শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

*আপন ভজন পথ, তাতে হবে অনুরত,* *ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান।* ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ -> http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post_2.html

   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁*আপন ভজন পথ, তাতে হবে অনুরত,*  ꧂
             *ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান।* ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 *আপন ভজন পথ, তাতে হবে অনুরত,*
    *ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান।*
*নৈষ্ঠিক ভজন এই, তোমারে কহিল ভাই,*
    *হনুমান তাহাতে প্রমাণ।।*
*🌻শ্রীঠাকুরমহাশয় এখানে নৈষ্ঠিক (চিরকাল গুরুগৃহে বাস ও ব্রহ্মচর্য‍্য অবলম্বন পূর্বক অধ‍্যায়ী দ্বিজ) ভজনের কথা উল্লেখ করছেন।স্বীয় (নিজ) ভজনে এবং ভজনীয় ভগবানে নিষ্ঠা।প্রথমত ভজননিষ্ঠার কথা বলছেন="আপন ভজন পথ,তাতে হবে অনুরত,ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান"।*
*স্বীয় ভজন পথে অনুরত(আসক্ত) থাকব। "নিষ্ঠা"অর্থ নৈশ্চল‍্য,নিষ্ঠার উদয়ে সবসময় ভজনে নিশ্চলভাবে স্থিতি হয়ে থাকে।সাধুমুখে হরিকথা শুনতে শুনতে অনর্থের অপগম(পলায়ন) ভজনে নিষ্ঠার উদয় হয়।শ্রীমদ্ভাগবতে বর্ণিত আছে,*
*শৃণ্বতাং স্বকথাঃ কৃষ্ণঃ পূণ‍্যশ্রবণকীর্তনঃ।*
*হৃদ‍্যন্তঃস্থো হ‍্যভদ্রাণি বিধুনোতি সুহৃৎ সতাম্।।*
*নষ্টপ্রায়েষ্বভদ্রেষু নিত‍্যং ভাগবতসেবয়া।*
*ভগবত‍্যুত্তমঃশ্লোকে ভক্তির্ভবতি নৈষ্ঠিকী।।*
           *(১|২|১৭ও১৮)*
*🌻অর্থ‍্যাৎ সাধুগণের সুহৃৎ,পূণ‍্যময় শ্রবণ-কীর্তন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ নিজ কথাশ্রবণকারীগণের হৃদয়ে প্রবিষ্ট (প্রবেশ) হয়ে অমঙ্গল অর্থ‍্যাৎ অনর্থাদি নাশ করে থাকেন।* *নিত‍্য ভাগবত সেবার দ্বারা অনর্থাদি (অমঙ্গলাদি)নষ্টপ্রায় হলে উত্তমশ্লোক শ্রীভগবানে নৈষ্ঠিকী ভক্তির উদয় হয়ে থাকে।* *অনর্থ দশায় লয়,বিক্ষেপ,অপ্রতিপত্তি,কষায় ও রসাস্বাদ এই পাঁচপ্রকার বিঘ্ন থাকার জন‍্য ভজনে নিষ্ঠার উদয় হতে দেখা যায় না।কীর্তন,শ্রবণ ও স্মরণকালে উত্তরোত্তর অধিক নিদ্রা উদগমের(উৎপত্তির)নাম "লয়"।* *ঐ কীর্তনাদিতে ব‍্যবহারিক বার্তার সম্পর্কই "বিক্ষেপ"।লয়,বিক্ষেপ না থাকলেও কখন কখন কীর্তনাদিতে অসামর্থের নামই "অপ্রতিপত্তি"।* *ক্রোধ,লোভ,গর্বাদির সংস্কারই "কষায়"।* *বিষয় সুখোদয়কালে কীর্তনাদিতে মনের অনভিনিবেশের নাম "রসাস্বাদ"।* *ভজনকালে এই বাধাগুলির অভাবই ভজনে নিষ্ঠা উৎপত্তির লক্ষণ।* *নিষ্ঠার উদয়ে সাধক সবসময় শ্রবণ কীর্তনাদি ভজন করেও শ্রান্তি ক্লান্তি বোধ করেন না।* *তাই নিজ ভজনপথে অনুরত হওয়াকেই বা নিরন্তর অনুরক্ত থাকাকেই নৈষ্ঠিক ভজন বলা হয়।* *এই নৈষ্ঠিক ভজনের মধ্যে ইষ্টদেব জায়গায় লীলাগান একটি অন‍্যতম ভজনাঙ্গ।* *এখানে ইষ্টদেব বলতে স্বাভীষ্ট অর্চাবিগ্রহ অথবা শ্রীগুরু বা তাদৃশ মহামহৎ বৈষ্ণব শ্রীহরির মতো আরাধ‍্য বলিয়া তাঁরাও ইষ্টদেব।তাঁদের সন্নিকটে (কাছে)স্বাভীষ্ট (বাঞ্জিত)ভগবদলীলাগান প্রেমলাভের অব‍্যভিচারী উপায়।*
*ভগবান তাঁর নিজ লীলাশ্রবণে সাতিশয় (অত‍্যাধিক)আনন্দ লাভ করে থাকেন।শ্রীবিল্বমঙ্গল ঠাকুরের শ্রীমুখে নিজ গুণানুবাদ শ্রবণে শ্রীকৃষ্ণ পরম আনন্দ পেয়ে স্বয়ং তাঁর কাব‍্যের নাম রেখেছিলেন ""শ্রীকৃষ্ণকর্ণামৃত""।* *শ্রীগুরুদেব এবং ভক্তমহানুভবগণেরও বিশেষ সেবা তাঁদেরকে শ্রীকৃষ্ণলীলাগান শোনানো।এই ভজনাঙ্গের দ্বারা শ্রীগুরু,বৈষ্ণব ও শ্রীভগবানের প্রসাদ লাভ হলে সাধকের আর কিছুই অলভ‍্য(অপ্রাপ‍্য)থাকে না।*
        *ক্রমশ*

 *অথবা "ইষ্টদেবস্থানে" বলতে শ্রীকৃষ্ণের লীলাস্থানে শ্রীবৃন্দাবনাদি ধামে বসবাস করে শ্রীকৃষ্ণের লীলাগান ভজনের একটি শ্রেষ্ঠ অঙ্গ।শ্রীবৃন্দাবনধাম শ্রীকৃষ্ণলীলার মহা উদ্দীপন ক্ষেত্র,এখানে হরিকথা-বক্তার মাঝে যেরকম শ্রীকৃষ্ণলীলারসের স্ফূর্তি হয়,এইরকম অন‍্যত্র কোথাও সম্ভবপর নয়।* *আবার ব্রজধামে তাদৃশ(সেইরূপ বা সেইরকম) শ্রীকৃষ্ণলীলাগানে ব্রজবাসী মহামহদগণের সেবা সুসম্পন্ন হয়ে থাকে,যার ফলে সাধক কোন অনির্বচনীয় পুরুষার্থলাভে কৃতার্থ হয়ে থাকেন।* *মদীয়(আমার) পরমারাধ‍্য শ্রীগুরুমহারাজ একদা(এককালে বা একসময়)বলেছিলেন, শ্রীহরিকথা দ্বারা শ্রীবৃন্দাবনবাসী বৈষ্ণবগণের সেবা,ভগবানকে লাভ করা অপেক্ষাও কোন উচ্চতম সম্পদ্ লাভ।* *তাৎপর্য‍্য হল যে,শ্রীভগবানকে পাওয়া হলেই যে তাঁকে আস্বাদন করতে পারা যাবে তা নয়, শ্রীভগবানের প্রকটলীলা কালের অসুরেরাই তার প্রমাণ, কিন্তু ব‍ৃন্দাবনবাসী পরম মহদ্ ভক্তগণসঙ্গে শ্রীহরিকথার শ্রবণ-কীর্তনে ভগবৎরসের সুচারু (মনোহর) আস্বাদন হয়ে থাকে।তাই ঠাকুরমহাশয় বলেছেন, "ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান"।* *তারপর বলেছেন, "নৈষ্ঠিক ভজন এই,তোমারে কহিল ভাই,হনুমান তাহাতে প্রমাণ"।ভজনে নিষ্ঠার কথা বলে এক্ষণে হনুমানের দৃষ্টান্তে ভজনীয় স্বীয় (নিজ) অভীষ্টস্বরূপের নিষ্ঠার উল্লেখ করৈছেন।হনুমানের ইষ্টনিষ্ঠার দৃষ্টান্ত সম্বন্ধে শ্রীমৎ সনাতন গোস্বামীপাদ শ্রীবৃহদ্ভাগবতামৃতে ১|৪|১০৭ শ্লোকের টীকায় যা লিখেছেন তার তাৎপর্য‍্য এইরকম= এককালে দ্বারকাপুরে শ্রীদ্বারকানাথ শ্রীগরুড়াদির গর্বভঞ্জনরূপ কৌতুকের জন্য এবং শ্রীভগবানের নিজ পাদপদ্মে ভক্তিবিষয়ক ঐকান্তিক খ‍্যাপনের(ঘোষণার বা প্রচারের) জন্য শ্রীগরুড়কে আদেশ করলেন, ওহে গরুড়! তুমি কিম্পুরুষবর্ষে (হিমালয়পর্বতে) গমন করে আমার আজ্ঞা শ্রবণ করাইয়া হনুমানকে আমার পার্শে আনয়ন কর। গরুড় কিম্পুরুষবর্ষে গমন করে হনুমান বললেন,হে হনুমতে!ভগবান দ্বারকানাথ যাদবেন্দ্র আপনাকে আহ্বান করেছেন,সত্বর সেখানে গমন করুন।হনুমান শ্রীরঘুনাথ চরণাবিন্দে একনিষ্ঠ ভক্তিমান্ এবং তাঁরই সেবাত রত, সুতরাং রঘুনাথপদে একনিষ্ঠতা ভঙ্গের ভয়ে গরুড়ের কথার আদর করলেন না। তাতে গরুড় ক্রুদ্ধ হয়ে জোরকরে দ্বারকায় আনবার জন্য তাঁকে ধরতে গেলে হনুমান নিজের লাঙ্গুলের(লেজের) অগ্রভাগদ্বারা হেলায় তাঁকে দূরে ফেলে দিলেন।গরুড়কে ফেলে দিলে সেই দ্বারকাপুরে এসে পড়লেন।অতঃপর গরুড়কে বিহ্বল দেখে হাস‍্যবদনে বললেন,হে গরুড়!তুমি পুনরায় গিয়ে হনুমানকে বলো শ্রীরঘুনাথ ডাক দিয়েছেন। তদনন্তর শ্রীকৃষ্ণ শ্রীরামচন্দ্র হলেন,শ্রীবলরাম লক্ষ্মণ হলেন,সত‍্যভামাকে সীতা হতে বললেন,কিন্তু তিনি সীতারূপ ধারণ করতে অসমর্থ হলে ভগবান তাঁকে উপহাস করলেন।* *এবং রুক্মিণীদেবীকে সীতারূপ ধারণ করতে বললেন।রুক্মিণীদেবী সীতারূপ ধারণ করলে তাঁকে বামদিকে নিয়ে দ্বারকায় সিংহাসনে বসলেন।* *এদিকে গরুড় পুনরায় হনুমানের কাছে গমন করে তাঁকে ভগবদবাক‍্য জানালেন।হনুমান সেই কথা শুনামাত্রই পরমানন্দে বিহ্বল হলেও তৎক্ষণাৎ একলাফে দ্বারকায় উপনীত হলেন এবং ভগবানকে নিজ অভীষ্ট রঘুবর স্বরূপে দর্শন করে সেবায় সন্তুষ্ট করলেন। ভগবান তাঁর অভীষ্ট ইষ্টনিষ্ঠা দর্শনে পরম প্রীত হয়ে তাঁকে অভীষ্টবর প্রদান করলেন।*
*🙏বানান,ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






হরিবল শব্দের অর্থ


হরিবল শব্দের অর্থ 👉 https://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
হরিবল শব্দের অর্থঃ--------------------------------
হ---- কারে হরেকৃষ্ণ দ্বাপরের লীলা।
রি--- কারে আপনি কৃষ্ণ জগৎ মথিলা।
ব--- কারে বিশুদ্ধ গোপীকার প্রেম।
ল--কারে লবঙ্গ মঞ্জরী ধরে হেম।
   হরিবল শব্দ উচ্চারণে শ্রীকৃষ্ণের এক লক্ষ নাম উচ্চারিত হয়। জয় নিতাই।
আবার -- হ - শব্দে শ্রীরাধিকার পদযুগ শোভা।
              রি- শব্দে মনোহরা কুচযুগ শোভা।।
          বোল- শব্দে শীতল বিদ‍্যুৎ আকার।
       রাধাকৃষ্ণ একদেহে সাক্ষাৎ শৃঙ্গার।।

সংগৃহীত 

হরিবল শব্দের অর্থ


হরিবল শব্দের অর্থ 👉 https://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/09/blog-post.html
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
হরিবল শব্দের অর্থঃ--------------------------------
হ---- কারে হরেকৃষ্ণ দ্বাপরের লীলা।
রি--- কারে আপনি কৃষ্ণ জগৎ মথিলা।
ব--- কারে বিশুদ্ধ গোপীকার প্রেম।
ল--কারে লবঙ্গ মঞ্জরী ধরে হেম।
   হরিবল শব্দ উচ্চারণে শ্রীকৃষ্ণের এক লক্ষ নাম উচ্চারিত হয়। জয় নিতাই।
আবার -- হ - শব্দে শ্রীরাধিকার পদযুগ শোভা।
              রি- শব্দে মনোহরা কুচযুগ শোভা।।
          বোল- শব্দে শীতল বিদ‍্যুৎ আকার।
       রাধাকৃষ্ণ একদেহে সাক্ষাৎ শৃঙ্গার।।

সংগৃহীত 

*আপন ভজন পথ,তাতে হবে অনুরত,* *ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান।* ব্যাখ্যা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ -> http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/08/blog-post_36.html


  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    ꧁ *আপন ভজন পথ, তাতে হবে অনুরত,* ꧂
                ꧁ *ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান।* ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*আপন ভজন পথ,তাতে হবে অনুরত,*
    *ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান।*
*নৈষ্ঠিক ভজন এই,তোমারে কহিল ভাই,*
    *হনুমান তাহাতে প্রমাণ।।*
*🌻শ্রীঠাকুরমহাশয় এখানে নৈষ্ঠিক (চিরকাল গুরুগৃহে বাস ও ব্রহ্মচর্য‍্য অবলম্বন পূর্বক অধ‍্যায়ী দ্বিজ) ভজনের কথা উল্লেখ করছেন।স্বীয় (নিজ) ভজনে এবং ভজনীয় ভগবানে নিষ্ঠা।প্রথমত ভজননিষ্ঠার কথা বলছেন="আপন ভজন পথ,তাতে হবে অনুরত,ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান"।*
*স্বীয় ভজন পথে অনুরত(আসক্ত) থাকব। "নিষ্ঠা"অর্থ নৈশ্চল‍্য,নিষ্ঠার উদয়ে সবসময় ভজনে নিশ্চলভাবে স্থিতি হয়ে থাকে।সাধুমুখে হরিকথা শুনতে শুনতে অনর্থের অপগম(পলায়ন) ভজনে নিষ্ঠার উদয় হয়।শ্রীমদ্ভাগবতে বর্ণিত আছে,*
*শৃণ্বতাং স্বকথাঃ কৃষ্ণঃ পূণ‍্যশ্রবণকীর্তনঃ।*
*হৃদ‍্যন্তঃস্থো হ‍্যভদ্রাণি বিধুনোতি সুহৃৎ সতাম্।।*
*নষ্টপ্রায়েষ্বভদ্রেষু নিত‍্যং ভাগবতসেবয়া।*
*ভগবত‍্যুত্তমঃশ্লোকে ভক্তির্ভবতি নৈষ্ঠিকী।।*
           *(১|২|১৭ও১৮)*
*🌻অর্থ‍্যাৎ সাধুগণের সুহৃৎ,পূণ‍্যময় শ্রবণ-কীর্তন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ নিজ কথাশ্রবণকারীগণের হৃদয়ে প্রবিষ্ট (প্রবেশ) হয়ে অমঙ্গল অর্থ‍্যাৎ অনর্থাদি নাশ করে থাকেন।* *নিত‍্য ভাগবত সেবার দ্বারা অনর্থাদি (অমঙ্গলাদি)নষ্টপ্রায় হলে উত্তমশ্লোক শ্রীভগবানে নৈষ্ঠিকী ভক্তির উদয় হয়ে থাকে।* *অনর্থ দশায় লয়,বিক্ষেপ,অপ্রতিপত্তি,কষায় ও রসাস্বাদ এই পাঁচপ্রকার বিঘ্ন থাকার জন‍্য ভজনে নিষ্ঠার উদয় হতে দেখা যায় না।কীর্তন,শ্রবণ ও স্মরণকালে উত্তরোত্তর অধিক নিদ্রা উদগমের(উৎপত্তির)নাম "লয়"।* *ঐ কীর্তনাদিতে ব‍্যবহারিক বার্তার সম্পর্কই "বিক্ষেপ"।লয়,বিক্ষেপ না থাকলেও কখন কখন কীর্তনাদিতে অসামর্থের নামই "অপ্রতিপত্তি"।* *ক্রোধ,লোভ,গর্বাদির সংস্কারই "কষায়"।* *বিষয় সুখোদয়কালে কীর্তনাদিতে মনের অনভিনিবেশের নাম "রসাস্বাদ"।* *ভজনকালে এই বাধাগুলির অভাবই ভজনে নিষ্ঠা উৎপত্তির লক্ষণ।* *নিষ্ঠার উদয়ে সাধক সবসময় শ্রবণ কীর্তনাদি ভজন করেও শ্রান্তি ক্লান্তি বোধ করেন না।* *তাই নিজ ভজনপথে অনুরত হওয়াকেই বা নিরন্তর অনুরক্ত থাকাকেই নৈষ্ঠিক ভজন বলা হয়।* *এই নৈষ্ঠিক ভজনের মধ্যে ইষ্টদেব জায়গায় লীলাগান একটি অন‍্যতম ভজনাঙ্গ।* *এখানে ইষ্টদেব বলতে স্বাভীষ্ট অর্চাবিগ্রহ অথবা শ্রীগুরু বা তাদৃশ মহামহৎ বৈষ্ণব শ্রীহরির মতো আরাধ‍্য বলিয়া তাঁরাও ইষ্টদেব।তাঁদের সন্নিকটে (কাছে)স্বাভীষ্ট (বাঞ্জিত)ভগবদলীলাগান প্রেমলাভের অব‍্যভিচারী উপায়।*
*ভগবান তাঁর নিজ লীলাশ্রবণে সাতিশয় (অত‍্যাধিক)আনন্দ লাভ করে থাকেন।শ্রীবিল্বমঙ্গল ঠাকুরের শ্রীমুখে নিজ গুণানুবাদ শ্রবণে শ্রীকৃষ্ণ পরম আনন্দ পেয়ে স্বয়ং তাঁর কাব‍্যের নাম রেখেছিলেন ""শ্রীকৃষ্ণকর্ণামৃত""।* *শ্রীগুরুদেব এবং ভক্তমহানুভবগণেরও বিশেষ সেবা তাঁদেরকে শ্রীকৃষ্ণলীলাগান শোনানো।এই ভজনাঙ্গের দ্বারা শ্রীগুরু,বৈষ্ণব ও শ্রীভগবানের প্রসাদ লাভ হলে সাধকের আর কিছুই অলভ‍্য(অপ্রাপ‍্য)থাকে না।*
        *ক্রমশ*

*অথবা "ইষ্টদেবস্থানে" বলতে শ্রীকৃষ্ণের লীলাস্থানে শ্রীবৃন্দাবনাদি ধামে বসবাস করে শ্রীকৃষ্ণের লীলাগান ভজনের একটি শ্রেষ্ঠ অঙ্গ।শ্রীবৃন্দাবনধাম শ্রীকৃষ্ণলীলার মহা উদ্দীপন ক্ষেত্র,এখানে হরিকথা-বক্তার মাঝে যেরকম শ্রীকৃষ্ণলীলারসের স্ফূর্তি হয়,এইরকম অন‍্যত্র কোথাও সম্ভবপর নয়।* *আবার ব্রজধামে তাদৃশ(সেইরূপ বা সেইরকম) শ্রীকৃষ্ণলীলাগানে ব্রজবাসী মহামহদগণের সেবা সুসম্পন্ন হয়ে থাকে,যার ফলে সাধক কোন অনির্বচনীয় পুরুষার্থলাভে কৃতার্থ হয়ে থাকেন।* *মদীয়(আমার) পরমারাধ‍্য শ্রীগুরুমহারাজ একদা(এককালে বা একসময়)বলেছিলেন, শ্রীহরিকথা দ্বারা শ্রীবৃন্দাবনবাসী বৈষ্ণবগণের সেবা,ভগবানকে লাভ করা অপেক্ষাও কোন উচ্চতম সম্পদ্ লাভ।* *তাৎপর্য‍্য হল যে,শ্রীভগবানকে পাওয়া হলেই যে তাঁকে আস্বাদন করতে পারা যাবে তা নয়, শ্রীভগবানের প্রকটলীলা কালের অসুরেরাই তার প্রমাণ, কিন্তু ব‍ৃন্দাবনবাসী পরম মহদ্ ভক্তগণসঙ্গে শ্রীহরিকথার শ্রবণ-কীর্তনে ভগবৎরসের সুচারু (মনোহর) আস্বাদন হয়ে থাকে।তাই ঠাকুরমহাশয় বলেছেন, "ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান"।* *তারপর বলেছেন, "নৈষ্ঠিক ভজন এই,তোমারে কহিল ভাই,হনুমান তাহাতে প্রমাণ"।ভজনে নিষ্ঠার কথা বলে এক্ষণে হনুমানের দৃষ্টান্তে ভজনীয় স্বীয় (নিজ) অভীষ্টস্বরূপের নিষ্ঠার উল্লেখ করৈছেন।হনুমানের ইষ্টনিষ্ঠার দৃষ্টান্ত সম্বন্ধে শ্রীমৎ সনাতন গোস্বামীপাদ শ্রীবৃহদ্ভাগবতামৃতে ১|৪|১০৭ শ্লোকের টীকায় যা লিখেছেন তার তাৎপর্য‍্য এইরকম= এককালে দ্বারকাপুরে শ্রীদ্বারকানাথ শ্রীগরুড়াদির গর্বভঞ্জনরূপ কৌতুকের জন্য এবং শ্রীভগবানের নিজ পাদপদ্মে ভক্তিবিষয়ক ঐকান্তিক খ‍্যাপনের(ঘোষণার বা প্রচারের) জন্য শ্রীগরুড়কে আদেশ করলেন, ওহে গরুড়! তুমি কিম্পুরুষবর্ষে (হিমালয়পর্বতে) গমন করে আমার আজ্ঞা শ্রবণ করাইয়া হনুমানকে আমার পার্শে আনয়ন কর। গরুড় কিম্পুরুষবর্ষে গমন করে হনুমান বললেন,হে হনুমতে!ভগবান দ্বারকানাথ যাদবেন্দ্র আপনাকে আহ্বান করেছেন,সত্বর সেখানে গমন করুন।হনুমান শ্রীরঘুনাথ চরণাবিন্দে একনিষ্ঠ ভক্তিমান্ এবং তাঁরই সেবাত রত, সুতরাং রঘুনাথপদে একনিষ্ঠতা ভঙ্গের ভয়ে গরুড়ের কথার আদর করলেন না। তাতে গরুড় ক্রুদ্ধ হয়ে জোরকরে দ্বারকায় আনবার জন্য তাঁকে ধরতে গেলে হনুমান নিজের লাঙ্গুলের(লেজের) অগ্রভাগদ্বারা হেলায় তাঁকে দূরে ফেলে দিলেন।গরুড়কে ফেলে দিলে সেই দ্বারকাপুরে এসে পড়লেন।অতঃপর গরুড়কে বিহ্বল দেখে হাস‍্যবদনে বললেন,হে গরুড়!তুমি পুনরায় গিয়ে হনুমানকে বলো শ্রীরঘুনাথ ডাক দিয়েছেন। তদনন্তর শ্রীকৃষ্ণ শ্রীরামচন্দ্র হলেন,শ্রীবলরাম লক্ষ্মণ হলেন,সত‍্যভামাকে সীতা হতে বললেন,কিন্তু তিনি সীতারূপ ধারণ করতে অসমর্থ হলে ভগবান তাঁকে উপহাস করলেন।* *এবং রুক্মিণীদেবীকে সীতারূপ ধারণ করতে বললেন।রুক্মিণীদেবী সীতারূপ ধারণ করলে তাঁকে বামদিকে নিয়ে দ্বারকায় সিংহাসনে বসলেন।* *এদিকে গরুড় পুনরায় হনুমানের কাছে গমন করে তাঁকে ভগবদবাক‍্য জানালেন।হনুমান সেই কথা শুনামাত্রই পরমানন্দে বিহ্বল হলেও তৎক্ষণাৎ একলাফে দ্বারকায় উপনীত হলেন এবং ভগবানকে নিজ অভীষ্ট রঘুবর স্বরূপে দর্শন করে সেবায় সন্তুষ্ট করলেন। ভগবান তাঁর অভীষ্ট ইষ্টনিষ্ঠা দর্শনে পরম প্রীত হয়ে তাঁকে অভীষ্টবর প্রদান করলেন।*
*🙏বানান,ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
🌐 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

*আপন ভজন পথ,তাতে হবে অনুরত,* *ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান।* ব্যাখ্যা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ -> http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/08/blog-post_36.html


  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    ꧁ *আপন ভজন পথ, তাতে হবে অনুরত,* ꧂
                ꧁ *ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান।* ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*আপন ভজন পথ,তাতে হবে অনুরত,*
    *ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান।*
*নৈষ্ঠিক ভজন এই,তোমারে কহিল ভাই,*
    *হনুমান তাহাতে প্রমাণ।।*
*🌻শ্রীঠাকুরমহাশয় এখানে নৈষ্ঠিক (চিরকাল গুরুগৃহে বাস ও ব্রহ্মচর্য‍্য অবলম্বন পূর্বক অধ‍্যায়ী দ্বিজ) ভজনের কথা উল্লেখ করছেন।স্বীয় (নিজ) ভজনে এবং ভজনীয় ভগবানে নিষ্ঠা।প্রথমত ভজননিষ্ঠার কথা বলছেন="আপন ভজন পথ,তাতে হবে অনুরত,ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান"।*
*স্বীয় ভজন পথে অনুরত(আসক্ত) থাকব। "নিষ্ঠা"অর্থ নৈশ্চল‍্য,নিষ্ঠার উদয়ে সবসময় ভজনে নিশ্চলভাবে স্থিতি হয়ে থাকে।সাধুমুখে হরিকথা শুনতে শুনতে অনর্থের অপগম(পলায়ন) ভজনে নিষ্ঠার উদয় হয়।শ্রীমদ্ভাগবতে বর্ণিত আছে,*
*শৃণ্বতাং স্বকথাঃ কৃষ্ণঃ পূণ‍্যশ্রবণকীর্তনঃ।*
*হৃদ‍্যন্তঃস্থো হ‍্যভদ্রাণি বিধুনোতি সুহৃৎ সতাম্।।*
*নষ্টপ্রায়েষ্বভদ্রেষু নিত‍্যং ভাগবতসেবয়া।*
*ভগবত‍্যুত্তমঃশ্লোকে ভক্তির্ভবতি নৈষ্ঠিকী।।*
           *(১|২|১৭ও১৮)*
*🌻অর্থ‍্যাৎ সাধুগণের সুহৃৎ,পূণ‍্যময় শ্রবণ-কীর্তন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ নিজ কথাশ্রবণকারীগণের হৃদয়ে প্রবিষ্ট (প্রবেশ) হয়ে অমঙ্গল অর্থ‍্যাৎ অনর্থাদি নাশ করে থাকেন।* *নিত‍্য ভাগবত সেবার দ্বারা অনর্থাদি (অমঙ্গলাদি)নষ্টপ্রায় হলে উত্তমশ্লোক শ্রীভগবানে নৈষ্ঠিকী ভক্তির উদয় হয়ে থাকে।* *অনর্থ দশায় লয়,বিক্ষেপ,অপ্রতিপত্তি,কষায় ও রসাস্বাদ এই পাঁচপ্রকার বিঘ্ন থাকার জন‍্য ভজনে নিষ্ঠার উদয় হতে দেখা যায় না।কীর্তন,শ্রবণ ও স্মরণকালে উত্তরোত্তর অধিক নিদ্রা উদগমের(উৎপত্তির)নাম "লয়"।* *ঐ কীর্তনাদিতে ব‍্যবহারিক বার্তার সম্পর্কই "বিক্ষেপ"।লয়,বিক্ষেপ না থাকলেও কখন কখন কীর্তনাদিতে অসামর্থের নামই "অপ্রতিপত্তি"।* *ক্রোধ,লোভ,গর্বাদির সংস্কারই "কষায়"।* *বিষয় সুখোদয়কালে কীর্তনাদিতে মনের অনভিনিবেশের নাম "রসাস্বাদ"।* *ভজনকালে এই বাধাগুলির অভাবই ভজনে নিষ্ঠা উৎপত্তির লক্ষণ।* *নিষ্ঠার উদয়ে সাধক সবসময় শ্রবণ কীর্তনাদি ভজন করেও শ্রান্তি ক্লান্তি বোধ করেন না।* *তাই নিজ ভজনপথে অনুরত হওয়াকেই বা নিরন্তর অনুরক্ত থাকাকেই নৈষ্ঠিক ভজন বলা হয়।* *এই নৈষ্ঠিক ভজনের মধ্যে ইষ্টদেব জায়গায় লীলাগান একটি অন‍্যতম ভজনাঙ্গ।* *এখানে ইষ্টদেব বলতে স্বাভীষ্ট অর্চাবিগ্রহ অথবা শ্রীগুরু বা তাদৃশ মহামহৎ বৈষ্ণব শ্রীহরির মতো আরাধ‍্য বলিয়া তাঁরাও ইষ্টদেব।তাঁদের সন্নিকটে (কাছে)স্বাভীষ্ট (বাঞ্জিত)ভগবদলীলাগান প্রেমলাভের অব‍্যভিচারী উপায়।*
*ভগবান তাঁর নিজ লীলাশ্রবণে সাতিশয় (অত‍্যাধিক)আনন্দ লাভ করে থাকেন।শ্রীবিল্বমঙ্গল ঠাকুরের শ্রীমুখে নিজ গুণানুবাদ শ্রবণে শ্রীকৃষ্ণ পরম আনন্দ পেয়ে স্বয়ং তাঁর কাব‍্যের নাম রেখেছিলেন ""শ্রীকৃষ্ণকর্ণামৃত""।* *শ্রীগুরুদেব এবং ভক্তমহানুভবগণেরও বিশেষ সেবা তাঁদেরকে শ্রীকৃষ্ণলীলাগান শোনানো।এই ভজনাঙ্গের দ্বারা শ্রীগুরু,বৈষ্ণব ও শ্রীভগবানের প্রসাদ লাভ হলে সাধকের আর কিছুই অলভ‍্য(অপ্রাপ‍্য)থাকে না।*
        *ক্রমশ*

*অথবা "ইষ্টদেবস্থানে" বলতে শ্রীকৃষ্ণের লীলাস্থানে শ্রীবৃন্দাবনাদি ধামে বসবাস করে শ্রীকৃষ্ণের লীলাগান ভজনের একটি শ্রেষ্ঠ অঙ্গ।শ্রীবৃন্দাবনধাম শ্রীকৃষ্ণলীলার মহা উদ্দীপন ক্ষেত্র,এখানে হরিকথা-বক্তার মাঝে যেরকম শ্রীকৃষ্ণলীলারসের স্ফূর্তি হয়,এইরকম অন‍্যত্র কোথাও সম্ভবপর নয়।* *আবার ব্রজধামে তাদৃশ(সেইরূপ বা সেইরকম) শ্রীকৃষ্ণলীলাগানে ব্রজবাসী মহামহদগণের সেবা সুসম্পন্ন হয়ে থাকে,যার ফলে সাধক কোন অনির্বচনীয় পুরুষার্থলাভে কৃতার্থ হয়ে থাকেন।* *মদীয়(আমার) পরমারাধ‍্য শ্রীগুরুমহারাজ একদা(এককালে বা একসময়)বলেছিলেন, শ্রীহরিকথা দ্বারা শ্রীবৃন্দাবনবাসী বৈষ্ণবগণের সেবা,ভগবানকে লাভ করা অপেক্ষাও কোন উচ্চতম সম্পদ্ লাভ।* *তাৎপর্য‍্য হল যে,শ্রীভগবানকে পাওয়া হলেই যে তাঁকে আস্বাদন করতে পারা যাবে তা নয়, শ্রীভগবানের প্রকটলীলা কালের অসুরেরাই তার প্রমাণ, কিন্তু ব‍ৃন্দাবনবাসী পরম মহদ্ ভক্তগণসঙ্গে শ্রীহরিকথার শ্রবণ-কীর্তনে ভগবৎরসের সুচারু (মনোহর) আস্বাদন হয়ে থাকে।তাই ঠাকুরমহাশয় বলেছেন, "ইষ্টদেব স্থানে লীলাগান"।* *তারপর বলেছেন, "নৈষ্ঠিক ভজন এই,তোমারে কহিল ভাই,হনুমান তাহাতে প্রমাণ"।ভজনে নিষ্ঠার কথা বলে এক্ষণে হনুমানের দৃষ্টান্তে ভজনীয় স্বীয় (নিজ) অভীষ্টস্বরূপের নিষ্ঠার উল্লেখ করৈছেন।হনুমানের ইষ্টনিষ্ঠার দৃষ্টান্ত সম্বন্ধে শ্রীমৎ সনাতন গোস্বামীপাদ শ্রীবৃহদ্ভাগবতামৃতে ১|৪|১০৭ শ্লোকের টীকায় যা লিখেছেন তার তাৎপর্য‍্য এইরকম= এককালে দ্বারকাপুরে শ্রীদ্বারকানাথ শ্রীগরুড়াদির গর্বভঞ্জনরূপ কৌতুকের জন্য এবং শ্রীভগবানের নিজ পাদপদ্মে ভক্তিবিষয়ক ঐকান্তিক খ‍্যাপনের(ঘোষণার বা প্রচারের) জন্য শ্রীগরুড়কে আদেশ করলেন, ওহে গরুড়! তুমি কিম্পুরুষবর্ষে (হিমালয়পর্বতে) গমন করে আমার আজ্ঞা শ্রবণ করাইয়া হনুমানকে আমার পার্শে আনয়ন কর। গরুড় কিম্পুরুষবর্ষে গমন করে হনুমান বললেন,হে হনুমতে!ভগবান দ্বারকানাথ যাদবেন্দ্র আপনাকে আহ্বান করেছেন,সত্বর সেখানে গমন করুন।হনুমান শ্রীরঘুনাথ চরণাবিন্দে একনিষ্ঠ ভক্তিমান্ এবং তাঁরই সেবাত রত, সুতরাং রঘুনাথপদে একনিষ্ঠতা ভঙ্গের ভয়ে গরুড়ের কথার আদর করলেন না। তাতে গরুড় ক্রুদ্ধ হয়ে জোরকরে দ্বারকায় আনবার জন্য তাঁকে ধরতে গেলে হনুমান নিজের লাঙ্গুলের(লেজের) অগ্রভাগদ্বারা হেলায় তাঁকে দূরে ফেলে দিলেন।গরুড়কে ফেলে দিলে সেই দ্বারকাপুরে এসে পড়লেন।অতঃপর গরুড়কে বিহ্বল দেখে হাস‍্যবদনে বললেন,হে গরুড়!তুমি পুনরায় গিয়ে হনুমানকে বলো শ্রীরঘুনাথ ডাক দিয়েছেন। তদনন্তর শ্রীকৃষ্ণ শ্রীরামচন্দ্র হলেন,শ্রীবলরাম লক্ষ্মণ হলেন,সত‍্যভামাকে সীতা হতে বললেন,কিন্তু তিনি সীতারূপ ধারণ করতে অসমর্থ হলে ভগবান তাঁকে উপহাস করলেন।* *এবং রুক্মিণীদেবীকে সীতারূপ ধারণ করতে বললেন।রুক্মিণীদেবী সীতারূপ ধারণ করলে তাঁকে বামদিকে নিয়ে দ্বারকায় সিংহাসনে বসলেন।* *এদিকে গরুড় পুনরায় হনুমানের কাছে গমন করে তাঁকে ভগবদবাক‍্য জানালেন।হনুমান সেই কথা শুনামাত্রই পরমানন্দে বিহ্বল হলেও তৎক্ষণাৎ একলাফে দ্বারকায় উপনীত হলেন এবং ভগবানকে নিজ অভীষ্ট রঘুবর স্বরূপে দর্শন করে সেবায় সন্তুষ্ট করলেন। ভগবান তাঁর অভীষ্ট ইষ্টনিষ্ঠা দর্শনে পরম প্রীত হয়ে তাঁকে অভীষ্টবর প্রদান করলেন।*
*🙏বানান,ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
🌐 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

হরি! হরি! বিফলে জনম গোঙাইনু।। মনুষ‍্য জনম পাইয়া, রাধাকৃষ্ণ না ভজিয়া, ব্যাখ্যা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📖 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/08/blog-post_31.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ꧁ *হরি! হরি! বিফলে জনম গোঙাইনু।* ꧂
 ꧁ *মনুষ‍্য জনম পাইয়া, রাধাকৃষ্ণ না ভজিয়া,* 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*হরি! হরি! বিফলে জনম গোঙাইনু।*
*মনুষ‍্য জনম পাইয়া, রাধাকৃষ্ণ না ভজিয়া,*
   *জানিয়া শুনিয়া বিষ খাইনু।।*
*গোলোকের প্রেমধন, হরিনাম সংকীর্তন,*
   *রতি না জন্মিল কেনে তায়।*
*সংসার বিষানলে, দিবানিশি হিয়া জ্বলে,*
    *জুড়াইতে না কৈনু উপায়।।*
*ব্রজেন্দনন্দন যেই, শচীসুত হৈল সেই,*
    *বলরাম হইল নিতাই।*
*দীন হীন যত ছিল,হরিনামে উদ্ধারিল,*
    *তার সাক্ষী জগাই মাধাই।।*
*হা-হা প্রভু!নন্দসুত,বৃষভানুসুতাযুত,*
    *করুণা করহ একবার।*
*নরোত্তম দাস কয়,না ঠেলিহ রাঙ্গা পায়,*
    *তোমা বিনে কে আছে আমার*।।

 *শ্রীঠাকুরমহাশয় অতীব দৈন‍্যের উদয়ে নিজেকে সাধন-ভজনহীন সাধারণ মানবজ্ঞানে অতিশয় আত্মগ্লানির সঙ্গে যে কথায় আক্ষেপ করছেন, বিশ্বমানবের ইহা মৃতসঞ্জীবনী সুধার মতো পরম হিতকারী।তিনি বলছেন, হরি হরি বিফলে জনম গোঙাইনু।মনুষ‍্য জনম পাইয়া,রাধাকৃষ্ণ না ভজিয়া, জানিয়া শুনিয়া বিষ খাইনু।। ঠাকুরমহাশয় প্রেমের মূরতি হয়েও সাতিশয়(অত‍্যন্ত) দৈন‍্যোদয়ে অতি আক্ষেপের সঙ্গে বলছেন,হায়!হায়!বিফলে জন্ম কাটালাম।দেবদুর্লভ ভজন উপযোগী মনুষ‍্য জন্ম পেয়েও শ্রীশ্রীরাধাকৃষ্ণের ভজন করলাম না।জেনে শুনে স্বেচ্ছায় অমৃত ত‍্যাগ করে বিষপান করলাম।অজ্ঞান বা মূঢ়তা হেতু পশু প্রভৃতি তির্যকদেহ (বাঁকাদেহ) অতিশয় ভোগের আবেশ হেতু জ্ঞানসম্পন্ন হলেও দেবদেহ ভজনের উপযোগী নহে, কেবলমাত্র মনুষ‍্য দেহই ভজনের উপযোগী।এইজন‍্যই মনুষ‍্যদেহকে দেবদুর্লভ বলা হয়েছে। 
ভাগবতে ৩|১৫|২৪ দেখা যায়,*
*যেহভ‍্যর্থিতামপি চ নো নৃগতিং প্রপন্না,জ্ঞানঞ্চ তত্ত্ববিষয়ং সহ ধর্ম যত্র।*
*নারাধনং ভগবতো বিতরন্ত‍্যমুষ‍্য সম্মোহিতা বিততয়া বত মায়য়া তে।।*

*🌻শ্রীব্রহ্মা দেবগণের প্রতি বললেন,হে দেবগণ!যে মনুষ‍্যজন্মে ধর্মসাধনার সঙ্গে তত্ত্বজ্ঞান লাভ হয় বলে যা আমাদেরও অতিশয় প্রশংসনীয়,সেই মানবজন্ম পেয়ে যারা শ্রীহরির আরাধনা করেন না,তারাই যথার্থ হরিমায়ায় মোহিত।তারমধ‍্যে আবার আধ‍্যাত্মক্ষেত্র ভারতবর্ষে মনুষ‍্যজন্ম লাভ অতি দুর্লভ। "অভ‍্যর্থিতামপি চ নো" 'অর্থ‍্যাৎ মনুষ‍্যজন্ম আমাদেরও প্রশংসনীয়' এই অংশে বিশ্বনাথ চক্রবর্তীপাদ লিখেছেন=""হা হন্ত ভারতভূমৌ কদা নৃজনুষো ভূত্বা বয়ং কৃষ্ণং ভজন্তঃ ক্ষণমাত্রেণৈব বৈকুন্ঠং প্রাপ্নয়ামেতি"",* *দেবশ্রেষ্ঠ ব্রহ্মা বলছেন,হায়!হায়! আমরাও কামনা করি-- কবে ভারতবর্ষে মনুষ‍্যদেহ পেয়ে যে দেহে ক্ষণকালমাত্রও শ্রীকৃষ্ণের ভজন করলে মায়াতীত চিন্ময় ভগবদধাম পেয়ে ধন‍্য হব।এই বিশেষ কলিযুগেতে ব্রজের ঠাকুর স্বয়ং ভগবান ব্রজেন্দ্রনন্দন প্রেমময়ী শ্রীরাধারাণীর ভাবকান্তি অঙ্গীকার করে শ্রীগৌরাঙ্গরূপে অবতার হয়ে ব্রজের সর্বোৎকৃষ্ট সাধ‍্যবস্তু মঞ্জরীভাব সাধনা বা শ্রীরাধাকৃষ্ণের রহস‍্যময় ভজন আপামরে বিতরণ করলেন।*
*তাই এইযুগে মনুষ‍্যদেহ পেয়ে বা এইরকম সুবর্ণসুযোগ লাভ করেও যারা অনাদিকালের বিষয় সংস্কারবশত যুগল ভজন না করে ঘৃণ‍্য বিষয়রসে মজে সুদুর্লভ পরমায়ুকে অতিবাহিত করছে তারা জেনে শুনেই অমৃত ছেড়ে যে বিষভক্ষণ করছে এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নাই।তাই ঠাকুরমহাশয় বললেন,মনুষ‍্য জনম পাইয়া,রাধাকৃষ্ণ না ভজিয়া,জানিয়া শুনিয়া বিষ খাইনু।*
   *ক্রমশ*



🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*🙏শ্রীমন্মহাপ্রভু যে ব্রজের সর্বোৎকৃষ্ট যুগলভজনই বিতরণ করেছেন তা নয়, পরন্তু সেই সুদুর্লভ ব্রজপ্রেমসম্পদ ও হরিনাম সংকীর্তন যে একই বস্তু তা বিশ্বমানবকে জানিয়েই বিতরণ করেছেন।যতাই ঠাকুরমহাশয় বললেন, "গোলোকের প্রেমধন,হরিনাম সংকীর্তন,রতি না জন্মিল কেনে তায়"।* *কৃষ্ণনাম ও নামী শ্রীকৃষ্ণ অভিন্ন বলেই নাম ও প্রেম একই বস্তু,কেননা শ্রীকৃষ্ণকেও মহতেরা প্রেমস্বরূপই অনুভব করে থাকেন,কোন মহানুভব বলেছেন, "প্রেম হরিকা রূপ হ‍্যায়,হরি হ‍্যায় প্রেমস্বরূপ।এক হ‍্যায়,দো করি লখে,জোঁউ সূরয আউর ধুপ"।।*
*পক্ষান্তরে প্রেম সাধ‍্য এবং নাম সাধন হলেও নামসাধন অন‍্যান‍্য সাধনাঙ্গের মত নহে,নামকীর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নিরপরাধীর চিত্তে তৎক্ষণাৎ প্রেমের সঞ্চার হয় বলিয়া নামকীর্তন ও প্রেমকে অভিন্ন বলা।হয়েছে।শ্রীকৃষ্ণনামের এই মহিমা নিত‍্যকাল থাকলেও শ্রীমন্মহাপ্রভুই ইহা বিশ্বে প্রচার করেছেন।* *তিনি যে কবল শিক্ষার দ্বারায় ইহা প্রচার করেছেন তা নহে,কিন্তু তিনি সপার্ষদে নামসঙ্কীর্তন নৃত‍্য কীর্তনরঙ্গে প্রেমরসকে এমনভাবে মূতিমন্ত করে তুলেছেন যে, হরিনাম সংকীর্তনই যে গোলোকের প্রেমধন,ইহা সকলের মর্মে মর্মে অনুভব করিয়েছেন।*
       ক্রমশ



*🙏শ্রীমন্মহাপ্রভুর পুরীধামে রথাগ্রে সপার্ষদ নৃত‍্যকীর্তন বর্ণনায় শ্রীকবিরাজ গোস্বামীপাদ লিখেছেন=*
*সাত সম্প্রদায়ে বাজে চৌদ্দমাদল*।
*যার ধ্বনি শুনি বৈষ্ণব হইল পাগল।।*
*শ্রীবৈষ্ণব-ঘটামেঘে হইল বাদল।*
*সঙ্কীর্তনামৃতসহ বর্ষে নেত্রজল।।*
*ত্রিভূবন ভরি উঠি সঙ্কীর্তনধ্বনি।*
*অন‍্য বদ‍্যাদির ধ্বনি কিছুই না শুনি।।*
*সাত ঠাঞি বুলে প্রভু 'হরিহরি'বলি।*
*জয় জয় জগন্নাথ কহে হস্ত তুলি*।।
••••••• ••••••• •••••• •••••
••••••• ••••••• •••••• ••••••
*উদ্দন্ড নৃত‍্যে প্রভু করিয়া হুঙ্কার।*
*চক্রভ্রমি ভ্রমে যৈছে আলাত-আকার।।*
*নৃত‍্যে প্রভুর যাঁহা যাঁহা পড়ে পদতল।*
*সসাগর শৈল মহী করে টলমল।।*
*স্তম্ভ স্বেদ পুলকাশ্রু কম্প বৈবর্ণ।*
*নানাভাবে বিবশতা গর্ব হর্ষ দৈন‍্য*।।
*আছাড় খাইয়া পড়ি ভূমি গড়ি যায়।*
*সুবর্ণপর্বত যেন ভূমিতে লোটায়।।*
*নিত‍্যানন্দপ্রভু দুই হস্ত প্রসারিয়া।*
*প্রভুকে ধরিতে বুলে আশে পাশে ধাঞা।।*
*প্রভু পাছে বুলে আচার্য‍্য করিয়া হুঙ্কার।*
*হরিদাস"হরিবোল"বোলে বারবার।।*
*(চৈঃ চরিতামৃত মধ‍্য=১৩শ পরিচ্ছদ)*
*🙏এই অদ্ভুত দৃশ্য নয়নে দর্শন দূরে থাকুক-- ইঁহার কীর্তনে স্মরণেও যে প্রেমের সঞ্চার হবে,তা বলাই বাহুল‍্য। ঠাকুরমহাশয় খুব আক্ষেপের সঙ্গে বলেছেন,""রতি না জন্মিল কেনে তায়""।* *সংসার বিষানলে,দিবানিশি হিয়া জ্বলে, জুড়াইতে না কৈনু উপায়।* *অহো!এইরকম প্রেমময় হরিনাম-সঙ্কীর্তনে আমার রতি জন্মিল না।দেহ-দৈহিকাদি বস্তুতে আসক্তিরূপ বিষানলে হিয়া বা চিত্ত-মন সবসময় দগ্ধ হচ্ছে, এই বিষানলের জ্বালা জুড়াবার কোন উপায় করলাম না।* *ঠাকুরমহাশয় প্রেমময় বিগ্রহ হয়েও যে দৈন‍্যের সঙ্গে আক্ষেপ করছেন।প্রীতির সঙ্গে নামকীর্তনে সহসা প্রেমলাভ এবং অভীষ্ট ভগবৎসেবালাভ হয়ে থাকে।কৃষ্ণেতর জড়ীয় বস্তুর অভিনিবেশে (মনোযোগে) জীবের হৃদয়কে বিষানলের জ্বালার মতো দিনরাত দগ্ধ করে থাকে।* *বিষানলের জ্বালা বলতে ভিতর বাহির অসহনীয় জ্বালা বুঝা যাচ্ছে।অতি বিষধর সাপ দংশন করলে যেমন দেহটি মনে হয় পুড়ে যাচ্ছে,বোধ হয়,তার ভিতর বাহিরে যে জ্বালার অনুভব হয়,সংসারে আসক্ত জীবকে অনাদিকাল হতে ভোগ করতে হচ্ছে।* *মহদ আশ্রয়ে শ্রীহরির চরণে শরণাগত হয়ে ভজন-সাধনই এই সংসারবিষানলের জ্বালা জুড়াবার একমাত্র উপায়।*
*🌻যদি আমাদের মনে হয়,অনাদিকাল হতে মায়াবন্ধনে বদ্ধ, অতি অধম,দুরাচারী,সংসারাসক্ত মানবের পক্ষে সংসারাসক্তি ত‍্যাগ করে ভজনপথাশ্রয় করা কি সম্ভব?* *তাই ঠাকুরমহাশয় দীন হীন পতিতজীবের প্রাণে আশার আলো সঞ্চার করে বললেন,ব্রজেন্দ্রনন্দন যেই,শচীসুত হৈল সেই,বলরাম হইল নিতাই।* *দীন হীন যত ছিল,হরিনামে উদ্ধারিল,তার সাক্ষী জগাই মাধাই।।* *এই কলিতে কলিহত দীনহীন পতিতপামর জীবকুলকে উদ্ধার করে প্রেমদানে ধন‍্য করবার জন্যই পতিতপাবন শ্রীশীনিতাই-গৌরের অবতার।এইজন‍্য ব্রজেন্দ্রনন্দন শ্রীকৃষ্ণ শচীরনন্দন এবং বলরাম নিতাইচাঁদ হয়েছেন।*
*🌻শ্রীচৈতন‍্য ভাগবতে (মধ‍্য ৬ষ্ঠ অধ‍্যায়ে) শ্রীমন্মহাপ্রভুর গৌর-আনা ঠাকুর শ্রীঅদ্বৈতাচার্য‍্যপ্রভুকে বর দান প্রসঙ্গে ব‍্যাসাবতার শ্রীবৃন্দাবন দাস ঠাকুর লিখেছেন,*
*আপন গলার মালা অদ্বৈতেরে দিয়া।*
*বর মাগ বর মাগ - বলেন হাসিয়া*।।
*শুনিয়া অদ্বৈত কিছু না করে উত্তর।*
*মাগ মাগ' পুনঃপুনঃ বলে বিশ্বম্ভর।।*
••••••••• •••••••• ••••••••
•••••••••• ••••••••• •••••••••
*মাথা ঢুলাইয়া বলে প্রভু বিশ্বম্ভর।*
*তোমার নিমিত্তে আমি হইনু গোচর।।*
*ঘরে ঘরে করিমু কীর্তন পরচার।*
*মোর যশে নাচে যেন সকল সংসার।।*
*ব্রহ্মা-শিব-নারদাদি যাহা বাঞ্জা করে।*
*হেন ভক্তি বিলাইমু বলিনু তোমারে।।*
*অদ্বৈত বলয়ে 'যদি ভক্তি বিলাইবা।*
*স্ত্রী,শূদ্র আদি যত মূর্খেরে সে দিবা।।*
*বিদ‍্যা ধন কুল আদি তপস‍্যার মদে।*
*তোর ভক্ত তোর ভক্তি যে যে জন বাধে।।*
*সে পাপিষ্ঠ সব দেখি মরুক পুড়িয়া।*
*চন্ডালো নাচুক তোর নাম গুণ গাইয়া।।*
*অদ্বৈতের বাক‍্য শুনি করিলা হুঙ্কার।*
*প্রভুবলে সত‍্য সে তোমার অঙ্গীকার।।*
*🌻ঠাকুরমহাশয় "ব্রজেন্দ্রনন্দন" বলে শ্রীকৃষ্ণের পিতৃনামের পরিচয় দিয়া "শচীসুত"বলে মাতৃনামে মহাপ্রভুর পরিচয় প্রদান করলেন,এতে শ্রীকৃষ্ণ অপেক্ষা মহাপ্রভুতে যে দীন হীন জীবের প্রতি মাতৃজনোচিত সমধিক করুণার বিকাশ হয়েছে, ইহা প্রতিপাদন করলেন।* *পরম কারুণ‍্য ঘনবিগ্রহ প্রভু নিতাইচাঁদ আবার পতিত উদ্ধারণ লীলায় কারুণ‍্যে সাক্ষাৎ শ্রীমন্মহাপ্রভুকেও যে অতিক্রম করেছেন,তার সাক্ষী জগাই মাধাই।* *সর্বজন জানেন,জগাই মাধাই উদ্ধার লীলায় শ্রীশ্রীগৌরনিতাইয়ের দীনহীন পতিতজনকে হরিনামে উদ্ধারের জ্বলন্ত সাক্ষী।* 
*ক্রমশ*


 *তারপর বললেন,"হা হা প্রভু নন্দসুত,বৃষভানু সুতাযুত,করুণা করহ এইবার",শ্রীবৃষভানুনন্দিনীর সঙ্গে শ্রীকৃষ্ণের করুণা কামনা করছেন পূজ‍্যপাদ ঠাকুরমহাশয়।শ্রীশ্রীযুগলমাধুরীই গৌড়ীয় বৈষ্ণবগণের উপাস‍্য।শ্রীরাধারাণীর সঙ্গে শ্রীকৃষ্ণ-উপাসনা ছাড়া যে শ্রীকৃষ্ণমাধুরী আস্বাদনের কোন উপায় নেই,ইহা শ্রীগোস্বামীপাদগণ নানা জায়গায় নানাভাবে বর্ণনা করেছেন।* *শ্রীমৎ জীবগোস্বামীপাদ তাই "শ্রীশ্রীরাধাকৃষ্ণার্চন-দীপিকার" উপসংহারে লিখেছেন=*
*রাধা বৃন্দাবনে যদ্বত্তদ্বদদামোদরো হরিঃ।*
*দর্শিতেষু চ শাস্ত্রেষু তদযুগ্মং তত্তদীশিতুঃ।।*
*রাধায়া-মাধবো দেবো মাধবেনৈব রাধিকা।*
*বিভ্রাজন্তে জনেষ্বেতি পরিশিষ্ট বচস্তথা।।*
*কার্তিকব্রতচর্য‍্যায়ামতস্তে যুগ্মদেবতে।*
*রাধাদামোদরভিখ‍্যে বীক্ষ‍্যেতে লোক শাস্ত্রয়োঃ।।*
*কিং বহূক্ত‍্যা কুন্ডযুগ্মং তয়োর্যুগ্মেন বক্ষ‍্যতে।*
*শাস্ত্রে চ দর্শিতা তস্মাৎ কৈমুত‍্যাদযুগ্মতা তয়োঃ।।*
*উমা-মহেশ্বরৌ কেচিৎ লক্ষ্মী-নারায়ণৌ পরে।*
*তে ভজন্তাং ভজামস্তু রাধাদামোদরৌ বয়ম্।।*
*🙏তাৎপর্য‍্য এই যে,শ্রীবৃন্দাবনে শ্রীরাধারাণীর নিত‍্যবাসের মতো শ্রীদামোদর শ্রীকৃষ্ণের নিত‍্য বাস শাস্ত্র প্রমাণে জানা যায়।* *ঋক্ পরিশিষ্টে শ্রীরাধারাণীর সঙ্গে লীলাময় শ্রীমাধব এবং মাধবের সঙ্গে শ্রীরাধা বৃন্দাবনে লোকসমাজে দেদীপ‍্যমান(প্রজ্বলিত,বা প্রদীপ্ত) আছেন বলে শ্রীরাধামাধবের উপাসনার সুস্পষ্ট বর্ণনা পাওয়া যায়।* *কার্তিক-ব্রতাচরণেও শ্রীরাধা দামোদরের যুগ্ম(যুগল)দেবতারূপে লোকতঃ এবং শাস্ত্রতঃ প্রসিদ্ধি রয়েছে।*
*বেশী কি আর বলা যাবে ব্রজমন্ডলে শ্রীরাধাকুন্ড এবং শ্রীশ‍্যামকুন্ডদ্বয় যুগ্মরূপে আবহমান কাল হতে বিরাজ করছেন।* *সুতরাং শ্রীরাধার সঙ্গে শ্রীকৃষ্ণের নিত‍্যযুগ্ম অবস্থান বুঝা যায়।কেউ উমা-মহেশ্বর,কেউ বা লক্ষ্মী-নারায়ণ যুগ্মরূপের উপাসনা করেন,তেমনি আমরা শ্রীশ্রীরাধাদামোদরের যুগ্মরূপে উপাসনা করে থাকি।* *অথবা প্রকরণানুসারে (কার্য‍্যানুসারে)এই অংশের এইপ্রকার ব‍্যাখ‍্যাও হতে পারে যে,হে বৃষভানুসুতা শ্রীরাধারাণীর সঙ্গে একাত্মতা পেয়ে স্বয়ং ভগবান নন্দনন্দন শ্রীমন্মহাপ্রভু।* *"তুমি এইবার আমার প্রতি কৃপাদৃষ্টিপাত কর"।তোমা'বিনা বিশ্বে আমার আর কেউ নেই,অতএব রাঙ্গাচরণে ঠেলিয়া দিও না,নিজগুণে শ্রীচরণে স্থান দিয়ে ধন‍্য কর", "নরোত্তম দাস কয়,না ঠেলিহ রাঙ্গাপায়,তোমা বিনা কে আছে আমার"।*
*🙏বানান,ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
🌐 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧





*হরি! হরি! বিফলে জনম গোঙাইনু।*। *মনুষ‍্য জনম পাইয়া, রাধাকৃষ্ণ না ভজিয়া,* ব্যাখ্যা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ -> http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/08/blog-post_31.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ꧁ *হরি! হরি! বিফলে জনম গোঙাইনু।* ꧂
 ꧁ *মনুষ‍্য জনম পাইয়া, রাধাকৃষ্ণ না ভজিয়া,* 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*হরি! হরি! বিফলে জনম গোঙাইনু।*
*মনুষ‍্য জনম পাইয়া, রাধাকৃষ্ণ না ভজিয়া,*
   *জানিয়া শুনিয়া বিষ খাইনু।।*
*গোলোকের প্রেমধন, হরিনাম সংকীর্তন,*
   *রতি না জন্মিল কেনে তায়।*
*সংসার বিষানলে, দিবানিশি হিয়া জ্বলে,*
    *জুড়াইতে না কৈনু উপায়।।*
*ব্রজেন্দনন্দন যেই, শচীসুত হৈল সেই,*
    *বলরাম হইল নিতাই।*
*দীন হীন যত ছিল,হরিনামে উদ্ধারিল,*
    *তার সাক্ষী জগাই মাধাই।।*
*হা-হা প্রভু!নন্দসুত,বৃষভানুসুতাযুত,*
    *করুণা করহ একবার।*
*নরোত্তম দাস কয়,না ঠেলিহ রাঙ্গা পায়,*
    *তোমা বিনে কে আছে আমার*।।

 *শ্রীঠাকুরমহাশয় অতীব দৈন‍্যের উদয়ে নিজেকে সাধন-ভজনহীন সাধারণ মানবজ্ঞানে অতিশয় আত্মগ্লানির সঙ্গে যে কথায় আক্ষেপ করছেন, বিশ্বমানবের ইহা মৃতসঞ্জীবনী সুধার মতো পরম হিতকারী।তিনি বলছেন, হরি হরি বিফলে জনম গোঙাইনু।মনুষ‍্য জনম পাইয়া,রাধাকৃষ্ণ না ভজিয়া, জানিয়া শুনিয়া বিষ খাইনু।। ঠাকুরমহাশয় প্রেমের মূরতি হয়েও সাতিশয়(অত‍্যন্ত) দৈন‍্যোদয়ে অতি আক্ষেপের সঙ্গে বলছেন,হায়!হায়!বিফলে জন্ম কাটালাম।দেবদুর্লভ ভজন উপযোগী মনুষ‍্য জন্ম পেয়েও শ্রীশ্রীরাধাকৃষ্ণের ভজন করলাম না।জেনে শুনে স্বেচ্ছায় অমৃত ত‍্যাগ করে বিষপান করলাম।অজ্ঞান বা মূঢ়তা হেতু পশু প্রভৃতি তির্যকদেহ (বাঁকাদেহ) অতিশয় ভোগের আবেশ হেতু জ্ঞানসম্পন্ন হলেও দেবদেহ ভজনের উপযোগী নহে, কেবলমাত্র মনুষ‍্য দেহই ভজনের উপযোগী।এইজন‍্যই মনুষ‍্যদেহকে দেবদুর্লভ বলা হয়েছে। 
ভাগবতে ৩|১৫|২৪ দেখা যায়,*
*যেহভ‍্যর্থিতামপি চ নো নৃগতিং প্রপন্না,জ্ঞানঞ্চ তত্ত্ববিষয়ং সহ ধর্ম যত্র।*
*নারাধনং ভগবতো বিতরন্ত‍্যমুষ‍্য সম্মোহিতা বিততয়া বত মায়য়া তে।।*

*🌻শ্রীব্রহ্মা দেবগণের প্রতি বললেন,হে দেবগণ!যে মনুষ‍্যজন্মে ধর্মসাধনার সঙ্গে তত্ত্বজ্ঞান লাভ হয় বলে যা আমাদেরও অতিশয় প্রশংসনীয়,সেই মানবজন্ম পেয়ে যারা শ্রীহরির আরাধনা করেন না,তারাই যথার্থ হরিমায়ায় মোহিত।তারমধ‍্যে আবার আধ‍্যাত্মক্ষেত্র ভারতবর্ষে মনুষ‍্যজন্ম লাভ অতি দুর্লভ। "অভ‍্যর্থিতামপি চ নো" 'অর্থ‍্যাৎ মনুষ‍্যজন্ম আমাদেরও প্রশংসনীয়' এই অংশে বিশ্বনাথ চক্রবর্তীপাদ লিখেছেন=""হা হন্ত ভারতভূমৌ কদা নৃজনুষো ভূত্বা বয়ং কৃষ্ণং ভজন্তঃ ক্ষণমাত্রেণৈব বৈকুন্ঠং প্রাপ্নয়ামেতি"",* *দেবশ্রেষ্ঠ ব্রহ্মা বলছেন,হায়!হায়! আমরাও কামনা করি-- কবে ভারতবর্ষে মনুষ‍্যদেহ পেয়ে যে দেহে ক্ষণকালমাত্রও শ্রীকৃষ্ণের ভজন করলে মায়াতীত চিন্ময় ভগবদধাম পেয়ে ধন‍্য হব।এই বিশেষ কলিযুগেতে ব্রজের ঠাকুর স্বয়ং ভগবান ব্রজেন্দ্রনন্দন প্রেমময়ী শ্রীরাধারাণীর ভাবকান্তি অঙ্গীকার করে শ্রীগৌরাঙ্গরূপে অবতার হয়ে ব্রজের সর্বোৎকৃষ্ট সাধ‍্যবস্তু মঞ্জরীভাব সাধনা বা শ্রীরাধাকৃষ্ণের রহস‍্যময় ভজন আপামরে বিতরণ করলেন।*
*তাই এইযুগে মনুষ‍্যদেহ পেয়ে বা এইরকম সুবর্ণসুযোগ লাভ করেও যারা অনাদিকালের বিষয় সংস্কারবশত যুগল ভজন না করে ঘৃণ‍্য বিষয়রসে মজে সুদুর্লভ পরমায়ুকে অতিবাহিত করছে তারা জেনে শুনেই অমৃত ছেড়ে যে বিষভক্ষণ করছে এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নাই।তাই ঠাকুরমহাশয় বললেন,মনুষ‍্য জনম পাইয়া,রাধাকৃষ্ণ না ভজিয়া,জানিয়া শুনিয়া বিষ খাইনু।*
   *ক্রমশ*



🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*🙏শ্রীমন্মহাপ্রভু যে ব্রজের সর্বোৎকৃষ্ট যুগলভজনই বিতরণ করেছেন তা নয়, পরন্তু সেই সুদুর্লভ ব্রজপ্রেমসম্পদ ও হরিনাম সংকীর্তন যে একই বস্তু তা বিশ্বমানবকে জানিয়েই বিতরণ করেছেন।যতাই ঠাকুরমহাশয় বললেন, "গোলোকের প্রেমধন,হরিনাম সংকীর্তন,রতি না জন্মিল কেনে তায়"।* *কৃষ্ণনাম ও নামী শ্রীকৃষ্ণ অভিন্ন বলেই নাম ও প্রেম একই বস্তু,কেননা শ্রীকৃষ্ণকেও মহতেরা প্রেমস্বরূপই অনুভব করে থাকেন,কোন মহানুভব বলেছেন, "প্রেম হরিকা রূপ হ‍্যায়,হরি হ‍্যায় প্রেমস্বরূপ।এক হ‍্যায়,দো করি লখে,জোঁউ সূরয আউর ধুপ"।।*
*পক্ষান্তরে প্রেম সাধ‍্য এবং নাম সাধন হলেও নামসাধন অন‍্যান‍্য সাধনাঙ্গের মত নহে,নামকীর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নিরপরাধীর চিত্তে তৎক্ষণাৎ প্রেমের সঞ্চার হয় বলিয়া নামকীর্তন ও প্রেমকে অভিন্ন বলা।হয়েছে।শ্রীকৃষ্ণনামের এই মহিমা নিত‍্যকাল থাকলেও শ্রীমন্মহাপ্রভুই ইহা বিশ্বে প্রচার করেছেন।* *তিনি যে কবল শিক্ষার দ্বারায় ইহা প্রচার করেছেন তা নহে,কিন্তু তিনি সপার্ষদে নামসঙ্কীর্তন নৃত‍্য কীর্তনরঙ্গে প্রেমরসকে এমনভাবে মূতিমন্ত করে তুলেছেন যে, হরিনাম সংকীর্তনই যে গোলোকের প্রেমধন,ইহা সকলের মর্মে মর্মে অনুভব করিয়েছেন।*
       ক্রমশ



*🙏শ্রীমন্মহাপ্রভুর পুরীধামে রথাগ্রে সপার্ষদ নৃত‍্যকীর্তন বর্ণনায় শ্রীকবিরাজ গোস্বামীপাদ লিখেছেন=*
*সাত সম্প্রদায়ে বাজে চৌদ্দমাদল*।
*যার ধ্বনি শুনি বৈষ্ণব হইল পাগল।।*
*শ্রীবৈষ্ণব-ঘটামেঘে হইল বাদল।*
*সঙ্কীর্তনামৃতসহ বর্ষে নেত্রজল।।*
*ত্রিভূবন ভরি উঠি সঙ্কীর্তনধ্বনি।*
*অন‍্য বদ‍্যাদির ধ্বনি কিছুই না শুনি।।*
*সাত ঠাঞি বুলে প্রভু 'হরিহরি'বলি।*
*জয় জয় জগন্নাথ কহে হস্ত তুলি*।।
••••••• ••••••• •••••• •••••
••••••• ••••••• •••••• ••••••
*উদ্দন্ড নৃত‍্যে প্রভু করিয়া হুঙ্কার।*
*চক্রভ্রমি ভ্রমে যৈছে আলাত-আকার।।*
*নৃত‍্যে প্রভুর যাঁহা যাঁহা পড়ে পদতল।*
*সসাগর শৈল মহী করে টলমল।।*
*স্তম্ভ স্বেদ পুলকাশ্রু কম্প বৈবর্ণ।*
*নানাভাবে বিবশতা গর্ব হর্ষ দৈন‍্য*।।
*আছাড় খাইয়া পড়ি ভূমি গড়ি যায়।*
*সুবর্ণপর্বত যেন ভূমিতে লোটায়।।*
*নিত‍্যানন্দপ্রভু দুই হস্ত প্রসারিয়া।*
*প্রভুকে ধরিতে বুলে আশে পাশে ধাঞা।।*
*প্রভু পাছে বুলে আচার্য‍্য করিয়া হুঙ্কার।*
*হরিদাস"হরিবোল"বোলে বারবার।।*
*(চৈঃ চরিতামৃত মধ‍্য=১৩শ পরিচ্ছদ)*
*🙏এই অদ্ভুত দৃশ্য নয়নে দর্শন দূরে থাকুক-- ইঁহার কীর্তনে স্মরণেও যে প্রেমের সঞ্চার হবে,তা বলাই বাহুল‍্য। ঠাকুরমহাশয় খুব আক্ষেপের সঙ্গে বলেছেন,""রতি না জন্মিল কেনে তায়""।* *সংসার বিষানলে,দিবানিশি হিয়া জ্বলে, জুড়াইতে না কৈনু উপায়।* *অহো!এইরকম প্রেমময় হরিনাম-সঙ্কীর্তনে আমার রতি জন্মিল না।দেহ-দৈহিকাদি বস্তুতে আসক্তিরূপ বিষানলে হিয়া বা চিত্ত-মন সবসময় দগ্ধ হচ্ছে, এই বিষানলের জ্বালা জুড়াবার কোন উপায় করলাম না।* *ঠাকুরমহাশয় প্রেমময় বিগ্রহ হয়েও যে দৈন‍্যের সঙ্গে আক্ষেপ করছেন।প্রীতির সঙ্গে নামকীর্তনে সহসা প্রেমলাভ এবং অভীষ্ট ভগবৎসেবালাভ হয়ে থাকে।কৃষ্ণেতর জড়ীয় বস্তুর অভিনিবেশে (মনোযোগে) জীবের হৃদয়কে বিষানলের জ্বালার মতো দিনরাত দগ্ধ করে থাকে।* *বিষানলের জ্বালা বলতে ভিতর বাহির অসহনীয় জ্বালা বুঝা যাচ্ছে।অতি বিষধর সাপ দংশন করলে যেমন দেহটি মনে হয় পুড়ে যাচ্ছে,বোধ হয়,তার ভিতর বাহিরে যে জ্বালার অনুভব হয়,সংসারে আসক্ত জীবকে অনাদিকাল হতে ভোগ করতে হচ্ছে।* *মহদ আশ্রয়ে শ্রীহরির চরণে শরণাগত হয়ে ভজন-সাধনই এই সংসারবিষানলের জ্বালা জুড়াবার একমাত্র উপায়।*
*🌻যদি আমাদের মনে হয়,অনাদিকাল হতে মায়াবন্ধনে বদ্ধ, অতি অধম,দুরাচারী,সংসারাসক্ত মানবের পক্ষে সংসারাসক্তি ত‍্যাগ করে ভজনপথাশ্রয় করা কি সম্ভব?* *তাই ঠাকুরমহাশয় দীন হীন পতিতজীবের প্রাণে আশার আলো সঞ্চার করে বললেন,ব্রজেন্দ্রনন্দন যেই,শচীসুত হৈল সেই,বলরাম হইল নিতাই।* *দীন হীন যত ছিল,হরিনামে উদ্ধারিল,তার সাক্ষী জগাই মাধাই।।* *এই কলিতে কলিহত দীনহীন পতিতপামর জীবকুলকে উদ্ধার করে প্রেমদানে ধন‍্য করবার জন্যই পতিতপাবন শ্রীশীনিতাই-গৌরের অবতার।এইজন‍্য ব্রজেন্দ্রনন্দন শ্রীকৃষ্ণ শচীরনন্দন এবং বলরাম নিতাইচাঁদ হয়েছেন।*
*🌻শ্রীচৈতন‍্য ভাগবতে (মধ‍্য ৬ষ্ঠ অধ‍্যায়ে) শ্রীমন্মহাপ্রভুর গৌর-আনা ঠাকুর শ্রীঅদ্বৈতাচার্য‍্যপ্রভুকে বর দান প্রসঙ্গে ব‍্যাসাবতার শ্রীবৃন্দাবন দাস ঠাকুর লিখেছেন,*
*আপন গলার মালা অদ্বৈতেরে দিয়া।*
*বর মাগ বর মাগ - বলেন হাসিয়া*।।
*শুনিয়া অদ্বৈত কিছু না করে উত্তর।*
*মাগ মাগ' পুনঃপুনঃ বলে বিশ্বম্ভর।।*
••••••••• •••••••• ••••••••
•••••••••• ••••••••• •••••••••
*মাথা ঢুলাইয়া বলে প্রভু বিশ্বম্ভর।*
*তোমার নিমিত্তে আমি হইনু গোচর।।*
*ঘরে ঘরে করিমু কীর্তন পরচার।*
*মোর যশে নাচে যেন সকল সংসার।।*
*ব্রহ্মা-শিব-নারদাদি যাহা বাঞ্জা করে।*
*হেন ভক্তি বিলাইমু বলিনু তোমারে।।*
*অদ্বৈত বলয়ে 'যদি ভক্তি বিলাইবা।*
*স্ত্রী,শূদ্র আদি যত মূর্খেরে সে দিবা।।*
*বিদ‍্যা ধন কুল আদি তপস‍্যার মদে।*
*তোর ভক্ত তোর ভক্তি যে যে জন বাধে।।*
*সে পাপিষ্ঠ সব দেখি মরুক পুড়িয়া।*
*চন্ডালো নাচুক তোর নাম গুণ গাইয়া।।*
*অদ্বৈতের বাক‍্য শুনি করিলা হুঙ্কার।*
*প্রভুবলে সত‍্য সে তোমার অঙ্গীকার।।*
*🌻ঠাকুরমহাশয় "ব্রজেন্দ্রনন্দন" বলে শ্রীকৃষ্ণের পিতৃনামের পরিচয় দিয়া "শচীসুত"বলে মাতৃনামে মহাপ্রভুর পরিচয় প্রদান করলেন,এতে শ্রীকৃষ্ণ অপেক্ষা মহাপ্রভুতে যে দীন হীন জীবের প্রতি মাতৃজনোচিত সমধিক করুণার বিকাশ হয়েছে, ইহা প্রতিপাদন করলেন।* *পরম কারুণ‍্য ঘনবিগ্রহ প্রভু নিতাইচাঁদ আবার পতিত উদ্ধারণ লীলায় কারুণ‍্যে সাক্ষাৎ শ্রীমন্মহাপ্রভুকেও যে অতিক্রম করেছেন,তার সাক্ষী জগাই মাধাই।* *সর্বজন জানেন,জগাই মাধাই উদ্ধার লীলায় শ্রীশ্রীগৌরনিতাইয়ের দীনহীন পতিতজনকে হরিনামে উদ্ধারের জ্বলন্ত সাক্ষী।* 
*ক্রমশ*


 *তারপর বললেন,"হা হা প্রভু নন্দসুত,বৃষভানু সুতাযুত,করুণা করহ এইবার",শ্রীবৃষভানুনন্দিনীর সঙ্গে শ্রীকৃষ্ণের করুণা কামনা করছেন পূজ‍্যপাদ ঠাকুরমহাশয়।শ্রীশ্রীযুগলমাধুরীই গৌড়ীয় বৈষ্ণবগণের উপাস‍্য।শ্রীরাধারাণীর সঙ্গে শ্রীকৃষ্ণ-উপাসনা ছাড়া যে শ্রীকৃষ্ণমাধুরী আস্বাদনের কোন উপায় নেই,ইহা শ্রীগোস্বামীপাদগণ নানা জায়গায় নানাভাবে বর্ণনা করেছেন।* *শ্রীমৎ জীবগোস্বামীপাদ তাই "শ্রীশ্রীরাধাকৃষ্ণার্চন-দীপিকার" উপসংহারে লিখেছেন=*
*রাধা বৃন্দাবনে যদ্বত্তদ্বদদামোদরো হরিঃ।*
*দর্শিতেষু চ শাস্ত্রেষু তদযুগ্মং তত্তদীশিতুঃ।।*
*রাধায়া-মাধবো দেবো মাধবেনৈব রাধিকা।*
*বিভ্রাজন্তে জনেষ্বেতি পরিশিষ্ট বচস্তথা।।*
*কার্তিকব্রতচর্য‍্যায়ামতস্তে যুগ্মদেবতে।*
*রাধাদামোদরভিখ‍্যে বীক্ষ‍্যেতে লোক শাস্ত্রয়োঃ।।*
*কিং বহূক্ত‍্যা কুন্ডযুগ্মং তয়োর্যুগ্মেন বক্ষ‍্যতে।*
*শাস্ত্রে চ দর্শিতা তস্মাৎ কৈমুত‍্যাদযুগ্মতা তয়োঃ।।*
*উমা-মহেশ্বরৌ কেচিৎ লক্ষ্মী-নারায়ণৌ পরে।*
*তে ভজন্তাং ভজামস্তু রাধাদামোদরৌ বয়ম্।।*
*🙏তাৎপর্য‍্য এই যে,শ্রীবৃন্দাবনে শ্রীরাধারাণীর নিত‍্যবাসের মতো শ্রীদামোদর শ্রীকৃষ্ণের নিত‍্য বাস শাস্ত্র প্রমাণে জানা যায়।* *ঋক্ পরিশিষ্টে শ্রীরাধারাণীর সঙ্গে লীলাময় শ্রীমাধব এবং মাধবের সঙ্গে শ্রীরাধা বৃন্দাবনে লোকসমাজে দেদীপ‍্যমান(প্রজ্বলিত,বা প্রদীপ্ত) আছেন বলে শ্রীরাধামাধবের উপাসনার সুস্পষ্ট বর্ণনা পাওয়া যায়।* *কার্তিক-ব্রতাচরণেও শ্রীরাধা দামোদরের যুগ্ম(যুগল)দেবতারূপে লোকতঃ এবং শাস্ত্রতঃ প্রসিদ্ধি রয়েছে।*
*বেশী কি আর বলা যাবে ব্রজমন্ডলে শ্রীরাধাকুন্ড এবং শ্রীশ‍্যামকুন্ডদ্বয় যুগ্মরূপে আবহমান কাল হতে বিরাজ করছেন।* *সুতরাং শ্রীরাধার সঙ্গে শ্রীকৃষ্ণের নিত‍্যযুগ্ম অবস্থান বুঝা যায়।কেউ উমা-মহেশ্বর,কেউ বা লক্ষ্মী-নারায়ণ যুগ্মরূপের উপাসনা করেন,তেমনি আমরা শ্রীশ্রীরাধাদামোদরের যুগ্মরূপে উপাসনা করে থাকি।* *অথবা প্রকরণানুসারে (কার্য‍্যানুসারে)এই অংশের এইপ্রকার ব‍্যাখ‍্যাও হতে পারে যে,হে বৃষভানুসুতা শ্রীরাধারাণীর সঙ্গে একাত্মতা পেয়ে স্বয়ং ভগবান নন্দনন্দন শ্রীমন্মহাপ্রভু।* *"তুমি এইবার আমার প্রতি কৃপাদৃষ্টিপাত কর"।তোমা'বিনা বিশ্বে আমার আর কেউ নেই,অতএব রাঙ্গাচরণে ঠেলিয়া দিও না,নিজগুণে শ্রীচরণে স্থান দিয়ে ধন‍্য কর", "নরোত্তম দাস কয়,না ঠেলিহ রাঙ্গাপায়,তোমা বিনা কে আছে আমার"।*
*🙏বানান,ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
🌐 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧





*মো সম পতিত নাই,* 🏵️ *ত্রিভূববনে দেখ চাই,* 🏵️ *নরোত্তম পবন নাম ধর।* 🏵️ *ঘুষুক সংসারে নাম,পতিতপাবন শ‍্যাম,* 🏵️ *নিজ দাস কর গিরিধর।। ❇️ ব্যাখ্যা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/08/blog-post_30.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                   ꧁ *মো সম পতিত নাই,* 
                  ꧁ *ত্রিভূববনে দেখ চাই,* 
                  *নরোত্তম পবন নাম ধর।* 
        ꧁ *ঘুষুক সংসারে নাম,পতিতপাবন শ‍্যাম,* 
                ꧁ *নিজ দাস কর গিরিধর।।* 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 *🙏মো সম পতিত নাই,*
      *ত্রিভূববনে দেখ চাই,*
   *নরোত্তম পবন নাম ধর।*
*ঘুষুক সংসারে নাম,পতিতপাবন শ‍্যাম,*
    *নিজ দাস কর গিরিধর।।*
*🙏শ্রীঠাকুরমহাশয়ের অতি নম্রভাব ক্রমশ বর্ধিত (বেড়ে)হয়ে পরাকাষ্ঠা (চরমসীমা)প্রাপ্ত হয়েছে।এতাদৃশ (এইপ্রকার)দৈন‍্যে (অতি নম্রভাব) প্রেমেরই পরিপাক বিশেষ।* *""দৈন‍্যন্তু পরমং প্রেমণঃ পরীপাকেণ জন‍্যতে""(বৃঃভাঃ ২|৫|২২৪),দৈন‍্যের পরিপাকদশায় প্রেম যতই গাঢ়তা প্রাপ্ত হয়,অভীষ্টের সেবার জন্য উৎকণ্ঠাও ততই বেড়ে যেতে থাকে।* *⭐সুতরাং উৎকণ্ঠার উৎকর্ষ দ্বারা প্রেমেরও উৎকর্ষ (আকর্ষণ)অনুমিত (লক্ষণ)হয়ে থাকে।দৈদ‍্য ৎ উৎকণ্ঠা প্রেমেরই স্বরূপগত ধর্ম।দৈন‍্যই অভীষ্টের কৃপা আকর্ষণ করে এবং দৈন‍্যেই কৃপার স্থিতি হয়,তাই সাধনকারীর প্রয়োজন কায়মনোবাক‍্যে সবসময় দৈন‍্যকে সযত্নে রক্ষা করা।*
*যয়া বাচেহয়া দৈন‍্যং মত‍্যা চ স্থৈর্য‍্যমেতি তৎ।*
*তাং যত্নেন ভজেদ্বিদ্বাংস্তদ্বিরুদ্ধানি বর্জয়েৎ।।*
       *(বৃহৎ ভাগবত=২|৫|২২৩)*
*🌻যে বাক‍্য দ্বারা,যে চেষ্টা দ্বারা এবং যে বুদ্ধিদ্বারা দৈন‍্য স্থির প্রাপ্ত হয়,বুদ্ধিমান সাধক যত্নসহকারে তদনুরূপ আচরণ করবেন এবং তার বিরুদ্ধ আচরণ বর্জন করবেন।*
*শ্রীঠাকুরমহাশয় প্রেমের মূর্তি, সুতরাং দৈন‍্য তাঁর স্বতঃসিদ্ধ সম্মদ্, তাই পরম দৈন‍্যের আবেগে বলছেন, "মো সম পতিত নাই,ত্রিভূবনে দেখ চাই,নরোত্তম পাবন নাম ধর"। হে প্রভু শ্রীকৃষ্ণ!এই ত্রিভূবনে আমার মতো পতিত ও অধম আর কেউই নাই।তুমি একটু বিচার করে দেখলে খুব সহজেই বুঝতে পারবে। ইহাই প্রকৃত দৈন‍্যের স্বভাব। প্রকৃতই পাপী,তাপী অধম পতিত যারা,তারা নিজেকে পাপী বা তাপী বলে মনে করে না।যাঁরা অপাপ বিদ্ধ মহাত্মা,যাঁদের শ্রীচরণরেণুর স্পর্শে বিশ্ব পবিত্র হয়ে থাকে,তাঁরা নিজেকে ত্রিভূবনের সর্বাপেক্ষা পাপী,তাপী,অধম,পতিত বা জগতের ভারস্বরূপ বলে মনে করেন।সুতরাং এই দেন‍্য সাধারণ নহে, অসাধারণ মহাগুণশালিনী যে ভাগবতী ভক্তি তা হতে জন্ম এই "দৈন‍্য" ভক্তের মহাগুণ বা মহাবিভূষণ বিশেষ।* 
    ক্রমশ
 *এই দৈন‍্য ভূষণে ভূষিত হয়েই ভক্ত ভগবৎকৃপাকে আকর্ষণ করে থাকেন।ঠাকুরমহাশয় বলছেন,হে প্রভো!তুমি আমায় উদ্ধার করে "নরোত্তম পাবন"নামটি ধারণ কর।তোমার অনন্ত নামের মধ্যে সর্বাধিক পতিতকে উদ্ধার করবার সাক্ষীস্বরূপ এই নামটি বিশ্বে ঘোষিত হয়ে পাপী তাপীদের অন্তরে আশার সঞ্চার করুক,"ঘুষুক সংসারে নাম,পতিত-পাবন শ‍্যাম,নিজ দাস কর গিরিধর"।হে শ‍্যাম!পতিত উদ্ধারের পরাকাষ্ঠা স্বরূপ এই "নরোত্তম পাবন"নামটি তোমার বিশ্বে ঘোষিত হয়ে অধম পতিতদের তোমার শ্রীচরণ ভজনে উদ্বুদ্ধ(জ্ঞানের উদয়) করে তুলুক।হে গিরিধর!প্রভো!তুমিএই দীনজনকে নিজ দাস করে সেবাদানে ধন‍্য কর।এখানে গিরিধর সম্বোধনের তাৎপর্য‍্য এই যে,শ্রীকৃষ্ণ ইন্দ্রযাগ খন্ডন করে শ্রীগোবর্ধনের পূজা প্রবর্তন করলে ইন্দ্র কুপিত হয়ে ব্রজধ্বংসের সংকল্প করে প্রলয়কালীন মেঘগণকে নিয়োজিত করে ভয়াবহ ঝড়বৃষ্টি সৃষ্টি করেন।তখন শ্রীকৃষ্ণ ব্রজবাসীকে রক্ষা করবার জন্য সাতদিন-রাত সুবিশাল গোবর্ধন পর্বতকে বামহাতের কনিষ্ঠ অঙ্গুলে ধারণ করে তাঁদেরকে নিরাপদ আশ্রয় দিয়েছিলেন।ঠাকুরমহাশয় বলছেন,হে গিরিধর! কামাদি রিপুগণ প্রলয়কালীন মেঘের মতো অনর্থ বর্ষণ করে আমায় ভাসিয়ে দুঃখ সিন্ধুর দিকে নিয়ে যাচ্ছে,প্রভো!তুমিসআমায় তোমার শ্রীচরণাতপত্রের ছায়ায় জায়গা দিয়েষরক্ষা করে তোমার গিরিধর নামের সার্থকতা বিধান কর।*
  *🌻বানান,ভুল ক্ষমা করবেন🌻*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
🌐 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
               ꧁ শ্রীকৃষ্ণ লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






মো সম পতিত নাই,* *ত্রিভূববনে দেখ চাই,* *নরোত্তম পবন নাম ধর।* *ঘুষুক সংসারে নাম,পতিতপাবন শ‍্যাম,* *নিজ দাস কর গিরিধর।।* ব্যাখ্যা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ -> http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/08/blog-post_30.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                   ꧁ *মো সম পতিত নাই,* 
                  ꧁ *ত্রিভূববনে দেখ চাই,* 
                  *নরোত্তম পবন নাম ধর।* 
        ꧁ *ঘুষুক সংসারে নাম,পতিতপাবন শ‍্যাম,* 
                ꧁ *নিজ দাস কর গিরিধর।।* 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
            ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 *🙏মো সম পতিত নাই,*
      *ত্রিভূববনে দেখ চাই,*
   *নরোত্তম পবন নাম ধর।*
*ঘুষুক সংসারে নাম,পতিতপাবন শ‍্যাম,*
    *নিজ দাস কর গিরিধর।।*
*🙏শ্রীঠাকুরমহাশয়ের অতি নম্রভাব ক্রমশ বর্ধিত (বেড়ে)হয়ে পরাকাষ্ঠা (চরমসীমা)প্রাপ্ত হয়েছে।এতাদৃশ (এইপ্রকার)দৈন‍্যে (অতি নম্রভাব) প্রেমেরই পরিপাক বিশেষ।* *""দৈন‍্যন্তু পরমং প্রেমণঃ পরীপাকেণ জন‍্যতে""(বৃঃভাঃ ২|৫|২২৪),দৈন‍্যের পরিপাকদশায় প্রেম যতই গাঢ়তা প্রাপ্ত হয়,অভীষ্টের সেবার জন্য উৎকণ্ঠাও ততই বেড়ে যেতে থাকে।* *⭐সুতরাং উৎকণ্ঠার উৎকর্ষ দ্বারা প্রেমেরও উৎকর্ষ (আকর্ষণ)অনুমিত (লক্ষণ)হয়ে থাকে।দৈদ‍্য ৎ উৎকণ্ঠা প্রেমেরই স্বরূপগত ধর্ম।দৈন‍্যই অভীষ্টের কৃপা আকর্ষণ করে এবং দৈন‍্যেই কৃপার স্থিতি হয়,তাই সাধনকারীর প্রয়োজন কায়মনোবাক‍্যে সবসময় দৈন‍্যকে সযত্নে রক্ষা করা।*
*যয়া বাচেহয়া দৈন‍্যং মত‍্যা চ স্থৈর্য‍্যমেতি তৎ।*
*তাং যত্নেন ভজেদ্বিদ্বাংস্তদ্বিরুদ্ধানি বর্জয়েৎ।।*
       *(বৃহৎ ভাগবত=২|৫|২২৩)*
*🌻যে বাক‍্য দ্বারা,যে চেষ্টা দ্বারা এবং যে বুদ্ধিদ্বারা দৈন‍্য স্থির প্রাপ্ত হয়,বুদ্ধিমান সাধক যত্নসহকারে তদনুরূপ আচরণ করবেন এবং তার বিরুদ্ধ আচরণ বর্জন করবেন।*
*শ্রীঠাকুরমহাশয় প্রেমের মূর্তি, সুতরাং দৈন‍্য তাঁর স্বতঃসিদ্ধ সম্মদ্, তাই পরম দৈন‍্যের আবেগে বলছেন, "মো সম পতিত নাই,ত্রিভূবনে দেখ চাই,নরোত্তম পাবন নাম ধর"। হে প্রভু শ্রীকৃষ্ণ!এই ত্রিভূবনে আমার মতো পতিত ও অধম আর কেউই নাই।তুমি একটু বিচার করে দেখলে খুব সহজেই বুঝতে পারবে। ইহাই প্রকৃত দৈন‍্যের স্বভাব। প্রকৃতই পাপী,তাপী অধম পতিত যারা,তারা নিজেকে পাপী বা তাপী বলে মনে করে না।যাঁরা অপাপ বিদ্ধ মহাত্মা,যাঁদের শ্রীচরণরেণুর স্পর্শে বিশ্ব পবিত্র হয়ে থাকে,তাঁরা নিজেকে ত্রিভূবনের সর্বাপেক্ষা পাপী,তাপী,অধম,পতিত বা জগতের ভারস্বরূপ বলে মনে করেন।সুতরাং এই দেন‍্য সাধারণ নহে, অসাধারণ মহাগুণশালিনী যে ভাগবতী ভক্তি তা হতে জন্ম এই "দৈন‍্য" ভক্তের মহাগুণ বা মহাবিভূষণ বিশেষ।* 
    ক্রমশ
 *এই দৈন‍্য ভূষণে ভূষিত হয়েই ভক্ত ভগবৎকৃপাকে আকর্ষণ করে থাকেন।ঠাকুরমহাশয় বলছেন,হে প্রভো!তুমি আমায় উদ্ধার করে "নরোত্তম পাবন"নামটি ধারণ কর।তোমার অনন্ত নামের মধ্যে সর্বাধিক পতিতকে উদ্ধার করবার সাক্ষীস্বরূপ এই নামটি বিশ্বে ঘোষিত হয়ে পাপী তাপীদের অন্তরে আশার সঞ্চার করুক,"ঘুষুক সংসারে নাম,পতিত-পাবন শ‍্যাম,নিজ দাস কর গিরিধর"।হে শ‍্যাম!পতিত উদ্ধারের পরাকাষ্ঠা স্বরূপ এই "নরোত্তম পাবন"নামটি তোমার বিশ্বে ঘোষিত হয়ে অধম পতিতদের তোমার শ্রীচরণ ভজনে উদ্বুদ্ধ(জ্ঞানের উদয়) করে তুলুক।হে গিরিধর!প্রভো!তুমিএই দীনজনকে নিজ দাস করে সেবাদানে ধন‍্য কর।এখানে গিরিধর সম্বোধনের তাৎপর্য‍্য এই যে,শ্রীকৃষ্ণ ইন্দ্রযাগ খন্ডন করে শ্রীগোবর্ধনের পূজা প্রবর্তন করলে ইন্দ্র কুপিত হয়ে ব্রজধ্বংসের সংকল্প করে প্রলয়কালীন মেঘগণকে নিয়োজিত করে ভয়াবহ ঝড়বৃষ্টি সৃষ্টি করেন।তখন শ্রীকৃষ্ণ ব্রজবাসীকে রক্ষা করবার জন্য সাতদিন-রাত সুবিশাল গোবর্ধন পর্বতকে বামহাতের কনিষ্ঠ অঙ্গুলে ধারণ করে তাঁদেরকে নিরাপদ আশ্রয় দিয়েছিলেন।ঠাকুরমহাশয় বলছেন,হে গিরিধর! কামাদি রিপুগণ প্রলয়কালীন মেঘের মতো অনর্থ বর্ষণ করে আমায় ভাসিয়ে দুঃখ সিন্ধুর দিকে নিয়ে যাচ্ছে,প্রভো!তুমিসআমায় তোমার শ্রীচরণাতপত্রের ছায়ায় জায়গা দিয়েষরক্ষা করে তোমার গিরিধর নামের সার্থকতা বিধান কর।*
  *🌻বানান,ভুল ক্ষমা করবেন🌻*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
🌐 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
               ꧁ শ্রীকৃষ্ণ লীলা 🙏 সূচীপত্র ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧






adds