শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

সুবুদ্ধি রায় ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/10/blog-post_67.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                           ꧁ সুবুদ্ধি রায় 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*🌻🌻🌻সুবুদ্ধি রায়🌻🌻🌻*
💐💐💐💐💐💐💐💐💐
*🌻প্রকৃত নাম সুবুদ্ধি ভাদুড়ি, পিতার নাম শ্রীকৃষ্ণ ভাদুড়ি। সুবুদ্ধি রায় এককালে গৌড়ের অধিকারী ছিলেন,তাঁর অধীনে চাকুরি করত হুসেন শাহ।হুসেন শাহকে একদিন ডেকে বললেন,একটি দীঘি খনন করতে হবে,অতি সুন্দর ভাবে একটি দীঘি খনন করবার ভার তোমায় দিলাম,দেখ যেন কোন কাজে ছিদ্র না হয়।দীঘি খনন করার প্রায় শেষ দিকে সুবুদ্ধি রায় দেখলেন কর্মের মধ্যে ক্রটি রয়েছে, তখন সুবুদ্ধি রায় হুসেন শাহকে কর্মের অপরাধের জন্য চাবুক প্রহার করলেন। পিঠের আঘাত এত গভীর হল যে ক্ষত শুকোলেও দাগ কিন্তু মিলিয়ে গেল না।কালক্রমে হুসেন শাহ গৌড়ের নবাব হলেন।প্রথম প্রথম সুবুদ্ধি রায়কে সে বহু সম্মান দেখালেন,করলেন অনেক পরিতোষ।কিন্তু একদিন হুসেন শাহ-র স্ত্রী দেখতে পেল সেই পিঠের কালো দাগ। স্বামীকে জিজ্জেস করল,এ দাগ কিসের? হুসেন শাহ আর সেইদিনের কথাগুলি ডেকে রাখতে পারলেন না, বলেই ফেললেন,সুবুদ্ধি রায় আমাকে চাবুক প্রহার করেছিলেন, কিন্তু আমার দোষেই,শুনে স্ত্রী ক্রোধান্বিত হয়ে বলল,যাও তুমিও সুবুদ্ধি রায়কে চাবুক প্রহার কর,এখুনি?তারপর তাকে প্রয়োজনে বধ কর? হুসেন শাহ বললেন,তা আমি পারব না,সুবুদ্ধি রায় আমার পূর্ব মনিব,আমার পালনকর্তা,পিতৃতুল‍্য,তাঁকে প্রাণে মারা অধর্ম হবে।তখন স্ত্রী বলল,তাহলে জাতে মার? শাহ বললেন,জাতে মারলে তো তিনি প্রাণে বাঁচবেন না। কিন্তু স্ত্রী কিছুতেই নিবৃত্ত হল না,স্বামীকে দিনরাত উত্তেজিত,উত্ত‍্যক্ত করতে লাগল। তারপর সুবুদ্ধি রায়কে ডেকে এনে তার মুখে "করোয়ার" জল ঢেলে দিল হুসেন শাহ। সুবুদ্ধি রায়ের জাত গেল, প্রায়শ্চিত্তের জন্য তিনি কাশীতে এসে পন্ডিতদের কাছে বিধান চাইলেন।কেউ বললেন,তপ্ত ঘৃত খেয়ে প্রাণত‍্যাগ করাই একমাত্র প্রায়শ্চিত্ত। আবার কেহ বললেন,নিজের ইচ্ছেই তো তিনি করোয়ার জল খাননি, ও অবস্থায় অতবড় শাস্তি অবিধেয়।কী করবেন,কোথায় যাবেন, সুবুদ্ধি রায় অস্থির চিত্তে দিন যাপন করতে লাগলেন।ভগবানের অসীম কৃপায়, এমন সময়ে বৃন্দাবনের পথে কাশীতে মহাপ্রভু এলেন। সুবুদ্ধি রায় জানতে পারলেন যে কোন এক নবীন সন্ন‍্যাসী কাশীতে এসেছেন,তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সুবুদ্ধি রায়, সুবুদ্ধি চাইলেন। মহাপ্রভু বললেন, তুমি বৃন্দাবনে যাও, নিরন্তর হরি স্মরণ কর, এই হরিস্মরণই শ্রেষ্ঠ প্রায়শ্চিত্ত। অনুক্ষণ কৃষ্ণনাম কীর্তন করো,এই নামাভাসেই তোমার সমস্ত পাপদোষ যাবে, আর নাম করতে করতেই শ্রীকৃষ্ণচরণ পাবে।*
*🌻হরিনাম পরম পাবন।অশুচিকে শুচি করে,অতীর্থকে তীর্থ করে। হেলায়, অশ্রদ্ধায় এমন কি বাক‍্য-পূরণেও নামোচ্চারণ করলে ফল লাভ হয়।*
*খাইতে শুইতে যথা তথা নাম লয়*
*দেশ কাল নিয়ম নাহি সর্বসিদ্ধি হয়।।*
*🌻শুধু নাম নহে,নামাভ‍্যাসেও হবে। "রত্ন যেখানেই রাখো,সিন্দুকেই হোক বা ছাইয়ের গাদায়ই হোক,তার সমান মূল‍্য"। পুরো নাম তো বটেই,নামবদ্ধ নামের অক্ষরগুলোও অপ্রাকৃত চিন্ময়।তাই নামের মত নাম‍াভ‍্যাসেও প্রচণ্ড শক্তি। শূকরের দন্তে আহত হয়ে যবন "হারাম" "হারাম" বলে ডেকে মুক্তি পেয়েছিল।বলছে শূকর, ডাকা হচ্ছে রামকে।একেই বলে নামাভ‍্যাসে মুক্তি।নামাভ‍্যাসেই যদি এত শক্তি তাহলে স্পষ্ট নামোচ্চারণ যে প্রত‍্যক্ষ ফল দেবে তাতে আর কারও সন্দেহ থাকতে পারে? নামের উচ্চারণ যদি অশুদ্ধ হয়, এমনকি অসম্পূর্ণও হয়, কিছু এসে যাবে না,ঐ ভ্রমে ও ন‍্যূনতায়ও নামপ্রভাব অম্লান থাকবে।সমস্ত প্রারব্ধ পাপেরও নাশ এই নামেই।আর নাম এবং নামী অভিন্ন বলে নামীর যেমন মহিমা,নামেরও তেমনি।*
         *ক্রমশ*

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                           ꧁ সুবুদ্ধি রায় 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*সুবুদ্ধি রায় শ্রীমন্মহাপ্রভুর কথামত বৃন্দাবনের দিকে যাত্রা করলেন।প্রয়াগ অযোধ‍্যা হয়ে পৌঁছলেন নৈমিষারণ‍্যে। সেখান থেকে মথুরায়।মথুরায় এসে শুনলেন মহাপ্রভু ব্রজভূমি দর্শন করে ফিরে গেছেন। সুবুদ্ধি রায় ভেবেছিলেন,আর একবার হয়ত মহাপ্রভুর সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে! কিন্তু তা হল না।বৃন্দাবনে পৌঁছে কী করে তিনি জীবিকা নির্বাহ করবেন! জঙ্গল থেকে শুকনো কাঠ এনে বাজারে বিক্রি করতে লাগলেন।কাঠ এনে কি করেন?দড়ি দিয়ে বেঁধে,কাঁধে করে বহে,বেচে পায় কত?এক বোঝা মাত্র পাঁচ পয়সা, খদ্দের সদয় হলে বড়জোর ছয় পয়সা। তার থেকে এক পয়সা দিয়ে চানা-চাবানা কিনে নিজে খায় আর বাকী পয়সা বেনের দোকানে জমিয়ে রাখেন।জমা পয়সায় গরীব দুঃখী,সাধু-সন্ন‍্যাসীর সেবা করেন।আর যদি সে বাঙ্গালী বৈষ্ণব হন,তাহলে তাঁর জন‍্যে অঙ্গে মাখবার তেল কেনে,শুখা রুটির পরিবর্তে দুটি অন্নের যোগাড় করেন, নিজের জন্য কিন্তু সেই শুকনো চানার বেশী কিছু নয়, না কখনো না।*
*🌻যে সুবুদ্ধি রায় একদিন অধিকারী ছিলেন,কত দাস-দাসী ছিল,কত তাঁর ভোগের উপকরণ, আজ সে কিনা এক পয়সার চানা কিনে খেয়ে দিনযাপন করছেন।মহাপ্রভুর কৃপায় তিনি বৈরাগ‍্য ভূষণ লাভ করেছেন।পরাপেক্ষা নেই,নিজেতেই নিজের নির্ভর,নেই বিন্দুমাত্র অপ্রসাদ।যেটুকু সঞ্চয় সেটুকুও নিজের ভোগের জন্য নহে, দীনদরিদ্র,বৈষ্ণব সেবার জন্য।শ্রীরূপ ও অনুপম মথুরায় এলেন, সংবাদ পেয়ে তিনি দেখা করতে গেলেন। দুইভাইকে দ্বাদশবন ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখালেন। কিন্তু মাসখানেকের বেশী তাঁরা থাকতে পারলেন না, পরে শ্রীসনাতন গোস্বামী কাশীতে এসেছেন সংবাদ পেয়ে চললেন কাশীগঙ্গাতীরের পথ দিয়ে মহাপ্রভু গিয়েছেন শুনে তাঁরা সেই পথ ধরলেন।ওদিকে সনাতন গোস্বামী বৃন্দাবন যাত্রা করলেন রাজপথ দিয়ে,উভয়ের উল্টো পথযাত্রা।তাই কারোর সঙ্গে কারো দেখা হল না।প্রয়াগে পৌঁছে শ্রীরূপ ও অনুপম খবর পেলেন শ্রীসনাতন মথুরায় গিয়েছেন আর সনাতন মথুরায় পৌঁছে জানলেন, যদিও শ্রীরূপ ও অনুপম মথুরায়ই ফিরছিলেন,তাঁরা তখন প্রয়াগে।সনাতন গোস্বামীকে পেয়ে সুবুদ্ধি রায়ের আনন্দ আর ধরে না। কিন্তু কঠোর তপস্বী,মহাবিরক্ত সনাতনের দেহসুখে স্পৃহা নেই, তাই সুবুদ্ধির স্নেহ-ব‍্যবহার তাঁর কাছে লোভনীয় নয়।যিনি তীব্র বৈরাগ‍্যে প্রতিষ্ঠিত, কী হবে তাঁর দেহস্বাচ্ছন্দে? বৃন্দাবনে পরবর্তীকালে যে আনন্দনিকেতন গড়ে উঠেছিল তার ভিত্তির প্রথম প্রস্তর সুবুদ্ধি রায়।*
*🙏বানান, ভুল মার্জনীয়🙏*        
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
   
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧




*🌼ভক্তলীলা🌼, বীর হাম্বীর* ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/10/blog-post_24.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                 ꧁ *ভক্তলীলা, বীর হাম্বীর* 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*ভক্তলীলা, বীর হাম্বীর*
""""""""""""""""""""""""""""""""""
*বিষ্ণুপুরের স্বাধীন রাজা বীর হাম্বীর মল্ল।গৌড়াধিপতি সোলেমানের পুত্র দাউদ খাঁ কে পরাভূত করে "বীর হাম্বীর" নামে পরিচিত।প্রথম বয়সে বীর হাম্বীর অত‍্যন্ত দুর্ধর্ষ ছিল।দস‍্যুতা করতেও তার বাধত না। ""দস‍্যুকর্ম করে সদা লৈয়া দস‍্যুগণ""।গোস্বামী গ্রন্থ নিয়ে বৃন্দাবন থেকে আসছেন শ্রীনিবাস সঙ্গে শ‍্যামানন্দ আর নরোত্তম দাস। গ্রন্থগুলি রয়েছে কাঠের সিন্দুকে,গরুর গাড়ীতে চাপানো।বনপথ দিয়ে যাচ্ছেন, যে পথ দিয়ে শ্রীচৈতন‍্যদেব গিয়েছলেন,শ্রীপাদ সনাতন গিয়েছিলেন,সেই পথে যেতে কী আনন্দ! সর্বত্র ধ্বনি উঠল, এক মহাজন বহু ধনরত্ন সঙ্গে নিয়ে নীলাচলে যাচ্ছে।হাম্বীরের রাজধানী বনবিষ্ণুপুরের কাছাকাছি এসে পৌঁছল গাড়ী। রাজার গুপ্তচরেরা সংবাদ পেয়ে দস‍্যুদের জানাল।দস‍্যুগণ গণকের কাছে গণাপড়া করতে গেল,লুন্ঠনের মত সামগ্রী কিছু আছে কিনা।গণক বললে,অমূল‍্য সম্পদ আছে সিন্দুকে।সুযোগ ছেড়ে দেওয়া ঠিক হবে না।দস‍্যুগণ রাজাকে খবর দিল,কোন এক মহাজন গাড়ী ভরে ধনরত্ন নিয়ে যাচ্ছে। আর আবার কথা কী,হাম্বীর উল্লসিত হয়ে উঠল।এখুনি সাজগোজ করে বেড়িয়ে পরো।অর্থসহ পুরো গাড়ীটাই এখানে নিয়ে এসো।আর একটা কথা মনে রেখ,শুধু ভয় দেখাবে,কাউকে প্রাণে মারবে না। তামড়গ্রাম,মালিয়াড়া ও রঘুনাথপুর অতিক্রম করে শ্রীনিবাস আর তাঁর সঙ্গীগণ গোপালপুর এসে পৌঁছেছে,কৃষ্ণকথা সুখে অর্ধেকরাত কাটিয়ে একটু ঘুমিয়েছে, ব‍্যস,দস‍্যুরা এসে চড়াও হল।রাজার (হাম্বীরের)আদেশ মতো কারো গায়ে তারা হাত দিল না,সিন্দুক সমেত গাড়ী নিয়ে বনে প্রবেশ করল।শেষ পযর্ন্ত সমস্ত কিছু নিয়ে হাজির হল রাজার কাছে।অপহরণের খবর পেয়ে বনবিষ্ণুপুরের লোকেরা বিক্ষুব্ধ হল।ধনী মহাজন তার সম্ভার নিয়ে জগন্নাথ দর্শনে চলেছেন,তাঁর উপর বলদর্পী রাজার এ কী দৌরাত্ম!এ পাপাষ্ঠ কে উদ্ধার করবে?যে মহাপ্রভু নদীয়া-বিহারে জগাই-মাধাইকে উদ্ধার করেছিলেন,তিনি তো এখন নীলাচলে সংগোপিত হয়েছেন,তবে এ দুরাচারের কী করে ত্রাণ হবে!*
*যে প্রভু হইলানীলাচলে সংগোপন*।
*একে কে করিবে দুষ্টের তারণ।।*
*🍀কেউ কেউ বললেন, বলা যায় না, দুষ্টের দুর্বুদ্ধি মোচনের জন্যে ভক্তকে দিয়েই মহাপ্রভু তাঁর উদ্দেশ্য সিদ্ধ করে নিচ্ছেন।কে জানে হয়ত এ পাপ-দেশেই তেমনি কোন ভক্তের শুভাগমন হবে। প্রকান্ড সিন্দুক দেখে হাম্বীর পুলকিত হল। কত না জানি মহামূল‍্য ধনরত্ন রয়েছে লুকোনো।সঙ্গীদের প্রচুর প্রশংসা করল,বসন-ভূষণ দিয়ে দস‍্যুদের পরিতৃপ্ত করল।পরে নির্জনে গেল সিন্দুক খুলতে।গণককে ডেকে পাঠান হল। কী জানি কী ব‍্যাপার,গণক ভয়ে ভয়ে কাছে এসে দাঁড়াল।তুমি এমন অদ্ভুত গণনা কি করে করলে? গণনা ঠিক হয়নি? আশ্চর্য‍্য কি হয়েছে,হাম্বীর উল্লসিত হয়ে উঠল, সিন্দুকের মধ্যে অমূল‍্য সব গ্রন্থ।তুমি যে বলেছিলে গাড়ীতে অমূল‍্য সম্পদ আছে,সত‍্যিই কি তাই।তোমার কোন গণনাই কোনদিন মিথ‍্যে হয়নি, যতই গ্রন্থগুলি দেখছি,স্পর্শ করছি,ততই আমার চিত্ত চঞ্চল হচ্ছে, এ কী অনন‍্য সম্পদ আমি লুন্ঠন করে এনেছি!এখন বলো যার গ্রন্থ তাকে আমি কোথায় পাব?রাজমহিষী সুলক্ষণাও এলো গ্রন্থ দেখতে।গ্রন্থ দেখে সেও অভিভূত হল।বললে,এখন এগুলোকে সংরক্ষণের ব‍্যবস্থা কর। রাণীর কথা মত ব‍্যবস্থার ক্রটি হল না।কিন্তু এ আবার কি হল?হাম্বীরের চোখে ঘুম নেই, কেবলই ভাবতে লাগল,ভক্ত কৃপার কথা শুনেছি, আমার বেলায় এ যে দেখছি গ্রন্থকৃপা।এদিকে গ্রন্থ হারিয়ে শ্রীনিবাস পাগলের মত হয়ে গিয়েছে।এই গ্রন্থগুলির যে কোন প্রতিলিপিই নেই,এই গ্রন্থের কোন বিকল্প হয় না।যেমন করে হোক এই গ্রন্থগুলি উদ্ধার করতেই হবে,নইলে জীবন ধারণই অর্থহীন।নরোত্তম ও শ‍্যামানন্দকে ফিরে যেতে বলে শ্রীনিবাস গ্রন্থ সন্ধানে বেড়িয়ে পড়লেন।ভাবলেন দস‍্যুতার প্রতিকারে রাজদ্বারে গিয়ে দাঁড়ালে ক্ষতি কি।রাজা কি শুধু দস‍্যুদেরই রাজা,সর্বস্বান্ত প্রজার রাজা নয়?খুঁজতে খুঁজতে দেউলি গ্রামে এসে পৌঁছুলেন শ্রীনিবাস।উঠলেন কৃষ্ণবল্লম চক্রবর্তী নামে এক ব্রাহ্মণের গৃহে।সেখানে কথায় কথায় শুনতে পেলেন মল্লপাটের রাজা বীর হাম্বীর দুই গাড়ী ধন লুঠ করে এনেছে।আর শোনো মজা,রাজার দস‍্যুবৃত্তি থাকলেও কি হবে,রাজা আবার ভাগবত কথাও শোনে। ভাগবত শোনে, কোথায়? কেন,রাজসভায়। ব‍্যাস চক্রবর্তী পাঠ করেন।অনেকে শোনে।*       

*🌻ভক্তলীলা,বীর হাম্বীর🌻পরের অংশ*
🍀🍀🍀🍀🍀🍀🍀🍀🍀🍀🍀
*শ্রীনিবাস জিজ্ঞেস করলেন, ভাগবত শোনে কোথায়? কেন,রাজসভায়, ব‍্যাস চক্রবর্তী পাঠ করেন,অনেকেই শোনেন। তুমি শুনেছ? শুনেছি বৈকি। আমাকে তবে শোনাও একদিন, রাজসভায় নিয়ে চলো।শ্রীনিবাস যখন রাজসভায় এসে দাঁড়ালেন।বীর হাম্বীরের মনে কি এক চরম ভাবনা এলো,শ্রীনিবাসকে দর্শন করে বলেন, এই অপূর্ব সুন্দর পুরুষ নিশ্চয়ই ঈশ্বর প্ররিত কেউ হবেন।নইলে আমার মন-প্রাণ উনার শ্রীচরণে আত্মসমর্পণ করতে চাইছে কেন?বীর হাম্বীর শ্রীনিবাসকে পরম সাদরে আসন দিলেন।কে রাজা,কে পাঠক, সমস্ত সভার অধিপতি শ্রীনিবাস।রূপে তেজে সম্ভ্রমগাম্ভীর্য‍্যে এক অপরূপ।হয়ত ইনিই গ্রন্থরত্নের অধিকারী।পাঠ বিরামে রাজপন্ডিতের ভ্রান্ত ব‍্যাখ‍্যার অনুযোগ করলেন শ্রীনিবাস।ব‍্যাস চক্রবর্তী প্রথমে রুষ্ট হলেন বটে, কিন্তু শ্রীনিবাসের শান্ত যুক্তির কাছে চক্রবর্তীর মহাশয়ের রোষ স্থায়ী হল না।রাজা বললেন, আমাদের আপনি কিছু শোনান,যদি ভ্রমরগীতা পাঠ করেনতো কৃতার্থ হই।*
*🌻শ্রীনিবাস অতি প্রেমভরে ভ্রমরগীতা পাঠ করে শোনালেন। রাজা চরম তৃপ্তি লাভ করলেন সঙ্গে চক্রবর্তী পাঠকও আর্দ্র হয়ে গেলেন। রাজা,শ্রীনিবাসকে জিজ্ঞাসা করলেন, আপনি কি উপলক্ষ্যে এসেছেন এখানে?তখন শ্রীনিবাস আদ‍্যোপান্ত সকল কথা রাজাকে বললেন।গোস্বামীগণের গ্রন্থ প্রকাশ করতে গৌড়ে যাচ্ছিলাম, আসছিলাম বৃন্দাবন থেকে,গোপালপুরে মধ‍্যরাত্রে বিশ্রাম করছিলাম,দস‍্যুদল এসে গ্রন্থ সম্পুট হরণ করে নিল।বলুন এখন আমি কি করি, কোথায় যাই, কি করলে আবার হারানো গ্রন্থ ফিরে পাব? তাই এসেছি এখানে।বীর হাম্বীর শ্রীনিবাস আচার্য‍্যের শ্রীচরণে পড়ে কাঁদতে লাগলেন। বললেন, প্রভু! আমি সেই দস‍্যু, আমার সমস্ত পাপভার আপনার শ্রীচরণে এনে রাখছি, আমাকে মার্জনা করুন। সমস্ত গ্রন্থ অটুট আছে,যত্নে রক্ষিত আছে, আমাকে আপনি রক্ষা করুন।*
*(সাধুসঙ্গ সাধুসঙ্গ সর্বশাস্ত্রে কয়)।*
*(লবমাত্র সাধুসঙ্গ সর্ব সিদ্ধি হয়)*।।
*🌻পুরীর অভ‍্যন্তরে নিয়ে গেলেন, গিয়ে দেখলেন গ্রন্থ যেমনকার তেমনই রয়েছে, শ্রীনিবাস আচার্য‍্যের আনন্দ আর ধরে না। কিন্তু সমস্ত গ্রন্থ ছড়ান রয়েছে, কিন্তু ঠিক আছে। সঙ্গে রাণী সুলক্ষণাও ছিলেন,আচায‍্যের শ্রীচরণ প্রণত হলেন। বীর হাম্বীর বললেন, প্রভু!আমাকে আপনার শ্রীচরণে স্থান দিন,বলুন দিবেন তো! শ্রীনিবাস বললেন, তোমাকে আমি শ্রীকৃষ্ণচৈতন‍্যের শ্রীচরণে সমর্পণ করে দিলাম।সেই পাদপদ্ম নিরন্তর চিন্তন কর। আর কি করতে হবে বলুন? ব‍্যাকুল হয়ে হাম্বীর বললেন। মনে রেখ, নিজেকে সর্বক্ষণ অপরাধী জ্ঞান করে নামসংকীর্তন করবে।সর্বপ্রথম তোমাকে গোস্বামীগণের গ্রন্থ আস্বাদন করাই,পরে তোমাকে শ্রীরাধাকৃষ্ণ যুগল মন্ত্রে দীক্ষা প্রদান করব। গ্রন্থ চুরির কথা বৃন্দাবনে জানানো হয়েছিল, এখন গ্রন্থ প্রাপ্তির সংবাদও জানাতে হবে। রাজা বললেন, সেই সঙ্গে সঙ্গে এই দস‍্যুর উদ্ধারের বার্তাটিও জানিয়ে দেবেন।আর বলবেন,গোস্বামীগণ যেন আমাকে কৃপা করেন,আমার সমস্ত অপরাধ মার্জনা করে।*
*🙏বানান,ভুল ক্ষমা করবেন🙏*

*ভক্তলীলা,বীর হাম্বীর বিরাম অংশ*
*এবারে সমস্ত গ্রন্থ শকটে করে পুনরায় বৃন্দাবনে পাঠিয়ে দেওয়া হল,খেতুরীতেও লোক পাঠানো হল নরোত্তমকে সংবাদ দিতে।শ্রীনিবাস বললেন,এবার তবে আমিও যাজিগ্রামে ফিরে যায়।রাজা বললেন, আমার তবে কি হবে?শ্রীনিবাস বললেন,আরো কিছুকাল অপেক্ষা করুন, গ্রন্থ আস্বাদন করুন, আস্বাদনের ফল কি হয় দেখা যাক।রাজার প্রেরিত লোক মারফৎ শ্রীজীব গোস্বামী হাম্বীরের কাছে পত্র পাঠালেন। এই গ্রন্থগুলি বৃন্দাবনের অনুরাগ দিয়ে ভরা, গোস্বামী-প্রভু তাকে চৈতন্য-ভক্ত বলে বর্ণনা করেছেন।রাজার আনন্দ আর ধরে না, সঙ্গে সঙ্গে নেমে এলো অশ্রুর নির্ঝর। নিজেকে নিজে রাজা বলছেন আমি কি চৈতন‍্যভক্ত? শ্রীনিবাস পুনরায় বৃন্দাবনে গেলেন।ব‍্যাস চক্রবর্তী তাঁর সঙ্গ কিছুতেই ছাড়ছেন না,সেও বৃন্দাবনের যাত্রী হলেন।বৃন্দাবনে পৌঁছে ব‍্যাস শ্রীজীব গোস্বামীর কাছে দীক্ষা নিতে চাইলেন, জীব গোস্বামী বললেন, না,আমার কাছে নয়,দীক্ষা নেবে শ্রীনিবাসের কাছে।বৃন্দাবন থেকে ফিরে শ্রীনিবাস বিষ্ণুপুরে এলেন। সঙ্গে ব‍্যাস ছাড়া আরো দুইজন,রামচন্দ্র ও শ‍্যামানন্দ।নতুন দুইজনের সঙ্গে নতুন করে পরিচয় হল হাম্বীরের।শ‍্যামনন্দ উৎকলে যাবেন,সম্ভার-সামগ্রী সাজিয়ে দিলেন রাজা। ভক্তসেবায়

*বিরাম অংশ* *বীর হাম্বীর*
*ভক্তসেবায় বীর হাম্বীর উদ্ধার হয়ে গেলেন।শ্রীনিবাস দেখলেন, রাজার ভক্তি গ্রন্থে অধিকার জন্মেছে।ফল গাঢ়-পক্ক হয়েছে, এবার আপনাকে দীক্ষা প্রদান করব। আষাঢ়ী কৃষ্ণা তৃতীয়ায় শ্রীনিবাস হাম্বীরকে রাধাকৃষ্ণ মন্ত্রে দীক্ষা দিলেন।বললেন,শ্রীজীব গোস্বামী তোমার প্রতি প্রসন্ন হয়ে তোমার নতুন নাম রেখেছেন। কি নাম? নাম শ্রীচৈতন‍্যদাস। রাণী* *সুলক্ষণাও দীক্ষা নিলেন। বীর হাম্বীরের পুত্রের নাম ধাড়ি হাম্বীর, সেও দীক্ষিত হল।শ্রীজীব গোস্বামী তার নতুন নাম দিলেন গোপালদাস। শ্রীচৈতন‍্যদাসের পুত্র গোপালদাস। সমগ্র মল্লরাজবংশ বৈষ্ণবধর্মে দীক্ষিত হল।পরবর্তীকালে পিতা-পুত্র শ্রীচৈতন‍্যদাস ও গোপালদাস পদকর্তা হয়ে উঠলেন। রাণী সুলক্ষণা দেখলেন বীর হাম্বীর স্বপ্নাবেশে শ্রীনিবাস* *আচার্য‍্যের প্রশস্তিমূলক পাঠ মনে-মনে রচনা করে মুখে আবৃত্তি করে চলেছেন।তন্ময় হয়ে শুনতে লাগলেন রাণী সুলক্ষণা।গ্রন্থকৃপা আর কাকে বলে!দর্শনে-স্পর্শনেই চিত্তের পরিবর্তন আর আস্বাদনেই একেবারে কান্তদর্শন।রাজার মতও ব‍্যাসাচার্য‍্যও সবংশে শ্রীনিবাসের নিকটে দীক্ষা নিলেন।দীক্ষা নিলেন কৃষ্ণবল্লভ ও* *বিষ্ণুপুরের আরো অনেকেই। বিষ্ণুপুরে শ্রীনিবাস আচার্য‍্যের জন্যে একটি বাড়ী করে দিলেন বীর হাম্বীর।কিন্তু শ্রীনিবাসকে বাঁধতে পারলেন না, রাজা বললেন,তবে আমাকে আপনার সঙ্গে নিয়ে চলুন, তাতেও রাজী হলেন না শ্রীনিবাস।আচার্য‍্য বললেন,রাজা রাজধানী ছেড়ে চলে গলে রাজ‍্য চলবে কী করে? শেষে* *খেতুরি-উৎসবের পর নবদ্বীপ পরিক্রমা শেষ করে শ্রীনিবাস, নরোত্তম ও রামচন্দ্রসহ যাজিগ্রামে ফিরে এলেন। যখন জানতে পারলেন যে শ্রীগুরুদেব যাজিগ্রামে এসেছেন, তখন হাম্বীর সেখানে এসে উপস্থিত হলেন।গ্রামের বাইরে অশ্ব-গজ- পদাতিকের সমারোহ ছেড়ে, সব রেখে* *কয়েকজন নিরীহ লোক সঙ্গে নিয়ে রাজা গুরুদেবের শ্রীচরণে বহুবিধ দ্রব‍্যসম্ভার সমর্পণ করলেন, নরোত্তম ও রামচন্দ্রকেও প্রণাম করলেন।রাজার এই প্রথম নরোত্তম মিলন।* *দীনহীনের মতো সর্বত্র ভ্রমণ করে রাজা বৈষ্ণব মহান্তদের আশীর্বাদ কুড়োলেন।রাজার সঙ্গে রাণীও এসেছেন। গুরুপত্নী (গুরুমা) কেও দিয়ছেন অনেক বস্ত্রালঙ্কার।রাণী চতুর্দোলায় এসেছিলেন, আবার চতুর্দোলায় চলে গেলেন। কিন্তু রাজা গ্রামের সীমানা পযর্ন্ত গেলেন পদব্রজে।পরে যথাযুক্ত যানে আরোহণ করলেন।বৈষ্ণবতাই বীর হাম্বীরকে যথার্থ বীর্যে মন্ডিত করেছেন।রাজা ভেতরে প্রেমার্দ্র ভক্ত, কিন্তু বাইরে সুকঠিন সম্রাট।তিনি প্রেমে ভক্তবৎসল, যুদ্ধে শত্রুঞ্জয়।বৈষ্ণবতায় তাঁকে যথার্থ ন‍্যায়-নিষ্ঠায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন।*
*🌻জাহ্নবা দেবী বৃন্দাবনে শ্রীরাধিকা বিগ্রহ পাঠাচ্ছেন,ভক্তবৃন্দ কন্টকনগরে পৌঁছলে বীর হাম্বীর গোপনে তাদের সহস্র মুদ্রা পাঠিয়ে দিলেন। শ্রীনিবাসের দ্বিতীয় বিবাহেও তিনি বহু ব‍্যয় করেছিলেন।*
*🌻বৃন্দাবনের অনুকরণে বিষ্ণুপুরে শ‍্যামকুন্ড ও রাধাকুন্ড নির্মাণ করালে রাজা,তাল,তমাল ও ভান্ডীরবন স্থাপন করলেন, স্থাপন করলেন যমুনা ও কালিন্দী বাঁধ,মথুরা,দ্বারকা,গোকুল নামে জনপদ।গিরি গোবর্ধনের অনুকরণে এক মন্দির নির্মাণ শুরু করলেন, অবশ‍্য শেষ করতে পারেননি।তাই লোকে এখন রাসমঞ্চ বলে।সুপ্রসিদ্ধ শ্রীমদনমোহন বীর হাম্বীরের প্রতিষ্ঠিত।*
*🌻শ্রীবাস পন্ডিতের মাতৃশ্রাদ্ধ উপলক্ষ্যে বীর হাম্বীর চলেছেন যাজিগ্রামে।পথে বৃষভানুপুরে এক ব্রাহ্মণের গৃহে নিশি যাপন করলেন।দেখলেন সেখানে সুন্দর শ্রীমদনমোহনের বিগ্রহ। দেখে রাজার খুব মন টানলো এবং যাজিগ্রাম থেকে ফিরবার সময় ঐ বিগ্রহ বিষ্ণুপুরে নিয়ে এলেন।ব্রাহ্মণ দারুণ শোকে মুহ‍্যমান হলে শ্রীমদনমোহন তাঁকে স্বপ্নে দেখা দিয়ে বললেন,দিবাভাগে বিষ্ণুপুরে এবং নিশাকালে বৃষভানুপুরে তোমার মন্দিরে থাকব।*
*🌻মল্লবংশের শেষ রাজা চৈতন‍্য সিংহ নানা কারণে ঋণগ্রস্ত হলে শ্রীমদনমোহনের স্বপ্নাদেশ হল= আমার বিগ্রহ তুমি বাগবাজারের গোকুল মিত্রের কাছে বাঁধা রেখে অর্থ সংগ্রহ করে ঋণমুক্ত হও। তখনকার সময়ে লক্ষাধিক টাকায় শ্রীবিগ্রহ গোকুল মিত্রের গৃহে আবদ্ধ রয়েছে। সেই থেকে শ্রীমদনমোহন বাগবাজারে অধিষ্ঠান করছেন।*
*🙏বানান,ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয়🙏*
      🌻🌻বিরাম🌻🌻*
*নিত‍্যানন্দ ছিল যেই, নরোত্তম হৈলা সেই,*
      *শ্রীচৈতন‍্য হইলা শ্রীনিবাস।*
*শ্রীঅদ্বৈত যারে কয়,শ‍্যামানন্দ তেঁহো হয়,*
     *ঐছে হইলা তিনের প্রকাশ।।*
*🌻এই তিনের আবির্ভাব, সর্বদেশ কৈলা ধন‍্য দিয়া ভক্তিভাব।*   
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧





*🌼ভক্তলীলা🌼, বীর হাম্বীর* ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/10/blog-post_24.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                 ꧁ *ভক্তলীলা, বীর হাম্বীর* 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*ভক্তলীলা, বীর হাম্বীর*
""""""""""""""""""""""""""""""""""
*বিষ্ণুপুরের স্বাধীন রাজা বীর হাম্বীর মল্ল।গৌড়াধিপতি সোলেমানের পুত্র দাউদ খাঁ কে পরাভূত করে "বীর হাম্বীর" নামে পরিচিত।প্রথম বয়সে বীর হাম্বীর অত‍্যন্ত দুর্ধর্ষ ছিল।দস‍্যুতা করতেও তার বাধত না। ""দস‍্যুকর্ম করে সদা লৈয়া দস‍্যুগণ""।গোস্বামী গ্রন্থ নিয়ে বৃন্দাবন থেকে আসছেন শ্রীনিবাস সঙ্গে শ‍্যামানন্দ আর নরোত্তম দাস। গ্রন্থগুলি রয়েছে কাঠের সিন্দুকে,গরুর গাড়ীতে চাপানো।বনপথ দিয়ে যাচ্ছেন, যে পথ দিয়ে শ্রীচৈতন‍্যদেব গিয়েছলেন,শ্রীপাদ সনাতন গিয়েছিলেন,সেই পথে যেতে কী আনন্দ! সর্বত্র ধ্বনি উঠল, এক মহাজন বহু ধনরত্ন সঙ্গে নিয়ে নীলাচলে যাচ্ছে।হাম্বীরের রাজধানী বনবিষ্ণুপুরের কাছাকাছি এসে পৌঁছল গাড়ী। রাজার গুপ্তচরেরা সংবাদ পেয়ে দস‍্যুদের জানাল।দস‍্যুগণ গণকের কাছে গণাপড়া করতে গেল,লুন্ঠনের মত সামগ্রী কিছু আছে কিনা।গণক বললে,অমূল‍্য সম্পদ আছে সিন্দুকে।সুযোগ ছেড়ে দেওয়া ঠিক হবে না।দস‍্যুগণ রাজাকে খবর দিল,কোন এক মহাজন গাড়ী ভরে ধনরত্ন নিয়ে যাচ্ছে। আর আবার কথা কী,হাম্বীর উল্লসিত হয়ে উঠল।এখুনি সাজগোজ করে বেড়িয়ে পরো।অর্থসহ পুরো গাড়ীটাই এখানে নিয়ে এসো।আর একটা কথা মনে রেখ,শুধু ভয় দেখাবে,কাউকে প্রাণে মারবে না। তামড়গ্রাম,মালিয়াড়া ও রঘুনাথপুর অতিক্রম করে শ্রীনিবাস আর তাঁর সঙ্গীগণ গোপালপুর এসে পৌঁছেছে,কৃষ্ণকথা সুখে অর্ধেকরাত কাটিয়ে একটু ঘুমিয়েছে, ব‍্যস,দস‍্যুরা এসে চড়াও হল।রাজার (হাম্বীরের)আদেশ মতো কারো গায়ে তারা হাত দিল না,সিন্দুক সমেত গাড়ী নিয়ে বনে প্রবেশ করল।শেষ পযর্ন্ত সমস্ত কিছু নিয়ে হাজির হল রাজার কাছে।অপহরণের খবর পেয়ে বনবিষ্ণুপুরের লোকেরা বিক্ষুব্ধ হল।ধনী মহাজন তার সম্ভার নিয়ে জগন্নাথ দর্শনে চলেছেন,তাঁর উপর বলদর্পী রাজার এ কী দৌরাত্ম!এ পাপাষ্ঠ কে উদ্ধার করবে?যে মহাপ্রভু নদীয়া-বিহারে জগাই-মাধাইকে উদ্ধার করেছিলেন,তিনি তো এখন নীলাচলে সংগোপিত হয়েছেন,তবে এ দুরাচারের কী করে ত্রাণ হবে!*
*যে প্রভু হইলানীলাচলে সংগোপন*।
*একে কে করিবে দুষ্টের তারণ।।*
*🍀কেউ কেউ বললেন, বলা যায় না, দুষ্টের দুর্বুদ্ধি মোচনের জন্যে ভক্তকে দিয়েই মহাপ্রভু তাঁর উদ্দেশ্য সিদ্ধ করে নিচ্ছেন।কে জানে হয়ত এ পাপ-দেশেই তেমনি কোন ভক্তের শুভাগমন হবে। প্রকান্ড সিন্দুক দেখে হাম্বীর পুলকিত হল। কত না জানি মহামূল‍্য ধনরত্ন রয়েছে লুকোনো।সঙ্গীদের প্রচুর প্রশংসা করল,বসন-ভূষণ দিয়ে দস‍্যুদের পরিতৃপ্ত করল।পরে নির্জনে গেল সিন্দুক খুলতে।গণককে ডেকে পাঠান হল। কী জানি কী ব‍্যাপার,গণক ভয়ে ভয়ে কাছে এসে দাঁড়াল।তুমি এমন অদ্ভুত গণনা কি করে করলে? গণনা ঠিক হয়নি? আশ্চর্য‍্য কি হয়েছে,হাম্বীর উল্লসিত হয়ে উঠল, সিন্দুকের মধ্যে অমূল‍্য সব গ্রন্থ।তুমি যে বলেছিলে গাড়ীতে অমূল‍্য সম্পদ আছে,সত‍্যিই কি তাই।তোমার কোন গণনাই কোনদিন মিথ‍্যে হয়নি, যতই গ্রন্থগুলি দেখছি,স্পর্শ করছি,ততই আমার চিত্ত চঞ্চল হচ্ছে, এ কী অনন‍্য সম্পদ আমি লুন্ঠন করে এনেছি!এখন বলো যার গ্রন্থ তাকে আমি কোথায় পাব?রাজমহিষী সুলক্ষণাও এলো গ্রন্থ দেখতে।গ্রন্থ দেখে সেও অভিভূত হল।বললে,এখন এগুলোকে সংরক্ষণের ব‍্যবস্থা কর। রাণীর কথা মত ব‍্যবস্থার ক্রটি হল না।কিন্তু এ আবার কি হল?হাম্বীরের চোখে ঘুম নেই, কেবলই ভাবতে লাগল,ভক্ত কৃপার কথা শুনেছি, আমার বেলায় এ যে দেখছি গ্রন্থকৃপা।এদিকে গ্রন্থ হারিয়ে শ্রীনিবাস পাগলের মত হয়ে গিয়েছে।এই গ্রন্থগুলির যে কোন প্রতিলিপিই নেই,এই গ্রন্থের কোন বিকল্প হয় না।যেমন করে হোক এই গ্রন্থগুলি উদ্ধার করতেই হবে,নইলে জীবন ধারণই অর্থহীন।নরোত্তম ও শ‍্যামানন্দকে ফিরে যেতে বলে শ্রীনিবাস গ্রন্থ সন্ধানে বেড়িয়ে পড়লেন।ভাবলেন দস‍্যুতার প্রতিকারে রাজদ্বারে গিয়ে দাঁড়ালে ক্ষতি কি।রাজা কি শুধু দস‍্যুদেরই রাজা,সর্বস্বান্ত প্রজার রাজা নয়?খুঁজতে খুঁজতে দেউলি গ্রামে এসে পৌঁছুলেন শ্রীনিবাস।উঠলেন কৃষ্ণবল্লম চক্রবর্তী নামে এক ব্রাহ্মণের গৃহে।সেখানে কথায় কথায় শুনতে পেলেন মল্লপাটের রাজা বীর হাম্বীর দুই গাড়ী ধন লুঠ করে এনেছে।আর শোনো মজা,রাজার দস‍্যুবৃত্তি থাকলেও কি হবে,রাজা আবার ভাগবত কথাও শোনে। ভাগবত শোনে, কোথায়? কেন,রাজসভায়। ব‍্যাস চক্রবর্তী পাঠ করেন।অনেকে শোনে।*       

*🌻ভক্তলীলা,বীর হাম্বীর🌻পরের অংশ*
🍀🍀🍀🍀🍀🍀🍀🍀🍀🍀🍀
*শ্রীনিবাস জিজ্ঞেস করলেন, ভাগবত শোনে কোথায়? কেন,রাজসভায়, ব‍্যাস চক্রবর্তী পাঠ করেন,অনেকেই শোনেন। তুমি শুনেছ? শুনেছি বৈকি। আমাকে তবে শোনাও একদিন, রাজসভায় নিয়ে চলো।শ্রীনিবাস যখন রাজসভায় এসে দাঁড়ালেন।বীর হাম্বীরের মনে কি এক চরম ভাবনা এলো,শ্রীনিবাসকে দর্শন করে বলেন, এই অপূর্ব সুন্দর পুরুষ নিশ্চয়ই ঈশ্বর প্ররিত কেউ হবেন।নইলে আমার মন-প্রাণ উনার শ্রীচরণে আত্মসমর্পণ করতে চাইছে কেন?বীর হাম্বীর শ্রীনিবাসকে পরম সাদরে আসন দিলেন।কে রাজা,কে পাঠক, সমস্ত সভার অধিপতি শ্রীনিবাস।রূপে তেজে সম্ভ্রমগাম্ভীর্য‍্যে এক অপরূপ।হয়ত ইনিই গ্রন্থরত্নের অধিকারী।পাঠ বিরামে রাজপন্ডিতের ভ্রান্ত ব‍্যাখ‍্যার অনুযোগ করলেন শ্রীনিবাস।ব‍্যাস চক্রবর্তী প্রথমে রুষ্ট হলেন বটে, কিন্তু শ্রীনিবাসের শান্ত যুক্তির কাছে চক্রবর্তীর মহাশয়ের রোষ স্থায়ী হল না।রাজা বললেন, আমাদের আপনি কিছু শোনান,যদি ভ্রমরগীতা পাঠ করেনতো কৃতার্থ হই।*
*🌻শ্রীনিবাস অতি প্রেমভরে ভ্রমরগীতা পাঠ করে শোনালেন। রাজা চরম তৃপ্তি লাভ করলেন সঙ্গে চক্রবর্তী পাঠকও আর্দ্র হয়ে গেলেন। রাজা,শ্রীনিবাসকে জিজ্ঞাসা করলেন, আপনি কি উপলক্ষ্যে এসেছেন এখানে?তখন শ্রীনিবাস আদ‍্যোপান্ত সকল কথা রাজাকে বললেন।গোস্বামীগণের গ্রন্থ প্রকাশ করতে গৌড়ে যাচ্ছিলাম, আসছিলাম বৃন্দাবন থেকে,গোপালপুরে মধ‍্যরাত্রে বিশ্রাম করছিলাম,দস‍্যুদল এসে গ্রন্থ সম্পুট হরণ করে নিল।বলুন এখন আমি কি করি, কোথায় যাই, কি করলে আবার হারানো গ্রন্থ ফিরে পাব? তাই এসেছি এখানে।বীর হাম্বীর শ্রীনিবাস আচার্য‍্যের শ্রীচরণে পড়ে কাঁদতে লাগলেন। বললেন, প্রভু! আমি সেই দস‍্যু, আমার সমস্ত পাপভার আপনার শ্রীচরণে এনে রাখছি, আমাকে মার্জনা করুন। সমস্ত গ্রন্থ অটুট আছে,যত্নে রক্ষিত আছে, আমাকে আপনি রক্ষা করুন।*
*(সাধুসঙ্গ সাধুসঙ্গ সর্বশাস্ত্রে কয়)।*
*(লবমাত্র সাধুসঙ্গ সর্ব সিদ্ধি হয়)*।।
*🌻পুরীর অভ‍্যন্তরে নিয়ে গেলেন, গিয়ে দেখলেন গ্রন্থ যেমনকার তেমনই রয়েছে, শ্রীনিবাস আচার্য‍্যের আনন্দ আর ধরে না। কিন্তু সমস্ত গ্রন্থ ছড়ান রয়েছে, কিন্তু ঠিক আছে। সঙ্গে রাণী সুলক্ষণাও ছিলেন,আচায‍্যের শ্রীচরণ প্রণত হলেন। বীর হাম্বীর বললেন, প্রভু!আমাকে আপনার শ্রীচরণে স্থান দিন,বলুন দিবেন তো! শ্রীনিবাস বললেন, তোমাকে আমি শ্রীকৃষ্ণচৈতন‍্যের শ্রীচরণে সমর্পণ করে দিলাম।সেই পাদপদ্ম নিরন্তর চিন্তন কর। আর কি করতে হবে বলুন? ব‍্যাকুল হয়ে হাম্বীর বললেন। মনে রেখ, নিজেকে সর্বক্ষণ অপরাধী জ্ঞান করে নামসংকীর্তন করবে।সর্বপ্রথম তোমাকে গোস্বামীগণের গ্রন্থ আস্বাদন করাই,পরে তোমাকে শ্রীরাধাকৃষ্ণ যুগল মন্ত্রে দীক্ষা প্রদান করব। গ্রন্থ চুরির কথা বৃন্দাবনে জানানো হয়েছিল, এখন গ্রন্থ প্রাপ্তির সংবাদও জানাতে হবে। রাজা বললেন, সেই সঙ্গে সঙ্গে এই দস‍্যুর উদ্ধারের বার্তাটিও জানিয়ে দেবেন।আর বলবেন,গোস্বামীগণ যেন আমাকে কৃপা করেন,আমার সমস্ত অপরাধ মার্জনা করে।*
*🙏বানান,ভুল ক্ষমা করবেন🙏*

*ভক্তলীলা,বীর হাম্বীর বিরাম অংশ*
*এবারে সমস্ত গ্রন্থ শকটে করে পুনরায় বৃন্দাবনে পাঠিয়ে দেওয়া হল,খেতুরীতেও লোক পাঠানো হল নরোত্তমকে সংবাদ দিতে।শ্রীনিবাস বললেন,এবার তবে আমিও যাজিগ্রামে ফিরে যায়।রাজা বললেন, আমার তবে কি হবে?শ্রীনিবাস বললেন,আরো কিছুকাল অপেক্ষা করুন, গ্রন্থ আস্বাদন করুন, আস্বাদনের ফল কি হয় দেখা যাক।রাজার প্রেরিত লোক মারফৎ শ্রীজীব গোস্বামী হাম্বীরের কাছে পত্র পাঠালেন। এই গ্রন্থগুলি বৃন্দাবনের অনুরাগ দিয়ে ভরা, গোস্বামী-প্রভু তাকে চৈতন্য-ভক্ত বলে বর্ণনা করেছেন।রাজার আনন্দ আর ধরে না, সঙ্গে সঙ্গে নেমে এলো অশ্রুর নির্ঝর। নিজেকে নিজে রাজা বলছেন আমি কি চৈতন‍্যভক্ত? শ্রীনিবাস পুনরায় বৃন্দাবনে গেলেন।ব‍্যাস চক্রবর্তী তাঁর সঙ্গ কিছুতেই ছাড়ছেন না,সেও বৃন্দাবনের যাত্রী হলেন।বৃন্দাবনে পৌঁছে ব‍্যাস শ্রীজীব গোস্বামীর কাছে দীক্ষা নিতে চাইলেন, জীব গোস্বামী বললেন, না,আমার কাছে নয়,দীক্ষা নেবে শ্রীনিবাসের কাছে।বৃন্দাবন থেকে ফিরে শ্রীনিবাস বিষ্ণুপুরে এলেন। সঙ্গে ব‍্যাস ছাড়া আরো দুইজন,রামচন্দ্র ও শ‍্যামানন্দ।নতুন দুইজনের সঙ্গে নতুন করে পরিচয় হল হাম্বীরের।শ‍্যামনন্দ উৎকলে যাবেন,সম্ভার-সামগ্রী সাজিয়ে দিলেন রাজা। ভক্তসেবায়

*বিরাম অংশ* *বীর হাম্বীর*
*ভক্তসেবায় বীর হাম্বীর উদ্ধার হয়ে গেলেন।শ্রীনিবাস দেখলেন, রাজার ভক্তি গ্রন্থে অধিকার জন্মেছে।ফল গাঢ়-পক্ক হয়েছে, এবার আপনাকে দীক্ষা প্রদান করব। আষাঢ়ী কৃষ্ণা তৃতীয়ায় শ্রীনিবাস হাম্বীরকে রাধাকৃষ্ণ মন্ত্রে দীক্ষা দিলেন।বললেন,শ্রীজীব গোস্বামী তোমার প্রতি প্রসন্ন হয়ে তোমার নতুন নাম রেখেছেন। কি নাম? নাম শ্রীচৈতন‍্যদাস। রাণী* *সুলক্ষণাও দীক্ষা নিলেন। বীর হাম্বীরের পুত্রের নাম ধাড়ি হাম্বীর, সেও দীক্ষিত হল।শ্রীজীব গোস্বামী তার নতুন নাম দিলেন গোপালদাস। শ্রীচৈতন‍্যদাসের পুত্র গোপালদাস। সমগ্র মল্লরাজবংশ বৈষ্ণবধর্মে দীক্ষিত হল।পরবর্তীকালে পিতা-পুত্র শ্রীচৈতন‍্যদাস ও গোপালদাস পদকর্তা হয়ে উঠলেন। রাণী সুলক্ষণা দেখলেন বীর হাম্বীর স্বপ্নাবেশে শ্রীনিবাস* *আচার্য‍্যের প্রশস্তিমূলক পাঠ মনে-মনে রচনা করে মুখে আবৃত্তি করে চলেছেন।তন্ময় হয়ে শুনতে লাগলেন রাণী সুলক্ষণা।গ্রন্থকৃপা আর কাকে বলে!দর্শনে-স্পর্শনেই চিত্তের পরিবর্তন আর আস্বাদনেই একেবারে কান্তদর্শন।রাজার মতও ব‍্যাসাচার্য‍্যও সবংশে শ্রীনিবাসের নিকটে দীক্ষা নিলেন।দীক্ষা নিলেন কৃষ্ণবল্লভ ও* *বিষ্ণুপুরের আরো অনেকেই। বিষ্ণুপুরে শ্রীনিবাস আচার্য‍্যের জন্যে একটি বাড়ী করে দিলেন বীর হাম্বীর।কিন্তু শ্রীনিবাসকে বাঁধতে পারলেন না, রাজা বললেন,তবে আমাকে আপনার সঙ্গে নিয়ে চলুন, তাতেও রাজী হলেন না শ্রীনিবাস।আচার্য‍্য বললেন,রাজা রাজধানী ছেড়ে চলে গলে রাজ‍্য চলবে কী করে? শেষে* *খেতুরি-উৎসবের পর নবদ্বীপ পরিক্রমা শেষ করে শ্রীনিবাস, নরোত্তম ও রামচন্দ্রসহ যাজিগ্রামে ফিরে এলেন। যখন জানতে পারলেন যে শ্রীগুরুদেব যাজিগ্রামে এসেছেন, তখন হাম্বীর সেখানে এসে উপস্থিত হলেন।গ্রামের বাইরে অশ্ব-গজ- পদাতিকের সমারোহ ছেড়ে, সব রেখে* *কয়েকজন নিরীহ লোক সঙ্গে নিয়ে রাজা গুরুদেবের শ্রীচরণে বহুবিধ দ্রব‍্যসম্ভার সমর্পণ করলেন, নরোত্তম ও রামচন্দ্রকেও প্রণাম করলেন।রাজার এই প্রথম নরোত্তম মিলন।* *দীনহীনের মতো সর্বত্র ভ্রমণ করে রাজা বৈষ্ণব মহান্তদের আশীর্বাদ কুড়োলেন।রাজার সঙ্গে রাণীও এসেছেন। গুরুপত্নী (গুরুমা) কেও দিয়ছেন অনেক বস্ত্রালঙ্কার।রাণী চতুর্দোলায় এসেছিলেন, আবার চতুর্দোলায় চলে গেলেন। কিন্তু রাজা গ্রামের সীমানা পযর্ন্ত গেলেন পদব্রজে।পরে যথাযুক্ত যানে আরোহণ করলেন।বৈষ্ণবতাই বীর হাম্বীরকে যথার্থ বীর্যে মন্ডিত করেছেন।রাজা ভেতরে প্রেমার্দ্র ভক্ত, কিন্তু বাইরে সুকঠিন সম্রাট।তিনি প্রেমে ভক্তবৎসল, যুদ্ধে শত্রুঞ্জয়।বৈষ্ণবতায় তাঁকে যথার্থ ন‍্যায়-নিষ্ঠায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন।*
*🌻জাহ্নবা দেবী বৃন্দাবনে শ্রীরাধিকা বিগ্রহ পাঠাচ্ছেন,ভক্তবৃন্দ কন্টকনগরে পৌঁছলে বীর হাম্বীর গোপনে তাদের সহস্র মুদ্রা পাঠিয়ে দিলেন। শ্রীনিবাসের দ্বিতীয় বিবাহেও তিনি বহু ব‍্যয় করেছিলেন।*
*🌻বৃন্দাবনের অনুকরণে বিষ্ণুপুরে শ‍্যামকুন্ড ও রাধাকুন্ড নির্মাণ করালে রাজা,তাল,তমাল ও ভান্ডীরবন স্থাপন করলেন, স্থাপন করলেন যমুনা ও কালিন্দী বাঁধ,মথুরা,দ্বারকা,গোকুল নামে জনপদ।গিরি গোবর্ধনের অনুকরণে এক মন্দির নির্মাণ শুরু করলেন, অবশ‍্য শেষ করতে পারেননি।তাই লোকে এখন রাসমঞ্চ বলে।সুপ্রসিদ্ধ শ্রীমদনমোহন বীর হাম্বীরের প্রতিষ্ঠিত।*
*🌻শ্রীবাস পন্ডিতের মাতৃশ্রাদ্ধ উপলক্ষ্যে বীর হাম্বীর চলেছেন যাজিগ্রামে।পথে বৃষভানুপুরে এক ব্রাহ্মণের গৃহে নিশি যাপন করলেন।দেখলেন সেখানে সুন্দর শ্রীমদনমোহনের বিগ্রহ। দেখে রাজার খুব মন টানলো এবং যাজিগ্রাম থেকে ফিরবার সময় ঐ বিগ্রহ বিষ্ণুপুরে নিয়ে এলেন।ব্রাহ্মণ দারুণ শোকে মুহ‍্যমান হলে শ্রীমদনমোহন তাঁকে স্বপ্নে দেখা দিয়ে বললেন,দিবাভাগে বিষ্ণুপুরে এবং নিশাকালে বৃষভানুপুরে তোমার মন্দিরে থাকব।*
*🌻মল্লবংশের শেষ রাজা চৈতন‍্য সিংহ নানা কারণে ঋণগ্রস্ত হলে শ্রীমদনমোহনের স্বপ্নাদেশ হল= আমার বিগ্রহ তুমি বাগবাজারের গোকুল মিত্রের কাছে বাঁধা রেখে অর্থ সংগ্রহ করে ঋণমুক্ত হও। তখনকার সময়ে লক্ষাধিক টাকায় শ্রীবিগ্রহ গোকুল মিত্রের গৃহে আবদ্ধ রয়েছে। সেই থেকে শ্রীমদনমোহন বাগবাজারে অধিষ্ঠান করছেন।*
*🙏বানান,ভুল ভ্রান্তি মার্জনীয়🙏*
      🌻🌻বিরাম🌻🌻*
*নিত‍্যানন্দ ছিল যেই, নরোত্তম হৈলা সেই,*
      *শ্রীচৈতন‍্য হইলা শ্রীনিবাস।*
*শ্রীঅদ্বৈত যারে কয়,শ‍্যামানন্দ তেঁহো হয়,*
     *ঐছে হইলা তিনের প্রকাশ।।*
*🌻এই তিনের আবির্ভাব, সর্বদেশ কৈলা ধন‍্য দিয়া ভক্তিভাব।*   
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧





শ্রীল বৃন্দাবন দাস ঠাকুরের মাতা নারায়ণী দেবী ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 🙏 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/10/blog-post_21.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ শ্রীল বৃন্দাবন দাস ঠাকুরের মাতা নারায়ণী দেবী
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂ 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧          
*🙏🙏🙏নারায়ণী🙏🙏🙏*
*শ্রীবাস পন্ডিতের অগ্রজ নলিন পন্ডিত (শ্রীরাম পন্ডিত)।তাঁরই কন‍্যা নারায়ণী।নারায়ণীর এক বছর বয়সের মধ্যেই তাঁর পিতা-মাতা ইহলোক ত‍্যাগ করেছিলেন।মালিনী দেবী শিশুকে নিয়ে এসে লালন পালন করতে লাগলেন।মহাপ্রভুর মহাপ্রকাশের সময় নারায়ণীর বয়স চার বছর।মহাপ্রভু সেই চার বছরের বালিকাকেই তাঁর চর্বিত তাম্বুলের অবশেষ দান করেছিলেন।পরম আনন্দে নারায়ণী গ্রহণ করেছিলেন সেই পরমপ্রসাদ। সেই থেকে তাঁর নাম হয়ে গেল "গৌরাঙ্গের অবশেষ পাত্র"।মহাপ্রভু তাম্বুল দেবার পর তখন নারায়ণীকে আদেশ করলেন,নারায়ণী!তুমি "কৃষ্ণ"বলে কাঁদ। নারায়ণী "হা কৃষ্ণ" "হা কৃষ্ণ" বলে তৎক্ষণাৎ কাঁদতে শুরু করলেন।এক রত্তি শিশু তাঁর নয়নের জলে মৃত্তিকা সিক্ত হয়ে লাগল। মহাপ্রভু বলেছিলেন,ছোট শিশু কি,বনের পশু-পাখীকেও আমি কৃষ্ণ বলে কাঁদাব। আসুক বিধর্মী রাজা,আনুক তার হাতি-ঘোড়া, সৈন‍্যসামন্ত, সকলকেই আমি কৃষ্ণ বলে কাঁদাব। তারপর মহাপ্রভু নীলাচলে চলে গেলেন, শ্রীবাস কুমারহট্টে বাস করতে এলেন। সেখানকার বিপ্র বৈকুন্ঠদাসের হস্তে নারায়ণীকে সম্প্রদান করলেন।নারায়ণী গর্ভবতী হলে বৈকুন্ঠদাস অপ্রকট হলেন।শ্রীবাস পন্ডিত নারায়ণীকে নিজালয়ে নিয়ে এলেন। যথাকালে নারায়ণী পুত্রসন্তান প্রসব করলেন।সেই পুত্রই শ্রীচৈতন‍্য ভাগবত প্রণেতা শ্রীবৃন্দাবন দাস ঠাকুর।*
*অদ‍্যাপিহ বৈষ্ণবমন্ডলে এই ধ্বনি*।
*গৌরাঙ্গের অবশেষ পাত্র নারায়ণী।।*
*জয় নিতাই,বিরাম।*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
   
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



শ্রীল বৃন্দাবন দাস ঠাকুরের মাতা নারায়ণী দেবী ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 🙏 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/10/blog-post_21.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ শ্রীল বৃন্দাবন দাস ঠাকুরের মাতা নারায়ণী দেবী
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂ 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧          
*🙏🙏🙏নারায়ণী🙏🙏🙏*
*শ্রীবাস পন্ডিতের অগ্রজ নলিন পন্ডিত (শ্রীরাম পন্ডিত)।তাঁরই কন‍্যা নারায়ণী।নারায়ণীর এক বছর বয়সের মধ্যেই তাঁর পিতা-মাতা ইহলোক ত‍্যাগ করেছিলেন।মালিনী দেবী শিশুকে নিয়ে এসে লালন পালন করতে লাগলেন।মহাপ্রভুর মহাপ্রকাশের সময় নারায়ণীর বয়স চার বছর।মহাপ্রভু সেই চার বছরের বালিকাকেই তাঁর চর্বিত তাম্বুলের অবশেষ দান করেছিলেন।পরম আনন্দে নারায়ণী গ্রহণ করেছিলেন সেই পরমপ্রসাদ। সেই থেকে তাঁর নাম হয়ে গেল "গৌরাঙ্গের অবশেষ পাত্র"।মহাপ্রভু তাম্বুল দেবার পর তখন নারায়ণীকে আদেশ করলেন,নারায়ণী!তুমি "কৃষ্ণ"বলে কাঁদ। নারায়ণী "হা কৃষ্ণ" "হা কৃষ্ণ" বলে তৎক্ষণাৎ কাঁদতে শুরু করলেন।এক রত্তি শিশু তাঁর নয়নের জলে মৃত্তিকা সিক্ত হয়ে লাগল। মহাপ্রভু বলেছিলেন,ছোট শিশু কি,বনের পশু-পাখীকেও আমি কৃষ্ণ বলে কাঁদাব। আসুক বিধর্মী রাজা,আনুক তার হাতি-ঘোড়া, সৈন‍্যসামন্ত, সকলকেই আমি কৃষ্ণ বলে কাঁদাব। তারপর মহাপ্রভু নীলাচলে চলে গেলেন, শ্রীবাস কুমারহট্টে বাস করতে এলেন। সেখানকার বিপ্র বৈকুন্ঠদাসের হস্তে নারায়ণীকে সম্প্রদান করলেন।নারায়ণী গর্ভবতী হলে বৈকুন্ঠদাস অপ্রকট হলেন।শ্রীবাস পন্ডিত নারায়ণীকে নিজালয়ে নিয়ে এলেন। যথাকালে নারায়ণী পুত্রসন্তান প্রসব করলেন।সেই পুত্রই শ্রীচৈতন‍্য ভাগবত প্রণেতা শ্রীবৃন্দাবন দাস ঠাকুর।*
*অদ‍্যাপিহ বৈষ্ণবমন্ডলে এই ধ্বনি*।
*গৌরাঙ্গের অবশেষ পাত্র নারায়ণী।।*
*জয় নিতাই,বিরাম।*
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
   
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



৩০. পরম বৈষ্ণব রুইদাস ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/10/blog-post_39.html

✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
               ꧁ ৩০. পরম বৈষ্ণব রুইদাস 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
           ꧁পরম বৈষ্ণব রুইদাস 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*পরম বৈষ্ণব রুইদাস,(৩০ পর্ব)*
☘☘☘☘☘☘☘☘☘
*যা আমি চাই তাই পেলে আমি বুঝব আমার মানব জনম সার্থক হল।তেব লছমী! তোমার জীবনভোর কষ্টেই দিন কাটছে। তোমার জীবনকে আমার সঙ্গে জড়িয়ে তোমার দুঃখের শেষ থাকল না। লছমী!তবুও আমি বলছি তুমি রাজরাণীর চাইতেও সুখী।রঘুনাথ নিশ্চয়ই তোমার কথাও ভাববেন।তোমাকে তিনি ভুলে নেই গো লছমী? এই কথাগুলো শুনে লছমী চোখ দুটো বড় করে রুইদাসের দিকে তাকালেন। রুইদাস বললেন, লছমী!আমি যা বললাম এতটুকু মিথ‍্যে নেই।একমন হয়ে ডাক দিলে তিনি কি আর ফাঁকি দিতে পারেন? তিনি যে ভালবাসা পাবার কাঙ্গাল,দেবারও কাঙ্গাল।দিতে যে জানে,পেতেও সে জানে।পয়সা দিয়ে যা সওদা করা যায় না, রুইদাস ভক্তি দিয়ে তা সওদা করেছেন।তাই ছাতিমতলার সেই মুচি রুইদাস আজ মানুষের কাছে ভক্ত রুইদাস, গুরুদেব রুইদাস। হ‍্যাঁ,জুতো সেলাই করে যাঁর দিন কেটেছে, আজ সে তার ছেঁড়া ফাটা জীবনকে প্রেমভক্তির সূতো দিয়ে সারাই করে নতুন জীবন লাভ করেছেন।রুইদাস আজ ভগবানের দাস হয়েছেন। দাস হতে গেলে ভগবানের আবাসে বাসা নিতে হবে।সে বাসা নিতে হলে তাঁর মনের মত উপঢৌকন দিতে হবে।ক'জন পারে তা দিতে?ক'জন চেষ্টা করে সেই উপঢৌকন দিতে?*
*🙏মন্দিরের আঙ্গিনায় বসে আপন মনে রুইদাস কীর্তন করছেন।গানের সুরে সারামন্দির প্রাঙ্গণ এক অপরূপ ভাবের মূর্ছনা ছড়িয়ে পড়েছে।(বর্তমানে যারা কীর্তন করেন তাদের অনেকাংশের মধ্যে না আছে ভাব, না আছে প্রেমভক্তি),* *ভগবানের জন‍্য কীর্তন করব, ভগবানের জন‍্য পাগল হব, কয়জনের ভাবনা আছে? এই জন‍্যই তো জগতে এলাম,তোমার কৃপা পাব বলেই তো আমার হাসি-কান্না। তুমি ছাড়া আর কাকে ডাকব?তুমি ছাড়া আর কার জন‍্য কাঁদব? তোমার জন‍্য কেঁদে যে কী সুখ,যেদিন লোকে জানবে, তখন কেবল নিজেকে ধিক্কার দেবে,সময় থাকতে বুঝতে পারলাম না? ধীরে ধীরে দুই চারটে লোক এসে মন্দিরে রুইদাসের পাশে বসে তাঁর সঙ্গে কন্ঠ মেলায়।*
*🙏রঘুনাথ কান পেতে শুনছেন, এমন হৃদয় গলানোর সুর কে না শুনবে? গান শেষে রুইদাস "রঘুনাথ" বলে কেঁদে ওঠেন। রঘুনাথ বুঝি পাশের বাড়ির লোক,ডাক দিলেই চলে আসবেন?না ডাকলে কি কেউ আসে? না,আসে না।দরকার যার আছে সেই ডাকবে।* *(তাঁর সঙ্গে আমার বিশেষ দরকার,তাঁকে না পেলে আমার চলবে না, এই ভাব নিয়ে যে ডাকবে তিনি অবশ্যই তার ডাকে সাড়া দেবেন)।বার বার ডাকলে তিনি বিরক্ত হয়েও সামনে আসবেন।তাঁর বাড়ী আর আমার বাড়ী তো এক।একই বাড়ীর বাসিন্দা হতে পারলে আর ভাবনা কি,দরকার পড়লেই ডাক,নিশ্চয় তিনি আসবেন। দরকারটি কি? তাঁর অপার করুণা ভিক্ষা? বড় দরকার ঐটি,না হলে আমার চলবে না,এই ভাবের অভাব যার নেই সে অবশ্যই পাবে তার আরাধ‍্য দেবতাকে। মন্দিরের ভিতরে বসে বসে দেখছেন রঘুনাথজী, এজগতের সংসারের সব কিছুই তাঁর নখদর্পণে। হে দীনদয়াল!মানুষের মনে মনে তুমি বাসা বাঁধো, তাদের তুমি একলা ঘরে রেখ না,তোমার মায়ার তাড়নে বড় উত‍্যক্ত। তুমি তাদের সুখ শান্তিতে রাখ। হ‍্যাঁ,তোমাকে ভুলেই আজ যে অশান্তি ভোগ করছে তার নিরসন করো।তাদের জ্ঞানচক্ষু খুলে দিয়ে তোমার করে নাও রঘুনাথ?*
*🍀তারা তো তুমি ছাড়া নয়।🌻রামানন্দ স্বামী তীর্থের পর তীর্থ ভ্রমণ করে বেড়াচ্ছেন অপরাধের বোঝা মস্তকে নিয়ে।(ঐ যে বিনি অপরাধে রামদাসকে আশ্রম থেকে বাহির করে দিলাম বটে, কিন্তু নদীতে আত্মবিসর্জন করল,এই অপরাধ, এই চেতনা কে ফিরিয়েছিলেন, যাকে তিনি সুদব‍্যবসায়ীর স্ত্রী বলে জেনেছিলেন,তিনি পরম বৈষ্ণবী মা) যাইহোক, কখনও দ্বারকা,কখনও হরিদ্বার,কখনও বৃন্দাবন, তাঁর প্রিয় শিষ‍্য রামদাস কোথায় কোন মুচির ঘরে জন্ম নিয়েছেন তা তিনি বুঝতে পারছেন না।অনেকদিন পূর্বে কাশীতে একজনের সন্ধান পেয়ে গিয়েছিলেন, তাঁর উপস্থিতিতে শিশু দুগ্ধ পান করেছিল,তখনও রামানন্দ স্বামী বুঝতে পারেননি সেই-ই রামদাস।বহু তীর্থ ভ্রমণ করেও আর সন্ধান পাওয়া যাইনি। ভুলের প্রায়শ্চিত্ত তাঁকে যে করতেই হবে।রামানন্দ স্বামী পুনরায় কাশীতে এলেন, কাশীর বিভিন্ন স্থানে সন্ধান করছেন,পথে মুচি দেখলেই থামছেন,তার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকছেন কিন্তু সেই মুখ আর মিলছে না।অবশেষে সন্ধান পেলেন যে এক মুচি একটি মন্দির তৈরী করেছেন, এবং সেই মুচিই দেসেবা করেন।রামানন্দ স্বামী একপা দুইপা করতে করতে এলেন সেই মন্দিরে। রুইদাস কয়েকজন শিষ্য নিয়ে রঘুনাথের কথায় রত।রামানন্দ স্বামী মন্দির প্রাঙ্গণে দাঁড়ালেন, বয়স হয়েছে, জ্বরা এসে রামানন্দর দেহে আশ্রয় নিয়েছে, নানারকম ব‍্যাধিতে আক্রান্ত প্রায়। রুইদাস তাঁকে অভ‍্যর্থনা করে নিয়ে বসালেন মন্দিরের বারান্দায়।দুইজন দুইজনের মুখের দিকে চেয়ে রয়েছেন, রামানন্দ স্বামী বললেন,আমি যার সন্ধানে খুঁজে বেড়াচ্ছি তাকে পাই কোথায়? আমি আমার শিষ্য রামদাসকে খুঁজে বেড়াচ্ছি। রুইদাস বললেন, কেন,সে আপনার কি করেছে? সে এক মহা অপরাধ করেছিল যার জন‍্যে তাকে আমি অভিশাপ দিয়েছিলাম যে, সে যেন মুচির ঘরে জন্মাবে।সে মুচির ঘরেই জন্ম নিয়েছে এও বোধ করছি,কিন্তু সন্ধান পাচ্ছি না। আর একটি কথা,রামদাস আমার আশ্রমে থাকা কালীন মুষ্টি ভিক্ষা করত,একদিন যে কোন কারণেই একই জায়গা থেকে ভিক্ষা করায় তাকে শাপ দিয়েছিলাম, বলেছিলাম,ত্রিশ বছর বাদে শ্রীরামচন্দ্রের দর্শন পাবে,ত্রিশ বছর হয়ে গেছে তাই তার কথা ভাবছি। কিন্তু আপনি যাকে খুঁজছেন সে তো রামদাস আর আমি রুইদাস।একটু থেমে রুইদাস বললেন,আপনার শারীরিক অবস্থা খুব একটি ভাল দেখছি না, বর্তমানে আপনার দৈনন্দিন জীবন যাত্রা কি ধরনের? রামানন্দ বললেন,অহিতকর্মে আমার দিন কাটছে। অহিতকর্ম সে আবার কি? আপনাকে দখলে মনে হয় আপনি একজন শুদ্ধাচারী তাপস। আপনার পক্ষে কোন অহিতকর্ম করা সম্ভব নয়।*
*🙏বানান, ভুলভ্রান্তি ক্ষমা করবেন🙏*
                   ক্রমশ
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


৩০. পরম বৈষ্ণব রুইদাস ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/10/blog-post_39.html

✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
               ꧁ ৩০. পরম বৈষ্ণব রুইদাস 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
           ꧁পরম বৈষ্ণব রুইদাস 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*পরম বৈষ্ণব রুইদাস,(৩০ পর্ব)*
☘☘☘☘☘☘☘☘☘
*যা আমি চাই তাই পেলে আমি বুঝব আমার মানব জনম সার্থক হল।তেব লছমী! তোমার জীবনভোর কষ্টেই দিন কাটছে। তোমার জীবনকে আমার সঙ্গে জড়িয়ে তোমার দুঃখের শেষ থাকল না। লছমী!তবুও আমি বলছি তুমি রাজরাণীর চাইতেও সুখী।রঘুনাথ নিশ্চয়ই তোমার কথাও ভাববেন।তোমাকে তিনি ভুলে নেই গো লছমী? এই কথাগুলো শুনে লছমী চোখ দুটো বড় করে রুইদাসের দিকে তাকালেন। রুইদাস বললেন, লছমী!আমি যা বললাম এতটুকু মিথ‍্যে নেই।একমন হয়ে ডাক দিলে তিনি কি আর ফাঁকি দিতে পারেন? তিনি যে ভালবাসা পাবার কাঙ্গাল,দেবারও কাঙ্গাল।দিতে যে জানে,পেতেও সে জানে।পয়সা দিয়ে যা সওদা করা যায় না, রুইদাস ভক্তি দিয়ে তা সওদা করেছেন।তাই ছাতিমতলার সেই মুচি রুইদাস আজ মানুষের কাছে ভক্ত রুইদাস, গুরুদেব রুইদাস। হ‍্যাঁ,জুতো সেলাই করে যাঁর দিন কেটেছে, আজ সে তার ছেঁড়া ফাটা জীবনকে প্রেমভক্তির সূতো দিয়ে সারাই করে নতুন জীবন লাভ করেছেন।রুইদাস আজ ভগবানের দাস হয়েছেন। দাস হতে গেলে ভগবানের আবাসে বাসা নিতে হবে।সে বাসা নিতে হলে তাঁর মনের মত উপঢৌকন দিতে হবে।ক'জন পারে তা দিতে?ক'জন চেষ্টা করে সেই উপঢৌকন দিতে?*
*🙏মন্দিরের আঙ্গিনায় বসে আপন মনে রুইদাস কীর্তন করছেন।গানের সুরে সারামন্দির প্রাঙ্গণ এক অপরূপ ভাবের মূর্ছনা ছড়িয়ে পড়েছে।(বর্তমানে যারা কীর্তন করেন তাদের অনেকাংশের মধ্যে না আছে ভাব, না আছে প্রেমভক্তি),* *ভগবানের জন‍্য কীর্তন করব, ভগবানের জন‍্য পাগল হব, কয়জনের ভাবনা আছে? এই জন‍্যই তো জগতে এলাম,তোমার কৃপা পাব বলেই তো আমার হাসি-কান্না। তুমি ছাড়া আর কাকে ডাকব?তুমি ছাড়া আর কার জন‍্য কাঁদব? তোমার জন‍্য কেঁদে যে কী সুখ,যেদিন লোকে জানবে, তখন কেবল নিজেকে ধিক্কার দেবে,সময় থাকতে বুঝতে পারলাম না? ধীরে ধীরে দুই চারটে লোক এসে মন্দিরে রুইদাসের পাশে বসে তাঁর সঙ্গে কন্ঠ মেলায়।*
*🙏রঘুনাথ কান পেতে শুনছেন, এমন হৃদয় গলানোর সুর কে না শুনবে? গান শেষে রুইদাস "রঘুনাথ" বলে কেঁদে ওঠেন। রঘুনাথ বুঝি পাশের বাড়ির লোক,ডাক দিলেই চলে আসবেন?না ডাকলে কি কেউ আসে? না,আসে না।দরকার যার আছে সেই ডাকবে।* *(তাঁর সঙ্গে আমার বিশেষ দরকার,তাঁকে না পেলে আমার চলবে না, এই ভাব নিয়ে যে ডাকবে তিনি অবশ্যই তার ডাকে সাড়া দেবেন)।বার বার ডাকলে তিনি বিরক্ত হয়েও সামনে আসবেন।তাঁর বাড়ী আর আমার বাড়ী তো এক।একই বাড়ীর বাসিন্দা হতে পারলে আর ভাবনা কি,দরকার পড়লেই ডাক,নিশ্চয় তিনি আসবেন। দরকারটি কি? তাঁর অপার করুণা ভিক্ষা? বড় দরকার ঐটি,না হলে আমার চলবে না,এই ভাবের অভাব যার নেই সে অবশ্যই পাবে তার আরাধ‍্য দেবতাকে। মন্দিরের ভিতরে বসে বসে দেখছেন রঘুনাথজী, এজগতের সংসারের সব কিছুই তাঁর নখদর্পণে। হে দীনদয়াল!মানুষের মনে মনে তুমি বাসা বাঁধো, তাদের তুমি একলা ঘরে রেখ না,তোমার মায়ার তাড়নে বড় উত‍্যক্ত। তুমি তাদের সুখ শান্তিতে রাখ। হ‍্যাঁ,তোমাকে ভুলেই আজ যে অশান্তি ভোগ করছে তার নিরসন করো।তাদের জ্ঞানচক্ষু খুলে দিয়ে তোমার করে নাও রঘুনাথ?*
*🍀তারা তো তুমি ছাড়া নয়।🌻রামানন্দ স্বামী তীর্থের পর তীর্থ ভ্রমণ করে বেড়াচ্ছেন অপরাধের বোঝা মস্তকে নিয়ে।(ঐ যে বিনি অপরাধে রামদাসকে আশ্রম থেকে বাহির করে দিলাম বটে, কিন্তু নদীতে আত্মবিসর্জন করল,এই অপরাধ, এই চেতনা কে ফিরিয়েছিলেন, যাকে তিনি সুদব‍্যবসায়ীর স্ত্রী বলে জেনেছিলেন,তিনি পরম বৈষ্ণবী মা) যাইহোক, কখনও দ্বারকা,কখনও হরিদ্বার,কখনও বৃন্দাবন, তাঁর প্রিয় শিষ‍্য রামদাস কোথায় কোন মুচির ঘরে জন্ম নিয়েছেন তা তিনি বুঝতে পারছেন না।অনেকদিন পূর্বে কাশীতে একজনের সন্ধান পেয়ে গিয়েছিলেন, তাঁর উপস্থিতিতে শিশু দুগ্ধ পান করেছিল,তখনও রামানন্দ স্বামী বুঝতে পারেননি সেই-ই রামদাস।বহু তীর্থ ভ্রমণ করেও আর সন্ধান পাওয়া যাইনি। ভুলের প্রায়শ্চিত্ত তাঁকে যে করতেই হবে।রামানন্দ স্বামী পুনরায় কাশীতে এলেন, কাশীর বিভিন্ন স্থানে সন্ধান করছেন,পথে মুচি দেখলেই থামছেন,তার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকছেন কিন্তু সেই মুখ আর মিলছে না।অবশেষে সন্ধান পেলেন যে এক মুচি একটি মন্দির তৈরী করেছেন, এবং সেই মুচিই দেসেবা করেন।রামানন্দ স্বামী একপা দুইপা করতে করতে এলেন সেই মন্দিরে। রুইদাস কয়েকজন শিষ্য নিয়ে রঘুনাথের কথায় রত।রামানন্দ স্বামী মন্দির প্রাঙ্গণে দাঁড়ালেন, বয়স হয়েছে, জ্বরা এসে রামানন্দর দেহে আশ্রয় নিয়েছে, নানারকম ব‍্যাধিতে আক্রান্ত প্রায়। রুইদাস তাঁকে অভ‍্যর্থনা করে নিয়ে বসালেন মন্দিরের বারান্দায়।দুইজন দুইজনের মুখের দিকে চেয়ে রয়েছেন, রামানন্দ স্বামী বললেন,আমি যার সন্ধানে খুঁজে বেড়াচ্ছি তাকে পাই কোথায়? আমি আমার শিষ্য রামদাসকে খুঁজে বেড়াচ্ছি। রুইদাস বললেন, কেন,সে আপনার কি করেছে? সে এক মহা অপরাধ করেছিল যার জন‍্যে তাকে আমি অভিশাপ দিয়েছিলাম যে, সে যেন মুচির ঘরে জন্মাবে।সে মুচির ঘরেই জন্ম নিয়েছে এও বোধ করছি,কিন্তু সন্ধান পাচ্ছি না। আর একটি কথা,রামদাস আমার আশ্রমে থাকা কালীন মুষ্টি ভিক্ষা করত,একদিন যে কোন কারণেই একই জায়গা থেকে ভিক্ষা করায় তাকে শাপ দিয়েছিলাম, বলেছিলাম,ত্রিশ বছর বাদে শ্রীরামচন্দ্রের দর্শন পাবে,ত্রিশ বছর হয়ে গেছে তাই তার কথা ভাবছি। কিন্তু আপনি যাকে খুঁজছেন সে তো রামদাস আর আমি রুইদাস।একটু থেমে রুইদাস বললেন,আপনার শারীরিক অবস্থা খুব একটি ভাল দেখছি না, বর্তমানে আপনার দৈনন্দিন জীবন যাত্রা কি ধরনের? রামানন্দ বললেন,অহিতকর্মে আমার দিন কাটছে। অহিতকর্ম সে আবার কি? আপনাকে দখলে মনে হয় আপনি একজন শুদ্ধাচারী তাপস। আপনার পক্ষে কোন অহিতকর্ম করা সম্ভব নয়।*
*🙏বানান, ভুলভ্রান্তি ক্ষমা করবেন🙏*
                   ক্রমশ
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


শ্রীশ্রীগোপীনাথ জীউ শ্রীমন্দির 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/10/httpmrinmoynandy.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
            ꧁ শ্রীশ্রীগোপীনাথ জীউ শ্রীমন্দির 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
         ꧁ 👇 শ্রীধাম বৃন্দাবন  🙏 সূচীপত্র👇 ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
শ্রীল মধুপণ্ডিত গোস্বামীপাদের ভজন এবং প্রেমে প্রসন্ন হয়ে স্বয়ং গোলক বিহারী ভগবান শ্রীকৃষ্ণচন্দ্র বৃন্দাবনস্থ বংশীবটের নীচে অর্থাৎ তত্রস্থ মাটির ভিতর "শ্রীশ্রীগোপীনাথ জীউ" রুপে প্রকটিত হইয়াছেন । শ্রীযমুনার উপতটস্থ মনোহারী বংশী বটের তটে দয়ার সাগর গোপীনাথ মধুপণ্ডিত কর্ত্তৃক প্রকটিত হইয়াছেন। কিছুকাল পরে কালাপাহাড়ের উৎপাত আশঙ্কায় শ্রীবিগ্রহ জয়পুরে স্থানান্তরিত হওয়ার কালে বৃন্দাবনের বিভিন্ন স্থানে নব শ্রীবিগ্রহ স্থাপন হইয়া অদ্যাবধি প্রেমের সহিত সেবা-পুজা এতকাল ধরে হয়ে আসিতেছে। 
শ্রীমন্ নিত্যানন্দ প্রভুর অপ্রকটের পর শ্রীজাহ্নবা মাতা বৃন্দাবনে উদ্দেশ্যে আগমনের সময় শ্রীরমাই ঠাকুর এবং সকল ভক্তসনে কাম্যবন দর্শন করেছিলেন । তাহাদের সহিত দ্বাদশ গোপালের এক গোপাল শ্রীপরমেশ্বর দাস তিনিও ছিলেন, তিনি নিত্যানন্দ শাখা । তিনিও শ্রীজাহ্নবা মাতা ঠাকুরানীর সহিত বৃন্দাবন গমন করিয়াছিলেন। তথায় তিনি শ্রীগোপীনাথের দক্ষিণ পার্শ্বে শ্রীজাহ্নবা মাতাকে এবং শ্রীজাহ্নবা মাতা কর্ত্তৃক প্রেরিত রাধারানীকে শ্রীগোপীনাথের বাম পার্শ্বে দর্শন করিয়াছিলেন। সেই সময় হইতে গোপীনাথের দক্ষিণ পার্শ্বে শ্রীজাহ্নবা মাতার শ্রীবিগ্রহ স্থাপন করিয়া সেবা-পূজা এতকাল ধরে সকল ভক্তকে আনন্দ প্রদান করে চলেছে।          
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧





শ্রীশ্রীগোপীনাথ জীউ শ্রীমন্দির 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/10/httpmrinmoynandy.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
            ꧁ শ্রীশ্রীগোপীনাথ জীউ শ্রীমন্দির 
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
         ꧁ 👇 শ্রীধাম বৃন্দাবন  🙏 সূচীপত্র👇 ꧂
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧ 
শ্রীল মধুপণ্ডিত গোস্বামীপাদের ভজন এবং প্রেমে প্রসন্ন হয়ে স্বয়ং গোলক বিহারী ভগবান শ্রীকৃষ্ণচন্দ্র বৃন্দাবনস্থ বংশীবটের নীচে অর্থাৎ তত্রস্থ মাটির ভিতর "শ্রীশ্রীগোপীনাথ জীউ" রুপে প্রকটিত হইয়াছেন । শ্রীযমুনার উপতটস্থ মনোহারী বংশী বটের তটে দয়ার সাগর গোপীনাথ মধুপণ্ডিত কর্ত্তৃক প্রকটিত হইয়াছেন। কিছুকাল পরে কালাপাহাড়ের উৎপাত আশঙ্কায় শ্রীবিগ্রহ জয়পুরে স্থানান্তরিত হওয়ার কালে বৃন্দাবনের বিভিন্ন স্থানে নব শ্রীবিগ্রহ স্থাপন হইয়া অদ্যাবধি প্রেমের সহিত সেবা-পুজা এতকাল ধরে হয়ে আসিতেছে। 
শ্রীমন্ নিত্যানন্দ প্রভুর অপ্রকটের পর শ্রীজাহ্নবা মাতা বৃন্দাবনে উদ্দেশ্যে আগমনের সময় শ্রীরমাই ঠাকুর এবং সকল ভক্তসনে কাম্যবন দর্শন করেছিলেন । তাহাদের সহিত দ্বাদশ গোপালের এক গোপাল শ্রীপরমেশ্বর দাস তিনিও ছিলেন, তিনি নিত্যানন্দ শাখা । তিনিও শ্রীজাহ্নবা মাতা ঠাকুরানীর সহিত বৃন্দাবন গমন করিয়াছিলেন। তথায় তিনি শ্রীগোপীনাথের দক্ষিণ পার্শ্বে শ্রীজাহ্নবা মাতাকে এবং শ্রীজাহ্নবা মাতা কর্ত্তৃক প্রেরিত রাধারানীকে শ্রীগোপীনাথের বাম পার্শ্বে দর্শন করিয়াছিলেন। সেই সময় হইতে গোপীনাথের দক্ষিণ পার্শ্বে শ্রীজাহ্নবা মাতার শ্রীবিগ্রহ স্থাপন করিয়া সেবা-পূজা এতকাল ধরে সকল ভক্তকে আনন্দ প্রদান করে চলেছে।          
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
👇👇👇এই লিখনী 📚 PDF 📚 ক্লিক করুন 👇👇👇
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧





adds