শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

৯৭. শ্রীরামচন্দ্রের স্বদেশ যাত্রা ❇️ কৃত্তিবাসী রামায়ণ কথন সংক্ষেপে ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/blog-post_62.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     ꧁ ৯৭. কৃত্তিবাসী রামায়ণ কথন সংক্ষেপে 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ কৃত্তিবাসী রামায়ণ কথন সংক্ষেপে 🙏 সূচীপত্র ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*৯৭ কৃত্তিবাসী রামায়ণ সংক্ষেপে*
<><><><><><><><><><><><><>
*🍀শ্রীরামচন্দ্রের স্বদেশ যাত্রা 🍀*
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*🌻বিভীষণ শ্রীরামচন্দ্রের প্রতি একটি অনুরোধ করলেন রামচন্দ্র বললেন বল মিতা কি তোমার ইচ্ছে? তখন বিভীষণ বললেন,বহুদিন ধরে আপনার সৈন‍্যগণ কঠোর পরিশ্রম করেছে, তারা ঠিকমত হয়ত খাবার খেতে পারেনি,যদি তাদের ইচ্ছে মত খাবারের ব‍্যবস্থা করে ভোজন করান হলে আমিও খুব সুখ পেতাম।*
*🍀শ্রীরাম বলেন প্রীত হইনু তোমারে।*
*🍀বিলম্ব না কর তুমি আমা রাখিবারে।।*
*🍀আহার না কোরে যারা মরণ না গণে।*
*হেন বানরের প্রীতি ভালোবাসা মনে।।*
*🍀সুগন্ধি চন্দন বানরে দেহ দান।*
*🍀ভুঞ্জাইয়া নানা ভোগ করহ সম্মান।।*
*🌻শ্রীরামের আজ্ঞা পেয়ে বানরগণকে স্নান করালেন,স্বর্ণ খাটে অতি সমাদরে বসালেন, যখন বানরগণ স্বণখাটে বসে সুখ ভোগ করছে,সেইসময় দেব দানবের কন‍্যা গন্ধর্ব রূপসী দেখে বানরগণের আর আনন্দ ধরে না।*
*🍀কঙ্কণ ঝঙ্কার আর গায়ের সুগন্ধ।*
*🍀পাইয়া বানরগণ সকলে সানন্দ।।*
*🌻তাদের সেবার ব‍্যবস্থা হল, ভোজন করতে বসে কি আনন্দ কি আনন্দ তা বলে বোঝানো যাবে না,বর্ণনাতীত। ভোজনের পরে সোনার  ডাবরে আচমন করল, রত্ন বাটায় তাম্বুল দেওয়া হল,যে সোনারখাটে বসেছিল সুন্দরী কন‍্যাগণ পদসেবা করতে লাগল।তারপর বিভীষণ পুন বললেন,প্রভু!আর মাসকয়েক লঙ্কায় থেকে যাও,তারপর নহে যেও?শ্রীরাম বললেন না,আর বিলম্ব করা যাবে না, অযোধ‍্যায় আমাদের জন্য তাঁরা দিন গুণছেন। পরে রামচন্দ্র এও বলেছিলেন যে,রাবণের দশহাজার রাণী বিধবা হয়ে আছে, তাদের--*
*🍀শ্রীরাম বলেন শুন মিত্র বিভীষণ।*
*🍀কন‍্যাদান দিয়া তুমি তোষ কপিগণ।।*
*🍀বানরের প্রসাদে লঙ্কায় হ'লে রাজা।*
*🍀ভালমতে কর তুমি বানরের পূজা।।*
*🌻শ্রীরামচন্দ্রের কথা মথা নত করে মেনে নিলেন, বানরগণকে নানা রত্ন দিল,বানরের বয়স অনুযায়ী সেই সেই কন‍্যাদের সঙ্গে দশ দশ নারী পেয়ে খুবই খুশী হল।*
*🍀অন‍্য দানে নাহি মানে আনন্দ তেমন।*
*🍀কন‍্যাদানে যেমন হরিষ কপিগণ।।*
*একেক বানরে পাইল দশ দশ নারী।*
*🍀নিবেদন করে প্রভু দেশে যাত্রা করি।।*
*🌻🌻🌻স্বদেশ যাত্রা🌻🌻🌻*
*🌹বানরগণদের সন্তুষ্ট করে,তারপর দেবগণ পুষ্পক-রথ প্রেরণ করলেন, সেই রথে শ্রীরাম,জানকীদেবী ও লক্ষ্মণকে নিয়ে অযোধ‍্যায় যেতে উদ‍্যত হয়ে রাক্ষস ও বানরগণকে বিদায় দান করলেন।বিদায় দান কালে শ্রীরাচন্দ্রের নয়ন থেকে বারিধারা পড়তে লাগল।* *কিন্তু রাক্ষসগণ ও বানরগণ তাঁদের বিদায় দিতৈ চাইলেন না।তাঁরা তাঁদের সঙ্গে অযোধ‍্যায়*  *যাবার ইচ্ছে প্রকাশ করল।শ্রীরাম বাধ‍্য হয়ে রাজী হলেন এবং তাঁরা মহানন্দে উল্লসিত হয়ে রথের উপরে উঠিল।সকলে মিলে* *অযোধ‍্যা যাত্রা আরম্ভ হল।রাম-লক্ষ্মণের আদেশ*
*ক্রমে বানরগণ দ্বারা নির্মিত সেতুটি ভেঙ্গে দিয়ে গেলেন।যাত্রাপথে শ্রীরামের  শিব পূজো করবার ইচ্ছে করলেন,বললেন শিব পূজো করে দেশে যাত্রা করব।লক্ষ্মণ বালির শিব গঠন করলেন,হনুমান কুসুম,চন্দন সমস্ত কিছু নিয়ে এলেন।সীতাদেবী স্নান করে এলেন।জাঙ্গালের উপর পূজা করতে লাগলেন,* 
*🍀জাঙ্গালের উপরে শিব স্থাপিলেন রাম।*
*🍀তেকারণে সেতুবন্ধ রামেশ্বর নাম।।*
*🌻শিব পূজো করে পুন রথে চড়লেন।পথে চলতে চলতে অতীতের বহু বহু বলতে লাগলেন।(পথে চলতে চলতে বহু বহু ঘটনা আছে,সমস্ত লেখা সম্ভব নহে,অতি সংক্ষেপে লিখিলাম।)তারপর সকলেই অযোধ‍্যায় এসে উপস্থিত হলেন*
*🙏বানান ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
              *ক্রমাগত*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧


৬৩. রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/blog-post_81.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
            ꧁ ৬৩. রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস  
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
       ꧁ রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস 🙏 সূচীপত্র ꧂
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/11/blog-post_66.html   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*৬৩ তুলসীদাস রামায়ণ*
*🌻🌻অযোধ‍্যাকান্ড🌻🌻*
~~~~~~~~~~~~~~~~
*🌻শ্রীরামচন্দ্র বিয়ে করে অযোধ‍্যায় ফিরে আসবার পর হতেই তথায় মঙ্গলোৎসব হতে থাকল,চতুর্দিকে উৎসবের বাদ‍্য শোনা যেতে লাগল।যেন চতুর্দশ ভুবনসম পর্বতমালায় পুণ‍্যরূপ মেঘ অনবরত সুখরূপ বারিবর্ষণ করছে।ঋদ্ধি-সিদ্ধি ও সম্পদরূপ পরম সুখ ও শান্তি প্রদানকারী নদীসমূহ যেন অযোধ‍্যারূপ সমুদ্রে এসে মিলিত হতে লাগল।নগরের অনুপম সৌন্দর্যের যেন বর্ণনা হয় না।সর্বত্র ঐশ্বর্যের প্রাচুর্য‍্য চোখে পড়ছিল।মনে হচ্ছিল যেন বিধাতার সৃষ্টি অযোধ‍্যাতেই উৎকর্ষের শীর্ষে উপনীত হয়েছে।নগরবাসীগণ রামচন্দ্রের বদনকমল দর্শন করে অত‍্যন্ত সুখানুভূতিতে মগ্ন থাকত।জননী ও তাঁদের সখী-সহচরীগণ তাঁদের মনোবাঞ্জা তরুকে পল্লবিত হতে দেখে আনন্দে মগ্ন হয়ে ছিলেন।রামচন্দ্রের রূপ,গুণ, শালীনতা ও স্বভাব রাজা দশরথকে আনন্দ প্রদান করছিল।সকলের মনে তীব্র বাসনা ছিল যেন মহারাজ দশরথ জীবদ্দশাতেই শ্রীরামচন্দ্রকে যুবরাজরূপে অভিষিক্ত করে যান।তারা এই উদ্দেশ্যে মহাদেবের কাছে সতত প্রার্থনা নিবেদন করত।একদা রঘুকুলরাজ দশরথ পাত্রমিত্র পরিবৃত  হয়ে রাজসভায় বিরাজমান ছিলেন।সকল পুণ‍্যের মূর্তবিগ্রহ শ্রীমহারাজ স্বয়ং।সর্বমঙ্গলময় রামচন্দ্র যাঁর সন্তান তাঁর (সেই চক্রবর্তী সম্রাট দশরথ) সম্বন্ধে যা কিছুই বলা হোক না কেন,তা কম হবে।একদিন রাজা সহসা আপন মনে দর্পণ হাতে নিয়ে নিজ মস্তকের কিরীট ঠিক করলেন। (হঠাৎ দর্পণে তাঁর দৃষ্টি গেল )কানের পাশের কেশে শুভ্রবর্ণ হয়ে গিয়েছে।সামান‍্য ঘটনা যেন তাঁকে উপদেশ দান করল-- হে রাজা!তোমার বার্ধক‍্যকাল উপস্থিত হয়েছে,এবার রামচন্দ্রের যুবরাজ পদে অভিষিক্ত করে জন্ম ও জীবন সার্থক করো।মনে এই চিন্তা করে তিনি (রামচন্দ্রকে যুবরাজ পদে অভিষিক্ত করবার জন্য )পুলকিত হৃদয়ে এক শুভ দিন-ক্ষণে সানন্দে তা গুরু বশিষ্ঠদেবের নিটে নিবেদন করলেন।রাজা বললেন-- হে মুনিবর! (কৃপা করে আমার নিবেদন )শুনুন!রামচন্দ্র এখন সব দিক থেকে সুযোগ‍্য  হয়ে উঠেছে।সেবক,মন্ত্রী জনগণ আর শত্রু-মিত্র নির্বিশেষে সকলেই যেমন আমাকে ভালবাসে,রামচন্দ্রকেও একইরকম ভালবাসে।আপনার আশীর্বাদ যেন মূর্তবিগ্রহরূপে রামচন্দ্রে শোভায়মান হয়ে আছে। ব্রাহ্মণগণ আপনার মতনই সপরিবারে তার উপর স্টেহ বর্ষণ করে থাকেন।শ্রীগুরুপদরজ মস্তকে ধারণ করলে জগতের সকল ঐশ্বর্যই আয়ত্ব হয়ে থাকে।একথা আমি যতটা অনুভব করেছি অতটা বোধহয় অন‍্য কেউ করেননি। আপনার পবিত্র পদরজের প্রভাবেই তো আমার সবকিছু লাভ করা সম্ভব হয়েছে।এখন আমার মনে একটি মাত্র অভিলাষ বর্তমান।হে নাথ!তা কেবল আপনার কৃপাতেই পূর্ণ হওয়া সম্ভব।রাজাকে সহজ সরল স্নেহভাবযুক্ত দেখে মুনিবর প্রসন্ন হয়ে বললেন,হে নরেশ!বেশ!বলুন,বলুন কি অভিলাষ?*
*🙏বানান ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
                *ক্রমাগত*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



৬৩. রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/blog-post_81.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
            ꧁ ৬৩. রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস  
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
       ꧁ রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস 🙏 সূচীপত্র ꧂
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/11/blog-post_66.html   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*৬৩ তুলসীদাস রামায়ণ*
*🌻🌻অযোধ‍্যাকান্ড🌻🌻*
~~~~~~~~~~~~~~~~
*🌻শ্রীরামচন্দ্র বিয়ে করে অযোধ‍্যায় ফিরে আসবার পর হতেই তথায় মঙ্গলোৎসব হতে থাকল,চতুর্দিকে উৎসবের বাদ‍্য শোনা যেতে লাগল।যেন চতুর্দশ ভুবনসম পর্বতমালায় পুণ‍্যরূপ মেঘ অনবরত সুখরূপ বারিবর্ষণ করছে।ঋদ্ধি-সিদ্ধি ও সম্পদরূপ পরম সুখ ও শান্তি প্রদানকারী নদীসমূহ যেন অযোধ‍্যারূপ সমুদ্রে এসে মিলিত হতে লাগল।নগরের অনুপম সৌন্দর্যের যেন বর্ণনা হয় না।সর্বত্র ঐশ্বর্যের প্রাচুর্য‍্য চোখে পড়ছিল।মনে হচ্ছিল যেন বিধাতার সৃষ্টি অযোধ‍্যাতেই উৎকর্ষের শীর্ষে উপনীত হয়েছে।নগরবাসীগণ রামচন্দ্রের বদনকমল দর্শন করে অত‍্যন্ত সুখানুভূতিতে মগ্ন থাকত।জননী ও তাঁদের সখী-সহচরীগণ তাঁদের মনোবাঞ্জা তরুকে পল্লবিত হতে দেখে আনন্দে মগ্ন হয়ে ছিলেন।রামচন্দ্রের রূপ,গুণ, শালীনতা ও স্বভাব রাজা দশরথকে আনন্দ প্রদান করছিল।সকলের মনে তীব্র বাসনা ছিল যেন মহারাজ দশরথ জীবদ্দশাতেই শ্রীরামচন্দ্রকে যুবরাজরূপে অভিষিক্ত করে যান।তারা এই উদ্দেশ্যে মহাদেবের কাছে সতত প্রার্থনা নিবেদন করত।একদা রঘুকুলরাজ দশরথ পাত্রমিত্র পরিবৃত  হয়ে রাজসভায় বিরাজমান ছিলেন।সকল পুণ‍্যের মূর্তবিগ্রহ শ্রীমহারাজ স্বয়ং।সর্বমঙ্গলময় রামচন্দ্র যাঁর সন্তান তাঁর (সেই চক্রবর্তী সম্রাট দশরথ) সম্বন্ধে যা কিছুই বলা হোক না কেন,তা কম হবে।একদিন রাজা সহসা আপন মনে দর্পণ হাতে নিয়ে নিজ মস্তকের কিরীট ঠিক করলেন। (হঠাৎ দর্পণে তাঁর দৃষ্টি গেল )কানের পাশের কেশে শুভ্রবর্ণ হয়ে গিয়েছে।সামান‍্য ঘটনা যেন তাঁকে উপদেশ দান করল-- হে রাজা!তোমার বার্ধক‍্যকাল উপস্থিত হয়েছে,এবার রামচন্দ্রের যুবরাজ পদে অভিষিক্ত করে জন্ম ও জীবন সার্থক করো।মনে এই চিন্তা করে তিনি (রামচন্দ্রকে যুবরাজ পদে অভিষিক্ত করবার জন্য )পুলকিত হৃদয়ে এক শুভ দিন-ক্ষণে সানন্দে তা গুরু বশিষ্ঠদেবের নিটে নিবেদন করলেন।রাজা বললেন-- হে মুনিবর! (কৃপা করে আমার নিবেদন )শুনুন!রামচন্দ্র এখন সব দিক থেকে সুযোগ‍্য  হয়ে উঠেছে।সেবক,মন্ত্রী জনগণ আর শত্রু-মিত্র নির্বিশেষে সকলেই যেমন আমাকে ভালবাসে,রামচন্দ্রকেও একইরকম ভালবাসে।আপনার আশীর্বাদ যেন মূর্তবিগ্রহরূপে রামচন্দ্রে শোভায়মান হয়ে আছে। ব্রাহ্মণগণ আপনার মতনই সপরিবারে তার উপর স্টেহ বর্ষণ করে থাকেন।শ্রীগুরুপদরজ মস্তকে ধারণ করলে জগতের সকল ঐশ্বর্যই আয়ত্ব হয়ে থাকে।একথা আমি যতটা অনুভব করেছি অতটা বোধহয় অন‍্য কেউ করেননি। আপনার পবিত্র পদরজের প্রভাবেই তো আমার সবকিছু লাভ করা সম্ভব হয়েছে।এখন আমার মনে একটি মাত্র অভিলাষ বর্তমান।হে নাথ!তা কেবল আপনার কৃপাতেই পূর্ণ হওয়া সম্ভব।রাজাকে সহজ সরল স্নেহভাবযুক্ত দেখে মুনিবর প্রসন্ন হয়ে বললেন,হে নরেশ!বেশ!বলুন,বলুন কি অভিলাষ?*
*🙏বানান ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
                *ক্রমাগত*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



৬১. রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/blog-post_13.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
            ꧁ ৬১. রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস  
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
       ꧁ রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস 🙏 সূচীপত্র ꧂
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/11/blog-post_66.html   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*৬১ তুলসীদাস রামায়ণ*
~~~~~~~~~~~~~~~
*🌻নববধূদের নিয়ে রাজকুমারগণ আর রাজমহিষীদের নিয়ে স্বয়ং মহারাজ দশরথ গুদেবের কাছে নিয়ে এলেন এবং সকলে শ্রীগুরুদেবের শ্রীপাদপদ্মে প্রণাম নিবেদন করলেন। শ্রেষ্ঠ মুনিবরও তাঁদের আশীর্বাদ দিলেন।মহারাজ দশরথ আনন্দচিত্তে পুত্রসকল ও সকল ধনসম্পদ গুরুদেবের সামনে রেখে গ্রহণ করবার জন্য অনুনয়-বিনয় করলেন। মুনিবর কেবল পুরোহিতের স্বল্প দক্ষিণা গ্রহণ করে সবাইকে আশীর্বাদ  দিলেন।অতঃপর শ্রীসীতারামকে হৃদয় মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত করে গুরু বশিষ্ঠদেব প্রসন্নচিত্তে নিজ গৃহ অভিমুখে গমন করলেন।তারপর ব্রাহ্মণ ভার্য‍্যাদের ডাক পড়ল।মহারাজ তাঁদেরও বস্ত্রালঙ্কার দান করে সন্তুষ্ট করলেন।অতঃপর নগরের সকল সৌভাগ্যবতী রমণীদের ডেকে তাদের পছন্দ মতো বস্ত্রালঙ্কার দান করে সন্তুষ্ট করলেন।মহারাজ এবার প্রিয় ও পূজনীয় অতিথি অভ‍্যাগতদের যথাযোগ্য সম্মান দিলেন।দেবতাগণ শ্রীরঘুনাথের বিবাহ উৎসবের ভূয়সী প্রশংসা করে পুষ্পবৃষ্টি করতে করতে নিজ নিজ লোকে গমন করলেন।মহারাজ অতিথি সৎকার কর্ম কার্য‍্য সম্পাদন করে মনের আনন্দে পরিপূর্ণ  হয়ে গেল।মহারাজ অন্দরমহলে গিয়ে পুত্রদের কাছে টেনে আলিঙ্গন করলেন।নববধূগণও মহারাজের অপত‍্যস্নেহ থেকে বঞ্চিত হলেন না।মহারাজ,পুত্র ও নবপুত্রবধূদের যেন চাঁদের হাট বসেছিল।তারপর মহারাজ মনের আনন্দে ব্রাহ্মণ,গুরুদেব ও আত্মীয়স্বজনদের নিয়ে একত্রে ভোজন করতে বসলেন।এই আনন্দময় পরিবেশে কখন যে রাত্রির পঞ্চম দন্ড কেটে গেল কিছুই বুঝা গেল না।পরে সকলে নিজ নিজ কক্ষে প্রবেশ করলেন।*
*🌻প্রভাতে নিদ্রা হতে উঠে গুরুজনদের প্রণাম করে অতীতের কিছু কথোপকথন বলতে লাগলেন। মহারাজের অনুমতি নিয়ে সকলে বসলেন,তারপর পর গুরু বশিষ্ঠদেব ও মহামুনি বিশ্বামিত্র এলেন।মহারাজ তাঁদের সুন্দর আসন প্রদান করলেন।গুরুগণদের প্রণাম করলেন।গুরু বশিষ্ঠদেব শাস্ত্রপাঠ শুরু করলেন। মহারাজ দশরথ তাঁর রাজমহিষীদের সঙ্গে সেই ধর্মালোচনা শ্রবণ করলেন।*
*🙏বানান ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
               *ক্রমাগত*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



৬২. রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📝 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/blog-post_38.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
            ꧁ ৬২. রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস  
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
       ꧁ রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস 🙏 সূচীপত্র ꧂
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/11/blog-post_66.html   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*৬২ তুলসীদাস রামায়ণ*
!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
*🌻এইবার গুরুদেব বশিষ্ঠদেব মহামুনি বিশ্বামিত্রের সেই অক্ষয় কীর্তিসকল বলতে থাকলেন যা মুনিমনেরও অগম‍্য।তিনি বললেন,যা শুনলে সবই সত‍্য।মঙ্গলময় আনন্দোৎসব নিত‍্য হতে লাগল।অযোধ‍্যানগরে কেবল আনন্দ আর আনন্দেই পরিপূর্ণ।বিশ্বামিত্রমুনি বহুদিন অযোধ‍্যায় থাকবার পর মহারাজ দশরথের কাছে ও রামচন্দ্রের কাছে বিদায় নেবার জন্য বললে,রামচন্দ্রের প্রীতি ও বিনয় তাঁকে আটকে রেখেছিল। কিছুদিন থাকবার পরে পুন বিদায় নেবার জন্য দশরথের নিকট গেলেন, মহারাজ দশরথ প্রেমপ্রীতি পূর্ণ হয়ে পুত্রদের সঙ্গে নিয়ে মুনিবরের সামনে দাঁড়ালেন,আর বললেন,হে নাথ!অযোধ‍্যায় যা কিছু দেখছেন সবই আপনার,আমি সপরিবারে আপনার সেবক মাত্র।হে মুনিবর!আমার পরিবারের প্রতি কৃপা অবিচল রাখবেন আর আমাকেও মাঝে মাঝে দর্শন দিতে বঞ্চিত করবেন না। এইকথা বলে সপরিবারে মুনির চরণে প্রণাম করলেন।অতঃপর ব্রাহ্মণ বিশ্বামিত্র সকলকে আশীর্বাদ দিয়ে নিজ স্থানে গমন করলেন।পরমপ্রীতি সহকারে ভাইদের সঙ্গে নিয়ে রামচন্দ্র মুনিবর বিশ্বামিত্রকে আশ্রমে পৌঁছে মুনিবরের অনুমতি নিয়ে ফিরে এলেন। পরমানন্দে গাধিকুলচন্দ্র বিশ্বামিত্র ফিরে গেছেন।পথে তিনি রামচন্দ্রের স্বরূপ,মহারাজ দশরথের ভক্তি,চারভাইয়ের ও জনগণের বিপুল উচ্ছাস ও আনন্দের কথা স্মরণ করতে করতে প্রস্থান করলেন।রঘুকুলগুরু জ্ঞানী বশিষ্ঠদেব তখন সবিস্তারে মুনিবর বিশ্বামিত্রের প্রশংসা করতে থাকলেন।রামচন্দ্রের অযোধ‍্যায় ফিরে আসবার পর হতে যেন অযোধ‍্যা আনন্দের বাসস্থান হয়ে উঠেছিল।*
*🌻শ্রীসীতারামের মহিমা সংকীর্তন পরম মঙ্গলময় ও কবিকুলের জীবনকে নির্মলতা প্রদান করে।তাই নিজ বাণীকে নির্মলতা প্রদানের আশায় কবি তা যৎকিঞ্চিৎ সংকীর্তন করবার প্রয়াস করলেন।*
*🌻পরম ভক্তি সহকারে সীতাদেবী ও রঘুনাথের বিবিহ বৃত্তান্ত যাঁরা সংকীর্তন করবেন বা শ্রবণ করবেন,তাঁরা আনন্দময় হয়ে উঠবেন, কারণ শ্রীরামচন্দ্রের গৌরবগাথা পরম কল‍্যাণকর।*
*🙏বানান ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
                 *ক্রমাগত*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



৬২. রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/blog-post_38.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
            ꧁ ৬২. রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস  
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
       ꧁ রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস 🙏 সূচীপত্র ꧂
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/11/blog-post_66.html   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*৬২ তুলসীদাস রামায়ণ*
!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
*🌻এইবার গুরুদেব বশিষ্ঠদেব মহামুনি বিশ্বামিত্রের সেই অক্ষয় কীর্তিসকল বলতে থাকলেন যা মুনিমনেরও অগম‍্য।তিনি বললেন,যা শুনলে সবই সত‍্য।মঙ্গলময় আনন্দোৎসব নিত‍্য হতে লাগল।অযোধ‍্যানগরে কেবল আনন্দ আর আনন্দেই পরিপূর্ণ।বিশ্বামিত্রমুনি বহুদিন অযোধ‍্যায় থাকবার পর মহারাজ দশরথের কাছে ও রামচন্দ্রের কাছে বিদায় নেবার জন্য বললে,রামচন্দ্রের প্রীতি ও বিনয় তাঁকে আটকে রেখেছিল। কিছুদিন থাকবার পরে পুন বিদায় নেবার জন্য দশরথের নিকট গেলেন, মহারাজ দশরথ প্রেমপ্রীতি পূর্ণ হয়ে পুত্রদের সঙ্গে নিয়ে মুনিবরের সামনে দাঁড়ালেন,আর বললেন,হে নাথ!অযোধ‍্যায় যা কিছু দেখছেন সবই আপনার,আমি সপরিবারে আপনার সেবক মাত্র।হে মুনিবর!আমার পরিবারের প্রতি কৃপা অবিচল রাখবেন আর আমাকেও মাঝে মাঝে দর্শন দিতে বঞ্চিত করবেন না। এইকথা বলে সপরিবারে মুনির চরণে প্রণাম করলেন।অতঃপর ব্রাহ্মণ বিশ্বামিত্র সকলকে আশীর্বাদ দিয়ে নিজ স্থানে গমন করলেন।পরমপ্রীতি সহকারে ভাইদের সঙ্গে নিয়ে রামচন্দ্র মুনিবর বিশ্বামিত্রকে আশ্রমে পৌঁছে মুনিবরের অনুমতি নিয়ে ফিরে এলেন। পরমানন্দে গাধিকুলচন্দ্র বিশ্বামিত্র ফিরে গেছেন।পথে তিনি রামচন্দ্রের স্বরূপ,মহারাজ দশরথের ভক্তি,চারভাইয়ের ও জনগণের বিপুল উচ্ছাস ও আনন্দের কথা স্মরণ করতে করতে প্রস্থান করলেন।রঘুকুলগুরু জ্ঞানী বশিষ্ঠদেব তখন সবিস্তারে মুনিবর বিশ্বামিত্রের প্রশংসা করতে থাকলেন।রামচন্দ্রের অযোধ‍্যায় ফিরে আসবার পর হতে যেন অযোধ‍্যা আনন্দের বাসস্থান হয়ে উঠেছিল।*
*🌻শ্রীসীতারামের মহিমা সংকীর্তন পরম মঙ্গলময় ও কবিকুলের জীবনকে নির্মলতা প্রদান করে।তাই নিজ বাণীকে নির্মলতা প্রদানের আশায় কবি তা যৎকিঞ্চিৎ সংকীর্তন করবার প্রয়াস করলেন।*
*🌻পরম ভক্তি সহকারে সীতাদেবী ও রঘুনাথের বিবিহ বৃত্তান্ত যাঁরা সংকীর্তন করবেন বা শ্রবণ করবেন,তাঁরা আনন্দময় হয়ে উঠবেন, কারণ শ্রীরামচন্দ্রের গৌরবগাথা পরম কল‍্যাণকর।*
*🙏বানান ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
                 *ক্রমাগত*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



৬১. রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন ➡️ http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/blog-post_13.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
            ꧁ ৬১. রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস  
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
       ꧁ রামায়ণ 🙏 তুলসী দাস 🙏 সূচীপত্র ꧂
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
http://mrinmoynandy.blogspot.com/2022/11/blog-post_66.html   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*৬১ তুলসীদাস রামায়ণ*
~~~~~~~~~~~~~~~
*🌻নববধূদের নিয়ে রাজকুমারগণ আর রাজমহিষীদের নিয়ে স্বয়ং মহারাজ দশরথ গুদেবের কাছে নিয়ে এলেন এবং সকলে শ্রীগুরুদেবের শ্রীপাদপদ্মে প্রণাম নিবেদন করলেন। শ্রেষ্ঠ মুনিবরও তাঁদের আশীর্বাদ দিলেন।মহারাজ দশরথ আনন্দচিত্তে পুত্রসকল ও সকল ধনসম্পদ গুরুদেবের সামনে রেখে গ্রহণ করবার জন্য অনুনয়-বিনয় করলেন। মুনিবর কেবল পুরোহিতের স্বল্প দক্ষিণা গ্রহণ করে সবাইকে আশীর্বাদ  দিলেন।অতঃপর শ্রীসীতারামকে হৃদয় মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত করে গুরু বশিষ্ঠদেব প্রসন্নচিত্তে নিজ গৃহ অভিমুখে গমন করলেন।তারপর ব্রাহ্মণ ভার্য‍্যাদের ডাক পড়ল।মহারাজ তাঁদেরও বস্ত্রালঙ্কার দান করে সন্তুষ্ট করলেন।অতঃপর নগরের সকল সৌভাগ্যবতী রমণীদের ডেকে তাদের পছন্দ মতো বস্ত্রালঙ্কার দান করে সন্তুষ্ট করলেন।মহারাজ এবার প্রিয় ও পূজনীয় অতিথি অভ‍্যাগতদের যথাযোগ্য সম্মান দিলেন।দেবতাগণ শ্রীরঘুনাথের বিবাহ উৎসবের ভূয়সী প্রশংসা করে পুষ্পবৃষ্টি করতে করতে নিজ নিজ লোকে গমন করলেন।মহারাজ অতিথি সৎকার কর্ম কার্য‍্য সম্পাদন করে মনের আনন্দে পরিপূর্ণ  হয়ে গেল।মহারাজ অন্দরমহলে গিয়ে পুত্রদের কাছে টেনে আলিঙ্গন করলেন।নববধূগণও মহারাজের অপত‍্যস্নেহ থেকে বঞ্চিত হলেন না।মহারাজ,পুত্র ও নবপুত্রবধূদের যেন চাঁদের হাট বসেছিল।তারপর মহারাজ মনের আনন্দে ব্রাহ্মণ,গুরুদেব ও আত্মীয়স্বজনদের নিয়ে একত্রে ভোজন করতে বসলেন।এই আনন্দময় পরিবেশে কখন যে রাত্রির পঞ্চম দন্ড কেটে গেল কিছুই বুঝা গেল না।পরে সকলে নিজ নিজ কক্ষে প্রবেশ করলেন।*
*🌻প্রভাতে নিদ্রা হতে উঠে গুরুজনদের প্রণাম করে অতীতের কিছু কথোপকথন বলতে লাগলেন। মহারাজের অনুমতি নিয়ে সকলে বসলেন,তারপর পর গুরু বশিষ্ঠদেব ও মহামুনি বিশ্বামিত্র এলেন।মহারাজ তাঁদের সুন্দর আসন প্রদান করলেন।গুরুগণদের প্রণাম করলেন।গুরু বশিষ্ঠদেব শাস্ত্রপাঠ শুরু করলেন। মহারাজ দশরথ তাঁর রাজমহিষীদের সঙ্গে সেই ধর্মালোচনা শ্রবণ করলেন।*
*🙏বানান ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
               *ক্রমাগত*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



বিরহিনী বিষ্ণুপ্রিয়া ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/blog-post_59.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                  ꧁ বিরহিনী বিষ্ণুপ্রিয়া
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*বিরহিনী_বিষ্ণুপ্রিয়া।*

প্রভু বোলে "শুন নিত্যানন্দ মহামতি!
 সত্বরে চলহ তুমি নবদ্বীপ-প্রতি।।
 শ্রীবাসাদি যত আছে ভাগবতগণ।
 সবার করহ গিয়া দুঃখ বিমোচন।।

মহাপ্রভুর আজ্ঞায়
নিত্যানন্দ নবদ্বীপবাসী ভক্তবৃন্দ ও শচীদেবীকে আনবার জন্য নবদ্বীপে চলে গেলেন। 
নবদ্বীপে এসে  শচীদেবীকে মহাপ্রভুর আজ্ঞা জানালেন নিত্যানন্দ।  শুনে কিছুটা আশ্বস্ত হলেন শচীদেবী। খবর পেয়ে সব ভক্তবৃন্দ এসে মহাপ্রভুর বাড়িতে উপস্থিত হলেন। সকলে উল্লসিত হয়ে শান্তিপুরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হতে লাগলেন। নিত্যানন্দ  তখন শচীমাতাকে বললেন, শুনলাম এ কয়দিন তোমরা উপবাসী আছ। এখন উঠে রান্নার যোগাড় কর। আমি বড় ক্ষুধার্ত। কিন্তু তোমরা অন্ন গ্রহণ না করলে আমি কি করে অন্ন গ্রহণ করি? অগত্যা শচীদেবী ও বিষ্ণুপ্রিয়া রান্না করলেন। নিত্যানন্দকে ভোজন করিয়ে নিজেরাও অন্ন গ্রহণ করলেন, উপবাস ভঙ্গ করে।
তারপর অঙ্গনে পালকি এলে শচীদেবী ও বিষ্ণুপ্রিয়া দুজনেই যাবার জন্য প্রস্তুত হয়ে সামনে এসে দাঁড়ালেন। তখন নিত্যানন্দ বললেন, কিন্তু মা! প্রভু শুধু তোমাকেই নিয়ে যেতে বলেছেন। শ্রীমতীর যাবার ত নির্দেশ নেই মা!
একথা শুনে শচীদেবী বললেন - নিতাই! এ তোমাদের কেমন বিচার? বৌমা একটিবার নিমাইকে দেখতে পাবে না? বেশ, তাহলে আমিও যাবো না। 
তখন বিষ্ণুপ্রিয়া এগিয়ে এসে শান্ত কণ্ঠে শচীদেবীকে বললেন - *#মা!#আমি_গেলে_তাঁর_সন্ন্যাসব্রত_ভঙ্গ_হবে। #এই_জন্যই_হয়ত_আমাকে_যেতে_নিষেধ_করেছেন। #আমি_তাঁর_সহধর্মিণী। #তাঁর_আচরিত_ধর্মের_সহায়তা_করা_আমার_কর্তব্য। #কিন্তু_আপনি_যাবেন_না_কেন? #আপনার_জন্য_তিনি_অপেক্ষা_করে_আছেন।*
 
এই বিপদের মাঝেও স্থিতধী বিষ্ণুপ্রিয়ার এই প্রজ্ঞাসম্পন্ন কথা শুনে ও সূক্ষ্ম বিচারবুদ্ধির পরিচয় পেয়ে বিস্মিত হয়ে গেল উপস্থিত সকলে। তখন শচীদেবীও শান্ত হয়ে পালকিতে আরোহণ করলেন। 
শচীদেবী চলে গেলে বুকে দুঃসহ বিরহের জ্বলন্ত আগুন নিয়ে ঘরের দ্বার বন্ধ করে ভূমিতলে শয্যাগ্রহণ করলেন বিষ্ণুপ্রিয়া। 

মহাপ্রভু শচীমায়ের দর্শন পেয়ে সাষ্টাঙ্গে দণ্ডবৎ হয়ে পড়লেন। মা পুত্র কে তুলে বুকে জড়িয়ে ধরলেন। মস্তক আঘ্রান করলেন ও বারবার মুখে চুম্বন করতে লাগলেন। চোখের জলে কিছুই দেখতে পান না।কেঁদে কেঁদে বলছেন - নিমাই! তুই যেন বিশ্বরূপের মত নিষ্ঠুরতা করিস্ না। সন্ন্যাসী হয়ে সে একবারও আমাকে দেখা দিল না! মহাপ্রভু বলছেন - মা! এই শরীর তোমার। তোমার পালিত দেহ, কোটি জন্মে তোমার ঋণ শোধ করতে পারব না। যদিও আমি সন্ন্যাস নিয়েছি, তথাপি তোমার প্রতি উদাসীন হব না। আমার সন্ন্যাস ধর্ম যাতে রক্ষা হয় এবং তোমার দুঃখ না হয় সেই মতো আজ্ঞা কর। শচীমাতা বললেন তুমি বৃন্দাবনে গেলে অনেক দূর হবে, তারচেয়ে নীলাচলে গিয়ে থাক। সেখানে লোকজনের যাতায়াত থাকবে। মাঝেমধ্যে সংবাদ পাব। তুমি কখনো গঙ্গাস্নানে আসবে। মায়ের আজ্ঞা মহাপ্রভু শিরোধার্য করে নিলেন। দশ দিন মায়ের হস্ত পাচিত অন্ন ভোজন করে মাকে সুখ দিয়ে নীলাচলের উদ্দেশ্যে যাত্রা করলেন। সঙ্গে নিত্যানন্দ, গদাধর, জগদানন্দ, দামোদর পন্ডিত আর মুকুন্দ, এদেরকে সাথে নিয়ে মহাপ্রভু মাকে প্রদক্ষিণ ও প্রণাম করে গমন করলেন নীলাচলের পানে।

মহাপ্রভু নীলাচলে  গমন করলে শচীমাতা  শান্তিপুর থেকে নবদ্বীপে ফিরে এলেন। ফিরে এসেই পুত্রবধূকে জড়িয়ে ধরলেন দুহাত দিয়ে। তারপর সংজ্ঞাহীনা হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন। দুজনেই শোকসন্তপ্তা --- কে কাকে সান্তনা দেবেন। 
এই ঘোর বিপদের মাঝে নিজের দায়িত্ব ও কর্তব্য ঠিক করে ফেললেন স্থিতধী ধৈর্যশীলা বিষ্ণুপ্রিয়া। সন্ন্যাসী স্বামীর উপর কোনরূপ রাগ দুঃখ না করে তিনি মনে মনে দৃঢ়সংকল্প করলেন, একদিকে তিনি ত্যাগ ও বৈরাগ্যের পথে স্বামীর ভক্তিপ্রেমধর্মের অন্তরঙ্গ সাধনায় আত্মনিয়োগ করবেন, অন্যদিকে তাঁর চির আরাধ্য প্রাণপ্রিয় স্বামীর জননী পুত্রশোকে বিহ্বলা শাশুড়ীর সেবা পরিচর্যার সব ভার নিজের হাতে তুলে নেবেন।

এদিকে নিজেই নিজের দিনচর্যার ব্যবস্থা করে ফেললেন বিষ্ণুপ্রিয়া। প্রতিদিন রাত্রিশেষের অন্ধকার তরল হয়ে এলেই জনবিরল গঙ্গায় স্নান সেরে আসেন। তারপর বিষ্ণুপ্রিয়া কক্ষে বসে একপাশে তুলে রাখা পতিদেবতার কাষ্ঠপাদুকার সামনে বসে ধ্যান জপে নিবিষ্ট হন। বেলা বাড়লে ঠাকুরঘর হতে বেরিয়ে এসে শাশুড়ীর স্নান, আহার্য ও সেবা পরিচর্যায় রত হন। সব কাজ সেরে আবার বসেন ধ্যান‌ জপে। একটি ক্ষনও ব্যর্থ হতে দেন না।
সন্ন্যাস গ্রহণের আগে স্বামী যে উপদেশের কথাগুলি বলে গেছেন, সেগুলি জ্বলন্ত অক্ষরে যেন লেখা আছে তাঁর অন্তরে। তিনি বলেছিলেন, আমি যেমন কৃষ্ণের ভজনা করছি, তুমিও তেমনি করো। এক কৃষ্ণসত্তায় পৌঁছে আমাদের মিলন ঘটবে আর সে মিলনে কোন ছেদ ঘটবে না। সে মিলন হবে অনন্ত অক্ষয়। 
কৃষ্ণ উপাসনায় ও কৃষ্ণ প্রেমসাধনায় শ্রীচৈতন্য অনুসরণ করেছিলেন বিরহের পথ। উচ্চমার্গের প্রেমসিদ্ধ সাধকেরা বলেন, বিরহের অর্থ বিশেষভাবে রহঃ , মানে একান্তভাবে প্রিয়তমের রূপ,গুন প্রগাঢ়ভাবে অনুশীলনের ফলে যে আনন্দ, সেই আনন্দ প্রাপ্ত করা। বিরহে  এত প্রগাঢ়  আনন্দ হয় যা দুঃখের মতো প্রতীয়মান হয়। যেমন বরফ খণ্ড হাতে নিলে মনে হয় যেন হাতটা পুড়ে গেল, তেমনি।

 প্রেমসাধকেরা মিলনের থেকে‌ বিরহকেই অধিক বরণ করে নেন, কারণ মিলনের মধ্যে তাঁদের প্রাণপ্রিয় বা প্রাণপ্রভুকে পান একারূপে, কিন্তু বিরহের মধ্যে তাঁকে দেখতে পান সারা ত্রিভুবনময়, যেমন শ্রীচৈতন্য সব কিছুই কৃষ্ণময় দেখতেন। 
বিষ্ণুপ্রিয়াও বিরহসাধনার পথ অবলম্বন করে চিরঅভাগিনী হয়েও সৌভাগ্যশালিনী হয়ে রইলেন। আপন অন্তরাত্মার মধ্যে তপস্যার যে অগ্নিকুণ্ড জ্বেলেছিলেন তার কেন্দ্রবিন্দুতে তার দয়িত ও ইষ্টদেব, তাঁর প্রাণের ও ধ্যানের বিগ্রহ শ্রীচৈতন্যদেবকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। তিনি বিষ্ণু বা কৃষ্ণ নয়, তাঁর সাধনার একমাত্র বস্তু সেই চৈতন্যদেব যার সমগ্র সত্তা ও প্রাণমন নিঃশেষে কৃষ্ণে সমর্পিত। 

সংসারে অভাব না থাকলেও শচীমা তাঁর  সাধের নিমাই-এর বিচ্ছেদ-বেদনা আর বেশীদিন সহ্য করতে পারলেন না। ক্রমশই রোগে-শোকে জর্জরিত হয়ে শয্যাগত হয়ে পড়লেন শচীমাতা। অবশেষে একদিন বিষ্ণুপ্রিয়া ও নবদ্বীপের অসংখ্য গৌরভক্তদের শোকাহত করে মরদেহ ত্যাগ করে দিব্যলোকে গমন করলেন। 
স্নেহশীলা অভিভাবিকা শচীমাতার অবর্তমানে আরও কঠোর হয়ে উঠল তপস্বিনী বিষ্ণুপ্রিয়ার তপস্যা। চরম ত্যাগ, বৈরাগ্য ও কৃচ্ছ্রসাধনের পথে আর কোন বাধা রইল না। 
শচীমাতার জীবিতাবস্থায় প্রভুর গৃহের বাইরের দরজাটি খুলে রাখা হত। কারণ ভক্তেরা প্রভু জননীকে প্রণাম নিবেদন করতে আসত প্রতিদিন বিভিন্ন সময়ে। তাঁর তিরোধানের পর সেই  দরজাটি বন্ধ করে দেওয়া হলো। 
তাঁর আজ্ঞা ছাড়া তাঁর দর্শন নিষেধ। অত্যন্ত কঠোর ব্রত ধারণ করলেন। প্রাতঃকালে উঠে স্নান-আহ্নিক সেরে হরিনাম জপে বসেন। তিন প্রহর জপ করেন।
*#হরেকৃষ্ণ_হরেকৃষ্ণ_কৃষ্ণকৃষ্ণ_হরেহরে।*
*#হরেরাম_হরেরাম_রামরাম_হরেহরে।।*

 একবার মহামন্ত্র নাম জপ করে একটি মাটির পাত্রে একটি করে তণ্ডুল রাখেন। এই মত তিন প্রহর অর্থাৎ ৯ ঘন্টায় যতটা চাল হয়, তাই যত্নে পাক করেন,মুখে বস্ত্র বেঁধে। অলবন,অনোপকরণ পাক করে মহাপ্রভুর ভোগ লাগান। চোখের জলে ভেসে, প্রাণের আবেগে নানা আকুতি করে ভোগ নিবেদন করে আচমন দেন।  নিজে কিঞ্চিৎ গ্রহণ করেন।শুধুমাত্র অন্নপ্রসাদ ব্যতীত তিনি আর কিছুই গ্রহণ করতেন না, তাও পেট ভরে দুটো পাবেন তাও সম্ভব ছিল না। কারণ সারা দিন ধরে ভজন করে আর কত চাল বা সংশোধন করা সম্ভব? সেজন্য এই আতপ চালের পরিমাণ অধিক হতে পারতো না। তারপর সে প্রসাদকণা পাওয়ার জন্য নবদ্বীপের সব গৌরভক্তগণ সারাদিন উপবাসী থেকে গৃহের বাইরে বসে সংখ্যা নাম জপ করতেন।
তাই তাদেরকেও প্রসাদ দিতে হত। দেবীর আদেশে তার সেবিকাদ্বয় সেই মহাপ্রসাদ এক এক দানা সকলকে বিতরণ করতেন। তাই পেয়ে তারা নিজেকে ধন্য মনে করতেন।
শচীমাতার অপ্রকটের পর আর বাইরে বের হতেন না। ভক্তগণের ব্যাকুলতায় পর্দার আড়াল থেকে শুধুমাত্র চরণ দর্শন দিতেন। 
একবার মাত্র শ্রীনিবাস আসলে দর্শন দিয়েছিলেন সেও মহাপ্রভুর স্বপ্নাদেশে।

ভক্তগণ গঙ্গাজল এনে মই দিয়ে উঠে বাড়ির ভেতরে  রেখে যেতেন। তাতেই স্নানাদি সমাধা করতেন।
অঙ্গে কোন আভরণ নেই,  সন্ন্যাসিনীর বেশ, অন্তর গৌরাঙ্গ বিরহে জর্জরিতা, নয়নধারায় মুখবুক ভেসে যায় আর সর্বদা মহাপ্রভুর শোকে ব্যাকুল, দর্শন তো আর ভাগ্যে হবে না! সেজন্য প্রভুদত্ত পাদুকাই তাঁর সম্বল, আর দিবানিশি হা-হুতাশ।( কথিত আছে - একবার মহাপ্রভু নবদ্বীপে এসেছিলেন শুক্লাম্বর ব্রহ্মচারীর গৃহে। সেখানেই বিষ্ণুপ্রিয়াদেবী প্রভুর দর্শন করেন। মহাপ্রভু তাকে চরণ পাদুকা দান করে প্রস্থান করেন।)
বৃদ্ধ দামোদর পন্ডিত দেবীর কৃচ্ছ্রতা সহ্য করতে না পেরে দেহ ত্যাগ করলেন। একমাত্র শুক্লাম্বর ব্রহ্মচারীই জীবিত ছিলেন। তিনি মধ্যে মধ্যে এসে খোঁজখবর নিয়ে যেতেন।

মহাপ্রভু অনুভব করেছিলেন তাঁর একার চোখের জলে জগৎ ডুবানো সম্ভব নয়। তাই তিনি মাকে ও বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীকেও ছেড়ে সংসার ত্যাগ করে সন্ন্যাসী হয়েছিলেন। তিনজনের চোখের জলে জগৎ ব্যাকুল হয়ে উঠল। সকলের হৃদয়ে হাহাকার জাগল। ব্যাকুল প্রাণে সকলে ভগবানের শরণাপন্ন হলেন।

ভাবতেও কষ্ট হয় একটি নারীর জীবনে মাত্র পাঁচটি বছর মিলন।এগারো বছর বয়সে বিবাহ আর ষোল বছর বয়সেই বিচ্ছেদ।
ষোল বছর বয়সে যৌবনে প্রথম পদার্পণ হয়। সেই সময় থেকে সারাটা জীবন কিভাবে দুঃখে-কষ্টে, চোখের জলে বুক ভাসিয়ে সারাটা জীবন কাটালেন, এটা নারী মাত্রেই অনুভব করতে পারবেন। আজকে ভাবলেও অবাক হতে হয়, কি অসাধ্য দুঃসহ-জ্বালা সহ্য করে জীবন ধারণ করেছিলেন, প্রিয়তম কে পাওয়ার জন্য!তার সেই ভক্তিপূত ত্যাগ-বৈরাগ্যময় জীবন থেকেই আজ নারীদের ভিতর ভক্তি মন্দাকিনীর স্রোত বিশেষভাবে পরিলক্ষিত হয়।

মহাপ্রভুর বৈরাগ্য সকলের আদর্শ হলেও নারীসমাজ ভাবতো আমরা কি আর ঐরকম সন্ন্যাস নিয়ে গৃহত্যাগী হয়ে তপস্যা করতে পারি?
 এ জন্যই বিষ্ণুপ্রিয়াদেবী জগৎকে দেখিয়ে গেলেন, নারী হয়েও কেমনভাবে সন্ন্যাসিনী না হয়েও গৃহকোণে বসে তপস্যার দ্বারা ভগবানকে প্রাপ্ত করা যায়। তাঁর ত্যাগের আদর্শ জগতে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকলো যা যুগে যুগে মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে।

আমরা যদি তার মত বৈরাগ্য আচরণ নাও করতে না পারি তথাপি সেই কথা স্মরণ করে যদি দু'ফোটা চোখের জল পড়ে তাতেও লাভ হবে এবং তাকে আদর্শ করে সেই লক্ষ্য স্থির করে এগোনোর চেষ্টা করলে, একদিন না একদিন তিনি তা অবশ্যই পূর্ণ করবেন। কেননা
 *#তাগাৎ_শান্তিরনন্তরম্"* 
ত্যাগ-বৈরাগ্য ছাড়া তাকে কখনোও পাওয়া সম্ভব নয়। সে ত্যাগ এজন্মে হোক অথবা দশ জন্ম পরে, সেই স্তরে উন্নীত না হওয়া পর্যন্ত তাকে পাওয়া অসম্ভব।
তাই এখন থেকেই লক্ষ্য স্থির করে বাস্তব লক্ষ্যের(ultimate goal) দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করাই মনে হয় বুদ্ধিমানের কাজ।তার শরণ নিয়ে যাত্রা শুরু করলে তিনিই শক্তি দেবেন পথ চলার।

 এই হৃদয়বিদারক-বিরহবেদনা অসহ্য বোধ হওয়ায় অন্যান্য গ্রন্থকারগণ এনার বিষয়ে বিশেষ কিছু লিখতে সমর্থ হন নাই।

বিষ্ণুপ্রিয়ার বিরহ-ব্যথা যখন চরম  পর্যায়ে পৌঁছালো।প্রান আর ধারণ করা যায় না। দুই সখী কাঞ্চনা ও বকুলা দিনরাত পরিচর্যা করেন।  অনেক প্রকারে সান্ত্বনা দেন। দিন-রাত কেঁদে কেঁদে চোখ ফুলে গেল। ভোজনে রুচি নাই।প্রাণ যায় আর কি! এমন সময় কিঞ্চিৎ তন্দ্রাবেশে দেখছেন, মহাপ্রভু এসে বলছেন- "যে নিমগাছ তলায় আমার জন্ম হয়েছিল, সেই নিমগাছ থেকে আমার মূর্তি তৈরি কর। 
বিষ্ণুপ্রিয়াদেবী বললেন - আমি কি করে মূর্তি তৈরি করব? আমিতো কিছুই  জানি না। ভাস্কর কোথায় পাব?

 মহাপ্রভু বললেন - তোমার কোন চিন্তা নেই।মূর্তি তৈরীর ভাস্কর ও চলে আসবে। 
বিষ্ণুপ্রিয়াদেবীর ঘুম ভেঙে গেল। তিনি মূর্তি তৈরিতে উদ্যোগী হলে,স্বেচ্ছায় ভাস্কর এসে মূর্তি তৈরি করে দিয়ে চলে গেলেন।

১৫১৪ খ্রিস্টাব্দে মহাসমারোহে বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা মহোৎসব সমাধান হলেন। এখন থেকে বিষ্ণুপ্রিয়াদেবী তার প্রাণনাথের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করলেন। কিঞ্চিৎ বিরহ ব্যথার উপশম হল।

মহাপ্রভুর অন্তর্ধানের পর থেকেই দেবীর শরীর জীর্ণ-শীর্ণ হতে লাগল। দেহধারণ করার বাসনাও ক্রমশঃ ক্ষীণ হয়ে আসতে লাগল। দেখতে দেখতে গৌর-পূর্ণিমা সমাগত হল। প্রাণনাথের জন্মদিনে বিরহ-সিন্ধু উদ্বেলিত হল, তার তরঙ্গাঘাত সহনের ক্ষমতা হারিয়ে ফেললেন। মঙ্গল আরতি সমাপ্ত হলে দেবী শ্রীমন্দিরে প্রবেশ করলেন, ভিতর থেকে দ্বার বন্ধ হয়ে গেল। সবার অলক্ষ্যে দেবী শ্রীবিগ্রহের সহিত লীন হয়ে গেলেন। মহাপ্রভু নীলাচলে শ্রীবিগ্রহের সাথে লীন হয়ে গিয়েছিলেন। বিষ্ণুপ্রিয়াদেবীও ঠিক সেইভাবে গৌরাঙ্গের (ধামেশ্বর মহাপ্রভু) বিগ্রহের সহিত লীন হয়ে গেলেন।

 পরম পূজ্যপাদ শ্রীহরিদাস গোস্বামী মহাশয় বিষ্ণুপ্রিয়াদেবীর ভ্রাতৃবংশীয় শ্রীনৃত্যগোপাল গোস্বামী মহাশয়ের নিকট স্বয়ং শ্রবণ করে তা সম্পূর্ণরূপে নির্ভরযোগ্য হিসাবে গ্রহণ করেছেন।

 ব্রাহ্মমুহূর্তে প্রভুর জন্মদিনে।
 দারুমূর্ত্তে লীন দেবী হইলা আপনে।।

 আবির্ভাব ১৪৯৬ খ্রিস্টাব্দে মাঘী শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে এবং তিরোভাব ১৫৭৩ খ্রিস্টাব্দের ফাল্গুনী পূর্ণিমা তিথিতে ৭৭ বছর বয়সে অপ্রকট হন।

*জয় শচীনন্দন জয় গৌরহরি‌।
বিষ্ণুপ্রিয়ার প্রাণনাথ নদীয়া বিহারী।।

🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*জয় নিতাই!*
*জয় গৌরহরি।।*

GOPISARAN DAS

http­//MrinmoyNandy.blogspot.com/2022/12/blogéôépost_30.html
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
           ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



বিরহিনী বিষ্ণুপ্রিয়া ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/01/blog-post_59.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                  ꧁ বিরহিনী বিষ্ণুপ্রিয়া
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
 ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*বিরহিনী_বিষ্ণুপ্রিয়া।*

প্রভু বোলে "শুন নিত্যানন্দ মহামতি!
 সত্বরে চলহ তুমি নবদ্বীপ-প্রতি।।
 শ্রীবাসাদি যত আছে ভাগবতগণ।
 সবার করহ গিয়া দুঃখ বিমোচন।।

মহাপ্রভুর আজ্ঞায়
নিত্যানন্দ নবদ্বীপবাসী ভক্তবৃন্দ ও শচীদেবীকে আনবার জন্য নবদ্বীপে চলে গেলেন। 
নবদ্বীপে এসে  শচীদেবীকে মহাপ্রভুর আজ্ঞা জানালেন নিত্যানন্দ।  শুনে কিছুটা আশ্বস্ত হলেন শচীদেবী। খবর পেয়ে সব ভক্তবৃন্দ এসে মহাপ্রভুর বাড়িতে উপস্থিত হলেন। সকলে উল্লসিত হয়ে শান্তিপুরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হতে লাগলেন। নিত্যানন্দ  তখন শচীমাতাকে বললেন, শুনলাম এ কয়দিন তোমরা উপবাসী আছ। এখন উঠে রান্নার যোগাড় কর। আমি বড় ক্ষুধার্ত। কিন্তু তোমরা অন্ন গ্রহণ না করলে আমি কি করে অন্ন গ্রহণ করি? অগত্যা শচীদেবী ও বিষ্ণুপ্রিয়া রান্না করলেন। নিত্যানন্দকে ভোজন করিয়ে নিজেরাও অন্ন গ্রহণ করলেন, উপবাস ভঙ্গ করে।
তারপর অঙ্গনে পালকি এলে শচীদেবী ও বিষ্ণুপ্রিয়া দুজনেই যাবার জন্য প্রস্তুত হয়ে সামনে এসে দাঁড়ালেন। তখন নিত্যানন্দ বললেন, কিন্তু মা! প্রভু শুধু তোমাকেই নিয়ে যেতে বলেছেন। শ্রীমতীর যাবার ত নির্দেশ নেই মা!
একথা শুনে শচীদেবী বললেন - নিতাই! এ তোমাদের কেমন বিচার? বৌমা একটিবার নিমাইকে দেখতে পাবে না? বেশ, তাহলে আমিও যাবো না। 
তখন বিষ্ণুপ্রিয়া এগিয়ে এসে শান্ত কণ্ঠে শচীদেবীকে বললেন - *#মা!#আমি_গেলে_তাঁর_সন্ন্যাসব্রত_ভঙ্গ_হবে। #এই_জন্যই_হয়ত_আমাকে_যেতে_নিষেধ_করেছেন। #আমি_তাঁর_সহধর্মিণী। #তাঁর_আচরিত_ধর্মের_সহায়তা_করা_আমার_কর্তব্য। #কিন্তু_আপনি_যাবেন_না_কেন? #আপনার_জন্য_তিনি_অপেক্ষা_করে_আছেন।*
 
এই বিপদের মাঝেও স্থিতধী বিষ্ণুপ্রিয়ার এই প্রজ্ঞাসম্পন্ন কথা শুনে ও সূক্ষ্ম বিচারবুদ্ধির পরিচয় পেয়ে বিস্মিত হয়ে গেল উপস্থিত সকলে। তখন শচীদেবীও শান্ত হয়ে পালকিতে আরোহণ করলেন। 
শচীদেবী চলে গেলে বুকে দুঃসহ বিরহের জ্বলন্ত আগুন নিয়ে ঘরের দ্বার বন্ধ করে ভূমিতলে শয্যাগ্রহণ করলেন বিষ্ণুপ্রিয়া। 

মহাপ্রভু শচীমায়ের দর্শন পেয়ে সাষ্টাঙ্গে দণ্ডবৎ হয়ে পড়লেন। মা পুত্র কে তুলে বুকে জড়িয়ে ধরলেন। মস্তক আঘ্রান করলেন ও বারবার মুখে চুম্বন করতে লাগলেন। চোখের জলে কিছুই দেখতে পান না।কেঁদে কেঁদে বলছেন - নিমাই! তুই যেন বিশ্বরূপের মত নিষ্ঠুরতা করিস্ না। সন্ন্যাসী হয়ে সে একবারও আমাকে দেখা দিল না! মহাপ্রভু বলছেন - মা! এই শরীর তোমার। তোমার পালিত দেহ, কোটি জন্মে তোমার ঋণ শোধ করতে পারব না। যদিও আমি সন্ন্যাস নিয়েছি, তথাপি তোমার প্রতি উদাসীন হব না। আমার সন্ন্যাস ধর্ম যাতে রক্ষা হয় এবং তোমার দুঃখ না হয় সেই মতো আজ্ঞা কর। শচীমাতা বললেন তুমি বৃন্দাবনে গেলে অনেক দূর হবে, তারচেয়ে নীলাচলে গিয়ে থাক। সেখানে লোকজনের যাতায়াত থাকবে। মাঝেমধ্যে সংবাদ পাব। তুমি কখনো গঙ্গাস্নানে আসবে। মায়ের আজ্ঞা মহাপ্রভু শিরোধার্য করে নিলেন। দশ দিন মায়ের হস্ত পাচিত অন্ন ভোজন করে মাকে সুখ দিয়ে নীলাচলের উদ্দেশ্যে যাত্রা করলেন। সঙ্গে নিত্যানন্দ, গদাধর, জগদানন্দ, দামোদর পন্ডিত আর মুকুন্দ, এদেরকে সাথে নিয়ে মহাপ্রভু মাকে প্রদক্ষিণ ও প্রণাম করে গমন করলেন নীলাচলের পানে।

মহাপ্রভু নীলাচলে  গমন করলে শচীমাতা  শান্তিপুর থেকে নবদ্বীপে ফিরে এলেন। ফিরে এসেই পুত্রবধূকে জড়িয়ে ধরলেন দুহাত দিয়ে। তারপর সংজ্ঞাহীনা হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন। দুজনেই শোকসন্তপ্তা --- কে কাকে সান্তনা দেবেন। 
এই ঘোর বিপদের মাঝে নিজের দায়িত্ব ও কর্তব্য ঠিক করে ফেললেন স্থিতধী ধৈর্যশীলা বিষ্ণুপ্রিয়া। সন্ন্যাসী স্বামীর উপর কোনরূপ রাগ দুঃখ না করে তিনি মনে মনে দৃঢ়সংকল্প করলেন, একদিকে তিনি ত্যাগ ও বৈরাগ্যের পথে স্বামীর ভক্তিপ্রেমধর্মের অন্তরঙ্গ সাধনায় আত্মনিয়োগ করবেন, অন্যদিকে তাঁর চির আরাধ্য প্রাণপ্রিয় স্বামীর জননী পুত্রশোকে বিহ্বলা শাশুড়ীর সেবা পরিচর্যার সব ভার নিজের হাতে তুলে নেবেন।

এদিকে নিজেই নিজের দিনচর্যার ব্যবস্থা করে ফেললেন বিষ্ণুপ্রিয়া। প্রতিদিন রাত্রিশেষের অন্ধকার তরল হয়ে এলেই জনবিরল গঙ্গায় স্নান সেরে আসেন। তারপর বিষ্ণুপ্রিয়া কক্ষে বসে একপাশে তুলে রাখা পতিদেবতার কাষ্ঠপাদুকার সামনে বসে ধ্যান জপে নিবিষ্ট হন। বেলা বাড়লে ঠাকুরঘর হতে বেরিয়ে এসে শাশুড়ীর স্নান, আহার্য ও সেবা পরিচর্যায় রত হন। সব কাজ সেরে আবার বসেন ধ্যান‌ জপে। একটি ক্ষনও ব্যর্থ হতে দেন না।
সন্ন্যাস গ্রহণের আগে স্বামী যে উপদেশের কথাগুলি বলে গেছেন, সেগুলি জ্বলন্ত অক্ষরে যেন লেখা আছে তাঁর অন্তরে। তিনি বলেছিলেন, আমি যেমন কৃষ্ণের ভজনা করছি, তুমিও তেমনি করো। এক কৃষ্ণসত্তায় পৌঁছে আমাদের মিলন ঘটবে আর সে মিলনে কোন ছেদ ঘটবে না। সে মিলন হবে অনন্ত অক্ষয়। 
কৃষ্ণ উপাসনায় ও কৃষ্ণ প্রেমসাধনায় শ্রীচৈতন্য অনুসরণ করেছিলেন বিরহের পথ। উচ্চমার্গের প্রেমসিদ্ধ সাধকেরা বলেন, বিরহের অর্থ বিশেষভাবে রহঃ , মানে একান্তভাবে প্রিয়তমের রূপ,গুন প্রগাঢ়ভাবে অনুশীলনের ফলে যে আনন্দ, সেই আনন্দ প্রাপ্ত করা। বিরহে  এত প্রগাঢ়  আনন্দ হয় যা দুঃখের মতো প্রতীয়মান হয়। যেমন বরফ খণ্ড হাতে নিলে মনে হয় যেন হাতটা পুড়ে গেল, তেমনি।

 প্রেমসাধকেরা মিলনের থেকে‌ বিরহকেই অধিক বরণ করে নেন, কারণ মিলনের মধ্যে তাঁদের প্রাণপ্রিয় বা প্রাণপ্রভুকে পান একারূপে, কিন্তু বিরহের মধ্যে তাঁকে দেখতে পান সারা ত্রিভুবনময়, যেমন শ্রীচৈতন্য সব কিছুই কৃষ্ণময় দেখতেন। 
বিষ্ণুপ্রিয়াও বিরহসাধনার পথ অবলম্বন করে চিরঅভাগিনী হয়েও সৌভাগ্যশালিনী হয়ে রইলেন। আপন অন্তরাত্মার মধ্যে তপস্যার যে অগ্নিকুণ্ড জ্বেলেছিলেন তার কেন্দ্রবিন্দুতে তার দয়িত ও ইষ্টদেব, তাঁর প্রাণের ও ধ্যানের বিগ্রহ শ্রীচৈতন্যদেবকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। তিনি বিষ্ণু বা কৃষ্ণ নয়, তাঁর সাধনার একমাত্র বস্তু সেই চৈতন্যদেব যার সমগ্র সত্তা ও প্রাণমন নিঃশেষে কৃষ্ণে সমর্পিত। 

সংসারে অভাব না থাকলেও শচীমা তাঁর  সাধের নিমাই-এর বিচ্ছেদ-বেদনা আর বেশীদিন সহ্য করতে পারলেন না। ক্রমশই রোগে-শোকে জর্জরিত হয়ে শয্যাগত হয়ে পড়লেন শচীমাতা। অবশেষে একদিন বিষ্ণুপ্রিয়া ও নবদ্বীপের অসংখ্য গৌরভক্তদের শোকাহত করে মরদেহ ত্যাগ করে দিব্যলোকে গমন করলেন। 
স্নেহশীলা অভিভাবিকা শচীমাতার অবর্তমানে আরও কঠোর হয়ে উঠল তপস্বিনী বিষ্ণুপ্রিয়ার তপস্যা। চরম ত্যাগ, বৈরাগ্য ও কৃচ্ছ্রসাধনের পথে আর কোন বাধা রইল না। 
শচীমাতার জীবিতাবস্থায় প্রভুর গৃহের বাইরের দরজাটি খুলে রাখা হত। কারণ ভক্তেরা প্রভু জননীকে প্রণাম নিবেদন করতে আসত প্রতিদিন বিভিন্ন সময়ে। তাঁর তিরোধানের পর সেই  দরজাটি বন্ধ করে দেওয়া হলো। 
তাঁর আজ্ঞা ছাড়া তাঁর দর্শন নিষেধ। অত্যন্ত কঠোর ব্রত ধারণ করলেন। প্রাতঃকালে উঠে স্নান-আহ্নিক সেরে হরিনাম জপে বসেন। তিন প্রহর জপ করেন।
*#হরেকৃষ্ণ_হরেকৃষ্ণ_কৃষ্ণকৃষ্ণ_হরেহরে।*
*#হরেরাম_হরেরাম_রামরাম_হরেহরে।।*

 একবার মহামন্ত্র নাম জপ করে একটি মাটির পাত্রে একটি করে তণ্ডুল রাখেন। এই মত তিন প্রহর অর্থাৎ ৯ ঘন্টায় যতটা চাল হয়, তাই যত্নে পাক করেন,মুখে বস্ত্র বেঁধে। অলবন,অনোপকরণ পাক করে মহাপ্রভুর ভোগ লাগান। চোখের জলে ভেসে, প্রাণের আবেগে নানা আকুতি করে ভোগ নিবেদন করে আচমন দেন।  নিজে কিঞ্চিৎ গ্রহণ করেন।শুধুমাত্র অন্নপ্রসাদ ব্যতীত তিনি আর কিছুই গ্রহণ করতেন না, তাও পেট ভরে দুটো পাবেন তাও সম্ভব ছিল না। কারণ সারা দিন ধরে ভজন করে আর কত চাল বা সংশোধন করা সম্ভব? সেজন্য এই আতপ চালের পরিমাণ অধিক হতে পারতো না। তারপর সে প্রসাদকণা পাওয়ার জন্য নবদ্বীপের সব গৌরভক্তগণ সারাদিন উপবাসী থেকে গৃহের বাইরে বসে সংখ্যা নাম জপ করতেন।
তাই তাদেরকেও প্রসাদ দিতে হত। দেবীর আদেশে তার সেবিকাদ্বয় সেই মহাপ্রসাদ এক এক দানা সকলকে বিতরণ করতেন। তাই পেয়ে তারা নিজেকে ধন্য মনে করতেন।
শচীমাতার অপ্রকটের পর আর বাইরে বের হতেন না। ভক্তগণের ব্যাকুলতায় পর্দার আড়াল থেকে শুধুমাত্র চরণ দর্শন দিতেন। 
একবার মাত্র শ্রীনিবাস আসলে দর্শন দিয়েছিলেন সেও মহাপ্রভুর স্বপ্নাদেশে।

ভক্তগণ গঙ্গাজল এনে মই দিয়ে উঠে বাড়ির ভেতরে  রেখে যেতেন। তাতেই স্নানাদি সমাধা করতেন।
অঙ্গে কোন আভরণ নেই,  সন্ন্যাসিনীর বেশ, অন্তর গৌরাঙ্গ বিরহে জর্জরিতা, নয়নধারায় মুখবুক ভেসে যায় আর সর্বদা মহাপ্রভুর শোকে ব্যাকুল, দর্শন তো আর ভাগ্যে হবে না! সেজন্য প্রভুদত্ত পাদুকাই তাঁর সম্বল, আর দিবানিশি হা-হুতাশ।( কথিত আছে - একবার মহাপ্রভু নবদ্বীপে এসেছিলেন শুক্লাম্বর ব্রহ্মচারীর গৃহে। সেখানেই বিষ্ণুপ্রিয়াদেবী প্রভুর দর্শন করেন। মহাপ্রভু তাকে চরণ পাদুকা দান করে প্রস্থান করেন।)
বৃদ্ধ দামোদর পন্ডিত দেবীর কৃচ্ছ্রতা সহ্য করতে না পেরে দেহ ত্যাগ করলেন। একমাত্র শুক্লাম্বর ব্রহ্মচারীই জীবিত ছিলেন। তিনি মধ্যে মধ্যে এসে খোঁজখবর নিয়ে যেতেন।

মহাপ্রভু অনুভব করেছিলেন তাঁর একার চোখের জলে জগৎ ডুবানো সম্ভব নয়। তাই তিনি মাকে ও বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীকেও ছেড়ে সংসার ত্যাগ করে সন্ন্যাসী হয়েছিলেন। তিনজনের চোখের জলে জগৎ ব্যাকুল হয়ে উঠল। সকলের হৃদয়ে হাহাকার জাগল। ব্যাকুল প্রাণে সকলে ভগবানের শরণাপন্ন হলেন।

ভাবতেও কষ্ট হয় একটি নারীর জীবনে মাত্র পাঁচটি বছর মিলন।এগারো বছর বয়সে বিবাহ আর ষোল বছর বয়সেই বিচ্ছেদ।
ষোল বছর বয়সে যৌবনে প্রথম পদার্পণ হয়। সেই সময় থেকে সারাটা জীবন কিভাবে দুঃখে-কষ্টে, চোখের জলে বুক ভাসিয়ে সারাটা জীবন কাটালেন, এটা নারী মাত্রেই অনুভব করতে পারবেন। আজকে ভাবলেও অবাক হতে হয়, কি অসাধ্য দুঃসহ-জ্বালা সহ্য করে জীবন ধারণ করেছিলেন, প্রিয়তম কে পাওয়ার জন্য!তার সেই ভক্তিপূত ত্যাগ-বৈরাগ্যময় জীবন থেকেই আজ নারীদের ভিতর ভক্তি মন্দাকিনীর স্রোত বিশেষভাবে পরিলক্ষিত হয়।

মহাপ্রভুর বৈরাগ্য সকলের আদর্শ হলেও নারীসমাজ ভাবতো আমরা কি আর ঐরকম সন্ন্যাস নিয়ে গৃহত্যাগী হয়ে তপস্যা করতে পারি?
 এ জন্যই বিষ্ণুপ্রিয়াদেবী জগৎকে দেখিয়ে গেলেন, নারী হয়েও কেমনভাবে সন্ন্যাসিনী না হয়েও গৃহকোণে বসে তপস্যার দ্বারা ভগবানকে প্রাপ্ত করা যায়। তাঁর ত্যাগের আদর্শ জগতে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকলো যা যুগে যুগে মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে।

আমরা যদি তার মত বৈরাগ্য আচরণ নাও করতে না পারি তথাপি সেই কথা স্মরণ করে যদি দু'ফোটা চোখের জল পড়ে তাতেও লাভ হবে এবং তাকে আদর্শ করে সেই লক্ষ্য স্থির করে এগোনোর চেষ্টা করলে, একদিন না একদিন তিনি তা অবশ্যই পূর্ণ করবেন। কেননা
 *#তাগাৎ_শান্তিরনন্তরম্"* 
ত্যাগ-বৈরাগ্য ছাড়া তাকে কখনোও পাওয়া সম্ভব নয়। সে ত্যাগ এজন্মে হোক অথবা দশ জন্ম পরে, সেই স্তরে উন্নীত না হওয়া পর্যন্ত তাকে পাওয়া অসম্ভব।
তাই এখন থেকেই লক্ষ্য স্থির করে বাস্তব লক্ষ্যের(ultimate goal) দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করাই মনে হয় বুদ্ধিমানের কাজ।তার শরণ নিয়ে যাত্রা শুরু করলে তিনিই শক্তি দেবেন পথ চলার।

 এই হৃদয়বিদারক-বিরহবেদনা অসহ্য বোধ হওয়ায় অন্যান্য গ্রন্থকারগণ এনার বিষয়ে বিশেষ কিছু লিখতে সমর্থ হন নাই।

বিষ্ণুপ্রিয়ার বিরহ-ব্যথা যখন চরম  পর্যায়ে পৌঁছালো।প্রান আর ধারণ করা যায় না। দুই সখী কাঞ্চনা ও বকুলা দিনরাত পরিচর্যা করেন।  অনেক প্রকারে সান্ত্বনা দেন। দিন-রাত কেঁদে কেঁদে চোখ ফুলে গেল। ভোজনে রুচি নাই।প্রাণ যায় আর কি! এমন সময় কিঞ্চিৎ তন্দ্রাবেশে দেখছেন, মহাপ্রভু এসে বলছেন- "যে নিমগাছ তলায় আমার জন্ম হয়েছিল, সেই নিমগাছ থেকে আমার মূর্তি তৈরি কর। 
বিষ্ণুপ্রিয়াদেবী বললেন - আমি কি করে মূর্তি তৈরি করব? আমিতো কিছুই  জানি না। ভাস্কর কোথায় পাব?

 মহাপ্রভু বললেন - তোমার কোন চিন্তা নেই।মূর্তি তৈরীর ভাস্কর ও চলে আসবে। 
বিষ্ণুপ্রিয়াদেবীর ঘুম ভেঙে গেল। তিনি মূর্তি তৈরিতে উদ্যোগী হলে,স্বেচ্ছায় ভাস্কর এসে মূর্তি তৈরি করে দিয়ে চলে গেলেন।

১৫১৪ খ্রিস্টাব্দে মহাসমারোহে বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা মহোৎসব সমাধান হলেন। এখন থেকে বিষ্ণুপ্রিয়াদেবী তার প্রাণনাথের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করলেন। কিঞ্চিৎ বিরহ ব্যথার উপশম হল।

মহাপ্রভুর অন্তর্ধানের পর থেকেই দেবীর শরীর জীর্ণ-শীর্ণ হতে লাগল। দেহধারণ করার বাসনাও ক্রমশঃ ক্ষীণ হয়ে আসতে লাগল। দেখতে দেখতে গৌর-পূর্ণিমা সমাগত হল। প্রাণনাথের জন্মদিনে বিরহ-সিন্ধু উদ্বেলিত হল, তার তরঙ্গাঘাত সহনের ক্ষমতা হারিয়ে ফেললেন। মঙ্গল আরতি সমাপ্ত হলে দেবী শ্রীমন্দিরে প্রবেশ করলেন, ভিতর থেকে দ্বার বন্ধ হয়ে গেল। সবার অলক্ষ্যে দেবী শ্রীবিগ্রহের সহিত লীন হয়ে গেলেন। মহাপ্রভু নীলাচলে শ্রীবিগ্রহের সাথে লীন হয়ে গিয়েছিলেন। বিষ্ণুপ্রিয়াদেবীও ঠিক সেইভাবে গৌরাঙ্গের (ধামেশ্বর মহাপ্রভু) বিগ্রহের সহিত লীন হয়ে গেলেন।

 পরম পূজ্যপাদ শ্রীহরিদাস গোস্বামী মহাশয় বিষ্ণুপ্রিয়াদেবীর ভ্রাতৃবংশীয় শ্রীনৃত্যগোপাল গোস্বামী মহাশয়ের নিকট স্বয়ং শ্রবণ করে তা সম্পূর্ণরূপে নির্ভরযোগ্য হিসাবে গ্রহণ করেছেন।

 ব্রাহ্মমুহূর্তে প্রভুর জন্মদিনে।
 দারুমূর্ত্তে লীন দেবী হইলা আপনে।।

 আবির্ভাব ১৪৯৬ খ্রিস্টাব্দে মাঘী শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে এবং তিরোভাব ১৫৭৩ খ্রিস্টাব্দের ফাল্গুনী পূর্ণিমা তিথিতে ৭৭ বছর বয়সে অপ্রকট হন।

*জয় শচীনন্দন জয় গৌরহরি‌।
বিষ্ণুপ্রিয়ার প্রাণনাথ নদীয়া বিহারী।।

🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*জয় নিতাই!*
*জয় গৌরহরি।।*

GOPISARAN DAS

http­//MrinmoyNandy.blogspot.com/2022/12/blogéôépost_30.html
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
           ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



adds