শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

মহাপ্রভুর সন্ন‍্যাসের কারণ কি ❓❓❓ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ https://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_25.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
               ꧁মহাপ্রভুর সন্ন‍্যাসের কারণ
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
     এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🌻*মহাপ্রভুর সন্ন‍্যাসের কারণ*🌻
*প্রাণের মুকুন্দ হে আজি কি শুনিনু আচম্বিত*।
*কহিতে পরাণ যায়, মুখে নাহি বাহিরায়*
        *গৌরাঙ্গ ছাড়িবে নবদ্বীপ*।।
*ইহা তো না জানি মোরা*
    *সকলে মিলিনু গোরা*
*অবনত মাথে আছে বসি*।
*নিঝরে নয়ন ঝুরে, বুক বাহি ধারা বহে*
        *মলিন হইয়াছে মুখশশী*।।
*তখন হইতে প্রাণ,সদা করে আনচান*
       *সুধাইতে নাহি অবসর*।
*ক্ষণেক সম্বিত হৈল,তবে মুই নিবেদল*
       *শুনিয়া দিলেন এ উত্তর*।।
*আমি তো বিবশ হৈঞা*
*তারে কিছু না কহিয়া*
*ধাইয়া আইনু তব পাশ*।
*এই তো কহিনু আমি*
*যে করিতে পার তুমি*
*মোর নাহি জীবনের আশ*।।
*শুনিয়া মুকুন্দ কাঁদে*
*হিয়া থির থির নাহি বাঁধে*
*গদাধরের বদন হেরিয়া*।
*শ্রীগোবিন্দ ঘোষে কয়,*
  *ইহা যেন নাহি হয়*
 *তবে মুই যাইব মরিয়া*।।

🌻🌻দ্বিতীয় প্রভুর উক্তি🌻🌻
*প্রাণের মুকুন্দ হে তোমরা কি সুধাও আমায়*।
*যে দুঃখ মরমে পাই*
*কহিবার নাহি ঠাঁই*
*ইহা কহি কাঁদে গোরারায়*।।
*দেখিয়া জীবের দুখ*
*ছাড়িনু গোলোকের সুখ*
*লভিলাম মনুষ‍্য জনম*।
*পাইলাম কষ্ট যত,তোমরা পাইলা তত*
      *ইহল সব পন্ড পরিশ্রম*।।
*পন্ডিত পড়ুয়া যারা,আমারে না মানে তারা*
     *মোর উপদেশ নাহি লয়*
*ভাবি হই বুদ্ধিহারা,কিরূপে তরিবে তারা*
       *দূর হবে নরকের ভয়*।।
*অনেক চিন্তার পর,দঢ়ায়িনু এ অন্তর*
        *আমি ত্বরা ছাড়ি গৃহবাস*।
*মস্তক মুন্ডন করি,এ ডোর কৌপিন পড়ি*
      *অবিলম্বে লইব সন্ন‍্যাস*।।
*তবে তো পাষন্ডী সব,শুনি হরি হরি রব*
      *নামে প্রেমে হৈবে পাগল*
*সবে যাবে নিত‍্য ধাম,পূর্ণ হে মনস্কাম*
      *অবতার হইবে সফল*।।
*প্রভু যবে হেন কৈল,মুকুন্দ মূর্ছিত হৈল*
       *কতক্ষণে সম্বিত পাইলা*
*শ্রীগোবিন্দ ঘোষে কয়,এ তব উচিত নয়*
       *সাঙ্গ করা নদীয়ার লীলা*।।
🌻🌻জয় নিতাই গৌর হরিবল🌻🌻
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুনের সখ‍্যতা কেমন ভাবে হয়েছিল, কারণ কি ❓ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_82.html


   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧        
꧁ শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুনের সখ‍্যতা কেমন ভাবে হয়েছিল, কারণ কি? ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
শ্বেতকি নামে এক মহা পরাক্রমশালী রাজা ছিলেন। তিনি যজ্ঞ প্রেমিক, দাতা, ও বুদ্ধিমান ছিলেন।তিনি বড় বড় যজ্ঞ করিতেন যজ্ঞ করতে করতে ঋত্তিকগণ পরিশ্রান্ত হয়ে পড়তেন। কখনো কখনো যজ্ঞ করতে অস্বীকার করতেন। কিন্তু রাজার যজ্ঞ চলতেই থাকত। রাজা বিভিন্ন ঋত্বিক গনকে অনুনয় বিনয় করিয়া এবং দান-দক্ষিণা দিয়ে ব্রাহ্মণদের প্রসন্ন করতেন। শেষে ব্রহ্মণগণ যখন যজ্ঞ করতে হার মেনে গেলেন, তখন রাজা শিবের তপ‍স‍্যায় রত হলেন ও শিব তুষ্ট হলেন এবং তাঁর নির্দেশে দূর্বাসাঋষিকে দিয়ে মহাযজ্ঞ করাইলেন। প্রথমে দ্বাদশ বৎসর এবং পরে একশত বৎসরের মহাযজ্ঞের দক্ষিণাদান করিয়া রাজা ব্রাহ্মণদের তৃপ্ত করেছিলেন। দূর্বাসা প্রসন্ন হলেন। রাজাযজ্ঞের পরে সপরিবারে ঋত্বিকদের সঙ্গে স্বর্গে গমন করলেন। সেই যজ্ঞে দ্বাদশ বৎসর ধরে অগ্নিদেবকে ঘৃতের ধারা নিরবচ্ছিন্ন ভাবে পান করতে হয়েছিল, তাতে তাঁর হজমশক্তি ক্ষীণ হয়ে গিয়েছিল। গাত্রবর্ণ হালকা হয়ে গিয়েছিল, এবং দীপ্তি কমে আসছিল। অজীর্ণতার জন্য যখন তাঁর শরীর খারাপ হতে শুরু করল, তখন তিনি ব্রহ্মার নিকট গিয়ে অনুরোধ করেন যে, আপনি এমন কোনো উপায় বলুন যাতে পূর্বের ন‍্যায় সুস্থ ও সবল হয়ে উঠি। তখন ব্রহ্মা বললেন,অগ্নিদেব!যদি তুমি খান্ডববন পোড়াতে পার, তাহলে তুমি সমহিমায় ফিরে আসবে। অগ্নিদেব সাতবার খান্ডববন পোড়াবার চেষ্টা করেন, কিন্তু ইন্দ্রদেব বারংবার রক্ষা করায় তাঁর চেষ্টা সফল হয়নি। পুনরায় অগ্নিদেব ব্রহ্মার নিকট গিয়ে বললে,ব্রহ্মা বললেন,শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুনের সহায়তায় খান্ডববন পোড়াবার উপায় জানিয়ে দেন। অগ্নিদেব ব্রাহ্মণ বেশ ধারণ করিয়া অর্জুনের কাছে সমস্ত পূর্বের কথা বললেন। অর্জুন বললেন,আমার দিব‍্যাস্ত্রের অভাব নেই, আমি যেকোন সময় ইন্দ্রকে পরাস্ত করতে পারি, কিন্তু আমার কাছে কিন্তু আমার কাছে দিব্য অস্ত্র ধারণ করবার মতো ধনুক নেই এবং সেই অস্ত্রের উপযুক্ত বাণও নেই,বাণের বোঝা বহিবার মত রথও নেই।এই সময় শ্রীকৃষ্ণের কাছেও এমন কোন অস্ত্র নেই যার দ্বারা ইনি নাগেদের এবং পিশাচদের বধ করতে পারেন। বল ও কৌশল আমাদের আছে, যুদ্ধ সামগ্রী আমাদের দিন।তখন অগ্নিদেব জলের দেবতা বরুণদেবকে স্মরণ করলেন, বরুণদেব তৎক্ষণাৎ আবির্ভূত হলেন।অগ্নিদেব বললেন, আপনাকে রাজা সোম অক্ষয় তূণীর, গান্ডীব ধনুক এবং বানর চিহ্নযুক্ত ধ্বজামন্ডিত দিব‍্যরথ দিয়াছেন,সেগুলি আপনি আমাকে দিন, তার সঙ্গে চক্রও দিন। শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুন, চক্র ও গান্ডীব ধনুকের সাহায্যে আমার এই বড় কর্ম সম্পন্ন করবেন। বরুণ অগ্নিদেবের অনুরোধ মেনে নিয়ে অর্জুনকে অক্ষয় তূণীর এবং গান্ডীব ধনুক দিলেন, এই ধনুকের অদ্ভুত মহিমা, কোনো শস্ত্রের সাহায্যেও একে খন্ডিত করা যাবে না।তারপর রত্নজড়িত এক দিব‍্য রথও প্রদান করলেন।সেই রথটি মন ও বায়ুর ন‍্যায় বেগযুক্ত।অগ্নিদেব শ্রীকৃষ্ণকে দিব‍্য চক্র এবং আগ্নেয়াস্ত্র দিয়া বললেন,মধুসূদন!এই চক্রের দ্বারা যাকে খুশি তাকে বধ করতে পারবেন। এই চক্রের সামনে দেবতা, দানব, রাক্ষস,পিশাচ,নাগ ও মানুষের শক্তি তুচ্ছ।এই চক্রটি প্রতিবার প্রয়োগের পর শত্রুনাশ করে ফিরে আসবে।বরুণ শ্রীকৃষ্ণকে দৈত‍্যনাশিনীএবং বজ্রধ্বনির ন‍্যায় শব্দ দ্বারা শত্রুর হৃদয় কম্পমান করবার মতো কৌমোদ গদা অর্পণ করলেন।এবারে শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুন খান্ডববন দহন করতে লাগলেন।আর অগ্নিদেব তেজোময় দাবানলের প্রদীপ্তরূপ ধারণ করে তাঁর সপ্ত অগ্নিশিখার লেলিহানরূপে খান্ডববন ঘিরে প্রলয় দৃশ্য উপস্থিত করে ভস্মস‍্যাৎ করতে আরম্ভ করলেন। বনের শত সহস্র প্রাণী ভস্মীভূত হল,কেহ কেহ বা চি‍ৎকার করতে লাগল,কেহ বা পালিয়ে বাঁচল। খান্ডববনের আগুন এতই জোরে জ্বলতে লাগল যে গগন স্পর্শ করল।দেবতাদের হৃদয় কেঁপে উঠল। ভয়ে দেবতাগণ দেবরাজের কাছে গিয়ে বলতে লাগলেন। ইন্দ্র খান্ডববনকে বাঁচাবার জন্য সমস্ত মেঘ মেঘিনী খান্ডববনের উপর বর্ষণ করতে লাগল।অর্জুন অস্ত্র কৌশলে জলধারা বন্ধ করে দিলেন।এবং সমস্ত বন বাণ দ্বারা এমনভাবে ঘিরে রাখলেন যে কেহ যেন পলায়ন করতে না পারে।সেই সময় নাগরাজ তক্ষক সেখানে ছিলেন না। কুরুক্ষেত্রে গিয়েছিল। তার পুত্র অশ্বসেন খান্ডব বনেই ছিল। অশ্বসেনকে বাঁচানোর জন্য ইন্দ্র বহু চেষ্টা করলেন,ভাগ‍্যক্রমে পালিয়ে বাঁচলেন। তাতে অর্জুন ক্রোধে রক্তবর্ণ হয়ে উঠলেন এবং তীক্ষ্ণ বাণের দ্বারা আকাশ ঢেকে ইন্দ্রকে কোণঠাসা করে দিলেন। তারপর ইন্দ্র শ্বেত ঐরাবতে চড়ে অর্জুন ও কৃষ্ণের সঙ্গে বহু যুদ্ধ করলেন, সেই বিশাল কান্ড।সেই সময় বজ্রগম্ভীর কন্ঠে আকাশবাণী হল,ইন্দ্র তোমার মিত্র কুরুক্ষেত্রে আছে তার কোন ক্ষতি হয়নি আর কৃষ্ণ অর্জুনকে কোনো মতেই হারাতে পারবে না। পরক্ষণেই শ্রীকৃষ্ণ দেখলেন ময়দানব তক্ষকের নিবাসস্থল হতে বেড়িয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। তিনি ময়দানবকে মারবার জন্য অস্ত্র তুললেন, সামনে চক্র ও পেছনে অগ্নি দেখে ময়দানব সামনে অর্জুনের কাছে আত্মসমর্পণ করলে, অর্জুনের কথায় কৃষ্ণ চক্র ফিরিয়ে নিলেন।খান্ডববন পনেরদিন ধরে জ্বলতে লাগল। এই ভীষণ অগ্নিকান্ডে ছয়টি প্রাণীই কেবল বেঁচে গিয়েছিল, অশ্বসেন সর্প,ময়দানব এবং চার শাঙ্গপক্ষী। শাঙ্গপক্ষীদের পিতা মন্দপাল অগ্নিদেব, শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুনের সাহায্যে খান্ডববনকে দহন করতে সক্ষম হলেন।তারপর ব্রাহ্মণের রূপ ধরে তাঁদের সামনে উপস্থিত হলেন। দেবরাজ ইন্দ্রও দেবতাদের সঙ্গে সেখানে এলেন।ইন্দ্র বললেন আপনারা যে অসম্ভব কর্ম সম্ভব করেছেন তাহা দেবতাদের অসাধ‍্য। আমি তুষ্ট হয়েছি, অর্জুন বললেন,আপনি আমাকে সর্বপ্রকার অস্ত্র প্রদান করুন।ইন্দ্র বললেন,অর্জুন, মহাদেব যখন তোমার প্রতি প্রসন্ন হবেন, তখন তোমার তপস‍্যার প্রভাবে আমি তোমাকে আমার সমস্ত অস্ত্র দিয়ে দিব। কৃষ্ণ তখন বললেন, দেবরাজ!আপনি আমাকে এই বর দিন যাহাতে অর্জুন আর আমার বন্ধুত্ব অটুট থাকে। কখনো যেন বিচ্ছেদ না ঘটে।ইন্দ্র বললেন,""এবমস্তু""" বেশ তাই হবে।কৃষ্ণ ও অর্জুন এবং ময়দানব যমুনার পবিত্র তীরে এসে উপবিষ্ট হলেন।
🌻🌻 জয় নিতাই গৌর হরিবল🌻🌻
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা-ইংরেজ বাজার, জেলা-মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ-৭৩২১০১
লীলা কীর্তন PDF 📚 ভবিষ্যতে আরো PDF এই লিঙ্কে আপলোড করা হবে।👉 https://drive.google.com/drive/folders/1j7S6jqXPssNeUbC2Fq9lPJbN2vFwfWn3
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম।
ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧                      *••••┉━❀꧁ রাধে রাধে ꧂❀━┅••••* 
                     শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
       *••••┉━❀꧁ জয় শ্রীশ্রীজগন্নাথ ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
    *••••┉━❀꧁জয় শ্রীশ্রীরাধাকান্ত꧂ ❀━┅••••*
             শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর নিবাসস্থলী
শ্রীগুরুদেব(আশ্রিত)-বৈষ্ণব কুলতিলক আচার্য্যপ্রবর মহান্ত মহারাজ শ্রীল ধ্যানচন্দ্র দাস গোস্বামী (শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর অপ্রকট লীলায় শ্রীগম্ভীরা মন্দিরে ঊনবিংশ পীঠাচার্য্য, শ্রীশ্রীরাধাকান্ত মঠ - শ্রীশ্রীগম্ভীরা, শ্রীধাম পুরী), মধবাচার্য্য(ব্রহ্ম) সম্প্রদায়,বক্রেশ্বর পরিবার(শ্রীতিলক সেবা- শ্রীশ্রীমহাপ্রভুর শ্রীচরণ), তুঙ্গবিদ্যা সখী,পশ্চিম দ্বার, লবঙ্গ মঞ্জুরী ( সনাতন গোস্বামী)।
*••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••*
শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম।
নিবাস-গিরিরাজ ভবন, উত্তর নারায়নপুর, ভালীয়া, আরামবাগ, পশ্চিমবঙ্গ।
••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••
      📚 *PDF গ্রন্থ* 📚
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুনের সখ‍্যতা কেমন ভাবে হয়েছিল, কারণ কি? 🖊️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_82.html


   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧        
꧁ শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুনের সখ‍্যতা কেমন ভাবে হয়েছিল, কারণ কি? ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
শ্বেতকি নামে এক মহা পরাক্রমশালী রাজা ছিলেন। তিনি যজ্ঞ প্রেমিক, দাতা, ও বুদ্ধিমান ছিলেন।তিনি বড় বড় যজ্ঞ করিতেন যজ্ঞ করতে করতে ঋত্তিকগণ পরিশ্রান্ত হয়ে পড়তেন। কখনো কখনো যজ্ঞ করতে অস্বীকার করতেন। কিন্তু রাজার যজ্ঞ চলতেই থাকত। রাজা বিভিন্ন ঋত্বিক গনকে অনুনয় বিনয় করিয়া এবং দান-দক্ষিণা দিয়ে ব্রাহ্মণদের প্রসন্ন করতেন। শেষে ব্রহ্মণগণ যখন যজ্ঞ করতে হার মেনে গেলেন, তখন রাজা শিবের তপ‍স‍্যায় রত হলেন ও শিব তুষ্ট হলেন এবং তাঁর নির্দেশে দূর্বাসাঋষিকে দিয়ে মহাযজ্ঞ করাইলেন। প্রথমে দ্বাদশ বৎসর এবং পরে একশত বৎসরের মহাযজ্ঞের দক্ষিণাদান করিয়া রাজা ব্রাহ্মণদের তৃপ্ত করেছিলেন। দূর্বাসা প্রসন্ন হলেন। রাজাযজ্ঞের পরে সপরিবারে ঋত্বিকদের সঙ্গে স্বর্গে গমন করলেন। সেই যজ্ঞে দ্বাদশ বৎসর ধরে অগ্নিদেবকে ঘৃতের ধারা নিরবচ্ছিন্ন ভাবে পান করতে হয়েছিল, তাতে তাঁর হজমশক্তি ক্ষীণ হয়ে গিয়েছিল। গাত্রবর্ণ হালকা হয়ে গিয়েছিল, এবং দীপ্তি কমে আসছিল। অজীর্ণতার জন্য যখন তাঁর শরীর খারাপ হতে শুরু করল, তখন তিনি ব্রহ্মার নিকট গিয়ে অনুরোধ করেন যে, আপনি এমন কোনো উপায় বলুন যাতে পূর্বের ন‍্যায় সুস্থ ও সবল হয়ে উঠি। তখন ব্রহ্মা বললেন,অগ্নিদেব!যদি তুমি খান্ডববন পোড়াতে পার, তাহলে তুমি সমহিমায় ফিরে আসবে। অগ্নিদেব সাতবার খান্ডববন পোড়াবার চেষ্টা করেন, কিন্তু ইন্দ্রদেব বারংবার রক্ষা করায় তাঁর চেষ্টা সফল হয়নি। পুনরায় অগ্নিদেব ব্রহ্মার নিকট গিয়ে বললে,ব্রহ্মা বললেন,শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুনের সহায়তায় খান্ডববন পোড়াবার উপায় জানিয়ে দেন। অগ্নিদেব ব্রাহ্মণ বেশ ধারণ করিয়া অর্জুনের কাছে সমস্ত পূর্বের কথা বললেন। অর্জুন বললেন,আমার দিব‍্যাস্ত্রের অভাব নেই, আমি যেকোন সময় ইন্দ্রকে পরাস্ত করতে পারি, কিন্তু আমার কাছে কিন্তু আমার কাছে দিব্য অস্ত্র ধারণ করবার মতো ধনুক নেই এবং সেই অস্ত্রের উপযুক্ত বাণও নেই,বাণের বোঝা বহিবার মত রথও নেই।এই সময় শ্রীকৃষ্ণের কাছেও এমন কোন অস্ত্র নেই যার দ্বারা ইনি নাগেদের এবং পিশাচদের বধ করতে পারেন। বল ও কৌশল আমাদের আছে, যুদ্ধ সামগ্রী আমাদের দিন।তখন অগ্নিদেব জলের দেবতা বরুণদেবকে স্মরণ করলেন, বরুণদেব তৎক্ষণাৎ আবির্ভূত হলেন।অগ্নিদেব বললেন, আপনাকে রাজা সোম অক্ষয় তূণীর, গান্ডীব ধনুক এবং বানর চিহ্নযুক্ত ধ্বজামন্ডিত দিব‍্যরথ দিয়াছেন,সেগুলি আপনি আমাকে দিন, তার সঙ্গে চক্রও দিন। শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুন, চক্র ও গান্ডীব ধনুকের সাহায্যে আমার এই বড় কর্ম সম্পন্ন করবেন। বরুণ অগ্নিদেবের অনুরোধ মেনে নিয়ে অর্জুনকে অক্ষয় তূণীর এবং গান্ডীব ধনুক দিলেন, এই ধনুকের অদ্ভুত মহিমা, কোনো শস্ত্রের সাহায্যেও একে খন্ডিত করা যাবে না।তারপর রত্নজড়িত এক দিব‍্য রথও প্রদান করলেন।সেই রথটি মন ও বায়ুর ন‍্যায় বেগযুক্ত।অগ্নিদেব শ্রীকৃষ্ণকে দিব‍্য চক্র এবং আগ্নেয়াস্ত্র দিয়া বললেন,মধুসূদন!এই চক্রের দ্বারা যাকে খুশি তাকে বধ করতে পারবেন। এই চক্রের সামনে দেবতা, দানব, রাক্ষস,পিশাচ,নাগ ও মানুষের শক্তি তুচ্ছ।এই চক্রটি প্রতিবার প্রয়োগের পর শত্রুনাশ করে ফিরে আসবে।বরুণ শ্রীকৃষ্ণকে দৈত‍্যনাশিনীএবং বজ্রধ্বনির ন‍্যায় শব্দ দ্বারা শত্রুর হৃদয় কম্পমান করবার মতো কৌমোদ গদা অর্পণ করলেন।এবারে শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুন খান্ডববন দহন করতে লাগলেন।আর অগ্নিদেব তেজোময় দাবানলের প্রদীপ্তরূপ ধারণ করে তাঁর সপ্ত অগ্নিশিখার লেলিহানরূপে খান্ডববন ঘিরে প্রলয় দৃশ্য উপস্থিত করে ভস্মস‍্যাৎ করতে আরম্ভ করলেন। বনের শত সহস্র প্রাণী ভস্মীভূত হল,কেহ কেহ বা চি‍ৎকার করতে লাগল,কেহ বা পালিয়ে বাঁচল। খান্ডববনের আগুন এতই জোরে জ্বলতে লাগল যে গগন স্পর্শ করল।দেবতাদের হৃদয় কেঁপে উঠল। ভয়ে দেবতাগণ দেবরাজের কাছে গিয়ে বলতে লাগলেন। ইন্দ্র খান্ডববনকে বাঁচাবার জন্য সমস্ত মেঘ মেঘিনী খান্ডববনের উপর বর্ষণ করতে লাগল।অর্জুন অস্ত্র কৌশলে জলধারা বন্ধ করে দিলেন।এবং সমস্ত বন বাণ দ্বারা এমনভাবে ঘিরে রাখলেন যে কেহ যেন পলায়ন করতে না পারে।সেই সময় নাগরাজ তক্ষক সেখানে ছিলেন না। কুরুক্ষেত্রে গিয়েছিল। তার পুত্র অশ্বসেন খান্ডব বনেই ছিল। অশ্বসেনকে বাঁচানোর জন্য ইন্দ্র বহু চেষ্টা করলেন,ভাগ‍্যক্রমে পালিয়ে বাঁচলেন। তাতে অর্জুন ক্রোধে রক্তবর্ণ হয়ে উঠলেন এবং তীক্ষ্ণ বাণের দ্বারা আকাশ ঢেকে ইন্দ্রকে কোণঠাসা করে দিলেন। তারপর ইন্দ্র শ্বেত ঐরাবতে চড়ে অর্জুন ও কৃষ্ণের সঙ্গে বহু যুদ্ধ করলেন, সেই বিশাল কান্ড।সেই সময় বজ্রগম্ভীর কন্ঠে আকাশবাণী হল,ইন্দ্র তোমার মিত্র কুরুক্ষেত্রে আছে তার কোন ক্ষতি হয়নি আর কৃষ্ণ অর্জুনকে কোনো মতেই হারাতে পারবে না। পরক্ষণেই শ্রীকৃষ্ণ দেখলেন ময়দানব তক্ষকের নিবাসস্থল হতে বেড়িয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। তিনি ময়দানবকে মারবার জন্য অস্ত্র তুললেন, সামনে চক্র ও পেছনে অগ্নি দেখে ময়দানব সামনে অর্জুনের কাছে আত্মসমর্পণ করলে, অর্জুনের কথায় কৃষ্ণ চক্র ফিরিয়ে নিলেন।খান্ডববন পনেরদিন ধরে জ্বলতে লাগল। এই ভীষণ অগ্নিকান্ডে ছয়টি প্রাণীই কেবল বেঁচে গিয়েছিল, অশ্বসেন সর্প,ময়দানব এবং চার শাঙ্গপক্ষী। শাঙ্গপক্ষীদের পিতা মন্দপাল অগ্নিদেব, শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুনের সাহায্যে খান্ডববনকে দহন করতে সক্ষম হলেন।তারপর ব্রাহ্মণের রূপ ধরে তাঁদের সামনে উপস্থিত হলেন। দেবরাজ ইন্দ্রও দেবতাদের সঙ্গে সেখানে এলেন।ইন্দ্র বললেন আপনারা যে অসম্ভব কর্ম সম্ভব করেছেন তাহা দেবতাদের অসাধ‍্য। আমি তুষ্ট হয়েছি, অর্জুন বললেন,আপনি আমাকে সর্বপ্রকার অস্ত্র প্রদান করুন।ইন্দ্র বললেন,অর্জুন, মহাদেব যখন তোমার প্রতি প্রসন্ন হবেন, তখন তোমার তপস‍্যার প্রভাবে আমি তোমাকে আমার সমস্ত অস্ত্র দিয়ে দিব। কৃষ্ণ তখন বললেন, দেবরাজ!আপনি আমাকে এই বর দিন যাহাতে অর্জুন আর আমার বন্ধুত্ব অটুট থাকে। কখনো যেন বিচ্ছেদ না ঘটে।ইন্দ্র বললেন,""এবমস্তু""" বেশ তাই হবে।কৃষ্ণ ও অর্জুন এবং ময়দানব যমুনার পবিত্র তীরে এসে উপবিষ্ট হলেন।
🌻🌻 জয় নিতাই গৌর হরিবল🌻🌻
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা-ইংরেজ বাজার, জেলা-মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ-৭৩২১০১
লীলা কীর্তন PDF 📚 ভবিষ্যতে আরো PDF এই লিঙ্কে আপলোড করা হবে।👉 https://drive.google.com/drive/folders/1j7S6jqXPssNeUbC2Fq9lPJbN2vFwfWn3
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম।
ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧                      *••••┉━❀꧁ রাধে রাধে ꧂❀━┅••••* 
                     শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
       *••••┉━❀꧁ জয় শ্রীশ্রীজগন্নাথ ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
    *••••┉━❀꧁জয় শ্রীশ্রীরাধাকান্ত꧂ ❀━┅••••*
             শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর নিবাসস্থলী
শ্রীগুরুদেব(আশ্রিত)-বৈষ্ণব কুলতিলক আচার্য্যপ্রবর মহান্ত মহারাজ শ্রীল ধ্যানচন্দ্র দাস গোস্বামী (শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর অপ্রকট লীলায় শ্রীগম্ভীরা মন্দিরে ঊনবিংশ পীঠাচার্য্য, শ্রীশ্রীরাধাকান্ত মঠ - শ্রীশ্রীগম্ভীরা, শ্রীধাম পুরী), মধবাচার্য্য(ব্রহ্ম) সম্প্রদায়,বক্রেশ্বর পরিবার(শ্রীতিলক সেবা- শ্রীশ্রীমহাপ্রভুর শ্রীচরণ), তুঙ্গবিদ্যা সখী,পশ্চিম দ্বার, লবঙ্গ মঞ্জুরী ( সনাতন গোস্বামী)।
*••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••*
শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম।
নিবাস-গিরিরাজ ভবন, উত্তর নারায়নপুর, ভালীয়া, আরামবাগ, পশ্চিমবঙ্গ।
••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••
      📚 *PDF গ্রন্থ* 📚
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


গিরিতটে দান ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 https://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_73.html

✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧                            
গিরিতটে দান ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 https://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_73.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🌻🌻গিরিতটে দান🌻🌻
*সোঙরি পূরুব লীলা ত্রিভঙ্গ হইয়া*
*মোহন মুরলী গোরা অধরে লইয়া*
*মুরলীর রন্ধ্রে ফুঁক দিল গোরাচাঁন্দে*
*অঙ্গুলী নাচাঞা গায় সুললিত ছান্দে*
*নগরের লোক যত শুনিয়া মোহিত*
*সুরধূনী তীরে তরুলতা পুলকিত*
*ভূবনমোহন গোরা মুরলীর স্বরে*
*বাসুদেব ঘোষ ইথে কি বলিতে পারে*
*******************************


🌻🌻দ্বিতীয় গৌরচন্দ্রিকা🌻🌻
---------------------------------------------------
*কি ভাব উঠিল মনে*
*কান্দিয়া আকুল কেনে*
*সোনার অঙ্গ ধূলায় লোটায়*।
*ক্ষণে ক্ষণে বৃন্দাবন*
*করে গোরা সোঙরণ*
*ললিতা বিশাখা বলি ধায়*।।
*রাধাভাব অঙ্গে করি*
*রাধার বরণ ধরি*
*রাধা বিনা আর নাহি ভায়*।
*সুরধূনীতীরে বন*
*দেখি মনে বৃন্দাবন*
*গিরিতট বলি ধায়*।।
*রাধিকা রাধিকা বলি*
*ভূমে যায় গড়াগড়ি*
*রাধানাম জপয়ে সদায়*।
*প্রেমরসে হৈয়া ভোরা*
*সংকীর্তন মাঝে গোরা*
*রাধানাম জীবেরে বুঝায়*।।
*ত্রিভঙ্গ হইয়া গোরা*
*দুই নয়নে প্রেমধারা*
*পীতবসন বংশী চায়*।
*প্রেমধন অনুক্ষণ*
*দান করে জনে জন*
*এ লোচন দাস গুণ গায়*।।
#######################
🌻🌻🌻সামান‍্য ব‍্যাখ‍্যা🌻🌻🌻
*দানলীলায় প্রেম কলহের ভিতর দিয়া পারস্পরিক রূপ,গুণ,লীলা*-*মাধুরীর অপূর্ব আস্বাদন*। *সরস* *পরিহাসময় শ্রীযুগলের এই দানলীলা*। *শ্রীমৎ রূপগোস্বামীপাদ* *মহাবিরহরসময়* *ললিত মাধব নাটক* *প্রণয়ন করে*  *শ্রীমৎ রঘুনাথদাস গোস্বামীপাদকে* *পড়তে দিয়াছিলেন*। *শ্রীদাস গোস্বামীপাদ* *সেই গ্রন্থ পাঠ করে*
*মহাবিরহসাগরে নিমজ্জিত হয়ে পাগলের ন‍্যায় গ্রন্থরত্ন বুকে ধরে অশ্রুধারায় ধরণীতল সিক্ত করেছিলেন*। *কখনও বা "হা রাধে"**কখনও বা "হা প্রাণেশ্বরী" বলে মূর্ছিত* *হয়ে পড়তেন* *শ্রীপাদ রঘুনাথ* *গোস্বামীর এইরকম প্রেম উন্মাদনার*
*কথা শুনে শ্রীপাদ রূপ গোস্বামী* *পরিহাসরসময় "দানকেলী কৌমুদী"* *নামক আরেকটি গ্রন্থ প্রণয়ন করে উহা শ্রীপাদদাস গোস্বামীকে দিয়া* *শোধন ব‍্যপদেশে(ওছিলায়,বা ছল)* *করে ললিত মাধব ফিরিয়ে নেন*। *পরবর্তী গ্রন্থ পাঠ করে দানলীলার সান্ত্বনা লাভ করেন* *এবং স্বয়ং (দানকেলী চিন্তামণি)নামক অতুলনীয় সম্ভোগরস মাধুর্য‍্য-পরিপূরিত* *গ্রন্থরত্ন প্রণয়ন করেন*। (সেই গ্রন্থে শ্রীপাদ দাস গোস্বামী বর্ণনা করেছিলেন), (বসুদেব মহাশয়ের ইচ্ছায় গোবর্ধনে ঋষিগণ যজ্ঞ আরম্ভ করেছেন,ঐ যজ্ঞে ঘৃতদানকারীর অভীষ্ট লাভ সুনিশ্চিত)
(শ্রীরাধা শারীকার মুখে এই সংবাদ পেয়ে সেই ঘৃতদানের জন্য উৎকন্ঠিতা হলেন,গিরিতট বা গোবর্ধন তটে যাবার জন্য বড়াইবুড়ি যোগমায়ার শরণাপন্ন হলেন)।
*********************************



🌻🌻🌻ব্রজ লীলা 🌻🌻🌻
*সুন্দরী শুনহ আজুক কথা*
*তাপ দূরে গেল,সব ভাল হৈল*
        *ইহা উপজিল যথা* ধ্রু।।
*অরুণ উদয়ে, ব্রাহ্মণ নিচয়ে*
       *আইল গোকুল মাঝ*
*জরতীর স্থানে, করি নিবেদনে*
       *আপন মনের কাজ*।।
*গোবর্ধন পাশে, আমরা হরিষে*
         *করিব যজ্ঞের কাম*
*যে গোপ-যুবতী,ঘৃত দিবে তথি*
        *ইষ্টবর পাবে দান*
*জটিলা শুনিয়া, আমারে ডাকিয়া*
        *যতন করিয়া বৈল*
*বধূরে সাজাঞা,গাবী-ঘৃত লৈয়া*
       *তুরিতে তাহাই চৈল*
*বৈল=বলিল,চৈল=চলিল*
*এ সব বচনে, সব সখিগণে*
        *রাইয়ের আনন্দ হোয়*।
*সে হেন নাগর, গুণের সাগর*
       *দরশ হইবে মোয়*।।
*এত মনে করি, অতি রসে ভরি*
       *অঙ্গহি সুবেশ কেল*
*ঘৃতের পসার, সাজাঞা সত্ত্বর*
        *সভে মেলি চলি গেল*
*এ কথা জানিয়া, সে যে বিনোদিয়া*
         *বান্ধিয়া ও চূড়া চান্দে*
*সুবলাদি লইয়া, আধ পথে যাইয়া*
         *রহল দানীর ছান্দে*
*বেণুর নিসান, করয়ে সঘন*
          *বাজায় ও জয়-তুরী*
*এ যদুনন্দন, করে দরশন*
          *নিবিড় আনন্দে ভরি*
🌻🌻🌻দ্বিতীয়  পদ🌻🌻🌻
*সহচরি সঙ্গে, রঙ্গে চলু কামিনী*
        *দামিনী যৈছে উজোর*
*গোবর্ধন  তট, নিকট বাটহি*
         *যজ্ঞ-ঘৃত লেই ভোর*
    *দেখ সখি অপরূপ রঙ্গ*
*নিরুপম বিলাস, রসায়ন পিবইতে*
          *দুঁহু জন পুলকিত অঙ্গ*
*দূর সঞে দরশন,অনিমিখ লোচন*
          *বহতহিঁ আনন্দ-নীর*
*আনন্দ সায়রে, ডুবল দুঁহু জন*
       *বহু ক্ষণে ভৈ গেল থীর*
*অতিশয় আদর,বিদগধ নাগর*
          *রাই নিয়ড়ে উপনীত*
*ইহ যদুনন্দন, নিরখই দুঁহু জন*
         *অতিসুখে নিমগন চীত*
🌻🌻🌻পদ তিন মিলন🌻🌻🌻
*ঘন ঘন চুম্বন,ঘন পরিরম্ভণ*
      *ভূজে ভূজ সঘন বন্ধান*
*ঘন ঘন নখ শর,ঘাতন দুঁহু জন*
       *আনন্দে আপনা না জান*
   *অপরূপ নিধুবন কেলি*
*অতি রসে নিমগন,দিনহি রাধা মাধব*
         *মদন-কদন দূরে গেলি*
*দুঁহু দোঁহা উর পর, নিচল কলেবর*
       *করত সঘন সিতকার*
*অভিনব ঘনবর, থীর বিজুরী কিয়ে*
         *বেড়ি রহল অনিবার*
*দাস যদুনন্দন, কব সোই হেরব*
       *হোয়ব বেলি অবসান*
*শুক শারী হেরি, তবহি নিবেদব*
        *করইতে সো সমাধান*
🌻🌻🌻🌻জয় নিতাই 🌻🌻🌻🌻

*🌻🌻গিরিতটের দান সম্বন্ধে মূল তথ‍্য🌻🌻*
*শ্রীমতীরাধারাণী সখীগণ সঙ্গে স্নানাদি ক্রিয়া সমাপনান্তে নানান বসন ভূষণ পরিধান করে সূর্য‍্যকুন্ডে গিয়া শুদ্ধভাবে দিনপতির সেবা* *করলেন এবং শ্রীকৃষ্ণ প্রাপ্তির আকাঙ্খাবদ্ধ হৃদয়াকাশে গোষ্ঠচন্দ্রকে স্মরণ করতে করতে লালরঙের বেড়ের উপরে সুগন্ধ* *বিস্তারী হৈয়ঙ্গবীন(নব‍্যঘৃত)পূর্ণ* *স্বর্ণকুম্ভ মস্তকে নিয়ে প্রীতির সঙ্গে* *শ্রীরাধাকুন্ড হতে গোবর্ধনাভিমুখে* *যাত্রা করলেন*। *শ্রীরাধার অঙ্গ চ্ছটায় বনপথ* *আলোকিত*।  *পথে যেতে যেতে নয়ন ঘূর্ণন অর্থ‍্যাৎ*
*কখনও ডানদিক আবার কখনও বামদিক, *দেখছেন উদ্দেশ্য একটি* *আশেপাশে প্রাণবঁধূর দর্শন হয় কি না*। *রাধারাণীর সখীগণসঙ্গে যজ্ঞে* *ঘৃত দানের জন্য আগমনের সংবাদ শুকের মুখে শুনে* *কৌতুকী ব্রজরাজনন্দন* *ঈষৎ* *(সামান‍্য)* *হাসলেন*। *এবং প্রিয়* *নর্মসখাগণে বেষ্টিত হয়ে সাবধানে* *গিরিরাজের উপরে অতি প্রচন্ড* *শ‍্যামবেদীতে দন্ডায়মান হইয়া অনুপম* *দানঘাটী* *রচনা করলেন*। *তুঙ্গবিদ‍্যা দূর হতে রাধারাণীকে দেখাচ্ছেন,* *রাধে!* *ঐ দেখ,তোমার প্রিয়সখা রমণীচোর গিরিরাজের* *শিখর দেশে আরোহণ করে আছেন*। *আহা-হা পারস্পরিক দর্শন,* *শ্রীমতী শ‍্যাম মাধুরী দর্শনে বিস্মিতা হয়ে* *বৃন্দার প্রতি বলছেন,সখী!* *আমার প্রাণবল্লভের অনেকবারই* *আমার নেত্র-পথের অতিথি হয়েছেন* *অর্থ‍্যাৎ আমি অনেকবারই কৃষ্ণ দর্শন করেছি*, *কিন্তু এইরকম মাধুর্য‍্য পূর্বে কখনও* *দেখিনি।* *যাঁর একটি অঙ্গের লবমাত্র শোভাও আমার নয়ন* *পান করতে পারছে না*, *সেই এক নেত্র এককালীন সর্বাঙ্গের* *শোভা কি ভাবে আস্বাদন করবে*। *অর্থ‍্যাৎ প্রাণবল্লভের অঙ্গের একটি অংশ দেখে বিচার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে,* *তাঁর পূর্ণ অঙ্গের বিচার কেমন করে করব?* *এবারে দূর হতেই শ্রীরাধার মাধুরী দর্শন করে শ্রীকৃষ্ণও বিস্মিত হয়ে বলছেন*---
*ইনি কি বিকশিত চম্পক লতিকা?*
*সেই চম্পকলতিকা তো গতিশীলা নয়,* *তবে গতি দেখছি কেন?*
*না,ইনি তবে চপলা লতা?না,উহা যে* *মেঘে ক্ষণকাল প্রকাশিত হয়ে লীন হয়ে যায়,সেই বস্তু দর্শন করলাম?* *উহু,তবে কি ইনি দীপ্তিতরঙ্গের তটিনী?* *তাহাও নয়,* *কারণ উহার মূর্তি নাই*। *রাধারাণী ধীরে ধীরে যত কাছে আসছেন* *তখন বলছেন,হ‍্যাঁ এবারে* *নিশ্চিত হলাম*, *ইনি সখীগণ বেষ্টিতা শ্রীরাধা বিনোদিনী একদিকেই* *আগমন করছেন*। *শ‍্যামনাগরের অপূর্ব দানীর বেশ,* *হাতে বাঁশী,মুখে হাসি,নয়নে কটাক্ষ*। *রাধারাণী সখীগণসহ যখন কাছে এসেছেন* *শ‍্যামনাগর বলতে লাগলেন,* *এইযে গোয়ালিনীগণ!* *আমায় দান দাও,আমায় দান দিয়ে এখান হতে অন‍্যত্র যাও*। *কৃষ্ণের সে কথায় কর্ণপাত না করে গরবিনীগণ বাহুনাড়া দিয়ে চলে যাচ্ছেন* *শ্রীকৃষ্ণ পুনঃ বলতে লাগলেন, হে গর্বিণী!* *তুমি বনপথে* *গোপনে নিতু নিতুই* *রোজ রোজই* *গব‍্যাদি বিক্রয় করে থাক,* *আজ ভাগ‍্যক্রমে আমার হাতে পড়েছ*। *তোমায় বন্ধন করব*।*শ‍্যামনাগরের কথা শুনে রাইধনির**কুটিল ভ্রুকুটির শোভা*, *নারীদের* *অপ্রীতিকর কথা বললে যেমন নয়নভঙ্গী হয়,তেমন ভাব করলেন।* *রাধার নয়ন যেন মদনের ধনুতে পরিণত হয়েছে*। *তারপর রাধা বললেন,* *হে মিথ‍্যাচারী,দূরে সরে যাও*, *আমি ব্রতচারিণী,যজ্ঞস্থলে যাচ্ছি*, *আমায় স্পর্শ করবে না।* *দানী বললেন,এইটী দানঘাটী,দান*
*দিয়ে যেতে হবে।* *তোমার সমস্ত অঙ্গের দান দিয়া যাও*। *দানীর কথা শুনে সকল হাস‍্যমুখী সখীগণ বলছেন,* *হে শ‍্যামচাঁদ! অঙ্গের আবার ভাড়া আছে নাকি?* *দানী* *মহারসিক,নয়ন ঘূর্ণন করে বলছেন,* *আমার দানঘাটীতে তাই দিতে হয়।* *এইকথা শুনে রাধার বদনের কি সুষমা(লাবণ‍্য)*। *রসিক মৌলি কৃষ্ণ রাধার বদন দেখে সভয় কৌতূকে তাঁর বদন শোভা নিরীক্ষণ করছেন।* *পাতলা বসনে গোলাপফুল ঢাকার মত বাইরে ক্রোধ,* *অবজ্ঞা,অনাদর, কিন্তু ভেতরে আকাঙ্খী,অভিলাষ,স্বাভীযোগ**(অন্তরেতে কৃষ্ণ মোর সদা সম্ভাষণ,* *বাইরে বিচ্ছেদ মাত্র লীলার কারণ)*। *রাধার অন্তরের কথা*।*এবারে আবার শ্রীকৃষ্ণ পথ আটকিয়ে দাঁড়িয়েছেন*, *সখীগণকে বলছেন, এবং রাধাকে দেখিয়ে বলছেন,* *যদি দানের অর্থ না থাকে,ওকে অর্থ‍্যাৎ রাধাকে আমার কাছে বাধা রেখে যাও।**তখন সখীগণ বলছেন,তা পারব না*। *তখন রাধে হুঙ্কারের সহিত বললেন,* *আমরা তোমার ক্রীতদাসী নয়,* *চন্দ্রাবলী, শৈব‍্যা ও* *পদ্মাও নই যে তুমি আমাদের কাছে* *যা ইচ্ছে তাই করবে বা বলবে?* *আজ আমরা ব্রজেশ্বরীর(যশোদার)* *কাছে তোমার এসব কথা বলে দিব।* *তখন শ‍্যামনাগর সামনে এসে বলছেন,* *দেখি তবে তোমরা**কেমন করে যাও*। *তখন সখীগণ* *হাসতে হাসতে ভীতি বিজড়িত নয়নে* *বলছেন*, *রাধে!তবে তুই থাক,* *আমরা চললাম।* *এই বলে সখীগণ অন্তরালে চলে গেলে,* *একটি মধুর কুঞ্জে শ্রীযুগল মধুর মিলন আস্বাদন করলেন।*
🌻🌻অতি সংক্ষিপ্ত আকারে বর্ণনা
করা হল,ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয়🌻🌻
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

   ꧁👇 📖 সূচীপত্র ✍️ শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 👇꧂



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️ 
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
   🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧





গিরিতটে দান 🖊️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ -> https://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_73.html

✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧                                    
꧁ গিরিতটে দান ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🌻🌻গিরিতটে দান🌻🌻
*সোঙরি পূরুব লীলা ত্রিভঙ্গ হইয়া*
*মোহন মুরলী গোরা অধরে লইয়া*
*মুরলীর রন্ধ্রে ফুঁক দিল গোরাচাঁন্দে*
*অঙ্গুলী নাচাঞা গায় সুললিত ছান্দে*
*নগরের লোক যত শুনিয়া মোহিত*
*সুরধূনী তীরে তরুলতা পুলকিত*
*ভূবনমোহন গোরা মুরলীর স্বরে*
*বাসুদেব ঘোষ ইথে কি বলিতে পারে*
*******************************


🌻🌻দ্বিতীয় গৌরচন্দ্রিকা🌻🌻
---------------------------------------------------
*কি ভাব উঠিল মনে*
*কান্দিয়া আকুল কেনে*
*সোনার অঙ্গ ধূলায় লোটায়*।
*ক্ষণে ক্ষণে বৃন্দাবন*
*করে গোরা সোঙরণ*
*ললিতা বিশাখা বলি ধায়*।।
*রাধাভাব অঙ্গে করি*
*রাধার বরণ ধরি*
*রাধা বিনা আর নাহি ভায়*।
*সুরধূনীতীরে বন*
*দেখি মনে বৃন্দাবন*
*গিরিতট বলি ধায়*।।
*রাধিকা রাধিকা বলি*
*ভূমে যায় গড়াগড়ি*
*রাধানাম জপয়ে সদায়*।
*প্রেমরসে হৈয়া ভোরা*
*সংকীর্তন মাঝে গোরা*
*রাধানাম জীবেরে বুঝায়*।।
*ত্রিভঙ্গ হইয়া গোরা*
*দুই নয়নে প্রেমধারা*
*পীতবসন বংশী চায়*।
*প্রেমধন অনুক্ষণ*
*দান করে জনে জন*
*এ লোচন দাস গুণ গায়*।।
#######################
🌻🌻🌻সামান‍্য ব‍্যাখ‍্যা🌻🌻🌻
*দানলীলায় প্রেম কলহের ভিতর দিয়া পারস্পরিক রূপ,গুণ,লীলা*-*মাধুরীর অপূর্ব আস্বাদন*। *সরস* *পরিহাসময় শ্রীযুগলের এই দানলীলা*। *শ্রীমৎ রূপগোস্বামীপাদ* *মহাবিরহরসময়* *ললিত মাধব নাটক* *প্রণয়ন করে*  *শ্রীমৎ রঘুনাথদাস গোস্বামীপাদকে* *পড়তে দিয়াছিলেন*। *শ্রীদাস গোস্বামীপাদ* *সেই গ্রন্থ পাঠ করে*
*মহাবিরহসাগরে নিমজ্জিত হয়ে পাগলের ন‍্যায় গ্রন্থরত্ন বুকে ধরে অশ্রুধারায় ধরণীতল সিক্ত করেছিলেন*। *কখনও বা "হা রাধে"**কখনও বা "হা প্রাণেশ্বরী" বলে মূর্ছিত* *হয়ে পড়তেন* *শ্রীপাদ রঘুনাথ* *গোস্বামীর এইরকম প্রেম উন্মাদনার*
*কথা শুনে শ্রীপাদ রূপ গোস্বামী* *পরিহাসরসময় "দানকেলী কৌমুদী"* *নামক আরেকটি গ্রন্থ প্রণয়ন করে উহা শ্রীপাদদাস গোস্বামীকে দিয়া* *শোধন ব‍্যপদেশে(ওছিলায়,বা ছল)* *করে ললিত মাধব ফিরিয়ে নেন*। *পরবর্তী গ্রন্থ পাঠ করে দানলীলার সান্ত্বনা লাভ করেন* *এবং স্বয়ং (দানকেলী চিন্তামণি)নামক অতুলনীয় সম্ভোগরস মাধুর্য‍্য-পরিপূরিত* *গ্রন্থরত্ন প্রণয়ন করেন*। (সেই গ্রন্থে শ্রীপাদ দাস গোস্বামী বর্ণনা করেছিলেন), (বসুদেব মহাশয়ের ইচ্ছায় গোবর্ধনে ঋষিগণ যজ্ঞ আরম্ভ করেছেন,ঐ যজ্ঞে ঘৃতদানকারীর অভীষ্ট লাভ সুনিশ্চিত)
(শ্রীরাধা শারীকার মুখে এই সংবাদ পেয়ে সেই ঘৃতদানের জন্য উৎকন্ঠিতা হলেন,গিরিতট বা গোবর্ধন তটে যাবার জন্য বড়াইবুড়ি যোগমায়ার শরণাপন্ন হলেন)।
*********************************



🌻🌻🌻ব্রজ লীলা 🌻🌻🌻
*সুন্দরী শুনহ আজুক কথা*
*তাপ দূরে গেল,সব ভাল হৈল*
        *ইহা উপজিল যথা* ধ্রু।।
*অরুণ উদয়ে, ব্রাহ্মণ নিচয়ে*
       *আইল গোকুল মাঝ*
*জরতীর স্থানে, করি নিবেদনে*
       *আপন মনের কাজ*।।
*গোবর্ধন পাশে, আমরা হরিষে*
         *করিব যজ্ঞের কাম*
*যে গোপ-যুবতী,ঘৃত দিবে তথি*
        *ইষ্টবর পাবে দান*
*জটিলা শুনিয়া, আমারে ডাকিয়া*
        *যতন করিয়া বৈল*
*বধূরে সাজাঞা,গাবী-ঘৃত লৈয়া*
       *তুরিতে তাহাই চৈল*
*বৈল=বলিল,চৈল=চলিল*
*এ সব বচনে, সব সখিগণে*
        *রাইয়ের আনন্দ হোয়*।
*সে হেন নাগর, গুণের সাগর*
       *দরশ হইবে মোয়*।।
*এত মনে করি, অতি রসে ভরি*
       *অঙ্গহি সুবেশ কেল*
*ঘৃতের পসার, সাজাঞা সত্ত্বর*
        *সভে মেলি চলি গেল*
*এ কথা জানিয়া, সে যে বিনোদিয়া*
         *বান্ধিয়া ও চূড়া চান্দে*
*সুবলাদি লইয়া, আধ পথে যাইয়া*
         *রহল দানীর ছান্দে*
*বেণুর নিসান, করয়ে সঘন*
          *বাজায় ও জয়-তুরী*
*এ যদুনন্দন, করে দরশন*
          *নিবিড় আনন্দে ভরি*
🌻🌻🌻দ্বিতীয়  পদ🌻🌻🌻
*সহচরি সঙ্গে, রঙ্গে চলু কামিনী*
        *দামিনী যৈছে উজোর*
*গোবর্ধন  তট, নিকট বাটহি*
         *যজ্ঞ-ঘৃত লেই ভোর*
    *দেখ সখি অপরূপ রঙ্গ*
*নিরুপম বিলাস, রসায়ন পিবইতে*
          *দুঁহু জন পুলকিত অঙ্গ*
*দূর সঞে দরশন,অনিমিখ লোচন*
          *বহতহিঁ আনন্দ-নীর*
*আনন্দ সায়রে, ডুবল দুঁহু জন*
       *বহু ক্ষণে ভৈ গেল থীর*
*অতিশয় আদর,বিদগধ নাগর*
          *রাই নিয়ড়ে উপনীত*
*ইহ যদুনন্দন, নিরখই দুঁহু জন*
         *অতিসুখে নিমগন চীত*
🌻🌻🌻পদ তিন মিলন🌻🌻🌻
*ঘন ঘন চুম্বন,ঘন পরিরম্ভণ*
      *ভূজে ভূজ সঘন বন্ধান*
*ঘন ঘন নখ শর,ঘাতন দুঁহু জন*
       *আনন্দে আপনা না জান*
   *অপরূপ নিধুবন কেলি*
*অতি রসে নিমগন,দিনহি রাধা মাধব*
         *মদন-কদন দূরে গেলি*
*দুঁহু দোঁহা উর পর, নিচল কলেবর*
       *করত সঘন সিতকার*
*অভিনব ঘনবর, থীর বিজুরী কিয়ে*
         *বেড়ি রহল অনিবার*
*দাস যদুনন্দন, কব সোই হেরব*
       *হোয়ব বেলি অবসান*
*শুক শারী হেরি, তবহি নিবেদব*
        *করইতে সো সমাধান*
🌻🌻🌻🌻জয় নিতাই 🌻🌻🌻🌻

*🌻🌻গিরিতটের দান সম্বন্ধে মূল তথ‍্য🌻🌻*
*শ্রীমতীরাধারাণী সখীগণ সঙ্গে স্নানাদি ক্রিয়া সমাপনান্তে নানান বসন ভূষণ পরিধান করে সূর্য‍্যকুন্ডে গিয়া শুদ্ধভাবে দিনপতির সেবা* *করলেন এবং শ্রীকৃষ্ণ প্রাপ্তির আকাঙ্খাবদ্ধ হৃদয়াকাশে গোষ্ঠচন্দ্রকে স্মরণ করতে করতে লালরঙের বেড়ের উপরে সুগন্ধ* *বিস্তারী হৈয়ঙ্গবীন(নব‍্যঘৃত)পূর্ণ* *স্বর্ণকুম্ভ মস্তকে নিয়ে প্রীতির সঙ্গে* *শ্রীরাধাকুন্ড হতে গোবর্ধনাভিমুখে* *যাত্রা করলেন*। *শ্রীরাধার অঙ্গ চ্ছটায় বনপথ* *আলোকিত*।  *পথে যেতে যেতে নয়ন ঘূর্ণন অর্থ‍্যাৎ*
*কখনও ডানদিক আবার কখনও বামদিক, *দেখছেন উদ্দেশ্য একটি* *আশেপাশে প্রাণবঁধূর দর্শন হয় কি না*। *রাধারাণীর সখীগণসঙ্গে যজ্ঞে* *ঘৃত দানের জন্য আগমনের সংবাদ শুকের মুখে শুনে* *কৌতুকী ব্রজরাজনন্দন* *ঈষৎ* *(সামান‍্য)* *হাসলেন*। *এবং প্রিয়* *নর্মসখাগণে বেষ্টিত হয়ে সাবধানে* *গিরিরাজের উপরে অতি প্রচন্ড* *শ‍্যামবেদীতে দন্ডায়মান হইয়া অনুপম* *দানঘাটী* *রচনা করলেন*। *তুঙ্গবিদ‍্যা দূর হতে রাধারাণীকে দেখাচ্ছেন,* *রাধে!* *ঐ দেখ,তোমার প্রিয়সখা রমণীচোর গিরিরাজের* *শিখর দেশে আরোহণ করে আছেন*। *আহা-হা পারস্পরিক দর্শন,* *শ্রীমতী শ‍্যাম মাধুরী দর্শনে বিস্মিতা হয়ে* *বৃন্দার প্রতি বলছেন,সখী!* *আমার প্রাণবল্লভের অনেকবারই* *আমার নেত্র-পথের অতিথি হয়েছেন* *অর্থ‍্যাৎ আমি অনেকবারই কৃষ্ণ দর্শন করেছি*, *কিন্তু এইরকম মাধুর্য‍্য পূর্বে কখনও* *দেখিনি।* *যাঁর একটি অঙ্গের লবমাত্র শোভাও আমার নয়ন* *পান করতে পারছে না*, *সেই এক নেত্র এককালীন সর্বাঙ্গের* *শোভা কি ভাবে আস্বাদন করবে*। *অর্থ‍্যাৎ প্রাণবল্লভের অঙ্গের একটি অংশ দেখে বিচার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে,* *তাঁর পূর্ণ অঙ্গের বিচার কেমন করে করব?* *এবারে দূর হতেই শ্রীরাধার মাধুরী দর্শন করে শ্রীকৃষ্ণও বিস্মিত হয়ে বলছেন*---
*ইনি কি বিকশিত চম্পক লতিকা?*
*সেই চম্পকলতিকা তো গতিশীলা নয়,* *তবে গতি দেখছি কেন?*
*না,ইনি তবে চপলা লতা?না,উহা যে* *মেঘে ক্ষণকাল প্রকাশিত হয়ে লীন হয়ে যায়,সেই বস্তু দর্শন করলাম?* *উহু,তবে কি ইনি দীপ্তিতরঙ্গের তটিনী?* *তাহাও নয়,* *কারণ উহার মূর্তি নাই*। *রাধারাণী ধীরে ধীরে যত কাছে আসছেন* *তখন বলছেন,হ‍্যাঁ এবারে* *নিশ্চিত হলাম*, *ইনি সখীগণ বেষ্টিতা শ্রীরাধা বিনোদিনী একদিকেই* *আগমন করছেন*। *শ‍্যামনাগরের অপূর্ব দানীর বেশ,* *হাতে বাঁশী,মুখে হাসি,নয়নে কটাক্ষ*। *রাধারাণী সখীগণসহ যখন কাছে এসেছেন* *শ‍্যামনাগর বলতে লাগলেন,* *এইযে গোয়ালিনীগণ!* *আমায় দান দাও,আমায় দান দিয়ে এখান হতে অন‍্যত্র যাও*। *কৃষ্ণের সে কথায় কর্ণপাত না করে গরবিনীগণ বাহুনাড়া দিয়ে চলে যাচ্ছেন* *শ্রীকৃষ্ণ পুনঃ বলতে লাগলেন, হে গর্বিণী!* *তুমি বনপথে* *গোপনে নিতু নিতুই* *রোজ রোজই* *গব‍্যাদি বিক্রয় করে থাক,* *আজ ভাগ‍্যক্রমে আমার হাতে পড়েছ*। *তোমায় বন্ধন করব*।*শ‍্যামনাগরের কথা শুনে রাইধনির**কুটিল ভ্রুকুটির শোভা*, *নারীদের* *অপ্রীতিকর কথা বললে যেমন নয়নভঙ্গী হয়,তেমন ভাব করলেন।* *রাধার নয়ন যেন মদনের ধনুতে পরিণত হয়েছে*। *তারপর রাধা বললেন,* *হে মিথ‍্যাচারী,দূরে সরে যাও*, *আমি ব্রতচারিণী,যজ্ঞস্থলে যাচ্ছি*, *আমায় স্পর্শ করবে না।* *দানী বললেন,এইটী দানঘাটী,দান*
*দিয়ে যেতে হবে।* *তোমার সমস্ত অঙ্গের দান দিয়া যাও*। *দানীর কথা শুনে সকল হাস‍্যমুখী সখীগণ বলছেন,* *হে শ‍্যামচাঁদ! অঙ্গের আবার ভাড়া আছে নাকি?* *দানী* *মহারসিক,নয়ন ঘূর্ণন করে বলছেন,* *আমার দানঘাটীতে তাই দিতে হয়।* *এইকথা শুনে রাধার বদনের কি সুষমা(লাবণ‍্য)*। *রসিক মৌলি কৃষ্ণ রাধার বদন দেখে সভয় কৌতূকে তাঁর বদন শোভা নিরীক্ষণ করছেন।* *পাতলা বসনে গোলাপফুল ঢাকার মত বাইরে ক্রোধ,* *অবজ্ঞা,অনাদর, কিন্তু ভেতরে আকাঙ্খী,অভিলাষ,স্বাভীযোগ**(অন্তরেতে কৃষ্ণ মোর সদা সম্ভাষণ,* *বাইরে বিচ্ছেদ মাত্র লীলার কারণ)*। *রাধার অন্তরের কথা*।*এবারে আবার শ্রীকৃষ্ণ পথ আটকিয়ে দাঁড়িয়েছেন*, *সখীগণকে বলছেন, এবং রাধাকে দেখিয়ে বলছেন,* *যদি দানের অর্থ না থাকে,ওকে অর্থ‍্যাৎ রাধাকে আমার কাছে বাধা রেখে যাও।**তখন সখীগণ বলছেন,তা পারব না*। *তখন রাধে হুঙ্কারের সহিত বললেন,* *আমরা তোমার ক্রীতদাসী নয়,* *চন্দ্রাবলী, শৈব‍্যা ও* *পদ্মাও নই যে তুমি আমাদের কাছে* *যা ইচ্ছে তাই করবে বা বলবে?* *আজ আমরা ব্রজেশ্বরীর(যশোদার)* *কাছে তোমার এসব কথা বলে দিব।* *তখন শ‍্যামনাগর সামনে এসে বলছেন,* *দেখি তবে তোমরা**কেমন করে যাও*। *তখন সখীগণ* *হাসতে হাসতে ভীতি বিজড়িত নয়নে* *বলছেন*, *রাধে!তবে তুই থাক,* *আমরা চললাম।* *এই বলে সখীগণ অন্তরালে চলে গেলে,* *একটি মধুর কুঞ্জে শ্রীযুগল মধুর মিলন আস্বাদন করলেন।*
🌻🌻অতি সংক্ষিপ্ত আকারে বর্ণনা
করা হল,ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয়🌻🌻
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
             ꧁লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা-ইংরেজ বাজার, জেলা-মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ-৭৩২১০১
লীলা কীর্তন PDF 📚 ভবিষ্যতে আরো PDF এই লিঙ্কে আপলোড করা হবে।👉 https://drive.google.com/drive/folders/1j7S6jqXPssNeUbC2Fq9lPJbN2vFwfWn3
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম।
ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧                      *••••┉━❀꧁ রাধে রাধে ꧂❀━┅••••* 
                     শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
       *••••┉━❀꧁ জয় শ্রীশ্রীজগন্নাথ ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
    *••••┉━❀꧁জয় শ্রীশ্রীরাধাকান্ত꧂ ❀━┅••••*
             শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর নিবাসস্থলী
শ্রীগুরুদেব(আশ্রিত)-বৈষ্ণব কুলতিলক আচার্য্যপ্রবর মহান্ত মহারাজ শ্রীল ধ্যানচন্দ্র দাস গোস্বামী (শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর অপ্রকট লীলায় শ্রীগম্ভীরা মন্দিরে ঊনবিংশ পীঠাচার্য্য, শ্রীশ্রীরাধাকান্ত মঠ - শ্রীশ্রীগম্ভীরা, শ্রীধাম পুরী), মধবাচার্য্য(ব্রহ্ম) সম্প্রদায়,বক্রেশ্বর পরিবার(শ্রীতিলক সেবা- শ্রীশ্রীমহাপ্রভুর শ্রীচরণ), তুঙ্গবিদ্যা সখী,পশ্চিম দ্বার, লবঙ্গ মঞ্জুরী ( সনাতন গোস্বামী)।
*••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••*
শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম।
নিবাস-গিরিরাজ ভবন, উত্তর নারায়নপুর, ভালীয়া, আরামবাগ, পশ্চিমবঙ্গ।
••••┉━❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀━┅••••
      📚 *PDF গ্রন্থ* 📚
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

শ্রী-নাম সংকীর্ত্তন 🙏 হরি হরয়ে নমঃ কৃষ্ণ যাদবায় নমঃ।যাদবায় মাধবায় কেশবায় নমঃ।। 🙏 সংগৃহীত 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_23.html


  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                    ꧁ শ্রী-নাম সংকীর্ত্তন ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
              ꧁ স্তত্রম- বন্দনা- গীত- আরতি ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
হরি হরয়ে নমঃ কৃষ্ণ যাদবায় নমঃ।
যাদবায় মাধবায় কেশবায় নমঃ।।

গোপাল গোবিন্দ রাম শ্রীমধুসূদন।
গিরিধারী গোপীনাথ মদনমোহন।।

শ্রীচৈতন্য নিত্যানন্দ শ্রীঅদ্বৈত সীতা।
হরি-গুরু-বৈষ্ণব-ভাগবত-গীতা।।

শ্রীরূপ সনাতন ভট্ট রঘুনাথ।
শ্রীজীব গোপাল ভট্ট দাস রঘুনাথ।।

এই ছয় গোঁসাইর করি চরণ বন্দন। 
যাঁহা হৈতে বিঘ্ননাশ অভিষ্ট-পুরন।। 

এই ছয় গোঁসাই যাঁর মুই তাঁর দাস।
তাঁ সবার পদরেণু মোর পঞ্চগ্রাস।।

তাদের চারণ সেটি ভক্তসনে বাস
জনমে জনমে হয় এই অভিলাষ।।

এই ছয় গোঁসাই যবে ব্রজে কৈলা বাস।
রাধাকৃষ্ণ নিত্যলীলা করিলা প্রকাশ।।

মনের আনন্দে বল হরি ভজ বৃন্দাবন।
শ্রীগুরু বৈষ্ণব পদে মজাইয়া মন।।

মনের আনন্দে বল হরি ভজ বৃন্দাবন।
মধুর মধুর বংশী বাজে এইতো বৃন্দাবন।।

মনের আনন্দে বল হরি ভজ বৃন্দাবন।
ললিতা বিশাখা বৃন্দা যত সখীগণ।।।

মনের আনন্দে বল হরি ভজ বৃন্দাবন।
শ্রীদাম সুদাম দাম বসুদাম যতো সখাগণ।।

মনের আনন্দে বল হরি ভজ বৃন্দাবন।
রাধাকুণ্ড শ্যামকুণ্ড গিরি গোবর্ধন।। 

মনের আনন্দে বল হরি ভজ বৃন্দাবন।
শ্রীগোবিন্দ গোপীনাথ মদনমোহন।। 

মনের আনন্দে বল হরি ভজ বৃন্দাবন।
শ্রীদামোদর শ্যামসুন্দর শ্রীরাধারমন।। 

মনের আনন্দে বল হরি ভজ বৃন্দাবন।
শ্রীকৃষ্ণ ভকত পদে মজাইয়া মন।।

শ্রীগুরু বৈষ্ণব পাদপদ্ম করি আশ।
নাম সংকীর্ত্তন করে নরোত্তম দাস।। 

      🙏  হরিবোল হরিবোল হরিবোল হরিবোল 🙏
🙏 সংগৃহীত 🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


শ্রী-নাম সংকীর্ত্তন 🙏 হরি হরয়ে নমঃ কৃষ্ণ যাদবায় নমঃ।যাদবায় মাধবায় কেশবায় নমঃ।। 🙏 সংগৃহীত 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_23.html


  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                    ꧁ শ্রী-নাম সংকীর্ত্তন ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
              ꧁ স্তত্রম- বন্দনা- গীত- আরতি ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
হরি হরয়ে নমঃ কৃষ্ণ যাদবায় নমঃ।
যাদবায় মাধবায় কেশবায় নমঃ।।

গোপাল গোবিন্দ রাম শ্রীমধুসূদন।
গিরিধারী গোপীনাথ মদনমোহন।।

শ্রীচৈতন্য নিত্যানন্দ শ্রীঅদ্বৈত সীতা।
হরি-গুরু-বৈষ্ণব-ভাগবত-গীতা।।

শ্রীরূপ সনাতন ভট্ট রঘুনাথ।
শ্রীজীব গোপাল ভট্ট দাস রঘুনাথ।।

এই ছয় গোঁসাইর করি চরণ বন্দন। 
যাঁহা হৈতে বিঘ্ননাশ অভিষ্ট-পুরন।। 

এই ছয় গোঁসাই যাঁর মুই তাঁর দাস।
তাঁ সবার পদরেণু মোর পঞ্চগ্রাস।।

তাদের চারণ সেটি ভক্তসনে বাস
জনমে জনমে হয় এই অভিলাষ।।

এই ছয় গোঁসাই যবে ব্রজে কৈলা বাস।
রাধাকৃষ্ণ নিত্যলীলা করিলা প্রকাশ।।

মনের আনন্দে বল হরি ভজ বৃন্দাবন।
শ্রীগুরু বৈষ্ণব পদে মজাইয়া মন।।

মনের আনন্দে বল হরি ভজ বৃন্দাবন।
মধুর মধুর বংশী বাজে এইতো বৃন্দাবন।।

মনের আনন্দে বল হরি ভজ বৃন্দাবন।
ললিতা বিশাখা বৃন্দা যত সখীগণ।।।

মনের আনন্দে বল হরি ভজ বৃন্দাবন।
শ্রীদাম সুদাম দাম বসুদাম যতো সখাগণ।।

মনের আনন্দে বল হরি ভজ বৃন্দাবন।
রাধাকুণ্ড শ্যামকুণ্ড গিরি গোবর্ধন।। 

মনের আনন্দে বল হরি ভজ বৃন্দাবন।
শ্রীগোবিন্দ গোপীনাথ মদনমোহন।। 

মনের আনন্দে বল হরি ভজ বৃন্দাবন।
শ্রীদামোদর শ্যামসুন্দর শ্রীরাধারমন।। 

মনের আনন্দে বল হরি ভজ বৃন্দাবন।
শ্রীকৃষ্ণ ভকত পদে মজাইয়া মন।।

শ্রীগুরু বৈষ্ণব পাদপদ্ম করি আশ।
নাম সংকীর্ত্তন করে নরোত্তম দাস।। 

      🙏  হরিবোল হরিবোল হরিবোল হরিবোল 🙏
🙏 সংগৃহীত 🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


মহান্ত বিদায় কীর্ত্তন


  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                     ꧁ মহান্ত বিদায় কীর্ত্তন ꧂
   এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🏠Home Page🏠👇👇🙏👇👇📚PDF গ্রন্থ📚
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
মহা মহা মহোৎসব পূর্নের কারণ।
দধিমঙ্গল আনাইলেন শ্রীশচীনন্দন।।
গৌরীদাস কীর্তনীয়ার করেতে ধরিয়া।
কহিছেন মহাপ্রভু কাঁদিয়া কাঁদিয়া।।
গোলকের সম্পদ হরিনাম সঙ্কীর্ত্তন।
কেমনে বিদায় দিব মহান্তের গণ।।
প্রভু কহে, 'নিত্যানন্দ শুনহ বচন।
তুমি গিয়া বিদায় দাও মহান্তের গণ'।।
এত শুনি নিত্যানন্দ আইলা ধাইয়া।
ভূমিতে ফেলিলা ভাণ্ড আছাড় মারিয়া।।
দ্বাদশ গোপাল গেল আপন ভবন।
চৌষট্টি মহান্ত গেল নিজ নিকেতন।।
নিত্যানন্দ চলি গেল আপনার বাস।
ভূমিতে পড়িয়া কাঁন্দে নরোত্তম দাস।।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 


মহান্ত বিদায় কীর্ত্তন


  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                     ꧁ মহান্ত বিদায় কীর্ত্তন ꧂
   এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🏠Home Page🏠👇👇🙏👇👇📚PDF গ্রন্থ📚
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
মহা মহা মহোৎসব পূর্নের কারণ।
দধিমঙ্গল আনাইলেন শ্রীশচীনন্দন।।
গৌরীদাস কীর্তনীয়ার করেতে ধরিয়া।
কহিছেন মহাপ্রভু কাঁদিয়া কাঁদিয়া।।
গোলকের সম্পদ হরিনাম সঙ্কীর্ত্তন।
কেমনে বিদায় দিব মহান্তের গণ।।
প্রভু কহে, 'নিত্যানন্দ শুনহ বচন।
তুমি গিয়া বিদায় দাও মহান্তের গণ'।।
এত শুনি নিত্যানন্দ আইলা ধাইয়া।
ভূমিতে ফেলিলা ভাণ্ড আছাড় মারিয়া।।
দ্বাদশ গোপাল গেল আপন ভবন।
চৌষট্টি মহান্ত গেল নিজ নিকেতন।।
নিত্যানন্দ চলি গেল আপনার বাস।
ভূমিতে পড়িয়া কাঁন্দে নরোত্তম দাস।।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 


adds