ্রীভগবানের উক্তি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_72.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
         ꧁ দেবকীর প্রতি শ্রীভগবানের উক্তি 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
দেবকীর প্রতি শ্রীভগবানের উক্তিঃ----
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
 শ্রীভগবান দেবকীকে বললেন, মাতঃ! আমি কেবল মাত্র এবারই তোমার গর্ভে জন্মগ্রহণ করি নাই, আমি আরো অনেকবার তোমার গর্ভে জন্মগ্রহণ করেছি,তাহা তোমার মনে নেই।স্বায়ম্ভূব মন্বন্তরে তোমার নাম ছিল "পৃশ্নি" ও তোমার পতি এই বসুদেব সে সময়ে "সুতপা"নামক প্রজাপতি ছিলেন। সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মা তোমাদের প্রজা সৃষ্টি করতে আদেশ করলে তোমরা ইন্দিয়সংযম পূর্বক তীব্র তপস‍্যা করেছিলে।স্বায়ম্ভূব মন্বন্তরে ব্রহ্মা সুতপা নামক প্রজাপতিকে প্রজাসৃষ্টি করতে আদেশ করলে তিনি সে আদেশ লঙ্ঘন করেন নাই, কিন্তু তাঁর মনে হয়েছিল যে- নানা প্রকার পার্থিব সুখের মধ্যে পুত্রসুখ তুচ্ছ নহে;
বরণ বিচার করলে সংসারে জীবের পক্ষে ইহা পরমোপাদেয় বলিয়াই মনে হয়। কারণ ভগবানের মায়াশক্তি থেকে জীবের মুক্তি পাওয়া দুঃসাধ‍্য। একমাত্র ভগবানের কৃপাতেই জীব মায়ামুক্ত হতে পারে। ভগবান গীতায় (৭|১৪) বলেছেন-- " দৈবী হ‍্যেষা গুণময়ী মম মায়া দুরত‍্যয়া। মামেব যে প্রপদ‍্যন্তে মায়ামেতাং তরন্তি তে।।
ভগবৎ কৃপা ব‍্যতীত জীব মায়ার হাত থেকে অর্থ‍্যাৎ দুঃসঙ্গ থেকে নিষ্কৃতি পেতে পারে না। তবে ভগবৎকৃপা আবার ভক্তকৃপা সাপেক্ষ। তাই ভগবৎকৃপার জন্য কেবল দুঃসঙ্গ অর্থ‍্যাৎ অসৎসঙ্গ ত‍্যাগ করলেই হবে না, তার পাশাপাশি সাধুসঙ্গ অর্থ‍্যাৎ ভক্তসঙ্গও একান্ত প্রয়োজন। কারণ 
সাধু সঙ্গ সাধু সঙ্গ সর্বশাস্ত্রে কয়।
লব মাত্র সাধুসঙ্গ সর্বসিদ্ধি হয়।।
তাই একমাত্র সাধুসঙ্গ বা ভক্তসঙ্গের ফলেই ভগবৎকৃপা লাভ সম্ভব। সাধুগণ ব‍্যতীত আর কেউই মায়াবদ্ধ জীবের সংসার আসক্তি দূর করতে পারবেন না। তাই সাধুসঙ্গ যে কোন পূণ‍্যকর্ম, তীর্থসেবা,দেবসেবা, এমনকি শাস্ত্র জ্ঞানাদির চেয়েও শ্রেষ্ঠ।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧               
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






দেবকীর প্রতি শ্রীভগবানের উক্তি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_72.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
         ꧁ দেবকীর প্রতি শ্রীভগবানের উক্তি 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
দেবকীর প্রতি শ্রীভগবানের উক্তিঃ----
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
 শ্রীভগবান দেবকীকে বললেন, মাতঃ! আমি কেবল মাত্র এবারই তোমার গর্ভে জন্মগ্রহণ করি নাই, আমি আরো অনেকবার তোমার গর্ভে জন্মগ্রহণ করেছি,তাহা তোমার মনে নেই।স্বায়ম্ভূব মন্বন্তরে তোমার নাম ছিল "পৃশ্নি" ও তোমার পতি এই বসুদেব সে সময়ে "সুতপা"নামক প্রজাপতি ছিলেন। সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মা তোমাদের প্রজা সৃষ্টি করতে আদেশ করলে তোমরা ইন্দিয়সংযম পূর্বক তীব্র তপস‍্যা করেছিলে।স্বায়ম্ভূব মন্বন্তরে ব্রহ্মা সুতপা নামক প্রজাপতিকে প্রজাসৃষ্টি করতে আদেশ করলে তিনি সে আদেশ লঙ্ঘন করেন নাই, কিন্তু তাঁর মনে হয়েছিল যে- নানা প্রকার পার্থিব সুখের মধ্যে পুত্রসুখ তুচ্ছ নহে;
বরণ বিচার করলে সংসারে জীবের পক্ষে ইহা পরমোপাদেয় বলিয়াই মনে হয়। কারণ ভগবানের মায়াশক্তি থেকে জীবের মুক্তি পাওয়া দুঃসাধ‍্য। একমাত্র ভগবানের কৃপাতেই জীব মায়ামুক্ত হতে পারে। ভগবান গীতায় (৭|১৪) বলেছেন-- " দৈবী হ‍্যেষা গুণময়ী মম মায়া দুরত‍্যয়া। মামেব যে প্রপদ‍্যন্তে মায়ামেতাং তরন্তি তে।।
ভগবৎ কৃপা ব‍্যতীত জীব মায়ার হাত থেকে অর্থ‍্যাৎ দুঃসঙ্গ থেকে নিষ্কৃতি পেতে পারে না। তবে ভগবৎকৃপা আবার ভক্তকৃপা সাপেক্ষ। তাই ভগবৎকৃপার জন্য কেবল দুঃসঙ্গ অর্থ‍্যাৎ অসৎসঙ্গ ত‍্যাগ করলেই হবে না, তার পাশাপাশি সাধুসঙ্গ অর্থ‍্যাৎ ভক্তসঙ্গও একান্ত প্রয়োজন। কারণ 
সাধু সঙ্গ সাধু সঙ্গ সর্বশাস্ত্রে কয়।
লব মাত্র সাধুসঙ্গ সর্বসিদ্ধি হয়।।
তাই একমাত্র সাধুসঙ্গ বা ভক্তসঙ্গের ফলেই ভগবৎকৃপা লাভ সম্ভব। সাধুগণ ব‍্যতীত আর কেউই মায়াবদ্ধ জীবের সংসার আসক্তি দূর করতে পারবেন না। তাই সাধুসঙ্গ যে কোন পূণ‍্যকর্ম, তীর্থসেবা,দেবসেবা, এমনকি শাস্ত্র জ্ঞানাদির চেয়েও শ্রেষ্ঠ।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧               
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






শ্রীরঙ্গ পুরী ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ➡️ এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_81.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                           ꧁ শ্রীরঙ্গ পুরী 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 *🙏শ্রীরঙ্গ পুরী🙏*
      ***********
*শ্রীরঙ্গ পুরী বললেন,না,এমন সুন্দর সন্ন‍্যাসী তো এর পূর্বে কখনও দেখি নাই!আহা-হা,উনার অঙ্গে অষ্টসাত্ত্বিকের ভাবসমূহ দেখছি!এই বলিয়া শ্রীরঙ্গ পুরী মহাপ্রভুকে ধরিয়া ভূমি থেকে উঠালেন।মহাপ্রভু পুরীর পদধূলি নিলেন।*
*শ্রীরঙ্গ পুরী বললেন তুমি কে? তোমার মধ্যে দিব‍্য কৃষ্ণ-প্রেম দেখে আমার শ্রীগুরু-পাদপদ্ম মাধবেন্দ্র পুরীর কথা মনে পড়ছে।এমন প্রেম তাঁর ছাড়া আর কারও শরীরে দুর্লভ।দক্ষিণ দেশ ভ্রমণ করে মহাপ্রভু মহীশূরে উড়ুপিতে এলেন।সেখান থেকে এলেন মহারাষ্ট্র দেশে ভীমা নদীর তীরে পান্ডারপুরে উপস্থিত হলেন।তথায় বিঠঠাল দেবকে দর্শন করে প্রেমাবিষ্ট হলেন।* *বহু নৃত‍্যগীত করলেন।বিঠঠল দেবকে দর্শন করবার পর মধ‍্যাহ্নকালে কোন এক পূজারী ব্রাহ্মণের ঘরে ভিক্ষা গ্রহণ করলেন।তাঁর মুখে শ্রীমাধবেন্দ্র পুরীর শিষ‍্য শ্রীরঙ্গ পুরীকে দেখতে চললেন।গিয়ে দেখলেন,শ্রীরঙ্গ পুরী ঘরের মধ্যে বসে "নাম"করছেন।পুরীকে দর্শন করেই নিজ গুরু শ্রীঈশ্বর পুরীপাদের কথা মনে পড়ল।মহাপ্রভু অঙ্গন থেকেই শ্রীরঙ্গ পুরীকে সাষ্টাঙ্গ দন্ডবৎ প্রণাম ও বন্দনা করলেন।শ্রীরঙ্গ পুরী তাড়াতাড়ি এসে মহাপ্রভুকে ধরে তুললেন।শ্রীরঙ্গ পুরী বললেন, শ্রীপাদ, তোমার পরিচয় কি?মহাপ্রভু বললেন,আমি শ্রীশ্রীঈশ্বরপুরী পাদের অধম ভৃত‍্য।ঈশ্বরপুরীর নাম শুনে শ্রীরঙ্গ পুরীর দুইনয়ন হতে জলধারা পড়তে লাগল। কিছুক্ষণ নীরবে কান্নার পর দুইহাত দিয়ে মহাপ্রভুর গলা জড়িয়ে ধরে বললেন, আহা, শ্রীঈশ্বর পুরী তো আমাদের ছেড়ে নিত‍্যলীলায় প্রবেশ করেছেন। বাবা!তোমায় দেখে বড় শান্তি পেলাম!মহাপ্রভু সজল নয়নে বললেন,হে গোঁসাঞি, কত ভাগ‍্যে আপনার দর্শন পেলাম।শ্রীরঙ্গপুরীবললেন, শ্রীপাদ, তোমার পূর্ব আশ্রমের পরিচয় শুনতে চাই।মহাপ্রভু বললেন,বঙ্গদেশে গঙ্গতটস্থিত নবদ্বীপ নগরীতে আমার জন্মস্থান।পিতার নাম শ্রীজগন্নাথ মিশ্র,বর্তমানে তিনি বৈকুন্ঠবাসী।মাতার নাম শচীদেবী।আর এক পুত্র ছিলেন,তাঁর নাম বিশ্বরূপ।আমি যখন খুব ছোট্ট ছিলাম তিনি দেশান্তরী হয়েছিলেন।* *এখন আমিও সন্ন‍্যাসী হয়ে তাঁর অনুসন্ধান করছি। শ্রীরঙ্গপুরী বললেন, বাবা!বহুদিনের কথা মনে পড়ল।আমি একবার শ্রীগুরুদেবের সঙ্গে নবদ্বীপ গিয়েছিলাম।তোমার পিতা জগন্নাথ মিশ্র বহু সমাদর করে শ্রীগুরুদেবকে গৃহে নিয়ে পূজো করেছিলেন এবং ভোজন করিয়েছিলেন।তোমার মাতৃদেবীর রান্নার স্বাদ এখনও ভুলতে পারিনি।তিনি যে শাক রান্না করেছিলেন, তা অপূর্ব। আহা,তুমি সেই জন্নাথ-শচীর পুত্র।এই কথা বলে শ্রীরঙ্গ পুরী মহাপ্রভুকে জড়িয়ে ধরলেন।তারপর বললেন,বাবা,একটি কথা,বলতে প্রাণ ফেটে যায়।মহাপ্রভু বললেন বলুন,কি কথা,আমি কি শুনবার যোগ্য নই? রঙ্গপুরী বললেন, দীর্ঘকাল বেঁচে থাকলে বহু কষ্ট হয়!আবার দেখাও যায় অনেক কিছু।মহাপ্রভু বললেন কষ্টকি?দেখা যায় কি?রঙ্গপুরী বললেন,তোমার জ‍্যেষ্ঠ ভ্রাতা বিশ্বরূপ সন্ন‍্যাস গ্রহণ করে শ্রীশঙ্করাণ‍্য নাম ধারণ করেছিল।এই পান্ডারপুরেই থাকতো তারপর আর কি বলব!* *(মূর্ছা গেলেন)* *মহাপ্রভু দুঃখভরে পুরীকে ধরে বসালেন এবং বললেন,গোঁসাঞি, তারপর বলুন,আহা কি মধুর কথা শুনছি!বিশ্বরূপের জন্য সন্ন‍্যাসী হয়ে আমি দেশে দেশে ভ্রমণ করছি।জননীর কাছে প্রতিজ্ঞা করে এসেছি,বিশ্বরূপের সন্ধান যে কোন রকমে সংগ্রহ করব।* *রঙ্গপুরী কাঁদতে কাঁদতে ও কথা মুখে আনতে প্রাণ ফেটে যায়। আহা,ক'মাস হল-------নীরব।* *মহাপ্রভু বললেন,গোঁসাঞি,আপনি কাঁদছেন কেন?তারপর কি হল বলুন? রঙ্গপুরী বললেন,বাবা!আমি কেন বেঁচে আছি জানি না।এই ক্ষেত্রেই তার সিদ্ধিলাভ হয়েছে।বিশ্বরূপের অপ্রকট বার্তা শ্রবণ মাত্রেই ভূতলে মহাপ্রভু মূর্ছিত হয়ে পড়ে গেলেন।শোকাশ্রুতে ভূতল সিক্ত হতে লাগল।* *এই নিদারুণ সংবাদ শ্রবণ করে মহাপ্রভু প্রায় সারাদিন অচৈতন‍্য অবস্থায় রইলেন।শ্রীরঙ্গপুরী মহাপ্রভুর কন্ঠ ধরে কতই না কাঁদলেন।তিন-চারদিন রঙ্গপুরীর আশ্রমে থেকে মহাপ্রভু বিবিধ কথা প্রসঙ্গে সময় কাটালেন।পুনঃ তীর্থভ্রমণে যাত্রা করলেন।শ্রীরঙ্গপুরীও দ্বারকা অভিমুখে চলে গেলেন।মহাপ্রভু যখন ক্ষেত্রধামে ফিরে এলেন,শ্রীরঙ্গপুরীও তথায় এলেন।শেষ পর্য তিনি সেখানে অবস্থান করেছিলেন।মহাপ্রভু তাঁকে শ্রীগুরুর মতো ভক্তি করতেন।শ্রীরঙ্গ পুরীও তাঁকে প্রাণের প্রাণ মনে করতেন।*
*🙏বানান ও ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয়🙏*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧               
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






শ্রীরঙ্গ পুরী ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ➡️ এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_81.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                           ꧁ শ্রীরঙ্গ পুরী 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 *🙏শ্রীরঙ্গ পুরী🙏*
      ***********
*শ্রীরঙ্গ পুরী বললেন,না,এমন সুন্দর সন্ন‍্যাসী তো এর পূর্বে কখনও দেখি নাই!আহা-হা,উনার অঙ্গে অষ্টসাত্ত্বিকের ভাবসমূহ দেখছি!এই বলিয়া শ্রীরঙ্গ পুরী মহাপ্রভুকে ধরিয়া ভূমি থেকে উঠালেন।মহাপ্রভু পুরীর পদধূলি নিলেন।*
*শ্রীরঙ্গ পুরী বললেন তুমি কে? তোমার মধ্যে দিব‍্য কৃষ্ণ-প্রেম দেখে আমার শ্রীগুরু-পাদপদ্ম মাধবেন্দ্র পুরীর কথা মনে পড়ছে।এমন প্রেম তাঁর ছাড়া আর কারও শরীরে দুর্লভ।দক্ষিণ দেশ ভ্রমণ করে মহাপ্রভু মহীশূরে উড়ুপিতে এলেন।সেখান থেকে এলেন মহারাষ্ট্র দেশে ভীমা নদীর তীরে পান্ডারপুরে উপস্থিত হলেন।তথায় বিঠঠাল দেবকে দর্শন করে প্রেমাবিষ্ট হলেন।* *বহু নৃত‍্যগীত করলেন।বিঠঠল দেবকে দর্শন করবার পর মধ‍্যাহ্নকালে কোন এক পূজারী ব্রাহ্মণের ঘরে ভিক্ষা গ্রহণ করলেন।তাঁর মুখে শ্রীমাধবেন্দ্র পুরীর শিষ‍্য শ্রীরঙ্গ পুরীকে দেখতে চললেন।গিয়ে দেখলেন,শ্রীরঙ্গ পুরী ঘরের মধ্যে বসে "নাম"করছেন।পুরীকে দর্শন করেই নিজ গুরু শ্রীঈশ্বর পুরীপাদের কথা মনে পড়ল।মহাপ্রভু অঙ্গন থেকেই শ্রীরঙ্গ পুরীকে সাষ্টাঙ্গ দন্ডবৎ প্রণাম ও বন্দনা করলেন।শ্রীরঙ্গ পুরী তাড়াতাড়ি এসে মহাপ্রভুকে ধরে তুললেন।শ্রীরঙ্গ পুরী বললেন, শ্রীপাদ, তোমার পরিচয় কি?মহাপ্রভু বললেন,আমি শ্রীশ্রীঈশ্বরপুরী পাদের অধম ভৃত‍্য।ঈশ্বরপুরীর নাম শুনে শ্রীরঙ্গ পুরীর দুইনয়ন হতে জলধারা পড়তে লাগল। কিছুক্ষণ নীরবে কান্নার পর দুইহাত দিয়ে মহাপ্রভুর গলা জড়িয়ে ধরে বললেন, আহা, শ্রীঈশ্বর পুরী তো আমাদের ছেড়ে নিত‍্যলীলায় প্রবেশ করেছেন। বাবা!তোমায় দেখে বড় শান্তি পেলাম!মহাপ্রভু সজল নয়নে বললেন,হে গোঁসাঞি, কত ভাগ‍্যে আপনার দর্শন পেলাম।শ্রীরঙ্গপুরীবললেন, শ্রীপাদ, তোমার পূর্ব আশ্রমের পরিচয় শুনতে চাই।মহাপ্রভু বললেন,বঙ্গদেশে গঙ্গতটস্থিত নবদ্বীপ নগরীতে আমার জন্মস্থান।পিতার নাম শ্রীজগন্নাথ মিশ্র,বর্তমানে তিনি বৈকুন্ঠবাসী।মাতার নাম শচীদেবী।আর এক পুত্র ছিলেন,তাঁর নাম বিশ্বরূপ।আমি যখন খুব ছোট্ট ছিলাম তিনি দেশান্তরী হয়েছিলেন।* *এখন আমিও সন্ন‍্যাসী হয়ে তাঁর অনুসন্ধান করছি। শ্রীরঙ্গপুরী বললেন, বাবা!বহুদিনের কথা মনে পড়ল।আমি একবার শ্রীগুরুদেবের সঙ্গে নবদ্বীপ গিয়েছিলাম।তোমার পিতা জগন্নাথ মিশ্র বহু সমাদর করে শ্রীগুরুদেবকে গৃহে নিয়ে পূজো করেছিলেন এবং ভোজন করিয়েছিলেন।তোমার মাতৃদেবীর রান্নার স্বাদ এখনও ভুলতে পারিনি।তিনি যে শাক রান্না করেছিলেন, তা অপূর্ব। আহা,তুমি সেই জন্নাথ-শচীর পুত্র।এই কথা বলে শ্রীরঙ্গ পুরী মহাপ্রভুকে জড়িয়ে ধরলেন।তারপর বললেন,বাবা,একটি কথা,বলতে প্রাণ ফেটে যায়।মহাপ্রভু বললেন বলুন,কি কথা,আমি কি শুনবার যোগ্য নই? রঙ্গপুরী বললেন, দীর্ঘকাল বেঁচে থাকলে বহু কষ্ট হয়!আবার দেখাও যায় অনেক কিছু।মহাপ্রভু বললেন কষ্টকি?দেখা যায় কি?রঙ্গপুরী বললেন,তোমার জ‍্যেষ্ঠ ভ্রাতা বিশ্বরূপ সন্ন‍্যাস গ্রহণ করে শ্রীশঙ্করাণ‍্য নাম ধারণ করেছিল।এই পান্ডারপুরেই থাকতো তারপর আর কি বলব!* *(মূর্ছা গেলেন)* *মহাপ্রভু দুঃখভরে পুরীকে ধরে বসালেন এবং বললেন,গোঁসাঞি, তারপর বলুন,আহা কি মধুর কথা শুনছি!বিশ্বরূপের জন্য সন্ন‍্যাসী হয়ে আমি দেশে দেশে ভ্রমণ করছি।জননীর কাছে প্রতিজ্ঞা করে এসেছি,বিশ্বরূপের সন্ধান যে কোন রকমে সংগ্রহ করব।* *রঙ্গপুরী কাঁদতে কাঁদতে ও কথা মুখে আনতে প্রাণ ফেটে যায়। আহা,ক'মাস হল-------নীরব।* *মহাপ্রভু বললেন,গোঁসাঞি,আপনি কাঁদছেন কেন?তারপর কি হল বলুন? রঙ্গপুরী বললেন,বাবা!আমি কেন বেঁচে আছি জানি না।এই ক্ষেত্রেই তার সিদ্ধিলাভ হয়েছে।বিশ্বরূপের অপ্রকট বার্তা শ্রবণ মাত্রেই ভূতলে মহাপ্রভু মূর্ছিত হয়ে পড়ে গেলেন।শোকাশ্রুতে ভূতল সিক্ত হতে লাগল।* *এই নিদারুণ সংবাদ শ্রবণ করে মহাপ্রভু প্রায় সারাদিন অচৈতন‍্য অবস্থায় রইলেন।শ্রীরঙ্গপুরী মহাপ্রভুর কন্ঠ ধরে কতই না কাঁদলেন।তিন-চারদিন রঙ্গপুরীর আশ্রমে থেকে মহাপ্রভু বিবিধ কথা প্রসঙ্গে সময় কাটালেন।পুনঃ তীর্থভ্রমণে যাত্রা করলেন।শ্রীরঙ্গপুরীও দ্বারকা অভিমুখে চলে গেলেন।মহাপ্রভু যখন ক্ষেত্রধামে ফিরে এলেন,শ্রীরঙ্গপুরীও তথায় এলেন।শেষ পর্য তিনি সেখানে অবস্থান করেছিলেন।মহাপ্রভু তাঁকে শ্রীগুরুর মতো ভক্তি করতেন।শ্রীরঙ্গ পুরীও তাঁকে প্রাণের প্রাণ মনে করতেন।*
*🙏বানান ও ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয়🙏*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧               
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






শ্রীগদাধর তত্ব ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_88.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                        ꧁ শ্রীগদাধর তত্ত্ব 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *🙏🙏শ্রীগদাধর তত্ত্ব🙏🙏*
           ^^^^^^^^^^^^^^
*ভজভজ মন মাধব নন্দন গদাধর যাঁর নাম।*
*তাঁর চরণ যে করে শরণ সেই যায় ব্রজ ধাম।।*
*সেই গুরু সেই শিষ‍্য তোমাকে যে জানে।*
*তোমাকে ছাড়ি ভক্তি করে চক্ষুহীন জনে।।*
*সেই রাধা হয় এই পন্ডিত গোঁসাঞি।*
*গৌর প্রেম সাধারস পাই যাঁর ঠাঞি।।*
*অতএব তাঁরে যেবা হয় রতি হীন।*
*প্রেমভক্তি নাহি তার হয় মহাদীন*
*ইহাতেও যেই জন না করে বিশ্বাস*।
*কোটি জন্মে নাহি ত্রাণ তার সর্বনাশ।।*
*রাগানুগা মার্গে যে ভজিতে সাধ করে।*
*পন্ডিত গোঁসাঞির শিষ্যগণ অনুসারে।।*
*এ সবার অনুগা বিনা ব্রজে প্রাপ্তি নাই।*
*অতএব তাঁর শাখা ব্রজের গোঁসাঞি।।*
*অচ‍্যুতের যেই মত সেই মত সার।*
*আর যত মত সব যাউ ছারখার।।*


*🌻শ্রীঅদ্বৈত আচার্য‍্যের পুত্র অচ‍্যুতানন্দ, শ্রীগদাধর পন্ডিতের নিকটে দীক্ষিত।🌻*

 *শ্রীশ্রীগৌর গদাধর প্রেমরসামৃত তত্ত্ব*
""""     """"     """"     """"     """"     """"     """"     """"
*গৌরদেহে শ‍্যামতনু দেখে ভক্তগণ*।
*গদাধর  রাধারূপ হইল  তখন।।*
*জয় জয় গদাধর গৌরাঙ্গ সুন্দর।*
*এক আত্মা প্রকট ভাব দুই কলেবর।।*
*বৃন্দাবনে রাধা-কৃষ্ণ নবযুব দ্বন্দ্ব।*
*ইদানিং প্রকট গদাধর গৌরচন্দ্র।।*
*মহাভার স্বরূপা রাধা বৃন্দাবনেশ্বরী।*
*সেই এই গদাধর পন্ডিতাবতারী।।*
*নদীয়া নগরী সব বুঝলে মরমে।*
*যাঁর পরসাদে পাই প্রেমরতনে।।*
*কোটি কামজিনিরূপ যদ‍্যপি আমার।*
*অসমোর্ধ মাধুর্য‍্য সাম‍্য নাহি যাঁর।।*
*মোর রূপে আপ‍্যায়িত করে ত্রিভূবন।*
*শ্রীরাধার দর্শনে মোর জুড়ায় নয়ন।।*
*খেনে নরহরি অঙ্গে অঙ্গ হেলাইয়া*।
*গদাধর মুখ হেরি পড়ে মূরছিয়া।।*
*শ্রীরাধাকৃষ্ণ রূপী শ্রীগদাধর গৌরকে বন্দনা করি।*
*শ্রীরাধা প্রেমরূপা যা পূরা বৃন্দাবনেশ্বরী।।*
*"সা শ্রীগদাধরো গৌর বল্লভঃ পন্ডিতাখ‍্যকঃ।*
*নির্ণীত স্বরূপাদৈর্য‍্যা ব্রজ লক্ষ্মীঃ তথা যথা।।*
*পূরা বৃন্দাবনে লক্ষ্মী শ‍্যাম সুন্দর বল্লভা।*
*সাদ‍্য গৌর প্রেম লক্ষ্মীঃ শ্রী গদাধর পন্ডিতঃ।।*
*গদাধর পন্ডিত গোঁসাঞি শক্তি অবতার।*
*অন্তরঙ্গা স্বরূপা শক্তি গণনা যাঁহার।।*
*অন্তরঙ্গা স্বরূপ শক্তি সবার উপরে।*
*তিহো লক্ষ্মীরূপা তার সম কেহ নাইরে।।*
*গদাধর হৈল যেন গঙ্গা মূর্তি মতী।*
*সত‍্য সত‍্য গদাধর কৃষ্ণের মূরতি।।*
*আপনে চৈতন্য বলিয়াছেন বারবার।*
*শ্রীগদাধর মোর বৈকুন্ঠের পরিবার।।*
*বৃষভানুসুতা রাধা শ‍্যামসুন্দর বল্লভা।*
*কলো গদাধরঃ খ‍্যাতোমাধবা নন্দনঃ।।*
*মাধবস‍্য গৃহে জাতো মাধবস‍্য কুহুতিযৌ।*
*শ্রী রাধাদ্ভুত রূপেন পন্ডিত শ্রীগদাধরঃ।।*
*🌻অতএব বৈশাখমাসের অমাবস‍্যা তিথি শ্রীগদাধর জয়ন্তী🌻।*
*নিরবধি গদাধর থাকেন সংহতি।*
*প্রভু গদাধরের বিচ্ছেদ নাহি কতি।।*
*কি ভোজনে কি শয়নে কিবা পর্য‍্যটনে।*
*গদাধর প্রভুরে সেবেন অনুক্ষণে*।।
*এইমত প্রভু ভাগবতকথা শুনে রঙ্গে।।*
*শ্রীগদাধর পন্ডিত শাখা মহোত্তম।*
*তাঁর শাখা উপশাখা করিয়ে গণন।।*
*পন্ডিত গোঁসাঞির গণ ভাগবত ধন‍্য।*
*প্রাণ বল্লভ যাঁর শ্রীকৃষ্ণচৈতন‍্য।।*
*পন্ডিত গদাধর সর্বগুণ ধাম।*
*প্রভু কাছে থাকে নিরন্তর লয় নাম।।*
*এইমত প্রতিদিন করে পরিচর্য‍্যা।*
*শয়ন মন্দিরে করে শয়নের শয‍্যা*।।
*চরণ নিকটে নিতি করেন শয়ন।*
*নিরন্তর শুদ্ধাভক্তি পর তার মন।।*
*গৌরদেহে শ‍্যামতনু দেখেন যখন।*
*গদাধর রাধারূপ হইল তখন।।*
*ক্ষণে গৌর নীল গদাধর করি সঙ্গে।*
*ক্ষণে শ‍্যামলী রাধা রাস রস রঙ্গে*।।
*পন্ডিতে প্রভুর প্রসাদ কহনে না যায়।*
*গদাই-গৌরাঙ্গ বলিয়া যারে লোকে গায়।।*
*গদাধর পন্ডিত যবে সঙ্গে চলিলা।*
*ক্ষেত্র সন্ন‍্যাস না ছাড়িও প্রভু নিষেধিলা।।*
*পন্ডিত কহে যাহ তুমি সেই নীলাচল।*
*ক্ষেত্র সন্ন‍্যাস মোর যাউক রসাতল।।*
*প্রভু কহে ইহা কর গোপীনাথ সেবন।*
*পন্ডিত কহে কোটি সেবা তৎপদ দর্শন।।*
*প্রভু কহে সেবা কর আমার লাগে দোষ।*
*ইহা রহি সেবা কর আমার সন্তোষ।।*
*পন্ডিত কহে সব দোষ আমার উপর।*
*তোমা সঙ্গে  না যাব একেশ্বর।।*
*পন্ডিতের গৌর প্রেম বুঝন না যায়।*
*প্রতিজ্ঞা শ্রীকৃষ্ণ সেবা ছাড়িলা তৃণপ্রায়।।*
*তাঁহার চরিত্রে প্রভু অন্তরে সন্তোষ*।
*তার হাত ধরি প্রভু কহেন প্রণয় রোষ।।*
*প্রতিজ্ঞা সেবা ছাড়িবে এ তোমার উদ্দেশ।*
*সেই সিদ্ধ হৈল ছাড়ি আইলা দূর দেশ।।*
*আমার সঙ্গে রহিতে চাহ বাঞ্জা নিজ সুখ।*
*তোমার দুই ধর্ম যায় আমার হয় দুখ।।*
*মোর সুখ চাহ যদি নীলাচলে চল।*
*আমার শপথ যদি আর কিছু বল।।*
*এত বলি মহাপেভু নৌকাতে চড়িলা।*
*মূর্ছিত হইয়া পন্ডিত তথায় পড়িলা।।*
*গদাধর অতি প্রিয় প্রভু গৌরাঙ্গের*।
*শ্রীগৌরাঙ্গ অতি প্রিয় প্রভু গদাইর।।*
*শ্রীল গুরুবর হেন প্রভু গদাধর।*
*আদেশ করুন মোর যাহা শ্রেয় কর।।*
*গৌর গদাধর মিলন যে করিবে গান।*
*হরিপদ দাসে বলে তার মিলিবে যুগলচরণ।।*
*"সা শ্রীগদাধরো গৌর  বল্লভঃ পন্ডিতাখ‍্য কঃ।*
*নির্ণীত স্বরূপাদ‍্যৈর্যা ব্রজ লক্ষ্মীঃ তথা যথা।।*
*পুরাবৃন্দাবনে লক্ষ্মীঃ শ‍্যামসুন্দর বল্লভা।*
*সাদ‍্য গৌর প্রেমলক্ষ্মীঃ শ্রীগদাধর পন্ডিতঃ।।*
         *(চৈতন‍্য ভাগবত)*
*গদাধর প্রভুর শক্তি অবতার।*
*অন্তরঙ্গ স্বরূপ শক্তি গণনা যাঁহার।।*
*🌻 বন্দে লক্ষ্মী ঠাকুরাণী আর বিষ্ণুপ্রিয়া।* *গদাধর পন্ডিত বন্দনা করি,তিরোভাব তিথি গৌণচন্দ্র জ‍্যৈষ্ঠ পূর্ণিমা বা স্নান যাত্রা।🌻*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧               
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






শ্রীগদাধর তত্ব ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_88.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                        ꧁ শ্রীগদাধর তত্ত্ব 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *🙏🙏শ্রীগদাধর তত্ত্ব🙏🙏*
           ^^^^^^^^^^^^^^
*ভজভজ মন মাধব নন্দন গদাধর যাঁর নাম।*
*তাঁর চরণ যে করে শরণ সেই যায় ব্রজ ধাম।।*
*সেই গুরু সেই শিষ‍্য তোমাকে যে জানে।*
*তোমাকে ছাড়ি ভক্তি করে চক্ষুহীন জনে।।*
*সেই রাধা হয় এই পন্ডিত গোঁসাঞি।*
*গৌর প্রেম সাধারস পাই যাঁর ঠাঞি।।*
*অতএব তাঁরে যেবা হয় রতি হীন।*
*প্রেমভক্তি নাহি তার হয় মহাদীন*
*ইহাতেও যেই জন না করে বিশ্বাস*।
*কোটি জন্মে নাহি ত্রাণ তার সর্বনাশ।।*
*রাগানুগা মার্গে যে ভজিতে সাধ করে।*
*পন্ডিত গোঁসাঞির শিষ্যগণ অনুসারে।।*
*এ সবার অনুগা বিনা ব্রজে প্রাপ্তি নাই।*
*অতএব তাঁর শাখা ব্রজের গোঁসাঞি।।*
*অচ‍্যুতের যেই মত সেই মত সার।*
*আর যত মত সব যাউ ছারখার।।*


*🌻শ্রীঅদ্বৈত আচার্য‍্যের পুত্র অচ‍্যুতানন্দ, শ্রীগদাধর পন্ডিতের নিকটে দীক্ষিত।🌻*

 *শ্রীশ্রীগৌর গদাধর প্রেমরসামৃত তত্ত্ব*
""""     """"     """"     """"     """"     """"     """"     """"
*গৌরদেহে শ‍্যামতনু দেখে ভক্তগণ*।
*গদাধর  রাধারূপ হইল  তখন।।*
*জয় জয় গদাধর গৌরাঙ্গ সুন্দর।*
*এক আত্মা প্রকট ভাব দুই কলেবর।।*
*বৃন্দাবনে রাধা-কৃষ্ণ নবযুব দ্বন্দ্ব।*
*ইদানিং প্রকট গদাধর গৌরচন্দ্র।।*
*মহাভার স্বরূপা রাধা বৃন্দাবনেশ্বরী।*
*সেই এই গদাধর পন্ডিতাবতারী।।*
*নদীয়া নগরী সব বুঝলে মরমে।*
*যাঁর পরসাদে পাই প্রেমরতনে।।*
*কোটি কামজিনিরূপ যদ‍্যপি আমার।*
*অসমোর্ধ মাধুর্য‍্য সাম‍্য নাহি যাঁর।।*
*মোর রূপে আপ‍্যায়িত করে ত্রিভূবন।*
*শ্রীরাধার দর্শনে মোর জুড়ায় নয়ন।।*
*খেনে নরহরি অঙ্গে অঙ্গ হেলাইয়া*।
*গদাধর মুখ হেরি পড়ে মূরছিয়া।।*
*শ্রীরাধাকৃষ্ণ রূপী শ্রীগদাধর গৌরকে বন্দনা করি।*
*শ্রীরাধা প্রেমরূপা যা পূরা বৃন্দাবনেশ্বরী।।*
*"সা শ্রীগদাধরো গৌর বল্লভঃ পন্ডিতাখ‍্যকঃ।*
*নির্ণীত স্বরূপাদৈর্য‍্যা ব্রজ লক্ষ্মীঃ তথা যথা।।*
*পূরা বৃন্দাবনে লক্ষ্মী শ‍্যাম সুন্দর বল্লভা।*
*সাদ‍্য গৌর প্রেম লক্ষ্মীঃ শ্রী গদাধর পন্ডিতঃ।।*
*গদাধর পন্ডিত গোঁসাঞি শক্তি অবতার।*
*অন্তরঙ্গা স্বরূপা শক্তি গণনা যাঁহার।।*
*অন্তরঙ্গা স্বরূপ শক্তি সবার উপরে।*
*তিহো লক্ষ্মীরূপা তার সম কেহ নাইরে।।*
*গদাধর হৈল যেন গঙ্গা মূর্তি মতী।*
*সত‍্য সত‍্য গদাধর কৃষ্ণের মূরতি।।*
*আপনে চৈতন্য বলিয়াছেন বারবার।*
*শ্রীগদাধর মোর বৈকুন্ঠের পরিবার।।*
*বৃষভানুসুতা রাধা শ‍্যামসুন্দর বল্লভা।*
*কলো গদাধরঃ খ‍্যাতোমাধবা নন্দনঃ।।*
*মাধবস‍্য গৃহে জাতো মাধবস‍্য কুহুতিযৌ।*
*শ্রী রাধাদ্ভুত রূপেন পন্ডিত শ্রীগদাধরঃ।।*
*🌻অতএব বৈশাখমাসের অমাবস‍্যা তিথি শ্রীগদাধর জয়ন্তী🌻।*
*নিরবধি গদাধর থাকেন সংহতি।*
*প্রভু গদাধরের বিচ্ছেদ নাহি কতি।।*
*কি ভোজনে কি শয়নে কিবা পর্য‍্যটনে।*
*গদাধর প্রভুরে সেবেন অনুক্ষণে*।।
*এইমত প্রভু ভাগবতকথা শুনে রঙ্গে।।*
*শ্রীগদাধর পন্ডিত শাখা মহোত্তম।*
*তাঁর শাখা উপশাখা করিয়ে গণন।।*
*পন্ডিত গোঁসাঞির গণ ভাগবত ধন‍্য।*
*প্রাণ বল্লভ যাঁর শ্রীকৃষ্ণচৈতন‍্য।।*
*পন্ডিত গদাধর সর্বগুণ ধাম।*
*প্রভু কাছে থাকে নিরন্তর লয় নাম।।*
*এইমত প্রতিদিন করে পরিচর্য‍্যা।*
*শয়ন মন্দিরে করে শয়নের শয‍্যা*।।
*চরণ নিকটে নিতি করেন শয়ন।*
*নিরন্তর শুদ্ধাভক্তি পর তার মন।।*
*গৌরদেহে শ‍্যামতনু দেখেন যখন।*
*গদাধর রাধারূপ হইল তখন।।*
*ক্ষণে গৌর নীল গদাধর করি সঙ্গে।*
*ক্ষণে শ‍্যামলী রাধা রাস রস রঙ্গে*।।
*পন্ডিতে প্রভুর প্রসাদ কহনে না যায়।*
*গদাই-গৌরাঙ্গ বলিয়া যারে লোকে গায়।।*
*গদাধর পন্ডিত যবে সঙ্গে চলিলা।*
*ক্ষেত্র সন্ন‍্যাস না ছাড়িও প্রভু নিষেধিলা।।*
*পন্ডিত কহে যাহ তুমি সেই নীলাচল।*
*ক্ষেত্র সন্ন‍্যাস মোর যাউক রসাতল।।*
*প্রভু কহে ইহা কর গোপীনাথ সেবন।*
*পন্ডিত কহে কোটি সেবা তৎপদ দর্শন।।*
*প্রভু কহে সেবা কর আমার লাগে দোষ।*
*ইহা রহি সেবা কর আমার সন্তোষ।।*
*পন্ডিত কহে সব দোষ আমার উপর।*
*তোমা সঙ্গে  না যাব একেশ্বর।।*
*পন্ডিতের গৌর প্রেম বুঝন না যায়।*
*প্রতিজ্ঞা শ্রীকৃষ্ণ সেবা ছাড়িলা তৃণপ্রায়।।*
*তাঁহার চরিত্রে প্রভু অন্তরে সন্তোষ*।
*তার হাত ধরি প্রভু কহেন প্রণয় রোষ।।*
*প্রতিজ্ঞা সেবা ছাড়িবে এ তোমার উদ্দেশ।*
*সেই সিদ্ধ হৈল ছাড়ি আইলা দূর দেশ।।*
*আমার সঙ্গে রহিতে চাহ বাঞ্জা নিজ সুখ।*
*তোমার দুই ধর্ম যায় আমার হয় দুখ।।*
*মোর সুখ চাহ যদি নীলাচলে চল।*
*আমার শপথ যদি আর কিছু বল।।*
*এত বলি মহাপেভু নৌকাতে চড়িলা।*
*মূর্ছিত হইয়া পন্ডিত তথায় পড়িলা।।*
*গদাধর অতি প্রিয় প্রভু গৌরাঙ্গের*।
*শ্রীগৌরাঙ্গ অতি প্রিয় প্রভু গদাইর।।*
*শ্রীল গুরুবর হেন প্রভু গদাধর।*
*আদেশ করুন মোর যাহা শ্রেয় কর।।*
*গৌর গদাধর মিলন যে করিবে গান।*
*হরিপদ দাসে বলে তার মিলিবে যুগলচরণ।।*
*"সা শ্রীগদাধরো গৌর  বল্লভঃ পন্ডিতাখ‍্য কঃ।*
*নির্ণীত স্বরূপাদ‍্যৈর্যা ব্রজ লক্ষ্মীঃ তথা যথা।।*
*পুরাবৃন্দাবনে লক্ষ্মীঃ শ‍্যামসুন্দর বল্লভা।*
*সাদ‍্য গৌর প্রেমলক্ষ্মীঃ শ্রীগদাধর পন্ডিতঃ।।*
         *(চৈতন‍্য ভাগবত)*
*গদাধর প্রভুর শক্তি অবতার।*
*অন্তরঙ্গ স্বরূপ শক্তি গণনা যাঁহার।।*
*🌻 বন্দে লক্ষ্মী ঠাকুরাণী আর বিষ্ণুপ্রিয়া।* *গদাধর পন্ডিত বন্দনা করি,তিরোভাব তিথি গৌণচন্দ্র জ‍্যৈষ্ঠ পূর্ণিমা বা স্নান যাত্রা।🌻*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧               
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






শ্রীবংশী বদন ঠাকুর ( পদকর্তা) ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ -> http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_18.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
            ꧁ শ্রীবংশী বদন ঠাকুর ( পদকর্তা) 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শ্রীবংশী বদন ঠাকুর ( পদকর্তা)
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
চৈত্রী পূর্ণিমায় শ্রীবংশীবদন ঠাকুর আবির্ভূত হন।
চৌদ্দশত ষোল শকে মধু পূর্ণিমায়।
বংশীর প্রকটোৎসব সর্বলোকে গায়।।
শ্রীবংশীবদনানন্দ ঠাকুরের বংশীবদন, বংশীদাস,বংশী ও শ্রীবদন পাঁচটি নাম শ্রুত হয়। কুলিয়ার মধ‍্যবর্তী -- তেঘরি,বেঁচিআড়া,বেদড়াপাড়া ও চিনেডাঙ্গা গ্রাম। প্রসিদ্ধ শ্রীকর চট্টোপাধ্যায়ের পুত্রগণ বিল্বগ্রাম বা পাটুলী হতে কুলিয়া বেঁচিআড়া গ্রামে এসে বসবাস করেন।
শ্রীকর চট্টোপাধ্যায়ের বংশধর শ্রীযুধিষ্ঠির চট্টোপাধ্যায়।তাঁর শ্রীমাধব দাস চট্টোপাধ্যায় (ছকড়ি চট্টোপাধ্যায় ) শ্রীহরিদাস চট্টোপাধ্যায় (তিনকড়ি চট্টোপাধ্যায় )ও শ্রীকৃষ্ণ সম্পত্তি চট্টোপাধ্যায় (দুইকড়ি চট্টোপাধ্যায় ) নামে তিন পুত্র ছিলেন।
শ্রীপুরী ধাম হতে শ্রীকৃষ্ণচৈতন‍্য মহাপ্রভু যখন জননী ও গঙ্গা দর্শনের জন্য নবদ্বীপে কুলিয়াতে এসেছিলেন তখন শ্রীমাধব দাস চট্টোপাধ্যায়ের গৃহে সাতদিন অবস্থান করেছিলেন  এবং দেবানন্দ পন্ডিত প্রভৃতিকে উপদেশ দিয়ে উদ্ধার করেছিলেন।
শ্রীমাধব দাসের গৃহে বংশীবদন ঠাকুর জন্মগ্রহণ করেন।শ্রীবংশীবদনের মাতার নাম শ্রীমতী চন্দ্রকলা দেবী।
বংশীবদন ঠাকুর শ্রীকৃষ্ণের বংশী অবতার।বংশীবদন ঠাকুর যেদিন জন্মগ্রহণ করেন সেদিন মহাপ্রভু সেথায় উপস্থিত ছিলেন।তাঁর সঙ্গে শ্রীঅদ্বৈত আচার্য‍্যও ছিলেন। ছকড়ি
চট্টোপাধ্যায় মহাপ্রভুর পরম অনুরাগী ছিলেন। তাঁর পুত্র বংশীকেও মহাপ্রভু অতিশয় স্নেহ করতেন।শ্রীচৈতন‍্যচরিতামৃতে বংশীবদন ঠাকুর সম্বন্ধে কোন কথন নেই।শ্রীমদ্ কবিকর্ণপুর শ্রীচৈতন‍্যচন্দ্রোদয় নাটকে 
৯ম অঙ্কে ৩৩শ সংখ‍্যায়-- ---------------
"নবদ্বীপস‍্য পারে কুলিয়া গ্রামে মাধব দাস বাট‍্যামুত্তীর্ণবান্। নবদ্বীপলোকা-
নুগ্রহ হেতোঃ সপ্ত দিনানি তত্র স্থিতবান্।।"
শান্তিপুরে অদ্বৈত আচার্য‍্যের গৃহ হতে মহাপ্রভু গঙ্গা পার হয়ে কুলিয়া গ্রামে মাধবদাস চট্টোপাধ্যায়ের গৃহে নবদ্বীপবাসীগণকে কৃপা করবার জন্য সাতদিন অবস্থান করেছিলেন। শ্রীনরহরি "ভক্তিরত্নাকর"গ্রন্থে লিখেছেন যখন শ্রীনিবাস আচার্য‍্য মায়াপুরে মহাপ্রভুর গৃহে এসেছিলেন,তখন বংশীবদন ঠাকুর শ্রীনিবাসকে অনুগ্রহ 
করেন ও শ্রীবিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর শ্রীচরণ দর্শন করান।
          


শ্রীবংশীবদন ধরি করিলেন কোলে।
শ্রীনিবাস সিক্ত কৈল নিজ নেত্রজলে
                   ( ভক্তিরত্নাকর=৪|২৩)
শ্রীমন্মহাপ্রভুর অন্তর্ধানের পর শ্রীবংশীবদন ঠাকুর বিষ্ণুপ্রিয়া ঠাকুরাণীর সেবায় নিযুক্ত হন। বিষ্ণু
প্রিয়া দেবীর একান্ত কৃপা পাত্র বলিয়া
বংশীবদন ঠাকুর বিখ‍্যাত হয়েছিলেন।
তিনি বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর অন্তর্ধানের পর শ্রীমূর্তি সেবা মায়াপুর হতে কুলিয়া পাহাড়পুরে স্থানান্তরিত করেছিলেন। তাঁর বংশধরগণ সেই সময় শ্রীজাহ্নবা মাতার কৃপাবলম্বন পূর্বক শ্রীপাট বাঘনাপাড়া আশ্রয় করেন,তখন মালঞ্চবাসী সেবায়েত দিগের হাতে শ্রীমূর্তির সেবা কুলিয়া গ্রামেই ছিল। কুলিয়া পাহাড়পুর গ্রামে বংশীবদনের পূর্ব পুরুষগণের সেবিত শ্রীগোপীনাথ বিগ্রহ ছিলেন।তথায় প্রাণবল্লভ নামে এক বিগ্রহ বংশীবদন ঠাকুর নিজে স্থাপিত করেন।উত্তরকালে বংশীবদন ঠাকুর বিল্বগ্রামে গিয়ে বাস করেন।ঐ বিল্বগ্রামের ভট্টাচার্য্য মহাশয়গণ তাঁর জ্ঞাতি ছিলেন।শ্রীচৈতন‍্য দাসের পুত্র শ্রীরামচন্দ্র ও শ্রীশচীনন্দন। "শ্রীনিত‍্যানন্দ শক্তি শ্রীজাহ্নবা মাতা এই রামচন্দ্রকে 
ভিক্ষা করে নিয়েছিলেন এবং দীক্ষাদান করিয়া খড়দহ গ্রামে রেখে 
বৈষ্ণব-তত্ত্ব শিক্ষা দিয়েছিলেন "।
            (গৌড়ীয়=২২|৩০-৩৭ সংখ‍্যা)
শ্রীরামচন্দ্র গোস্বামী ব্রহ্মচারী ছিলেন,
বাঘনাপাড়ার শ্রীরামকৃষ্ণের সেবা ছোট ভাই শ্রীশচীনন্দনের হাতে সমর্পণ করেছিলেন।শ্রীশচীনন্দন গোস্বামীর পুত্রগণ হচ্ছেন বাঘনা পাড়ার গোস্বামীগণ। শ্রীবংশীবদন ঠাকুর একজন পদকর্তা ছিলেন।তাঁর গীতি সমূহ অতি সরস ও মধুর।মহাপ্রভু সন্ন‍্যাস গ্রহণ করিলে তাঁর বিরহে 
শ্রীশচীমাতা যে বিলাপ করেছিলেন তাহা অবলম্বনে শ্রীবংশীবদন ঠাকুর 
এই পদটি রচনা করেছিলেন----------
আর না হেরিব,প্রসব কপালে,অলকা কাচ।
আর না হেরিব,সোনার কমলে,নয়ন খঞ্জন নাচ।।
আর না নাচিবে,শ্রীবাস মন্দিরে,ভকত চাতক লৈয়া।
আর না নাচবে,আপনার ঘরে,আমরা দেখিব চাইয়া।।
আর কি দু'ভাই,নিমাই নিতাই, নাচিবে এক ঠাঞী।
নিমাই করিয়া,ফুকরি সদাই,নিমাই কোথাও নাই।।
নির্দয় কেশব ভারতী আসিয়া, মাথায় পাড়িল বাজ।
গৌরাঙ্গ সুন্দর,না দেখি কেমনে, রহিব নদীয়া মাঝ।।
কেবা হেন জন, আনিবে এখন, আমার গৌরাঙ্গ রায়।
শাশুড়ী বধূর,রোদন শুনিয়া, বংশী গড়াগড়ি যায়।।
(বংশীবদন ঠাকুর বহু ব্রজলীলার পদ রচনা করেছিলেন )
  জয় জয় নিতাই গৌর হরিবল।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧               
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






adds