✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ জন্মস্থানের নবরূপায়নের পুরোধা ꧂
꧁ শ্রীমৎত্রিভঙ্গদাসজী মহাশয় ꧂
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ https://Gopisharan.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*#শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ_জন্মস্থানের_নবরূপায়নের_পুরোধা_শ্রীমৎত্রিভঙ্গদাসজী_মহাশয়*
_*মুর্শিদাবাদ জেলার কীর্তিপুরে, বাবা ছবিলাল ও মাতা গরবিনীর গর্ভে জন্মগ্রহণ করেন । উপরের চাপরাশ নিয়েই এসেছিলেন । জন্মজাত ভক্তি সংস্কার। বাল্যকাল থেকেই পরমভক্তিমান ছিলেন, প্রত্যহ তুলসীতে জল না দিয়ে জল পর্যন্ত গ্রহন করতেন না। কৃষি-কর্মের জন্য মাঠে গেলে তুলসী টব মাথায় করে নিয়ে যেতেন। মাঠেই স্নান করে স্মরণ-বন্দন-নামকীর্তনান্তে তুলসীতে জল দিয়ে , পরিক্রমা করে, তবেই মুড়ি খেতেন ।*_
*একবার উমাপদ মণ্ডলের সাথে মাঠে গিয়েছিলেন। উমাপদ হাল চালাচ্ছিলেন ও ত্রিভঙ্গদাসজী আল, কোদাল দিয়ে সোজা করে দিচ্ছিলেন। হঠাৎ কোদালের চোটে কেঁচো কেটে স্থানটি রক্তাক্ত হয়ে গেল। এ দৃশ্য দেখে ত্রিভঙ্গদাসজীর প্রাণে ভীষন ব্যথা অনুভূত হল। তখন তিনি উমাপদ কে বললেন- দুটো খাবার জন্য এত প্রাণী হত্যা করতে হবে? এ আমার দ্বারা সম্ভব নয়। বলেই তিনি সব ফেলে তুলসী টব নিয়ে চলে এলেন । আর কখনও মাঠে যান নাই । এর পরেই গৃহত্যাগ করেন । তৎকালীন রাঢ়দেশের দুই পরম ভাগবত- কঁল্লার কৃষ্ণচন্দ্র মণ্ডল ও পাঁচথুপীর বনোয়ারীলাল সিংহ এঁকে একান্ত কৈশোর হতেই মধুময় সৎসঙ্গ দানে বলাহিত করেন। এঁদের সঙ্গের প্রভাবে ত্রিভঙ্গের মনে আত্মোজ্জীবনের বাসনা প্রবল হয়।মণ্ডলজীর ব্যবস্থাপনায় কুলগুরু "শ্রীসতীশ চট্টরাজের" নিকট ইনি যুগলমন্ত্রে দীক্ষা নেন ।* _*শ্রীপাট-টিঠ্যাগ্রামে, জাহ্নবা মায়ের পরিবারে । ইনি তৎপর হয়ে মণ্ডলজী মহাশয়ের হরিবাসর ঘরে সমাগত অতিথি-সজ্জনদের যাবতীয় সেবার সুবন্দোবস্ত, করতে থাকেন।*_
*মনোহরসাহি সঙ্গিতরসিক শ্রীদীনুদাসের সঙ্গে এই সময় ত্রিভঙ্গ দাসজীর পরিচয় হয় এবং ইনি লীলারস-কীর্তন শিক্ষায় মেতে ওঠেন। কিছু কাল পরে ইনি পাঁচথুপীতে আসেন এবং সিংহজীমহাশয়ের হরিবাসরে অতিথি-সেবায় সংলগ্ন হন। এখানে বৈষ্ণবসেবার সাথে সাথে তিনি রস-কীর্তনও শিখতে থাকেন এবং কখনও কখনও মণ্ডলজীর হরিবাসরে স্থিতি করতে থাকেন।* *সিংহজীমশাইকে ইনি আচার্যপ্রতিম জ্ঞানে শ্রদ্ধা করতেন। তাঁর গরুও চরাতেন, কিন্তু কখনও গরুকে আঘাত করতেন না। ছেলেদের খুব ভাল বাসতেন। ছেলেদের নিয়ে রাধাকৃষ্ণ সাজিয়ে লীলারস আস্বাদন করতেন ।তাদের নকুলদানা, বাতাসা আদি দিয়ে আনন্দ উপভোগ করতেন।*
_*সিংহজীর আদেশে ইনি একবার পাঁচথুপী হতে পদব্রজে বৃন্দাবনে গমন করেন।*
_*সঙ্গীতে পরম আবেশ দেখা যেত তাঁর। একবার ফুল গাছে উঠে টগরফুল পাড়ছেন হঠাৎ সংকীর্তনের অংশবিশেষ আবৃত্তি করতে করতে দুহাতে চাপড় মেরে যেই তাল দিতে গেছেন, সঙ্গে সঙ্গে গাছ থেকে পড়ে গেলে, সিংহজী মহাশয় রক্ষা করেন এবং অকথ্য সংগীতাবেশ দেখে নবীনদাসের কাছে বড়তালের গান শিখতে পাঠান। অদ্বৈতদাস বাবাজি, অন্ধ শিবদাসজী, গদাধরদাসবাবা, গৌরগুনানন্দ ঠাকুর প্রভৃতির সাথেও ইনি রসকীর্তনের রসাস্বাদন করতেন।ত্রিভঙ্গদাস ছিলেন অনন্যসাধারণ সদাচারী । যাবতীয় ব্রতাদিতে নিরম্বু উপবাস করতেন। একবার উপবাস নিবন্ধন একাদশীতে অসুস্থ হয়ে পড়েন ও হরিবাসর কীর্তনে অসমর্থ হন । এ প্রসঙ্গে সিংহজী বলেন- একটি ইক্ষুদণ্ড রক্ষা করতে গিয়ে তুমি এক হাঁড়ি গুড় নষ্ট করলে ! এরপর হতে ত্রিভঙ্গদাসজী যৎকিঞ্চিৎ অনুকল্প গ্রহন করতেন।*_
*একবার বর্ষাকালে কয়েকমূর্তি মহাত্মা সিংহজীর হরিবাসর ভবনে আশ্রয় গ্রহন করলে, ত্রিভঙ্গদাসজীকে কল্লায় পাঠান প্রয়োজনীয় সেবাসম্ভার সংগ্রহ করে আনতে , মণ্ডল জীর কাছ হতে। পথে তখন প্রবল বর্ষণ হচ্ছিল, কিন্তু ত্রিভঙ্গদাসজীর গায়ে জল বিন্দুও স্পর্শ করেনি।*
_*লীলাকীর্তনে ত্রিভঙ্গদাস বিশেষ উন্নত হয়েছিলেন । তাঁর শ্রীমুখের রাসকীর্তন, আজও অনেক রসিকের কানে আর প্রাণে ভাবের তরঙ্গ তোলে।*_
*পুরী যান হাঁসনবাসী রজনীকান্ত সরকারের সাথে এবং সেখানেই নিত্যানন্দমূর্তি শ্রীমদ্রাধারমণচরণদাস বাবাজী মহাশয়ের (পুরীর বড় বাবাজি মহাশয়) সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎকার ঘটে ।উক্ত বাবাজি মহাশয়ের দর্শনমাত্রেই ত্রিভঙ্গদাস তাঁর শ্রীচরণে আত্মসমর্পণ করেন।*
_*শ্রীনীলাচলনাথ নীলমাধবের কৃপাপ্রেরণায় শ্রীমৎ রাধারমণচরণদাস, ত্রিভঙ্গদাসকে গৌর-নিত্যানন্দ মন্ত্রাদি সহ ভাগবত পারমহংস্য-সন্ন্যাস বা বেশাশ্রয় দানে কৃতার্থ করে নাম দেন- শ্রীবনোয়ারীলাল দাস। কিন্তু সাধারণ্যে ইনি আজীবন পূর্ববৎ ত্রিভঙ্গদাস নামেই খ্যাত ছিলেন। ৪/৫ মাস সমাশ্রয়দাতার সান্নিধ্যে আনন্দে অতিবাহিত করেন। সে সময় ঝাঁজপিটা মঠে শ্রীরামদাস বাবাজি, ললিতাসখী, গোবিন্দদাস প্রভৃতির সহিত অলৌকিক স্নেহসম্পর্ক গড়ে ওঠে।*
_*একইদিনে শ্রীগুরুদেবের ও শ্রীজগন্নাথদেবের আদেশ পেয়ে - শ্রীনিত্যানন্দ জন্মস্থানের সেবা সংরক্ষণের জন্য শ্রীএকচক্রা ধামে আগমন করেন।*_
*১৩৩৪সন হতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে ইনি ১৩৩৫সনে একটি অছি-পরিষদ গঠন করে নিজে প্রধান সেবাইত স্বরূপে শ্রীনিত্যানন্দ জন্মস্থানের দায়িত্ব গ্রহন করেন। তাঁর নিরলস সেবাচেষ্টায় ১৩৩৫সনে নতুন মন্দিরে নিতাইচাঁদ ও অন্যান্য বিগ্রহগণ প্রতিষ্ঠিত হন।*
_*১৩৩৬সন হতে প্রভু নিত্যানন্দের শুভ আবির্ভাব-আরাধনায় অন্যান্য বহুতর ভক্ত্যঙ্গযাজনময় অনুষ্ঠানের সাথে সাথেই, নবরাত্রি সংকীর্তনযজ্ঞ শুরু হয়।*_
*নিত্যানন্দ জন্মস্থানের নবরূপায়নের পূরোধা হয়ে সারাটি জীবন ব্যয়িত করলেন প্রভু নিত্যানন্দের সেবায়।*
_*১৩৫১সনের ১৪ই মাঘ, পূর্ণিমা দিনে শ্রীমৎত্রিভঙ্গদাসজী*_
*"জয়নিতাই! জয় নিতাই!!*
*নিতাই টিকিট কেটে দাও* "
_*বলতে বলতে দেহ ছেড়ে নিত্যনিত্যানন্দ ধামে প্রভু-নিতাই, প্রাণ-গৌরাঙ্গের নিত্য-সেবায় গমন করেন।*_
*দেহান্তের পরে হরিদাস মজুমদারকে বাবাজি মহাশয় বলেছেন--" *রাঢ়ের পূর্ণচন্দ্র চলে গেলেন !* *কে, কি -- তা প্রাপ্তিতে বুঝা যায় ।"*
পরে বলেন-- *"দাদার কথা, তোমার মুখে শুনব ।*
*শেষ দিন পর্যন্ত এত প্রীতি ছিল তাঁর--একচক্রাধাম-সেবকের প্রতি।*
*পূর্ব মহান্তদের সমাধির পাশেই তাঁর অস্থি সমাধি দেওয়া হয় । ভগবানদাস নামক এক ভক্ত ও রজনীদাস(রাধাচরণ দাস বাবাজি) বাবাকে স্বপ্নে আদেশ দেন তাঁর সমাধিটি নিতাই চাঁদের সামনে আনার জন্য। তাঁর আদেশ মত নিতাইচাঁদের মন্দিরের সামনে সমাধি মন্দির নির্মাণ করে তাতে দেহাবশেষ স্থাপন করা হয়।*
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
https://gopisharan.blogspot.com
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
