শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত👣চরণে👣অসংখ্যকোটি 🙇প্রণাম🙇 ক্লিক করুন 👇

অক্ষয় তৃতীয়া তিথি 🔔 মাধবেন্দ্রপুরী কর্তৃক ক্ষীরচোরা গোপীনাথের চন্দন যাত্রা উৎসব আরম্ভ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/04/akshoy.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                    ꧁ অক্ষয় তৃতীয়া তিথি꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ DeepBagui.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
           ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই ꧂
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
#অক্ষয়_তৃতীয়া_তিথি।
#মাধবেন্দ্রপুরী_কর্তৃক_ক্ষীরচোরা_গোপীনাথের_চন্দন_যাত্রা_উৎসব_আরম্ভ 

বৈষ্ণবাচার্য্য মাধবেন্দ্রপুরী।ভক্তিপথের অঙ্কুর তিনি। তার অঙ্কুরেই অঙ্কুরিত ঈশ্বরপুরী পরিপুষ্টি দিলেন নবদ্বীপের নিমাই পণ্ডিতকে।হ্যাঁ! ভুবনমঙ্গল শ্রীমন্ মহাপ্রভুর পরমগুরুদের (দাদুগুরু) হলেন শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামী। আজ অক্ষয় তৃতীয়া তিথিতে চন্দন যাত্রা উৎসবের সূচনা তিনিই করেছিলেন। শাস্ত্র/ পুরাণাদি গ্রন্থে চন্দনযাত্রার বিধি থাকলেও তা লোকগোচরে প্রথম আনলেন আমাদের গৌড়ীয় বৈষ্ণব গণের পরমারাধ্য আচার্য মাধবেন্দ্রপুরী গোস্বামী।
বৃন্দাবনের সন্নিকটে গোবর্ধন পর্বতের মধ্যে ঘাস লতাপাতার জঙ্গল থেকে মাধবেন্দ্রপুরী খুঁজে পেলেন তাঁর আরাধ্য গোপাল কে।(এই শ্রী বিগ্রহ বর্তমানে রাজস্থানের নাথদ্বারে সেবিত হচ্ছেন)। প্রাণভরে অন্নকূট উৎসব হল। অন্নকূট উৎসবের দুই বছর অতিক্রান্ত হল।ভক্তাধীন গোপাল ভক্তবাৎসল্য প্রচার করতে নতুন লীলা শুরু করলেন।
মাধবেন্দ্রপুরী রাতে ঘুমোচ্ছেন।হঠাৎ স্বপ্ন দিলেন গোপাল -- " মাধব ! ও মাধব! ওঠ ওঠ।আমি আর পারছি না। এত গরম! আমার গা জ্বলে যাচ্ছে । তুই উড়িষ্যার পুরীধাম থেকে আমার জন্য মলয়জ চন্দন এনে সেই চন্দন আমার সারা গায়ে ভালো করে লেপন কর। তবে যদি আমার গায়ের তাপ যায় । তবে অন্য কাউকে দিয়ে আনাবি না। তোকে নিজে গিয়ে আনতে হবে।" 
যিনি অনাদিরাদির্গোবিন্দ তাঁর নাকি গরমে কষ্ট হচ্ছে!! এসব মানা যায়?? ঐসব গরমে কষ্ট; গায়ে চন্দন মাখার সখ কিচ্ছু নয়।সব লোকদেখানো। আসল কথা হল তিনি ভক্তের মহিমা প্রচার করবেন। এতদিন ভক্ত ওনার মহিমা প্রচার করেছেন আজ উনি ভক্তের মহিমা প্রচার করবেন।তাই এই ছলনা।
মাধবেন্দ্রপুরী কি আর করেন !! আরাধ্যের আদেশ বলে কথা। বৃন্দাবন থেকে আসছেন পুরীতে।পথে শান্তিপুরে অদ্বৈত প্রভুকে দীক্ষা দিলেন। আবার এগোলেন পুরীর পথে। এবার এসে থামলেন বালোশোরের কাছে রেমুণা অঞ্চলে।এখানে গোপীনাথ মন্দিরে অভুক্ত অবস্থায়  রাত্রিবাস করলেন। মাঝরাতে গোপীনাথের পূজারী স্বপ্নাদেশে গোপীনাথের চুরি করা ক্ষীর মাধবেন্দ্রপুরীকে দিলেন। ভক্ত অভুক্ত থাকলে তিনি কি করে খাবেন ?? সেই থেকে রেমুণার গোপীনাথ হয়ে উঠলেন ক্ষীরচোরা গোপীনাথ। মাধবেন্দ্রপুরী আবার চললেন পুরীতে। এসে পৌছোলেন জগন্নাথ মন্দিরে। জগন্নাথ দর্শন ও প্রণাম সেরে পাণ্ডাসেবক দের মলয়জ চন্দন সম্পর্কে বিস্তারিত বললেন।পাণ্ডারা প্রচুর পরিমাণে মলয়জ চন্দন, কর্পূর সব জোগাড় করে মাধবেন্দ্রপুরীকে দিলেন। সবকিছু পেয়ে মাধবেন্দ্রপুরী ফিরে আসছেন বৃন্দাবনে।পথে পুনরায় ক্ষীরচোরা গোপীনাথ মন্দিরে দর্শন ও রাত্রিবাসের জন্য  বিশ্রাম নিলেন। এই মন্দির যে তাঁর পরম আশ্রয় । এই মন্দিরের ঠাকুরই তো তার জন্য ক্ষীর চুরি করে রেখেছিলেন যাতে তিনি অভুক্ত না থাকেন। মাধবেন্দ্রপুরী  রাতে শুয়েছেন মন্দির প্রাঙ্গণে । ব্রাহ্ম মুহূর্ত তখন।মাধবেন্দ্রপুরী আবার স্বপ্ন দেখলেন। এবারেও তাঁর আরাধ্য বৃন্দাবনের সন্নিকটে গোবর্ধন পর্বতে স্থিত গোপাল স্বপ্ন দিলেন।
বললেন -- "মাধব ! দেখ চেয়ে একবার । তোর আনা কর্পূর চন্দন সব আমি পেয়েছি।তুই এই চন্দন কর্পূরের সাথে ঘষে এই মন্দিরের আরাধ্য দেবতা ক্ষীরচোরা গোপীনাথের অঙ্গে লেপন কর। ক্ষীরচোরা গোপীনাথ আর আমার দুজনের একই অঙ্গ । এনাকে চন্দন দিলেই আমার গায়ের জ্বালা জুড়াবে।তুই মনে দ্বিধাদ্বন্দ্ব করিস না। আমার কথাতে বিশ্বাস করে এনাকেই চন্দন দে। তাহলেই আমি তৃপ্ত হব।" মাধবেন্দ্রপুরী জেগে উঠলেন। ভোরের স্বপ্ন বলে কথা !! ক্ষীরচোরা গোপীনাথের পূজারীদের সাথে মাধবেন্দ্রপুরী চন্দনের আর তাঁর স্বপ্নের ব্যাপারে সব বললেন।পূজারী রা তো মহাখুশি। আর কদিন পরেই অক্ষয় তৃতীয়া। তাহলে সেই পুণ্য তিথি থেকেই ক্ষীরচোরা গোপীনাথের অঙ্গে প্রত্যহ চন্দন লেপন করা হবে।টানা একুশ দিন চলবে এই রীতি। মাধবেন্দ্রপুরীও খুশি, ক্ষীরচোরা গোপীনাথও খুশি, গোবর্ধনধারী গোপালও খুশি। শুরু হল চন্দন যাত্রা উৎসব। আজো হয়ে চলেছে । 
জয় মাধবেন্দ্রপুরী
জয় ক্ষীরচোরা হরি।
জয় গোবর্ধনধারী ।
জয় নিতাই গৌর হরি।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-বাগুইপাড়া, বাগুইআটি,  উত্তর চব্বিশ পরগনা, কোলকাতা-৭০০১৫৯
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

শ্রীশ্রীগদাধরপণ্ডিতাষ্টকম্ ✍️ শ্রীলস্বরূপগোস্বামি-বিরচিতং 🌼 সংগৃহীত 📺 Youtube 🎶 শ্রীমতী কুঞ্জশ্রী দাশগুপ্ত 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/04/gadadhar.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                 ꧁ শ্রীশ্রীগদাধরপণ্ডিতাষ্টকম্ ꧂
               ꧁ শ্রীলস্বরূপগোস্বামি-বিরচিতং ꧂
        এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
              ꧁ স্তত্রম- বন্দনা- গীত- আরতি ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏শ্রীশ্রীগদাধরপণ্ডিতাষ্টকম্🙏🙏🙏
স্বভক্তিযোগ-লাসিনং সদা ব্রজে বিহারিণং
হরি-প্রিয়া-গণাগ্রগং শচীসুত-প্রিয়েশ্বরম্ ।
সরাধ-কৃষ্ণ-সেবন-প্রকাশকং মহাশয়ং
ভজাম্যহং গদাধরং সুপণ্ডিতং গুরুং প্রভুম্ ॥১॥
নবোজ্জ্বলাদি-ভাবনা-বিধান-কর্ম্ম-পারগং
বিচিত্রগৌরভক্তিসিন্ধু-রঙ্গভঙ্গ-লাসিনম্ ।
সুরাগ-মার্গ-দর্শকং ব্ৰজাদি-বাস-দায়কং
ভজাম্যহং গদাধরং সুপণ্ডিতং গুরুং প্রভুম্ ॥ ২॥
শচীশুতাঙ্ঘ্রি-সার-ভক্তবৃন্দ-বন্দ্য-গৌরবং
গৌরভাব-চিত্তপদ্ম-মধ্যে কৃষ্ণ-সুবল্লভম্ ।
মুকুন্দ-গৌররূপিণং স্বভাব-ধৰ্ম্মদায়কং
ভজাম্যহং গদাধরং সুপণ্ডিতং গুরুং প্রভুম্ ॥ ৩ ॥
নিকুঞ্জ-সেবনাদিক-প্রকাশনৈব-কারণং
সদা সখীরতি-প্রদং মহারস-স্বরূপকম্ ।
সদাশ্রিতাঙ্ঘ্রি -পুণ্ডরীকদং সদা গুরুং বরং
ভজাম্যহং গদাধরং সুপণ্ডিতং গুরুং প্রভুম্ ॥ ৪
মহাপ্রভোর্মহারসপ্রকাশনাঙ্কুরং প্রিয়ং 
সদা মহারসাঙ্কুর-প্রকাশনাদি-বাসনম্ ।
মহাপ্রভোর্ব্র জাঙ্গনাদি-ভাব-মোদ-কারকং
ভজাম্যহং গদাধরং সুপণ্ডিতং গুরুং প্রভুম্ ॥ ৫॥
দ্বিজেন্দ্র-বৃন্দ-বন্দ্য-পাদযুগ্ম-ভক্তিবৰ্দ্ধকং
নিজেষু রাধিকাত্মতা-বপুঃ-প্রকাশনাগ্রহম্।
অশেষ-ভক্তিশাস্ত্র-শিক্ষয়োজ্জ্বলামৃতপ্রদং
ভজাম্যহং গদাধরং সুপণ্ডিতং গুরুং প্রভুম্ ॥৬॥
মুদা নিজপ্রিয়াদিক-স্বপাদপদ্ম-সীধুভি-
মহারসার্ণবামৃত-প্রদেষ্ট-গৌর-ভক্তিদম্ ।
সদাষ্ট-সাত্ত্বিকান্বিতং নিজেষ্ট-ভক্তিদায়কং
ভজাম্যহং গদাধরং সুপণ্ডিতং গুরুং প্রভুম্ ॥ ৭ ॥
মদীয়-রীতিরাগ-রঙ্গভঙ্গ-দিগ্ধ-মানসো
নরোহপি যাতি তূর্ণমেব নাৰ্য্যভাব-ভাজনম্ ।
তমুজ্জ্বলাক্ত-চিত্তমেতু চিত্ত-মত্তষটপদো
ভজাম্যহং গদাধরং সুপণ্ডিতং গুরুং প্রভুম্ ॥ ৮ ৷৷
মহারসামৃতপ্রদং সদা গদাধরাষ্টকং
পঠেত্তু, যঃ সুভক্তিতো ব্রজাঙ্গনাগণোৎসবম্ ।
শচীতনূজ-পাদপদ্ম-ভক্তিরত্ন-যোগ্যতাং
লভেত রাধিকা-গদাধরাঙ্ঘ্রি -পদ্ম-সেবয়া ॥ ৯ ৷৷
🙏🙏🙏 ইতি শ্রীলস্বরূপগোস্বামি-বিরচিতং 🙏🙏🙏
🙏🙏🙏শ্রী শ্রীগদাধর পণ্ডিতাষ্টকং সমাপ্তম্ 🙏🙏🙏
🙏 সংগৃহীত 🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

শ্রীশ্রীগদাধরপণ্ডিতাষ্টকম্ ✍️ শ্রীলস্বরূপগোস্বামি-বিরচিতং 🌼 সংগৃহীত 📺 Youtube 🎶 শ্রীমতী কুঞ্জশ্রী দাশগুপ্ত 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/04/gadadhar.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                 ꧁ শ্রীশ্রীগদাধরপণ্ডিতাষ্টকম্ ꧂
               ꧁ শ্রীলস্বরূপগোস্বামি-বিরচিতং ꧂
        এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
              ꧁ স্তত্রম- বন্দনা- গীত- আরতি ꧂
       এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏🙏🙏শ্রীশ্রীগদাধরপণ্ডিতাষ্টকম্🙏🙏🙏
স্বভক্তিযোগ-লাসিনং সদা ব্রজে বিহারিণং
হরি-প্রিয়া-গণাগ্রগং শচীসুত-প্রিয়েশ্বরম্ ।
সরাধ-কৃষ্ণ-সেবন-প্রকাশকং মহাশয়ং
ভজাম্যহং গদাধরং সুপণ্ডিতং গুরুং প্রভুম্ ॥১॥
নবোজ্জ্বলাদি-ভাবনা-বিধান-কর্ম্ম-পারগং
বিচিত্রগৌরভক্তিসিন্ধু-রঙ্গভঙ্গ-লাসিনম্ ।
সুরাগ-মার্গ-দর্শকং ব্ৰজাদি-বাস-দায়কং
ভজাম্যহং গদাধরং সুপণ্ডিতং গুরুং প্রভুম্ ॥ ২॥
শচীশুতাঙ্ঘ্রি-সার-ভক্তবৃন্দ-বন্দ্য-গৌরবং
গৌরভাব-চিত্তপদ্ম-মধ্যে কৃষ্ণ-সুবল্লভম্ ।
মুকুন্দ-গৌররূপিণং স্বভাব-ধৰ্ম্মদায়কং
ভজাম্যহং গদাধরং সুপণ্ডিতং গুরুং প্রভুম্ ॥ ৩ ॥
নিকুঞ্জ-সেবনাদিক-প্রকাশনৈব-কারণং
সদা সখীরতি-প্রদং মহারস-স্বরূপকম্ ।
সদাশ্রিতাঙ্ঘ্রি -পুণ্ডরীকদং সদা গুরুং বরং
ভজাম্যহং গদাধরং সুপণ্ডিতং গুরুং প্রভুম্ ॥ ৪
মহাপ্রভোর্মহারসপ্রকাশনাঙ্কুরং প্রিয়ং 
সদা মহারসাঙ্কুর-প্রকাশনাদি-বাসনম্ ।
মহাপ্রভোর্ব্র জাঙ্গনাদি-ভাব-মোদ-কারকং
ভজাম্যহং গদাধরং সুপণ্ডিতং গুরুং প্রভুম্ ॥ ৫॥
দ্বিজেন্দ্র-বৃন্দ-বন্দ্য-পাদযুগ্ম-ভক্তিবৰ্দ্ধকং
নিজেষু রাধিকাত্মতা-বপুঃ-প্রকাশনাগ্রহম্।
অশেষ-ভক্তিশাস্ত্র-শিক্ষয়োজ্জ্বলামৃতপ্রদং
ভজাম্যহং গদাধরং সুপণ্ডিতং গুরুং প্রভুম্ ॥৬॥
মুদা নিজপ্রিয়াদিক-স্বপাদপদ্ম-সীধুভি-
মহারসার্ণবামৃত-প্রদেষ্ট-গৌর-ভক্তিদম্ ।
সদাষ্ট-সাত্ত্বিকান্বিতং নিজেষ্ট-ভক্তিদায়কং
ভজাম্যহং গদাধরং সুপণ্ডিতং গুরুং প্রভুম্ ॥ ৭ ॥
মদীয়-রীতিরাগ-রঙ্গভঙ্গ-দিগ্ধ-মানসো
নরোহপি যাতি তূর্ণমেব নাৰ্য্যভাব-ভাজনম্ ।
তমুজ্জ্বলাক্ত-চিত্তমেতু চিত্ত-মত্তষটপদো
ভজাম্যহং গদাধরং সুপণ্ডিতং গুরুং প্রভুম্ ॥ ৮ ৷৷
মহারসামৃতপ্রদং সদা গদাধরাষ্টকং
পঠেত্তু, যঃ সুভক্তিতো ব্রজাঙ্গনাগণোৎসবম্ ।
শচীতনূজ-পাদপদ্ম-ভক্তিরত্ন-যোগ্যতাং
লভেত রাধিকা-গদাধরাঙ্ঘ্রি -পদ্ম-সেবয়া ॥ ৯ ৷৷
🙏🙏🙏 ইতি শ্রীলস্বরূপগোস্বামি-বিরচিতং 🙏🙏🙏
🙏🙏🙏শ্রী শ্রীগদাধর পণ্ডিতাষ্টকং সমাপ্তম্ 🙏🙏🙏
🙏 সংগৃহীত 🙏
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

রাধারাণির সেবাশক্তি 🥀 শ্রীল্ গদাধর পণ্ডিতের 🥀 আবির্ভাব তিথি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/04/godadhar.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
       ꧁ শ্রীল্ গদাধর পণ্ডিতের আবির্ভাব তিথি꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ DeepBagui.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
           ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই ꧂
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
#বৈশাখী_অমাবস্যা

#রাধারাণির_সেবাশক্তি_শ্রীলগদাধর_পণ্ডিতের_আবির্ভাব_তিথি 

 *পিতা #শ্রীমাধব_মিশ্র ও মাতা #শ্রীমতী_রত্নাবতীদেবীর* কোল আলো করে গদাধর পণ্ডিত আবির্ভূত হলেন আনুমানিক বাংলা ৮৯৪ সনে বৈশাখী অমাবস্যা তিথিতে। এই মাধবমিশ্রের দুই পুত্ররত্ন ছিল বাণীনাথ এবং গদাধর।
কেউ বলেন নবদ্বীপের চাঁপাহাটিতে তার জন্ম, আবার কেউ বলেন তার জন্মস্থান ছিল শ্রীহট্টে।
বাল্যকাল থেকেই গদাধরের সহজাত গৌর অনুরাগ পরিলক্ষিত হয়।
নবদ্বীপের টোলেই গদাধর বিদ্যা অধ্যয়ন করেছিলেন। মহাপ্রভু ফাঁকি জিজ্ঞাসা করতেন। বলতো গদাধর মুক্তির লক্ষণ কি? শাস্ত্র অনুসারে গদাধর উত্তর দিলে মহাপ্রভু বললেন - না, এ হল না।মুক্তির লক্ষণ হল- *#অন্যথা_রূপং_হিত্বা_স্বরূপেন_ব্যবস্থিতি"* 
প্রাকৃত ভাবনা (জড় দেহকে আমি মনে করে তার প্রতি আসক্ত হওয়া) ত্যাগ করে নিজের স্বরূপে (জীব নিত্য কৃষ্ণদাস) স্থিত হওয়াকেই মুক্তি বলা হয়। আজ ঘরে যাও আগামীকাল আবার জিজ্ঞাসা করব। বলে উভয় নিজ নিজ গৃহে গমন করতেন। যে কোন উপায়ে গদাধরের সঙ্গে দুটি কথা বলতে এবং তার সঙ্গে একটু রঙ্গ করতে মহাপ্রভু খুবই আনন্দ পেতেন।

মহাপ্রভু গয়া থেকে ফিরে আসলে, বিষ্ণুপাদপদ্মের কথা বলার সময় গদাধর ডুকরে ডুকরে কাঁদতে লাগলেন। তখন মহাপ্রভু বলেছিলেন - গদাধর! তোমার জীবন সার্থক। তুমি ছোটবেলা থেকে কৃষ্ণ ভজন করছ। আমার এতটা সময় বৃথায় নষ্ট হয়ে গেল।
কৃষ্ণপ্রেমে মহাপ্রভু অধির হয়ে হা কৃষ্ণ! হা কৃষ্ণ! বলে অঝোর নয়নে ঝুরেন।গদাধরকে দেখলে একটু প্রাণে শান্তি পান। শচীমা বলতেন- গদাধর! তুমি আমার নিমাইয়ের কাছে সবসময় থেকো বাবা! তোমার হাতে আমার নিমাইকে সমর্পণ করলাম।
ছায়ার মত অনুগত হয়ে গদাধর প্রায় সব সময় গৌরের কাছে কাছেই থাকতেন।
গদাধর কে কাছে পেয়ে প্রভুর বিরহব্যথা একটু প্রশমিত হত।

 একদিন মুকুন্দ গদাধর কে বললেন "নবদ্বীপে এক মহাবৈষ্ণব এসেছেন। যাবে বৈষ্ণব দেখতে? শুনে গদাধর অত্যন্ত আনন্দিত হয়ে বললেন- চল।
গদাধরকে নিয়ে মুকুন্দ বিদ্যানিধির বাড়িতে উপস্থিত হলে গদাধর প্রনাম করলেন। বিষয়ীর মতো সমস্ত ব্যবহার দেখে আজন্ম বিরক্ত গদাধরের মনে একটু অশ্রদ্ধা  ভাব আসলো। কিন্তু একটু পরেই মুকুন্দের মুখে ভাগবতের শ্লোক শুনে বিদ্যানিধির মহাপ্রেম-বিকার দর্শনে গদাধর অত্যন্ত বিস্মিত হলেন, মনে বড় চিন্তা হল, এইরকম প্রেমিক পুরুষকে দেখে আমি অবজ্ঞা করলাম! কি অশুভ মূহূর্তে আমি সাধু দর্শনে আসলাম! মুকুন্দকে জড়িয়ে ধরে বলছেন আমার বন্ধুর মত কার্য করলে।
এহেন ভক্তিমান প্রেমনিধি আমাকে দর্শন করালে।কিন্তু আমার অপরাধ হয়ে গেল। আমি মনে মনে দুর্ভাবনা করেছি। তাই উনার কাছে মন্ত্র নেব।শিষ্য হলে আমার সকল অপরাধ ক্ষমা করবেন। মুকুন্দ বললেন -"খুব ভালো কথা"!
  বিদ্যানিধির বাহ্য হলে সব কথা বললেন -"আপনার বিষয় ব্যবহার দেখে গদাধরের মনে একটু অভাব এসেছিল, তাই আপনার কাছে দীক্ষা নিতে চায়।শুনে বিদ্যানিধি আহ্লাদিত হলেন ও বললেন বিধাতা আমাকে মহারত্ন মিলালেন। অনেক জন্মের ভাগ্যে এমন শিষ্য পাওয়া যায়।
মুকুন্দের সঙ্গে গদাধর ঘরে ফিরে আসলেন ও মহাপ্রভু কে সব কথা জানালেন।

গদাধর মহাপ্রভুর কাছে আজ্ঞা চাইলেন। মহাপ্রভুর অনুমতিক্রমে
যথাসময়ে মন্ত্রদীক্ষা হয়ে গেল।

মহাপ্রভু সন্ন্যাস গ্রহণ করলে বিরহে ব্যাকুল হয়ে গদাধরও নীলাচলে গমন করলেন। মহাপ্রভু রাধাভাবে কৃষ্ণমাধুরী আস্বানের জন্য সন্ন্যাস গ্রহণ করেছিলেন। রাধারাণির সেবাশক্তি গদাধরকে  টোটাগোপীনাথের সেবা দিয়ে মহাপ্রভু নিজের কাছেই তাঁর প্রাণপ্রিয় গদাধরকে রেখেছিলেন।
সারাজীবন প্রাণ ঢেলে গদাধর গোপীনাথের সেবা করেছিলেন, কিন্তু নিষ্ঠা ছিল গৌর চরণে।
একবার শ্রীমন্নিত্যানন্দ প্রভু গৌড়দেশ হতে অতি সুক্ষ্ম এক মাণ (একমান চাল- ছয় সেরের কিঞ্চিৎ অধিক) চাল ও একটি রঙিন শাড়ি এনে গদাধরকে দিলেন, গোপীনাথের সেবার জন্য।গদাধর শাড়িখানা গোপীনাথকে পরালেন, অদ্ভুত শোভা হল। বাগান থেকে শাক তুলে রন্ধন করলেন আর তেতুল পাতা বেটে লবন দিয়ে ব্যঞ্জন তৈরি করলেন। নিতাই আনীত চালের অন্ন ভোগ লাগালেন গোপীনাথের। এত সুন্দর পরিপাটি করে ভোগ লাগালেন! কিন্তু মহাপ্রভুকে নিমন্ত্রন করলেন না গদাধর। এখানে মনে হতে পারে গদাধর মহাপ্রভুকে না দিয়ে নিজেই উপভোগ করতে চাইছেন নিত্যানন্দের প্রীতি উপহার? কিন্তু না, তেমনটি নয়। হতেই পারে না। প্রাণ প্রিয়তম বন্ধুকে না দিয়ে নিজে উপভোগ করা যায়? তাহলে তো স্বার্থপর হয়ে যাবে! কিন্তু আমার গদাধর তো স্বার্থপর নয়। কোটিপ্রাণ নির্মঞ্ছনীয় বন্ধু , যার জন্য ক্ষেত্রসন্ন্যাস ত্যাগ করতে, এমনকি নরকে যেতেও প্রস্তুত! সেই প্রাণপ্রিয় আরাধ্যদেবতা কে না দিয়ে নিজেই ভোগ করবেন? গদাধরের মনের ইচ্ছা, সবার সামনে নিমন্ত্রণ করলে সপরিকরে মহাপ্রভু আসবেন। সকলের সামনে একান্ত প্রেমের গাঢ়তা স্ফূর্ত হবে না। তার হৃদয়ের অধীশ্বর কে একান্তে না পেলে সেবা করে সুখ হবে না। তাই তিনি প্রাণে প্রাণে ডাকতে লাগলেন। এই ঐকান্তিকতা যখন চরম সীমায় পৌঁছাল তখন মহাপ্রভুর প্রাণের সাড়া জাগালো। মহাপ্রভু কে বিবশ করে টেনে আনলো গদাধরের প্রাণঢালা ভালোবাসা। মহাপ্রভু আর স্থির থাকতে পারলেন না গদাধরের প্রেমাকর্ষণের টানে। প্রেমাধীন গৌরচন্দ্র এসে উপনীত হলেন গদাধরের টোটাগোপীনাথের অঙ্গনে।
গদাধরের প্রেমের টানে ও নিতাই আনীত তণ্ডুলের আকর্ষণে মহাপ্রভু এসে ডাকতে লাগলেন। 
গদাধর! ও গদাধর!!
 বলে ডাকছেন গৌরহরি। প্রাণ প্রিয়তম দ্বারে দাঁড়িয়ে ডাকছেন, শুনে ছুটে আসলেন গদাধর , হাতে ধরে নিয়ে ভেতরে বসালেন। আজ তার অভিলাষ পূর্ণ হলো প্রাণের ডাক শুনেছেন তিনি ।আজ যে কি আনন্দ তা ভাষায় ব্যক্ত করা সম্ভব নয়। মহাপ্রভু প্রণয়ভরে বলছেন গদাধর! একি তোমার ব্যবহার? নিতাই আনীত তণ্ডুল আর গোপীনাথের প্রসাদ এতে কি আমার ভাগ নেই? তুমি একবার আমাকে নিমন্ত্রনও করলে না! মহাপ্রভু চাইছেন গদাধরের প্রেম তার মুখ দিয়েই প্রকাশ করা। কিন্তু গদাধর হৃদয়ের প্রেম প্রকাশ করলেন না, প্রেম প্রকাশিত হলেই তার মূল্য কমে যায়। হৃদয়ের প্রেম হৃদয়ে অনুভূত হয়। তাই গদাধর হাতে ধরে নিয়ে বসালেন আসনে। গৌরগদাধরের প্রেমরঙ্গ দেখে নিতাই মনে মনে অনুভব করছেন আর আনন্দ সাগরে ভেসে যাচ্ছেন। গদাধর গোপীনাথের পুরো পারশটা এনে মহাপ্রভুর সামনে ধরে দিলেন। মহাপ্রভু বলছেন - গদাধর! প্রসাদ তিন জায়গায় পরিবেশন করো আমরা তিনজন একসঙ্গেই প্রসাদ পাবো। মহানন্দে একসঙ্গে নিতাই-গৌরাঙ্গ-গদাইয়ের অপরূপ ভোজন-বিলাস নানা হাস-পরিহাস রসের মধ্য দিয়ে সম্পূর্ণ হল। প্রসাদের সুঘ্রাণে সারা টোটা (বাগান)আমোদিত হয়ে উঠল।ভক্তবৃন্দ খুঁজতে খুঁজতে এসে উপস্থিত হলেন। মহাপ্রভুর ভোজন অন্তে সকলে অধরামৃত লুণ্ঠন করলেন।
গদাধর তাম্বুল অর্পণ করলেন। তিনজনে নির্জনে বসে কতই প্রেমালাপ আর কতই আনন্দের ঢেউ উঠতে লাগলো। মরমী জন অনুভব করলেন।

নিতাই অনঙ্গমঞ্জরী-  গদাধর রাই-কিশোরী।

গদাধর ক্ষেত্র-সন্ন্যাস গ্রহণ করেছিলেন, অর্থাৎ নীলাচলের বাইরে কখনো যাবেন না।
কিন্তু গৌরপ্রীতির এমন আকর্ষণ মহাপ্রভু যখন বৃন্দাবনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করলেন, তখন উনি থাকতে পারেন নাই। মহাপ্রভুর নিষেধ সত্ত্বেও কটক পর্যন্ত গিয়েছিলেন।
 *"ক্ষেত্র সন্ন্যাস না ছাড়িহ প্রভু  নিষেধিলা।।*

*পন্ডিত কহে যাঁহা তুমি সেই নীলাচল*।
 *ক্ষেত্র-সন্ন্যাস মোর যাউক রসাতল।।*

 *প্রভু কহে ইঁহা করো গোপীনাথ সেবন।*
*পন্ডিত কহে কোটি সেবা তৎপদ দর্শন।।*

মহাপ্রভু যখন কিছুতেই ফেরাতে পারলেন না।তখন কঠোরতা প্রকাশ করে বললেন - *"গদাধর! তুমি অতি স্বার্থপর! নিজের সুখ ছাড়া তুমি আর কিছুই জান না।এ তোমার সংকীর্ণ মনের পরিচয়।তুমি নিজের সুখ চাও? না আমার সুখ চাও? যদি সত্যিই আমাকে সুখী করতে চাও তাহলে আমার সঙ্গ ত্যাগ করে এখনই নীলাচলে ফিরে যাও। গোপীনাথের সেবায় নিজেকে সমর্পণ কর।"*
সব ছাড়ি আজ্ঞা বলবান। এতক্ষণ ছিল সখ্যতা, কিন্তু এখন হল আদেশ। সুতরাং গদাধরের আর কিছুই করার থাকল না। বিরহে মূর্চ্ছিত হয়ে পড়লেন। সার্বভৌমের উপর ভার ন্যস্ত করে মহাপ্রভু অগ্রসর হলেন গৌড়মন্ডলের দিকে। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে গদাধরের গৌরপ্রীতির গভীরতা উপলব্ধি করা যায়।

একজন পুরুষ দেহধারী মানুষ সারাটি জীবন নারীভাবে মহাপ্রভুকে সেবা করে গিয়েছেন। কত ত্যাগ, কত ধৈর্য, ও কত সেবাপরায়ণ হলে যে তি সম্ভব,  চিন্তা করলে বিস্মিত হতে হয়।

তার আরেকটি বৈশিষ্ট্য ছিল শ্রীভাগবত পাঠ। তাঁর মুখে ভাগবত শ্রবণ না করলে মহাপ্রভুর প্রাণে শান্তি হতো না। সেজন্য তিনি প্রত্যহ মহাপ্রভুকে ভাগবত পাঠ করে শোনাতেন। গদাধরের হাতে লেখা ভাগবতে মহাপ্রভু নিচে কিছু পাদটীকা লিখে দিয়েছিলেন। মহাপ্রভুর ও
 গদাধরের চোখের জলে ভাগবত ভিজে যেত, শেষে ভাগবত পাঠ করাও দুষ্কর হয়ে গিয়েছিল।

মহাপ্রভুর সঙ্গোপনের অনধিক এক বছরের মধ্যে বিরহ জ্বালা সইতে না পেরে (ইংরেজি ১৫৩৪ খ্রিস্টাব্দে ) প্রায় ৪৭ বছর বয়সে অপ্রকট লীলায় প্রবিষ্ট হন।

তাও কদাচিৎ শ্রীনিবাসাচার্য প্রভুকে দর্শন দানের জন্যই কিছুকাল প্রাণ ধারণ করে ছিলেন।

তাঁর বিরহে প্রাণ কি বাঁচে এতক্ষণ।
 প্রতীক্ষা সে মাত্র শ্রীনিবাস আগমন।।

 গদাধরের কোন দেহ সমাধি নেই।কোথায় কিভাবে লীন হয়ে গিয়েছেন তারও কোন নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায় না। হয়তো বা তিনি নিজের প্রাণনাথের চরণেই আত্মসমর্পণ করেছিলেন।।

"নিতাই-গৌরাঙ্গ-গদাই,
অনঙ্গ--কানাই---রাই।"
সবাই মিলে জয় দাও-
নিতাই-গৌর-গদাধরের।।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*জয় নিতাই!*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-বাগুইপাড়া, বাগুইআটি,  উত্তর চব্বিশ পরগনা, কোলকাতা-৭০০১৫৯
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

রাধারাণির সেবাশক্তি 🥀 শ্রীল্ গদাধর পণ্ডিতের 🥀 আবির্ভাব তিথি ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/04/godadhar.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
       ꧁ শ্রীল্ গদাধর পণ্ডিতের আবির্ভাব তিথি꧂
          ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ DeepBagui.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
           ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী দীপ বাগুই ꧂
      এই লিংকে 👇👇👇🙏👇👇👇 ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
#বৈশাখী_অমাবস্যা

#রাধারাণির_সেবাশক্তি_শ্রীলগদাধর_পণ্ডিতের_আবির্ভাব_তিথি 

 *পিতা #শ্রীমাধব_মিশ্র ও মাতা #শ্রীমতী_রত্নাবতীদেবীর* কোল আলো করে গদাধর পণ্ডিত আবির্ভূত হলেন আনুমানিক বাংলা ৮৯৪ সনে বৈশাখী অমাবস্যা তিথিতে। এই মাধবমিশ্রের দুই পুত্ররত্ন ছিল বাণীনাথ এবং গদাধর।
কেউ বলেন নবদ্বীপের চাঁপাহাটিতে তার জন্ম, আবার কেউ বলেন তার জন্মস্থান ছিল শ্রীহট্টে।
বাল্যকাল থেকেই গদাধরের সহজাত গৌর অনুরাগ পরিলক্ষিত হয়।
নবদ্বীপের টোলেই গদাধর বিদ্যা অধ্যয়ন করেছিলেন। মহাপ্রভু ফাঁকি জিজ্ঞাসা করতেন। বলতো গদাধর মুক্তির লক্ষণ কি? শাস্ত্র অনুসারে গদাধর উত্তর দিলে মহাপ্রভু বললেন - না, এ হল না।মুক্তির লক্ষণ হল- *#অন্যথা_রূপং_হিত্বা_স্বরূপেন_ব্যবস্থিতি"* 
প্রাকৃত ভাবনা (জড় দেহকে আমি মনে করে তার প্রতি আসক্ত হওয়া) ত্যাগ করে নিজের স্বরূপে (জীব নিত্য কৃষ্ণদাস) স্থিত হওয়াকেই মুক্তি বলা হয়। আজ ঘরে যাও আগামীকাল আবার জিজ্ঞাসা করব। বলে উভয় নিজ নিজ গৃহে গমন করতেন। যে কোন উপায়ে গদাধরের সঙ্গে দুটি কথা বলতে এবং তার সঙ্গে একটু রঙ্গ করতে মহাপ্রভু খুবই আনন্দ পেতেন।

মহাপ্রভু গয়া থেকে ফিরে আসলে, বিষ্ণুপাদপদ্মের কথা বলার সময় গদাধর ডুকরে ডুকরে কাঁদতে লাগলেন। তখন মহাপ্রভু বলেছিলেন - গদাধর! তোমার জীবন সার্থক। তুমি ছোটবেলা থেকে কৃষ্ণ ভজন করছ। আমার এতটা সময় বৃথায় নষ্ট হয়ে গেল।
কৃষ্ণপ্রেমে মহাপ্রভু অধির হয়ে হা কৃষ্ণ! হা কৃষ্ণ! বলে অঝোর নয়নে ঝুরেন।গদাধরকে দেখলে একটু প্রাণে শান্তি পান। শচীমা বলতেন- গদাধর! তুমি আমার নিমাইয়ের কাছে সবসময় থেকো বাবা! তোমার হাতে আমার নিমাইকে সমর্পণ করলাম।
ছায়ার মত অনুগত হয়ে গদাধর প্রায় সব সময় গৌরের কাছে কাছেই থাকতেন।
গদাধর কে কাছে পেয়ে প্রভুর বিরহব্যথা একটু প্রশমিত হত।

 একদিন মুকুন্দ গদাধর কে বললেন "নবদ্বীপে এক মহাবৈষ্ণব এসেছেন। যাবে বৈষ্ণব দেখতে? শুনে গদাধর অত্যন্ত আনন্দিত হয়ে বললেন- চল।
গদাধরকে নিয়ে মুকুন্দ বিদ্যানিধির বাড়িতে উপস্থিত হলে গদাধর প্রনাম করলেন। বিষয়ীর মতো সমস্ত ব্যবহার দেখে আজন্ম বিরক্ত গদাধরের মনে একটু অশ্রদ্ধা  ভাব আসলো। কিন্তু একটু পরেই মুকুন্দের মুখে ভাগবতের শ্লোক শুনে বিদ্যানিধির মহাপ্রেম-বিকার দর্শনে গদাধর অত্যন্ত বিস্মিত হলেন, মনে বড় চিন্তা হল, এইরকম প্রেমিক পুরুষকে দেখে আমি অবজ্ঞা করলাম! কি অশুভ মূহূর্তে আমি সাধু দর্শনে আসলাম! মুকুন্দকে জড়িয়ে ধরে বলছেন আমার বন্ধুর মত কার্য করলে।
এহেন ভক্তিমান প্রেমনিধি আমাকে দর্শন করালে।কিন্তু আমার অপরাধ হয়ে গেল। আমি মনে মনে দুর্ভাবনা করেছি। তাই উনার কাছে মন্ত্র নেব।শিষ্য হলে আমার সকল অপরাধ ক্ষমা করবেন। মুকুন্দ বললেন -"খুব ভালো কথা"!
  বিদ্যানিধির বাহ্য হলে সব কথা বললেন -"আপনার বিষয় ব্যবহার দেখে গদাধরের মনে একটু অভাব এসেছিল, তাই আপনার কাছে দীক্ষা নিতে চায়।শুনে বিদ্যানিধি আহ্লাদিত হলেন ও বললেন বিধাতা আমাকে মহারত্ন মিলালেন। অনেক জন্মের ভাগ্যে এমন শিষ্য পাওয়া যায়।
মুকুন্দের সঙ্গে গদাধর ঘরে ফিরে আসলেন ও মহাপ্রভু কে সব কথা জানালেন।

গদাধর মহাপ্রভুর কাছে আজ্ঞা চাইলেন। মহাপ্রভুর অনুমতিক্রমে
যথাসময়ে মন্ত্রদীক্ষা হয়ে গেল।

মহাপ্রভু সন্ন্যাস গ্রহণ করলে বিরহে ব্যাকুল হয়ে গদাধরও নীলাচলে গমন করলেন। মহাপ্রভু রাধাভাবে কৃষ্ণমাধুরী আস্বানের জন্য সন্ন্যাস গ্রহণ করেছিলেন। রাধারাণির সেবাশক্তি গদাধরকে  টোটাগোপীনাথের সেবা দিয়ে মহাপ্রভু নিজের কাছেই তাঁর প্রাণপ্রিয় গদাধরকে রেখেছিলেন।
সারাজীবন প্রাণ ঢেলে গদাধর গোপীনাথের সেবা করেছিলেন, কিন্তু নিষ্ঠা ছিল গৌর চরণে।
একবার শ্রীমন্নিত্যানন্দ প্রভু গৌড়দেশ হতে অতি সুক্ষ্ম এক মাণ (একমান চাল- ছয় সেরের কিঞ্চিৎ অধিক) চাল ও একটি রঙিন শাড়ি এনে গদাধরকে দিলেন, গোপীনাথের সেবার জন্য।গদাধর শাড়িখানা গোপীনাথকে পরালেন, অদ্ভুত শোভা হল। বাগান থেকে শাক তুলে রন্ধন করলেন আর তেতুল পাতা বেটে লবন দিয়ে ব্যঞ্জন তৈরি করলেন। নিতাই আনীত চালের অন্ন ভোগ লাগালেন গোপীনাথের। এত সুন্দর পরিপাটি করে ভোগ লাগালেন! কিন্তু মহাপ্রভুকে নিমন্ত্রন করলেন না গদাধর। এখানে মনে হতে পারে গদাধর মহাপ্রভুকে না দিয়ে নিজেই উপভোগ করতে চাইছেন নিত্যানন্দের প্রীতি উপহার? কিন্তু না, তেমনটি নয়। হতেই পারে না। প্রাণ প্রিয়তম বন্ধুকে না দিয়ে নিজে উপভোগ করা যায়? তাহলে তো স্বার্থপর হয়ে যাবে! কিন্তু আমার গদাধর তো স্বার্থপর নয়। কোটিপ্রাণ নির্মঞ্ছনীয় বন্ধু , যার জন্য ক্ষেত্রসন্ন্যাস ত্যাগ করতে, এমনকি নরকে যেতেও প্রস্তুত! সেই প্রাণপ্রিয় আরাধ্যদেবতা কে না দিয়ে নিজেই ভোগ করবেন? গদাধরের মনের ইচ্ছা, সবার সামনে নিমন্ত্রণ করলে সপরিকরে মহাপ্রভু আসবেন। সকলের সামনে একান্ত প্রেমের গাঢ়তা স্ফূর্ত হবে না। তার হৃদয়ের অধীশ্বর কে একান্তে না পেলে সেবা করে সুখ হবে না। তাই তিনি প্রাণে প্রাণে ডাকতে লাগলেন। এই ঐকান্তিকতা যখন চরম সীমায় পৌঁছাল তখন মহাপ্রভুর প্রাণের সাড়া জাগালো। মহাপ্রভু কে বিবশ করে টেনে আনলো গদাধরের প্রাণঢালা ভালোবাসা। মহাপ্রভু আর স্থির থাকতে পারলেন না গদাধরের প্রেমাকর্ষণের টানে। প্রেমাধীন গৌরচন্দ্র এসে উপনীত হলেন গদাধরের টোটাগোপীনাথের অঙ্গনে।
গদাধরের প্রেমের টানে ও নিতাই আনীত তণ্ডুলের আকর্ষণে মহাপ্রভু এসে ডাকতে লাগলেন। 
গদাধর! ও গদাধর!!
 বলে ডাকছেন গৌরহরি। প্রাণ প্রিয়তম দ্বারে দাঁড়িয়ে ডাকছেন, শুনে ছুটে আসলেন গদাধর , হাতে ধরে নিয়ে ভেতরে বসালেন। আজ তার অভিলাষ পূর্ণ হলো প্রাণের ডাক শুনেছেন তিনি ।আজ যে কি আনন্দ তা ভাষায় ব্যক্ত করা সম্ভব নয়। মহাপ্রভু প্রণয়ভরে বলছেন গদাধর! একি তোমার ব্যবহার? নিতাই আনীত তণ্ডুল আর গোপীনাথের প্রসাদ এতে কি আমার ভাগ নেই? তুমি একবার আমাকে নিমন্ত্রনও করলে না! মহাপ্রভু চাইছেন গদাধরের প্রেম তার মুখ দিয়েই প্রকাশ করা। কিন্তু গদাধর হৃদয়ের প্রেম প্রকাশ করলেন না, প্রেম প্রকাশিত হলেই তার মূল্য কমে যায়। হৃদয়ের প্রেম হৃদয়ে অনুভূত হয়। তাই গদাধর হাতে ধরে নিয়ে বসালেন আসনে। গৌরগদাধরের প্রেমরঙ্গ দেখে নিতাই মনে মনে অনুভব করছেন আর আনন্দ সাগরে ভেসে যাচ্ছেন। গদাধর গোপীনাথের পুরো পারশটা এনে মহাপ্রভুর সামনে ধরে দিলেন। মহাপ্রভু বলছেন - গদাধর! প্রসাদ তিন জায়গায় পরিবেশন করো আমরা তিনজন একসঙ্গেই প্রসাদ পাবো। মহানন্দে একসঙ্গে নিতাই-গৌরাঙ্গ-গদাইয়ের অপরূপ ভোজন-বিলাস নানা হাস-পরিহাস রসের মধ্য দিয়ে সম্পূর্ণ হল। প্রসাদের সুঘ্রাণে সারা টোটা (বাগান)আমোদিত হয়ে উঠল।ভক্তবৃন্দ খুঁজতে খুঁজতে এসে উপস্থিত হলেন। মহাপ্রভুর ভোজন অন্তে সকলে অধরামৃত লুণ্ঠন করলেন।
গদাধর তাম্বুল অর্পণ করলেন। তিনজনে নির্জনে বসে কতই প্রেমালাপ আর কতই আনন্দের ঢেউ উঠতে লাগলো। মরমী জন অনুভব করলেন।

নিতাই অনঙ্গমঞ্জরী-  গদাধর রাই-কিশোরী।

গদাধর ক্ষেত্র-সন্ন্যাস গ্রহণ করেছিলেন, অর্থাৎ নীলাচলের বাইরে কখনো যাবেন না।
কিন্তু গৌরপ্রীতির এমন আকর্ষণ মহাপ্রভু যখন বৃন্দাবনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করলেন, তখন উনি থাকতে পারেন নাই। মহাপ্রভুর নিষেধ সত্ত্বেও কটক পর্যন্ত গিয়েছিলেন।
 *"ক্ষেত্র সন্ন্যাস না ছাড়িহ প্রভু  নিষেধিলা।।*

*পন্ডিত কহে যাঁহা তুমি সেই নীলাচল*।
 *ক্ষেত্র-সন্ন্যাস মোর যাউক রসাতল।।*

 *প্রভু কহে ইঁহা করো গোপীনাথ সেবন।*
*পন্ডিত কহে কোটি সেবা তৎপদ দর্শন।।*

মহাপ্রভু যখন কিছুতেই ফেরাতে পারলেন না।তখন কঠোরতা প্রকাশ করে বললেন - *"গদাধর! তুমি অতি স্বার্থপর! নিজের সুখ ছাড়া তুমি আর কিছুই জান না।এ তোমার সংকীর্ণ মনের পরিচয়।তুমি নিজের সুখ চাও? না আমার সুখ চাও? যদি সত্যিই আমাকে সুখী করতে চাও তাহলে আমার সঙ্গ ত্যাগ করে এখনই নীলাচলে ফিরে যাও। গোপীনাথের সেবায় নিজেকে সমর্পণ কর।"*
সব ছাড়ি আজ্ঞা বলবান। এতক্ষণ ছিল সখ্যতা, কিন্তু এখন হল আদেশ। সুতরাং গদাধরের আর কিছুই করার থাকল না। বিরহে মূর্চ্ছিত হয়ে পড়লেন। সার্বভৌমের উপর ভার ন্যস্ত করে মহাপ্রভু অগ্রসর হলেন গৌড়মন্ডলের দিকে। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে গদাধরের গৌরপ্রীতির গভীরতা উপলব্ধি করা যায়।

একজন পুরুষ দেহধারী মানুষ সারাটি জীবন নারীভাবে মহাপ্রভুকে সেবা করে গিয়েছেন। কত ত্যাগ, কত ধৈর্য, ও কত সেবাপরায়ণ হলে যে তি সম্ভব,  চিন্তা করলে বিস্মিত হতে হয়।

তার আরেকটি বৈশিষ্ট্য ছিল শ্রীভাগবত পাঠ। তাঁর মুখে ভাগবত শ্রবণ না করলে মহাপ্রভুর প্রাণে শান্তি হতো না। সেজন্য তিনি প্রত্যহ মহাপ্রভুকে ভাগবত পাঠ করে শোনাতেন। গদাধরের হাতে লেখা ভাগবতে মহাপ্রভু নিচে কিছু পাদটীকা লিখে দিয়েছিলেন। মহাপ্রভুর ও
 গদাধরের চোখের জলে ভাগবত ভিজে যেত, শেষে ভাগবত পাঠ করাও দুষ্কর হয়ে গিয়েছিল।

মহাপ্রভুর সঙ্গোপনের অনধিক এক বছরের মধ্যে বিরহ জ্বালা সইতে না পেরে (ইংরেজি ১৫৩৪ খ্রিস্টাব্দে ) প্রায় ৪৭ বছর বয়সে অপ্রকট লীলায় প্রবিষ্ট হন।

তাও কদাচিৎ শ্রীনিবাসাচার্য প্রভুকে দর্শন দানের জন্যই কিছুকাল প্রাণ ধারণ করে ছিলেন।

তাঁর বিরহে প্রাণ কি বাঁচে এতক্ষণ।
 প্রতীক্ষা সে মাত্র শ্রীনিবাস আগমন।।

 গদাধরের কোন দেহ সমাধি নেই।কোথায় কিভাবে লীন হয়ে গিয়েছেন তারও কোন নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায় না। হয়তো বা তিনি নিজের প্রাণনাথের চরণেই আত্মসমর্পণ করেছিলেন।।

"নিতাই-গৌরাঙ্গ-গদাই,
অনঙ্গ--কানাই---রাই।"
সবাই মিলে জয় দাও-
নিতাই-গৌর-গদাধরের।।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏
*জয় নিতাই!*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧      
 ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-বাগুইপাড়া, বাগুইআটি,  উত্তর চব্বিশ পরগনা, কোলকাতা-৭০০১৫৯
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

হরে নামের অর্থ কি ❓ কৃষ্ণ নামের অর্থ কি ❓ 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/04/hare-krishna.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                  ꧁ হরে নামের অর্থ কি ❓ ꧂
                  ꧁ কৃষ্ণ নামের অর্থ কি ❓꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
ঈশ্বরঃ পরমঃ কৃষ্ণঃ সচ্চিদানন্দ বিগ্রহঃ।
অনাদিরাদি গৌবিন্দঃ সর্ব্বকারণকারণম্ ।।
🙏 ব্রহ্ম সংহিতা 🙏
“ব্রহ্ম সংহিতা”য় বলিয়াছেন—ব্রজরাজনন্দ-নন্দন শ্রীকৃষ্ণই পরম ঈশ্বর, সৎ, চিৎ, আনন্দই তাঁর শ্রীবিগ্রহ, তিনি আদি (কারণ শূন্য) তাই অনাদি, তিনি সকলের কারণ এই হেতু আদি, সকল কারণের তিনিই মূল কারণ, এই হেতু তিন—'সর্ব্বকারণ কারণ? ॥

"হরি" শব্দের সম্বোধনে—হে হরে ॥
রাসাদি প্রেমসৌখ্যার্থে হরেহরতি যা মনঃ।
হরা সা গীয়তে সদ্-ভি বৃষভানুসুতা পরা ॥
🙏 শ্রীগম্ভীরা মাহাত্ম্য 🙏
অনন্ত শক্তির মহা নিকেতন শ্রীকৃষ্ণের স্বরূপভূতা শক্তি যে ‘আহ্লাদিনী’, তাঁহার চরম বিকাশরূপ যে—“মহাভাব” তৎস্বরূপিনী শ্রীবৃষভানুস্থতা শ্রীরাধা, পরা স্বরূপ শক্তিরূপা—তিনিই জগজ্জন চিত্তহারী হরির মন, রাসাদি বিলাস বৈদগ্ধী প্রকটনে প্রেম সুখ আস্বাদন করাইয়া হরণ করেন, অতএব 'তিনিই ‘হরা' এই রাধাবাচক ‘হর।' সম্বোধন —“হে হরে !”

স্বরূপ প্রেম বাৎসল্যৈ হরেহরতি যা মনঃ। 
হরা স কথ্যতে সদ্-ভিঃ শ্রীরাধা বৃষভানুজা ৷৷
🙏 শ্রীগম্ভীরা মাহাত্ম্য 🙏
বৃষভানুনন্দিনী শ্রীরাধাই সর্ব্বচিত্তহারী হরির মন, নিজ রূপ মাধুৰ্য্য, গুণ মাধুৰ্য্য, প্রেমমাধুর্য্য এবং “মধুর রসাশ্রিত” বাৎসল্যাদি দ্বারা হরণ করেন বলিয়া তত্ত্বজ্ঞগণ তাঁহাকেই ‘হর৷' এই নামে অভিহিত করিয়া থাকেন, তং সম্বোধনে ‘হরে !’

হরতি শ্রীকৃষ্ণমনঃ কৃষ্ণাহ্লাদ স্বরূপিনী।
অতো হরেত্যনেনৈব শ্রীরাধা পরিগীয়তে ॥৮॥
🙏 শ্রীগম্ভীরা মাহাত্ম্য 🙏
স্বরূপভূতা—আহ্লাদশক্তি স্বরূপিনী, শ্রীরাধা, স্বীর মন হরণকারী হরির মন হরণ করেন, এই হেতু ‘হরা' এই পদে‌ শ্রীরাধাই পরিগীত হয়েন, তৎ সম্বোধনে ‘হরে’।


কৃষিভূর্বাচকঃ শব্দো নশ্চ নির্বৃতি বাচকঃ ।
তয়ে৷রৈক্যং পরংব্রহ্ম কৃষ্ণ ইত্যভিধীয়তে ৷৷
🙏 শ্রীগম্ভীরা মাহাত্ম্য 🙏
‘কৃষ’ ধাতু আকর্ষণার্থক সত্তাবাচক, এইরূপ ‘ণ' শব্দটি নিবৃতি আনন্দবাচক, এই দুইটি পদের ঐক্যরূপেই পরব্রহ্ম‌ কৃষ্ণকে বুঝায়, অর্থাৎ যিনি নিখিল চরাচরাত্মক বিশ্বকে স্বীয় আকর্ষণাত্মক আনন্দ সত্তা দ্বারা সৃষ্টি করেন, সৃষ্টকে পালন করেন এবং তাহাতেই লীন করান, সেই পরব্রহ্মই ‘কৃষ্ণ’ এই শব্দে অভিহিত হয়েন ॥
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧





হরে নামের অর্থ কি ❓ কৃষ্ণ নামের অর্থ কি ❓ 🙏 শ্রী মৃন্ময় নন্দী কর্ত্তৃক সকল ভক্ত চরণে অসংখ্যকোটি প্রণাম 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/04/hare-krishna.html

  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
                  ꧁ হরে নামের অর্থ কি ❓ ꧂
                  ꧁ কৃষ্ণ নামের অর্থ কি ❓꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧   
  ꧁ টিকা বা অন্যান্য ধর্মীয় লিখনী 🙏 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
   ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
ঈশ্বরঃ পরমঃ কৃষ্ণঃ সচ্চিদানন্দ বিগ্রহঃ।
অনাদিরাদি গৌবিন্দঃ সর্ব্বকারণকারণম্ ।।
🙏 ব্রহ্ম সংহিতা 🙏
“ব্রহ্ম সংহিতা”য় বলিয়াছেন—ব্রজরাজনন্দ-নন্দন শ্রীকৃষ্ণই পরম ঈশ্বর, সৎ, চিৎ, আনন্দই তাঁর শ্রীবিগ্রহ, তিনি আদি (কারণ শূন্য) তাই অনাদি, তিনি সকলের কারণ এই হেতু আদি, সকল কারণের তিনিই মূল কারণ, এই হেতু তিন—'সর্ব্বকারণ কারণ? ॥

"হরি" শব্দের সম্বোধনে—হে হরে ॥
রাসাদি প্রেমসৌখ্যার্থে হরেহরতি যা মনঃ।
হরা সা গীয়তে সদ্-ভি বৃষভানুসুতা পরা ॥
🙏 শ্রীগম্ভীরা মাহাত্ম্য 🙏
অনন্ত শক্তির মহা নিকেতন শ্রীকৃষ্ণের স্বরূপভূতা শক্তি যে ‘আহ্লাদিনী’, তাঁহার চরম বিকাশরূপ যে—“মহাভাব” তৎস্বরূপিনী শ্রীবৃষভানুস্থতা শ্রীরাধা, পরা স্বরূপ শক্তিরূপা—তিনিই জগজ্জন চিত্তহারী হরির মন, রাসাদি বিলাস বৈদগ্ধী প্রকটনে প্রেম সুখ আস্বাদন করাইয়া হরণ করেন, অতএব 'তিনিই ‘হরা' এই রাধাবাচক ‘হর।' সম্বোধন —“হে হরে !”

স্বরূপ প্রেম বাৎসল্যৈ হরেহরতি যা মনঃ। 
হরা স কথ্যতে সদ্-ভিঃ শ্রীরাধা বৃষভানুজা ৷৷
🙏 শ্রীগম্ভীরা মাহাত্ম্য 🙏
বৃষভানুনন্দিনী শ্রীরাধাই সর্ব্বচিত্তহারী হরির মন, নিজ রূপ মাধুৰ্য্য, গুণ মাধুৰ্য্য, প্রেমমাধুর্য্য এবং “মধুর রসাশ্রিত” বাৎসল্যাদি দ্বারা হরণ করেন বলিয়া তত্ত্বজ্ঞগণ তাঁহাকেই ‘হর৷' এই নামে অভিহিত করিয়া থাকেন, তং সম্বোধনে ‘হরে !’

হরতি শ্রীকৃষ্ণমনঃ কৃষ্ণাহ্লাদ স্বরূপিনী।
অতো হরেত্যনেনৈব শ্রীরাধা পরিগীয়তে ॥৮॥
🙏 শ্রীগম্ভীরা মাহাত্ম্য 🙏
স্বরূপভূতা—আহ্লাদশক্তি স্বরূপিনী, শ্রীরাধা, স্বীর মন হরণকারী হরির মন হরণ করেন, এই হেতু ‘হরা' এই পদে‌ শ্রীরাধাই পরিগীত হয়েন, তৎ সম্বোধনে ‘হরে’।


কৃষিভূর্বাচকঃ শব্দো নশ্চ নির্বৃতি বাচকঃ ।
তয়ে৷রৈক্যং পরংব্রহ্ম কৃষ্ণ ইত্যভিধীয়তে ৷৷
🙏 শ্রীগম্ভীরা মাহাত্ম্য 🙏
‘কৃষ’ ধাতু আকর্ষণার্থক সত্তাবাচক, এইরূপ ‘ণ' শব্দটি নিবৃতি আনন্দবাচক, এই দুইটি পদের ঐক্যরূপেই পরব্রহ্ম‌ কৃষ্ণকে বুঝায়, অর্থাৎ যিনি নিখিল চরাচরাত্মক বিশ্বকে স্বীয় আকর্ষণাত্মক আনন্দ সত্তা দ্বারা সৃষ্টি করেন, সৃষ্টকে পালন করেন এবং তাহাতেই লীন করান, সেই পরব্রহ্মই ‘কৃষ্ণ’ এই শব্দে অভিহিত হয়েন ॥
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧





বরুথিনী 🌙একাদশী🌙 ব্রত মাহাত্ম্য ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/04/ekadoshi.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
            ꧁ বরুথিনী একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য ꧂
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ Gopisharan.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*বরুথিনী একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য।* 

বৈশাখ কৃষ্ণপক্ষীয়া বরুথিনী একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য- ভবিষ্যোত্তর পুরাণে।

যুধিষ্ঠির-শ্রীকৃষ্ণ সংবাদে বর্ণনা করা হয়েছে।যুধিষ্ঠির মহারাজ শ্রীকৃষ্ণকে বললেন- হে বাসুদেব! আপনাকে প্রণাম। 

বৈশাখ মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী কি নামে প্রসিদ্ধ এবং তার মহিমাই বা কি তা কৃপা করে আমাকে বলুন।

শ্রীকৃষ্ণ বললেন- হে রাজন! ইহলোক ও পরলোকে বৈশাখ মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশী ‘বরুথিনী’ নামে বিখ্যাত। এই ব্রত পালনে সর্বদা সুখ লাভ হয় এবং পাপক্ষয় ও সৌভাগ্য প্রাপ্তি ঘটে। দুর্ভাগা স্ত্রীলোক এই ব্রত পালনে সর্বসৌভাগ্য লাভ করে থাকে। 

ভক্তি ও মুক্তি প্রদানকারী এই ব্রত সর্বপাপহরণ এবং গর্ভবাস যন্ত্রণা বিনাশ করে। এই ব্রত প্রভাবে মান্ধাতা, ধুন্ধুমার আদি রাজারা দিব্যধাম লাভ করেছেন। এমনকি মহাদেব শিবও এই ব্রত পালন করেছিলেন। 

দশ হাজার বৎসর তপস্যার ফল কেবলমাত্র এক বরুথিনী ব্রত পালনে লাভ হয়। যে শ্রদ্ধাবান ব্যক্তি এই ব্রত পালন করেন তিনি ইহলোক ও পরলোকে সমস্ত প্রকার বাঞ্চিত ফল লাভ করেন।

হে নৃপশ্রেষ্ঠ! অশ্বদান অপেক্ষা গজদান শ্রেষ্ঠ, গজদান থেকে ভূমিদান, তা থেকে তিলদান, তিলদান থেকে স্বর্ণদান এবং তা অপেক্ষা অন্নদান শ্রেষ্ঠ। অন্নদানের মত শ্রেষ্ঠদান আর নেই। 

পিতৃলোক, দেবলোক ও মানুষেরা অন্নদানেই পরিতৃপ্ত হন। পন্ডিতেরা কন্যাদানকে অন্নদানের সমান বলে থাকেন। স্বয়ং ভগবান গোদানকে অন্নদানের সমান বলেছেন। আবার এই সমস্ত প্রকার দান থেকেও বিদ্যাদান শ্রেষ্ঠ। 

কিন্তু এই বরুথিনী ব্রত পালনে সেই বিদ্যাদানের সমান ফল লাভ হয়ে থাকে।পাপমতি যে সব মানুষ কন্যার উপার্জিত অর্থে জীবনধারণ করে, পুণ্যক্ষয়ে তাদের নরকযাতনা ভোগ করতে হয়। তাই কখনও কন্যার উপার্জিত অর্থ গ্রহণ করা উচিত নয়। 

যে ব্যক্তি বিভিন্ন স্বর্ণালঙ্কার সহ কন্যাদান করেন তাঁর পুণ্যের হিসাব স্বয়ং চিত্রগুপ্তও করতে অসমর্থ হন। কিন্তু ‘বরুথিনী’ ব্রত পালনকারী কন্যাদান থেকেও বেশি ফল লাভ করে।ব্রতকারী ব্যক্তি দশমীর দিনে কাঁসার পাত্রে ভোজন, মাংস, মসুর, ছোলা, শাক, মধু, অন্যের প্রদত্ত অন্নগ্রহণ, দুইবার আহার ও মৈথুন পরিত্যাগ করবে।

 দ্যূতক্রীড়া, নেশাজাতীয় দ্রব্য, দিবানিদ্রা, পরনিন্দা-পরচর্চা, প্রতারণা, চুরি, হিংসা, মৈথুন, ক্রোধ ও মিথ্যাবাক্য একাদশীর দিনে বর্জনীয়। কাঁসার পাত্রে ভোজন, মাংস, মসুর, মধু, তেল, মিথ্যাভাষণ, ব্যায়াম, দুইবার আহার ও মৈথুন এসব দ্বাদশীর দিনে পরিত্যাজ্য।

হে রাজন! এই বিধি অনুসারে বরুথিনী ব্রত পালনে সকল প্রকার পাপের বিনাশ এবং অক্ষয় গতি লাভ হয়। যিনি হরিবাসরে রাত্রিজাগরণ করে ভগবান জনার্দনের পূজা করেন, তিনি সর্বপাপ মুক্ত হয়ে পরমগতি লাভ করেন।তাই সূর্যপুত্র যমরাজের যাতনা থেকে পরিত্রাণের জন্য পরম যত্নে এই একাদশী ব্রত পালন করা কর্তব্য।

 বরুথিনী একাদশীর ব্রতকথা শ্রদ্ধাভরে পাঠ বা শ্রবণ করলে সহস্র গোদানের ফল লাভ হয় এবং সর্বপাপ থেকে মুক্ত হয়ে বিষ্ণুলোকে গতি হয়।

#জয় নিতাই।।
🙏🏼🙏🏼
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

বরুথিনী 🌙একাদশী🌙 ব্রত মাহাত্ম্য ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/04/ekadoshi.html

 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
            ꧁ বরুথিনী একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য ꧂
       ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
     🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚
꧁ MrinmoyNandy.blogspot.com 👉 সূচীপত্র ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
   ꧁ Gopisharan.blogspot.com 🙏 সূচীপত্র ꧂
      ꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী গোপীশরণ দাস ꧂
       এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন 
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*বরুথিনী একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য।* 

বৈশাখ কৃষ্ণপক্ষীয়া বরুথিনী একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য- ভবিষ্যোত্তর পুরাণে।

যুধিষ্ঠির-শ্রীকৃষ্ণ সংবাদে বর্ণনা করা হয়েছে।যুধিষ্ঠির মহারাজ শ্রীকৃষ্ণকে বললেন- হে বাসুদেব! আপনাকে প্রণাম। 

বৈশাখ মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী কি নামে প্রসিদ্ধ এবং তার মহিমাই বা কি তা কৃপা করে আমাকে বলুন।

শ্রীকৃষ্ণ বললেন- হে রাজন! ইহলোক ও পরলোকে বৈশাখ মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশী ‘বরুথিনী’ নামে বিখ্যাত। এই ব্রত পালনে সর্বদা সুখ লাভ হয় এবং পাপক্ষয় ও সৌভাগ্য প্রাপ্তি ঘটে। দুর্ভাগা স্ত্রীলোক এই ব্রত পালনে সর্বসৌভাগ্য লাভ করে থাকে। 

ভক্তি ও মুক্তি প্রদানকারী এই ব্রত সর্বপাপহরণ এবং গর্ভবাস যন্ত্রণা বিনাশ করে। এই ব্রত প্রভাবে মান্ধাতা, ধুন্ধুমার আদি রাজারা দিব্যধাম লাভ করেছেন। এমনকি মহাদেব শিবও এই ব্রত পালন করেছিলেন। 

দশ হাজার বৎসর তপস্যার ফল কেবলমাত্র এক বরুথিনী ব্রত পালনে লাভ হয়। যে শ্রদ্ধাবান ব্যক্তি এই ব্রত পালন করেন তিনি ইহলোক ও পরলোকে সমস্ত প্রকার বাঞ্চিত ফল লাভ করেন।

হে নৃপশ্রেষ্ঠ! অশ্বদান অপেক্ষা গজদান শ্রেষ্ঠ, গজদান থেকে ভূমিদান, তা থেকে তিলদান, তিলদান থেকে স্বর্ণদান এবং তা অপেক্ষা অন্নদান শ্রেষ্ঠ। অন্নদানের মত শ্রেষ্ঠদান আর নেই। 

পিতৃলোক, দেবলোক ও মানুষেরা অন্নদানেই পরিতৃপ্ত হন। পন্ডিতেরা কন্যাদানকে অন্নদানের সমান বলে থাকেন। স্বয়ং ভগবান গোদানকে অন্নদানের সমান বলেছেন। আবার এই সমস্ত প্রকার দান থেকেও বিদ্যাদান শ্রেষ্ঠ। 

কিন্তু এই বরুথিনী ব্রত পালনে সেই বিদ্যাদানের সমান ফল লাভ হয়ে থাকে।পাপমতি যে সব মানুষ কন্যার উপার্জিত অর্থে জীবনধারণ করে, পুণ্যক্ষয়ে তাদের নরকযাতনা ভোগ করতে হয়। তাই কখনও কন্যার উপার্জিত অর্থ গ্রহণ করা উচিত নয়। 

যে ব্যক্তি বিভিন্ন স্বর্ণালঙ্কার সহ কন্যাদান করেন তাঁর পুণ্যের হিসাব স্বয়ং চিত্রগুপ্তও করতে অসমর্থ হন। কিন্তু ‘বরুথিনী’ ব্রত পালনকারী কন্যাদান থেকেও বেশি ফল লাভ করে।ব্রতকারী ব্যক্তি দশমীর দিনে কাঁসার পাত্রে ভোজন, মাংস, মসুর, ছোলা, শাক, মধু, অন্যের প্রদত্ত অন্নগ্রহণ, দুইবার আহার ও মৈথুন পরিত্যাগ করবে।

 দ্যূতক্রীড়া, নেশাজাতীয় দ্রব্য, দিবানিদ্রা, পরনিন্দা-পরচর্চা, প্রতারণা, চুরি, হিংসা, মৈথুন, ক্রোধ ও মিথ্যাবাক্য একাদশীর দিনে বর্জনীয়। কাঁসার পাত্রে ভোজন, মাংস, মসুর, মধু, তেল, মিথ্যাভাষণ, ব্যায়াম, দুইবার আহার ও মৈথুন এসব দ্বাদশীর দিনে পরিত্যাজ্য।

হে রাজন! এই বিধি অনুসারে বরুথিনী ব্রত পালনে সকল প্রকার পাপের বিনাশ এবং অক্ষয় গতি লাভ হয়। যিনি হরিবাসরে রাত্রিজাগরণ করে ভগবান জনার্দনের পূজা করেন, তিনি সর্বপাপ মুক্ত হয়ে পরমগতি লাভ করেন।তাই সূর্যপুত্র যমরাজের যাতনা থেকে পরিত্রাণের জন্য পরম যত্নে এই একাদশী ব্রত পালন করা কর্তব্য।

 বরুথিনী একাদশীর ব্রতকথা শ্রদ্ধাভরে পাঠ বা শ্রবণ করলে সহস্র গোদানের ফল লাভ হয় এবং সর্বপাপ থেকে মুক্ত হয়ে বিষ্ণুলোকে গতি হয়।

#জয় নিতাই।।
🙏🏼🙏🏼
 ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
      ✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
নিবাস-শ্রীশ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর জন্মস্থান, একচক্রা, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ। 
  ✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
    *••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••* 
                   শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
              হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
              হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
              হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
  *••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
   💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧

adds