শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

৪৮. মা জাহ্নবার পালিত পুত্রদ্বয় 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/07/madhukori48.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  *•❀꧁ 📖সূচীপত্র 🙏 শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 ꧂❀•* 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(৪৮)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
     *মা জাহ্নবার পালিত পুত্রদ্বয়*
     •••••••••••••••••••••••••••••••••••
*🌷সবারে সমান দয়া নাহি আত্মপর।*
*🌷হেন প্রভু না ভজিনু মুই তো পামর।।*
*🌹শ্রীরামচন্দ্র প্রভুর মহিমা লিখে শেষ করা যায় না।তাঁরই আর্তিতে সীতানাথ তাঁকে শান্তিপুরে দেখা দিয়ে শঙ্কর রূপে সেবা করবেন বলে প্রতিশ্রুত ছিলেন এবং এতদিনে তা যেন সফল হতে চলল।একদিন রাত্রিশেষে স্বপ্নে অদ্বৈতাচার্য‍্য আবির্ভূত হয়ে সেই পূর্ব প্রতিশ্রুতি স্মরণ করিয়ে দেন এবং প্রত‍্যুষকালে তিনি কানাই বলাই এর পর্ণকুটীরের দরজার কাছে বিল্ব(বেল) বনের মধ্যে এক বৃক্ষতলে গোদুগ্ধ ও আতপচাল দ্বারা মহাদেবের অর্চনা আরম্ভ করেন।ভাগ‍্যবান রামচন্দ্রের অর্চনার সঙ্গে সঙ্গে পার্বতী-মহেশ্বর সশরীরে সেখানে আবির্ভূত হন। অদ‍্যাপি সেই শিবলিঙ্গ গোপেশ্বর নামে বিরাজিত আছেন এবং নিত‍্য কৃষ্ণবলরামের প্রসাদ গ্রহণ করছেন।*
*🍀এর কিছুদিন পরেই জনৈক ভক্ত কানাই-বলাই বিগ্রহের এই সব কাহিনী শুনে একটি অতি সুন্দর মন্দির করে দেন এবং উত্তমরূপে সেবা পূজো চলতে থাকে। কিন্তু একটি জলাশয়ের অভাবে নিত‍্য সেবায় বড়ই কষ্ট হচ্ছিল।প্রভুর এই মনোবাসনা জ্ঞাত হওয়ামাত্র গ্রামবাসীগণ সকলে মিলে একটি বিরাট পুষ্করিণী খনন করেন, তার চারিদিকে আম্রবৃক্ষ রোপন করেন।রামচন্দ্র প্রভু এই জলাশয়ের নামকরণ করেন "যমুনাদীঘি"।*
*🌺মা জাহ্নবার সঙ্গে শ্রীধাম বৃন্দাবন গমন করলেও মা জাহ্নবা আর সশরীরে খড়দহে প্রত‍্যাগমন করেননি কারণ তিনি কাম‍্যবনে শ্রীগোপীনাথ বিগ্রহের শ্রীঅঙ্গে লীন হয়ে গিয়েছিলেন।এই নিদারুণ সংবাদ তিনি নিজমুখে বীরচন্দ্র প্রভুকে জানাতে অপারগ হওয়ায় উদ্ধারণ দত্ত ঠাকুরের মাধ‍্যমে তা জানিয়েছিলেন।সেহেতু নবনির্মিত সেবাপাট (যার নাম বাঘনাপাড়া)হতে তিনি খড়দহে ফিরে যান নাই এবং বাঘনাপাড়ায় থেকে কানাই-বলাই ও শঙ্করের সেবায় দিনাতিপাত করছিলেন।বীরচন্দ্র প্রভুও বাঘনাপাড়ার এইসব মহিমার কথা বিশেষ কিছু জানতেন না এবং ঘটনাচক্রে একজন পরিব্রাজক বৈষ্ণব মহান্তের মাধ‍্যমে তিনি বাঘনাপাড়ার বিগ্রহ সেবা, বৈষ্ণব সেবার পরিপাটির কথা সব অবগত হন।বীরচন্দ্রপ্রভু তখন তাঁর অলৌকিক ঐশী(ঈশ্বরীয়) শক্তির পরীক্ষার্থে এক লীলা প্রকাশ করলেন যার দ্বারা রামচন্দ্র মহিমাই বিস্তৃতি লাভ করে।অর্থ‍্যাৎ বীরচন্দ্রপ্রভু একদিন ১২০০ শত নাড়া বৈষ্ণবকে আদেশ করেন যে তাঁরা যেন গভীর নিশীথে বাঘনাপাড়ায় উপস্থিত হয়ে রামচন্দ্র প্রভুর কাছে প্রসাদ ভক্ষণের বাসনা করেন এবং তদুপরি(তার উপর ) অসময়ে আমের ব‍্যঞ্জন প্রসাদ  পাওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করলেন। (এ যেন দুর্য‍্যোধন কর্তৃক দুর্বাসা মুনিকে বনবাসী যুধিষ্ঠিরের কাছে পাঠিয়ে দেবার কাহিনী যা মহাভারতে বর্ণিত আছে।ভক্তগণ অবশ্যই সেই প্রসঙ্গ অবগত আছেন।) এই প্রসঙ্গে প্রাচীন বৈষ্ণব গ্রন্থের কিছু পরিচয় দেওয়া হল।*
*🌷এতেক শুনিয়া সবে আনন্দিত মনে।*
*🌷বারো শত নাড়া তাহা করিল গমনে।।*
*🌷দ্বিতীয় প্রহর রাত্রি সবে নিদ্রা যায়।*
*🌷হেনকালে উত্তরিলা বাঘনা পাড়ায়।।*
*🌷আম্রের ব‍্যঞ্জনসহ দেহ শ্রীপ্রসাদ।*
*🌷শুনিয়া ঠাকুর ভাবে ঘটিল প্রমাদ।।*
*🌷পৌষমাসে আম্র কভু নাহি হয় কদাচন।*
*🌷কেমনে করিব মুই আম্রের ব‍্যঞ্জন।।*
                         *(বংশী শিক্ষা )*
*🍁তখন রামচন্দ্র প্রভু কাতরভাবে কৃষ্ণবলরাম এবং মা জাহ্নবাকে স্মরণ করলেন। ত‍ৎক্ষণাৎ প্রত‍্যাদেশ প্রাপ্ত হলেন। যথা=*
*🌷প্রভুর কাতর বাক‍্য করিয়া শ্রবণ।*
*🌷শ্রীজাহ্নবা কৃষ্ণরাম কহেন তখন।।*
*🌷কিসের ভাবনা রাম করিতেছ মনে।*
*🌷কিসের অভাব আছে তোমার ভবনে।।*
*🌻তখন রামচন্দ্র প্রভু প্রসাদান্ন প্রস্তুতের ব‍্যবস্থা করে গভীর রাত্রে সেই যমুনাতীরে গমন করে আমবৃক্ষের কাছে ফল ভিক্ষা চাইলেন এবং তৎক্ষণাৎ সেইসব বৃক্ষে অপ্রাকৃত সব আম্রফল প্রকাশিত হলেন এবং তিনি আত্মপ্রসাদে অভিভূত হয়ে তাঁর সেবিত বিগ্রহ এবং মাজাহ্নবার জয় দিয়ে আশ্রমে ফিরে এলেন।ভক্তগণ সেই আম্রফল দেখেই রামচন্দ্র প্রভুর জয়গান করতে লাগলেন।তখন সেই গভীর রাত্রে কানাই-বলাই ঠাকুরকে শয‍্যা হতে উঠিয়ে ভোগ সমর্পণ করা হল। সমবেত নাড়াগণ মহানন্দে মহাপ্রসাদ ভক্ষণ করলেন।তখন নাড়া বৈষ্ণবগণ বললেন ঃ--*
*🍀তবে বীর নাড়াগণ প্রেমানন্দে কয়।*
*🍀যৈছে বীর,তৈছে রাম জানিনু নিশ্চয়।।*
*🌹পরে নাড়াগণের মুখে এইসব কাহিনী শুনে বীরচন্দ্রপ্রভু বাঘনাপাড়ায় রামচন্দ্রের সঙ্গে দেখা করতে আসেন এমাতৃ বিরহে উভয়ে ক্রন্দনের মাধ‍্যমে বিশদ বৃত্তান্ত সব অবগত হন যে কিভাবে মা জাহ্নবা কাম‍্যবনে শ্রীবিগ্রহের সঙ্গে লীন হয়ে গিয়েছিলেন,এই প্রসঙ্গে প্রাচীন গ্রন্থে লেখা আছে যে =*
*🌷বীরচন্দ্র প্রভু কন মোদের ভাগ‍্যেতে।*
*🌷মাতা না ফিরিল গৌড়ে জানিহ মনেতে।।*
*🌷ইহা কহি দুই প্রভু হা মাতঃ বলিয়া।*
*🌷কান্দিতে লাগিলা অতি বিলাপ করিয়া।।*
*🌻অতঃপর বীরচন্দ্র প্রভুর আদেশ অনুযায়ী রামচন্দ্র প্রভু তদীয় অনুজ শচীনন্দনকে বাঘনাপাড়ায় বিগ্রহ সেবাভার অর্পণ করতে উপদেশ দান করেন। সেইমত রামচন্দ্র প্রভু ভাই শচীনন্দনকে ফুলিয়া হতে চলে আসার জন্য সংবাদ পাঠান।বড় ভাইয়ের এই আদেশ পেয়ে ছোট ভাই শচীনন্দন সপরিবারে বাঘনাপাড়ায় এসে উপস্থিত হলেন এবং তখন রামচন্দ্র প্রভু তাঁকে বললেন=*
*🌷তব জ‍্যেষ্ঠ পুত্র মোরে দেহ অকাতরে।*
*🌷সেবা সমর্পণ আমি করিব তাহারে।।*
                      *(মুরলী বিলাস)*
☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆☆
*কংসের কৃপায় আজি,হেরিব সে রূপরাজি,*
    *তাঁর অনুগ্রহ মোর ভাগ‍্যের কারণ।*
*চলিতেছি আমি যত,শুভ চিহ্ন হেরি কত,*
    *দরশন মিলিবার ইহাই লক্ষণ।।*
*দূরে যাবে অলক্ষণ,ফিরে পাবে মনোবল,*
     *তখন আমার হবে সফল জীবন।*
*গোলোক বিহারী হরি,লবেন বেদনা হরি,*
    *কহেন আমারে কত সান্ত্বনা বচন।।*
*জগত জীবন তিনি,ভকত নয়ন মণি,*
    *তাঁর মোহন রূপ হৃদে বিরাজিবে।*
*ব্রজভূমি পূণ‍্যভূমি,রজ তার লব চুমি,*
     *ব্রজমণি ব্রজরাজ সদা ধ‍্যানে রবে।।*
🪷🪷🪷🪷🪷🪷🦚🪷🪷🪷🪷🪷🙏
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



adds