✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
শ্রীল রামচন্দ্র কবিরাজ 😭 তিরোভাব কার্তিক কৃষ্ণাষ্টমী তিথি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/11/ramchandra.html
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*#শ্রীল_রামচন্দ্র_কবিরাজ।*
(*#তিরোভাব_কার্তিক_কৃষ্ণাষ্টমী_তিথি*।)
স্বর্ধুন্যাস্তীরভূমৌ সরজনিনগরে গৌড় ভুপাধিপাত্ৰাদ-
ব্রহ্মণ্যাদ্বিষ্ণুভক্তাদপি সুপরিচিতাৎ শ্রীচিরঞ্জীবসেনাৎ I
যঃ শ্রীরামেন্দুনামা সমজনি পরমঃ শ্রীসুনন্দাভিধায়াং
সোঽয়ং শ্রীমান্নরাখ্যে স হি কবিনৃপতিঃ সম্যগাসিদভিন্নঃII
অর্থ:- 'গঙ্গাতীরস্থ সরজনিনগরে গৌড়রাজ্যের শ্রেষ্ঠ অমাত্য দ্বিজভক্ত,বিষ্ণুভক্ত ও সুপরিচিত শ্রীচিরঞ্জীব সেন নামক পিতা হইতে ও মাতা শ্রীসুনন্দার গর্ভে শ্রীরামচন্দ্র নামক যে মহাজন জন্মগ্রহণ করেছিলেন,তিনি পরম রূপবান ;তিনি নরোত্তম - নামক কবি নৃপতির সহিত সর্ব্বতোভাবে একাত্মা ছিলেন I'
নরহরি সরকার ঠাকুরের শিষ্য ও শ্রীচৈতন্য সহচর কুমারনগরের শ্রীচিরঞ্জীব ঠাকুরের সাথে শ্রীখণ্ডের বিখ্যাত শাক্তকবি দামোদর সেনের কন্যা "সুনন্দা দেবীর" বিবাহ হয়। বিবাহের পর চিরঞ্জীব ঠাকুর শ্রীখন্ডে চলে আসেন। তাঁদের দুই পুত্র- বড় "রামচন্দ্র কবিরাজ" এবং ছোট "গোবিন্দ কবিরাজ"।
এঁরা দুই ভাই পরবর্তী কালে কুমারনগরে ফিরে গেলেও শাক্তদের উৎপীড়নে সেই স্থান ছেড়ে তেলিয়াবুধরিতে চলে আসেন।
রামচন্দ্র কবিরাজ বিবাহ করিলেও কখনও সংসারাশ্রমে প্রবিষ্ট হন নাই I শ্রীরামচন্দ্রকে বিবাহবেশে দেখে শ্রীনিবাসাচার্য্য প্রভু উহার অসারতা সম্বন্ধে কিছু কথা বললেন,
*#অপূর্ব_এ_রূপ_ধন্য, #নহে_আত্মভোগ_জন্য, #যোগ্য_শুধু_গোবিন্দ_সেবার।।*
*#সংসার_বিষয়_কূপে, #ডুবাইতে_সর্বজীবে, #মায়ার_মূরতি_এই_নারী।*
*#কৃষ্ণদাস্য_ভুলাইতে, #নরক_যন্ত্রণা_দিতে, #পুরুষ_রতনে_লয়_হরি।।*
একথা শুনেই রামচন্দ্র মনে মনে ভাবছে তাইতো দুর্লভ মনুষ্য জন্ম, #শ্রীকৃষ্ণ_ভজনের জন্যই তো মিলেছে! আর আমি একি করলাম? গোবিন্দ সেবার দেহ কারে দিলাম!
বাড়িতে গিয়ে রামচন্দ্র আর কোন কাজে উৎসাহ পেলেন না। গৃহ অগ্নিকুন্ডের মত প্রতীত হতে লাগল। নব বিবাহিতা পত্নীকে ছেড়ে সবার অজ্ঞাতসারে সেই রাত্রে এসে ছিন্নমূল তরুর ন্যায় আছড়ে পড়লেন আচার্য প্রভুর চরণে। সেই দেখা অবধি আচার্য প্রভু প্রাণে প্রাণে কাঁদছিলেন আর ভাবছিলেন কতক্ষণে রামচন্দ্রকে কাছে পাব।এবার হারানিধি ফিরে পেয়ে, তুলে বুকে জড়িয়ে ধরলেন।
রামচন্দ্র একান্ত ভাবে শ্রীগুরু সেবায় আত্মনিয়োগ করলেন ।
শ্রীরামচন্দ্রের প্রতি স্নেহাবিষ্ট হয়ে শ্রীনিবাসাচার্য্য প্রভু তাঁহাকে দীক্ষামন্ত্র প্রদান করতঃ নিজ সেবক রূপে গ্রহণ করলেন I
ঠাকুর নরোত্তমের সঙ্গ লালসায় গঙ্গা-পদ্মা মধ্যস্থান তেলিয়াবুধুরীগ্রামে এসে বসতি স্থাপন করলেন।
*পথের ধারে বসে থাকে __যদি, পথে যেতে দেখা হয়।*
সত্যি সত্যিই একদিন নরোত্তম ঠাকুর এসে উপস্থিত হলেন তেলিয়াবুধুরীগ্রামে। রামচন্দ্র চরণে প্রণত হলে নরোত্তম তুলে বুকে জড়িয়ে ধরলেন।ক্ষনিকের দেখায় উভয়ে এক অবিচ্ছেদ্য প্রেমবন্ধনে আবদ্ধ হলেন।
একদিন যাজিগ্রামে আচার্য প্রভু রাতের বেলায় অঙ্গনে পদচারণা করছেন।পেছনে রামচন্দ্র। হঠাৎ আচার্য বলছেন দেখ দেখ রামচন্দ্র! কত বড় বিষধর সাপ! রামচন্দ্র দেখছেন সত্যিই এক বিষধর সাপ।
একটু পরে আচার্য প্রভু বলছেন -"আরে না না, ওটা একটা দড়ি পড়ে আছে। তখন রামচন্দ্র দেখছেন সত্যিই একটা দড়ি পড়ে আছে।
শুধু মনে মনে মানা নয়,
গুরুবাক্যে বিশ্বাসের বলে _ রজ্জুতে সর্প দেখে সেই কালে।
আদর্শ শ্রীরামচন্দ্র__ শ্রীগুরু-বাক্যনিষ্ঠার ।
একদিন শ্রীনিবাস আচার্য প্রভু আদেশ দিলেন, যাও গৃহে গিয়ে পত্নী সম্ভাষণ করে এস। রামচন্দ্র অবিচারে গুরু আজ্ঞা পালন করলেন। সারাদিন গুরুদেবের সেবা করে সন্ধ্যার প্রাক্কালে গৃহে গমন করলেন।সারারাত্রি স্ত্রীর সঙ্গে গুরু কথা প্রসঙ্গে কাটালেন। এখন প্রভুর এই সেবা, এরপরে এই সেবা করি। এইভাবে গুরু কথায় রাত্রি ভোর হয়ে গেল। প্রাতঃকালে নিজ সেবার সময় জেনে তাড়াতাড়ি উঠে চলে আসলেন। রাস্তায় এসে মনে পড়ল, গুরুদেব বলেছিলেন স্ত্রীসম্ভাষণ করে আসতে। তা তো হয় নাই! ভুলে গিয়েছি। আবার ছুটলেন। ছুটে গিয়ে স্ত্রীকে আলিঙ্গন করলেন। সখী যেমন সখীকে আলিঙ্গন করে সেই ভাবে। রামচন্দ্রের দেহ স্মৃতি নাই। পুরুষ দেহ অভিমান দূর হয়ে গিয়েছে শ্রীগুরুকৃপায়। সেই স্বভাবে রামচন্দ্র আলিঙ্গন করলেন গুরুদেবের আজ্ঞা স্মরণ করে। রামচন্দ্র বুঝতে পারলেন না পুরুষ কিংবা প্রকৃতি কাকে আলিঙ্গন করছেন। কেবল আজ্ঞা পালনের জন্য আলিঙ্গন করলেন। সে সময় প্রিয়ার সিঁথির সিন্দুর রামচন্দ্রের কপালে লেগে গেল। সেই অবস্থায় নিজ সেবার সময় বয়ে যায় দেখে ছুটে চলে আসলেন গুরু আশ্রমে। সেসময় ঠাকুর নরোত্তম আঙ্গিনা ঝাড়ু দিচ্ছিলেন। তাকে ছুটে আসতে দেখে জিজ্ঞাসা করলেন -রামচন্দ্র! কোথায় গিয়েছিলে ?
রামচন্দ্র সহজ সরলভাবে উত্তর দিলেন - স্ত্রীর সম্ভাষণ করতে গিয়েছিলাম। শ্রীগুরুদেবের আজ্ঞায় । এইমাত্র আসছি তার সেবা করবো বলে।
নরোত্তম দেখলেন তার কপালে সিঁদুর লেগে আছে।
বললেন - ছি ছি রামচন্দ্র! একি তোমার ব্যবহার? ধিক্ ধিক্ তোমায়। এই অপবিত্র দেহে প্রভুর সেবা কি করে করবে? এই বলে নরোত্তম ক্রোধ করে হাতের সম্মার্জনী দিয়ে সজোরে আঘাত করলেন । রামচন্দ্র কোন প্রকার প্রতিবাদ করলেন না। নিজেকেই দোষী মনে করে, স্নান করে শ্রীগুরু সেবায় সংলগ্ন হলেন। মধ্যাহ্নকালে নরোত্তমের সেবা। আচার্য প্রভুর অঙ্গে তৈল মর্দন করতে গিয়ে দেখছেন পিঠে সেই ঝাঁটার বাড়ির দাগ। বুঝতে পারলেন নরোত্তম যে, রামচন্দ্রকে ঝাঁটার বাড়ি মেরেছিলেন! সেই দাগই আচার্য প্রভুর দেহে ফুটে উঠেছে। আত্যন্তিক মর্মাহত হলেন ।
এই হাত দিয়ে আমি তার শ্রীঅঙ্গে আঘাত করেছি! এ হাত আমি আর রাখব না। আজ রাত্রেই পুড়িয়ে ফেলব। অন্তর্যামী আচার্য প্রভু সব জানতে পারলেন। তিনি হঠাৎ বলে উঠলেন - *#এ_দেশে_বিচার_নাই_বাপরে_বাপ্*। # *#দিনে_মারে_ঝাটার_বাড়ি_রাতে_পুড়ায়_হাত*।।*
শুনে নরোত্তম যারপরনাই লজ্জিত হলেন।
আচার্য প্রভু বললেন- রামচন্দ্রের অঙ্গে আঘাত করাতে আমার অঙ্গে লেগেছে, আর তুমি হাত পুড়াবার সংকল্প করাতেই আমার হাত পুড়েছে।
ওটা নয় তোমার হাত, ওটা আমি করেছি আত্মসাৎ।
বলে দুজনকেই বুকে জড়িয়ে ধরলেন।
শ্রীগুরুনিষ্ঠা প্রভাবে তিনি গুরুদেবের হৃদয়ের খবর জানতে পারতেন। একবার শ্রীনিবাস আচার্য প্রভু তিনদিন সমাধিস্থ ছিলেন। সকলে কান্নাকাটি শুরু করলেন ,হয়তো উনি দেহত্যাগ করেছেন। সেসময় রামচন্দ্র বাইরে ছিলেন। হঠাৎ এসে দেখছেন বাড়িতে কান্নার রোল। সকলকে আশ্বস্ত করে গুরুদেবের পাশেই বসলেন রামচন্দ্র কবিরাজ। ধ্যানস্থ হয়ে দেখলেন শ্রীগুরুদেব কি করছেন। দেখছেন মধুময় শ্রীধামবৃন্দাবনে যমুনায় জলবিহার হচ্ছে যুগলের। জলবিহার কালে নাকের বেশর খসে পড়ে গিয়েছে জলে। সকলে মিলে অনুসন্ধান করছেন। রামচন্দ্র কবিরাজও শ্রীগুরু আনুগত্যে খুঁজতে লাগলেন ।গুরুকৃপায় সহজেই পেয়ে গেলেন, নিয়ে শ্রীগুরুদেবকে দিলেন। শ্রীগুরুদেব তাঁর গুরুদেব গুনমঞ্জরীকে দিলেন, তিনি নিয়ে গিয়ে রূপমঞ্জরী কে দিলেন। তিনি রাধারানীর নাকে পরিয়ে দিলেন । রাধারানী বললেন- কোন সখী পেয়েছে?
রূপমঞ্জরী বললেন -
"এই নবদাসী পেয়েছে।"
রাধারানী স্বচর্বিত তাম্বুল উপহার দিলেন। হাত পেতে নিলেন রামচন্দ্র। ধ্যান ভঙ্গ হলে, সে রাধারাণীর অধরামৃত চর্বিত তাম্বুল নিজহস্তে দেখতে পেলেন,তার সুবাসে চারিদিক আমোদিত হল। আচার্য প্রভু ও ফিরে আসলেন বাহ্যাবেশে, রামচন্দ্র কবিরাজ গুরুদেবকে সমর্পণ করলেন, সেই রাধারানীর প্রসাদী পান। বিতরণ করলেন সকলকে।
রামচন্দ্রের হাতে কেমন করে এলো? রাধারানীর চর্বিত তাম্বুল? সেই দেহ এই দেহ যদি এক না হয় তাহলে কেমন করে এলো?
কেউ অসিদ্ধ মনে করো না, গৌর পরিকরের স্বরূপ।
দুই লীলা ভোগ করে__ প্রতি গৌরকিঙ্করে।
নদীয়া লীলা ব্রজলীলা_ দুই লীলা ভোগ করে।
ব্রজ পরিকরের গৌরলীলা ভোগে যদি লোভ হয়, তবে গৌর পরিকরের আনুগত্য করতে হয়।
আর _ #গৌর_পরিকর_দুই_লীলার_অধিকারী।
দুই লীলা ভোগ করতে পারে __ গৌর পরিকর যদি ইচ্ছা করে।
অপূর্ব রহস্য ভাই।
এই দেহ সেই দেহ হয়_ শ্রীগুরুচরণে যার রতি হয়।
কেন বা হবে না?
এই প্রাকৃত রাজ্যে দেখ!
আরশোলা কাঁচপোকা হয়__ কাঁচপোকা ভাবতে ভাবতে।
প্রাকৃত রাজ্য যদি এই হয় _ তবে সে রাজ্যে কেন হবে না?
এ দেহ সেই শক্তি পায় __শ্রীগুরু আনুগত্যের ফলে।
তার প্রত্যক্ষ প্রমাণ শ্রীরামচন্দ্র কবিরাজ।
এমনি এক ব্যতিক্রমী চরিত্র আমরা দেখতে পাই রামচন্দ্র কবিরাজের জীবনে।শ্রীগুরুনিষ্ঠা হলে কি না হয়! এটাই দেখালেন রামচন্দ্র কবিরাজ জগতে।
বিষ্ণুপুরের রাজা বীরহাম্বীর শ্রীনিবাস আচার্য্যের শিষ্য হয়েছিলেন,কিন্তু রামচন্দ্র কবিরাজ শিক্ষাগুরু রূপে তাকে শিক্ষা প্রদান করতেন I শ্রীরামচন্দ্র কবিরাজ যেকালে বৃন্দাবনধামে অবস্থান করছিলেন,সেকালে তাঁহার শ্রীজীব গোস্বামী আদি বৈষ্ণবগণের সঙ্গ ও কৃপালাভের সৌভাগ্য হয়েছিল I বৈষ্ণবগণ তাঁহার অপূর্ব্ব কবিত্ব শ্রবণে পরিতৃপ্তি লাভ করেছিলেন I শ্রীল জীবগোস্বামী শ্রীরামচন্দ্রকে 'কবিরাজ' উপাধি প্রদান করেন I ইনি অষ্ট - কবিরাজের অন্যতম I শ্রীল নরোত্তম ঠাকুরের প্রচার ও ভজনের ইনি প্রিয়তম সঙ্গী ছিলেন I
ইঁহার রচিত গ্রন্থাবলীর মধ্যে "স্মরণচমৎকার", "স্মরণ - দর্পণ", "সিদ্ধান্ত - চন্দ্রিকা', ''শ্রীনিবাসাচার্য্যের জীবন - চরিত'" বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য I শ্রীল নরোত্তম ঠাকুর তাঁহার রচিত 'প্রার্থনা' গীতিতে রামচন্দ্র কবিরাজের সঙ্গ কামনা করেছেন I
‘’দয়া কর শ্রীআচার্য প্রভু শ্রীনিবাস I
রামচন্দ্র সঙ্গ মাগে নরোত্তম দাস।।‘’
কিছুইতো চাইলেন না।
গুরু গৌর-গোবিন্দ- কিছুইতো চাইলেন না।
ঠাকুর নরোত্তমের শেষ প্রার্থনা।
এই করো শ্রীগুরুদেব।
যদি জন্ম হয় পুনঃ, পাই- রামচন্দ্র সঙ্গ যেন , তবে নরোত্তম হয় ধন্য।।
বাঁধা পড়ে সে আধারে।
গুরু গৌর গোবিন্দ- বাঁধা পড়ে সে আধারে।
যে গুরুপদে বিকায়েছে- বাধা পড়ে সে আঁধারে_ গুরু গৌর-গোবিন্দ অভিন্ন- তাই বাঁধা পড়ে সে আধারে ।
কোন ভাগ্যে তার সঙ্গ হলে __গুরু গৌর-গোবিন্দ সকলি মিলে।
বাকি থাকে না কিছু পেতে __শ্রীগুরুনিষ্ঠ ভক্তের সঙ্গে হলে।
তাই ঠাকুর নরোত্তম ভাবলেন,
সকলই পাওয়া হবে__ রামচন্দ্র সঙ্গ পেলে।
*#সর্বোত্তমা_প্রাপ্তি_ভাই*। *#গৌর_দাসের_দাসের_সঙ্গ* -সর্বোত্তমা প্রাপ্তি ভাই।
তাই_ব্যাকুল হয়ে কাঁদলেন- শ্রীঠাকুর নরোত্তম__ শ্রীরামচন্দ্রের বিরহে ।
কৃষ্ণলীলায় যিনি করুণামঞ্জরী,তিনি শ্রীরামচন্দ্র কবিরাজ রূপে প্রকটিত,এইরূপ তাঁহার সিদ্ধ পরিচয় জ্ঞাত হওয়া যায় I
শ্রীনিবাসাচার্য্যের অন্তর্ধানের পর রামচন্দ্র কবিরাজ বৃন্দাবনেই অপ্রকট হন। আচার্যের পাশেই তাঁর সমাধি বিদ্যমান।।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
꧁👇📖সূচীপত্র ✍️ শ্রী গোপীশরণ দাস📖👇꧂
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ।
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
*••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧