শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রীরাধারাণীর পদ-রেণুর মহিমা কি ❓❓❓সাধকগণের শ্রীরাধার শ্রীচরণধূলি নিষেবণের (সেবনের) উপায় কি ❓❓❓✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/08/pdf-httpsmrinmoynandy_23.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
            ꧁ শ্রীরাধারাণীর পদ-রেণুর মহিমা 
                        👇👇👇🙏👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ https://joydebdaw.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
     এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*👣👣👣রাধা পদ-রেণু👣👣👣*
*রাধিকা চরণরেণু,ভূষণ করিয়া তনু,*
     *অনায়াসে পাবে গিরিধারী।*
*রাধিকার চরণাশ্রয়,যে করে সে মহাশয়,*
    *তারে মুই যাই বলিহারী।।*
*🙏শ্রীরাধারাণীর শ্রীচরণরজ অঙ্গের ভূষণরূপে গ্রহণ করলে অনায়াসেই গিরিধারী শ্রীকৃষ্ণকে পাওয়া যাবে।* *শ্রীকৃষ্ণকে লাভ করবার একমাত্র উপায়ই হচ্ছে প্রেম, ইহাই সর্বশাস্ত্রের নির্ণয়।ভক্তিপ্রাপ্তি বা ভগবতপ্রাপ্তি বিষয়ে মহতের শ্রীচরণধূলি নিষেবণের(সেবার)অদ্ভুত প্রভাব শ্রীমদ্ভাগবতাদি শাস্ত্রে দেখতে পাওয়া যায়।রাজা রহূগণের প্রতি ব্রহ্মর্ষি ভরত বলেছেন(ভাঃ৫|১২|১২)*, 
*"রহূগণৈ-তত্তপসা ন যাতি ন চেজ‍্যয়া নির্বপণাদগৃহাদ বা।*
*ন চ্ছন্দসা নৈব জলাগ্নিসূর্য‍্যৈ র্বিনা মহৎপাদরজোহভিষেকম্"।।*
*🍀"হে মহারাজ রহূগণ!মহতের পদধূলির অভিষেক ব‍্যতীত তপস‍্যা,বৈদিককর্ম,অন্নাদি দান,গৃহাদি নির্মাণদ্বারা পরোপকার,বেদাভ‍্যাস,আবার জল,অগ্নি,সূর্য‍্যের উপাসনা ইত‍্যাদি অন‍্য কোন সাধনদ্বারাই এই ভগবত্তত্ত্বজ্ঞান লাভ করা যায় না"।*
*শ্রীপ্রহ্লাদ মহাশয় বলেছেন,(ঐ-৭|৫|৩২),*
*নৈষাং মতিস্তাবদুরুক্রমাঙ্ঘ্রিং স্পৃশত‍্যনর্থাপগমো যদর্থঃ।*
*মহীয়সাং পাদরজোহভিষেকং নিষ্কিঞ্চনানাং ন বৃণীত যাবৎ।।*
*🍀অর্থ‍্যাৎ "নিষ্কিঞ্চন মহাভাগবতগণের শ্রীচরণধূলিতে অভিষিক্ত না হলে শ্রীভগবানের চরণে অনর্থোপশমকারী মতির উদয় হয় না"।* *প্রেম তারতম‍্যেই মহদগণের তারতম‍্য হয়ে থাকে।*
*"প্রেমতারতম‍্যেনৈব ভক্তমহত্তারতম‍্যং মুখ‍্যম্"(ভক্তিসন্দর্ভ=১৮৭ অনুঃ)* *সুতরাং প্রেমতাতম‍্যেই মহদগণের পদরেণুর ভক্তিদাতৃত্বশক্তিরও তারতম‍্য হয়ে থাকে।শ্রীরাধারাণীতে প্রেম পরমমহান, সুতরাং তাঁর শ্রীচরণরেণুর ভক্তিদাতৃত্ব শক্তি বা শ্রীকৃষ্ণবশীকারিত্বশক্তির তুলনা নাই। শ্রীপ্রবোধানন্দ সরস্বতীপাদ লিখেছেন--*
*"যো ব্রহ্ম-রুদ্র-শুক-নারদ-ভীষ্মমুখ‍্যৈরালক্ষিতো ন সহসা পুরুষস‍্য তস‍্য।*
*সদ‍্যোবশীকরণ-চূর্ণমনন্তশক্তিং তং রাধিকা-চরণরেণুমনুস্মরামি।।*
   *(রাধারসসুধানিধি=৪)*
*অর্থ‍্যাৎ "ব্রহ্মা,মহাদেব,শুকদেব,নারদ,ও ভীষ্মদেব প্রমুখ মহাভাগবতগণও সহসা যাঁর সাক্ষাৎলাভ করতে সক্ষমহন না, সেই পরমপুরুষ স্বয়ং ভগবান ব্রজেন্দ্রনন্দনের সদ‍্য বশীকরণ বিষয়ে অনন্ত শক্তিসম্পন্ন সিদ্ধ বশীকরণচূর্ণের মত শ্রীরাধার পদধূলিকে আমি নিয়ত স্মরণ করি"।* *শ্রীপ্রবোধানন্দ সরস্বতীপাপ যে প্রেমে শ্রীকৃষ্ণের একান্ত বশীকরণ-সম্পন্ন হয়,শ্রীরাধার পদধূলিকে সেই প্রেমরসসিদ্ধির সাক্ষাৎ ""কামধেনু"" বলেছেন=*
*ভাবোৎসবেন ভজতাং রসকামধেনুং তং রাধিকা চরণ রেণুমহং স্মরামি।(ঐ৫)*
      *🍀ক্রমশ🍀*


*👣👣সাধকগণের শ্রীরাধার শ্রীচরণধূলি নিষেবণের (সেবনের)* *উপায় কি?এবং উহা কিভাবেই বা অঙ্গের ভূষণ করা যেতে পারে?এই ব্রজধাম শ্রীরাধাঠাকুরাণীর নিত‍্যলীলা* *ভূমি।শ্রীরাধারাণী নিজ সখীগণ ও প্রাণকান্ত শ্রীগোবিন্দসঙ্গে এই ব্রজে নিত‍্য বিহার করেন।শ্রীপ্রবোধানন্দ সরস্বতীপাদ লিখেছেন-----*
*""রাধাপদাঙ্গবিলসন্মধুরস্থলীকে"", অর্থ‍্যাৎ শ্রীরাধার পদচিহ্নে সুশোভিত মধুরস্থলী এই বৃন্দাবন।অতএব ব্রজরজই রাধিকাচরণরেণু। তা না হলে উদ্ধবমহাশয়ের মতো ভগবৎপার্ষদ,সাক্ষাৎ সম্বিতের মূর্তি ব্রজরস নিষেবণের জন্য এই ব্রজে তৃণ,গুল্ম হয়ে জন্মগ্রহণের প্রার্থনা করবেন কেন?* *ভাগবতে উদ্ধবের উক্তিতে দেখা যায় ---------*
*আসামহো চরণরেণুজুষামহং স‍্যাং বৃন্দাবনে কিমপিগুল্মলতৌষধীনাম।যাদুস্ত‍্যজং স্বজনমার্য‍্যপথঞ্চ হিত্বা ভেজুর্মুকুন্দপদবীং শ্রুতিভির্বিমৃগ‍্যাম্।।*
*"অহো! আমি অতি দুর্লভবস্তু কামনা করছি।এই বৃন্দাবনে যে সব গুল্ম,লতা এবং ঔষধি আছে,ইহারা সৌভাগ্যবান এবং সৌভাগ্যবতী।যেহেতু এরা স্বজন এবং দুস্ত‍্যজ আর্যপথ বা পাতিব্রত‍্যধর্ম ত‍্যাগ করে যাঁরা শ্রুতিগণেরও অন্বেষনীয় মুকুন্দ পদবীর ভজন করছেন।সেই ব্রজাঙ্গনা গণের শ্রীচরণরেণু (ব্রজরেণু)এঁরা সতত মাথায় ধারণ করবার সৌভাগ্য প্রাপ্ত হয়েছে।অহো! আমার কি কখনও এমন সৌভাগ্য হবে যে,এই বৃন্দাবনে এঁদের মতো একটি তৃণ বা গুল্মরূপে জন্ম নিয়ে নিজেকে ধন‍্য করতে পারব?* *তাদৃশ পরম ভক্তির সঙ্গে ব্রজে বাসকরে ব্রজরেণুর সেবনেই শ্রীরাধিকাচরণরেণু অঙ্গের ভূষণ করা।এখানে শ্রীরাধারাণীর চরণে পরম ভক্তিই বিবক্ষিত।ইহাতে অনায়াসেই গিরিধারীকে প্রাপ্ত করা যায়,"অনায়াসে পাবে গিরিধারী"।*
*শ্রীরাধারাণীর শ্রীচরণকমল হতে মহাভাব-মকরন্দরস অজস্রধারায় নিঃস‍্যন্দিত(বাহির )হয়ে থাকে।সেই রেণুকণার নিষেবণ যে গিরিধারী শ্রীকৃষ্ণকে লাভ করার মহাশক্তি সম্পন্ন সাধনা সে বিষয়ে আর কোন সন্দেহ নাই।* *এখানে শ্রীকৃষ্ণের অন‍্য নাম না দিয়ে "গিরিধারী" নামটি দেবার মধ্যে কিছু সরস আছে।শ্রীকৃষ্ণের পরামর্শে শ্রীনন্দাদি ব্রজবাসীগণ চিরাচরিত ইন্দ্রযাগ খন্ডন করে যখন শ্রীগোবর্ধন যাগ স্থাপন করেন,তখন ইন্দ্র ক্রোধান্ধ হয়ে ব্রজনাশের জন্য সাম্বর্তকাদি প্রলয়ের মেঘগণকে বিপুল বারিবর্ষণ করতে বলেন এবং করেছিলেন।* *শ্রীকৃষ্ণ অন‍্য উপায়েও ইন্দ্রের গর্ব খন্ডন করতে পারতেন, কিন্তু শ্রীগিরিরাজের মহিমা প্রচার এবং সুদুর্লভ দর্শনা শ্রীরাধাদি গোপীগণকে অবাধে দীর্ঘ সময় দর্শন করবার লোভে সপ্ত দিবানিশি বাম করাঙ্গুলীতে গিরিরাজ গোবর্ধনকে ধারণ করেছিলেন।দীর্ঘ সপ্ত অহোরাত্র শ্রীরাধারাণীকে দর্শন করে তিনি এতই আনন্দিত হন যে,মহাঅপরাধী ইন্দ্রের সামান্য স্তবে পরম সন্তুষ্ট হয়ে তাঁর সঙ্গে আলাপাদি করেন।* *ব্রহ্মা ইন্দ্র অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ অধিকারী,শ্রীকৃষ্ণের নন্দন এবং সৃষ্টিকর্তা কিন্তু তিনি ব্রহ্মমোহন লীলায় শ্রীকৃষ্ণের গোপবালক এবং গোবৎসগণকে শ্রীকৃষ্ণের কাছ হতে সরিয়ে নিবার ইচ্ছা করেছিলেন বলে ব্রহ্মা অপরাধ ক্ষমাপণের জন্য শ্রীকৃষ্ণের ঐশ্বর্য‍্য- মাধুর্য‍্যময় দীর্ঘ স্তব করলেও শ্রীকৃষ্ণ ব্রহ্মার সঙ্গে কিছুমাত্রও বাক‍্যালাপ করেন নাই।যিনি রাধারাণীকে দর্শন করবার লালসায় আহার নিদ্রা ভুলে সাতদিনরাত সুবিশাল গিরিরাজকে ধারণ করেছিলেন,সেই রাধার চরণরেণু যদি কেউ ভক্তিভরে অঙ্গের ভূষণ করেন,তিনি সেই গিরিধারীকে অনায়াসেই লাভ করবেন।* 
      *ক্রমশ*


*🌻পক্ষান্তরে শ্রীরাধারাণীর শ্রীচরণরজ আরাধনা ছাড়া শ‍্যামমাধুরী আস্বাদনের কোন উপায়ই নাই।শ্রীরঘুনাথদাস গোস্বামীপাদ তাঁর স্ব সঙ্কল্পপ্রকাশ-স্তোত্রে লিখেছেন,*
*অনারাধ‍্য রাধাপদাম্ভোজরেণুমনাশ্রিত‍্য বৃন্দাটবীং তৎপদাঙ্কাম্।*
*অসম্ভায‍্য তদ্ভাবগম্ভীরচিত্তান্ কুতঃ শ‍্যামসিন্ধোঃ রসস‍্যাবগাহঃ?*
*🌻অর্থ‍্যাৎ "শ্রীরাধার পাদপদ্মরেণু আরাধনা ব‍্যতীত,শ্রীরাধা পদাঙ্কিত শ্রীবৃন্দাবন আশ্রয় ব‍্যতীত,শ্রীরাধার ভাবে গম্ভীরচেতা বা চিন্তা ভক্তগণের সঙ্গে,সম্ভাষণ ছাড়া কেমন করে শ‍্যাম রসসিন্ধুর রসে অবগাহণ বা স্নান হতে পারে?*
*🙏একমাত্র শ্রীরাধাশক্তি(পরম মহাভাব স্বরূপিনী) ছাড়া আর কোন শক্তিই অনন্তকোটি ব্রহ্মান্ডে আর উপায়ই নাই।মন আর মুখ এক করে যদি কেহ শ্রীরাধা আরাধনায় অবগাহণ করেন তবে অনায়াসে শ্রীগোবিন্দ চরণ লাভ হবে।*
*🙏শ্রীশ্রীরাধাগোবিন্দের জয়🙏*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



যার মুখে ভাই হরি কথা নাই, তার কাছে তুমি যেওনা, যার মুখ দেখে ভুলে যাবে হরি, তার মুখপানে চেওনা 🙏 সংগৃহীত 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/08/blog-post_16.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
            ꧁ যার মুখে ভাই হরি কথা নাই ꧂
               ꧁ তার কাছে তুমি যেওনা ꧂
          ꧁ যার মুখ দেখে ভুলে যাবে হরি 
                 ꧁ তার মুখপানে চেওনা 
                        👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
              ꧁ স্তত্রম- বন্দনা- গীত- আরতি ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
যার মুখে ভাই হরি কথা নাই,
তার কাছে তুমি যেওনা,
যার মুখ দেখে ভুলে যাবে হরি,
তার মুখপানে চেওনা।।

ক'দিন রহিবে ভব মাঝে আর,
অবিলম্বে কর যাহা করিবার।।
পরের কথায় কিবা আসে যায়,
মিছে দাগা তুমি পেওনা।
যার মুখে ভাই হরি কথা নাই
তার কাছে তুমি যেওনা
যার মুখ দেখে ভুলে যাবে হরি
তার মুখপানে চেওনা।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
            ꧁ যার মুখে ভাই হরি কথা নাই ꧂
               ꧁ তার কাছে তুমি যেওনা ꧂
          ꧁ যার মুখ দেখে ভুলে যাবে হরি 
                 ꧁ তার মুখপানে চেওনা 
                        👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
কে তোমাকে কবে কি কথা কহিবে,
সে কথা ভাবিলে আর কি চলিবে।।
বিপদে সম্পদে রাখিবে যে পদে
তার পদ কেন ভাবো না।
যার মুখে ভাই হরি কথা নাই
তার কাছে তুমি যেওনা
যার মুখ দেখে ভুলে যাবে হরি
তার মুখপানে চেওনা।

হরি কথা কও,হরিগুণ গাও,
হরি নাম রসে সদা মত্ত হও।।
হরিনাম গীতি গাও নিতি নিতি
অন্য কোন গীতি গেওনা।
যার মুখে ভাই হরি কথা নাই
তার কাছে তুমি যেওনা
যার মুখ দেখে ভুলে যাবে হরি
তার মুখপানে চেওনা।
যার মুখে ভাই হরি কথা নাই
তার কাছে তুমি যেওনা
যার মুখ দেখে ভুলে যাবে হরি
তার মুখপানে চেওনা।
যার মুখে ভাই হরি কথা নাই
তার কাছে তুমি যেওনা
যার মুখ দেখে ভুলে যাবে হরি
তার মুখপানে চেওনা।
( সংগৃহীত )
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧





যার মুখে ভাই হরি কথা নাই, তার কাছে তুমি যেওনা, যার মুখ দেখে ভুলে যাবে হরি, তার মুখপানে চেওনা 🙏 সংগৃহীত 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/08/blog-post_16.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
            ꧁ যার মুখে ভাই হরি কথা নাই ꧂
               ꧁ তার কাছে তুমি যেওনা ꧂
          ꧁ যার মুখ দেখে ভুলে যাবে হরি 
                 ꧁ তার মুখপানে চেওনা 
                        👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
              ꧁ স্তত্রম- বন্দনা- গীত- আরতি ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
যার মুখে ভাই হরি কথা নাই,
তার কাছে তুমি যেওনা,
যার মুখ দেখে ভুলে যাবে হরি,
তার মুখপানে চেওনা।।

ক'দিন রহিবে ভব মাঝে আর,
অবিলম্বে কর যাহা করিবার।।
পরের কথায় কিবা আসে যায়,
মিছে দাগা তুমি পেওনা।
যার মুখে ভাই হরি কথা নাই
তার কাছে তুমি যেওনা
যার মুখ দেখে ভুলে যাবে হরি
তার মুখপানে চেওনা।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
            ꧁ যার মুখে ভাই হরি কথা নাই ꧂
               ꧁ তার কাছে তুমি যেওনা ꧂
          ꧁ যার মুখ দেখে ভুলে যাবে হরি 
                 ꧁ তার মুখপানে চেওনা 
                        👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
কে তোমাকে কবে কি কথা কহিবে,
সে কথা ভাবিলে আর কি চলিবে।।
বিপদে সম্পদে রাখিবে যে পদে
তার পদ কেন ভাবো না।
যার মুখে ভাই হরি কথা নাই
তার কাছে তুমি যেওনা
যার মুখ দেখে ভুলে যাবে হরি
তার মুখপানে চেওনা।

হরি কথা কও,হরিগুণ গাও,
হরি নাম রসে সদা মত্ত হও।।
হরিনাম গীতি গাও নিতি নিতি
অন্য কোন গীতি গেওনা।
যার মুখে ভাই হরি কথা নাই
তার কাছে তুমি যেওনা
যার মুখ দেখে ভুলে যাবে হরি
তার মুখপানে চেওনা।
যার মুখে ভাই হরি কথা নাই
তার কাছে তুমি যেওনা
যার মুখ দেখে ভুলে যাবে হরি
তার মুখপানে চেওনা।
যার মুখে ভাই হরি কথা নাই
তার কাছে তুমি যেওনা
যার মুখ দেখে ভুলে যাবে হরি
তার মুখপানে চেওনা।
( সংগৃহীত )
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧





ব্রজের চার প্রকার ভাব বা রস

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
            ꧁ ব্রজের চার প্রকার ভাব বা রস 
                        👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
কলিহত জীবের উদ্ধারের জন্য স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কৃপাপূর্বক শ্রীশ্রীগৌর-সুন্দররুপে অবতীর্ণ হলেন ব্রজের সেই লুপ্ত লীলা এবং সর্বশ্রেষ্ঠ রসের প্রকাশের নিমিত্তে। 
উন্নত এবং সর্বশ্রেষ্ঠ রস হল মধুর রস। ব্রজেন্দ্র-নন্দন ব্রজে চার ভাবে ভক্তের প্রেমরস আস্বাদন করেছেন।
যথা ------
১. দাস্য
২. সখ্য 
৩. বাৎসল্য 
৪. মধুর 
ব্রজবাসিজনের শ্রীকৃষ্ণ মমতা- বুদ্ধির গাঢ়তা অনুযায়ী প্রীতিবিধানের উৎকণ্ঠাও তীব্র থেকে তীব্রতম হয়ে থাকে। শ্রীকৃষ্ণ তাদের একান্ত আপনজন কিন্তু তাদেরও মমতা বুদ্ধির তারতম্য আছে। তাই দাস্য অপেক্ষায় সখ্য। সখ্য অপেক্ষায় বাৎসল্য। বাৎসল্য অপেক্ষায় মধুর প্রেমের মমতা এবং তীব্রতা বেশী। 
শ্রীকৃষ্ণের রসাস্বাদন চমৎকারিতা এবং প্রেমবস্যতাও অনেক বেশি এই কারণে দাস্য অপেক্ষায় সখ্য। সখ্য অপেক্ষায় বাৎসল্য। বাৎসল্য অপেক্ষায় মধুর ভাব শ্রেষ্ঠ।

মধুর রসের আর একটি নাম শৃঙ্গার রস। 
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং নিজেই বলেছেন ----------------
" সব রস হৈতে শৃঙ্গারে অধিক মাধুরী।" ১|৪|৪০
"পরিপূর্ণ কৃষ্ণপ্রাপ্তি এই প্রেমা হইতে।" ২|৮|৬৯
ভক্ত কেবল প্রেমের মাধ্যমেই শ্রীকৃষ্ণের মাধুর্য্য আস্বাদন করতে পারেন। সুতরাং দাস্য-সখ্য-বাৎসল্য অপেক্ষায় মধুরভাবেই শ্রীকৃষ্ণমাধুর্য আস্বাদনের সর্বশ্রেষ্ঠ উৎকর্ষতা। এই উজ্জল রস অর্থাৎ শ্রেষ্ঠবস্তু সকলকে দান করিবার জন্যই ভক্ত রুপে স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভু অবতীর্ণ হয়েছেন ।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






ব্রজের চার প্রকার ভাব বা রস

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
            ꧁ ব্রজের চার প্রকার ভাব বা রস 
                        👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
কলিহত জীবের উদ্ধারের জন্য স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কৃপাপূর্বক শ্রীশ্রীগৌর-সুন্দররুপে অবতীর্ণ হলেন ব্রজের সেই লুপ্ত লীলা এবং সর্বশ্রেষ্ঠ রসের প্রকাশের নিমিত্তে। 
উন্নত এবং সর্বশ্রেষ্ঠ রস হল মধুর রস। ব্রজেন্দ্র-নন্দন ব্রজে চার ভাবে ভক্তের প্রেমরস আস্বাদন করেছেন।
যথা ------
১. দাস্য
২. সখ্য 
৩. বাৎসল্য 
৪. মধুর 
ব্রজবাসিজনের শ্রীকৃষ্ণ মমতা- বুদ্ধির গাঢ়তা অনুযায়ী প্রীতিবিধানের উৎকণ্ঠাও তীব্র থেকে তীব্রতম হয়ে থাকে। শ্রীকৃষ্ণ তাদের একান্ত আপনজন কিন্তু তাদেরও মমতা বুদ্ধির তারতম্য আছে। তাই দাস্য অপেক্ষায় সখ্য। সখ্য অপেক্ষায় বাৎসল্য। বাৎসল্য অপেক্ষায় মধুর প্রেমের মমতা এবং তীব্রতা বেশী। 
শ্রীকৃষ্ণের রসাস্বাদন চমৎকারিতা এবং প্রেমবস্যতাও অনেক বেশি এই কারণে দাস্য অপেক্ষায় সখ্য। সখ্য অপেক্ষায় বাৎসল্য। বাৎসল্য অপেক্ষায় মধুর ভাব শ্রেষ্ঠ।

মধুর রসের আর একটি নাম শৃঙ্গার রস। 
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং নিজেই বলেছেন ----------------
" সব রস হৈতে শৃঙ্গারে অধিক মাধুরী।" ১|৪|৪০
"পরিপূর্ণ কৃষ্ণপ্রাপ্তি এই প্রেমা হইতে।" ২|৮|৬৯
ভক্ত কেবল প্রেমের মাধ্যমেই শ্রীকৃষ্ণের মাধুর্য্য আস্বাদন করতে পারেন। সুতরাং দাস্য-সখ্য-বাৎসল্য অপেক্ষায় মধুরভাবেই শ্রীকৃষ্ণমাধুর্য আস্বাদনের সর্বশ্রেষ্ঠ উৎকর্ষতা। এই উজ্জল রস অর্থাৎ শ্রেষ্ঠবস্তু সকলকে দান করিবার জন্যই ভক্ত রুপে স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভু অবতীর্ণ হয়েছেন ।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






শ্রীশ্রীচৈতন্য চরিতামৃত হইতে কিছু শিক্ষা 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/08/pdf-httpsmrinmoynandy_20.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    ꧁ শ্রীশ্রীচৈতন্য চরিতামৃত হইতে কিছু শিক্ষা ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শিক্ষাগুরুকে ত জানি কৃষ্ণের স্বরূপ।  
অন্তর্য্যামী ভক্ত শ্রেষ্ঠ এই দুই রূপ। 
(শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত , আদিলীলা )


জীবে সাক্ষাৎ নাহি তাতে গুরু চৈতন্যর ।
শিক্ষাগুরু হয় কৃষ্ণ মহান্ত -স্বরূপ।।
(শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত , আদিলীলা )



ঈশ্বর স্বরূপ ভক্ত তাঁর অধিষ্ঠান।
ভক্তের হৃদয়ে কৃষ্ণের সতত বিশ্রাম।।
(শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত , আদিলীলা )


নন্দসুত বলি যাঁরে ভাগবতে গাই। 
সেই কৃষ্ণ অবতীর্ণ চৈতন্য গোসাঞি।।
প্রকাশ- বিশেষে তেঁহো ধরে তিন নাম।
ব্রহ্ম পরমাত্মা আর পূর্ণ ভগবান্।।
(শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত , আদিলীলা )

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    ꧁ শ্রীশ্রীচৈতন্য চরিতামৃত হইতে কিছু শিক্ষা ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

সত্য ত্রেতা দ্বাপর কলি চারিযুগ জানি।
সেই চারিযুগ দিব্য এক যুগ মানি।।
একাত্তর চতুর্য্যুগে এক মন্বন্তর।
চৌদ্দ মন্বন্তর ব্রহ্মার দিবস- ভিতর।।
বৈবস্বত নাম এই সপ্তম মন্বন্তর।
সাতাইশ চতুর্যুগে গেল তাহার অন্তর।।
অষ্টাবিংশ  চতুর্যুগে দ্বাপরের শেষে।
ব্রজের সহিতে হয় কৃষ্ণের প্রকাশে।।
দাস্য সখ্য বাৎসল্য শৃঙ্গার চারি রস।
চারিভাবে ভক্ত যত কৃষ্ণ তার বশ।।
(শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত , আদিলীলা, তৃতীয় পরিচ্ছেদ )



এত ভাবি কলিকালে প্রথম সন্ধ্যায়।
অবতীর্ন হৈলা কৃষ্ণ আপান নদীয়ায়।।
(শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত , আদিলীলা, তৃতীয় পরিচ্ছেদ )



সঙ্কীর্ত্তন- প্রবর্ত্তক শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য
সঙ্কীর্ত্তন- যজ্ঞে তাঁরে ভজে সেই ধন্য।।
সেই ত সুমেধা আর কুবুদ্ধি সংসার।
সর্ব্বযজ্ঞ হৈতে কৃষ্ণনামযজ্ঞ সার।।
কোটি অশ্বমেধ এক কৃষ্ণনাম সম।
যেই কহে সে পাষণ্ডী দণ্ডে তারে যম।।
(শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত , আদিলীলা, তৃতীয় পরিচ্ছেদ )



নাম বিনু কলিকালে ধর্ম্ম নাহি আর।
কলিকালে কৈছে হবে কৃষ্ণ অবতার 
(শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত , আদিলীলা, তৃতীয় পরিচ্ছেদ )


  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    ꧁ শ্রীশ্রীচৈতন্য চরিতামৃত হইতে কিছু শিক্ষা ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


আমাকেত যে যে ভক্ত ভজে যেই ভাবে।
তারে সে সে ভাবে ভজি এ মোর স্বভাবে।।
(শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত , আদিলীলা, চতুর্থ পরিচ্ছেদ )



সেই রাধার ভাব লঞা চৈত্যন্যাবতার।
যুগধর্ম্ম নাম প্রেম কৈল পরচার।।
সেই ভাবে নিজ বাঞ্চা করিল পূরণ।
অবতারের এই বাঞ্চা মূল যে কারণ।।
শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য গোসাঞি ব্রজেন্দ্রকুমার।
রসময় মূর্ত্তি কৃষ্ণ সাক্ষাৎ শৃঙ্গার।।
সেই রস আস্বাদিতে কৈল অবতার।
আনুসঙ্গে কৈল সব রসের প্রচার।।
(শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত , আদিলীলা, চতুর্থ পরিচ্ছেদ )


 
আত্মেন্দ্রিয় প্রীতি-বাঞ্ছা- -তারে বলি, 'কাম' ।
কৃষ্ণেন্দ্রিয়প্রীতি-ইচ্ছা ধরে 'প্রেম' নাম ।।
(শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত , আদিলীলা, চতুর্থ পরিচ্ছেদ )
অনুবাদঃ- নিজের ইন্দ্রিয়-তৃপ্তির বাসনাকে বলা হয় কাম, আর শ্রীকৃষ্ণের ইন্দ্রিয়ের প্রীতি সাধনের ইচ্ছাকে বলা হয় প্রেম ।


কৃষ্ণবর্ণং ত্বিষাকৃষ্ণং সাঙ্গোপাঙ্গাস্ত্রপার্ষদম্।
যজ্ঞৈঃ সঙ্কীর্ত্তনপ্রায়ৈর্যজন্তি হি সুমেধসঃ।।    
তত্রৈব (১১|৫|২৯) 


একলে ঈশ্বর কৃষ্ণ, আর সব ভৃত্য ।
যারে যৈছে নাচায়, সে তৈছে করে নৃত্য ।।
(চৈঃ চঃ আদি ৫/১৪২)
অনুবাদঃ- একমাত্র শ্রীকৃষ্ণই হচ্ছেন পরম ঈশ্বর এবং অন্য সকলেই তাঁর সেবক। তিনি যেভাবে নির্দেশ দেন, তাঁরা সেভাবেই নৃত্য করেন ।

কলিকালে নামরূপে কৃষ্ণ-অবতার ।
নাম হৈতে হয় সর্বজগতৎ-নিস্তার ।।
(চৈঃ চঃ আদি ১৭/২২)
অনুবাদঃ- এই কলিযুগে ভগবানের দিব্যনাম 'হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র' হচ্ছে শ্রীকৃষ্ণের অবতার। কেবলমাত্র এই দিব্যনাম গ্রহণ করার ফলে, যে কোন মানুষ সরাসরিভাবে ভগবানের সঙ্গ লাভ করতে পারেন। যিনি তা করেন, তিনি অবশ্যই উদ্ধার লাভ করেন। এই নামের প্রভাবেই কেবল সমস্ত জগৎ নিস্তার পেতে পারে।

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    ꧁ শ্রীশ্রীচৈতন্য চরিতামৃত হইতে কিছু শিক্ষা ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

'সাধুসঙ্গ', 'সাধুসঙ্গ' - সর্বশাস্ত্রে কয় ।
লবমাত্র সাধুসঙ্গে সর্বসিদ্ধি হয় ।।
(চৈঃ চঃ মধ্য ২২/৫৪)
অনুবাদঃ- সমস্ত শাস্ত্রের সিদ্ধান্ত হচ্ছে যে, শুদ্ধ ভক্তের সঙ্গ যদি মুহূর্তের জন্যও লাভ করা যায়, তা হলেই সর্বসিদ্ধি লাভ হয়।


কৃষ্ণভক্ত- নিষ্কাম, অতএব 'শান্ত' ।
ভুক্তি-মুক্তি-সিদ্ধি-কামী-- সকলি 'অশান্ত' ।।
(চৈঃ চঃ মধ্য ১৯/১৪৯)
অনুবাদঃ- কৃষ্ণভক্ত নিষ্কাম বলেই শান্ত। সকাম কর্মীরা জড় ভোগ কামনা করেন, জ্ঞানীরা মুক্তি কামনা করেন, আর যোগীরা জড়-জাগতিক সিদ্ধি কামনা করেন। তাই এরা সকলেই কামার্ত ও অশান্ত।


যাঁর চিত্তে কৃষ্ণপ্রেমা করয়ে উদয়।
তাঁর বাক্য, ক্রিয়া, মুদ্রা বিজ্ঞেহ না বুঝয় ।।
চৈঃ চঃ মধ্য ২৩/৩৯)
অনুবাদঃ- যাঁর চিত্তে কৃষ্ণপ্রেমের উদয় হয়, তাঁর কথাবার্তা, কার্যকলাপ এবং আচার-আচরণ বিজ্ঞেরাও বুঝতে পারেন না।


'শ্রদ্ধা'-শব্দে- বিশ্বাস কহে সুদৃঢ় নিশ্চয় ।
কৃষ্ণে ভক্তি কৈলে সর্বকর্ম কৃত হয় ।।
(চৈঃ চঃ মধ্য ২২/৬২)
অনুবাদঃ- কৃষ্ণভক্তি সম্পাদিত হলে অন্য সমস্ত কর্ম আপনা থেকেই সম্পাদিত হয়ে যায়। এই সুদৃঢ় বিশ্বাসকে বলা হয় শ্রদ্ধা।


কিবা বিপ্র, কিবা ন্যাসী, শূদ্র কেনে নয় ।
যেই কৃষ্ণতত্ত্ববেত্তা, সেই 'গুরু' হয় ।।
(চৈঃ চঃ মধ্য ৮/১২৮)
অনুবাদঃ- যিনি কৃষ্ণ-তত্ত্ববেত্তা তিনিই গুরু, তা তিনি ব্রাহ্মণ হোন, কিংবা সন্ন্যাসীই হোন অথবা শূদ্রই হোন, তাতে কিছুই যায় আসে না।

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    ꧁ শ্রীশ্রীচৈতন্য চরিতামৃত হইতে কিছু শিক্ষা ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

'কে আমি', 'কেনে আমায় জারে তাপত্রয়' ।
ইহা নাহি জানি-- 'কেমনে হিত হয়' ।।
(চৈঃ চঃ মধ্য ২০/১০২)
অনুবাদঃ- আমি কে? কেন জড় জগতের তিনটি তাপ আমাকে নিরন্তর দুঃখ দেয়? আমি যদি তা না জানি, তা হলে কিভাবে আমার যথার্থ মঙ্গল সাধিত হবে?


ব্রহ্মাণ্ড ভ্রমিতে কোন ভাগ্যবান জীব ।
গুরু-কৃষ্ণ প্রসাদে পায় ভক্তিলতা-বীজ।।
(চৈঃ চঃ মধ্য ১৯/১৫১)
অনুবাদঃ- জীব তার কর্ম অনুসারে ব্রহ্মাণ্ডে ভ্রমণ করে। কখনও সে উচ্চতর লোকে উন্নীত হয় এবং কখনও নিম্নতর লোকে অধঃপতিত হয়। এভাবেই ভ্রমণরত অসংখ্য জীবের মধ্যে কদাচিৎ কোন একটি জীব তার অসীম সৌভাগ্যের ফলে, শ্রীকৃষ্ণের কৃপায় সদগুরুর সান্নিধ্য লাভ করে। এভাবেই গুরু ও কৃষ্ণ, উভয়ের কৃপার প্রভাবে জীব ভক্তিলতার বীজ প্রাপ্ত হয়।


কৃষ্ণ- সূর্যসম; মায়া হয় অন্ধকার ।
যাহাঁ কৃষ্ণ, তাহাঁ নাহি মায়ার অধিকার ।।
(চৈঃ চঃ মধ্য ২২/৩১)
অনুবাদঃ- শ্রীকৃষ্ণকে সূর্যের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে এবং মায়াকে অন্ধকারের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। সূর্য-কিরণের প্রকাশ হলে যেমন আর সেখানে অন্ধকার থাকতে পারে না, তেমনই কেউ যদি কৃষ্ণভক্তির পন্থা অবলম্বন করেন, তখন মায়ার অন্ধকার তৎক্ষণাৎ সেখান থেকে দূর হয়ে যায়।


কৃষ্ণ ভুলি' সেই জীব অনাদি- বহির্মুখ ।
অতএব মায়া তারে দেয় সংসার-দুঃখ।।
(চৈঃ চঃ মধ্য ২০/১১৭)
অনুবাদঃ- শ্রীকৃষ্ণকে ভুলে জীব অনাদিকাল ধরে জড়া প্রকৃতির প্রতি আকৃষ্ট হয়ে রয়েছে। তাই মায়া তাকে এই জড় জগতে নানা প্রকার দুঃখ প্রদান করছে ।


  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    ꧁ শ্রীশ্রীচৈতন্য চরিতামৃত হইতে কিছু শিক্ষা ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


জীবের 'স্বরূপ' হয়- কৃষ্ণের 'নিত্যদাস' ।
কৃষ্ণের 'তটস্থা-শক্তি,' 'ভেদাভেদ-প্রকাশ' ।।
(চৈঃ চঃ মধ্য ২০/১০৮)
অনুবাদঃ- জীব তার স্বরূপে শ্রীকৃষ্ণের নিত্যদাস। সে শ্রীকৃষ্ণের তটস্থা শক্তি, তাই সে যুগপৎ শ্রীকৃষ্ণের ভেদ ও অভেদ প্রকাশ।


তৃণাদপি সুনীচেন তরোরপি সহিষ্ণুণা।
অমানিনা নানদেন কীর্তনীয়ঃ সদা হরিঃ।। ৩।।
অনুবাদঃ- ‍যিনি তৃণাপেক্ষা আপনাকে ক্ষুদ্র জ্ঞান করেন, ‍যিনি তরুর মত সহিষ্ণু হন, নিজে মানশূন্য হয়ে অপর লোককে সম্মান প্রদান করেন, তিনিই সর্বদা হরিকীর্তনের অধিকারী।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧     
 ক্রমশ
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧




শ্রীশ্রীচৈতন্য চরিতামৃত হইতে কিছু শিক্ষা 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/08/pdf-httpsmrinmoynandy_20.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    ꧁ শ্রীশ্রীচৈতন্য চরিতামৃত হইতে কিছু শিক্ষা ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
শিক্ষাগুরুকে ত জানি কৃষ্ণের স্বরূপ।  
অন্তর্য্যামী ভক্ত শ্রেষ্ঠ এই দুই রূপ। 
(শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত , আদিলীলা )


জীবে সাক্ষাৎ নাহি তাতে গুরু চৈতন্যর ।
শিক্ষাগুরু হয় কৃষ্ণ মহান্ত -স্বরূপ।।
(শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত , আদিলীলা )



ঈশ্বর স্বরূপ ভক্ত তাঁর অধিষ্ঠান।
ভক্তের হৃদয়ে কৃষ্ণের সতত বিশ্রাম।।
(শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত , আদিলীলা )


নন্দসুত বলি যাঁরে ভাগবতে গাই। 
সেই কৃষ্ণ অবতীর্ণ চৈতন্য গোসাঞি।।
প্রকাশ- বিশেষে তেঁহো ধরে তিন নাম।
ব্রহ্ম পরমাত্মা আর পূর্ণ ভগবান্।।
(শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত , আদিলীলা )

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    ꧁ শ্রীশ্রীচৈতন্য চরিতামৃত হইতে কিছু শিক্ষা ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

সত্য ত্রেতা দ্বাপর কলি চারিযুগ জানি।
সেই চারিযুগ দিব্য এক যুগ মানি।।
একাত্তর চতুর্য্যুগে এক মন্বন্তর।
চৌদ্দ মন্বন্তর ব্রহ্মার দিবস- ভিতর।।
বৈবস্বত নাম এই সপ্তম মন্বন্তর।
সাতাইশ চতুর্যুগে গেল তাহার অন্তর।।
অষ্টাবিংশ  চতুর্যুগে দ্বাপরের শেষে।
ব্রজের সহিতে হয় কৃষ্ণের প্রকাশে।।
দাস্য সখ্য বাৎসল্য শৃঙ্গার চারি রস।
চারিভাবে ভক্ত যত কৃষ্ণ তার বশ।।
(শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত , আদিলীলা, তৃতীয় পরিচ্ছেদ )



এত ভাবি কলিকালে প্রথম সন্ধ্যায়।
অবতীর্ন হৈলা কৃষ্ণ আপান নদীয়ায়।।
(শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত , আদিলীলা, তৃতীয় পরিচ্ছেদ )



সঙ্কীর্ত্তন- প্রবর্ত্তক শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য
সঙ্কীর্ত্তন- যজ্ঞে তাঁরে ভজে সেই ধন্য।।
সেই ত সুমেধা আর কুবুদ্ধি সংসার।
সর্ব্বযজ্ঞ হৈতে কৃষ্ণনামযজ্ঞ সার।।
কোটি অশ্বমেধ এক কৃষ্ণনাম সম।
যেই কহে সে পাষণ্ডী দণ্ডে তারে যম।।
(শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত , আদিলীলা, তৃতীয় পরিচ্ছেদ )



নাম বিনু কলিকালে ধর্ম্ম নাহি আর।
কলিকালে কৈছে হবে কৃষ্ণ অবতার 
(শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত , আদিলীলা, তৃতীয় পরিচ্ছেদ )


  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    ꧁ শ্রীশ্রীচৈতন্য চরিতামৃত হইতে কিছু শিক্ষা ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


আমাকেত যে যে ভক্ত ভজে যেই ভাবে।
তারে সে সে ভাবে ভজি এ মোর স্বভাবে।।
(শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত , আদিলীলা, চতুর্থ পরিচ্ছেদ )



সেই রাধার ভাব লঞা চৈত্যন্যাবতার।
যুগধর্ম্ম নাম প্রেম কৈল পরচার।।
সেই ভাবে নিজ বাঞ্চা করিল পূরণ।
অবতারের এই বাঞ্চা মূল যে কারণ।।
শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য গোসাঞি ব্রজেন্দ্রকুমার।
রসময় মূর্ত্তি কৃষ্ণ সাক্ষাৎ শৃঙ্গার।।
সেই রস আস্বাদিতে কৈল অবতার।
আনুসঙ্গে কৈল সব রসের প্রচার।।
(শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত , আদিলীলা, চতুর্থ পরিচ্ছেদ )


 
আত্মেন্দ্রিয় প্রীতি-বাঞ্ছা- -তারে বলি, 'কাম' ।
কৃষ্ণেন্দ্রিয়প্রীতি-ইচ্ছা ধরে 'প্রেম' নাম ।।
(শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত , আদিলীলা, চতুর্থ পরিচ্ছেদ )
অনুবাদঃ- নিজের ইন্দ্রিয়-তৃপ্তির বাসনাকে বলা হয় কাম, আর শ্রীকৃষ্ণের ইন্দ্রিয়ের প্রীতি সাধনের ইচ্ছাকে বলা হয় প্রেম ।


কৃষ্ণবর্ণং ত্বিষাকৃষ্ণং সাঙ্গোপাঙ্গাস্ত্রপার্ষদম্।
যজ্ঞৈঃ সঙ্কীর্ত্তনপ্রায়ৈর্যজন্তি হি সুমেধসঃ।।    
তত্রৈব (১১|৫|২৯) 


একলে ঈশ্বর কৃষ্ণ, আর সব ভৃত্য ।
যারে যৈছে নাচায়, সে তৈছে করে নৃত্য ।।
(চৈঃ চঃ আদি ৫/১৪২)
অনুবাদঃ- একমাত্র শ্রীকৃষ্ণই হচ্ছেন পরম ঈশ্বর এবং অন্য সকলেই তাঁর সেবক। তিনি যেভাবে নির্দেশ দেন, তাঁরা সেভাবেই নৃত্য করেন ।

কলিকালে নামরূপে কৃষ্ণ-অবতার ।
নাম হৈতে হয় সর্বজগতৎ-নিস্তার ।।
(চৈঃ চঃ আদি ১৭/২২)
অনুবাদঃ- এই কলিযুগে ভগবানের দিব্যনাম 'হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র' হচ্ছে শ্রীকৃষ্ণের অবতার। কেবলমাত্র এই দিব্যনাম গ্রহণ করার ফলে, যে কোন মানুষ সরাসরিভাবে ভগবানের সঙ্গ লাভ করতে পারেন। যিনি তা করেন, তিনি অবশ্যই উদ্ধার লাভ করেন। এই নামের প্রভাবেই কেবল সমস্ত জগৎ নিস্তার পেতে পারে।

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    ꧁ শ্রীশ্রীচৈতন্য চরিতামৃত হইতে কিছু শিক্ষা ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

'সাধুসঙ্গ', 'সাধুসঙ্গ' - সর্বশাস্ত্রে কয় ।
লবমাত্র সাধুসঙ্গে সর্বসিদ্ধি হয় ।।
(চৈঃ চঃ মধ্য ২২/৫৪)
অনুবাদঃ- সমস্ত শাস্ত্রের সিদ্ধান্ত হচ্ছে যে, শুদ্ধ ভক্তের সঙ্গ যদি মুহূর্তের জন্যও লাভ করা যায়, তা হলেই সর্বসিদ্ধি লাভ হয়।


কৃষ্ণভক্ত- নিষ্কাম, অতএব 'শান্ত' ।
ভুক্তি-মুক্তি-সিদ্ধি-কামী-- সকলি 'অশান্ত' ।।
(চৈঃ চঃ মধ্য ১৯/১৪৯)
অনুবাদঃ- কৃষ্ণভক্ত নিষ্কাম বলেই শান্ত। সকাম কর্মীরা জড় ভোগ কামনা করেন, জ্ঞানীরা মুক্তি কামনা করেন, আর যোগীরা জড়-জাগতিক সিদ্ধি কামনা করেন। তাই এরা সকলেই কামার্ত ও অশান্ত।


যাঁর চিত্তে কৃষ্ণপ্রেমা করয়ে উদয়।
তাঁর বাক্য, ক্রিয়া, মুদ্রা বিজ্ঞেহ না বুঝয় ।।
চৈঃ চঃ মধ্য ২৩/৩৯)
অনুবাদঃ- যাঁর চিত্তে কৃষ্ণপ্রেমের উদয় হয়, তাঁর কথাবার্তা, কার্যকলাপ এবং আচার-আচরণ বিজ্ঞেরাও বুঝতে পারেন না।


'শ্রদ্ধা'-শব্দে- বিশ্বাস কহে সুদৃঢ় নিশ্চয় ।
কৃষ্ণে ভক্তি কৈলে সর্বকর্ম কৃত হয় ।।
(চৈঃ চঃ মধ্য ২২/৬২)
অনুবাদঃ- কৃষ্ণভক্তি সম্পাদিত হলে অন্য সমস্ত কর্ম আপনা থেকেই সম্পাদিত হয়ে যায়। এই সুদৃঢ় বিশ্বাসকে বলা হয় শ্রদ্ধা।


কিবা বিপ্র, কিবা ন্যাসী, শূদ্র কেনে নয় ।
যেই কৃষ্ণতত্ত্ববেত্তা, সেই 'গুরু' হয় ।।
(চৈঃ চঃ মধ্য ৮/১২৮)
অনুবাদঃ- যিনি কৃষ্ণ-তত্ত্ববেত্তা তিনিই গুরু, তা তিনি ব্রাহ্মণ হোন, কিংবা সন্ন্যাসীই হোন অথবা শূদ্রই হোন, তাতে কিছুই যায় আসে না।

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    ꧁ শ্রীশ্রীচৈতন্য চরিতামৃত হইতে কিছু শিক্ষা ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

'কে আমি', 'কেনে আমায় জারে তাপত্রয়' ।
ইহা নাহি জানি-- 'কেমনে হিত হয়' ।।
(চৈঃ চঃ মধ্য ২০/১০২)
অনুবাদঃ- আমি কে? কেন জড় জগতের তিনটি তাপ আমাকে নিরন্তর দুঃখ দেয়? আমি যদি তা না জানি, তা হলে কিভাবে আমার যথার্থ মঙ্গল সাধিত হবে?


ব্রহ্মাণ্ড ভ্রমিতে কোন ভাগ্যবান জীব ।
গুরু-কৃষ্ণ প্রসাদে পায় ভক্তিলতা-বীজ।।
(চৈঃ চঃ মধ্য ১৯/১৫১)
অনুবাদঃ- জীব তার কর্ম অনুসারে ব্রহ্মাণ্ডে ভ্রমণ করে। কখনও সে উচ্চতর লোকে উন্নীত হয় এবং কখনও নিম্নতর লোকে অধঃপতিত হয়। এভাবেই ভ্রমণরত অসংখ্য জীবের মধ্যে কদাচিৎ কোন একটি জীব তার অসীম সৌভাগ্যের ফলে, শ্রীকৃষ্ণের কৃপায় সদগুরুর সান্নিধ্য লাভ করে। এভাবেই গুরু ও কৃষ্ণ, উভয়ের কৃপার প্রভাবে জীব ভক্তিলতার বীজ প্রাপ্ত হয়।


কৃষ্ণ- সূর্যসম; মায়া হয় অন্ধকার ।
যাহাঁ কৃষ্ণ, তাহাঁ নাহি মায়ার অধিকার ।।
(চৈঃ চঃ মধ্য ২২/৩১)
অনুবাদঃ- শ্রীকৃষ্ণকে সূর্যের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে এবং মায়াকে অন্ধকারের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। সূর্য-কিরণের প্রকাশ হলে যেমন আর সেখানে অন্ধকার থাকতে পারে না, তেমনই কেউ যদি কৃষ্ণভক্তির পন্থা অবলম্বন করেন, তখন মায়ার অন্ধকার তৎক্ষণাৎ সেখান থেকে দূর হয়ে যায়।


কৃষ্ণ ভুলি' সেই জীব অনাদি- বহির্মুখ ।
অতএব মায়া তারে দেয় সংসার-দুঃখ।।
(চৈঃ চঃ মধ্য ২০/১১৭)
অনুবাদঃ- শ্রীকৃষ্ণকে ভুলে জীব অনাদিকাল ধরে জড়া প্রকৃতির প্রতি আকৃষ্ট হয়ে রয়েছে। তাই মায়া তাকে এই জড় জগতে নানা প্রকার দুঃখ প্রদান করছে ।


  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    ꧁ শ্রীশ্রীচৈতন্য চরিতামৃত হইতে কিছু শিক্ষা ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


জীবের 'স্বরূপ' হয়- কৃষ্ণের 'নিত্যদাস' ।
কৃষ্ণের 'তটস্থা-শক্তি,' 'ভেদাভেদ-প্রকাশ' ।।
(চৈঃ চঃ মধ্য ২০/১০৮)
অনুবাদঃ- জীব তার স্বরূপে শ্রীকৃষ্ণের নিত্যদাস। সে শ্রীকৃষ্ণের তটস্থা শক্তি, তাই সে যুগপৎ শ্রীকৃষ্ণের ভেদ ও অভেদ প্রকাশ।


তৃণাদপি সুনীচেন তরোরপি সহিষ্ণুণা।
অমানিনা নানদেন কীর্তনীয়ঃ সদা হরিঃ।। ৩।।
অনুবাদঃ- ‍যিনি তৃণাপেক্ষা আপনাকে ক্ষুদ্র জ্ঞান করেন, ‍যিনি তরুর মত সহিষ্ণু হন, নিজে মানশূন্য হয়ে অপর লোককে সম্মান প্রদান করেন, তিনিই সর্বদা হরিকীর্তনের অধিকারী।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧     
 ক্রমশ
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧




*পতিত-পাবন নাম, ঘোষণা তোমার শ‍্যাম,* *উপেখিলে নাহি মোর গতি।**যদি হই অপরাধী,তথাপিহ তুমি গতি,* *সত‍্য সত‍্য যেন সতী পতি।।* ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ, নিবাস-বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা-ইংরেজ বাজার, জেলা-মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ-৭৩২১০১

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ *পতিত-পাবন নাম, ঘোষণা তোমার শ‍্যাম,* ꧂
           ꧁ *উপেখিলে নাহি মোর গতি।* 
   ꧁ *যদি হই অপরাধী, তথাপিহ তুমি গতি,* 
              *সত‍্য সত‍্য যেন সতী পতি।।* 
                        👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔
*পতিত-পাবন নাম, ঘোষণা তোমার শ‍্যাম,*
     *উপেখিলে নাহি মোর গতি।*
*যদি হই অপরাধী,তথাপিহ তুমি গতি,*
     *সত‍্য সত‍্য যেন সতী পতি।।*
🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔
*ঠাকুর মহাশয় নিজেকে নিতান্ত পতিত অধমজন জ্ঞানে শ্রীভগবৎ-পাদপদ্মে ঐকান্তিক শরণাগতি কামনা করছেন।* *পতিত পাবন---------মোর গতি।*
*হে শ‍্যাম! তোমার পতিতপাবন নাম জগতে সর্বত্রই ঘোষিত,আমিও নিতান্ত পতিত জন ; সুতরাং আমায় উপেক্ষা করলে আমার আর গতি নাই। শ্রীকৃষ্ণকে "শ‍্যাম"নামে সম্বোধন করবার মধ্যে কিঞ্চিৎ রহস‍্য রয়েছে। "শ‍্যাম" শব্দের একটি অর্থ অভিধানে এইরকম লিখিত আছে ("শ‍্যায়তে গচ্ছতি মনোহস্মিন্নিতি শ‍্যামঃ")অর্থ‍্যাৎ যাতে মন গমন করে তার নাম "শ‍্যাম"।* *কিন্তু শ‍্যামের প্রতি স্বাভাবিক ভাবে তো সকলের মন গমন করে না।ধন,জনাদি,মান,প্রতিপত্তি প্রভৃতি দেহ দৈহিকাদির সুখ-স্বাচ্ছন্দ‍্য বিষয়েই প্রায় সকলের মন গমন করে থাকে।* *যদি স্বাভাবিক ভাবে সকলের মন শ‍্যামের (শ্রীকৃষ্ণের) দিকে গমন করত,তবে আর সে জন্য এত সাধন-ভজনের প্রয়োজন কি ছিল?* *স্বভাবতঃই আমাদের* *মনে এইরকম প্রশ্নের উদ্রেক হতে পারে। *আমরা যদি ধীরমনে এই* *বিষয়ে চিন্তা করি,তাহলে অবশ্যই* *বুঝতে পারব যে,বিশ্বের সমস্ত জীবের* *মন আনন্দের দিকেই ধাবমান হচ্ছে।* *জীবগণ সুখ বা আনন্দই চাইতে থাকে,আর সেই আনন্দের ঘনীভূত মূর্তিই ""রসো বৈ সঃ"", "আনন্দং ব্রহ্ম" "রসানাং রসতমঃ" শ‍্যাম। সুতরাং প্রকৃতপক্ষে আমাদের সবার মন শ‍্যামের দিকে ধাবিত হলেও আমরা অনেকে শ‍্যামকে ধরতে না পেরে তা হতে বিচ্ছুরিত যে আনন্দ,তার আভাস-কণিকামাত্র যে বিশ্বের জড়ীয় রূপ রসাদিতে নিহিত রয়েছি।* *তা নিয়ে মত্ত হয়ে শ‍্যামকে ভুলে রয়েছি।শ্রীগুরু বৈষ্ণবের কৃপায় যাঁরা জগতকে ভুলে জগন্নাথের অপ্রাকৃত সৌন্দর্য,মাধুর্য,রূপ, রসাদি আস্বাদনের জন্য লোলুপ,তাঁরাই সাধন ভজনের পরিপাকে শ‍্যাম-মাধুরী আস্বাদনে ধন‍্য হয়ে থাকেন।বিশ্বকে ভুলে অর্থ‍্যাৎ দেহ-দৈহিকাদির অভিমান ত‍্যাগ করে যদি যথার্থ "পতিত" না হলে পতিতপাবনের সন্ধান পাওয়া অতীব দুষ্কর।* *তাই ঠাকুর মহাশয় বলেছেন,তোমার পতিতপাবন নাম জগতে ঘোষিত এবং আমিও নিতান্তই পতিতই, সুতরাং আমায় উপেক্ষা করলে তোমার পতিতপাবন নামের কলঙ্ক হবে।* *এবং পতিতাধম জন বিশ্বে আর তুমি খুঁজে পাবে না। শ‍্যাম যদি বলেন,* *তোমায় উপেক্ষা করলে আমার পতিতপাবন নামের কলঙ্ক হবে হোক,তাতে তোমার কি? তদুত্তরে বললেন,তুমি উপেক্ষা করলে আমার আর অন‍্য কোন গতি অর্থ‍্যাৎ উপায় বা আশ্রয় যে কোথাও নাই।* 
  🍀🍀ক্রমশ🍀🍀*

 *🍀হে শ‍্যাম!তোমার "কৃষ্ণ" "গোবিন্দ"প্রভৃতি নাম যে পতিতপাবন তা জগতের সর্বত্র ঘোষিত।আমি অধম পতিত হলেও তোমার পতিত-পাবন সেই নামকে আশ্রয় করে আছি। সুতরাং অনন‍্যগতি তুমি আমায় উপেক্ষা করতে পারো না।শ্রীকৃষ্ণ পতিত-পাফন হলেও তাঁর নামেই এই গুণের সর্বাধিক অভিব‍্যক্তি বা প্রকাশ। পুত্রোপচারিত "নারায়ণ" শব্দের উচ্চারণ মাত্রে মহাপাতকী মুমুর্ষু অজামিলের কাছে বিষ্ণু দূতগণের আগমন এবং যমদূতগণকে বিতাড়ন করে অজামিলকে রক্ষা এবং যথাসময়ে বৈকুন্ঠে নিয়ে এসেছিলেন,এই প্রসঙ্গ ভাগবতে বর্ণিত আছে।সেখানে বিষ্ণুদূতগণের প্রতি উক্তিতে দেখা যায় ---*
*স্তেনঃ সুরাপো মিত্রধ্রুগ্ ব্রহ্মহা গুরুতল্পগঃ।*
*স্ত্রীরাজপিতৃগোহন্তা যে চ পাতকিনোহপরে।।*
*সর্বেষামপ‍্যঘবতামিদমেব সুনিষ্কৃম্*।
*নামব‍্যাবহরণং বিষ্ণোর্যতস্তদ্বিষয়া মতিঃ।।*
*অর্থ‍্যাৎ স্বর্ণস্তেয়ী,মদ‍্যপায়ী,মিত্রদ্রোহী, ব্রহ্মঘ্ন, গুরুপত্নীগামী,স্ত্রী,রাজা,পিতা ও গোহত‍্যাকারী এবং অন‍্যান‍্য মহাপাতকী বা অতি পাতকী সকলের শ্রীবিষ্ণুর নামকীর্তন সর্বপ্রকার পাপের শ্রেষ্ঠ ও পরম পবিত্র প্রায়শ্চিত্ত।যেহেতু নাম উচ্চারণকারীর প্রতি শ্রীবিষ্ণুর তদ্বিষয়া(সম্বন্ধে)মতি হয়ে থাকে।তাৎপর্য‍্য এই যে,অন‍্য প্রায়শ্চিত্তে পাপ নাশ হলেও পাপীর হৃদয় শোধন হয় না, বা তাদের চিত্তে ভগবৎস্মৃতি জাগরিত হয় না।* *বরং "আমি নিষ্পাপ"এইরকম অভিমানই অন্তরে উদিত হয়ে থাকে। শ্রীনাকীর্তনরূপ প্রায়শ্চিত্তের মহত্ত্ব এই যে,* *নামাভাসেই অনন্ত মহাপাতক অতিপাতক জ্বলন্ত আগুনে তূলপিন্ডের মতো ত‍ৎক্ষণাৎ ভস্মীভূত হয়ে যায় এবং পাপবাসনায় মলিনচিত্তও পরিশোধিত হয়ে যায়।*  *কারণ নামাভাসে নাম উচ্চারণকারীর হৃদয়ে শ্রীবিষ্ণুর অনুসন্ধান না থাকলেও অর্থ‍্যাৎ আমি বিষ্ণুর নাম করছি,এইরকম অনুসন্ধান না থাকলেও (অজামিল যেমন পুত্রকে নারায়ণ বলে ডেকেছিল,এইরকম অন‍্য সঙ্কেতেই নামাভাস হয় )শ্রীবিষ্ণুর কিন্তু নাম উচ্চারণকারী ব‍্যক্তির কথা স্মরণ হয় এবং "এ আমার দাস, আমা কর্তৃক সর্বদা রক্ষণীয়, এইরকম তদ্বিষয়া মতি উদয় হয়ে থাকে।*
*সুতরাং ভগবন্নামের যে পতিত পাবনতা গুণ বা শক্তি আছে,ইহা আর কোথাও সম্ভবপর নয়।*
*ভগবান যেন বলেছেন,"নামের সেই পতিত-পাবনতাদি গুণ তো নিরপরাধজনের প্রতিই প্রকাশিত হয়,অপরাধীর প্রতি নামের তো প্রসন্নতা থাকে না"?* *তার উত্তরে ঠাকুর মহাশয় বলেছেন,""যদি হই অপরাধী,তথাপিহ তুমি গতি,সত‍্য সত‍্য যেন সতী পতি", প্রেমের মূর্তি হয়েও বিপুল দৈন‍্যবশত ঠাকুরমহাশয় নিজেকে মহাঅপরাধী জ্ঞানে বলছেন,"প্রভু যদি"(এখানে "যদি"শব্দটি নিশ্চয়ার্থে,সংশয়ার্থে নয়; কারণ ঠাকুরমহাশয় নিজেকে বাস্তবিকই অপরাধী বলে মনে করছেন।যেমন"যদি বেদাঃ প্রমাণং স‍্যুঃ" অর্থ‍্যাৎ যদি বেদে প্রামাণ‍্য থাকে " এখানে "যদি" শব্দ নিশ্চয়ার্থে কারণ বেদ অবশ্যই প্রামাণ‍্য বা বেদের প্রামাণ‍্য বিষয়ে কারো সংশয় থাকতে পারে না।)* *আমি অপরাধী হই,তথাপি সতী রমণী পতিচরণে কোন অপরাধ করলে,পতি যেমন তা অবশ্যই ক্ষমা করে থাকেন,কারণ পতিব্রতার পতিই তো একমাত্র গতি,* *তিনি ক্ষমা না করলে পতিব্রতা আর কার কাছে যাবেন?তদ্রুপ প্রভো!তুমিই যে আমার একমাত্র গতি,তুমি অপরাধের ক্ষমা না করলে আমার আর কোন উপায় নাই।* *তাৎপর্য‍্য এই যে,সতী রমণী যদি পতির চরণে কোন অপরাধ করেন,পতি তা অবশ্যই ক্ষমা করে থাকেন।কিন্তু পত্নী ব‍্যভিচারিনী হলে পতি উহা কখনই ক্ষমা করেন না,তাকে পরিত‍্যাগই করে থাকেন। তদ্রুপ শ্রীহরির একনিষ্ঠ অনন‍্য ভক্ত যাঁরা, অর্থ‍্যাৎ শ্রীহরির ছাড়া অন‍্য কোন দেব-দেবীর উপাসনা করেন না বা যাঁদের অন্তরে প্রেমসেবার কামনা ব‍্যতীত অন‍্য কোন কামনারও জায়গা নাই,তাঁরা যদি দৈবাৎ (হঠাৎ) অসৎসঙ্গের প্রভাবে বা অসৎসংস্কারবশে শ্রীহরির চরণে কোনরকম অপরাধ করে থাকেন, শ্রীহরি তা অবশ্যই ক্ষমা করেন। কিন্তু অন‍্য দেব উপাসনা বা কৃষ্ণেতর কামনা অন্তরে বিদ‍্যমান থাকলে শ্রীহরি ব‍্যভিচারিনী রমণীর মত তাকে পরিত‍্যাগই করে থাকেন।* *অথবা ভগবানে মন রেখে তাঁর সেবায় নিযুক্ত হলে যদি কারো কোনরকম অপরাধ হয়,ভগবান তা ক্ষমা করে থাকেন, কিন্তু ভগবৎ পরিচর্যাকার্য‍্যে নিরত থেকেও যদি কেউ পরদারাদিতে নিরত হয়ে ব‍্যভিচার করে থাকে,ভগবান তাঁর অপরাধ ক্ষমা করেন না বা তাঁর সেবাও গ্রহণ করেন না।* *তবে যদি অন‍ন‍্য-ভজনকারীর প্রবল অসৎসঙ্গ বা দুষ্টসংস্কারের ফলে পরদারাদিতে আসক্তি জাত(জন্ম) হয়, তিনি যদি উহা পরিত‍্যাগ করে সাতিশয় অনুতপ্ত হয়ে শ্রীহরির চরণে ঐকান্তিক ভাবে শরণাপন্ন হন,তখন শ্রীহরি তাঁর প্রতি প্রসন্ন হয়ে ক্ষমা করে থাকেন। এজন‍্যই গীতাতে বলেছেন,"ক্ষিপ্রং ভবতি ধর্মাত্মা শশ্বচ্ছান্তিং নিগচ্ছতি।কৌন্তেয় প্রতিজানীহি ন মে ভক্তঃ প্রণশ‍্যতি।।*
*🍀জয় নিতাই গৌর হরিবল🍀*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






*পতিত-পাবন নাম, ঘোষণা তোমার শ‍্যাম,* *উপেখিলে নাহি মোর গতি।**যদি হই অপরাধী,তথাপিহ তুমি গতি,* *সত‍্য সত‍্য যেন সতী পতি।।* ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ, নিবাস-বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা-ইংরেজ বাজার, জেলা-মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ-৭৩২১০১

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ *পতিত-পাবন নাম, ঘোষণা তোমার শ‍্যাম,* ꧂
           ꧁ *উপেখিলে নাহি মোর গতি।* 
   ꧁ *যদি হই অপরাধী, তথাপিহ তুমি গতি,* 
              *সত‍্য সত‍্য যেন সতী পতি।।* 
                        👇👇👇🙏👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
সকল কিছু লিখনী👇👇🙏👇👇📚 *PDF গ্রন্থ* 📚 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔
*পতিত-পাবন নাম, ঘোষণা তোমার শ‍্যাম,*
     *উপেখিলে নাহি মোর গতি।*
*যদি হই অপরাধী,তথাপিহ তুমি গতি,*
     *সত‍্য সত‍্য যেন সতী পতি।।*
🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔🔔
*ঠাকুর মহাশয় নিজেকে নিতান্ত পতিত অধমজন জ্ঞানে শ্রীভগবৎ-পাদপদ্মে ঐকান্তিক শরণাগতি কামনা করছেন।* *পতিত পাবন---------মোর গতি।*
*হে শ‍্যাম! তোমার পতিতপাবন নাম জগতে সর্বত্রই ঘোষিত,আমিও নিতান্ত পতিত জন ; সুতরাং আমায় উপেক্ষা করলে আমার আর গতি নাই। শ্রীকৃষ্ণকে "শ‍্যাম"নামে সম্বোধন করবার মধ্যে কিঞ্চিৎ রহস‍্য রয়েছে। "শ‍্যাম" শব্দের একটি অর্থ অভিধানে এইরকম লিখিত আছে ("শ‍্যায়তে গচ্ছতি মনোহস্মিন্নিতি শ‍্যামঃ")অর্থ‍্যাৎ যাতে মন গমন করে তার নাম "শ‍্যাম"।* *কিন্তু শ‍্যামের প্রতি স্বাভাবিক ভাবে তো সকলের মন গমন করে না।ধন,জনাদি,মান,প্রতিপত্তি প্রভৃতি দেহ দৈহিকাদির সুখ-স্বাচ্ছন্দ‍্য বিষয়েই প্রায় সকলের মন গমন করে থাকে।* *যদি স্বাভাবিক ভাবে সকলের মন শ‍্যামের (শ্রীকৃষ্ণের) দিকে গমন করত,তবে আর সে জন্য এত সাধন-ভজনের প্রয়োজন কি ছিল?* *স্বভাবতঃই আমাদের* *মনে এইরকম প্রশ্নের উদ্রেক হতে পারে। *আমরা যদি ধীরমনে এই* *বিষয়ে চিন্তা করি,তাহলে অবশ্যই* *বুঝতে পারব যে,বিশ্বের সমস্ত জীবের* *মন আনন্দের দিকেই ধাবমান হচ্ছে।* *জীবগণ সুখ বা আনন্দই চাইতে থাকে,আর সেই আনন্দের ঘনীভূত মূর্তিই ""রসো বৈ সঃ"", "আনন্দং ব্রহ্ম" "রসানাং রসতমঃ" শ‍্যাম। সুতরাং প্রকৃতপক্ষে আমাদের সবার মন শ‍্যামের দিকে ধাবিত হলেও আমরা অনেকে শ‍্যামকে ধরতে না পেরে তা হতে বিচ্ছুরিত যে আনন্দ,তার আভাস-কণিকামাত্র যে বিশ্বের জড়ীয় রূপ রসাদিতে নিহিত রয়েছি।* *তা নিয়ে মত্ত হয়ে শ‍্যামকে ভুলে রয়েছি।শ্রীগুরু বৈষ্ণবের কৃপায় যাঁরা জগতকে ভুলে জগন্নাথের অপ্রাকৃত সৌন্দর্য,মাধুর্য,রূপ, রসাদি আস্বাদনের জন্য লোলুপ,তাঁরাই সাধন ভজনের পরিপাকে শ‍্যাম-মাধুরী আস্বাদনে ধন‍্য হয়ে থাকেন।বিশ্বকে ভুলে অর্থ‍্যাৎ দেহ-দৈহিকাদির অভিমান ত‍্যাগ করে যদি যথার্থ "পতিত" না হলে পতিতপাবনের সন্ধান পাওয়া অতীব দুষ্কর।* *তাই ঠাকুর মহাশয় বলেছেন,তোমার পতিতপাবন নাম জগতে ঘোষিত এবং আমিও নিতান্তই পতিতই, সুতরাং আমায় উপেক্ষা করলে তোমার পতিতপাবন নামের কলঙ্ক হবে।* *এবং পতিতাধম জন বিশ্বে আর তুমি খুঁজে পাবে না। শ‍্যাম যদি বলেন,* *তোমায় উপেক্ষা করলে আমার পতিতপাবন নামের কলঙ্ক হবে হোক,তাতে তোমার কি? তদুত্তরে বললেন,তুমি উপেক্ষা করলে আমার আর অন‍্য কোন গতি অর্থ‍্যাৎ উপায় বা আশ্রয় যে কোথাও নাই।* 
  🍀🍀ক্রমশ🍀🍀*

 *🍀হে শ‍্যাম!তোমার "কৃষ্ণ" "গোবিন্দ"প্রভৃতি নাম যে পতিতপাবন তা জগতের সর্বত্র ঘোষিত।আমি অধম পতিত হলেও তোমার পতিত-পাবন সেই নামকে আশ্রয় করে আছি। সুতরাং অনন‍্যগতি তুমি আমায় উপেক্ষা করতে পারো না।শ্রীকৃষ্ণ পতিত-পাফন হলেও তাঁর নামেই এই গুণের সর্বাধিক অভিব‍্যক্তি বা প্রকাশ। পুত্রোপচারিত "নারায়ণ" শব্দের উচ্চারণ মাত্রে মহাপাতকী মুমুর্ষু অজামিলের কাছে বিষ্ণু দূতগণের আগমন এবং যমদূতগণকে বিতাড়ন করে অজামিলকে রক্ষা এবং যথাসময়ে বৈকুন্ঠে নিয়ে এসেছিলেন,এই প্রসঙ্গ ভাগবতে বর্ণিত আছে।সেখানে বিষ্ণুদূতগণের প্রতি উক্তিতে দেখা যায় ---*
*স্তেনঃ সুরাপো মিত্রধ্রুগ্ ব্রহ্মহা গুরুতল্পগঃ।*
*স্ত্রীরাজপিতৃগোহন্তা যে চ পাতকিনোহপরে।।*
*সর্বেষামপ‍্যঘবতামিদমেব সুনিষ্কৃম্*।
*নামব‍্যাবহরণং বিষ্ণোর্যতস্তদ্বিষয়া মতিঃ।।*
*অর্থ‍্যাৎ স্বর্ণস্তেয়ী,মদ‍্যপায়ী,মিত্রদ্রোহী, ব্রহ্মঘ্ন, গুরুপত্নীগামী,স্ত্রী,রাজা,পিতা ও গোহত‍্যাকারী এবং অন‍্যান‍্য মহাপাতকী বা অতি পাতকী সকলের শ্রীবিষ্ণুর নামকীর্তন সর্বপ্রকার পাপের শ্রেষ্ঠ ও পরম পবিত্র প্রায়শ্চিত্ত।যেহেতু নাম উচ্চারণকারীর প্রতি শ্রীবিষ্ণুর তদ্বিষয়া(সম্বন্ধে)মতি হয়ে থাকে।তাৎপর্য‍্য এই যে,অন‍্য প্রায়শ্চিত্তে পাপ নাশ হলেও পাপীর হৃদয় শোধন হয় না, বা তাদের চিত্তে ভগবৎস্মৃতি জাগরিত হয় না।* *বরং "আমি নিষ্পাপ"এইরকম অভিমানই অন্তরে উদিত হয়ে থাকে। শ্রীনাকীর্তনরূপ প্রায়শ্চিত্তের মহত্ত্ব এই যে,* *নামাভাসেই অনন্ত মহাপাতক অতিপাতক জ্বলন্ত আগুনে তূলপিন্ডের মতো ত‍ৎক্ষণাৎ ভস্মীভূত হয়ে যায় এবং পাপবাসনায় মলিনচিত্তও পরিশোধিত হয়ে যায়।*  *কারণ নামাভাসে নাম উচ্চারণকারীর হৃদয়ে শ্রীবিষ্ণুর অনুসন্ধান না থাকলেও অর্থ‍্যাৎ আমি বিষ্ণুর নাম করছি,এইরকম অনুসন্ধান না থাকলেও (অজামিল যেমন পুত্রকে নারায়ণ বলে ডেকেছিল,এইরকম অন‍্য সঙ্কেতেই নামাভাস হয় )শ্রীবিষ্ণুর কিন্তু নাম উচ্চারণকারী ব‍্যক্তির কথা স্মরণ হয় এবং "এ আমার দাস, আমা কর্তৃক সর্বদা রক্ষণীয়, এইরকম তদ্বিষয়া মতি উদয় হয়ে থাকে।*
*সুতরাং ভগবন্নামের যে পতিত পাবনতা গুণ বা শক্তি আছে,ইহা আর কোথাও সম্ভবপর নয়।*
*ভগবান যেন বলেছেন,"নামের সেই পতিত-পাবনতাদি গুণ তো নিরপরাধজনের প্রতিই প্রকাশিত হয়,অপরাধীর প্রতি নামের তো প্রসন্নতা থাকে না"?* *তার উত্তরে ঠাকুর মহাশয় বলেছেন,""যদি হই অপরাধী,তথাপিহ তুমি গতি,সত‍্য সত‍্য যেন সতী পতি", প্রেমের মূর্তি হয়েও বিপুল দৈন‍্যবশত ঠাকুরমহাশয় নিজেকে মহাঅপরাধী জ্ঞানে বলছেন,"প্রভু যদি"(এখানে "যদি"শব্দটি নিশ্চয়ার্থে,সংশয়ার্থে নয়; কারণ ঠাকুরমহাশয় নিজেকে বাস্তবিকই অপরাধী বলে মনে করছেন।যেমন"যদি বেদাঃ প্রমাণং স‍্যুঃ" অর্থ‍্যাৎ যদি বেদে প্রামাণ‍্য থাকে " এখানে "যদি" শব্দ নিশ্চয়ার্থে কারণ বেদ অবশ্যই প্রামাণ‍্য বা বেদের প্রামাণ‍্য বিষয়ে কারো সংশয় থাকতে পারে না।)* *আমি অপরাধী হই,তথাপি সতী রমণী পতিচরণে কোন অপরাধ করলে,পতি যেমন তা অবশ্যই ক্ষমা করে থাকেন,কারণ পতিব্রতার পতিই তো একমাত্র গতি,* *তিনি ক্ষমা না করলে পতিব্রতা আর কার কাছে যাবেন?তদ্রুপ প্রভো!তুমিই যে আমার একমাত্র গতি,তুমি অপরাধের ক্ষমা না করলে আমার আর কোন উপায় নাই।* *তাৎপর্য‍্য এই যে,সতী রমণী যদি পতির চরণে কোন অপরাধ করেন,পতি তা অবশ্যই ক্ষমা করে থাকেন।কিন্তু পত্নী ব‍্যভিচারিনী হলে পতি উহা কখনই ক্ষমা করেন না,তাকে পরিত‍্যাগই করে থাকেন। তদ্রুপ শ্রীহরির একনিষ্ঠ অনন‍্য ভক্ত যাঁরা, অর্থ‍্যাৎ শ্রীহরির ছাড়া অন‍্য কোন দেব-দেবীর উপাসনা করেন না বা যাঁদের অন্তরে প্রেমসেবার কামনা ব‍্যতীত অন‍্য কোন কামনারও জায়গা নাই,তাঁরা যদি দৈবাৎ (হঠাৎ) অসৎসঙ্গের প্রভাবে বা অসৎসংস্কারবশে শ্রীহরির চরণে কোনরকম অপরাধ করে থাকেন, শ্রীহরি তা অবশ্যই ক্ষমা করেন। কিন্তু অন‍্য দেব উপাসনা বা কৃষ্ণেতর কামনা অন্তরে বিদ‍্যমান থাকলে শ্রীহরি ব‍্যভিচারিনী রমণীর মত তাকে পরিত‍্যাগই করে থাকেন।* *অথবা ভগবানে মন রেখে তাঁর সেবায় নিযুক্ত হলে যদি কারো কোনরকম অপরাধ হয়,ভগবান তা ক্ষমা করে থাকেন, কিন্তু ভগবৎ পরিচর্যাকার্য‍্যে নিরত থেকেও যদি কেউ পরদারাদিতে নিরত হয়ে ব‍্যভিচার করে থাকে,ভগবান তাঁর অপরাধ ক্ষমা করেন না বা তাঁর সেবাও গ্রহণ করেন না।* *তবে যদি অন‍ন‍্য-ভজনকারীর প্রবল অসৎসঙ্গ বা দুষ্টসংস্কারের ফলে পরদারাদিতে আসক্তি জাত(জন্ম) হয়, তিনি যদি উহা পরিত‍্যাগ করে সাতিশয় অনুতপ্ত হয়ে শ্রীহরির চরণে ঐকান্তিক ভাবে শরণাপন্ন হন,তখন শ্রীহরি তাঁর প্রতি প্রসন্ন হয়ে ক্ষমা করে থাকেন। এজন‍্যই গীতাতে বলেছেন,"ক্ষিপ্রং ভবতি ধর্মাত্মা শশ্বচ্ছান্তিং নিগচ্ছতি।কৌন্তেয় প্রতিজানীহি ন মে ভক্তঃ প্রণশ‍্যতি।।*
*🍀জয় নিতাই গৌর হরিবল🍀*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






adds