শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

প্রেমদাতা পতিতপাবন নিতাইচাঁদের আবির্ভাব তিথি ❤️ শ্রী নিত্যানন্দ ত্রয়োদশী তিথি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/02/blog-post_2.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

প্রেমদাতা পতিতপাবন নিতাইচাঁদের আবির্ভাব তিথি ❤️ শ্রী নিত্যানন্দ ত্রয়োদশী তিথি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/02/blog-post_2.html


  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*পরমপবিত্র_শ্রী_নিত্যানন্দ_ত্রয়োদশী_তিথি*

*#রাঢ়_মাঝে_একচক্রা_নামে_আছে_গ্রাম* ।
*#যহি_অবতীর্ণ_হইলা_নিত্যানন্দ_রাম* ।।
১৪৭৩ খ্রিস্টাব্দ । মাঘ মাসের শুক্লা ত্রয়োদশী তিথি। দিন হিসেবে ১২ জানুয়ারি। বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার অন্তর্গত বীরচন্দ্রপুর গ্রামে (প্রাচীন নাম একচক্রা) আমাদের সবার প্রাণের প্রাণ ; আমাদের ভালোবাসার একমাত্রনিধি পতিতপাবন নিতাই চাঁদ  জন্মগ্রহণ করেন। তিথিটি ছিল আজকের এই পরম পবিত্র তিথি।
*#যাইরে_তিথির_বালাই_যাই_রে* !
একচক্রা গ্রামে পিতা হাড়াই পণ্ডিত এবং মাতা পদ্মাবতী দেবীর ঘর আলোকরে জন্ম নেন ভবিষ্যতের আমাদের নেতা পতিতপাবন নিতাই। আজো একচক্রা গ্রামে নিতাই এর আঁতুরঘর টি সুন্দর ভাবে পরিদৃষ্ট হয়। আঁতুরঘরের নতুন রূপ -সূতিকা মন্দির। 

মা বাবা ছিলেন পরম ধার্মিক এবং দেবদ্বিজে নিষ্ঠাবাণ।ছেলেবেলা থেকেই নিতাই সুস্থির সুবুদ্ধির অধিকারী এবং স্বাস্থ্যবান ছিলেন।কোটি কন্দর্প কেও হার মানায় নিতাই এর দেহ লাবণ্য। অবশ্য ছেলেবেলাতে নিতাই এর নাম ছিল কুবের।ইতিহাস বলছে নিত্যানন্দ প্রভুর আবির্ভাবের পরেই শুষ্ক রাঢ়বঙ্গে দুর্ভিক্ষ দারিদ্র্য ঘুচে গেল। শুষ্ক রাঢ়বঙ্গ শস্যশ্যামলা হয়ে উঠল। আসলে দেবতনু পৃথিবীতে এলে সর্বসুলক্ষণ নিয়ে আসেন। এটাও সেইরকমই।
পড়াশোনায় অত্যন্ত মেধাবী নিতাই একচক্রার ছোটো ছেলেদের সাথে খেলাতে মেতে থাকতেন।কৃষ্ণলীলা অভিনয় ছিল ছোট্ট নিতাই এর খেলার একমাত্র বিষয় । আজো শ্রীধাম একচক্রা তে এই সমস্ত স্হান বিরাজিত। একচক্রা গ্রামে গেলেই এইসমস্ত স্হান দর্শন করা যায়। বারোবছর বয়সে গৃহে আগত এক সন্ন্যাসীর সাথে তিনি অজানা জগতের সন্ধানে বের হন। বের হন ভারতের সব তীর্থ দর্শনে। অজানা !!! যিনি জগতের স্রষ্টা তার কাছে তার জগৎ অজানা থাকতে পারে কি ? না । অজানা আমাদের চোখে। সেই অজানার খোঁজ দিতে তিনি ঘর ছাড়লেন।
*#হেনমতে_দ্বাদশ_বৎসর_থাকি_ঘরে* ।
*#নিত্যানন্দ_চলিলেন_তীর্থ_করিবারে* ।।মোট কুড়ি বছর তিনি পরিভ্রমণ করেন ভারতের সব তীর্থ । অর্থাৎ বারো থেকে বত্রিশ বছর পর্যন্ত নিতাই এর তীর্থ পর্যটন। মনে করা হয় যে সন্ন্যাসীর সাথে নিতাই তীর্থ পর্যটনে বের হন তিনি ছিলেন মাধ্ব বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের *#লক্ষ্মীপতি* জী।এবং লক্ষ্মীপতিই নিতাই কে কৃষ্ণমন্ত্রে দীক্ষা দেন। এই কুড়ি বছর নিতাই বৃন্দাবন সহ সব তীর্থ দর্শন করেন।নিত্যানন্দ প্রভুর পরিভ্রমণের সময় তাঁর সাথে দেখা হয় দুই মহাপুরুষের। একজন লক্ষ্মীপতির শিষ্য অর্থাৎ নিত্যানন্দ প্রভুর গুরুভ্রাতা মাধবেন্দ্রপুরী এবং অন্যজন হলেন মহাপ্রভুর দাদা বিশ্বরূপ। এইভাবে সমস্ত তীর্থ দর্শন অন্তে নিতাই এল শ্রীধাম নবদ্বীপে । প্রাণগৌরাঙ্গের সাথে মিলতে। লীলাবিলাস করতে। 

ত্রয়োদশী তিথি বোধহয় নিতাই এর বড় প্রিয়। জন্মালেন ত্রয়োদশী তে। নবদ্বীপে এলেন ত্রয়োদশীতে। (আষাঢ় মাসের শুক্লা ত্রয়োদশী তে)। আবার ভবিষ্যতে দণ্ড মহোৎসব করলেন সেই ত্রয়োদশীতেই। (জৈষ্ঠ্য শুক্লা ত্রয়োদশী)। নবদ্বীপে প্রবেশ করে নিতাই লুকিয়ে রইলেন নন্দন আচার্যের বাড়িতে । মনে অভিপ্রায়-যদি আমার আরাধ্য কৃষ্ণ অবতীর্ণ হয়ে থাকে এই নদীয়াতে তাহলে সে আমাকে খুঁজে বের করবেই।
*#জানিয়া_আইল_ঝাট_নবদ্বীপপুরে* ।
*#আসিয়া_রহিলা_নন্দন_আচার্যের_ঘরে* ।।
এদিকে মহাপ্রভু তখন শ্রীবাস অঙ্গনে  লীলাবিলাস  প্রকাশ করছেন। এমন সময়ে মহাপ্রভু একদিন তার পারিষদ দের ভাবাবেশে বললেন 
*#আরে_ভাই_দিন_দুই_তিনের_ভিতরে*।
*#কোন_মহাপুরুষ_এক_আসিবে_এথারে*।।
*#তালধ্বজ_এক_রথ_সংসারের_সার* ।
*#আসিয়া_রহিল_রথ_আমার_দুয়ার*।।
*#নীল_বস্ত্র_পরিধান_নীলবস্ত্র_মাথে* ।
*#বেত্র_বান্ধা_এক_কমণ্ডলু_বাম_হাতে* ।।
এরপরে মহাপ্রভুর নির্দেশ মতো সবাই নন্দন আচার্যের বাড়িতে এসে প্রেমদাতা নিতাই কে দেখতে পেলেন। মহাপ্রভুর আদেশে শ্রীবাস পণ্ডিত ভাগবতের এক শ্লোক পাঠ করতেই নিতাই চাঁদের শরীরে অষ্ট সাত্ত্বিক ভাব ফুটে উঠল। মহাপ্রভু বুঝতে পারলেন এই সেই; যার আগমনের প্রতীক্ষা তিনি এতদিন করছেন ।
সামনেই আষাঢ়ী পূর্ণিমা-গুরুপূর্ণিমা-মহর্ষি বেদব্যাসের জন্মতিথি। ঠিক হল শ্রীবাস অঙ্গনেই ব্যাসপূজা হবে। পূজা করবেন স্বয়ং নিতাই নিজে।ষোড়শ উপাচার দানের সময় যখন মালা নিবিদনির সময় এসেছে তখন ব্যাসদেবের জন্য রাখা মালা হাতে নিয়ে আসন ছেড়ে নিতাই সটান চলে এলেন মহাপ্রভুর কাছে। আর সেই মালা পড়িয়ে দিলেন মহাপ্রভুর গলে।
*#দেখিলেন_নিত্যানন্দ_প্রভু_বিশ্বম্ভর* ।
*#মালা_তুলি_দিল_তাঁর_মস্তক_উপর* ।।
জগতে সবাইকে দেখালেন কলিযুগোপাস্যো হলেন কেবল তাঁর প্রাণপ্রিয় গৌরহরি। মহাপ্রভুর  সঙ্কীর্তন লীলার সবচেয়ে বড় সহায়ক ছিলেন আমাদের নিতাই।মহাপ্রভুর আদেশছিল নিতাই এর ওপর- সঙ্কীর্তনে জাতিভেদ যেন না থাকে। তাই নিতাই এর কাছে পাপী পুণ্যবান সবাই সমান। যাঁরা পুণ্যবান তাঁরা তো এমনিই ভগবান কে লাভ করে বসে আছে। কিন্তু যাঁরা পাপ ছাড়া অন্য কিছু বোঝে না তাদের গতি কি হবে? কিকরে তাদের মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনা হবে? তাই নিতাই অনাচারী পাষণ্ডী সবাইকে কৃষ্ণপ্রেমে ভাসিয়ে তুললেন।
হ্যাঁ!  নিতাই সেইজন যে কিনা নিজের মাথার রক্ত দিয়ে প্রেম দিয়েছিলেন। উদ্ধার করেছিলেন দুর্বৃত্ত জগাই-মাধাই কে।
*#অবধূত_নাম_শুনি_মাধাই_কুপিয়া* ।
*#মারিল_প্রভুর_শিরে_মুটকী_তুলিয়া* ।।
*#ফুটিল_মুটকী_শিরে_রক্ত_পড়ে_ধারে* ।
*#নিত্যানন্দ_মহাপ্রভু_গোবিন্দ_সঙরে* ।। 
তথাপি পরম করুণাময় নিতাই চাঁদ বললেন
*#কোন_জন্মে_থাকে_যদি_আমার_সুকৃত* ।
*#সব_দিলু_মাধাইরে_শুনহ_নিশ্চিত* ।।
সঙ্কীর্তন লীলাবিলাসে গোটা নবদ্বীপ কে কৃষ্ণ প্রেমে মাতিয়ে রাখলেন মহাপ্রভুর প্রধান সঙ্গী আমাদের নিতাই । এর কিছুকাল পরেই মহাপ্রভু সন্ন্যাস গ্রহণ করলেন। মহাপ্রভুর সাথে সাথেই নিতাই চললেন পুরীতে। বেশ কিছুকাল পুরীতে অবস্থান করলেন নিতাই। মহাপ্রভু বুঝলেন গোটা উড়িষ্যা কৃষ্ণপ্রেমে মাতোয়ারা হবে।কিন্তু বঙ্গদেশের মানুষের কি হবে? তাই মহাপ্রভুর কঠোর আদেশ বর্ষিত হল -- শ্রীপাদ তুমি বঙ্গদেশে ফিরে যাও। গৌর আজ্ঞা শিরোধার্য করে নিতাই এলেন আবার এই বাংলায়।বসলেন পানিহাটি গঙ্গা তীরে। রঘুনাথ দাস গোস্বামী কে গৌরপ্রেমের সন্ধান দিলেন। শুরু হলো দণ্ড মহোৎসব। ধীরে ধীরে বাঙালির হৃদয় ভরে উঠল নিতাই কে পেয়ে।শিষ্য বাড়তে লাগল। সৃষ্টি হল দ্বাদশ গোপালগণ। যাদের মধ্যে অব্রাহ্মণ উদ্ধারণ দত্তের হাতের রান্না করা অন্ন পেলেন নিতাই।
কত লীলা বলব? কত লীলা লিখব? অনন্ত স্বরূপ নিতাই এর লীলাও অনন্ত । 
*#এসব_লীলার_কভু_নাহি_পরিচ্ছেদ* ।
*#আবির্ভাব_তিরোভাব_মাত্র_কহে_বেদ* ।। 
সবাই মেতে উঠল নিতাই এর নামে । সম্বোধনবাক্য রচিত হল নিতাই এর নামে জয়ধ্বনি করে। নিশান উড়ল-*#জয়_নিতাই*
আজ সেই নিতাই এর জন্ম দিন । আমাদের পাগলাপ্রভু নিতাই এর জন্মদিন। আমাদের প্রাণের প্রাণ নিতাই এর জন্ম দিন। নিতাই সবার মঙ্গল করুক। সবার হৃদে বসবাস করুক।
*#সংসার_পার_হইয়া_ভক্তির_সাগরে* ।
*#যে_ডুবিবে_সে_ভজুক_নিতাই_চাঁদেরে* ।।
*জয় নিতাই!*
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝📝
      ꧁👇📖 সূচীপত্র ✍️ শ্রী দীপ বাগুই📖👇꧂



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-বাগুইপাড়া, বাগুইআটি,  উত্তর চব্বিশ পরগনা, কোলকাতা-৭০০১৫৯

✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

  *••••┉❀꧁👇🏠Home Page🏠👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

    *••••━❀꧁👇 📖 সূচীপত্র 📖 👇꧂❀┅••••* 



✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧

     *••••━❀꧁👇📚 PDF গ্রন্থ 📚👇꧂❀┅••••* 


✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   🌷❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🌷
   🏵️❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀🏵️
✧══════════•❁❀🙇❀❁•══════════✧







প্রেমদাতা পতিতপাবন নিতাইচাঁদ এর ৫৫০তম আবির্ভাব তিথি ❤️ শ্রী নিত্যানন্দ ত্রয়োদশী তিথি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/02/blog-post_2.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ প্রেমদাতা পতিতপাবন নিতাইচাঁদ এর আবির্ভাব তিথি ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই  ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ https://DeepBagui.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
             ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই ꧂
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*পরমপবিত্র_শ্রী_নিত্যানন্দ_ত্রয়োদশী_তিথি*

*#রাঢ়_মাঝে_একচক্রা_নামে_আছে_গ্রাম* ।
*#যহি_অবতীর্ণ_হইলা_নিত্যানন্দ_রাম* ।।
১৪৭৩ খ্রিস্টাব্দ । মাঘ মাসের শুক্লা ত্রয়োদশী তিথি। দিন হিসেবে ১২ জানুয়ারি। বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার অন্তর্গত বীরচন্দ্রপুর গ্রামে (প্রাচীন নাম একচক্রা) আমাদের সবার প্রাণের প্রাণ ; আমাদের ভালোবাসার একমাত্রনিধি পতিতপাবন নিতাই চাঁদ  জন্মগ্রহণ করেন। তিথিটি ছিল আজকের এই পরম পবিত্র তিথি।
*#যাইরে_তিথির_বালাই_যাই_রে* !
একচক্রা গ্রামে পিতা হাড়াই পণ্ডিত এবং মাতা পদ্মাবতী দেবীর ঘর আলোকরে জন্ম নেন ভবিষ্যতের আমাদের নেতা পতিতপাবন নিতাই। আজো একচক্রা গ্রামে নিতাই এর আঁতুরঘর টি সুন্দর ভাবে পরিদৃষ্ট হয়। আঁতুরঘরের নতুন রূপ -সূতিকা মন্দির। 

মা বাবা ছিলেন পরম ধার্মিক এবং দেবদ্বিজে নিষ্ঠাবাণ।ছেলেবেলা থেকেই নিতাই সুস্থির সুবুদ্ধির অধিকারী এবং স্বাস্থ্যবান ছিলেন।কোটি কন্দর্প কেও হার মানায় নিতাই এর দেহ লাবণ্য। অবশ্য ছেলেবেলাতে নিতাই এর নাম ছিল কুবের।ইতিহাস বলছে নিত্যানন্দ প্রভুর আবির্ভাবের পরেই শুষ্ক রাঢ়বঙ্গে দুর্ভিক্ষ দারিদ্র্য ঘুচে গেল। শুষ্ক রাঢ়বঙ্গ শস্যশ্যামলা হয়ে উঠল। আসলে দেবতনু পৃথিবীতে এলে সর্বসুলক্ষণ নিয়ে আসেন। এটাও সেইরকমই।
পড়াশোনায় অত্যন্ত মেধাবী নিতাই একচক্রার ছোটো ছেলেদের সাথে খেলাতে মেতে থাকতেন।কৃষ্ণলীলা অভিনয় ছিল ছোট্ট নিতাই এর খেলার একমাত্র বিষয় । আজো শ্রীধাম একচক্রা তে এই সমস্ত স্হান বিরাজিত। একচক্রা গ্রামে গেলেই এইসমস্ত স্হান দর্শন করা যায়। বারোবছর বয়সে গৃহে আগত এক সন্ন্যাসীর সাথে তিনি অজানা জগতের সন্ধানে বের হন। বের হন ভারতের সব তীর্থ দর্শনে। অজানা !!! যিনি জগতের স্রষ্টা তার কাছে তার জগৎ অজানা থাকতে পারে কি ? না । অজানা আমাদের চোখে। সেই অজানার খোঁজ দিতে তিনি ঘর ছাড়লেন।
*#হেনমতে_দ্বাদশ_বৎসর_থাকি_ঘরে* ।
*#নিত্যানন্দ_চলিলেন_তীর্থ_করিবারে* ।।মোট কুড়ি বছর তিনি পরিভ্রমণ করেন ভারতের সব তীর্থ । অর্থাৎ বারো থেকে বত্রিশ বছর পর্যন্ত নিতাই এর তীর্থ পর্যটন। মনে করা হয় যে সন্ন্যাসীর সাথে নিতাই তীর্থ পর্যটনে বের হন তিনি ছিলেন মাধ্ব বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের *#লক্ষ্মীপতি* জী।এবং লক্ষ্মীপতিই নিতাই কে কৃষ্ণমন্ত্রে দীক্ষা দেন। এই কুড়ি বছর নিতাই বৃন্দাবন সহ সব তীর্থ দর্শন করেন।নিত্যানন্দ প্রভুর পরিভ্রমণের সময় তাঁর সাথে দেখা হয় দুই মহাপুরুষের। একজন লক্ষ্মীপতির শিষ্য অর্থাৎ নিত্যানন্দ প্রভুর গুরুভ্রাতা মাধবেন্দ্রপুরী এবং অন্যজন হলেন মহাপ্রভুর দাদা বিশ্বরূপ। এইভাবে সমস্ত তীর্থ দর্শন অন্তে নিতাই এল শ্রীধাম নবদ্বীপে । প্রাণগৌরাঙ্গের সাথে মিলতে। লীলাবিলাস করতে। 

ত্রয়োদশী তিথি বোধহয় নিতাই এর বড় প্রিয়। জন্মালেন ত্রয়োদশী তে। নবদ্বীপে এলেন ত্রয়োদশীতে। (আষাঢ় মাসের শুক্লা ত্রয়োদশী তে)। আবার ভবিষ্যতে দণ্ড মহোৎসব করলেন সেই ত্রয়োদশীতেই। (জৈষ্ঠ্য শুক্লা ত্রয়োদশী)। নবদ্বীপে প্রবেশ করে নিতাই লুকিয়ে রইলেন নন্দন আচার্যের বাড়িতে । মনে অভিপ্রায়-যদি আমার আরাধ্য কৃষ্ণ অবতীর্ণ হয়ে থাকে এই নদীয়াতে তাহলে সে আমাকে খুঁজে বের করবেই।
*#জানিয়া_আইল_ঝাট_নবদ্বীপপুরে* ।
*#আসিয়া_রহিলা_নন্দন_আচার্যের_ঘরে* ।।
এদিকে মহাপ্রভু তখন শ্রীবাস অঙ্গনে  লীলাবিলাস  প্রকাশ করছেন। এমন সময়ে মহাপ্রভু একদিন তার পারিষদ দের ভাবাবেশে বললেন 
*#আরে_ভাই_দিন_দুই_তিনের_ভিতরে*।
*#কোন_মহাপুরুষ_এক_আসিবে_এথারে*।।
*#তালধ্বজ_এক_রথ_সংসারের_সার* ।
*#আসিয়া_রহিল_রথ_আমার_দুয়ার*।।
*#নীল_বস্ত্র_পরিধান_নীলবস্ত্র_মাথে* ।
*#বেত্র_বান্ধা_এক_কমণ্ডলু_বাম_হাতে* ।।
এরপরে মহাপ্রভুর নির্দেশ মতো সবাই নন্দন আচার্যের বাড়িতে এসে প্রেমদাতা নিতাই কে দেখতে পেলেন। মহাপ্রভুর আদেশে শ্রীবাস পণ্ডিত ভাগবতের এক শ্লোক পাঠ করতেই নিতাই চাঁদের শরীরে অষ্ট সাত্ত্বিক ভাব ফুটে উঠল। মহাপ্রভু বুঝতে পারলেন এই সেই; যার আগমনের প্রতীক্ষা তিনি এতদিন করছেন ।
সামনেই আষাঢ়ী পূর্ণিমা-গুরুপূর্ণিমা-মহর্ষি বেদব্যাসের জন্মতিথি। ঠিক হল শ্রীবাস অঙ্গনেই ব্যাসপূজা হবে। পূজা করবেন স্বয়ং নিতাই নিজে।ষোড়শ উপাচার দানের সময় যখন মালা নিবিদনির সময় এসেছে তখন ব্যাসদেবের জন্য রাখা মালা হাতে নিয়ে আসন ছেড়ে নিতাই সটান চলে এলেন মহাপ্রভুর কাছে। আর সেই মালা পড়িয়ে দিলেন মহাপ্রভুর গলে।
*#দেখিলেন_নিত্যানন্দ_প্রভু_বিশ্বম্ভর* ।
*#মালা_তুলি_দিল_তাঁর_মস্তক_উপর* ।।
জগতে সবাইকে দেখালেন কলিযুগোপাস্যো হলেন কেবল তাঁর প্রাণপ্রিয় গৌরহরি। মহাপ্রভুর  সঙ্কীর্তন লীলার সবচেয়ে বড় সহায়ক ছিলেন আমাদের নিতাই।মহাপ্রভুর আদেশছিল নিতাই এর ওপর- সঙ্কীর্তনে জাতিভেদ যেন না থাকে। তাই নিতাই এর কাছে পাপী পুণ্যবান সবাই সমান। যাঁরা পুণ্যবান তাঁরা তো এমনিই ভগবান কে লাভ করে বসে আছে। কিন্তু যাঁরা পাপ ছাড়া অন্য কিছু বোঝে না তাদের গতি কি হবে? কিকরে তাদের মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনা হবে? তাই নিতাই অনাচারী পাষণ্ডী সবাইকে কৃষ্ণপ্রেমে ভাসিয়ে তুললেন।
হ্যাঁ!  নিতাই সেইজন যে কিনা নিজের মাথার রক্ত দিয়ে প্রেম দিয়েছিলেন। উদ্ধার করেছিলেন দুর্বৃত্ত জগাই-মাধাই কে।
*#অবধূত_নাম_শুনি_মাধাই_কুপিয়া* ।
*#মারিল_প্রভুর_শিরে_মুটকী_তুলিয়া* ।।
*#ফুটিল_মুটকী_শিরে_রক্ত_পড়ে_ধারে* ।
*#নিত্যানন্দ_মহাপ্রভু_গোবিন্দ_সঙরে* ।। 
তথাপি পরম করুণাময় নিতাই চাঁদ বললেন
*#কোন_জন্মে_থাকে_যদি_আমার_সুকৃত* ।
*#সব_দিলু_মাধাইরে_শুনহ_নিশ্চিত* ।।
সঙ্কীর্তন লীলাবিলাসে গোটা নবদ্বীপ কে কৃষ্ণ প্রেমে মাতিয়ে রাখলেন মহাপ্রভুর প্রধান সঙ্গী আমাদের নিতাই । এর কিছুকাল পরেই মহাপ্রভু সন্ন্যাস গ্রহণ করলেন। মহাপ্রভুর সাথে সাথেই নিতাই চললেন পুরীতে। বেশ কিছুকাল পুরীতে অবস্থান করলেন নিতাই। মহাপ্রভু বুঝলেন গোটা উড়িষ্যা কৃষ্ণপ্রেমে মাতোয়ারা হবে।কিন্তু বঙ্গদেশের মানুষের কি হবে? তাই মহাপ্রভুর কঠোর আদেশ বর্ষিত হল -- শ্রীপাদ তুমি বঙ্গদেশে ফিরে যাও। গৌর আজ্ঞা শিরোধার্য করে নিতাই এলেন আবার এই বাংলায়।বসলেন পানিহাটি গঙ্গা তীরে। রঘুনাথ দাস গোস্বামী কে গৌরপ্রেমের সন্ধান দিলেন। শুরু হলো দণ্ড মহোৎসব। ধীরে ধীরে বাঙালির হৃদয় ভরে উঠল নিতাই কে পেয়ে।শিষ্য বাড়তে লাগল। সৃষ্টি হল দ্বাদশ গোপালগণ। যাদের মধ্যে অব্রাহ্মণ উদ্ধারণ দত্তের হাতের রান্না করা অন্ন পেলেন নিতাই।
কত লীলা বলব? কত লীলা লিখব? অনন্ত স্বরূপ নিতাই এর লীলাও অনন্ত । 
*#এসব_লীলার_কভু_নাহি_পরিচ্ছেদ* ।
*#আবির্ভাব_তিরোভাব_মাত্র_কহে_বেদ* ।। 
সবাই মেতে উঠল নিতাই এর নামে । সম্বোধনবাক্য রচিত হল নিতাই এর নামে জয়ধ্বনি করে। নিশান উড়ল-*#জয়_নিতাই*
আজ সেই নিতাই এর জন্ম দিন । আমাদের পাগলাপ্রভু নিতাই এর জন্মদিন। আমাদের প্রাণের প্রাণ নিতাই এর জন্ম দিন। নিতাই সবার মঙ্গল করুক। সবার হৃদে বসবাস করুক।
*#সংসার_পার_হইয়া_ভক্তির_সাগরে* ।
*#যে_ডুবিবে_সে_ভজুক_নিতাই_চাঁদেরে* ।।
*জয় নিতাই!*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
              ꧁ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই ꧂
নিবাস-বাগুইপাড়া, বাগুইআটি,  উত্তর চব্বিশ পরগনা, কোলকাতা-৭০০১৫৯
DEMOCRATIC NITYANANDA (Facebook Group) 👉 https://www.facebook.com/groups/1370545549769377/?ref=share
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আমায় দেওয়া ওনার এই অমূল্য লিখনী সেবা, তা সকলের মধ্যে প্রকাশ করলাম। ওনার এই অমূল্য দান সমগ্র বৈষ্ণব সমাজ অনন্তকাল মনে রাখিবে।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧



জীবাত্মা ও পরমাত্মা 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/02/blog-post_1.html


  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                   ꧁ জীবাত্মা ও পরমাত্মা 
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
প্রথমেতে ছিল পিতার মস্তক উপরে। 
যাগেযোগে জন্ম নিল জননী জঠরে ৷।
প্ৰথমেতে জল অগ্নি বায়ুর সঞ্চার। 
দিবারাত্র ভ্রমে কেবল সকল অন্ধকার ৷।
দুই দিনেতে কুসুম প্রায় হয়ে গেল জল। 
তিন দিনেতে সেই জলেতে ফলেছে এক ফল৷।
চক্রাকারের মত ঘুরে সেই জলেতে পড়ে। 
হরিপদ স্মরণ করে ধমকেতে পড়ে৷৷ 
এক দুই তিন করে চার মাস কেটে গেল। 
পাঁচ মাসেতে যে সময়ে প্রাণ সঞ্চারিল ৷।
ভ্রূণরূপে গর্ভে জীব করে সঞ্চরণ। 
পঞ্চম মাসেতে তবে দেহ পুষ্ট হন ৷।
ষষ্ঠ মাস হতে হয় কষ্ট ও যাতনা। 
জীব শক্তি থাকে কিন্তু না থাকে চেতনা ॥ 
পরমগুরু পরমাত্মা সপ্তমাস কালে। 
চৈতন্য হয় জীব গৰ্ভস্থ মণ্ডলে৷।
চেতন পাইয়া জীব করে দরশন। 
সম্মুখে মোহন মূর্তি দেব নারায়ণ ৷৷ 
আত্মজ্ঞান পেয়ে জীব সে সময় হতে। 
সুখে বাস করে জীব কৃষ্ণ নামে মেতে৷৷ 
শ্রীহরিরে হেরি জীব স্তব স্তুতি করে। 
পূর্বজন্ম কথা সব যায় মনে পড়ে ৷৷ 
জীবগণ বলে জম্বুদ্বীপে নাহি যাব। 
পুনরায় গিয়ে সেথা কত কষ্ট পাব৷।
কষ্ট পেতে যাওয়া শুধু জম্বুদ্বীপেতে। 
বরঞ্চ হেরিব কৃষ্ণ থাকিয়া গর্ভেতে৷৷
এতদিন থাকি গর্ভে কত কষ্ট পাই। 
সকল যন্ত্রণা ভুলি হেরি তব তাই ৷।
আশিলক্ষ বার যোনি ভ্রমিতে ভ্রমিতে। 
সদাই ভুলিয়া যাই জন্মি ধরণীতে৷।
অসংখ্য ভাগ্যের ফলে পেয়েছি তোমায়। 
আর তোমা তেয়াগিতে মন নাহি চায় ৷।
জম্বুদ্বীপে গেলে জীব মায়া ঘেরে মজে। 
মায়ামোহে বদ্ধ হয়ে আঁধারে বিরাজে৷।
যাইলে জম্বুদ্বীপে পরে অজ্ঞানী হইব। 
তোমা হেন মহাজনে ক্ষণেকে ভুলিব ৷।
জন্মাইলে জম্বুদ্বীপে ত্রিতাপ যাতনা।
আর নাহি চাই কষ্ট সহ বিড়ম্বনা ৷।
এই গৰ্ভস্থলে তোমা করি দরশন। 
সার্থক করিয়া পাব জনম জীবন ৷।
জীবাত্মা বাক্য শুনি পরমাত্মা কন। 
দুঃখের কারণ গর্ভবাস চিরন্তন।।
ভ্রূণরূপী জীব আর গর্ভধারী মাতা। 
বিনষ্ট হইবে দোঁহে নাহি অন্য কথা ॥ 
নিজ স্বার্থে মাতৃহত্যাকারী পাপী হবে। 
মহাপাপে দুষ্ট হয়ে নরকেতে যাবে।।
জীবাত্মা বলে জম্বুদ্বীপে নাহি যাব।
পুনঃ জন্ম পুনঃ মৃত্যু পাপাচারী হব ৷।
পরমাত্মা বলে তবে সাধুবেশে আমি।
জম্বুতে রহিব আমি সত্য কহি বাণী ॥ 
অচলা ভক্তি লয়ে যেবা সদা রয়। 
সর্বদা রক্ষিতে তারে হইব সদয় ৷৷ 
জীবাত্মা যদি চিনে গুরু বলে মোরে। 
কোন বাধা থাকিবে না। তাহার উদ্ধারে ৷৷ 
ধ্যান পূজা আদি যত অনুষ্ঠেয় কর্ম। 
ভক্তিতে সাধন করা এই জৈবধর্ম।। 
পরমাত্মা হতে জীব হেন আজ্ঞা পেয়ে। 
প্রতিজ্ঞা করিয়া জন্ম লয় জম্বু গিয়ে৷।
যবে জন্ম নিতে জীব স্বীকারোক্তি দেয়। 
সেইকালে পরমাত্মা অন্তর্হিত হয় ৷৷ 
মহানন্দ মনে জীব গর্ভবাসে রয়। 
মহামন্ত্র জপ জীব সর্বদা করয় ৷।
দশ মাস দশ দিন গর্ভবাস কালে।
প্রসবের কাল আসে দিন পূর্ণ হলে৷।
জম্বুদ্বীপে আসি জীব লভিলে জনম। 
আনন্দে মাতিয়া তবে ওঠে নিজ জন৷।
ভুলি মহামন্ত্র শিশু কাঁদে অনিবার। 
কেন শিশু কাঁদে কেহ নাহি বুঝে আর ৷।
ক্রন্দন থামাতে মাতা মুখে দেয় স্তন। 
মাতৃদুগ্ধ পেয়ে শিশু স্তব্ধ কিছুক্ষণ৷৷ 
বয়স বাড়য়ে যত আচ্ছন্ন মায়ায়। 
মিথ্যা মায়ামোহ কর্মে জড়াইয়া রয় ৷।
কাল কাটে ক্রমে ক্রমে ঐহিক বিলাসে। 
গুরুপদ ধ্যান মন্ত্র ভোলে অনায়াসে ৷।
বদ্ধ ও মুক্ত জীব দুইটি প্রকার। 
সে কারণে শাস্ত্র বাক্য আছে উপহার ৷।
আত্মার কল্যাণ তরে যে করে ভজন। 
সেই জন মুক্ত জীব শাস্ত্রের বচন ৷।
সংসারে আসক্ত জীব অজ্ঞানান্ধকারে। 
বদ্ধ জীব শাস্ত্রবাক্য বলেন তাহারে ॥ 
কামনা রহিত হয়ে যে বা কর্ম করে। 
ঈশ্বর কৃপায় সেই ভবার্ণব তরে॥ 
মায়ামোহ বদ্ধ জীব সংসার মায়ায়। 
দুঃখ কষ্ট ভোগ করে করে হায় হায়।।
এসব হেরিয়া সবে সৎ কর্ম কর। 
সত্য পুণ্য করি সবে পাপ হতে তর৷।
বলেন শ্রীকবি তবে হইয়া বিনীত। 
শ্রীকৃষ্ণ ভবনে আছে আনন্দ প্ৰভূত।।
🙏 শ্রীশ্রীকৃষ্ণ তত্ত্বরসামৃত জ্ঞানমঞ্জরী 🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧




জীবাত্মা ও পরমাত্মা 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/02/blog-post_1.html


  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                   ꧁ জীবাত্মা ও পরমাত্মা 
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
প্রথমেতে ছিল পিতার মস্তক উপরে। 
যাগেযোগে জন্ম নিল জননী জঠরে ৷।
প্ৰথমেতে জল অগ্নি বায়ুর সঞ্চার। 
দিবারাত্র ভ্রমে কেবল সকল অন্ধকার ৷।
দুই দিনেতে কুসুম প্রায় হয়ে গেল জল। 
তিন দিনেতে সেই জলেতে ফলেছে এক ফল৷।
চক্রাকারের মত ঘুরে সেই জলেতে পড়ে। 
হরিপদ স্মরণ করে ধমকেতে পড়ে৷৷ 
এক দুই তিন করে চার মাস কেটে গেল। 
পাঁচ মাসেতে যে সময়ে প্রাণ সঞ্চারিল ৷।
ভ্রূণরূপে গর্ভে জীব করে সঞ্চরণ। 
পঞ্চম মাসেতে তবে দেহ পুষ্ট হন ৷।
ষষ্ঠ মাস হতে হয় কষ্ট ও যাতনা। 
জীব শক্তি থাকে কিন্তু না থাকে চেতনা ॥ 
পরমগুরু পরমাত্মা সপ্তমাস কালে। 
চৈতন্য হয় জীব গৰ্ভস্থ মণ্ডলে৷।
চেতন পাইয়া জীব করে দরশন। 
সম্মুখে মোহন মূর্তি দেব নারায়ণ ৷৷ 
আত্মজ্ঞান পেয়ে জীব সে সময় হতে। 
সুখে বাস করে জীব কৃষ্ণ নামে মেতে৷৷ 
শ্রীহরিরে হেরি জীব স্তব স্তুতি করে। 
পূর্বজন্ম কথা সব যায় মনে পড়ে ৷৷ 
জীবগণ বলে জম্বুদ্বীপে নাহি যাব। 
পুনরায় গিয়ে সেথা কত কষ্ট পাব৷।
কষ্ট পেতে যাওয়া শুধু জম্বুদ্বীপেতে। 
বরঞ্চ হেরিব কৃষ্ণ থাকিয়া গর্ভেতে৷৷
এতদিন থাকি গর্ভে কত কষ্ট পাই। 
সকল যন্ত্রণা ভুলি হেরি তব তাই ৷।
আশিলক্ষ বার যোনি ভ্রমিতে ভ্রমিতে। 
সদাই ভুলিয়া যাই জন্মি ধরণীতে৷।
অসংখ্য ভাগ্যের ফলে পেয়েছি তোমায়। 
আর তোমা তেয়াগিতে মন নাহি চায় ৷।
জম্বুদ্বীপে গেলে জীব মায়া ঘেরে মজে। 
মায়ামোহে বদ্ধ হয়ে আঁধারে বিরাজে৷।
যাইলে জম্বুদ্বীপে পরে অজ্ঞানী হইব। 
তোমা হেন মহাজনে ক্ষণেকে ভুলিব ৷।
জন্মাইলে জম্বুদ্বীপে ত্রিতাপ যাতনা।
আর নাহি চাই কষ্ট সহ বিড়ম্বনা ৷।
এই গৰ্ভস্থলে তোমা করি দরশন। 
সার্থক করিয়া পাব জনম জীবন ৷।
জীবাত্মা বাক্য শুনি পরমাত্মা কন। 
দুঃখের কারণ গর্ভবাস চিরন্তন।।
ভ্রূণরূপী জীব আর গর্ভধারী মাতা। 
বিনষ্ট হইবে দোঁহে নাহি অন্য কথা ॥ 
নিজ স্বার্থে মাতৃহত্যাকারী পাপী হবে। 
মহাপাপে দুষ্ট হয়ে নরকেতে যাবে।।
জীবাত্মা বলে জম্বুদ্বীপে নাহি যাব।
পুনঃ জন্ম পুনঃ মৃত্যু পাপাচারী হব ৷।
পরমাত্মা বলে তবে সাধুবেশে আমি।
জম্বুতে রহিব আমি সত্য কহি বাণী ॥ 
অচলা ভক্তি লয়ে যেবা সদা রয়। 
সর্বদা রক্ষিতে তারে হইব সদয় ৷৷ 
জীবাত্মা যদি চিনে গুরু বলে মোরে। 
কোন বাধা থাকিবে না। তাহার উদ্ধারে ৷৷ 
ধ্যান পূজা আদি যত অনুষ্ঠেয় কর্ম। 
ভক্তিতে সাধন করা এই জৈবধর্ম।। 
পরমাত্মা হতে জীব হেন আজ্ঞা পেয়ে। 
প্রতিজ্ঞা করিয়া জন্ম লয় জম্বু গিয়ে৷।
যবে জন্ম নিতে জীব স্বীকারোক্তি দেয়। 
সেইকালে পরমাত্মা অন্তর্হিত হয় ৷৷ 
মহানন্দ মনে জীব গর্ভবাসে রয়। 
মহামন্ত্র জপ জীব সর্বদা করয় ৷।
দশ মাস দশ দিন গর্ভবাস কালে।
প্রসবের কাল আসে দিন পূর্ণ হলে৷।
জম্বুদ্বীপে আসি জীব লভিলে জনম। 
আনন্দে মাতিয়া তবে ওঠে নিজ জন৷।
ভুলি মহামন্ত্র শিশু কাঁদে অনিবার। 
কেন শিশু কাঁদে কেহ নাহি বুঝে আর ৷।
ক্রন্দন থামাতে মাতা মুখে দেয় স্তন। 
মাতৃদুগ্ধ পেয়ে শিশু স্তব্ধ কিছুক্ষণ৷৷ 
বয়স বাড়য়ে যত আচ্ছন্ন মায়ায়। 
মিথ্যা মায়ামোহ কর্মে জড়াইয়া রয় ৷।
কাল কাটে ক্রমে ক্রমে ঐহিক বিলাসে। 
গুরুপদ ধ্যান মন্ত্র ভোলে অনায়াসে ৷।
বদ্ধ ও মুক্ত জীব দুইটি প্রকার। 
সে কারণে শাস্ত্র বাক্য আছে উপহার ৷।
আত্মার কল্যাণ তরে যে করে ভজন। 
সেই জন মুক্ত জীব শাস্ত্রের বচন ৷।
সংসারে আসক্ত জীব অজ্ঞানান্ধকারে। 
বদ্ধ জীব শাস্ত্রবাক্য বলেন তাহারে ॥ 
কামনা রহিত হয়ে যে বা কর্ম করে। 
ঈশ্বর কৃপায় সেই ভবার্ণব তরে॥ 
মায়ামোহ বদ্ধ জীব সংসার মায়ায়। 
দুঃখ কষ্ট ভোগ করে করে হায় হায়।।
এসব হেরিয়া সবে সৎ কর্ম কর। 
সত্য পুণ্য করি সবে পাপ হতে তর৷।
বলেন শ্রীকবি তবে হইয়া বিনীত। 
শ্রীকৃষ্ণ ভবনে আছে আনন্দ প্ৰভূত।।
🙏 শ্রীশ্রীকৃষ্ণ তত্ত্বরসামৃত জ্ঞানমঞ্জরী 🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧




শ্রীচৈতন্য ভাগবতে শ্রীমন্মহাপ্রভু সম্পর্কে শ্রীঅদ্বৈত প্রভুর উক্তি 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/02/mohaprobhu.html


  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ শ্রীচৈতন্য ভাগবতে শ্রীমন্মহাপ্রভু সম্পর্কে শ্রীঅদ্বৈত প্রভুর উক্তি ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
তুমি বিষ্ণু তুমি কৃষ্ণ তুমি নারায়ণ।
তুমি মৎস্য তুমি কূর্ম তুমি সনাতন ৷৷
তুমি হে বরাহ প্রভু তুমি হে বামন।
তুমি কর যুগে যুগে বেদের পালন ৷৷
তুমি রক্ষঃ কুল হস্তা জানকী জীবন ।
তুমি গুহ বরদাতা অহল্যা মোচন ৷৷
সঙ্কীর্তন আরম্ভে তোমার অবতার।
অনন্ত ব্রহ্মাণ্ডে তোমা বই নাই আর ॥
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
এই সে চরণ রমা সেবে এক মনে।
ইহারি সে যশঃ গায় সহস্ৰ বদনে ৷৷
এই সে চরণ ব্রহ্মা পূজয় সদায়।
শ্রুতি স্মৃতি পুরাণে ইহারি তত্ত্ব গায় ।
সর্বভূত অন্তর্যামী শ্রীগৌরাঙ্গ রায়।
চরণ তুলিয়া দিলা অদ্বৈত মাথায় ৷৷
মাথা ঢুলাইয়া বলে প্রভু বিশ্বম্ভর।
তোমার নিমিত্ত আমি হইনু গোচর ৷৷
অদ্বৈত বোলয়ে তুমি সর্ব বেদ সার।
তোমারেই চাহি প্রভু কি চাহিব আর ৷৷
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧




শ্রীচৈতন্য ভাগবতে শ্রীমন্মহাপ্রভু সম্পর্কে শ্রীঅদ্বৈত প্রভুর উক্তি 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/02/mohaprobhu.html


  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ শ্রীচৈতন্য ভাগবতে শ্রীমন্মহাপ্রভু সম্পর্কে শ্রীঅদ্বৈত প্রভুর উক্তি ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
তুমি বিষ্ণু তুমি কৃষ্ণ তুমি নারায়ণ।
তুমি মৎস্য তুমি কূর্ম তুমি সনাতন ৷৷
তুমি হে বরাহ প্রভু তুমি হে বামন।
তুমি কর যুগে যুগে বেদের পালন ৷৷
তুমি রক্ষঃ কুল হস্তা জানকী জীবন ।
তুমি গুহ বরদাতা অহল্যা মোচন ৷৷
সঙ্কীর্তন আরম্ভে তোমার অবতার।
অনন্ত ব্রহ্মাণ্ডে তোমা বই নাই আর ॥
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
এই সে চরণ রমা সেবে এক মনে।
ইহারি সে যশঃ গায় সহস্ৰ বদনে ৷৷
এই সে চরণ ব্রহ্মা পূজয় সদায়।
শ্রুতি স্মৃতি পুরাণে ইহারি তত্ত্ব গায় ।
সর্বভূত অন্তর্যামী শ্রীগৌরাঙ্গ রায়।
চরণ তুলিয়া দিলা অদ্বৈত মাথায় ৷৷
মাথা ঢুলাইয়া বলে প্রভু বিশ্বম্ভর।
তোমার নিমিত্ত আমি হইনু গোচর ৷৷
অদ্বৈত বোলয়ে তুমি সর্ব বেদ সার।
তোমারেই চাহি প্রভু কি চাহিব আর ৷৷
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧




শ্রীজয়া বা শ্রীভৈমী একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 EKADOSHI GOPISHARAN DAS 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/02/ekadoshi-gopisharan-das.html


 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    ꧁ শ্রীজয়া বা শ্রীভৈমী একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য ꧂
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ https://Gopisharan.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*শ্রীজয়া বা শ্রীভৈমী একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য*
 
মাঘী শুক্লপক্ষীয়া ‘জয়া’ একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য ভবিষ্যোত্তর পুরাণে যুধিষ্ঠির-শ্রীকৃষ্ণ সংবাদরূপে বর্ণিত আছে।  শ্রীগরুড়পুরাণে মাঘ মাসের শুক্লাপক্ষীয়া একাদশী তিথিকে ‘ভৈমী’ একাদশী নামে অভিহিত করা হয়েছে। কল্পান্তরে বিভিন্ন পুরাণে বিভিন্ন নাম দেখা যায়। পদ্মপুরাণ অনুসারে জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষীয়া একাদশীর নামই ‘পান্ডবা নির্জলা’ বা ‘ভীমসেনী’ (ভৈমী) একাদশী। 

যুধিষ্ঠির বললেন- হে কৃষ্ণ! আপনি কৃপা করে মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশীর সবিশেষ বর্ণনা করুন। 
শ্রীকৃষ্ণ বললেন- হে মহারাজ! মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী ‘জয়া’ নামে প্রসিদ্ধ। এই তিথি সর্বপাপবিনাশিনী, সর্বশ্রেষ্ঠা, পবিত্রা, সর্বকাম ও মুক্তি প্রদায়িনী। এই ব্রতের ফলে মানুষ কখনও প্রেতত্ব প্রাপ্তি হয় না। এই একাদশীর নিম্নরূপ উপাখ্যান শোনা যায়। একসময় স্বর্গলোকে ইন্দ্র রাজত্ব করছিলেন। সেখানে অন্য দেবতারাও বেশ সুখেই ছিলেন। 

তাঁরা পারিজাত পুষ্প শোভিত নন্দনকাননে অপ্সরাদের সাথে বিহার করতেন। একদিন পঞ্চাশ কোটি অপ্সরা-নায়ক দেবরাজ ইন্দ্র স্বেচ্ছায় আনন্দভরে তাদের নৃত্য করতে বললেন। নৃত্যের সাথে গন্ধর্বগণ গান করতে লাগলেন। পুষ্পদত্ত, চিত্রসেন প্রভৃতি প্রধান প্রধান গন্ধর্বেরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। চিত্রসেনের পত্নীর নাম মালিনী। পুষ্পবন্তী নামে তাঁদের এক কন্যা ছিল। পুষ্পদত্তের পুত্রের নাম মাল্যবান। এই মাল্যবান পুষ্পবন্তীর রূপে মুগ্ধ হয়েছিল। পুষ্পবন্তী পুনঃ পুনঃ কটাক্ষ দ্বারা মাল্যবানকে বশীভূত করেছিল। 

ইন্দ্রের প্রীতিবিধানের জন্য তারা দুজনেই নৃত্যগীতের সেই সভায় যোগদান করেছিল। কিন্তু একে অপরের প্রতি আকৃষ্ট থাকায় উভয়েরই চিত্ত বিভ্রান্ত হচ্ছিল। সেখানে তারা পরস্পর কেবল দৃষ্টিবদ্ধ অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকল। ফলে গানের ক্রম বিপর্যয় ঘটল। তাদের এইরকম তাল-মান ভঙ্গভাব দেখে তারা যে পরস্পর কামাসক্ত হয়েছে, দেবরাজ ইন্দ্র তা বুঝতে পারলেন। তখন ক্রোধবশে তিনি তাদের অভিশাপ দিলেন- রে মূঢ়! তোমরা আমার আজ্ঞা লঙ্ঘন করেছ। তোমাদের ধিক! এখনই তোমরা পিশাচযোনী লাভ করে মর্ত্যলোকে নিজ দুষ্কর্মের ফল ভোগ করো।

ইন্দ্রের অভিশাপে তারা দুজন দুঃখিত মনে হিমালয় পর্বতে বিচরণ করছিল। পিশাচত্ব প্রাপ্ত হওয়ায় তারা অত্যন্ত দুঃখ ভোগ করতে লাগল। হিমালয়ে প্রচন্ড শীতে কাতর হয়ে নিজেদের পূর্বপরিচয় বিস্মৃত হল। এইভাবে অতি কষ্টে সেখানে দিনযাপন করতে লাগল। 

একদিন পিশাচ নিজপত্নী পিশাচীকে বলল- সামান্য মাত্র পাপ করিনি। অথচ নরক যন্ত্রণার মতো পিশাচত্ব প্রাপ্ত হয়েছি। অতএব এখন থেকে আর কখনও কোন পাপকর্ম করব না। এইভাবে চিন্তা করে তারা সেই পর্বতে মৃত প্রায় বাস করতে লাগল। মাল্যবান ও পুষ্পবন্তীর পূর্ব কোন পূণ্যবশতঃ সেই সময় মাঘী শুক্লপক্ষীয়া ‘জয়া’ একাদশী তিথি উপস্থিত হল। তারা একটি অশ্বত্থ বৃক্ষতলে নিরাহারে নির্জলা অবস্থায় দিবানিশি যাপন করল। শীতের প্রকোপে অনিদ্রায় রাত্রি অতিবাহিত হল। 

পরদিন সূর্যোদয়ে দ্বাদশী তিথি উপস্থিত হল। জয়া একাদশীর দিন অনাহার ও রাত্রি জাগরণে তাদের ভক্তির অনুষ্ঠান পালিত হল। এই ব্রত পালনের ফলে ভগবান বিষ্ণুর কৃপায় তাদের পিশাচত্ব দূর হল। তারা দুজনেই তাদের পূর্বরূপ ফিরে পেল। তারপর তারা স্বর্গে ফিরে গেল। দেবরাজ তাদেরকে দেখে অত্যন্ত আশ্চর্য হলেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন- কোন পূণ্য ফলে তোমাদের পিশাচত্ব দূর হল। আমার অভিশাপ থেকে কে তোমাদের মুক্ত করল? 

মাল্যবান বললেন- হে প্রভু! ভগবান বাসুদেবের কৃপায় জয়া একাদশী ব্রতের পূণ্যপ্রভাবে আমাদের পিশাচত্ব দূর হয়েছে। তাদের কথা শুনে দেবরাজ ইন্দ্র বললেন- হে মাল্যবান, তোমরা এখন থেকে আবার অমৃত পান কর। একাদশী ব্রতে যাঁরা আসক্ত এবং যাঁরা কৃষ্ণভক্তি-পরায়ণ তাঁরা আমাদেরও পূজ্য বলে জানবে। এই দেবোলোকে তুমি পুষ্পবন্তীর সাথে সুখে বাস কর। 

হে মহারাজ! এই ‘জয়া’ একাদশী ব্রত ব্রহ্মহত্যাজনিত পাপকেও বিনাশ করে। এই ব্রত পালনে সমস্ত প্রকার দানের ফল লাভ হয়। সকল যজ্ঞ ও তীর্থের পুণ্যফল এই একাদশী প্রভাবে আপনা হতেই লাভ হয়। অবশেষে মহানন্দে অনন্তকাল বৈকুন্ঠ বাস হয়। এই জয়া একাদশী ব্রতকথা পাঠ ও শ্রবণে অগ্নিষ্টোম যজ্ঞের ফল পাওয়া যায়।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

শ্রীজয়া বা শ্রীভৈমী একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 EKADOSHI GOPISHARAN DAS 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/02/ekadoshi-gopisharan-das.html


 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    ꧁ শ্রীজয়া বা শ্রীভৈমী একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য ꧂
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ https://Gopisharan.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*শ্রীজয়া বা শ্রীভৈমী একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য*
 
মাঘী শুক্লপক্ষীয়া ‘জয়া’ একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য ভবিষ্যোত্তর পুরাণে যুধিষ্ঠির-শ্রীকৃষ্ণ সংবাদরূপে বর্ণিত আছে।  শ্রীগরুড়পুরাণে মাঘ মাসের শুক্লাপক্ষীয়া একাদশী তিথিকে ‘ভৈমী’ একাদশী নামে অভিহিত করা হয়েছে। কল্পান্তরে বিভিন্ন পুরাণে বিভিন্ন নাম দেখা যায়। পদ্মপুরাণ অনুসারে জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষীয়া একাদশীর নামই ‘পান্ডবা নির্জলা’ বা ‘ভীমসেনী’ (ভৈমী) একাদশী। 

যুধিষ্ঠির বললেন- হে কৃষ্ণ! আপনি কৃপা করে মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশীর সবিশেষ বর্ণনা করুন। 
শ্রীকৃষ্ণ বললেন- হে মহারাজ! মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী ‘জয়া’ নামে প্রসিদ্ধ। এই তিথি সর্বপাপবিনাশিনী, সর্বশ্রেষ্ঠা, পবিত্রা, সর্বকাম ও মুক্তি প্রদায়িনী। এই ব্রতের ফলে মানুষ কখনও প্রেতত্ব প্রাপ্তি হয় না। এই একাদশীর নিম্নরূপ উপাখ্যান শোনা যায়। একসময় স্বর্গলোকে ইন্দ্র রাজত্ব করছিলেন। সেখানে অন্য দেবতারাও বেশ সুখেই ছিলেন। 

তাঁরা পারিজাত পুষ্প শোভিত নন্দনকাননে অপ্সরাদের সাথে বিহার করতেন। একদিন পঞ্চাশ কোটি অপ্সরা-নায়ক দেবরাজ ইন্দ্র স্বেচ্ছায় আনন্দভরে তাদের নৃত্য করতে বললেন। নৃত্যের সাথে গন্ধর্বগণ গান করতে লাগলেন। পুষ্পদত্ত, চিত্রসেন প্রভৃতি প্রধান প্রধান গন্ধর্বেরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। চিত্রসেনের পত্নীর নাম মালিনী। পুষ্পবন্তী নামে তাঁদের এক কন্যা ছিল। পুষ্পদত্তের পুত্রের নাম মাল্যবান। এই মাল্যবান পুষ্পবন্তীর রূপে মুগ্ধ হয়েছিল। পুষ্পবন্তী পুনঃ পুনঃ কটাক্ষ দ্বারা মাল্যবানকে বশীভূত করেছিল। 

ইন্দ্রের প্রীতিবিধানের জন্য তারা দুজনেই নৃত্যগীতের সেই সভায় যোগদান করেছিল। কিন্তু একে অপরের প্রতি আকৃষ্ট থাকায় উভয়েরই চিত্ত বিভ্রান্ত হচ্ছিল। সেখানে তারা পরস্পর কেবল দৃষ্টিবদ্ধ অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকল। ফলে গানের ক্রম বিপর্যয় ঘটল। তাদের এইরকম তাল-মান ভঙ্গভাব দেখে তারা যে পরস্পর কামাসক্ত হয়েছে, দেবরাজ ইন্দ্র তা বুঝতে পারলেন। তখন ক্রোধবশে তিনি তাদের অভিশাপ দিলেন- রে মূঢ়! তোমরা আমার আজ্ঞা লঙ্ঘন করেছ। তোমাদের ধিক! এখনই তোমরা পিশাচযোনী লাভ করে মর্ত্যলোকে নিজ দুষ্কর্মের ফল ভোগ করো।

ইন্দ্রের অভিশাপে তারা দুজন দুঃখিত মনে হিমালয় পর্বতে বিচরণ করছিল। পিশাচত্ব প্রাপ্ত হওয়ায় তারা অত্যন্ত দুঃখ ভোগ করতে লাগল। হিমালয়ে প্রচন্ড শীতে কাতর হয়ে নিজেদের পূর্বপরিচয় বিস্মৃত হল। এইভাবে অতি কষ্টে সেখানে দিনযাপন করতে লাগল। 

একদিন পিশাচ নিজপত্নী পিশাচীকে বলল- সামান্য মাত্র পাপ করিনি। অথচ নরক যন্ত্রণার মতো পিশাচত্ব প্রাপ্ত হয়েছি। অতএব এখন থেকে আর কখনও কোন পাপকর্ম করব না। এইভাবে চিন্তা করে তারা সেই পর্বতে মৃত প্রায় বাস করতে লাগল। মাল্যবান ও পুষ্পবন্তীর পূর্ব কোন পূণ্যবশতঃ সেই সময় মাঘী শুক্লপক্ষীয়া ‘জয়া’ একাদশী তিথি উপস্থিত হল। তারা একটি অশ্বত্থ বৃক্ষতলে নিরাহারে নির্জলা অবস্থায় দিবানিশি যাপন করল। শীতের প্রকোপে অনিদ্রায় রাত্রি অতিবাহিত হল। 

পরদিন সূর্যোদয়ে দ্বাদশী তিথি উপস্থিত হল। জয়া একাদশীর দিন অনাহার ও রাত্রি জাগরণে তাদের ভক্তির অনুষ্ঠান পালিত হল। এই ব্রত পালনের ফলে ভগবান বিষ্ণুর কৃপায় তাদের পিশাচত্ব দূর হল। তারা দুজনেই তাদের পূর্বরূপ ফিরে পেল। তারপর তারা স্বর্গে ফিরে গেল। দেবরাজ তাদেরকে দেখে অত্যন্ত আশ্চর্য হলেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন- কোন পূণ্য ফলে তোমাদের পিশাচত্ব দূর হল। আমার অভিশাপ থেকে কে তোমাদের মুক্ত করল? 

মাল্যবান বললেন- হে প্রভু! ভগবান বাসুদেবের কৃপায় জয়া একাদশী ব্রতের পূণ্যপ্রভাবে আমাদের পিশাচত্ব দূর হয়েছে। তাদের কথা শুনে দেবরাজ ইন্দ্র বললেন- হে মাল্যবান, তোমরা এখন থেকে আবার অমৃত পান কর। একাদশী ব্রতে যাঁরা আসক্ত এবং যাঁরা কৃষ্ণভক্তি-পরায়ণ তাঁরা আমাদেরও পূজ্য বলে জানবে। এই দেবোলোকে তুমি পুষ্পবন্তীর সাথে সুখে বাস কর। 

হে মহারাজ! এই ‘জয়া’ একাদশী ব্রত ব্রহ্মহত্যাজনিত পাপকেও বিনাশ করে। এই ব্রত পালনে সমস্ত প্রকার দানের ফল লাভ হয়। সকল যজ্ঞ ও তীর্থের পুণ্যফল এই একাদশী প্রভাবে আপনা হতেই লাভ হয়। অবশেষে মহানন্দে অনন্তকাল বৈকুন্ঠ বাস হয়। এই জয়া একাদশী ব্রতকথা পাঠ ও শ্রবণে অগ্নিষ্টোম যজ্ঞের ফল পাওয়া যায়।
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

১২২. অযোধ‍্যায় কালপুরুষের আগমন ও লক্ষ্মণ বর্জন,কালপুরুষ=অতিবল নামক মুনির দূত 🚩 কৃত্তিবাসী রামায়ণ কথন সংক্ষেপে ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/02/blog-post.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ ১২২. কৃত্তিবাসী রামায়ণ কথন সংক্ষেপে 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ JoydebDaw.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
     এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ কৃত্তিবাসী রামায়ণ কথন সংক্ষেপে 🙏 সূচীপত্র ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(১২২)কৃত্তিবাসী রামায়ণ সংক্ষিপ্ত*
"""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
*🌻অযোধ‍্যায় কালপুরুষের আগমন ও লক্ষ্মণ বর্জন,কালপুরুষ=অতিবল নামক মুনির দূত)🌻*
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*🌻সন্ন‍্যাসীর বেশ ধারণ করে অযোধ‍্যানগরীতে প্রবেশ করলেন কালপুরুষ।সভায় মহারাজাধিরাজ শ্রীরামচন্দ্র বসে আছেন।কালপুরুষ মহারাজের সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রার্থী।আর দ্বার রক্ষকে আছেন স্বয়ং অনুজ লক্ষ্মণ।কালপুরুষ লক্ষ্মণকে বললেন, আমি ব্রহ্মার দূত, ব্রহ্মা পাঠালেন আমি মহারাজাধিরাজ রামচন্দ্রের সঙ্গে কথোপকথন আছে।রামের কাছে গিয়ে লক্ষ্মণ সম্ভ্রমে জোড়হাত করে বললেন,ব্রহ্মার দূত এসেছেন,রাম বললেন,যথা সম্মানের সহিত ভেতরে নিয়ে এসো।*
*🍀পাদ‍্য অর্ঘ‍্য দিয়া রাম দিলেন আসন।*
*🍀যোড়হস্তে জিজ্ঞাসেন কহ প্রয়োজন।।*
*🌻তখন কালপুরুষ বললেন যে,আমি যে কথা বলব যেন অন‍্য কেউ শুনতে না পায়, তাই ভেতরে আমি আর আপনি ছাড়া অন‍্য কেহ থাকবে না, অন‍্য কাউকে প্রবেশ করতে নিষেধ।তখন রাম লক্ষ্মণকে বললেন,*
*🍀শ্রীরাম বলেন শুন প্রাণের লক্ষ্মণ।*
*🍀সাবধানে থাক না আইসে কোনজন।।*
*🍀অধিক কি কহিব যে দ্বার পানে চায়।*
*🍀তাহাকে ত‍্যজিব আমি জানিহ নিশ্চয়।।*
*🍀এই সত‍্য কহিলাম দূতের গোচরে।*
*🍀সাবধানে লক্ষ্মণ রহিবে তুমি দ্বারে।।*
*🌻কালপুরুষ বলতে লাগলেন,বিধাতার নির্বন্ধ খন্ডন করা যায় না।আপনি এগার হাজার বৎসরের বেশী সময় মর্ত‍্যে রয়েছেন, আর বৈকুন্ঠ নগরী শূন‍্য হয়ে রয়েছে, তাই শূন‍্যস্থান পূরণ করবার জন্য আপনাকে আমি নিতে এসেছি,*
*🍀সংসারের লোক নাশি মোর দূতে আনে।*
*🍀তোমারে লইতে আমি আইনু আপনে।।*
*🌻রামচন্দ্র বললেন, যম তুমি যা কহিবে আমি তাই করব। আমি সংসার ছেড়ে বৈকুন্ঠে গমন করব।*
*🍀দৈবের নির্বন্ধ আছে না যায় খন্ডন।*
*🍀ব্রহ্মার মায়াতে দুবাসার আগমন।।*
*🌻দ্বারে লক্ষ্মণ বসে আছেন, দুর্বাসামুনি বললেন, রামচন্দ্রকে বলো আমি এসেছি।লক্ষ্মণ যোড়হাত করে বললেন,ব্রহ্মার দূত এসেছেন তাঁর সঙ্গে কথা বলছেন, এবং বলেছেন আমি যেন কাউকে প্রবেশ করতে না দেয়।এইকথা শুনে দুর্বাসামুনি ক্রোধান্বিত বলতে লাগলেন আমি এই অযোধ‍্যানগরী পুড়িয়ে ছারখার করে দিব।মুনির ক্রোধ দেখে লক্ষ্মণ চিন্তা করছেন, আমি রামের কাছে গেলেই আমাকে বর্জন করবেন আর না গেলে মুনি শাপ দিবেন।*
*🍀দেখিয়া মুনির কোপ লক্ষ্মণের ত্রাস।*
*🍀ভাবেন আমার লাগি হয় সর্বনাশ।।*
*🍀বুঝি রাম করিবেন আমারে বর্জন।*
*🍀এড়াইতে নারি আমি ললাট লিখন।।*
*🌻আমার জন্য আমি অযোধ‍্যা ধ্বংস হতে দিব না, আমি বর্জন হলেও তো অযোধ‍্যা বাঁচবে বলে ভেতরে গেলেন এবং দুর্বাসামুনির কথা বললেন।কালপুরুষকে বিদায় করলেন এবং মুনির সঙ্গে কথা বলতে লাগলেন।* *রাম বললেন কি কারণে আগমন যদি কৃপা করে বলেন।দুর্বাসা বললেন আমি এক বছর ধরে অনাহারে আছি, আমায় উৎকৃষ্ট ভোজন দাও।তখন রাম বললেন, অনাহার আপনার মুখ‍্য কারণ নয়, দুর্বাসা বললেন, তুমি লক্ষ্মণকে ত‍্যাগ কর, কারণ তুমি তোমার কথা রাখ।তুমি বলেছিলে দূতের সঙ্গে কথা বলা কালিন যদি লক্ষ্মণ ভেতরে আসে তাহলে বর্জন করবে, মনে আছে? শ্রীরাম বললেন,*
*🍀শ্রীরাম বলেন সীতা আর রাজ‍্য ধন।*
*🍀ইহার অধিক মোর ভাই যে লক্ষ্মণ।।*
*🍀সকলি ত‍্যজিতে পারি জানকী সুন্দরী।*
*🍀লক্ষ্মণ বিহনে আমি রহিতে না পারি।।*
*🌻তখন সেই সভায় বশিষ্ঠ, নারদ ও অন‍্যান‍্য কিছু মুনিগণ এসেছিলেন, তাঁরা বললেন,*
*🍀সত‍্য যদি পাল তবে বর্জহ লক্ষ্মণে।*
*🍀মুনিরা বলিছে রাম কি ভাবিছ মনে।।*
*🌻তুমি সত‍্যের জন্য বনবাসে গেলে, পিতার মৃত‍্যু হল, দেখতে পেলে না।সত‍্যের জন্য সীতাকে বনবাসে দিলে, সত‍্যের জন‍্য সীতার অগ্নি পরীক্ষা করলে মনে নাই।অতএব তুমি সত‍্য পালন কর।তখন লক্ষ্মণ নিজে এসে বললেন,*
*🍀হেনকালে শ্রীরামেরে বলেন লক্ষ্মণ।*
*🍀আমারে র্বিয়া কর সত‍্যের পালন।।*
*🌻শ্রীরাম অনিচ্ছাকৃতভাবে অনুজ লক্ষ্মণকে বর্জন করতে সিদ্ধান্ত নিলেন, দুই ভাই আলিঙ্গন করতে লাগলেন এবং নয়নজলে বক্ষ ভাসালেন। অযোধ‍্যানগরে শোকের ছায়া পড়ল,🍀হাহাকার রোদন উঠিল চতুর্দিক।বিলাপ করেন রাম বর্ণিতে অধিক।।🍀রাম বলছেন লোক অপবাদে সীতাকে বর্জন করলাম কিন্তু কি অপরাধে তোমায় বর্জন করতে হল?রাম বললেন,ভরত তুমি রাজসিংহাসনে বসো।ভরত বললেন আমি তোমার সঙ্গে যাব, অতএব সিংহাসন আমার জন্য নহে।তারপর শত্রুঘ্নকে আনতে দূত পাঠালেন মথুরায়।দূত মথুরায় গিয়ে বলল, শ্রীরাম স্বর্গে গমন করবেন এবং তাঁর সকলেই যাবেন,তাই আপনাকে সিংহাসনে বসিতে হবে।ছয়দিন পর শত্রুঘ্ন এলেন, বললেন, আমি আপনার সঙ্গে স্বর্গে যাব, অনুমতি দিন। এইকথা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লে তিনকোটি রাক্ষস সঙ্গে নিয়ে এলেন বিভীষণ, বললেন প্রভু আমরা আপনার সঙ্গে স্বর্গপুরী যাব।তারপর সুগ্রীব,অঙ্গদ,নল,নীল সহ বহু কপি এলো,যত নর-নারী, এসে বলল আমরাও আপনার সঙ্গে থাকব।অতঃপর হনুমান এলেন, বললেন প্রভু! আমায় সঙ্গ ছাড়া করবেন না, আমি আপনার দাস, আমায় কৃপা করুন।*
*🌻হনুমান পুনঃ বললেন আমি স্বর্গবাস চাহিনা, কেবল আপনার সঙ্গে থাকতে চায়।*
*🍀হনুমান বলে নাহি চাহি স্বর্গবাস।*
*🍀তোমার যে গুণ শুনি এই অভিলাষ।।*
*🍀শ্রীরাম তোমার নাম হইবে যেখানে।*
*🍀সেইখানে সুস্থির থাকিব রাত্রিদিনে।।*
*🌻তখন শ্রীরাম বললেন,হনুমান মনে রেখ, তুমি আর আমি আলাদা নয়,যেখানে তুমি সেখানে আমি,তুমি ব্রহ্মার বরে চারযুগ অমরত্ব পেয়েছ।আমার পরিবর্তে তুমি পৃথিবী পালন করো।জাম্ববানকেও বললেন তুমিও তো চারযুগ অমর থাকবে, ব্রহ্মার কল‍্যাণে।সর্বশেষ লবকুশকে,*
*🍀বিভীষণে আনি রাম করে সমর্পণ।*
*🍀লব কুশে রাজা করি করেন গমন।।*
*🙏বানান ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
               *ক্রমাগত*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧





১২২. অযোধ‍্যায় কালপুরুষের আগমন ও লক্ষ্মণ বর্জন,কালপুরুষ=অতিবল নামক মুনির দূত 🚩 কৃত্তিবাসী রামায়ণ কথন সংক্ষেপে ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 🔀 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/02/blog-post.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ ১২২. কৃত্তিবাসী রামায়ণ কথন সংক্ষেপে 
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
  ꧁ JoydebDaw.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
         ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
     এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ কৃত্তিবাসী রামায়ণ কথন সংক্ষেপে 🙏 সূচীপত্র ꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(১২২)কৃত্তিবাসী রামায়ণ সংক্ষিপ্ত*
"""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
*🌻অযোধ‍্যায় কালপুরুষের আগমন ও লক্ষ্মণ বর্জন,কালপুরুষ=অতিবল নামক মুনির দূত)🌻*
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
*🌻সন্ন‍্যাসীর বেশ ধারণ করে অযোধ‍্যানগরীতে প্রবেশ করলেন কালপুরুষ।সভায় মহারাজাধিরাজ শ্রীরামচন্দ্র বসে আছেন।কালপুরুষ মহারাজের সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রার্থী।আর দ্বার রক্ষকে আছেন স্বয়ং অনুজ লক্ষ্মণ।কালপুরুষ লক্ষ্মণকে বললেন, আমি ব্রহ্মার দূত, ব্রহ্মা পাঠালেন আমি মহারাজাধিরাজ রামচন্দ্রের সঙ্গে কথোপকথন আছে।রামের কাছে গিয়ে লক্ষ্মণ সম্ভ্রমে জোড়হাত করে বললেন,ব্রহ্মার দূত এসেছেন,রাম বললেন,যথা সম্মানের সহিত ভেতরে নিয়ে এসো।*
*🍀পাদ‍্য অর্ঘ‍্য দিয়া রাম দিলেন আসন।*
*🍀যোড়হস্তে জিজ্ঞাসেন কহ প্রয়োজন।।*
*🌻তখন কালপুরুষ বললেন যে,আমি যে কথা বলব যেন অন‍্য কেউ শুনতে না পায়, তাই ভেতরে আমি আর আপনি ছাড়া অন‍্য কেহ থাকবে না, অন‍্য কাউকে প্রবেশ করতে নিষেধ।তখন রাম লক্ষ্মণকে বললেন,*
*🍀শ্রীরাম বলেন শুন প্রাণের লক্ষ্মণ।*
*🍀সাবধানে থাক না আইসে কোনজন।।*
*🍀অধিক কি কহিব যে দ্বার পানে চায়।*
*🍀তাহাকে ত‍্যজিব আমি জানিহ নিশ্চয়।।*
*🍀এই সত‍্য কহিলাম দূতের গোচরে।*
*🍀সাবধানে লক্ষ্মণ রহিবে তুমি দ্বারে।।*
*🌻কালপুরুষ বলতে লাগলেন,বিধাতার নির্বন্ধ খন্ডন করা যায় না।আপনি এগার হাজার বৎসরের বেশী সময় মর্ত‍্যে রয়েছেন, আর বৈকুন্ঠ নগরী শূন‍্য হয়ে রয়েছে, তাই শূন‍্যস্থান পূরণ করবার জন্য আপনাকে আমি নিতে এসেছি,*
*🍀সংসারের লোক নাশি মোর দূতে আনে।*
*🍀তোমারে লইতে আমি আইনু আপনে।।*
*🌻রামচন্দ্র বললেন, যম তুমি যা কহিবে আমি তাই করব। আমি সংসার ছেড়ে বৈকুন্ঠে গমন করব।*
*🍀দৈবের নির্বন্ধ আছে না যায় খন্ডন।*
*🍀ব্রহ্মার মায়াতে দুবাসার আগমন।।*
*🌻দ্বারে লক্ষ্মণ বসে আছেন, দুর্বাসামুনি বললেন, রামচন্দ্রকে বলো আমি এসেছি।লক্ষ্মণ যোড়হাত করে বললেন,ব্রহ্মার দূত এসেছেন তাঁর সঙ্গে কথা বলছেন, এবং বলেছেন আমি যেন কাউকে প্রবেশ করতে না দেয়।এইকথা শুনে দুর্বাসামুনি ক্রোধান্বিত বলতে লাগলেন আমি এই অযোধ‍্যানগরী পুড়িয়ে ছারখার করে দিব।মুনির ক্রোধ দেখে লক্ষ্মণ চিন্তা করছেন, আমি রামের কাছে গেলেই আমাকে বর্জন করবেন আর না গেলে মুনি শাপ দিবেন।*
*🍀দেখিয়া মুনির কোপ লক্ষ্মণের ত্রাস।*
*🍀ভাবেন আমার লাগি হয় সর্বনাশ।।*
*🍀বুঝি রাম করিবেন আমারে বর্জন।*
*🍀এড়াইতে নারি আমি ললাট লিখন।।*
*🌻আমার জন্য আমি অযোধ‍্যা ধ্বংস হতে দিব না, আমি বর্জন হলেও তো অযোধ‍্যা বাঁচবে বলে ভেতরে গেলেন এবং দুর্বাসামুনির কথা বললেন।কালপুরুষকে বিদায় করলেন এবং মুনির সঙ্গে কথা বলতে লাগলেন।* *রাম বললেন কি কারণে আগমন যদি কৃপা করে বলেন।দুর্বাসা বললেন আমি এক বছর ধরে অনাহারে আছি, আমায় উৎকৃষ্ট ভোজন দাও।তখন রাম বললেন, অনাহার আপনার মুখ‍্য কারণ নয়, দুর্বাসা বললেন, তুমি লক্ষ্মণকে ত‍্যাগ কর, কারণ তুমি তোমার কথা রাখ।তুমি বলেছিলে দূতের সঙ্গে কথা বলা কালিন যদি লক্ষ্মণ ভেতরে আসে তাহলে বর্জন করবে, মনে আছে? শ্রীরাম বললেন,*
*🍀শ্রীরাম বলেন সীতা আর রাজ‍্য ধন।*
*🍀ইহার অধিক মোর ভাই যে লক্ষ্মণ।।*
*🍀সকলি ত‍্যজিতে পারি জানকী সুন্দরী।*
*🍀লক্ষ্মণ বিহনে আমি রহিতে না পারি।।*
*🌻তখন সেই সভায় বশিষ্ঠ, নারদ ও অন‍্যান‍্য কিছু মুনিগণ এসেছিলেন, তাঁরা বললেন,*
*🍀সত‍্য যদি পাল তবে বর্জহ লক্ষ্মণে।*
*🍀মুনিরা বলিছে রাম কি ভাবিছ মনে।।*
*🌻তুমি সত‍্যের জন্য বনবাসে গেলে, পিতার মৃত‍্যু হল, দেখতে পেলে না।সত‍্যের জন্য সীতাকে বনবাসে দিলে, সত‍্যের জন‍্য সীতার অগ্নি পরীক্ষা করলে মনে নাই।অতএব তুমি সত‍্য পালন কর।তখন লক্ষ্মণ নিজে এসে বললেন,*
*🍀হেনকালে শ্রীরামেরে বলেন লক্ষ্মণ।*
*🍀আমারে র্বিয়া কর সত‍্যের পালন।।*
*🌻শ্রীরাম অনিচ্ছাকৃতভাবে অনুজ লক্ষ্মণকে বর্জন করতে সিদ্ধান্ত নিলেন, দুই ভাই আলিঙ্গন করতে লাগলেন এবং নয়নজলে বক্ষ ভাসালেন। অযোধ‍্যানগরে শোকের ছায়া পড়ল,🍀হাহাকার রোদন উঠিল চতুর্দিক।বিলাপ করেন রাম বর্ণিতে অধিক।।🍀রাম বলছেন লোক অপবাদে সীতাকে বর্জন করলাম কিন্তু কি অপরাধে তোমায় বর্জন করতে হল?রাম বললেন,ভরত তুমি রাজসিংহাসনে বসো।ভরত বললেন আমি তোমার সঙ্গে যাব, অতএব সিংহাসন আমার জন্য নহে।তারপর শত্রুঘ্নকে আনতে দূত পাঠালেন মথুরায়।দূত মথুরায় গিয়ে বলল, শ্রীরাম স্বর্গে গমন করবেন এবং তাঁর সকলেই যাবেন,তাই আপনাকে সিংহাসনে বসিতে হবে।ছয়দিন পর শত্রুঘ্ন এলেন, বললেন, আমি আপনার সঙ্গে স্বর্গে যাব, অনুমতি দিন। এইকথা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লে তিনকোটি রাক্ষস সঙ্গে নিয়ে এলেন বিভীষণ, বললেন প্রভু আমরা আপনার সঙ্গে স্বর্গপুরী যাব।তারপর সুগ্রীব,অঙ্গদ,নল,নীল সহ বহু কপি এলো,যত নর-নারী, এসে বলল আমরাও আপনার সঙ্গে থাকব।অতঃপর হনুমান এলেন, বললেন প্রভু! আমায় সঙ্গ ছাড়া করবেন না, আমি আপনার দাস, আমায় কৃপা করুন।*
*🌻হনুমান পুনঃ বললেন আমি স্বর্গবাস চাহিনা, কেবল আপনার সঙ্গে থাকতে চায়।*
*🍀হনুমান বলে নাহি চাহি স্বর্গবাস।*
*🍀তোমার যে গুণ শুনি এই অভিলাষ।।*
*🍀শ্রীরাম তোমার নাম হইবে যেখানে।*
*🍀সেইখানে সুস্থির থাকিব রাত্রিদিনে।।*
*🌻তখন শ্রীরাম বললেন,হনুমান মনে রেখ, তুমি আর আমি আলাদা নয়,যেখানে তুমি সেখানে আমি,তুমি ব্রহ্মার বরে চারযুগ অমরত্ব পেয়েছ।আমার পরিবর্তে তুমি পৃথিবী পালন করো।জাম্ববানকেও বললেন তুমিও তো চারযুগ অমর থাকবে, ব্রহ্মার কল‍্যাণে।সর্বশেষ লবকুশকে,*
*🍀বিভীষণে আনি রাম করে সমর্পণ।*
*🍀লব কুশে রাজা করি করেন গমন।।*
*🙏বানান ভুল ক্ষমা করবেন🙏*
               *ক্রমাগত*
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧





adds