*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর অপ্রকট লীলায় শ্রীগম্ভীরা মন্দিরে ঊনবিংশ পীঠাচার্য্য (শ্রীশ্রীরাধাকান্ত মঠ-শ্রীশ্রীগৌর গম্ভীরা,শ্রীধাম পুরী)🐚🐚🐚 মাধবাচার্য্য(ব্রহ্ম) সম্প্রদায় 🪷🪷🪷 বক্রেশ্বর পরিবার 🛕🛕🛕 শ্রীতিলক সেবা-শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর শ্রীচরণ চিহ্ন 👣 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি 🙇🙇🙇প্রণাম🙇🙇🙇 ক্লিক করুন 👇
শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇
শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇
- 🔘👉🏠Home🏠
- 🔘👉📚PDF গ্রন্থ📚
- 🔘👉 সূচীপত্র 📝 পূর্বের পোস্ট
- 🔘👉 WhatsApp Chanel
- 🔘👉🌐Google Drive🌐
- 🔘👉 শ্রীশ্রীরাধাকান্ত মঠ🚩শ্রীশ্রীগৌর গম্ভীরা🐚
- 🔘👉 🗓️ ব্রত তালিকা 🗓️
- 🔘 👉 📝শ্রী জয়দেব দাঁ📝
- 🔘👉📝শ্রী গোপীশরণ দাস📝
- 🔘👉📝শ্রী দীপ বাগুই📝
- 🔘👉📝শ্রী মৃন্ময় নন্দী📝
- 🔘👉 🎶শ্রীমতী কুঞ্জশ্রী দাশগুপ্ত🎶
- 🔘👉 🎶শ্রীমতী মৌসুমী বন্দ্যোপাধ্যায় 🎶
GoogleTranslate
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
৬. ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মৃত্তিকা ভক্ষণ ও বিশ্বরূপ দর্শন লীলা 🌷 SRI KRISHNA LEELA ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 🥀 JOYDEB DAWN 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_83.html
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
বলদেব মিলন 🖊️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ, নিবাস-বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা-ইংরেজ বাজার, জেলা-মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ-৭৩২১০১꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ বলদেব মিলন ꧂
👉http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_60.html
বলদেব মিলনের একটি পদ----------
মুনির পুতের, সুতের নামের
আদি দু আঁখর হই।
নন্দের নন্দন, বন যাত্রা কালে
জনকে ঢাকিয়া রই।।
মায়েরে আনিয়া, তপত বালুকা
ঢাকিলে বাঢ়য়ে সুখ।
অগ্রজ আলয়, গেলে সে গোপাল
ঘুচয়ে মনের দুঃখ।।
দুরুজন মাঝে, বসতি হামার
ভীমেরে লইয়া বাস।
ভাসুরের সম, শ্বশুরের গুণ
দয়া নাহি কারু পাশ।।
বাপের মিতায়, দে বর বলিয়ে
পূজিব কাননে যাই।
মনোহর কহে, সুশীতল তাপ
নহিলে কি মতে পাই।।
অর্থ্যাৎ--- মধ্যাহ্ন সময়ে রন্ধনাদি লীলান্তে নন্দালয় হইতে গৃহাগতা শ্রীরাধা জটিলা কুটিলার ভয়ে প্রিয় সখিকে সম্বোধন করিয়া সাঙ্কেতিক বাক্যে সখি সম্বোধনে বলছেন,সখি! বিশ্বশ্রবা মুনির (পুতের) পুত্র রাবণ, (সুতের) তৎপুত্র মেঘনাদের আদি দুই অক্ষর " মেঘ "। আমি মেঘ হইলে শ্রীনন্দনন্দন বন গমনের সময়ে (জনকে) সূর্য্যকে আচ্ছাদন করিয়া কৃষ্ণাঙ্গে ছায়া প্রদান করিতাম।
(জনক--বৃষভানু,ভানুতে মিত্রতা) (মায়েরে) ভানুপত্নী কমলিনী বা কীর্তিদা)যে পথে প্রাণ বল্লভ গোষ্ঠে গমন করেছেন,ঐ পথের তপ্ত বালুকা উপরে কমল অর্থ্যাৎ পদ্মপুষ্প আনিয়া সজ্জিত করিলে আমার সুখ বৃদ্ধি হইত।অগ্রজ আলয়ে অর্থ্যাৎ যমালয়ে (গোপাল)গোধনের পাল গেলে আমার মনের দুঃখ দূর হয়। (ভানু নন্দিনী শ্রীরাধা,ভানু সুত "যম"ভানু আর ভানুতে মিত্রতা জন্য যম কে অগ্রজ বলা হইল)।
পরের অংশ ----------------------------------
(দুরুজন) দুর্জন জটিলা কুটিলার সঙ্গে আমার বসতি,(ভীম)ভয়ঙ্কর আয়ানকে লয়ে আমার বাস।ভাসুরের সম (ভাসুর-- বলরাম) শ্বশুরের গুণ, (শ্বশুর-- নন্দ মহারাজ) দুই জনার গুণই সমান,কাহারো শরীরে দয়া নেই, আমার প্রাণ বল্লভের গোষ্ঠ গমনের কারণই ঐ দুই জনা।(বাপের মিতায়)
সূর্য্যের নিকটে বর লইবার উপলক্ষ্যে, সখি চলো কাননে যাইয়া সূর্য্য পূজো করি। গীতকর্তা বলছেন এই যুক্তি ভিন্ন কৃষ্ণ বিরহজ্বালা নিবারণের অন্য উপায় নেই।
*********************************
অতি সংক্ষেপে পদের ব্যাখ্যা।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
বলদেব মিলন 🖊️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ, নিবাস-বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা-ইংরেজ বাজার, জেলা-মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ-৭৩২১০১꧂
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ বলদেব মিলন ꧂
👉http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_60.html
বলদেব মিলনের একটি পদ----------
মুনির পুতের, সুতের নামের
আদি দু আঁখর হই।
নন্দের নন্দন, বন যাত্রা কালে
জনকে ঢাকিয়া রই।।
মায়েরে আনিয়া, তপত বালুকা
ঢাকিলে বাঢ়য়ে সুখ।
অগ্রজ আলয়, গেলে সে গোপাল
ঘুচয়ে মনের দুঃখ।।
দুরুজন মাঝে, বসতি হামার
ভীমেরে লইয়া বাস।
ভাসুরের সম, শ্বশুরের গুণ
দয়া নাহি কারু পাশ।।
বাপের মিতায়, দে বর বলিয়ে
পূজিব কাননে যাই।
মনোহর কহে, সুশীতল তাপ
নহিলে কি মতে পাই।।
অর্থ্যাৎ--- মধ্যাহ্ন সময়ে রন্ধনাদি লীলান্তে নন্দালয় হইতে গৃহাগতা শ্রীরাধা জটিলা কুটিলার ভয়ে প্রিয় সখিকে সম্বোধন করিয়া সাঙ্কেতিক বাক্যে সখি সম্বোধনে বলছেন,সখি! বিশ্বশ্রবা মুনির (পুতের) পুত্র রাবণ, (সুতের) তৎপুত্র মেঘনাদের আদি দুই অক্ষর " মেঘ "। আমি মেঘ হইলে শ্রীনন্দনন্দন বন গমনের সময়ে (জনকে) সূর্য্যকে আচ্ছাদন করিয়া কৃষ্ণাঙ্গে ছায়া প্রদান করিতাম।
(জনক--বৃষভানু,ভানুতে মিত্রতা) (মায়েরে) ভানুপত্নী কমলিনী বা কীর্তিদা)যে পথে প্রাণ বল্লভ গোষ্ঠে গমন করেছেন,ঐ পথের তপ্ত বালুকা উপরে কমল অর্থ্যাৎ পদ্মপুষ্প আনিয়া সজ্জিত করিলে আমার সুখ বৃদ্ধি হইত।অগ্রজ আলয়ে অর্থ্যাৎ যমালয়ে (গোপাল)গোধনের পাল গেলে আমার মনের দুঃখ দূর হয়। (ভানু নন্দিনী শ্রীরাধা,ভানু সুত "যম"ভানু আর ভানুতে মিত্রতা জন্য যম কে অগ্রজ বলা হইল)।
পরের অংশ ----------------------------------
(দুরুজন) দুর্জন জটিলা কুটিলার সঙ্গে আমার বসতি,(ভীম)ভয়ঙ্কর আয়ানকে লয়ে আমার বাস।ভাসুরের সম (ভাসুর-- বলরাম) শ্বশুরের গুণ, (শ্বশুর-- নন্দ মহারাজ) দুই জনার গুণই সমান,কাহারো শরীরে দয়া নেই, আমার প্রাণ বল্লভের গোষ্ঠ গমনের কারণই ঐ দুই জনা।(বাপের মিতায়)
সূর্য্যের নিকটে বর লইবার উপলক্ষ্যে, সখি চলো কাননে যাইয়া সূর্য্য পূজো করি। গীতকর্তা বলছেন এই যুক্তি ভিন্ন কৃষ্ণ বিরহজ্বালা নিবারণের অন্য উপায় নেই।
*********************************
অতি সংক্ষেপে পদের ব্যাখ্যা।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
রাই রাখাল ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_33.html
প্রথম পদ-------------------
বন্ধু যদি গেল বনে,শুন ওগো সখি।
চূড়া বেন্ধে যাব চল যেথা কমল আঁখি
বিপিনে ভেটিব যাইয়া শ্যাম জলধরে।
রাখালের বেশে যাব হরিষ-অন্তরে।।
চূড়াটি বান্ধহ শিরে যত সখিগণ।
পীতধড়া পর সবে আনন্দিত মন।।
চন্ডীদাস বলে,শুন রাধা বিনোদিনী।
নয়ানে দেখিব সেই শ্যাম গুণমণি।।
দ্বিতীয় পদ --------------------
কেহ হও দাম, শ্রীদাম সুদাম
সুবলাদি যত সখা।
চলো যাব বনে, নটবর সনে
কাননে করিব দেখা।।
পড় পীতধড়া, মাথে বান্ধ চূড়া
বেণু লও কেহ করে।
হারে-রে-রে বোল, কর উচ্চরোল
যাইব যমুনা তীরে ।।
পর ফুলমালা, সাজাহ অবলা
সবারে যাইতে হবে।
দাম বসুদাম, সাজ বলরাম
যাইতে হবে সবে ।।
যোগমায়া তখন, কহিছে বচন
রাখাল সাজহ রাই।
চন্ডীদাসে ভণে, দেখিগে নয়নে
আমি তব সঙ্গে যাই।।
( সুহই)
তৃতীয় পদ------------
যোগমায়া পৌণমাসী সাক্ষাতে আসিয়া।
লইল হরের শিঙ্গা আপনি মাগিয়া।।
সাজল রাখাল-বেশ রাধাবিনোদিনী।
ললিতারে বলরাম,কানাই আপনি।।
বলরামের হেরে শিঙ্গা বলে রামকানু
মূরলী নহিলে কে ফিরাইবে ধেনু।।
চন্ডীদাসে বলে, যদি রাই বনমালী।
সলিল আনিয়া পত্রে করহ মূরলী।।
( ধানশী)
চতুর্থ পদ---- বরাড়ী
আনন্দিত হইয়া সবে পোরে শিঙ্গা-বেণু।
পাতাল হইতে উঠে নবলক্ষ ধেনু।।
চৌদিকে ধেনুর পাল হাম্বা হাম্বা করে।
তা দেখিয়া আনন্দিত সবার অন্তরে।।
ইন্দ্র আইল ঐরাবতে,দেখয়ে নয়নে।
হংসবাহনে ব্রহ্মা আনন্দিত মনে।।
বৃষভবাহনে শিব বলে ভালি ভালি।
মুখ বাদ্য ক'রে নাচে দিয়া করতালি।।
চন্ডীদাসের মনে আন নাহি ভায়।
দেখিয়া সবার রূপ নয়ন জুড়ায়।।
পঞ্চম পদ--- বিভাষ
গায়ে রাঙ্গা মাটি, কটি তটে ধটি
মাথায় শোভিত চূড়া।
চরণে নূপুর, বাজে সবাকার
গলে গুঞ্জমালা বেড়া।।
সবাকার কুচ, হইয়াছে উচ
এ বড় বিষম জ্বালা।
কমলের ফুল, তুলি শতদল
সবাই গাঁথিল মালা।।
ঠারে ঠারে চূড়া, গলে দিল মালা
নামিয়া পড়েছে বুকে।
ফুলের চাপানে, কুচ ঢাকা গেল
চলিল পরম সুখে।।
কেহ পীত ধটি, কেহ ল'য় লাঠি
গর্জন শবদে ধায়।
চন্ডীদাসে ভণে, গহন কাননে
শ্যাম ভেটিবারে যায়।।
ষষ্ঠ পদ---- বিভাষ
যমুনার তীরে সবে যায় নানা রঙ্গে।
শাঙলী ধবলী বলি আনন্দিত অঙ্গে।।
আসিয়া নিভৃত কুঞ্জে সবে দাঁড়াইল।
রাখাল দেখিয়া শ্যাম চমকি উঠিল।।
কোন গ্রামে বসতি রে কোন গ্রামে ঘর
আমার কুঞ্জেতে কেন হরিষ অন্তর।।
কাহার নন্দন তোরা সত্য করি বল।
মুখে হেসেবাক্য কহে,অন্তরে বিভল।।
রাধা-অঙ্গের গন্ধ কৃষ্ণের নাসিকা মাতায়।
আপাদমস্তক কৃষ্ণ ঘন ঘন চায়।।
ললিতা হাসিয়া বলে,শুন শ্যামধন।
রাধারে না চেন তুমি রসিক কেমন।।
চন্ডীদাস বলে,শুন রাধা বিনোদিনী।
হের গো শ্যামের রূপ,জুড়াবে পরাণি।।
শ্রীমতী রাধারাণী বলেছেন----------
অন্তরেতে সদা কৃষ্ণ সম্ভাষণ।
বাহিরে বিচ্ছেদ মাত্র লীলার কারণ।।
জয় নিতাই গৌর হরিবল।
রাই রাখাল 🥀 শ্রীকৃষ্ণ লীলা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_33.html
প্রথম পদ-------------------
বন্ধু যদি গেল বনে,শুন ওগো সখি।
চূড়া বেন্ধে যাব চল যেথা কমল আঁখি
বিপিনে ভেটিব যাইয়া শ্যাম জলধরে।
রাখালের বেশে যাব হরিষ-অন্তরে।।
চূড়াটি বান্ধহ শিরে যত সখিগণ।
পীতধড়া পর সবে আনন্দিত মন।।
চন্ডীদাস বলে,শুন রাধা বিনোদিনী।
নয়ানে দেখিব সেই শ্যাম গুণমণি।।
দ্বিতীয় পদ --------------------
কেহ হও দাম, শ্রীদাম সুদাম
সুবলাদি যত সখা।
চলো যাব বনে, নটবর সনে
কাননে করিব দেখা।।
পড় পীতধড়া, মাথে বান্ধ চূড়া
বেণু লও কেহ করে।
হারে-রে-রে বোল, কর উচ্চরোল
যাইব যমুনা তীরে ।।
পর ফুলমালা, সাজাহ অবলা
সবারে যাইতে হবে।
দাম বসুদাম, সাজ বলরাম
যাইতে হবে সবে ।।
যোগমায়া তখন, কহিছে বচন
রাখাল সাজহ রাই।
চন্ডীদাসে ভণে, দেখিগে নয়নে
আমি তব সঙ্গে যাই।।
( সুহই)
তৃতীয় পদ------------
যোগমায়া পৌণমাসী সাক্ষাতে আসিয়া।
লইল হরের শিঙ্গা আপনি মাগিয়া।।
সাজল রাখাল-বেশ রাধাবিনোদিনী।
ললিতারে বলরাম,কানাই আপনি।।
বলরামের হেরে শিঙ্গা বলে রামকানু
মূরলী নহিলে কে ফিরাইবে ধেনু।।
চন্ডীদাসে বলে, যদি রাই বনমালী।
সলিল আনিয়া পত্রে করহ মূরলী।।
( ধানশী)
চতুর্থ পদ---- বরাড়ী
আনন্দিত হইয়া সবে পোরে শিঙ্গা-বেণু।
পাতাল হইতে উঠে নবলক্ষ ধেনু।।
চৌদিকে ধেনুর পাল হাম্বা হাম্বা করে।
তা দেখিয়া আনন্দিত সবার অন্তরে।।
ইন্দ্র আইল ঐরাবতে,দেখয়ে নয়নে।
হংসবাহনে ব্রহ্মা আনন্দিত মনে।।
বৃষভবাহনে শিব বলে ভালি ভালি।
মুখ বাদ্য ক'রে নাচে দিয়া করতালি।।
চন্ডীদাসের মনে আন নাহি ভায়।
দেখিয়া সবার রূপ নয়ন জুড়ায়।।
পঞ্চম পদ--- বিভাষ
গায়ে রাঙ্গা মাটি, কটি তটে ধটি
মাথায় শোভিত চূড়া।
চরণে নূপুর, বাজে সবাকার
গলে গুঞ্জমালা বেড়া।।
সবাকার কুচ, হইয়াছে উচ
এ বড় বিষম জ্বালা।
কমলের ফুল, তুলি শতদল
সবাই গাঁথিল মালা।।
ঠারে ঠারে চূড়া, গলে দিল মালা
নামিয়া পড়েছে বুকে।
ফুলের চাপানে, কুচ ঢাকা গেল
চলিল পরম সুখে।।
কেহ পীত ধটি, কেহ ল'য় লাঠি
গর্জন শবদে ধায়।
চন্ডীদাসে ভণে, গহন কাননে
শ্যাম ভেটিবারে যায়।।
ষষ্ঠ পদ---- বিভাষ
যমুনার তীরে সবে যায় নানা রঙ্গে।
শাঙলী ধবলী বলি আনন্দিত অঙ্গে।।
আসিয়া নিভৃত কুঞ্জে সবে দাঁড়াইল।
রাখাল দেখিয়া শ্যাম চমকি উঠিল।।
কোন গ্রামে বসতি রে কোন গ্রামে ঘর
আমার কুঞ্জেতে কেন হরিষ অন্তর।।
কাহার নন্দন তোরা সত্য করি বল।
মুখে হেসেবাক্য কহে,অন্তরে বিভল।।
রাধা-অঙ্গের গন্ধ কৃষ্ণের নাসিকা মাতায়।
আপাদমস্তক কৃষ্ণ ঘন ঘন চায়।।
ললিতা হাসিয়া বলে,শুন শ্যামধন।
রাধারে না চেন তুমি রসিক কেমন।।
চন্ডীদাস বলে,শুন রাধা বিনোদিনী।
হের গো শ্যামের রূপ,জুড়াবে পরাণি।।
শ্রীমতী রাধারাণী বলেছেন----------
অন্তরেতে সদা কৃষ্ণ সম্ভাষণ।
বাহিরে বিচ্ছেদ মাত্র লীলার কারণ।।
জয় নিতাই গৌর হরিবল।
৫. শ্রীকৃষ্ণ লীলা 🏵️ শকট ভঞ্জন লীলা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_28.html
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
৫. শ্রীকৃষ্ণ লীলা 🏵️ শকট ভঞ্জন লীলা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_28.html
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
৪৮. নিধুবনে কৃষ্ণকালী লীলা 🌷 শ্রীকৃষ্ণ লীলা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/05/blog-post_81.html
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
সুরধূনী তীরে এক, উপবন হেরইতে,
রস ময় গৌর কিশোর।
মাঝ দিনহি তহি, হোয়ল উপনীত,
পূরবহি ভাবে বিভোর।।
অপরূপ গৌরাঙ্গ বিলাস।
গদাধর মুখ হেরি, থির নয়ন করি,
ছোড়ই দীঘ নিশ্বাস।।
খেনে পুন কহই, গদাধর পানে চায়,
অন্তরে না হবি তরাস।
দশনে চাপি রসনা, নয়ন খর তাড়ই,
খিল খিল অট্ট অট্ট হাস।।
চতুর ভকতগণ, পুনঃ পুনঃ পুছই
কিয়ে ভেল আজুক বাত।
শ্রীচৈতন্য দাস, মরম নাহি সমুঝিয়ে
রোয়ত শিরে দেও হাত।।
********************************
(1) গোঠে চলি গেল বিনোদ রায়।
সজল নয়নে কিশোরী চায়।।
বঁধূর বদন দেখিতে না পায়।
কি করি কি করি কাঁদিছে রাই।।
সখি কহে ধনি কাঁদিছ কেন।
আছয়ে যুকতি কহিয়ে শুন।।
দেব আরাধনা ছলনা করি।
আমরা যাই মিলিব হরি।।
এত শুনি রাই সখির মুখে।
সখি গলে ধরি বসিলা সুখে।।
হেথা ধেনু বৎস লইয়া কান।
দ্রুত চলি গেল গিরিগোবর্ধন।।
বিজন বনেতে চরয়ে ধেনু।
সখাগণ সঙ্গে খেলত কানু।।
দাদার নিকটে হোয় বিদায়।
কানন ভ্রমণ করিতে যাই।।
ভ্রমিতে ভ্রমিতে সুবল সঞে।
নিধুবনে যাই বসিলা রঙ্গে।।
রাধা রাধা বলি পূরিলা বেণু।
শুনি ধ্বনি ধনি অবশ তনু।।
সখিগণ কহে শুনহ রাই।
দেবতা পূজিতে চলহ যাই।।
শুনিয়া সখির ধরিলা হাতে।
শ্রীচৈতন্য দাস চলিলা সাথে।।
(2)ভানু পূজা ছলা করি,
চলিলে সুন্দরী,
গুরু জনে অনুমতি মাগি।
পূজা উপহার যত, নিজ নিজ অভিমত, লেয়ল কৃষ্ণ সেবা লাগি।।
সকর্পূর তাম্বুল নেল।
ধরিয়া সখির করে,বেণু ধ্বনি অনুসারে,নিধুবন মাহা চলি গেল।।
সুবল বুঝিয়া কাজ,লুকাইল কুঞ্জের মাঝ,একাকি রহল শ্যামরায়।
হেরি রাইমুখ ইন্দু,উছলিল প্রেমসিন্ধু
আগুসারি আনিবারে ধায়।।
ধেয়ে যেয়ে আলিঙ্গন,পুনঃপুনঃ নিরক্ষণ,পুন পুন করু কত দৈন্য।
চৌদিগে সখির ঠাট,মিলিল চাঁদের হাট,শ্রীচৈতন্যদাস হৈল ধন্য।।
(3)দিনমণি কিরণে,মলিন মুখমন্ডল
ঘামে তিলক বহি গেলা।
চরণ কমল তল,তপত পথ বালুক,
আতপ দহন সম ভেলা।।
হেরইতে শ্যামরু চন্দ।
কোরে আগোরি, গোরি মুখ মুছত,
বসন ঢুলাওত মন্দ।।
কর্পূর তাম্বুল, অধরহি দেয়ল,
চন্দন লেপয়ে অঙ্গে।
শ্যামর অঙ্গ, পরশে নব নাগরী
উপজল প্রেম তরঙ্গে।।
কুঞ্জ কুটীর ঘর, শেজ মনোহর
মধুকর ধরু শ্রুতিভাষ।
গৌরী শ্যাম দুঁহু, করল কুতূহল
কহতহি গোবিন্দ দাস।।
(4)বৃন্দার সেবিত বন,নিধুবন কানন
যাহা বিলসয়ে রাধাশ্যাম।
ষড়ঋতু এককালে, আসিয়া সেখানে মিলে,নিতি নবলীলা অনুপম।।
রতন মন্দিরে মনোহর।
তার মাঝে রত্নাসনে,বসিলা আনন্দ মনে,ভোজন করিতে গিরিধর।।
সেবার সামগ্রী যত,লাড্ডুকাদি কত শত,গৃহ হৈতে এনেছিল রাধা।
কাঞ্চন থারি ভরি,যোগাওল সহচরী
দেখিতে পূরয়ে মন সাধা।।
দেব ভোজ্য বস্তু দেখি,কৃষ্ণ হৈলা মহা সুখী,তোষিতে শ্রীরাধার মন।
নানা রহস্য প্রসঙ্গে,ভোজন করিয়া রঙ্গে,অবশেষে করিলা জলপান।।
ভোজন হইল সায়,আচমন প্রেমসেবা
করে সখি বৃন্দ।
বঙ্ক বিহারী,কবে পাবে,চামর ঢুলাইবে মন্দ।।
######################
(5)গোবিন্দ ভোজন হইল সাঙ্গ।
বৈঠল রাই সখির সঙ্গ।।
তাম্বুল দেওল বঁধুর মুখে।
প্রসাদ আনিয়া মনের সুখে।।
সখি সঙ্গে মহাপ্রসাদ পাই।
আনন্দ সায়রে সাঁতারে রাই।।
ধরিয়া সুন্দরী বঁধূর করে।
উঠিলা রতন বেদীর পরে।।
নবঘন যেন বিজুরী সনে।
ভূতলে নামিলা আপন মনে।।
বঁধূ গলে ধরি বসিলা রাই।
রূপের তুলনা জগতে নাই।।
কিবা অপরূপ দুহুঁক রূপ।
অমিয়া পাথারে রসের কূপ।।
সখিগণ মেলি করত ভঙ্গ।
কতহুঁ রভস কতহুঁ রঙ্গ।।
ময়ুরা ময়ূরী আসিয়া কাছে।
ঘুরিয়া ঘুরিয়া দুজনা নাচে।।
শারী শুকগণ করত গান।
ভ্রমরা ভ্রমরী ধরত তান।।
গাওত কোকিলা মধুর গীত।
রাই কানু শুনি পাওল প্রীত।।
ককখটি কহে কুটিলা এলো।
শুনি সুবদনী চঙক গেল।।
এদাস বঙ্ক বিহারী কয়।
যোগমায়া আছে কিসের ভয়।।
(6)কুটিলা কহিছে,আয়ানের কাছে
সকলি আমারি দোষ।
তোমার বধূর, যত লীলা খেলা,
শুনিলে করিবা রোষ।।
দেখে এলাম নিধুবনে।
কুল কলঙ্কিনী, কাননে যাইয়া
খেলিছে কালার সনে।।
শুনিয়া আয়ান, রুষিয়া ধাইল,
করেতে লইয়া অসি।
পাছেতে কুটিলা, চলিলা ধাইয়া,
মনেতে হৈয়া খুশী।।
গর্জিয়া আয়ান, ধাইয়া আসিছে,
দেখিতে লাগয়ে ডর।
শ্রীচৈতন্য দাস, কহয়ে গোবিন্দ
রাখহ রাধার ঘর।।
(7)কৃষ্ণকালী রূপ দেখি,
আয়ান হইল সুখি,
কুটিলারে ক্রোধ করি কয়।
তুইত কুটিল মতি,ঘর ভাঙ্গাইতে যুক্তি
এ বুদ্ধি দিলেক কেবা তোয়।।
স্ত্রী হত্যা পাতকে করি ভয়।
তেই তোর প্রাণ বাঁচে,
নতুবা চন্ডীর কাছে,
নহে বলি দিতাম নিশ্চয়।।
কুটিলার হৈল ডর, ভয়ে কাঁপে কলেবর,ঘর মুখে গেল পলাইয়া।
আয়ান হৈল শান্ত, ছুটিল আয়ানের ভ্রান্ত,কহে কিছু দৈন্য করিয়া।।
কে বলে রাই কলঙ্কিনী,
সতী কুলের শিরোমণি,
দেবী পূজি মোরে কৈল ধন্য।
শ্রীচৈতন্যদাস ভাষে,
গলে লগ্নকৃত বাসে,
কালীকারে করে কিছু দৈন্য।।
(8)নিজ ইষ্টদেবী আয়ান দেখি,
প্রেমে পুলকিত সজল আঁখি।
মনের আবেগে দেবীর কাছে।
করতালি দিয়া আয়ান নাচে।।
হাসিছে কাঁদিছে যাই গড়াগড়ি।
পুন পুন উঠি রহে করজোড়ি।।
স্তব স্তুতি করি কহিছে যা।
শুনিতে শিহরী উঠিছে গা।।
সচন্দন পুষ্প পাত্রেতে দেখি।
আয়ান মনেতে হইয়া সুখি।।
কৃষ্ণকালী পদে অঞ্জলি দিল।
অষ্টাঙ্গে পড়িয়া প্রণতি হৈল।।
দেবীর আগেতে মাগে বিদায়।
রাধার অগ্রেতে দাঁড়ায়ে কয়।।
মোর কুলে তুমি রাখিলা যশ।
যে হেতু চন্ডীকা তোমার বশ।।
না জানিয়া লোকে ঘোষয়ে দোষ।
তা শুনিয়া তুমি না কর রোষ।।
দুষ্টলোকে যত কহয়ে মন্দ।
আজু হৈতে মোর ঘুচিল ধন্দ।।
যা বলুক বলে গোকুলের লোকে।
সে সকল দোষ খেমিবা মোকে।।
এতবলি আয়ান ঘরেতে গেল।
শুনিয়া রাধা হরিষ ভেল।
বঁধূর গলেতে ধরিলা রাই।
হাসি হাসি দুহেঁ বদন চাই।।
নিধুবনে কৃষ্ণকালী বিলাস।
কবহঁ হেরব চৈতন্য দাস।।
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
আয়ান মায়ের কাছে স্তব করেছিল।
জয় জয় জগৎ - জননী।
যম ভয় হর, তারা ত্রিগুণধারিণী।।
ভৈরবী ভবানী ভীমা,
অন্নদা অম্বিকা উমা,
শিব সিমান্তনী শ্যামা,শ্মশান বাসিনী।
বিশ্বরূপ বিশ্বোদরী,
পরমা পরমেশ্বরী,
দেবারাধ্য দিগম্বরী দনুজ দলনী।।
আদ্যাশক্তি মহামায়া,
কে বুঝে গো তব মায়া,
নিজ গুণে কর দয়া করাল-বদনী।
কৃষ্ণকালীর যুগল চরণ,
দাস পীতাম্বর করে সাধন,
ভব ভয়ে করবে তারণ তারা ত্রিনয়নী।।
গৌরচন্দ্রিকা (দুই)
একবার এসো গৌর গুণমণি।
আমি মনের সাধে পূজব রাঙ্গা চরণ দুইখানি।।
এসো নিত্যানন্দ সনে,গদাধর লয়ে বামে,
সম্মুখে অদ্বৈত প্রভু দাঁড়াও হে আপনি।।
শ্রীবাসাদি ভক্তবৃন্দ,হইয়া পরমানন্দ,আমি পড়ি গিয়ে চরণতলে লোটায় ধরণী।।
আসিয়া অবনীতলে,কত পাপী তরাইলে,দীনবন্ধুবলে,থাকব পড়ি একাকী আমি।।
#######################
ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয়
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
৪৮. নিধুবনে কৃষ্ণকালী লীলা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
সুরধূনী তীরে এক, উপবন হেরইতে,
রস ময় গৌর কিশোর।
মাঝ দিনহি তহি, হোয়ল উপনীত,
পূরবহি ভাবে বিভোর।।
অপরূপ গৌরাঙ্গ বিলাস।
গদাধর মুখ হেরি, থির নয়ন করি,
ছোড়ই দীঘ নিশ্বাস।।
খেনে পুন কহই, গদাধর পানে চায়,
অন্তরে না হবি তরাস।
দশনে চাপি রসনা, নয়ন খর তাড়ই,
খিল খিল অট্ট অট্ট হাস।।
চতুর ভকতগণ, পুনঃ পুনঃ পুছই
কিয়ে ভেল আজুক বাত।
শ্রীচৈতন্য দাস, মরম নাহি সমুঝিয়ে
রোয়ত শিরে দেও হাত।।
********************************
(1) গোঠে চলি গেল বিনোদ রায়।
সজল নয়নে কিশোরী চায়।।
বঁধূর বদন দেখিতে না পায়।
কি করি কি করি কাঁদিছে রাই।।
সখি কহে ধনি কাঁদিছ কেন।
আছয়ে যুকতি কহিয়ে শুন।।
দেব আরাধনা ছলনা করি।
আমরা যাই মিলিব হরি।।
এত শুনি রাই সখির মুখে।
সখি গলে ধরি বসিলা সুখে।।
হেথা ধেনু বৎস লইয়া কান।
দ্রুত চলি গেল গিরিগোবর্ধন।।
বিজন বনেতে চরয়ে ধেনু।
সখাগণ সঙ্গে খেলত কানু।।
দাদার নিকটে হোয় বিদায়।
কানন ভ্রমণ করিতে যাই।।
ভ্রমিতে ভ্রমিতে সুবল সঞে।
নিধুবনে যাই বসিলা রঙ্গে।।
রাধা রাধা বলি পূরিলা বেণু।
শুনি ধ্বনি ধনি অবশ তনু।।
সখিগণ কহে শুনহ রাই।
দেবতা পূজিতে চলহ যাই।।
শুনিয়া সখির ধরিলা হাতে।
শ্রীচৈতন্য দাস চলিলা সাথে।।
(2)ভানু পূজা ছলা করি,
চলিলে সুন্দরী,
গুরু জনে অনুমতি মাগি।
পূজা উপহার যত, নিজ নিজ অভিমত, লেয়ল কৃষ্ণ সেবা লাগি।।
সকর্পূর তাম্বুল নেল।
ধরিয়া সখির করে,বেণু ধ্বনি অনুসারে,নিধুবন মাহা চলি গেল।।
সুবল বুঝিয়া কাজ,লুকাইল কুঞ্জের মাঝ,একাকি রহল শ্যামরায়।
হেরি রাইমুখ ইন্দু,উছলিল প্রেমসিন্ধু
আগুসারি আনিবারে ধায়।।
ধেয়ে যেয়ে আলিঙ্গন,পুনঃপুনঃ নিরক্ষণ,পুন পুন করু কত দৈন্য।
চৌদিগে সখির ঠাট,মিলিল চাঁদের হাট,শ্রীচৈতন্যদাস হৈল ধন্য।।
(3)দিনমণি কিরণে,মলিন মুখমন্ডল
ঘামে তিলক বহি গেলা।
চরণ কমল তল,তপত পথ বালুক,
আতপ দহন সম ভেলা।।
হেরইতে শ্যামরু চন্দ।
কোরে আগোরি, গোরি মুখ মুছত,
বসন ঢুলাওত মন্দ।।
কর্পূর তাম্বুল, অধরহি দেয়ল,
চন্দন লেপয়ে অঙ্গে।
শ্যামর অঙ্গ, পরশে নব নাগরী
উপজল প্রেম তরঙ্গে।।
কুঞ্জ কুটীর ঘর, শেজ মনোহর
মধুকর ধরু শ্রুতিভাষ।
গৌরী শ্যাম দুঁহু, করল কুতূহল
কহতহি গোবিন্দ দাস।।
(4)বৃন্দার সেবিত বন,নিধুবন কানন
যাহা বিলসয়ে রাধাশ্যাম।
ষড়ঋতু এককালে, আসিয়া সেখানে মিলে,নিতি নবলীলা অনুপম।।
রতন মন্দিরে মনোহর।
তার মাঝে রত্নাসনে,বসিলা আনন্দ মনে,ভোজন করিতে গিরিধর।।
সেবার সামগ্রী যত,লাড্ডুকাদি কত শত,গৃহ হৈতে এনেছিল রাধা।
কাঞ্চন থারি ভরি,যোগাওল সহচরী
দেখিতে পূরয়ে মন সাধা।।
দেব ভোজ্য বস্তু দেখি,কৃষ্ণ হৈলা মহা সুখী,তোষিতে শ্রীরাধার মন।
নানা রহস্য প্রসঙ্গে,ভোজন করিয়া রঙ্গে,অবশেষে করিলা জলপান।।
ভোজন হইল সায়,আচমন প্রেমসেবা
করে সখি বৃন্দ।
বঙ্ক বিহারী,কবে পাবে,চামর ঢুলাইবে মন্দ।।
######################
(5)গোবিন্দ ভোজন হইল সাঙ্গ।
বৈঠল রাই সখির সঙ্গ।।
তাম্বুল দেওল বঁধুর মুখে।
প্রসাদ আনিয়া মনের সুখে।।
সখি সঙ্গে মহাপ্রসাদ পাই।
আনন্দ সায়রে সাঁতারে রাই।।
ধরিয়া সুন্দরী বঁধূর করে।
উঠিলা রতন বেদীর পরে।।
নবঘন যেন বিজুরী সনে।
ভূতলে নামিলা আপন মনে।।
বঁধূ গলে ধরি বসিলা রাই।
রূপের তুলনা জগতে নাই।।
কিবা অপরূপ দুহুঁক রূপ।
অমিয়া পাথারে রসের কূপ।।
সখিগণ মেলি করত ভঙ্গ।
কতহুঁ রভস কতহুঁ রঙ্গ।।
ময়ুরা ময়ূরী আসিয়া কাছে।
ঘুরিয়া ঘুরিয়া দুজনা নাচে।।
শারী শুকগণ করত গান।
ভ্রমরা ভ্রমরী ধরত তান।।
গাওত কোকিলা মধুর গীত।
রাই কানু শুনি পাওল প্রীত।।
ককখটি কহে কুটিলা এলো।
শুনি সুবদনী চঙক গেল।।
এদাস বঙ্ক বিহারী কয়।
যোগমায়া আছে কিসের ভয়।।
(6)কুটিলা কহিছে,আয়ানের কাছে
সকলি আমারি দোষ।
তোমার বধূর, যত লীলা খেলা,
শুনিলে করিবা রোষ।।
দেখে এলাম নিধুবনে।
কুল কলঙ্কিনী, কাননে যাইয়া
খেলিছে কালার সনে।।
শুনিয়া আয়ান, রুষিয়া ধাইল,
করেতে লইয়া অসি।
পাছেতে কুটিলা, চলিলা ধাইয়া,
মনেতে হৈয়া খুশী।।
গর্জিয়া আয়ান, ধাইয়া আসিছে,
দেখিতে লাগয়ে ডর।
শ্রীচৈতন্য দাস, কহয়ে গোবিন্দ
রাখহ রাধার ঘর।।
(7)কৃষ্ণকালী রূপ দেখি,
আয়ান হইল সুখি,
কুটিলারে ক্রোধ করি কয়।
তুইত কুটিল মতি,ঘর ভাঙ্গাইতে যুক্তি
এ বুদ্ধি দিলেক কেবা তোয়।।
স্ত্রী হত্যা পাতকে করি ভয়।
তেই তোর প্রাণ বাঁচে,
নতুবা চন্ডীর কাছে,
নহে বলি দিতাম নিশ্চয়।।
কুটিলার হৈল ডর, ভয়ে কাঁপে কলেবর,ঘর মুখে গেল পলাইয়া।
আয়ান হৈল শান্ত, ছুটিল আয়ানের ভ্রান্ত,কহে কিছু দৈন্য করিয়া।।
কে বলে রাই কলঙ্কিনী,
সতী কুলের শিরোমণি,
দেবী পূজি মোরে কৈল ধন্য।
শ্রীচৈতন্যদাস ভাষে,
গলে লগ্নকৃত বাসে,
কালীকারে করে কিছু দৈন্য।।
(8)নিজ ইষ্টদেবী আয়ান দেখি,
প্রেমে পুলকিত সজল আঁখি।
মনের আবেগে দেবীর কাছে।
করতালি দিয়া আয়ান নাচে।।
হাসিছে কাঁদিছে যাই গড়াগড়ি।
পুন পুন উঠি রহে করজোড়ি।।
স্তব স্তুতি করি কহিছে যা।
শুনিতে শিহরী উঠিছে গা।।
সচন্দন পুষ্প পাত্রেতে দেখি।
আয়ান মনেতে হইয়া সুখি।।
কৃষ্ণকালী পদে অঞ্জলি দিল।
অষ্টাঙ্গে পড়িয়া প্রণতি হৈল।।
দেবীর আগেতে মাগে বিদায়।
রাধার অগ্রেতে দাঁড়ায়ে কয়।।
মোর কুলে তুমি রাখিলা যশ।
যে হেতু চন্ডীকা তোমার বশ।।
না জানিয়া লোকে ঘোষয়ে দোষ।
তা শুনিয়া তুমি না কর রোষ।।
দুষ্টলোকে যত কহয়ে মন্দ।
আজু হৈতে মোর ঘুচিল ধন্দ।।
যা বলুক বলে গোকুলের লোকে।
সে সকল দোষ খেমিবা মোকে।।
এতবলি আয়ান ঘরেতে গেল।
শুনিয়া রাধা হরিষ ভেল।
বঁধূর গলেতে ধরিলা রাই।
হাসি হাসি দুহেঁ বদন চাই।।
নিধুবনে কৃষ্ণকালী বিলাস।
কবহঁ হেরব চৈতন্য দাস।।
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
আয়ান মায়ের কাছে স্তব করেছিল।
জয় জয় জগৎ - জননী।
যম ভয় হর, তারা ত্রিগুণধারিণী।।
ভৈরবী ভবানী ভীমা,
অন্নদা অম্বিকা উমা,
শিব সিমান্তনী শ্যামা,শ্মশান বাসিনী।
বিশ্বরূপ বিশ্বোদরী,
পরমা পরমেশ্বরী,
দেবারাধ্য দিগম্বরী দনুজ দলনী।।
আদ্যাশক্তি মহামায়া,
কে বুঝে গো তব মায়া,
নিজ গুণে কর দয়া করাল-বদনী।
কৃষ্ণকালীর যুগল চরণ,
দাস পীতাম্বর করে সাধন,
ভব ভয়ে করবে তারণ তারা ত্রিনয়নী।।
গৌরচন্দ্রিকা (দুই)
একবার এসো গৌর গুণমণি।
আমি মনের সাধে পূজব রাঙ্গা চরণ দুইখানি।।
এসো নিত্যানন্দ সনে,গদাধর লয়ে বামে,
সম্মুখে অদ্বৈত প্রভু দাঁড়াও হে আপনি।।
শ্রীবাসাদি ভক্তবৃন্দ,হইয়া পরমানন্দ,আমি পড়ি গিয়ে চরণতলে লোটায় ধরণী।।
আসিয়া অবনীতলে,কত পাপী তরাইলে,দীনবন্ধুবলে,থাকব পড়ি একাকী আমি।।
#######################
ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয়
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
-
🔘👉🏠Home🏠 🔘👉📚PDF গ্রন্থ📚 🔘👉✉️WhatsApp Chanel✉️ 🔘👉Apps 🔘👉🌐Google Drive🌐 🔘👉 শ্রীশ্রীরাধাকান্ত মঠ🚩শ্রীশ্রীগৌর গম্ভীরা🐚শ্রীধা...
-
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ ꧁ শ্রীকৃষ্ণ লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂ এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন http:...
-
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧ শ্রীশ্রীরাধাকান্ত মঠ🚩শ্রীশ্রীগৌর গম্ভীরা🐚শ্রীধাম পুরী🐚 এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 👉 https...
-
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ ꧁ প্রাচীন ধর্মীয় গ্রন্থ 📚 PDF 📚 গ্রন্থ ꧂ এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন http://mrinmoy...
-
✧═════════•❁❀❁•═════════✧ ৮. বালক নিমাই (১) 😇 শ্রীগৌরাঙ্গ মহাপ্রভু 🥀 সংক্ষিপ্ত কথন 🙏 প্রথম ভাগ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংক...
-
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ হরিনামামৃত সিন্ধু 🙏 প্রথম ভাগ 🙏 শ্রীসীতানাথ দাস মহাপাত্র ভক্তিতীর্থ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংক...
-
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ ২৫. কৃষ্ণনাম চিন্তামণি ধন সংরক্ষণ করতে হলে সাধুসঙ্গ বিশেষ প্রয়োজন ❗ 📖 মনোশিক্ষা 🙏 প্রথম ভাগ 🙏 শ্রীযু...
-
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ ꧁শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর পূজা পদ্ধতি-ষোড়শ উপাচার কি?꧂ এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্...
-
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧ 📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝 ꧁👇📖 সূচীপত্র ✍️ শ্রী জয়দেব দাঁ 📖👇꧂ 👉 http://mrinmoynandy.blogs...
-
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ ১২. কীর্তনাঙ্গীয় তাল পদ্ধতি 🎶 তালতত্ত্বের ক্রমবিকাশ গ্রন্থ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ...



