শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

তার ভক্ত সঙ্গ সদা 🏵️ রসলীলা-প্রেম-কথা 🏵️ যে করে সে পায় ঘনশ‍্যাম 🏵️ ইহাতে বিমুখ যেই 🏵️ তার কভু সিদ্ধি নাই 🏵️ না শুনিয়ে যেন তার নাম ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_45.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    ꧁ *তার ভক্ত সঙ্গ সদা, রসলীলা-প্রেম-কথা,* ꧂  
            ꧁  *যে করে সে পায় ঘনশ‍্যাম।* ꧂
     ꧁  *ইহাতে বিমুখ যেই, তার কভু সিদ্ধি নাই,* ꧂
            ꧁  *না শুনিয়ে যেন তার নাম।।* ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*তার ভক্ত সঙ্গ সদা, রসলীলা-প্রেম-কথা,*
     *যে করে সে পায় ঘনশ‍্যাম।*
*ইহাতে বিমুখ যেই,তার কভু সিদ্ধি নাই,*
     *না শুনিয়ে যেন তার নাম।।*
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*🌻শ্রীঠাকুরমহাশয়,রাধারাণীর শ্রীচরণসেবার,তাঁর শ্রীচরণাশ্রয়ের এবং তাঁর নাম-গুণাদি কীর্তন, শ্রবণের মহিমা ঘোষণা করেছেন।*
*কেউ বলতে পারেন,তাহলে কি তিনি শ্রীকৃষ্ণের উপাসনা কামনা করেন না বা শ্রীকৃষ্ণপ্রাপ্তির অভিলাষ কি তাঁর অন্তরে নাই?তার উত্তরে বলছেন= "তার ভক্তসঙ্গ সদা,রসলীলা প্রেমকথা,যে করে সে পায় ঘনশ‍্যাম"। শ্রীরাধিকার ভক্তসঙ্গে যিনি সর্বদাই তাঁর রসময় লীলাকথা এবং প্রেমকথা বা প্রেম মহত্ত্বপূর্ণ-কথা শ্রবণ,কীর্তনাদি বা আলাপনাদি করেন,তিনি ঘনশ‍্যাম শ্রীকৃষ্ণকে অবশ্যই পাবেন।* *প্রশ্ন হতে পারে,যাঁর উপাসনা করা যায়,তাঁকে পাওয়াই শাস্ত্রীয় বিধি, একদেবতার উপাসনায় তো অন‍্য দেবতাকে পাওয়া সম্ভবপর নয়।তার উত্তরে বলা যেতে পারে,শ্রীকৃষ্ণকে নিয়‍েই রাধারাণীর লীলার বা প্রেমের যত কিছু মহত্ত্ব।শ্রীকৃষ্ণকে বাদ দিয়ে বা শ্রীকৃষ্ণবিহীন রাধারাণীর কোন কথাই হওয়া সম্ভবপর নয়।* *সুতরাং রাধারাণীর কথা শ্রবণ-কীর্তনের বা তাঁর ভজনের সঙ্গে শ্রীকৃষ্ণভজন স্বতঃই(আপনা হতেই) সিদ্ধ হয়ে থাকে।* *কেবল তাই-ই নহে,রাধারাণীর ভজনে শ্রীকৃষ্ণ যে রকম আনন্দ লাভ করে থাকেন, বা রাধারাণীর ভজনকারীর প্রতি যতখানি সন্তোষ লাভ করে থাকেন ; তাঁর নিজের ভজনকারীর প্রতি তদ্রুপ কখনই হন না। শ্রীমৎ সনাতন গোস্বামীপাদ শ্রীবৃহদ্ভাগবতামৃতে ২|৭|১১ শ্লোকের টীকায় লিখেছেন= শ্রীরাধাজ্ঞা প্রতিপালনেনৈব শ্রীকৃষ্ণস‍্য বশীকরণাৎ স্বয়মেবাধিকাধিক ত‍ৎসঙ্গসুখসংসিদ্ধেরিতি দিক্। (অর্থ‍্যাৎ শ্রীবৃহদ্ভাগবামৃতে গোপকুমার ব্রজের সখ‍্যরসের ভক্ত হলেও শ্রীকৃষ্ণসঙ্গসুখের অপেক্ষা না করেই শ্রীরাধারাণীর আজ্ঞা পালন করেছেন।*) *এই প্রসঙ্গে শ্রীগোস্বামীপাদ সিদ্ধান্ত করেছেন,শ্রীরাধারাণীর আজ্ঞা পালনে শ্রীকৃষ্ণ একান্ত বশীভূত হয়ে থাকেন, তাই তাঁর সঙ্গের অপেক্ষা না করলেও স্বয়ংই (নিজেই) অধিকাধিকরূপে (চরমতর নহে চরমতমরূপে) তাঁর সঙ্গসুখ সিদ্ধ হয়ে থাকে।* *তেমনি রাধারাণীর ভজনে শ্রীকৃষ্ণের আপন ভজনাপেক্ষাও অধিক বশ‍্যতা হেতু তাতে কৃষ্ণের ভজন স্বয়ংই সিদ্ধ হয়ে থাকে।*
       *ক্রমশ*


*🌻যাঁরা রাধাগতপ্রাণ পরম ঐকান্তিক সুরসিক ভক্তের সঙ্গে রাধারাণীর রসময়ী লীলাকথার অর্থ‍্যাৎ শ্রীশ্রীরাধামাধবের পরম সরস শৃঙ্গারলীলা কথার এবং রাধারাণীর প্রেমকথার অর্থ‍্যাৎ বিরহে প্রেমের পরম সার মহাভাবের চরম বিকাশ মোহন,মোদন,মাদনভাবের অনন্ত বিলাসবৈচিত্রীর শ্রবণ,কীর্তনাদি পরম আস্বাদ‍্য ও অতি সুরসাল হয়ে থাকে।* *ব্রজবাসী,অর্থ‍্যাৎ যাঁরা সিদ্ধস্বরূপে নিজেকে রাধারাণীর দাসী বলে অভিমান করে)মহতের সঙ্গে তাদৃশ(সেইরকম)রহস‍্যময় কথার শ্রবণ-কীর্তন রাগানুগীয় ভক্তের পরম অন্তরঙ্গ ভজন বা ইহাই রাগভক্তের পরম আকাঙ্খিত।ভক্তের কথা দূরে থাকুক=স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ রাধাভাব অঙ্গীকার করে শ্রীগৌরাঙ্গরূপে অবতীর্ণ হয়ে অহনিশি ভক্তসঙ্গে শ্রীশ্রীরাধামাধবের রসকথা এবং প্রেমকথার আস্বাদনে মগ্ন হয়েছিলেন বা হইলেন।*
*চন্ডীদাস বিদ‍্যাপতি,রায়ের নাটক গীতি,*
      *কর্ণামৃত শ্রীগীতগোবিন্দ।*
*স্বরূপ দামোদর সনে,মহাপ্রভু রাত্রিদিনে,*
      *গায় শুনে পরম আনন্দ।।*
*🌻তারপর বললেন, "ইহাতে বিমুখ যেই,তার কভু সিদ্ধি নাই,না শুনিয়ে যেন তার নাম"। শ্রীঠাকুর মহাশয় রাধার পাদপদ্ম আশ্রয়ে এবং রাধার ঐকান্তিক ভজনেই যে ঘনশ‍্যাম শ্রীকৃষ্ণকে যথাযথ ভাবে লাভ করা যায়,ইহা নিরূপণ করেছেন।* *এক্ষণে বলছেন, যারা রাধার শ্রীচরণাশ্রয়ে বা রাধার ভজনে বিমুখ হয়েও কৃষ্ণমাধুরী আস্বাদনের ইচ্ছা বা যত্ন করে থাকেন তাদের কখনো সিদ্ধি হয় না ; অর্থ‍্যাৎ শ্রীকৃষ্ণমাধুরী আস্বাদনের সৌভাগ্য কখনই হয় না।* *রাধারাণীর ভজনই শ্রীকৃষ্ণকে প্রাপ্ত হওয়ার বা শৃঙ্গাররসঘনমূরতি শ্রীকৃষ্ণকে আস্বাদন করবার শ্রেষ্ঠ কৌশল।*
*ইহা ছাড়া কারো কৃষ্ণমাধুরী আস্বাদন করবার উপায় নাই। যারা রাধারাণীকে অবজ্ঞা করে কৃষ্ণমাধুরী আস্বাদনের চেষ্টা করে,তাদের সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নাই,তাদের দর্শন স্পর্শের কথা দূরে থাকুক।তাদের নামও যেন কোনদিন কানে না শুনি। ""না শুনিয়ে যেন তার নাম""।*
*শ্রীমৎ রঘুনাথ দাস গোস্বামীপাদ তাঁর "স্বনিয়মদশকম্ স্তোত্রে"" লিখেছেন=*
*অনাদৃত‍্যোদগীতামপি মুনিগণৈর্বৈণিকমুখৈঃ প্রবীণাং গান্ধর্বামপি চ নিগমৈস্তৎপ্রিয়তমাম্*।
*য একং গোবিন্দং ভজতি কপটী দাম্ভিকতয়া তদভ‍্যর্ণে শীর্ণে ক্ষণমপি ন যামি ব্রতমিদম্।।*
*🌻নারদাদি মুনিগণ এবং নিগমাশাস্ত্র বা বেদ যাঁর মহিমা গান করেন,সেই প্রবীণা শ্রীকৃষ্ণপ্রিয়তমা রাধারাণীকে অনাদরপূর্বক যে ব‍্যক্তি একা গোবিন্দের ভজন করে,সে কপটী ও দাম্ভিক,তার অপবিত্র সান্নিধ‍্যে আমি ক্ষণকালও গমন করি না।*
*🙏বানান,ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
🌐 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧





তার ভক্ত সঙ্গ সদা, রসলীলা-প্রেম-কথা,* *যে করে সে পায় ঘনশ‍্যাম।* *ইহাতে বিমুখ যেই,তার কভু সিদ্ধি নাই,* *না শুনিয়ে যেন তার নাম।।* ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ -> http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_45.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    ꧁ *তার ভক্ত সঙ্গ সদা, রসলীলা-প্রেম-কথা,* ꧂  
            ꧁  *যে করে সে পায় ঘনশ‍্যাম।* ꧂
     ꧁  *ইহাতে বিমুখ যেই, তার কভু সিদ্ধি নাই,* ꧂
            ꧁  *না শুনিয়ে যেন তার নাম।।* ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*তার ভক্ত সঙ্গ সদা, রসলীলা-প্রেম-কথা,*
     *যে করে সে পায় ঘনশ‍্যাম।*
*ইহাতে বিমুখ যেই,তার কভু সিদ্ধি নাই,*
     *না শুনিয়ে যেন তার নাম।।*
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*🌻শ্রীঠাকুরমহাশয়,রাধারাণীর শ্রীচরণসেবার,তাঁর শ্রীচরণাশ্রয়ের এবং তাঁর নাম-গুণাদি কীর্তন, শ্রবণের মহিমা ঘোষণা করেছেন।*
*কেউ বলতে পারেন,তাহলে কি তিনি শ্রীকৃষ্ণের উপাসনা কামনা করেন না বা শ্রীকৃষ্ণপ্রাপ্তির অভিলাষ কি তাঁর অন্তরে নাই?তার উত্তরে বলছেন= "তার ভক্তসঙ্গ সদা,রসলীলা প্রেমকথা,যে করে সে পায় ঘনশ‍্যাম"। শ্রীরাধিকার ভক্তসঙ্গে যিনি সর্বদাই তাঁর রসময় লীলাকথা এবং প্রেমকথা বা প্রেম মহত্ত্বপূর্ণ-কথা শ্রবণ,কীর্তনাদি বা আলাপনাদি করেন,তিনি ঘনশ‍্যাম শ্রীকৃষ্ণকে অবশ্যই পাবেন।* *প্রশ্ন হতে পারে,যাঁর উপাসনা করা যায়,তাঁকে পাওয়াই শাস্ত্রীয় বিধি, একদেবতার উপাসনায় তো অন‍্য দেবতাকে পাওয়া সম্ভবপর নয়।তার উত্তরে বলা যেতে পারে,শ্রীকৃষ্ণকে নিয়‍েই রাধারাণীর লীলার বা প্রেমের যত কিছু মহত্ত্ব।শ্রীকৃষ্ণকে বাদ দিয়ে বা শ্রীকৃষ্ণবিহীন রাধারাণীর কোন কথাই হওয়া সম্ভবপর নয়।* *সুতরাং রাধারাণীর কথা শ্রবণ-কীর্তনের বা তাঁর ভজনের সঙ্গে শ্রীকৃষ্ণভজন স্বতঃই(আপনা হতেই) সিদ্ধ হয়ে থাকে।* *কেবল তাই-ই নহে,রাধারাণীর ভজনে শ্রীকৃষ্ণ যে রকম আনন্দ লাভ করে থাকেন, বা রাধারাণীর ভজনকারীর প্রতি যতখানি সন্তোষ লাভ করে থাকেন ; তাঁর নিজের ভজনকারীর প্রতি তদ্রুপ কখনই হন না। শ্রীমৎ সনাতন গোস্বামীপাদ শ্রীবৃহদ্ভাগবতামৃতে ২|৭|১১ শ্লোকের টীকায় লিখেছেন= শ্রীরাধাজ্ঞা প্রতিপালনেনৈব শ্রীকৃষ্ণস‍্য বশীকরণাৎ স্বয়মেবাধিকাধিক ত‍ৎসঙ্গসুখসংসিদ্ধেরিতি দিক্। (অর্থ‍্যাৎ শ্রীবৃহদ্ভাগবামৃতে গোপকুমার ব্রজের সখ‍্যরসের ভক্ত হলেও শ্রীকৃষ্ণসঙ্গসুখের অপেক্ষা না করেই শ্রীরাধারাণীর আজ্ঞা পালন করেছেন।*) *এই প্রসঙ্গে শ্রীগোস্বামীপাদ সিদ্ধান্ত করেছেন,শ্রীরাধারাণীর আজ্ঞা পালনে শ্রীকৃষ্ণ একান্ত বশীভূত হয়ে থাকেন, তাই তাঁর সঙ্গের অপেক্ষা না করলেও স্বয়ংই (নিজেই) অধিকাধিকরূপে (চরমতর নহে চরমতমরূপে) তাঁর সঙ্গসুখ সিদ্ধ হয়ে থাকে।* *তেমনি রাধারাণীর ভজনে শ্রীকৃষ্ণের আপন ভজনাপেক্ষাও অধিক বশ‍্যতা হেতু তাতে কৃষ্ণের ভজন স্বয়ংই সিদ্ধ হয়ে থাকে।*
       *ক্রমশ*


*🌻যাঁরা রাধাগতপ্রাণ পরম ঐকান্তিক সুরসিক ভক্তের সঙ্গে রাধারাণীর রসময়ী লীলাকথার অর্থ‍্যাৎ শ্রীশ্রীরাধামাধবের পরম সরস শৃঙ্গারলীলা কথার এবং রাধারাণীর প্রেমকথার অর্থ‍্যাৎ বিরহে প্রেমের পরম সার মহাভাবের চরম বিকাশ মোহন,মোদন,মাদনভাবের অনন্ত বিলাসবৈচিত্রীর শ্রবণ,কীর্তনাদি পরম আস্বাদ‍্য ও অতি সুরসাল হয়ে থাকে।* *ব্রজবাসী,অর্থ‍্যাৎ যাঁরা সিদ্ধস্বরূপে নিজেকে রাধারাণীর দাসী বলে অভিমান করে)মহতের সঙ্গে তাদৃশ(সেইরকম)রহস‍্যময় কথার শ্রবণ-কীর্তন রাগানুগীয় ভক্তের পরম অন্তরঙ্গ ভজন বা ইহাই রাগভক্তের পরম আকাঙ্খিত।ভক্তের কথা দূরে থাকুক=স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ রাধাভাব অঙ্গীকার করে শ্রীগৌরাঙ্গরূপে অবতীর্ণ হয়ে অহনিশি ভক্তসঙ্গে শ্রীশ্রীরাধামাধবের রসকথা এবং প্রেমকথার আস্বাদনে মগ্ন হয়েছিলেন বা হইলেন।*
*চন্ডীদাস বিদ‍্যাপতি,রায়ের নাটক গীতি,*
      *কর্ণামৃত শ্রীগীতগোবিন্দ।*
*স্বরূপ দামোদর সনে,মহাপ্রভু রাত্রিদিনে,*
      *গায় শুনে পরম আনন্দ।।*
*🌻তারপর বললেন, "ইহাতে বিমুখ যেই,তার কভু সিদ্ধি নাই,না শুনিয়ে যেন তার নাম"। শ্রীঠাকুর মহাশয় রাধার পাদপদ্ম আশ্রয়ে এবং রাধার ঐকান্তিক ভজনেই যে ঘনশ‍্যাম শ্রীকৃষ্ণকে যথাযথ ভাবে লাভ করা যায়,ইহা নিরূপণ করেছেন।* *এক্ষণে বলছেন, যারা রাধার শ্রীচরণাশ্রয়ে বা রাধার ভজনে বিমুখ হয়েও কৃষ্ণমাধুরী আস্বাদনের ইচ্ছা বা যত্ন করে থাকেন তাদের কখনো সিদ্ধি হয় না ; অর্থ‍্যাৎ শ্রীকৃষ্ণমাধুরী আস্বাদনের সৌভাগ্য কখনই হয় না।* *রাধারাণীর ভজনই শ্রীকৃষ্ণকে প্রাপ্ত হওয়ার বা শৃঙ্গাররসঘনমূরতি শ্রীকৃষ্ণকে আস্বাদন করবার শ্রেষ্ঠ কৌশল।*
*ইহা ছাড়া কারো কৃষ্ণমাধুরী আস্বাদন করবার উপায় নাই। যারা রাধারাণীকে অবজ্ঞা করে কৃষ্ণমাধুরী আস্বাদনের চেষ্টা করে,তাদের সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নাই,তাদের দর্শন স্পর্শের কথা দূরে থাকুক।তাদের নামও যেন কোনদিন কানে না শুনি। ""না শুনিয়ে যেন তার নাম""।*
*শ্রীমৎ রঘুনাথ দাস গোস্বামীপাদ তাঁর "স্বনিয়মদশকম্ স্তোত্রে"" লিখেছেন=*
*অনাদৃত‍্যোদগীতামপি মুনিগণৈর্বৈণিকমুখৈঃ প্রবীণাং গান্ধর্বামপি চ নিগমৈস্তৎপ্রিয়তমাম্*।
*য একং গোবিন্দং ভজতি কপটী দাম্ভিকতয়া তদভ‍্যর্ণে শীর্ণে ক্ষণমপি ন যামি ব্রতমিদম্।।*
*🌻নারদাদি মুনিগণ এবং নিগমাশাস্ত্র বা বেদ যাঁর মহিমা গান করেন,সেই প্রবীণা শ্রীকৃষ্ণপ্রিয়তমা রাধারাণীকে অনাদরপূর্বক যে ব‍্যক্তি একা গোবিন্দের ভজন করে,সে কপটী ও দাম্ভিক,তার অপবিত্র সান্নিধ‍্যে আমি ক্ষণকালও গমন করি না।*
*🙏বানান,ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
🌐 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧





মনের স্মরণ প্রাণ 🌼 মধুর মধুর ধাম 🌼 যুগলবিলাস স্মৃতিসার ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_25.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                    ꧁ *মনের স্মরণ প্রাণ* 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 *মনের স্মরণ প্রাণ*
""""""""""""""""""""""""""""
*মনের স্মরণ প্রাণ,মধুর মধুর ধাম,*
       *যুগলবিলাস স্মৃতিসার।*
*সাধ‍্য সাধন এই,ইহা বই আর নাই,*
      *এই তত্ত্ব সর্ববিধি সার।।*
••••• ••••• ••••• ••••• •••••
*শ্রীগ্রন্থকার মহোদয় রাগানুগা ভক্তির মুখ‍্য-সাধন স্মরণাঙ্গভক্তি কথা বলছেন।প্রথমত বলা হয়েছে, "মনের স্মরণ প্রাণ", মানুষের মন সব ইন্দ্রিয়ের রাজা বা শ্রেষ্ঠ,অর্থ‍্যাৎ যেদিকে ধাবিত হবে ইন্দ্রিয়গণ সেই পথে চলবে। ইন্দ্রিয়গুলি মনের অধীনে কাজ করে,তারা যেন মনের ক্রীতদাস।রূপ,শব্দ,রস,গন্ধ ও স্পর্শ এইযে পঞ্চতন্মাত্রা যথাক্রমে আমাদের চক্ষু,কর্ণ,জিহ্ব,নাসিকা ও ত্বক্ দ্বারা অনুভূত বা আস্বাদিত হয়,এইগুলি সব মনের বিষয়ীভূত।*
*আগে কোন একটি জিনিস দেখেছি,এইসময় দেখেও বলতে পারি,কারণ সেই জিনিসটি আমাদের মনে অঙ্কিত রয়েছে।* *বিদ‍্যুৎ চমকানো দেখলেই বজ্রপতন শব্দে আমরা ভয় পাই, কারণ বিদ‍্যুতের সঙ্গে ঐ শব্দ আগে শুনেছি,তা আমাদের স্মরণে আছে।যে খাবার আগে আস্বাদন করেছি, তা কেমন স্বাদবিশিষ্ট এখন না খেয়েও বলতে পারি, কারণ তার স্বাদ মনে আছে।* *কোন সুন্দর ফুল দেখলেই আমরা বলতে পারি, ফুলটি কিরকম ঘ্রাণযুক্ত,কারণ আগে ঐ ফুলের গন্ধ আমার বেশ ভাল লেগেছিল।* *কোন ছোট অজ্ঞান শিশু আগুনে একবারই হাত দেয়, পরে কিন্তু আর দেয় না।বরং আগুন দেখলেই সরে দাঁড়ায়, কারন সে মনে রাখে যে, তার স্পর্শ গরম এবং কষ্টকর। স্থূল-ইন্দ্রিয়দ্বারা আমরা কোন জিনিস বা বিষয় স্থূলভাবে গ্রহণ বা ব‍্যবহার করলেও মনসংযোগ ছাড়া তা আমাদের অনুভূতিতে আসে না।* *এইরকম সমস্ত ইন্দ্রিয়ের সমষ্টিভূত কেন্দ্রস্বরূপ যে মন তা অশরীরী হয়েও সকরকম বোধ জন্মাতে সমর্থ।* *অনাদিকাল হতে ভগবদবিমুখ মানুষের মন জড়ীয় বিষয়চিন্তায় এমনি দুষ্ট হয়ে আছে যে, সমুদ্র যেন সবসময় ছোট বড় নানাতরঙ্গে নিরন্তর ঢেউ খেলতে থাকে,তেমনি বিষয়ী মানুষের মন ছোট বড় নানা বিষয়চিন্তার ঢেউএ সবসময় খেলতে থাকে।সব চিন্তা আমাদের "বুদ্ধি" গ্রহণ করতে পারে না,* *বিশেষ বিশেষ চিন্তাগুলিই বুদ্ধির গ্রাহ‍্য হয়ে থাকে। জাগ্রত দশায় তো বটেই,সুপ্তাবস্থাতেও মন সুপ্ত থাকে বলেই চিন্তাঢেউএর বিরাম হয়ে থাকে।এই মনকে নিয়েই ভক্ত-সাধকের যত কিছু খেলা।* *কেননা মনসংযোগবিহীন যান্ত্রিক ভজনে বহুকালেও ভজনের ফল প্রেমলাভ করা যায় না।*
      *ক্রমশ*

 *ভক্ত ও ভগবানের কৃপামূলা সাধন-ভজনের দ্বারা বিষয়-বাসনায় পঙ্কিল(কাদামাখা)মনকে নির্মল(পরিস্কার)করে কৃষ্ণেতর জড়ীয় বিষয় চিন্তার অভিভূতি(আক্রমণ)ত‍্যাগ করে নিরবচ্ছিন্ন(নিরন্তর বা সবসময়) শ্রীকৃষ্ণ স্মরণকেই ভাগবতে শুদ্ধা বা নির্গুণাভক্তি বলে আখ‍্যা দেওয়া হয়েছে।* *ভাগবত=৩|২৯|১১-১২*
*মদগুণশ্রুতিমাত্রেণ ময়ি সর্বগুহাশয়ে।*
*মনোগতিরবিচ্ছিন্না যথা গঙ্গাম্ভসোহম্বুধৌ।।*
*লক্ষণং ভক্তিযোগস‍্য নির্গুণস‍্য হ‍্যুদাহৃতম্।*
*অহৈতুক‍্যব‍্যবহিতা যা ভক্তিঃ পুরুষোত্তমে।।*
*🙏কপিলদেব স্বীয়(নিজ) জননী দেবহুতির প্রতি বলেছিলেন,হে মাতঃ! আমার গুণশ্রবণমাত্রেই সমুদ্রাভিমুখে গঙ্গাধারার মতো সর্বগুহাশয় আমার প্রতি গুণশ্রবণকারীর যে অবিচ্ছিন্না মনোগতি তাই পুরুষোত্তম আমাবিষয়ে অহৈতুকী এবং অব‍্যহিতা ভক্তি এবং তাই নির্গুণ ভক্তিযোগের লক্ষণরূপে উদাহরণ হয়েছে।* *
*🌻ঠাকুরমহাশয় তাই বলেছেন, ভগবৎ স্মৃতিই ভক্তসাধকের মনের প্রাণ বা জীবনীশক্তি।যে মনে ভগবৎ স্মৃতি নাই,সেই মন প্রাণহীনদেহের মতো নির্জীব বা মৃতপ্রায়।* *নিষ্প্রাণদেহকে যেমন শৃগাল,কুকুরাদি স্বচ্ছন্দে ভক্ষণ করে,তেমনি ভগবৎস্মৃতীবিহীন মনকে কাম,ক্রোধাদি রিপুগণ সবসময় দংশন করতে থাকে।সপ্রাণ বা সজীবদেহ দেখে যেমন শৃগাল কুকুরাদি ভয়ে পালিয়ে যায়,তেমনি হরিস্মৃতিসম্পন্ন সজীব মনকে দেখে কামাদি রিপু দূর হতে পলায়ন করে থাকে।* *সুতরাং কামাদি রিপুগণের নির্যাতন হতে রক্ষা পেয়ে ভজনানন্দ রসাস্বাদন করতে হলে প্রত‍্যেক ভক্তেরই স্মরণাঙ্গ অবলম্বনীয়।যে কোনরকমে মনের সঙ্গে শ্রীভগবানের সম্বন্ধ হলেই তাকে ""স্মরণ"" বলা হয়।* *শ্রীমৎ জীবগোস্বামীপাদ স্মরণাঙ্গের ক্রমবিকাশের পঞ্চবিধ স্তরের কথা বলেছেন=স্মরণ,ধারণা,ধ‍্যান,ধ্রুবানুস্মৃতি ও সমাধি। ভগবানের রূপ,গুণ,লীলাদির যৎকিঞ্চিৎ অনুসন্ধানের নাম"স্মরণ"।অন‍্য সমস্ত বিষয়চিন্তা হতে মনকে আকর্ষণ করে ভগবানের লীলাদিতে সামান্যভাবে মনোধারণের নাম"ধারণা"। বিশেষভাবে রূপাদি চিন্তনই "ধ‍্যান"। অমৃতধারাবৎ ভগবানের রূপ,গুণ,লীলাদির অবিচ্ছিন্নভাবে স্মরণের নাম"ধ্রুবানুস্মৃতি"। ধ‍্যেয়মাত্র স্ফুরণকে "সমাধি"বলা হয়।* *এই সমাধি জ্ঞান,যোগাদি সাধনায় লব্ধ অসম্প্রজ্ঞাত সমাধির মত নয়।এতে স্মরণ অতি গাঢ় হয়ে ভগবানের লীলাদির প্রত‍্যক্ষের মতই স্ফুরণ হয়ে থাকে।* *এই স্মরণাঙ্গের সার যুগলবিলাস স্মৃতি, তাই বলেছেন="যুগলবিলাস স্মৃতিসার"। স্মরণ চারপ্রকার= নামস্মরণ,রূপস্মরণ,গুণস্মরণ ও সপরিকরলীলা স্মরণ।তারমধ‍্যে লীলাস্মরণই শ্রেষ্ঠ,কারণ লীলাস্মরণে নাম,রূপ,গুণাদির স্মরণও অন্তভুক্ত থাকে।* *আবার অন‍্যান‍্য ভগবৎস্বরূপের লীলাস্মরণ অপেক্ষা মাধুর্য‍্যমূরতি ব্রজেন্দ্রনন্দনের লীলাস্মরণ সর্বশ্রেষ্ঠ।কারণ শ্রীকৃষ্ণের লীলা পরম মাধুর্য‍্যময়।আবার তাঁর বাল‍্য-পৌগন্ডাদি লীলা অপেক্ষা সর্বোৎকৃষ্ট শৃঙ্গাররসে যে কৈশোরলীলা অর্থ‍্যাৎ রাধারাণীর সঙ্গে বিলাসলীলা তাহাই সকল লীলার শ্রেষ্ঠ।* *সুতরাং যুগলবিলাসই স্মৃতিসার।অর্থ‍্যাৎ সসখী শ্রীশ্রীরাধাকৃষ্ণের মিলন,কুসুমচয়ন,বংশীহরণ,বনবিহার*, *মধুপান,রহঃকেলি,জলকলি,পাশাখেলা এবং রাসালীলাদি স্মরণই সকল লীলাস্মরণের সার বা শ্রেষ্ঠ।শ্রীগৌড়ীয়বৈষ্ণব সম্প্রদায়ে সপার্ষদ শ্রীগৌরাঙ্গের ও শ্রীরাধামাধবের অষ্টকালীয় বা স্বারসিকী এবং মন্ত্রময়ী বা যোগপীঠ মিলন লীলা স্মৃতির যে পদ্ধতি দেখা যায়,উহাই শ্রেষ্ঠতম স্মরণাঙ্গ ভজন।*
      *ক্রমশ*

 *স্মরণনিষ্ঠ সাধককে কিন্তু সবসময় লক্ষ্য রাখতে হবে যে স্মরণকালে সসখী শ্রীরাধামাধবের "মধুর মধুর ধাম" বা মধুরাতিমধুর শ্রীবিগ্রহের রূপ,গুণ,লীলাদির মাধুর্য‍্যের আস্বাদন যেন অন্তরাত্মা পায়। অভীষ্টের মাধুর্য‍্যাস্বাদন লাভ করাই সাধনার মূল লক্ষ্য।লোভমূলা রাগভক্তিতে স্মরণাঙ্গভজন যদি কেবল বিধিবদ্ধভাবে নিয়মমত অনুষ্ঠিত হয়, স্মরণকালে সাধক শ্রীরাধামাধবের রূপ,গুণাদির কিছুমাত্র মাধুর্য‍্য আস্বাদনও পারেন না।* *তাহলে তা রাগভক্তি আখ‍্যা প্রাপ্ত হবে কিরকমে?পক্ষান্তরে রূপাদির মাধুর্য‍্যাস্বাদন লাভ হলে লীলাস্মরণ অপূর্ণ থাকলেও যথাযথ পূর্ণতা প্রাপ্ত হয়ে থাকে।শ্রীহরিদাস দাসজীকৃত গৌড়ীয়বৈষ্ণবজীবন দ্বিতীয়খন্ডে গোবর্ধন-বাস্তব‍্য সিদ্ধ শ্রীকৃষ্ণদাস বাবাজী মহারাজের জীবনীতে লিখিত আছে =যাঁরা সিদ্ধবাবার কাছে ভজন শিক্ষা করতেন,প্রতিরাত্রিতে তাঁদের সকলকে একত্রিত করে কে কিরকম ভজন করছেন সিদ্ধবাবা তা শুনতেন এবং ভুল ভ্রান্তি সংশোধন করে দিতেন।* *একদিন জনৈক বৈষ্ণবমাহাত্মা কিছু না বলে কেবল কাঁদতে লাগলেন।বাবাজী মহারাজ তাঁকে উৎসাহ ও সান্ত্বনা দিয়ে কান্নার কারণ জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন "আজ আমি কিছুই ভজন করতে পারিনি।সকালে শ্রীপ্রাণেশ্বরীর(রাধারাণীর) দক্ষিণহস্তে অলংকার পরাতে গিয়ে হাতের যে শোভা মনে লেগে গেল, আমি সমস্তদিন সেখান হতে মনকে সরাতে পারিনি।সিদ্ধবাবা তাঁকে উৎসাহ দিয়ে বললেন, তোমারই যথার্থ ভজন হয়েছে! (🌻কোন কোন গ্রন্থে "মনের স্মরণ প্রাণ,মধুর মধুর নাম,এইরকমও পাঠ দেখা যায়।এর অর্থ এইরকম যে,মনের প্রাণ যে স্মরণ,তা মধুরাদপিমধুর শ্রীনামের আশ্রয়েই করতে হবে।কারণ স্মরণাঙ্গ ভজনটি চিত্তশুদ্ধির অপেক্ষা রাখে,শ্রীমৎ জীবগোস্বামীপাদ লিখেছেন, "স্মরণন্তু শুদ্ধান্তঃকরণতামপেক্ষতে"(ভক্তিসন্দর্ভ ২৭৬),* *অশুদ্ধমনে বা বিষয়-বাসনা মলিনচিত্তে মনসংযোগ হয় না, সুতরাং স্মরণাঙ্গ ভজনও সম্পন্ন হয় না।নামকীর্তন কিন্তু চিত্তশুদ্ধির অপেক্ষারহিত,অশুদ্ধচিত্তেও নামকীর্তন হওয়ার বাধা নাই।যেহেতু নামকীর্তনের দ্বারা চিত্তশুদ্ধি হলে স্মরণাঙ্গ ভজনটি সুচারু ভাবে সম্পন্ন হয়ে থাকে।🌻*
*প্রশ্ন হতে পারে,তাহলে শুদ্ধান্তঃকরণ না হওয়া পযর্ন্ত নামকীর্তনের অনুষ্ঠান করা হোক, শুদ্ধান্তঃকরণে স্মরণাঙ্গে মনঃসংযোগ হলে আর নামকীর্তনের প্রয়োজন কি?এবিষয়ে শ্রীবৃহদ্ভাগবতামৃতে শ্রীমৎ সনাতন গোস্বামীপাদ সিদ্ধান্ত করেছেন যে, নামকীর্তনে স্মরণাঙ্গ আস্বাদনের পরিপুষ্টি সাধিত হয় এবং স্মরণ বা ধ‍্যানের দ্বারাও নামরসাস্বাদনের পুষ্টি সাধিত হয়ে থাকে।উভয়েই উভয়ের পরিপোষক বলে কখনই নামকীর্তনকে বাদ দিয়ে স্মরণাঙ্গভজনের কথা বলা হয় নাই।* *শ্রীমৎ জীবগোস্বামীপাদ লিখেছেন= "শুদ্ধান্তঃকরণশ্চেৎ নামকীর্তনাপরিত‍্যাগেন স্মরণং কুর্য‍্যাৎ" (ভক্তিসন্দর্ভ=২৭৫)অর্থ‍্যাৎ শুদ্ধান্তঃকরণ সাধক নামকীর্তনের সহযোগেই স্মরণ করবেন।* *তারপর বললেন, "সাধ‍্য সাধন এই, ইহা বই আর নাই,এই তত্ত্ব সর্ববিধিসার"। সাধ‍্যবস্তু লাভের জন্য যে উপায় অবলম্বন করা হয়,তাকে বলা হয় "সাধনা" এবং সেই সাধনা বা উপায়ের দ্বারা যে বস্তু পাওয়া যায়,সেই উপেয়বস্তুকেই বলা হয় "সাধ‍্য"।*
*জ্ঞান,যোগাদি সাধনায় সাধন ও সাধ‍্য পৃথকবস্তু, কিন্তু ভক্তিতে যা সাধ‍্য তাহাই সাধনা।জ্ঞান,যোগাদি হতে ভক্তিসাধনার ইহাই মহান্ বৈলক্ষণ‍্য।সাধনভক্তি,ভাবভক্তি এবং প্রেমভক্তি একই বস্তুর "তর" ও "তম" অবস্থা।সাধনে যা অপক্ক, সিদ্ধিতে তাহাই পরিপক্ক। সুতরাং সাধনে যাঁরা লীলাস্মরণাঙ্গে চিত্তকে অভিনিবিষ্ট করতে পারবেন,সিদ্ধিতে তাঁরা সেই লীলার মধ্যেই স্মরণীয় সেবা সাক্ষাৎ প্রাপ্ত হয়ে ধন‍্য হবেন।* *অতএব ইহা হতে যে সাধ‍্যবস্তু আরও কোন পৃথক আছে,তা নয় "ইহা বই আর নাই"।*
*এইজন‍্য বিশ্ব শাস্ত্রে জীবের জন্য কর্তব‍্যের যে সকল উপদেশ দেওয়া হয়েছে,সব উপদেশে এই সারমর্ম, এই তত্ত্ব "সর্ববিধিসার", শ্রীপদ্মপুরাণে দেখা যায় = "স্মর্তব‍্যঃ সততং বিষ্ণুর্বিস্মর্তব‍্যো ন জাতুচিৎ।সর্বে বিধিনিষেধাঃ স‍্যুরেতয়োরেব কিঙ্করাঃ"।। অর্থ‍্যাৎ "সর্বদা ভগবানকে স্মরণ করবে,কখনই তাঁকে ভুলে যাবে না,বিশ্বশাস্ত্রে যত বিধি ও নিষেধ উপদেশ দেওয়া হয়েছে, সববিধিই বিষ্ণু স্মরণের এবং সব নিষেধই বিষ্ণুর বিস্মরণের কিঙ্কর বা অনুবর্তী। তাই বলা হয়েছে =দস‍্যুগণ কর্তৃক সর্বস্ত চুরি হলে বিষয়ী মানুষ যেমন উচ্চৈঃস্বরে রোদন করে থাকে,তেমনি এক মুহূর্তকালও শ্রীহরির বিস্মৃতি ঘটলে ভক্তকে উচ্চৈঃস্বরে রোদন করা উচিত।*
*🙏বানান,ভুল মার্জনীয়🙏*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






মনের স্মরণ প্রাণ 🌼 মধুর মধুর ধাম 🌼 যুগলবিলাস স্মৃতিসার ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_25.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                    ꧁ *মনের স্মরণ প্রাণ* 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 *মনের স্মরণ প্রাণ*
""""""""""""""""""""""""""""
*মনের স্মরণ প্রাণ,মধুর মধুর ধাম,*
       *যুগলবিলাস স্মৃতিসার।*
*সাধ‍্য সাধন এই,ইহা বই আর নাই,*
      *এই তত্ত্ব সর্ববিধি সার।।*
••••• ••••• ••••• ••••• •••••
*শ্রীগ্রন্থকার মহোদয় রাগানুগা ভক্তির মুখ‍্য-সাধন স্মরণাঙ্গভক্তি কথা বলছেন।প্রথমত বলা হয়েছে, "মনের স্মরণ প্রাণ", মানুষের মন সব ইন্দ্রিয়ের রাজা বা শ্রেষ্ঠ,অর্থ‍্যাৎ যেদিকে ধাবিত হবে ইন্দ্রিয়গণ সেই পথে চলবে। ইন্দ্রিয়গুলি মনের অধীনে কাজ করে,তারা যেন মনের ক্রীতদাস।রূপ,শব্দ,রস,গন্ধ ও স্পর্শ এইযে পঞ্চতন্মাত্রা যথাক্রমে আমাদের চক্ষু,কর্ণ,জিহ্ব,নাসিকা ও ত্বক্ দ্বারা অনুভূত বা আস্বাদিত হয়,এইগুলি সব মনের বিষয়ীভূত।*
*আগে কোন একটি জিনিস দেখেছি,এইসময় দেখেও বলতে পারি,কারণ সেই জিনিসটি আমাদের মনে অঙ্কিত রয়েছে।* *বিদ‍্যুৎ চমকানো দেখলেই বজ্রপতন শব্দে আমরা ভয় পাই, কারণ বিদ‍্যুতের সঙ্গে ঐ শব্দ আগে শুনেছি,তা আমাদের স্মরণে আছে।যে খাবার আগে আস্বাদন করেছি, তা কেমন স্বাদবিশিষ্ট এখন না খেয়েও বলতে পারি, কারণ তার স্বাদ মনে আছে।* *কোন সুন্দর ফুল দেখলেই আমরা বলতে পারি, ফুলটি কিরকম ঘ্রাণযুক্ত,কারণ আগে ঐ ফুলের গন্ধ আমার বেশ ভাল লেগেছিল।* *কোন ছোট অজ্ঞান শিশু আগুনে একবারই হাত দেয়, পরে কিন্তু আর দেয় না।বরং আগুন দেখলেই সরে দাঁড়ায়, কারন সে মনে রাখে যে, তার স্পর্শ গরম এবং কষ্টকর। স্থূল-ইন্দ্রিয়দ্বারা আমরা কোন জিনিস বা বিষয় স্থূলভাবে গ্রহণ বা ব‍্যবহার করলেও মনসংযোগ ছাড়া তা আমাদের অনুভূতিতে আসে না।* *এইরকম সমস্ত ইন্দ্রিয়ের সমষ্টিভূত কেন্দ্রস্বরূপ যে মন তা অশরীরী হয়েও সকরকম বোধ জন্মাতে সমর্থ।* *অনাদিকাল হতে ভগবদবিমুখ মানুষের মন জড়ীয় বিষয়চিন্তায় এমনি দুষ্ট হয়ে আছে যে, সমুদ্র যেন সবসময় ছোট বড় নানাতরঙ্গে নিরন্তর ঢেউ খেলতে থাকে,তেমনি বিষয়ী মানুষের মন ছোট বড় নানা বিষয়চিন্তার ঢেউএ সবসময় খেলতে থাকে।সব চিন্তা আমাদের "বুদ্ধি" গ্রহণ করতে পারে না,* *বিশেষ বিশেষ চিন্তাগুলিই বুদ্ধির গ্রাহ‍্য হয়ে থাকে। জাগ্রত দশায় তো বটেই,সুপ্তাবস্থাতেও মন সুপ্ত থাকে বলেই চিন্তাঢেউএর বিরাম হয়ে থাকে।এই মনকে নিয়েই ভক্ত-সাধকের যত কিছু খেলা।* *কেননা মনসংযোগবিহীন যান্ত্রিক ভজনে বহুকালেও ভজনের ফল প্রেমলাভ করা যায় না।*
      *ক্রমশ*

 *ভক্ত ও ভগবানের কৃপামূলা সাধন-ভজনের দ্বারা বিষয়-বাসনায় পঙ্কিল(কাদামাখা)মনকে নির্মল(পরিস্কার)করে কৃষ্ণেতর জড়ীয় বিষয় চিন্তার অভিভূতি(আক্রমণ)ত‍্যাগ করে নিরবচ্ছিন্ন(নিরন্তর বা সবসময়) শ্রীকৃষ্ণ স্মরণকেই ভাগবতে শুদ্ধা বা নির্গুণাভক্তি বলে আখ‍্যা দেওয়া হয়েছে।* *ভাগবত=৩|২৯|১১-১২*
*মদগুণশ্রুতিমাত্রেণ ময়ি সর্বগুহাশয়ে।*
*মনোগতিরবিচ্ছিন্না যথা গঙ্গাম্ভসোহম্বুধৌ।।*
*লক্ষণং ভক্তিযোগস‍্য নির্গুণস‍্য হ‍্যুদাহৃতম্।*
*অহৈতুক‍্যব‍্যবহিতা যা ভক্তিঃ পুরুষোত্তমে।।*
*🙏কপিলদেব স্বীয়(নিজ) জননী দেবহুতির প্রতি বলেছিলেন,হে মাতঃ! আমার গুণশ্রবণমাত্রেই সমুদ্রাভিমুখে গঙ্গাধারার মতো সর্বগুহাশয় আমার প্রতি গুণশ্রবণকারীর যে অবিচ্ছিন্না মনোগতি তাই পুরুষোত্তম আমাবিষয়ে অহৈতুকী এবং অব‍্যহিতা ভক্তি এবং তাই নির্গুণ ভক্তিযোগের লক্ষণরূপে উদাহরণ হয়েছে।* *
*🌻ঠাকুরমহাশয় তাই বলেছেন, ভগবৎ স্মৃতিই ভক্তসাধকের মনের প্রাণ বা জীবনীশক্তি।যে মনে ভগবৎ স্মৃতি নাই,সেই মন প্রাণহীনদেহের মতো নির্জীব বা মৃতপ্রায়।* *নিষ্প্রাণদেহকে যেমন শৃগাল,কুকুরাদি স্বচ্ছন্দে ভক্ষণ করে,তেমনি ভগবৎস্মৃতীবিহীন মনকে কাম,ক্রোধাদি রিপুগণ সবসময় দংশন করতে থাকে।সপ্রাণ বা সজীবদেহ দেখে যেমন শৃগাল কুকুরাদি ভয়ে পালিয়ে যায়,তেমনি হরিস্মৃতিসম্পন্ন সজীব মনকে দেখে কামাদি রিপু দূর হতে পলায়ন করে থাকে।* *সুতরাং কামাদি রিপুগণের নির্যাতন হতে রক্ষা পেয়ে ভজনানন্দ রসাস্বাদন করতে হলে প্রত‍্যেক ভক্তেরই স্মরণাঙ্গ অবলম্বনীয়।যে কোনরকমে মনের সঙ্গে শ্রীভগবানের সম্বন্ধ হলেই তাকে ""স্মরণ"" বলা হয়।* *শ্রীমৎ জীবগোস্বামীপাদ স্মরণাঙ্গের ক্রমবিকাশের পঞ্চবিধ স্তরের কথা বলেছেন=স্মরণ,ধারণা,ধ‍্যান,ধ্রুবানুস্মৃতি ও সমাধি। ভগবানের রূপ,গুণ,লীলাদির যৎকিঞ্চিৎ অনুসন্ধানের নাম"স্মরণ"।অন‍্য সমস্ত বিষয়চিন্তা হতে মনকে আকর্ষণ করে ভগবানের লীলাদিতে সামান্যভাবে মনোধারণের নাম"ধারণা"। বিশেষভাবে রূপাদি চিন্তনই "ধ‍্যান"। অমৃতধারাবৎ ভগবানের রূপ,গুণ,লীলাদির অবিচ্ছিন্নভাবে স্মরণের নাম"ধ্রুবানুস্মৃতি"। ধ‍্যেয়মাত্র স্ফুরণকে "সমাধি"বলা হয়।* *এই সমাধি জ্ঞান,যোগাদি সাধনায় লব্ধ অসম্প্রজ্ঞাত সমাধির মত নয়।এতে স্মরণ অতি গাঢ় হয়ে ভগবানের লীলাদির প্রত‍্যক্ষের মতই স্ফুরণ হয়ে থাকে।* *এই স্মরণাঙ্গের সার যুগলবিলাস স্মৃতি, তাই বলেছেন="যুগলবিলাস স্মৃতিসার"। স্মরণ চারপ্রকার= নামস্মরণ,রূপস্মরণ,গুণস্মরণ ও সপরিকরলীলা স্মরণ।তারমধ‍্যে লীলাস্মরণই শ্রেষ্ঠ,কারণ লীলাস্মরণে নাম,রূপ,গুণাদির স্মরণও অন্তভুক্ত থাকে।* *আবার অন‍্যান‍্য ভগবৎস্বরূপের লীলাস্মরণ অপেক্ষা মাধুর্য‍্যমূরতি ব্রজেন্দ্রনন্দনের লীলাস্মরণ সর্বশ্রেষ্ঠ।কারণ শ্রীকৃষ্ণের লীলা পরম মাধুর্য‍্যময়।আবার তাঁর বাল‍্য-পৌগন্ডাদি লীলা অপেক্ষা সর্বোৎকৃষ্ট শৃঙ্গাররসে যে কৈশোরলীলা অর্থ‍্যাৎ রাধারাণীর সঙ্গে বিলাসলীলা তাহাই সকল লীলার শ্রেষ্ঠ।* *সুতরাং যুগলবিলাসই স্মৃতিসার।অর্থ‍্যাৎ সসখী শ্রীশ্রীরাধাকৃষ্ণের মিলন,কুসুমচয়ন,বংশীহরণ,বনবিহার*, *মধুপান,রহঃকেলি,জলকলি,পাশাখেলা এবং রাসালীলাদি স্মরণই সকল লীলাস্মরণের সার বা শ্রেষ্ঠ।শ্রীগৌড়ীয়বৈষ্ণব সম্প্রদায়ে সপার্ষদ শ্রীগৌরাঙ্গের ও শ্রীরাধামাধবের অষ্টকালীয় বা স্বারসিকী এবং মন্ত্রময়ী বা যোগপীঠ মিলন লীলা স্মৃতির যে পদ্ধতি দেখা যায়,উহাই শ্রেষ্ঠতম স্মরণাঙ্গ ভজন।*
      *ক্রমশ*

 *স্মরণনিষ্ঠ সাধককে কিন্তু সবসময় লক্ষ্য রাখতে হবে যে স্মরণকালে সসখী শ্রীরাধামাধবের "মধুর মধুর ধাম" বা মধুরাতিমধুর শ্রীবিগ্রহের রূপ,গুণ,লীলাদির মাধুর্য‍্যের আস্বাদন যেন অন্তরাত্মা পায়। অভীষ্টের মাধুর্য‍্যাস্বাদন লাভ করাই সাধনার মূল লক্ষ্য।লোভমূলা রাগভক্তিতে স্মরণাঙ্গভজন যদি কেবল বিধিবদ্ধভাবে নিয়মমত অনুষ্ঠিত হয়, স্মরণকালে সাধক শ্রীরাধামাধবের রূপ,গুণাদির কিছুমাত্র মাধুর্য‍্য আস্বাদনও পারেন না।* *তাহলে তা রাগভক্তি আখ‍্যা প্রাপ্ত হবে কিরকমে?পক্ষান্তরে রূপাদির মাধুর্য‍্যাস্বাদন লাভ হলে লীলাস্মরণ অপূর্ণ থাকলেও যথাযথ পূর্ণতা প্রাপ্ত হয়ে থাকে।শ্রীহরিদাস দাসজীকৃত গৌড়ীয়বৈষ্ণবজীবন দ্বিতীয়খন্ডে গোবর্ধন-বাস্তব‍্য সিদ্ধ শ্রীকৃষ্ণদাস বাবাজী মহারাজের জীবনীতে লিখিত আছে =যাঁরা সিদ্ধবাবার কাছে ভজন শিক্ষা করতেন,প্রতিরাত্রিতে তাঁদের সকলকে একত্রিত করে কে কিরকম ভজন করছেন সিদ্ধবাবা তা শুনতেন এবং ভুল ভ্রান্তি সংশোধন করে দিতেন।* *একদিন জনৈক বৈষ্ণবমাহাত্মা কিছু না বলে কেবল কাঁদতে লাগলেন।বাবাজী মহারাজ তাঁকে উৎসাহ ও সান্ত্বনা দিয়ে কান্নার কারণ জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন "আজ আমি কিছুই ভজন করতে পারিনি।সকালে শ্রীপ্রাণেশ্বরীর(রাধারাণীর) দক্ষিণহস্তে অলংকার পরাতে গিয়ে হাতের যে শোভা মনে লেগে গেল, আমি সমস্তদিন সেখান হতে মনকে সরাতে পারিনি।সিদ্ধবাবা তাঁকে উৎসাহ দিয়ে বললেন, তোমারই যথার্থ ভজন হয়েছে! (🌻কোন কোন গ্রন্থে "মনের স্মরণ প্রাণ,মধুর মধুর নাম,এইরকমও পাঠ দেখা যায়।এর অর্থ এইরকম যে,মনের প্রাণ যে স্মরণ,তা মধুরাদপিমধুর শ্রীনামের আশ্রয়েই করতে হবে।কারণ স্মরণাঙ্গ ভজনটি চিত্তশুদ্ধির অপেক্ষা রাখে,শ্রীমৎ জীবগোস্বামীপাদ লিখেছেন, "স্মরণন্তু শুদ্ধান্তঃকরণতামপেক্ষতে"(ভক্তিসন্দর্ভ ২৭৬),* *অশুদ্ধমনে বা বিষয়-বাসনা মলিনচিত্তে মনসংযোগ হয় না, সুতরাং স্মরণাঙ্গ ভজনও সম্পন্ন হয় না।নামকীর্তন কিন্তু চিত্তশুদ্ধির অপেক্ষারহিত,অশুদ্ধচিত্তেও নামকীর্তন হওয়ার বাধা নাই।যেহেতু নামকীর্তনের দ্বারা চিত্তশুদ্ধি হলে স্মরণাঙ্গ ভজনটি সুচারু ভাবে সম্পন্ন হয়ে থাকে।🌻*
*প্রশ্ন হতে পারে,তাহলে শুদ্ধান্তঃকরণ না হওয়া পযর্ন্ত নামকীর্তনের অনুষ্ঠান করা হোক, শুদ্ধান্তঃকরণে স্মরণাঙ্গে মনঃসংযোগ হলে আর নামকীর্তনের প্রয়োজন কি?এবিষয়ে শ্রীবৃহদ্ভাগবতামৃতে শ্রীমৎ সনাতন গোস্বামীপাদ সিদ্ধান্ত করেছেন যে, নামকীর্তনে স্মরণাঙ্গ আস্বাদনের পরিপুষ্টি সাধিত হয় এবং স্মরণ বা ধ‍্যানের দ্বারাও নামরসাস্বাদনের পুষ্টি সাধিত হয়ে থাকে।উভয়েই উভয়ের পরিপোষক বলে কখনই নামকীর্তনকে বাদ দিয়ে স্মরণাঙ্গভজনের কথা বলা হয় নাই।* *শ্রীমৎ জীবগোস্বামীপাদ লিখেছেন= "শুদ্ধান্তঃকরণশ্চেৎ নামকীর্তনাপরিত‍্যাগেন স্মরণং কুর্য‍্যাৎ" (ভক্তিসন্দর্ভ=২৭৫)অর্থ‍্যাৎ শুদ্ধান্তঃকরণ সাধক নামকীর্তনের সহযোগেই স্মরণ করবেন।* *তারপর বললেন, "সাধ‍্য সাধন এই, ইহা বই আর নাই,এই তত্ত্ব সর্ববিধিসার"। সাধ‍্যবস্তু লাভের জন্য যে উপায় অবলম্বন করা হয়,তাকে বলা হয় "সাধনা" এবং সেই সাধনা বা উপায়ের দ্বারা যে বস্তু পাওয়া যায়,সেই উপেয়বস্তুকেই বলা হয় "সাধ‍্য"।*
*জ্ঞান,যোগাদি সাধনায় সাধন ও সাধ‍্য পৃথকবস্তু, কিন্তু ভক্তিতে যা সাধ‍্য তাহাই সাধনা।জ্ঞান,যোগাদি হতে ভক্তিসাধনার ইহাই মহান্ বৈলক্ষণ‍্য।সাধনভক্তি,ভাবভক্তি এবং প্রেমভক্তি একই বস্তুর "তর" ও "তম" অবস্থা।সাধনে যা অপক্ক, সিদ্ধিতে তাহাই পরিপক্ক। সুতরাং সাধনে যাঁরা লীলাস্মরণাঙ্গে চিত্তকে অভিনিবিষ্ট করতে পারবেন,সিদ্ধিতে তাঁরা সেই লীলার মধ্যেই স্মরণীয় সেবা সাক্ষাৎ প্রাপ্ত হয়ে ধন‍্য হবেন।* *অতএব ইহা হতে যে সাধ‍্যবস্তু আরও কোন পৃথক আছে,তা নয় "ইহা বই আর নাই"।*
*এইজন‍্য বিশ্ব শাস্ত্রে জীবের জন্য কর্তব‍্যের যে সকল উপদেশ দেওয়া হয়েছে,সব উপদেশে এই সারমর্ম, এই তত্ত্ব "সর্ববিধিসার", শ্রীপদ্মপুরাণে দেখা যায় = "স্মর্তব‍্যঃ সততং বিষ্ণুর্বিস্মর্তব‍্যো ন জাতুচিৎ।সর্বে বিধিনিষেধাঃ স‍্যুরেতয়োরেব কিঙ্করাঃ"।। অর্থ‍্যাৎ "সর্বদা ভগবানকে স্মরণ করবে,কখনই তাঁকে ভুলে যাবে না,বিশ্বশাস্ত্রে যত বিধি ও নিষেধ উপদেশ দেওয়া হয়েছে, সববিধিই বিষ্ণু স্মরণের এবং সব নিষেধই বিষ্ণুর বিস্মরণের কিঙ্কর বা অনুবর্তী। তাই বলা হয়েছে =দস‍্যুগণ কর্তৃক সর্বস্ত চুরি হলে বিষয়ী মানুষ যেমন উচ্চৈঃস্বরে রোদন করে থাকে,তেমনি এক মুহূর্তকালও শ্রীহরির বিস্মৃতি ঘটলে ভক্তকে উচ্চৈঃস্বরে রোদন করা উচিত।*
*🙏বানান,ভুল মার্জনীয়🙏*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






*আপন ভজন পথ, তাতে হবে অনুরত,* 🏵️ *ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান।* ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_2.html

   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁*আপন ভজন পথ, তাতে হবে অনুরত,*  ꧂
             *ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান।* ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 *আপন ভজন পথ, তাতে হবে অনুরত,*
    *ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান।*
*নৈষ্ঠিক ভজন এই, তোমারে কহিল ভাই,*
    *হনুমান তাহাতে প্রমাণ।।*
*🌻শ্রীঠাকুরমহাশয় এখানে নৈষ্ঠিক (চিরকাল গুরুগৃহে বাস ও ব্রহ্মচর্য‍্য অবলম্বন পূর্বক অধ‍্যায়ী দ্বিজ) ভজনের কথা উল্লেখ করছেন।স্বীয় (নিজ) ভজনে এবং ভজনীয় ভগবানে নিষ্ঠা।প্রথমত ভজননিষ্ঠার কথা বলছেন="আপন ভজন পথ,তাতে হবে অনুরত,ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান"।*
*স্বীয় ভজন পথে অনুরত(আসক্ত) থাকব। "নিষ্ঠা"অর্থ নৈশ্চল‍্য,নিষ্ঠার উদয়ে সবসময় ভজনে নিশ্চলভাবে স্থিতি হয়ে থাকে।সাধুমুখে হরিকথা শুনতে শুনতে অনর্থের অপগম(পলায়ন) ভজনে নিষ্ঠার উদয় হয়।শ্রীমদ্ভাগবতে বর্ণিত আছে,*
*শৃণ্বতাং স্বকথাঃ কৃষ্ণঃ পূণ‍্যশ্রবণকীর্তনঃ।*
*হৃদ‍্যন্তঃস্থো হ‍্যভদ্রাণি বিধুনোতি সুহৃৎ সতাম্।।*
*নষ্টপ্রায়েষ্বভদ্রেষু নিত‍্যং ভাগবতসেবয়া।*
*ভগবত‍্যুত্তমঃশ্লোকে ভক্তির্ভবতি নৈষ্ঠিকী।।*
           *(১|২|১৭ও১৮)*
*🌻অর্থ‍্যাৎ সাধুগণের সুহৃৎ,পূণ‍্যময় শ্রবণ-কীর্তন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ নিজ কথাশ্রবণকারীগণের হৃদয়ে প্রবিষ্ট (প্রবেশ) হয়ে অমঙ্গল অর্থ‍্যাৎ অনর্থাদি নাশ করে থাকেন।* *নিত‍্য ভাগবত সেবার দ্বারা অনর্থাদি (অমঙ্গলাদি)নষ্টপ্রায় হলে উত্তমশ্লোক শ্রীভগবানে নৈষ্ঠিকী ভক্তির উদয় হয়ে থাকে।* *অনর্থ দশায় লয়,বিক্ষেপ,অপ্রতিপত্তি,কষায় ও রসাস্বাদ এই পাঁচপ্রকার বিঘ্ন থাকার জন‍্য ভজনে নিষ্ঠার উদয় হতে দেখা যায় না।কীর্তন,শ্রবণ ও স্মরণকালে উত্তরোত্তর অধিক নিদ্রা উদগমের(উৎপত্তির)নাম "লয়"।* *ঐ কীর্তনাদিতে ব‍্যবহারিক বার্তার সম্পর্কই "বিক্ষেপ"।লয়,বিক্ষেপ না থাকলেও কখন কখন কীর্তনাদিতে অসামর্থের নামই "অপ্রতিপত্তি"।* *ক্রোধ,লোভ,গর্বাদির সংস্কারই "কষায়"।* *বিষয় সুখোদয়কালে কীর্তনাদিতে মনের অনভিনিবেশের নাম "রসাস্বাদ"।* *ভজনকালে এই বাধাগুলির অভাবই ভজনে নিষ্ঠা উৎপত্তির লক্ষণ।* *নিষ্ঠার উদয়ে সাধক সবসময় শ্রবণ কীর্তনাদি ভজন করেও শ্রান্তি ক্লান্তি বোধ করেন না।* *তাই নিজ ভজনপথে অনুরত হওয়াকেই বা নিরন্তর অনুরক্ত থাকাকেই নৈষ্ঠিক ভজন বলা হয়।* *এই নৈষ্ঠিক ভজনের মধ্যে ইষ্টদেব জায়গায় লীলাগান একটি অন‍্যতম ভজনাঙ্গ।* *এখানে ইষ্টদেব বলতে স্বাভীষ্ট অর্চাবিগ্রহ অথবা শ্রীগুরু বা তাদৃশ মহামহৎ বৈষ্ণব শ্রীহরির মতো আরাধ‍্য বলিয়া তাঁরাও ইষ্টদেব।তাঁদের সন্নিকটে (কাছে)স্বাভীষ্ট (বাঞ্জিত)ভগবদলীলাগান প্রেমলাভের অব‍্যভিচারী উপায়।*
*ভগবান তাঁর নিজ লীলাশ্রবণে সাতিশয় (অত‍্যাধিক)আনন্দ লাভ করে থাকেন।শ্রীবিল্বমঙ্গল ঠাকুরের শ্রীমুখে নিজ গুণানুবাদ শ্রবণে শ্রীকৃষ্ণ পরম আনন্দ পেয়ে স্বয়ং তাঁর কাব‍্যের নাম রেখেছিলেন ""শ্রীকৃষ্ণকর্ণামৃত""।* *শ্রীগুরুদেব এবং ভক্তমহানুভবগণেরও বিশেষ সেবা তাঁদেরকে শ্রীকৃষ্ণলীলাগান শোনানো।এই ভজনাঙ্গের দ্বারা শ্রীগুরু,বৈষ্ণব ও শ্রীভগবানের প্রসাদ লাভ হলে সাধকের আর কিছুই অলভ‍্য(অপ্রাপ‍্য)থাকে না।*
        *ক্রমশ*

 *অথবা "ইষ্টদেবস্থানে" বলতে শ্রীকৃষ্ণের লীলাস্থানে শ্রীবৃন্দাবনাদি ধামে বসবাস করে শ্রীকৃষ্ণের লীলাগান ভজনের একটি শ্রেষ্ঠ অঙ্গ।শ্রীবৃন্দাবনধাম শ্রীকৃষ্ণলীলার মহা উদ্দীপন ক্ষেত্র,এখানে হরিকথা-বক্তার মাঝে যেরকম শ্রীকৃষ্ণলীলারসের স্ফূর্তি হয়,এইরকম অন‍্যত্র কোথাও সম্ভবপর নয়।* *আবার ব্রজধামে তাদৃশ(সেইরূপ বা সেইরকম) শ্রীকৃষ্ণলীলাগানে ব্রজবাসী মহামহদগণের সেবা সুসম্পন্ন হয়ে থাকে,যার ফলে সাধক কোন অনির্বচনীয় পুরুষার্থলাভে কৃতার্থ হয়ে থাকেন।* *মদীয়(আমার) পরমারাধ‍্য শ্রীগুরুমহারাজ একদা(এককালে বা একসময়)বলেছিলেন, শ্রীহরিকথা দ্বারা শ্রীবৃন্দাবনবাসী বৈষ্ণবগণের সেবা,ভগবানকে লাভ করা অপেক্ষাও কোন উচ্চতম সম্পদ্ লাভ।* *তাৎপর্য‍্য হল যে,শ্রীভগবানকে পাওয়া হলেই যে তাঁকে আস্বাদন করতে পারা যাবে তা নয়, শ্রীভগবানের প্রকটলীলা কালের অসুরেরাই তার প্রমাণ, কিন্তু ব‍ৃন্দাবনবাসী পরম মহদ্ ভক্তগণসঙ্গে শ্রীহরিকথার শ্রবণ-কীর্তনে ভগবৎরসের সুচারু (মনোহর) আস্বাদন হয়ে থাকে।তাই ঠাকুরমহাশয় বলেছেন, "ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান"।* *তারপর বলেছেন, "নৈষ্ঠিক ভজন এই,তোমারে কহিল ভাই,হনুমান তাহাতে প্রমাণ"।ভজনে নিষ্ঠার কথা বলে এক্ষণে হনুমানের দৃষ্টান্তে ভজনীয় স্বীয় (নিজ) অভীষ্টস্বরূপের নিষ্ঠার উল্লেখ করৈছেন।হনুমানের ইষ্টনিষ্ঠার দৃষ্টান্ত সম্বন্ধে শ্রীমৎ সনাতন গোস্বামীপাদ শ্রীবৃহদ্ভাগবতামৃতে ১|৪|১০৭ শ্লোকের টীকায় যা লিখেছেন তার তাৎপর্য‍্য এইরকম= এককালে দ্বারকাপুরে শ্রীদ্বারকানাথ শ্রীগরুড়াদির গর্বভঞ্জনরূপ কৌতুকের জন্য এবং শ্রীভগবানের নিজ পাদপদ্মে ভক্তিবিষয়ক ঐকান্তিক খ‍্যাপনের(ঘোষণার বা প্রচারের) জন্য শ্রীগরুড়কে আদেশ করলেন, ওহে গরুড়! তুমি কিম্পুরুষবর্ষে (হিমালয়পর্বতে) গমন করে আমার আজ্ঞা শ্রবণ করাইয়া হনুমানকে আমার পার্শে আনয়ন কর। গরুড় কিম্পুরুষবর্ষে গমন করে হনুমান বললেন,হে হনুমতে!ভগবান দ্বারকানাথ যাদবেন্দ্র আপনাকে আহ্বান করেছেন,সত্বর সেখানে গমন করুন।হনুমান শ্রীরঘুনাথ চরণাবিন্দে একনিষ্ঠ ভক্তিমান্ এবং তাঁরই সেবাত রত, সুতরাং রঘুনাথপদে একনিষ্ঠতা ভঙ্গের ভয়ে গরুড়ের কথার আদর করলেন না। তাতে গরুড় ক্রুদ্ধ হয়ে জোরকরে দ্বারকায় আনবার জন্য তাঁকে ধরতে গেলে হনুমান নিজের লাঙ্গুলের(লেজের) অগ্রভাগদ্বারা হেলায় তাঁকে দূরে ফেলে দিলেন।গরুড়কে ফেলে দিলে সেই দ্বারকাপুরে এসে পড়লেন।অতঃপর গরুড়কে বিহ্বল দেখে হাস‍্যবদনে বললেন,হে গরুড়!তুমি পুনরায় গিয়ে হনুমানকে বলো শ্রীরঘুনাথ ডাক দিয়েছেন। তদনন্তর শ্রীকৃষ্ণ শ্রীরামচন্দ্র হলেন,শ্রীবলরাম লক্ষ্মণ হলেন,সত‍্যভামাকে সীতা হতে বললেন,কিন্তু তিনি সীতারূপ ধারণ করতে অসমর্থ হলে ভগবান তাঁকে উপহাস করলেন।* *এবং রুক্মিণীদেবীকে সীতারূপ ধারণ করতে বললেন।রুক্মিণীদেবী সীতারূপ ধারণ করলে তাঁকে বামদিকে নিয়ে দ্বারকায় সিংহাসনে বসলেন।* *এদিকে গরুড় পুনরায় হনুমানের কাছে গমন করে তাঁকে ভগবদবাক‍্য জানালেন।হনুমান সেই কথা শুনামাত্রই পরমানন্দে বিহ্বল হলেও তৎক্ষণাৎ একলাফে দ্বারকায় উপনীত হলেন এবং ভগবানকে নিজ অভীষ্ট রঘুবর স্বরূপে দর্শন করে সেবায় সন্তুষ্ট করলেন। ভগবান তাঁর অভীষ্ট ইষ্টনিষ্ঠা দর্শনে পরম প্রীত হয়ে তাঁকে অভীষ্টবর প্রদান করলেন।*
*🙏বানান,ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






*আপন ভজন পথ, তাতে হবে অনুরত,* *ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান।* ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ -> http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_2.html

   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁*আপন ভজন পথ, তাতে হবে অনুরত,*  ꧂
             *ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান।* ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 *আপন ভজন পথ, তাতে হবে অনুরত,*
    *ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান।*
*নৈষ্ঠিক ভজন এই, তোমারে কহিল ভাই,*
    *হনুমান তাহাতে প্রমাণ।।*
*🌻শ্রীঠাকুরমহাশয় এখানে নৈষ্ঠিক (চিরকাল গুরুগৃহে বাস ও ব্রহ্মচর্য‍্য অবলম্বন পূর্বক অধ‍্যায়ী দ্বিজ) ভজনের কথা উল্লেখ করছেন।স্বীয় (নিজ) ভজনে এবং ভজনীয় ভগবানে নিষ্ঠা।প্রথমত ভজননিষ্ঠার কথা বলছেন="আপন ভজন পথ,তাতে হবে অনুরত,ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান"।*
*স্বীয় ভজন পথে অনুরত(আসক্ত) থাকব। "নিষ্ঠা"অর্থ নৈশ্চল‍্য,নিষ্ঠার উদয়ে সবসময় ভজনে নিশ্চলভাবে স্থিতি হয়ে থাকে।সাধুমুখে হরিকথা শুনতে শুনতে অনর্থের অপগম(পলায়ন) ভজনে নিষ্ঠার উদয় হয়।শ্রীমদ্ভাগবতে বর্ণিত আছে,*
*শৃণ্বতাং স্বকথাঃ কৃষ্ণঃ পূণ‍্যশ্রবণকীর্তনঃ।*
*হৃদ‍্যন্তঃস্থো হ‍্যভদ্রাণি বিধুনোতি সুহৃৎ সতাম্।।*
*নষ্টপ্রায়েষ্বভদ্রেষু নিত‍্যং ভাগবতসেবয়া।*
*ভগবত‍্যুত্তমঃশ্লোকে ভক্তির্ভবতি নৈষ্ঠিকী।।*
           *(১|২|১৭ও১৮)*
*🌻অর্থ‍্যাৎ সাধুগণের সুহৃৎ,পূণ‍্যময় শ্রবণ-কীর্তন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ নিজ কথাশ্রবণকারীগণের হৃদয়ে প্রবিষ্ট (প্রবেশ) হয়ে অমঙ্গল অর্থ‍্যাৎ অনর্থাদি নাশ করে থাকেন।* *নিত‍্য ভাগবত সেবার দ্বারা অনর্থাদি (অমঙ্গলাদি)নষ্টপ্রায় হলে উত্তমশ্লোক শ্রীভগবানে নৈষ্ঠিকী ভক্তির উদয় হয়ে থাকে।* *অনর্থ দশায় লয়,বিক্ষেপ,অপ্রতিপত্তি,কষায় ও রসাস্বাদ এই পাঁচপ্রকার বিঘ্ন থাকার জন‍্য ভজনে নিষ্ঠার উদয় হতে দেখা যায় না।কীর্তন,শ্রবণ ও স্মরণকালে উত্তরোত্তর অধিক নিদ্রা উদগমের(উৎপত্তির)নাম "লয়"।* *ঐ কীর্তনাদিতে ব‍্যবহারিক বার্তার সম্পর্কই "বিক্ষেপ"।লয়,বিক্ষেপ না থাকলেও কখন কখন কীর্তনাদিতে অসামর্থের নামই "অপ্রতিপত্তি"।* *ক্রোধ,লোভ,গর্বাদির সংস্কারই "কষায়"।* *বিষয় সুখোদয়কালে কীর্তনাদিতে মনের অনভিনিবেশের নাম "রসাস্বাদ"।* *ভজনকালে এই বাধাগুলির অভাবই ভজনে নিষ্ঠা উৎপত্তির লক্ষণ।* *নিষ্ঠার উদয়ে সাধক সবসময় শ্রবণ কীর্তনাদি ভজন করেও শ্রান্তি ক্লান্তি বোধ করেন না।* *তাই নিজ ভজনপথে অনুরত হওয়াকেই বা নিরন্তর অনুরক্ত থাকাকেই নৈষ্ঠিক ভজন বলা হয়।* *এই নৈষ্ঠিক ভজনের মধ্যে ইষ্টদেব জায়গায় লীলাগান একটি অন‍্যতম ভজনাঙ্গ।* *এখানে ইষ্টদেব বলতে স্বাভীষ্ট অর্চাবিগ্রহ অথবা শ্রীগুরু বা তাদৃশ মহামহৎ বৈষ্ণব শ্রীহরির মতো আরাধ‍্য বলিয়া তাঁরাও ইষ্টদেব।তাঁদের সন্নিকটে (কাছে)স্বাভীষ্ট (বাঞ্জিত)ভগবদলীলাগান প্রেমলাভের অব‍্যভিচারী উপায়।*
*ভগবান তাঁর নিজ লীলাশ্রবণে সাতিশয় (অত‍্যাধিক)আনন্দ লাভ করে থাকেন।শ্রীবিল্বমঙ্গল ঠাকুরের শ্রীমুখে নিজ গুণানুবাদ শ্রবণে শ্রীকৃষ্ণ পরম আনন্দ পেয়ে স্বয়ং তাঁর কাব‍্যের নাম রেখেছিলেন ""শ্রীকৃষ্ণকর্ণামৃত""।* *শ্রীগুরুদেব এবং ভক্তমহানুভবগণেরও বিশেষ সেবা তাঁদেরকে শ্রীকৃষ্ণলীলাগান শোনানো।এই ভজনাঙ্গের দ্বারা শ্রীগুরু,বৈষ্ণব ও শ্রীভগবানের প্রসাদ লাভ হলে সাধকের আর কিছুই অলভ‍্য(অপ্রাপ‍্য)থাকে না।*
        *ক্রমশ*

 *অথবা "ইষ্টদেবস্থানে" বলতে শ্রীকৃষ্ণের লীলাস্থানে শ্রীবৃন্দাবনাদি ধামে বসবাস করে শ্রীকৃষ্ণের লীলাগান ভজনের একটি শ্রেষ্ঠ অঙ্গ।শ্রীবৃন্দাবনধাম শ্রীকৃষ্ণলীলার মহা উদ্দীপন ক্ষেত্র,এখানে হরিকথা-বক্তার মাঝে যেরকম শ্রীকৃষ্ণলীলারসের স্ফূর্তি হয়,এইরকম অন‍্যত্র কোথাও সম্ভবপর নয়।* *আবার ব্রজধামে তাদৃশ(সেইরূপ বা সেইরকম) শ্রীকৃষ্ণলীলাগানে ব্রজবাসী মহামহদগণের সেবা সুসম্পন্ন হয়ে থাকে,যার ফলে সাধক কোন অনির্বচনীয় পুরুষার্থলাভে কৃতার্থ হয়ে থাকেন।* *মদীয়(আমার) পরমারাধ‍্য শ্রীগুরুমহারাজ একদা(এককালে বা একসময়)বলেছিলেন, শ্রীহরিকথা দ্বারা শ্রীবৃন্দাবনবাসী বৈষ্ণবগণের সেবা,ভগবানকে লাভ করা অপেক্ষাও কোন উচ্চতম সম্পদ্ লাভ।* *তাৎপর্য‍্য হল যে,শ্রীভগবানকে পাওয়া হলেই যে তাঁকে আস্বাদন করতে পারা যাবে তা নয়, শ্রীভগবানের প্রকটলীলা কালের অসুরেরাই তার প্রমাণ, কিন্তু ব‍ৃন্দাবনবাসী পরম মহদ্ ভক্তগণসঙ্গে শ্রীহরিকথার শ্রবণ-কীর্তনে ভগবৎরসের সুচারু (মনোহর) আস্বাদন হয়ে থাকে।তাই ঠাকুরমহাশয় বলেছেন, "ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান"।* *তারপর বলেছেন, "নৈষ্ঠিক ভজন এই,তোমারে কহিল ভাই,হনুমান তাহাতে প্রমাণ"।ভজনে নিষ্ঠার কথা বলে এক্ষণে হনুমানের দৃষ্টান্তে ভজনীয় স্বীয় (নিজ) অভীষ্টস্বরূপের নিষ্ঠার উল্লেখ করৈছেন।হনুমানের ইষ্টনিষ্ঠার দৃষ্টান্ত সম্বন্ধে শ্রীমৎ সনাতন গোস্বামীপাদ শ্রীবৃহদ্ভাগবতামৃতে ১|৪|১০৭ শ্লোকের টীকায় যা লিখেছেন তার তাৎপর্য‍্য এইরকম= এককালে দ্বারকাপুরে শ্রীদ্বারকানাথ শ্রীগরুড়াদির গর্বভঞ্জনরূপ কৌতুকের জন্য এবং শ্রীভগবানের নিজ পাদপদ্মে ভক্তিবিষয়ক ঐকান্তিক খ‍্যাপনের(ঘোষণার বা প্রচারের) জন্য শ্রীগরুড়কে আদেশ করলেন, ওহে গরুড়! তুমি কিম্পুরুষবর্ষে (হিমালয়পর্বতে) গমন করে আমার আজ্ঞা শ্রবণ করাইয়া হনুমানকে আমার পার্শে আনয়ন কর। গরুড় কিম্পুরুষবর্ষে গমন করে হনুমান বললেন,হে হনুমতে!ভগবান দ্বারকানাথ যাদবেন্দ্র আপনাকে আহ্বান করেছেন,সত্বর সেখানে গমন করুন।হনুমান শ্রীরঘুনাথ চরণাবিন্দে একনিষ্ঠ ভক্তিমান্ এবং তাঁরই সেবাত রত, সুতরাং রঘুনাথপদে একনিষ্ঠতা ভঙ্গের ভয়ে গরুড়ের কথার আদর করলেন না। তাতে গরুড় ক্রুদ্ধ হয়ে জোরকরে দ্বারকায় আনবার জন্য তাঁকে ধরতে গেলে হনুমান নিজের লাঙ্গুলের(লেজের) অগ্রভাগদ্বারা হেলায় তাঁকে দূরে ফেলে দিলেন।গরুড়কে ফেলে দিলে সেই দ্বারকাপুরে এসে পড়লেন।অতঃপর গরুড়কে বিহ্বল দেখে হাস‍্যবদনে বললেন,হে গরুড়!তুমি পুনরায় গিয়ে হনুমানকে বলো শ্রীরঘুনাথ ডাক দিয়েছেন। তদনন্তর শ্রীকৃষ্ণ শ্রীরামচন্দ্র হলেন,শ্রীবলরাম লক্ষ্মণ হলেন,সত‍্যভামাকে সীতা হতে বললেন,কিন্তু তিনি সীতারূপ ধারণ করতে অসমর্থ হলে ভগবান তাঁকে উপহাস করলেন।* *এবং রুক্মিণীদেবীকে সীতারূপ ধারণ করতে বললেন।রুক্মিণীদেবী সীতারূপ ধারণ করলে তাঁকে বামদিকে নিয়ে দ্বারকায় সিংহাসনে বসলেন।* *এদিকে গরুড় পুনরায় হনুমানের কাছে গমন করে তাঁকে ভগবদবাক‍্য জানালেন।হনুমান সেই কথা শুনামাত্রই পরমানন্দে বিহ্বল হলেও তৎক্ষণাৎ একলাফে দ্বারকায় উপনীত হলেন এবং ভগবানকে নিজ অভীষ্ট রঘুবর স্বরূপে দর্শন করে সেবায় সন্তুষ্ট করলেন। ভগবান তাঁর অভীষ্ট ইষ্টনিষ্ঠা দর্শনে পরম প্রীত হয়ে তাঁকে অভীষ্টবর প্রদান করলেন।*
*🙏বানান,ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






হরিবল শব্দের অর্থ


হরিবল শব্দের অর্থ 👉 https://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
হরিবল শব্দের অর্থঃ--------------------------------
হ---- কারে হরেকৃষ্ণ দ্বাপরের লীলা।
রি--- কারে আপনি কৃষ্ণ জগৎ মথিলা।
ব--- কারে বিশুদ্ধ গোপীকার প্রেম।
ল--কারে লবঙ্গ মঞ্জরী ধরে হেম।
   হরিবল শব্দ উচ্চারণে শ্রীকৃষ্ণের এক লক্ষ নাম উচ্চারিত হয়। জয় নিতাই।
আবার -- হ - শব্দে শ্রীরাধিকার পদযুগ শোভা।
              রি- শব্দে মনোহরা কুচযুগ শোভা।।
          বোল- শব্দে শীতল বিদ‍্যুৎ আকার।
       রাধাকৃষ্ণ একদেহে সাক্ষাৎ শৃঙ্গার।।

সংগৃহীত 

হরিবল শব্দের অর্থ


হরিবল শব্দের অর্থ 👉 https://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
হরিবল শব্দের অর্থঃ--------------------------------
হ---- কারে হরেকৃষ্ণ দ্বাপরের লীলা।
রি--- কারে আপনি কৃষ্ণ জগৎ মথিলা।
ব--- কারে বিশুদ্ধ গোপীকার প্রেম।
ল--কারে লবঙ্গ মঞ্জরী ধরে হেম।
   হরিবল শব্দ উচ্চারণে শ্রীকৃষ্ণের এক লক্ষ নাম উচ্চারিত হয়। জয় নিতাই।
আবার -- হ - শব্দে শ্রীরাধিকার পদযুগ শোভা।
              রি- শব্দে মনোহরা কুচযুগ শোভা।।
          বোল- শব্দে শীতল বিদ‍্যুৎ আকার।
       রাধাকৃষ্ণ একদেহে সাক্ষাৎ শৃঙ্গার।।

সংগৃহীত 

*আপন ভজন পথ,তাতে হবে অনুরত,* *ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান।* ব্যাখ্যা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ -> http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/08/blog-post_36.html


  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    ꧁ *আপন ভজন পথ, তাতে হবে অনুরত,* ꧂
                ꧁ *ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান।* ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*আপন ভজন পথ,তাতে হবে অনুরত,*
    *ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান।*
*নৈষ্ঠিক ভজন এই,তোমারে কহিল ভাই,*
    *হনুমান তাহাতে প্রমাণ।।*
*🌻শ্রীঠাকুরমহাশয় এখানে নৈষ্ঠিক (চিরকাল গুরুগৃহে বাস ও ব্রহ্মচর্য‍্য অবলম্বন পূর্বক অধ‍্যায়ী দ্বিজ) ভজনের কথা উল্লেখ করছেন।স্বীয় (নিজ) ভজনে এবং ভজনীয় ভগবানে নিষ্ঠা।প্রথমত ভজননিষ্ঠার কথা বলছেন="আপন ভজন পথ,তাতে হবে অনুরত,ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান"।*
*স্বীয় ভজন পথে অনুরত(আসক্ত) থাকব। "নিষ্ঠা"অর্থ নৈশ্চল‍্য,নিষ্ঠার উদয়ে সবসময় ভজনে নিশ্চলভাবে স্থিতি হয়ে থাকে।সাধুমুখে হরিকথা শুনতে শুনতে অনর্থের অপগম(পলায়ন) ভজনে নিষ্ঠার উদয় হয়।শ্রীমদ্ভাগবতে বর্ণিত আছে,*
*শৃণ্বতাং স্বকথাঃ কৃষ্ণঃ পূণ‍্যশ্রবণকীর্তনঃ।*
*হৃদ‍্যন্তঃস্থো হ‍্যভদ্রাণি বিধুনোতি সুহৃৎ সতাম্।।*
*নষ্টপ্রায়েষ্বভদ্রেষু নিত‍্যং ভাগবতসেবয়া।*
*ভগবত‍্যুত্তমঃশ্লোকে ভক্তির্ভবতি নৈষ্ঠিকী।।*
           *(১|২|১৭ও১৮)*
*🌻অর্থ‍্যাৎ সাধুগণের সুহৃৎ,পূণ‍্যময় শ্রবণ-কীর্তন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ নিজ কথাশ্রবণকারীগণের হৃদয়ে প্রবিষ্ট (প্রবেশ) হয়ে অমঙ্গল অর্থ‍্যাৎ অনর্থাদি নাশ করে থাকেন।* *নিত‍্য ভাগবত সেবার দ্বারা অনর্থাদি (অমঙ্গলাদি)নষ্টপ্রায় হলে উত্তমশ্লোক শ্রীভগবানে নৈষ্ঠিকী ভক্তির উদয় হয়ে থাকে।* *অনর্থ দশায় লয়,বিক্ষেপ,অপ্রতিপত্তি,কষায় ও রসাস্বাদ এই পাঁচপ্রকার বিঘ্ন থাকার জন‍্য ভজনে নিষ্ঠার উদয় হতে দেখা যায় না।কীর্তন,শ্রবণ ও স্মরণকালে উত্তরোত্তর অধিক নিদ্রা উদগমের(উৎপত্তির)নাম "লয়"।* *ঐ কীর্তনাদিতে ব‍্যবহারিক বার্তার সম্পর্কই "বিক্ষেপ"।লয়,বিক্ষেপ না থাকলেও কখন কখন কীর্তনাদিতে অসামর্থের নামই "অপ্রতিপত্তি"।* *ক্রোধ,লোভ,গর্বাদির সংস্কারই "কষায়"।* *বিষয় সুখোদয়কালে কীর্তনাদিতে মনের অনভিনিবেশের নাম "রসাস্বাদ"।* *ভজনকালে এই বাধাগুলির অভাবই ভজনে নিষ্ঠা উৎপত্তির লক্ষণ।* *নিষ্ঠার উদয়ে সাধক সবসময় শ্রবণ কীর্তনাদি ভজন করেও শ্রান্তি ক্লান্তি বোধ করেন না।* *তাই নিজ ভজনপথে অনুরত হওয়াকেই বা নিরন্তর অনুরক্ত থাকাকেই নৈষ্ঠিক ভজন বলা হয়।* *এই নৈষ্ঠিক ভজনের মধ্যে ইষ্টদেব জায়গায় লীলাগান একটি অন‍্যতম ভজনাঙ্গ।* *এখানে ইষ্টদেব বলতে স্বাভীষ্ট অর্চাবিগ্রহ অথবা শ্রীগুরু বা তাদৃশ মহামহৎ বৈষ্ণব শ্রীহরির মতো আরাধ‍্য বলিয়া তাঁরাও ইষ্টদেব।তাঁদের সন্নিকটে (কাছে)স্বাভীষ্ট (বাঞ্জিত)ভগবদলীলাগান প্রেমলাভের অব‍্যভিচারী উপায়।*
*ভগবান তাঁর নিজ লীলাশ্রবণে সাতিশয় (অত‍্যাধিক)আনন্দ লাভ করে থাকেন।শ্রীবিল্বমঙ্গল ঠাকুরের শ্রীমুখে নিজ গুণানুবাদ শ্রবণে শ্রীকৃষ্ণ পরম আনন্দ পেয়ে স্বয়ং তাঁর কাব‍্যের নাম রেখেছিলেন ""শ্রীকৃষ্ণকর্ণামৃত""।* *শ্রীগুরুদেব এবং ভক্তমহানুভবগণেরও বিশেষ সেবা তাঁদেরকে শ্রীকৃষ্ণলীলাগান শোনানো।এই ভজনাঙ্গের দ্বারা শ্রীগুরু,বৈষ্ণব ও শ্রীভগবানের প্রসাদ লাভ হলে সাধকের আর কিছুই অলভ‍্য(অপ্রাপ‍্য)থাকে না।*
        *ক্রমশ*

*অথবা "ইষ্টদেবস্থানে" বলতে শ্রীকৃষ্ণের লীলাস্থানে শ্রীবৃন্দাবনাদি ধামে বসবাস করে শ্রীকৃষ্ণের লীলাগান ভজনের একটি শ্রেষ্ঠ অঙ্গ।শ্রীবৃন্দাবনধাম শ্রীকৃষ্ণলীলার মহা উদ্দীপন ক্ষেত্র,এখানে হরিকথা-বক্তার মাঝে যেরকম শ্রীকৃষ্ণলীলারসের স্ফূর্তি হয়,এইরকম অন‍্যত্র কোথাও সম্ভবপর নয়।* *আবার ব্রজধামে তাদৃশ(সেইরূপ বা সেইরকম) শ্রীকৃষ্ণলীলাগানে ব্রজবাসী মহামহদগণের সেবা সুসম্পন্ন হয়ে থাকে,যার ফলে সাধক কোন অনির্বচনীয় পুরুষার্থলাভে কৃতার্থ হয়ে থাকেন।* *মদীয়(আমার) পরমারাধ‍্য শ্রীগুরুমহারাজ একদা(এককালে বা একসময়)বলেছিলেন, শ্রীহরিকথা দ্বারা শ্রীবৃন্দাবনবাসী বৈষ্ণবগণের সেবা,ভগবানকে লাভ করা অপেক্ষাও কোন উচ্চতম সম্পদ্ লাভ।* *তাৎপর্য‍্য হল যে,শ্রীভগবানকে পাওয়া হলেই যে তাঁকে আস্বাদন করতে পারা যাবে তা নয়, শ্রীভগবানের প্রকটলীলা কালের অসুরেরাই তার প্রমাণ, কিন্তু ব‍ৃন্দাবনবাসী পরম মহদ্ ভক্তগণসঙ্গে শ্রীহরিকথার শ্রবণ-কীর্তনে ভগবৎরসের সুচারু (মনোহর) আস্বাদন হয়ে থাকে।তাই ঠাকুরমহাশয় বলেছেন, "ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান"।* *তারপর বলেছেন, "নৈষ্ঠিক ভজন এই,তোমারে কহিল ভাই,হনুমান তাহাতে প্রমাণ"।ভজনে নিষ্ঠার কথা বলে এক্ষণে হনুমানের দৃষ্টান্তে ভজনীয় স্বীয় (নিজ) অভীষ্টস্বরূপের নিষ্ঠার উল্লেখ করৈছেন।হনুমানের ইষ্টনিষ্ঠার দৃষ্টান্ত সম্বন্ধে শ্রীমৎ সনাতন গোস্বামীপাদ শ্রীবৃহদ্ভাগবতামৃতে ১|৪|১০৭ শ্লোকের টীকায় যা লিখেছেন তার তাৎপর্য‍্য এইরকম= এককালে দ্বারকাপুরে শ্রীদ্বারকানাথ শ্রীগরুড়াদির গর্বভঞ্জনরূপ কৌতুকের জন্য এবং শ্রীভগবানের নিজ পাদপদ্মে ভক্তিবিষয়ক ঐকান্তিক খ‍্যাপনের(ঘোষণার বা প্রচারের) জন্য শ্রীগরুড়কে আদেশ করলেন, ওহে গরুড়! তুমি কিম্পুরুষবর্ষে (হিমালয়পর্বতে) গমন করে আমার আজ্ঞা শ্রবণ করাইয়া হনুমানকে আমার পার্শে আনয়ন কর। গরুড় কিম্পুরুষবর্ষে গমন করে হনুমান বললেন,হে হনুমতে!ভগবান দ্বারকানাথ যাদবেন্দ্র আপনাকে আহ্বান করেছেন,সত্বর সেখানে গমন করুন।হনুমান শ্রীরঘুনাথ চরণাবিন্দে একনিষ্ঠ ভক্তিমান্ এবং তাঁরই সেবাত রত, সুতরাং রঘুনাথপদে একনিষ্ঠতা ভঙ্গের ভয়ে গরুড়ের কথার আদর করলেন না। তাতে গরুড় ক্রুদ্ধ হয়ে জোরকরে দ্বারকায় আনবার জন্য তাঁকে ধরতে গেলে হনুমান নিজের লাঙ্গুলের(লেজের) অগ্রভাগদ্বারা হেলায় তাঁকে দূরে ফেলে দিলেন।গরুড়কে ফেলে দিলে সেই দ্বারকাপুরে এসে পড়লেন।অতঃপর গরুড়কে বিহ্বল দেখে হাস‍্যবদনে বললেন,হে গরুড়!তুমি পুনরায় গিয়ে হনুমানকে বলো শ্রীরঘুনাথ ডাক দিয়েছেন। তদনন্তর শ্রীকৃষ্ণ শ্রীরামচন্দ্র হলেন,শ্রীবলরাম লক্ষ্মণ হলেন,সত‍্যভামাকে সীতা হতে বললেন,কিন্তু তিনি সীতারূপ ধারণ করতে অসমর্থ হলে ভগবান তাঁকে উপহাস করলেন।* *এবং রুক্মিণীদেবীকে সীতারূপ ধারণ করতে বললেন।রুক্মিণীদেবী সীতারূপ ধারণ করলে তাঁকে বামদিকে নিয়ে দ্বারকায় সিংহাসনে বসলেন।* *এদিকে গরুড় পুনরায় হনুমানের কাছে গমন করে তাঁকে ভগবদবাক‍্য জানালেন।হনুমান সেই কথা শুনামাত্রই পরমানন্দে বিহ্বল হলেও তৎক্ষণাৎ একলাফে দ্বারকায় উপনীত হলেন এবং ভগবানকে নিজ অভীষ্ট রঘুবর স্বরূপে দর্শন করে সেবায় সন্তুষ্ট করলেন। ভগবান তাঁর অভীষ্ট ইষ্টনিষ্ঠা দর্শনে পরম প্রীত হয়ে তাঁকে অভীষ্টবর প্রদান করলেন।*
*🙏বানান,ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
🌐 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

*আপন ভজন পথ,তাতে হবে অনুরত,* *ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান।* ব্যাখ্যা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ -> http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/08/blog-post_36.html


  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    ꧁ *আপন ভজন পথ, তাতে হবে অনুরত,* ꧂
                ꧁ *ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান।* ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*আপন ভজন পথ,তাতে হবে অনুরত,*
    *ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান।*
*নৈষ্ঠিক ভজন এই,তোমারে কহিল ভাই,*
    *হনুমান তাহাতে প্রমাণ।।*
*🌻শ্রীঠাকুরমহাশয় এখানে নৈষ্ঠিক (চিরকাল গুরুগৃহে বাস ও ব্রহ্মচর্য‍্য অবলম্বন পূর্বক অধ‍্যায়ী দ্বিজ) ভজনের কথা উল্লেখ করছেন।স্বীয় (নিজ) ভজনে এবং ভজনীয় ভগবানে নিষ্ঠা।প্রথমত ভজননিষ্ঠার কথা বলছেন="আপন ভজন পথ,তাতে হবে অনুরত,ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান"।*
*স্বীয় ভজন পথে অনুরত(আসক্ত) থাকব। "নিষ্ঠা"অর্থ নৈশ্চল‍্য,নিষ্ঠার উদয়ে সবসময় ভজনে নিশ্চলভাবে স্থিতি হয়ে থাকে।সাধুমুখে হরিকথা শুনতে শুনতে অনর্থের অপগম(পলায়ন) ভজনে নিষ্ঠার উদয় হয়।শ্রীমদ্ভাগবতে বর্ণিত আছে,*
*শৃণ্বতাং স্বকথাঃ কৃষ্ণঃ পূণ‍্যশ্রবণকীর্তনঃ।*
*হৃদ‍্যন্তঃস্থো হ‍্যভদ্রাণি বিধুনোতি সুহৃৎ সতাম্।।*
*নষ্টপ্রায়েষ্বভদ্রেষু নিত‍্যং ভাগবতসেবয়া।*
*ভগবত‍্যুত্তমঃশ্লোকে ভক্তির্ভবতি নৈষ্ঠিকী।।*
           *(১|২|১৭ও১৮)*
*🌻অর্থ‍্যাৎ সাধুগণের সুহৃৎ,পূণ‍্যময় শ্রবণ-কীর্তন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ নিজ কথাশ্রবণকারীগণের হৃদয়ে প্রবিষ্ট (প্রবেশ) হয়ে অমঙ্গল অর্থ‍্যাৎ অনর্থাদি নাশ করে থাকেন।* *নিত‍্য ভাগবত সেবার দ্বারা অনর্থাদি (অমঙ্গলাদি)নষ্টপ্রায় হলে উত্তমশ্লোক শ্রীভগবানে নৈষ্ঠিকী ভক্তির উদয় হয়ে থাকে।* *অনর্থ দশায় লয়,বিক্ষেপ,অপ্রতিপত্তি,কষায় ও রসাস্বাদ এই পাঁচপ্রকার বিঘ্ন থাকার জন‍্য ভজনে নিষ্ঠার উদয় হতে দেখা যায় না।কীর্তন,শ্রবণ ও স্মরণকালে উত্তরোত্তর অধিক নিদ্রা উদগমের(উৎপত্তির)নাম "লয়"।* *ঐ কীর্তনাদিতে ব‍্যবহারিক বার্তার সম্পর্কই "বিক্ষেপ"।লয়,বিক্ষেপ না থাকলেও কখন কখন কীর্তনাদিতে অসামর্থের নামই "অপ্রতিপত্তি"।* *ক্রোধ,লোভ,গর্বাদির সংস্কারই "কষায়"।* *বিষয় সুখোদয়কালে কীর্তনাদিতে মনের অনভিনিবেশের নাম "রসাস্বাদ"।* *ভজনকালে এই বাধাগুলির অভাবই ভজনে নিষ্ঠা উৎপত্তির লক্ষণ।* *নিষ্ঠার উদয়ে সাধক সবসময় শ্রবণ কীর্তনাদি ভজন করেও শ্রান্তি ক্লান্তি বোধ করেন না।* *তাই নিজ ভজনপথে অনুরত হওয়াকেই বা নিরন্তর অনুরক্ত থাকাকেই নৈষ্ঠিক ভজন বলা হয়।* *এই নৈষ্ঠিক ভজনের মধ্যে ইষ্টদেব জায়গায় লীলাগান একটি অন‍্যতম ভজনাঙ্গ।* *এখানে ইষ্টদেব বলতে স্বাভীষ্ট অর্চাবিগ্রহ অথবা শ্রীগুরু বা তাদৃশ মহামহৎ বৈষ্ণব শ্রীহরির মতো আরাধ‍্য বলিয়া তাঁরাও ইষ্টদেব।তাঁদের সন্নিকটে (কাছে)স্বাভীষ্ট (বাঞ্জিত)ভগবদলীলাগান প্রেমলাভের অব‍্যভিচারী উপায়।*
*ভগবান তাঁর নিজ লীলাশ্রবণে সাতিশয় (অত‍্যাধিক)আনন্দ লাভ করে থাকেন।শ্রীবিল্বমঙ্গল ঠাকুরের শ্রীমুখে নিজ গুণানুবাদ শ্রবণে শ্রীকৃষ্ণ পরম আনন্দ পেয়ে স্বয়ং তাঁর কাব‍্যের নাম রেখেছিলেন ""শ্রীকৃষ্ণকর্ণামৃত""।* *শ্রীগুরুদেব এবং ভক্তমহানুভবগণেরও বিশেষ সেবা তাঁদেরকে শ্রীকৃষ্ণলীলাগান শোনানো।এই ভজনাঙ্গের দ্বারা শ্রীগুরু,বৈষ্ণব ও শ্রীভগবানের প্রসাদ লাভ হলে সাধকের আর কিছুই অলভ‍্য(অপ্রাপ‍্য)থাকে না।*
        *ক্রমশ*

*অথবা "ইষ্টদেবস্থানে" বলতে শ্রীকৃষ্ণের লীলাস্থানে শ্রীবৃন্দাবনাদি ধামে বসবাস করে শ্রীকৃষ্ণের লীলাগান ভজনের একটি শ্রেষ্ঠ অঙ্গ।শ্রীবৃন্দাবনধাম শ্রীকৃষ্ণলীলার মহা উদ্দীপন ক্ষেত্র,এখানে হরিকথা-বক্তার মাঝে যেরকম শ্রীকৃষ্ণলীলারসের স্ফূর্তি হয়,এইরকম অন‍্যত্র কোথাও সম্ভবপর নয়।* *আবার ব্রজধামে তাদৃশ(সেইরূপ বা সেইরকম) শ্রীকৃষ্ণলীলাগানে ব্রজবাসী মহামহদগণের সেবা সুসম্পন্ন হয়ে থাকে,যার ফলে সাধক কোন অনির্বচনীয় পুরুষার্থলাভে কৃতার্থ হয়ে থাকেন।* *মদীয়(আমার) পরমারাধ‍্য শ্রীগুরুমহারাজ একদা(এককালে বা একসময়)বলেছিলেন, শ্রীহরিকথা দ্বারা শ্রীবৃন্দাবনবাসী বৈষ্ণবগণের সেবা,ভগবানকে লাভ করা অপেক্ষাও কোন উচ্চতম সম্পদ্ লাভ।* *তাৎপর্য‍্য হল যে,শ্রীভগবানকে পাওয়া হলেই যে তাঁকে আস্বাদন করতে পারা যাবে তা নয়, শ্রীভগবানের প্রকটলীলা কালের অসুরেরাই তার প্রমাণ, কিন্তু ব‍ৃন্দাবনবাসী পরম মহদ্ ভক্তগণসঙ্গে শ্রীহরিকথার শ্রবণ-কীর্তনে ভগবৎরসের সুচারু (মনোহর) আস্বাদন হয়ে থাকে।তাই ঠাকুরমহাশয় বলেছেন, "ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান"।* *তারপর বলেছেন, "নৈষ্ঠিক ভজন এই,তোমারে কহিল ভাই,হনুমান তাহাতে প্রমাণ"।ভজনে নিষ্ঠার কথা বলে এক্ষণে হনুমানের দৃষ্টান্তে ভজনীয় স্বীয় (নিজ) অভীষ্টস্বরূপের নিষ্ঠার উল্লেখ করৈছেন।হনুমানের ইষ্টনিষ্ঠার দৃষ্টান্ত সম্বন্ধে শ্রীমৎ সনাতন গোস্বামীপাদ শ্রীবৃহদ্ভাগবতামৃতে ১|৪|১০৭ শ্লোকের টীকায় যা লিখেছেন তার তাৎপর্য‍্য এইরকম= এককালে দ্বারকাপুরে শ্রীদ্বারকানাথ শ্রীগরুড়াদির গর্বভঞ্জনরূপ কৌতুকের জন্য এবং শ্রীভগবানের নিজ পাদপদ্মে ভক্তিবিষয়ক ঐকান্তিক খ‍্যাপনের(ঘোষণার বা প্রচারের) জন্য শ্রীগরুড়কে আদেশ করলেন, ওহে গরুড়! তুমি কিম্পুরুষবর্ষে (হিমালয়পর্বতে) গমন করে আমার আজ্ঞা শ্রবণ করাইয়া হনুমানকে আমার পার্শে আনয়ন কর। গরুড় কিম্পুরুষবর্ষে গমন করে হনুমান বললেন,হে হনুমতে!ভগবান দ্বারকানাথ যাদবেন্দ্র আপনাকে আহ্বান করেছেন,সত্বর সেখানে গমন করুন।হনুমান শ্রীরঘুনাথ চরণাবিন্দে একনিষ্ঠ ভক্তিমান্ এবং তাঁরই সেবাত রত, সুতরাং রঘুনাথপদে একনিষ্ঠতা ভঙ্গের ভয়ে গরুড়ের কথার আদর করলেন না। তাতে গরুড় ক্রুদ্ধ হয়ে জোরকরে দ্বারকায় আনবার জন্য তাঁকে ধরতে গেলে হনুমান নিজের লাঙ্গুলের(লেজের) অগ্রভাগদ্বারা হেলায় তাঁকে দূরে ফেলে দিলেন।গরুড়কে ফেলে দিলে সেই দ্বারকাপুরে এসে পড়লেন।অতঃপর গরুড়কে বিহ্বল দেখে হাস‍্যবদনে বললেন,হে গরুড়!তুমি পুনরায় গিয়ে হনুমানকে বলো শ্রীরঘুনাথ ডাক দিয়েছেন। তদনন্তর শ্রীকৃষ্ণ শ্রীরামচন্দ্র হলেন,শ্রীবলরাম লক্ষ্মণ হলেন,সত‍্যভামাকে সীতা হতে বললেন,কিন্তু তিনি সীতারূপ ধারণ করতে অসমর্থ হলে ভগবান তাঁকে উপহাস করলেন।* *এবং রুক্মিণীদেবীকে সীতারূপ ধারণ করতে বললেন।রুক্মিণীদেবী সীতারূপ ধারণ করলে তাঁকে বামদিকে নিয়ে দ্বারকায় সিংহাসনে বসলেন।* *এদিকে গরুড় পুনরায় হনুমানের কাছে গমন করে তাঁকে ভগবদবাক‍্য জানালেন।হনুমান সেই কথা শুনামাত্রই পরমানন্দে বিহ্বল হলেও তৎক্ষণাৎ একলাফে দ্বারকায় উপনীত হলেন এবং ভগবানকে নিজ অভীষ্ট রঘুবর স্বরূপে দর্শন করে সেবায় সন্তুষ্ট করলেন। ভগবান তাঁর অভীষ্ট ইষ্টনিষ্ঠা দর্শনে পরম প্রীত হয়ে তাঁকে অভীষ্টবর প্রদান করলেন।*
*🙏বানান,ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
🌐 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

adds