꧁ ৮৬. রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস ꧂
*🍀শ্রীরাম বনবাসে গেলে অযোধ্যার বাসীর পরিস্থিতি 🍀*
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস 🙏 সূচীপত্র ꧂
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/11/blog-post_66.html ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৮৬)🌿তুলসীদাস রামায়ণ🌿
*🍀শ্রীরাম বনবাসে গেলে অযোধ্যার বাসীর পরিস্থিতি 🍀*
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*🌻অযোধ্যার বহু বহু অশ্ব,গজ, কেলিমৃগ,নগরের পালিত,গাভী,বলদ, অজ,ভেড়া আদি,পশুপক্ষী সব চাতক,ময়ূর,কোকিল,চখাচখী,(চক্রবাক ও চক্রবাকি), শুকশারী,সারস,হংস,চকোর যেন অনাথ হয়ে পড়ল। শ্রীরামচন্দ্রের বিয়োগে তারা সকলেই কাতর হয়ে বহু স্থানে এমন নিঃশব্দে স্থির হয়ে, দাঁড়িয়ে থাকতে লাগল যে তাদের দেখে পটে আঁকা ছবি মনে হতে লাগল।পূর্বে নগর যেন পরিপূর্ণ বাগান ছিল আর নগরবাসী জনগণ যেন ছিল পশুপক্ষী অর্থ্যাৎ অযোধ্যাপুরী ধর্ম,অর্থ,কাম,মোক্ষ প্রদানকারী ছিল আর প্রজাগণ তা সুখে থাকতে অভ্যস্ত ছিল।বিধাতা সৃষ্ট কিরাতিনী কৈকেয়ী সেই অরণ্যের দশদিকে অগ্নি সংযোগ করে দিয়েছিলেন।রামচন্দ্রের বিরহ অগ্নি প্রজাগণ সহ্য করতে পারছিলেন না।তাই ব্যাকুল হয়ে সকলে অযোধ্যা ছেড়ে পলায়ন করতে উদ্যোগী হয়েছিল।সকলেরই এই দৃঢ় ধারণা ছিল যে রামচন্দ্র, লক্ষ্মণ ও সীতাদেবী থাকলেই তবেই সুখে থাকা সম্ভব।যেখানে রামচন্দ্র থাকবেন সেখানেই অযোধ্যায় জনগণ নিবাস করবেন।অতএব রামচন্দ্র যখন আর অযোধ্যায় নাই তখন সেখানে অবস্থান করা নিষ্প্রয়োজন।এইরকম দৃঢ় প্রত্যয় সহকারে সকলে তাদের দেবদুর্লভ সুখে পরিপূর্ণ গৃহাদি ত্যাগ করে রামচন্দ্রের অনুগমন করতে লাগল।রামচন্দ্রের পাদপদ্ম যার প্রিয় সে কী কখনো বিয়ভোগের বশীভূত হতে পারে।বালক ও বৃদ্ধ ঘরে রইল,অন্য সকলে রামচন্দ্রের অনুগমন করতে লাগল।প্রথম রাত্রি রঘুনাথের তমসানদীর তীরে কাটল।প্রজাদের ঐরকম প্রেমবিহ্বল দেখে পরম দ য়ালু শ্রীরাম দুঃখ পেলেন।করুণাবিগ্রহ প্রভু রঘুনাথ।অন্যের দুঃখ তাঁকে তৎক্ষণাৎ স্পর্শ করে।অর্থ্যাৎ কেউ দুঃখিত হলে তিনিও দুঃখিত হয়ে যান।রামচন্দ্র প্রেমময় কোমল ও সুন্দর কথায় প্রজাদের বুঝিয়ে ধর্মপালনের অনেক সদুপদেশ দিলেন।কিন্তু প্রজাদের আকর্ষণ তাঁর উপর এত প্রবল ছিল যে তাদের ফিরে যাবার কথা বলেও তাদের ফেরানো সম্ভব হল না।সদাচার ও স্নেহের বাঁধন ত্যাগ করা কঠিন হয়ে উঠল।এমন অবস্থায় প্রভু রামচন্দ্র দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়লেন।বিরহ ও পথভ্রমে ক্লান্ত প্রজাগণ গভীর নিদ্রামগ্ন হয়ে পড়ল ; দেবমায়ায় তাদের মতি মোহিত হল।রাত্রির দ্বিতীয় প্রহর অতিক্রান্ত হলে প্রভু রামচন্দ্র মন্ত্রী সুমন্ত্রকে প্রীতিপূর্বক গোপনে বললেন, হে তাত! এমনভাবে রথ চালনাকরুন যে রথের গতিপথ সঠিকভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব না হয়।এছাড়া এদের অযোধ্যায় ফিরিয়ে দেবার অন্য কোন পথ দেখতে পাচ্ছি না।*
*🌳মহাদেবের শ্রীচরণে প্রণাম নিবেদন করে রামচন্দ্র,লক্ষ্মণ ও সীতাদেবী রথারূঢ় হলেন।আদেশ পালন করে মন্ত্রী জায়গায় জায়গায় গতিপথের চিহ্নে সংশয় রেখে তৎক্ষণাৎ রথ চালিয়ে স্থান ত্যাগ করলেন।*
*🌻ভোর হতেই সকলেরই ঘুম ভাঙল।তারা দেখল যে রঘুনাথ স্থান ত্যাগ করে চলে গেছেন।তারা সকলে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়ল।রথের গতিপথ নির্ধারণ করতে না পেরে প্রজাগণ বিলাপ করতে করতে চারিদিকে ছুটাছুটি করতে লাগল। পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছিল যেন মাঝ সমুদ্রে জাহাজ ডুবি হয়েছে ; তাতে বণিকদল ব্যাকুল হয়ে ছোটাছুটি করছে। প্রজাগণ আলোচনা করে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হলেন যে,তাদের কষ্ট হবে মনে করেই প্রভু তাদের ছেড়ে চলে গিয়েছেন।সকলেরই মত যে মৎস্যকুল ভাগ্যবান (কারণ তারা জল থেকে বিচ্যুত হলেই মৃত্যুরূপে নিষ্কৃতি লাভ করে থাকে )।ধিক এই জীবন!প্রভু রঘুনাথ সঙ্গে নেই অথচ বেঁচে আছি এ যে এক বিড়ম্বনা! বিধাতা যখন রামচন্দ্রের বিরহ যাতনা দিলেন তখন তাতে মৃত্যু দিলেন না কেন?প্রলাপ করে পরিতাপ ক্লিষ্ট চিত্তে তারা অযোধ্যায় ফিরে এলো।তাদের অবস্থা বর্ণনাতীত।তারা মনে মনে ভাবল,চোদ্দ বছর তো তিনি পুনরায় ফিরে আসবেন, কি আর করব!তখনই প্রভু রামচন্দ্রকে দর্শন করব।এই আশায় তারা বেঁচে রইল*।
*☘মন্ত্রী রাম-সীতা ও লক্ষ্মণকে নিয়ে শৃঙ্গবপুরে উপনীত হলেন।সামনে গঙ্গানদী প্রবাহিতা দেখে রামচন্দ্র রথ থেকে নেমে পড়লেন আর পরম আনন্দে গঙ্গাদেবীকে দন্ডবৎ প্রণাম নিবেদন করলেন।লক্ষ্মণ, সুমন্ত্র ও সীতাদেবীও গঙ্গাদেবীকে প্রণাম করলেন।গঙ্গিতীরে অবস্থান করে সকলেই রামচন্দ্রের উপস্থিতিতে সুখ অনুভব করলেন।সকল আনন্দ,ও সকল মঙ্গলের অধিষ্ঠাত্রী দেবী হলেন মা গঙ্গা।তিনি সর্বসুখ প্রদান করেন ও সর্বদুঃখ হরণ করেন।গঙ্গার তরঙ্গ রামচন্দ্র অবলোকন করছেন আর বিভিন্ন প্রসঙ্গের বর্ণনা করছেন।মন্ত্রী, লক্ষ্মণ ও সীতাদেবীকে রামচন্দ্র দেবনদী গঙ্গার অনন্ত মহিমার কথা বলছেন।গঙ্গাজলে স্নান করে সকলের পথশ্রম দূর হল।পবিত্র গঙ্গাজল পান করে সকলে আনন্দিত হলেন।যাঁকে স্মরণ করলেই জন্ম-মৃত্যু চক্রে আবর্তনের অতি ভয়ানক পরিশ্রম দূরীভূত হয়,তাঁর পথশ্রম হওয়াকে লৌকিক ব্যবহার (নরলীলা) আখ্যা দেওয়াই শ্রেয়।*
*🙏বানান ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
*ক্রমাগত*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ📱7001138871꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

