শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব কীৰ্ত্তন 🥀 সংগৃহীত 📝 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/09/abirbhab.html

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
🆕 শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব কীৰ্ত্তন 🥀 সংগৃহীত 📝 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/09/abirbhab.html
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
শ্রীগুরুচরণ-পদ্ম করিয়া বন্দন।
রাধাকৃষ্ণ যুগলকে করিব স্মরণ।।
জয় জয় বৃন্দাবন জয় তব নাম।
জয় জয় ব্রজভূমি অপ্রাকৃত ধাম।।
গোলোক বিহারী কৃষ্ণ লীলার কারণে।
পৃথিবীতে আসিলেন জীবের কল্যাণে।।
পৃথিবীর পাপনাশ দুষ্টের দলন।
এইহেতু অবতীর্ণ হইল ভুবন।।
এস সবে শ্রীকৃষ্ণের জয় গুণ গাই।
কীর্ত্তনের তালে তালে নাচিয়া বেড়াই।।
গোকুলেতে শ্রীকৃষ্ণজী কেমনে আসিল।
শ্রীকৃষ্ণের নামটিকে কেবা কোথা পেল।।
এই সব গুণ গাব শাস্ত্র অনুসারে।
নিজগুণে এ অধমে দয়া কর মোরে।।
বৈবশ্বত মন্বন্তর যখন হইল।
অষ্টাবিংশ চতুর্যুগ তখন আসিল।।
দ্বাপর যুগের মধ্যে শেষ সময়েতে।
চারিদিক মহানন্দ হইল জগতে।।
মথুরাতে নাচে কেহ নাচে গোকুলেতে।
স্বর্গের দেবতা সব নাচে আনন্দেতে।।
বসুদেব দেবকীজী হয় ভাগ্যবান।
এই হেন পুত্র পায় তপস্যা কারণ।।
তাহাদের পূর্ব্বকথা যে জন শুনিবে।
হৃদয়ের পাপ তাপ দূরে চলে যাবে।।
বসুদেব ছিল আগে সুতপা নামেতে।
দেবকীজী হয়েছিল পৃশ্নি নামেতে।।
শ্রীকৃষ্ণকে পুত্ররূপে পাইবার তরে।
অরণ্যেতে গিয়ে তারা তপস্যা যে করে।।
তপস্যাতে তুষ্ট হয়ে শ্রীহরি আসিয়া।
মনবাঞ্ছা সিদ্ধ হবে বলিল হাসিয়া।।
সেই কারণেতে এবে কৃষ্ণকে পাইল।
প্রেমানন্দে সবে মিলে হরি হরি বল।।
ভাদ্রমাস কৃষ্ণপক্ষ অষ্টমী তিথিতে।
শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব হয় মথুরাতে।।
বুধবার মধ্যরাত্র রোহিণী নক্ষত্র।
মেঘযুক্ত আকাশটি বিদ্যুৎ চমকিত।।
স্নিগ্ধ শীতল ধারা চারিদিকে ঝরে।
সু-গন্ধ ও মৃদুমন্দ বাতাস যে করে।।
স্বর্গ থেকে দেবগণ এখানে আসিয়া।
স্তুতি-নতি করিতেছে পুষ্প বরষিয়া।।
বাৎসল্য ভাবেতে চিন্তা করে বসুদেবে।
কেমনে বাছার প্রাণ সুরক্ষা হইবে।।
গোকুল মুথরা হয় দুই জন্ম স্থান।
দুইভুজ চারিভুজ রূপে ব্যাবধান।।
যশোদা পাইল তাঁকে দ্বিভুজ রূপেতে।
দেবকী দেখিল তাঁকে চারটি ভুজেতে।।
নন্দসুত নামে জানে গোকুল নগরে।
বসুদেব সুত জানে মথুরা নগরে।।
গোকুলেতে নন্দালয়ে একই সময়।
শ্রীকৃষ্ণ ও যোগমায়া অবতীর্ণ হয়।।
বসুদেব স্তুতি করে চারভুজ দেখে।
সেইজন্য ভগবান্ চিন্তা করে থাকে।।
ক্রমে ক্রমে চারভুজ দুইটি ভুজেতে।
মিলিত হইয়া গেল প্রভুর মায়াতে।।
এইভাবে স্থানান্তর কেহ না বুঝিল।
শ্রীকৃষ্ণের প্রীতে সবে হরি হরি বল।।
কৃষ্ণকে রক্ষার লাগি নন্দালয়ে গিয়া।
নিজপুত্র রাখি আনে দেবী যোগমায়া।।
অতঃপর রটে গেল দেবকীর কাছে।
অতীব সুন্দর এক বালিকা জন্মেছে।।
অপার অচিন্ত মায়া কে বুঝিতে পারে।
নন্দের আলয়ে কৃষ্ণ দিনে দিনে বাড়ে।।
যশোদাজী পূৰ্ব্বকালে কি তপ করেছে।
যারজন্য শ্রীকৃষ্ণকে কোলেতে পেয়েছে।।
তাহার ঘটনা অতি মধুর যে হয়।
সাধনেতে মিলে মাত্র জানহ নিশ্চয়।।
নন্দবাবা পূৰ্ব্বকালে দ্রোণ নামে ছিল।
ধরা নামে যশোদাজী পূর্ব্বে হয়েছিল।।
গন্ধমাদন পর্বতে গমন করিয়া।
উভয়ে ভজন করে কৃষ্ণের লাগিয়া।।
উভয়ের তপস্যাতে সন্তুষ্ট হইয়া।
আকাশেতে দৈববাণী হইল রঙ্গিয়া।।
চিন্তা কভু করিও না হইবে পূরণ।
গোকুলেতে জনমিব তোমার কারণ।।
সেইজন্য এইস্থানে কৃষ্ণকে পাইল।
বাৎসল্য ভাবেতে দোহে সোহাগ করিল।।
এইভাবে শ্রীকৃষ্ণের জনম রহস্য।
শুনিলে হৃদয় হবে নিৰ্ম্মল অবশ্য।।
যাহাদের কাছে প্রভু প্রকটিত হয়।
তাহারাই কারাগারে কেমনেতে রয়।।
তাহার ঘটনা শুন হৃদয় ভরিয়া।
শুনিতে শুনিতে যাবে সংসার তরিয়া।।
কংস ও দেবকীজী ভাইবোন হয়।
স্নেহ আর তার মধ্যে অত্যধিক হয়।।
সেইজন্য দেবকীর বিবাহ হইলে।
আনন্দেতে নাচগান করে সবে মিলে।।
বসুদেব নিজগৃহে যাইবার কালে।
আনন্দেতে কংস গিয়া রথ চালাইলে।।
পথিমধ্যে কংস এক দৈববাণী শুনে।
এত বড় আনন্দিত হও কি কারণে।।
তাহারই অষ্টম গর্ভেতে যিনি হবে।
তাহার হস্তেতে তুমি নিধন হইবে।।
এইকথা শুনামাত্র ক্রোধিত হইয়া।
বোনকে মারিতে যায় তরোয়াল দিয়া।।
বসুদেব হাত জোড়ে বলে বার বার।
বোনকে না মেরে শুন প্রতিজ্ঞা আমার।।
তাহারই যতপুত্র জনম হইবে।
সকলই এনে দিব যা পার করিবে।।
সেইজন্য উভয়কে রাখে কারাগারে।
শ্রীকৃষ্ণের জন্য আর চিন্তা সদা করে।।
ক্রমে ক্রমে ছয়পুত্র নিধন করিল।
সপ্তম পুত্রটি নষ্ট হয়েছে জানাল।।
অষ্টম গর্ভেতে আসে চতুর্ভূজ ধরে।
পিতা-মাতা তাঁকে দেখে দণ্ডবৎ করে।।
স্তব-স্তুতি করে আর ভাবে মনে মনে।
ভগবান্ আসিয়াছে দেখিনু নয়নে।।
অতঃপর দুই ভুজ যখন দেখিল।
বাৎসল্য ভাবেতে স্নেহ করিতে লাগিল।।
এইভাবে কারাগারে দুইজনে থাকে।
কত দুঃখ পায় তবু বলিবে কাহাকে।।
নন্দালয়ে যে আনন্দ শুন মন দিয়া।
শুনিলে আনন্দ পাবে হৃদয় ভরিয়া।।
পুত্র পেয়ে নন্দবাবা আনন্দিত হয়।
সেইজন্য ব্রাহ্মণকে গাভীদান দেয়।।
কি নামে ডাকিবে তাঁকে চিন্তিত হইয়া।
কুলগুরু গর্গাচার্য্য আনিল রঙ্গিয়া।।
ধ্যান করে গর্গাচার্য্য সকলি জানিল।
সেইজন্য কৃষ্ণনাম রাখিতে বলিল।।
উপানন্দ নাম রাখে সুন্দর গোপাল।
ব্রজবালক নাম রাখে ঠাকুর রাখাল।।
এইভাবে শ্রীকৃষ্ণের বহু নাম হয়।
যে যেই ভাবে ডাকে সব সত্য হয়।।
যেই স্থানে বসুদেব পুত্রকে পাইল।
শ্রীকৃষ্ণের জন্মভূমি স্থানটি হইল।।
সেইজন্য যাত্রীগণ আগমন করে।
শ্রীকৃষ্ণের জন্মভূমি দরশন করে।।
এইভাবে কৃষ্ণকথা যে করে কীর্ত্তন
কৃষ্ণের চরণ পাবে হইবে কল্যাণ।।
জয় জয় কৃষ্ণচন্দ্র জয় তব ধাম।
চরণেতে স্থান দিও এই মনস্কাম।।
এই লোভে তব নামে স্বরূপে পুকারে।
অবশ্য করিও দয়া বলি বারে বারে!!
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ।
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধে গোবিন্দ।।
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।
জয় জয় শ্রীরাধে শ্যাম।।
🙏 সংগৃহীত 🙏
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
     ꧁ 👇📖 সূচীপত্র 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী 📖👇


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
   🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


adds