✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৪০)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
*🙌গৌরকীর্তন প্রবর্তন🙌*
🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌🙌
*🙏শ্রীবাস পন্ডিত যখন মহাপ্রভুর সামনে দাঁড়িয়ে এইসব কথা বলছেন তখন শ্রীজগন্নাথদেব দর্শন করে হাজার হাজার লোক মহাপ্রভুর বাসার দরজায় এসে "জয় শ্রীনবদ্বীপ চন্দ্রের জয়" বলিয়া ধ্বনি দিতে লাগলেন, সেই ধ্বনিতে দিগন্ত প্রকম্পিত করতে লাগল।তাঁরা কেউ বা শ্রীহট্টবাসী,কেউ বা ত্রিপুরাবাসী, কেউ বা চট্টগ্রামবাসী ইত্যাদি।সকলের মুখে গৌরকীর্তন।এই ব্যাপারটি হঠাৎ হয়ে গিয়ে যেন মণিকাঞ্চন সংযোগ হল।যাঁরা এসেছিলেন,তাঁদের কেউই প্ররোচনা দেয় নাই।সকলেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে (নিজে থেকেই )এসে হাজির হলেন এবং সমগ্র নীলাচলে গৌরকীর্তনের স্রোত বহিতে লাগল। শ্রীবাস পন্ডিত তখন করযোড়ে নিবেদন করলেন=*
*🌷এবে প্রভু কি করিবা।*
*🌷সকল সংসার গায় কোথা লুকাইবা।।*
*🌷মুঞি কি শিখাইয়াছি এসব লোকেরে।*
*🌷এই মত গায় প্রভু সকল সংসারে।।*
*🌷অদৃশ্য অব্যক্ত তুমি হয়েও নাথ।*
*🌷করুণায়ে হইয়াছ জীবের সাক্ষাৎ।।*
*🌷লুকাও আপনে তুমি প্রকাশ আপনে।*
*🌷যারে অনুগ্রহ করো জানে সেই জনে।।*
*👌ভক্তবৎসল গৌরহরি তখন যেন কিংকর্তব্যবিমূঢ় (কি করতে হবে তা করতে অসমর্থ) হয়ে গেলেন এবং ভক্তের কাছে পরাজয় স্বীকার করতে বাধ্য হলেন।ভক্তের যে জয় চিরকালই হয়েছে এবং হবেই যা শ্রীচৈতন্য ভাগবতে শ্রীবৃন্দাবন দাসঠাকুর নিজহাতে লিখে গিয়েছেন, যথা=*
*🍀সর্বকালে প্রভু বাড়ায়েন ভক্ত জয়।*
*🍀এ তান স্বভাব,বেদে ভাগবতে গায়।।*
*(তান=তাঁহার)*
*🌹ভক্তের ভগবান শ্রীগৌরহরি তখন ভক্ত মহিমা কীর্তন করে শ্রীবাসকে কহিলেন ঃ---,* *শ্রীবাস তুমি মহাভাগবত,সর্বশক্তি সমন্বিত, তুমি নিজশক্তি প্রকাশ করে এই যে নূতন কীর্তনের ধ্বজা উড়িয়েছ তা আমি বেশ বুঝতে পেরেছি। পন্ডিত তোমার কাছে আমি পরাভব স্বীকার করলাম, তুমি এখন ক্ষান্ত হও। শ্রীমন্মহাপ্রভুর মুখে আত্মপ্রশংসা শুনে শ্রীবাস পন্ডিত লজ্জায় অধোবদন হয়ে গেলেন এবং মহাপ্রভুর শ্রীচরণ ধর অঝোর নয়নে কাঁদতে লাগলেন।ভক্তবৎসল গৌরহরি তখন তাঁকে গাঢ় প্রেমালিঙ্গন দানে তাঁকে কৃতার্থ করলেন।তখন সমবেত ভক্তগণ আনন্দাতিশয্যে=*
*🙌জয় শ্রীশীনবদ্বীপ চন্দ্রের জয়,*
*🙌জয় শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর জয়,*
*🙌জয় শ্রীশচীনন্দনের জয়।*
*🌺এইসব ধ্বনি দ্বারা দিগন্ত মুখরিত করে তুললেন।ভক্তবৎসল মহাপ্রভুর তখন আর ক্রোধ ভাব নাই তিনি নিজ প্রকোষ্ঠের(কক্ষের) বাইরে এসে সকলের প্রতি শুভদৃষ্টিপাত করলেন।তাঁর শ্রীবদন তখন হাস্যময় শ্রীহস্তে হরিনামের মালা,সুগন্ধি চন্দন চর্চিত শ্রীঅঙ্গ,প্রশস্ত কপালে উজ্জ্বল তিলক, গলায় পুষ্পমালা ও পরিধানে রক্তাম্বর বস্ত্র।সবাইকে হাসিমুখে বিদায় দিয়ে গৌরহরি তখন নিজ মন্দিরে গমন করলেন এবং সমবেত সকলে ধীরে ধীরে বিদায় নিলেন। " এইবার তিনি নিভৃতে শান্তিপুরনাথকে ডাকলেন।তখন তিনি নির্ভয়ে তাঁর সামনে উপস্থিত হয়ে কীর্তন ধরিলেন=*
*🙌শ্রীচৈতন্য নারায়ণ করুণা সাগর।*
*🙌দীন দুঃখিতের বন্ধু মোরে দয়া কর।।*
*🍁🙏মোরে দয়া করো🙏,এই পদটি গাইবার সঙ্গে সঙ্গে তিনি মহাপ্রভুর শ্রীচরণে লম্বা হয়ে পড়লেন এবং নয়নজলে করুণাময়ের পাদপদ্ম যেন অভিষিক্ত হতে লাগল অর্থ্যাৎ নয়নজলে মহাপ্রভুর শ্রীচরণ ধৌত করতে লাগলেন।মহাপ্রভু তখন কৃপাপরবশ হয়ে তাঁকে উঠালেন এবং প্রেম-আলিঙ্গন দানে কৃতার্থ করলেন। তারপর গৌরহরি বললেন, আচার্য্য শান্ত হও, এতদিনে তোমার মনোবাঞ্জা পূর্ণ হয়েছে। তুমি আমাকে বড়ই নাচালে। এই নীলাচলে মখ দেখাতে আমার লজ্জা হচ্ছে ইত্যাদি কহিলেন। শান্তিপুরনাথ তখন বিনয় নম্র সহকারে বললেন ঃ----*
*🙏প্রভু হে!এখন আর তোমাকে প্রচ্ছন্ন (ঢেকে)রাখা উচিত নহে, এখন তোমার পূর্ণ প্রকাশের সময়। অর্থ্যাৎ গৌর-আনা-গোঁসাই শচীনন্দনকে তুলসীপত্র ও গঙ্গাজল দ্বারা প্রার্থনা করে শুধু এনেই ক্ষান্ত বা বিরত হননি তাঁকে সম্পূর্ণ ভাবে প্রকট করে তবেই ছেড়েছেন।আবার অদ্বৈতের তরজা রচনা করে তাঁর অপ্রকটের আভাসও তিনি দিয়েছেন।অর্থ্যাৎ নবদ্বীপ চন্দ্রের আবির্ভাব,তিরোভাব,মহিমা প্রকাশ সবই তিনি একাধারে করে গিয়েছেন কারণ তিনি যে ছিলেন মহাবিষ্ণুর অবতার।*
*🌺এইভাবেই গৌরকীর্তনের সূত্রপাত এবং তারপর হতেই বিভিন্ন পদকর্তা বিভিন্ন ভাবে শ্রীগৌরাঙ্গ মহাপ্রভুকে কেন্দ্র করে এবং তাঁর মহিমা কীর্তন করে অসংখ্য পদাবলী কীর্তন রচনা করে গিয়েছেন।*
*🌹এই প্রসঙ্গে কৃষ্ণদাস নামক এক মহাবৈষ্ণব অদ্বৈতাচার্য্য সম্বন্ধে একটি সুন্দর পয়ার রচনা করেছেন,এটি দ্বারা অদ্বৈত মহিমা সুস্পষ্টভাবে হৃদয়ঙ্গম করুন।*
*"শান্তিপুরের বুড়া মালী,বৈকুন্ঠ বাগান খালি,*
*করিয়া আনিল এক চারা।*
*নিতাই মালীরে পাইয়া,চারা তার হাতে দিয়া,*
*যতনে রোপিত কৈল নাড়া।।*
*নদীয়া উত্তম স্থান,তাহাতে করি উদ্যান,*
*রোপিল চৈতন্য তরু মালী।*
*বাড়ে তরু দিনে দিনে,শাখাপত্র আগণনে,*
*গজাইল যত্নে জল ঢালি।।*
*পাইয়া ভকতি জল,নাম প্রেম দুই ফল,*
*প্রসবিল সে তরু সুন্দর।*
*সে দুই ফলের আশে,জীব পাখী নিত্য আসে,*
*কোলাহল করে নিরন্তর।।*
*আনন্দে নিতাই মালী,মাথায় লইয়া ডালি,*
*দুই ফল সবারে বিলায়।*
*নাহি জাতি ভেদাভেদ,সবার মিটিল খেদ,*
*ফলাস্বাদ সকলেতে পায়।।*
*ধর লও লও বলি,আনন্দে নিতাই মালী,*
*আচন্ডালে ফল বিলাইল।*
*যেই চায় সেই পায়,যেনা চাহে সেও পায়,*
*যবনেও ফল আস্বাদিল।।*
*কি মোর করম ফেরে,না হেরেনু সে তরুরে,*
*না চিনিনু সে মালী দয়াল।*
*কৃষ্ণদাস দুরাশয়,দন্তে তৃণ ধরি কয়,*
*ধিক্ ধিক্ এ পোড়া কপাল।।*
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*দরশন দাও ত্বরা,অপেক্ষায় আছি মোরা,*
*এখনও প্রাণেশ্বর,আছে দেহে প্রাণ।*
*তব কমল নয়ন,দুঃখ করে বিনাশন,*
*হেরিতে সৌভাগ্য যার সেই পুণ্যবান।।*
*পতি পুত্র ধন জন,ছাড়ি মোরা আসি বন,*
*আমাদের রাখি কেন হ'লে অন্তর্ধান।*
*লাজ মান ছিল যাহা,পরিহার করি তাহা,*
*তব তরে আসি হ'য়ে ব্যাকুল পরাণ।।*
🌴🌱🌳☘🌿🌴🌱🌳🌿🌴🌱🌳🌿🌲
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
