✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
১৩. শ্রীকৃষ্ণদাস কবিরাজ বিরচিত কৃষ্ণলীলা এবং চৈতন্যলীলার মহিমা মাহাত্ম্য ও মাধুর্য্য 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori13.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁🏠Home Page🏠⬇️⬇️🙏⬇️⬇️📚PDF গ্রন্থ📚꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
꧁ ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ ꧂
এই লিংকে ⬇️⬇️⬇️🙏⬇️⬇️⬇️ ক্লিক করুন
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏👇পূর্ব লীলা 👇🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
১২. শ্রীকৃষ্ণদাস কবিরাজ বিরচিত কৃষ্ণলীলা এবং চৈতন্যলীলার মহিমা মাহাত্ম্য ও মাধুর্য্য 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori12.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*(১৩)বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী*
.. ••••••••••••••••••••••••••••••
*শ্রীপাদ কবিরাজ গোস্বামী বিরচিত কৃষ্ণলীলা এবং চৈতন্যলীলার মহিমা মাহাত্ম্য ও মাধুর্য্য।*
▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪
*"লীলা ভাবের ভক্তগণ ••••••হবে প্রেমোল্লাস।।"*
*🌷কবিরাজ মহাশয় এই ভাবটিকে আরও বিশ্লেষণ করে বলেছেন যে সরোবরের স্বচ্ছ বা নির্মল জলে যেরকম মরালগণ বিহরণ করে অর্থ্যাৎ মনের সুখে ভেসে ভেসে বেড়ায় এবং এক একবার ডুব দিয়ে যেরকম পদ্মফুলের গুড়ি হতে খাদ্য আহরণ করে, কৃষ্ণভক্তি পিয়াসী সাধু ও বৈষ্ণবগণও সেইরকম এই অক্ষয় সরোবরের তীরে বসে ভজনানন্দে কৃষ্ণপ্রেম রসসুধা এবং কৃষ্ণপ্রেম মাধুর্য্য উপভোগ করেন।পরম ভাগবত চূড়ামণি কবিরাজ মহাশয় বলেছেন যে কল্পনা প্রসূত এই সরোবরের তীরে বসে মহাত্মাগণ যেন লীলারস আস্বাদনের মাধ্যমে বিলীন হয়ে যান এবং তখন যেন আর তীরে বসে ভজনে উল্লাস প্রাপ্ত হন না, তার ফলে রাজহংসের মতো এই অক্ষয় সরোবরে অবগাহন(স্নান)করবার জন্য যেন মন প্রাণ ব্যাকুল হয়ে পড়ে। অর্থ্যাৎ রাজহংস যেরকম সেই অক্ষয় সরোবরে বিচরণ কালে মাঝে মাঝে ডুব দিয়ে মৃণালের মূল হতে আহার্য্য সংগ্রহ করে, প্রকৃত সাধকও তখন তাঁরা মূল হতে ভক্তিরূপী খাদ্য সংগ্রহ করে আত্মার ক্ষুধা নিবারণ করেন।কারণ তখন তাঁরা সাধনার উচ্চ শিখরে আরোহিত, দেহবোধ নাই, ক্ষুধা-তৃষ্ণা বর্জন করেন এবং সবই ভাব রাজ্যের খেলা।প্রকৃত দেহের ক্ষুধা তখন আর থাকে না এবং তাঁরা শুধু চান মরালের মতো ভেসে বেড়াতে এবং সমীরণের তাড়নে যে উর্মিরাজীর(উর্ধ গমনের) প্রবাহ হয় তাতে দোদুল্যমান থাকতে।অমৃতময় সেই অক্ষয় সরোবরের অতল গর্ভে যে নীলপদ্ম (কৃষ্ণপদ্ম) প্রস্ফুটিত আছেন তাঁর কাছে যাবার জন্য তাঁদের মন তখন ব্যাকুল হয়ে পড়ে।দেহের ক্ষুধার অবলুপ্তি ঘটে এবং আত্মার ক্ষুধার যেন আর নিবারণ হয় না। এর আর একটি বৈশিষ্ট্য এই যে এই সরোবরে যিনি একবার ঝাঁপ দিয়েছেন তিনি আর কিছুতেই ফিরে আসতে চান না এবং জীবনটিকে উৎসর্গ করে দেন সেই মহান সৃষ্টিকর্তার চরণতলে।*
*🍁এই ভাবধারাটি "কীর্তন বিলাস" গ্রন্থে একটি জায়গায় অতীব সুন্দর ভাবে বর্ণিত হয়েছে==*
*গৌর প্রেম সরোবর,কি অপরূপ মনোহর,*
*রাধাকৃষ্ণ প্রেম বিকারের ঢেউ উঠছে নিরন্তর।*
*🌹আবার নিত্যানন্দ প্রেম বাতাসে ঢেউ উঠছে অনিবার।*
*🌹শ্রীনিবাস গদাধর নরহরি মুকুন্দ স্বরূপ দামোদর।।*
*🌹তাঁরাই সবে হংস হয়ে সেই সরোবরে দেয় সাঁতার।*
*🌹তাঁরা সরোবরে জল আনতে গিয়ে ফিরে আসতে নারে আর।।*
*🌹সেই সরোবরেতে,কত শোভা হয় তাতে,*
*🌹নীলপদ্ম ঢাকা আছে স্বর্ণ পদ্মেতে।।*
*🌻অর্থ্যাৎ মহাপ্রভুর পার্ষদগণ এইরকম গৌর প্রেম সরোবরে সবসময়ই হংসরূপে ভেসে বেড়াচ্ছেন এবং একবার যাঁরা গাগরী বা কলস নিয়ে সেই সরোবরে জল আনতে যাচ্ছেন তাঁরা আর যেন কেউই ফিরে আসছেন না, সকলেই সেই গৌর প্রেম সরোবরে নিরন্তর ভেসে ভেসে এক অনির্বচনীয়(ব্যক্ত বা প্রকাশ করা যায় না) সুখ-অনুভব করছেন।মনে বাসনা যে সেই সরোবরের গভীর অন্তরালে বা আড়ালে যেখানে কৃষ্ণচন্দ্রকে রাধারাণী লুকিয়ে রেখেছেন সে জায়গার সন্ধান করা বা তাঁর কাছে পৌঁছানো।*
*🌲এইরকম ভজনে ডুবতে পারলে চিত্তে বিমল আনন্দের অনুভূতি হবে এবং পার্থিব সুখ দুঃখের লেশমাত্র তাঁদের স্পর্শ করতে পারবে না, কারণ তাঁরা তখন চিত্তে এক অব্যক্ত আনন্দ পাবেন,পরাশান্তি যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।*
🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸
*"এই অমৃত অনুক্ষণ সাধু••••••••••জীয়ে জীবগণ।"*
*🍀অতঃপর পরম ভাগবদ্ কৃষ্ণদাস কবিরাজ মহাশয় বলছেন যে মেঘ যেরকম কৃপা করে বারি-বরিষণের মাধ্যমে ধরণীকে শস্যশ্যামলা এবং উর্বর করে দেয় যার ফলে গাছপালা মাঠ সব ফুলে ফলে ভরে যায় সেইরকম জীবের কল্যাণের জন্য সাধু বৈষ্ণবগণ তাঁদের কৃপা বারি সিঞ্চনের জন্য সদাই বিচরণ করছেন এই ধরণীতলে, কিন্তু প্রকৃত আধার খুঁজে পাচ্ছেন না যাতে তাঁদের অর্জিত প্রেমভক্তি দান করতে পারেন।কারণ কৃষ্ণ-বহির্মুখী জীবের এমনই দুর্ভাগ্য যে তাদের সেই প্রেমভক্তি পাবার জন্য বিন্দুমাত্র আকাঙ্ক্ষা নাই কিন্তু পূর্ব জন্মের সুকৃতি-বশে যাঁরা সেই সাধুগুরু বৈষ্ণব প্রদত্ত প্রেমফল বা প্রেমভক্তি আস্বাদন করতে চান তাঁরা সেই কৃপা প্রভাবে সবসময় নামামৃত ভজন করেন।আর হতভাগ্য অবশিষ্ট জীবসকল বিষয়কীট রূপে বিষয়াসক্ত থাকেন এবং এ পথের ধার ধারে না।শান্তিপুরের বুড়া মালীকে উপলক্ষ্য করে কৃষ্ণদাস নামক আর এক মহা বৈষ্ণব যে পয়ারটি রচনা করেছিলেন তা এখানে দেওয়া হল*
*🍀পাইয়া ভক্তি জল,নাম-প্রেম দুই ফল,*
*প্রসবিল সে তরু সুন্দর।*
*🍀সে দুই ফলের আশে,জীব পাখী নিত্য আসে,*
*কোলাহল করে নিরন্তর।।*
*🌹অর্থ্যাৎ সাধু গুরু প্রদত্ত সেই নাম প্রেম আস্বাদনের মাধ্যমে প্রকৃত ভক্ত তাঁর জীবনকে মধুময় করে তোলেন যেমনটি হয় মেঘের কৃপাবারি বর্ষণের মাধ্যমে, যথা=সুজলাং সুফলাং মলয়জ শীতলাং শস্য শ্যামলাং মাতরম্ ইত্যাদি।*
🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥
*নন্দ রাজা তবে কন,শোন তুমি জনার্দন,*
*ইন্দ্রদেব স্বর্গে অতি শক্তিমান হন।*
*মেঘমালা আছে যত,সবে তার অনুগত,*
*ইন্দ্রের আজ্ঞায় বারি করে বরিষণ।।*
*উর্বরা এই বসুমতী,বারি পেলে তুষ্ট অতি,*
*তাহাতে প্রচুর হয় শস্যের ফলন।*
*সে কারণে সর্বজন,করে ইন্দ্রের পূজন,*
*অতএব মোরা করি পূজা আয়োজন।।*
*ক্রমাগত*
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
🙏 *ক্রমাগত* 🙏
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
১৪. শ্রীকৃষ্ণদাস কবিরাজ বিরচিত কৃষ্ণলীলা এবং চৈতন্যলীলার মহিমা মাহাত্ম্য ও মাধুর্য্য 🍀 বৈষ্ণব জগতের মাধুকরী 🏵️ শ্রীরবীন্দ্রনাথ রাহা ✍️ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ 📚 এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 http://mrinmoynandy.blogspot.com/2023/06/madhukori14.html
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
꧁ লিখনী সেবা- শ্রী জয়দেব দাঁ📱7001138871꧂
নিবাস- বাঁশবাড়ী, কীর্তন মন্দিরের পাশে, পোঃ- বাঁশবাড়ী, থানা- ইংরেজ বাজার, জেলা- মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, পিন কোড- ৭৩২১০১।
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
*••••┉━❀꧁ 🙏 রাধে রাধে 🙏 ꧂❀━┅••••*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
হরে কৃষ্ণ হরে রাম শ্রীরাধেগোবিন্দ।।
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় জগন্নাথ 🙏 ꧂❀━┅••••*
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে॥
*••••┉━❀꧁ 🙏 জয় রাধাকান্ত 🙏 ꧂ ❀━┅••••*
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
💮❀❈❀🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙇🙇🙇🙏🏻🙏🏻🙏🏻❀❈❀💮
✧═══════════•❁❀❁•═══════════✧
